Afrikaans
Akan
Albanian
Amharic
Arabic
Armenian
Azerbaijani
Basque
Belarusian
Bemba
Bihari
Bosnian
Breton
Bulgarian
Cambodian
Catalan
Cebuano
Cherokee
Chichewa
Chinese (Simplified)
Chinese (Traditional)
Corsican
Croatian
Czech
Danish
Dutch
Esperanto
Estonian
Ewe
Faroese
Filipino
Finnish
French
Frisian
Ga
Galician
Georgian
German
Greek
Guarani
Gujarati
Haitian Creole
Hausa
Hawaiian
Hebrew
Hindi
Hmong
Hungarian
Icelandic
Igbo
Interlingua
Irish
Italian
Japanese
Javanese
Kannada
Kazakh
Kinyarwanda
Kirundi
Kongo
Korean
Krio (Sierra Leone)
Kurdish
Kurdish (Soranî)
Kyrgyz
Laothian
Latin
Latvian
Lingala
Lithuanian
Lozi
Luganda
Luo
Luxembourgish
Macedonian
Malagasy
Malay
Malayalam
Maltese
Maori
Marathi
Mauritian Creole
Moldavian
Mongolian
Myanmar (Burmese)
Montenegrin
Nepali
Nigerian Pidgin
Northern Sotho
Norwegian
Norwegian (Nynorsk)
Occitan
Oriya
Oromo
Pashto
Persian
Polish
Portuguese (Brazil)
Portuguese (Portugal)
Punjabi
Quechua
Romanian
Romansh
Runyakitara
Russian
Samoan
Scots Gaelic
Serbian
Serbo-Croatian
Sesotho
Setswana
Seychellois Creole
Shona
Sindhi
Slovak
Somali
Spanish
Spanish (Latin American)
Sundanese
Swahili
Swedish
Tajik
Tamil
Tatar
Telugu
Thai
Tigrinya
Tonga
Tshiluba
Tumbuka
Turkish
Turkmen
Twi
Uighur
Ukrainian
Urdu
Uzbek
Vietnamese
Welsh
Wolof
Xhosa
Yiddish
Yoruba
Zulu
নিয়মিত সাউথ ইন্ডিয়ান মুভি সম্পর্কে আপডেট পেতে জয়েন করুন ব্লকবাস্টার সাউথ ইন্ডিয়ান মুভি লাভারস বাংলাদেশ গ্রুপ fb.com/groups/SouthFansBD
অনুবাদ আয়োজনেঃ ♥সাউথ সাবমেকার্স প্যানেল।♥
অনুবাদ অংশগ্রহণেঃ ★আদনান সৈকত ★মঈন হাসান...
অনুবাদ অংশগ্রহণেঃ ★মাহির মুনিম ★তওসিফ এইচ. সায়মন ★সাকিব রহমান
সম্পাদনাঃ সাকিব রহমান
"Lukka chuppi" - "লুকোচুরি"
আমার সবজিগুলো মেপেছ? - হ্যাঁ, অনেক আগেই মেপেছি।
বড় দেখে ২ টা মুলা দাও.. ..আর কিছু শাকও দিও।
নাও।
এই নাও টাকা।
বাকি টাকা নিয়ে যান।
- এটা কত? - ৩৫০ টাকা।
- আরো বাঁট। - এসব ব্লান্ডারে করলেই তো হয়?
দেখ মেয়ে.. মাছের কারি তখনি সুস্বাদু হয় যখন শীল দিয়ে বাঁটা মশলা দ্বারা রান্না করা হয়।
তোর মাকে জিজ্ঞেস কর.. সেও এটা বলবে।
আমি শুনেছি একসময় তোমরা দুজনে একসাথে রান্নাবান্না করতে!
- কী বললি? - কিছুনা।
কী?
ঘরে চাল-তরকারী কিছুই নেই।
আজকে দ্রুত বাড়িতে আসতে পারবে?
আমি গাড়ি চালাচ্ছি। কিছুক্ষণ পর কল দিব।
বেনি ভাই.. বেনি ভাই গাড়ি থামান।
বেনি ভাই.. কেমন আছেন?
"কেমন আছি" সেটা জিজ্ঞেস করার জন্য অটো থামাইছিস?
আলাভি ভাইকে শহরের কোথাও পাইলাম না.. আমি সেখানে গেছিলাম।
তার জন্যে একটা কুরিয়ার আছে।
সে নদীর মাছ কেনার জন্যে হয়ত কোথাও গেছে।
কুরিয়ার?
অটোতে রেখে দে.. আমি তাকে দিয়ে দিব।
- কিন্তু এখানে তার সই লাগবে। - আমিও সই করতে জানি!
- আমার সই দিয়ে হবে তো নাকি? - অবশ্যই হবে।
আমাকে দে।
আপনার শরীর থেকে বিকট গন্ধ আসতেছে কেন?
ভুল করিয়েন না! পরে আমার চাকরি চলে যাবে।
মদ্যপান করলে স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায়!
- শুনছ নাই নাকি? - শুনব না কেন! অবশ্যই শুনেছি।
এটাই..
অটোর ভিতরে রেখে দে।
শুনলাম.. তারা নাকি পার্টি দিবে। গেট-টুগেদার বা রিইউনিয়নের মত!
তাহলেতো আজ বেশ মজমাস্তিতে আছেন, তাইনা?
আমি মাস্তিতে আছি? আমি একটা কাজে যাচ্ছি।
- এই! তোর সাথে আমার কথা আছে। - সমস্যা নাই! পরে কথা হবে।
জাহান্নামে গিয়েছিলি নাকি? (এতক্ষণ লাগে আসতে!)
তোমার সব জিনিসপত্র কিনতে হবেতো নাকি?
-এটা কোনো বেঞ্জ গাড়ি না যে হাওয়ার বেগে চলবে! -এগুলা নামাতে সাহায্য কর।
তাহলে কুলির সেবার জন্য তোমাকে অতিরিক্ত টাকা দিতে হবে।
তুই আর তোর আজগুবি ইংলিশ!
শান্তির জন্যে আজ তুই মদ খাচ্ছিস..
..পরে এই মদ তোর ফুসফুস খেয়ে বসবে।
আলাভি ভাই..
আমি সন্ধায় আসব।
যদি তুমি ব্যবস্থা করতে পারো! আমার এক গ্লাস হলেই চলবে।
স্বপ্নেও কল্পনা করিছ না..!
সিদ্ধার্থ অনেক বছর পরে এই গেট-টুগেদারের আয়োজন করেছে।
এই ত্রিসীমানায় আসার সাহসও করবিনা!
বলতে চাচ্ছিলাম.. গত কয়েকবছর ধরে বিদেশী মদ দিয়ে গলা ভিজাতে পারি নাই।
স্কটল্যান্ডের এক গ্লাস দিলেই হবে।
এটা সিধুর বাড়ি না?
আমাকে ধরে ভিতরে নিয়ে যেতে পারবে?
গাড়িটা একজায়গায় পার্ক করে রেখো।
- সে ঘরে আছে? - খুব শীগ্রই আসতেছে।
- ভাই.. আমার জন্য একটা বোতল কিনে আনতে পারবে? - আজকে সব বন্ধ, স্যার।
"ব্যাটারী ওয়াটার" হলে চলবে?
তুমি "ব্যাটারি ওয়াটার" চিনো? ওটা হলেই চলবে।
চেষ্টা করে দেখব, স্যার।
এই.. জুতা বাহিরে রাখতে হবে।
পান করার জন্য কিছু দিব?
তোমার নাম কী?
আসার পথে আন্টির সাথে দেখা করে এসেছি আমাদের পুরানো বাড়িতে।
এক মাতাল আসছে যে তোমাকে বন্ধু বলে দাবী করে..
..আর মদে বুঁদ হয়ে পা দোলাচ্ছে।
উঠ.. এই উঠ.. উঠ..
কতদিন পর দেখা হল..! কোথায় ছিলি এতদিন?
আমি এখানেই ছিলাম। আর কোথায় যাব?
আমার স্ত্রী রেভথি।
রঘু.. তুমি খুব তাড়াতাড়ি এসেছ তাইনা?
নিজের কী হাল করেছিস!
তুইতো আগের মতোই স্মার্ট আছিস।
এটাই আমার কাজ।
তার সাথে তোর ভালোই খেলাধুলা হয়..
..নাহলে তাকে কেনো এত সেক্সি দেখাচ্ছে?
মানু!
কি করতেছিস এইগুলা?
আয়, বস এখানে।
তাদেরকে রুমে দিয়ে আসতেছি।
এই কোন শহরে থাকো তুমি? এ্যানি কি আসলেই ফ্যাশন ডিজাইনার?
কেনো তুমি তাকে সহ্য কর.. আমি ভেবে কারণ খুঁজে পাইনা।
- কি করতেছো? - বাবা! আমাকে দাও।
এটা গেইম খেলার জন্য না! আমার কাজ করার জন্য।
আমি ৭২ লেভেল পার করে ফেলেছি, দাও না আমাকে?
বাবা!
ঠিক আছে, এই নাও।
- সেও কী আসবে? - কে?
তোমার.. সাবেক নায়িকা।
রাধিকার কথা বলতেছো? সেতো আমেরিকাতে পড়ে আছে।
এটা খুলে ফেল।
- তোমার নাম কী? - মানু।
- কোন ক্লাসে পড়? - চতুর্থ শ্রেণীতে।
- তুমি আমাকে চেনো? - হ্যাঁ।
- কে আমি? - বাবার বন্ধু, তাইনা?
আংকেল, তোমার নাম কি?
রঘুরাম।
- তুমি কি কর? - বেকার।
বাবাকে বল, সে তোমাকে ভালো চাকরি দিবে।
বলব.. তোমাদের বাসাটা খুব সুন্দর!
অনেক সুন্দর!
মানু..
ভিতরে গিয়ে খেলো।
সাবধানে চালাবে, এটাতে আমার কিছু গুরুত্বপূর্ন ফাইল আছে।
এক মিনিট!
কিছু মেহমান আসার কথা ছিল!
তুই ঐধরনের একজন ব্যক্তি..
..যাদের ঘর নদীর তীরে এবং যারা ফ্যাশনের জন্য মাছ ধরে।
তোর যন্ত্র কই?
এই ! না.. না..
এক মিনিটের জন্য দে।
দে না রে.. ভাই।
এক মিনিট!
বল..
তোর মোবাইল কোথায়?
বাথরুমের কমোডে গোসল করতেছে।
গতবছরের প্রায় পুরো সময় আমি তোকে কল করেছিলাম।
আর কল দিলেই সবসময় বলত সংযোগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছেনা! মোবাইলটা কোথায় হারিয়েছিস?
- আমি সেটা বাথরুমে ফেলে দিয়েছি। - কী?
- একেবারে কমোডের ভিতরে। - কমোডে??
হ্যাঁ, মোবাইলটা এখন হয়ত সমুদ্রে ভাসতেছে..
..আর স্রোতে ঘুরতেছে।
তুই একটুও বদলালি না।
আমি ভেবেচিন্তেই কাজ করি।
বিজ্ঞাপন এজেন্সী দক্ষ টেকনিশিয়ানদের ভাড়া করেছে তাদের ক্রিয়েটিভ ডিপার্টমেন্টের জন্যে..
..আর আকর্ষণীয় নতুন থিম বানানোর জন্য।
কেনো তুই এসব হাবিজাবি তৈরী করতে চাস?
তোর কোটি কোটি টাকা আয় করার ক্ষমতা আছে।
তুই শুধু একটু পরিশ্রমী হ!
এসব আলতু-ফালতু চিন্তাভাবনা মাথায় রাখিস না।
তো আমাকে এখন কোটি টাকায় আয় করতে হবে?
নয়ত কী?
বাড়ি.. গাড়ি.. সংসার.. এসব আমাকে আকর্ষণ করে না।
আর নিজেকে খুঁজতে বের হব।
অন্তত: এইভাবে আমি নিজেকে হারাব না!
সন্যাসীদের মতো কথা বলা বন্ধ কর।
সুন্দরভাবে জীবনযাপন করলে গেলে তোর এই সমস্যা হয়।
আমি নিজেকে খুঁজতে বের হব।
আর কিছু? এ্যানি কোথায়?
রফিক বলল তুই নাকি সবসময় মাতাল থাকিস?
যার কারণে সে বাড়িতেই আসতে চায় না।
ইদানিং তোকে কিছু অকামে ব্যস্ত দেখাচ্ছে।
এটা কী কোনো অন্য সম্পর্কের কারণ?
চুপ কর। এমনিতে ঝামেলার শেষ নাই!
সে আমার উপরে ক্ষেপে যাবে।
এ্যানি..!
সময় আসলে আমি তোকে বলব।
কি ব্যাপারে?
- একত্রিত হতে পারব না। - কি?
- কাজ করতেছে না। - কী?
- যোগ্য নয়। - কে?
তোর গবেট মার্কা চেহারা!
আমার সাথে আয়। কথা আছে।
উঠ.. কথা আছে।
চল, গলা ভেজাই..
..তোকে শান্তি এনে দিবে!
বাহ! বলার সাথে সাথে লাফালাফি শুরু করে দিলি।
যেভাবে এসেছিস আমি ভাবছি তুই সারারাত নাক ডেকে ঘুমিয়ে কাটাবি।
এটাতো ঐ বুড়োটাকে বোকা বানানোর জন্য করেছি।
ছাই রাখার ট্রে কই?
কোনো ট্রে ফ্রে'র দরকার নাই।
বল.. কি সমস্যা তোর?
- কোনো সমস্যা নাই। - জানিস?
আমি তোকে আর এ্যানিকে দেখে ঈর্ষান্বিত হয়ে গেছি।
..কর্মাস ব্লকের ভিতরে, গুলমোহর গাছের নিচে।
তুই একটা গল্পের স্ক্রিপ্ট লিখেছিলি না? আর মোহনালালকে দিয়ে অভিনয় করাতে চেয়েছিলি?
এমনকি তুই প্রশংসাযোগ্য সংলাপও লিখেছিলি?
এ্যানি আর আমি.. গুলমোহর গাছের নিচে..
যদি মোহনলাল এই চরিত্র করত তাহলে সে আর অভিনয় জগতে থাকত না।
এখানে না আছে গুলমোহর গাছ.. আর না আছে বৃষ্টি!
এখানে কখনো এমন কিছু ছিলনা যা আমাদের একত্রিত করে!
এমনকি! ওই সময়টাতে আমরা বলদের মত ছিলাম।
রাধিকা'ই একমাত্র তোকে দেখে রাখত।
তার নাম উচ্চারণ হলেই তোর রক্তচাপ বেড়ে যায়!
রাধিকা!
মুম্বাইতে আমি সব বড় বড় নায়িকাদের দেখেছি।
কিন্তু কেউই তার ধারেকাছে যেতে পারবেনা।
তুই কী জানিস?
১৯৯৭ এর গ্রীষ্মকালীন ছুটির পর..
আমাদের কলেজের বাস স্টপে আমি বাস থেকে নামতে যাচ্ছি..
আমি কেবল পা বাড়ালাম আর তখনি হটাৎ কোথায় থেকে বৃষ্টি পড়া শুরু হয়।
আমি যখন রাস্তার অপরপাশে তাকালাম.. দেখলাম, সে আমার দিকে হেঁটে আসছে।
- রাধিকা - আর যে চাহনি নিয়ে সে আমার দিকে তাকিয়েছিল!
বৃষ্টিরফোটার সাথে তার ভেজা চুল..
আর চুল থেকে বিন্দু বিন্দু জল তার মুখে এসে পড়তেছিল।
আহা!!
আমি সেই দৃশ্য দেখে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিলাম।
স্তব্ধ মানে.. আমি সেই মুহুর্তে নিজেকে হারিয়ে ফেলেছিলাম।
আমি শুধু দাঁড়িয়ে দেখতেছি আর সে আমার দিকে হেঁটে আসতেছে।
যখন আমার হুশ ফিরে এলো..
..বেশকিছু সময় পর! আমি সোজা তার দিকে ছুটে গেলাম।
বুড়ো লোকটার খাবার দোকানের কথা মনে আছে?
আমি দৌড়ে গিয়ে তার থেকে একটি পুরানো ছাতা নিয়ে আসি।
এরপর আমি তাকে ছাতার নিচে নিয়ে নিলাম।
শুধুমাত্র আমি আর সে এক ছাতার নিচে, সাথে বৃষ্টির আনন্দ অশ্রু আমাদের চারপাশে!!
বৃষ্টির সময় আমি আর সে ছাতার নিচে..
জেসমিন ফুল চিনিস তুই?
তার চুলের খোঁপায় ছিল জেসমিন ফুল।
খোঁপায় থাকা সে জেসমিন ফুল থেকে সুগ্রান ছড়িয়েছিল বৃষ্টির ফোঁটায়!
আর তার শরীর থেকে পারফিউমের সুগন্ধে আশপাশ সুগ্রানে ভরে গেছে।
যেটা আমাকে উত্তেজিত করে তুলেছিল!
আইয়াপ্পা পনিকর এর কবিতা মনে পড়ে গেল।
[কুরুক্ষুথি মুল্লা - জেসমিন ফুল]
যৌবন আমাতেই আছে ফুল যে বলে তা নিরবে..
জেসমিন ফুঁটে আর মৌমাছি তার রস চুরি করে।
উচ্চারণ হবে ফোঁটে। আরে ফুঁটা, ফোঁটা একটা হবেই।
আমার এক প্রতিবেশীর ডাকনামটা এমনি শোনাত!
লোনের বোঝা মাথায় নিয়ে সে আত্মহত্যা করেছিল।
এমনভাবে কথাটা বলছি যেনো এটা কোন ব্যাপারই না!
বাদ দে! রাধিকার গল্পতে ফিরে চল।
-আর যখন আমি বাস থেকে নেমে যাই.. -তোর স্ত্রীর নাম কী যেন?
একেবারে.. মুডটাই নষ্ট করে দিলাম।
কী নিয়ে হাসাহাসি হচ্ছে?
সে তার ভক্তদের নিয়ে কথা বলছে।
আহা-রাধিকা! সে ভক্ত বানিয়ে দিয়েছে।
চা খাবে?
আমরা চা মদে মিশিয়ে নিতে পারি? না ! একেবারে বিচ্ছিরি স্বাদ হবে।
আমি তোমাকে পরে বলব।
সে জানে? আমি বলে দিব?
আয়।
আলাভি ভাই, ছাই রাখার ট্রে আর আমার ফোনটা নিয়ে আসো।
কতদিন ধরে তুই এখানে আছিস?
নারে..আমি মাঝেমধ্যে এখানে আসি।
বল, এ্যানির সাথে তোর কী সমস্যা হয়েছে?
এখানে বসে বল।
কোন সমস্যা নাই।
এখানে রেখ।
সে তোর সাথে মানিয়ে নিচ্ছেনা?
এটাই সমস্যা তাইনা?
নাকি তোদের সন্তান নেই এই কারণে?
সন্তান নাই এতে কী সমস্যা হতে পারে?
তাহলে সমস্যা কোথায়?
সে এরচেয়ে ভালোকিছুর দাবীদার।
এটুকুই..!
রফিক, তাকে ভিতরে আসতে বল।
ওই বালতি..
ব্যাটা মটকু!
আমার ১৫০ টাকা ফেরত দে।
জনাব কবি সাহেব..
নে শুরু করা যাক।
আরে না। এই হল সুহরা।
সুহরা রফিক।
সেওতো রফিক নাকি? তাহলে বাড়াবাড়ি কিসের?
আর এই হল আমার সবচেয়ে দামী সম্পদ "হান্নাহ"।
হান্নাহ?
ও রফিক.. আর সে সুহরা।
এই! সে সুহরা রফিক।
সুহরা'র সাথে এই প্রথম দেখা হল।
আশ্চর্যের বিষয়তো হবেই! আমাকে খাঁচার পাখির মতো বন্ধি করে রাখে।
এ্যানি আসবেনা?
আসবে।
এই, রাধি..
তোরা সবাই কেমন যেন হয়ে গেছিস!
সুহরা.. চল, আমরা ভিতরে গিয়ে বসি।
আমি তোমাকে চিনি, তুমি গান লেখ, তাইনা?
গান নয়! কবিতা।
পার্থক্য কোথায়! তুমি মদ খাও কবিতা লিখার জন্য?
আমি লিখি মদ পান করার জন্যে।
অল্প পান কর। নিজের শরীর খারাপ করোনা।
অনুবাদ আয়োজনেঃ সাউথ সাবমেকার্স প্যানেল।
হঠাৎ করে একজনের সাথে দেখা হলে মানুষ এইভাবে কথা বলে?
মাতালরা এমন কথার-ই যোগ্য।
- সে বিয়ে করেছে? - প্রেমের বিয়ে।
মেয়েটা অন্ধ নাকি?
তোমার কোন ধারণা আছে কে সে??
সে তোমার বাবার মতো দুইটাকার কনট্রাকটর নই।
সে বিজ্ঞাপন এজেন্সীতে সবচেয়ে উচ্চতর পদে চাকুরী করে।
মাসে দেড় লাখ টাকা আয় করে।
এই মাতালটা? যে সারাদিন মদে বুঁদ থাকে?
তোমার এই হিংসাত্মক কথার কারণে আমি তোমাকে কোথাও নিয়ে যাইনা।
আমি সেটা ভালো করে জানি !
এবার তোমার কাছে কোন উপায় ছিলনা! আমাকে তোমাদের বন্ধুদের দেখানো ছাড়া?
শুধু ২ গ্লাস খাবে।
যদি এরচেয়ে বেশী খাও, তাহলে আমি আমার বাবাকে বলে দিব।
কিরে .....!!
রফিক্কা..
এত তাড়াহুড়োর কারণ কী?
আজকাল জীবনটা বিরক্তিকর হয়ে গেছে।
আগে সুহরা রাতে আমার জন্য অপেক্ষা করত যতক্ষণ না আমি হাসপাতাল থেকে ফিরে আসতাম।
কিছু সময় পর.. সুহরার বদলে কাজের বেটি অপেক্ষা করত।
ইদানীং সেও দ্রুত ঘুমিয়ে পড়ে।
এজন্য আমি যা পাই তাই খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ি।
এই একই কাহিনী ঘটছে গত ৫ বছর ধরে।
খেলাধুলার ব্যাপারে বল।
কতদিন ধরে নিজের ক্ষেতে নিজেই হাল চালাতে মন চাইবে!
মূলত অন্যজনের ক্ষেতে হাল চালানোর মজাই আলাদা।
সাধারণত মালায়ালি'রা চল্লিশ বছর পর যৌনশক্তি হারিয়ে ফেলে।
৩৫ বছরের পর থেকে ধীরে ধীরে এই শক্তি কমতে শুরু করে।
আমার মতে, কেরালা সরকারের উচিত নতুন আইন জারি করা।
"বিয়ের ৫বছর পর বউকে নিজের বোন বলে ঘোষণা করতে হবে।"
তাহলেই সে আরেকজনকে বিয়ে করতে পারবে।
নৌকার ইঞ্জিনের মতো ধুঁয়া ছাড়ছিস কেন?
-গোল্ডলিফ তো.. তাই। -তাহলে আমাকেও দে।
সিধু..এটা আসলেই অস্থির!!
আমারও ভালো লাগে।
তাই নাকি?
এক মিনিট
সত্যিই, তুই অনেক বদলে গেছিস।
তার ইংরেজিতে কথা বলা শুন।
কিরে.. কী সমস্যা ওর?
চল তো।
অনুবাদ সম্পাদনায়ঃ সাউথ সাবমেকার্স প্যানেল।
আমি তোকে হাই-প্রেশারের কিছু ওষুধ লিখে দিব?
এমনিতে আমি খাবারের মতো ৩ বেলা ওষুধ খাই।
আমার গ্লাসটা নিয়ে আয়।
পা সরা।
বিরক্তিকর ব্যাপার-স্যাপার! টেনশনে অবস্থা খারাপ হয়ে যায়।
প্রেম, মারামারি, খেলাধুলা এইসব মিলে কলেজ জীবনটা অনেক মধুর ছিল!
আহা! আগে কত সুন্দর দিন কাটাইতাম!
আমার সব চিন্তা তাকে ঘিরে.. ..রাধিকা!!
কলেজে লাইব্রেরির কথা মনে আছে?
পুরানো বইয়ের পাতায় অদ্ভুত একটা গন্ধ ছিল..
..আমার মন সেখানেই আঁটকে আছে।
সে সবসময় গোশত-আলু নিয়ে আসত।
উফ! কী যে সুস্বাদু ছিল!
আমি প্রায়ই ক্ষুধার্ত হয়ে যেতাম..
..তার আনা গোশত-আলু খাওয়ার জন্যে।
ডাক্তার হওয়ার পর লোকে আমাকে জিজ্ঞেস করে, কিভাবে আমি এত মোটা হয়েছি?
দোস্ত, আমি বিয়ে করার পর থেকেই বেলুনের মত ফুলে গেছি।
ঐসব দিনে ক্ষুধার জ্বালা মিটাতে গিয়ে আমার আজ এ অবস্থা।
কিন্তু আমি সবসময় চেয়েছি..
..একটি সুখী পরিবার। অবশ্য এখনো সেটাই আমার স্বপ্ন।
কিন্তু আমি যাকে ভালোবেসেছি তাকে কখনওই পাইনি।
এখন অবশ্য হাল ছেড়ে দিয়েছি।
তুই একজনকে ভালোবেসেছিস? কার কথা বলতেছিস?
কে সে?
যদি এই কথাটা তখন আমাদের বলতি, আমরা অবশ্যই তোদের সম্পর্কে গড়িয়ে দিতাম।
একদম তাই!
ওই সময়ের ভালোবাসা ছিল হাশি-তামাশার!
ভালোবাসা.. হাশি-তামাশার?? ভালোবাসা কোনোভাবে হাশি-তামাশার নয়।
ভালোবাসা এমন এক অনুভূতি যা তোর শিরায় শিরায় চলাচল করে।
চুপ!
কী?
ভালবাসার পূজারী!
তোর আর এ্যানির মাঝে সমস্যা কি নিয়ে?
তুই সবেমাত্র লাইব্রেরীর পুরাতন বইয়ের পৃষ্ঠার গন্ধের কথা বলেছিস।
তুই অল্পতেই বিমোহিত হয়ে যাস।
ভুল জন্ম নেয় চেপে রাখা কথা থেকে!
এর কারণ হল, তোর এখন যা আছে তার মূল্য বুঝতে না পারা।
যখন আমি আমার ভালোবাসাকে হারিয়েছি, তখন আমি আমার আত্মাকে বিক্রি করে দিয়েছি।
আমি এখন সুহরার বাবার গোলাম!!
যদি সে আমাকে তার সামনে হাঁটু গাঁড়তে বলে..
..আমি তা খুশী মনে করে তার জয়ধ্বনি গাই।
তোরা ভাবতেছিস আমি মজা করতেছি?
সে পুরাদমে পাগল!
সে যখন তখন বেঙ্গালুরু চলে যায়।
কিন্তু তার আগে কোটাক্কালে শরীর ম্যাসাজ করে নেয়।
ওই শুঁয়োরকে গুলি করা মারা উচিত!
বুড়ো শুঁয়োর! তার ক্ষয়ে যাওয়া অঙ্গে হাল্কা ম্যাসাজ করা দরকার।
আমার দূর্ভাগ্য শুরু.. শীগ্রই দেখা হবে।
তুমি এখন আমার বাবাকে গুলি করতে চাও?
যখন টাকার জন্য তোমার বাড়ি ব্যাংক বাজেয়াপ্ত করে..
..তখন তোমার বাবাকে দরকার হয়েছিল সাথে তার টাকাও!
আমি বাবাকে কল করে সব বলে দিব।
মদ খেয়ে আমার বাবার বদনাম করেছ। আমি এখনি বাবাকে কল দিচ্ছি।
এই মহিলা চেঁচাইয়া এই বাড়ি দুইভাগ করে ফেলবে।
তোর নিজের চরকায় তেল দে।
এখন তুমি স্বাবলম্বী হয়ে গেছ, তাই বাবাকে গুলি করতে চাও।
তোমার কী লজ্জা-শরম নাই?
বেচারাকে ইচ্ছেমতো বলৎকার করতেছে।
আমি এখন এসব কথা বাদ দিচ্ছি, তোমার বন্ধুরা হয়ত এসব শুনবে।
আমি তোমাকে দুই গ্লাসের বেশী মদ খেতে নিষেধ করেছি।
এখন মাতাল হয়ে আমার বাবার দোষ খুঁজতেছ।
বাড়ি গেলে আমি তোমাকে এর মজা দেখিয়ে ছাড়ব!
অনুবাদ অংশগ্রহণেঃ ♦আদনান সৈকত ♦মঈন হাসান ♦মাহির মুনিম ♦তওসিফ এইচ. সায়মন ♦সাকিব রহমান
বাবা, সাবধান! এটা ফেলিও না।
অনেক দামী নোটবুক!
চিন্তা করিও না, সনি। তোমার বাবার টাকাপয়সার অভাব নাই।
কিরে? কী এটা?
যেটা তুই সহ্য করতে পারিস না সেটা টানতে যাস কেনো?
চাচ্চু, এই নদীতে মাছ আছে?
অবশ্যই আছে।
- কুমিরও আছে? - একটা কুমির ঘরের ভিতরে বসে আছে।
- তুমি কুমির নিয়ে এসেছ? - না, কুমির আমাকে নিয়ে এসেছে।
তুমি শুধু অপেক্ষা কর.. আমি একে একে সবকিছু বাবাকে বলবো।
- আলাভি ভাই, কোনো সাহায্য লাগবে? - যদি লাগে আমি ডাকব।
মেয়েদের নম্র-ভদ্র হওয়া উচিত।
ওই কাকা! তুমি নিজের কাজে মনযোগ দাও।
আমার রান্নাঘরে একটা কাজের মেয়ে রেখেছি।
আমার বাবা ছেলেদের পছন্দ করে না।
এই বাড়ি সাধারণত ভিতর থেকে বন্ধ থাকে।
সিধু মাঝেমধ্যে এখানে আসে আর একা একা সময় কাটায়।
আমি এখানে মাত্র একবার এসেছি।
এইটা ঠিক বলে মনে হচ্ছেনা।
এই বাড়ি বিক্রি করে ব্যাংকে টাকাগুলো জমা রাখ।
এটাই বেশী লাভজনক হবে।
সুহরা, তুমি সারাক্ষণ ব্যবসা নিয়ে পড়ে থাক।
আমি মালায়ালি পরিবারের মেয়ে। আমাদের পরিবারের সবাই ব্যবসায়ী।
আমার বাবা রিয়েল এস্টেটের কারবার করে।
কঝিকড়িতে সবচেয়ে বড় বাড়ি তিনি বানিয়েছেন।
শালিমার বিল্ডিং এর নাম শুনেছ?
হ্যা, শালিমার।
শুনেছি।
- আলাভি ভাই.. - হ্যাঁ, আসতেছি।
জ্বী, নারায়ণ ভাই.. আমি এখানেই আছি।
তুমি কি আসবে? হ্যাঁ, আমি এখানেই আছি।
দোস্ত, আমাদের নারায়ণ ভাইয়ের কথা মনে আছে?
"উনিয়াপ্পাম নারায়ণ"? (উনিয়াপ্পাম এক জাতীয় সুস্বাদু খাবার এবং নারায়ণ একজন ব্যক্তির নাম)
হ্যাঁ, সে আধা ঘন্টার মধ্যেই এখানে আসবে।
নারায়ণ একবার তাকে বাঁচিয়েছিল।
- তাকে বাঁচিয়েছিল? - তা ঘটনা টা কি?
তুই জানিস না? বিদায় অনুষ্ঠানের দিন..
..কলেজ শেষ করে সে আর কোকো মেয়েদের হোস্টেলে গিয়েছিল।
- রাধিকার সাথে দেখা করতে? - রাধিকার সাথে দেখা করতে।
আমার জন্য একটা ঠিক কর?
আলাভি ভাই, তুমি এখন যেতে পারো।
মুরগির কাবাব তৈরী হোক।
এইটাই যথেষ্ট।
ওকে! যাও।
- ঘটনাটা শুন.. - চুপ.. হারামি।
আমরা যখন মাতাল অবস্থায় দেয়ালের উপর থেকে লাফ দিলাম..
..তখন তৃতীয় তলার জানালা দিয়ে একজন কে নেমে যেতে দেখলাম।
- সেটা আর কেউ নয়! আমাদের শিকারি জাবির। - ফাদার জাবির?
হ্যাঁ, ফাদার জাবির।
সিধু আমাদের ধাক্কা দিয়ে দূরে সরিয়ে রাধিকার রুমের দিকে চলে যায়।
সেই পদ্ম দীঘির কথা মনে আছে?
যেখানে বসে সে রাধিকার রুমের দিকে তাকিয়ে গান গাইতো..
গানটা জানি কি ছিল?
"সুমঙ্গলী, তোমার কি মনে আছে?"
হ্যাঁ, এইটাই তো সেই গান।
গান শেষ করার আগে ওই লোকটাকে চেইন কেনারী এর মত লাগছিল।
- চেইন কেনারী -সেই কেনারী লোকটা কাছে এসে আমাদের পাকড়াও করেছে।
শেষমেশ চাকো তার উপর মদের বোতল ছুড়ে মেরে মারামারি শুরু করে।
বলিস কি? আমাকে জানালি না কেনো?
যদি আমরা তোকে বলতাম তাহলে এ্যানি জেনে যেত..
..আর রাধিকাও জেনে যেত। তাই ব্যাপারটা আমরা গোপন রাখি।
তোর ভাগ্যে ছিল না দোস্ত। অন্য এক ভাগ্যবান তাকে পেয়েছে।
এমন এক প্রেমিক!! যার ভালোবাসা কিনা অব্যক্ত'ই থেকে গেল।
নারায়ণ কি উন্নিয়াপ্পাম নিয়ে আসবে?
হ্যাঁ, নিয়ে আসবে।
হটাৎ মনে পড়ে গেল।
মনে আছে, তুই একটা কবিতা লিখেছিলি উষ্ণ বাতাস নিয়ে?
দেখতে চাস?
দেখবি? নিয়ে আসি?
আমি নিয়ে আসতেছি।
তুমি এখানে আসার পর থেকেই আমরা তোমাকে পর্যবেক্ষণ করছি।
রাধিকা নামটা প্রায়ই তোমাকে উত্তেজিত করে তোলে।
তোমার জীবনের সবাই একদিন চলে যাবে..
..একমাত্র আমিই তোমার সাথে থাকবো।
- আর কে আসবে? - আমাদের এ্যানি।
- মানু একটু সরে দাঁড়াও। - মানু, এদিকে এসো।
অনুবাদ পরিবেশনায়ঃ সাউথ সাবমেকার্স প্যানেল।
- এই যে উন্নিয়াপ্পাম এসেছে। - আমাকে দেখা।
আমাকে এর স্বাদ পরীক্ষা করতে দে.. ..দেখি আমি আগের মত আছে কিনা?
ছাড়তো।
তুই কি মনে করিস আমি তোর ফালতু কবিতার জন্য এটা রেখেছি?
তাহলে কেন?
আসলেই জানতে চাস?
রাধিকা..!!
সে কি গল্পও লিখে নাকি? আমি তো জানতাম না!
তোর তো শুধু এ্যানির প্রতিই আগ্রহ।
তারা দুজনেই লিখে.. কিন্তু তারা একে অপরের ধার ধারে না।
সন্ধ্যায় আবার তারা মারামারি করে।
আলতু ফালতু কবিতা লিখে কে সময়ের অপচয় করতে চায়?
এটাকে এত বড় করে দেখার কিছু নাই!
পড়। এইটা পড়।
মাতৃভাষা বাংলায় সাব উপভোগ করতে/সাউথ মুভির খবরাখবর জানতে আজই যোগ দিন আমাদের "ব্লকবাস্টার সাউথ ইন্ডিয়ান মুভি লাভারস বাংলাদেশ গ্রুপে"
"আমাকে তার প্রতিবেশী পরিচয় না দিয়ে..
..তার বেস্ট ফ্রেন্ড হিসেবে পরিচয় দিতে পারত না?
এতে আমি অপমানিত হয়েছি..
..আমি আর এইখানে বেশিক্ষণ থাকতে চাইনা।
আমি একটু তাড়াহুড়োর মধ্যে ছিলাম, তাই দ্রুত ফিরে আসছি।
কিন্তু দুঃখ ভারাক্রান্ত হৃদয় নিয়ে ফিরে আসছি।
আমার ফিরে আসা উচিৎ হয়নি..
..যেখানে স্বাগত না, সেখানে যাওয়া ঠিক না।"
কথাগুলো সূঁচের খোঁচার মত হৃদয়ে আঘাত করল।
কষ্টটা এতটাই প্রখর ছিল! যা আমাকে তার আরো কাছে নিয়ে গিয়েছিল।
যখনই আমি এখানে আসি তখনই এই গল্পটা পড়ি।
সে তার লিখার মাধ্যমে এক চমৎকার জগৎ সৃষ্টি করেছে।
এটা যেন আনন্দে নিমজ্জিত হয়ে যাওয়া!
কিছু নির্বোধ.. সৃজনশীল সহযোগীদের পিছনে ছুটে।
তাদের এইটা পড়া দরকার যাতে তারা বুঝতে পারে মালায়ালামরা কতটা সমৃদ্ধ!
এ্যানি কি জানে তুই যে চাকরি ছেড়ে দিয়েছিস?
সে কেন জানবে যখন আমরা আলাদা হয়ে যাচ্ছি?
- কি বললি তুই? - আমি পুরোপুরি স্বাধীনভাবে বাঁচতে চাই।
এইজন্যই আলাদা হয়ে যাওয়া।
তুই বললে কি সে বুঝবে না?
- তুই কেন চাস..? - বলার মত আর কি বাকি আছে?
তার উচিত রাবার বাগানের কোনো ভাল খ্রিস্টান মালিককে বিয়ে করা।
আমার সাথে থেকে সে কেন তার জীবনটা নষ্ট করবে?
এই সব তোর খারাপ আচরণের জন্যই হচ্ছে।
- সে কিভাবে দায়ী? - তোর সমস্যা কি?
আমার কি সমস্যা?
তুই কি জানিস তোর জন্য আমি আর জাবির মার খেয়েছি?
তুই মার খেতে পারিস।
কিন্তু আমি তোকে তার সাথে সম্পর্কচ্ছেদ হতে দিব না।
- তোর অনুমতি কে চেয়েছে? - তুই কি জানিস?
সে খুব সাধাসিধে আর এইজন্যই আমি তাকে খুব পছন্দ করি।
এমনকি তার অজান্তে আমি ওকে একটা চিঠিও লিখেছিলাম।
এই ভবঘুরে তাকে আকৃষ্ট করে আমার কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়েছে।
এখন সে চায়..
তুই একটা..
এখন তুই তাকে ছেড়ে দিতে চাস?
- এ্যানি? - সিধু, এইসব কি?
সে মদ খেয়ে আগের মত মাতলামি করতেছে।
পুরোনো দিনের মত আবেগ দেখাচ্ছে সে!
এই তোমার আবেগ??
খুব বাজে গন্ধ!
- কয় রাউন্ড শেষ করেছ? - মাত্র শুরু করলাম।
- তুমি কেন ধুলোয় গড়াগড়ি খেয়েছ? - কই.. নাতো?
রেভথি, এ হচ্ছে এ্যানি।
- আসতে কোনো অসুবিধে হয় নিতো? - না।
- ও.. সুহরা। - রফিক এর স্ত্রী।
আমি ওকে চিনি।
যে কিনা প্রেম করে বিয়ে করেছে।
ভালোবাসা বা অন্য কিছু যাই হোক! এখন আমাদের বিরক্ত করিও না।
এ্যানি, তুমি ভ্রমণ করে এসেছ। এখন একটু বিশ্রাম নাও।
যা।
সিধু, তুমি কি জান?
আমি তার সাথে কথা বলেছি যে অনেকদিন হয়ে গেছে।
তার কাছে কোনো মোবাইল নেই। তুমি জানো সে কি করেছে?
এটা সত্য। আমরা এটা ঠিক করে দিব।
সব ঠিক হয়ে যাবে। তুমি গিয়ে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নাও।
অনুবাদ আয়োজনেঃ ★সাউথ সাবমেকার্স প্যানেল।★
আজ যদি চাকো আর রাধিকা থাকতো তাহলে মুহুর্তটা কতই না সুন্দর হত!
রাধিকা তো ক্যালিফোর্নিয়ায়। কিন্তু চাকো কোথায়?
ক্যালিফোর্নিয়ার কোথায়?
মনে হয় সে সেখানে সুখে শান্তিতেই আছে।
তোমাদের মন ভালো হয়ে যাওয়ার মত একটা খবর আছে, বলব?
কি এ্যানি?
আমি মুম্বাই এর চাকরি ছেড়ে দিয়েছি।
রঘুর একাকিত্ব জীবনের অবসান ঘটল।
এখন থেকে আমি তার সাথে থাকব।
শুধু আজকের জন্যই তাকে আমি সময় দেব।
আজকে থেকে তার সিগারেট এবং মদের পরিমাণ নির্দিষ্ট হয়ে যাবে।
চমৎকার।
নাইলে তার ভিতরটা ধীরে ধীরে পঁচে যাবে।
গেট-টুগেদার মানেই কি শুধু আড্ডা আর মদ গিলা?
সিধু, একটা গান গাও।
পার্টিতে একটু প্রাণ এনে দাও।
গান?
সিধু??
সে আমাদের কলেজের সুপার-ডুপার গায়ক ছিল।
বন্ধু.. চালিয়ে যা।
তার সুমধুর গলা!
পুরো ক্যাম্পাস তার গলা শুনে বিমোহিত হয়ে যেত।
দেখ সে কি-পেড নিয়ে কি করছে?
সে ১০ গুন গতিতে গিটার বাজাতে পারে।
তোমরা তো অনেকদিন আগেই বিয়ে করেছো। তুমি এই ব্যাপারটা জানোনা?
তুই তাকে বলিসনি?
আমার মাথায় শুধু ডেবিট ক্রেডিট এবং চালান ঘুরে..
..এই বিশৃঙ্খলাতে আবার গান?
খেয়ে দেয়ে আর কোনো কাজ নেই?
আমাদের কাছে এর থেকে ভালো কোনো কাজ নাই।
আজ রাতের জন্য আমরা আবার ছাত্র! যারা তাদের ক্যাম্পাসে ফিরে এসেছে।
অবসরপ্রাপ্ত পালকহীন সহপাঠী।
গান গা দোস্ত.. গান গা..
গান গা..
এই গানটা কে লিখেছে জানিস?
কে?
আমাদের খুব পছন্দের একজন কবি।
গাইব?
বাংলা সাবটাইটেল পরিবেশনায়ঃ সাউথ সাবমেকার্স প্যানেল।
"In these eyes can you see sweet love's pain poignantly?"
"In these lines can you listen a rhythm of yearning in between?
"Far away, a lonely moon lit sky merging into a woeful song at night emerging"
"On this earth, in my heart's alcove rain showered fresh drops from above"
"Touch of first love tinkling like bangles softly jingling"
"Memories brought me a melody filled with words of love in harmony"
"Far away, a lonely moon lit sky merging into a woeful song at night emerging"
"Without any rhythm converging in a languid feeling submerging"
হান্নাহ, এ দিকে এসো।
"Blooming of youth is an awakening of senses buried within yearning"
"New raptures unrevealed Coven and concealed"
"Silent sensations bloom glad into a precious love ballad"
"Far away, a lonely moon lit sky merging into a woeful song at night emerging"
"Without any rhythm forging in a languid feeling submerging"
"As she faded away into an abyss Not knowing why this went amiss"
"In these eyes can you see sweet love's pain soulfully?"
অনুবাদ সম্পাদনায়ঃ সাকিব রহমান
এটা কি সেই গান যেটা গেয়ে তুই আন্তঃজেলা প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছিলি?
পুরোন স্মৃতি গুলো এখনো অমলিন হয়ে আছে।
বিশেষ একজনকে অনুভব করে সে সেইদিন প্রথম হয়েছিল।
কলেজে সিধুর একটা গোপন প্রেম ছিল।
কে? রাধিকা? আমি জানি।
সে আমাকে তার ব্যাপারে বলছে।
সর্বনাশ।
এইগুলো কি?
আমাকে বিয়ে করার পর কি তোমার সংগীতের শখ নষ্ট হয়ে গিয়েছিল?
আমি কোনো বিসুদাস না যে এটাকে ক্যারিয়ার হিসাবে নিব।
আমি গেয়েছি শুধু তাদের অনুরোধে।
এটুকুই।
আমি জানিনা রাধিকা তোমার চিন্তা জুড়ে ছিল কিনা?
কিন্তু তুমি খুব সুন্দরভাবে গানটা গেয়েছ।
তাদের কেউই জানত না যে আমি রাধিকাকে কখন পছন্দ করতাম।
রঘু, রফিক এরা তাকে পছন্দ করত।
আমি এদের চেয়ে একটু বেশি পছন্দ করতাম।
এইটুকুই।
দেখ আমরা প্রায় 14 বছর পর মিলিত হয়েছি..
..১৪ বছরের লম্বা বিরতি!
আজকের জন্য অন্তত আমাকে ছেড়ে দেও।
আমি কি একটু বেশি কিছু চেয়ে ফেললাম?
আমি খুব ক্লান্ত, ঠিক আছে?
শান্ত হও।
এটা যদি আমার স্বামী বলত তাহলে আমি এটাকে হালকা ভাবে নিতাম না।
তুমি যদি তোমার স্বামীর সাথে বিনয়ী হও তাহলে তারা তোমার মাথায় উঠে নাচবে।
প্রিয় সুহরা..
.. এভাবে কথা বলে পরিস্থিতি আরো খারাপ করোনা।
সিধু হচ্ছে পাঁচ নাম্বার ব্যক্তি যেকিনা আমাকে তার স্ত্রী ভাবত।
এর আগেও আরো কয়েকজন আমাকে তার মতোই পছন্দ করত।
কিন্তু তারপরও আমি সিধুকেই বিয়ে করি।
হটাৎ একদিন আমার বাবা আমাকে বলল ছেলে পক্ষ আসছে আমাকে দেখতে..
..তখনই আমি বুঝলাম আমার বিয়ের প্রস্তুতি চলছে।
বাবা আমাকে আমার হবু বর নিয়ে অনেক কিছুই বলল..
যে সে খুব ভাল এবং ধনী লোক যার নিজস্ব বাড়ি আছে।
আমি তার সাথে কথা বললাম এবং তাকে চা দেয়ার মত আনুষ্ঠানিকতা শেষ করলাম।
তারা চলে যাওয়ার পর থেকে আমার স্বপ্ন দেখা শুরু হলো..
..আমার মধুচন্দ্রিমা, ঘর এবং বাচ্চাকাচ্চা নিয়ে!
বস্তুত আমরা সবাই কি এ ধরণের স্বপ্নের মধ্যে দিয়ে যাইনা?
কিন্তু পরের দিন ঘটক আমাদের জানালো যে বরপক্ষ আমাকে পছন্দ করেনি!
কেন?
কারণ.. বরের খালা বাথরুমে আধুনিকতার ছোঁয়া খুঁজে পায়নি।
তাই নাকি?
বিশ্বাস করো আমি পুরোপুরি হতভম্ব হয়ে গিয়েছিলাম।
আরো অনেক প্রস্তাব নানা কারণে ভেঙ্গে যায়।
রফিকের প্রস্তাবটাই লিস্টের শেষে ছিল!
আমার এমন লোককে বিয়ে করা উচিত হয়নি যে কিনা ২৪ ঘন্টায় কাজ নিয়ে পড়ে থাকে।
সে যদি কৃষকও হতো তাহলে হয়তোবা অন্তত একবার হলেও তাকে দেখতে পেতাম।
এখন তো আমার তাকে দেখতে হলেও এপয়েন্টমেন্ট করতে হয়।
আমি সব সময় ভাবি..
কেন আমাদের সাথে তাদের কোনো কিছু আলোচনা করার সময় নেই?
যখন বন্ধুর সাথে কথা বলে তখন তো কথা শেষ হয়না!
ঘরে এসে টিভি রিমোট নিয়ে বসে পড়ে আর হা করে টিভি দেখতে থাকে।
আমরা আসলে একই জাহাজের যাত্রী..
..যারা কিনা সুখের মুখোশ পরে আছে..
..এবং বাজেভাবে জীবন কাটাচ্ছে।
মাঝে মাঝে ভাবি কেন ১০০ জনের মধ্যে এমন একজন কে বিয়ে করলাম!
আমাদের সমাজে বিয়ে মানেই সামাজিক মর্যাদা এবং অর্থনৈতিক অবস্থার সামঞ্জস্য কেই প্রাধান্য দেয়া।
কেউ চিন্তা চেতনার মিল খুঁজে না!
আমরা তাদের সন্তানদের লালন পালন করি আর ভাবি..
..যে আমরা হয়তোবা তাদের জীবনের একমাত্র ভালোবাসা।
আমাদের যেন এছাড়া আর কিছুই করার নেই!
৩৫ বছর পার করার পর আর কাউকেই বিশ্বাস করা যায় না।
তারা পরকিয়াতে জড়িয়ে পড়ে।
রফিকের হাসপাতালে একজন নার্স এবং নাদিয়া নামের একজন ডাক্তার ছিল।
হায় আল্লাহ, সেই ডাক্তারের বিয়ে হয়ে যাওয়ার আগ পর্যন্ত আমি খুব ভয়ে ছিলাম।
আমি আমার বাবাকে দিয়ে সেই নার্সকে ছাঁটাই করে দিয়েছিলাম।
বল কি সুহরা?
তাদের একদম বিশ্বাস নেই।
রাধিকা কি বিবাহিত?
হয়তোবা..
সে আমেরিকাতে থাকে তাইনা?
- মনে হয় কয়েকবার বিয়ে হয়েছে? - জানি না।
সে কি দেখতে খুব সুন্দর?
আমি তাকে কলেজে এলবামে দেখেছিলাম।
সত্যি বলতে কি সে আসলেই অনেক সুন্দর!
সে আমাদের কলেজের স্বপ্নের বালিকা ছিল।
তাই নাকি?
সিধু আর রাধিকার মধ্যে কি ছিল?
প্রিয়তম রেভথি.. ওটা শুধুই একটা আকর্ষণ ছিল।
যদি সে এখন তার সাথে দেখা করে তাহলে বুঝতে পারবে যে সে এগুলো ভুলে গিয়েছে।
এখন মনে হয় আমেরিকাতে থেকে মোটকি হয়ে গেছে।
আমার স্বামীর কি ক্যাম্পাসে কারো প্রতি কোনো আকর্ষণ ছিল?
না।
কেন তুমি কেঁচু খুঁড়ে সাপ বের করতে চাচ্ছ, সোহরা?
আমি তোমার জায়গায় হলে সব স্বর্ণ বেচে বিশ্ব ভ্রমণে বেরিয়ে পড়তাম।
হায় আল্লাহ! সব স্বর্ণ বেচে দিতে ভ্রমণের জন্য?
কেরালার মহিলাদের সব স্বর্ণ বিক্রি করে দিলে..
৩ প্রজন্ম সহজেই খেয়ে পড়ে বাঁচতে পারবে।
আমার মানুষকে খাওয়ানোর জন্য স্বর্ণ বেচার কোনো ইচ্ছা নাই।
আমার হাতে একটা হাতুড়ি থাকলে সবগুলো আমি ভেঙে দিতাম।
আহ! ..ওই বাক্সটা।
চল আরেকটা নিই।
এইটা কি তোর প্রথমবার?
আমি এখনও বুঝতে পারছিনা সে কিভাবে পুকুরে পড়ল?
বসে বসে পান কর.. তুই কিন্তু বিপদ ডেকে আনবি।
দোস্ত, ওকে বিবাহ বিচ্ছেদে যেতে নিষেধ কর।
বাদ দে।
ভাই আমাদের জীবন কেবল একটাই।
রফিক উঠ।
- একমাত্র বন্ধুরাই তাকে উপদেশ দিতে পারে। - আমার তোর সাথে কিছু কথা আছে।
তুই কৌশলী হতে জানিস না!
আমি দেখেছি তুই কিভাবে সুহরার সাথে ব্যবহার করিস?
তুই কখনও তার জায়গায় যেতে পারবিনা।
- স্যার.. - ওহ তুই?
- এনেছিস? - জ্বি, স্যার।
আজ অনেক গরম!
অবশেষে একজন সৈনিকের কাছেই পেয়েছি।
এখন ভারসাম্য এসেছে।
আমি চাই না। আমি ঘুষ নেইনা।
আমি যাচ্ছি।
তুই এক পেগ খাবি?
আমাকে ঐটা দিবেন?
অবশ্যই।
আরেকটা..
ধন্যবাদ স্যার।
আমি তাহলে যাই এখন?
হেই!
তোর নাম কি?
নাম...? এখন আমার যাওয়া দরকার।
বেনি?
হারামজাদা! সিধু.. তাড়াতাড়ি আয়, বেনি এসেছে।
বেনি?
উঠ..
বেনি? তোর চেহারার এমন অবস্থা কেনো?
রফিক.. বেনি এসেছে.. বেনি চাকো।
বেনি.. দোস্ত, সামনে পুল।
শালা পুরাই মাতাল।
তোর বাগানের মাঝখানে পুকুর খনননের কি দরকার ছিল?
বলদ! এইটা পুকুর নয় এইটা পুল।
উঠ..
তোরা আমাকে কিভাবে চিনলি?
আমি যখন নিজেকে আয়নায় দেখি, তখন আমি আমাকেই চিনতে পারিনা।
তোরা কিভাবে বুঝলি যে এইটাই আমি?
তুই জানিস তোকে আমরা কত খুঁজেছি?
তুই কোথায় ছিলি?
আমাকে খুঁজেছিস?
তোরা তো আমার বিয়েতে আসার প্রয়োজন মনে করিসনি?
তুই বিয়ে করেছিস?
বিয়ের পর কি তোর জীবন এলোমেলো হয়ে গেছে?
আমিও বিয়ে করছি।
তাও আবার একজন টিভি অভিনেত্রী কে!
মনে আছে সেই টিভি সিরিয়াল "সে ছিল ঈশ্বরী" এর কথা?
আমি সেই "ঈশ্বরী সফিয়া মেনন" কে বিয়ে করেছি।
তারপর?
আমি আমার দুঃখের কাহিনী বলে তোদের মুড নষ্ট করতে চাই না।
যদি সে জিজ্ঞাসা করতো তাহলে বলতাম।
রাধিকা..! সেই একমাত্র আমার বিয়েতে এসেছিল।
- রাধিকা বিয়েতে এসেছিল? - হ্যাঁ, সে এসেছিল।
সুদূর প্যারিস থেকে..!
সে অনেক্ষণ অপেক্ষা করছিল ভেবেছিল যে তোরা আসবি।
দোস্ত.. সেই দিন রেভথির চাচা মারা গিয়েছিল।
তাই আমি আসতে পারিনি।
কি এমন একটা দিন ছিল রে!! সেদিন সে ভেঙে পড়েছিল।
ওহ!
আমি তাকে কল করেছিলাম কিন্তু তাকে পাইনি!
তখন আমার বাড়ি আইনিভাবে বাজেয়াপ্ত হয়।
আমি তখন এত আনন্দের মধ্যে ছিলাম যে আসতেই পারিনি।
তা বেনি তুই এখন কি করিস?
আমি এখন অটোরিকশা চালাই।
- অটোরিকশা? - হ্যাঁ।
তোরা কি মাঝে মাঝেই গেট-টুগেদার করিস?
এইটাই প্রথমবার! যদিও আমি আর সিধু প্রায়ই চ্যাট করি।
জাবির হোয়াটসএপ বা ফেসবুক চালায় না।
এর জন্য তার ভেটিক্যান এর কাছ থেকে অনুমতির প্রয়োজন হয়।
এটা ভাল..
..নাহলে একটা পোস্টের মাধ্যমেই সকল ধরনের পাপের সৃষ্টি হতে পারে।
কে? শিকারি জাবির এর কথা বলতেছিস?
সে কি ধর্ম যাজক? হায় ঈশ্বর!
পুরো প্যারিস এর উপাচার্য।
আমাদের পুরোনো উপচার্য
সে একবার কোনো মেয়ের দিকে নজর দিলে সে সহজেই মোহিত হয়ে যাবে!
আমি কাজের মেয়েকে বাচ্চা নষ্ট করতে সাহায্য করেছিলাম!
চুপ থাক।
মেরী ভার্গিস কে মনে আছে?
আমাদের দুর্ভাগ্যমান মহিলা?
তার ভালোবাসা তাকে পাগল করে দিয়েছিল।
পরে সে অন্য একজনের সাথে পালিয়ে যায়।
এই কষ্ট সইতে না পেরে সে ধর্মকর্মে মনোনিবেশ করে।
ঢুকক্ষম কে তুই খাঁ উচ্চারণ করেছিস
তুমি কি মালায়ালাম শিক্ষক? এক লাথি মারব তোকে।
সে আমাকে শিখাতে আসছে!!
- তুই কি আমার কথা বুঝেছিস? - কখনোই না।
হারামি..
ব্যাপারটা সাপে কাটার মতো।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তো এজন্য।
চল যাওয়া যাক..
চল পাপের রাস্তা থেকে পুণ্যের রাস্তায় যাই।
মানে তারা ঘোড়াকে যেগুলা খাওয়ায়?
ঘোড়া-গাধা যায়হোক আয়..
তোরা সবাই অনেক বদলে গেছিস। তোদের চকচকে টাক হয়ে গেছে।
নতুন সদস্যের পরিচয় কি?
সুহরা, ও বেনি। আমাদের সহপাঠী।
আমরা একসাথেই পড়েছি।
এখন তাকে যেমন দেখাচ্ছে সে কিন্তু এমন না।
সে বিজ্ঞান বিভাগে স্নাতক কোর্সে প্রথম হওয়া বেনি চাকো।
বিজ্ঞানে? তো তুমি কি কর?
আমি অটো চালাই।
বিজ্ঞানে স্নাতক করে তুমি অটো চালাও?
কেনো? কেনো অটো চলে না?
দোস্ত, ও আমার স্ত্রী।
- ওখানে বস। - না, আমি এখানে বসব..
..এখানটায় আরাম বেশী। - বেনি তুমি কোথায় থাক?
এইতো.. পাশেই থাকি।
হায় আল্লাহ! এই প্রথম আমি কোনো মহিলাকে মদ খেতে দেখলাম।
আমার বাবা যদি কখনো দেখত..
অভিশপ্ত "পিতা" শব্দটা..
তুই জানিস আমি কতদিন ধরে এই "পিতা"র বোজা বহন করতেছি?
সুহরা, চুপ কর?
একবার বাসায় চল তারপর বুঝাচ্ছি তোকে।
সব দোষ তোর।
তুই এবং তোর গণ্ডমূর্খ কবিতার জন্য তাকে চিরতরে হারিয়ে ফেলেছি।
নাহলে আমি তাকে বিয়ে করতাম।
যা, এক্ষুনি তাকে নিয়ে আয়।
চুপ! আমার মাথা গরম করিস না! ভদ্রভাবে আচরণ কর।
এখনই শেষ সময় তোদের ভুল বুঝাবুঝির সমাপ্তি টানার।
প্রিয় রফিক.. আমি তার কবিতার প্রেমে পড়িনি।
যদি তাই হতো তাহলে আমি কবি 'চুল্লিক্কাদ' এর প্রেমে পড়তাম।
আমি রঘুর প্রেমে পড়েছিলাম।
আমি মজা করছিলাম।
একমিনিট..!
একমিনিট.. আমি আসছি।
এই সিধু.. যা।
এতদিন ধরে আমরা একসাথে এইভাবেই আছি।
এ্যানি।
তোমাকে কিছু বলতে চাই।
জাবির মনে হয়।
রফিক.. জাবির আসছে মনে হয়।
এই শিকারি!
রাধিকা??
কী অবস্থা?
সিধু কোথায়?
প্রথমবার আমি এমন অন্তর্নিহিত বাধ্যতা দেখছি।
না, ধন্যবাদ।
তোর পরিবেশন দেখে আমার খুশি লাগছে।
আমাকে মদ না খাওয়া লোকের মতো দেখাচ্ছে?
ওটা কী?
লাল পরীর জন্য।
যদিও আমি সাবার ধরাছোঁয়ার বাইরে তবুও সবার খোঁজখবর আমি পাই।
আমাদের জাবিরই হচ্ছে তার খোঁজখবর প্রেরণকারী।
ভ্রমণ কেমন হলো?
টাংকি মারিস না, শালা।
খুব বিরক্তিকর।
ট্যালকম পাউডার তোর গলায়!
কি রে কবি, তোকে দেখতে অমন ভবঘুরে লাগছে কেন?
- কী অবস্থা? - হ্যাঁ, আমি।
এ্যানিকেও প্রায় অমনই লাগছে।
কারণ সে কখনো শিশু ছিল না।
তোকে অবশ্যই শিশুর সাথে বিছানা শেয়ার করতে হয়েছে।
ওরা দুজন ভিন্ন শহরে বাস করে।
এটাই ভালো যে আমার মতো খচ্চর বাবার কোনো বাচ্চা নেই।
- ফ্রি থাকতে পারি। - সত্যিই।
- জাবির কোথায়? - আমি তাকে কল করছি।
- সুন্দর শাড়ি, তাই না? - একদম খারাপ!
আমার লাল শাড়ি নিয়ে তোমায় প্রশংসা করতে শুনিনি তো!
ঐ লাল আর এই লাল এক নয়, সোহরা।
ওর কাছে ফোন যাচ্ছে না।
সে নিশ্চিত কোনো নারীর সামনে রয়েছে।
কালো নারীই হচ্ছে তার দুর্বলতা।
সূর্য, রঞ্জিনি, ভানুপ্রিয়া।
তা হবে কেন? কালো মানুষের প্রেমে পড়া উচিত নয় কি?
অবশ্যই পারে কিন্তু চার্চের অর্চক পড়তে পারে না।
সত্যি বলতে আমি তাকে অনেক হিংসা করি।
কোনো অশান্তি বা চিন্তা নেই।
নারীর পাপ স্বীকারোক্তি শুনে নিজেকে স্বর্গে ভাসিয়ে নিয়ে যায়।
ওবামার দেশে মালায়ালির কী খবর?
আগের তুলনায় ভালো বলা যায়।
তারা আমেরিকাতে আরেকটি কেরালা তৈরির চেষ্টায় আছে।
তারা কেরালার সকল গুরুত্বপূর্ণ উৎসবগুলির সরাসরি সম্প্রচার দেখে।
তাদের বাচ্চারা ভারাতীয় নাট্যকলা শিখে সেখানের ওপেরা হাউজে সঞ্চালন করে।
- প্রত্যেকবার ওনাম উদযাপন করে। - ওটা সত্য।
কেরালার বাইরে যে মালায়ালিরা থাকে তারা গ্রামীণভাবে ওনাম উৎসব উদযাপন করে।
আমি মুম্বাইতে কিছুদিনের জন্য ছিলাম।
তারা আগস্টের ওনাম উদযাপনটি দেরি করে পরবর্তী বছরে এপ্রিলের মাঝামাঝি নিয়ে যায়।
আমাকে এমন একটা মালায়ালি দেখা যে খপ করে ধরে পান করার সুযোগ পাচ্ছে না?
এমনকি বৌদ্ধদের উৎসবময় দিনেও তারা একটি বা দুটি বোতল খুলবেই।
রাধিকা।
ঐদিন তুমি ভারতীয় নাট্যগ্রন্থের অনুশীলন করোনি?
এখন আমি ট্যাংগো, সালসা, এমনকি ফিটনেস ভিত্তিক জুমবা শিখাই।
আমার কিছু স্টুডেন্টস আছে।
মনে আছে একবার স্টুডেন্টের উৎসব হয়েছিল, ওটার নাম যেন কি ছিল?
টেলেন্ট টাইম। তুমি সেথায় নাচ করেছিলে, মনে আছে?
কোনটা?
নাচের ব্যাপারে আমি অতো জানি না, কিন্তু ঐদিন তুমি করেছিলে।
আমি বেশ পুলকিত হয়েছিলাম।
জোশ ছিল তোমার সঞ্চালনা।
ওটা চমৎকার ছিল।
ধন্যবাদ।
চলে গিয়েছে। শালা, তোর বউ চলে গেছে।
কোনো স্ত্রী তার স্বামীকে অন্য নারীর সাথে লুতুপুতুতে সহ্য করতে পারে না।
তারা কি ভাব্বে যদি তুমি ঐভাবে চলে আসলে?
তুমি কি অসুস্থ?
মাথা ব্যথা? জ্বর-জ্বর লাগছে?
মা, চার্জার দাও। এখনই দাও সেটা।
তুই যাবি? যা, মানু। আমাকে জ্বালাতন করিস না।
যা।
নিয়মিত সাউথ ইন্ডিয়ান মুভি সম্পর্কে আপডেট পেতে জয়েন করুন ব্লকবাস্টার সাউথ ইন্ডিয়ান মুভি লাভারস বাংলাদেশ গ্রুপ fb.com/groups/SouthFansBD
এই শালা আসলেই একখান মাল!
বাঁদরটার মতো ভিজলে তুমি অসুস্থ হয়ে পড়বে।
এক্ষুনি পানি থেকে উঠো।
একটা দিন ওকে একটু ফুর্তি করতে দে, সুহরা।
সে এটাকে অভ্যাসে পরিণত করে ফেলবে।
তোমার আঁচলে আমাকে বেঁধে রাখতে চাইছ নাকি?
চুপ থাকো তো, সুহরা।
আমাদের সাথে তুমিও যোগ দাও?
আমার কাছে দে।
এটা একদম অস্থির কিন্তু।
তাহলে এটাকে ঝকঝকে করছিস না কেন তুই?!
- আমিও এটা চাই। - আমার কাছে দে।
এটা তোর জন্য নয়।
আমি এটা বণ্টন করব!
প্লিজ, উঠে এসো। দম বন্ধ হয়ে তুমি মারা যাবে।
আমি তো শুধুমাত্র খেলছি, সুহরা।
খেলছ না ছাই!
আমি একবার চেষ্টা করে পুরো ফুলটু হয়ে গিয়েছিলাম।
আজকে আমরাও ফুলটু হয়ে যাব।
আজকে আমরাও ফুলটু হয়ে যাব।
আহা, চমৎকার সবুজের ছায়া।
এখন ফু দেবো।
আল্লাহ্! মাতালরা গাণ্ডেপিণ্ডে আগুন খেয়ে নিচ্ছে!
তোমাকে বিয়ের দিন আমি এই আগুন অনেকবার খেয়েছি।
আরে আয়, ভাই।
এই পুড়া দহন অবশ্যই জলের গভীরে হারিয়ে যাবে।
না, ধন্যবাদ।
আয়, বস।
এ্যানি, দুজনই লাফ দে।
অনেক আগে ওরা চেষ্টা করেছিল।
তুমি না একজন ডাক্তার? মানুষের কাছে তুমি গুজব ছড়াতে চাও? উঠো।
কীসের গুজব?
কোন 'মানুষ' এখানে আছে, যে গুজব ছড়াবে?
এটা আমাদের বিয়ের অ্যালবাম।
এই শাড়ি কেমন?
এই আমার পরিবার। আমার বাবা একজন স্কুল শিক্ষক।
মা, গৃহিণী।
তোমার বিয়ের অ্যালবাম?
চল দেখি স্মৃতিগুলি তখন আমরা দেখতে কেমন ছিলাম।
তুই ওখানেই বস।
বেশি মদ্যপান করলে এটাই ঘটবে।
চমৎকার অ্যালবামটার দিলো সে বারোটা বাজিয়ে।
বেশি খেয়ে নিলে সে আঁটকে রাখতে পারে না।
সে কি ধরে রাখতে পারত না?
আয়, বস।
ভালোবাসা আর বমি একই রে।
বেশি হয়ে গেলে ফাঁকি দিয়ে দে, তাই না?
বস এখানে।
দোস্ত, ভেবে দেখেছিস ভেতরে ধরে রাখতে না পারায়...
...কত ডলার নষ্ট হলো?
আমি খুব দুঃখিত।
এই!
- দেখ কে এখানে। - সিধু!
কে? নারায়ণ ভাই?
রফিক দেখ কে এখানে।
রঘু ভাই আমার।
রাধিকা।
কে? নারায়ণ ভাই?
"উন্নিয়াপাম"
খুল এটা।
তোমাদের পার্টিতে এটাও যোগ করে নাও।
নাও।
সুস্বাদু!
পুরনো বন্ধন মনে করিয়ে দিচ্ছ।
উন্নিয়াপ্পামের অভিজ্ঞকে পুরনো শিক্ষার্থীর থেকে এই উপহার।
এটা চাই না বাপু।
- ওটা হজম করতে পারব না। - খাও, নারায়ণ ভাই।
অল্পই তো।
না।
ব্যাপার না।
অল্পই খাও, বসো।
স্বাদটা আগের মতোই, নারায়ণ ভাই।
কলেজের দিনগুলি ভুলে গিয়েছ?
এটাও খাও।
- তোমার আগুন কোথায়? - কী?
ঘরের বউ কোথায়?
রেভথি..
যা তাকে ডাক।
নারায়ণ ভাই, এমনকি তোমার তালের পিঠে আমেরিকাতেও বিখ্যাত।
বাচ্চারা কি ঐদিনগুলির মতো উন্নিয়াপ্পাম খায়?
আমার মেয়ে অস্ট্রেলিয়াতে একজন নার্স।
আমার এই কাজ তার কাছে মর্যাদাহানিকর বলে মনে হয়।
তাই আমি বাড়িতেই থেকে গেলাম।
কষ্টের ব্যাপার!
মনে আছে আমার উন্নিয়াপ্পাম নিয়ে তুমি যে কবিতা লিখেছিলে?
আমি ওটা ফ্রেমে বাঁধিয়ে দেয়ালে ঝুলিয়ে রেখেছিলাম।
মেয়েটি ওটা সরিয়ে ফেলেছে।
অদ্ভুত একটা জগত!
নারায়ণ ভাই, আমাকে রেসিপিটি বলতে পারবে?
আমি আমেরিকায় ফিরে গিয়ে স্টার হয়ে যাব।
আমি শুধুমাত্র তোমাকে বলব।
- বলব? - অবশ্যই।
চালের গুঁড়া।
সেগুলি অবশ্যই ভাজতে হবে।
কিন্তু গুঁড়া যেন নিখুঁত হয়।
তারপর তোমায় চালের গুঁড়ার সাথে তালের গুড় মিশিয়ে সিদ্ধ করতে হবে।
সেটা সিদ্ধ হওয়ার পরে ছেঁকে নিতে হবে।
ওটা একদম মধুর মতো হবে।
তারপর তোমাকে চালের গুঁড়ো আর তালের গুঁড়ো ময়দাতে মিশিয়ে নিতে হবে।
তারপর নারিকেলকে কুচিকুচি করে কেঁটে হালকা তাতে দিতে হয়।
সাথে কিছু মধু আর কাজুবাদাম ঘির সাথে ভেজে নিতে হয়।
এটা ভাজার সাথে সাথে চমৎকার হয়ে আসবে।
ভাজার পর স্ববর্ণ কালার ধারন করবে সাথে স্বর্গীয় স্বাদও।
সবকিছুর মিশ্রণ ভালো হলে সেটাও দেখতে ভালো হবে।
তারপর ৪ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হবে।
চার ঘণ্টাই লাগবে।
শুধুমাত্র তখনই বিয়ের সকল উপকরণগুলি স্থির হবে।
ভালো করে আপ্পাম ভেজে নিলে...
...'উন্নিয়াপ্পাম' তৈরি।
কিন্তু এই রেসিপি অতি সাধারণ।
রেসিপির স্পেশাল সিক্রেটটি আমি তোমাকে বলব।
আমি কয়েক চা চামচ রসুনের রস তালের গুঁড়ের সাথে মিশাই।
ওটাই স্বাদটি এনে দেয়।
আর খাওয়ার পর পেটও ভালো থাকে।
ধন্যবাদ, নারায়ণ ভাই।
নিজেই তো রাঁধুনি।
তোমার মেয়ের জন্য ওটা ছাড়া উচিত নয়।
আরে, কে?!
- এই নে! - বুদ্ধিগুণী মেয়ে।
এ্যানি, ম্যাগাজিনে আমি তোমার ফটো দেখেছিলাম।
এখন আমাকে যেতে দাও। অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে।
আমি এখানে এসেছি শুধুমাত্র আমার উন্নিয়াপ্পাম নিয়ে আনন্দ করতে।
খুব খুশি আমি। এখন আমায় যেতে হবে।
আরো কয়েক পেগ মারো না।
শুধু ওটাও না, রাতের খাবারও খাও আমাদের সাথে।
মেয়েটা চেক করার জন্য আমাকে ফোন করবে।
তাই, চলে যাওয়াটাই ভালো।
চলে যাবে?
চলে যাই। আমি কাউকে বিরক্ত করব কেন?
আমি বাসায় যেয়েই খাব।
একমিনিট।
- রাখো তো, সিধু। - ভাই, এটা...
রাখত পকেটে।
বেতনের জন্য আমি কাজ করি, আর শিশুদের খাবার পরিবেশন করি।
আমি সবসময় ওটাই ভাবতাম যে তোমরা সেই শিশু যারা একই ছাদে থেকেছ।
আমি ভুল ভাবিনি! তোমরা এখনো একসাথে আছ।
তোমাদের মতো কেউই অমন বন্ধনের মূল্য বুঝে না।
আজকে আমি খুব খুশি।
যেন আমি আবার কলেজে ফিরে গিয়েছি।
আমি যাই তাহলে?
বেচারা!
উনি এসেই তাড়াতাড়ি চলে গেলেন।
কোথায় তুমি? আমি অপেক্ষায় আছি।
- আমার একটু দেরি হবে। - আমি আরো ভেবেছিলাম তাড়াতাড়ি চলে আসবে।
তুমি শুয়ে পড়ো। পরে আমি কল দেবো।
এই, আমাদের ফাদার জাবির।
তাকে ওয়াইন নিয়ে আসতে বল।
- বলব। - স্পিকারে দে।
স্পিকার অন।
প্রভু হতে প্রশংসা।
ওটা একা ছেড়ে দে। কোথায় তুই?
স্যরি, দোস্তরা। আমি ফিরে যাচ্ছি।
আমাকে পূতরচনাতে থাকতে হবে যেটাকে আমি এড়াতে পারব না।
তুই যদি না আসিস, আমরা তোর পূতরচনায় সঞ্চালন করব।
তোকে দেখতে আমেরিকা থেকে রাধিকা এসেছে।
তুই কি চার্চের দেয়াল টপকাতে পারবি না?
আমাকে ওটাতে উপস্থিত থাকতে হবে।
তা নাহলে ঈশ্বর আমাকে ক্ষমা করবেন না।
আর আমরাও তোকে ক্ষমা করব না।
আমি প্রর্থনা করব তোরা যেন ভালো থাকিস।
তোরা আমার প্রার্থনায় থাকবি।
সে আমাদের উপর লটকে আছে।
সে কি করে? মশকরা দিয়ে ঈশ্বরকে হত্যা করবে?
আসবে সে?
ওর পূতরচনা নিয়ে ওকে সন্তুষ্ট থাকতে দে।
চল, আমরা উৎযাপন করি।
এই নিয়ে তুমি তালবাহানা করো না।
অনুবাদ আয়জনেঃ সাউথ সাবমেকার্স প্যানেল।
তো, সুখী?
মানে আমার বিবাহিত জীবন?
সুখী বিবাহিত জীবন।
এসব স্বপ্নে হয়।
ওরা বাস্তবে কখনো রূপায়িত হয় না।
যদি ওরা হয় স্বপ্নই থেমে যায়।
একদম সত্য বলেছিস রে।
গতবছর আমি এয়ারপোর্টে রাস্তায় ওর সাথে দেখা হয়।
সোফিয়া নাম।
তারপর?
ওর কারে সমস্যা হয়েছিল বলে আমার অটোতে সিগন্যাল দিচ্ছিল।
এয়ারপোর্টের পথ থেকে আমি তাকে প্রশ্ন করতেই থাকলাম।
কিন্তু সে একটারও প্রতিউত্তর দিলো না।
যখন তাকে বাড়ি পৌঁছে দিলাম সে আমাকে ১,০০০ টাকার নোট দিলো।
আমি নিতে চাইলাম না বলে সে আমার মুখের উপর ছুড়ে মারল।
আমি বলেছিলাম আমার কাছে ভাংতি নেই।
সে বলেছিল বাকিটা রেখে দিতে।
তাকে বাকি টাকা ফিরত দিতে আমি তিনবার গিয়েছিলাম তার কাছে।
সে এখন কানাডাতে আছে।
তোমার স্ত্রীকে ছেড়ে যাবার দরকার কি ছিল?
মেয়েটা কি তুমি ছিলে যে সে তোমার কাছে গিয়েছিল, সুহরা?
তুই গিয়েছিলি কেন?
কেন গিয়েছিলাম সেটা জিজ্ঞাসা করিস না। কেননা, ওটার কোনো উত্তর নেই আমার কাছে।
এই হচ্ছে মালায়ালি ছেলেদের স্বভাব।
তারা তাদের ভালোবাসাটাকে খোলাখুলি ভাবে কখনো বলতে পারে না।
মাঝে-মাঝে আমি অবাক হই...
তোদের মধ্যে কেউ কি আমার প্রেমে পড়েছিলি।
আমরা ভাবি এসব বলে কেন বন্ধুত্বটাকে হারাতে যাব।
তাই না, দোস্ত?
তুই এত ভয়ে পেয়েছিলি কেন?
তোকে ভয় পেয়েছিলাম?
যদি আমার ভালোবাসা প্রকাশ করতাম তাহলে তুই কি সেটা গ্রহণ করতি?
এমনকি আমি তোকে সহ্যই করতে পারি না।
এ্যানিকে আমার প্রণাম।
সিধু যদি করত...হয়তো জীবনটা ভিন্নতর কিছু হতো।
ধন্যবাদ খোদা। আমি পালিয়েছিলাম।
এই! আমি মজা করছিলাম।
রাতের খাবার পরিবেশন করব?
হ্যাঁ। চল খেয়ে নেই।
মানু, গিয়ে হাত ধুয়ে আয়।
চল খেয়ে নেই।
আয়, সিধু।
দোস্ত, তাকে আসতে বল।
বস, দোস্ত। কোথায় যাচ্ছিস?
তালের পিঠাগুলি নিয়ে আসুক।
আলাভি ভাই, বোতলটা খুঁজে পাও কিনা দেখ।
- রফিক। - তুই ফেসবুকে?
হ্যাঁ।
সুহরার সাথে তোর কথা বলার সময় নেই অথচ ফেসবুকের জন্য সময় আছে, তাই না?
এক'শ বার বলেছি এই সাইটে লগইন করবে না
সুহরা, না খাওয়ার কারণ কি?
সবাইকে ডিনার করার জন্য ডাকো!
নিজের জন্য করো!
সবগুলো মিক্স কিভাবে করলি?
তুই কথা বলবি না, ভেবেছ তুমি সাধু না?
বিন্দু বিন্দু জল সমুদ্রের সৃষ্টি করে!
ঐ একই!
আমি প্রস্রাব করবো!
লু সেখানে আছে!
আমি তারা গুনতে গুনতে প্রস্রাব করবো!
তিনিই আমার অনুপ্রেরণা!
প্রস্রাব করা কি অপরাধ?
- রঘু, এটা কি? - হেই, কি এটা?
কিছু না, সে তারা গুনতে গুনতে প্রস্রাব করতে চায়!
কখনো কাউকে প্রস্রাব করতে দেখো নাই!
না দেখলে এসে দেখে যাও!
সে এ্যানি কে ডিভোর্স দিতে চায়!
কি?
ফালতু চিন্তাভাবনা! সে এখনো জানেনা কিছু!
মাস্টার চিফ আলাভি ভাই!
পুরাই সত্য!
সে অনেকটা কঠোর ও রূঢ়!
তিনি নাম্বার ওয়ান কুক!
ফিস ক্যারি সেই 👌 সে কই?
- ফিস ক্যারি সেই 👌 - ধন্যবাদ
লাঞ্চের পর বান্নির বিয়েতে...
...গিয়ে কেরালা গানে নাচানাচি করবো
তুমি আর সোফি আলাদা কেন?
রাধিকা জিজ্ঞেস করলেই বলবো শুধু!
আচ্ছা, আমিই জিজ্ঞেস করলাম তাহলে
ওকে, রাধিকা বলা'ই তোমায় বলতেছি!
তাছাড়া মালায়ালীরা অন্যদের গল্প শুনতে ভালোবাসে!
আমি একটা রেস্টুরেন্টে "মাসালা ডোসা" খাচ্ছিলাম,
তখন একটা টিভি শো দেখে....
তখন সোফিয়া চিৎকার দিয়ে শাশুড়ি কে ডেকে আনে!
আমি তাকে চেয়ারে বসিয়ে দিই!
আমি লাভজনক একটা প্রতিষ্ঠানে ফাস্ট র্যাংক হোল্ডার!
গাড়ী, ব্যাঙ্গালোর, কাজ....
- যত কিছুই হোক না কেন, - হুম?
তার বিয়েটা জাঁকজমকপূর্ণ ছিলো
কিন্তু আমাদের বিয়ে এক রাত্রে দুর্ভাগ্যজনকভাবে মজার ছলে..
..আমি তাকে প্রশ্নটা করি
"আমিই কি তার লাইফে প্রথম পুরুষ?"
সে কি বলেছে?
সে বলেছে, যদি আলো জ্বলা থাকতো..
..তাহলে সে বলতে পারতো!
স্মার্ট গার্ল!
কিন্তু ভাবছি যে সে কি মজা হিসেবে নিয়েছে নাকি সিরিয়াসলি?
আমিতো ভয়ে ঠান্ডা হিম হয়ে যাচ্ছি!
সেদিন থেকেই আমি সন্দেহর চোখে আছি!
আমি তাকে গোপনে ফলো করতাম
আর এর কারণেই আমাদের মাঝে ঝগড়া-বিবাদ শুরু হয়!
এবং এটা কোন সাধারণ ঝগড়া ছিলো না!
একদিন কথা কাটাকাটির মাঝে আমি তাকে আঘাত করে বসি!
অসাধারণ!!
মনে ঝড়ের মতো কিছু ঘটে গেলো!
সে হাসপাতালে ভর্তি হয়!
আর আমার নামে অভিযোগ করে!
এই মামলা আমার সমস্ত সম্পদ খেয়ে ফেলল।
আমার বাড়ি, গাড়ী সব তার নামে হয়ে গেলো!
আমি আস্তে আস্তে হতাশাগ্রস্ত হয়ে ড্রিঙ্ক করা শুরু করি
এবং শেষমেশ মাদকাসক্ত হয়ে যাই!
- বর্তমানে আমি এই অটো চালাই! - হেই!
যখন আমি আর আমার সন্তান বাড়িতে ক্ষুদার্তবস্তায় থাকি..
..তখন তুমি ঐ লোকদের সাথে ক্লাবে আনন্দ-ফুর্তি কর!
যখন আমি প্রসাদ কে ডাকতেছি তখন আমি জানতাম তখন তুমি এখানেই ছিলে!
আজকে কত ধান্দা হয়েছে?
সামান্য
এই বারগুলোই তোমার টাকা গিলে খাচ্ছে।
ভেবো না আমরা মৃত্যু যন্ত্রনায় কাতরাবো!
ভবিষ্যতে আমিই অটো চালাবো!
সারা দিনের কাজের আয় মাত্র ৪০ টাকা?
তুমি কি সাবেক-স্ত্রী কে কোন টাকা পাঠাও?
বাড়ীতে এসো, সেখানেই বাকি কথাবার্তা হবে!
পারবো না!
- এটা কে? - আমার সন্তান!
রেণু.. তার মা!
যখন আমি মদ্যপ হয়ে যাই...
...আমার ভাই আমাকে আমার বাড়ির বাইরে নিয়ে যায়।
উদ্দেশ্য ছাড়াই আমি তার বাড়ির বাহিরে ঘোরাঘুরি করতাম।
সে আমাকে অটো নিতে সাহায্য করেছে।
সে সাদামনের মানুষ!
এই তাকে এসে খেয়ে যেতে বল।
ডাক দে ওকে।
সে অনেক সাদাসিধে মহিলা, আমি তাকে আনতেছি!
খাওয়ার মুড নাই।
বেনি?
- কি...? - এটা নাও।
- লাগবে না আমার! - এটা তোমার জন্য না!
- রেণুর জন্য এটা! - ভুলেও না!
রেনু এটা না নিলে আমি ফেরত নিয়ে নেব।
- না, লাগবে না! - ধরো তো!
লাগবে না, রেখে দাও।
আমার কথা শুনো, এটা নাও!
মাতৃভাষা বাংলায় সাবটাইটেল দিয়ে নিজে মুভি উপভোগ করুন.. অন্যকেও উৎসাহিত করুন।
অটো ড্রাইভার হিসেবে তার ভাগ্য ভালোই।
অন্তত স্বাধীনতা তো পাচ্ছে।
মন চাইলে চালাবে মন না চাইলে চালাবে না!
টাকাই সবকিছু না, স্বাধীনতাও দরকার বাঁচতে হলে!
আমায় যেতে হবে।
যা বলতেছিস তা কি সত্য?
টাকা হাতে পেলেই তোর চেহারা পাল্টিয়ে যাবে।
আর বিয়ে? পুরো জীবনই ধ্বংস।
কেন?
মনের শান্তি হারাতে হয়।
তাকে বিয়ে করা ছাড়া তোর কোনো উপায় ছিল?
সুহরা, তুমি কি জানো নাকি?
সে তাকে গভীরভাবে ভালোবাসে।
এটা কি মিথ্যা?
সে অনেকগুলো প্রেমপত্র লিখেছে!
কিন্তু তার টনক একটুও নড়েনি!
তুই তাকে এসব কিছু বলিসনি?
সুহরা..
সে কি রাগ করে চলে গেছে নাকি?
আন্দাজে কোনো কিছু বলবি না।
আমি ভেবেছিলাম সে জানত।
তারমানে আমি ছাড়াও তার মনে আরো অনেকেই আছে?
এ্যানিও দখল নিয়েছে ওকে।
আমি সেন্ট জোশেপ স্কুলে পড়তাম..
..আমি খুবই ভালো ছাত্রী ছিলাম, এমনকি ক্লাস টপারও ছিলাম।
বাবা বলেছিলেন, মেয়েদের বেশী পড়তে হয়না।
আমি তাকে বলতে বলতে হয়রান হয়ে গেছি যে পড়ালেখা কত গুরুত্বপূর্ণ।
আর ডাক্তার হওয়াটাও।
এজন্য বাবা কথা দিয়েছিলো আমায় ডাক্তারের সাথে বিয়ে দিবেন।
আমি পুরাই অ-লক্ষী।
কেউই আমার নিজ পায়ে দাঁড়ানোর ইচ্ছা শুনেনি!
ভেঙ্গে পড়ার দরকার নেই, রফিক কে নিয়ে এ্যানি'র কোন আগ্রহই নেই।
কলেজে থাকাকালীন আমি অনেকের ক্রাশ ছিলাম।
কিন্তু আমি কাউকেই সিরিয়াসলি নিইনি।
মনের মাঝে অন্য কাউকে জায়গা দেয়া কি সম্ভব?
এইসব চিন্তা বাদ দাও, রফিককে নিয়ে সুখে থাকো।
তাছাড়া তুমি এখনও তোমার বাবার মেয়ে!
তোমার এও বোঝা উচিত তুমি রফিকের স্ত্রী।
সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে।
আমি ভেবেছিলাম তুই সুহরাকে সব বলেছিস।
যত কিছুই হোক সে তোর স্ত্রী!
শুধু এখন সেই জানে কে আমার বাবা?
কি মনে হয়?
রাধিকা, কোন সমস্যা?
আমি তাকে সান্ত্বনা দিয়েছিলাম, এখন চুপ থাক।
তুমি কিছু বুঝাও নাই?
মদ দে।
সিধু, একটা গান গা।
আরে গা না!
একবার গেয়েছি, এটাই যথেষ্ট!
- আমি রাজি। - তুই গাইবি?
গাও সিধু..
অনেকদিন হয়ে গেলো তোমার গান শুনিনাই।
রেভথি অনেক ভাগ্যবান যে সিধুর মতো সুমধুর গলাওয়ালা কাউকে পেয়েছে।
তুমি জানো কতজন মেয়ের রাতের ঘুম হারাম হয়ে গেছে?
তুমি কোনটা শুনতে চাও, রাধিকা?
তোমার ইচ্ছা।
লেডিস এন্ড জেন্টেলম্যান.. সিধু এখন গান গাইবে..।
শুরু করবো?
- such a great feelings.. - কি?
- The earth, these rivers, this night.. - আর?
..And you.
"Such a lovely feeling too"
"This world, these rivers and this night with you"
"We are so close to each other Moon and stars are far out there"
"But why do they look unreal to me?"
"These moon and stars really?"
"While I feel the truth actually in all these around me"
"The earth, these rivers, the night..."
আবার কি হয়েছে?
আমি এক্ষুনি জানতে চাই.. আমি তোমার কে হই?
আস্তে কথা বলো।
আস্তে কথা বল।
তাকে দেখে আবারও তুমি..
আমার আর তোমার ছেলের কথা ভুলে গেলে?
..মন চাইলে তার সাথেই বাকি জীবন কাটাও।
কখনও আর আমার সামনে আসবে না। আমার সহ্য হবেনা।
চুপ করো.. আস্তে বল।
কোন ফুলের কথা বলেছিলে? জেসমিন?
এর সুবাস এখনো হৃদয়ে লেগে আছে তোমার, তাইনা?
আমি আমার ছেলেকে নিয়ে যাচ্ছি।
তুমি গান গাও নয়তো জেসমিনের ঘ্রাণ নাও যা ইচ্ছে তাই কর।
- অনেক হয়েছে। - আমিই কেন?
যথেষ্ট!
এভাবে বেঁচে থাকা আমার দ্বারা সম্ভব না।
সহ্য করারও একটা সীমা আছে।
একমাত্র আমি এরকমটা বলেছি নাইলে....!
আমার এখনই জানা প্রয়োজন..
..এখানে রাধিকা থাকবে না আমি থাকব?
তুমি কি বলেছ?
রাধিকা না আমি?
সিধু..
রাধিকা..
- তুমি খুশী তো এখন? - কেন?
সে চলে গেছে।
- কে? - রাধিকা।
গেট টুগেদার না ছাই!
যাই হোক! যেটা গেছে সেটা আর আসবে না।
আমি রেভথিকে সবকিছুর দায় দিবো না..
..তোমায় আরো নিয়ন্ত্রিত হওয়া উচিৎ ছিলো।
আমি কি করবো? গান গাওয়া কি অপরাধ?
গান?
তুমি রেভথির সাথে অন্যায় করেছ।
আমি কি করেছি?
সে যে তোমার বউ সেটা মনে হয় ভূলে গেছ?
এ্যানি..
কাদের জন্য গেট-টুগেদারের আয়োজন করা হয়েছে? আর কে প্ল্যান করেছে?
আমি প্লান করেছি।
এ্যানি, আমি তোমার সাথে কথা বলতে চাই।
আমি জাবিরকে পার্টি আয়োজন করতে বলেছি।
আমি সবাইকে এখানে আসতে বাধ্য করেছি।
তাহলে এটা কি, রঘু?
এ্যানি
আমরা আলাদা হয়ে যাব।
সবাই আলাদা হওয়ার আগে আমরা একবার একত্রিত হই।
আমি চলে যাব।
জানিনা কোথায় যাবো?
দু-চোখ যে দিকে যায় সেদিকে যেতে চাই।
আমি কোনো প্রতিবন্ধকতা চাই না..
..আর না কোনো বাধাবিপত্তি!
সাবটাইটেল পরিবেশনায়ঃ-সাউথ সাবমেকার্স প্যানেল
সিধু..
ও রেণু। আমি তোকে ওর কথা বলেছিলাম।
সুহরা.. আমার মেয়ে।
বস।
এ্যানি..
তুমি বস।
রঘু.. রফিক..
আমার স্ত্রী রেণু এসেছে।
তোদের সবাইকে এমন মনমরা দেখাচ্ছে কেনো?
কি হয়েছে? রাধিকা কোথায়?
রাধিকা চলে গেছে।
এ্যানি আর রঘুর বিচ্ছেদ হয়ে গেছে।
এটা আমাদের সর্বশেষ গেট-টুগেদারের কারণে হয়েছে।
রঘু.. সিধু.. এইগুলো কি হচ্ছে?
সব বরবাদ হয়ে গেছে।
কি কারণে?
সমস্যা ছাড়া কোনো পরিবার হয় নাকি?
আমাদের দেখ.. আমরা প্রতিদিনই ঝগড়া করি।
আমরা ঝগড়া ছাড়া থাকতে পারি না।
কিন্তু দিনশেষে আবার আমরা ঝগড়া মিটায় ফেলি। তারপর সব শেষ!
কিন্তু তোরা তোদের জেদ নিয়ে আছিস।
বেচারি রাধিকা! সে কি করেছে?
সিধুকে জিজ্ঞেস কর।
মনে হয় যেন, আমাদের মধ্যে সেই সব থেকে বেশি দুঃখী!
দীর্ঘদিন পর আমরা একত্র হয়েছি।
"সম্পর্কচ্ছেদ অনেকটা নিঃসঙ্গের মত"
দেখ.. আমাদের জাবির এসেছে।
জাবির?
তুই গত কয়েকবছর কোথায় ছিলি?
কিন্তু তুইতো বলেছিস তুই আসতে পারবি না।
সব প্রভুর লীলাখেলা!
স্যরি! একটু দেরী করে ফেলেছি।
আমি সর্বশেষ তীর্থযাত্রায় গিয়েছিলাম..
..কিন্তু একজন বয়ষ্ক মহিলাকে খুঁজে পেলাম যার সাথে অনেকগুলো স্বাস্থ্যবান গাভিন গরু ছিল।
বস।
জাবির.. সে আমার রেণু।
কি সমস্যা? রাধিকা কোথায়?
- সে মনে কষ্ট নিয়ে চলে গেছে। - মনে কষ্ট? কেনো?
এ্যানি.. কি হয়েছে?
তুই জানিস না?
তুই রঘুর কথামত পার্টির আয়োজন করেছিস?
জাবির, আমি তোর সাথে একাকি কথা বলতে চাই।
রেণু, তুমি বাচ্চাকে নিয়ে বাসায় চলে যাও।
আমি কিছুক্ষণ পর আসতেছি।
আমি জামাটা খুলে নিই।
সাবটাইটেল পরিবেশনায়ঃ- সাউথ সাবমেকার্স প্যানেল
তোরা সবকটাই বলদ!
প্রত্যেকে চায় তার প্রিয় মানুষগুলো সুখী হোক।
স্ত্রীকে তোর নিজের কাছে রেখে ভালোবাস।
তারপর তুই বুঝতে পারবে সব মহিলা একই।
কিন্তু তুই যখন কোনো তীর অনুসন্ধান করবি..
..জাহাজে করে..চতুর্দিকে..
..যেখানে পোর্ট খুঁজে পাবি সেখানেই নোঙ্গর পেলে দিবি।
তারপর তুই বেঁচে যাবি আর নিরাপদে ঘরে ফিরতে পারবি।
তখন ডুবে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না।
যখন সে মাছের কারি রান্না করে তখন তাকে বলবি "কারি অনেক স্বাদ হয়েছে"।
আর তারা এই প্রশংসাগুলোই শুনতে চায়।
তুমিতো বিয়ে কর নাই, তুমি এইগুলো জান কিভাবে?
এটাইতো আমি প্রতিদিন শুনি!
ধর্মযাজকের কাছে কোনো খবর গোপন থাকে নাকি?
যদি তুমি তাকে ভালোবাসতে না পারো..
..তাহলে কিভাবে প্রভুকে ভালবাসো? যাকে তুমি কখনো দেখো নাই।
দোস্ত, একটি স্বাধীন পাখির মত তুই কতদূর উড়তে পারবি?
উড়ে যা.. কিন্তু একা নয়! একসাথে।
আর এরপরও যদি তুই সুখ খুঁজে না পাস, তাহলে আমার কাছে ফিরে আছিস।
আমি সেই শিক্ষকদের খুঁজতেছি যারা অনাথদের শিক্ষা দিতে পারে।
যাইহোক তুই তোর জীবনের সবকিছু ছেড়ে দিয়েছিস।
অন্ততঃপক্ষে অনাথ শিশুদের শিক্ষা দিয়ে উপকার কর।
একটি কথা মনে রাখিস..
..তুই শুধু একমাত্র না যারা নিজের জন্য বাঁচতে চায়।
এ্যানিকে নিতে ভুলে যাস না। তোরা দুইজন একই পথের যাত্রী।
গন্তব্য যেখানেই হোক না কেনো..!
..আর এভাবেই তুই সত্যিকারের শান্তির পথ খুঁজে পাবি।
দয়া করে আমাকে ভুল বুঝিস না।
ব্যক্তিগতভাবে আমি কি চিন্তা করি সেটা তোদের বলব।
বিয়ে, বাচ্চা, পরিবার এইগুলো সবই ঘৃণ্য সম্পর্ক।
যদিও আমার পোপ সাম্রাজ্যের দেবতার বিরুদ্ধে বলা ঠিক হবে না।
কিন্তু কেনো তোরা আদিযুগের নিয়মে চলতে পারছ না?
এসব ঝগড়া ভালোবাসার কাছে আবদ্ধ।
রেভথি..
দোস্ত, তুইতো জানিস?
রাধিকা গত এক বছর ধরে তার স্বামীর স্পর্শ পর্যন্ত পায়নি!
সে জানে না কারণটা কিসের?
কিন্তু সে থাকে প্যারিসে আর ও থাকে ক্যালিফোর্নিয়াতে।
তার হয়ত আরেকটা মেয়ের সাথে সম্পর্ক আছে।
আমি গতসপ্তাহে তাকে কল করেছি।
আমি তাকে অপমান করেছি..
এমন কোনো ভাষা নেই যা সে সে আমার থেকে শুনেনি!
এরপর সে আমার কলই কেটে দেয়।
রাধিকা তাকে ছাড়া বাঁচার চিন্তাও করতে পারে না।
সে এখানে কিছুটা শান্তির পাবার আশায় এসেছে।
কিন্তু এখানে..!
আজ তার জন্মদিন।
আমি রাধিকে কষ্ট দিতে চাইনি।
রেভথি.. বুঝতে চেষ্টা কর।
রাধিকার সমস্ত চিন্তা-চেতনায় শুধুই জন!
সেখানে সিধুর জন্য কোনো জায়গা নেই।
বেনি.. একটা কেক আনতে পারবি? আমি কল দিলেই সে চলে আসবে।
এটা কোনো ব্যাপারই না! প্রসাদ এক্ষুণি নিয়ে আসবে।
এক মিনিট
ধ্যাত! হালারপুতের মোবাইল বন্ধ!
প্রসাদ আজকে সকালেইতো একটা বাক্স দিয়েছিলো।
আলাভি ভাই..
এখানে একটা বাক্স রেখেছিলাম সেটা কোথায়?
তুই এটা ভুলে রেখেছিস। কেউ নিয়ে যাবে ভেবে..
..আমি ভিতরে নিয়ে রেখেছি।
জাবির..
- কি এটা? - দেখ তো..
রাধিকা...!
এই নাম্বারে একটা কল দে..
বন্ধ!
শুভ জন্মদিন আমার ভালোবাসা। -জন
তোমার মোবাইলটা দাও তো।
MBRHDRG
'প্রিয় রাধিকা, আমি রেভথি..'
'ভুল বুঝাবুঝি বেশিক্ষণ থাকে না'
'আমি নিজেকে ধরে রাখতে পারিনি'
'আমরা জনের পাঠানো উপহার এইমাত্র পেলাম'
'তোমার ভালোবাসার জন তোমার জন্য প্যারিসে অপেক্ষা করতেছে'
'তুমি আমাকে ক্ষমা করে দিও'
'শুভ জন্মদিন রাধিকা'
মাতৃভাষা বাংলায় সাবটাইটেল উপভোগ করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। ভাল লেগে থাকলে সাবসিনে গুড রেটিং দেওয়ার অনুরোধ রইল।
Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.