All language subtitles for Iravukku Aayiram Kangal (2018) Tamil Proper HDRip x264 700MB Bsub By tanvirtanim

af Afrikaans
ak Akan
sq Albanian
am Amharic
ar Arabic
hy Armenian
az Azerbaijani
eu Basque
be Belarusian
bem Bemba
bn Bengali Download
bh Bihari
bs Bosnian
br Breton
bg Bulgarian
km Cambodian
ca Catalan
ceb Cebuano
chr Cherokee
ny Chichewa
zh-CN Chinese (Simplified) Download
zh-TW Chinese (Traditional)
co Corsican
hr Croatian
cs Czech
da Danish
en English Download
eo Esperanto
et Estonian
ee Ewe
fo Faroese
tl Filipino
fi Finnish
fr French
fy Frisian
gaa Ga
gl Galician
ka Georgian
de German
el Greek
gn Guarani
gu Gujarati
ht Haitian Creole
haw Hawaiian
iw Hebrew
hmn Hmong
hu Hungarian
is Icelandic
ig Igbo
id Indonesian Download
ia Interlingua
ga Irish
it Italian
ja Japanese
jw Javanese
kn Kannada
kk Kazakh
rw Kinyarwanda
rn Kirundi
kg Kongo
ko Korean
kri Krio (Sierra Leone)
ku Kurdish
ckb Kurdish (Soranî)
ky Kyrgyz
lo Laothian
la Latin
lv Latvian
ln Lingala
lt Lithuanian
loz Lozi
lg Luganda
ach Luo
lb Luxembourgish
mk Macedonian
mg Malagasy
ml Malayalam Download
mt Maltese
mi Maori
mr Marathi
mfe Mauritian Creole
mo Moldavian
mn Mongolian
my Myanmar (Burmese)
sr-ME Montenegrin
ne Nepali
pcm Nigerian Pidgin
nso Northern Sotho
no Norwegian
nn Norwegian (Nynorsk)
oc Occitan
or Oriya
om Oromo
ps Pashto
fa Persian
pl Polish
pt-BR Portuguese (Brazil)
pt Portuguese (Portugal) Download
pa Punjabi
qu Quechua
ro Romanian
rm Romansh
nyn Runyakitara
ru Russian
sm Samoan
gd Scots Gaelic
sr Serbian
sh Serbo-Croatian
st Sesotho
tn Setswana
crs Seychellois Creole
sn Shona
sd Sindhi
si Sinhalese Download
sk Slovak
sl Slovenian
so Somali
es Spanish
es-419 Spanish (Latin American) Download
su Sundanese
sw Swahili
sv Swedish
tg Tajik
tt Tatar
te Telugu Download
th Thai
ti Tigrinya
to Tonga
lua Tshiluba
tum Tumbuka
tr Turkish Download
tk Turkmen
tw Twi
ug Uighur
uk Ukrainian
ur Urdu
uz Uzbek
vi Vietnamese
cy Welsh
wo Wolof
xh Xhosa
yi Yiddish
yo Yoruba
zu Zulu

Original subtitles

এটা আমার ৩য় সাব বানানো tanvir alam tanim fb.com/tanvir.tanim07

অনুবাদক : তানভীর আলম তানিম

অনুবাদ এবং সম্পাদনায় তানভীর আলম তানিম

"রাতটির হাজারো চোখ"

এখানে দাঁড়াও।

তোমার নাম কি?

"ভারত"

বাসা নং-৫, পাম্মাল নাল্লাথাম্বি স্ট্রিট, নিসাপাক্কাম,চেন্নাই-৭৮।

হুম...

কোন মানুষটির খুন হয়েছে আপনি জানেন?

না।

আপনার সাথে কি কোনও পূর্ব-শত্রুতা ছিল?

ছিল।

কিন্তু রাস্তায় টিকেটটা হারিয়ে ফেলি।

কোন থিয়েটারে তুমি সিনেমা দেখতে গিয়েছিলে?

INOX...

কোন সিনেমা?

কোনও কিছু লুকানো ভালো লক্ষণ নয়।

আমি কোনও কিছু লুকোচ্ছি না,স্যার।

আপনি নিজে খুন করে এখন অভিনয় করছেন,তা আপনার চোখের অঙ্গভঙ্গি দেখেই স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে।

কি চিন্তা করছো?

কোন সিনেমা দেখেছো সেটাই জানো না?

তুমি কি মিথ্যা বলছো?

জেনি,

কি চলছে?

স্যার,

জিজ্ঞাসাবাদ স্যার,

একটা সন্দেহজনক কেস...

গুরুত্বপূর্ণ কিছু নাকি?

না,স্যার।

তাইলে তাকে বাইরে নিয়ে যাও।

আমার জিজ্ঞাসাবাদ করার সময় কেউ হস্তক্ষেপ করবে না।

তুমি যদি তদন্ত করতে চাও, তাহলে বাইরে গিয়ে করো।

32.0 দুঃখিত,স্যার।

33.1 আনবু...

ম্যাডাম,

আচ্ছা,ম্যাডাম।

এখন যাও।

যাও...যাও।

তোমার সম্বন্ধে তথ্য দাও।

হ্যালো...

হ্যালো ম্যাডাম,

তুমি কি এসে গেছো?

হ্যাঁ।

আচ্ছা অপেক্ষা করো।

আমি আসছি।

ম্যাডাম, আপনি... -হ্যাঁ,

আমিই তোমাকে কল করেছি।

আলোয়ারপেত যেতে হবে।

জি,ম্যাডাম।

ম্যাডাম,আপনি কি লেখিকা বৈজয়ন্তী?

তুমি কি চিনো আমাকে?

কেন চিনবো না?

আমি আপনার লেখা ৪৯টি প্রবন্ধের মধ্যে ৪৮টিই পড়েছি।

শুধুমাত্র একটা পড়া বাকি আছে।

"তিনটি অপরাধ",এটা আমি কোথাও খুঁজে পাইনি।

এটা ফুরিয়ে গেছে।

আপনার কাছে যদি অতিরিক্ত থাকে, আমাকে কি একটা দিতে পারবেন?

আছে আমার কাছে,

আমি অবশ্যই তোমাকে দিবো।

ধন্যবাদ,ম্যাডাম।

পেইন্টিংয়ের লোকটি কে?

আমার স্বামী।

এটা অসাধারণ!

এটা কি উনার জন্য উপহার?

সে মারা গেছে।

এক সড়ক দুর্ঘটনায়।

দুঃখিত,ম্যাডাম।

থামাও।

গাড়ি থামাও।

কোনও সমস্যা?

কিছু না,

তুমি চালাও।

হ্যালো...

স্যার,আমি কল-ট্যাক্সি ড্রাইভার বলছি।

আমি আপনার বাসার সামনে অপেক্ষা করছি।

সুশীলা,

কল-ট্যাক্সি চলে এসেছে। জলদি তৈরি হয়ে নে।

আমার দিকে তাকানো বন্ধ করো।

আমরা কি যাত্রা শুরু করতে পারি?

তুমি কি কখনো মেয়েদের দেখোনি?

দেখেছি।

কিন্তু তোমার মত সুন্দরী মেয়ে খুব কমই দেখেছি।

যদি সুন্দরী হয়,

তুমি কি তাকাবে?

ঈগলের মত তীক্ষ্ণ চোখ দিয়ে অনেককেই দেখেছি।

কিন্তু আমি হৃদয়ের গহীনে একজনের নামই গেঁথে রেখেছি।

এভাবে কথা বলেই তুমি মেয়েদের পটাও।

যখন থেকে আমরা ভালোবাসতে শুরু করেছি,তুমি অযত্নশীল হতে শুরু করেছো।

মেয়েরা শুধু "অযত্নশীল আচরণ"এ পটু।

তা গত সপ্তাহের জরিপেই বোঝা গেছে যে,

শুধুমাত্র একজন পুরুষই খুব সূক্ষ্মভাবে খাতিরদারি করে!

হ্যাঁ,সে একজন পুরুষ।

যেকিনা একজন রমণীর প্রেমে মশগুল!

দুঃখিত জান,

আমি ফোন বাসায় রেখে এসেছিলাম।

এই কারণে তোমার কল ধরতে পারিনি।

রাগ করো না। -তুমি সমগ্র রাস্তাতেই তর্ক করে এসেছো,

তুমি কি আমাকে শান্ত করার চেষ্টা করছো?

আমি রাগান্বিত!

সাবধানে থেকো।

আচ্ছা।

অনেক দেরি হয়ে গেছে।

বাবা বকাবকি করবেন। -হ্যাঁ।

গাড়ি চলে এসেছে।

উঠে পড়। -হেই,আরেকটা গাড়ি এসেছে।

হেই,তোর প্রেমিক আসলো না যে?

তার রুমমেট অসুস্থ হওয়ায় হাসপাতালে ভর্তি করতে নিয়ে গেছে।

সত্যি নাকি?

অবাক হলাম,সে আসলো না বিধায়?

অপেক্ষা কর,সে খুব শীঘ্রই এসে পড়বে।

তুই কি তোর বাবাকে ভারতের ব্যাপারে জানিয়েছিস?

আমি পরে জানাবো ভাবছি,তিনি যদি রাজি না হোন এই ভেবে।

ভারত তোর বাবার কাছে বেশ ভালভাবেই পরিচিত,তাই না?

তিনি ভারতকে কল-ট্যাক্সি ড্রাইভার হিসেবে চেনেন,

কিন্তু জানি না, তিনি আমাদের বিয়ের খবর শুনে কেমন সাড়া দিবেন?

তিনি যদি মেনে না নেন, তুই কি করবি?

সে আর কি করবে?

সে পালিয়ে বিয়ে করবে এবং একটা অনুষ্ঠানের আয়োজন করবে।

আচ্ছা, আমি যাচ্ছি। -আচ্ছা,বাই।

বাই। -বাই।

বাই। -আচ্ছা।

সোজা গিয়ে বামে নাও।

হুম...

হ্যালো,

তুমি ডানে নিচ্ছো কেন?

হেই,চিল্লাবি না। -গাড়ি থামাও।

ব্রেকের উপর হাত দিবি না...

এটা টান দিবি না।

হেই দাঁড়াও।

শয়তান।

হেই,এদিকে আয়।

এদিকে আয় বলছি। -হেই,আমাকে ছেড়ে দে।

হেই -না।

তুই সুন্দরি হইসোস তার জন্য বেশি দেমাগ বাড়সে।

সাহায্য করো...

আমার সাথে আজকের রাত কাটা।

গাড়িতে উঠ।

হেই,আমাকে ছেড়ে দে।

তুই ব্রেকে হাত দিচ্ছিস?

গাড়িতে উঠ।

উঠ -না,

আমি বলছি উঠ।

গাড়িতে উঠ। উঠ।

না,

এখান থেকে যা।

আমার কামে মাথা ঘামাবি না।

না...

না...

আমি তোদের দুজনকে একসাথে থাকতে দিবো না...

কি হয়েছে?

কে সে?

জানি না।

কল-ট্যাক্সি ড্রাইভার।

হঠাৎ করেই অসভ্য ব্যবহার শুরু করেছে।

আমি কি তোমাকে নামিয়ে দিবো?

না,ধন্যবাদ স্যার!

আচ্ছা,আচ্ছা।

সাবধানে যেও।

এই কল-ট্যাক্সি ড্রাইভারের নাম্বার একটানা সুইচ অফ মুড দেখাচ্ছে।

ঠিক আছে।

বাদ দাও।

এত সহজেই বাদ দিবো কেন?

তার কিছু একটা করতে হবে।

তুমি ঝামেলায় জড়ালে,

তার কষ্ট আমাকেও ভোগ করতে হবে।

এটা কি ধরনের চাহনি?

গিয়ে আমার বাবার কাছে স্পষ্টভাবে সব বলে এসো।

আমরা করিডোরে হেঁটে গাঁটছড়া বাঁধতে পারবো।

তারপর,তুমি আমার চক্রে চিরসাথি হয়ে আবদ্ধ থাকবে।

গাড়ি থামাও।

দাঁড়াও,আমি আসছি।

ম্যাডাম...

কি হয়েছে?

আবার একটা গৃহকলহ?

আমি বেঁচে থাকতে উত্ত্যক্ত বোধ করছি,সুশী।

চিন্তা করছি,এই জীবনে বেঁচে থেকে কি লাভ?

আমি জানি না আমার আর ভাসান্থের মাঝে কে ভুল বুঝছি?

সবকিছুই একটা সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সে চলে এসেছে মনে হয়।

আমি আসছি।

আচ্ছা।

হুম।

তোকে কয়বার কল দিতে হয়?

তুই কি চিমটি কাটছিলি?

ফোনটা নিয়ে আয়।

ফোন?

ফোন।

সুশীলা...

স্যার!

এদিকে এসো।

বাবার সুগার লেভেলের কি অবস্থা?

কিঞ্চিত পরিমাণ বেড়েছে।

কাল থেকে ইনসুলিনের মাত্রা বাড়াতে হবে।

সে আমার জীবনকে তছনছ করে দিচ্ছে।

এই মাসের পারিশ্রমিক।

আমি আপনাকে কল দিবো।

আমাকে ঘরে নামিয়ে দাও।

তোমার বাবাকেও কি ঘরে নামিয়ে দিবো?

হেই...থামাইয়ো না। বাবা...

প্লিজ চালিয়ে যাও।

সব গেলো।

স্যার!

আপনার ঘরের কাছেই যাচ্ছিলাম,আসুন স্যার।

ঠিক আছে। আমি স্ট্যান্ডের অটো করে চলে যাব।

উঠুন স্যার। আপনার সাথে কথা বলতে ইচ্ছে করছে।

আচ্ছা।

স্যার,এখানে কি জন্যে এসেছেন?

একটা ঘটকের কাছে মেয়ের বিয়ের ব্যাপারে কথা বলতে গিয়েছিলাম।

তাই নাকি? হ্যাঁ।

একটা ভদ্র ছেলে,

লম্বা এবং ফিট যেকিনা একজন পুলিশ।

মাসে ৩০ হাজার টাকা কামাই,

নিজের একটা গাড়ি কিনেছে।

সবচাইতে ভালো দিক হচ্ছে তার বাড়িতে কোনও শালি এবং শাশুড়ি নেই।

একজন একলা ব্যক্তি!

আমরা কি এগিয়ে যাব?

সে কে?

তার নাম প্রেম,

IT কোম্পানিতে চাকরি করে।

ECR এ সে একটা বাড়ি কিনেছে,

তার সাথে বিনিময় করার জন্য এটাই আমার রুটিন।

আমরা কি কথা বলে দেখবো?

বাছা,

মনে হয়,মেয়ের পাত্র দেখতে দেখতে আমার জুতা ক্ষয় হয়ে যাবে।

যে সম্বন্ধের কথা তুমি উল্লেখ করলে সেটা বেশ ভালো হবে মনে হচ্ছে।

কমিশনের টাকা নিয়ে এসো আর জলদি ঠিক করো।

আমি যাচ্ছি। -আচ্ছা স্যার।

সুশী...

তুমি বলেছো,তুমি আমার বাবার সাথে কথা বলবে।

তার দিকে তাকালে তুমি সহ্যশক্তি হারিয়ে ফেলো।

তুমি কি চিন্তিত নাকি?

আমি চিন্তিত না।

এটা হচ্ছে সম্মান!

কিন্তু তুমি যে চাকরিটা এখন দিয়েছ তা বেশ অদ্ভুত ধরনের।

তা পুনরায় করার চিন্তা করিও না।

এটা শুধুমাত্র মজার জন্য করেছি।

“Don’t liquefy my life,”

”Don’t lame my life,”

”Don’t hedge to be on the brink of me,”

”I lust to fly far with you as a birdwhich doesn’t know the directions…”

”Ramble throughout my life as shadow!”

”Consort with me till the end of my life,”

”I'll be with you…”

ও কে?

আমার বাগদত্তা!

হাই!

সে বেশ সুদর্শন!

তুমি কল ধরতে পারো।

না,আমি গাড়ি চালানো অবস্থায় কল ধরি না।

”Your solicitude is filled into my heart!”

”My whole world swirls around you…!”

”Your solicitude is filled into my heart!”

”My whole world swirls around you…!”

”A pain in my heart!”

”It’s a pleasure! It’s a pleasure!”

”You are making me thaw within you…”

”It’s a fact! It’s a fact!”

”My dear!My dear! all in my life…”

”You are bounteous to bewith me per diem!”

তুমি তো কম্পিউটারে বসেও গেমস খেলতে পারো,

বাইরে গিয়ে বন্ধুদের সাথে খেলো।

তারপরই তার স্বাস্থ্য ভালো থাকবে...

...আর সুগার লেভেলও নিয়ন্ত্রিত থাকবে,তাই না?

আমি যাচ্ছি। -হ্যাঁ।

স্যার,

হাই স্যার।

হেই,

কেমন আছো?

ভালো আছি। আপনি কেমন আছেন, স্যার?

ভালো আছি।

স্যার,এটা কি আপনার?

হ্যাঁ,আমার।

আমি এটা খুঁজছিলাম।

এটা তোমার কাছে কীভাবে এলো?

ঐদিন রাতে,আমাকে সাহায্য করতে গিয়ে এটা রেখে গেছেন।

এই পেনড্রাইভটা সেখানে পড়ে ছিল।

পেনড্রাইভটিতে বেশকিছু হলিউড সিনেমা রয়েছে।

তুমি কি সেগুলো দেখেছো নাকি?

অন্যের জিনিস তার অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা ভালো নয়।

ভালো আচরণ।

বর্তমানে বেশিরভাগ লোকেরই এই ব্যাপারে অজ্ঞতা আছে।

ও ভগবান!

এইখানে দেখো, ঘরের সামনে দাঁড়িয়ে প্রেমালাপ করিও না।

তোমাদের কাছে বীচ,পার্ক ইত্যাদি রয়েছে, সেখানে যাও...

আচ্ছা,আমি যাচ্ছি স্যার।

তুমি কি লজ্জা পেয়েছো?

না...না...

আমার দেরি হয়ে যাচ্ছে, সেই কারণেই...

আচ্ছা।

সুশী,

আপনার ব্যাপারে কিছু বলুন।

আপনি বিয়ে করেছেন কত বছর হয়েছে?

পাঁচ বছর।

আমার স্বামীর নাম ভাসান্থ।

একজন ব্যবসায়ী।

কিন্তু...

আমাদের কোনও সন্তান নেই।

আমার স্বামীর ভালোবাসা তার বাবার কারণে সফল হতে পারেনি।

আর আমাকে তার সাথে জোর করে বিয়ে দিয়েছে।

এটার উপরে ক্রোধান্বিত থাকায়,সে একজন স্বামীর সহিত ব্যবহার করে না।

গত পাঁচ বছর ধরে,

আমি তার সাথে শুধুমাত্র দায়বদ্ধতার খাতিরে বাস করছি।

আমার এসব আর ভালো লাগছে না।

আমরা দুজনে কি এক সপ্তাহের জন্য বাইরে কোথাও ঘুরে আসবো?

সর!

আমি জানি না কি করতে হবে?

মনে হচ্ছিল আমি হয়ত ভুল সিদ্ধান্ত নিচ্ছি।

আমি আপনার সমস্যা বুঝতে পারছি।

আপনার স্বামীর আচরণ পাল্টানোই হচ্ছে আসল চিকিৎসা।

তাকে আমার সাথে ফোনে কথা বলতে বলুন।

তাকে পরামর্শ দিবো।

এখন আমি কিছু ওষুধের নাম লিখে দিচ্ছি,

সেগুলো চালিয়ে যান।

এসব আপনার মানসিক যন্ত্রণা কমাবে।

সুশী...

হেই সুশী...

সরি!

হেই,

তুমি এখানে?

এটা কেমন হয়েছে?

দারুণ!

এটা দেখো।

এটাও বেশ সুন্দর!

ভারত এখনো আসছে না কেন?

সিনেমা দেখ,

সে চলে আসবে। তুই চিন্তা করছিস কেন?

আমাদের নিয়মিত দেখা হচ্ছে,ঠিক না?

হ্যাঁ স্যার।

আমি টিকেট কাউন্টারে তোমার পিছনের সারিতেই ছিলাম।

তুমি আমাকে খেয়াল করো নাই।

হ্যাঁ! আমি খেয়াল করিনি। দুঃখিত।

আজকে কি হাসপাতালের কাজ বন্ধ নাকি,সুশী?

আপনি কীভাবে জানলেন যে, আমি হাসপাতালে কাজ করি?

তুমি তো আমাকে তোমার নামটাও বলোনি,

আমি কি খুঁজে বের করিনি?

আমি তোমার ব্যাপারে সবকিছু জানি, সুশী।

আমার ব্যাপারে কি জানেন?

হেই

সুশী,

সরি জান।

দেরি হয়ে গেছে।

তোমার তো সিনেমা হলে থাকার কথা।

এসো।

ভারত!

কি হয়েছে?

কিছু না,এসো,চলে যাবো।

আমার দেরি হওয়াতে কি তুমি রাগ করেছ?

তা না...থিয়েটারে একটা ছোটখাটো সমস্যা হয়েছে।

কি হয়েছে?

আমার ব্যাপারে কি জানেন?

একটি প্রাইভেট হাসপাতালে চার বছর ধরে স্টাফ নার্স হিসেবে কাজ করছো।

ঘরের নার্স হিসেবেও কাজ করছো।

তোমার বাবা একজন অবসরপ্রাপ্ত পোস্ট মাস্টার।

পাঁচ বছর আগে,

তোমার মা ক্যান্সারে ভুগে মারা গেছেন।

তোমার পরিবার একজন পাত্রের খোঁজে আছেন।

তুমি বেশিরভাগ সময় ব্যবহার করো,

Calvin Klein পারফিউম,

মনে হয় আজকে দাওনি।

এতটুকু কি যথেষ্ট?

আমার দিকে চোখ রাঙাইয়ো না,সুশী...

তোমার রাগ দেখেও আমি বিরক্তিবোধ করছি।

আমার আপনার প্রতি সম্মানবোধ ছিল।

খারাপ ব্যবহার করবেন না।

হেই...

হেই ভারত,না...

হেই,

পর্দার সামনে দাঁড়াইয়ো না।

এই লোকটা না।

সে চলে গেছে।

হেই,

তোমার কি আক্কেল নেই?

আমি তোমাকে বলছি...

হেই,

তুমি রেগে যাচ্ছো কেন?

বাদ দাও।

যখন তাকে আবার দেখবো তখন তোমাকে জানাবো।

এসো,এখন চলো।

মারি,

বলো ভাই।

সাইলেন্সার থেকে উদ্ভট সব আওয়াজ বের হচ্ছে,প্লিজ চেক করে দেখো।

ভাই,ঝালাই করে দিও।

বাইক রেখে যান,আমি করে রাখবো।

আচ্ছা,এদিকে দেখো। -হেই,

আমাদের বাইকটা বেশ জরুরি কাজে লাগবে।

তুমি কি প্রেমিকার সাথে বীচে যাচ্ছো?

RTO অফিসে যেতে চাচ্ছি।

যাও....

যাও....সেখানে অপেক্ষা করো।

বলো জান।

তুমি কোথায়?

মারির ওয়ার্কশপে।

সেখানেই থাকো,আমি আসছি।

আমরা কি চলে যাবো?

হাই ভাই,

আমার গাড়ি কি রেডি?

হয়ে গেছে স্যার।

আর মাত্র পাঁচ মিনিট।

আপনি নিয়ে যেতে পারেন।

আচ্ছা।

কত 'CC' স্যার?

১০০০ CC"...

ওহ!

এটার দাম কত পড়বে,স্যার?

রাজপথে এটার দাম ১৫ লাখ পড়বে।

ও বাজি!

স্যার,কেউ কি এত দামি গাড়ি ...

...এই নড়বড়ে মেকানিক সার্ভিস থেকে ঠিক করাবে?

সাধারণত না।

শুধুমাত্র সাউন্ড ইফেক্টের ছোট্ট একটা সমাধান করার জন্য।

সার্ভিস সেন্টার অনেক দূরে।

যখন গাড়ি চালান,

ফ্লাইটে চড়বার মত অনুভূতি পান,তাই না?

অস্থায়ী একটা প্লেনভ্রমণের মত!

হেই,এটা সে না?

ভারতকে বলে দে।

চুপ থাক।

হেই...

"Many more happy returnsof the day!"

হ্যালো...

ধন্যবাদ!

প্রেমিকা যদি পাশে থাকে,

আমাদের ভাবির পাশে ঘেষে বসা উচিত হবে না।

হেই,

এটাই হচ্ছে ভালোবাসা!

এই শার্টটা পড়ে বিকেলে এসো।

হেই,তুমি আমাকে আবার এসব দিতে গেলে কেন?

আমি এসবের প্রতি আগ্রহী নই।

তুমি তো জানোই,

আমার কাছে আছে।

তোমাকে আসতেই হবে।

ধন্যবাদ...

হুম...

স্যার,

আপনার গাড়ি তৈরি।

ঠিক আছে।

তুই ভারতের সামনে তার ব্যাপারে কিছু বললি না কেন?

তুই কি আমাকে বেআক্কেল মনে করেছিস?

তার জন্মদিনে,

আমি তাকে ঝামেলায় বাঁধাতে চাই না।

আমি যাচ্ছি। -বাই।

হেই...

তুমি যেহেতু তাকে সংকোচ না করে গিফট দিয়েছো,

এটা নিশ্চয়ই আন্তরিক ভালোবাসা।

সে যদি তোমাকে ছেড়ে চলে যায়,

তুমি খুব বেশি আবেগী হয়ে পড়বে,তাই না?

তুমি যদি চাও আমি এসব অসৎ কর্ম না করি,

তাইলে তোমার থেকে আমাকেও গিফট দিতে হবে।

শার্ট লাগবে না,বেবি...

এক রাত...

মাফ করবেন ম্যাডাম,

আপনার কাজে বিঘ্ন সৃষ্টি করার জন্য দুঃখিত।

আমি এই ঠিকানাটা খুঁজছিলাম।

গত দুই ঘণ্টা ধরে,

প্লিজ আমায় সাহায্য করুন।

হ্যালো!

ভারত...

সুশীলা!

কষ্ট হচ্ছে রে?

কষ্ট হচ্ছে রে?

ঠিক একইভাবে আমিও কষ্ট ভোগ করছিলাম।

তোর যদি সাহস থাকে, আয় তাকে বাঁচিয়ে নিয়ে যা।

হেই,

তুই কে?

আমিও তোকে সামনাসামনি এসে দেখা করার জন্য বলছি ...

...আমার ব্যাপারে জানার জন্য।

তুই যদি ভাগ্যক্রমে চলে আসিস,

আমি তোকে মেরে তাকে ছেড়ে দিবো।

তুই যদি না আসিস,

আমি তাকে মেরে লাশটা পাঠিয়ে দিবো।

এরপর সেটা সাগরে ভাসিয়ে দিস।

গুরু,

আমার একটা সংশয় আছে।

ঠিকানা জানা ছাড়া সে এখানে কীভাবে আসবে?

এটা কি শক্তি ক্যাবল কোম্পানি?

হ্যাঁ,

আপনি কে?

এটা কোথায়?

মিনাবাক্কাম বিমানবন্দরের পিছনে।

কি ব্যাপার?

হ্যালো,

আপনি কি চান,স্যার?

খেয়ে নাও।

সে ঠিকানা বের করে চলে এসেছে!

গুরু,এসো...আমরা লুকিয়ে যায়।

এরা কারা?

আগে যারা আমাকে অপহরণ করতে চেয়েছিল,

ঐ একই কল-ট্যাক্সি ড্রাইভার।

এসো,

এসব কি গুরু?

তুমি একটা ঘুষি খেয়েই পড়ে গেছো।

তুমি কি নিজের ঠিকানাও ভুলে গিয়েছো?

ঐদিন,তাকে বাঁচাতে সে আসেনি।

সে অন্য আরেকজন ছিল।

ভাই,সে হয়ত তার বদলে একে নিয়ে আসছে।

গুরু,

যে তোমাকে রাস্তার মোড়ে মেরেছে শুধু সে না,

এমনকি যে তোমাকে মেরে মাটিতে ফেলে দিয়েছে, তাকেও আমাদের ছেড়ে দিলে চলবে না।

দুজনেই তোমার শত্রু।

হ্যাঁ।

তুমি বলেছো এক ঘণ্টার মধ্যে আসবে,

কিন্তু তুমি এখানে কয়েক ঘণ্টা পরে এসেছো।

আমি কিভাবে আসবো?

ভারতের সাথে দেখা করার পরে ঘরে গেলাম...

...আমার বাবা কাউকে বর হিসেবে সাক্ষাৎ করাতে আমন্ত্রণ জানিয়েছে।

হুম...

তারপরে আমার আর ভারতের রেজিস্টারে বিয়ে আর এক বাচ্চার কথা বলতে বলতে...

...এত দেরি হয়ে গেল।

হেই,ভারত কি এই ব্যাপারে জানে?

কোন ব্যাপারে?

বর আসার ব্যাপারে?

তোমার যে একটা বাচ্চা আছে!

বাচ্চার বাবা হওয়ার পরেও সে কিভাবে না জেনে থাকবে?

তুমি যেকোনো সীমা অতিক্রম করতে যেতে পারো।

আমি কাপড় পাল্টিয়ে আসছি।

তোমাকে এখানে কে আসতে বলেছে?

আমি যদি চাইতাম,

এখন আমি যেকোনো কিছুই করতে পারতাম।

কোন দিক দিয়ে,আমি কল-ট্যাক্সি ড্রাইভারের তুলনায় খারাপ?

তোমাকে তার সাথে ঘোরাঘুরি করতে দেখলেই গায়ে জ্বালা দিয়ে উঠে।

তোমাকে যদি তার সাথে দেখি,

তুমি জীবিত থাকবে...

কিন্তু সে না।

এটা মনে থাকে যেন।

আমার সাথে যা কিছু হয়েছে তা সবকিছু মেনে নেওয়া যায়।

কিন্তু সে তোমাকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছে।

আমি তাকে আর দমন করতে চাই না।

সে আমাদের মত এসব জিনিসকে হেলা করবে না।

তুমি যদি সেইদিন মেকানিক ওয়ার্কশপে আমাকে বলে দিতে,

সে হয়ত আজ হাসপাতালে আসতে পারতো না।

বলো ভাই।

ঐদিন,তুই যে একজনের একটা দামি বাইক ঠিক করছিলি,

সে কি তোর পরিচিত কেউ?

না ভাই।

নতুন গ্রাহক।

শুধুমাত্র ঐদিনই এসেছিল।

তার কাজ হওয়ার পরে চলে গিয়েছিল।

তারপর সে আর আসেনি।

তোর কাছে কি তার নাম্বার আছে?

না ভাই।

কোনও সমস্যা?

কিছুই না।

তুই কি তার নাম জানিস?

না...

স্যার,কেউ কি এত দামি গাড়ি এই নড়বড়ে মেকানিক সার্ভিস থেকে ঠিক করাবে?

সুশী!

ভারত!

ভারত!

রূপলা ম্যাডাম,প্লিজ তাকে বাঁচাও,যাও।

ম্যাডাম,

ম্যাডাম, থামেন।

প্লিজ...

থামেন

ছেড়ে দাও আমাকে -আসুন।

আসুন। -ছেড়ে দাও আমাকে।

আসুন,প্লিজ।

ছেড়ে দাও,ভারত।

আমি মরে যেতে চাই।

তাকে বাঁচাও।

আমি বেঁচে থাকতে অস্বস্তিবোধ করছি,ভারত।

আসুন। -ছেড়ে দাও আমাকে।

মরতে দাও আমাকে।

আসুন।

প্লিজ তাকে বাঁচাও,ভারত।

প্লিজ,ছেড়ে দাও আমাকে।

আসুন।

ছেড়ে দাও,ভারত।

সাবধানে।

তাকে নিরাপদে নিয়ে এসো।

মরতে দাও আমাকে।

ম্যাডাম!

কি হয়েছে?

আপনি এসব কেন করতে চাচ্ছেন,ম্যাডাম?

বলুন।

যখন আমি ভাসান্থের অত্যাচারের কারণে জীবনের তিক্ত অবস্থাতে পৌঁছে যাই,

আমি ভুল নাম্বারের একজন ব্যক্তির সাথে পরিচিত হই।

তারপর থেকে,সে আমাকে প্রায় সময়ই কল দিতে থাকে।

তার সাথে কথা বলার মাধ্যমে আমি ভিতরের একাকীত্ব ভাব কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হই।

কিন্তু সে সীমার বাইরে আমার সাথে কথা বলতো না।

এতদিন ধরে ফোনে কথাবার্তার কারণে,

সে বলল যে,একদিন সে আমার সাথে দেখা করতে চায়।

আমি মানা করে দিই।

কিন্তু সে পিছু ছাড়েনি।

সে আমাকে বাধ্য করেছে,

অবশেষে,আমি তার সাথে বাইরে দেখা করার জন্য রাজি হলাম।

কিন্তু হঠাৎ করে সে ঘরে এসে হাজির হয়।

সেখানেই তার আসল রূপ ধরা পড়ে।

স্প্রে মেরে আমার সাথে নষ্টামি করে।

সে আমার একটা অন্তরঙ্গ ভিডিও নেয় আর সেটা দিয়ে টাকার জন্যে আমাকে হুমকি দেওয়া শুরু করে।

ভয় পেয়ে,আমি তার চাহিদা মতন টাকা দিতে থাকি।

সবশেষে,এখন সে নিজে স্যাটল হওয়ার জন্য এক কোটি টাকা খুঁজছে।

তারপরে বুঝতে পেরেছি,কি সাংঘাতিক ভুলটাই না আমি করেছি!

ইতোমধ্যে ভাসান্থ আমাকে পছন্দ করে না।

সে যদি এসব জানতে পারে,

সে তো আমাকে মেরেই ফেলবে।

তার থেকে ভিডিও নেওয়ার জন্য আমার কাছে কোনও টাকা নেই।

আমি যদি টাকার বন্দোবস্ত করতে না পারি,আমার জীবন তছনছ হয়ে যাবে।

এখন আমাকে বলো সুশী,

আমি বেঁচে থাকবোই কেন?

কে সে?

এইতো সে!

তার নাম গণেশ।

হেই,এ তো দেখছি সেই জনই যে তোমার সাথে দাঙ্গা বাঁধাতে চাচ্ছে?

হেই,এটা তো সেই জনই।

সে ভিডিও নেটে ছড়িয়ে দেওয়ার আগে কিছু একটা করো...

...টাকা না দেওয়ার জন্য।

প্লিজ ভারত।

সে এখন কোথায়?

রক্তের উচ্চতা বেড়ে গেছে, যখন তুমি এই ব্যাপারে বললে।

বিপিও তার সর্বোচ্চ উচ্চতায় বৃদ্ধি পেয়েছে।

এখন?

আগের মতই আছে।

আপনি কি ঘুমাননি?

আমি একদম ঘুমাইনি।

আমার চোখের দিকে তাকাও,

ক্লান্তির ভাব দেখা যাচ্ছে।

পত্রিকাতে যখন তোমার বিজ্ঞপ্তি দেখলাম,

আমার কাজিন আনিতা এসবকে ভিন্নভাবে নেয়।

-এসব কি সত্য বলছো?

এখনো আমি ভিন্নধর্মী হতে চাই।

কিন্তু এখানে তো কেউ নেই।

সে নাকি?

সে না।

এই সাক্ষাৎ আপনার জীবন পাল্টে দিবে!

খারাপ কিছুই আপনার কপালে নেই।

আর অপেক্ষা করতে পারছি না।

এই মুরুগেশ নিজের আয়েশ মেটানোর জন্য কমলালেবুর রসের অপেক্ষা করছে।

আপনি বড় কমলালেবু বোঝাতে চাচ্ছেন,অদ্ভুত তো?

যদি দরকার হয়, বানিয়ে নিয়ে আসবো।

ধন্যবাদ।

"Meesaya Murukku" মুভির একটা গান,

এইতো! সে চলে এসেছে...

সে আমার কাজিন,

আনিতা।

সে দেখতে তো অসিনের মত,কিন্তু সে তাকে কাজিন বলে ডাকতেসে।

মুরুগেশ,

তিন গ্লাস কমলালেবুর রসও তো এই মাল দিয়ে শখ মেটাতে পারবে না।

হাই...

শুভকামনা!

কি হলো?

আপনার হাত কাঁপছে...

তেমন কিছু না।

তোমার হাত ধরতেই,কারেন্টের তার ভিতর দিয়ে চলে গেলো।

বসো।

এখানে বসো।

এসো।

তুমি কি সেখানে বসছো?

ঠিক আছে।

যদি আপনি ঠিক থাকেন,

তাইলে আমরা বাকি মালপত্রের ব্যাপারে আলাপ সেরে নিই।

তুমি চুপ করো।

যদি হাজার লোকজনও আসে না, তার কাছে সবাই নস্যি!

সে একটা বড় পাঠাখা!

বাকি আলাপ কি আমরা রুমে করে নিবো?

তুমি কি খুঁজছো?

কিভাবে নতুন ঘরে যাবে,সেটাই তো?

আমার ঘরেই চলো তাইলে।

আমরা কি বের হবো?

আমি কি একটা ট্যাক্সি ক্যাব ডাকবো?

না...

আমি গাড়ি এনেছি। -তাইলে তোমার গাড়িতে চড়েই যাবো।

হুম...

চলো যাওয়া যাক।

এখানে...দাঁড়াও...

এসো...এসো...

এটাই হচ্ছে আমার কুঁড়েঘর।

ডান পায়ে প্রবেশের জন্য কোনও আনুষ্ঠানিকতার প্রয়োজন নেই,

উৎসুক হয়ে প্রবেশ করো। এসো...এসো...

এসো...এসো...

দরজা আমি বন্ধ করে দিচ্ছি।

এটা একটা চওড়া ঘর।

কিন্তু আমার প্রয়োজন একটা...?

এই চওড়া ঘরে কি আপনি একাই থাকেন?

কে বলেছে আমি একা? -ওহ!

আমার কাজের লোকও আমার সাথেই থাকে।

যখন তুমি এসে গেছো, তার উপস্থিতি এখন ভিত্তিহীন।

তাই তাকে ছুটি দিয়েছি।

ভালোই হলো!

আমাদের কাজ দ্রুত শেষ হয়ে যাবে।

কি কাজ?

এটা জানা কি আপনার জন্য জরুরি নাকি?

না...না...

তোমার ইচ্ছে হলে বলো। আমি আমার বোনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলছি কাউকে বলবো না।

সবাই তার মায়ের প্রতিশ্রুতি দেয়,

তার বিপরীতে,আপনি নিজের বোনের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন!

জন্মের পর থেকে কখনো আমার বাবা-মাকে দেখিনি।

আমার বোনই আমার লালনপালন করেছে। -বেশ ভালো!

তাই আমি আমার বোনের ওপরই প্রতিশ্রুতি দিই।

সে বেশ নিরানন্দে আছে।

তারপর আমরা দ্রুত কাজ সেরে পালিয়ে যেতে পারবো।

স্যার,

তাছাড়া আমরা যদি লন্ড্রিতে কাপড় ধোলাইয়ে দিই,তারা সেটা বেশ আলসেমি করেই ফেরত দেয়।

তোমাদের মনে হয় বেশ তাড়া আছে।

তোমার বেডরুম কি উপরে নাকি নিচে?

"Meesaya Murukku" মুভির একটা গান,

উপরের একটা আছে সেটা ভালো,

কিন্তু যেটা নিচে আছে সেটাই বেশি ভালো হবে।

আচ্ছা।

মুরুগেশ!

জলদি এসো।

এসো,সোনামণি।

"Meesaya Murukku" মুভির একটা গান,

এটা সূর্যের আলো।

সবকিছু বন্ধ করে দিলে রুম অন্ধকার হয়ে যাবে।

এখন ঠিক আছে তো?

হুম।

আমার ঘাড়ে কোনও ব্যথা নেই-হুম।

"Meesaya Murukku" মুভির একটা গান,

সে আমার গানে নাচছে কেন! -এখানে বস।

হুম।

বস বলছি।

সবকিছু কোথায় আছে বল!

তুই যদি বলিস,আমি শুধু জিনিসগুলো নিয়েই চলে যাবো।

আর যদি না বলিস,তাইলে তোর প্রাণ নিয়ে ফেলবো।

হেই,

এসব কিছু তো চুক্তিতে লেখা ছিল না।

আমাকে বন্দুক দেখিয়ে ভয় দেখাইয়ো না।

আমি পুলিশ কমিশনারের কাছে চলে যাব। মনে রেখো।

ওহ না!

ভাই,তোমাকে কয়েক দিন ধরে খুব একটা দেখা যাচ্ছে না?

আমার অবস্থা খুব একটা ভালো ছিল না।

তাই আমি নীরব ছিলাম।

এমনকি ফেইসবুকে কিছু লিখিনি। -আমাকে একটা কচি ডাব দাও।

এই ব্যাপার তাইলে?

এসব ব্যাপার কখনোই কোনও বড় সমস্যায় রূপ ধারণ করে না।

সে আমাকে আনিতার মায়াজালে ফেলে ঠকিয়েছে।

সে কোথায় যাচ্ছে আমাকে দেখতেই হবে।

ঐদিন যে এসেছিল,এতো সে ছিল না।

সে কি নতুন কিছু করবে নাকি?

সে আমায় থাপ্পড় মেরেছে। আমাকে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতেই হবে।

তা কিভাবে সম্ভব হবে?

যে করেই হোক তার ঠিকানা খুঁজে বের করতেই হবে।

হ্যালো...

হ্যালো...হ্যালো...

স্যার,প্লিজ গাড়িটা থামান।

অটো...

স্যার,

আমাকে হাত দেখিয়েই গাড়ি থামাতে হবে।

স্যার...স্যার...

প্লিজ থামুন স্যার।

এক মিনিট স্যার।

সে আমাকে ধোঁকা দিয়ে টাকা আত্মসাৎ করেছে স্যার।

আমি তার আগে গেলে ধরা পড়ে যাবো।

প্লিজ আমাকে সাহায্য করুন স্যার।

আপনি যদি ভাবতে থাকেন,সে অনেক দূর অতিক্রম করে ফেলবে।

হুম।

ধন্যবাদ স্যার।

আপনি দীর্ঘজীবী হোন,স্যার।

এই সবুজ রংয়ের বাইকটার পিছু নিন,স্যার।

স্যার,

আপনি এত জোরে চালাচ্ছেন কেন?

আস্তে চালান। -কেন?

আমরা তার পিছু নিয়ে তার ঘর খুঁজে বের করবো।

স্যার,আপনি গাড়ি বন্ধ করে দিলেন কেন?

আমাকে দেখতে কি অর্ধ-বুদ্ধি সম্পন্ন মনে হয়??

তেমন না স্যার।

আমি ঘুমের ওষুধ খাওয়ার পরেও রাতে ঘুমোতে পারিনি।

আমি তাকে টাকা দিয়ে হতভম্ব হয়ে গেছি। আজকেই তার দেখা পেলাম।

যেতে থাকুন স্যার,সে চলে যাবে।

যেতে থাকুন স্যার,

যেতে থাকুন স্যার,

প্লিজ।

সে এত দ্রুত বাইক কিভাবে চালাতে পারে!

আপনি যখন এই ধরনের পরিস্থিতিতে পড়বেন,

আমি গাড়ি নিয়ে আপনাকে সাহায্য করতে চলে আসবো।

স্যার,সে গাড়ি থামিয়েছে। আমি তার ঘরের খোঁজ পেয়ে গেছি।

ধন্যবাদ স্যার।

আমি আপনাকে ফেইসবুকে রিকুয়েস্ট পাঠাবো, সেটা এক্সেপ্ট করবেন স্যার।

ঠিক আছে। -ধন্যবাদ স্যার।

হেই...সাবধানে।

হেই...সাবধানে।

তুমি কিভাবে গাড়ি চালাচ্ছো?

স্যার,

সে মাতাল হয়ে গাড়ি চালিয়ে আমার ওপরে আঘাত দিয়েছে।

আমি দেখছি এটা।

হেই,

হেই,তুমি কোথায় যাচ্ছো? থামো।

হেই

গাড়ি একপাশ করে রাখো।

আমি তোমাকে বলছি, গাড়ি একপাশ করে রাখো।

এসো।

এদিকে এসো।

থামাও।

তুমি গতিসীমার ঊর্ধ্বে গাড়ি চালিয়েছো।

থামাও বলছি।

গাড়ি থামাও।

থামাও।

পেপার বের করো।

আসল লাইসেন্স বের করো।

হেই,

তুমি কি মাতাল নাকি?

না স্যার।

পেপার বের করো।

চাবি খুলে রাখো।

এই নিন,স্যার।

চাবি,স্যার। -নিচে নামো।

বেরিয়ে এসো।

B-4 অপরাধ বার্তা। সুন্দারেসান বলছি।

জেনি,তুমি এখন কোন জায়গাতে অবস্থান করছো?

স্যার,মান্ডাভেলিতে।

একটা তদন্তের কাজ চলছে।

আমি ২য় সড়ক,রামনগর হতে সেখানে অনৈতিক কার্যকলাপ ঘটার ব্যাপারে একটা কল পেয়েছি।

অতিশয় সেখানে যাও আর আমাকে খবর জানাও।

বার্তা পেয়েছি স্যার।

আনবু,

তাকে গাড়িতে ঢুকাও।

আমরা তার কাছ থেকে পরে জিজ্ঞাসাবাদ করবো।

আমার একটা জরুরি কাজ আছে,এখনই যেতে হবে।

হেই...

গাড়িতে উঠো।

প্লিজ স্যার।

তিনি খুব কঠোর।

পুলিশ স্টেশনে চলো আর সেখানে স্বাক্ষর দিবে।

এসো।

এসো।

আমি আপনাদেরকে পুলিশ স্টেশনে কল করেছি। -কি ঘটেছে?

আমি গভীর ঘুমে মগ্ন ছিলাম,

হঠাৎ গুলির আওয়াজ শুনতে পেয়ে উঠে পড়ি।

আতংকিত হয়ে,কিছু সময় বিছানাতেই শুয়ে ছিলাম।

পরে দিয়ে,

আমি বারাণ্ডায় এসে দেখি,

তখন দেখছি?

একজন ব্যক্তি এই ঘর থেকে তাড়াহুড়ো করে বেরিয়ে যাচ্ছিল।

তুমি জানো সে ব্যক্তিটা কে?

জানি না,ম্যাডাম।

আনবু,

ভিতরে গিয়ে চেক করে আসো।

ঠিক আছে ম্যাডাম।

হ্যালো..

বলুন স্যার।

তদন্ত চলছে।

সন্দেহভাজন একজন খুনি।

আচ্ছা...

এই ঘরটিতে কে থাকে ?

ঘরটির মালিক মুম্বাইয়ে থাকেন।

শুধুমাত্র ভাড়াটিয়ারা আছে।

যে এখান থেকে পালিয়েছে তুমি কি তাকে দেখলে চিনতে পারবে,

যদি তুমি তাকে দেখো?

পারবো ম্যাডাম।

প্রথমে মৃত শরীরটিকে কে দেখেছিল?

আমি স্যার।

কিন্তু গুপ্তঘাতককে দেখার পর,

সে পুলিশ স্টেশনে কল করে।

সেলভা,

হুম,

আমি কি স্টেশনে চলে যাবো?

আচ্ছা,চলে যাও। আমি এইদিকটা দেখছি।

তোমার নাম কি?

ভারত।

কোনও কিছু লুকানো ভালো লক্ষণ নয়, মি.নাটেসান।

আমি কিছুই লুকোচ্ছি না,স্যার।

আপনি নিজে খুন করে এখন অভিনয় করছেন,তা আপনার চোখের অঙ্গভঙ্গি দেখেই স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে।

আমি ঘটনার ব্যাপারে তথ্য দিচ্ছি,

আর আপনি আমাকে খুনি হিসেবে বিবেচিত করছেন!

এসব ঠিক না স্যার।

আপনি যা যা দেখেছেন তা এখানে লিখুন। -আচ্ছা স্যার।

আনবু,

হুম...

আচ্ছা ম্যাডাম।

এখন যাও।

যাও...

যাও... যাও...

তোমার ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য দাও।

আনবু,

সে এটা রেখে গেছে।

ডাকো তাকে।

আচ্ছা।

স্যার,

ঐ ঘর থেকে সে পালিয়েছিল।

চেক করো,সেলভা।

হেই...

দাঁড়াও।

হেই...দাঁড়াও।

হেই...

দৌড়াবি না,

দাঁড়া।

দাঁড়া,দৌড়াবি না।

হেই,

হেই,

তুই যদি ধরা পড়িস, তোকে হাজতে ঢুকাবো।

হেই,দাঁড়া বলছি।

ধরো তাকে,ধরো তাকে।

ছেড়ে দিও না। ধরো তাকে।

হেই...

হেই...হেই দাঁড়া।

দাঁড়া।

তোমাকে পুলিশ ধাওয়া করছে কেন?

কি হয়েছে?

কে মারা গিয়েছে?

একজন আসামি এইদিকে পালিয়েছে।

আপনার ঘরের লাইট জ্বলা দেখছি।

তাই আমরা এখানে খু্ঁজতে এসেছি।

এখানে কেউই আসেনি।

আচ্ছা।

যদি কোনও কিছুতে সন্দেহ লাগে,আমাদের জানাবেন।

হুম...

যখন তুমি কোনও ভুল করোনি,

পুলিশ থেকে লুকিয়ে আছো কেন?

তুমি কি আমাকে সত্যিটা বলবে না?

তাদের একজন ব্যক্তি দরকার FIR করার জন্য।

আমি সেটা করতে চাচ্ছি না।

তাইলে তুমি এখানে আসলে কেন?

ঐদিন,আপনি যখন আমার গাড়িতে চড়ে আসছিলেন,

আপনি একটা বাইক দেখার পর গাড়ি থামাতে বলেছিলেন।

সেটার সাথে গণেশের বাইকের মিল রয়েছে।

তাকে কি তুমি চিনো?

এই সবকিছুর মূলে তারই হাত রয়েছে।

তাকে ধরতেই হবে।

আমার স্বামী বাইকের প্রতি অতি উৎসাহী ছিল।

যে বাইকটা আমরা ঐদিন দেখেছিলাম,

সেটা তার কেনা শেষ বাইক ছিল।

কিছু দিন আগে,

পুলিশ বলেছিল সে একটা দুর্ঘটনায় মারা গেছে...

...আর তার লাশ ঘরে পেয়েছিলাম।

সেই বাইকটার খোঁজ এখনো পাইনি।

সেজন্যই বাইকটা দেখার পরেই তোমাকে গাড়ি থামাতে বলেছিলাম।

আমি আমার স্বামীর মৃত্যুর কারণ এখনো খোলাসা করতে পারিনি।

তুমি যার নাম গণেশ বলছো আমি তাকে চিনি না।

আমি এখানে তার ব্যাপারেই তদন্ত করতে এসেছি।

আমার আশেপাশে ঘটে যাওয়া সকল প্রশ্নের উত্তর তার কাছ থেকেই পাবো।

তুমি তাকে কোথায় খুঁজে পাবে?

আমি অপরাধের মূল সূত্র থেকে খুঁজতে শুরু করবো!

একজন ৬০ বছর বয়সী লোকের জন্য একজন মহিলা সাথীর প্রয়োজন।

হেই,

তোমার আর রামনগরে মারা যাওয়া মেয়েটার মাঝে কি সম্পর্ক রয়েছে?

তুমি সেখানে গিয়েছিলে কেন?

বলো,তুমি গিয়েছিলে কেন?

আমাকে দেখার পরে তুমি পালালে কেন?

কে এই গণেশ?

সে এখন কোথায়?

বলো..

ভাই,

আমি তোমাকে সবকিছু খুলে বলছি।

আমার বোনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলো যে এসব কিছু কাউকে বলবে না?

যদি বোন না হয়,তাইলে মায়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলো।

কেবলমাত্র প্রতিশ্রুতি হলেই হলো।

হাত ছাড়ো।

আমার দুই বাচ্চা বিদেশে স্যাটল হয়ে গেছে।

আমি এই ঘরে একা জীবনযাপন করছি।

আমার জীবন ট্রিচি নদীর পানির মত বেশ স্বাচ্ছন্দ্যে কাটছিলো।

পানির ধারা প্রবাহিত হচ্ছে...

আমি রাতে বিনিদ্রায় ভুগছিলাম এবং টিভি শো দেখে সময় পার করছিলাম,

রোমান্টিক অনুষ্ঠান দেখে আমার ভিতরে কামুক ভাব জেগে উঠে,

আমি কি এই বয়সে পুনরায় নিজের ইচ্ছাপূরণ করতে চাচ্ছিলাম?

কারো সাথে জীবন অতিবাহিত করার চিন্তা করছিলাম,

এক সাথে সময় কাটানোর জন্য একটা বিজ্ঞাপন দিয়ে দিই,

সেটা দেখার পরে,

আনিতা আর গণেশ এসেছিল।

পত্রিকায় আপনার বিজ্ঞাপন দেখার পরে,

আমার কাজিন আনিতা,

ভেবেছে এটা তো বেশ ভিন্ন জিনিস। -এসব কি সত্য বলছো?

তারা আমাকে ভয় দেখায়,

আর সব টাকা এবং স্বর্ণ নিয়ে যায়।

সেই রাগের কারণে,

আমি তাদের মারতে সেই ঘরটাতে যাই।

বেডরুম তো খোলা,সে কোথায়?

মন্দির!

ভগবান,

আমি প্রথমবারের মত একজনকে খুন করতে যাচ্ছি।

আমাকে সাহায্য করো!

আমার জীবন তছনছ হয়ে গেছে।

না...

তুমি কি এখানে ঘুমাচ্ছো? এখানের বাতাস উপভোগ করছো?

ওহ,তুমি মাতালও হয়েছো?

মদ গিলে শেষ নিঃশ্বাস নিয়েছো।

উঠে পড়ো।

হেই...

এতো দেখছি সে না!"সে!"

ওহ না,

এগুলো কি রক্ত?

আমি ভেবেছি এগুলো বিন্দুকণা!

হেই,

হেই আনিতা,

হেই আনিতা,

হেই,,

হেই,

হেই,তুমি কোথায়?

হেই,

তুমি ভিতরে নাকি?

তুমি কি তাকেও মেরে ফেলেছো?

হেই...হেই...হেই...

হেই... হেই...

হেই...

আমাকে আবার ধোঁকা?

হেই...

ওহ না!

ওহ না!

আবার আমাকে ধোঁকা দিয়ে গেলো সে।

আমি তাদের খুন করার চিন্তা করছিলাম কিন্তু সে দেখছি আমার চাইতে এক ধাপ এগিয়ে।

সে তাকে এভাবে রেখেই চলে গেলো।

ওহ...

দুইটা বন্দুক পড়ে আছে।

আমি জানি না কোনটা আমার?

কোন বন্দুকটা আমি এনেছিলাম তা ভয়ে ভুলে গেছি।

আমি ছড়ার লাইন গেয়ে সেটা নিয়ে নিবো।

Uncle pinky ponky!

Uncle pinky ponky?

ভয়ে আমি আজেবাজে কথা বলছি!

Hinky pinky ponky!

Father has a donkey,

Donkey died, father cried,

Hinky pinky ponky!!

হেই,

হেই,এইদিকে তাকাও।

হেই,

হেই,

ওহ না...

সে তো দেখছি অন্য মেয়ে!

ও খোদা!

এটা তো অন্য কল্পকথা।

আমি তোমাকে গুলি মারতে আসিনি। আমার উদ্দেশ্য অন্য আরেকজন।

আমরা একে অপরকে চিনি না।

আমরা একে অপরকে চিনি না।

তুমি যদি কিছু ফাঁস করে দাও, আমি তোমাকে মেরে ফেলবো।

আবার কীভাবে মারবো?

লাশটা দেখার পর থেকে গা ছমছম করছে।

হেই...

হেই...

ঐখানে কে মরে পড়ে ছিল আমি জানি না।

ঐখান থেকে আসার পরে, শুধু এটাই জানি...

...আমার বন্দুক সেখানে রেখে এসে অন্য আরেক বন্দুক নিয়ে এসেছিলাম।

পুলিশের ভয়ে আমি ঘরের ভিতরে লুকিয়ে আছি।

তারপরে,তুমি আমাকে ধরেছ।

হলফ করে বলতে পারি,রেখে আসা বন্দুকটিতে তোমার আঙুলের ছাপ থাকবেই।

তা কেন?

আমি তোমাকে সবকিছু খুলে বললাম।

আমি এখন কি করবো? বলো, আমি সেই অনুযায়ী চলবো।

তোমার গাড়িতে বসা ঐ মেয়ে এবং গণেশের খোঁজ পেয়েছিলে?

না,আমি তাদের গাড়িতে করে এসেছিলাম।

তুমি কি গাড়ির নাম্বার বলতে পারবে?

ভালো প্রশ্ন!

আমি নিজের গাড়ির নাম্বারই তো জানি না।

স্মৃতি হ্রাস পাওয়ার প্রতিযোগিতায় আমি প্রথম হবো।

আমি শুধু এই নাম্বারটাই জানি।

তার সম্পর্কে কিছু না জেনেই সবকিছু বলে দিলাম।

সে হয়ত এসব জেনে আমাকে উত্ত্যক্ত করবে।

বত্ব,

রমণীরা একা একা বসে আছে ,

আমাদেরকে সাহায্য করার জন্য বেশ ভালো সময় এটা।

জলদি করো,আমরা চলে যাবো।

আমরা শীঘ্রই চলে যাবো।

আপনার যদি তাড়া থাকে, চলে যেতে পারেন,"আংকেল"।

তাকে ধীরেসুস্থে পুরো ফুটেজ চেক করতে দিন।

আংকেল?

ভাগ্য ভালো,সে কিচ্ছু শুনেনি।

আমি আপনার পছন্দের নাম্বার এনে দিবো।

কিন্তু তার জন্যে দুই হাজার টাকা লাগবে,আপনার কাছে আছে তো?

আশীর্বাদ করছি তোমার বউ যেন খুব সুন্দরী হয়,

শুধু টাকার পরিমাণটা কমাও।

চালাকি করিয়েন না...

হেই,

তুমি কি ভিভেক?

হ্যাঁ,স্যার।

ভারত কি তোমার রুমমেট?

হ্যাঁ,স্যার। আপনি তা জিজ্ঞেস করছেন কেন?

সে কোথায়?

সে গতকাল রাত হতে রুমে আসেনি।

তুমি কি সেই মেয়েটার বাসা চিনো যেটাতে সে নিয়মিত যেতো?

চিনি স্যার।

আসো।

বাড়িটা দেখাও আমাদের।

কেন স্যার? -আসো।

স্যার... স্যার...

স্যার,ভারত একটা ভালো ছেলে। -গাড়িতে উঠো।

সে সীমা লংঘন হয় এমন কিছু করবে না।

তা আমরা বিবেচনা করবো। ভিতরে ঢুকো। -আমার কথা শুনুন,স্যার... স্যার...

স্যার…

একটা বিরাট ধাক্কা!

তারা তোমার বন্ধুকে ধরে নিয়ে গেল।

এখন তুমি ঠিকানা পাবে কীভাবে?

তার থেকে এত টাকা গুনে দেখবার যোগ্যতা নেই, কিন্তু তারপরেও সে আদায় করে নিয়েছে।

সে আমার থেকে ২০০০ নিয়েছে।

এখন কোথায় যাবো? তোমার বাগদত্তার ঘরে?

মুখ বন্ধ করে নিলাঙারাইয়ের দিকে চলো।

ধীরে যাও।

দাঁড়াও... দাঁড়াও...এটা হচ্ছে সেই বাড়ি।

আপনি কে?

নারেন স্যার বাসায় আছেন?

আপনার কি কোনও সাক্ষাৎসূচি আছে?

হ্যাঁ।

ভিতরে আসুন।

স্যার,আপনাকে ভিতরে যেতে মানা করছেন।

তিনি আপনাকে চিনেন না বলেছেন।

চলে যান স্যার।

স্যার,নাইলে তিনি আমাকে বকা দিবেন।

তাকে বলো,আমি "7766" এর ব্যাপারে কথা বলতে চাই।

আচ্ছা স্যার।

আমি উনাকে বলবো।

স্যার,তিনি আপনাকে কোট্টিভাক্কামের "কফি ডে" তে অপেক্ষা করতে বলেছেন।

তিনি সেখানে আধা ঘণ্টার মধ্যে উপস্থিত থাকবেন।

গতকাল মধ্যরাতে, চেন্নাইয়ের মান্ডাভেলিতে...

...গুলি মারার মাধ্যমে একজন তরুণীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে।

একটা স্পেশাল টিম কল-ট্যাক্সি ড্রাইভার পরিচয়ের গুপ্তঘাতকের খোঁজে আছেন।

তার মোবাইল এবং গাড়ি জব্দ করা হয়েছে।

সে এমনভাবে আঁকড়ে ধরেছে যেন সেটা তার নিজের মোবাইল।

হ্যালো ম্যাডাম,আমি ভারত বলছি।

ভারত,খবরে শুনলাম পুলিশ নাকি তোমার খোঁজে আছে।

কি হয়েছে?

তুমি কি পুলিশকে কিছু বলেছ?

আপনি চিন্তা করবেন না।

আমি পুলিশকে কিছুই বলবো না।

আমি গণেশের খোঁজে আছি।

যেভাবেই হোক,আমি আজকে ফুটেজটা পেয়ে যাবো।

আপনি তাকে সাহায্য করিয়েন।

এসব কি?

আমাকে বলো।

সুশীলা পুলিশ দ্বারা বিচলিত হবে।

আমার কারণে তার ঝামেলায় পড়া ঠিক হবে না।

প্লিজ তার খেয়াল রাখবেন।

হুম...

আমি খেয়াল রাখবো।

তুমি সাবধানে থেকো।

আচ্ছা, ধন্যবাদ।

একটা কফি দাও।

ঐদিন যে আপনাকে মেরে ফেলে দিয়েছিল আর আজকে যে মেরে ফেলে দিলো,

দুইজনই আপনার শত্রু।

কি হয়েছে?

তুমি কোথায় গিয়েছিলে?

কোথাও না।

দাঁড়াও,আমি আসছি। -দেখো তো এটা কে?

স্যার,

স্যার,

বলো আমাকে,

স্যার,আমিই আপনাকে ফোন করেছি।

গুপ্তঘাতক এই টেবিলে বসা ছিল।

আপনাকে ফোন করার সময় সে পালিয়ে গেল।

মনে হয় সে কারও জন্য অপেক্ষা করছিলো।

এটা কি ঐ টেবিলটাই,যেখানে নীল শার্ট পরা একজন ব্যক্তি বসে ছিল?

হ্যাঁ স্যার।

তুমি কি তাকে দেখলে চিনতে পারবে?

হ্যাঁ স্যার।

ম্যানেজার কে?

বলুন স্যার।

CCTV ফুটেজটা চালু করো।

হ্যালো স্যার,

আমি এডভোকেট নান্দাগোপাল।

এখানে বসুন।

আমার মক্কেল সুশীলা জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আপনাদের তত্ত্বাবধানে আছে।

এই নামে আমরা কাউকে এখানে আনিনি।

মিথ্যা বলবেন না।

একজন মহিলা পুলিশ তাকে তার কর্মরত হাসপাতাল থেকে ধরে নিয়ে এসেছে।

আমরা তা নিশ্চিত হয়েই এখানে এসেছি।

হেই,

চুপ করুন।

আমি এমনিতেই বিবর্ণ পরিস্থিতিতে আছি।

এই মেয়ের সাথে আপনার কি সম্পর্ক?

আমি তার বন্ধু।

তার বন্ধুদের জবাবদিহি করা জরুরি মনে করি না।

তার পিতামাতাকে আসতে বলুন।

ভাই,"7766" আসছে।

হেই, তোমার কি কোনও আক্কেল নেই?

তুমি কীভাবে গাড়ি চালাচ্ছো?

দেখো।

তুমি নৃশংস কান্ড ঘটিয়ে এখন ভালো সাজতে চাচ্ছো?

তুমি কে?

গণেশ কোথায়?

গণেশ?

আমি তার নাম পর্যন্ত জানি না।

আমি শুধু মায়ার মৃত্যুর খবরটাই জানি।

আমি তাকে আগে দেখেছি।

আমি আপনাকে সাহায্য করতে চলে আসবো, যদি আপনি এরকমের সমস্যায় পড়েন।

লিফট পার্টি...

সে কি গুপ্তঘাতক নাকি?

তুমি মায়ার মৃত্যুর খবর কেমনে জানো?

খবরে দেখেছো?

বলতে বলছি।

আমি তাকে মারতে গিয়েছিলাম।

হ্যাঁ।

তার সাথে ফেইসবুক দ্বারা সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ি।

সে খুব যত্নসহকারে কথাবার্তা বলতো।

আমি তার সাথে সব ধরনের ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার করতাম।

আমি ঘরে একা,এটা যখন...

আমার ফেইসবুক স্ট্যাটাস দ্বারা জানতে পারলো,

সে ঐদিনই আমার ঘরে চলে আসলো।

চিয়ার্স! -চিয়ার্স!

হেই,

হেই,

তুমি কে?

ভিতরে কীভাবে আসলে?

যাও বলছি।

সে কে? -হেই,

হুম।

মায়া,শংকিত হইয়ো না।

হেই,আমার কথা শোনো।

হেই,

মায়া...মায়া... -হেই,

যাও।

আমি তোমাকে টাকা দিবো তো, তুমি কি করছো?

ভালো মানুষ।

জলদি করো।

মায়া। -মায়া।

সেও একটা বড় মাপের খেলোয়াড়।

আমি মায়াকে অনেক খুঁজেছি।

সে সেখানে ছিল না।

মায়া!

আমি জানি না তার সাথে কি ঘটেছে।

সে শুধু টাকা আর স্বর্ণ লুণ্ঠন করেনি,

সে সিকিউরিটিকে মেরে

আমার গাড়ি নিয়েও পালিয়েছে।

আমার পরিবারের কথা চিন্তা করে কোনও পুলিশের কাছে অভিযোগ করি নাই।

কিন্তু দশ দিনের সময়,

পুলিশ আমার কাছে গাড়িটা দিয়ে যায় যেটা কোনও এক জায়গাতে অকেজো অবস্থায় পড়ে ছিল।

তুমি অন্তত গাড়িটা তো পেয়েছো,

আমি শুধু কল-ট্যাক্সিই পেয়েছি।

যে সময়টাতে আমি নিজের কৃতকাজের জন্য অনুতপ্ত বোধ করছিলাম,

আশ্চর্যজনকভাবে আমি মায়াকে আবার দেখতে পাই।

স্যার,

আমি আপনাকে ফেইসবুকে ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট পাঠাবো,এক্সেপ্ট করবেন স্যার।

ধন্যবাদ স্যার...

আচ্ছা।

হ্যালো,

আমি সেখানে এখনই আসছি।

যে মূহুর্তে আমি তাদেরকে একসাথে দেখি,

কি করতে যে ইচ্ছা করছিলো বলে বোঝাতে পারবো না?

তার বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়ার চিন্তা করতে করতে আমি ঘুমোতে পারিনি।

একদিন ঠিক করলাম,

আমি তাকে মেরেই ফেলবো।

আমি গতকাল রাতেই মারার প্ল্যান করেছিলাম।

কিন্তু অন্য একজন আমার আগে তাকে মেরে ফেলে।

যখন মায়ার ঘরে ঢুকছিলাম,

আমি এক ব্যক্তিকে বাইরে যেতে দেখেছিলাম।

সে নিশ্চয়ই তাকে মেরেছে।

মায়ার ঘরের থেকে বের হয়ে অটোতে উঠা লোকটা কি গণেশ ছিল?

অটোতে চড়ে পালানো ব্যক্তিটাই হচ্ছে গুপ্তঘাতক।

কিন্তু,সে গণেশ ছিল না।

অন্য আরেকজন ব্যক্তি!

তুমি কি মরে যেতে চাও?

যতক্ষণ পর্যন্ত তুমি সত্যি বলছো না,আমি এখান থেকে যাবো না।

কোনও কেস কিংবা এফআইআর দাখিল করা হয়নি,

আমি তোমাকে কোনও প্রমাণ ছাড়াই মেরে ফেলবো।

সত্যি বলছি সে কোথায় আছে আমি জানি না।

মিথ্যা বলবে না।

সে কার ঘরে গিয়েছে বলো?

তার কোনও আত্মীয়-স্বজন নেই।

সে একটা অনাথাশ্রমে বড় হয়েছে।

সে ঐ মেয়েটাকে কেন মারলো?

সে এরকম কিছু করতে পারে না,স্যার।

হেই,

তুমি এতক্ষণ ধরে অভিনয় করতে পারবে না।

যদি তাকে ধরে ফেলি আর জানতে পারি যে তুমিও এসবে জড়িত আছো ,

তুমি সপ্রমাণে ফেঁসে যাবে।

স্টেশনে জিজ্ঞাসাবাদ করার বদলে,তাকে এখানে আনতে তোমাদের কে অনুমতি দিয়েছে?

তুমি কি তার থেকে প্রতিশোধ নিচ্ছো, আত্মগোপন করা ব্যক্তি মেরেছে বিধায়?

তোমাদের ব্যক্তিগত শত্রুতা নিজেদের ভিতরে রাখো।

এসব জিনিস নিয়ে ডিপার্টমেন্টে জড়াইয়ো না।

মাথি,

বলুন স্যার।

তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাও।

চিকিৎসার পর স্টেশনে চলে আসবে।

আচ্ছা স্যার।

তাকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাও।

আমি ফিরে আসবো।

অটো...

গতকাল রাতে,একজন মেয়ে তোমাদের কাছাকাছি বাড়িতে মারা যায়।

তোমরা কি এই ব্যাপারে কিছু জানো?

আপনি কে স্যার?পুলিশ নাকি আপনি?

হুম,সাপ প্রহরী!

উঠো।

চিন্তা করবেন না,স্যার।

শুধুমাত্র সন্দেহ মেটাবার জন্যই জিজ্ঞেস করলাম। আপনি চালিয়ে যান,স্যার।

স্যার,

আমি তোমাদেরকে ঘটনা খুলে বললাম।

তারপরেও তোমরা আজেবাজে বকছো।

আসল কথায় আসুন,স্যার।

হ্যাঁ।

খুনি এইখান থেকে অটো ঠিক করেছিল।

তাকে আরোহণ করে কে কোথায় নিয়ে গেছো?

আমরা যায়নি,স্যার।

হুম।

এই স্ট্যান্ডে আর কেউ আছে নাকি?

সর্বমোট এখানে আমরা দশ জন স্যার।

ফোন করে বাকিদের খোঁজ নাও।

আচ্ছা, আসো।

স্যার,পালরাজ গতকাল রাতে এক গ্রাহককে নিয়ে আরোহণ করেছিল।

আমি তাকে পুলিশ আসার খবর জানিয়েছি।

সে একজন গ্রাহক নিয়ে রাস্তায় গাড়ি চালাচ্ছে।

তাকে জলদি আসতে বলো।

আমি আসবো,ম্যাডাম?

আসো।

তদন্তের বর্তমান পরিস্থিতি কি?

খুন হওয়ার স্থান হতে তিনটে আঙুলের ছাপ পেয়েছি।

সেখানে কল-ট্যাক্সি ড্রাইভারের আঙুলের ছাপও আছে।

কিন্তু কল-ট্যাক্সি ড্রাইভারের আঙুলের ছাপ বন্দুকে নেই।

এটা অন্য আরেকজনের।

আঙুলের ছাপগুলো সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের সাথে মিলিয়ে দেখেছি।

তা কারো সাথেই মিলছে না।

কিন্তু ছুরিতে...

মৃত মেয়েটির আঙুলের ছাপ স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে।

ব্যালিস্টিক রিপোর্ট পেয়েছো?

স্পট থেকে বন্দুকের প্রতিটা গুলিই মধ্যে অক্ষত অবস্থায় পাওয়া গেছে।

মৃত ব্যক্তির ভিতরে প্রবিষ্ট হওয়া গুলিটা অন্য বন্দুকের।

স্পটে সেই বন্দুকটি পাওয়া যায়নি।

আমাদের মতে গুপ্তঘাতকই সেটা সঙ্গে করে নিয়ে গেছে।

মৃত ব্যক্তির মোবাইল পেয়েছো?

আমরা ভালোভাবে খুঁজেছি,

সেটা পায়নি।

গুপ্তঘাতকই সেটা নিয়ে গেছে।

আশেপাশের লোকেরা কি বলছে?

মৃত ব্যক্তির সাথে আরো একজন মেয়ে থাকতো এই বাড়িতে।

তারা দুজনেই রুমমেট ছিল।

খুন হওয়ার পর অন্য মেয়েটা পালিয়ে যায়।

আমরা তার খোঁজে আছি।

কেউ একজন তাদের ঘরে প্রতিনিয়ত আসতো।

যখন কল-ট্যাক্সি ড্রাইভারের ছবির মাধ্যমে অনুসন্ধান করছিলাম ,

এতটুকু স্পষ্ট যে,এটা সে নয়।

দাঁড়াও,

আমি আসছি।

হুম।

এই কেসটা আপনার কাছে এতটা ব্যতিক্রম আর তাছাড়া আপনি এত রাতে আমাকে ডাকলেনই কেন?

আপনি এতটা আগ্রহীই বা কেন?

বলবো।

বলো।

আমি তাকে চিকিৎসা দেওয়ার কথা বলে চা খেতে গিয়েছিলাম।

সে পালিয়ে গেছে।

হেই,ভালো করে খোঁজো।

সে ঐখানেই আছে।

আমি সবজায়গাতেই খুঁজেছি।

সে এখানে নেই।

এটা তো বিরাট সমস্যা!

ফোন ধরে রাখো। আমি আসছি।

মেয়েটাকে পাওয়া যাচ্ছে না?

আমি তো আপনাকে বলিনি,

আপনি কিভাবে জানলেন?

তুমি না,

তোমার ফোন বলেছে।

বাইরে সবকিছু শোনা যাচ্ছে।

স্যার,পালরাজ এসেছে।

দ্রুত আসো। -আমি পালরাজ।

কি ব্যাপারে অনুসন্ধান করতে?

তুমি গুপ্তঘাতককে কোথায় নামিয়ে দিয়েছিলে?

স্যার,

আমি জানতাম না যে,উনি গুপ্তঘাতক।

যেহেতু স্ট্যান্ডে কোনও গ্রাহক ছিল না,

আমি চক্কর মারতে চলে গেলাম।

তিনি ২য় মেইন রোড হতে অটোতে উঠেছিলেন।

আমি উনাকে আন্নানগরে নামিয়ে দিয়েছিলাম।

এটা কি আন্নানগর?

আমাকে জায়গাটা দেখিয়ে দাও।

স্যার,গ্রাহক অটোতে অপেক্ষা করছে।

অন্য অটোতে যেতে বলো।যাও...

গিয়ে বলে আসো।

সে বললো,খুনিকে সে চিনে।

ম্যাডাম,

স্ট্যান্ডে একটা ছোটখাট সমস্যা হয়েছে।

আপনি কি অন্য অটোতে করে যেতে পারবেন?

“Why the moon forsaken from my sky?”

“Why did you scattered my soul?”

“I was in agony withouta glimpse of you!”

পুলিশ আমাদের দুজনকেই হন্যে হয়ে খুঁজে বেড়াচ্ছে।

আমি বাবাকে আশ্রমে সবকিছু খুলে বলেছি।

খুব শীঘ্রই সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে।

চিন্তা করো না।

সে তোমাকে নিরাপদে পৌঁছে দিবে।

ভাই,

শুধুমাত্র বাবাই না,

আমিও তোমাদের পাশে আছি।

চিন্তা করো না। আমি খেয়াল রাখবো।

আমরা কি যেতে পারি?

গ্রাহকের শরীরের গঠন কীরকম?

একটা সুস্থ সুঠাম দেহ।

সে কি তোমাকে কিছু বলেছিল?

তিনি একটা কথাও বলেননি।

আমি তাকে এই ঘরের পাশেই নামিয়ে দিয়েছিলাম।

উনিই হচ্ছে গতকাল রাতের সেই কাস্টমার।

ভিতরে এসো।

দরজার মুখেই রোমান্স?

হুম,

ওহ সোনা,

কাছে আসো,

হট!

এটা আসার কোনও সময় হলো?

আমি এক ঘণ্টা ধরে অপেক্ষা করছি।

এক ঘণ্টা?

আমি একটা ভুল করেছি।

কি হয়েছে?

তুমি হয়ত উদ্ভট চিন্তাধারায় আছো!

এই রোমান্টিক মুডটাই হচ্ছে সব সমস্যার মূল।

কেউ একজন আমাদের গোপন ভিডিও নিয়ে আমাকে টাকা দেওয়ার জন্য হুমকি দিচ্ছে।

শয়তান!

তুমি কি বলো?

আরেকবার।

কেন..?

তুমি কি আমার কোলে বসে খাইয়ে দিতে পারো না?

সরি।

বলদ!

হ্যাঁ।

তোমার হোয়াটসএ্যাপ চেক করো,ভাসান্ত।

তুমি কে?

এটা দেখবার পরে তুমি আমাকে কল দিবে।

পানি খান।

সর।

হ্যালো।

তুমি কি চাও?

টাকা...

কত টাকা?

পাঁচ কোটি!

আমি যদি না দিই তুই কি করবি রে?

তুমি ভালো করেই জানো,তুমি যদি না দাও আমি কি করবো।

টাকার ব্যবস্থা হলে আমাকে কল দিবে।

ঠিক আছে।

এটা যদি ভাইরাল হয়ে যায়, আমি তো শেষ হয়ে যাবো।

হেই সোনা,

চিন্তা করো না।

তোমার চাইতে কি টাকা আমার কাছে বেশি বড় নাকি?

তার জন্য আমি টাকা দিতে রাজি হয়েছি।

এখন হাসো সোনা,

ফূর্তি করো!

ঐদিন,

এখানে আমরা দুজনই ছিলাম,তাই না?

হুম।

হ্যাঁ।

আমি এটা নিই নাই,

তাইলে,

কে এটা নিয়েছে,সোনা?

বলো আমাকে।

আমি না।

তুমি বন্দুক বের করছো কেন?

তুমি কি এই বন্দুকটা আর দেখোনি?

আমি তোমাকে শুট করে দিবো।

বল।

কে আমাকে ফোনে হুমকি দিচ্ছে?

তার থেকে কি আমার চাইতে বড় অস্ত্র আছে নাকি?

আমি তোকে বলছি।

সে কি তোমাকে মারার হুমকি দিয়েছে?

সে কি তোমাকে আরও বেশি টাকা দিয়েছে?

সে কোথায়?

চলো।

বলো,মায়া।

তোমার পেনড্রাইভ আমার কাছে।

চেক করেছি।

খারাপ না,

তুমি বেশ ভালো খেল খেলেছো।

তুমি কি চাও?

আমাকে অন্য উপায় অবলম্বন করতে বাধ্য করিও না।

তোমার এসবের মধ্যে সহযোগ নেই।

আমার সহযোগও আছে।

তোমরা দুজনেই,

কিংবা আমরা প্রত্যেকেই কাজটা করি,

যাতে তিনজনেরই সমান শেয়ার থাকতে হবে।

এটাই হচ্ছে আমাদের গ্যাংয়ের নীতি।

তুমি যদি এর বাইরে যাও,

আর রূপলার ব্যাপার নিয়ে আমার অবর্তমানে কিছু করো ,

আমি কি চুপ করে বসে থাকবো?

আমরা এটাকে তিনভাগে ভাগ করবো,মায়া।

কিন্তু আমি ফুটেজটির মাধ্যমে শুধুমাত্র ভাসান্থ থেকেই টাকা পেয়েছি।

রেখে দাও।

আমি আসছি।

কি?

মায়া কি কোনও সমস্যা বাঁধাতে চাচ্ছে?

আজকের পর থেকে আমাদের আর তাকে প্রয়োজন হবে না।

এটা যদি ভাইরাল হয়ে যায়, আমি তো শেষ হয়ে যাবো।

ধ্যাত।

হেই..হেই..অটো।

ধ্যাত।

এখানে দাঁড়াও।

তুমি যদি মায়াকে মেরে ফেলো,

সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে মনে করছো ?

না ভাসান্থ।

আমাদের ডিল এখনো অটল আছে।

তাই নাকি?

তুই বললেই আমি দিয়ে দিবো নাকি?

পাঁচ কোটি না,

আমি তোকে পাঁচ টাকাও দিবো না।

শুধু এই ভিডিওটেপ মুছে দিবো আর বলবো যে এই ভিডিওতে আমি নাই।

তাই নাকি?

হেই,ভাসান্ত।

এটাই তো তোমার আসল সমস্যা।

তুমি চটজলদি সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলো।

আমি যখন তোমার ভিডিও নেওয়ার সাহস করতে পারি,

তাইলে তোমার বউয়ের ভিডিও নেওয়াও আমার জন্য ততটা কঠিন কাজ না।

হেই...

তুমি চিৎকার করলেই কি এসবের সমাধান হয়ে যাবে?

তোমাকে তো পাঁচ কোটি দিতেই হবে।

ঐ পাঁচ কোটিই!

কবে এবং কোথায় দেখা করতে হবে হোয়াটসএ্যাপে মেসেজ পাঠিয়ে দিবো...

...সাথে তোমার বউয়ের ভিডিওসহ উপভোগ করিও।

উনিই হচ্ছেন গতকাল রাতের সেই গ্রাহক।

তার পিছে যেতে থাকো।

আচ্ছা স্যার।

আমি এসে গেছি।

তুই কোথায়?

আমি আসছি। সেখানে অপেক্ষা করো।

তুমি যাও।

ধন্যবাদ।

ক্যাশ কি রেডি আছে?

প্রথমে,ফুটেজ।

তারপরে ক্যাশ।

ক্যাশ প্রথমে,

এটা নাও।

মনে হয় এখানে মাত্র দুই কোটি আছে।

দাঁড়া,দাঁড়া বেটা।

আজ রাতের মধ্যেই বাকি টাকা আমার চাই।

যদি না পাই,

তোর বউয়ের ভিডিও কাল সকালের মধ্যেই সকল সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে যাবে।

যাও।

যাও...

হেই,

হেই,

হেই...

হেই...

হেই...

হেই...

হেই...তুই কোথায় আছিস?

বেরিয়ে আয়...

বেরিয়ে আয়...

দাঁড়ান।

আপনি কি আপনার বউয়ের ভিডিও ফুটেজ পেতে চান?

কেন?

তোমার কাছে কি আছে নাকি?

তুমি কি এটা দিয়ে আমাকে হুমকি দিতে চাচ্ছো?

আমি তোমাকে গুলি মেরে দিবো।

গুলি মেরে দিন।

কিন্তু তার আগে একটা সত্যি জেনে যান।

উনিই হচ্ছেন গতকাল রাতের সেই গ্রাহক।

তার পিছে যেতে থাকো।

আচ্ছা স্যার।

একটু দাঁড়াও।

তুমি এই গাড়ির পিছু নিবে। -আচ্ছা।

আমার ছোট্ট একটা কাজ আছে এখানে।

সেটা শেষ করেই আমি আসছি।

তুমি সেখানে পৌঁছা মাত্রই আমাকে কল দিবে।

হ্যাঁ,আমি কল করবো।

প্লিজ তুমি কি আমার ভিডিও আমাকে ফেরত দিবে?

তোমার স্বামী টাকা নিয়ে আসতেছে।

তা পাওয়ার পরেই,আমি তোমাকে সেটা ফিরিয়ে দিবো।

তার থেকে নিয়ে নাও।

এসো ভারত,আমি গণেশের সাথেই কথা বলছিলাম।

নাটক করিয়েন না।

আমি সবকিছু জানি।

ওই ভিডিওটা মৃত মেয়েটির ঘরেই শুট করা হয়েছে।

কিন্তু আপনি বলেছিলেন যে,এটা আপনার নিজের ঘরেই শুট করা হয়েছে।

হঠাৎ একদিন,সে আমার ঘরে এসেছিল যেদিন ভাসান্ত ঘরে ছিল না।

আমাকে সত্যিটা বলুন।

আমি বলছি তোমাকে।

তুমি কি মদের দোকানে নিয়মিত আসো?

আমি তোমাকে সেখানে কোনও দিন দেখিনি।

তুমি তো দেখছি আগের মতই আছো,

কোনও পরিবর্তনই হয়নি।

তুমিও..

হাই,

হাই।

সে আমার বন্ধু,রূপলা...আমি তোমাকে তার ব্যাপারে বলেছিলাম।

তার স্বামী ভাসান্থ শহরের একজন নামকরা ব্যবসায়ী।

সে নিজের প্রেমে ব্যর্থ হয় আর রূপলাকে বিয়ে করে সেই প্রতিশোধ নিচ্ছে।

আমি এসবের পরেও ভাসান্থের সাথে মানিয়ে নিয়ে সুখে জীবনযাপন করার চেষ্টা করছি।

যা সম্ভব না।

তার কারণে আমার যেকোনো কিছু হয়ে যেতে পারে।

আমাকে অগ্রসর হতে হবে।

আমরা কি তাকে মেরে ফেলবো?

আমি এটাই করবো।

এজন্য আমার একজন বিশ্বস্ত ব্যক্তি প্রয়োজন।

সেই জন্যেই আমি আনিতার শরণাপন্ন হয়েছি।

আমাদের কি করতে হবে?

আমি অবাধে জীবনযাপন করতে চাই।

তোমরা দুজনেই যদি একটা প্ল্যান তৈরি করে ফেলতে পারো,তাহলে বেশ ভালো হয়।

তোমরা কি চাও?

টাকা!

কত টাকা?

পাঁচ কোটি।

তোমরা ভাসান্থ থেকে টাকা কবে আনবে?

রূপলা অনবরত কল দিচ্ছে।

তোমাকে ভাসান্থের সাথে আনিতার একটা অন্তরঙ্গ ভিডিও ক্লিপ শুট করতে হবে।

তারপর সে সমাজে নিজের সম্মান হারানোর ব্যাপারে চিন্তা করবে।

আমাদের তার এই দুর্বলতাটিকেই ব্যবহার করতে হবে...

...আর টাকা আত্মসাৎ করার জন্য হুমকি দিতে হবে।

যে সময়ে সে টাকা দিবে,

তা রূপলার কাছে যাবে না।

সব মিলিয়ে দশ পার্সেন্ট হচ্ছে তোমাদের পারিশ্রমিক।

এই নতুন প্ল্যানটা কি?

ডাবল গেইম!

এসব পুরনো হয়ে গেছে!

যখন আমরাই ঝামেলা নিবো,

বাকি টাকা সে ভোগ করবে কেন?

সে চুপ করে বসে থাকবে না।

আমরাও চুপ করে বসে থাকবো না।

কে এসেছে?

রূপলা!

আমি তোমাকে বিশ্বাস করেছি,

কিন্তু তুমি আমাকে ধোঁকা দিয়েছো।

তুমি বলতে চাচ্ছো বিশ্বাসঘাতকতা?

আমি তো এসব তোমার কাছ থেকেই শিখেছি।

হেই...

আমি শুধু ভাসান্থকেই ধোঁকা দিয়েছি।

তোমাদের দুজনকে না।

আমি তোমাদেরকে পুরো প্ল্যানের ব্যাপারেই বলেছি।

সে আমার ভিডিও নিয়ে এখন অস্বীকার করছে।

তুমি ভাসান্থকে টাকার জন্য হুমকি দিয়েছো।

তোমরা দুজনেই কি আমাকে ঠকাতে চাচ্ছো?

কিন্তু আমি তোমাকে ছাড়বো না,গণেশ।

আমিও দেখে নিবো,তুমি ভাসান্থ থেকে টাকা কীভাবে আদায় করো?

ভাসান্থের কাছে কোনও কিছু ফাঁস করিও না।

প্লিজ।

আমি একটা ভুল করেছি।

হেই,

আমি একটা বড় ঠকবাজ।

পচা জিনিসের গন্ধ বের হচ্ছে।

তুমি কি এখনই দেখবে?

হুম...

এখন দেখো, এইটা দেখো...

...এটা দেখতে কি মায়া ঝরে পড়ছে?

ভালোভাবে দেখো।

হাই,

তুমি কি ঘুমাচ্ছো?

হ্যাঁ।

তুমি কি ভিডিওটা শুট করেছিলে?

আমি চেষ্টা করেছি, কিন্তু শেষে গিয়ে লক্ষ্য ভ্রস্ট হয়েছি।

না...

ভাসান্থ এই ব্যাপারে কোনও সন্দেহ করেনি,তাই না?

কিচ্ছু হবে না। আমি এসব ব্যাপারে খেয়াল করবো।

তুমি বসে থাকো।

এটা নাও।

ধন্যবাদ।

মারার পরে আমাকে ফোন করো।

তুমি কি আমার প্ল্যান কার্যকর করার চিন্তে করছো?

এটা আমার প্ল্যান।

যখন আমি তোমার ভিডিও করার সাহস করতে পারি,

তাহলে তোমার বউয়ের ভিডিও করা তেমন কঠিন কাজ না।

হেই...

যা তোর স্বামীকে টাকা না দেওয়ার জন্য বলে দে।

আমি জানি তা কীভাবে আদায় করতে হবে।

আমার একজন বিশ্বস্ত ব্যক্তির প্রয়োজন।

আমি অবাধে জীবনযাপন করতে চাই।

আমরা কি তাকে মেরে ফেলবো?

আমি করবো সেটা।

আমি তোমাকে বিশ্বাস করেছি,

কিন্তু তুমি আমাকে ধোঁকা দিয়েছো।

সে যেন আমাদের কথার উপরে বাড়াবাড়ি না করে।

তুমি যদি সেদিন মিস্ত্রীদের ওয়ার্কশপে আমাকে এসব বলতে,

সে হয়ত আজ হাসপাতালে যেতে পারতো না।

ঐদিন,তুই একটা দামি বাইক ঠিক করেছিলি।

সে কি তোর পরিচিত কেউ?

তোর কাছে কি তার নাম্বার আছে?

সে কে?

এটা সেই লম্পটটা না, যে তোমাকে উত্যক্ত করেছিল?

হেই,এটা তো সে।

সে নেটে ভিডিওটা আপলোড করার আগে কিছু একটা করো...

...টাকা না দেওয়ার জন্য।

প্লিজ ভারত।

আমি একাই শুধু তার মাধ্যমে প্রতারিত হয়নি,

এমনকি অনেক ব্যবসায়ী এবং শিল্পবিদরাও তার প্রতারণার শিকার হয়েছে।

যাদের বয়স ৬০ বছরের বেশি তারাই হচ্ছে তাদের মূল টার্গেট।

তারা বেআইনি কাজকর্মে বেশ পারদর্শী।

গণেশ আনিতা এবং মায়ার উপর নির্ভর করেই এসব কিছু করতো।

তারা হচ্ছে তার বিনিয়োগ।

সামাজিক মাধ্যমকে খেলার ময়দান হিসেবে ব্যবহার করে,

বুড়ো লোকদের দুর্বল দিক নিয়ে জ্বালাতন করে,

তারা টাকা কামাতো।

এটাই তাদের গ্রুপের লক্ষ্য।

তারা অনেক লোককেই প্রতারণা করে বিরাট পরিমাণের টাকা আত্মসাৎ করেছে।

গণেশ সব টাকা নিজে একা ভোগ করে পালাবার প্ল্যান করেছিল,

যেখানে আনিতাও তার প্ল্যানে একমত ছিল।

আমি তা ভালো করেই জানি।

কিন্তু মায়া নিজের শেয়ার পাওয়ার জন্য তার বিরোধিতা করেছিল।

আর সেই জন্যই গণেশ তাকে মেরে ফেলেছে।

তিনজনের মধ্যেই সমপরিমাণ শেয়ার,

এটাই হচ্ছে আমাদের গ্যাংয়ের নীতি।

আজকের পর তাকে আমাদের আর প্রয়োজন হবে না।

রূপলার ধারণা অনুযায়ী, গণেশই হয়ত মায়াকে মেরেছে।

কিন্তু কোন প্রমাণের উপর ভিত্তি করে,আপনি নিশ্চিতভাবে বলছেন যে গণেশই হচ্ছে গুপ্তঘাতক?

আমরা মায়ার রুম হতে তার ফোন এনেছি,যা সে তার মৃত্যুর পরে সেখান থেকে নিয়ে যায়।

মুরুগেশের স্বাক্ষ্য অনুযায়ী, সে খুন হওয়ার স্থানে গণেশের উপস্থিতির কথা উল্লেখ করেছে।

তুমি কোথায়?

তুমি কি তাকেও মেরে ফেলেছো?

সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হচ্ছে,

আমরা গণেশের গাড়িতে মায়াকে খুন করা বন্দুকটা পেয়েছি।

আর বন্দুকটির গুলি এবং মৃত দেহের বন্দুকের গুলিও একই।

প্রমাণ হিসেবে আপনারা আর কি চান?

বলুন।

রূপলা আর ভাসান্থকে গ্রেফতার করা হয়েছে,

কিন্তু আপনারা কি আত্মসমর্পণ করা কল-ট্যাক্সি ড্রাইভারকে ছেড়ে দিবেন?

কোর্টে তার বিরুদ্ধে পুলিশকে মারধর করে পালানোর একটা কেস রয়েছে।

কোর্ট অবশ্যই এই ব্যাপারে খুব শীঘ্রই সিদ্ধান্ত জানাবে।

ভারত,

আমি লেখিকা বৈজয়ন্তী বলছি,

শুভ সকাল ম্যাডাম,

তুমি কি ভালো আছো?

আমি ভালো আছি।

তুমি কি এখন ব্যস্ত?

না,ম্যাডাম।

বলুন ম্যাডাম,

আমি তোমার সাথে একটা জরুরি ব্যাপারে কথা বলতে চাই।

আমার স্বামীর মৃত্যুর পর,

কোনও প্রবন্ধ লেখিনি।

মায়া হত্যার অপরাধজনিত কেস দেখার পর,

আমি এখন এটার উপরে লিখতে চাচ্ছি।

এটা আমার ৫০তম প্রবন্ধ হিসেবে মুক্তি দেওয়ার পরিকল্পনা করছি,

তার জন্য আমাকে তোমার অনুমতি নিতে হবে।

তারপরে, আমি গল্পতে কিছু পরিবর্তন আনার চিন্তা করছি।

আপনি কি পরিবর্তন আনবেন?

ক্লাইম্যাক্সটা!

ঘটনার সূত্রমতে,

রূপালা হিরোকে তার ভিডিওটেপ নিয়ে আসার জন্য সাহায্য চায়।

সেও গণেশের কাছ থেকে তা নিয়ে আসার জন্যে রাজি হয়।

বলো,মায়া।

তোমার পেনড্রাইভ আমার কাছে আছে।

তুমি কি চাও?

তুমি আর আনিতা মিলে রূপালার সাথে যে বাটপারিটা করেছো,তার থেকে শেয়ার চাই।

তুমি নার্স সুশীলার ভিডিওটেপও নিয়েছো, যাতে তাকে তোমার ফাঁদে ফেলতে পারো।

আনিতা জানে যে,তুমি সুশীলার পিছে ঘুরঘুর করছো।

আমি তাকে বলেছি।

কে সে?

জানি না।

কল-ট্যাক্সি ড্রাইভার।

সে ঐ মেয়েটাই যার ব্যাপারে আমি বলেছিলাম।

ভেবো না সে চুপ করে বসে থাকবে।

সে তোমাকে ফাঁদে ফেলার জন্য একটা সুযোগ খুঁজছে।

যদি সে তার ভিডিওর ব্যাপারে জানতে পারে,

সে তোমাকে মেরে ফেলবে।

আমি কি তাকে বলে দিবো?

হেই, হেই দাঁড়াও...দাঁড়াও...

যেহেতু তুমি বলেছো,

তাই আমরা তিনভাগেই ভাগাভাগি করে নিবো।

কিন্তু ভাসানন্থ থেকে টাকা আদায় করতে হলে ভিডিও ফুটেজটা লাগবে।

প্লিজ এটা রেখে দাও।

কি?

মায়া কি কোনও সমস্যা বাঁধাচ্ছে?

আজকের পর থেকে তাকে আমাদের আর প্রয়োজন হবে না।

হেই।

হেই।

গণেশ আছে?

আমি তোমাকে জিজ্ঞেস করছি,

গণেশ আছে?

তুমি এখানে কেন এসেছো আমি তা জানি!

সুশীলার ভিডিও ক্লিপ নেওয়াটা তার ভুল ছিল।

সে এখানে নেই।

তুমি চলে যাও।

তারপরই হিরো জানতে পারলো যে,গণেশ সুশীলারও নোংরা ভিডিও ক্লিপ নিয়েছে।

হেই,

হেই,

হেই,

হেই,

চলে যাও বলছি।

ভিডিও ফুটেজটা দাও,

আমি চলে যাব।

তুমি কি শুনতে পাওনি?

যাও...

যাও...

তুমি এখানে আসলে কেন?

কতক্ষণ ধরে আমি গাড়িতে বসে অপেক্ষা করবো?

তাই এখানে চলে এসেছি।

তুমি আসার সাথে সাথেই,

কি তাকে গুলি মেরে দিবে?

তুমি পিস্তল কোথায় পেলে?

আমি যখন ভিতরে ঢুকলাম এটা নিচে পড়া ছিল।

আমি যদি তাকে গুলি না মারতাম, সে হয়ত তোমাকে মেরে ফেলতো।

আমি তোমাকে বাঁচানোর আর কোন উপায় দেখছিলাম না।

এখন চলো।

"Alas...Alas..."

"The night has a thousand eyes!"

"Rout of wolves row hears!"

সুশীলার ভিডিও গণেশের কাছে ছিল।

কি হয়েছে?

পিস্তলে তোমার আঙুলের ছাপ রয়েছে।

তুমি কি এই খুনটাকে লুকোবে?

হ্যাঁ।

তুমি যে এখানে ছিলে সেটা ভুলে যাও।

নিরাপদে বাসায় যাও।

মায়াকে গুলি করা পিস্তলটি মুরুগেশার পিস্তলের সাথে অদলবদল হয়ে যায়,

আর গণেশের গাড়িতে পিস্তলটি রেখে দেওয়া হয়..

...যাতে খুনের দায়ভার গণেশের উপর পড়ে।

তার পরিকল্পনা মতো,

পুলিশও গণেশকে এই মামলার হত্যাকারী হিসেবে জাহির করে।

"Alas...Alas..."

"The night has a thousand eyes!"

"Rout of wolves row hears!"

সবশেষে হিরো তার প্রেমিকার ভিডিও ফুটেজটা নষ্ট করে দেয়।

"Rout of wolves row hears!"

"In the berth of a night,"

ক্লাইম্যাক্স বেশ ভালো।

কিন্তু ছোট্ট একটা অনুরোধ।

প্রবন্ধে উল্লেখ করবেন না যে, ভিলেন নায়িকার নোংরা ভিডিওটেপ নিয়েছে?

কেন ভারত?

এটা তো শুধু একটা গল্পই।

আপনি যখন আসল কাহিনীকে প্রবন্ধ হিসেবে লিখবেন,

"Alas...Alas..."

যারা এটা পড়বে,

তারা কি খারাপ ভাববে না আমার বউ সুশীলাকে নিয়ে।

"Rout of wolves row hears!"

এই ভেবে যে,কেউ তার নোংরা ভিডিওটেপ নিয়েছে...

...সে এই জিনিসটা গল্পের মধ্যে থাকলে খুব কষ্ট পাবে।

তার সুখ আমার জন্য বেশি গুরুত্ব বহন করে,ম্যাডাম।

"Rout of wolves row hears!"

তোমরা যদি নড়াচড়া করো, ফটো কিন্তু ভালো আসবে না।

ঠিকমত দাঁড়াও।

আমি তোমার মনের অবস্থা বুঝতে পারছি,ভারত।

তুমি সুশীলাকে অনেক ভালোবাসো।।

এটা খুব ভালো।

হাসো।

আমি বিকল্প ক্লাইম্যাক্সের ব্যাপারে চিন্তা করবো।

ধন্যবাদ ম্যাডাম।

তুমি কোথায় এখন?

প্রবন্ধ লেখার জন্য,

তোমাকে অনুমতিপত্রে অবশ্যই স্বাক্ষর করতে হবে।

আমি তোমার সাথে দেখা করতে আসবো।

আপনি কেন আসবেন,ম্যাডাম? আমি আপনার বাসায় আসছি।

"The time thrusts a net,"

"It taunts all to fall down,"

"The distance to a war zone,"

"Is a disgust to everyone!"

"The time thrusts a net,"

"It taunts all to fall down,"

"The distance to a war zone,"

"Is a disgust to everyone!"

"Alas...Alas..."

"The night has a thousand eyes!"

"Rout of wolves row hears!"

অনুবাদ এবং সম্পাদনায় তানভীর আলম তানিম

বাংলা সাব দিয়ে মুভিটি উপভোগ করার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ।

Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.