All language subtitles for Pushpa The Rule Part 2 (2024) Leak Print Bangla Subtitle By Riyadh - Duration [03-16-37]

af Afrikaans
ak Akan
sq Albanian
am Amharic
ar Arabic
hy Armenian
az Azerbaijani
eu Basque
be Belarusian
bem Bemba
bn Bengali Download
bh Bihari
bs Bosnian
br Breton
bg Bulgarian
km Cambodian
ca Catalan
ceb Cebuano
chr Cherokee
ny Chichewa
zh-CN Chinese (Simplified)
zh-TW Chinese (Traditional)
co Corsican
hr Croatian
cs Czech
da Danish
nl Dutch
en English Download
eo Esperanto
et Estonian
ee Ewe
fo Faroese
tl Filipino
fi Finnish
fr French
fy Frisian
gaa Ga
gl Galician
ka Georgian
de German
el Greek
gn Guarani
gu Gujarati
ht Haitian Creole
ha Hausa
haw Hawaiian
iw Hebrew
hmn Hmong
hu Hungarian
is Icelandic
ig Igbo
id Indonesian
ia Interlingua
ga Irish
it Italian
ja Japanese
jw Javanese
kn Kannada
kk Kazakh
rw Kinyarwanda
rn Kirundi
kg Kongo
ko Korean
kri Krio (Sierra Leone)
ku Kurdish
ckb Kurdish (Soranî)
ky Kyrgyz
lo Laothian
la Latin
lv Latvian
ln Lingala
lt Lithuanian
loz Lozi
lg Luganda
ach Luo
lb Luxembourgish
mk Macedonian
mg Malagasy
ml Malayalam
mt Maltese
mi Maori
mr Marathi
mfe Mauritian Creole
mo Moldavian
mn Mongolian
my Myanmar (Burmese)
sr-ME Montenegrin
ne Nepali
pcm Nigerian Pidgin
nso Northern Sotho
no Norwegian
nn Norwegian (Nynorsk)
oc Occitan
or Oriya
om Oromo
ps Pashto
fa Persian
pl Polish
pt-BR Portuguese (Brazil)
pt Portuguese (Portugal) Download
pa Punjabi
qu Quechua
ro Romanian Download
rm Romansh
nyn Runyakitara
ru Russian
sm Samoan
gd Scots Gaelic
sr Serbian
sh Serbo-Croatian
st Sesotho
tn Setswana
crs Seychellois Creole
sn Shona
sd Sindhi
si Sinhalese
sk Slovak
sl Slovenian
so Somali
es Spanish
es-419 Spanish (Latin American)
su Sundanese
sw Swahili
sv Swedish
tg Tajik
ta Tamil
tt Tatar
te Telugu
th Thai
ti Tigrinya
to Tonga
lua Tshiluba
tum Tumbuka
tr Turkish
tk Turkmen
tw Twi
ug Uighur
uk Ukrainian
ur Urdu
uz Uzbek
vi Vietnamese Download
cy Welsh
wo Wolof
xh Xhosa
yi Yiddish
yo Yoruba
zu Zulu

Original subtitles

ইয়োকোহামা বন্দর - জাপান

আমাদের না জানিয়ে আমাদের বন্দর পর্যন্ত লাল চন্দন এল কীভাবে?

এখনই বসকে ফোন করে জানাও।

আমাদের না জানিয়ে কে লাল চন্দন বন্দর পর্যন্ত পাঠিয়েছে, এটা জানতে পেরেছ?

কিছুই জানতে পারিনি, বস।

শিপিং কোম্পানির নাম দেখো।

BASHBV কোম্পানি, বস।

- BASHBV? - হ্যাঁ, বস। BASHBV।

বস, কন্টেইনারের ভেতরে একজন কুলি আছে। মনে হচ্ছে, সে একজন ভারতীয়।

কিন্তু সে কীভাবে

একটানা ৪২ দিন ওই কন্টেইনারে খাবার বা পানি ছাড়াই টিকে রইল?

সে আসলে কে?

খোঁজ লাগাও।

ঠিক আছে, বস।

তাকে উল্টো করে ঝুলিয়ে দাও।

তুই কে? আর এই মালটা পাঠাল কে?

তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য এমন কাউকে আনো যে তার ভাষায় কথা বলতে পারে।

হ্যালো, বস।

সে ভারত থেকে এসেছে।

খোঁজ করো, সে কে।

জিজ্ঞেস করো, এই মালটা সে কার জন্য এনেছে।

ঠিক আছে, বস। আমি জিজ্ঞেস করছি।

[তামিল] এই! তুই কে?

তেলেগু নাকি তামিল? সে জানতে চাইছে, এই মালটা তুই কোথায় থেকে এনেছিস।

কোনো উত্তর দিচ্ছে না। মানে সে তেলেগু।

কোনো উত্তর নেই মানেই তেলেগু। ঠিকঠাকভাবে জিজ্ঞেস করো!

এই! কিছু বলছিস না কেন?

তুই কে?

তুই আসলে কে?

পুষ্পা!

তাকে শেষ করে দাও।

অস্ত্র রেডি কর!

[জাপানি] হ্যালো!

কেমন আছেন, আমার জাপানি ভাইয়েরা?

সবকিছু ঠিকঠাক চলছে তো?

অনেক দিন ধরে ভাবছিলাম, যে আমার মাল যে দেশে যাচ্ছে,

সেই দেশটা কেমন হবে।

আজ সেটা অবশেষে দেখতে পেলাম।

এখানকার আবহাওয়া ঠাণ্ডা।

একদম কড়া ঠান্ডা! ঠাণ্ডা!

জাপানি! ওই! তুই কি জাপানি বলতে পারিস?

কন্টেইনারে ৪০ দিন শুয়ে-বসে থাকার বদলে,

এই ৩০ দিনে জাপানি শেখার বই পড়ে ফেলেছি।

আমার জাপানি কেমন হয়েছে?

আমার জাপানি কেমন হয়েছে?

[জাপানি] দুর্দান্ত! দুর্দান্ত!

তাহলে, তোর জাপানে আসার কারণ কী?

কাঠ তো জাপানে পৌঁছে গেছে। কিন্তু...

টাকা এখনো তিরুপতিতে পৌঁছায়নি।

আমি এখানে এসেছি দেখানোর জন্য, যে ভারতীয়দের সঙ্গে ঝামেলা করলে কী হয়।

♪ আমার জুতাটা জাপানি পরের লাইনটা না জানি ♪

♪ আমার মাথায় লাল রাশিয়ান টুপি ♪

♪ আমার মাথায় লাল রাশিয়ান টুপি ♪

তবুও, তবুও, তবুও...

♪ কিন্তু তবুও, মনটা যে আমার ভারতীয় ♪

এখানে আসা তার সবচেয়ে বড় ভুল।

আর তাকে বাঁচিয়ে ছেড়ে দেওয়া আমাদের ভুল হবে।

চল, ওকে দেখাই জাপানিদের আতিথেয়তা কেমন।

[জাপানি] কিরে চুদির ভাই!

তুই-ই তো আমার টাকা মেরে দিয়েছিস, তাই না?

এই পুষ্পা! এদের সঙ্গে ঝামেলায় জড়াচ্ছিস কেন?

টাকার জন্য এত দূর আসলি, আর এখন জীবনটাই হারাতে চাইছিস?

আমার পাওনা এক টাকাও বাকি থাকবে না,

যদি তা সাত পাহাড়ের ওপারে বা সাত সমুদ্রের ওপারেও থাকে।

যেটা পুষ্পার সেটা সে এনেই ছাড়ে।

আমার টাকা কোথায়? বল!

না বললে, তোকে ছাড়ছি না।

মাথা নিচে রেখে পা উপরে তুললে কেমন দেখাচ্ছে? বল আমার টাকা কোথায়?

আর যদি না বলিস তাহলে কিন্তু তোর বস রাগ করবে।

কোন বস, হিরোশি?

না হিরোশির বস?

হিরোশির বস? আবার কে?

তুই তোর বসকে এমনিতেই দেখতে পাচ্ছিস,

কিন্তু তোকে উল্টো করে ঝুলালে, তুই তোর বসের বসকে দেখতে পাবি।

আমিই সবার বস!

আমিই বস!

পুষ্পা, বস!

পুষ্পাই বস!

পৃথিবীর যেখানেই থাকি না কেন,

আমি কখনো মাথা নিচু করি না।

যেখানেই থাকি না কেন,

কারো সামনে মাথা নত করা আমার স্বভাব নয়।

বলটা নিয়ে আস, ভায়া।

- আরে ও সাঁতার জানে না। - দাড়া আমি ওকে বলছি।

- তোর নাম কী? - মুল্লেটি পুষ্পা রাজ।

- আর তোর বাবার নাম? - মুল্লেটি ভেঙ্কটরমনা।

কিন্তু গ্রামের লোকজন তো অন্য কিছু বলছে।

না, ভাই। ও-ই আমার বাবা। মা-ই বলেছে।

- ওই! তোরা কি ওর কথা বিশ্বাস করিস? - [সবাই একসাথে] না, ভাই।

তাহলে একটা কাজ কর।

বলটা নিয়ে আয়।

তখন আমরা সবাই বিশ্বাস করব যে ভেঙ্কটরমনা-ই তোর বাবা।

আরে! ও তো ডুবে যাচ্ছে!

স্বামী...

তোমার কিছু লাগবে?

স্বামী।

কি হয়েছে, স্বামী? তুমি কি খারাপ স্বপ্ন দেখেছ?

স্বপ্নের থেকেও ভয়ঙ্কর সত্য!

চিন্তা কর না, স্বামী।

আরেহ শ্রীনু! বিয়ে তো আর মাত্র দু’দিন পর, আর তুই কাজ করতে এসেছিস কেন?

ভেবেচিন্তে এসেছিস তো?

বিয়ে তো বড় কোনো ব্যাপার নয়। মালগুলো লোড করেই যাব।

কিন্তু সময়মতো মাল না পাঠালে, পুষ্পা ভাও এর নাম কি খারাপ হবে না?

তোর শ্বশুর তো এমনিতেই একটু গরম মেজাজের লোক।

এটা জানতে পারলে, তোর উপর রাগ ঝাড়বে।

ঝাড়ুক। আমার কাছে পুষ্পা ভাও ই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

এখন তো লোকবলের অভাবই চলছে। আর পুষ্পা ভাও কে নতুন লোক ভাড়া করতে হয়েছে।

ঠিক বলেছিস ভাই। আমরা তো নিয়মিত কর্মী। আমরা কীভাবে কাজ বাদ দিতে পারি?

শ্রীনু, শ্রীভাল্লি ভাবি কি কনের জন্য গলার হার পাঠিয়েছে?

শুধু গলার হার নয়। পুষ্পা পুরো বিয়ের খরচই বহন করছে।

উঠে পড়! সবাই তাড়াতাড়ি উঠে পড়!

তাড়াতাড়ি করো!

দ্রুত!

চল, দ্রুত হাত চালাও।

ভেতরে ঢুকো। ভেতরে ঢুকো।

ঢুকো! তাড়াতাড়ি!

এই! বারা সর। তুই আমার কোলের উপর বসে আছিস!

আরে চুদির ভাই আমি তোকেই বলছি। তুই আমার কোলে বসে আছিস। তাড়াতাড়ি সর।

এই গজেন্দ্র, মনে হয় সে তোকে চেনে না।

নতুন কেউ লাগছে।

কী অবস্থা ভায়া? এভাবে ভড়কে আছিস কেন?

পুলিশকে ভয় পাচ্ছিস?

চিন্তা করো না ভায়া। পুষ্পা সব সামলে নেবে।

ওই যে ট্রাকের চিহ্ন দেখছো? ওটাই পুষ্পার ব্র্যান্ড।

এটাই একটা সরকারী অনুমতিপত্র।

এই চিহ্ন থাকলে, কোনো পুলিশই আমাদের থামাতে সাহস করে না।

হ্যাঁ ভাই। ওই টাকলা পুলিশটার কী হল?

শুনেছি, সে এখন আর ডিউটিতে আসছে না।

কে? সিলাজিৎ? সিলাজিৎ নয়। শেখাওয়াত।

সে কীভাবে মুখ দেখাবে? পুষ্পা ওকে নাংটা করে পিটিয়েছে। ভয়ে কাঁপছে নিশ্চয়ই।

মুখ দেখানোর সাহস নেই, হয়তো ছদ্মবেশে ঘুরছে।

শুধু ছাগল আছে, স্যার। হ্যাঁ, স্যার। সবগুলোই ছাগল।

আমরা এখন কোথায়?

সোজা রাস্তা ধরে হাঁটতে থাকো।

সাবধানে, রাস্তাটা পিচ্ছিল।

- ধীরে ধীরে হাঁটো। - সাবধানে!!

এই, নতুন লোক! পা দেখে ফেল। রাস্তাটা পিচ্ছিল।

সাবধানে!

এই! আগুন নিভিয়ে আমাদের সাথে আয়।

এই ভায়া! ঐ তাড়ির হাঁড়িটা পুজোর জন্য নিয়ে আয়।

পুষ্পার পরিবার এসেছে, গুরুজী।

মুকুটটা দেখে সত্যিই ভালো লাগছে, মা।

ডায়মন্ডের কারুকাজ দেখে মনে হচ্ছে এটা এখানকার তৈরি না।

- হ্যাঁ, গুরুজী। এটা... - অনেক মজা হয়েছে, পুরোহিত।

মনে হচ্ছে অনেক কষ্টের কামায় করা টাকায় কেনা। এবার ওদের গোত্র ও নাম নিয়ে অর্চনা করুন।

তোমার গোত্রটা বল, মা।

ওনার নামের পদবি জিজ্ঞেস করুন, পুরোহিত।

তাহলেই গোত্রটা এমনিই জানা যাবে।

হ্যাঁ, মা। শুধু তোমার নামের পদবিটা বল, আমি তোমার গোত্রটা বলে দিচ্ছি।

গোত্রটা বের করতে হলে পদবি জানা দরকার।

পুরোহিত এখানে নতুন। তাই উনি জানেন না।

পদবি হলো মুল্লেটি আর গোত্র পৈডিপল্লী, পুরোহিত।

তিনি আমাদের গোত্র জিজ্ঞেস করেনি।

তিনি ওই লোকদের গোত্র জানতে চেয়েছেন যারা ওই বড় মুকুটটা এনেছে।

ভগবানের কি কোনো পদবি আছে, গুরুজী?

সব নামই তাঁর, মা। তাঁর কি পদবি হতে পারে?

আমার স্বামীরও তাই।

ঠিক ভগবানের মতো।

ভগবানের নামেই অর্চনা করুন।

ঠিক আছে, মা।

শুধু একটা সোনার মুকুট নিয়ে আসলেই হলো।

পূজার যোগ্যতাও তো থাকা উচিত।

ওদের দেখলে দুঃখ লাগে রে, মোহন।

বাবার কথায় মন খারাপ করো না, কাকি।

তাদের পাপ ঢাকতেও অনেক সোনা লাগবে।

নাগাপ্পা।

৪২ কেজি। ৪২ কেজি, ভাই!

তাড়াতাড়ি করো। সীতাপতি?

৫০ কেজি। সীতাপতির, ৫০ কেজি।

জলদি যা, গজেন্দ্র।

- সীতাপতি টাকাটা নে। - গজেন্দ্র, ৫৬ কেজি। তাড়াতাড়ি সরা।

নতুন লোক। এদিকে আসো।

তাড়াতাড়ি করো।

কত কেজি? ৩৬ কেজি।

নতুনটার, ৩৬ কেজি!

আরে ওর নাম কি? শিখাওয়াত।

ওই! কী নাম বললি?

ভানওয়ার সিং শিখাওয়াত!

মিস্টার কুপ্পারাজু। এখন আসতে পারেন। সবাই কাঠ ধরে দাঁড়িয়ে আছে।

ওরা পালাবে না। আসুন। ঠিক আছে, স্যার।

নাও সোনা, খাও। তোদের হাতে আরও দশ মিনিট আছে।

খা!

এই!

টাকলা পুলিশ না?

টাকলা পুলিশ, তাই না?

টাকলা পুলিশ!

শেখাওয়াত! ভানওয়ার সিং শেখাওয়াত!

ধরো!

ওদের ধরো!

কেউ যেন পালাতে না পারে। পুরো এলাকা ঘিরে ফেলো।

সবাইকে ঘিরে ফেলো!

নিজের বিয়ে বাদ দিয়ে ওই পুষ্পা ভাও এর সাথে নাচতে নাচতে চলে গেল।

নাও এখন ঠেলা সামলাও।

নিজের বিয়েতে থাকার বদলে এখন সে থানায় বসে আছে।

মনে হয় আজ আর ও ছাড়া পাবেনা। যাও আমার ভাইপোকে ডাকো। ঠিক আছে, কাকা।

ধুতি পরে গিয়ে বিয়েটা শেষ কর।

ঠিক আছে, কাকা। - বাবা!

মুহূর্তম শেষ হতে এখনও সময় আছে, সে আসবে এবং বিয়েটা করবে।

- আমার তার উপরে পুরো বিশ্বাস আছে। - পাগল মেয়ে! তুই বুঝতে পারছিস না?

ওর কাছে পুষ্পা তোর বিয়ের চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে গেছে।

ওকে দোষ দিও না, বাবা। আমি নিজেই বলেছিলাম ওকে কাজে যেতে।

পুষ্পা! পুষ্পা! পুষ্পা! পুষ্পা!

তুই কি মনে করিস, যে পুষ্পা ওই মজুরকে ছাড়াতে যাবে?

- প্রণাম, পুষ্পা। - প্রণাম, ভাও।

কী খবর, সবার?

নমস্কার ভাও!

এদিকে কী কাজে এসেছো, পুষ্পা?

আমার লোকদের আটকালে আমি কি আসব না?

আর মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যে শ্রিনুর বিয়ে। আমি ওকে নিতে এসেছি।

- এই। - হ্যাঁ ভাও।

ওই চাবি নিয়ে গিয়ে ওকে বের কর।

কী? শ্রিনু? তুমি কী বলছো, পুষ্পা?

এফআইআর এ সবার নাম দায়ের হয়েছে।

মোট ৩০ জনের নাম আছে। একজন কম হলে হিসাব মিলবে না।

তাই?

এই, তোদের মধ্যে কি কোনো শ্রীনিবাস আছে?

- এই শ্রীনিবাসুলু, কোথায়? - এখানে, ভাই।

- আমার নামও শ্রিনু, ভাই। - তুই কি খেয়ে এসেছিস?

- না, ভাও। আমি খেয়ে এসেছি, ভাও।

- তাহলে আপাতত তুই ভেতরে যা আর ওকে বের কর। - ঠিক আছে, ভাও।

স্যার, ওটা ডি. শ্রীনিবাস, আর এটা বি. শ্রীনিবাস।

এই, দাঁড়া। এটা কী হলো, পুষ্পা?

ওটা ডি. শ্রীনিবাস আর এটা বি. শ্রীনিবাস।

আমি এরকম করে কিভাবে পাল্টাতে পারি?

তাতে সমস্যা কী?

ডি-এর নিচে আরেকটা ডি বসিয়ে দাও, তাহলেই তো সেটা বি হয়ে যায়।

তোমরা আমার জন্য শুধু একটা অক্ষর বদলাতে পারবে না?

ব্যাপারটা এমন নয়, পুষ্পা। শেখাওয়াত স্যার এখন পুরোপুরি কড়া হয়ে গেছে।

- এই। - ব্যাপারটা আর আগের মত নেই।

এই পানটা কোথায় থেকে নিয়েছিস? ওই একই জায়গা থেকে। কেন?

পানটা গলায় কাটার মত ফুটছে মনে হচ্ছে।

সিআই কী বলছিল?

আমি বলছিলাম যে সবকিছু আর আগের মতো নেই, নিয়ম বদলে গেছে।

তাহলে, নিয়ম বদলে গেছে। তাই তো?

দেখছি, সিআই সাহেবের নিয়মই বদলে গেছে।

-স্যারের বেতন কত? -প্রায় দশ হাজার টাকা, ভাও।

আর স্যার তার মেয়ের বিয়েতে পণ কত দিয়েছিল?

- আমরা সব মিলিয়ে পাঁচ লাখ দিয়েছিলাম, ভাও। - পাঁচ লাখ? পণ হিসেবে?

কোন নিয়মে আমরা সেটা দিয়েছিলাম?

কোন নিয়মে, বল তো!

আর এখানে।

একজন সাধারণ কনস্টেবল ভেঙ্কটাদ্রির ছেলে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ছে।

- তাও আবার এক লাখ টাকা ডোনেশনে আর-- - দুই লাখ টাকা, ভাও।

কোন নিয়মে আমরা সেটা দিয়েছিলাম?

তোমার স্ত্রী প্রোড্ডুতুরির পদ্মা জুয়েলারি থেকে মুক্তার মালা কিনেছিল।

কোন নিয়মে সেটা নিয়েছিল? সেটা কি বদলেছে নাকি একই আছে?

গত রাতের ক্রিকেট ম্যাচটা দেখেছো, শেট্টি বাবু?

টেন্ডুলকারকে রঙিন দেখেছো?

- কোন টিভি ছিল সেটা? - স্যামসাং ফ্ল্যাট্রন, ভাও।

এসপির মতো একই টিভি তারও আছে, ভাও।

কোন নিয়মে তুমি সেই টিভি নিয়েছিলে?

আমি বলবো নাকি?

কোন নিয়ম সেটা?

ভাকরাপেটা, মঙ্গলমপেটা, তালাকোনা, পিঞ্চালাকোনা, থালাকড়াকোনা।

আমি যা বলছি তা পুরো তিরুপতির কোণায় কোণায় জানে। শুনে রাখো!

এখানে যা কিছু হয়, শুধু একটাই নিয়মে হয়।

তোমরা কি জানো সেই নিয়মটা কী?

পুষ্পার নিয়ম!

চিন্নি কৃষ্ণা। তুই কী করছিস?

এই চিন্নি কৃষ্ণা!

এই শ্রীনু! বেরিয়ে আয়।

মুহূর্তমের সময় হয়ে গেছে।

- তাড়াতাড়ি পোশাক পাল্টা। - যা বাইরে যা।

নমস্কার, ভাও।

এখানে নয়। সিআই-এর বাথরুমে যা। ওটা পরিষ্কার আছে।

এই! এখানে আয়।

তোর হাতে এই দাগটা কিসের?

কিছু না, ভাও।

এই লোকগুলো কি তোকে মারধর করেছে?

বল, ওরা কি তোদের মেরেছে?

ওরা কি তোদের গায়ে হাত তুলেছে?

ওরা কি সত্যিই তোদের মেরেছে?

পুষ্পার ব্র্যান্ড সরকারি অনুমতির মতো, তাইনা?

এটা আমার ব্র্যান্ড!

এটা আমার ব্র্যান্ড!

এটাই আমার ব্র্যান্ড, স্যার!

সে আমাদের শরীর থেকে রক্ত বের করেছে ঠিকই,

কিন্তু আমাদের মুখ থেকে তোমার নাম বের করতে পারেনি।

তাহলে, তোমরা আমার লোকদের মেরেছ?

এই দাগটা দেখ।

এটা কাঠ বহন করার কারণে হয়েছে।

যাদের গায়ে এই দাগ আছে, তারা সবাই পুষ্পার লোক।

আর তাদের গায়ে আঘাত করা মানে,

পুষ্পাকে আঘাত করা।

আর আমি এটা সহ্য করবো না।

সিআই পোন্নাইয়া থার্ড ডিগ্রি টর্চারে উস্তাদ।

সে এতক্ষণে মনে হয় ওদের মুখ থেকে পুষ্পার নাম বের করতে পেরেছে।

শুধু সকালে যেয়ে ওকে গ্রেফতার করলেই হবে।

এই! থানাটা ফাঁকা কেন?

সব পুলিশ কোথায় গেল?

আর সব মজদুরেরা কোথায়?

সবাই কোথায় গেল?

এই!

সবাই কোথায় গেল?

আপনি চলে যাওয়ার পরে পুষ্পা এখানে এসেছিল, স্যার।

আমরা শেখাওয়াত স্যারের আদেশে ওদের মেরেছিলাম, পুষ্পা। আমরা কী করতাম বল?

আমি এখন শুধু শ্রীনুকেই নয় সবাইকে নিয়ে যাবো।

আমি সবাইকে নিয়ে যাচ্ছি। এই, কেশব! সবাইকে বের কর।

এটা কি করছিস, পুষ্পা? এই পুষ্পা! দাঁড়া।

আমাদের চাকরি চলে যাবে, পুষ্পা।

- সবাই দাঁড়া! - কি বললেন?

- আমাদের চাকরি চলে যাবে। - আচ্ছা চাকরি যাবে, তাই তো?

আরে আরে।

আমরা কারো চাকরি যাওয়ার কারণ হবনা।

তুই কি বলেছিলি?

সি.আই. এর বেতন কত?

দশ হাজার টাকা, পুষ্পা।

আপনার বেতন কত? ৪৩০০ টাকা।

আর ঘুষ? প্রায় ৩০ হাজার।

আর তোমার চাকরি কত বছর আছে? আরও ১৮ বছর।

পেনশন কত হবে? প্রায় ১৫ লাখ।

মোট? ৩৪,০৮,৮০০ টাকা।

চিন্নি কৃষ্ণা, রাউন্ড ফিগার ৪২ লাখ।

ভেঙ্কটাদ্রি, তোমার বেতন? ৪১০০ টাকা।

ঘুষ? প্রায় ১৮ হাজার।

চাকরি কত বছর আছে? তিন বছর।

পেনশন কত হবে? ১০ লাখ।

৩৩,০৫,৬০০ টাকা। বরপ্রসাদ, রাউন্ড ফিগার ৪০ লাখ।

এরপর? ওলে লেলে! সি.আই-ও যোগ দিয়েছে, ভাও।

নিয়মই যে বদলে গেছে, কেশব।

দে ওকেও টাকা দে আর পাঠিয়ে দে।

এত টাকা হলে, কোন নিয়মই আর টিকে থাকে?

এখন নিয়ম শুধুই তোমার।

দ্বিতীয় গ্লাসটা কার জন্য, ভাও?

শেখাওয়াত স্যারের জন্য।

উনি পার্টি চেয়েছিল, তাই তো?

যদি সবাই চলে যায়, স্যার?

তবুও প্রত্যেক স্টেশনে অন্তত একজন থাকবে।

তেমন একজন সৎ লোককে প্রমোশন তো দেয়ায় যায়, স্যার।

না না স্যার, পুষ্পার কাছ থেকে আমিও টাকা নিয়েছি।

আমিতো শুধু এখানে চাবি আর পদত্যাগপত্র জমা দিতে এসেছি।

আমি আসি, স্যার।

সবাই চাকরি ছেড়ে দিয়েছে।

ধুর!

আমরা যদি আর দশ মিনিট আগে আসতাম...

তাহলে তুমিও টাকা পেয়ে চলে যেতে।

তাহলে আমি একাই থেকে যেতাম।

[হিন্দি] একদম প্রথম শ্রেণির বোকা।

আমি পরিশ্রম করে কাঠ কাটলাম,

অপরাধীদের ধরলাম,

আর সে এসে ঈগলের মতো সবাইকে নিয়ে গেল।

- মি. কুপ্পারাজু। - জ্বি, স্যার।

সে আমাকে এতটা আঘাত করেছে

যে আমি যখনই মনে মনে 'পুষ্পা' বলি,

তা যেন জোরে জোরে বারবার বেজে উঠে।

পুষ্পা পুষ্পা পুষ্পা পুষ্পা।

পুষ্পা পুষ্পা পুষ্পা।

♪ Pushpa Pushpa Pushpa Pushpa ♪

♪ Pushpa Pushpa Pushpa Pushpa ♪

♪ Pushpa Pushpa Pushpa Pushpa ♪

♪ Pushpa Pushpa Pushpa Pushpa ♪

♪ Pushpa Pushpa Pushpa Pushpa ♪

♪ Pushpa Pushpa Pushpa Pushpa ♪

♪ Pushpa Pushpa Pushpa Pushpa Pushpa ♪

♪ Pushpa Raj! ♪

♪ Pushpa Pushpa Pushpa Pushpa Pushpa ♪

♪ Pushpa Raj! ♪

♪ When you brush your beard The country trembles ♪

♪ Pushpa Pushpa Pushpa Pushpa ♪

♪ When you raise your shoulder and walk The ground itself shatters ♪

♪ Pushpa Pushpa Pushpa Pushpa ♪

♪ For you to stand straight Even the sky needs to be raised ♪

♪ Pushpa Pushpa Pushpa Pushpa ♪

♪ To measure your height The sea must be dug deeper ♪

♪ Pushpa Pushpa Pushpa Pushpa ♪

♪ If you cower like a sparrow in the rain It's your fault if defeat is your chain ♪

♪ But like a mighty eagle When you soar past every limit ♪

♪ Even rain bows to you Pouring at your feet ♪

♪ Pushpa Pushpa Pushpa Pushpa Pushpa ♪

♪ Pushpa Raj! ♪

♪ Pushpa Pushpa Pushpa Pushpa Pushpa ♪

♪ Pushpa Raj! ♪

♪ Pushpa Pushpa Pushpa Pushpa Pushpa ♪

♪ Pushpa Raj! ♪

♪ Pushpa Pushpa Pushpa Pushpa Pushpa ♪

♪ Pushpa Raj! ♪

♪ Pushpa Pushpa Pushpa Pushpa Pushpa ♪

♪ Pushpa Raj! ♪

এটা আমার ভালো লেগেছে, ভাই।

- আসলেই সত্যি সুন্দর দেখতে। - এই পুষ্পা!

তোমার ভাইঝি নিজের জন্য একটা চেইন কিনেছে। সে বলেছে, তুমি টাকা দেবে।

এখন কি করি বল তো?

বুঝে গেছি। আমি টাকা টা দিয়ে আসছি।

♪ Pushpa's knows many things But not all! ♪

♪ Fear? Defeat? Never heard that call ♪

♪ No stepping back, no pause in stride Just relentless pride ♪

♪ Pushpa has it all But not everything ♪

♪ No fear, no regrets ♪

♪ No fright, no rival in his way And he'll never back down ♪

♪ He bows only to God Salutes only to mentors ♪

♪ Kneeling is reserved only to mother ♪

♪ Why wait for another to see your value? Why wait till others know the real you? ♪

♪ With fire in your veins and pride Your name alone is your own brand ♪

♪ Pushpa Pushpa Pushpa Pushpa ♪

♪ Pushpa Pushpa Pushpa Pushpa ♪

♪ Pushpa Pushpa Pushpa Pushpa ♪

♪ Pushpa Pushpa Pushpa Pushpa ♪

♪ Pushpa Raj! ♪

♪ Pushpa Pushpa Pushpa Pushpa Pushpa ♪

♪ Pushpa Raj! ♪

♪ Pushpa Pushpa Pushpa Pushpa Pushpa ♪

♪ Pushpa Raj! ♪

♪ Pushpa Pushpa Pushpa Pushpa Pushpa ♪

♪ Pushpa Raj! ♪

♪ Pushpa Pushpa Pushpa Pushpa Pushpa ♪

♪ Pushpa Raj! ♪

♪ Pushpa Pushpa Pushpa Pushpa Pushpa ♪

♪ Pushpa Raj!

PUSHPA 2 - THE RULE অনুবাদে রিয়াদ

মুখ্যমন্ত্রী কেভিভি নারসিমা রেড্ডির তিরুপতি সফর সরাস্যরি আপনার টিভি স্ক্রিনে...

এই, মুখ্যমন্ত্রী গেস্ট হাউজে পৌঁছেছেন।

দলের কর্মী এবং স্থানীয় অনেক নেতারা তাকে স্বাগত জানাচ্ছেন...

এই! পরে নাস্তা করবি। যাওয়ার সময় হয়েছে, বড়বাবু আসছেন।

এই, আমি বের হচ্ছি।

এই দেখ তো! আজ স্যারকে তো বেশ সুন্দর লাগছে!

CM এর সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছ, হুহ?

শরীরে সুগন্ধীও লাগিয়েছ দেখছি?

CM এর জন্য সুগন্ধী লাগাইনি

আমার সোনা মোনা বউ এর জন্য লাগিয়েছি।

তাহলে ঠিক আছে, যাও।

আর শোন CM এর সাথে একটা ছবি তুলে এনো।

আমি সেটা আমাদের ড্রয়িংরুমে সুন্দরভাবে সাজিয়ে রাখব।

কেন?

যাতে সবাইকে বলতে পারি, যে আমার স্বামী CM এর সাথে চলাফেরা করে।

তোমার ছবি লাগবে? আচ্ছা নিয়ে আসবো নি।

শুধু ছবি কেন? আমার লক্ষী বউয়ের জন্য আমি সবকিছু করতে পারি।

স্বামী, আমাকে এভাবে স্পর্শ করো না। ফিলিংস জাগে তো।

- ওটা কি স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়? - সোনা!

না না, স্বামী!

যদি আমার ফিলিংস জাগে, তাহলে তুমিই বিপদে পড়বে।

- কেমন বিপদ? - প্লিজ না, স্বামী!

এত জোরে কথা বলো না। ছেলেরা শুনে ফেলবে। আর আমার মানসম্মান শেষ হয়ে যাবে।

না, স্বামী! প্লিজ থামো।

এই!

কোথায় যাচ্ছ?

মিটিং এ।

- চলো, স্বামী। - কোথায়?

আমার ফিলিংস জেগেছে।

মজা করছ? আমার CM সাহেব এর সাথে মিটিং আছে।

চুমু দেওয়ার আগে এটা ভাবা লাগতো!

এই! আমার জামা নষ্ট হয়ে যাবে!

সেটা পরে দেখা যাবে, স্বামী!

জামায় দাগ পড়বে, বউ! - এই।

দেখা যাবে - এই।

এই, কেশব! হ্যাঁ, ভাও।

তোর ভাবি এই শার্টটা পছন্দ করেনি... আমি এটা বদলে আসছি।

ঠিক আছে, ভাও।

সবাই, এখন নাশতা করতে পারো। আপা! প্লেটগুলো নিয়ে এসো।

এক্ষুনি আনছি।

হ্যালো?

হ্যাঁ, ভাই। ভাওয়ের আসতে আরও ৩০ মিনিট লাগবে।

সিদ্দাপ্পাকে জানিয়ে দাও।

আমি বলেছিলাম না? শার্টটা একটুকুও ভাঁজ হবেনা।

হ্যাঁ, বউ। একদম ফুলের মতোই সুন্দর আছে।

- তুমি সত্যি একদম খাসা! - বউ!

স্বামী, আমার কিন্তু আবার ফিলিংস জাগছে।

কি? আবার!

আমার দেরি হয়ে যাচ্ছে। এই! শেষ সময়ে আর মজা করোনা।

কেশব? হ্যাঁ, ভাও।

আমাদের কি দেরি হয়ে গেছে?

আমি আগেই তাদের বলেছি, যে আমরা ৩০ মিনিট পর পৌঁছাবো।

এই শার্টটা আগেরটার চেয়ে ভালো লাগছে, ভাও।

আজকাল তোর নিজের উপর বিশ্বাস বাড়ছে দেখছি।

কেন, ভাই? তুই তো জানিস যে এটা ওই শার্ট-ই।

তারপরেও না জানার ভান করছিস।

এটা কি সত্যিই ওই শার্ট, ভাও?

আমি ভেবেছিলাম অন্য শার্ট, কারণ ওটাতে স্টিকার ছিল না।

লে লে নাটক করিস না আর।

[সবাই একসঙ্গে] পুষ্পা! পুষ্পা!

পুষ্পা, এখানে আসার কারণ?

তুমি কি শেশাচালাম এর জঙ্গল থেকে মন্ত্রী সভায় যাচ্ছ?

সকাল থেকেই সব বিধায়ক পুষ্পার বাড়িতে যাচ্ছে।

তাহলে পুষ্পার এখানে আসার কারণ কি?

সেরকম কিছু না।

আমার স্ত্রী কখনো কিছু চায় না।

কিন্তু আজ সে চেয়েছে যে আমি যেন CM এর সাথে একটা ছবি তুলে আনি।

তাই এখানে আমি তার ইচ্ছা পূরণ করতে এসেছি।

মি. সিদ্দাপ্পা আপনি কি রাজ্য সভা থেকে কেন্দ্রীয় সভায় যাওয়ার ধান্দায় আছেন? আপনি কি মন্ত্রি হতে চাচ্ছেন?

- ধুরু এমন কিছু নয়। গুজব ছড়াবেন না। - প্লিজ বলুন, স্যার।

তাহলে, আপনি কি মন্ত্রিত্ব চাইছেন না?

আমি তো সেই জন্যই এখানে এসেছি।

এই কথা তো আগেই চারদিকে ছড়িয়ে গেছে। এখনও কি আমাকে জিজ্ঞেস করতে হবে?

আমি ভাবছি যে শেখাওয়াতের বদলির প্রস্তাব দেই।

এ ধরনের কিছু করার দরকার নাই।

সে মনে করবে যে আমরা তাকে ভয় পাই।

তোর এতে জড়ানোর দরকার নেই।

সে আমার সমস্যা, আর আমি এটা দেখছি। ঠিক আছে?

আপনি তাকে বলবেন ঠিক আছে। কিন্তু সে কী ভাববে?

সে ভাববে আমি এর পিছনে আছি। এতে কি আমার অপমান হবে না?

স্যার, ওকে বাদ দেন আর আপনার মন্ত্রণালয়ের দিকে মনোযোগ দিন।

- কিন্তু এটা - আপনি আমাকে না জানিয়ে ওকে ট্রান্সফার করা উচিত ছিল।

কিন্তু এখন যেহেতু আমি জানি। তাই এসব কথা বাদ দেন।

শঙ্কর রেড্ডি, এসব কী?

আমরা চিত্তুরে দশটা আসন ও পাইনি।

নমস্কার, ভাই। আবার কোন মুখে আরো ১ টা আসন চাচ্ছিস?

চল, এখন দাঁড়া।

কেন?

কারণ দাঁড়ালে তোর পা মাটিতে থাকে।

কিন্তু বসলে তুই এক পা অন্য পায়ের উপর রাখিস।

মুখ্যমন্ত্রীর সামনে এটা ভালো দেখায় না।

আমার পা-ই তো পুষ্পাকে বহন করে। তাই সেগুলোর একটু তো অহংকার থাকবেই।

সিদ্ধাপ্পা এদিকে আসো, তো দিনকাল কেমন চলছে?

আপনি জানেন না, এমন কিছুই নেই, ভাই।

প্রতাপ রেড্ডির কি খবর? তিরুপতির রাস্তাগুলো দেখছি তার ছবিতে ভরা।

নেতা সে নাকি আমি?

সে রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত তো তাই...

এই শার্টটা কি ছবি তোলার জন্য ঠিক আছে?

ভালো লাগছে, ভাও। মনে হচ্ছে নতুন কিছু পরে এসেছো।

- আমি আপনাকে এর সঙ্গে পরিচয় করাতে চাই। - হ্যাঁ!

পুষ্পা, তাই তো? আমি তোর নাম অনেক শুনেছি।

আজকাল তোকে নিয়েই সমালোচনা হচ্ছে।

তুই সালা একদম কড়া মাল! শুনেছি তুই নাকি থানার সব পুলিশকে সরিয়ে দিয়েছিস,

তাও আবার তাদের অবসরে পাঠিয়ে।

তোর কথা শুধু এখানেই নয়,

দিল্লিতেও আলোচনা হয়।

তুই আমাদের পার্টির জন্য প্রচুর ফান্ড দেস। আমরা এতে অনেক খুশি।

বদলে তুই যা খুশি করতে পারিস। কি বলো, সিদ্ধাপ্পা?

পুষ্পার বউ CM এর সাথে সুন্দর দেখে একটা ছবি চেয়েছে।

এসব কী, সিদ্ধাপ্পা?

কী হয়েছে, ভাই?

আরে চোরাচালানকারীদের সঙ্গে ছবি তোলা আর তাদের কাছ থেকে পার্টি ফান্ড নেওয়ার মতো সহজ নয়।

পায়ের জুতা যতই দামী হোক সেটা পায়ে পরার জন্য,

হাতে পরে থাকার জন্য তো নয়, তাই না?

কাল যদি এই ছবি পত্রিকায় ছাপা হয়। এই...

এই! তুই কি ছবি তুললি?

না, স্যার। কিন্তু "ক্লিক" শব্দটা তো শুনেছি।

মিস্টার সিএস। জ্বি, স্যার।

"ক্লিক" শব্দটা শুনলে? ফ্ল্যাশ ছিল না, স্যার।

ফ্ল্যাশ না থাকলে শব্দ হলো কিভাবে?

- মিস্টার সুরেন্দ্র, - তুমিও কি "ক্লিক" করার শব্দ শুনেছ?

হ্যাঁ, স্যার। আমারও সন্দেহ হচ্ছে।

যদি এটা ছাপা হয়, তাহলে যেকোনো কিছু হতে পারে। এই জলদি ক্যামেরাটা দাও।

তাড়াতাড়ি!

আজ সকালে তুমি পাহাড়ে আমার স্ত্রী আর বাচ্চাদের ছবি তুলেছিলে।

- সেগুলোও কি এতে আছে? - হ্যাঁ, স্যার।

বোকা!

সব নষ্ট করে দিলে!

সিদ্ধাপ্পা, পুষ্পা এখনো বাচ্চা আছে তাই তার বউয়ের কথা শুনে এখানে ছবি তুলতে এসেছে।

পুষ্পা, যে তার বউয়ের কথা শোনে সে কখনোই সফল হতে পারে না।

মনে রাখিস এটা।

হ্যাঁ, সিদ্ধাপ্পা।

তুমি কিছু বলতে চেয়েছিলে?

বসো। তুমি কিছু বলতে চেয়েছিলে, তাই না? কি হয়েছে বল?

নমস্কার, স্যার। শুভ সকাল, স্যার।

- ভাও। আমি বুঝে গেছি। - কি বুঝছিস?

তুমি মন্ত্রীর বিরুদ্ধে কিছু করতে চলেছ, তাই না?

চুপ কর, ভাই। তেমন কিছু নয়।

আমি ভেবেছিলাম সে এসব নিয়ে রেগে যাবে।

কিন্তু মনে হচ্ছে সে ঠিক আছে।

কি খবর, স্যার? আপনার কাজ হয়েছে?

হ্যাঁ হয়েছে।

কোন জায়গায় জানিনা কিন্তু মন্ত্রী হয়েই যাব।

আমাদের শুধু টাকা জোগাড়ের ব্যবস্থা করতে হবে।

না। আমি জানতে চাচ্ছি যে শেখাওয়াতের বদলি হয়েছে কি না।

কিন্তু তুই তো আমাকে বলেছিলি এ বিষয়ে না বলতে।

তবুও আপনি তাকে জিজ্ঞেস করেছেন।

সে বলেছে, এটা সম্ভব নয়।

পুলিশের সাথে মানিয়ে নেওয়ার বদলে,

তুই যদি সবার সাথে গেঞ্জাম করিস আর তাদের বদলি চাস,

তাহলে কিভাবে হবে বল।

আর তুইও পরে কিছু আর বললি না। তাই বিষয়টা আর বাড়ালাম না।

তার না বলা আর আমার না বলার মধ্যে অনেক পার্থক্য আছে।

কী ব্যাপার, হ্যাঁ? এখন আবার কথা ঘুরাচ্ছিস কেন?

মুখ্যমন্ত্রীকে খারাপ বলছিস কারণ সে তোর সাথে ছবি তোলেনি?

তেমন কিছু নয়।

মুখ্যমন্ত্রীর হাজারো কাজ থাকে

তাই তার একজন চোরাচালানকারীর সাথে ছবি তোলার সময় নেই।

আপনিও যদি কাল মুখ্যমন্ত্রী হতেন, তাহলে আপনিও এমনটাই করতেন।

আমি কেন করবো? আমার তোর সাথে ছবি তোলাতে কোনো সমস্যা নাই।

-সত্যি? আপনি ছবি তুলতেন? -হ্যাঁ, ভাই। কেন নয়?

তাহলে তুমি-ই CM হয়ে যাও।

কী বললি? আমি বললাম, যে তাহলে তো তোমাকে CM হতেই হবে।

আমি? আর CM।

এই পুষ্পা! এসব কী বলছিস, ভাই? তোর মাথা কি ঠিক আছে?

CM! CM!

যাই হোক, এমন ছোটখাটো পদের পিছনে দৌড়াচ্ছেন কেন, যখন আপনার পাশে পুষ্পা আছে?

মন্ত্রণালয়, তন্ত্রালয় এসবের পিছনের দৌড়ে লাভ কি?

এখন বড় কিছু ভাবুন, স্যার।

যদি আমার পাশে পুষ্পার মতো কেউ থাকত, তাহলে আমি বড় কিছু ভাবতাম।

ভাবা তো যায়, কিন্তু...

একজন মুখ্যমন্ত্রীর পদ পাওয়ার জন্য অনেক খরচ হয়।

কত টাকা লাগবে?

নাহলেও ১০০ কোটি।

৫০০ কোটি হলে চলবে?

এত টাকা কোথা থেকে আসবে?

টাকার ব্যাপারটা পুষ্পার ওপর ছেড়ে দাও,

আর দিল্লিতে যেয়ে প্রতাপ রেড্ডির সঙ্গে দেখা করো।

-উঠো। -এই! চাদরটা দে।

-এই! আমাদের একটা ছবি তোলো। -ঠিক আছে, ভাই।

ওই

এই ছবিটা প্রিন্ট করে ভালো জায়গায় রেখে দেস।

যখন সে মুখ্যমন্ত্রী হবে, তখন ছবিটা তোর ভাবিকে দিয়ে দিস।

তুমি জানতে চেয়েছিলে আমি মন খারাপ করেছি কিনা।

হ্যাঁ, করেছি।

কিন্তু ছবি তোলার অনুরোধ ফিরিয়ে দেয়ার জন্য নয়।

মন খারাপ হয়েছে কারণ সে আমার বউয়ের ব্যাপারে কথা বলেছে।

স্যার,

শ্রীভাল্লী আমার স্ত্রী।

আমি কেবল তার কথাই শুনব।

সে যা বলবে, তাই করব।

আমি পৃথিবীকে দেখাব যে স্বামী যখন বউয়ের কথা শোনে তখন কি হয়।

আর এটা

সবাই জানে যে আত্মসম্মান

এর মামলায়

আমি কখনও...

এই ছোকরা

হ্যাঁ, ভাই।

আমিও কিন্তু ওই "ক্লিক" করার শব্দ শুনেছিলাম।

মন্ত্রী সাহেব,

এই ছেলেটা আমাদের জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে মিথ্যা বলেছে।

তুমি যখন মুখ্যমন্ত্রী/CM হবে, সে তোমার ফটোগ্রাফার হবে।

তখন ছবি তুলে নিও। একটা "ক্লিক" দিয়ে।

এই শ্রীভাল্লী, তোর স্বামীকে টিভিতে দেখাচ্ছে। সত্যি?

পুষ্পা, তুমি মুখ্যমন্ত্রীর সাথে ছবি তুলতে পেরেছ? ভিতরে কী ঘটল?

মুখ্যমন্ত্রী আজ অনেক ব্যস্ত।

তিনি বললেন, তিনি আমার বাড়িতে এসে ছবি তুলবেন।

তিনি কথা দিয়েছেন, যে ২৪শে জুলাই তিনি আমার বাড়িতে দুপুরের খাবার খেতে আসবেন।

আমি ভাবছি সেদিন ভেড়া রান্না করব, নাকি খাসি।

২৪ তারিখে এমন কী বিশেষ? টিভিতে কি আমার ছেলের গলা শুনছি?

হ্যাঁ, এটা তোমার ছেলেরই গলা।

মুখ্যমন্ত্রী নাকি আমাদের বাড়িতে আসবেন।

-কিন্তু কেন? -কেন মানে কী?

মা, তুমি কি মনে করো তোমার ছেলে সাধারণ মানুষ?

আমিই তাকে ছবি তুলতে বলেছিলাম।

তাই তিনি আমাদের বাড়িতে ছবি তোলার জন্য আসছেন। এই হলো তোমার ছেলের ক্ষমতা।

আমি সেদিন পুরো তিরুপতিকে দাওয়াত দেবো, খালাম্মা।

আপনি কি বলছেন?

হম দেয়ায় যায়।

নয়া দিল্লি

সিদ্ধাপ্পা, আরেকটু খা নে, আর কিছু লাগবে?

ভাই, আমি কি এ জন্য এখানে এসেছি?

আরে CM পদ তোর সাথে যায় না। এসব চিন্তা বাদ দে।

কেন, ভাই?

আমি ২০ বছর ধরে পার্টির জন্য কাজ করছি।

প্রয়োজনে চাঁদাও জোগাড় করে দিয়েছি।

নারাসিমা রেড্ডি CM হওয়ার মতো কী যোগ্যতা রাখে?

তুমি কি মনে কর, যে আমি সিএম হওয়ার যোগ্য নই?

সিদ্ধাপ্পা, আমি তোকে অনেক বছর ধরে চিনি।

এটা তুই বলছিস না,

এই কথা তোর মুখ থেকে আসছে না।

নিশ্চয় তোর পেছনে অন্য কেউ আছে।

আপনার ভাই সুব্বা রেড্ডি কল করেছে।

হ্যাঁ বল।

এখানে কেউ একজন তোমার সাথে ডিল করতে এসেছে।

সে পাঁচ কোটি টাকা নিয়ে এসেছে।

আমি কী করব, ভাই?

পাঁচ কোটি! সে কে?

নমস্কার, ভাও। আমার নাম পুষ্পা।

বাজারে সবাই আমাকে লাল চন্দন পুষ্পা নামে চেনে।

হ্যাঁ, আমি তোকে চিনি।

তুই ওই কন্ডা রেড্ডির কোয়ার্টার পার্টনার, তাই না?

তোর কথা অনেক শুনেছি।

যদি আপনি ভাবেন যে আপনি এক কোয়ার্টার পার্টনারের সাথে কথা বলছেন,

তাহলে আমিও ভাববো যে, আমি সেই কেরানীর সাথে কথা বলছি যে আগে খনিতে ট্রাক গুনতো।

আমাদের নিজেদের অতীতকে কেন টানছেন?

তাহলে এই ৫ কোটির বিষয়টা কি?

এটা আপনার জন্য নয়, দাদা। এটা আপনার ভাইয়ের জন্য।

কারণ সে-ই তো আপনার সাথে কথা বলার ব্যবস্থা করলো।

কত দিন ধরে একই চেয়ারে বসে আছেন?

আমি আপনাকে একটা নতুন সোফা পাঠাচ্ছি,

সেটাই বসুন।

এটা কোনো সাধারণ সোফা নয়, দাদা।

খরচা আছে এমন সোফা বানাতে,

এর দাম ২৫ কোটি।

বল তোর কোন টেন্ডার লাগবে?

কপার না কয়লার?

আর রাজ্যের কোন দিকটা তোর দরকার?

আমার পুরো রাজ্যটাই চাই।

আমি চাই সিদ্ধাপ্পা এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হোক।

তুই কি মনে করিস, একা তোর সিদ্ধান্তেই সব হবে?

হ্যাঁ, ভাই। হবে।

পুষ্পার সিদ্ধান্ত তিরুপতির লাড্ডুর মতো।

একবার দিয়ে দিলে, তা আর ফিরিয়ে নেওয়া যায় না।

এটা স্বীকার করে নিলে, আপনার জন্যই ভালো হবে।

সিদ্ধাপ্পা মুখ্যমন্ত্রী হতেই হবে।

আমি আপনাকে দিয়েই শুরু করলাম।

না হলে...

আমার কাছে আরো অনেক সোফা আছে।

এটা কে রে সিদ্ধাপ্পা?

সে না টাকার পরোয়া করে, না ক্ষমতার ভয় পায়।

মনে হয় ওর মনে এক অজানা কষ্ট আছে।

আর সে সেই কষ্ট মেটাতে সবকিছু বাজি রাখতে পারে।

স্যার, এটা তিরুপতির প্রসাদ।

সিদ্ধাপ্পা এর সাথে সাবধানে ভিড়তে হবে।

এসব কী, পুষ্পা? একটা ফোন কলের জন্য ৫ কোটি আর ডিল করার জন্য ২৫ কোটি?

এভাবে ইলিপ এর চালের মত সিন্ডিকেটের টাকা ভাগাভাগি করলে, কাল এর হিসাব কে দেবে?

সিন্ডিকেটের সদস্যরা তাদের ভাগ আগের মতোই পাবে, যেমনটা সবসময় পায়।

কিন্তু এইবার সিন্ডিকেটের আয়ের অঙ্কটা পুরো পাল্টে যাবে।

টন একই, দামও একই~দেড় কোটি। তাহলে টাকার পরিমাণ বদলাবে কীভাবে?

যদি আমরা মঙ্গলম শ্রীনুকে বিক্রি করি, তাহলে প্রতি টনের দাম হয় ৫০ লাখ।

কিন্তু শ্রীনু যখন মুরুগানের কাছে সেটা পাঠায়, তখন সেই দাম বেড়ে হয় দেড় কোটি।

তাহলে আমরা যদি সরাস্যরি মুরুগানের ক্রেতার কাছে পৌঁছাই?

স্যার, তোমার নজর হয়তো রাজ্যের সীমানা পর্যন্তই।

কিন্তু আমি পুষ্পার নজর দেশের সীমানা ছাড়িয়ে অনেক দূর গেছে।

কী?

পুষ্পাকে ন্যাশনাল ভাবছেন নাকি?

পুষ্পা ইন্টারন্যাশনাল।

মালদ্বীপ

[হিন্দিতে] পার্টি এখনো আসেনি? এসেছে, ভাই।

- কোথায়? - ওই দিকে।

- ওরা কী করছে? - ওরা ওদের দেবতার কাছে প্রার্থনা করছে।

তাদের শিবমালা বলে ডাকা হয়।

- ওরা কি এই টেম্পোতে এসেছে? - হ্যাঁ, ভাই এটাতেই এসেছে।

আমার কুকুরও তো এই টেম্পোতে বসবে না।

স্যরি, প্যাপি।

তুমি এত সস্তা পার্টি পেয়েছ।

তুমি এদের সাথে কথা বলার আগে খোঁজ করোনি?

ভাই ওরা অনেক দূর থেকে মালদ্বীপে এসেছে, ওদের সাথে ১০ মিনিট হলেও কথা বলুন...

তাড়াতাড়ি ব্যবসার বিষয়ে কথা বলো।

আমরা কমপক্ষে এক হাজার কোটির চুক্তি করব।

এই ১০০-২০০ টনের ছোট ছোট চুক্তি তো যে কেউ ভারতে করতে পারে।

শিবাকে, কল কর।

১০০ টন নয়,

বলো যে তোমার ১০ টন লাগবে।

তোমার কি মনে হয়, পুরো ভারতে কেউ আমাকে ১০ টন দেবে না?

ভারতের সব ব্যবসায়ীদের আমার চেনা আছে।

- হ্যালো? - মুরুগান।

[তামিল] বলুন, হামিদ ভাই।

- কি খবর তোর? - এইতো ভালো আছি, ভাই।

- কোনো দরকার, ভাই? - আমার জলদি ১০ টন মাল দরকার।

মাত্র ১০ টন লাগবে?

হ্যাঁ, আমার মাত্র ১০ টন-ই দরকার। খুব জরুরি।

ঠিক আছে। এক মিনিট অপেক্ষা কর।

শিবা। মুরুগান শিবা।

[তামিল] নমস্কার, মুরুগান শিবা।

পুষ্পা। আমার জলদি ১০ টন মাল দরকার।

আমি একটি মিটিংয়ে আছি। পরে কথা হবে।

মিস্টার আগরওয়াল, দিনকাল কেমন চলছে?

বলুন, হামিদ ভাই। আমাকে হঠাৎ কেন মনে পড়ল?

- আমার জলদি ১০ টন মাল দরকার। - ঠিক আছে, হামিদ ভাই।

- নমস্কার আগরওয়াল শিবা। - নমস্কার পুষ্পা।

আমার জলদি ১০ টন মাল দরকার।

[বাংলায়] দাদা, আমার ১০ টন মাল দরকার।

যদি খুব জরুরি হয়, তাহলে এই নাম্বারে ফোন কর।

আচ্ছা নাম্বার দাও...

৯৪৪৩৪

এই! এটা কি পুষ্পার নাম্বার?

আপনি পুষ্পাকে চিনেন?

এইতো এখনই চিনলাম।

পুষ্পা। আড়াই অক্ষরের একটা নাম।

নামটা ছোট হলেও, আওয়াজটা কিন্তু অনেক বড়। বুম!

আওয়াজটা যদি তোমার পছন্দ হয়ে থাকে,

তাহলে এখন চল, ব্যবসার কথা বলি।

মাল কত আছে?

২০০০ টন।

প্রতি টনের দাম কত?

টন প্রতি আড়াই কোটি।

তুমি কি মজা করছ, পুষ্পা?

ব্যবসার ক্ষেত্রে পুষ্পা কখনো মজা করে না।

পুষ্পার সাথে ব্যবসা করে...

সবাই মজা পায়।

২০০০...

২০০০ টন...

৫০০০ কোটি।

ডিল ফাইনাল তাহলে।

না আমার চাই ৪৯০০ কোটি।

১০০ কোটি কম বলছো, পুষ্পা?

স্টকে কি পুরো মাল নেই?

বাকি ১০০ কোটি...

এবার ঠিক লাগছে।

উপরে পৌঁছাতে বেশি সময় লাগবে না।

এখন আমরা কীভাবে বাড়ি ফিরব?

এই টেম্পোতে যেতে হবে, ভাই।

কিন্তু আমার কুকুরও তো এই টেম্পোতে বসবে না।

আরে...

খোলো।

চলুন ভাবী।

এই ভাও, এখন পা একটার উপর আরেকটা তুলে রাখতে পারো। আমরা এখন হেলিকপ্টারয়ালা হয়ে গেছি।

আরে শিবা...

পাওয়ার দেখানোর জন্য নিচে আমরা...

পায়ের উপর পা তুলে বসি।

কিন্তু এখন তো আমরা উপরেই আছি,

তাই পায়ের উপর পা তুলে বসার আর দরকার নেই।

আর আমরা এখন যেহেতু উপরেই আছি...

তাই এত অহংকার করা ঠিক না, শিবা।

আমাদের একটু নরম হতে হবে।

শিবা সব সিন্ডিকেট মেম্বারদের ফোন করে বল মাল প্রস্তুত রাখতে।

কী ২০০০ টন?

কী ২০০০ টন?

সত্যিই ২০০০ টন?

হ্যাঁ শিবা..

এ তোর কি মাথা খারাপ হয়েছে?

দস্তাগিরি, শিবা।

দস্তাগিরি, শিবা।

এত শ্রমিক কীভাবে জোগাড় করবে?

- শিবা.. - হ্যাঁ, ভাও..

আমরা শ্রমিকদের কত করে দিচ্ছি?

২০০০ টাকা করে, শিবা।

এখন থেকে শ্রমিকরা পাবে...

দিনপ্রতি ১০০০০ ...১০০০০...১০০০০...

এত টাকা শুনলে সবাই ছুটে আসবে।

১০,০০০ টাকা, ১০,০০০ টাকা!

দিনপ্রতি ১০,০০০ টাকা!

এতগুলো মাল পাচার করতে কতগুলো লরি লাগবে জানিস?

ভাও, একেকটি লরি ১০ লাখ করে চাচ্ছে।

যতগুলো দরকার, কিনে ফেল, শিবা।

ঠিক আছে, ভাও।

আর শোন, ড্রাইভার আর ঝাড়ুদারসহ লরিগুলো কিনে নিস।

এবার তোমার থেকে ২০০ টন চাই।

ঠিক আছে, ভাই।

তোমার কাছ থেকে ১০০ টন চাই।

পাঠিয়ে দেব, বস।

- তুমি কত পাঠাচ্ছ? - আমি ১০০ টন পাঠাচ্ছি...

আমি ৫০ টন পাঠাব।

আমি ১৫০ টন পাঠাব, বস।

আমি ৭০ টন পাঠাব, ভাই।

আমি ৯০ টন পাঠাচ্ছি।

আমার নামে ১৫০ টন লিখে রাখ।

আমি ১০০ টন পাঠাব, ভাই।

আমার জন্য ১০০ টন..

আর ওর জন্য ১০০ টন লিখে রাখ।

তুমি ওর কাছে ১০০ টন চাইলে, আর আমার কাছে মাত্র ৫০ টন চাচ্ছ?

তুমি কি ভাবছো, আমি মাল ম্যানেজ করতে পারব না?

এসব কি, পুষ্পা।

শুনো, বিচ্চা রেড্ডি। ওটা মঙ্গলম শ্রীনুর এলাকা।

ওখান থেকে মাল যোগাড় করা সহজ, কিন্তু তা এখানে নিয়ে আসা কঠিন।

রাস্তায় যেই আসুক, আমি মাল এখানে নিয়ে আসবোই।

আরে ওই রাস্তায় অনেক পুলিশ চেকপোস্ট আছে।

এটা অনেক বড় ঝুঁকি। শুনছিস না কেন?

আরে কাকা সে বললো তো মাল নিয়ে আসবে।

তাহলে তাকে আটকাচ্ছ কেন?

এ বিচ্চা রেড্ডি। তুই মাল নিয়ে আসিস।

কিন্তু পুষ্পা..

হঠাৎ এত মাল কেন দরকার?

আমাদেরও তো জানা দরকার, তাই না? তুই কেন এসব করছিস।

ওই দেয়ালটা দেখছ? ওখানে বড় একটা ফ্রেম বসাতে হবে।

কী? এত টন মাল শুধু একটা ছবির জন্য?

স্বামী, আমি মাংসের ঝোল রান্না করছি। একবার চেখে দেখো তো।

ওই শেখাওয়াত তো আগেই আমাদের পেছনে লেগে আছে।

এমন সময়ে এতগুলো মাল নিয়ে যাওয়া কি ঠিক হবে?

পুষ্পা কি ভুল কি ঠিক তা নিয়ে ভাবে না।

আর পুষ্পা যে সিদ্ধান্ত নেয়,

তা ঠিকই হয়।

একটু লবণ বেশি হয়েছে, বউ।

- এই.. - হ্যাঁ, ভাও..

যা একটু পানি নিয়ে আয়।

সে পুষ্পা হতে পারে,

কিন্তু বউয়ের সামনে ঝোল নোনতা হয়েছে এটা বলতে পারবে না।

এখন দেখ কি হয়..

ভাও, শ্রীভাল্লি ভাবি রেগে গেছে। সব মাংস-ঝোল ফেলে দিচ্ছে।

কিন্তু কেন? কারণ তুমি বললে না, লবণ কম হয়েছে।

তাই বলে সে সব ফেলে দেবে?

আমি বলতেও পারব না যে লবণ কম হয়েছে? - হ্যাঁ, ভাও...

এত বড় মিটিং হচ্ছে আর এইদিকে ও আবার মন খারাপ করেছে।

আমি একটু আসছি। পারিবারিক বিষয় বুঝতেই তো পারছো।

এই শ্রীভাল্লি!

শোন,

- এই শ্রীভাল্লি। - কি হয়েছে?

কি হয়েছে সোনা?

এত রাগ করছো কেন?

তো কী করবো? তুমি সব সময় আমার রান্নায় খুঁত বের করো।

কখনও কি আমার রান্নার প্রশংসা করেছ?

এত ভালোবেসে বানিয়েছিলাম, কারণ এটা তুমি পছন্দ করো।

এই কয়েকদিন ধরে শিবপুজা চলছিল তো তাই, অনেক দিন ধরে উপোস থাকার পর ঝোলটা একটু নোনতা...

ঠিকই বলেছ, সোনা।

ঝোলে এতটাই নুন থাকা উচিত।

যাই হোক,

তোমার নুন খেয়েই তো, পুষ্পা এতদূর যেতে পেরেছে।

নাটক কর না, পিও।

আরে সোনা..

তুমি একটু সাবধানে চলতে পারো না?

দেখো তো! এগুলো সোনার পা।

কিন্তু এ পায়ে সস্তা রুপোর নুপুর কেন?

এই কেশব?

হ্যাঁ, ভাও। আমি ভিতরে আসব না, ওখান থেকেই বলো।

যা কল্যাণ জুয়েলার্স থেকে তোর ভাবির জন্য সোনার নুপুর নিয়ে আয়।

ঠিক আছে, ভাও।

থাক, আমি নিজেই বেছে নিয়ে আসবো নি।

পরে আমাকে মনে করিয়ে দিস।

পা ছাড়ো, স্বামী।

- কেন কি হলো? - বললাম তো পা ছাড়ো।

- কেন? - তুমি তো পুষ্পা রাজ।

তোমার স্ত্রী’র পা ধরেছ, এ কথা শুনে কেউ যেন হাসাহাসি না করে।

সোনা, শুধু গর্ব নিয়েই নয়,

ভালোবাসার বিষয়েও পুষ্পা রাজ ঝুঁকেও নিজের নজরে

কখনও ঝুঁকবে না।

আমি শুধু সিন্ডিকেট সদস্যদের সামনে একটু ভাব নিই, মনে কষ্ট নিও না।

এই! পুষ্পা রাজকে কী মনে করো?

পরের বার থেকে আর কোনো অজুহাত চলবে না।

স্বামী..

- কী হয়েছে? - একটু এদিকে এসো,

কি হলো?

- আমার আবার ফিলিংস জাগছে, স্বামী। - কেন? এখন আবার কী করলাম?

- কেন তোমার আবার ফিলিংস জাগছে.. - এইযে তুমি আমার পায়ে হাত দিলে।

পায়ে হাত দিলেও কি ফিলিংস জাগে?

হ্যাঁ, স্বামী। হয়।

- এই কেন তুমি আমার বোতাম খুলছো? - থামো, বউ।

মিটিং শেষ হলেই যত তাড়াতাড়ি পারি চলে আসবো।

- স্বামী, তুমি সব সময় এই একই কথা বলো। - আরে বোতাম খোলা বন্ধ করো।

ফিলিংস চলে যাবে কিন্তু।

চলে গেলে আবার জাগিয়ে দিব নি।

চলো স্বামী।

জোরে শব্দ কোরো না। সবাই শুনে ফেলবে তো।

এখন ঘপাঘপ করার সময় নয়, আমাকে যেতে দাও।

চলো, স্বামী। এটা কি!

তুমি কিন্তু এটা ঠিক করছো না।

সবাই শুনতে পাবে, প্লিজ, এখন এসব কর না।

কি বউ তুমি আবার আমার গায়ের উপর পা রাখছো কেন?

স্বামী,

এটা আমার পা।

আবার এটাও আমার পা।

আমি আমার নিজের পায়ে পা রেখেছি। তোমার সমস্যা কী?

এবার যে আমার ফিলিংস জাগছে।

এদিকে আসো।

এই..স্বামী..

- আরে দাড়াও। - শুধু তোমারই কি ফিলিংস আছে।

আর আমার নেই?

এই..হেই..

চোখ বড় বড় করে তাকিয়ে আছিস কেন?

আমি তাকে তোর কাছে পাঠিয়েছিলাম এটা দেখতে যে, তোর মধ্যে এখনও কোনো পুরুষত্ব বাকি আছে কিনা।

দক্ষা লাইট বন্ধ কর। লাইট বন্ধ কর, দক্ষা!

করবো না। ওই পুষ্পা তোর পুরুষত্ব নষ্ট করে দিয়েছে না।

এখন লুকিয়ে থাক আর এভাবেই বাঁচ।

ওই হারামজাদা আমার স্বামীর মুখে থুথু দিছে আর আমার ভাইকে মেরে ফেলেছে।

আমার রক্ত গরম হয়ে উঠেছে।

তুই শুধু বসে বসে দেখ আর অপেক্ষা কর।

কিন্তু এই দক্ষা থামবে না যতক্ষণ না আমি ওই পুষ্পার মরা মুখ দেখি।

সে মজুর হয়ে ঢুকেছিল, আর এখন সিন্ডিকেটের মালিক হয়ে বসেছে।

তুই কি জানিস, ও এখন কী প্ল্যান করছে?

হাজার হাজার টন মাল সরাস্যরি চীনে বিক্রি করার পরিকল্পনা করছে।

ওই যা মাল পাচ্ছে সব কিনে নিচ্ছে, আর চীনে চালান দিচ্ছে।

যেসব কাঠ মাটিতে লুকিয়ে রেখেছিল, সেগুলোও এখন বের করছে।

আকাশ থেকে চন্দনের বৃষ্টি করাচ্ছে।

গাছ থেকে, নদী থেকে, ঝর্ণা থেকে...

বাইকে, অটোতে, গাড়িতে আর যা কিছু আছে,

সব বাহন-ই পুষ্পার কাঠ নিয়ে যাচ্ছে।

এই কাঠ কোথায় যাচ্ছে, তা কেও জানে না।

পুষ্পা নিশ্চয়ই বড় কিছু পরিকল্পনা করছে।

মুরুগানের পরিবর্তে এখন সে সরাস্যরি দুবাইয়ের কারও সঙ্গে লেনদেন করছে।

আজ সে একটা স্টেশন কিনেছে, কাল হয়তো পুরো রাজ্য কিনে নেবে।

আমাদের যেকোনো মূল্যে ওকে থামাতে হবে।

আমার কাছে একটা প্ল্যান আছে।

বিচ্চা রেড্ডি।

আগে সে আমার জন্য কাজ করত, কিন্তু এখন সে সিন্ডিকেটের সদস্য।

আমি জানি সে কীভাবে তার মাল পাচার করে।

তুই যদি ওকে ধরে ভয় দেখাস,

তাহলে পুরো সিন্ডিকেট কেঁপে উঠবে।

আমার স্বামী মাঙ্গালাম শ্রীনু বাকি সব সামলে নেবে।

প্রথমে তাকে ভয় দেখিয়ে তোর পুরুষত্ব প্রমাণ কর।

সব প্রমাণ করব।

তার আগে আমার প্যান্টটা দে।

আমি কি তোর বউ, যে তোর প্যান্ট এনে দেব?

তুই আমার প্যান্টের ওপর বসে আছিস।

- মিস্টার কুপ্পারাজু। - জ্বি, স্যার।

ঠাণ্ডা লাগছে না?

জিপে একটা বোতল আছে, স্যার।

ভেতরে নয়, বাইরে ঠাণ্ডা লাগছে।

এই শেখাওয়াত স্যারের জন্য পরিবেশ গরম কর।

এই! পাগল হয়ে গেছিস নাকি, কি করছিস এসব?

এই মালের দাম ৩০ কোটি। তোরা এটা পুড়িয়ে দিবি?

সিন্ডিকেটের মাল ধরলে কী হয়, তোরা জানিস না?

এই শেখাওয়াত স্যার। তুই কি ভুলে গেছিস, পুষ্পা কীভাবে তোকে ন্যাংটা করেছিল?

এই! এই!

তোর মাথায় কি ঢুকছে না!

- এই! স্যার..স্যার। - চিৎকার করছিস কেন?

তোর না ভয় পাওয়ার কথা?

আমি চাই তুই আমাকে ভয় পা..

- মিস্টার কুপ্পারাজু। - জ্বি স্যার।

দক্ষা আমাকে বলেছিল ওকে ভয় দেখাতে। কিন্তু দেখ, ও তো চিৎকার করছে।

- না স্যার। - তোর নাম কী?

ও ভয়েই আছে, স্যার।

সত্যি?

ওর চোখ দেখলেই বোঝা যাচ্ছে।

আমার তো তেমন মনে হচ্ছে না। মনে হচ্ছে সে শুধু চমকে গেছে। নিজেই দেখুন।

ভয়ই পেয়েছে, স্যার।

এটাকে ভয় বলে। ওর চেহারায় তো এটা ছিল না।

এই..না না না না

আমি আসছি।..

- মিস্টার কুপ্পারাজু। - জ্বি স্যার।

আমি জানি ওর সমস্যা কী।

ও জানে, আমরা ওর বালও ছিঁড়তে পারব না।

সিন্ডিকেটের সদস্য, তো তাই...

তাই পুষ্পা রাজের রাজত্বে শ্বাস নিচ্ছে।

আমি একটা উপায় জানি ওকে ভয় দেখানোর, মিস্টার কুপ্পারাজু।

- কী উপায়, স্যার?

স্যার! স্যার!

হ্যাঁ, এখন ও ভয় পেয়েছে। - সে তো মারা গেছে, স্যার।

মারা যাওয়ার আগেই ও ভয়ে ছিল, মিস্টার কুপ্পারাজু।

- কখন ভয় পেয়েছিল, স্যার? - চিৎকার করার ঠিক আগে।

ওর ভয় মাথায় ছিল না, পুটকিতে ছিল।

সব পুড়িয়ে দিয়েছিস!

কিন্তু দুঃখের বিষয়, আমরা সেটা দেখতে পেলাম না।

আরে এটাতো বিচ্চা রেড্ডি!

এই, শেখাওয়াত! তুই ওর সাথে কী করেছিস? ওকে ধাক্কা দিয়েছিস?

আমি কিছু করিনি...

আমি শুধু ওর নাম জানতে চেয়েছিলাম। ও ভয়ে লাফিয়ে পড়ল।

এই কথাটাই আমি বলব।

কিন্তু সবাই ভাববে আমরাই ওকে ধাক্কা দিয়েছি।

আমাদের ওকে জীবিত রেখে শুধু ভয় দেখালেই হতো।

মেরে ফেললি কেন?

যদি আমি ওকে ভয় দেখাতাম,

তাহলে শুধু ও-ই ভয় পেত।

কিন্তু আমি ওকে মেরে ফেলাতে,

পুরো সিন্ডিকেট-ই ভয় পাবে।

এই যে সবাই! লোকটা তো মারা গেছে, কিন্তু তোদের চেহারা এমন মরা মানুষের মতো কেন?

এতকিছু হয়ে যাওয়ার পরেও কেউ মুখ খুলবে না?

আমি আগেই বলেছিলাম। আমার ভায়রা মারা গেলেই এটা শেষ হবে না।

এটাই হয় যখন অজ্ঞ লোকেদের হাতে ক্ষমতা তুলে দেওয়া হয়।

এই শ্রীনু! তোর কি পরিস্থিতি বোঝার ক্ষমতা নেই?

কিছু ভুল ওরও ছিল।

আমরা বলেছিলাম যে ওখানে পুলিশ এর চেকপোস্ট আছে।

ও কথা শোনেনি,

তাই মারা গেল। আর কী-ই বা করা যাবে?

আর ও ভয়ে ব্রিজ থেকে লাফিয়ে পড়লে এমপি মশাই এর দায় নেবে কেন?

তুই কি বোকা? ও লাফ দিয়ে মরেনি। ও মরেছে ধাক্কা খেয়ে।

ও, ম্যাডাম? তোমার কথায় মনে হচ্ছে যে তুমি সেখানে ছিলে আর সব দেখেছ।

যাই হোক। সে লাফ দিয়েই মরুক আর ধাক্কা খেয়েই মরুক, বিপদ তো আমাদের উপরেই, তাইনা?

ও ঠিকই বলেছে।

বিচ্চা রেড্ডির মৃত্যু আমাদের দেখিয়েছে, যে পুষ্পাকে সমর্থন করলে কী হয়।

এটা যেন একটা সতর্কবার্তা।

এমপি স্যার, আপনি শ্রীনুর বদলে পুষ্পাকে সমর্থন করলেন এবং সিন্ডিকেটের দায়িত্ব তার হাতে দিলেন।

আমরা আপনার প্রতি সম্মান দেখিয়ে তা মেনেও নিয়েছিলাম।

কিন্তু এমনভাবে মৃত্যু হতে থাকলে কীভাবে এগোবো, স্যার?

প্রথমে পুষ্পা আর শেখাওয়াতের মধ্যে ঝামেলা মিটিয়ে দিন।

না হলে, সিন্ডিকেটের দায়িত্ব আবার মঙ্গলম শ্রীনুর হাতে ফিরিয়ে দিন।

জীবন টাকার চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ, স্যার।

এমপি স্যার! আপনার কাছে একটা অনুরোধ, কবরস্থানে যাওয়ার জন্য একটা নতুন রাস্তা বানিয়ে দিন।

রাস্তার অবস্থা খুবই খারাপ, পুরোটাই গর্তে ভরা।

আমাদের এখন এই পথে প্রায়ই যাতায়াত করতে হবে যে।

স্যার।

- এমপি সাহেব এসেছেন। - এমপি?

তিনি এখানে কেন? এখানে তার কী কাজ?

জানিনা, স্যার।

মি. সিদ্ধাপ্পা,

আমি তাকে কিছু করিনি।

আমি শুধু তার নাম জিজ্ঞাসা করেছিলাম। আর সে ভয়ে লাফ দিল!

- কী বলেন, মি. কুপ্পারাজু? - হ্যাঁ, স্যার।

সে ভয় পেয়ে লাফ দিয়েছে!

তুমি এমনভাবে হাত দেখাচ্ছ কেন?

তিনি মনে করবেন যে আমি ধাক্কা দিয়েছি।

আমি বলতে চেয়েছিলাম সে লাফ দিয়েছে, স্যার।

ক্ষমা করবেন, স্যার।

এই! স্যারের জন্য কফি, ঠান্ডা পানীয়...নিয়ে আসো।

না, না! ফালুদা নিয়ে আসো।

এই! তোর নাটক বন্ধ কর!

কী ভাবছিস, তুই যা ইচ্ছা তাই করবি, আর আমি চুপ করে থাকব?

চুপ করে থাকবেন কেন, স্যার।

আমাকে বদলি করে দেন।

মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে, আমাকে বদলি করে দেন।

তুইও জানিস, যে এটা সম্ভব নয়। সেই জন্যই তো তোকে বলতে এসেছি।

যাইহোক,

অতীতের কথা ভুলে যা।

ক্ষতিপূরণ হিসেবে,

পুষ্পাকে ১০ কোটি টাকা দিতে বলব।

বিল? বিল না, স্যার।

উনি ক্ষতিপূরণের কথা বলছেন।

ক্ষতিপূরণ?

দশ কোটি!

এসব কী, শেখাওয়াত? তুই এই ছোট্ট একটা ব্যাপারকে বড় করছিস, কেন?

ওখানে তো শুধু তোরা দুজন ছিলি।

- মিস্টার কুপ্পারাজু। - জ্বি, স্যার।

একটু বাইরে যাও। ঠিক আছে, স্যার।

আপনার শার্টটা খুলুন, এমপি সাহেব।

কি?

শার্ট শার্ট! শার্ট টা খুলে ফেলুন।

এই!

নাহলে প্যান্ট!

এটা একটু বেশি হয়ে গেল না?

তুই জানিস, কার সঙ্গে কথা বলছিস?

দেখেছেন?

দেখেছেন?

এখানে তো শুধু আমরা দুজনই আছি।

আপনি রেগে যাচ্ছেন কারণ আমি আপনাকে শুধু শার্টটা খুলতে বলেছি।

কিন্তু সে আমাকে পুরোপুরি ন্যাংটা করেছিল।

আপনি কি বলছেন?

আপনি আমাকে ১০ কোটি টাকা দিতে চাচ্ছেন?

উচ্চশ্রেণীর কোনো যৌনকর্মীও এক লাখ টাকায় পোশাক খুলে ফেলবে।

কিন্তু আমি যখন পোশাক খুললাম, তখন শুধুই দশ কোটি?

মাত্র দশ কোটি? তাহলে আমার মূল্য কী?

ও আমি... আমি তো একটা বড় পতিতা! অনেক বড় পতিতা।

হ্যাঁ, সবচেয়ে বড় পতিতা...!

এবার কি তুই খুশি?

রাজনীতিতে আসার আগে, আমাদের সবকিছুই ত্যাগ করতে হয়।

এখানে আর ত্যাগ করার মতো কিছুই বাকি নেই।

শোন, এসপি,

এই ব্যবসায় তুই ঠিক ততটাই গুরুত্বপূর্ণ, যতটা পুষ্পা।

তোদের দুজনের সমন্বয়েই এই ব্যবসা ঠিকমতো চলবে।

আর এটা নিশ্চিত করতে হলে আমি যা যা দরকার, সব করতে রাজি।

আর কী চাই তোর?

সব কিছু...

কিন্তু, এই সবকিছুর মধ্যে সবচেয়ে কঠিন বিষয়টা কী জানেন?

আমাদের শত্রুর বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেয়ার উপায় খুঁজে না পাওয়া।

শত্রুকে হারানোর কোনো পথ না পাওয়া। ঠিক কিভাবে তাকে হারাবো তা না জানা।

আমি পুষ্পাকে তোর কাছে ক্ষমা চাওয়াব।

পুষ্পা কি ক্ষমা চাইবে?

আপনি তাকে বললেই,

সে কি ক্ষমা চাইবে?

আমিই তাকে কুলি থেকে সিন্ডিকেটের প্রেসিডেন্ট বানিয়েছিলাম।

সে আমার জন্য জীবন দিতেও প্রস্তুত।

- মি. কুপ্পারাজু! মি. কুপ্পারাজু! - জ্বি, স্যার।

[হিন্দি] আরে, দরজা বন্ধ করে ভেতরে আসো।

এমপি স্যার,

পুষ্পা এমপিকেও কাপড় খুলতে বাধ্য করেছে।

বিষয়টা সেটা নয়..

পুষ্পা কি ক্ষমা চাইবে?

- আপনার কাছে? - হ্যাঁ।

সে ক্ষমা চাইবে না, স্যার। সে খুবই অহংকারী।

কখনো নিচু হবো না!

যখন সে বলে, তখন এটা ভালো শোনায়।

তাহলে তাকে বলতেও দাও।

কাপড় খোলার ক্ষতিপূরণ হিসেবে,

পুষ্পার আমার কাছে ক্ষমা চাইতে হবে।

মি. সিদ্ধাপ্পা,

সকলেই যেন তার ক্ষমা চাওয়াটা শুনতে পায়।

বড়সড় পার্টির আয়োজন কর!

সিন্ডিকেটের সবাইকে নিমন্ত্রণ করো।

পার্টি হবে পুষ্পা...

পার্টি হবে।

শেখাওয়াত এসে গেছে।

স্বাগতম, এসপি।

মি. সিদ্ধাপ্পা!

পুষ্পা এসেছে?

না এখনও আসেনি।

ওর আটটায় আসার কথা ছিল না? এখন তো ন’টা বাজে।

আমি ওকে আনার জন্য একজনকে পাঠিয়েছি।

- প্রসাদ, সুদাকার রেড্ডিকে ফোন দাও। - ঠিক আছে।

আমি অপেক্ষা করছি।

মিস্টার সিদ্ধাপ্পা, ২০ বছর আগে আমি এক মেয়েকে তিন ঘণ্টা অপেক্ষা করিয়েছিলাম।

ভেবেছিলাম সে বলবে, "আমি তোমায় ভালোবাসি।"

সেই ফিলিংসটা,

আর কখনো হয়নি। আজ সেই ফিলিংস হয়েছে।

ঠিক আছে। আমি অপেক্ষা করব।

কী হচ্ছে, পুষ্পা?

শেখাওয়াতের সাথে তোর ঝগড়ার কারণে, আমাদের মধ্যে একজন মারা গেছে।

সবাই আমাদের বিরুদ্ধে হয়ে গেছে।

সিন্ডিকেট আবার মঙ্গলম শ্রীনুর নিয়ন্ত্রণে চলে যেতে পারে।

পুষ্পা...

আমাদের একমাত্র উপায় এখন...

সিদ্ধাপ্পা যা বলবে, তা করা।

পার্টিতে আয়।

আর শেখাওয়াতের কাছে ক্ষমা চা।

অথবা...

সিন্ডিকেট যা সিদ্ধান্ত নেবে,

আমাকে সেটা মেনে চলতে হবে।

চল, যাওয়া যাক।

এমপি সাহেব যা বলবে,

তা তোমার ভালোর জন্যই, স্বামী।

তিনিই তো...

তোমাকে সেদিন সিন্ডিকেটের প্রেসিডেন্ট বানিয়েছিল।

যদি তিনি নিজেই তোমাকে এটা করতে বলছেন,

তাহলে সেটা অবশ্যই তোমার ভালোর জন্য।

এটাই আমার মনে হয়।

তুমি ভালো জানো, কী করতে হবে।

সাবধানে! স্বামী!

স্বামী!

একটু দাঁড়াও, আমিও আসছি!

আমার মনে হয় এসপি সাহেব খুব নিশ্চিত যে

পুষ্পা তার কাছে ক্ষমা চাইবে।

যদি সে এটা না বলে,

তাহলে মনে হবে, সে কিছুই বলেনি।

কারণ এটা নতুন কিছুই নয়।

তবে যদি সে বলে,

তাহলে ভাবতে হবে, কেন সে এটা করল?

তাই সাবধান!

পুষ্পা!

কী খবর?

আমাকে কি মনে আছে?

তুমি কি এখানে ক্ষমা চাইতে এসেছ?

আমি দেখতে এসেছি।

মি. কুপ্পারাজু।

জ্বি, স্যার।

যখন সে ক্ষমা চাইবে, তখন যেন সবাই শুনতে পায়।

- গান বন্ধ করো। - ঠিক আছে, স্যার।

বন্ধ করো। গান বন্ধ করো।

- পুষ্পা?

ওকে বল।

এটা নিয়ে ভাবার কী আছে?

বলে দে।

- পুষ্পা..

সবাই অপেক্ষা করছে...

এই, পুষ্পা! অনেক হয়েছে। এবার কিন্তু বাড়াবাড়ি হয়ে যাচ্ছে।

থাম।

শেখাওয়াত স্যার...

স্যরি।

দেখলে! ক্ষমা চেয়েছে।

স্যরি। সে বলে ফেলেছে!

মি. সিদ্দাপ্পা, পুষ্পা ক্ষমা চেয়েছে!

স্যরি,

স্যরি,

স্যরি,

দেখলে! ক্ষমা চাইলো।

- মি. কুপ্পারাজু! - জ্বি, স্যার?

চমৎকার, তাই না? পুষ্পা, ক্ষমা চাইলো!

"সে ক্ষমা চেয়েছে" না, স্যার। সে ক্ষমা চাইলো।

মি. কুপ্পারাজু... পুষ্পা যতদিন ফায়ার ছিল ততদিন স্যরি বলেনি।

কিন্তু... পুষ্পা এখন ফুল হয়ে গেছে,

তাই সে স্যরি বলেছে।

এটাই ঠিক!

স্যরি,

সে স্যরি বলেছে।

- এই... - হ্যাঁ, ভাও..

- আমি কি ঠিক কাজ করেছি? - হ্যাঁ, ভাও।

তাই? হুম।

তুমি কি বলছো? - স্বামী...

- এটা কি ঠিক করলাম? - হ্যাঁ, স্বামী।

তুমি যা করো, সবই সিন্ডিকেটের মঙ্গলার্থে।

আমরা চলে আসার পর...

ওখানকার সবাই হাসবে...

কেন হাসবে, ভাও।

তারা হাসবে এটা সিওর।

ভাববে আমার অহংকার মাটিতে মিশে গেছে।

অনেক মানুষ অপেক্ষায় ছিল, পুষ্পাকে পিছিয়ে যেতে দেখার জন্য।

সবার মধ্যেই হিংসা থাকে।

যখন কেউ অনেক উঁচুতে ওঠে,

তখন বাকিরা অপেক্ষা করে তার পতন দেখার জন্য।

আর আমার ক্ষেত্রে এরকম লোকের সংখ্যা দ্বিগুণ।

তবে যাই হোক,

মঙ্গলম শ্রীনু এবং দক্ষা ভাবেইনি যে তুমি ক্ষমা চাইবে।

তারা ভেবেছিল সিন্ডিকেট তাদের হাতে ফিরে আসবে।

তুমি ক্ষমা চাওয়াতে তারা অবাক হয়ে গেছে!

- তুইও? - কি ভাও?

তুইও কি অবাক হয়েছিলি?

না, ভাও..

কেন?

কেন তুই অবাক হসনি?

তুইও কি আশা করেছিলি যে আমি ক্ষমা চাইব?

পুষ্পা টাকার জন্য নিচে নেমে যাবে, আর ক্ষমা চাইবে।

তুইও ভেবেছিস যে আমি ক্ষমা চাইবো?

আমি সেই ধরনের মানুষ যে চাকরি ছেড়ে দেবে,

শুধু কেউ যদি বলে, পা নামাও।

তুইও তো সেই কারণেই আমার পিছনে এসেছিলি, তাই না?

হ্যাঁ, ভাও।

তাহলে তুই কীভাবে আশা করলি যে আমি ক্ষমা চাইব?

তোর চাইতে তো,

মঙ্গলম শ্রীনুই ভালো।

সে তো ভাবেইনি আমি ক্ষমা চাইব।

সে সত্যিই অবাক হয়েছিল।

কিন্তু তুই নয়।

না, ভাও। আমি সেটা বলতে চাইনি।

আমিও অবাক হয়েছিলাম, ভাও..

নাটক করিস না।

আমার নাটক ভালো লাগে না।

আমি ক্ষমা চেয়েছি, তাই না?

তাই তুইও আমাকে বোকাচোদা ভাবছিস?

না.. ভাও..

কি রে, তুমিও কি আমার ব্যাপারে এমনটাই ভাবো?

আরে স্বামী, এসব তুমি কী বলছ!

- ওখানেও সবাই এমনটাই ভাবছে। আমি জানি ওরাও এটা মনে করছে।

এখনতো...

এখন তো নিজেকে নিজেই বোকচোদ মনে হচ্ছে।

এভাবে চলতে পারে না।

পুষ্পা এভাবে বাঁচতে পারে না।

কী হয়েছে?

কেশব, কী হয়েছে?

শ্রীভাল্লী বৌদি।

আমি এতে অবাক হইনি।

আমি জানতাম এটাই ঘটবে।

আমি জানতাম গাড়ি এনুগুলয়াতে ফিরে যাবে। ঠিক বলেছিস, কেশব।

কিন্তু ভাও একটু লেট হয়ে গেল।

যখন কেউ আমার কাছে ক্ষমা চায়, তখন তাকে আমি মাফ করে দিই।

আমরা এখন বেস্ট ফ্রেন্ড।

- কাল কমিশনের ব্যাপারে কথা বলব। - আচ্ছা।

- ঠিক আছে।

- তাহলে পরে দেখা হচ্ছে। - বিদায়..

এসব কী, স্বামী?

সে ‘স্যরি’ বলে চলে গেল, আর সে সেটা মেনেও নিল!

আমরা এখনো এখানে কেন বসে আছি? চলো, আমরা চলে যাই।

এসে গেছে ও ফেরত!

দক্ষা, প্রথমবার আসলে ও তেমন কিছু করে না।

কিন্তু পরেরবার আসলে সবার পিছন ফেটে যায়।

এই! কী হয়েছে?

- কী হয়েছে?

তুই কি করছিস?

আমি মূত্রত্যাগ করছি।

দেখছেন না?

শেখাওয়াত কোথায়?

শেখাওয়াত স্যার।

আরে...

ওকে নিয়ে আসো! টেনে বের করো।

টেনে বের করো!

এসব কি করলি, পুষ্পা?

আবার তুই নির্লজ্জের মতো মূত্রত্যাগও করছিস?

লজ্জা তো আমার স্যরি বলার কারণে পাওয়া উচিত।

কিন্তু মূত্রত্যাগে নয়।

স্যার! স্যরি, স্যার।

স্যরি, স্যার। সাবধানে, স্যার।

- আসুন, স্যার। - সাবধানে।

স্যরি স্যার।

- এই কোট খুলে ফেলো। - স্যার, জ্যাকেট।

জ্যাকেট, স্যার।

আমি কত কষ্ট করে সব ঠিক করেছিলাম। কিন্তু তুই ফিরে এসে সব গণ্ডগোল করে দিলি।

এটা কী রকম ব্যবহার?

আপনি কী সেটিং করেছিলেন, স্যার?

আমাকে তাকে স্যরি বলতে বলেছিলেন?

যে একদম নোংরা কুত্তা, যে সম্মানের জন্য ভিক্ষা চায়।

এমন নোংরা কুত্তা, যে আমার--

দুঃখিত, ম্যাডাম।

আমি গালি সামলাতে পারি না। আপনার এখান থেকে যান, প্লীজ।

ওই! এটা নোংরা পানি। যা পরিষ্কার পানি নিয়ে আয়।

একজন পুলিশ অফিসার কেমন হওয়া উচিত?

- তার নাম কি? - কার, ভাও?

- যার মাথায় তিলক ছিল। - গোবিন্দাপ্পা।

যদি সে গোবিন্দাপ্পার মতো সৎ অফিসার হতো, তাহলে শুধু স্যরি বলতাম না,

আমি তাকে স্যালুটও করতাম।

ওই! তোরাও স্যালুট করবি?

- এই, তোর বৌদি কোথায়? - গাড়িতে বসে আছে।

ওখানেই থাকুক।

তোমরা সবাই কী করছ?

পুষ্পার ক্ষমা চাওয়া দেখার জন্য এসেছ?

তো দেখে নিলে এবার?

এটাই করার ছিল।

আমার মাথার পুরো মেরে...

এটা কী, ম্যাডাম?

এখান থেকে চলে যান। আমি আমার গালি নিয়ন্ত্রণ করতে পারছি না।

- যাও যাও.. - চলে যাও।

ওকে নিয়ে খারাপ ভাষা ব্যবহার করা ভুল নয়।

তবে তোমাদের সামনে ওকে বকাঝকা করাটা ভুল।

দুঃখিত,

এখন যাও।

- মি. কুপ্পারাজু.. - জ্বি, স্যার।

আমি কেন সুইমিং পুলে ঝাঁপ দিলাম?

আপনার গাড়ির সাথে দুর্ঘটনাবশত ধাক্কা লেগেছিল,

আর আপনি পুলে পড়ে গিয়েছিলেন।

সে তো ক্ষমা চেয়ে চলে গেল, তাই না?

তাহলে সে এখানেই কেন?

মনে হচ্ছে...

সিন্ডিকেটের সদস্যদের সাথে কথা বলতে এসেছে।

ওটা কে ছিল?

কে সিন্ডিকেট প্রেসিডেন্ট বদলাতে চেয়েছিল?

তোমরা কি সবাই আমাকে সেই জায়গায় বসিয়েছিলে?

আঃ...

মাঙ্গালাম শ্রীনু ভাই।

মাঙ্গালাম শ্রীনু ভাই।

বাঘ!

বাঘ মাঙ্গালাম শ্রীনু ভাই।

তার সামনে কথা বলতেও সবাই কাঁপত।

তাইনা, শ্রীনু ভাই?

সে প্রতি টনে ৫০ লাখ মেরে দিত। কিন্তু তাকে জিজ্ঞেস করার সাহস কারোর ছিল না।

তুমি কি কখনো জিজ্ঞেস করেছ? না।

- কী? - না..

কিন্তু আমি করেছি।

আমি তার বাড়িতে গিয়ে তাকে ভয় দেখিয়ে ছেড়েছি।

তাকে দেখিয়ে দিয়েছি যে, পুষ্পা ফুল নয়, আগুন।

কী বলো ভাই?

এইভাবে আমি এই জায়গায় উঠেছি।

তোমরা আমাকে এই পদ দাওনি।

- তুমি গন্ধ পাচ্ছো?

- কেন গন্ধ থাকবে, স্যার?

কারণ সে আমার গায়ে প্রস্রাব করেছে। না স্যার।

সে আমার গায়ে প্রস্রাব করেছে, তাই না? আমি জানি, মিস্টার কুপ্পারাজু।

বন্দুক! বন্দুক! এই, আমার বন্দুক দাও!

ওই মাদারচো*... স্যার! স্যার!

আমারও কিন্তু বন্দুক আছে। আমিও প্রস্তুত...

এটাই ওর অহংকার।

শেখাওয়াত, সবাইকে তোর আসল পুরুষত্ব দেখা। গুলি চালা!

এই লোকটাই বিচ্চা রেড্ডিকে মেরেছে, স্যার।

আমি তাকে ছাড়ব না।

সে কেন বিচ্চা রেড্ডিকে মারবে? সে নিজেই লাফিয়ে পরে মরেছে।

এখন তোর সাহস দেখা!

গুলি চালা!

পুষ্পা! প্রথমে আমাকে মার। আমি এসব আর দেখতে চাই না।

- মার আমাকে.. মার.. - পুষ্পা..

পুষ্পা, পুলিশের সাথে ঝগড়া করে কী লাভ?

তোর কাছে আমাদের হাজার কোটি টাকার মাল আছে।

সেই মাল নষ্ট হলে সিন্ডিকেটের কী হবে?

তোর কাছে হাজার কোটি টাকার মাল আছে, তাইনা?

সেই মাল পুড়িয়ে দিলে সিন্ডিকেটের কী হবে?

সিন্ডিকেট ধ্বংস হয়ে যাবে।

পুষ্পার কী হবে তখন?

সে আবার কুলি হয়ে যাবে।

বাহ! বাহ!

আমি পুরো মাল বাজেয়াপ্ত করব। সেশাচালামে পাহারা দিব,

কাঁটাতারের বেড়া বানিয়ে।

তারপর জঙ্গলে তল্লাশি চালাবো,

আর পুষ্পাকে আবার কুলি বানিয়ে ছাড়ব।

মেরে ফেলার বদলে এত কথা কেন বলছিস?

এই..

সে কি আমাকে মেরেছে?

তবুও তো আমি ভিতরে ভিতরে মরছি।

ঠিক একইভাবে, আমিও তাকে মারব না।

কিন্তু সে ভেতরে ভেতরে মরে যাবে।

তাকে কুলি হয়ে মরতে হবে।

সাবাস!

এটাকেই বলে চ্যালেঞ্জ!

এখন সবাই শোন,

সোমবার ভোরে,

ঠিক সূর্য ওঠার আগে ৪টা ১১ মিনিটে,

২০০০ টন মাল

চেন্নাই সীমান্ত পার করবে।

সাহস থাকে তো আটকে দেখা, শেখাওয়াত।

যদি একটা কাঠের টুকরোও ধরতে পারিস,

তাহলে আমি এই সিন্ডিকেট ছেড়ে দেব।

কাঁধে কুড়াল নিয়ে,

জঙ্গলে গিয়ে কুলি হয়ে যাব।

এটা হলো আসল পুরুষের মত কথা। এবার রেকর্ডার টা নিয়ে এদিকে আয়,

আর এটা রেকর্ড কর।

সাহস থাকে তো আটকে দেখা, শেখাওয়াত।

সাহস থাকে তো আটকে দেখা, শেখাওয়াত।

তোরা সবাই আমার সাথে বল।

- সাহস থাকে তো আটকে দেখা, শেখাওয়াত। - কিরে তোরাও বল।

সাহস থাকে তো আটকে দেখা, শেখাওয়াত।

যদি পারো, আমরা সিন্ডিকেট ছেড়ে দেব।

কাঁধে কুড়াল নিয়ে,

জঙ্গলে গিয়ে কুলি হয়ে যাব।

জঙ্গলে গিয়ে কুলি হয়ে যাব।

জঙ্গলে গিয়ে কুলি হয়ে যাব।

জঙ্গলে গিয়ে কুলি হয়ে যাব।

জঙ্গলে গিয়ে কুলি হয়ে যাব।

এই তো, এবার ঠিক আছে।

এখন আমি নিজেকে ঠিকমতো দেখতে পাচ্ছি।

আমি কখনো কারো সামনে নিচু হবো না।

নাগুলাপুরম চেকপোস্ট

ব্যারিকেড ওপরে তোলো। রাস্তা ব্লক করো।

বি.চন্দ্রিগা চেক পোস্ট

তাড়াতাড়ি করো! তাড়াতাড়ি করো!

বারদায়য়াপালেম চেকপোস্ট

জলদি কর! জলদি! আমরা পৌঁছে গেছি, স্যার।

টাডা চেকপোস্ট

আমাদের যেকোনো মূল্যে তাদের ধরতে হবে।

স্যার..

সব রাস্তা ব্লক করেছ তো?

জ্বি স্যার। সব ব্লক করা আছে। একটাও মিস করি নি।

- ঠিক তো, সন্দীপ? - পাহাড়ি রাস্তাগুলো?

-আমরা সবদিক ব্লক করেছি! -ওরা পালাতে পারবে না।

সব ব্লক আছে স্যার। তারা কোনো দিক দিয়েই পালাতে পারবে না।

পুষ্পা..

এই শব্দটা কী ছিল?

কিসের শব্দ?

স্যার, আপনিই তো একটা বোতল ছুড়লেন...

বোতল নদীতে পড়লে বুদবুদ শব্দ হওয়া উচিত।

স্যার নদীতে পাথর থাকে।

সম্ভবত বোতলটা নদীর পাথরে পড়ে ভেঙে গেছে।

নদীর মধ্যে পাথর থাকবে কেন?

গ্রীষ্মকাল বলে নদী শুকিয়ে গেছে, স্যার।

যদি নদীতে পানিই না থাকে...

তাহলে ট্রাকগুলো পুল দিয়ে যাওয়ার কি দরকার, ঠিক?

ওরা তো নদী দিয়েও যেতে পারে!

হ্যাঁ নদী দিয়েই যাচ্ছে।

দুর্দান্ত প্ল্যান, ভাও!

শেখাওয়াত কল্পনাও করতে পারবে না যে আমরা নদী দিয়ে যাচ্ছি।

পুলিশের কেউ চোখে পড়ছে না!

- সব টিম সতর্ক হও। - স্যার..

ট্রাকগুলো রাস্তা দিয়ে নয়, নদী দিয়ে পার হচ্ছে!

- এই ট্রাকগুলো রাস্তা দিয়ে নয়, নদী দিয়ে পার হচ্ছে! - সবাই নদীতে নামো!

চল! জলদি যাও!

সব ইউনিট! চল! দ্রুত নড়াচড়া করো।

জলদি..

তোরা মঠালাকোন্ডা পথেই যাচ্ছিস, তাই তো?

হ্যাঁ, ভাও!

ট্রাকগুলো আমার বলা পথেই নিয়ে যাস।

এবং যত দ্রুত সম্ভব সীমান্ত পার কর।

স্যার, নদীতে ট্রাকগুলো দেখা গেছে!

- কোথায়? - মঠালাকোন্ডা থেকে দুই কিলোমিটার দূরে।

চিতা ওয়ান, শুনতে পাচ্ছ? সব ইউনিট মঠালাকোন্ডার দিকে রওনা দাও!

ঠিক আছে, স্যার। আমরা ওইদিকেই যাচ্ছি।

- হ্যাঁ, কেশব? - ভাইকে ফোন দে..

- ঠিক আছে।.. - পুলিশ আমাদের দেখে ফেলেছে, ভাও।

- এখন কী করব?

- তোরা এখন কোথায়?

- আমরা গুভ্বালাকোনা পার করে এসেছি। - আরেকটা দল আছে।

কল কেটে দে। আমি সামলে নেব।

- ভীরেশম।.. - হ্যাঁ, ভাও।

মলকোন্ডা?

হ্যাঁ ভাই বলো।

আমাদের লোকেরা প্রস্তুত তো?

থামা। ওই গাড়ি থামা!

থাম..থাম..থাম..

থাম..

আরে থাম..

এই, পিছনে সর।

বেটা ওয়ান! পরিস্থিতি কী? ওখানে কী ঘটছে?

ওরা আমাদের ব্রিজে আটকে রেখেছে, স্যার।

ট্রাকগুলো গুভ্বালাকোনা পার করছে।

আলফা টু, তোমাদের ওখানে কী অবস্থা?

আমরা হাতিদের কারণে আটকে আছি। ট্রাকগুলো উথাকোটা দিকে যাচ্ছে।

- হাতি? - হ্যাঁ, স্যার।

আলফা থ্রি, ট্রাকগুলো উথাকোটা দিকে এগোচ্ছে।

লাফাও, মরো, বা যাই করো, কিন্তু ওদের ধরতে হবে।

ভাও, পুলিশের গাড়িগুলো নদীতে নেমে আমাদের পিছু নিয়েছে!

তোরা উথাকোটা পার করছিস, তাই তো?

হ্যাঁ, ভাও।

হ্যালো?

সোমেশ।

যাও যাও।

জলদি যাও।

পুলিশের সব টিম শেষ হয়ে গেছে, ভাও!

পুলিশ উথাকোটায় গাড়ির সাথে সাঁতার কাটছে।

আমাদের বর্ডার পার করতে আর মাত্র চার কিলোমিটার যেতে হবে।

প্ল্যান অনুযায়ী পুটিঙ্গি মাদুগুতে রাস্তা দিয়ে যা।

ঠিক আছে, ভাও।

- কেশব কী হয়েছে?

- ভাও ফেঁসে গেছি।

শেখাওয়াত গরুর গাড়ি দিয়ে রাস্তা বন্ধ করে দিচ্ছে, ভাও।

আরে... ও কী করছে?

এতো গুলির শব্দ কিসের?

সে গুলি চালাচ্ছে, ভাও।

এক কাজ কর..

ভাও..

তুই লাফ দে।

ভাও..

গাড়ি থেকে লাফ দে।

ভাও, এত মাল রেখে কীভাবে লাফ দেবো?

আমার কাছে মালপত্রের চেয়ে তোরা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তুই লাফ দে। আর সবাইকেও লাফ দিতে বল।

ভাও বলেছে, সবাই গাড়ি থেকে লাফিয়ে পড়ো!

ঠিক আছে, ভাই।

এই সবাই লাফ দাও।

শেখাওয়াত স্যার...স্যরি।

শেখাওয়াত স্যার...স্যরি।

শেখাওয়াত স্যার...স্যরি।

সাহস থাকে তো ধরে দেখা, শেখাওয়াত...

যদি ধরতে পারিস, আমি সিন্দিকেট ছেড়ে দেব।

সাহস থাকে তো ধরে দেখা, শেখাওয়াত...

যদি ধরতে পারিস, আমি সিন্দিকেট ছেড়ে দেব।

সাহস থাকে তো ধরে দেখা, শেখাওয়াত...

যদি ধরতে পারিস, আমি সিন্দিকেট ছেড়ে দেব।

স্যার, দয়া করে মদ্যপান করবেন না। বাইরে প্রেসের লোকেরা দাঁড়িয়ে আছে।

যদি আমরা তাদের বলি যে আমরা এই মালপত্র উদ্ধার করেছি, তাহলে তারা ভাববে যে আমরা মদ খেয়ে আছি।

এজন্যই

আমি খেয়ে কথা বলব..

শুভ সকাল। আসো..আসো।

স্যার স্যার, এই মালগুলো কোথায় ধরা পড়েছে? আর কিভাবে ধরলেন?

আর আপনি কিভাবে এই চালানের ব্যাপারে জানলেন?

- থামো, থামো.. - স্যার, বলুন, স্যার,

চিত্তুর জেলার ইতিহাসে এই প্রথমবার এত বিশাল পরিমাণ মাল জব্দ করা হয়েছে।

এটি পুলিশের একটি মহান অর্জন।

এই খবরই তোমাদের ছাপাতে হবে।

আমি এ বিষয়ে কিছু বলার প্রয়োজন মনে করছি না।

- এই সিঙ্গি রেড্ডি! - হ্যাঁ, আপা,

এমপিকে ফোন করে বল, সে যেন একটি সিন্দিকেট সভা আয়োজন করে।

আমার স্বামী এখন থেকে পুরো সিন্দিকেট চালাবে।

ওই কুলি যেন কোনভাবেই সিন্দিকেটের ধারেপাশে আসতে না পারে।

- ঠিক আছে, আপা.. - এই দক্ষা,

কি হলো?

কি হয়েছে?

আপনি মালপত্র জব্দ করেছেন। কখন চোরাচালানকারীদের গ্রেফতার করবেন?

কোন চোরাচালানী?

এই চোরাচালানী?

- না এই চোরাচালানী? - স্যার..

না... এই চোরাচালানী?

স্যার..স্যার..

আপনি কি বলতে চাচ্ছেন, এর পেছনে পুষ্পার হাত আছে?

তোমার নাম কী?

- কি স্যার? - তোমার নাম কী?

মিন্নু উমা দেবী, স্যার।

- আর তোমার নাম কী? - রেড্ডিরাজু সীতারাম রাজু, স্যার।

স্যার...

এই মেয়ে, এভাবে পুরো নাম বলতে হয়।

কেন দরকার, স্যার? - কিন্তু স্যার...

ধন্যবাদ!

ধন্যবাদ!

তুই যা বলছিস তা কি সত্যি?

এই তোমরা সবাই বাইরে অপেক্ষা করো।

- সাংবাদিকদেরও চলে যেতে বলো। - যাও! বাইরে যাও!

এটা কি লাল চন্দন নয়?

না, এটা স্যান্ড্রা।

স্যান্ড্রা কী?

যেমন..

তুই আর আমার স্বামী শুধু দেখতে পুরুষের মত..

ঠিক এটাও শুধু দেখতে চন্দনের মতো।

কিন্তু আসল চন্দন নয়।

শ্রীনু? আমি তো কোনো পার্থক্য বুঝতে পারছি না!

স্যান্ড্রা শুধু উপরের দিকেই লাল।

আর লাল চন্দন বাহিরে ভিতরে দুদিকেই লাল।

এটা বাজারে টনপ্রতি ১০,০০০ টাকাও কেউ দেবে না।

ভাই, মাল সীমান্ত পার হয়ে গেছে।

মুরুগান ফোন করে জানাল।

আমার অনুমতি ছাড়া একটা পিপড়াও জঙ্গলের ভেতর দিয়ে যেতে পারে না!

আর মাল কীভাবে পার হলো?

স্যার..

গত রাতের অভিযানে আমরা এটা পেয়েছি।

স্যার...

সে বলছে এটা আপনার পুটকিতে ঢুকাতে।

না, মিস্টার কুপ্পারাজু।

সে বলছে লাল চন্দন চেন্নাই পৌঁছে গেছে।

ওহ এটা বললো।

পুষ্পা এটা আপনার জন্য পাঠিয়েছে, স্যার।

ওহ!

স্যার, সে আপনাকে "ব্লাডি ফুল" বলছে।

সে শুধু ফুল বলেছে,

দয়া করে এতে অতিরিক্ত রঙ যোগ করবেন না।

এটা শুধুই একটা ফুল।

একটা ফুল নয়? মনে হচ্ছে তিনটা ফুল, ভাও।

তিনটা ফুল।

ও, তিন ফুল।

আমি বুঝতে পারলাম না, স্যার।

মাল চেন্নাই পৌঁছেছে, কিন্তু চীনে তো পৌঁছায়নি।

আমি সেটা বাজেয়াপ্ত করব এবং এখানে ফিরিয়ে আনব।

আমি প্রমাণ করব যে আমি যেটা বাজেয়াপ্ত করেছি তা লাল চন্দন।

মনে হয় সে বোঝে নি।

স্যার, সে বুঝে গেছে।

সে বলছে আপনি তার বালও ছিঁড়তে পারবেন না।

মি. কুপ্পারাজু!

এই কুলি...কুলি..

কুলি..ওই কুলি..

তুই তাকে কেন আবার এদিকে ডাকছিস?

ওর পরের বারের এন্ট্রি খুবই বিপদজনক।

তুই শপথ করেছিলি যে আমরা যদি একটা চন্দনের কাঠও বাজেয়াপ্ত করি, তাহলে তুই সিন্ডিকেট ছেড়ে চলে যাবি।

আমরা তো পুরো ভান গাড়ী-ই বাজেয়াপ্ত করেছি!

কুলি! পুষ্পা একটা কুলি।

কাঁধে আবার কুড়াল নিয়ে..

জঙ্গলে কুলি হিসেবে যোগ দে..

কুলি!

কুলি!

তুই কি ভেবেছিস,

পুষ্পা মানেই ফুল।

ফায়ার, তাই তো?

আমি জানি।

না...

ওয়াইল্ড ফায়ার!

শ্রীনু, একটা লোকের সাথে আমার মিটিং এর ব্যবস্থা কর।

কার সঙ্গে?

খেলা এখনো শেষ হয়নি, শ্রীনু।

আসল খেলা তো এখন শুরু হবে।

ওদিকে দেখো মা! চাচা আসছে!

-মা, একটু আসছি। -কাভেরী! কাভেরী!

কাভেরী তোর বাবা রেগে যাবে..

কাভেরী।

- চাচা,

- কেমন আছো, কাভেরী? - ভালো আছি, চাচি। কাভেরী।

- তুমি ঠিকমতো পড়াশোনা করছো তো, মা? - হ্যাঁ, ভালোই চলছে...

আমি সবসময় চাচা চাচা করি।

কিন্তু উনি আমার সাথে কথায় বলে না। উনি কোনো উত্তরও দেন না।

তেমন ব্যাপার নয়।

তোমার কাকা, উনি শুধু বাইরেই এমন আচরণ করে।

কিন্তু সবসময় তোমাকে দেখে খুশি হন।

তুমি সেটা বুঝতে পারো না।

- আরে, মা! - কী হলো, শ্রীভাল্লি?

আরে, একটা চেয়ার নিয়ে আসো।

শ্রীভাল্লি, এদিকে তাকাও।

চোখ খুলো।

- কী হয়েছে? - ওকে একটু খোলা বাতাসে নাও।

দাঁড়াও। দাঁড়াও। সে সকাল থেকে উপবাস করেছে।

সব ছেলেরা বাইরে যাও। আরে যাও ।

পুষ্পা, তুইও বাহিরে যা।

- আরে ওদিকে দাঁড়িয়ে থাক। - পুষ্পা!

- সাবধানে.. - দেখ কি হয়েছে।

হম সেটাই দেখছি।

শ্রীভাল্লি। মা শ্রীভাল্লি।

তোর কি এই মাসে পিরিয়ড হয়েছে?

শেষ কবে হয়েছিল?

তুই শুধু ক্লান্তি থেকে অজ্ঞান হসনি।

সবই পুষ্পার ভালোবাসার ফল। 😬

কী বলিস?

কী বলছো?

পার্বতাম্মা, তুই দাদি হতে চলেছিস!

আরে সবাই শোন, পুষ্পার কান টানার লোক আসছে!

আসল যাত্রা তো এখন শুরু হলো।

জয় দেবী গঙ্গাম্মা! [সবাই একসঙ্গে] জয় দেবী গঙ্গাম্মা!

আরে, মিষ্টি আনো সবাই। - ভাবি, এটা নাও।

পুষ্পা কোথায়?

এটা কি, স্বামী?

কেন এসব করছো?

এই সাজপোশাক আর নাচার কারণ কী, স্বামী?

যদি আমি একজন মেয়ের মতো সাজি আর দেবীর সামনে নাচ করি,

তাহলে আমার ইচ্ছাগুলো পূরণ হবে।

তুমি কী চেয়েছো, স্বামী?

তুমি তো পুষ্পা রাজ।

কারো কিছু দরকার হলে সে তোমার কাছে আসে

তাহলে তোমার কী দরকার, স্বামী?

তুমি কী প্রার্থনা করেছো?

আমাদের যেন একটা মেয়ে হয় তার জন্য প্রার্থনা করেছি।

ছেলে হোক বা মেয়ে, তা নিয়ে চিন্তা করছো কেন?

এতে তো কোনো সমস্যা নেই।

যদি একটা ছেলে জন্মায়,

আমি তো শুধু একজন সাধারণ শ্রমিক, যে তার ছেলেকে নিজের পদবীও দিতে পারবে না।

কিন্তু একটা মেয়ে হলে...

সে শশুর বাড়িতে যেয়ে

তাদের পদবী পাবে।

তাই আমি এই পোশাক পরেছি।

এই মামা...

এটা আসলে মেয়ে নাকি মেয়ের পোশাক পরা ছেলে?

দেখে বল তো।

আ..।

এটা তো পাক্কা ছেলে রে।

অসভ্য নোংরা কোথাকার,

তোদের চোখ কি পুটকিতে?

তোরা একটা ছেলে আর মেয়ের পার্থক্য জানিস না।

এই মেয়ে, এটা কি তোর বয়ফ্রেন্ড হয় নাকি?

এই ছাড় ওকে।

তোকে জুতো মারবো, শয়তান।

জিনিসপত্র নকল নয়। আসল ই মনে হচ্ছে।

কোথায় থেকে কিনেছিস এগুলো?

এগুলো আসলই, মামা।

না রে, এগুলো নকল।

আমার তো সন্দেহ হচ্ছে।

মামা! ওকে ধর!

আমি ওর পল্লু খুলে দিই।

আমি ধরে রাখছি, তুই খোল।

এই ছাড় আমাকে..

যা, বুগ্গা।

খুলে দেখে নে, আসল না নকল।

গঙ্গামা রেনুকাম্মা ঠাল্লি! গঙ্গামা রেনুকাম্মা ঠাল্লি!

তুই বলেছিলি তোর চাচা তোর খেয়াল রাখে না, তাই না?

দেখ, যখন কেউ তোর সঙ্গে ঝামেলা করে,

তখন সে কেমন রাগ দেখায়।

ওই ছেলেগুলো কাভেরীর সঙ্গে ঝামেলা করছিল। পুষ্পা ওদের থামিয়ে দিয়েছে। আর ওদের মারছে।

আরে ও। ছেড়ে দে ওকে।

নাহলে মরে যাবে।

সবাই তোর বীরত্ব দেখেছে।

এবার কী? তুই সবাইকে হারিয়ে দিয়েছিস বলে কি তুই নিজেকে,

আমাদের পরিবারের কেও মনে করছিস?

বাবা!

তুই যতই চেষ্টা করিস না কেন, তুই কখনোই মুল্লেটি হতে পারবি না।

তুই চিরকাল পুষ্পা রাজই থাকবি।

বাবা, তুমি এমন কথা বলছো কেন?

ওরা আমার পল্লু/শাড়ী টেনে ধরেছিল।

চাচা না আসলে কী হতো, তা কি জানো?

কে তোর চাচা?

এটা তোর চাচা। আমার মা আর বাবার ছেলে।

ওরা তোর আঁচল ধরে টানলেও আমার লজ্জা লাগতো না।

কিন্তু যখন তুই সবার সামনে ওকে চাচু বললি, তখন আমার সম্মান নষ্ট হয়েছে।

আরে! এটা কী?

যে আপনারা মেয়েকে বাঁচিয়েছে, তার সঙ্গে এমন ব্যবহার করছেন কীভাবে?

কী? ও তাকে বাঁচিয়েছে?

ও তো এমনই একটা সুযোগ খুঁজছিল।

এমন একটা সুযোগ আসাতে,

মহিলার পোশাক পরে চাচার ভূমিকাও সুন্দরভাবে করে নিল।

এমন ভাব দেখাচ্ছে, যে সে একাই তাকে বাঁচিয়েছে।

ওই বড় সাহেব,

আপনার কাছে কি এসব নাটক মনে হচ্ছে?

আঃ..

শুধু তোমার মেয়েকে নয়, আমার স্বামী এমন অবস্থায় যেকোনো মেয়েকেই বাঁচাতো।

এটাই তার জীবনের নীতি।

- কথাগুলো ভেবেচিন্তে বলুন। কী আজব ব্যাপার! - শ্রীভাল্লি,

- বড়দের সাথে কেউ এভাবে কথা বলে? - চুপ করুন, শাশুড়ি মা।

আপনি হয়তো আপনার ছেলের অপমান সহ্য করতে পারেন।

কিন্তু আমি আমার স্বামীর অপমান সহ্য করব না!

তাদের উপকার করার পরও, কি তাকে এমন কথা শুনতে হবে?

শুনুন! যখন আমার স্বামীর চোখ লাল হয়,

তখন পুরো চিত্তুর কাঁপে।

আর সেই চোখে,

আমি অশ্রু দেখেছি।

শুধু আপনার জন্য।

আগেও দেখেছিলাম,

যখন তিনি আমাদের বিয়ের জন্য আমাকে দেখতে এসেছিলেন। সেই দিনও আপনার কথা ভেবে তার চোখে জল এসেছিল।

আর আজ,

যখন তাকে বললাম আমাদের সন্তান হবে,

অন্য যেকোনো স্বামী হলে আনন্দে আত্মহারা হতো।

কিন্তু আমার স্বামী…

কেঁদেছেন।

হ্যাঁ, কেঁদেছেন। আর এর জন্য দায়ী শুধু আপনি।

মা...

নিজেকে সামলাও। তুমি এখন গর্ভবতী।

মা, দয়া করে চুপ করুন!

আর কতদিন গুষ্টির নাম বেঁচে খাবি?

যা লাগবে না তোর গুষ্টির নাম।

যাদের নিজের নাম নেই, তারাই গুষ্টির নামের জন্য মরিয়া।

পুরো শহর আমার স্বামীর নামেই বেঁচে আছে।

- তুই কে? - পুষ্পার ম্যানেজার।

- তুই? - পুষ্পার বন্ধু।

- আর তুই? - পুষ্পার ড্রাইভার।

- তুই? - পুষ্পার দলের একজন।

সবার কাছ থেকে শুনে নে। এখানে কেউ,

নিজের আসল নাম বলে না।

সবাই নিজেদের পুষ্পার লোক বলেই পরিচয় দেয়।

ওদের কথা তো বাদ দিলাম।

ইনি কে?

পুষ্পার বড় ভাই।

বাহ! চমৎকার!

হ্যাঁ, উনিই আমার স্বামী!

ওই..

পুষ্পা শুধু একটা নাম নয়।

পুষ্পা একটা ব্র্যান্ড!

- কিন্তু চাচি। - এই!

দয়া করে তোর এই চাচি ভাইঝির সম্পর্কের গল্প শেষ কর!

এরা বড় গুষ্টির বড় লোক, তাইতো?

বাঁচিয়ে নেবে তোকে।

আরে ছেড়ে দে ওদের। ওদের বিষয় ওদেরই সামলাতে দে।

স্বামী!

চল যাই, স্বামী।

সি.এস সাহেব, নিয়ম মেনে চলুন। যখন আপনি,

অথরিটি থেকে আদেশ পেয়ে যাবেন তখন নিলামের জন্য পাঠিয়ে দিয়েন।

আমি সেটা শুরু করে দিয়েছি। আর আশা করি সেটা দ্রুত শেষ হবে, স্যার।

প্রথমে আপনারা একটা প্ল্যান বানিয়ে নিন। তারপর আমাকে জানায়েন।

- আরে শ্রীনু, কেমন আছিস? - ভালো আছি, স্যার।

নমস্কার, স্যার।

কে, সিদ্ধাপ্পা?

আমি সিদ্ধাপ্পাকে ৩০ বছর ধরে চিনি। সে এমন কিছু করার মানুষ নয়।

অন্য কেউ আড়াল থেকে সবকিছু চালাচ্ছে, স্যার।

পুষ্পা রাজ।

পুষ্পা?

একবার ছেলেটা আমার সঙ্গে দেখা করতে এসেছিল।

একটা ছবি তুলতে চেয়েছিল। কিন্তু আমি অনুমতি দিইনি।

আপনি যদি অনুমতি দিতেন, তাহলে ব্যাপার এতদূর গড়াত না।

স্যার, প্রতাপ রেড্ডির সঙ্গে ৫০০ কোটি টাকার একটা চুক্তি হয়েছে।

হ্যাঁ স্যার, আপনার ১১০ জন এমএলএ এখন সিদ্ধাপ্পা ও পুষ্পার সঙ্গে আলোচনা করছে।

মাল বেচে টাকা এলে, পুষ্পা এমএলএ-দের ও কিনে নেবে।

আর সিদ্ধাপ্পা মুখ্যমন্ত্রী হয়ে যাবে।

তুই বলছিস আমার গদী চলে যাবে।

গাঁজা টাজা খেয়েছিস নাকি?

তুই তো মিডিয়াতে নাটক করেছিস যে তুই লাল চন্দন বাজেয়াপ্ত করেছিস।

এখন যখন দেখছিস যে সেগুলো লাল চন্দন নয়, তখন ধরা পরার ভয়ে মিথ্যা নাটক শুরু করেছিস?

ঠিক আছে, স্যার।

তাহলে সিদ্ধাপ্পার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে আবার দেখা হচ্ছে।

এই..

থাম।

তোর কথায় যুক্তি আছে।

জানতাম সিন্ডিকেট থেকে টাকা নেয়া,

একদিন না একদিন আমার জন্য বিপদ হয়ে দাঁড়াবে।

এখন বল কি করা যায়?

আপনি তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রীর সাথে কথা বলে,

সেখানকার লোকাল পুলিশের সাহায্য চান।

এসপি স্যার সেজন্যই তো এখানে এসেছে।

আমি কিছুই বিশ্বাস করি না, যতক্ষণ না আমি নিজে তা দেখি।

প্রথমে মাল কোথায়, সেটা দেখা।

তখন আমি বিশ্বাস করব। মাল কোথায়?

মাল কোথায়, সেটা একমাত্র জানে জাক্কা রেড্ডি।

আমরা তার পিছনে লোক লাগিয়েছি।

আমরা জানতে পেরেছি যে মাল এখন রামেশ্বরামে আছে।

দেশ পার করার আগে,

আমাদের সেগুলো জব্দ করতে হবে।

এমপি স্যার! আমি রামেশ্বরামে আছি,

এবং মাল নিরাপদে আছে।

আমাদের সিন্ডিকেট সদস্যদের বলো চিন্তা না করতে।

জাক্কা রেড্ডি,

এদিকে আসো।

আপনাকে পরে কল করছি।

আসো।

[হিন্দিতে] তারা কি বলছে?

শ্রীলঙ্কা... ১৮ কিলোমিটার!

মাত্র ১৮ কিলোমিটার!

আমরা যাচ্ছি তো, নাকি? এত কাছে যেহেতু।

চার্লির সাথে যোগাযোগ হয়েছে?

না, স্যার। সকাল থেকে তার ফোন বন্ধ।

- তুমি কি খুঁজছো? - স্যার।

ছোট মাছ নয়।

আমার দরকার একটা বড় তিমি!

- আলফা-৩ কল করছে। - তুমি কিছু পেয়েছো?

এই নৌকাগুলোর মধ্যে মাছ ধরার জাল ছাড়া কিছু নেই, স্যার।

এই নৌকাতেও কিছু নেই, স্যার।

স্যার, আমরা ভালোভাবে খুঁজে দেখেছি। শুধু সাগরই বাকি আছে।

চল, সেখানেও খোঁজা যাক।

স্যার...

এই কুপ্পারাজু! ওদের ধরো!

- এই তামিলনাডু পুলিশ! - ধর ওদের...

- তাড়াতাড়ি, স্যার! তাড়াতাড়ি! - চড়েন, স্যার।

তাড়াতাড়ি! তাড়াতাড়ি! স্যার...স্যার আসুন।

তাড়াতাড়ি করো! তাড়াতাড়ি! ওদের পিছন ধরো! পিছন ধরো!

পিছনে চলো! পিছনে!

তাড়াতাড়ি।

- এই, এই নৌকা কেন থামাচ্ছিস? - শ্রীলঙ্কার বর্ডার, স্যার।

শ্রীলঙ্কার বর্ডার, স্যার।

তো ওদের জন্য বর্ডার নয় নাকি।

- ঐগুলো মাছ ধরার নৌকা, স্যার। তাদের অনুমতি আছে, আমাদের নেই। - তাতে কি?

স্যার! স্যার! আন্তর্জাতিক সীমান্ত, স্যার।

- আমরা সমস্যায় পড়তে পারি। - আমি তো কোনো সীমান্ত দেখছি না।

আমি শুধু নৌকাগুলো দেখছি, মিস্টার কুপ্পারাজু।

স্যার! স্যার! এতে সমস্যা হতে পারে, স্যার।

থামো..থামো..

এই, তোমরা কি করছো?

থামো..থামো

আপনাদের সীমান্ত পার হওয়ার অনুমতি নেই। নইলে আমরা গুলি চালাতে বাধ্য হব।

- দুঃখিত! - আপনারা ফিরে যান।

- আপনাদের অনুমতি নেই। - দুঃখিত!

- আমরা সীমান্ত পার হচ্ছি না। - এটা আন্তর্জাতিক সীমান্ত।

নিজের দেশের দিকে ফিরে যান।

- -স্যার। নৌকাগুলো শ্রীলঙ্কায় পৌঁছে গেছে। - এত তাড়াতাড়ি?

ওখান থেকে দূরত্ব ১৮ কিমি ছিল। কিন্তু এখান থেকে মাত্র ছয়, স্যার।

দুঃখিত,

আমরা সীমান্ত পার হচ্ছি না। দুঃখিত।

স্যার..

এসব কী, মিস্টার কুপ্পারাজু?

সীমান্ত কি তার কাছে কোনো বিষয়ই না?

সে তো দুই দিকেই থাকে।

সে কি ভেঙ্কটেশ্বর স্বামী?

কি হয়েছে, স্যার?

ফিরে যাও..

SRK ওয়্যার হাউস, কলকাতা

আমি...

আমি, ভুরেড্ডি সিদ্ধাপ্পা নাইডু।

আন্ধ্র প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে;

ঈশ্বরের নামে শপথ গ্রহণ করছি।

- সিদ্ধাপ্পা নাইডু। - জিন্দাবাদ।

- সিদ্ধাপ্পা নাইডু। - জিন্দাবাদ।

এটা কি সত্যি যে পুষ্পাই আপনাকে মুখ্যমন্ত্রী হতে সাহায্য করেছেন?

তাই কি আপনি, আজ পুষ্পার বাড়িতে এসেছেন?

ম্যাডাম! পুষ্পা আমার ভাইয়ের মতো।

আর সে আমাকে শপথ নেওয়ার পরপরই দাওয়াতের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছে।

তাই আমি এখানে এসেছি আমার ভাইয়ের নিমন্ত্রণ গ্রহণ করার জন্য।

এটাকে এত বড় করে দেখার দরকার নেই।

- ক্যাবিনেট সম্প্রসারণ কবে হবে, স্যার? - আপনি কি পুরোনো মন্ত্রীদেরই রাখবেন?

জেলার উন্নয়নের জন্য আপনার পরিকল্পনা কী?

শোন, চিন্টু। আজকের তারিখ কী?

জুলাই ২৪, কেন?

জুলাই ২৪-এ, মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন তিনি আমাদের বাড়িতে দুপুরের খাবার খেতে আসবেন।

আমি ভাবছি দুপুরের খাবারের জন্য ভেড়ার মাংস রান্না করব, নাকি ছাগলের মাংস।

পুষ্পা বলেছিল যে ২৪ তারিখে মুখ্যমন্ত্রী দাওয়াত খেতে আসবে আর আজ সত্যিই মুখ্যমন্ত্রী পাল্টে দিয়েছে।

তোমার কথা ঠিক, বোন!

যাইহোক,

এখন সিদ্ধাপ্পা হলো রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। আর রাজত্ব হলো পুষ্পা রাজের।

ওখানেই থাক, পুষ্পা। আমি আসছি।

মন্দিরে গেলে সিঁড়ি দিয়ে উঠতে হয়।

পুষ্পা!

ওই, ওটা কোথায়?

মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর আমার প্রথম সই।

শেখাওয়াতের বদলির।

খুশি তো?

না এসবের দরকার নেই।

ওকে এখনই বদলি করালে, আমরা আমাদের সম্মান হারাব।

আর ওকে যদি রাখা হয়, ও ওর সম্মান হারাবে।

এখন অন্তত বড় কিছু ভাবুন, স্যার।

- আপনি এখন মুখ্যমন্ত্রী হয়ে গেছেন। - তুই যা বলিস পুষ্পা, তাই হবে।

আরে শ্রীভাল্লী,

তুমি রান্নাঘরে যেভাবে দোসা উল্টে দাও, সেভাবেই রাজ্যের রাজনীতিও উল্টে দিচ্ছ!

আমি মুখ্যমন্ত্রী হয়েছি শুধু তোমার ফটো তোলার অনুরোধের কারণে।

ধন্যবাদ!

নমস্কার, মা।

আহা! কী ছেলে মানুষ করেছেন আপনি! আমি এটা সিদ্ধাপ্পা হিসেবে বলছি না।

আমি এটা মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বলছি। আপনি সত্যিই ভাগ্যবতী।

ওয়াও! সব খাবারের গন্ধই সেই আসছে।

এই কেশব, আজ কী জবাই করেছিস? ভেড়ার মাংস, স্যার।

শ্রীভাল্লী বৌদি নিজেই রান্না করেছে।

CM স্যার, খেয়ে বলুন তরকারি কেমন হয়েছে।

দেখেই বোঝা যাচ্ছে, খাসা হয়েছে রান্না।

তোমার রান্না করা সবকিছুই অমৃত, আহ! 🤤

স্বামী...

প্রিয় সিন্ডিকেট সদস্যরা, নিজেরা একটু খাবার বেরে নাও। আমার ভয় করে স্বামী।

বনের দপ্তর ও পরিবহন দপ্তর নিয়ে পুষ্পা সিদ্ধান্ত নেবে। কেন সোনা..

কি হয়েছে?

স্বামী..

আমি শুধু একটা ছবি চেয়েছিলাম। আর তুমি মুখ্যমন্ত্রী বদলে দিলে।

এসবের কি দরকার ছিল?

শোন,

নারীরা খুব কমই কিছু চায়, হয়তো বছরে একবার।

যদি স্বামী এটুকু পূরণ করতে না পারে, তাহলে সে নিজেকে পুরুষ কীভাবে বলবে?

আমাদের স্ত্রীরা এই কথা শুনলে, আমাদের খবর আছে। ঠিক বলেছো, ভাই।

তোমাকে স্যালুট, স্বামী। আমি আর কখনো কিছু চাইব না।

শ্রীভাল্লী,

যা কিছু দরকার, এখন থেকে আমায় বলবে। তোমার স্বামীকে নয়।

আরে,

আমি এখনো তোর সঙ্গে ছবি তুলি নি!

স্যার, আপনি খাওয়ার পর তুলতে পারেন।

ভাই, ছবি না তোলাতে রাতারাতি পদ পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছে।

কোথায় সেই "ক্লিক" টেপা ছেলে?

- স্যার..স্যার এখানেই আছি, স্যার। - এদিকে আসো..

- শ্রীভাল্লীর সঙ্গে একটা ছবি তোলো। - ঠিক আছে, স্যার।

এদিকে আসো..

এই পুষ্পা, তুই আমাকে মুখ্যমন্ত্রী বানানোর জন্য ২৪শে মে কেন বেছে নিলি?

কারণ আজ আমার বউ শ্রীভাল্লীর জন্মদিন..

আজ না হলে, আপনি কখন মুখ্যমন্ত্রী হতেন?

ও জন্মদিনের উপহার!

ছবি তোলা হয়েছে? হ্যাঁ, স্যার।

তুলেছি।

শব্দ হয়েছে?

ছবি তোলা হয়েছে, স্যার। শুধু ছবি নয়,

শব্দও হতে হবে, "ক্লিক" শব্দ!

এই! এখানে বোতাম চাপলে সাবেক মুখ্যমন্ত্রীও যেন "ক্লিক" শব্দ শুনতে পায়।

[একসাথে] "ক্লিক" শব্দ।

এসব কী, এই একটা "ক্লিক" নিয়ে?

শব্দ ছাড়া কি ছবি তোলা যায় না?

[একসাথে] "ক্লিক" শব্দ।

[একসাথে] "ক্লিক" শব্দ।

মাত্র একটা ছবি। আমার স্ত্রী বলেছে, এখন থেকে যে ছবি চাইবে তার সঙ্গেই যেন ছবি তুলি।

যদি সেদিন ওর কথা শুনতাম, তাহলে আজ আর এসব হতো না।

সরো, সরো!

সব শেষ, স্যার। সব শেষ।

তারা আর দু-তিন দিনের মধ্যে এগুলো নিলামে তুলবে।

যদি জানতে পারে এগুলো নকল, আমরা দুজন শেষ।

আপনাকে সাসপেনশন দিবে আর আমাকে করবে বরখাস্ত।

- মিস্টার কুপ্পারাজু। - স্যার।

আমি এখন বুঝলাম, লাল চন্দন আর সান্দ্রার মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই।

- এটা কীভাবে সম্ভব, স্যার?

এদিকে দেখুন। আপনি বলতে পারবেন কোনটা লাল চন্দন আর কোনটা সান্দ্রা?

একটু দাঁড়ান, স্যার। দুটোই তো ছাই, তাই না? তাহলে আমি কীভাবে বলব?

- একদম তাই, মিস্টার কুপ্পারাজু। - হ্যাঁ, স্যার।

লাল চন্দন হোক বা সান্দ্রা, সবই পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

আসলেই, স্যার।

সান্দ্রা পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

আর ছাই...?

লাল চন্দনে পরিণত হয়!

আপনি জিনিয়াস, স্যার!

চলুন, পুড়িয়ে দিই। আমি পেট্রোল আনছি!

আরে বাপরে

এখানে পেট্রোলের ক্যানগুলো তো আগে থেকেই আছে।

ওহ, আপনি তো আগেই ঢেলে দিয়েছেন?

আপনি সত্যিই খুব দ্রুত, স্যার! চলুন বাইরে যাই এবং আগুন ধরিয়ে দিই।

যদি আমরা বাইরে থাকাকালীন এটা পুড়ে যায়, তারা এটাকে ষড়যন্ত্র বলবে, কুপ্পারাজু।

ঠিক, স্যার।

কিন্তু ভাবুন যদি আমরা ভেতরে থাকা অবস্থায় এটা পুড়ে যায়, তাহলে...?

তাহলে এটাকে একটা দুর্ঘটনা বলবে, স্যার।

ওহ না, স্যার, স্যার। চলুন এখান থেকে বেরিয়ে পড়ি!

যদি আমি একা থাকি, তারা সন্দেহ করবে।

দয়া করে, দয়া করে, আপনি এখানেই থাকুন, কুপ্পারাজু!

একজন রাজা মৃত অবস্থায় কখনো একা যায় না, মিস্টার কুপ্পারাজু।

সে তার সেনাপতি কেও নিয়ে যায়।

আর আপনি আমার সেনাপতি।

আপনি রাজা, আর আমি আপনার সেনাপতি?

কী আজগুবি কথা! আপনি একেবারে স্যাডিস্টিক পাগল! স্যাডিস্টিক (Sadistic): এমন আচরণ বা মনোভাব, যেখানে কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে অন্যকে কষ্ট দিয়ে তাতে আনন্দ পায়।

আমাকে ছেড়ে দেন, আপনি পাগল হয়ে গেছেন।

যা, মরে যা, তোর মাথা খারাপ হয়ে গেছে!

শোন! তোর সর্বনাশ হবে!

সাহস থাকলে আমাকে ধর, শেখাওয়াত!

ধরতে পারলে আমি সিন্ডিকেট ছেড়ে দেব।

সাহস থাকলে আমাকে ধর, শেখাওয়াত!

ধরতে পারলে আমি সিন্ডিকেট ছেড়ে দেব।

সাহস থাকলে আমাকে ধর, শেখাওয়াত!

ধরতে পারলে আমি সিন্ডিকেট ছেড়ে দেব।

একটা কুঠার কাঁধে নিয়ে,

আমি জঙ্গলে মজুরের কাজ করব।

পুষ্পা, ক্ষমা চেয়েছে!

এই স্বামী..

স্বামী! তুমি কোথায় গেলে?

আমি এখানেই আছি।

তোমার কিছু লাগবে?

তুমি মেঝেতে শুয়ে আছ কেন?

আমার হাত বা পা যদি ঘুমের মধ্যে তোমার গায়ে লাগে, আর বাচ্চার কিছু যদি হয়।

তাই আমি মেঝেতে শুয়ে আছি।

হাত সরাও, স্বামী। সকাল হয়ে গেছে। আমাকে উঠতে হবে।

তুমি কেন উঠবে? বিশ্রাম নাও।

সোনা, তুমি কোথায় যাচ্ছ?

স্বামী আমি বাথরুমে যাচ্ছি।

তুমি কি অন্তত আমাদের বাচ্চা জন্মানোর পর বাড়িতে থাকবে?

অবশ্যই,

আমি বাড়িতেই থাকব।

ব্যবসাটা কেশবের হাতে তুলে দেব।

তারপর অবসর নেব।

আর তারপর, তোমার আর বাচ্চার যত্ন নেওয়া আমার দায়িত্ব।

ভাও!

ভাও!

কী হয়েছে? একবার এদিকে আসো, ভাও।

আসছি।

মোহন! বাবা...

তোর ভাবী এসেছে।

কেউ আমাদের কাভেরীকে অপহরণ করেছে।

মেয়েটা আজ সকালে কম্পিউটার ক্লাসে গেলে...

এই তোরা কারা?

তারা মোহনকে ফোন করে,

২ কোটি টাকা দাবি করল।

কি হয়েছে?

দুই কোটি টাকা প্রস্তুত রাখ। কবে কোথায় লেনদেন হবে, জানিয়ে দেব।

২ কোটি টাকা...আমি কোথায় পাবো?

তারা তোর ভাইকে মাথা ন্যাড়া করে শহরে ঘোরার কথা বলেছে।

সকাল ১২টায় সব চ্যানেলে এই দৃশ্য সম্প্রচারিত হবে।

মেলার সব লোকই দেখেছে আমাদের মাথা ন্যাড়া করানো।

এখন পুরো তিরুপতি তোর ন্যাড়া হওয়া দেখবে।

তুই যা বলবি আমি তাই করবো।

শুধু আমার মেয়েকে ছেড়ে দে।

কেন? ছেড়ে না দিলে তুই করবি না?

ওরা কি যা তা বলছিল...

তোর ভাই কী করবে বুঝতে পারছে না।

আমার ভয় হচ্ছে যে ওরা আমার মেয়ের ক্ষতি করবে।

কী হয়েছে? তুই কী ভাবছিস?

সে আমাদের পরিবারের মেয়ে।

কিছু একটা কর, পুষ্পা।

- এই, পুষ্পা! - এই, পুষ্পা!

প্রতিটি পরিবারেই ঝগড়া থাকে,

কিন্তু সম্পর্ক প্রমাণ হয় যখন আমরা কঠিন সময়ে একসঙ্গে পাশে দাঁড়াই।

কী হয়েছে? তুই কিছু বলছিস না কেন? পুষ্পা।

পুষ্পা...

আরে তুই কেন ওকে বলছিস না?

সে কি আমার কথা শুনবে, মাসি?

সে নিজের মনমতোই করবে।

এই, পুষ্পা!

বড় বৌদি। এখন আর চিন্তার কিছু নেই। তোমার মেয়েকে এখন নিরাপদ মনে কর।

এই, সব বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের আন্নামাইয়া চত্বরে ডেকে আনো।

এই, দ্রুত শুরু কর।

আমাদের সূত্র অনুযায়ী,

ভুক্তভোগী কাভেরী, একজন ১৮ বছর বয়সী স্থানীয় কলেজের ছাত্রী।

কারা এই অপহরণের পেছনে?

কেন তাকে লক্ষ্যবস্তু করা হলো?

এই ঘটনার বিস্তারিত জানতে, আমাদের সিটি কেবল সংবাদদাতা...

সরে যান, ম্যাডাম। পুষ্পা ভাও বলবে।

সব মনিটর চালু কর।

আমার নাম পুষ্পা।

পুষ্পা রাজ।

স্যার, ক্যামেরার এদিকে আসেন।

আরে ক্যামেরায় এদিকে নিয়ে আয়।

আমার নামের আর পরিচয়ের প্রয়োজন নেই। তাই সরাস্যরি মূল বিষয়ে আসছি।

এত সাহস...

তুই সাহস করে তাকে অপহরণ করেছিস?

তুই সাহস করে আমার মেয়েকে অপহরণ করেছিস?

তোর সাহস এতটাই?

আমি যা বলছি তা মনোযোগ দিয়ে শোন,

আমি তোদের এক ঘণ্টা সময় দিচ্ছি।

আমার মেয়েকে যেখানে থেকে কিডন্যাপ করেছিস, ঠিক সেখানেই ফিরিয়ে দিয়ে যা।

আমার মেয়ে কম্পিউটার ক্লাসে যেভাবে গেছিল,

ঠিক সেভাবেই যেন বাড়িতে ফিরে আসে।

আমার মেয়ের গায়ে একটুও আঁচড় লাগলে,

আমি তোদের গঙ্গাম্মার যাত্রার ছাগলের মতো একটা একটা করে কাটবো।

আমি তোদের একে একে কেটে ফেলব।

এই! ভাল করে শোন, সবাই।

আমি ওই কুত্তার বাচ্চাদের এক ঘণ্টা সময় দিয়েছি।

কিন্তু তোমাদের হাতে আছে মাত্র ৩০ মিনিট।

প্রতিটি রাস্তা, গলি, আর অলিগলি সহ, চিত্তুর জেলার প্রতিটি কোণ খুঁজে দেখো।

এক ইঞ্চিও যেন বাদ না যায়।

প্রতিটি মোড়ে চেকপোস্ট বসাও।

পুলিশ বা কোনো রাজনীতিবিদের গাড়ি, সন্দেহজনক হলে গাড়ি থামিয়ে তল্লাশি করো।

আমার মেয়েকে না পাওয়া পর্যন্ত চিত্তুর জেলার সীমানা বন্ধ।

সব চলাচল বন্ধ।

আমার মেয়ে ফিরে আসার আগ পর্যন্ত এই জেলায় সরকারের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই।

এখানে শুধু পুষ্পার শাসন চলবে।

বেগমপেট বিমানবন্দর, হায়দ্রাবাদ

স্যার...

নমস্কার, ভাই।

এভাবে হঠাৎ দেখা দেওয়ার কারণ?

চিত্তুরে কী হচ্ছে, কিছু জানা আছে?

চিত্তুর...

কেউ পুষ্পার আত্মীয়কে তুলে নিয়ে গেছে।

পুষ্পা অনেক রেগে আছে।

ওটা আর কেউ নয়।

আমার ভাতিজা, বুগ্গা রেড্ডি।

কী ভাই?

আমাদের কোগতাম পরিবারের একমাত্র উত্তরাধিকারী।

আমি আর আমার ভাই যে টাকা উপার্জন করি, সে সব টাকা জুয়াতে নষ্ট করে।

সে কয়েকদিন আগে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছিল, কিন্তু জামিনে মুক্তি পেয়েছে।

কেশব, পুষ্পাকে ফোন দে।

ভাও, মুখ্যমন্ত্রী ফোন করেছে।

স্যার..

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রতাপ রেড্ডির ভাতিজা মেয়েটিকে কিডন্যাপ করেছে।

ওই মাদারচো*...

তাই নাকি?

তাহলে প্রতাপ রেড্ডিকে বলো,

আমার মেয়েকে অক্ষত অবস্থায় যেন ফিরিয়ে দেয়।

তা না হলে আমি ওকে খুন করবো।

- অপ্রয়োজনীয় প্রাণহানি ঘটবে। - এই পুষ্পা,

তুই কি বলছিস?

আমি বলছি, তুই এই ঝামেলায় জড়াস না।

মোহন কখনোই তোকে সত্যিকারের ভাই ভাবে নি।

কিন্তু আমার ভাতিজি আমাকে সবসময় চাচা মনে করেছে।

ও নিশ্চয়ই ভাবছে, আমি ওকে বাঁচাতে যাবো।

ও কয়েকবার আমাকে চাচা বলে ডেকেছিল,

কিন্তু আমি সাড়া দিইনি।

এখন যদি তার ডাকে সাড়া না দিই, তাহলে সেই ডাকার মূল্য কী থাকবে?

পুষ্পা, তুই জানিস তুই কাদের সঙ্গে ঝামেলা করছিস?

তুই কি মনে করিস,

প্রতাপ রেড্ডি শুধু খনির ব্যবসা করেই এত উপরে উঠেছে?

যে কেউ তার পথে বাধা দিয়েছে, তাকে সে মাটির নিচে পুঁতে ফেলেছে।

সে যদি সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে তুই বা আমি কেউই বাঁচব না।

তাই নাকি, স্যার?

এত বড় সমস্যা হবে নাকি?

হ্যাঁ, ভাই। এটাই বলছি।

তাহলে... এখন আমি কী করবো বলে তুমি ভাবছ?

এই ব্যাপারটা ছেড়ে দে, ভাই। কেন এই ঝামেলায় পড়ছিস?

ওকে একলা ছেড়ে দিব?

- হ্যাঁ, পুষ্পা। এটাই আমাদের সবার জন্য ভালো। - ঠিক আছে, স্যার।

আমি ওকে ছেড়ে দিলাম।

তাহলে ঠিক আছে।

চোদা হলো প্রতাপ রেড্ডিকে।

চোদা হলো প্রভু রেড্ডি আর তার ভাইকে।

এমনকি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকেও আমি বাল দিয়েও মানি না।

আর তুই... তুই CM হয়েছিস আমার কারণে। আর তুই আমার মেয়েকে ভুলে যেতে বলছিস?

ওরা যদি আমার মেয়ের একটুও ক্ষতি করে,

প্রতাপ রেড্ডিকে বল যে তারা নিজেদের দেহের টুকরোও খুঁজে পাবে না।

সালা গাণ্ডু,

কী ধরনের মুখ্যমন্ত্রী যে মেয়েকে ভুলে যেতে বলে?

আমি অকারণে ওকে মুখ্যমন্ত্রী বানিয়েছিলাম।

বালের CM।

চোদা হলো সিদ্দাপাকে... চোদা হলো প্রতাপ রেড্ডিকে...চোদা হলো সবাইকে...

ভাই,

পুষ্পা নিশ্চিয় বুগ্গা রেড্ডিকে মেরে ফেলবে।

সে পুরো চিত্তুর নিয়ন্ত্রণ করে। আমারও কিছু করার উপায় নেই।

পুষ্পার আগে আমাদের বুগ্গাকে খুঁজে বের করতে হবে। তোমার ভাইকে ফোন দাও।

এই, প্রসাদ। সুব্বা রেড্ডিকে ফোন কর!

আমি ওর লুকিয়ে থাকার জায়গাগুলো জানি, ভাই। আমি সেখানেই যাচ্ছি।

ঠিক আছে।

তোদের সবার মাথা বলির মতো পাঁঠার রাপ্পা রাপ্পা কাটবো।

রাপ্পা রাপ্পা।

ভাই! মেয়েটা জেগে উঠেছে।

মামা প্রথমে তুই শুরু কর তারপর আমি আর ক্রান্তি...

মেয়েটাকে কিছু করিস না। তার ক্ষতি করা যাবে না।

কী হলো, বুগ্গা? ভয় পেয়েছিস?

একটু তো বটেই।

কী খবর, ভাই? আমরা সেই মেয়েটাকে কিডন্যাপ করেছি।

আমি...

আমি তোদের সবার পিছন লাল করে দিব। বল মেয়েটা কোথায়?

ভাই, আমরা জানতাম না যে মেয়েটার পুষ্পার সঙ্গে সম্পর্ক আছে।

এইমাত্র টিভিতে দেখলাম।

- যেহেতু ভাইও জড়িত, - এই ওদের লোকেশন খুঁজে বের কর।

আমরা ভেবেছিলাম তোমরা টাকা দেবে আর মেয়েটাকে নিয়ে যাবে।

তোরা কোথায় আছিস? তোরা কোথায় আছিস?

আমরা কাউকে বিশ্বাস করি না।

আমি পুষ্পার সঙ্গে সরাস্যরি কথা বলতে চাই।

পুষ্পাকে ফোনটা দাও।

এই, পুষ্পা বলছি। এখন বল,

কিছু না, ভাও। আমরা শুধু টাকার জন্য এটা করেছি।

দয়া করে ভুল বোঝো না।

ভাও ওদের লোকেশন জিজ্ঞাসা কর। লোকেশন জিজ্ঞাসা কর।

তোমার জন্য দুই কোটি কিছুই না।

আমাদের দশ কোটি দিয়ে মেয়েকে নিয়ে যাও।

কোথায় আসব?

এই, যা পাইলটকে ডাক দে।

কোথায় আসতে হবে বল।

বলব, কিন্তু কাউকে জায়গাটা বলা যাবে না।

- আর একা আসতে হবে। - শোন!

আমি আবার বলছি,

আমার মেয়ের গায়ে একটুও আঁচড় লাগলে তোদের মাথা একে একে কেটে ফেলব।

ভাও, আমরা বাইক নিয়ে তোমার পিছনে যাচ্ছি। এই তোরা চিত্তুরের দিকে যা।

গঙ্গামা ভুল ঠিক সবই দেখছেন,

যদি মেয়েটার কিছু হয় ওই কুত্তার বাচ্চাদের কাওকে ছাড়বে না।

সাবধানে যেয়ো স্বামী।

ভাও, জায়গাটা বলো। ভাও!

অপহরণের ঘটনা প্রচণ্ড আলোড়ন তুলেছে। আমরা এখন আন্নামাইয়া চত্বরে আছি।

আপনারা দেখতেই পাচ্ছেন, কাভেরীর বাবা মুল্লেটি মোহন রাও এখানে পৌঁছেছেন।

অপহরণকারীদের দাবী অনুযায়ী,

তিনি কী করবেন? আর কী হতে যাচ্ছে? দেখার জন্য সিটি ক্যাবলের সাথেই থাকুন।

আপনি চিন্তা কেন করছেন?

আপনার মাথা মুন্ডানোর আগেই আপনার মেয়ে ফিরে আসবে।

মেয়েটাকে কে বাঁচাতে গেছে দেখতে হবে না। পুষ্পা...

আরে বুগ্গা, তিরুপতিতে কি কোনো সেল চলছে নাকি? কেন, মামা?

বড় জন মাথা মুন্ডাচ্ছে, আর ছোট জন মেয়েকে বাঁচাতে আসছে।

আমার মেয়ে কোথায় বল?

পুষ্পা ভাও, মেয়েটা ভেতরে আছে।

কিন্তু মেয়েটার মাথায়ও বন্দুক তাক করা।

তুমি এখানে গুলি করলে, শব্দ ওখান থেকে আসবে।

- এই পুলি! - হ্যাঁ, ভাই।

একটা ট্রায়াল দে তো,

এইবার তো বাতাসে শুট ছিল।

কিন্তু যদি চালাকি করো, তাহলে এইবার মাথায় গুলি চলবে।

বন্দুকটা দাও।

এই চল বেরো। এই বেরো।

জলদি বেরো।

প্রতাপ রেড্ডির ভাতিজা,

শুধু টাকার জন্য এসব করছে না।

তোর আসল উদ্দেশ্য কী?

দেখেছিস, মামা! পুষ্পা ভাও সব বুঝে ফেলেছে।

কেউ এমনি এমনি এত বড় মানুষ হয় না।

কিছু না, ভাই। ছেলেরা মেলায় মার খেয়েছে তো, তাই রাগে আছে।

এই টাকা দিয়ে তো আমাদের টাকার চুলকানি মিটে যাবে।

কিন্তু যে অপমান হয়েছে সেটার কি?

চল, বুগ্গা আমরাও ওকে পেটাই। হিসাব বরাবর করা যাক।

তারপর ভাও মেয়েকে নিয়ে যেতে পারে।

-কী বলো, ভাইরা? -[একসাথে] হ্যাঁ, ভাই।

ভাও কিছু বলছে না কেন?

ভাও মেয়েটাকে অনেক ভালোবাসে।

তাই চুপ করে আছে।

এই...

ওইদিন, যখন আমাদের মেরেছিল, তখন তো শাড়ি-পেটিকোট পরে ছিল।

আজকে যখন মারছি মনে হচ্ছে অন্য কাওকে মারছি।

মুডটাই আসছে না।

তাই নাকি?

এই পুলি? হ্যাঁ, মামা!

মূর্তির কাছে যা, আর ওই শাড়িটা নিয়ে আয়।

কিরে বুগ্গা? কাকে মারার জন্য আমাদের ডেকেছিস?

আর এসব কি, ভাই?

এগুলো কি আসল টাকা?

উমমম, কি হয়েছে?

- নমস্কার, ভাই। - নমস্কার...নমস্কার।

এই মালটা কে?

আর সে এমনভাবে কেন সেজেছে?

পুষ্পা...

তোদের মাথা খারাপ হয়েছে, নাকি?

তোরা জানিস, কার সঙ্গে পাঙ্গা নিচ্ছিস?

মৃত্যুর এত কাছে দাঁড়িয়ে আছিস! সর। সর।

স্যরি, ভাও।

ছেলেগুলো না জেনেই অনেক বড় ভুল করে ফেলেছে।

পুষ্পা ভাও পুরো রাজ্য তার পকেটে রাখে।

তাকে কিছু করলে কি তোরা এখানে জীবিত থাকবি?

এই, দড়ি নিয়ে আয়। বেঁধে ফেল!

ওর হাত ধরে রাখ। তোরা জানিস ও কতটা ভয়ঙ্কর?

এই... তোরা নিজেরাই নিজেদের মৃত্যুকে ডেকে এনেছিস।

এই রামানা, শুধু হাত বেঁধে কিছু হবে না।

জঙ্গলে সেদিন যা দেখেছিলি, ভুলে গেছিস নাকি?

ওর পাগুলোও বেঁধে ফেল।

টাইট করে বাঁধ...

তাড়াতাড়ি কর।

-কষে বাঁধ। -ও ভয় পেয়েছে।

- আরে এখনও শ্বাস চলছে! - আরে,

ওর হাত-পা বাঁধা। এখন আর কী করতে পারবে?

ওর যতক্ষণ শ্বাস চলে,

ততক্ষণ আমাদের সবার শ্বাস বন্ধ করার চেষ্টা করবে।

আমাকে একটা চাকু দে।

- দাড়াও, দাড়াও, দাড়াও.. - কী?

আরে ভাই মেরে ফেলায় কিসের মজা?

আসল মজা তো এখন শুরু হবে।

এই পুলি,

হ্যাঁ, ভাই।

মেয়েটাকে নিয়ে আয়।

ওকে খাড়া কর।

চাচা।

চাচা।

চাচা।

মা...

তুই ঠিক আছিস, তো, মা?

ভাই আমি আগেই বলেছি, যে সে ঠিক আছে।

যেমন এনেছিলাম, ঠিক তেমনই আছে।

ও তো বিশ্বাস করছে না।

ওর আঁচল সরিয়ে দেখা।

ওইদিন শুধু আঁচল ধরায় আমাদের অনেক মেরেছিল।

দেখি এবার কী করে।

না! এটা করিস না।

এই নাও, সরিয়ে দিলাম।

আবার লাগালাম।

আবার সরালাম।

আবার লাগালাম।

এই শোন, থাম।

উপরে নয়, বুগ্গা,

ও মনে করছে, আমরা মেয়েটাকে অন্য কোথাও আঘাত করেছি।

-এই, শাড়ি তুলে দেখা। -ঠিক আছে, ভাই।

কি বলেছিলি?

মেয়েটার গায়ে যদি একটা আঁচড়ও পড়ে,

তাহলে রাপ্পা..রাপ্পা..রাপ্পা..

কাটবি?

চাচা।

ঢুকালাম, বের করলাম।

আবার ঢুকালাম,

আবার বের করলাম। ঢুকালাম,

বের করলাম।

ঢুকালাম...

এই, কেশব। আমার কথা মনে আছে তো?

হ্যাঁ, স্যার। মনে আছে।

আমি এটা পুষ্পার ভালোর জন্যই বলছি। বুঝেছিস?

হ্যাঁ, স্যার। বুঝেছি।

এই, সাম্বা!

কেশব, যেভাবেই হোক পুষ্পাকে থামা।

ঠিক আছে, স্যার। কাভেরী, তুই ঠিক আছিস?

থামো, ভাও। দয়া করে আমার কথা শোনো।

ভাও কাভেরী ঠিক আছে। ওকে ছাড়ো।

ওকে ছাড়ো, ভাও।

চাচা থামো! ওকে ছেড়ে দাও।

চাচা,

চাচা...

না, না, না চাচা

ভাও...ভাও।

এই উঠ..উঠ..জলদি পালা।

সিএম স্যার, বুগ্গা রেড্ডি ঠিক আছে।

প্রতাপ রেড্ডিকে বলুন যে সব ঠিক আছে।

বুগ্গাকে ফোনটা দে। প্রতাপ রেড্ডি ওর সঙ্গে কথা বলতে চায়।

সিএম স্যার,

বুগ্গা রেড্ডি এখন হাওয়ায়... পাঁচ মিনিট পর ফোন করেন।

কি হয়েছে? এই, কেশব!

সে যে-ই হোক, যদি সে মেয়ের গায়ে হাত তোলে...

তাহলে কাওকে ছাড়বো না।

বুগ্গা...

তুই শুধু এই মেয়ের জন্য আমার ছেলেকে মেরে ফেলেছিস?

এখন আমি একে নিয়ে যাচ্ছি।

আমি এর সাথে প্রতি রাতে শোবো।

চাচা!

তুই যা করিস কর।

নারায়ণা... নারায়ণা...

নারায়ণা... নারায়ণা...

নারায়ণা।

আমি পুষ্পা ভাওকে বলেছি। সে কালেক্টরের সাথে কথা বলে তোমার কাজ করিয়ে দেবে।

ছোটখাটো বিষয়ের জন্য এখানে আসার দরকার কী?

এই সর!

ভাই...

এসো, ভাই।

আমাকে দাও আমি নিয়ে যাচ্ছি।

- বড়মা! - কী হয়েছে?

বড়মা...

কি দেখছিস? ওকে ভেতরে আসতে বল।

মোহন বাবা ভিতরে আয়.. ভিতরে আয়।

ভিতরে আয় বাবা..বস।

শ্রীভাল্লী, পুষ্পাকে ডাক দে।

লাচি, এক গ্লাস পানি নিয়ে আয়।

বস বাবা।

স্বামী, তোমার ভাই এসেছে।

মানে মোহন ভাই এসেছে।

শ্বাশুড়ি মা, সে আসবে না।

সে আসবে না?

সে কীভাবে আসবে?

যদি আসেও, আমি কীভাবে তার সামনে মুখ দেখাবো?

আমি তাকে অনেক কষ্ট দিয়েছি।

আমি ছোটবেলাতেই ওর পদবি কেড়ে নিয়েছিলাম।

তাই সে এতিমের মতো জীবন কাটিয়েছে।

যখন সে শেষবারের মতো বাবাকে দেখতে এসেছিল,

আমি তাকে ধাক্কা দিয়ে বের করে দিয়েছিলাম, বুঝিনি যে সে তখনও শিশু।

তার বাগদানেও একই ঘটনা ঘটেছে।

দায়িত্ব নেওয়ার পরিবর্তে,

আমি তাকে অপমান করেছি, বলেছি—

থাম বাবা। এসব কি করছিস?

এখন এসব বলছিস কেন? মা,

এত কিছুর পরেও,

আমি ওর সামনে কীভাবে মুখ দেখাবো?

বাবা সব সময় বলতো,

ও আমার ভাই...বাচ্চা ছেলে।

আমি মারা গেলে, ওকে দেখে রেখো।

কিন্তু আমি কী করেছি?

আমি কখনো ওকে আমার ভাই ভাবিনি।

ওকে শত্রু ভাবতাম।

কিন্তু সে...আমার মেয়ের বিপদে তাকে উদ্ধার করলো।

তার জীবন বাজি রেখে তাকে বাঁচিয়েছে।

কেবল "চাচা" ডাক শোনার জন্য লড়াই করেছে।

রক্তের সম্পর্ক তো, কীভাবে তা উপেক্ষা করবে?

হ্যাঁ...

আমি বড় ছেলে,

আর তুমি মা।

আমাকে ক্ষমা করো।

বাবার সামনে বলছি, মা, আমাকে ক্ষমা করা দাও।

উঠে দাঁড়া, মোহন। উঠে দাঁড়া।

এসব কী করছিস? উঠ! দয়া করে আমাকে ক্ষমা করো।

কেন করছিস এসব?

আসলে, কাভেরির বিয়ে ঠিক হয়েছে।

এখনি বাজার থেকে,

বিয়ের কার্ড ছাপিয়ে আমি সোজা এখানে চলে এসেছি।

মা, প্রথম কার্ডটা তোমাকে দিচ্ছি।

চাচা যদি বিয়েতে না আসে,

তোমার নাতনি বলেছে, সে বিয়ে করবে না।

আরে।

তোমরা যদি বিয়েতে না যাও, তাহলে অন্য কেউ কার্ড পেলেও কিছু যায় আসে না।

তোর মেয়ের বিয়ে। এভাবে কথা বলিস না।

ঠিক বলেছিস, বাবা। সে অনেক অহংকারী।

সে তো তোর সাথে দেখাই করল না। সে বিয়েতে আসবে কি না, কে জানে।

মুল্লেটি পরিবার একসাথে প্রথমবার কিছু উদযাপন করছে।

সে ছাড়া এটা কীভাবে সম্ভব?

তাকে বলো, তার ভাই তাকে দাওয়াত দিয়েছে।

সে নিশ্চয়ই আসবে।

স্বামী, এটা দেখ।

“মুল্লেটি পার্বতাম্মার আশীর্বাদে।” “কাভেরি গঙ্গাধর।”

বিয়ের কার্ডে তোমার মায়ের নাম ছাপানো হয়েছে।

আর এটা দেখ।

“পুত্র - পুত্রবধূ।”

“শ্রী মুল্লেটি পুষ্পা রাজ - শ্রীমতী শ্রীভাল্লী।”

সব নাম ঠিক রেখেছে, কিন্তু একটা ভুলে গেছে, স্বামী।

শ্রী মুল্লেটি ছোট (পোদি) ভেঙ্কটরামণনের নাম...

স্বামী...

কি করছো, স্বামী?

কেদো না, স্বামী।

পুষ্পা...

কি হয়েছে, বেটা?.. পুষ্পা...

- কেমন আছিস, মা? - ভালো আছি, ভাইয়া।

আসুন।

পুষ্পা চাচা।

এখন "চাচি" বলতে পারবো, তো?

সবাই এসেছে... কিন্তু

যার আসার কথা ছিল, সে কোথায়?

সে কি আসেনি?

সে আসেনি, স্যার... মেসেজ পাঠিয়েছে।

কি হয়েছে?

কী হয়েছে, বউ?

ছোটটা আনন্দে নাচছে...

এই বাবা...

এখন সবাই একসাথে আছি,

তাই আর কখনো ঝুঁকবি না...

Buy Me a Coffee ☕ Bkash/ Nagad = 01931028724

বাংলা সাবটাইটেল দিয়ে মুভি দেখার জন্য ধন্যবাদ। ভালো লাগলে সাবসোর্সে গুড রেটিং দিবেন আশা করি। সাবসোর্স আইডি: https://subsource.net/u/1521799

Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.