Afrikaans
Akan
Albanian
Amharic
Arabic
Armenian
Azerbaijani
Basque
Belarusian
Bemba
Bengali
Bihari
Bosnian
Breton
Bulgarian
Cambodian
Catalan
Cebuano
Cherokee
Chichewa
Chinese (Simplified)
Chinese (Traditional)
Corsican
Croatian
Czech
Danish
Dutch
English
Esperanto
Estonian
Ewe
Faroese
Filipino
Finnish
French
Frisian
Ga
Galician
Georgian
German
Greek
Guarani
Gujarati
Haitian Creole
Hausa
Hawaiian
Hebrew
Hindi
Hmong
Hungarian
Icelandic
Igbo
Indonesian
Interlingua
Irish
Italian
Japanese
Javanese
Kannada
Kazakh
Kinyarwanda
Kirundi
Kongo
Korean
Krio (Sierra Leone)
Kurdish
Kurdish (Soranî)
Kyrgyz
Laothian
Latin
Latvian
Lingala
Lithuanian
Lozi
Luganda
Luo
Luxembourgish
Macedonian
Malagasy
Malay
Maltese
Maori
Marathi
Mauritian Creole
Moldavian
Mongolian
Myanmar (Burmese)
Montenegrin
Nepali
Nigerian Pidgin
Northern Sotho
Norwegian
Norwegian (Nynorsk)
Occitan
Oriya
Oromo
Pashto
Persian
Polish
Portuguese (Brazil)
Portuguese (Portugal)
Punjabi
Quechua
Romanian
Romansh
Runyakitara
Russian
Samoan
Scots Gaelic
Serbian
Serbo-Croatian
Sesotho
Setswana
Seychellois Creole
Shona
Sindhi
Sinhalese
Slovak
Slovenian
Somali
Spanish (Latin American)
Sundanese
Swahili
Swedish
Tajik
Tamil
Tatar
Telugu
Thai
Tigrinya
Tonga
Tshiluba
Tumbuka
Turkish
Turkmen
Twi
Uighur
Ukrainian
Urdu
Uzbek
Vietnamese
Welsh
Wolof
Xhosa
Yiddish
Yoruba
Zulu
অ
অনু
অনুবা
অনুবাদ
অনুবাদক
অনুবাদকঃ
N
No
Noo
Noor
Noor R
Noor Ra
Noor Rak
Noor Raki
Noor Rakib
1 আমার দিকে তাকাচ্ছো না কেন? তাকাও।
লজ্জা পাচ্ছ নাকি?
এইতো, হয়েছে।
একদম নড়বে না।
নিজস্বতা বজায় রাখ। আত্নবিশ্বাসের সাথে বসো।
বেশি সময় লাগবে না।
ছবিটা ভালো হয়েছে।
খুব ভালো।
C U R I O S A
হাই, পিয়ের।
CURIOSA: কামোদ্দীপক বিষয়বস্তু, সাহিত্য কিংবা ফটোগ্রাফি সম্বন্ধনীয়, সংগ্রাহকের পরিভাষা।
সে অনেকদিন হয়ে গেল।
তোমার সাথে দেখা হয় না। আমি তোমার শূন্যতা অনুভব করেছি।
বরাবরের মতোই চেহারায় একটা ভাব রাখতে হবে।
হাই, পিয়ের. কেমন আছ তুমি?
- কেমন হতো যদি আমরা স্বর্ণকেশী হতাম? - তাহলে মানুষজন আমাদের প্রসংশায় পঞ্চমুখ থাকত।
- এই ড্যাফোডিল ফুলগুলো এখানে রেখেছে কে? - ফুলেরা আয়নায় তাদের প্রতিচ্ছবি দেখতে খুব পছন্দ করে।
- কিছুটা তোমার মত, বোন আমার। - লুলুয!
একদম না, তুমি তো জানো লুলুয একটা কাঁটা জাতীয় ফুল।
- তাহলে আমি কেমন? - তুমি?
গোলাপের কুঁড়ির মতন।
প্রস্ফুটিত হওয়ার অপেক্ষায় আছ।
- অল্প কিছু সময়ের ব্যাপার। - চিন্তা করো না, হেলেন।
- হেনরি বাগান থেকে সেরা ফুল বেছে নেওয়ার বুদ্ধি রাখে। - বাগানে চর্চা করে না?
- পিয়ের? - আমার মনে হয়, করে।
- তোমাকে তোমার নিজের বাগানেই বেড়ে উঠতে হবে। - তারা তোমাকে দেখানোর জন্য অভিনয় করছে না।
এই বাড়ির শাসনকর্তা মহান ফারাও-র কাছ থেকে অনুমতি নিই নি বলে দুঃখিত।
- তবে স্বীকার করছি ভুল করছি জেনেও লোভ সামলাতে পারি নি। - যেতে পারো এখন।
- তার নাকের চুল থেকে কি গন্ধ বের হয়? - এটা জানি যে দাঁড়ি-গোঁফ সুড়সুড়ি দেয়।
তাই? তুমি ইতিমধ্যে একটা চুমুও খেয়ে ফেলেছ?
বাবার গোঁফে খেয়েছিলাম।
পিয়ের...
- চা খেয়ে যাবে, জেন? - অবশ্যই।
- আমি কি একটা ছোট্ট চুমু পেতে পারি না? - তুমি যা চাবে ঠিক তা-ই পাবে।
সবকিছুই। তোমার যা ইচ্ছা।
তোমার ভবিষ্যৎ স্বামী তোমাকে সুখী রাখতে যা করত, সব।
পিয়ের...
মেয়েরা, পিয়েরকে একা থাকতে দাও।
- সে একটু ছেলেমানুষী করেছে। - আমি এসব করতেই পছন্দ করি।
তুমি কখনো শোধরাবে না দেখছি।
হেনরি, তুমি নাকি কবিতার বই সংকলন করছ?
- হ্যা। - আবৃত্তি করে শোনাও তো।
- সন্তুষ্টচিত্তে করব। - আমি শুনতে আগ্রহী।
বিলের সারস কিংবা ঝিলের রাঁজহাসই হোক
বসন্তের ফল্গুধারায় কিংবা বর্ষার জলধারায়ই হোক
আমার তীরে সবাইকে বিদ্ধ হতে হয়
- সময়ের স্রোতে তাদের - ...পালক তুলে নেওয়া হয়
সম্মুখভাগ উন্মুক্ত করে দম্ভভরে তাদের পদচারণ
- মাটিতে লুটিয়ে পড়ে - ...করতে হয় পরাজয় বরণ
এবং অরক্ষিত
শরীর হয়ে যায় সম্পূর্ণ ছিন্ন-ভিন্ন
- কবিতাটা নিশ্চয় এমন না! - না।
আমি জানতাম!
আসছি।
আমরা কুমারী মেয়েরা নিজেদের চারপাশে দেয়াল তুলে আশায় বুক বেঁধে থাকি।
যেমনটা বাড়িওয়ালা বাড়ি ভাড়া দিতে পারবে না জেনেও ভাড়াটিয়ার আশায় বসে থাকে।
অ্যান্টোনিকে বলো চা পরিবেশন করতে।
আমরা অপরিচিত মানুষকে স্বাগত জানাতে পারি, কিন্তু সবাইকে মনে জায়গা দিতে পারি না।
আশা করছি কল্পনায় তাকে নগ্ন অবস্থায় দেখার সাহস করছ না।
মারি, একটু দাড়াও!
অ্যান্টোনির হয়তো সাহায্য লাগবে।
প্রিয় হেনরি, আমি মারির প্রেমে পড়ে গেছি।
তাকে আমাদের মধ্যকার অপ্রত্যাশিত দ্বন্দ্ব থেকে বাঁচানোর একমাত্র উপায় হচ্ছে,
আমাদের উভয়ের ভালোবাসার কথা তাকে জানিয়ে দেওয়া।
তোমার বন্ধু, পিয়ের।
তোমাকে সুন্দর লাগছে। খুব সুন্দর লাগছে।
সে ভাল মানুষ। আশা করি সে তোমাকে যত্নে রাখবে।
- আমি তাকে পছন্দ করি। - একটা সুখের জীবন পেতে যাচ্ছ।
মারি?
আমার সাথে একটু আসবে?
প্যারিস, ১৮৯৭
আমি শুধু শুনতে চেয়েছিলাম, ব্যাপারটা কেমন হয়েছে।
- তুমি আমার বন্ধু বলে কথা। - তোমার বন্ধু?
এমন একটা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আমাকে সামনাসামনি না বলে টেলিফোনে জানানোর পরেও?
আমি মারিকে ভালোবাসি। এতে সমস্যাটা কোথায়?
আমাদের একটা চুক্তি ছিল,
কিন্তু আমি সুযোগের সদ্ব্যবহার করেছি যখন তুমি হাত গুটিয়ে বসে ছিলে।
- তুমি ভালোবাসার খেলায় লড়তে চাও নি। - আমার ভালোবাসা তোমার চেয়ে শক্তিশালী।
- তুমি প্রতারণা করেছ। - আমি তাকে পাওয়ার জন্য মরিয়া ছিলাম।
নিজের বন্ধুকে হতাশ করার মতো যথেষ্ট মরিয়া ছিলে? - হ্যা।
আমার সবচেয়ে কাছের বন্ধুকে হতাশ করার মতো যথেষ্ট মরিয়া ছিলাম।
তার প্রতি আমার ভালোবাসাকে শত বাধা-বিপত্তিও দাবিয়ে রাখতে পারবে না।
এই মোহ থেকে তুমি বের হতে চাও কীভাবে? আমি স্বীকার করছি এর জন্য তুমি সাধ্যমত চেষ্টা করছ।
ভালোবাসা... তো তুমি ভালোবাসায় বিশ্বাস কর?
আমার কাছে, ভালোবাসা হচ্ছে যৌনক্ষুধাকে পরিতৃপ্ত করার নাম।
তাহলে বুঝা যাচ্ছে তুমি কখনো ভালোবাসনি।
ভালবাসা হচ্ছে, হেনরি,
একটা সস্তা আবেগ, আগাগোড়া মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে সাজানো,
প্রয়োজনে তৃতীয় পক্ষের ছোঁয়া পাওয়ার জন্য প্রস্তুত। সবার জন্য উন্মুক্ত এবং অদমনীয়।
অত্যন্ত জটিল এবং কামোদ্দীপক।
আমি কি তোমাকে কষ্ট দিয়েছি?
তাকে বিয়ে করেছি বলে এসব বলছ, তাই না?
আমি দুশ্চিন্তা করতে শুরু করেছিলাম।
এসেছ তাহলে?
সিনেমা কেমন দেখা হলো?
সারডু সুকৌশলে এক দাবি জানিয়ে বসল: "চলো আলাদা হয়ে যাই!"
থিয়েটারটা মহিলা মানুষে ভর্তি ছিলো!
আমার বোনকে আইসক্রিম খাওয়ার দাওয়াত দিয়েছিলাম। এখন আমার কাছে আর কোনো টাকাপয়সা নেই।
- একটা হ্যাট পছন্দ করেও কিনতে পারিনি। - কথা হচ্ছে মারি...
মেয়েরা একাকী ক্যাফেতে যায় না।
যদি না শ্লীলতাহানির ভয় না থাকে।
"নিখুঁতভাবে চাঁচা কুমারী মেয়ের..."
হেনরি? কী হয়েছে বলো তো?
পিয়েরের সাথে দেখা হয়েছে আমার।
সে ফিরে এসেছে?
শুধু একাই আসেনি, লটবহরের সাথে এক আলজেরিয়ানকেও নিয়ে এসেছে।
সে এক আকর্ষণীয় মেয়ে, আমি শুনেছি।
সে দাবি করেছে মেয়েটা তার প্রেরণার দেবী। তাকে দেখে মনে হয়েছে সে পুরোতালে মুগ্ধ।
কিন্তু এই মুগ্ধতা মেয়েটাকে নগ্ন অবস্থায় ক্যামেরাবন্দী করা থেকে পিছু হটাতে পারবে না।
- মাদাম। - মসিঁয়ে।
- দিনটা ভালো কাটুক। - সন্ধ্যাটা ভালো কাটুক।
- আমার সাথে? - এই তো এখনই হবে।
এবার তোমার পালা।
সুন্দর নাচ।
সাবধানে, ক্যামেরাটা সুবিধার না।
প্রথমে একটু প্র্যাকটিস কর।
- আবার কর। খুলব? - প্রস্তুত তো।
- তোমার পছন্দ হয়েছে এটা? - খুব পছন্দ হয়েছে!
- চালিয়ে যাও! - আবার।
তাড়াতাড়ি কর, জেন!
খোলো।
- বলুন? - পিয়ের আছে এখানে?
- সে এখন ব্যস্ত, তাকে বিরক্ত করা যাবে না। - সমস্যা নেই, আমি এতে অভ্যস্ত।
মারি।
হেনরি বলল তুমি নাকি তাকে সাথে করে নিয়ে ফিরেছ...
জোরা বিন ব্রাহিম।
সে বেশ সুন্দরী।
পরিচয় করিয়ে দিচ্ছি মারি ডি হিরিডিয়া। বৃষ্টি ধারা! আমি এটা ভুলেই গিয়েছিলাম।
তোমাকে এ নামে ডাকলে অদ্ভুত শোনায়।
এখানে এসে ভালো লাগছে।
গুটিকয়েক ফুল নিরুদ্দেশ হয়ে গেছে দেখছি। কিছু ড্যাফোডিল ফুল কিনে নিয়ে এসো।
আমি বাজারে দেখলাম একজন বিক্রি করছে।
তুমি ড্যাফোডিল ফুল পছন্দ কর, পিয়ের?
তোমার হিংসা হচ্ছে নাকি?
তুমি কি এটা দিয়ে তার ছবি তুলেছ?
এটা ছিলে তুমি, যাকে আমি চেয়েছিলাম।
যখন সে তোমাকে ছিনিয়ে নিল আমি রাগে-দুঃখে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিলাম।
যদি কখনো সন্ধ্যা না নামে...
তুমি কি আমার জন্য অপেক্ষা করবে?
- যদি কখনো সন্ধ্যা না নামে... - তাই আমি, তোমাকে আলিঙ্গন করছি এখানে...
...তোমাকে দিব না...
...স্বর্ণ, সুগন্ধি কিংবা তোমার নিষ্কলুষতায় দাগ।
আর আফ্রোদিতির রক্ত।
আর আফ্রোদিতির রক্ত।
আর লেটোর রক্ত।
ধন্যবাদ।
আমি একটু দেখতে পারি?
- ইদানীং রাজনীতিতে আগ্রহী হয়ে উঠছ নাকি? - আমি শিখতে চাই।
আমি একটা বিজ্ঞপ্তি ছাপিয়েছি।
কোড নেমঃ এমএলএইচ।
তোমাদের নামের আদ্যাক্ষর নিয়েঃ মারি, লুইস, হেলেন।
অত্যন্ত আকর্ষণীয়।
পিয়ের, আমি আবেদনময়ী ভঙ্গীমায় ছবি তুলতে চাই।
ভিতরে এসো, মারি!
তো তুমি ছবি তুলতে চাও?
স্টুডিওতে তুলছি এমন মনে হতে হবে।
- আমি কি এখানে বসব? - হ্যাট খোলার প্রয়োজন নেই।
প্রথমে আমি তোমাকে কেতাদুরস্ত অবস্থায় রেখে ছবি তুলতে চাই।
যেন মনে হয় পথিমধ্যে দেখা পাওয়া এক অপরিচিতার ছবি তুলছি।
বসো।
মারি, তোমাকে সোজা টানটান হয়ে বসে থাকতে হবে।
কল্পনা কর তুমি একটা আপেল। আপেল কি শুধু শুধু নাড়াচাড়া করে?
তোমার মাথাটা একটু ডানে ঘোরাও।
থুতনিটা নিচু কর।
বেশ।
- একটু কম হাসো। মনোযোগ দাও। - আমি মনোযোগীই আছি।
এখন হ্যাট খুলে রাখতে পারো।
যেহেতু আমি তোমার স্বামী হতে পারব না, তাই আমি তোমার প্রেমিক হতে চাই।
আমি তোমাকে এমন জিনিস শিখাব, যেগুলো তুমি কল্পনাও করতে পারবে না।
সেগুলো কেমন উপভোগ করেছ- সেটার বিস্তারিত বর্ণনা দিয়ে আমাকে চিঠি লিখবে।
তুমি রাজি আছ?
তোমার ভালোবাসা আমি, ঠিক বলছি?
ভালোবাসা?
এটা তো হাসি-ঠাট্টার বিষয় মনে হচ্ছে।
কিংবা এর উল্টাটা।
আমি তোমাকে "পাখি" বলে ডাকব।
কারণ তোমার দীঘল কালো লম্বা চুল, রেশমের মতো মসৃণ, নরম, মোলায়েম
এবং তোমার চোখের গভীর ছায়ায়
চোখের তারার রহস্যময়তা।
আমরা এমনকি "অ্যাটাচড বাথরুম"ও বানিয়েছি।
এখন তো প্রাতঃকৃত্য সারতে সারতে প্রেমপত্র লিখতে পারবে।
- এই যে, এসে গেছে। - পিয়ের! তুমি এখানে?
- সফর শেষ করে ফিরে এলাম। - তোমার ফিরতে দেরি হলো যে।
আমি এতক্ষণ আমার প্রেমিকের সাথে ছিলাম। সে আমাকে ছাড়তে চায় নি।
তার রসবোধ এখনো হারিয়ে যায় নি।
বেশ, পিয়ের...তোমার সফর কেমন ছিল?
এতই ভালো ছিল যে, আমাদের বিয়েতে আসতে পারো নি।
মারি এমনভাবে কথা বলছে কারণ আমরা তোমার শূন্যতা অনুভব করেছিলাম।
তবে আমি সুখী।
মারির সাথে কাটানো সাধাসিধে জীবন প্রতিদিন আমাকে আনন্দ দিচ্ছে।
মোটেও না, বরং জীবনটা বিরক্তিকর হয়ে যাচ্ছে।
তোমার সফরের গল্প বলো। এটা শুনতে বরং চিত্তাকর্ষক লাগবে।
অল্প কথায় বলা মুশকিল। গভীর অনুভূতি, রঙের খেলা, ভাবমূর্তি।
আমি যদি সবগুলোকে একসাথে ক্যামেরাবন্দী করতে পারতাম।
- সে তার কোডাক ক্যামেরাটাকে খুব পছন্দ করে। - কোডাক ক্যামেরা?
আমরাও ছবি তুলেছি।
তুমি কি কষ্ট করে সেগুলো একটু নিয়ে আসবে?
আনন্দের সাথে আনব।
- তুমি পাগল হয়ে গেছ। - আমি কি তোমার স্টুডিওতে আবার আসতে পারি?
কথা দিচ্ছি লক্ষ্মী মেয়ের মত যা করতে বলবে করব।
- তুমি কথা দিচ্ছ যা করতে বলব করবে? - তুমি যা বলবে তা-ই করব।
এই যে নাও।
আমরা দেখব...
বিয়েতে সকল আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব উপস্থিত ছিল।
শুধু তুমি ছাড়া।
এটা নিশ্চয় তোমার জীবনের সবচেয়ে আনন্দের দিন ছিল?
হ্যা, মনে রাখার মত এক দিন ছিল।
- যখন তুমি বিয়ে করবে তখন তুমিও বুঝতে পারবে। - যদি কখনো করি আরকি।
তোমরা দেখছ ছবিটা কেমন হাস্যকর ঠেকছে? আমাকে দেখতে মৃত মানুষের মতো লাগছে।
আমার প্রেমিক আমাকে তার কাছে আটকে রাখল।
আর আমার স্বামী সেটাকে বাজে কৌতুক হিসেবে
ধরে নিল।
আমি সেই কামুক নারীকে পছন্দ করি না
যে মাথা হেলিয়ে তার নতুন স্বামীকে বলেঃ
"যদি মহারাজের আজ্ঞা হয়, তাহলে আপনি যখন শোবেন"
"আমি কি বাড়তি আনন্দলাভের উদ্দেশ্য সিক্সটি নাইন পজিশনে সেক্স করব!"
- কোন তলা? - সবার উপরেরটা।
তুমি আমাকে মেরে ফেলার চেষ্টা করছ দেখছি।
তুমি আমাকে লুসিলের সাথে দেখা করিয়ে দিও।
লুসিল...
কিন্তু তুমি তো সারাক্ষণ জোরা আর তোমার নতুন রক্ষিতার সাথেই আছো।
- সে কোনো রক্ষিতা না। - তাহলে তার পরিচয় গোপন করছ কেন?
- তুমি কি মনে কর আমরা তাকে চিনে ফেলব? - উঠাও!
- উপরে উঠাও! - সে কি সম্ভ্রান্ত ঘরের মেয়ে?
হ্যা বুঝেছি, সে সম্ভ্রান্ত ঘরের মেয়ে!
মসিঁয়ে পিয়ের, আমি চোদা খেতে চাই।
"আমি চোদা খেতে চাই" এটা বলো না বল যে "আমি উত্তেজিত"।
ওহ আমার নাগর! আমাকে সামনে-পেছনে দুদিক দিয়েই চুদ!
তোমাকে মনস্তত্ত্ববিদ বলে ডাকা উচিত।
মেয়ে বিরক্ত হয়ে গেলে বলব, ড্রয়ারে ১২টা ডিলডো রাখা আছে।
তার পরিবর্তে বল, "আমি কখনো নিজের যৌনসঙ্গীনীর উপরে বিরক্ত হই না"।
দাড়াও, আমি তোমাকে একটা জিনিস দেখাচ্ছি।
" নারীদের নিতম্ব বৃত্তান্ত"
- এই ডায়েরিতে কতজনের বৃত্তান্ত আছে? - ৬০ জনের মত।
- আর সবমিলিয়ে? - কয়েক শত।
কয়েক শত?
আমি একজনের সাথে অ্যানাল সেক্স করেছি সেটার বৃত্তান্তও এখানে আছে।
নাম, ঠিকানা, বয়স।
আকর্ষণীয় একটা সংগ্রহ।
হাতের লেখাগুলো দেখেছ?
এই মাত্র লিখে শেষ করলাম।
সত্যি করে বলো তো, এগুলো কেন লিখে রাখছ?
জানি না।
তোমাকে দেখানোটা উচিত হয় নি।
একটু দেখতে দিয়ে নিয়ে গেলে... বোকা বনে গেলাম।
নারীদের শ্রেণীবিভাগ করা এমন ডায়েরির সাথে আমি অপরিচিত।
দুজন দুজনের উপরে ঝাপিয়ে পড়ি।
আমরা কি দেখতে কুৎসিত নাকি সুন্দরী?
তুমি হাসলে তোমার মুক্তার মত সুন্দর দাঁত হয় প্রকাশিত।
তোমার চোখের তারায় আমি খুজে পাই নিজের অস্তিত্ব।
যখন আমি তোমার চুলের খোপা খুলে দেই,
তুমি দাও আমার চুলের বাধন খুলে।
আমার গোলাপরাঙা যোনীতে তোমার রক্তিম জিহ্বা পরশ যায় বুলিয়ে।
কেমন হয়েছে?
খারাপ না।
- খারাপ না? - আসলে অনেকটা চলনসই।
এটা কি লেসবিয়ান কবিতা?
তুমি আমাকে মেরে ফেলার চেষ্টা করছো নাকি?
- তুমি এসব সামলাও কীভাবে? - যন্ত্রণা সহ্য করার অভ্যাস হয়ে গেছে.
তোমার শ্বাস রুদ্ধ হয়ে যাচ্ছে নাকি? বল?
আমার মত একজনকে পেয়ে তোমার কেমন লাগছে?
তোমার অনুভূতিটা কি আমাকে দেখাতে পারবে?
পরের বার আমি আরেকজন মেয়েকে সাথে রাখব।
আমরা দুজনেই তার সাথে প্রেমলীলায় মত্ত হব।
এটা তোমার মনোরঞ্জনে সাহায্য করবে।
সে তোমার দিকে প্রেম নয়নে তাকিয়ে থাকবে।
- আমাকে তোমার যথেষ্ট মনে হচ্ছে না? - হচ্ছে, কিন্তু...
- কিন্তু কী? - তিনজনে জমবে ভালো।
সে আমাদের মাঝে শুয়ে থাকবে আর তোমার দিকে তাকিয়ে থাকবে।
- তুমি আমার ভালবাসা নিয়ে খেলা করছ? - মোটেও না। আমি শুধু ভালোর জন্য বলেছিলাম।
আমি তোমাকে ঘৃণা করি। আমি তোমাকে ঘৃণা করি!
সেই মেয়েটা কে? তোমার কি আরো রক্ষিতা আছে?
অন্য কেউ থাকলেই বা কী, তোমার প্রতি ভালোবাসায় কি ঘাটতি পড়েছে?
- উত্তর দাও। রক্ষিতা আছে কি? - তোমাকে কি কম ভালোবাসছি?
অবশ্যই, আমার আরো রক্ষিতা আছে।
- এতে কিছু যায়-আসে না। - যদি আমার অন্য কোনো নাগর থাকত?
- হয়তো তোমার নেই। - বেশ, অবশ্যই আছে।
- হ্যা, অবশ্যই আছে। - মোটেও না।
একমাত্র তুমিই আমাকে ভালো রাখতে পারো।
এই তর্ক-বিতর্কের চেয়ে তোমার কবিতা শোনা বেশি ভালো ছিল।
কবিতাটা ডায়েরিতে লিখে রেখেছ?
- পিয়েরের পান্ডুলিপিটি পড়েছ? - প্রথমদিকের কয়েক পাতা পড়েছি।
তার লেখায় আমার কিছু আপত্তি আছে। তবে তার রচনাশৈলী নিয়ে কোনো আপত্তি নেই।
- তোমরা কাকে নিয়ে কথা বলছ? - পিয়েরকে নিয়ে।
তার "দ্য ওমেন এন্ড দ্য ডল"-বইটাকে নিয়ে।
তো ঐ নারী দেখতে-শুনতে কেমন?
বরাবরের মতো ঘন কালো চুল, এবং অত্যন্ত আবেদনময়ী, সম্মোহনী।
সে ভালো লিখেছে, কিন্তু লেখায় কিছুটা বাড়াবাড়ি করেছে।
আমি বিশ্বাস করতে পারছি না, একটা বাজারের মেয়ে কীভাবে তার খরিদ্দারকে
খেলার পুতুল বানিয়ে নাচাচ্ছে।
কোনো ভদ্রলোক এত সহজে বাজারের মেয়ের খেলার পুতুল হয়ে যায় না।
পিয়েরের কল্পনাশক্তি প্রবল।
মেয়েটা অন্যদের সাথেও রাত কাটায় আর সে এটা মেনেও নেয়।
এটা কি বিশ্বাসযোগ্য?
পুরোপুরি না, আমাকে অবশ্যই স্বীকার করতে হচ্ছে।
পাখি এসেছে দেখছি!
তোমার মধ্যে কি নৈতিকতা বলতে কিছুই নেই?
- তুমি এতে বিরক্ত হচ্ছ নাকি? - না, বরং নৈতিকতা থাকলেই বিরক্ত হই।
এখন না। প্রথমে তোমাকে এই অবস্থায় ক্যামেরাবন্দী করতে চাই।
যখন তুমি মন দিয়ে কাজ কর তখন তোমাকে খুব সুন্দর লাগে।
মেঝেতে শুয়ে পড়।
- আমি কি নাড়াচাড়া করতে পারব না? - কথাও বলতে পারবে না।
চুপচাপ শুয়ে থাক।
আমার মনে নীতি-নৈতিকতার প্রতি বিতৃষ্ণা সৃষ্টি করে দাও।
নীতি-নৈতিকতাহীনতার অসুখ বাধিয়ে দাও।
আমি প্রতিটা মুহূর্তকে মস্তিষ্কে গেঁথে নিতে চাই।
আমিও কি তোমার সংগ্রহের একটা অংশ? বাকিদের মতো?
- তুমি কি আমার সাথে কোনো ঝামেলা করেছ? - করেছি তো, তোমার সাথে তর্কাতর্কি হয়েছে না?
আমাকে চুমু খাও।
তুমি আরেকটুক্ষণ থাকতে পারো না?
- আমার দেরি হয়ে গেছে। - মনে হচ্ছে ইচ্ছে করেই চলে যাচ্ছ।
লাগিয়ে দাও তো।
- এটা? - হ্যা, আমি এটা নেব।
দাম ১০ টাকা।
এই যে নেন।
ফুল লাগবে?
- দাম কত? - রাত ১০টায় যেতে পারব, স্যার।
কাপড় খোলো।
হাত উপরে উঠাও।
হ্যা, এভাবেই।
বেশ।
ঘুরো।
ধীরে ধীরে।
কোনো ভাবেই আলো ঢুকতে দেওয়া যাবে না।
আমাকে দেখতে দাও।
দেখাও না।
হয়েছে?
দাঁড়াও...
এবার আসো।
দেখো।
আমি হাতে নিয়ে দেখতে পারি?
এটা কি আমাদের গোপন অ্যালবামের জন্য?
পিয়েরের সাথের এই মেয়েটা কে?
সে তো বেশ আকর্ষণীয়া।
বিয়ের পোশাকে তোমাকে খুব মোহনীয় লাগছে।
যদি এতে কোনো লুকানো সৌন্দর্য থেকেই থাকে, আমি এখনো সেটা আবিষ্কার করতে পারি নি।
তোমাকে পোশাক পরিহিত অবস্থায় দেখে ভালোই লাগছে।
আমার হঠাৎ করে জানি কেমন লাগছে।
আমরা বাড়ি চলে যাচ্ছি।
- আমি তো বাইরে আসার তেমন সুযোগই পাই না! - এভাবে চলে গেলে মানুষ কী বলবে।
- আমি থাকতে পারব না। - মারি, দাড়াও।
মারি, আমরা কিছুক্ষণ পরে চুপিসারে সটকে পড়ব।
৯৩
৯৪
৯৫
১০০
শুভ রাত্রি, মারি।
শুভ রাত্রি।
হেনরি পাঁচটায় ফিরবে। আমরা ততক্ষণ একাকী থাকব।
তুমি দিন দিন অভদ্র হয়ে যাচ্ছ।
তাকে নিয়ে হাসি-ঠাট্টা করো না।
পিয়ের তোমাকে ভালোবাসে না!
সে আর তার বন্ধু জোরার সাথে একসাথে রাত কাটায়।
তুমি বুঝেছ সে তোমাকে কীভাবে প্রেমের ফাঁদে ফেলেছে!
থামো।
থামো।
তুমি আমাকে ব্যাথা দিচ্ছ!
তুমি আমাকে ব্যাথা দিচ্ছ!
কী চাও তুমি?
তোমার সাথে জোরার মত আচরণ করা হোক? একটা বেশ্যার মত?
প্রেয়সী আমার...
থামাও এসব।
আমি কী দোষটা করেছি?
আমি তোকে ভালোবাসি না।
আমি তোকে ভালোবাসি না।
আমি তোকে ভালোবাসি না।
আমি তোকে ভালোবাসি না।
মানুষের চেহারার মত তার দেহে এক ধরনের অভিব্যক্তি খেলা করে।
বলতে গেলে চেহারার থেকেও বেশি।
368
তার মাথা কাঁধের উপর এমন দম্ভভরে বসে আছে
যেন সে কোনো কিছুর তোয়াক্কাই করে না।
তার কোমড় দোলানো দেখে পাগল হওয়া অল্পবয়সী ছেলেরা
তার ঢেউ খেলানো ভরাট নিতম্বের ছন্দ দেখে কামনার স্বাদ মেটায়।
তার স্তনের বোঁটা কাজল কালো চোখের মত তাকিয়ে থাকে।
কী হয়েছে?
তুমি কাঁদছ নাকি?
কী সমস্যা?
কী হয়েছে?
আমি কি তোমাকে ব্যাথা দিয়েছি?
দুঃখ পেও না। অন্তত আমার কারণে না।
শুয়ে থাক, নড়ো না।
বন্ধ কর এসব!
প্যারিসের এই মৃদু আলো তোমার সৌন্দর্যকে পারে না ঢাকতে।
তোমাকে জানব আমি বৃক্ষের ছায়াতলে বসে।
নিজের দিকে তাকাও। এখানে থেকে তোমার রূপ-যৌবন মলিন হয়ে যাচ্ছে। তোমার এখন বাইরের আলো-বাতাস দরকার।
- আমি একা যাচ্ছি না। - তুমি তো নিঃসঙ্গ হয়ে যাচ্ছ না।
তুমি একজন মডেল। তার উপর সম্মোহনী। কাউকে না কাউকে তুমি পেয়ে যাবে।
তোমার শুধু একজনকে বেছে নিতে হবে।
আমি আর ব্যাখ্যা করতে পারব না তবে যা বলার বলে দিয়েছি।
তুমি আসছ কখন?
তুমি আমাকে ভালোবাসো এবং আমাকে পেতে তুমি গহীন অরণ্য পর্যন্ত আমার পিছে ধাওয়া করবে।
তুমি আমাকে ছাড়া বাঁচবে না।
বন্ধ কর এসব। যথেষ্ট হয়েছে!
আমি রাগিয়ে দিও না।
একসাথে ভালো সময় কাটিয়ে শেষটা খারাপ হতে দিতে চাই না।
তোমার এসবের প্রয়োজন পড়বে। সোনা, তোমাকে এখন যেতে হবে। উঠো।
- কেন আমাকে দূরে সরিয়ে দিচ্ছ? - আমি এ ব্যাপারে কিছু জানি না!
এটা তোমারই চাল! সে এই সিদ্ধান্ত নেয় নি।
- সে আমার কাছে ফিরে আসবে। - সে আমাকে ভালোবাসে!
সে আমাকে ছাড়া বাঁচবে না। সে যা বলে আমি তা-ই করি।
- তো কী হয়েছে? এটাকে ভালোবাসা বলে না। - তুমি ভালোবাসা সম্পর্কে কী জানো?
আমি জানি কীভাবে পুরুষদের ভালোবাসতে হয়। এসব শিখানো যায় না, এসব প্রকৃতিগত।
কী বলছি বুঝতে পারছ না? তুমি কিছুই জানো না।
বসো এখানে।
403
সে আনন্দ পায়, যখন আমরা এসব করি।
সিক্সটি নাইন পজিশনে।
তুমি এসব করতে পার?
দেখো।
এটা শুধুই তোমার, প্রিয়া।
এখন শুধু তোমাকে এটাতে ভেজা আঙুলের পরশ বুলাতে হবে।
পিয়ের...
তোমার কি মনে আছে যখন আমাকে বলেছিলে...
...যে আমাদের জীবন একই সুতোয় গাঁথা।
আমার সমাধিতে...
...তুমি কি আমার কাছে চিঠি লিখবে?
এটা প্রমাণ করতে যে আমাদের মাঝে এখনো কিছু একটা আছে।
পিয়ের, আমি তোমাকে খুব ভালোবাসি।
আমি তোমার বইটা পড়েছি।
কেমন মনে হলো?
এই কলঙ্কময় কাহিনীর বদৌলতে তুমি ধনী বনে যাবে।
চমৎকার একটা কাহিনী। একেবারে বাস্তব মনে হচ্ছে।
যাই হোক, আমার মতে তোমার লিখায় কিছু একটা যেন বাদ পড়ে গেছে।
আভিজাত্য, সম্ভবত।
আরেকটু শক্তিশালী অভিব্যক্তি।
তুমি কি তা-ই মনে কর?
তুমি ঠিক আছো তো?
হ্যা।
- তুমি কি কারো প্রেমে পড়েছ? - না।
আমি তোমাকে নিয়ে উদ্বিগ্ন।
- তুমি কি ঠাট্টা করছ? - না, সত্যি বলছি।
আমি জোরাকে তাড়িয়ে দিয়েছি।
সে একটা বোঝা হয়ে ছিল, কিন্তু এখন তার শূন্যতা অনুভব করছি।
তুমি ভালোবাসায় বিশ্বাসী না কিন্তু তোমার মধ্যে এর সব লক্ষণ দেখা যাচ্ছে।
এটা ভালোবাসা না। এটা তীব্র আকাঙ্খা।
এটা মানুষকে তিলে তিলে ধ্বংস করে দেয় কিন্তু কারোর কিছু করার থাকে না।
তোমাকেও তার আবেগের ব্যাপারে জানা প্রয়োজন।
আলজেরিয়ায় গিয়ে জিজ্ঞেস করছ না কেন?
- থামো। আমি ছবি তুলতে পারব না। - কিছু হবে না, শুধু একটাবার তোলো।
আমি তোমাকে মানা করেছি! ছবি তোলা নিতান্তই সহজ কাজ না!
যখন তুমি চিঠিটা পাবে, আমি তখন আলজেরিয়া থাকতে চাই।
আমি ফিরে আসার আগপর্যন্ত তুমি কি লক্ষ্মী মেয়ের মত থাকবে? তুমি কি আমাকে চিঠি লিখবে?
আমাকে ভুলে যেও না।
তুমি আমার সাথে কথা বলতে পারো।
আমি বলব না।
আমি শুধু এই পৃথিবীতে একজনকেই ভালোবাসি।
তাকে ভুলে যাও।
এসে দেখে যাও।
দাড়াও, এদিকে...
আংটিটা দেখো।
দেখতে পাচ্ছ?
তাকে ভুলে যাও। সে শুধু তোমাকে দুঃখই দিবে।
আমি পারব না।
এখানে।
একদম ঠিকঠাক।
তুমি অনেক সুন্দর! সোজা হয়ে দাড়িয়ে থাকো।
তুমি সুন্দর।
অনেক সুন্দর। তুমি আমাকে অদম্য করে তুলেছ।
ছেলে পুতুলটা হচ্ছে পিয়ের...
আমি তোমাকে হাসাতে পেরেছি।
আমার হাসি পেয়েছে।
আমার খুব ক্ষুধা লেগেছে।
স্যুপটা অনেক ভালো হয়েছে।
হেনরি, তুমি খুব ভালো কাজ করেছ।
কাজ হয়েছে?
ধন্যবাদ, হেলেন।
মারি আমার মেয়েদের মধ্যে সবচেয়ে আদরের।
সে সবচেয়ে আবেগপ্রবণ এবং মানসিকভাবে দুর্বল। তাকে সান্ত্বনা দাও। চিত্তবিনোদনের ব্যবস্থা করো।
তাকে ঘোড়ার দৌড় দেখাতে নিয়ে যাও। সে ঘোড়া খুব পছন্দ করে।
তাকে অপেরা দেখাতে নিয়ে যাও।
- আমি কীভাবে জানব... - সে বাইরে যেতে চায় না।
তাকে একা ছেড়ে দিতেও ভয় হচ্ছে।
সে ডিভোর্সের চিন্তা করছে।
- তার দ্বারা সবকিছুই সম্ভব। - না...
আমাদেরকে অবশ্যই তার মনমরা ভাব দূর করতে হবে। তাকে নিজের ক্ষতি করা থেকে রক্ষা করতে হবে।
তাকে হাসি-খুশী রাখো। দোহাই লাগে, তাকে রুমের বাইরে নিয়ে যাও।
তাকে ছেলেমানুষী করতে দিও না।
- তার সাথে স্বামীর মত আচরণ করো। - হ্যা, তার স্বামীর মত...
এ কাকে দেখছি।
জেন!
তো তুমি ভূত হয়ে যাও নি?
479
যদি হয়েও যেতাম, তাহলে এখানে আসা অসম্ভব হতো না।
এই ভয়ঙ্কর পোকাটা আমার পছন্দ হয়েছে। তোমার কাছে কেমন লাগছে?
আমি এটার প্রশংসা করছি যে, কেউ একজন ভীতিকর জিনিস দেখে মুগ্ধ হয়েছে।
অনেকটা ভয়ও পেয়েছে।
তোমার মুখে কথা আটকায় না। আমি এখন আর কোনো কিছুকে ভয় পাই না।
একজোড়া রঙিন ডানাওয়ালা প্রজাপতি।
সত্যিই, প্রজাপতি।
- *ন্যাটসুকি। - হ্যা... পাখির ন্যাটসুকি। (*ন্যাটসুকিঃ হাতির দাঁত বা কাঠের তৈরী ছোট কারুকার্য)
ঠাট্টা করছিলাম।
- কী বলো? - অনেকগুলো পোকা।
এই যে একটা। স্পঞ্জ এবং পরাশ্রয়ী।
- "পদ্মপাতার পোকা।" - "ভলোবিলিয়াসের পোকা।"
তোমার ভয়কে জয় করো।
তোমার পছন্দ হয়েছে এটা?
এটা আমার সুখের রক্ষাকবচ।
ইদানীং কোনো কাজে ব্যস্ত আছ?
আমি লিখছি। উইলি গল্পের বিষয়বস্তু বলে দিচ্ছে।
তোমার গল্প তোমার নিজেরই লিখা উচিত।
তোমার কাজ আমার খুব পছন্দ হয়েছে।
- তুমি কি কখনো আমার লিখা পড়েছ? - অবশ্যই।
তুমি আমার কাজ পছন্দ করেছ বলে গর্ববোধ করছি।
তোমার সাথে দেখা হয়ে ভালো লাগলো।
আমি খুব একঘেয়েমিতে ভুগছি।
আমি ছিলাম না বলে?
আমি এটা বলি নি। বলেছি আমি একঘেয়েমিতে ভুগছি।
অন্য আরেকজনের সাথে থেকে।
তুমি আমাকে হাসাতে পারছ।
শুরুটা ভালো হচ্ছে। তোমাকে দেখে কিছুটা নির্ভীক মনে হচ্ছে।
আমি আর কিছু বলার সাহস পাচ্ছি না।
তোমার ভালো লাগছে এখন?
চা-টা কড়া। আমার পছন্দ হয়েছে।
দেখো তো স্বাদটা কেমন।
তোমার কোনো ধারণাই নেই আমি কতটা দুষ্টু।
তোমার কি মনে হয় আমি নিরীহ?
তুমি বোকা কিনা? না।
বিস্ময়কর।
লাজুক।
খুব উত্তেজিত।
আমার মন বলছে তুমি আমার অবস্থা নাজেহাল করার জন্য আসছ।
- তো তুমি কি আসবে? - হ্যা, আমি আসব।
- আর তুমি কি আমার রক্ষিতা হতে চাও? - এতে কিছু যায়-আসে না।
হ্যা, হয়তো তোমার কিছু যায়-আসে না, কিন্তু অন্য কারো যায়-আসে।
কখন আসব?
দুঃসময় খুব তাড়াতাড়ি ধেয়ে আসে!
আহ, আমি বসে থেকে আমার হাতে থুতু ছিটাচ্ছি।
সে কেন এমনটা করল?
সে চলে যাওয়ার পর থেকে, আমার সৌন্দর্য অর্থহীন হয়ে পড়েছে। আমার শরীরী আবেদন এবং সম্মোহনীশক্তি...
নিরর্থক হয়ে পড়েছে। হৃদয় কষ্টে জর্জরিত হয়েছে।
তাকে কষ্ট দেওয়ার জন্য এক গাধার সাথে সময় কাটিয়েছি।
কিন্তু কোনো কিছুই আমাকে তৃপ্ত করতে পারছে না, হে প্রিয়।
কতটা অস্থিরচিত্ত এই যুবক।
সে এখন সামান্য এক জোরার সাথে রাত কাটাচ্ছে।
আনন্দ উপভোগ করছে, যেখানে আমি একটুখানি ভালোবাসা পাওয়ার জন্য ছটফট করছি।
তাকে কষ্ট দেওয়ার জন্য এক গাধার সাথে সময় কাটিয়েছি। কিন্তু কোনো কিছুই আমাকে তৃপ্ত করতে পারছে না, হে প্রিয়।
খেজুরবৃক্ষের ছায়ায় তোমার ভালবাসার এক কাঙাল তোমার দেহের সৌন্দর্য উন্মুক্ত করছে।
এই যে এখানে, তুমি সম্পূর্ণ নগ্ন।
তোমার যৌবনের সৌন্দর্য প্রকাশিত হয়ে পড়েছে।
সূর্যের তীব্র আলোর হাত থেকে বৃক্ষের ছায়া...
...তোমার বাদামি ত্বককে আড়াল করছে।
দিনের আলো নিভৃতে সরে পড়েছে,
আর জ্যোৎস্নার নীলচে আলো তোমার গায়ে মাখার সুযোগ করে দিয়েছে।
কিন্তু কোনো কিছুই আমাকে তৃপ্ত করতে পারছে না, হে প্রিয়।
আমি তোমার কাছে ফিরে আসব, তখন আমাকে তাড়িয়ে দিও না।
আমি এখন বুঝতে পেরেছি আমি তোমাকে ভালোবাসি।
তুমি আমাকে বিশ্বাস কর না- এ কথা বলো না। তুমি অন্য মেয়েদের মত না।
তাদের ঈর্ষা কতটা ভয়ঙ্কর তা তুমি জানো না। তুমি বলেছিলে তুমি আমাকে আমৃত্যু ভালোবাসবে।
তোমার কি সে কথা মনে আছে?
জেন, মঙ্গলবারে আসতে হবে না।
আমাদের সম্পর্কের এখানেই সমাপ্তি।
আমি বলেছিলাম সম্পর্কটা দীর্ঘস্থায়ী হবে না। তোমাকে কষ্ট দিয়ে থাকলে দুঃখিত।
আমার কারণে দুঃখ পেও না। আমার জন্য এসব করা তোমার সাজায় না।
ইতি, মারি।
- সোজা টানটান হয়ে বসো। - বসাটা এত সহজ না।
আপেলর মত স্থির হও। আপেল কি নাড়াচাড়া করে?
- আপেল। আমাকে আপেল বানাচ্ছো। - হাসি দাও।
- কী করছ তুমি? - মনোযোগী হচ্ছি।
এটা অসম্ভব! এটা নির্যাতন, মারি!
আমি জানি।
- আমি এই প্রথম ছবি তুলছি। - আমিও।
তুমি এটা দেখতে পারবে না। অত্যন্ত এখন না।
- আরেকটা তুলি? - না, না।
- এটাই শেষ। - তোমার সাথে?
দুষ্টু ছেলে!
- তুমি কি রাজি? - হ্যা।
তুমি কি বাসায় আছ?
অতীতের সন্দেহের জেরে তার প্রতি বিমুগ্ধ হয়েছি।
ভেবেছি সে আমাকে ভালোবাসে।
সে আমার চিন্তাভাবনা করার ক্ষমতা কেড়ে নিয়েছে।
সে আমার হৃদয় ভেঙে দিয়েছে।
আমি কষ্টে আছি।
অন্তত তুমি আমাকে ভুল বুঝো না, পিয়ের। আমি আর বাঁচতে চাই না।
আমার কথা শোনো!
আমি তাকে কখনো ভালোবাসি নি!
শোনো! পিয়ের, আমার কথা শোনো!
আমার কথা শোনো।
তুমি আমাকে এখানে ফেলে চলে গেছ।
আমি সবসময় তোমাকেই চেয়েছি।
তোমাকে ভালোবেসেছি।
তোমার নাম জপেছি।
তোমার ঠোঁটের ছোয়া পেতে ছটফট করেছি।
আমি তোমাকে ভালোবাসি।
আমি তোমাকে ভালোবাসি। তুমি কি শুনতে পাচ্ছ?
তোমাকে আমার কথা বিশ্বাস করতে হবে।
আমার কথা বিশ্বাস করতে হবে, পিয়ের।
কোনো বই বের হবে কি?
না, একটা ব্যক্তিগত কথা বলব।
আপনি নিশ্চয় লাইব্রেরীর পরিচালকের পদে নিযুক্ত হচ্ছেন?
শীঘ্রই হব, কিন্তু যা বলতে চাচ্ছি তা এটা না।
- আপনার স্ত্রীর ব্যাপারে কিছু বলতে চাচ্ছেন? - না, মারির ব্যাপারে।
বেশ, মারি...
সে মা হতে যাচ্ছে।
সে মনে হচ্ছে আনন্দের আতিশয্যে হা হয়ে গেছে।
আমার নাতি-নাতনী হবে। তুমি চিন্তা করতে পারছ?
একটা নাতি হবে, একটা নাতি...
আশা করছি একটা ছেলে হবে। মেয়েরা শুধু অশান্তি সৃষ্টি করে।
তুমি কী তার ধর্মপিতা হতে চাও? যদি হও আমি কৃতজ্ঞ থাকব।
আমরা তার নাম রাখব পিয়ের।
যদি ছেলে হয়।
মা আমার, পিয়েরকে ভুলে যাও।
তুমি তোমার স্বামীর উত্তরাধিকারীকে, তোমার সন্তানকে প্রত্যাখান করতে পারো না।
সে নিরবে তোমার যন্ত্রণা সহ্য করে গেছে। সন্তান হলে তোমরা দুজনেই সুখী হবে।
সুখী?
এখন হয়তো খারাপ লাগছে।
কিন্তু খুব শীঘ্রই তুমি স্বাভাবিক জীবন ফিরে পাবে। আবার ভালোবাসা পাবে।
খুব শীঘ্রই জীবন আবার রঙিন হয়ে উঠবে।
ফোরাইন চাচ্ছে তুমি হাসো।
তোমার আঁকানো চিত্রকর্মের মধ্যে থেকে।
পিয়ের, তোমার নিরবতা আমার হৃদয়ে বর্শার ন্যায় বিঁধছে।
আমি নিশ্চিত, আমার ভিতরে যে ছোট্ট বাবুটা জন্ম নিচ্ছে...
...সে আমাদের অসাবধানতার ফল। হয়তো তুমি যাওয়ার আগে বা
এমনকি ফিরে আসার পরে কাজটা হতে পারে। আসছে সেপ্টেম্বরে বাবুর জন্ম হবে।
চিঠির উত্তর দিও। আমি হাত জোর করছি।
তোমাকে ছাড়া, জীবন মূল্যহীন।
তোমার পাখি।
আমার টাইগার।
ছোট্ট পিয়ের।
আমি কিছু সরবৎ কিনে নিয়ে আসি।
কাছেই একটা দোকান আছে।
আমার ছোট্ট পিয়ের...
- সে আমাকে দেখে ভয় পেয়েছে। - তোমার তার সাথে খাতির জমাতে হবে।
তুমি কি দেখেছ সে দেখতে কতটা তোমার মত হয়েছে?
সে আমার চেয়ে সুন্দর হয়েছে।
এখন আমরা চিরজীবনের জন্য একটা বন্ধনে আবদ্ধ হলাম।
আমি তোমাকে ভালোবাসি।
সত্যি বলছ?
কতটা? সিকিভাগ?
কী নিয়ে হাসি-ঠাট্টা হচ্ছে?
সে বলছে ছোট্ট পিয়ের নাকি দেখতে তার বাবার মত হবে।
আমি আশা করছি সে দেখতে তার মায়ের মত হবে। সত্যি বলছি না, বন্ধু?
দেখো!
আফ্রিকা থেকে এমন একটা ধরে বাড়িতে নিয়ে এসো।
চাচাতো ভাইদের সাথে ছোট্ট টাইগারের একটা ছবি তোলা হয়ে যাক।
দেখো, লিটল পিয়ের। টাইগার্স!
এখানে দাড়াও।
হ্যা, একদম ঠিকঠাক।
একটা হাসি দাও। লিটল পিয়ের।
একটা হাসি দাও।
জায়গায় দাড়িয়ে থাকো।
হেনরি, সরে যাও।
অবশ্যই। দুঃখিত।
প্রথমে মা আর ছেলে।
হেনরি, তুমি খুব উদ্ভট কাজকর্ম করো!
- তুমি কি বাড়ি চলে যাচ্ছ? - দুঃখিত, ছবি তোলার খেয়াল মাথায় আসতে দেওয়া উচিত হয় নি।
তার ক্ষুধা পেয়েছে।
- কষ্ট পেয়েছ? - না, সমস্যা নেই।
আমার এসব গা সওয়া হয়ে গেছে।
- পিয়ের... - বলো?
তুমি কি মনে কর আমি তোমার দ্বারা প্রতারিত?
আমি মনে করি আমাদের বন্ধুত্ব আর তোমার শালীনতা সে অবস্থায় মুখোমুখি হওয়ার সুযোগ দেয় নি।
তোমার দৃষ্টিতে আমার প্রতি সমবেদনা প্রকাশ পাচ্ছে।
মোটেও না।
অন্য কারো চেয়ে তোমারই প্রতারক হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
তোমাকে ছাড়া, আমি আজ আস্তাকুড়ে পড়ে থাকতাম।
তোমার এ ঋণ আমি কখনো শোধ করতে পারব না।
হ্যা...
তুমি পারবে, পিয়ের।
শোধ করতে পারবে।
মাদাম ডি হিরিডিয়া।
- এত রাতে বিরক্ত করার জন্য দুঃখিত। - কিছু হয়েছে নাকি?
ঠিক আছে, আমি চলে যাচ্ছি।
হেনরি তোমার বাবাকে চাকরির সুযোগ করে দিয়েছে, আমাদের থাকার ব্যবস্থা করেছে।
এজন্য আমি কৃতজ্ঞ।
তা না হলে, আমরা আজ রাস্তায় পড়ে থাকতাম।
কিন্তু আমাদের লুয়িস এখনো অবিবাহিত। তুমি তো তাকে চেনো।
তার মাথায় উদ্ভট চিন্তা ঢুকেছে।
সে বিয়ে করতে চায়।
তাহলে বিয়ে দিয়ে দিলেই পারো।
যৌতুক ছাড়া বিয়ে দেওয়া এত সহজ না। তাছাড়া সে শুধু পিয়ের লুয়িসের কথা বলছে।
লুলুয?
তাকে তখন লুয়িস লুয়িস বলে ডাকা হবে। শুনতে হাস্যকর লাগবে!
তোমার কী হলো বলো তো?
তোমার কোনো সমস্যা?
মোটেও না।
তুমি জানো, সে ঘর-সংসার করার মত ছেলে না।
সে সবসময় দেশ-দেশান্তরে ঘুরে বেড়ায়।
তার রক্ষিতার সাথে সময় কাটায়।
লুয়িস কখনো সুখী হতে পারবে না।
সে কেন সুখী হতে পারবে না? তুমি তো পেরেছ।
আগের মতই এমএলএইচ।
আগামীকাল বিকেল ৪ টায়।
- লুলুয? তুমি এখানে কেন এসেছ? - আমাদের পারিবারিক বন্ধুত্বের খাতিরে।
শোনো। বাবার কাছে টাকা-পয়সা নেই।
যৌতুক নেই, বরও নেই, তাই নিজের ব্যবস্থা নিজেই করতে হবে।
আমাকে তোমার সেক্রেটারি বানাবে?
লুয়িসকে কি তুমি আমার কাছে পাঠিয়েছিলে?
তুমি তাকে তাড়িয়ে দিতে পারতে।
আমার সিদ্ধান্ত তুমি নিতে পারো না।
সিদ্ধান্ত তো তুমিই নিয়েছ।
যেহেতু তুমি তার সাথে শুয়েছ, তাই এখন তাকে বিয়ে করতে বাধ্য।
তোমাদের বিয়েটা আমার আর হেনরির বিয়ের মত হবে।
আমি বিয়ে করতে চাই না!
এটা তো আমাদের জন্য সুবিধার হবে।
তোমার সাথে আর চুপিসারে দেখা করতে হবে না।
আমি তোমার দেখাশুনা করব এবং তোমার কাছাকাছি থাকব।
তোমাকে কখন হারাতে দিব না।
তুমি না চেয়েছিলে আমাদের মাঝে তৃতীয় আরেকজন থাকুক?
আমি তোমাকে এতটাই ভালোবাসি যে অন্য কারো সাথে আমার ভালোবাসা ভাগাভাগি করতে পারব।
তুমি কি শুনছ আমি কী বলছি?
কে তোমাকে গভীরভাবে ভালোবাসবে বলো তো?
মারি?
নাকি লুয়িস?
নাকি আমরা দুজন মিলে তোমার কল্পনায় যে মেয়েটাকে সৃষ্টি করব সে?
কল্পনা করো...
তার ভেজা চুলের কথা কল্পনা কর।
সে তোমার ছোঁয়া পাওয়ার জন্য উদগ্রীব হয়ে আছে।
তুমি তাকে উত্তেজিত করছ
এবং তাকে চুমু খাওয়ার চেষ্টা করছ, আমি চোখ বুজে তোমাদের গোঙানি শুনছি।
গোঙানি শুনে আমিও উত্তেজিত হয়ে পড়ছি।
তুমি আমাদের স্তন নিয়ে তুলনা করছ।
আমাদের যোনী নিয়ে।
আমাদের গোঙানি, আমাদের শীৎকার নিয়ে।
বিকেলটা তুমি আমার সাথে কাটাচ্ছো।
আর রাত কাটাচ্ছো লুয়িসের সাথে।
তুমি আমাদের প্রথম মিলনের কথা মনে রাখবে।
একই বাদামি দেহ। একই মুখ।
তুমি লুয়িসকে খুশী করতে চাও, কিন্তু সাথে আমাকেও।
তুমি তো বিড়ালের মত চুপিসারে এসে দাড়ালে।
আমার এমন প্রতিক্রিয়ায় কিছু মনে করো না। জানোই তো...
তোমার *মনাকল... (*মনাকলঃ এক চোখের চশমা)
- তোমাকে কিছু কথা বলার আছে। - আমাকে কখনো কিছু বলার প্রয়োজন নেই।
আমি লেখালেখি শুরু করেছি।
কী লিখেছি পড়তে চাও?
- তোমার মতামত কিন্তু গোনায় ধরা হবে না। - অবশ্যই।
প্রেমের গল্প নাকি?
সমাপ্তিটা কি সুখের হয়েছে?
সব ভালোবাসাই শেষে বিলীন হয়ে যায়। তুমি কি সেটা জানতে না?
তুমি কি কিছু না বলেই চলে যাবে?
- দাড়াও। - মারি, ফটোগ্রাফার আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে।
তুমি দেরি করে এসেছ।
- একটা চুমু দিয়ে যাও। - তোমাকে খুব সুন্দর লাগছে।
তুমি বিয়ের জামা পড়ে ঘুরছ। বিয়ের আগে কনেকে বিয়ের জামায় দেখা অমঙ্গল।
- এটা কি সত্যি? - লুলুয, আসো তো।
আমাকে আগে বলো নি কেন?
তোমার চোখ খুলো।
মায়েদের তার মেয়েদেরকে এমন বই পড়তে দিয়েও লাভ হবে না যেখানে লেখা থাকেঃ
"তোমার বোনের প্রেমিকের সাথে শুতে যেও না। এটা ইনসেস্ট।"
কারণ মেয়েরা শুধু বাহানা খুঁজেই যাবে।
ল্যান্ডডৌজি কালকে বিকেলে এসে দেখে গেছে।
সে আমাকে জলচিকিৎসার পরমর্শ দিয়েছে। যা দেখি সবই যেন চোখ ঝলসে দেয়।
কখনো কোনোকিছু দেখতে এতটা কষ্ট করতে হয় নি। আমি কখনো আগেভাগে ঘুমাতে যাই নি।
তুমি এটা কল্পনা করতে পার? এই আমাকে?
যেই আমি সিগারেট ভালোবাসতাম কালো চুলের মেয়েকে এবং প্রকৃতির রূপ দেখতে ভালোবাসতাম
সে এখন এসব থেকে দূরে থাকতে বাধ্য হচ্ছে।
এটা একটা পরিত্রাণ।
গার্ডার্ড ডি হাউভিল ল'কনস্ট্যান্টে
যদি চোখ ভালো হয়,
আমি সবকিছু নতুনভাবে দেখতে পেয়ে খুশী হব।
আলোর মৃদু ঝলসানি...
...আমার চোখে সৌন্দর্য হয়ে ধরা দিবে এবং অন্ধকার দূরীভূত হয়ে যাবে...
...এবং আমাকে এক নতুন জগতের সাথে পরিচয় করিয়ে দিবে। এখনকার চেয়েও বেশি সুন্দর জগতের সাথে।
আর যদি চোখ ভালো না হয়, আমার তোলা যত ছবি আছে...
- কেউ তোমার কাছ থেকে সেগুলো কেড়ে নিতে পারবে না। - না।
তারা আমার স্মৃতিতে অস্তিত্ববান হয়ে থাকবে।
আমি চোখ বুজে তাদের স্মৃতিচারণ করব।
আপনাকে ধন্যবাদ। আমাদের সকল কপি বিক্রি হয়ে গেছে। *রিভ্যু ডি প্যারিস পাঠক মহলে বেশ সাড়া ফেলেছে। (*রিভ্যু ডি প্যারিসঃ ফ্রান্সের সাহিত্য ম্যাগাজিন)
সত্যি? সব বিক্রি হয়ে গেছে? তো গারার্ড ডি হাউভিল ছদ্মনামটা সাফল্য বয়ে এনেছে?
তারা হয়তো ভেবেছে গারার্ড ডি হাউভিল নামটা...
কোনো এক পাকা দাড়িওয়ালা বুড়ো লোকের হবে। কোনো সুন্দরী যুবতী মেয়ের হবে না।
এই কারণে হয়তো ম্যাগাজিনটা বেশি বিক্রি হয়েছে।
সবাই প্রেমের গল্প খুব পছন্দ করে।
বিশেষ করে সেগুলো যখন নাড়া দেওয়ার মত হয়।
আমি কি আপনাকে নাড়া দিতে পেরেছি?
না, আপনি আমাকে মুগ্ধ করেছেন।
পিয়েরের মত অদ্ভুতভাবে কোনো ঘটনার বর্ণনা দেন নি।
কোনো রহস্য না করে আপনি সোজাসাপ্টাভাবে গল্প বলার চেষ্টা করেছেন।
ধরতে গেলে লেখাটা পুরুষবিষয়ক।
এটা আধুনিক রচনাশৈলী।
আমার বন্ধু পিয়েরকে নিয়ে বাজে বকবেন না।
সে একজন শিল্পী। বিখ্যাত কবি।
যতদিন পর্যন্ত মানুষ তাকে মনে রাখবে।
আপনার কি আজ রাতে আমার সাথে ডিনার করার সময় হবে?
আজ হবে না।
আবার দেখা হবে।
সে রাতের কথা ভুলে যেও না যে রাতের স্বল্প সময়টুকু আমরা একসাথে কাটিয়েছিলাম।
যে রাতটা বিধাতা আমাদের উপহার দিয়েছিলেন।
একজনের কম্পিত কাঁধে অন্যজনের মাথা রাখা।
প্রেমের ছোঁয়ায় ধন্য হওয়া দুটি জীবন, ক্ষণস্থায়ী সুখানুভূতি।
মনে রেখো সে রাতের কথা।
যে রাতে আমরা বিছানায় পাশাপাশি শুয়ে...
...কম্পিত হস্তে একে অপরকে স্পর্শ করেছিলাম।
পরস্পরকে বলেছিলাম, হৃদয় সব গোপন কথা...
...অবিস্মরণীয় অমূল্য কথার ছন্দমালা, সেগুলো স্মৃতির পাতায় হয়ে আছে জমা।
অনুবাদকঃ
Noor Rakib
Noor Raki
Noor Rak
Noor Ra
Noor R
Noor
Noo
No
N
অনুবাদকঃ
অনুবাদক
অনুবাদ
অনুবা
অনু
অ
বাংলা সাবটাইটেল দিয়ে মুভিটি উপভোগ করার জন্য ধন্যবাদ ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং(⭐⭐⭐) করুন নিজে সুস্থ থাকুন এবং অন্যকেও সুস্থ রাখুন
☀পিয়ের লুইস এবং মারি ডি রেগনিয়ারের ফটোগ্রাফি এবং পত্রবিনিময়ের ঘটনাবলী থেকে অনুপ্রাণিত একটি চলচ্চিত্র☀
Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.