Afrikaans
Akan
Albanian
Amharic
Arabic
Armenian
Azerbaijani
Basque
Belarusian
Bemba
Bihari
Bosnian
Breton
Bulgarian
Cambodian
Catalan
Cebuano
Cherokee
Chichewa
Chinese (Traditional)
Corsican
Croatian
Czech
Danish
Dutch
Esperanto
Estonian
Ewe
Faroese
Filipino
Finnish
French
Frisian
Ga
Galician
Georgian
German
Greek
Guarani
Gujarati
Haitian Creole
Hausa
Hawaiian
Hebrew
Hindi
Hmong
Hungarian
Icelandic
Igbo
Indonesian
Interlingua
Irish
Italian
Japanese
Javanese
Kannada
Kazakh
Kinyarwanda
Kirundi
Kongo
Korean
Krio (Sierra Leone)
Kurdish
Kurdish (Soranî)
Kyrgyz
Laothian
Latin
Latvian
Lingala
Lithuanian
Lozi
Luganda
Luo
Luxembourgish
Macedonian
Malagasy
Malay
Malayalam
Maltese
Maori
Marathi
Mauritian Creole
Moldavian
Mongolian
Myanmar (Burmese)
Montenegrin
Nepali
Nigerian Pidgin
Northern Sotho
Norwegian
Norwegian (Nynorsk)
Occitan
Oriya
Oromo
Pashto
Persian
Polish
Portuguese (Brazil)
Portuguese (Portugal)
Punjabi
Quechua
Romanian
Romansh
Runyakitara
Russian
Samoan
Scots Gaelic
Serbian
Serbo-Croatian
Sesotho
Setswana
Seychellois Creole
Shona
Sindhi
Sinhalese
Slovak
Slovenian
Somali
Spanish
Spanish (Latin American)
Sundanese
Swahili
Swedish
Tajik
Tamil
Tatar
Telugu
Thai
Tigrinya
Tonga
Tshiluba
Tumbuka
Turkish
Turkmen
Twi
Uighur
Ukrainian
Urdu
Uzbek
Vietnamese
Welsh
Wolof
Xhosa
Yiddish
Yoruba
Zulu
'ডি'-এর পর কোনো 'এইচ' নেই।
নেই?
- না! - হুম।
'প্রিয়দর্শিনী'-র পর ফুল স্টপ আর কমা আছে, তাই তো?
কোনো ফুল স্টপ নেই!
আমি দুইবছরের অভিজ্ঞতার তালিকা করেছি।
দুই?
ওটা চার বছর করো।
চার?
তা নয়...
চার বছর একটু বেশি হয়ে গেল না?
ইন্টারভিউতে গিয়ে সমস্যায় পড়তে চাও নাকি?
প্রশ্নই নেই।
আমি যাচাইয়ের জন্য তোমার ফোন নম্বর দিয়ে দেবো।
- ওহ! - এখন ওটা চার করো।
বারফট্টাইগুলো একদম ঠিকঠাক আছে, তাই না?
পরিশ্রমী...
সমর্পিত...
প্রিন্ট !
ঠিক আছে।
- হ্যালো! - আহ, স্যার!
- অ্যান্টনি বলছি। - কোন অ্যান্টনি?
আমাদের গতকাল পার্কে দেখা হয়েছিল।
- এস ক্যাপিটাল... - ওহ, হ্যাঁ।
- বুঝতে পেরেছি! - হ্যাঁ, স্যার।
আপনার কার লোনের পঞ্চাশ লক্ষ টাকা প্রি-অ্যাপ্রুভড হয়েছে।
- ওহ, ধন্যবাদ!
আপনি যদি আমাদের অফিসে আসতে পারেন, আমরা কাজ শুরু করতে পারি, স্যার।
আমি আসবো, অ্যান্টনি। দুপুর অব্দি...
আমার একটা মিটিং আছে।
একটা কাজ...
করা যাক। আমাকে আপনার লোকেশন পাঠাতে পারবেন?
আমার কাজ শেষ হলেই আমি চলে যাবো।
ঠিক আছে, স্যার। আমি হোয়াটসঅ্যাপে লোকেশন পাঠাচ্ছি।
- ঠিক আছে। - ঠিক আছে, স্যার! ধন্যবাদ!
ওহ, না!
একজন কখনোই অন্যজনের সঠিক বদলি হয়ে পারে না।
যদি এটা এত সহজ হত, তুমি ময়দার তাল দিয়েও কেক তৈরি করতে পারতে!
ভালো দিন কাটাও।
[সরোজিনী কাকীমা - শুভেচ্ছা থাকলো। তোমার জন্য প্রার্থনা করবো।]
- [ফোনের ভিডিও] স্বাস্থ্যকর স্বাদের স্বর্গে আপনাকে স্বাগত জানাই,
যেখানে প্রতিটি খাবার প্রকৃতির অনুগ্রহকে উদযাপন করে।
- ইস! - খেয়ে নে!
- এখানে, আমাদের অর্গানিক রেস্তোরাঁয়, আমরা উভয় বিষয়ের প্রতি নজর রাখি...
যথেষ্ট, যথেষ্ট!
আমাদের উপাদানগুলির উৎস হল স্থানীয় টেকসই...
তুই দুধ খাচ্ছিস না?
স্কুলে যেতে হবে না?
মা, এই দুধটার স্বাদ একদম ভালো নয়।
এটা ভীষণ জোলো।
- তোর বাবাকে জিজ্ঞেস কর! - ওহ, না!
এর স্বাদ ভালো নয় কেন?
এর কারণ, আজকের দুধটা অত মালাইদার নয়।
- সোনা, চালাকি কোরো না। - না...
তোমাকে বলেছিলাম, ইনডাকশন কুকারে দুধ গরম না করতে, তাই তো?
তাই, আমার কাছ থেকে লুকিয়ে রাখতে তুমি সেটাকে সুন্দরভাবে পরিস্কার করেছো।
ধরা পড়েছি!
- হ্যালো, স্যার! - তুমি কোথায়?
তুমি কি আজ অফিসে আসছো, নাকি ফিল্ড ডিউটি আছে?
আমি আধঘন্টার মধ্যে...
অফিসে পৌঁছাবো, স্যার।
ঠিক আছে। শোনো, তোমাকে ফোন করেছি, কারণ...
তুমি মৃদুলাকে চেনো, তাই না?
- মনে হয় না, সে এবারেও সময়ে তার টার্গেট পূরণ করতে পারবে।
- সে চেষ্টা করছে...
- কিন্তু তার পক্ষে সম্ভব নয়।
গতকাল রাতে সে আমাকে ফোন করে একটানা কেঁদে যাচ্ছিল।
এবং আমি তার দুঃখ সহ্য করতে পারছিলাম না।
- তুমি তার দুঃখের সমব্যথী হতে পারো, তাই না?
বুঝতে পেরেছি, স্যার।
আপনি চান, আমি তাকে আমার দুইজন ক্লায়েন্টকে আবার দিই, তাই তো?
আমি দেবো, স্যার।
- তাই তো? - একদম!
এই, তোমার মাত্র দুজন ক্লায়েন্টকে দিলেই হবে।
যতই হোক, আমরা সবাই নারীবাদী।
আর হ্যাঁ, পরবর্তী মিটিয়ে আমরা তোমার প্রমোশনের ব্যাপারে আলোচনা করবো।
- ঠিক আছে, স্যার। - ঠিক আছে?
- এটা নাও! - হ্যাঁ।
কিন্তু... তুমি কি করে বুঝলে, আমি ইন্ডাকশন কুকারে দুধ ফুটিয়েছিলাম?
তুমি যখন পরিষ্কার করছো, তোমাকে পাত্রের গোড়াও পরিষ্কার করতে হবে।
যদি স্টোভ ব্যবহার করতে, তাহলে ফেনাযুক্ত স্তরটা নীচে আটকে থাকতো না।
সুতরাং, এইভাবেই ধরা পড়েছিলাম।
হ্যাঁ, খুব মসৃণভাবেই।
- দেখা হবে! - মা, বাই!
বিদায় !
ঠিক আছে।
হাই!
আমি একটি ইন্টারভিউয়ের জন্য যাচ্ছি। পরে কথা হবে!
ভালোই হবে!
ধন্যবাদ!
সিনেমা :
সিনেমা : SOOKSHMA DARSHINI ভাষা : মালয়ালম রানটাইম : ০২:২১:০০
ঠিক আছে। অপেক্ষা করুন!
হাই!
তুমি এখানে কেন?
একবারও বলো নি তো, এই ইন্টারভিউ দিতে আসবে।
তিনবছরের অভিজ্ঞতা যাদের আছে, তারাই কেবল এই ইন্টারভিউ দিতে পারবে।
আমি একটা অভিজ্ঞতা সার্টিফিকেট যোগাড় করেছি।
একভাবে বাড়িতে বসে থাকতে থাকতে, আমার পিছনে শিকড় গজিয়ে যাচ্ছে।
আমার একটা কাজের দরকার।
তাই তো!
স্টেফি ভার্গিস!
ভালোই হবে!
নূতন প্রতিবেশী এসেছে।
তারা তোমার মত হলে, একদম পারফেক্ট হবে।
যাই হোক!
এই, মৃদুলা! এত ইমোশনাল হও না।
আমি তোমাকে আমার দুজন ক্লায়েন্টকে দিয়েছি তো।
এটা আনন্দাশ্রু, অ্যান্টনি।
তুমি আমার অবস্থা বুঝতে পারছো, তাই না?
আমাদের সবাইকে নিজের ঝামেলা সামলাতে হয়, মৃদুলা।
ঠিক যেমন, এখন তুমি করছো।
তুমি যদি এইভাবে ক্লায়েন্টের সামনে কান্নাকাটি করতে,
তুমি তোমার টার্গেট অনেক আগেই পূর্ণ করতে পারতে।
তোমাকে অনেক বেশি খাটতে হবে, মৃদুলা।
আমি পরিশ্রম করবো, অ্যান্টনি।
আমি সত্যিই কঠোর পরিশ্রম করবো!
অ্যান্টনি, যখন তোমার সাথে কথা বলি,
তখন নিজেকে বেশ চিন্তামুক্ত লাগে।
তোমারও কি আমার সাথে কথা বলে...
একইরকম বোধ হয়?
- হ্যালো?
- চুপ করে আছো কেন? - আচ্ছা। বলো।
- জানি না কেন, আজ আমার কিছুতেই ঘুম আসছে না।
- তোমার কি ব্যাপার, অ্যান্টনি? - আমার ভীষণ ঘুম পাচ্ছে।
- হুহ। - ঠিক আছে তাহলে।
- অ্যান্টনি! রেখে দিও না... - ঠিক আছে।
উফ! খুব খাটুনি যাচ্ছে।
অবাক হবার কিছু নেই, যে ম্যানেজার তাকে কাজ দেবার জন্য অত্যাধিক আগ্রহ দেখান।
অ্যান্টনি! তোমার ক্লায়েন্ট তাকে দিয়ে...
তুমি নিজেকেই সমস্যায় ফেলছো।
এই, তুই! যথেষ্ট গেম খেলা হয়েছে।
- শুতে যা। - আরেকটু, প্লিজ।
এটা এখনো শেষ হয়নি, মা। - যথেষ্ট হয়েছে।
- এখানে আয়। - তুমি ম্যানেজারের কথা শুনেছো, তাই না?
আমরা এখন যে পরিস্থিতিতে আছি, আমাকে এগুলো নিয়ে চলতে হচ্ছে।
আমাদের সেটল হওয়া দরকার।
ভাড়া বাড়ি ছাড়তে হবে।
অবশ্যই! এই কারণে আমিও একটা চাকরি খুঁজছি।
হ্যাঁ!
তোমার ইন্টারভিউ কেমন হল?
ভালো হয়েছে,
যদিও আমি নিশ্চিত নই, এটা পাবো কিনা।
কিন্তু পরিকল্পনা প্রতিদিন চলছে।
একদিনও বাদ পড়ছে না।
প্রতিদিন!
ভাবানুবাদ ও সম্পাদনা : সুদীপ চক্রবর্তী।
কি খবর, কৃষ্ণেত্তা? সব ফুল মিলে এটাকে ভীষণ রঙীন দেখাচ্ছে।
পুরো জায়গাটাই যেন পাল্টে গেছে।
স্পষ্টতই!
যখন এতটুকু ছিলে, তুমি এই জায়গা ছেড়ে গিয়েছিলে।
ওহ! সে এখনো এইটুকুই আছে।
ম্যাডামের মজা করার স্বভাব একটুও পাল্টায় নি। তাই না, কৃষ্ণেত্তা?
যদি সবসময় শুনতে হয়, তাহলে বিরক্তিকর লাগবে।
খুবই স্বাভাবিক!
যখন আমি দেখলাম, বাড়ি সারানো হচ্ছে, ভেবেছিলাম, নূতন ভাড়াটে বসাবে।
আম্মাচির শরীর খারাপ হবার কারণে হঠাৎ করেই এই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।
এই বাড়িটা শহরের কাছেই।
হাসপাতালও কাছেই।
তোমরা কথা বলো।
দেখে আসি, সবকিছু ঠিকঠাক হচ্ছে কিনা।
ঠিক আছে।
হোয়াটসঅ্যাপে নিজের গ্রুপে...
গল্প করতে গেল।
এখন সবাই এইসব গ্রুপে থাকে, তাই না?
অবশ্যই!
- শহরে গ্রেস বেকারি চেনো না?
- তারাই এটার মালিক।
- ম্যানুয়েলের বাবা, ভাকাথানমে তাদের নিজের শহরে...
একটামাত্র ঘরের দোকানে, এই বেকারি শুরু করেছিলেন।
- গ্রেসি চেচি এখানে রেলের চাকরি করতেন।
যখন বেকারি পুরোদমে চলছিল...
তারা তাদের শহরের পৈতৃক বাড়িতে ফিরে যায়।
- তার বাবা মারা যাওয়ার পর থেকে,
- ম্যানুয়েলই এই দোকান চালাচ্ছে।
সেই এই শহরে বেকারির একটা শাখা চালু করেছে।
- গ্রেস বেকারি আমাদের শহরের সেরা বেকারি।
ওই কাকীমার নাম গ্রেসি, তাই না?
আর তার মুখটাও কারুণ্যে ভরা!
হ্যাঁ!
ম্যানুয়েল আমার ছাত্র ছিল।
আমি তখনই তার "প্রোটেকশন" উপলব্ধি করেছিলাম।
আপনি কি তাকে কিন্ডারগার্টেনে পড়াতেন?
আপনি কি তখনই তার 'পোটেনশিয়াল' উপলব্ধি করেছিলেন?
- কৃষ্ণেত্তা আপনার ছাত্রকে বিরক্ত করেই মেরে ফেলবে।
- সে আমার ছাত্র বলে এইকথা বলছি না...
- সে সত্যিই দারুণ একটা ছেলে।
সে অত্যন্ত বিনয়ী।
তার হাসিটাও খুবই শিশুসুলভ এবং নির্মল।
- হবে না কেন, ম্যাডাম?
- সে ওইরকম একটা বিখ্যাত পরিবারের ছেলে।
- সে ওইরকম একটা বিখ্যাত পরিবারের ছেলে।
তুমি নিজের ভয়েস মেসেজ আবার শুনছো কেন?
এই, সুলু! তোমার সাথে তার সম্পর্ক দেখবো নাকি?
- তাকে ভালো ছেলে বলেই মনে হচ্ছে!
এই, না। সুলুর সাথে তাকে মানাবে না।
আমার তাকে প্রয়োজন নেই।
তাকে দেখে কিরকম কাকুর মত মনে হয়।
আয়!
আজও কাজে যেতে দেরী হয়ে গেছে।
বাবু, আজও মাকে বিরক্ত করেছো?
ইনি কে? আপনার পুত্রবধূ?
না। ইনি স্টেফি। এখানে ভাড়া থাকেন।
ওহ, আচ্ছা।
- ইনি হলেন ম্যানুয়েল। - আমি জানি।
আপনি কিভাবে জানলেন?
গ্রুপ থেকে!
- আচ্ছা! - ওহ...
- সরোজিনী ! - ওহ হ্যাঁ, সরোজিনী!
আসছি তাহলে!
আপুত্তা, বাই!
তারা এখন আমাদের সাথে সংযোগ রাখে।
- সে কি একমাত্র সন্তান?
- না, না। তার একটা দিদি আছে।
সে নিউজিল্যান্ড বা কোনো এক জায়গায় থাকে।
পড়াশোনা শেষ হওয়ার পর থেকেই আমি একটা ব্যবসা চালু করার চেষ্টা করেছি।
ওহ! তাহলে শুরু করলেন না কেন?
কয়েকজন বন্ধু মিলে পরিকল্পনা করেছিলাম, শহরে একটা অরগ্যানিক রেস্তোরাঁ খোলার।
- কানি, দুষ্টুমি করিস না।
- অরগ্যানিক? - হ্যাঁ।
- অবশ্যই, ফ্রেশ আইডিয়া।
কিন্তু, আজকাল অরগ্যানিক বলে যাতে লেভেল মারা হয়, বেশীরভাগই নকল হয়।
ঠিক এই কারণে আমি অ্যান্টনিকে জোর করছি, আসল একটা খোলার জন্য।
আপনার যদি সঠিক পরিকল্পনা থাকে, সবকিছু ঠিক হবে।
বিশেষত, যখন রেস্তোরাঁ ব্যবসার প্রশ্ন আসে,
পরিকল্পনাই সবকিছু, তাই না?
সেটা অর্গানিক হোক বা না হোক।
- এটা সত্যি!
- এর জন্য আমাকে চাকরি ছাড়তে হবে।
- এটা নিয়েই আমি চিন্তিত।
আরে, এসব নিয়ে চিন্তা করবেন না।
- ১৯৮৫ সালে যখন আমার বাবা বেকারি ব্যবসা শুরু করেন...
তিনি আমার মায়ের নামে...
এর নাম রাখেন গ্রেস বেকারি।
- যখন তিনি এটা চালু করেছিলেন, তাকেও বিভিন্ন বাধার সম্মুখীন হতে হয়েছিল।
- কিন্তু, বন্ধুরা যখন একজোট হয়... - এটা ছাড়! আয়!
- হ্যাঁ, সেটা ঠিক। বন্ধুরা আমার সাথেও আছে।
- সুতরাং, আমি তাদের সমর্থন পাবো।
- হ্যাঁ, ঠিক তাই। আপনার সেই সমর্থন প্রয়োজন।
- যদি না, আমরা নিজেরাই এটা করি।
আমাদের সামনে কিছু প্রাথমিক বাধা আছে।
এই, মনে হয়, আম্মাচি জেগে গেছেন।
কানি !
আম্মাচি !
এরা আমাদের প্রতিবেশী।
ইনি হলেন প্রিয়া, এটি প্রিয়ার মেয়ে।
এবং ইনি হলেন প্রিয়ার স্বামী, অ্যান্টনি।
আম্মাচি, ওষুধ খেয়েছো??
বিকালের ওষুধ, তাই তো?
রাতের ওষুধের কি খবর?
চশমা পরো!
আমরা যাবো কি?
তাকে ফিরে আসতে দাও। অপেক্ষা করো।
এই নাও, জল খাও।
আমাকে প্রতিদিন ঠিক সময়ে মাকে ওষুধ দিতে হয়।
- তাহলে, আপনি কি চাকরি ছেড়ে ব্যবসায় মনোনিবেশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন?
- এখন পর্যন্ত, সেটাই পরিকল্পনায় আছে।
- একবার সে চাকরি পেয়ে গেলে...
- তার সরকারি চাকরির পরীক্ষা কিছুদিন বাদেই আছে।
- ওহ! কয়েকদিন বাদেই?
- হ্যাঁ! - আচ্ছা।
- উনি যদি তাতে পাস করেন, আপনাদের আর চিন্তা থাকবে না।
অনেক্ষণ ধরে অপেক্ষা করছি।
চলো, চলো! দেরী হয়ে গেছে।
- হে ভগবান! - তোমার হলের টিকিট নিয়েছো?
- ওহ, সুলু। আমি সব কিছুই নিয়েছি।
এই নে।
- এখনই নে! - সিসিলি চেচি !
হ্যাঁ!
তোমার হোস পাইপটা নিতে পারি, প্লিজ?
আমার গাড়িটা ধুতে হবে।
অবশ্যই, বাবু!
- এই নাও, বাবু। - হ্যাঁ!
- খেয়েছো? - হ্যাঁ, হ্যাঁ।
আপনি কি শহরে যাচ্ছেন, স্টেফি?
হ্যাঁ!
চলে আসুন! আমি সেখানেই যাচ্ছি।
আপনি কোডিমাথায় একটা বীমা কোম্পানিতে কাজ করেন, তাই না?
আপনাকে সেখানে ছেড়ে দেবো কি?
আপনি কি করে জানলেন?
ফেসবুকে দেখেছি।
কিন্তু আপনি আমার ফেসবুকের বন্ধুদের তালিকায় নেই, তাই না?
রেগে যাবেন না।
আপনার প্রোফাইল চেক করার জন্য আপনার বন্ধু হবার দরকার আছে কি?
ফেসবুক আপনার প্রোফাইল আমাকে সাজেস্ট করেছিল।
এই, আমি রাগ করি নি।
সিঙ্গল মাদার হিসাবে,
ফেসবুকে আমাকে অনেক নজরদারি সামলাতে হয়।
এই কারণেই বলেছিলাম।
দুঃখিত!
এই, স্টেফি। কঠোর মহিলা হবার জন্য দুঃখপ্রকাশ করবেন না।
ঠিক আছে?
এমনকি সবাই ইনস্টাগ্রাম নিয়ে মাতামাতি করলেও,
আমি এখনও ফেসবুকের পূরাতন মাধুর্য এবং আড়ম্বর পছন্দ করি।
আচ্ছা, কিন্তু ইনস্টাগ্রামও ভালো।
যাই হোক...
তাদের এটা জানা উচিৎ, কার কাছে কাকে সাজেস্ট করা যায়।
কিন্তু...
প্রোফাইলটা দেখার পরেও,
আপনি আমাকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠালেন না কেন?
আমি এখন পাঠাতে পারি, তাই না?
জল বন্ধ হয়ে গেছে।
আপনার জন্য এটা খুব বিরক্তিকর, তাই না?
আমরা এখন থেকে প্রতিদিন আড্ডা মারা শুরু করতে পারি।
হ্যালো।
না, আমি বাড়ি ফিরে এসেছি। এখন আর বেরোবো না।
বাড়িতে আম্মাচি একা আছে।
ঠিক আছে, তাহলে।
- [টিভি] এর পর ডিমের কুসুম যোগ করতে হবে।
- এবার ডিমগুলোকে আলাদা করা যাক।
এখানে আসার পর থেকেই, তোমাদের জন্য একটা পার্টির আয়োজন করার কথা ভাবছিলাম।
শেষপর্যন্ত, আজ সুযোগ পেয়েছি।
চেচি...
দারুণ গন্ধ বেরোচ্ছে।
পর্ক নাকি?
আমরা কি সেখানে গিয়ে নিতে পারি?
সে সকালে কোনো কিছুকে পিটিয়ে মেরে বাড়ির ভিতরে নিয়ে গিয়েছিল।
ভামবিড়াল, মনিটর লিজার্ড বা সেইরকম কিছু।
মাংসটা কি সেটার নাকি?
প্রশ্নই নেই!
আমার আজমল ইক্কা এইসব জিনিস খায় না।
বীফটা দারুণ হয়েছে।
আসমাকেও কিছু দিতে হবে।
সে এত সুস্বাদু বীফ হয়তো আগে কখনোই খায় নি।
দারুণ হয়েছে!
এটি একটি স্পেশাল রেসিপি।
- ম্যানুয়েল... - হ্যাঁ।
বহুদিন ধরেই আসমার স্টাফড বীফ ভাতের কেক এখানে সুপ্রসিদ্ধ।
এটা তাকেও ছাপিয়ে গেছে!
শব্দে একে বর্ণনা করা যাচ্ছে না।
তাহলে, আমাদের বাড়িতে আমন্ত্রণ জানিও, আজমল। একটা ফ্যামিলি পার্টি হয়ে যাক।
দেখা যাক, আসমার স্টাফড বীফ ভাতের কেক বেশি ভালো কিনা।
পরিবারকে ডাকার দরকার কি? এটা অপ্রয়োজনীয়।
এই মাসের শেষে তোমার মেয়ের জন্মদিন আছে না?
তুমি কি তখন এখানেই থাকবে নাকি বাইরে যাবে?
আমি ট্রিপে যাবো।
- পাল্টাতে পারবো না। - ওহ।
থমাস চেট্টা, তোমার জন্য একটা পানীয় বানাবো নাকি?
ওহ!
না, ধন্যবাদ।
কেন? মদ খাও না নাকি, চেট্টা?
হ্যাঁ, ঠিক!
সে নিশ্চয়ই এখানে আসার আগে তিন পেগ মেরে এসেছে।
সে মদ কিনে বাড়িতে একা বসে খায়।
না, ভাই।
পানাক্কাড় চার্চে যাবার পর থেকে আমি মদ খাওয়া ছেড়ে দিয়েছি।
তুমি আর তোমার হাঁপানির গল্প!
তোমার হাঁপানি কোথাও পালাবে না।
তুমি প্রচুর মদ খাও, তাই না?
আরে গাধা, মদ বেশি খেলে লোকে বমি করে।
তোমার তো হাঁপানি নেই!
সে কি বলছে?
আমি শুনেছি, মনিটর লিজার্ডের মাংস হাঁপানির জন্য ভালো, থমাসেট্টা।
কিন্তু এখানে মনিটর লিজার্ডের মাংস কোথায় পাবো?
আহ!
এটাও ঠিক।
ম্যানুয়েল...
আমি এলোপ্যাথি থেকে ইউনানি, সব চিকিৎসাই করেছি।
তার ফলাফল কি হয়েছে?
একদিন আমি পানাক্কাড় চার্চে প্রার্থনা করতে গিয়েছিলাম।
তারপর অনেকটা ভালো আছি।
- তাই নাকি? - এখন...
কোনোরকম বাদ না দিয়ে, প্রতি মঙ্গলবার সিসিলি আর আমি, সেখানে যাই।
আম্মাচির জন্য প্রার্থনা করার জন্য...
আমাকেও সেখানে যেতে হবে।
তাহলে আমাদের সাথে পরের মঙ্গলবার চলো।
তাহলে আমিও তখন আসবো।
তুমি খাচ্ছো না?
না। আমার উপোস আছে।
তোমরা খাও।
খাও।
এটা অ্যান্টনির বাড়ি থেকে দেখা যায় না।
আমি তাদের ছাদ থেকেও চেক করেছি।
তাই, আমাদের চিন্তা করার দরকার নেই।
কিন্তু, সিসিলি চেচির বাড়ি থেকে এটা পরিস্কারভাবে দেখা যায়।
দেখো!
মঙ্গলবার সিসিলি চেচি আর থমাস চেট্টান চার্চের উদ্দেশ্যে রওনা দিলে,
তারা দুপুর দুটোর আগে ফিরবে না
সেই সময়ে, প্রতিবেশীদের মধ্যে, কেবল অ্যান্টনির বৌ-ই বাড়িতে থাকবে।
তাই, আমরা যদি মঙ্গলবার পরিকল্পনাটা বাস্তবায়িত করি,
একটা দিক নিরাপদ থাকবে।
এটা কিভাবে সম্ভব, ম্যানুয়েল?
সকালবেলায় এটা করা কি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যাবে না?
এটা রাতে করা যাক।
যদি দুর্ভাগ্যবশতঃ কেউ আমাদের দেখে ফেলে, সব শেষ হয়ে যাবে।
যদি এই পরিকল্পনা মাফিক চলতে হয়, আমাদের ঝুঁকি নিয়েই হবে।
এই কারণেই আমি বলেছিলাম, এই পরিকল্পনা কাজ করবে না।
আমি যেভাবে বলেছিলাম, সেইভাবে করলে অনেক সহজে, কাজটা হয়ে যেত।
এই! না, না!
না!
না।
এই পরিকল্পনাটা নিখুঁত।
এটা নিয়ে সন্দেহ নেই।
তাই, সঠিক সময়ের জন্য অপেক্ষা করা যাক।
হ্যাঁ, হ্যাঁ।
জন ঠিকই বলছে।
- অপেক্ষা করা যাক। - কি বলেছো!
দুঃখিত।
তো,
সবাই...
সবাই একটা জোরে করতালি দাও...
অ্যান্টনি এবং মৃদুলার জন্য।
- এই পাক্ষিকের সেরা কর্মী। - ধন্যবাদ।
মৃদুলা, দারুণ কাজ করেছো।
গত তিন মাসে, তুমি সব টার্গেট পূর্ণ করেছো।
কোম্পানি বা ব্যক্তিগতভাবে আমি, কেউই এটা উপেক্ষা করতে পারি না।
তাই, এখন থেকে তুমি আমাদের নূতন সিনিয়র এক্সিকিউটিভ।
- ধন্যবাদ! আপনাকে অনেক ধন্যবাদ, স্যার! - অভিনন্দন!
আমি সম্মানিত!
অভিনন্দন।
অ্যান্টনি!
তোমার প্রতিভা আছে।
- কিন্তু এখানের চাইতে উত্তরে তোমার দক্ষতাকে বেশি দরকার।
যখন কোম্পানি আমাকে সেখানকার সমস্যা মেটাতে কাউকে পাঠাতে বললো,
আন্তরিকভাবেই বলছি,
তোমার নামটাই আমার মনে সর্বপ্রথম এসেছিল।
তাই, তোমাকেও কোচবিহারের...
সিনিয়র এক্সিকিউটিভ পদে...
প্রমোশন দেওয়া হল।
- কোচবিহার? - খুশি, তাই তো? অভিনন্দন!
- হ্যালো? - হ্যালো।
- আপনি কি প্রিয়দর্শিনী কে.এস? - হ্যাঁ।
- মেলাম কোম্পানি থেকে সন্ধ্যা মোহন বলছি।
- ম্যাডাম, আপনি টেকনিক্যাল ইন্টারভিউ পাস করেছেন।
- অভিনন্দন। - দারুণ!
- আপনি নিশ্চয়ই জানেন, এরপর ম্যানেজার লেভেল ইন্টারভিউ হবে।
- আমি আপনাকে শীঘ্রই তার তারিখ জানিয়ে দেবো।
- ধন্যবাদ। - ঠিক আছে!
- ধন্যবাদ! - ঠিক আছে।
দারুণ!
- এই, একটা ভালো খবর আছে।
- আমি সেই দিনের টেকনিক্যাল ইন্টারভিউতে পাস করেছি।
[সরোজিনী চেচি - অভিনন্দন]
আমিও টেকনিক্যাল ইন্টারভিউতে পাস করেছি।
তাই, এইবছর আমাদের বিবাহবার্ষিকী...
বড় করে উদযাপন করার পরিকল্পনা করেছি।
এখানকার সবাই আর তাদের পরিবারকে আগেই আমন্ত্রণ জানিয়ে রাখলাম।
- সবাই এখানে এবং আপনার পরিবার ইতিমধ্যে আমন্ত্রিত!
এটা প্রিয়া। সে আগেই উড়ছে, তাই না?
টেকনিক্যাল ইন্টারভিউতে পাস করার জন্য...
কে নিজের বিবাহবার্ষিকী উদযাপন করে?
সবাই মানে কারা?
শুধু তোমার হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের সদস্যরা নাকি?
না, মনে হয়, সে সবাইকেই নিমন্ত্রণ করবে।
কত তারিখে?
আমারও আসতে ভালো লাগবে।
- দাঁড়াও, দেখছি। - আচ্ছা।
আগামী মাসের ১৯ তারিখে।
তুমি আসবে?
আসবো।
ঠিক আছে। এখন আসি তাহলে?
- ঠিক আছে। - আমি তোমাকে পরে ফোন করবো।
এই, স্টেফি!
ধন্যবাদ।
- এই, টেবিলটা পরিস্কার করো।
- টেবিলটা পরিস্কার করে দাও।
হ্যাঁ, কাকা।
আমি তারিখ ঠিক করে ফেলেছি।
এই নাও।
পাফ? কিসের খুশিতে?
এটা আমার তরফ থেকে ট্রিট। ইন্টারভিউতে পাস করেছি।
- দুর্দান্ত। - গরম থাকতে খেয়ে নাও।
আরেকটা ব্যাপার আছে।
বিবাহবার্ষিকী।
আমরা অবশ্যই যাবো। কার বিবাহবার্ষিকী?
আমাদের!
আমি ইতিমধ্যেই গ্রুপের সবাইকে বলেছি...
যে আমরা এটা বিরাট ভাবে উদযাপন করছি।
বুফে এবং সমস্ত...
কেশো না।
এই নাও, একটু জল খাও।
বুফে করার দরকার নেই।
অন্য কিছুর ব্যবস্থা করা যাক।
কিন্তু তুমি বিবাহবার্ষিকী উদযাপনের পরিকল্পনা একেবারে সঠিক সময়ে করেছো।
আমি প্রমোশন পেয়েছি।
কিন্তু কাছাকাছি কোথাও নয়। কোচবিহারে।
কোচবিহার?
টেনশন কোরো না।
আমি নিশ্চিত ছিলাম, ম্যানেজার তোমাকে ঝামেলায় ফেলবেই।
আমরা সবেমাত্র এখানে সেটল হয়েছিলাম।
কিন্তু আমাদের এখন এইসব লোকজনকে ছেড়ে চলে যেতে হবে।
যদি সরকারি চাকরির পরীক্ষা বা ইন্টারভিউতে পাস করি, আমি ফিরে আসবো।
এটা বলো, আমরা একসাথে ফিরে আসবো।
তুমি আমাদের বিবাহবার্ষিকী উদযাপনের সিদ্ধান্ত নিয়ে ভালোই করেছো।
যাবার আগে, সবাইকে একটা ট্রিট দেওয়া যাবে, তাই না?
- আমার পরিকল্পনাটা কেমন? - হ্যাঁ। দুর্দান্ত।
- হ্যাঁ, দুর্দান্ত! তাই না, সোনা?
- হ্যাঁ। - চমৎকার!
- তুই পাফ খাবি? - তুই পাফ খাবি?
- ওয়াও! - ভালো তো?
সে কি বললো, তুমি কিছু বুঝেছো, ম্যানুয়েল?
আমার মাথায় কিছু ঢুকলো না।
এত নেগেটিভ হয়ো না, বাবা।
আমরা এই ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, তাই না?
আচ্ছা...
তুমি কি একটু মন দিয়ে অন্যের কথা শুনবে?
কাকা... সে আমেরিকায় পড়াশোনা করেছে।
- সবকিছু ঠিক হবে। - ঠিকই বলেছো।
আমার এই ছোট্টো দোকানে তোমাদের দুজনের পদার্পণের কারণ কি?
আগামীকাল আমাদের বিবাহবার্ষিকী।
সেই অনুষ্ঠানের জন্য কেক বাছতে এসেছি।
তাহলে, কেকটা আমি দেবো।
- এই, তার দরকার নেই। - দিলে আমার ভালো লাগবে।
আম্মাচিকে নিয়ে এসো, প্লিজ।
নিশ্চিতভাবেই।
যাও। কেক পছন্দ করো।
- এটা বেশ সুন্দর, তাই না? - হ্যাঁ, কিনে ফেলা যাক।
তো, এই নাও, তোমাদের কেক।
পরে দেখা হবে।
- হাই! - শুভ বিবাহবার্ষিকী!
ধন্যবাদ!
- এই, সুলু। - হাই! হ্যাঁ, আমি জানি।
ওখানে রাখো।
ভিতরে যাও।
লাল পিঁপড়ে আর কালো পিঁপড়ে যাচ্ছিল...
শোনো...
সে একটা অদ্ভুত জায়গায় ট্রান্সফার হয়েছে।
কোচবিহার না সেরকম কোনো এক জায়গায়।
ওহ।
এই কোচবিহার...
নিশ্চয়ই বিহারের কোনো ছোটো জায়গা হবে।
না জানলে, চুপ করে থাকতে পারো না?
কোচবিহার পশ্চিমবঙ্গে অবস্থিত।
যখন বাঙালীরা এখানে আসছে, তারা সেখানে যাচ্ছে কেন?
কে জানে!
[স্টেফি - তুমি কি অনুষ্ঠানে আসছো না?]
- হ্যাঁ, কাকা। - কি হচ্ছে?
পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ চলছে। যদি সেখানে কিছু হয়, আমাকে টেক্সট কোরো।
- তোমাকে বলে কোনো লাভ নেই।
- তোমার বিয়ের পর থেকে এইভাবে কোনোদিন উদযাপন করেছো কি?
ম্যানুয়েল এসেছে।
- কৃষ্ণেত্তা। - হ্যাঁ।
- কেমন আছো, টমাস চেট্টা? - ভালো আছি।
খবর কি?
অভিনন্দন!
তুমি আমাদের ইতিমধ্যেই উপহার দিয়েছো।
এটাও রাখো! আমার ভালো লাগবে। নাও।
- আম্মাচি আসেন নি? - না। তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়েছে।
অ্যান্টনি !
[পুলিশ ওয়ারলেস সিস্টেম] সব মোবাইল থানা, নোট করুন প্লিজ।
- একজন মহিলা নিখোঁজ হয়েছেন। নোট করুন, প্লিজ।
আমাদের প্রতিবেশীর বাড়িতে একটা অনুষ্ঠান ছিল।
আম্মাচি ঘুমাচ্ছে দেখে, আমি ভেবেছিলাম, চট করে গিয়ে ফিরে আসবো।
তখনই এই ঘটনা ঘটেছিল।
আপনার মা কি আগেও এরকমভাবে নিখোঁজ হয়েছেন?
না। এই প্রথমবার।
কাছাকাছি আত্মীয়দের বাড়িতে খোঁজ নিয়েছেন?
হ্যাঁ।
আম্মাচি সেখানে যায় নি।
যাইহোক, আমরা সবার কাছে খবরটা পৌঁছে দিয়েছি।
অপেক্ষা করে দেখা যাক।
স্যার...
মনে হচ্ছে, তিনি কোথাও যাবার জন্য তৈরি হয়েই ছিলেন এবং বেরিয়ে গেছেন।
এবং সম্ভবত ইস্ত্রিটা নেভাতে ভুলে গিয়েছিলেন।
ম্যানুয়েল!
এখানে আসুন।
[ওয়ারলেস মেসেজ] যখন এই ভদ্রমহিলা নিখোঁজ হন,
তার পরণে হাল্কা নীল শাড়ি এবং ব্লাউজ ছিল।
সামনের দরজায় তালা বন্ধ না করেই আপনি অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন কেন?
প্রাত্যহিক তাকে দেওয়া ওষুধের কারণে, তার গভীর ঘুম হত।
সেই বিশ্বাসেই চলে গিয়েছিলাম।
বাড়িটা ঠিক আমাদের পাশেই, তাই না?
ভেবেছিলাম, গিয়ে তাড়াতাড়ি ফিরে আসবো।
- তার ডাক্তার কে? - আমার কাজিন।
ডঃ জন পালাক্কাল।
সে মেলিয়া মেডিসিটির একজন নিউরোসার্জন।
প্রতিবেশী বাড়িগুলোতে কোনো ক্যামেরা নেই?
নেই, স্যার।
এই রাস্তার শেষে একটা জংশন আছে, তাই না?
মোড়ের মাথায় মোবাইলের দোকানে ক্যামেরা আছে।
নিশ্চয়ই সেটা এখন বন্ধ। অনেক দেরি হয়ে গেছে।
হ্যাঁ। অবশ্যই বন্ধ হয়ে গেছে।
আমরা তাদের দোকান খোলাতে পারি।
- ব্যাপারটা দেখো, সুজিত। - ঠিক আছে, স্যার।।
[ওয়ারলেস] সব থানা, সব মোবাইল থানা, নোট করুন প্লিজ।
সিআরবি জানাচ্ছে, চিঙ্গাভানম থানার নিখোঁজ মহিলা কেসের, সেই ভদ্রমহিলাকে...
রেলওয়ে স্টেশনে পাওয়া গেছে।
থামো! থামো!
তাকে পাওয়া গেছে!
শোনো...
তারা বলছে, গ্রেসি চেচির আলঝাইমার আছে।
আলঝাইমার?
তাহলে সে কাউকে এখনো এই ব্যাপারে বলে নি কেন?
সে আমাকে বলেছিল, তার কিছু স্মরণশক্তি সংক্রান্ত সমস্যা আছে।
কিন্তু, আমরা জানতাম না, এটা এতটাই গুরুতর।
স্যার, ম্যানুয়েল এসেছেন।
ঠিক আছে।
আসুন। তিনি ভিতরে আছেন।
আসুন।
আম্মাচি, সাবধানে।
এসো। দেখে পা ফেলো, আম্মাচি।
ম্যানুয়েল...
এখন থেকে আম্মাচিকে এখানে একা রেখে বাইরে বেরোনোর ঝুঁকিপূর্ণ।
একজন আয়াকে রাখা যাক।
আমি এরকম একটা সংস্থার কথা জানি।
সেখানে খোঁজ নেবো।
আমার পরিচিত একজন মহিলা আছেন।
লিসি চেচি।
প্রিয়ার প্রসবের পর, তিনি প্রিয়া এবং আমাদের বাচ্ছার দেখাশোনা করতেন।
খুব ভালো মানুষ।
আমার পূরানো ফোনে তার নম্বর সেভ করা আছে।
আমি তোমাকে সেটা দেবো।
ঠিক আছে।
প্রিয়া, চলো।
যাবে কি?
- ঠিক আছে। - কাল দেখা হবে।
মনে হচ্ছে, এখন আমাদের সকালেই ঝুঁকিটা নিতে হবে।
যেদিন থমাস চেট্টা চার্চে যাবে, তাই তো?
ডায়ানাকে কি জানানো উচিৎ নয়?
হ্যাঁ।
ম্যানুয়েলের আম্মাচি যখন এখানে কাজ করতেন,
তিনি প্রায় প্রতি শুক্রবার, প্যাসেঞ্জার ট্রেনে করে বাড়ি ফিরে যেতেন।
তারা বলছেন, সেই স্মৃতির বশবর্তী হয়েই তিনি ঘর ছেড়েছিলেন।
একজন আলঝাইমার রোগী কি এইসব কথা মনে রাখতে পারে?
এইসব কি আদৌ সত্য কথা?
কৃষ্ণেত্তা বলছিলেন, এই কারণেই তিনি সেখানে গিয়েছিলেন।
আমি ম্যানুয়েলের কথা ভাবছি।
অসহায় বেচারা।
যখন আমি থানায় ম্যানুয়েলকে আম্মাচিকে জড়িয়ে ধরতে দেখলাম,
আমার গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠেছিল।
আমার কখনোই মনে হয় নি, আম্মাচির স্মৃতিশক্তি সংক্রান্ত সমস্যা আছে।
এবং বুঝতে পারছি না, তিনি এখান থেকে রেলওয়ে স্টেশনে গেলেন কি করে।
যেভাবেই হোক, আমরা তাকে ফিরে পেয়েছি, তাই না?
জল বন্ধ হয়ে গেছে।
আপনার জন্য এটা খুব বিরক্তিকর, তাই না?
এই, মনে হচ্ছে আম্মাচি জেগে গেছেন।
সুক্ষ্মদর্শিনী [অণুবীক্ষণ যন্ত্র]
ভাবানুবাদ ও সম্পাদনা : সুদীপ চক্রবর্তী।
না।
যতক্ষণ না এখানে থাকার মত কাউকে পাচ্ছি, আমি কোথাও যাচ্ছি না।
আমিও ভয় পেয়েছি।
এই জরুরী মিটিং হঠাৎই ঠিক হয়েছে।
জানি না, সেটার ব্যাপারে কি করবো।
যদি সত্যিই জরুরী হয়, আমি দুপুরে অফিস থেকে ছুটি নিতে পারি।
আরে!
এটার দরকার নেই।
কোনো ব্যাপার নয়।
আমি এখানে থাকবো।
বাই, মা!
দেখা হবে!
এটা কোনো ফলের রস বা জলের সাথে মিশিয়ে তাকে দিবি।
কুড়ি মিনিটের মধ্যে ঘুমিয়ে পড়বে।
আর হ্যাঁ,
এটা কিন্তু বিষ।
সাবধানে ব্যবহার করিস।
নয়তো, ঘুমন্ত অবস্থায় সে মারা যাবে।
মঙ্গলবার সকালে পরিকল্পনাটা বাস্তবায়িত করতেই হবে।
আম্মাচির দেখভাল করার জন্য কাউকে রাখতে আমার উপর প্রচুর চাপ আছে।
যদি আমি এখন তা না করি, লোকে আমাকে সন্দেহ করবে।
কৃষ্ণেত্তা আর আমি মঙ্গলবার সকালে ওই বাড়ি ছেড়ে যাবো।
একমাত্র স্টেফি আম্মাচির সাথে থাকবে।
আমি তার ব্যাপার সামলে নেবো।
যেমনটা আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, তুমি বাকি কিছু সামলাও, কাকা।
ঠিক আছে।
[টিভি থেকে] ...অথবা, প্রায়শই দেখতে পাওয়া লোকেদের সনাক্ত করতে অক্ষম।
এছাড়াও, রাগ এবং বিষণ্ণতাও...
অ্যালঝাইমার রোগীদের সাধারণ লক্ষণ।
এই রোগ ছড়াতে পারে...
আমি এখনো বুঝতে পারছি না, কেন ম্যানুয়েল পুলিশকে বলেছে, আম্মাচির আলঝাইমার আছে?
প্রতিটি বিষয়ে,
তিনি আমাদের থেকেও ধারালো।
তিনি যদি এতই ধারালো হতেন, ইস্ত্রি চালিয়ে অন্য কোথাও চলে যেতেন কি?
আমার তা মনে হয় না।
এটা তোমার কল্পনা মাত্র।
তিনি অন্ধকারেও বেড সুইচ জ্বালাতে পারেন।
জলের ট্যাঙ্ক ভর্তি হয়ে গেলে, মোটরের সুইচ নেভাতে জানেন।
বাইরে থেকে এলে, নিজের চটি খুলতেও ভুলে যান না।
শুধু দুদিন তাকে কাছ থেকে দেখো।
বুঝতে পারবে, আম্মাচির স্মৃতিশক্তি তোমার থেকেও ধারালো!
তাই নাকি?
এবং, হ্যাঁ!
গতকাল যখন গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি শুরু হয়েছিল,
এমনকি আমি আমার ছাদে পৌঁছানোর আগেই,
এবং ম্যানুয়েল সেখানে ছিল না।
তাহলে, সেখানে যে কাপড়গুলো শুকোতে দেওয়া হয়েছিল, কে তুললো সেগুলো?
স্টেফি চেচি হতে পারে।
- গতকাল ম্যানুয়েল যখন বেরিয়েছিল, তখন স্টেফিকে মার কাছে রেখে গিয়েছিল।
- স্টেফি কি সেখানে ছিল? - হ্যাঁ।
এই, তুমি এখনো আমাকে বিশ্বাস করছো না, তাই না?
এখন প্রায় দুপুর।
ম্যানুয়েলের বাড়িতে ভাত ফুটছে।
আমি এটা প্রতিদিন শুনি।
এখন পর্যন্ত কুকারে একবার মাত্র সিটি পড়েছে।
হ্যাঁ।
অপেক্ষা করো। এতে চারবারের বেশি সিটি পড়বে না।
দেখো, ম্যানুয়েল বাড়ির বাইরে আছে।
দুই!
তিন!
চার!
পঞ্চম সিটি পড়ে নি।
দেখো!
কিন্তু সে সবেমাত্র বাড়ির ভিতরে গেল, তাই না?
ম্যানুয়েল এত তাড়াতাড়ি রান্নাঘরে যেতে পারে নি।
আমি নিশ্চিত, আম্মাচিই এটা বন্ধ করেছেন।
এই কারণেই বলছি, আম্মাচির কোনো স্মরণশক্তি সংক্রান্ত সমস্যা নেই।
তারপর সেই দিন কি হয়েছিল?
আমরা কি সরাসরি আম্মাচিকে জিজ্ঞাসা করবো?
সে কাছাকাছি থাকলে, সেটা সম্ভব নয়।
আমি টেবিলের উপর আমের জুস রেখেছি।
সকাল এগারোটায় আম্মাচিকে দিয়ে দিও।
- ঠিক আছে। - ভুলে যেও না।
- না। - তোমার জন্যও জুস বানিয়েছি।
যাবে কি?
এবং, দেখো আর কেউ যেন বাড়িতে না ঢোকে।।
আম্মাচী বিভ্রান্ত হয়ে পড়বে।
তার ব্যাপারে একমাত্র আমি তোমাকেই বিশ্বাস করতে পারি, স্টেফি।
আমার জন্য তুমিই ঠিক আছো।
[আমরা বেরোচ্ছি]
আম্মাচি!
জুস খাবেন?
প্রতি মাসের মাইনে হিসাবে ১৫,০০০/- দিতে হবে।
প্রতি সপ্তাহে একদিন ছুটি থাকবে।
- ঠিক আছে। - আম্মাচি!
একটু জুস খাওয়া যাক।
আম্মাচি, ম্যানুয়েল বিশেষভাবে আমাকে নির্দেশ দিয়ে গেছে।
দয়া করে এটা খেয়ে নিন।
আমি এটা চাই না।
আপনি এটা চান না?
সেটা সম্ভব নয়।
প্লিজ, খেয়ে নিন, আম্মাচি।
[ম্যানুয়েল - আম্মাচি জুসটা খেয়েছে কি?]
[তাকে দিয়েছিলাম, কিন্তু খান নি।] - সে ঘরের বেশিরভাগ কাজ করে দেবে।
কিন্তু তার পক্ষে, রান্না করা কঠিন।
- আমরা... - এক সেকেন্ড।
ওহ।
আমরা কাউকে রান্না করতে জোর করবো না।
ঠিক আছে।
স্টেফি!
তুমি কি এক মিনিটের জন্য আম্মাচির সামনে থেকে সরে যাবে?
ঠিক আছে।
বলো।
আচ্ছা...
তাকে দেবার আগে, আম্মাচির সামনে তুমি জুসটা পান করো।
তাহলে সেও জুসটা খাবে।
তাই নাকি?
ঠিক আছে।
আম্মাচি!
আমি খেলে, আপনিও জুসটা খাবেন কি?
তাহলে আমি খাচ্ছি।
আমি খেয়েছি!
এখন আপনি এটা খান, আম্মাচি।
পুরোটা খান।
আপনি সকাল থেকে কিছুই খান নি।
প্লিজ।
আম্মাচি জুসটা খেয়ে নিয়েছেন।
ঠিক আছে। ধন্যবাদ, স্টেফি।
[সে জুস খেয়েছে, ওষুধ কাজ করতে কুড়ি মিনিট লাগবে।]
হ্যালো?
এই!
তোমার প্রতিবেশী প্রিয়া এইমাত্র তোমার বাড়িতে ঢুকলো।
এখন সে মরতে...
সেখানে গেছে কেন?
- কে জানে!
পনেরো থেকে তিরিশ মিনিটের মধ্যে সে ঘুমিয়ে পড়বে।
তার আগেই, প্রিয়াকে সেখান থেকে যেকোনোভাবে বার করতে হবে।
- হ্যাঁ। - তুমি ওখানেই অপেক্ষা করো, কাকা।
আমি বললে তবেই যাবে।
ঠিক আছে।
ইস্ত্রি নিয়ে এই সময়ে এখানে এসেছো কেন?
এই, যবে থেকে এখানকার ইস্ত্রিটা আগুনে পুড়ে গেছে,
অ্যান্টনি আমাকে বহুবার বলেছে, আমাদের ইস্ত্রি টা দিয়ে আসতে।
আমি একদম ভুলে গিয়েছিলাম।
ম্যানুয়েল একটা কোঁচকানো জামা পরে বেরোচ্ছে দেখে মনে পড়লো।
তাই, ভাবলাম, এটা এখানে দিয়ে যাই।
আম্মাচি নেই?
আম্মাচি...
আম্মাচি!
[অ্যান্টনি] আমি একজন মহিলাকে চিনি।
লিসি চেচি।
আমার পূরানো ফোনে তার নম্বর সেভ করা আছে।
আমি তোমাকে সেটা দেবো।
হ্যালো, আম্মাচি!
সব ঠিক আছে?
আমাকে চিনতে পারছেন, আম্মাচি?
ভেবেছিলাম, আপনি আমাদের বিবাহবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে আসবেন।
এলেন না কেন?
ম্যানুয়েল আমাদের অনুষ্ঠানে এসে বলেছিল...
যে আপনি তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়েছেন।
এর পর কখন জেগে উঠলেন, মনে আছে আপনার?
এই, প্রিয়া!
জুস খাও।
ম্যানুয়েল বেরোবার আগে এটা বানিয়েছে।
সেই রাতে আপনি কিভাবে স্টেশনে পৌঁছলেন?
- আমরা সবাই খুব চিন্তিত হয়ে পড়েছিলাম। - এই।
আম্মাচি নিশ্চয়ই খুব ক্লান্ত।
পরে কথা বলা যাক।
আপনি কি ক্লান্ত আম্মাচি?
হ্যাঁ, তিনি সত্যিই ক্লান্ত।
- আম্মাচি? - হ্যাঁ, হ্যাঁ!
তুমি জুস খাও!
বসো, স্টেফি!
আমরা একটু আড্ডা মারতে পারি।
- হ্যালো? - আহ!
অ্যান্টনি !
তুমি আজ ছুটি নিয়েছো, তাই না?
হ্যাঁ, আম্মাচির দেখাশোনা করার জন্য।
আপনি ওষুধ খেয়েছেন?
ম্যানুয়েল নিশ্চয়ই সকালে...
তাকে দিয়েছে।
দুপুরে কোনো ওষুধ নেই?
কোথায় রাখা আছে, তুমি জানো কি?
- একবার দেখে নাও। - আমি জানি না।
অ্যান্টনি?
হলের কাপ বোর্ড বা ড্রয়ারের মধ্যে আমার পূরানো ফোনটা আছে।
ফোনটা থেকে লুসি চেচির নম্বরটা বার করে আমাকে পাঠাও।
ম্যানুয়েলের দরকার।
- এখনই চাও কি? - হ্যাঁ। জরুরী। তাড়াতাড়ি পাঠাও।
ঠিক আছে।
- ঠিক আছে।
- স্টেফি, আমি আসছি। - ঠিক আছে।
পরে দেখা হবে, আম্মাচি।
ঠিক আছে।
- এই, সুলু। - কি খবর? আম্মাচির সাথে কথা বলেছো?
না। স্টেফি কাছাকাছি থাকলে, মনে হয় না, আম্মাচি কথা বলবেন।
- সেখান থেকে বেরিয়ে এসেছি। - এখন কি করবে?
দেখা যাবে।
- ম্যানুয়েল!
ম্যানুয়েল!
তুমি নিশ্চিত তো, যে এখান থেকে আয়ার দরকার নেই?
না, কৃষ্ণেত্তা। লিসি চেচি করবেন।
আম্মাচিকে বাচ্ছার মত দেখাশোনা করতে হবে।
রাস্তায় আমাদের বেকারিতে আমাকে নামিয়ে দিও।
এত্তুমানুরের কাছে এক রেলওয়ে লাইনে পাওয়া গেছে।
লোকটাকে সনাক্ত করা গেছে কি?
লাশটা একই বয়সের মনে হচ্ছে।
যেহেতু এটা ট্রেন দুর্ঘটনা,
তারা এখনো পর্যন্ত ব্যক্তিটিকে সনাক্ত করতে পারে নি।
ওটা গ্রেসি চেচি কিনা বোঝার জন্য,
পুলিশ ম্যানুয়েলকে ডেকে পাঠিয়েছে।
তো, স্টেফি চেচি এটা এখনো জানে না, তাই না?
সে এই বিষয়ে জানে না।
এখন তাকে এই বিষয়ে বলার দরকার নেই।
তার অবস্থা এমনিতেই ভালো নেই।
আমার বোন, ডায়ানা।
নমস্কার।
- হ্যালো, স্যার। - হ্যালো!
স্যার, কোনো অগ্রগতি হয়েছে কি?
আমরা এটা নিশ্চিত হয়েছি, রেললাইনে পাওয়া লাশটা আপনার মায়ের নয়।
ওই ব্যক্তির পরিবার লাশটিকে সনাক্ত করেছে।
ঠিক আছে।
শুয়ে পড়ো, স্টেফি। আমি এটা ধুয়ে রাখবো।
ম্যানুয়েল প্রতি ঘন্টায় আম্মাচিকে যে ওষুধ দিতো, সেসবের ব্যাপারে আমার গুরুতর সন্দেহ আছে।
যার আলঝাইমার নেই, তাকে কেন আলঝাইমারের ওষুধ দেওয়া হয়?
এব্যাপারে আমরা কাকে জিজ্ঞাসা করবো?
আমরা আম্মাচিকে জিজ্ঞাসা করার চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু সেই পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়েছিল।
যদি তুমি সেখান থেকে সেদিন না বেরোতে,
আম্মাচি হয়তো নিখোঁজ হতেন না।
[অ্যান্টনি] হলের কাপ বোর্ড বা ড্রয়ারের মধ্যে আমার পূরানো ফোনটা আছে।
ফোনটা থেকে লুসি চেচির নম্বরটা বার করে আমাকে পাঠাও।
ম্যানুয়েলের দরকার।
এখান থেকে রেলওয়ে স্টেশন পর্যন্ত সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ আমরা চেক করেছি।
আম্মাচিকে সেখানে কোথাও দেখতে পাই নি।
এমনকি যখন আশেপাশে খোঁজ নিচ্ছিলাম, তারাও এমন কাউকে দেখে নি বলেছিল।
হয়তো আম্মাচি রেলওয়ে স্টেশনে যাবার পথে...
তার স্মৃতিশক্তি সম্পূর্নভাবে হারিয়ে ফেলেছে।
আমি মনে করি সে সম্পূর্ণভাবে হারিয়ে গেছে।
নিশ্চয়ই সে সেখানেই কোথাও উদ্দেশ্যহীন ভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছে।
হতে পারে। তার অতীত ইতিহাস মনে রেখে আমরা রেলস্টেশনের আশেপাশে তল্লাশি করেছি।
- হ্যালো? - হ্যালো?
লিসি চেচি বলছো?
- হ্যাঁ। - কি ব্যাপার, প্রিয়া?
- বলো। - চেচি...
ম্যানুয়েল বলে কোনো লোক কি গত মঙ্গলবার তোমাকে ফোন করে বলেছিল...
মায়ের সাথে থাকার জন্য তার একজনকে দরকার?
আমিই তাকে তোমার নম্বরটা দিয়েছিলাম।
ম্যানুয়েল? এরকম কোনো লোক তো আমাকে ফোন করে নি।
- তুমি নিশ্চিত তো? - না, সে আমাকে ফোন করে নি।
- কি হয়েছে? - কিছু না, চেচি।
ঠিক আছে।
কি হয়েছে, চেচি?
সেই আমাকে সেদিন ওখান থেকে সরিয়ে দিয়েছিল।
এটা সত্যি! কিন্তু...
অবস্থা সবসময় একইরকম থাকে না।
পাল্টেও যায়।
দেখুন,
তিনি তার অতীতের যেকোনো স্মৃতিতে আটকে যেতে পারেন।
আমি এর আগেও এরকম অনেক মামলা সামলেছি।
সে আমাকে এখান থেকে সরিয়ে দিল কেন?
তাহলে কি আম্মাচির নিখোঁজ হওয়ার পিছনে,
আসল মানুষ ম্যানুয়েল নিজেই?
আমরা ধরতে পারি, সেই দিন যে কেউ তাকে চলে যেতে দেখেনি।
কারণ সেদিন তিনি রাতে বেরিয়েছিলেন।
কিন্তু এই বার, মাঝ দুপুরে, প্রকাশ্য দিবালোকে...
এবং কেউ তাকে দেখেনি বলেই মনে হচ্ছে।
আম্মাচির যথেষ্ট বয়স হয়েছে, তাই না?
তিনি এত তাড়াতাড়ি হাঁটতে পারেন না।
আজ চার দিন হয়ে গেছে।
সেখানে প্রচুর সিসিটিভি ক্যামেরা থাকা সত্ত্বেও,
তিনি সেগুলোর একটাতেও ধরা পড়েন নি।
এটা সত্যিই বিভ্রান্তিকর।
ম্যানুয়েল কি করে জানলো, আমি সেখানে ছিলাম?
স্টেফির মাধ্যমে হতেই পারে না।
ম্যানুয়েল একা এই কাজ করছে না।
- পিতা,
- পুত্র,
- এবং পবিত্র আত্মার নামে,
- আমেন!
- " চাইলে তুমি পাবে,
- এখনও পর্যন্ত কোন তথ্য পাওয়া গেছে? - খুঁজলে তুমি পাবে"
এখনো কোনো তথ্য পাওয়া যায় নি।
দয়া করে ভিতরে যাও। বাকি সবাই সেখানেই আছে।
- হে দয়াময় প্রভু,
- যিনি এই কথা বলেছেন;
" যেখানে এক বা দুইজন আমার নামে একত্রিত হয়েছে,
সেখানে তাদের ঠিক মাঝে আমি আছি!"
হে করুণাময় প্রভু,
যিনি এই কথা বলেছেন;
দয়া করে এই পরিবারকে শক্তি দিন, যারা...
প্রিয় গ্রেসি আম্মাচির অনুপস্থিতিতে শোকাহত।
এখানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক নয়।
আমরা জমির...
একজন ক্রেতা পেয়েছি,
কিন্তু... আমরা যে দামে বিক্রি করার আশা করেছিলাম, তা পাবো না।
তাহলে, তহবিলের জন্য আমাদের অন্য কিছু...
করতে হবে।
যাই হোক, আমি দুই দিনের মধ্যে ফিরে আসছি।
আমি আগেই টিকিট বুক করে রেখেছি।
সবার জন্য আমি এটা মিস করবো না।
ঠিক আছে?
ঠিক আছে! তোমার সাথে পরে কথা বলবো... বিদায় !
- হ্যালো! - হুহ?
তুমি ম্যানুয়েলের বোন, তাই না?
- হ্যাঁ! - আমি প্রিয়া!
তুমি প্রার্থনায় অংশগ্রহণ করো নি?
না। প্রার্থনা করলে কি আম্মাচিকে ফিরত পাবো?
তুমি নিউজিল্যান্ডে ব্যবসা করেন, তাই না?
হ্যাঁ...
আমি নিউজিল্যান্ডে থাকি।
- সেখানে আমার একটা স্টার্ট-আপ কোম্পানি আছে। - ওহ!
এটা বিবাহের পরিকল্পনা সম্পর্কিত কোম্পানি।
বাহ!
বিদেশে চাকরি পাওয়াই একটা বড় ব্যাপার।
সেখানে একটা ব্যবসার মালিক হওয়া,
নিশ্চয়ই দারুণ লাগে, তাই না?
হ্যাঁ... বেশ ভালোই লাগে।
খারাপ নয়।
তুমি কি করো, প্রিয়া?
আমি মাইক্রোবায়োলজিতে এমএসসি করেছি।
এখন একটা চাকরি খুঁজছি।
সবেমাত্র সরকারি চাকরির পরীক্ষা দিয়েছি।
- ঠিক আছে। - এছাড়াও,
আমাদের বিদেশে যাবার পরিকল্পনা আছে।
নিউজিল্যান্ড আমাদের অন্যতম বিকল্প।
ওহ, তাই।
এটা খুব সুন্দর জায়গা। তোমরা শান্তিতে থাকতে পারবে।
ওহ, তাই নাকি?
সেক্ষেত্রে, আমাকে তোমার ফোন নম্বর দিতে পারো, ডায়ানা?
তাহলে কি আমাদের সৌভাগ্য হয় নিউজিল্যান্ডে আমাদের জন্য অপেক্ষা করছেন?
হুম... ঠিক আছে।
আচ্ছা... নাম্বারটা নাও।
৬...
৪৪৪...
- ৪৪৪...
- আমি এখানে! - আমি ওখানে আসছি।
৮৩৮৬।
- ধন্যবাদ! - আমি আসছি।
- ঠিক আছে। - এটাই কি সীমানা?
হ্যাঁ, শেষ পর্যন্ত।
আচ্ছা।
- কি খবর? - স্যার!
সে বলছে, প্রতি সেন্ট জমি পিছু আমরা মাত্র আট লাখ টাকা পাবো।
- মাত্র ৮ লাখ? - হ্যাঁ, স্যার।
আপনি যদি আট লাখ টাকায় বিক্রি করতে প্রস্তুত থাকো, আমার হাতে ক্রেতা আছে।
এমনকি কুম্বানাদের ঢালে আমাদের সম্পত্তিও ১০ লাখ টাকায় বিক্রি হবে।
এটা এত কম হয় কিভাবে?
তাদের বলো, অন্তত ১২ লাখ টাকা হলে আমরা চুক্তিটা পাকা করবো।
১২ লাখ টাকা অসম্ভব, স্যার।
আমাদের অন্য কোনো ক্রেতা খুঁজে বার করতে হবে।
সেটাই করো!
কারণ আমাদের এটা তাড়াতাড়ি দরকার, তাই না?
ঠিক আছে। আপনি চিন্তা করবেন না, স্যার।
আমি আপনার জন্য একজন সঠিক ক্রেতা নিয়ে ফিরে আসবো। প্রসাদ কথা দিচ্ছে!
- ঠিক আছে? - হ্যাঁ!
আসছি তাহলে। দেখা হবে!
ঠিক আছে।
চলো, খেতে যাওয়া যাক। সবাই এখন চলে যাবে।
ম্যানুয়েল !
আমি আগামীকাল চলে যাবো।
ভালো হয়, তুমি যদি সবাইকে জানিয়ে দাও।
আমি বললে, সেটা ভালো দেখাবে না।
আমি সামলে নেবো।
তোমাকে তাড়াতাড়ি ফিরতে হবে, তাই তো?
এসো!
আম্মাচিকে না পাওয়া পর্যন্ত কি সে অপেক্ষা করবে না?
জানি না।
অদ্ভুত পরিবার একটা।
এটা ধরো।
বন্ধ করো!
ভাবানুবাদ ও সম্পাদনা : সুদীপ চক্রবর্তী।
অ্যান্টনি...
তুমি এখানে কি করছো?
অ্যান্টনি, আমি আম্মাচিকে দেখেছি!
হুহ?
আম্মাচি?
কোথায়?
ওখানে!
নিশ্চয়ই তুমি কল্পনা করেছো।
না! আমি সত্যিই তাকে দেখেছি।
ওখানে, ওই জানালার পাশে।
হয়তো তিনি ফিরে এসেছেন।
যাই হোক, তুমি কি একবার ম্যানুয়েলকে ফোন করে জিজ্ঞাসা করবে?
এই সময়ে? শুতে যাবে চলো।
আগামীকাল সকালে ফোন করবো।
এসো!
তোমাকে বলেছিলাম, এটা তোমার কল্পনা মাত্র।
আম্মাচিকে পাওয়া যায় নি। তিনি এখনো নিখোঁজ।
তারা এখনও তাকে খুঁজছে।
তাহলে আমি কাকে দেখলাম?
না।
আম্মাচিকে দেখতে পাওয়ার ব্যাপারে কেউ কিছু বলছে না।
তুমি নিশ্চয়ই এটা কল্পনা করেছো।
যদি আম্মাচি ফিরে আসতেন, এতক্ষণে সবাই জেনে যেতো।
কিন্তু প্রিয়েচি,
যখন তুমি আম্মাচিকে দেখলে, তোমার একটা ফটো তুলে রাখা উচিৎ ছিল।
হ্যাঁ, ঠিক। যেন তখন ফটো তোলার উপযুক্ত পরিস্থিতি ছিল!
কিন্তু... প্রিয়া কিভাবে বার করলো যে আম্মাচির আলঝাইমার নেই?
সে কয়েকটা সিটির শব্দের মাধ্যমে সহজেই সেটা বার করেছে।
সিটি? কিভাবে?
প্রিয়া যখন সিটি মেরেছিল, তখন আম্মাচি ঘুরে দাঁড়িয়েছিলেন কি?
উফ! এসব ছাড়ো। এসো।
প্রিয়া, কি বলতে চাইছো?
ম্যানুয়েল ইচ্ছাকৃতভাবে আম্মাচিকে ঘরবন্দী করে রেখেছে?
যদি তাই হত, তিনি চেঁচাতে পারতেন, তাই না?
- আমরা সবাই দৌড়ে যেতাম। - উফ!
যদি তার মুখ বাঁধা থাকে?
কিভাবে কথা বলবেন?
সাধারণ বুদ্ধি!
আমি এখন ঠিক কি বুঝবো?
প্রিয় আসমা!
ম্যানুয়েল মিথ্যা কথা বলছে যে, আম্মাচি বাড়িতে নেই।
এখনকার মত এটুকু বুঝলেই হবে।
কিন্তু আমরা কিভাবে সেটা জানতে পারবো?
ওখানে কি রঙ করবি?
- হলুদ ! - হলুদ!
- কোথায় রঙ করবো? এখানে? - দেখো, ওই ছোটো বাক্সে।
অ্যান্টনি !
- হ্যাঁ!
খেতে দেবো?
- হ্যাঁ।
পুরোটা খেয়ে নিবি, বুঝেছিস?
তরকারি !
এই নাও!
তুমি খাবে না?
পরে খাবো।
ঠিক আছে।
এই, সুলু! তৈরি তো?
প্রিয়া দিদি, এসব করতে যেও না। কেউ দেখে ফেললে, খুব খারাপ হবে।
আমি জানতে চাই, কেন ম্যানুয়েল আমাদের মিথ্যা কথা বলছে।
এবং সেখানে যাওয়াই হল, সেটা জানার একমাত্র উপায়।
- লাফ দিও না। ওহ, ইতিমধ্যেই লাফ দিয়ে দিয়েছো?
আমরা কৃষ্ণেত্তাকে কেন চেক করতে পাঠাচ্ছি না?
চুপ করে থাকো আর নজর রাখো, কেউ আসছে কিনা।
ঠিক আছে!
কিন্তু.. প্রিয়া দিদি!
এইবার ফটো তুলতে ভুলো না।
- ঠিক আছে! - ঠিক আছে।
- এটা নিরাপদ...
- নিরাপদ !
- এগিয়ে যাও!
- ওহ, না!
কি?
সামনের কিছু দেখতে পাচ্ছি না।
থামো, সুলু!
প্রিয়া দিদি সবেমাত্র ম্যানুয়েলের পাঁচিল টপকেছে।
হে ভগবান! তার হয়েছেটা কি?
নজর রাখো, কেউ আসছে কিনা।
আর সিসিলি চেচির বাড়ির দিকেও চোখ রেখো।
ধুত্তোর! আমার ভয় করছে।
তাকে ফিরে আসতে বলো!
তোমার অন্য কোনো আইডিয়া আছে?
সুলু, তাকে যোগ করাতে তোমাকে কে বলেছিল?
প্রিয় আসমা!
প্রিয়া দিদি ফিরে আসবে না। তুমি তাড়াতাড়ি বেরোও।
ইক্কা!
- কি হয়েছে? - এটা ধরো।
পিঁয়াজগুলো সাঁতলাও...
ঠিক আছে? আমি এক্ষুণি আসছি।
কোথায় যাচ্ছো?
ওহ, না!
আমাদের বারোটা বেজে গেছে! প্রিয়েচি !
একটা বাইক আসছে।
ধুস! এটা ম্যানুয়েল নয়।
- এটা ম্যানুয়েল নয়...
এই, ম্যানুয়েল একটা জিপ চালায়, তাই না?
দেখো, সেটা আসছে কিনা!
- কি? সেখানে পৌঁছে গেছো? - হ্যাঁ।
ওই তো সে যাচ্ছে!
ওখানে...
- কি হচ্ছে? আমাকে বলো।
- মুখ খোলো। কিছু বলো। - সে উপরে চড়ছে।
কি? উপরে চড়ছে?
আমি উপরের ঘরে আম্মাচিকে দেখেছি।
মেয়েটা কি পাগলামি করছে?
প্রিয়া দিদি, উপরে চড়তে যেও না। সমস্যায় পড়বে।
ওহ ঈশ্বর!
কান্নাকাটি বন্ধ করে কথা বলো, আসমা।
- শান্ত হও, সুলু।
- আমি তোমাদের বলবো।
- প্রিয়া দিদি, কোথায় পৌঁছেছো?
- পৌঁছে গেছো নাকি?
- বলো!
- বলো!
- আসমা, মরে গেছো নাকি?
হুহ?
না, এখনো নয়।
আরে, না!
হুহ?
কি হচ্ছে?
আম্মাচিকে দেখতে পেয়েছো?
হ্যালো?
- হ্যালো?
- হ্যালো? হ্যালো, হ্যালো?
প্রিয়া দিদি, অন্তত কিছু আওয়াজ করো।
ওখানে খুব অন্ধকার।
- হ্যালো! - কোথায় তুই, ভাই?
- তাড়াতাড়ি আয়। পাশের বাড়ির মেয়েটা...
- আমাদের বাড়ির উপরে দাঁড়িয়ে আছে।
হে ভগবান!
আরে, থমাস চেট্টা!
- দেয়ালের কাছাকাছি থাকো। - হে ভগবান!
কেন সে নিজের ঘরের ভিতর প্রার্থনা করে না?
উফ!
মাতাল কোথাকার!
চেচি, লাফাও। ম্যানুয়েল আসছে।
হুহ?
- প্রিয়া, লাফিও না!
থমাস চেট্টা!
তোর খাওয়া হয়েছে?
মাকে বল, হাত ধুইয়ে দিতে।
প্রিয়া !
- প্রিয়া দিদি, লাফাও। - লাফিও না। থমাস চেট্টা বাইরে আছে।
এখন লাফ দাও!
লাফিও না!
- সে বাড়ির বাইরে পৌঁছে গেছে।
প্রিয়া দিদি!
লাফাও!
ওহ ঈশ্বর!
তুমি এই সময়ে এখানে কি করছো, প্রিয়া?
তুমি এখানে এসেছো, অ্যান্টনি জানে কি?
মালিকরা বাড়িতে না থাকাকালীন কোনো বাড়িতে ঢোকার উচিৎ নয়, তাই না?
আমি শুধু দেখতে এসেছিলাম...
আম্মাচি ফিরেছেন কিনা।
তুমি জানো না, আম্মাচি নিখোঁজ?
যখন অ্যান্টনি সকালে ফোন করেছিলেন, তাকে বলেছিলাম।
তাহলে, গতকাল রাতে, আমি কাকে দেখেছিলাম?
প্রিয়া, দুই সপ্তাহ হলো, আম্মাচিকে পাওয়া যাচ্ছে না।
এবং আমার অবস্থা পাগলের মত হয়ে গেছে।
এইসব ঝামেলার মধ্যে...
তুমি দেওয়াল টপকানোয় বিশেষজ্ঞ হতে পারো।
কিন্তু আমাদের বাড়িতে সেই চেষ্টা কোরো না।
আশা করি, যেটা বলছি, বুঝতে পেরেছো।
যাও!
আমি আম্মাকে খুঁজতে গিয়েছিলাম...
তোমাকে বলেছিলাম তো, তিনি সেখানে নেই?
এটা আমার পক্ষে অপমানকর।
এই! কি হয়েছে?
সে কিছু দেখতে পেয়েছে কি?
সে সানশেডের উপর চড়েছিল কেন?
- এটা দেখেছিস? - হুহ?
এটা কি?
ধুত্তোর। লিক হয়েছে নাকি?
লিক ছাড়া এটা আর অন্য কিছু মনে হচ্ছে কি?
ম্যানুয়েল !
আমাদের এই বিস্তৃত পরিকল্পনার দরকার নেই বলে কাকা আমাকে সতর্ক করেছিলেন।
আমরা তাকে কোম্বানাদের মাঠেই পুঁতে দিতে পারি।
আর, তুই বোকাচোদা!
তুই আমেরিকা থেকে জ্ঞান চোদালি...
মতামত প্রকাশ করে দাবী করলি, তোর পরিকল্পনা ১০০% নিখুঁত।
আরে, আমার সাথে এরকম করিস না!
এমনিতেই অনেক চাপে আছি!
আর... এইরকম কথোপকথন আমাকে আরো অস্বস্তিতে ফেলে দেয়।
তোর দরকার...
তোর রঙ্গিলা নার্সদের সাথে এইভাবে ন্যাকামো মেরে ইংরাজি মারাস।
এত বিস্মিত হবার মত কি দেখেছিস তুমি?
কিসের বিস্ময়?
যখন আমি সেখানে সম্পূর্ণ একা কাজ করছিলাম,
জানালার বাইরে একটা মাথা আবির্ভূত হলো।
তোর প্রতিবেশী, রিয়া।
আরে গাধা, রিয়া নয়।
প্রিয়া !
আচ্ছা, প্রিয়া!
যাই হোক!
আমি তখনই মরে যেতে পারতাম।
সেটা জানিস?
পাঁচ মিনিট পরে, আমার হুঁশ ফিরতেই,
আমি তোকে ফোন করেছিলাম।
নয়তো, সে ঠিক ভিতরে ঢুকে যেত।
উফ! ঠিক আছে!
তাহলে আমাকে এই সমস্যার একটা সমাধান বল।
যদি এটা ঝুঁকিপূর্ণ হয়, এখান থেকে লাশটা সরানো যাক।
আমরা কোনোভাবেই লাশটা সরাতে পারবো না।
কোথায় নিয়ে যাবো এটা?
সেক্ষেত্রে আরেকটা পরিকল্পনা আছে।
যথেষ্ট হয়েছে।
আমি এটা সামলে নেবো। তুই গিয়ে নিজের কাজ কর।
এই জঘন্য পোশাক পরতে তার আধ ঘন্টা সময় লাগে।
সে ও তার চোদনা পরিকল্পনা!
হুহ?
এটা কোনো জঘন্য পরিকল্পনা নয়।
কি?
বললাম, এটা কোনো জঘন্য পরিকল্পনা নয়।
এই হতচ্ছাড়া জিনিসটাকে সরিয়ে কথা বল।
তোর মুখের দিকে তাকালে আমার অস্বস্তি হচ্ছে।
দেখ, ম্যানুয়েল!
তুই ছোটোবেলা থেকেই এইরকম।
শেষপর্যন্ত, সব দোষ আমার ঘাড়েই চাপবে।
আমি এটা শুধু তোর জন্যই করছি, ভাই।
আর,
এই পরিকল্পনাটা নিখুঁত।
এখানকার প্লাম্বিং জঘন্য, এটা আমার দোষ নয়।
নাটক মারানো ছেড়ে, নিজের কাজ করতে যা।
এইসবের মাঝে, সে আবার নিউজিল্যান্ড থেকে ফোন করছে।
তার যদি সন্দেহ হয় এবং এখানে আসে, আমাদের সব কিছু গুছিয়ে নিয়ে পালাতে হবে।
তোমার আমেরিকার লোককে বলো,
সবকিছু তাড়াতাড়ি শেষ করে, কেটে পড়তে।
বলেছি তাকে।
সে তার মুখোশ পরে ভিতরে গেছে।
ম্যানুয়েল !
প্রিয়ার থেকে সাবধান থেকো!
মনে হয়, তার কোনো সন্দেহ হয়েছে।
আমি জানি।
প্রিয়া দিদি, কি হয়েছে? সমস্যায় পড়েছো নাকি?
এই, আগামীকাল বলবো।
অ্যান্টনি আমার উপর ক্ষেপে গেছে।
প্রিয়া, তুমি সবসময়ই একইরকম।
যদি তোমার মনে কিছু ঢোকে,
চট করে সেটা বাদ দিতে পারো না।
আম্মাচি! আম্মাচি! আম্মাচি!
তিনি তোমার মা নন, তাই না?
এসব বাদ দাও।
আমি ম্যানুয়েলের সাথে কথা বলবো।
এরপর আর এটা নিয়ে মাথা ঘামিও না।
এটাই আমাদের দুজনের জন্য ভালো হবে।
ঠিক আছে?
কি হয়েছে, মা?
আমি যা বলছি, কেউ বিশ্বাস করছে না।
আমি তোমাকে বিশ্বাস করি, মা!
আমাদের মিশন এখনো অসম্পূর্ণ আছে, তাই না?
সানশেড থেকে লাফানোর সময় যদি তোমার পা ভাঙতো,
এই মিশন প্রথমবারেই সবার জন্য শেষ হয়ে যেত।
-এভাবে কথা বলছো কেন? - আমি খুব ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম!
কোথা থেকে এত সাহস পেলে, প্রিয়া?
সে বিরাট বদমাইশ।
সে অনায়াসে আমার মুখের উপর মিথ্যা কথা বলেছে।
সে আমার উপর রাগও করেনি।
এটা তো ভালোই হয়েছে।
তাই না?
- তোমার তাই মনে হচ্ছে? - হ্যাঁ।
ঠিক এটাই তার কৌশল।
সে আমাকে এমন উপায়ে আটকেছে, যাতে সেখানে আম্মাচিকে দেখতে আর যেতে না পারি।
আমার তার মিথ্যার মুখোশ খোলা দরকার।
হ্যাঁ, হ্যাঁ!
তুমি যদি তার মুখোশ খুলতে চাও, আমার একটা কথা আছে।
শুনতে চাও?
যখন তুমি সানশেডের উপর দাঁড়িয়ে আম্মাচিকে খুঁজছিলে,
ম্যানুয়েল বাড়ি ফিরে এসেছিল।
সে বাড়িতে না ঢুকে, সোজা তোমার কাছে এসেছিল।
মনে হচ্ছিল, কেউ যেন তাকে ফোন করে বলেছে, তুমি বাড়ির মধ্যে আছো।
কে হতে পারে?
তোমাদের এই ব্যাপারে বেশি ভাবার দরকার নেই।
আমি লোকটাকে খুঁজে বার করেছি।
সেটা কে?
থমাসেট্টান !
ধুত্তোর। এই শয়তানকে দেখে...
দুঃখিত, প্রিয়া দিদি।
সে প্রিয়া দিদিকে দেখে এত ভয় পেয়েছিল, যে তার জ্বর এসে গেছে।
সত্যিই?
এটা সে নয়।
তাহলে কে হতে পারে?
আমি?
আম্মাচি যখন থেকে নিখোঁজ হয়েছেন, ম্যানুয়েল আমার সাথে কথা বলে নি।
এই দেখো।
ম্যানুয়েল এমন ব্যবহার করছে, যেন আমার জন্যই তিনি হারিয়ে গেছেন।
তাহলে ম্যানুয়েলকে এই কথা কে বললো?
আমি জানি না!
তুমি কি নিশ্চিত, তুমি আম্মাচিকেই দেখেছিলে?
আমি তাকেই দেখেছি!
ওটা আম্মাচিই ছিল। আমি নিশ্চিত।
সেখানে কোনো একটা খেলা চলছে।
কি বলতে চাইছো?
আমার ভীষণভাবে সন্দেহ হচ্ছে, আম্মাচিকে ম্যানুয়েলই আটকে রেখেছে।
এই!
সেদিন জুসটা খাবার পর তোমার কিছু মনে হয়েছিল?
কি মনে হবে?
আমি কোনোদিন বিকাল বেলায় ঘুমাই না।
কিন্তু...
যখন আমি জুসটা পান করলাম,
অনুভব করলাম, আমার চোখদুটো আস্তে আস্তে বুজে আসছে।
যখন নিজেকে আর সামলাতে পারলাম না, আমি গিয়ে সোফার উপর বসে পড়লাম।
তারপর, ম্যানুয়েলের গলা শোনার পরেই আমি জেগে উঠেছিলাম।
কি বলতে চাইছি, বুঝতে পেরেছো?
আমিও সেটা খেয়েছিলাম, তাই না?
আমি এরকম কিছু অনুভব করি নি।
তাই কি?
ভাবানুবাদ ও সম্পাদনা : সুদীপ চক্রবর্তী।
আসলে... তোমার সাথে একটা বিষয়ে কথা বলার ছিল বলে মেসেজ করেছিলাম।
আম্মাচি আর ম্যানুয়েলের মধ্যে সবকিছু ঠিকঠাক ছিল কি?
তুমি যেদিন চলে গেলে, সেদিন রাতে...
আমি আম্মাচিকে তোমাদের বাড়িতে দেখেছিলাম, ডায়ানা।
ঠিক আছে, আমি এই মুহূর্তে কিছু কাজ নিয়ে ব্যস্ত আছি।
আমি পরে তোমার সাথে আবার যোগাযোগ করবো।
ওহ, ঠিক আছে।
তোমার সাথে পরে কথা বলবো।
কার সাথে কথা বলছিলে?
ডায়ানা।
কি? আপনি কে?
আমি ইলেক্ট্রিক মিটার দেখতে এসেছি।
আচ্ছা, দেখুন।
সে মাঝরাতে কিছু একটা করছে।
সে কিছু বস্তা সেখানে জড়ো করে রেখেছে।
আগামীকাল সকালেই আমাদের সেখানে গিয়ে এটা দেখা উচিৎ।
হ্যাঁ।
এই, এই! ওঠে পড়!
আরে, তুই!
কি হয়েছে?
সে আসছে। আজ রাতেই উঠছে।
কোথায়? সানশেডের উপর?
রিয়ার কথা বলছিস, তাই তো?
প্রিয়া নয়, ভাই। সে নিউজিল্যান্ড থেকে আসছে।
হুহ?
- সে তাহলে আগামীকাল আসছে? - হ্যাঁ।
ধুত্তোর!
আমার কাজ এখনো শেষ হয়নি!
তাকে কিছু বলে ব্লক করে দে।
তাকে বোঝানোর অনেক চেষ্টা করেছি।
মনে হয় না, আর তাকে আটকাতে পারবো।
দুপুরের আগেই তোকে সব কাজ শেষ করতে হবে।
কিছু একটা কর!
ধুর!
তুমি কাল নিজে গিয়ে তাকে নিয়ে আসবে।
যেভাবেই হোক, সে যেন তুমি ছাড়া আর কারোর সাথে যোগাযোগ করতে না পারে।
যদি আমরা জায়গাটা পরিষ্কার করেও ফেলি, তাহলেও তাকে এখন এখানে আনতে পারবো না।
সব কিছু গন্ডগোল হয়ে যাবে।
তাহলে অন্য একটা জায়গা খোঁজা যাক।
আমরা বাকি কাজ শেষ করে সবকিছু প্যাক করে ফেলবো।
- তুমি এখনই শুরু করো, কাকা। - ঠিক আছে।
সন্ধ্যার আগেই আমাদের সব কাজ শেষ করতে হবে।
- আমি বেরোচ্ছি। বাকি সব সামলে নিও।
ঠিক আছে।
অন্তত আধঘন্টার জন্য সে বাইরে যেতে পারতো।
ওইসব বস্তার পিছনে সে কিছু চাপা দেবার চেষ্টা করছে।
কিন্তু কখন আর সে বেরোবে?
আমরা এখানে এইভাবে বহুক্ষণ হলো বসে আছি।
অনেক্ষণ হয়ে গেছে।
- অপেক্ষা করা যাক।
এই! ম্যানুয়েল বেরিয়েছে।
- ভিতরে যাবো কি? - এখন আর চিন্তার কিছু নেই।
ভিতরে যাওয়া যাক।
- ওইদিকে নয়। এদিকে এসো। - ওহ, না।
সুলু ! থামো, সুলু!
মনে সাহস আনো। আমি তোমার সাথেই আছি।
বাড়িতে থাকলে আমি খুবই সাহসী থাকি।
ফিরে যাবো কি?
এই, এখন এইসব মজা করার সময় নয়।
একবার সেখানে পৌঁছালে,
এমনভাবে অভিনয় করবে, যেন তুমি ঘন্টা বাজাচ্ছো।
শুধু অভিনয় করবো? সত্যিকারের বাজাতে হবে না?
আসমা !
- হুহ?
উফ!
চেচি, আমি কি বস্তাগুলো সরিয়ে দেখবো?
তাড়াতাড়ি দেখো।
- তুমি ওখানে কি করছো? - ওহ, না!
ওহ, না!
কিছু না, চেচি। শুধুমাত্র...
কয়েকটা বস্তা নিচ্ছিলাম।
হুহ?
ম্যানুয়েল নেই নাকি?
না। তাকে বাইরে যেতে দেখলাম।
ওহ! তাহলে আমি এগুলোর থেকে দুটো নিচ্ছি।
- তিনি এলে তাকে বলে দেবেন। - আচ্ছা। তাকে দেখলে বলে দেবো।
থমাসেট্টান বাড়িতে নেই নাকি?
সে বাজারে গেছে।
ধুত্তোর!
হুহ?
ওহ! ধুর!
কি করবো? কি করবো?
ধুর! ধুর! ধুর! ধুর!
কে? প্রিয়া?
সে নয়। অন্য দুজন।
তারা সবাই আমার বাড়িতে ঢুকছে কেন?
- হ্যালো। - এটা রাখো।
সেখানে যাও। কিছু বলে তাদের ওখান থেকে সরাও।
- ঠিক আছে। - আমরা সেখানে আর থাকতে পারবো না।
যত তাড়াতাড়ি সম্ভব, আমাদের বেরোনো দরকার।
চেচি, দেওয়ালের একটা সামান্য অংশ নূতন করে রঙ করা হয়েছে।
খুঁচিয়ে দেখো সেখানে।
ঠিক আছে।
- আরে! - হে ভগবান!
আপনি কে?
এসব কি?
ম্যানুয়েল ইক্কা বাড়িতে নেই?
ইক্কা?
ম্যানুয়েল ইট্টান!
সে কি বাড়িতে নেই?
আপনি এইজন্য কলিংবেল বাজাচ্ছিলেন?
- না, আমি... - ম্যানুয়েল বেরিয়েছে।
- কখন আসবে? - এই!
- তুমি ওখানে কি করছো? - ওহ না!
হাই, সুলু!
- তুমি এখানে কি করছো? - হাই!
জানি না!
আমি এখানে কি করছি?
এসো, এসো!
তোমার সাথে আমার কথা বলা দরকার।
যাবো কি?
- ঠিক আছে, তাহলে। - চেট্টা !
আমরা পরে আসবো।
বিদায়।
- অ্যান্টনি? - খবরটা জানো?
আম্মাচিকে পাওয়া গেছে!
ম্যানুয়েল আমাকে ফোন করেছিল।
তারা আম্মাচিকে বাড়িতে নিয়ে আসছে।
আমিও সেখানে আসছি।
কৃষ্ণেত্তা আমাকে বলেছে যে...
নাগামপাদমের কাছে একটা চ্যাপেলের তাকে পাওয়া গেছে।
ওখানকার কেউ তাকে কাছাকাছি এক বৃদ্ধাশ্রমে নিয়ে গিয়েছিলেন।
- তাই নাকি? - হ্যাঁ।
ওহ, তারা আসছে।
তাকে জল দাও, ম্যানুয়েল।
চারটে সিটির পর কুকারের সুইচ আম্মাচি বন্ধ করেন নি।
নিশ্চয়ই ম্যানুয়েল সেটা করেছিল।
এসব আমাদের কল্পনা ছিল।
ধুর! কোনো কারণ ছাড়াই আমরা তাকে সন্দেহ করেছিলাম।
আমি কখনোই কাউকে সন্দেহ করিনি।
প্রিয়া আমাকে বলেছিল এবং আমি তাকে বিশ্বাস করেছিলাম।
এইটুকুই।
তুমি তো বলেছিলে, প্রিয়া দিদি বাড়ির ভিতরে আছে শুনে ম্যানুয়েল ফিরে এসেছিল?
- এখন কিছু বলার নেই তোমার? - আমি এইসব বিষয়ে হাত তুলে নিয়েছি।
আমি হাস্যকর হতে চাই না।
আমি আসছি।
- ইক্কা, আমরা যাবো কি?
আমরা কি চলে যাবো? ঠিক আছে।
প্রিয়া দিদি, আমিও আসছি।
আম্মাচি ফিরে এসেছেন। এখন এসব ছেড়ে দাও।
- আমাদের কি সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো উচিৎ? - অবশ্যই।
কাকা!
তুমি কি ফ্রুট নিনজা খেলছো?
- হ্যাঁ। - কোন লেভেলে পৌঁছেছো?
- লেভেল ৭।
- তিনি কেমন আছেন? - বিশ্রাম নিচ্ছেন।
আমরা আজ রাতেই এখান থেকে আমাদের সবকিছু স্থানান্তরিত করছি।
ভাবছি, আম্মাচিকে নিয়ে আমার পৈতৃক বাড়িতে ফিরে যাবো।
সেখানে, তাকে দেখাশোনার জন্য লোক আছে।
জানি না, এখানে কিভাবে সবকিছু সামলাবো।
ডাক্তার বলেছেন, তাকে ওষুধ খেয়ে যেতে হবে।
এমনকি আম্মাচি যদি সেগুলো খায়ও...
ম্যানুয়েল, একটু আসবে প্লিজ?
- কি? - আসলে...
আমি জানি, তুমি ভাবছো, আমার অবহেলার কারণেই আম্মাচি নিখোঁজ হয়েছিলেন।
- আমি জানি না কি বলবো... - কি বলছো, প্রিয়া?
- হুহ? - দুঃখিত!
কি বলছো, স্টেফি?
আপনি এতদিন কোথায় ছিলেন, আম্মাচি?
আপনার শরীর কি ঠিক নেই?
ডায়ানা যেদিন চলে গেল, সেদিন রাতে আমি আপনাকে দেখেছিলাম।
তাহলে ম্যানুয়েল সবাইকে বলছে কেন, আপনি নিখোঁজ হয়েছিলেন?
সত্যিই বলছি, আমি জানতাম না, আম্মাচি চলে গেছেন।
ম্যানুয়েল?
- কি বলছিলে? - আমি...
যে তুমি কিছুই জানতে না?
হ্যাঁ।
এটাই তো, তাই না?
আমি জানি, আপনার আলঝাইমার নেই, আম্মাচি।
ওই বাক্সে কি আছে, কাকা?
এটা...
আপনি কাকে ভয় পাচ্ছেন, আম্মাচি?
ম্যানুয়েলকে?
ঠিক আছে।
এটা ঠিক আছে।
তোমার বলা হয়ে গেছে?
যদি তাই হয়, প্লিজ আমাকে বলুন।
ভয় পাবেন না।
যাই হোক না কেন, আমাকে বলুন।
আমরা সবাই আপনার সাথে আছি।
হুহ?
হাই, কাকু!
কানি !
তুই এখানে কি করছিস?
কিছুই না!
এই!
প্রিয়া !
অ্যান্টনি তোমাকে খুঁজছে।
মনে হয়, সে চলে যাচ্ছে।
আপনারা নিশ্চয়ই যাবার জন্য তৈরি হচ্ছেন, তাই না?
হ্যাঁ।
ঠিক আছে। যাওয়া যাক, সোনা?
- ঠিক আছে। - বিদায় জানা।
বিদায় !
কাকু গেমের মাত্র লেভেল সাত-এ পৌঁছেছে।
তাই নাকি? তোর খবর কি?
আমি লেভেল ৭৭-এ পৌঁছেছি।
ফল কাটা বন্ধ করে এইসব প্যাক করতে আমাকে সাহায্য করো।
এই!
পৃথিবীতে আম্মাচির চাইতে, আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ আর কেউ নেই।
আমি জানি, তুমি আম্মাচিকে সত্যিই পছন্দ করো।
কিন্তু, তোমাকে চিন্তা করতে হবে না, প্রিয়া।
আম্মাচি নিরাপদ থাকবে।
সহানুভূতি দেখানোর জন্য ধন্যবাদ।
ডায়ানা, তোমার সাথে কথা বলার দরকার। এখন ফোন করতে পারি?
ডায়ানা, তোমার সাথে কথা বলা দরকার।
এখন ফোন করতে পারি?
এখন মন ভরেছে তোমার?
তুমি আর তোমার বোকার মত সন্দেহ।
- ঠিক আছে, সোনা? - হ্যাঁ!
আগামীকাল তোমার ইন্টারভিউ কখন আছে?
আগামীকাল তোমার ইন্টারভিউ কখন আছে?
- বিকাল তিনটের সময়। - ঠিক আছে।
তুমি আমার এর্নাকুলামের বন্ধু সুনীলকে চেনো, তাই না?
আমি তার সাথেই থাকবো।
পরশুদিন ক্লায়েন্টের সাথে মিটিং আছে।
যদি ভালো হয়, নিশ্চিন্ত হবো।
আশা করি, ভালোই হবে।
ভাবানুবাদ ও সম্পাদনা : সুদীপ চক্রবর্তী।
তোমার এটা এইভাবে রাখা উচিৎ।
তাই কি?
এটাও প্যাক করে দিও।
- আমরা খেলতে পারি? - ঠিক আছে। খেলা যাক।
পাথর, কাগজ ও কাঁচি খেলা যাক।
দুপুরবেলায় সুলু মাসী তোকে নিয়ে আসবে।
আমাকে একটা ইন্টারভিউতে যেতে হবে।
ঠিক আছে।
হ্যাঁ!
এটাও পূরণ করুন।
ঠিক আছে।
[মালায়ালম ভাষায়] আপনি যে নম্বরটি পাবার চেষ্টা করছেন, সেটি এখন বন্ধ আছে।
দয়া করে পরে চেষ্টা করবেন।
আপনি যে নম্বরটি পাবার চেষ্টা করছেন, সেটি এখন বন্ধ আছে। দয়া করে...
এই!
মনে হয়, ডায়ানা চলে যায়নি।
আন্তর্জাতিক কলিং চালু করার পর, তাকে কল করার চেষ্টা করলে,
আমি মালয়ালম ভাষায় "সুইচ অফ" মেসেজ শুনতে পাচ্ছি।
- সেটা কিভাবে সম্ভব? আমরা তো তাকে যেতে দেখেছি।
ডায়ানা নিউজিল্যান্ডে ফিরে যায় নি।
- হ্যালো, অদিতি। - হাই।
আমার...
- আমার গাড়ির ব্রেক ডাউন হয়েছে।
সেখানে পৌঁছতে একটু দেরী হবে।
ওহ। ঠিক আছে।
একটা কাজ করুন।
আমি আপনাকে আমার লোকেশন পাঠাচ্ছি।
একটা উবের নিয়ে আসতে পারবেন কি?
আচ্ছা।
- ধন্যবাদ। - ঠিক আছে।
হাই, অদিতি।
হাই
[তামিল ভাষায়] ডায়ানা কি আপনার সাথে আসে নি?
অদিতি, প্লিজ ভিতরে আসুন।
ডায়ানা আম্মাচির সাথে বেকারিতে আসবে।
চলুন, ওখানে যাওয়া যাক। প্লিজ।
ওহ।
আসুন।
আশা করি, আপনার যাত্রা সুন্দর ছিল।
হ্যাঁ।
আপনার এত তাড়াতাড়ি এখানে আসার সত্যিই কোনো দরকার ছিল না।
আম্মাচির সাথে কয়েকদিন থেকে ডায়ানা ফিরে যেতো।।
ডায়ানা আমাকে এটা বলে নি।
সে আমাকে বলেছিল, আর ফিরবে না এবং মায়ের সাথেই থাকবে।
আচ্ছা, যদি কেউ নিজের মায়ের সাথে কিছুদিন থাকতে চায়, তা কি অন্যায়?
এতদিন ধরে সে তো আপনার সাথেই ছিল।
প্রত্যেকেরই নিজের পছন্দ আছে, তাই না?
তার ইচ্ছা মত জীবন কাটাতে তাকে ছেড়ে দিতে পারেন না?
ঠিক আছে।
ডায়ানা সেটা সরাসরি আমাকে বলুক।
ডায়ানা আমাকে অত্যন্ত কঠোরভাবে বলেছে, যে সে আপনাকে আর দেখতে চায় না।
কিন্তু আমিই তাকে আপনার সাথে দেখা করতে বলেছি।
কারণ আপনি অনেক কষ্ট করে এত দূরে এসেছেন।
দেখুন! আমার থেকেও ডায়ানাই একটা মেয়ে দত্তক নিতে বেশি করে চেয়েছিল।
তাহলে, এখন সে এইরকম একটা সিদ্ধান্ত কিভাবে নিতে পারে?
আপনি জানেন, আজকেই সেই দিন।
এই কারণে, সে নিউজিল্যান্ডে যাবার টিকিট কিনেছিল।
এমনকি, বিমানবন্দরেও এসেছিল।
হঠাৎ করে কিভাবে সে বলতে পারে, যে তার এর কোনোটাই দরকার নেই?
আমাকে না দেখে,
আমার সাথে কথা না বলে...
আপনি জানেন...
আপনি জানেন, আমি কিরকম যন্ত্রনার মধ্যে আছি?
আমি এটা হজম করতে পারছি না।
আমি সত্যিই তার সাথে দেখা করতে এবং কথা বলতে চাই।
প্লিজ!
এত আবেগপ্রবণ হবেন না, অদিতি।
আমি বললাম মাত্র।
আমরা ব্যক্তিগতভাবে ডায়ানার সাথে দেখা করতে যাচ্ছি।
আপনি তার সাথে সরাসরি কথা বলবেন।
রিল্যাক্স করুন। ঠিক আছে!
দাঁড়ান। আমাকে এর উত্তর দিতে দিন।
- হ্যালো? - হ্যাঁ।
আমরা পৌঁছে গেছি।
আমি খুবই চাপে আছি।
যতক্ষন না এটা মিটছে, আমি নিশ্চিন্ত হতে পারছি না।
সে কি বলছে?
সে নিজের জায়গা থেকে এক ইঞ্চিও নড়ছে না।
বলছে, ডায়ানার সাথে দেখা না করে সে ফিরবে না।
হাই অদিতি। আমি প্রিয়া - ডায়ানার প্রতিবেশী। ডায়ানা নিউজিল্যান্ডে পৌঁছেছে কি?
না, ডায়ানা কেরালায় আছে। আমি সবেমাত্র কোচিতে নেমেছি।
তোমাকে ফোন করতে পারি?
- +৬৪ ২২৪৭৬৪৫৩৩৪
এসব কি?
হ্যালো, অদিতি?
হাই।
হাই।
অদিতি, তোমার সাথে ডায়ানার দেখা হয়েছে কি?
না, তার পারিবারিক বেকারিতে আমরা তার সাথে দেখা করতে যাচ্ছি।
তোমার সাথে কে আছে?
ম্যানুয়েল নাকি?
হ্যাঁ।
এই কথা জিজ্ঞাসা করছো কেন?
আমরা দেখেছি, নিউজিল্যান্ডে ফিরে যাবার জন্য ডায়ানা এয়ারপোর্টের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিল।
এমনকি সে আমাকে মেসেজও করেছিল, যে সে নিউজিল্যান্ডে পৌঁছে গেছে।
কিন্তু... সে ফ্লাইটে চড়ে নি।
ম্যানুয়েলই তাকে বলেছিল, যে আম্মাচি ফিরে এসেছেন।
তার পর, সে বাড়ি ফিরে যায়।
সে তার যাত্রার পরিকল্পনা স্থগিত রাখে।
ম্যানুয়েল কি ডায়ানাকে ফোন করে বলেছিল, আম্মাচিকে পাওয়া গেছে?
হ্যাঁ। সেই কারণেই, সে বাড়ি ফিরে গিয়েছিল।
অপেক্ষা করো।
আম্মাচি তাকে যে ভিডিওটা পাঠিয়েছিল, তোমাকে পাঠাচ্ছি।
প্রিয়দর্শিনী কে এস?
হাই। প্লিজ।
বসুন।
ধন্যবাদ, স্যার।
ঠিক আছে, শুরু করা যাক।
প্রিয়দর্শিনী,
আপনি আটলান্টা আইসক্রিম কোম্পানিতে চার বছর কাজ করেছেন, তাই তো?
তাহলে মেলামকে বেছে নিলেন কেন?
এটা অধিকতর ভালো কোম্পানি।
ক্যারিয়ারের উন্নতিও হবে।
এইটুকুই?
হ্যাঁ।
সোনা...
তুই এতদিন কলেজ হোস্টেলে থেকেছিস।
আমি তোকে দেখতে চাই, সোনা।
প্রিয়দর্শিনী !
আপনি কি ভ্রমণ করতে ইচ্ছুক?
মেলাম...
[আম্মাচি] তাড়াতাড়ি আয়, সোনা।
আমি খুবই অসুস্থ।
[অদিতি] ম্যানুয়েলই তাকে বলেছিল, যে আম্মাচি ফিরে এসেছেন।
[প্রিয়া] দুদিন তাকে কাছ থেকে দেখো,
তুমি বুঝতে পারবে, প্রতিটি বিষয়েই...
তার স্মৃতিশক্তি তোমার থেকেও ভালো।
ম্যানুয়েল এই কাজ একা করছে না।
তাহলে গতকাল রাতে আমি কাকে দেখলাম?
প্রিয়া !
আপনি কি করছেন?
মাফ করবেন, স্যার।
আমি কি করবো?
সে আমাকে তার করণীয় কি, জিজ্ঞাসা করছে।
আচ্ছা, আমরা কি করবো?
সে ডায়ানাকে দেখতে চাইছে, তাই তো?
তাকে দেখিয়ে দাও।
আপনি ডায়ানাকে দেখতে চান তো?
হ্যাঁ!
অপহরণ?
প্রথমে আম্মাচি, এখন তুমি ডায়ানার পিছনে পড়েছো?
তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরে কানির সাথে থাকো।
বোকার মত কিছু কোরো না।
প্লিজ!
ঠিক আছে।
ম্যাডাম!
আপনি যে নম্বরে ফোন করেছেন, তা হয় বন্ধ আছে...
অথবা এই মুহূর্তে পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না।
- কত হয়েছে? - ৭৫ টাকা।
ম্যাডাম, এটা আমাদের নতুন আউটলেট খোলার বিষয় সংক্রান্ত।
ওহ, ঠিক আছে।
ধন্যবাদ।
কোনো আপডেট আছে? ফলাফল জানতে পেরেছো?
এই, এটা অত্যন্ত জটিল কেস।
আমাকে তুমি যে স্যাম্পল দিয়েছিলে,
তাতে অ্যাসিড এবং মানুষের হাড়ের কোষের উপস্থিতি ছিল।
এইসব অপ্রয়োজনীয় বিষয় থেকে দূরে থাকো...
এবং পুলিশকে এখনই সবকিছু জানাও।
- হ্যালো, নমস্কার। কন্ট্রোল রুম। - হ্যালো?
ম্যাডাম, ভয় পাবেন না। ওখানেই অপেক্ষা করুন।
- ঠিক আছে, স্যার। - আমাদের দল অবিলম্বে সেখানে পৌঁছাবে।
এসব কি?
হুহ?
- কি জঘন্য ব্যাপার, ভাই! - তাকে অন্য কোথাও সরাও!
তুমি...!
ভাবানুবাদ ও সম্পাদনা : সুদীপ চক্রবর্তী।
এসো। আমি প্রিয়া, ডায়ানার বন্ধু।
এসো।
তুমি ঠিক আছো?
সবকিছু ঠিক আছে।
কি হয়েছে?
সবকিছু ঠিক আছে তো?
সব মসৃন ভাবে চলছে তো?
কোনো কিছুই ঠিক নেই।
আপনার সমস্ত পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়েছে।
তুমি কে?
- কে কথা বলছো? - আমি প্রিয়া।
মনে পড়ছে না আমাকে?
এখন আর আপনি নিশ্চিতভাবেই আমাকে ভুলতে পারবেন না।
এবং যদি তিনি ভুলেও যান,
তাকে মনে করিয়ে দিও, আমি কে!
এই মুহূর্তে, একমাত্র আমাদের পরিবার এই বিষয়ে জানে।
যদি আমরা আরো অপেক্ষা করি, পুরো শহর এটা জেনে ফেলবে।
আমাদের পূর্বপুরুষদের কঠোর পরিশ্রমে অর্জিত সুখ্যাতি ...
তার কারণে ধ্বংস হতে চলেছে।
আমি সেটা হতে দিতে দিতে পারি না।
মানুষকে তার আসা এবং যাওয়া প্রত্যক্ষ করতে হবে।
তাদের এটা বিশ্বাস করা উচিৎ।
তারা নিশ্চিত হলে,
পরবর্তীকালে পুলিশদের সাথে মোকাবিলা করা সহজ হবে।
তুমি কি চাও, আমাকে বলো, আম্মাচি।
আমি সেটাই করবো।
ম্যানুয়েল !
নিমগাছটা কেটে ফেল।
ঠিক আছে, আম্মাচি।
পঞ্চম সিটি পড়ে নি, তাই না?
দেখো!
এই, স্টেফি!
তুমি কি এক মিনিটের জন্য আম্মাচির সামনে থেকে সরে যাবে?
এটা অ্যান্টনির বাড়ি থেকে দেখা যায় না।
আমি তাদের ছাদ থেকেও এটা চেক করেছি।
থমাস চেট্টান আর সিসিলি চেচি মঙ্গলবার চার্চের উদ্দেশ্যে রওনা হলে,
তারা দুপুর দুটোর আগে ফিরবে না।
সেইসময়, প্রতিবেশীদের মধ্যে, একমাত্র অ্যান্টনির বৌ বাড়িতে থাকবে।
তো, আমরা যদি মঙ্গলবার পরিকল্পনাটা বাস্তবায়িত করতে পারি,
একটা দিক নিরাপদ থাকবে।
আমি তোকে দেখতে চাই, সোনা।
আমি খুবই অসুস্থ।
তাড়াতাড়ি এখানে আয়, সোনা।
অ্যান্টনি...
এই পৃথিবীতে আম্মাচির চাইতে কেউ আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়।
এই, আমাদের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করার জন্য...
আমাদের কাছে আরো ৪৮ ঘন্টা আছে।
আজকের পর, আর ফিরে যাওয়ার পথ থাকবে না।
পরিকল্পনা এখনো একই আছে, তাই তো?
একই আছে। আর কোনো প্রশ্ন নয়।
এটুকু নিশ্চিত করো, যেন স্থানীয়রা ঝামেলা না পাকায়।
এটি একটা নিখুঁত পরিকল্পনা!
আমাদের পরিকল্পনা দুর্দান্ত হয়েছে।
যদি বলা হয়, আমার আলঝাইমার হয়েছে, সে আসতে দ্বিধাবোধ করবে না।
একমাত্র আমার মৃত্যু সংবাদ-ই ওই শয়তানীকে এখানে নিয়ে আসতে পারে।
মনে হয় না, এই আলঝাইমার নাটক চালাবার জন্য, এর চাইতে ভালো জায়গা আমরা পাবো না।
সেখানকার মানুষ কোনো কিছুতেই নাক গলায় না। তারা একেবারেই ****।
মানে, তারা অকর্মার ঢেঁকি।
গাড়ি চালু কর।
ওহ!
- উফ! গাধা কোথাকার! - ধুত্তোর!
- কোন দিকে তাকিয়ে আছিস?
ঠিক আছে। যাওয়া যাক।
- ঠিক আছে।
সাবটাইটেল ভালো লাগলে সাবসোর্সে রেটিং ও ফিডব্যাক দেবেন। সবাই ভালো থাকবেন।
Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.