All language subtitles for Colorful

af Afrikaans
ak Akan
sq Albanian
am Amharic
ar Arabic
hy Armenian
az Azerbaijani
eu Basque
be Belarusian
bem Bemba
bn Bengali
bh Bihari
bs Bosnian
br Breton
bg Bulgarian
km Cambodian
ca Catalan
ceb Cebuano
chr Cherokee
ny Chichewa
zh-CN Chinese (Simplified)
zh-TW Chinese (Traditional)
co Corsican
hr Croatian
cs Czech
da Danish
nl Dutch
en English
eo Esperanto
et Estonian
ee Ewe
fo Faroese
tl Filipino
fi Finnish
fr French
fy Frisian
gaa Ga
gl Galician
ka Georgian
de German
el Greek
gn Guarani
gu Gujarati
ht Haitian Creole
ha Hausa
haw Hawaiian
iw Hebrew
hi Hindi
hmn Hmong
hu Hungarian
is Icelandic
ig Igbo
id Indonesian
ia Interlingua
ga Irish
it Italian
ja Japanese
jw Javanese
kn Kannada
kk Kazakh
rw Kinyarwanda
rn Kirundi
kg Kongo
ko Korean
kri Krio (Sierra Leone)
ku Kurdish
ckb Kurdish (Soranî)
ky Kyrgyz
lo Laothian
la Latin
lv Latvian
ln Lingala
lt Lithuanian
loz Lozi
lg Luganda
ach Luo
lb Luxembourgish
mk Macedonian
mg Malagasy
ms Malay
ml Malayalam
mt Maltese
mi Maori
mr Marathi
mfe Mauritian Creole
mo Moldavian
mn Mongolian
my Myanmar (Burmese)
sr-ME Montenegrin
ne Nepali
pcm Nigerian Pidgin
nso Northern Sotho
no Norwegian
nn Norwegian (Nynorsk)
oc Occitan
or Oriya
om Oromo
ps Pashto
fa Persian
pl Polish
pt-BR Portuguese (Brazil)
pt Portuguese (Portugal)
pa Punjabi
qu Quechua
ro Romanian
rm Romansh
nyn Runyakitara
ru Russian
sm Samoan
gd Scots Gaelic
sr Serbian
sh Serbo-Croatian
st Sesotho
tn Setswana
crs Seychellois Creole
sn Shona
sd Sindhi
si Sinhalese
sk Slovak
sl Slovenian
so Somali
es Spanish
es-419 Spanish (Latin American)
su Sundanese
sw Swahili
sv Swedish
tg Tajik
ta Tamil
tt Tatar
te Telugu
th Thai
ti Tigrinya
to Tonga
lua Tshiluba
tum Tumbuka
tr Turkish
tk Turkmen
tw Twi
ug Uighur
uk Ukrainian
ur Urdu
vi Vietnamese
cy Welsh
wo Wolof
xh Xhosa
yi Yiddish
yo Yoruba
zu Zulu

Original subtitles

হয়তো আমি...

হয়তো আমি এখন সত্যিই... মৃত...

এতে আমার কোনো আপসোস নেই...

TRANSIT

TRANSIT

অভিনন্দন!

তুমি আমাদের লটারিতে জয়ী হয়েছো!

Huh?

Huh? Huh?

তুমি এক পাপী আত্মা, যে একটা বড়সড় অপরাধ করেছিলো,

কিন্তু তোমাকে একটা সুযোগ দেওয়া হচ্ছে এবং আবারও বেঁচে থাকার সুযোগ পাচ্ছো।

তুমি খুবই ভাগ্যবান!

কোথায় যাচ্ছো?

যদি তুমি এটা গ্রহণ না করো, তাহলে তুমি আর জন্ম নিতে পারবেনা।

মানে তোমার আর পুনর্জন্ম হবেনা।

তুমি কি তাহলে এটাই চাইছো?!

হ্যা একদম!

আমি যাবোনা।

Huh?! কিন্তু কেনো?

হয়তো এটা একটা উটকো ঝামেলা...

হয়তো এটা একটা উটকো ঝামেলা... অথবা এটাও হতে পারে যে,আমি আর জন্ম নিতে চাইনা...

কিন্তু তোমার কাছে তো ওই দুনিয়ার আর কোনো স্মৃতিই নেই।

এমনকি কোনো খারাপ স্মৃতিও...

তবুও...

তবুও... ...কোনোপ্রকারেই...

তাহলে একবার চেষ্টা করে কেনো দেখছো না?

যদিও এটা তোমার আমার ওপর নেই।

যেটা বস ঠিক করবেন সেটাই আমাদের মেনে চলতে হবে।

বস?

ওনাকে "Almighty Creator" বলেও ডাকতে পারো।

আর তুমি...

তুমি কি... একজন অ্যান্জেল?

যদি তোমার সেটা মনে হয়,তাহলে হ্যা আমি একজন অ্যান্জেল।

ওহ,হ্যা বলতে ভুলে গিয়েছিলাম।

আমার নাম পুরাপুরা।

আমি তোমার উপদেষ্টা হিসাবে থাকবো।

এটা হলো জীবনে ফিরে যাওয়ার দরজা।

তুমি একজন ছেলে হবে,যার নাম মাকোতো কোবায়াশি।

কে এই মাকোতো কোবায়াশি?

আর আমাকেই কেনো হতে হবে?

এটাই বসের সিদ্ধান্ত।

চলো যাও!

দাঁড়াও,

দাঁড়াও, আমি এখনো...

সব ঠিক আছে।

বেশী চিন্তা না করে যাও এবার।

আবার দেখা হবে!

তুমি কি... একজন অ্যান্জেল?

তুমি কি... একজন অ্যান্জেল? নাকি...

তিনদিন আগে মাকোতো কোবায়াশি বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে।

ও শীঘ্রই মারা যাবে।

ওর আত্মা দেহত্যাগ করা মাত্রই, তুমি ওর জায়গা নিয়ে নেবে।

মাকোতো...

মাকোতো...

যদি তোমার আত্মার সংশোধন হয়ে যায়,

তাহলে তোমার পুনর্জন্ম সম্ভব হবে।

ওহ হ্যা,"সংশোধন" এর মানে হলো, যে নিজের ঘরে সঠিকভাবে থাকতে পারে।

মাকোতো ৪ সদস্যের পরিবারে থাকে।

মা..মাকোতো!

মাকোতো!

মাকোতো! মাকোতো!

ডাক্তার!

মাফ করবেন।

মা!

স্পন্দন ফিরে এসেছে!

ECG লাগাও!

জ্বী,স্যার!

ও বেঁচে আছে!

মাকোতো আবার এই দুনিয়াতে ফিরে এসেছে।

মাকোতো!

মাফ করবেন,দয়া করে একটু সরে দাঁড়াণ! মাকোতো!

কোবায়াশি, আমায় শুনতে পাচ্ছো?

আমি...আমি চাই যে...

এটা কি আমার কন্ঠ?

এটা কি আমার কন্ঠ? আর মাকোতো...

হ্যা? কি চাই তোর?

জল?

আয়...আয়..একটা আয়না...

আয়না?

কেনো? নিজের মুখ দেখতে চাস?

এটায় তুই নিজেকে দেখতে পাবি।

দেখলি?

তোকে স্বাভাবিকই লাগছে।

এটাই যথেষ্ট!

মাকোতো!

কি হলো? মাকোতো!

আমার পেটটা ব্যথায় এমনভাবে ছটপট করছে, যেনো কেউ ছুঁড়ি দিয়ে আঘাত করেছে।

ভয়ঙ্কর ব্যথা করছে।

উনি আমার বাবা।

আর এটা আমার মা।

আমার দাদা, মিতসুরু।

আর আমি,যে এখন মাকোতো কোবিয়াশি সেজেছে।

আমি প্রায় এক সপ্তাহ হাসপাতালে ভর্তি ছিলাম, এই সময়টায় আমার অনেকগুলো টেস্ট হয়

কিন্তু মাকোতোর শরীর পুরোপুরি সুস্থ ছিলো।

ওর অভিভাবকদের বলা হয় যে, ওর মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর বিশেষ নজর রাখতে,

কিন্তু আর কোনো সমস্যা নেই।

কারণ এটা এখন আমার মন।

কি হলো?

ভয় লাগছে?

না।

Junky...

আমি তোর সমস্ত পছন্দের খাবার রান্না করেছি।

দাঁড়া নিয়ে আসছি।

আমরা আজ এগুলোই খাবো।

বলছি যে...

ভেতরে চল।

কখনো কখনো ঘরগুলোর ব্যবহার করা উচীত।

ওই,এই ব্যাগটাকে বাথরুমের কাছে রেখে আসা উচীত ছিলো।

তোর দাদার পরীক্ষা চলছে,কিন্তু তবুও ও আজ এখানে এসেছে,

যাতে আমরা সবাই তোকে হাসপাতাল থেকে নিয়ে আসতে পারি।

দাদীর আত্মার শান্তিকামনা করিস পড়ে।

দাদী?!

হয়তো উনিই আবার তোকে আমাদের কাছে ফেরত পাঠিয়েছেন।

ওহ,হ্যা ডিনার খুব শীঘ্রই তৈরী হয়ে যাবে।

এটা অসম্ভব!

হ্যা একদম!

ওটা শুধুমাত্র একটা ভুল ধারণা ছিলো।

আর গরুর মাংস নিবি?

তুই তো খেতে ভালোবাসিস,তাইনা?

হ্যা,কিন্তু আমার পেট ভরে গেছে।

কোনো বাহানা চলবেনা,চুপচাপ নে।

কেনো?

মিতসুরু খুব একটা মিশুকে নয়...

মনে আছে আমরা যখন সেই হোটেলে গিয়েছিলাম?

মাকোতো গরুর মাংস ছাড়া আর কিছু খায়নি!

হুম!

ও অনেকবার অর্ডার দিয়েছিলো, রাঁধুনিকে আবার আলাদা করে রান্না করতে হয়েছিলো।

মাকোতোর কাছে একটা ভালো পরিবার রয়েছে।

তাহলে কেনো ও নিজেকে মারতে চাইলো?

আমি কেক নিয়ে এসেছি।

এত বড়ো সাইজ!

কিন্তু আমার পেট ভরে গেছে।

আমার জন্য এতকিছু করার জন্য ধন্যবাদ।

খাবার সত্যিই খুব সুস্বাদু ছিলো!

মাকোতো এরকম নয়!

সত্যি?

যাক ভালো।

যা ঘরে গিয়ে বিশ্রাম নে।

সবকিছু গুছিয়ে রেখেছি।

ভালো লাগবে।

আচ্ছা।

আমার ঘর...

কোথায়?

কি হলো?

তুই ঠিক আছিস তো?

হ্যা...

উপরে।

ওই,তুমি কোথায় ছিলে এতক্ষণ?

আমার খুব অসুবিধা হচ্ছিলো।

ওই!

কি বললাম শুনতে পেয়েছো,পারাপারা?!

তোমার মেজাজ এখন ঠিক নেই।

অবশ্যই

কারণ তুমি আমায় মাকোতোর ব্যাপারে কিছুই বলোনি।

আমি ওর ব্যাপারে কিছু জানিনা।

আমি হাসপাতালে সারাদিন ঘুমিয়েই কাটাতাম, যাতে ওদের কোনো সন্দেহ না হয়।

তো এতে সমস্যাটা কোথায়?

অন্যের মতামতকে এড়িয়ে চলা তো ভালোই,

এটা একবার নিজেই ভেবে দেখো।

তুমি খুব...

তুমি নিজেকে বিশেষ কেউ ভাবো।

তোমায় দেখতে বাচ্চাদের মতো, কিন্তু তুমি আসলে একজন বৃদ্ধ তাইনা?

চুপ করো!

যদি কোনো প্রশ্ন থাকে তো,জিজ্ঞেস করো!

ওহ,হ্যা...

মাকোতোর ঘরটা...

মাকোতো এটা গ্রেড স্কুলে পড়াকালীন এঁকেছিলো।

এটা একটা প্রতিযোগীতায় প্রথম পুরস্কার জিতেছিলো।

ও খুব ভালো ছবি আঁকতে পারে, আর তাছাড়া ও একটা আর্ট ক্লাবের মেম্বারও।

জুনিয়র স্কুলের প্রথম বর্ষ?

তৃতীয় বর্ষ।

এত বেঁটে!

বেঁটে হওয়ার কারণে ও সত্যিই খুব আফসোস করতো।

আগের জন্মে কিছু ভুলের কারণে তোমায় ঘরে ভালোভাবে থাকার জন্য বাঁছা হয়েছে।

আমি কি করেছিলাম?

বলতে পারবোনা।

ওগুলো নিজে থেকে মনে করাই হলো তোমার সংশোধনের একটা অংশ।

কারণটা এতটাও খারাপ ছিলো না,তাইনা?

তুমি সত্যিই খুব ছেলেমানুষ।

মাকোতো যদি সত্যিই সুখে থাকতো তাহলে ও নিজেকে মারতে চাইবে কেনো?

তুমি যা যা জানতে চাও, আমি তোমায় সবকিছু বলবো।

এটা কি?

মাকোতোর জীবনের সমস্ত রেকর্ড, আমার guidebook...

এটা আমায় আগেই দেখানো উচীত ছিলো।

কিন্তু এটা তো খালি!

এখানকার মানুষেরা এটা পড়তে পারবেনা।

এখানে আমার জগতের লোকেদের গোপন তথ্য রয়েছে।

এসব আজগুবি কথা বলে আমায় বোকা বানাতে চাইছো!

তো,এখানে আমার কোনো প্রয়োজন নেই,তাই তো?

মজা করছিলাম।

আমি শুনবো।

অ্যান্জেলদের এমন আচরণ করার কি অনুমতি আছে?

প্রথমে,পরিবার।

তোমার বাবা একজন সৎ ব্যক্তি,

কিন্তু ওনাকে বিনা প্রমোশন দিয়েই অতিরিক্ত কাজ করানো হয়।

মাকোতো ওনাকে পছন্দ করেনা, আর এখন ওনার সাথে ভালো করে কথাও বলেনা।

তুমি আজ খুব বেশী পান করে ফেলেছো।

কিছুদিন আগে ওর মা এর সাথে এক flamenco instructor এর গোপন সম্পর্ক ছিলো।

যদিও,মাকোতোর সুইসাইডের ঘটনার পর সে এই সম্পর্কের ইতি টানে।

মিতসুরু পরীক্ষায় ভালো নম্বর পায়, কিন্তু ও সবসময় নিজের মধ্যেই ডুবে থাকে।

কম নম্বর পাওয়ার জন্য ও সবসময় মাকোতোকে নিয়ে ঠাট্টা করে।

এখন ও অনেকদিন ধরে ওর সাথে কথা বলেনা।

কি হলো?

আর দাদী?

উনি অসুস্থতার কারণে গতবছর মারা যান।

মাকোতোর সাথে ওনার খুব ভালো সম্পর্ক ছিলো, কিন্তু ওর মায়ের সাথে নয়।

মাকোতো যখন ছোটো ছিলো তখনই ওর দাদু মারা যান।

১০ই অক্টোবর এমন কিছু একটা ঘটেছিলো যার জন্য মাকোতো সুইসাইড করার কথা ভাবে।

পরেরদিন সকালে ও সুইসাইড করে, আর আজ ২০ তারিখ।

১০ তারিখ এমন কিছু ঘটেছিলো,

যার ফলে সেটা ওর জীবনের সবথেকে খারাপ দিন ছিলো।

বাকি গল্পগুলো আবার অন্য কোনোদিন বলি?

তুমি খুব মজা পাও,তাইনা?

তাই নাকি?

তুমি কোনো অ্যান্জেল হতে পারোনা।

আমি কখন বললাম যে,আমি একজন অ্যাঞ্জেল!

আমি যাই হই না কেনো,তাতে তোমার বর্তমান পরিস্থিতিতে কোনো পরিবর্তন আসবেনা।

মাকোতো...

উম গন্ধটা অসাধারণ!

রোজকারের মটরশুঁটির মতো নয়?

ও তাহলে বুঝে গেছো?

আমি একটা বিশেষ কফি কিনে এনেছি।

ওহ,কোত্থেকে?

কোনা,হাওয়াই।

এই নে,মিতসুরু

তোমার বহির্ভূত সম্পর্ক ছিলো।

আর তুমি এই ব্যাপারে কিছুই জানো না।

মাকোতো,টোস্ট।

কি হলো? জ্যাম দিয়ে খাবি?

মাকোতোর আবার কি হলো?

ও বরাবরই এরকম ছিলো।

NO DATA

NO DATA

NO DATA

NO DATA

NO SENT OR RECEIVED MAIL

NO SENT OR RECEIVED MAIL

সুইসাইড করার আগে মাকোতো সমস্ত প্রস্তুতী নিয়ে নিয়েছিলো।

হিরোকা কুয়াবারা?

১০ই অক্টোবর বাড়িতে ফেরার সময়,

মাকোতোর সাথে হিরোকার দেখা হয়েছিলো, যাকে ও খুব পছন্দ করতো।

ও এক মধ্যবয়স্ক ব্যক্তির সাথে লাভ হোটেলে যাচ্ছিলো।

তারপর ও এক আশ্চর্যজনক দৃষ্টিতে, ওই হোটেলের প্রবেশ পথের দিকে চেয়ে রইলো,

আর ঠিক সেই সময় ও নিজের মা'কে সেই হোটেল থেকে flamenco instructor এর সাথে বের হতে দেখে।

এর ফলে ও ভেতর থেকে পুরো ভেঙে পড়ে।

যাই হোক,এরকম কিছু ঘটনাই সেদিন ঘটেছিলো, আর পরেরদিন মাকোতো আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়।

আমিই কেনো মাকোতো হলাম?

আমি এমন কি করে ফেলেছিলাম?

আজকের জন্য এটুকুই যথেষ্ট।

Huh?!

তুমি আমার উপদেষ্টা,বলো এবার আমায় কি করা উচীত!

ওই,পারাপারা!

আমার নাম পুরাপুরা!

না পারাপারা,না পেরাপেরা,না পুরিপুরি আর না পোরোপোরো!

এটা মাথায় ঢুকিয়ে নিও!

ঠিক আছে...

কি হলো,মাকোতো?

খাচ্ছিস না কেনো!

এটা ভালো লাগছে না?

অন্য কিছু নিবি?

এরপর কয়েকদিন আমি আর ঘর থেকে বেরাই নি।

কুকুরেরা তোমায় দেখতে পায়?

হুম কয়েকটা।

এমনকি কিছু মানুষও আমায় দেখতে পারে।

সত্যি? তখন কি করো?

কি আর করবো,পালিয়ে যাই!

ভুল!

ওদের এড়িয়ে চলি আর হেঁটে বেরিয়ে যাই।

তো,সবকিছু কেমন চলছে?

তোমার দয়ায়,একদম বেকার।

অন্তত খাবারগুলো তো খেতেই পারো,যেগুলো তোমার মা ভালোবেসে তোমার জন্য রান্না করে।

তুমি আমায় দেখছিলে?

মাঝেমধ্যে।

তুমি কি ওনাকে কখনো ক্ষমা করবেনা?

যতই হোক

দিনশেষে উনিও একজন মহিলাই মাত্র।

কিন্তু তার থেকে বেশী তখনই রাগ ধরে, যখন সে সবার সামনে ভালো সাজার চেষ্টা করে!

এটা মাকোতোর ভঙ্গুর হৃদয় বলছে!

ওই,ছাড়ো! ছাড়ো বলছি!

কি হচ্ছে এগুলো?!

আমার হৃদয় অনেক আগেই ছিন্ন বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে!

কোনো বন্ধু আছে?

আমার?

আমার কি কোনো বন্ধু আছে?

মাকোতোর!

ওহ,আসলে...

যখন ও অসুস্থ ছিলো,তখন কেউই ওকে দেখতে আসেনি।

ওর শিক্ষকরা বাদে কি আর কেউই ওর আত্মহত্যার ব্যাপারে কিছু জানতো না?

ওর কোনো বন্ধু ছিলো না।

হাঁটতে বেরিয়েছিস?

খুব ভালো।

এতে শরীর আর মন দুটোই ভালো থাকবে।

অন্তত সারাদিন ঘরে বসে থাকার চেয়ে অনেকগুণ ভালো।

কিন্তু পরেরবার,আমায় বলে বেড়াস-

কাল থেকে আমি স্কুলে যাবো।

ওই,রাস্তাটা ভালো করে চিনে রাখো,কাল থেকে একাই আসতে হবে।

হ্যা,আমি এই রাস্তটা সারাজীবনের মতো মাথায় ঢুকিয়ে রাখলাম।

অনেকটা মাকোতোর মতো কথা বলছো।

কারণ কেউ আমায় কিছু বলতে চায়না।

পাগল,নিজের বুদ্ধির প্রয়োগ করো!

এটা আমার মাথা নয়।

মাকোতোই একটা হাঁদারাম ছিলো,এতে আমার কোনো দোষ নেই!

তো অবশেষে মেনে নিলে যে,তুমি একটা গাঁধা।

যত্তসব!

জানিনা তুমি কোত্থেকে এসেছো, কিন্তু আমি নিশ্চীত যে তুমি নিম্ন শ্রেণীর।

"নিম্ন শ্রেণী"!

তাই তুমিও একটা "নিম্ন শ্রেণী" এর আত্মা!

অবশেষে সজ্ঞানে ফিরেছে!

দারুণ! দারুণ!

চুপ করো!

পারলে ধরে দেখাও!

কি হলো?!

এখান থেকে নিজেই খুঁজে নিতে পারবে।

আবার কান্নাকাটি করো না যেনো!

স্কুলের ব্যাপারে আমার সেরকম মাথাব্যথা নেই।

এটা মাকোতোর জীবন।

আমি এখানে ফিরে আসতে চাইনি।

ওই দাঁড়া বলছি।...

ভাবলাম বাড়িতে বসে থাকার চেয়ে স্কুলে থাকা বেশী ভালো হবে।

ওই,ওটা আবার কে?

জানিনা।

আমি তো ভেবেছিলাম ও মরেই গেছে।

ওই,এরকমভাবে বলো না।

জানলার ধারে,সামনে থেকে তৃতীয় নম্বর সিট।

বলতে থাকো!

অদ্ভুত তো!

কিন্তু অন্যদের থেকে অন্তত ভালোই।

মাফ করবেন...

আরে...

তোমার সাথে আর কখনো কথা বলবো না!

গাঁধা!

সুপ্রভাত!

সুপ্রভাত। সুপ্রভাত!

ওহ,কোবিয়াশি,এখন শরীর কেমন আছে?

হ্যা,ধন্যবাদ,আগের থেকে অনেক ভালো আছি এখন।

আচ্ছা।

আমি খুব পরিশ্রম করবো,যাতে আগের পাঠ্যাংশগুলো শেষ করতে পারি।

মাকোতো আগে কেমন ছিলো?!

ART ROOM

হ্যালো।

আর্ট ক্লাবের মুখ্য।

এটা মাকোতো এঁকেছিলো।

ও ওখানে বসে।

এটা পুরোটা শেষ করতে পারবে?

আমি?

মাকোতো!

তো অবশেষে তুমি আর্ট ক্লাবে ফিরে এলে!

হিরোকা!

কি হয়েছিলো?

অসুস্থ ছিলে?

এখন কেমন আছো?

আমার খুব চিন্তা হচ্ছিলো।

এখন ভালো আছি।

খুব ভালো। হ্যা।

এই নাও।

ধন্যবাদ।

তুমি কি সত্যিই নিজের দেহ বিক্রি করো?

আমার এই ছবিটা খুব ভালো লাগে।

সত্যি?

আকাশটা খুব সুন্দর।

আকাশ?

ওটা আকাশ নয়।

একটা ঘোড়াকে আকাশে...

একটা ঘোড়াকে আকাশে উড়তে দেখতে ভালোই লাগে,

কিন্তু এই ঘোড়াটাকে দেখে মনে হচ্ছে সমুদ্রে সাঁতার কাঁটছে।

দেখে তো... এটাই মনে হচ্ছে...

এটা সমুদ্রের গভীরতা ভেদ করে ওপরে উঠতে চাইছে, যেখানে শুধু শান্তি রয়েছে,

তাই আমার মতে উপরের অংশটা আরও উজ্জ্বল হওয়া উচীত।

হওয়া উচীত...

সত্যি?

ওটাই...

তাহলে কি ওটাই দেখানো হয়েছে?

যেটা দেখা যাচ্ছে,ওটাও হতে পারে।

ওই,মাও।

হাই।

আমি কি কিছু ভুল বলে ফেললাম?

হ্যা একদম জঘন্য...

তোমার কি কিছু হয়েছে নাকি?

তোমায় আগের থেকে অনেক আলাদা লাগছে।

তুমি কি কিছু করেছিলে নাকি।

যে এতদিন স্কুলে আসোনি?

কি করেছিলে? কি করেছিলে? বলো?

না!

কিন্তু আমার কেনো জানিনা মনে হচ্ছে তুমি বদলে গেছো।

আগে যেমন ছিলে তেমনই থাকো।

এটুকুই বলার ছিলো।

ও এই আর্ট ক্লাবেও আছে?

ওর নাম শোকো সানো।

ও একটু অদ্ভুত প্রকৃতির।

মাকোতোর সাথে ওর কখনো পরিচয় হয়নি, তাই ও আমার নোটবুকেও নেই।

মাকোতো,তোর টিচার মিস্টার সাওয়াদা পুরো চমকে গিয়েছিলেন।

উনি বলছিলেন যে, তোকে আগের থেকে একদম আলাদা মনে হচ্ছে!

তুই এতদিন অনুপস্থিত ছিলি, সেই জন্য উনি তোর ওপর বিশেষ নজর রাখছিলেন।

উনি ফোন করে বলছিলেন যে,তোকে আগের থেকে অনেক মিশুকে মনে হচ্ছিলো।

তোর সহপাঠীরাও একদম অবাক হয়ে গিয়েছিলো।

দেখে ভালো লাগছে যে,তুই আগের থেকে অনেক আত্মবিশ্বাসী হয়ে গেছিস।

আর আমারও।

ভালোভাবে সুস্থ হয়ে ওঠ।

হ্যা,আর নিজের আশেপাশে কি ঘটছে সেগুলো নিয়ে খুব বেশী চিন্তা করবি না।

আর মাত্র ৬ মাস।

গ্র‍্যাজুয়েট হওয়ার পর সবকিছু ভুলে যাবি।

কি বলছো, "সবকিছু ভুলে যাবে"!

সত্যিই খুব হাসি পাচ্ছে!

স্বামী স্ত্রী'র হাসিঠাট্টা?!

আমি পরে আপেল কেঁটে দেবো।

যদিও কথাটা একটু জলদিই বলে ফেলছি, তুমি যখন থেকে ফিরেছো,

তুমি এখন তৃতীয় বর্ষের ছাত্র...

হ্যা...

একটা ভালো সিনিয়র স্কুলে চান্স পেতে একটু সমস্যা হতে পারে।

হুম...

বর্তমানে ক্লাসে তুমি ৩২তম স্থানে রয়েছো!

হুম...

সবচেয়ে নীচে!

ওহ,তাহলে তো খুবই খারাপ অবস্থা এখন!

তুমি...

হয়তো ওই ঘটনাটার পর...

সুইসাইডের?

ওই...

বোকা,এত জোরে কেউ বলে!

আমার রেজাল্টের ব্যাপারে কোনো মাথাব্যথা নেই।

আচ্ছা!

আচ্ছা, দুঃখিত।

ওই,মিস্টার সাওয়াদা তুমি কি একটু বেশীই তাড়াহুড়ো করে ফেলছো না?

তুমি কোনো না কোনো হাই স্কুলে চান্স পেয়ে যাবে।

হয়তো কোনো নীচুস্তরের স্কুলে...

বেশ,তো আমি সেখানেই ভর্তি হবো।

আমি সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছি।

এক মিনিট দাঁড়াও!

তোমার মা বাবার সাথে একবার কথা বলে নিও।

ঠিক আছে?

হুম।

তুমি সত্যিই খুব বদলে গেছো।

সত্যি?

আসছি।

ওই আঁকছো না কেনো? বলো?

তাতে তোমার কি?

তুমি পাক্কা বদলে গেছো।

যদি কিছু করে না থাকো,তাহলে কি তোমায় hypnotize করা হয়েছে?

তাইনা? তাইনা? তাইনা?

নাকি ডলফিনের সাথে সাঁতার কেঁটেছো?

অথবা bunge jump করেছো নাকি?

হতেই পারেনা... হতেই পারেনা... হতেই পারেনা...

মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসার অভিজ্ঞতা নিয়েছো?

নাকি শরীর ত্যাগ করার অনুভব?

হুম এটাই!

হতেই পারেনা,হতেই পারেনা, হতেই পারেনা! আমার বিশ্বাস হচ্ছেনা!

ও এখন কেনো এত কৌতুহল দেখাচ্ছে?

বুঝেছি।ও ক্লাসের সবাইকে দেখাতে চায়না যে, আমি ওর বন্ধু

যদি ও মাকোতোর সাথে কথা বলে তাহলে ওকে নিয়েও সবাই হাসিঠাট্টা করবে।

কথা হয়ে গেছে?

যাও এবার!

কিন্তু তুমি... কিন্তু... কিন্তু...

কিন্তু তুমি এখন অদ্ভুত ব্যবহার করছো।

মাও,খুব সুন্দর হয়েছে!

হ্যা!

কিন্তু এই অংশটা আরেকটু জমকালো হলে ভালো হতো!

এটা সেরকমভাবে বানাচ্ছি না।

আর্ট এরকমই হয়,মাও!

আমাদের যেরকম পছন্দ!

আমিও এটাই করছি।

সুন্দর রঙের ব্যবহার করো!

এই রঙগুলো দেখো।

আমি রোজ আর্ট ক্লাবে যাই যাতে ভুলে থাকতে পারি।

আর কখনো কখনো হিরোকার সাথে দেখা করি।

ও আর্ট ক্লাবের মেম্বার নয়, কিন্তু মাঝেমধ্যেই ও এখানে আসতো।

শোকোর বকবক সত্যিই খুব বিরক্তিকর ছিলো।

কিন্তু তাও,এই জায়গাটায় এসে আমি সবচেয়ে শান্তি অনুভব করতাম।

তুই সময়ের মধ্যে পৌঁছাতে পারবি তো?

হ্যা,চেষ্টা করবো।

মিতসুরু একটা স্পেশাল ক্লাসে যাচ্ছে, তাই ও আগেই খেতে বসে গেছে।

এটা সত্যিই খুব কঠিন।

আর কোনো উপায় নেই,সামনে national trial exams...

নে শুরু কর।

আর খাবো না।

আসছি।

সাবধানে যাস।

তোর বাবার আজ ফিরতে দেরি হবে।

তোর হ্যামবার্গারটা কেমন হয়েছে?

ketchup নিবি,মাক্কি...

Oops, আমি তোকে "মাক্কি" বলে ডাকলাম।

মাকোতো,তোর তো বরাবরই ketchup পছন্দ ছিলো

"মাক্কি"!

ওহ হ্যা,মি. সাওয়াদা ফোন করেছিলেন।

উনি আমাদেরকে তোর সাথে আলোচনা করতে বলেছেন, সিনিয়র স্কুলে ভর্তি হওয়ার ব্যাপারে।

সবচেয়ে নীচুস্তরের স্কুল হলেও সমস্যা নেই।

ঠিক আছে যদি তুই সেটাই চাস তো,

কিন্তু অন্য কোনো উপায়ও আছে, আর তাছাড়া প্রাইভেট স্কুলও...

টাকার ব্যাপারে তোকে কোনো চিন্তা করতে হবেনা।

আমি আর তোর বাবা চাই যে তোর যেখানে মন চাইবে সেখানেই যাস।

তুই যদি চাস তাহলে আমরাও একটা ভালো স্কুলের খোঁজ নিতে পারি।

একটু ketchup নিবি?

একটা সত্যি কথা বলবো!

তোমার সাথে খেতে বসলে আমার বমি পায়!

মা'কে কষ্ট দিয়ে ভালো লাগছে?

তো,যেই আত্মারা পাপ করে, তাদের কি এক মুহূর্তের জন্যেও একা থাকার অধিকার নেই?

তুমি কি সত্যিই বুঝতে পেরেছিলে?

একটা কথা মনে রেখো,তোমার সংশোধন একমাত্র এখানেই সম্ভব,বুঝলে?

নিজেকে সংশোধন করতে পারলে তবেই তুমি আবার বেঁচে থাকার অধিকার অর্জন করতে পারবে!

তুমি এখনো তোমার আগের জন্মের ভুলগুলোকে মনে করার চেষ্টা করোনি!

আমি অনেকবার চেষ্টা করেছিলাম!

আমি সত্যিই বড়ো কোনো পাপ করে ফেলেছিলাম,

যে এখন আমায় এরকম একটা জায়গায় বন্দি হয়ে থাকতে হচ্ছে!

মনে হয় আমি কারোর হত্যা করেছিলাম,

অথবা অনেক মানুষের পয়সা মেরেছিলাম।

তোমার কি মনে হয়,এগুলো করে আমি মজা পাচ্ছি?

এটা খুবই বিষণ্ণময়।

তো,সবকিছু ছেড়ে দিয়ে ফিরে যেতে চাইছো?

জীবনে করার মতো অনেক সুন্দর সুন্দর জিনিসও রয়েছে।

কিন্তু বেশীরভাগ আত্মারই সংশোধনের সময় এই সমস্যাগুলোর সম্মুখীন হতে হয়।

জীবনে আনন্দ করতেও শেখো!

কোনো সময়সীমা আছে নাকি?

সর্বোচ্চ ছয়মাস।

শুনে মনে হচ্ছে নিজের মনগড়া কিছু একটা বলে দিলে!

এরকম বলবেনা!

পরে দেখা হবে!

Hi.

আরে এটা কে!

হ্যান্ডসাম লাগছে,মাকোতো।

ক্লাসের পর দেখা হবে।

ইয়েস!

তো,তুমি এটা কিনেছো।

খুব সুন্দর হয়েছে,কিন্তু দেখে অনেক দামী মনে হচ্ছে।

এটা কোথা দিয়ে কিনলে?

ইন্টারনেট থেকে।

ডিজাইনটা চমৎকার লাগছে!

আমার হিংসা হচ্ছে।

ধন্যবাদ।

তুমি এখনো কিছু আঁকোনি।

এখানে বসলে একটু শান্তি অনুভব করি।

নিজের আঁকা ছবির সামনে?

অদ্ভুত।

এই হেয়ার স্টাইলে তোমায় একটুও মানাচ্ছে না,কোবিয়াশি।

একটুও না... একটুও না...

নিজের চরকায় তেল দাও!

কিছু একটা বদলে গেছে।

মানাচ্ছে না...

মানাচ্ছে না... মানাচ্ছে না...

তো এটা Convenience স্টোরে বিক্রি হয়?

হ্যা,তবে এই ফ্লেভারটা একমাত্র মিষ্টির দোকানেই পাওয়া যায়।

একটা জায়গা আছে "Secret"...এটি নিকোটামার কাছে অবস্থিত।

যেমনটা পুরাপুরা বলেছিলো,

জীবনে আনন্দ করাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ আর বেশী মাকোতো সাজার চেষ্টা না করা।

ওহ,হ্যা আমি তোমার নতুন লুকের একটা ছবি তুলতে চাই!

ঠিক আছে,পোজ দাও।

পোজ দেবো?!

বেশ!

এটা ভালো এসেছে, মাকোতো!

সত্যি,

জানি,

কিন্তু একবার বাবার সাথে কথা বলে নিতে পারতিস।

স্বাগতম।

হুম করবো,কিন্তু আমি সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছি। স্বাগতম।

মিতসুরু ওর মন বদলে নিয়েছে আর ও এখন মেডিকেল লাইনে যেতে যায়।

National trial exams এ ভালো রেজাল্ট করেছে,

তাই এটা নিয়ে পড়তে কোনো সমস্যা হবেনা।

Hi!

এখানে কি করছো,কোবায়াশি?

কিছু না...

ছাতা নেই?

কোথায় যাচ্ছিলে?

আমারটা নেবে?

না,আমি ঠিক আছি।

পরে দেখা হবে।

ওর সমস্যাটা কি?

জলদি করো!

চুপ করো। জলদি করো!

আমি এটা জলদি করতে পারবো।

ভালো গুলো আসছে।

দাও এবার আমি করছি।

এই দোকানের নাম কি?

এটা সিক্রেট।

সিক্রেট, সিক্রেট!

এটা ব্যবহার করো।

দুদিক দিয়ে ঠিক হচ্ছে,করতে থাকো!

মাত্র এটা?!

এটা আমি নেবো।

একদম না!

দে বলছি!

হিরোকা এখানে এসে

ওগুলো কেনে আর বাড়ি যায়।

হিরোকা সেদিনও নিকোতামাতে এসেছিলো, মিষ্টি কিনতে।

আমি নিশ্চিত যে,ওই মধ্যবয়স্ক লোকটা ওর বাবা হবে।

ও বড়ো দোকানটায় গিয়েছিলো,

আর তারপর এই মিষ্টির দোকানটায় ঢোকে।

হয়তো ও সেদিন লাভ হোটেলের সামনে দিয়ে হেটে যাচ্ছিলো।

একজন বাবা আর সেরকম লোকের মধ্যে পার্থ্যক্য আছে।

এটা সহজ যে...

ওদের আলাদা বলা...

নিকো হোটেল

নিকো হোটেল

গরম লাগছে!

এটা একটু ধরো।

মাকোতো,তোমার সাহসের প্রশংসা করতেই হচ্ছে।

কিন্তু ওই লোকটা কে ছিলো?

উনি আমায় সাহায্য করেন।

আমাদের একটা সেল ফোন সাইটে পরিচয় হয়েছিলো,

আর উনি আমার প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পড়েন, আর এভাবেই সবকিছু শুরু হয়।

কিন্তু এমন একটা লোকের সাথে...

যেগুলো আমি পছন্দ করি সেগুলো খুব দামী হয়।

জুতো,ব্যাগ,মেকআপ...

নিজের পয়সায় সেগুলো কেনার ক্ষমতা নেই আমার।

কয়েকবছর অপেক্ষা করতে পারবেনা?

আমার ওগুলো এখনই চাই!

এগুলো আমার গলায় খুব মানায়!

তিনবারেই অনেক টাকা জমে যায় এগুলো কেনার জন্য।

আমায় এবার যেতে হবে।

উনি অপেক্ষা করছেন।

নাকি তুমি আমার সাথে হোটেলে যেতে চাও?

আমার মনে হয় এটাই ঠিক হবে।

তোমার জন্য মাত্র 20,000 yen (জাপানী মুদ্রা)।

না...

আচ্ছা।

একসাথে ছুঁটে খুব মজা আসলো।

আসছি।

কোবিয়াশি।

হ্যা,আমরা আবার চেষ্টা করবো।

ও এইমাত্র বাড়ি ফিরলো।

Bye.

মাকোতো,আমরা একটু কথা?

না ছাতা?

দাঁড়া,towel আনছি...

একটা ছাতা কিনে নিতে পারতিস তো!

বন্ধ করো!

এই towel টা নে।

এখানে রেখে দিচ্ছি।

তোমার কিছু দরকার ছিলো?

পরে বলবো।

কি?

বলো।

মি. সাওয়াদা ফোন করেছিলেন।

পরের মাসে,তোর নতুন স্কুলের ব্যাপারে কথা বলতে যাবো।

নীচুস্তরের স্কুল হলেও সমস্যা নেই।

পরীক্ষার চাপের জন্য আত্মহত্যা করিনি।

আমি সেটা বলতে চাই নি,তবে আমার খুব চিন্তা হয়।

ভালো মা সাজার চেষ্টা করবেনা একদম।

তুমি চিন্তিত হওয়ার অভিনয় করছো,তাই না?

অভিনয়? না-

তো,এবার তাহলে বলেই ফেলি...

দাঁড়াও! তো,এবার তাহলে বলেই ফেলি...

তোমার flamenco instructor কেমন আছে?

পুরাপুরা?

কোথায় পালাচ্ছিস!

এই নে!

পয়সা বের কর!

নেই।

তবে রে!

চল তাহলে দেখাই যাক...

Huh?

ওর কাছে সত্যিই কিছু নেই।

ধুর!

চল এই জুতোটা নিয়ে যাই!

না!

ওই,বাচ্চা!

হ্যা...

এই নে!

মাকোতো! মাকোতো!

তো অবশেষে ঘুম ভাঙলো!

খুব লেগেছে তাইনা?

এখনো ব্যথা হচ্ছে?

হাসপাতাল থেকে আসার পর তুই সারাদিন ঘুমিয়েই ছিলিস।

মনে হয় কিছু বদমাশ ছেলেরা তোর ওপর হামলা করেছিলো।

মিতসুরু তোকে মন্দিরের সামনে পড়ে থাকতে দেখে।

কিছু খাবি?

কিছু আনবো তোর জন্য?

এমন ভাব করছো যেনো কিছুই হয়নি।

তোমার আর কিছু বলার আছে?

আমার ক্ষমা করে দিস।

এরপর তিনদিন অলসের মতো বিছানাতেই পড়ে ছিলাম।

মাকোতো?

তোর বন্ধু এসেছে।

ভেতরে এসো।

তুমি?

ভেতরে আসতে পারি?

হুম এসো।

আমার তরফ থেকে একটা ছোট্ট উপহার।

ধন্যবাদ।

আচ্ছা,তুমি এখন...

কেমন... তুমি এখন...

কেমন?

আগের থেকে একটু ভালো লাগছে।

পরের সপ্তাহ থেকে স্কুলে যাবো আবার।

ওহ? ওহ?

যাক ভালো।

তুমি কি নিশ্চিত যে,তুমি এখানে এসে ঠিক করেছো?

যদি আমাদের স্কুলের কোনো ক্লাসমেট দেখে ফেলে তো?

তো কি হবে?

এ বিষয়ে আমার কোনো চিন্তা নেই।

কুয়াবারার ব্যাপারে কিছু জানার ছিলো...

কোবায়াশি,তুমি কি কুয়াবারাকে পছন্দ করো?

পছন্দ করো?

যদি করেও থাকি তাতে কি হয়েছে?

আর কুয়াবারা?

একজন সেদিন নিকোতামাতে তোমায় কুয়াবারার সাথে দেখেছিলো।

যাই হোক,যদি ওকে পছন্দ করেও থাকো তাতে আমার কি!

কিন্তু ওর ব্যাপারে কিছু বাজে গুজব রয়েছে,

কিন্তু আমার ওকে খুব ভালো লাগে...ভালো লাগে।

যদি গুজব সত্যিও হয়,তাতে আমার কিছু যায় আসবেনা।

তো,যদি ওর কারণেই তুমি বদলে গিয়ে থাকো,

তাহলে এটাই ভালো হবে যে,তোমাকে আর আগের মতো হওয়ার প্রয়োজন নেই।

আমি কি সত্যিই বদলে গেছি?

একটু বলতে পারবে?

আমি আগে কেমন ছিলাম?

সমস্ত বিষয়ে তোমার গভীর চিন্তাভাবনা থাকতো,

সত্য আর সরল।

মনে হতো দুনিয়ার সমস্ত দুঃখ যেনো তুমি নিজের কাঁধেই তুলে রাখতে।

কোনো জুনিয়র স্কুলের ছাত্রই এমন হয়না।

এটা দেখো।

50 Sexy Women

সত্য আর সরল কোবায়াশিও সেক্সের ব্যাপারে ভাবতো।

একটা কথা কি জানো,বিনা চশমাতেও...

তোমাকে বাঁদরমুখো লাগে।

না!

মাকোতো,আমি চা বানিয়েছি।

ওই,তোমার চশমা।

কি...

দাঁড়াও!

ও কি কিছু করেছে?

ও কি খুব রেগে ছিলো?

না কিছু করেনি।

আমি তোমায় আনন্দ করতে বলেছিলাম, কিন্তু তুমি তো দেখছি একটু অতিরিক্তই করে ফেলছো।

এতদিন কোনো পাত্তা না দিয়ে, এখন আমায় জ্ঞান দিতে এসেছো!

তোনায় একজন ভালো উপদেষ্টা হওয়া উচীত।

তাহলে আর তোমার সংশোধন হওয়া সম্ভব নয়।

আমার কিছু জানার ছিলো।

মাকোতোর সাথে কি হবে?

কি হবে যদি আমি সংশোধন করতে সফল না হই?

তুমি যখন ওর শরীর ত্যাগ করবে,তখন মাকোতো সত্যিই মারা যাবে।

বাড়ি যাবেনা?

ওখানে অনেক থেকে নিয়েছি।

মায়ের সাথে কথা বলো।

ওনাকে এভাবে ছেড়ে যেওনা।

অনেক দেরি হয়ে গেছে।

সব মানুষই ভুল করে।

তুমিও তোমার পূর্বজন্মে করেছিলে।

মাকোতো মরে যাবে।

আমার সংশোধন হওয়ার আর কোনো সুযোগ নেই।

নিকো হোটেল।

কোথায়...

ওই ছেলেটা না!

ওই!

কোবায়াশি!

টিকিট হারিয়ে ফেলেছো?

হুম,খুঁজে পাচ্ছিনা।

ওখানে।

বইয়ের মধ্যে আটকে আছে।

ওহ...

আমার বিশ্বাস হয়নি।

সাওয়াদা বলছিলো তোমার ওপর নাকি হামলা হয়েছে!

এখন ঠিক আছো তো?

হ্যা,মোটামুটি।

এখানে কি করছিলে?

কিছুনা,এই আশেপাশে ঘুরছিলাম।

তো চলো,ঘোরা যাক।

এটার ব্যাপারে কিছু জানো?

The Tamaden Ran Here এটার ব্যাপারে কিছু জানো?

The Tamaden Ran Here

The Tamaden Ran Here Tamaden?

The Tamaden Ran Here

আমি কিছুক্ষণ আগে খুঁজে পেয়েছি।

এটা একটা trolley ছিলো শিবুয়া আর নিকোতামার মাঝে।

এটা ১৯৬৯ সালে বন্ধ হয়ে যায়,

কিন্তু এখনো সেটাগায়া থেকে শিমোটাকাইডো তে এর লাইন রয়েছে।

এটা তামাদেনের সর্বশেষ লাইন।

খুব মজাদার,তাইনা?

এটায় চড়তে পারলে খুব ভালো হতো।

হুম...

আমার বাবা ছোটোবেলায় চড়েছিলো।

ওনার ওপর খুব হিংসা হয়।

তুমি ট্রেন চড়তে পছন্দ করো?

হ্যা যখন থেকে তামাদেনের ব্যাপারে জেনেছি।

সত্যি বলতে,এটা আমায় পরীক্ষার সমস্ত চাপ থেকে ভুলিয়ে রাখতে পারে।

কিন্তু এই কিনুতার লাইনের ওপর দিয়ে একবার হাটার ইচ্ছে আছে।

এটা নিকোতামার লাইনের অংশ।

খুবই রোমাঞ্চকর হবে।

যেদিন তোমার সাথে আমার দেখা হয়েছিলো,

সেদিন এখানে যাওয়ার কথা ভাবছিলাম, কিন্তু বৃষ্টির জন্য আর যেতে পারিনি।

আমার ক্র‍্যাম স্কুলে হওয়ার কথা ছিলো সেদিন,

কিন্তু পালিয়ে এসেছিলাম সেখান থেকে।

পরবর্তী স্টেশন এদিকে।

খুব একটা দূরে নয়।

আজকে তোমার ক্র‍্যাম স্কুল নেই?

একটা পরীক্ষা ছিলো,কিন্তু যেতে ইচ্ছে করছেনা।

সিনিয়র স্কুলের ব্যাপারে কিছু ভেবেছো?

একদমই না!

আসলে আমি খুব একটা স্মার্ট নই,তাই যেখানে চান্স পাবো সেখানেই চলে যাবো।

পুরো আমার মতোই!

সত্যি?

এখানে কিনুতার লাইন ছিলো।

স্টেশন থেকে বেরিয়ে, ওখানে একটা মোড় ছিলো।

মজাদার তাইনা?

এখানে নাকাকোচি স্টেশন ছিলো।

এটা খুব কাছে,হেঁটেই চলে আসা যাবে দেখছি।

সবাই তামাদেনেই বেশী যেতো।

এটা সত্যিই খুব ছোটো স্টেশন,মাত্র একটাই প্ল্যাটফর্ম।

কিনুতার মাত্র একটাই লাইন ছিলো।

এগুলো নিয়ে ঘাটাঘাটি করতে খুব ভালো লাগে।

তুমি ping pong পছন্দ করো?

হ্যা,গরমের ছুটিতে এটাই আমার জন্য সবকিছু ছিলো।

আমি একজন বিকল্প প্লেয়ার ছিলাম।

কিন্তু শেষমেশ আমি ক্লাসে ৩১তম স্থানে ছিলাম, ৩২ জনের মধ্যে!

শুনে খারাপ লাগলো,তবে আমি ৩২তম স্থানে ছিলাম!

সত্যি?!

একটা কথা তো মানতেই হচ্ছে,আমরা দুজনেই এক একটা রত্ন!

আমরা নিজেরাই জানিনা আমরা কি করি!

তবে এবার অন্তত আমাদের আর ফাঁকি মারা উচীত নয়।

চলো যাওয়া যাক।

হুম!

এখানে কিনুতার রেললাইন ছিলো!

অসাধারণ...

লাইনের অংশগুলো দেখো?

এটা সত্যিই খুব সুন্দর।

কোবায়াশি,এই ছবিটা দেখো!

ওখানে Yoshizawa নামের আরেকটা স্টেশন ছিলো।

এখানকার পরিবেশটা খুব সুন্দর।

হুম একদম!

ইশ এগুলো যদি এখনো চলতো।

তুমি পুরানো জিনিস খুব পছন্দ করো তাইনা?

হুম।

মনোযোগ সহকারে দেখলে মনে হয় যেনো এগুলো আবার নতুন করে একটা জীবন পেয়েছে।

কিন্তু আমি শুধু পরীক্ষার চাপ ভুলে থাকতেই এগুলো নিয়ে পড়ে থাকি।

পরবর্তী আর সবর্শেষ স্টেশন হচ্ছে কিনুতা-হোনমুরা।

সর্বশেষ?

হুম চলো!

এই পার্কটা একসময় একটা স্টেশন ছিলো।

ওই জায়গাটায় কিনুতা-হোমুরা স্টেশন ছিলো।

তোমাকে সঙ্গে নিয়ে আসার জন্য দুঃখিত।

না,এগুলো খুব রোমাঞ্চকর।

কিন্তু শুরুতে আমি একটু অবাক হয়েছিলাম।

ওর নাম সাওতামে।

অদ্ভুত দেখতে!

তোমার কথা শোনার পর এখন কিনুতার রাস্তায় হাঁটতে ইচ্ছা করছে।

সত্যি?!

হুম,সত্যি।

এখন শুধু এখানে একটা পার্কই রয়েছে।

দেখে খারাপ লাগছে যে আর কিছুই বেঁচে নেই।

আচ্ছা,তো ওরা সেই জুতোটা নিয়ে নিয়েছে?

তোমার খুব কষ্ট হয়েছে,তাইনা?

হুম একদম,

মার খাওয়ার থেকেও বেশী।

মাঝে মাঝে মনে হয় আমি এই সমাজে থাকার জন্য মানিয়ে নিতে পারছিনা।

সেজন্যই হয়তো ওই ছিনতাইকারীরা ওই জুতোগুলো নিয়ে পালিয়ে গেলো।

বড়োই অদ্ভুত চিন্তাভাবনা তোমার।

তো,তোমার মতে তুমি কোন যুগে বসবাস করার জন্য মানানসই হবে?

যোমোন যুগে। (যোমোন যুগ যেটি খ্রীষ্টপূর্ব ১৪,০০০ সাল থেকে ৩০০ সাল অব্ধি ছিলো।)

(যোমোন যুগ যেটি খ্রীষ্টপূর্ব ১৪,০০০ সাল থেকে ৩০০ সাল অব্ধি ছিলো।) অনেক অতীতে চলে গেছো!

আচ্ছা যোমোন যুগের মানুষেরাও কি জুতো চুরি হওয়ার পর কান্নাকাটি করতো?

ওরা Haniwa তে চুরি হওয়া মূর্তির জন্য কাঁদতো।

বিশেষ করে যেগুলো নতুনভাবে স্থাপিত হয়েছিলো।

(কোফুন যুগ যেটি ২০০AD থেকে ৬০০ AD পর্যন্ত স্থায়ী হয়েছিলো।) Haniwa এর মূর্তি কোফুন যুগে ছিলো।

(কোফুন যুগ যেটি ২০০AD থেকে ৬০০ AD পর্যন্ত স্থায়ী হয়েছিলো।) ওটা যোমোন যুগে ছিলো না।

ওহ হ্যা,ঠিক বলেছো।

সেজন্যই তুমি ৩১তম স্থানে রয়েছো।

জানিনা আমি এই যুগের জন্য যোগ্য কিনা, কিন্তু আমায় বেছে নিতে বললে আমি বর্তমানকেই বেছে নেবো।

যতই সমস্যা থাকুক না কেনো, বর্তমান সময়টাই সবচেয়ে সুন্দর।

কিন্তু আমার একবার তামাদেনের ট্রেনে চড়ার ইচ্ছে রয়েছে।

জানতাম।

Open Sesame জুতোর দোকনটা চেনো?

না...

চমৎকার একটা দোকান,৮০% পর্যন্ত ছাড় দেয়!

সত্যি?

পরেরবার ওখানে যাবো।

ওর আবার কি হলো?

কেউ পিটিয়েছে মনে হয়।

ওই!

হ্যা!

ওরা দুজন বন্ধু?

খারাপ রেজাল্টের...

কথায় আছে "আলোর মধ্যে থাকো,"

গরমে সন্ধ্যেবেলায় পড়তে বসার সুবিধার ব্যাপারে...

...কোনো বন্ধু না থাকা,

আর ক্লাসে একা থাকা এমনকি টিফিনের সময়েও।

আমি চাই যে,তোমরা এই কথাগুলো সারাজীবন মনে রেখো।

বন্ধুর সাথে হাঁটার মধ্যেও একটা ভালো লাগা কাজ করে।

অন্য কিছু তেমন আর গুরুত্ব রাখেনা।

ওই!

আর একটু হলেই আমরা চাপা পড়ছিলাম!

হুম।

OPEN SESAME

দোকানটা খুব সুন্দর।

কোবায়াশি,এই দোকানের একটা নিয়ম আছে।

Open Sesame!

তুমি আমায় বোকা বানাচ্ছিলে?

হ্যা।

স্বাগতম!

এটা পড়ে দেখুন।

সত্যিই খুব সুন্দর

আর ৬০% ছাড়ও রয়েছে!

ওয়াও!

১,০০০ yen কম হয়ে গেছে এখন। (Yen জাপানী মুদ্রা)

Open Sesame জোশ একটা দোকান!

হুম একদম।

আমরা এখনো নিশ্চিন্ত হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছি যেখানে আমাদের পরীক্ষা একদম সামনে চলে এসেছে।

আর মনে করিও না!

আমার বাবা মা চায় যে আমি পাব্লিক স্কুলে ভর্তি হই।

আমাদের আর্থিক অবস্থা সেরকম ভালো না, তাছাড়া আমার ছোটো ভাই বোনও রয়েছে।

হুম বুঝলাম।

কিন্তু আমি তামাগাওয়া স্কুলে যেতে চাই যেটা একটা পাব্লিক স্কুলই।

ওদের কাছে ভালো ping pong দল রয়েছে।

কিন্তু সমস্যা হচ্ছে আমার rank এ।

সাওয়াদা বলছিলেন আমায় অনেক মনোযোগ সহকারে পড়তে হবে।

এই নাও তোমার জন্য এনেছি।

ধন্যবাদ।

ছোটোটা হলেও চলবে!

ধন্যবাদ।

সুস্বাদু!

মাংসটাও।

হয়তো,আমারও তামাগাওয়া স্কুলে ভর্তি হওয়া উচীত।

তোমার কি মনে হয়?

সত্যি?!

খুব ভালো,তোমারও চেষ্টা করা উচীত।

আমার কাছে হারানোর মতো আর কিছুই বেঁচে নেই, কিন্তু এখন হয়তো অনেক দেরি হয়ে গেছে।

বেশী চিন্তা করো না।

চলো একসাথে পড়বো।

যদি তুমি থাকো তো তাহলে আমি আরও পরিশ্রম করবো।

আমিও।

তুমি খুব সাধারণ একটা ছেলে।

সমস্যা কোথায়?

তুমি ওর স্কুলে ভর্তি হতে চাও?

কিন্তু যখন স্কুল শুরু হবে,তখন তুমি...

কিন্তু কেনো?

মাছ ধরতে যাবে?

হ্যা,কালকে,

মাঝে মধ্যে একটু বিরতি নেওয়া প্রয়োজন।

যদি তোর মাছ ধরতে ভালো না লাগে, তাহলে আঁকতেও পারিস।

ঠিক আছে?

তোর মা এটা কিনে এনেছে, যাতে তোর ঠান্ডা না লাগে।

নে দেখ।

ওর পছন্দ খুব ভালো।

এটা খুব সুন্দর হয়েছে,

তাইনা?

নে পড়ে দেখ একবার।

যদি অন্য রঙের পড়তে চাস, তাহলে বদলে নিয়ে আসবো।

কিন্তু এই রঙটাই তো ভালো লাগছে।

তাই না?

কিন্তু কেনো?

কিন্তু কেনো?

আমায় কেনো আসতে হলো?

এটা মাছ ধরার জন্য ভালো জায়গা হবে?

মাছ ধরার কথা পড়ে ভাবা যাবে।

আসলে আমি এখানে নিজের কাজের চাপ সাইডে রেখে তোর সাথে সময় কাঁটাতে আর তাজা বাতাস নিতে এসেছি।

আমি এভাবেই মাছ ধরতে পছন্দ করি।

ওই...

তোর খুব ঠান্ডা লাগছে,তাই না?

এটা পড়বি?

আমি ঠিক আছি।

তাহলে মাফলারটা নে?

আরে না,লাগবেনা!

ওয়াও,দাঁরুণ এঁকেছিস!

কখনো সময় পেলে আমার ছবি আঁকতে পারবি!

আমি মানুষের ছবি অঙ্কণ করি না।

কিন্তু কেনো?

আমি লোকেদের পছন্দ করি না।

আসলে।

আচ্ছা...

আসলে আমিও লোকেদের সেরকম একটা পছন্দ করি না।

ওই,চল এবার কিছু খেয়ে নেওয়া যাক।

যাই হোক।

কোনো মাছ উঠলো?

একটাও নয়।

মনে হয় উনি আসলে...

মায়ের ব্যাপারটা জানেন?

একটু খাওয়ার চেষ্টা কর।

তোর মা খুব যত্ন করে বানিয়েছে এগুলো।

ও সারাদিন খুব পরিশ্রম করে।

আসলে তুই ওর ঘুমের ওষুধগুলো খেয়ে নেওয়ার পর, ওর ওপর দিয়ে অনেক ধকল গেছে।

তোর দাদীর সাথে ওর খুব একটা ভালো সম্পর্ক ছিলো না।

ওরা কখনো মিলেমিশে থাকতে পারতো না।

কিন্তু তাও যখন তোর দাদী হাসপাতালে ভর্তি হন, তখন তোর মা তোর দাদীর অনেক সেবা করেছিলো।

কিন্তু শেষমেষ,তোর দাদী মারা যান, তোর মা'কে একবার ধন্যবাদ বলারও সুযোগ মেলেনি তার।

সেইসময় তোর মা খুব ভেঙে পড়েছিলো।

তখন আমায় ওর পাশে থাকা উচীত ছিলো, কিন্তু আমি কোনো গুরুত্বই দিই নি।

এটা জানার পরও যে,ও রাতে ভালো করে ঘুমাতে পারতো না।

কিন্তু কখনো ভাবতে পারিনি যে, এর জন্য কোনো ডাক্তারের কাছে যাওয়ার প্রয়োজন পড়বে।

আমি তখন জানতে পারলাম যখন তুই ওই ঘুমের ওষুধ গুলো খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলিস।

কারণ সেগুলো ওর ছিলো।

আমি বলছি না যে ওকে এখনি ক্ষমা করে দে,

কিন্তু প্লিজ এগুলো একবার ভেবে দেখিস।

তোকে হাসিখুশী দেখতে পেলে

আমরা দুজনেরই মন থেকে শান্তি মিলবে।

মাকোতোর পরিবারের প্রতি আমার সেরকম কোনো টান নেই,,

তবে ওনারা আমার খুব চিন্তা করেন।

কিন্তু এখন আর কোনো উপায় নেই, মাকোতোর মৃত্যুকে আটকানো সম্ভব নয়।

কয়েকদিনের মধ্যে,ওনারা সত্যি সত্যিই মাকোতোকে হারিয়ে ফেলবে।

চল কিছু খেয়ে আসি।

কিন্তু আমি এখন...

এই নে।

ধন্যবাদ।

আর এটাও।

ধন্যবাদ।

শেষমেশ,

আমি ওনার নুডেলসও খেয়ে নিলাম।

Parent ~ Teacher Consultation Please Use Staff Entrance

তোমার আজ মিটিং রয়েছে?

আমার বাড়ির লোকেরা আমায় তামাগাওয়া স্কুলে ভর্তি করার ব্যাপারে রাজী হয়ে গেছে,

কিন্তু জানিনা এবার সাওয়াদা কি বলবে?

তোমার খবর কি?

আমি বাড়িতে এখনো কিছু বলিনি।

তোমায় বলে দেওয়া উচীত এবার।

সানো...

তোমার মিটিংও আজকে না?

হুম...

স্কুলের ব্যাপারে কিছু ভাবলে?

হ্যা।

আ..আসছি

তোমার মা মনে হয় এসে গেছেন।

ওহ,হ্যা।

তুমি কীভাবে জানলে?

আসলে উনি...

ওহ হ্যা,দেখতে তো একইরকম!

ভাগ্যক্রমে।

পরে দেখা হবে!

ART ROOM

নিয়ে নাও।

আসলে এটা আমি তোমাকেই দিতাম।

তাই,তুমি চাইলে এটা নিয়ে নিতে পারো।

আসলে আমার...

মনে হয়,আমি খুব অদ্ভুত।

পাগল হয়ে যাবো এবার!

সুন্দর জিনিসগুলো আমার সত্যিই খুব ভালো লাগে।

কিন্তু মাঝে মাঝে আমি সেগুলো নষ্ট করে ফেলতে চাই।

মনে হয় আমি পাগল হয়ে গেছি।

আমি খুবই অদ্ভুত!

আমি খুবই অদ্ভুত!

মাথা খারাপ হয়ে গেছে আমার।

এটা মাঝেমধ্যে সবার সাথেই হয়ে থাকে,

এই দুনিয়া আর অন্য দুনিয়াতেও,

এটা খুবই সাধারণ একটা ব্যাপার,মানুষ এমনকি অ্যাঞ্জেলদের জন্যেও।

খুবই অদ্ভুত,তাই না?

মাঝে মধ্যে এগুলো সবার সাথেই হয়ে থাকে।

এতে অদ্ভুতের কিছু নেই।

তো এটা শুধু আমার সাথেই হয়না?

খারাপ হতে চাওয়া?

সবাই এমনই হয়।

সবাই...

সবাই...

সমস্ত মানুষ একরঙা হয়না।

তাদের প্রকাশ করার ধরণ আলাদা আলাদা রকমের হয়।

আর এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই।

সুন্দর রঙের,বাজে রঙের...

সত্যি?

হুম,সত্যি!

আসলে আমিও নিজেকে চিনে উঠতে অনেক সময় নিয়ে ফেলেছি।

এখন আর কোনো পথ বেঁচে নেই।

আমি সপ্তাহে তিনদিন পাগলামো করতে চাই,

কিন্তু আবার একদিন আশ্রমেও যাওয়ার ইচ্ছে হয়।

আমি একটা সুন্দর জীবন বাঁচতে চাই,

কিন্তু আবার কখনো কখনো মরে যেতে ইচ্ছা করে।

তুমি কি নিশ্চীত যে আমি অদ্ভুত নই?

হুম।

কোনো সন্দেহ নেই।

তবে...

মরার চিন্তাভাবনা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলো।

আমি মরবো না।

ডিনারের আগে তোর সাথে কিছু কথা বলতে চান ওনারা, তাই তোকে নীচে আসতে বললো।

কোন ব্যাপারে? সিনিয়র হাই স্কুল?

জানিনা,নীচে এসে নিজেই জিজ্ঞেস করে নে!

এটা তোমার কোনো মাথাব্যথার কারণ নয়।

তো গিয়ে নিজের পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতী নাও।

আমি পরীক্ষা দেবো না।

দাদা পরীক্ষা দিচ্ছে না?

না,এবছর দেবেনা।

আসলে ও মেডিকেল লাইন নিয়ে পড়ার কথা ভাবছে।

ও আরও এক বছর ভালোভাবে পড়তে চায়, যাতে ও পরীক্ষায় ভালো ফল করতে পারে।

বসে পড়।

একটা কথা বলার ছিলো!

মাকোতো,তুই কি কখনো এরকম স্কুলের ব্যাপারে শুনেছিস?

আমাদের মনে হলো, এটা তোর দেখে ভালো লাগতে পারে।

দুঃখিত,যদি তোর এটা ভালো না লেগে থাকে।

কিন্তু আমদের মনে হলো যে,তোকে এটার ব্যাপারে একবার বলা উচীত।

ওরা প্রতিটা স্টুডেন্টের ওপর বিশেষভাবে নজর রাখে।

যদি তুই art নিয়ে চর্চা করতে চাস,

তাহলে তার জন্য সপ্তাহে ১৬ ঘন্টার ক্লাস নিতে পারবি।

মাঝে মধ্যে নামীদামী আর্টিস্টরাও স্পেশাল ক্লাস নিতে আসে,

আর এটা আর্ট কলেজ পর্যন্তও যেতে পারে।

এর জন্য নিশ্চয়ই অনেক খরচ পড়বে।

ওসব নিয়ে তোকে চিন্তা করতে হবে না।

কারণ মিতসুরু একবছর ড্রপ দিচ্ছে।

তুমি কি এটা আমার জন্য করছো?

মাকোতো,মিতসুরুই এই স্কুলটার খোঁজ নেয়।

ওর দেখে মনে হলো এই স্কুলটা তোর ভালোই লাগবে, তাই ও তোর জন্য একটা বইও কিনে এনেছে।

আর পরে তোর মা'ও কথা বলার জন্য গিয়েছিলো।

যদিও একটু দূরে,বাস আর ট্রেনে করে এক ঘন্টার দূরত্ব।

কিন্তু স্কুলটা সত্যিই খুব ভালো,

আর স্টুডেন্টদের দেখেও খুব ভদ্র বলে মনে হলো।

মিস্টার সাওয়াদা বললেন যে ওখানে নম্বরের থেকে দক্ষতাকে বেশী গুরুত্ব দেওয়া হয়,তাই ওখানে তোর ভর্তি হতে সমস্যা হবে না।

আমাদের মতে এই স্কুলটা তোর জন্য একদম সঠিক হবে।

ওখানে ভর্তি হবি?

আমি নিশ্চীত যে,ওরা তোকে ভর্তি নিয়ে নেবে!

তুই বরাবরই খুব ভালো আঁকিস।

ওখানে ভর্তি হলে তোর যেটা পছন্দ সেটাই আঁকতে পারবি।

তো?

পয়সার ব্যাপারে তোকে কোনো চিন্তা করতে হবেনা।

ওখানে ভর্তি হলে আমার জন্য সত্যিই খুব ভালো হবে।

হুম একদম।

তো তুই রাজি তো!

কিন্তু আমি তামাগাওয়া স্কুলে ভর্তি হতে চাই।

তুই সবসময় নিজের কথাই ভাবিস!

মিতসুরু...

কখনো আমাদের কথাটা চিন্তা করে দেখেছিস?

মা অনেক কষ্ট করে ওখানে গিয়ে তোর জন্য কথা বলে এসেছে,

ওনার কথাটা কখনো ভেবে দেখেছিস!

কোনো ব্যাপার নয়,মিতসুরু, বসে পড়।

মিতসুরু আসলে তোর জন্য খুব চিন্তা করে।

তোর ওই ঘটনার পর থেকে ও আরও দায়িত্ববান হয়ে গেছে।

তাই ও এখন ক্লাসের পর তাড়াতাড়ি বাড়িতে ফিরে আসে,

যাতে তোর সাথে বসে খেতে পারে, আর তারপর স্কুলে যায়।

যখন তোর ওপর হামলা হয় আর তুই বাড়ি ফিরছিলিস না,

তখন একমাত্র ওই জানতো যে,তুই এখন shrine এর কাছে আছিস।

কারণ তোরা ছোটবেলায় ওখানে খেলতে যেতিস।

তোর বাবা তখন খুব কমই বাড়িতে খেতো,

কিন্তু উনি এখন রোজই তাড়াতাড়ি বাড়িতে ফিরে আসেন।

আর এটাও সত্যি যে,

মা আগে বেশীরভাগ বাইরে থেকেই খাবার নিয়ে আসতো,

কিন্তু তোর সেই ঘটনাটার পর, এখন রোজই নতুন কিছু রান্না করে।

তুই সেগুলো খেতে চাস না ঠিকই,তবে

ওই ঘটনাটার পরে, আমরা বুঝতে পারি যে,আসলে সবচেয়ে বেশী জরুরী কি!

তুই বেঁচে ফিরে আসাটাই আমাদের জন্য যথেষ্ট ছিলো।

আমরা খুবই খুশী হয়েছিলাম,

যখন মিতসুরু হঠাৎ করে মেডিকেল লাইন নিয়ে পড়ার কথা জানালো।

ওই স্কুলে ভর্তি হওয়ার জন্য তোকে জোর করা উচীত হয়নি আমাদের।

আমরা তোর পছন্দকেই গুরুত্ব দেবো।

চলো এবার তাহলে খেয়ে নেওয়া যাক।

হুম।

পছন্দ?

তুই শুধু আমাদের কষ্ট দিয়েই মজা পাস।

তোর কি এগুলো করতে সত্যিই খুব ভালো লাগে?

মিতসুরু...

তুই শুধু আমাদের হতাশ দেখতে চাস, আর ভাবিস এটাই আমাদের যোগ্য শাস্তি,তাই না?

মিতসুরু,চুপ করা এবার।

আমি কথা দিয়েছিলাম...

আমি সাওতোমেকে কথা দিয়েছিলাম যে, আমরা একই স্কুলে ভর্তি হবো।

কে বন্ধু?

সেইজন্য ওই স্কুলে যেতে চাস?

ওই আমার প্রথম বন্ধু।

ওই একমাত্র যে আমার সাথে বন্ধুত্ব করে!

এটা লজ্জাজনক হলেও সত্যি যে, ক্লাসে আমার আর একটাও বন্ধু নেই,

তাই আমি হাল ছেড়ে দিয়ে একা একাই থাকতাম।

কিন্তু একমাত্র সাওতোমেই আমার কাছে বন্ধুত্বের হাত বাড়ায়।

আমরা একসাথে জুতো কিনতে গিয়েছিলাম, আর এখন পরীক্ষার জন্য প্রস্ততীও নিচ্ছি।

ওর সাথে থাকলে সত্যিই খুব ভালো লাগে।

তাই,আমি...

Saotome এর স্কুলেই ভর্তি হতে চাই।

আমি আরও বন্ধু বানাতে চাই।

বন্ধুদের সাথে স্কুলে যাওয়া,

বাড়ি ফেরার সময় নানান জায়গায় ঘুরে বেড়ানো...

আমি স্কুলে গিয়ে...

সাধারণ জিনিসগুলোই করতে চাই।

ধন্যবাদ।

বুঝতে পেরেছি মাকোতো, তোকে আর কখনো জোর করবো না।

আমি সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছি, তোকে তামাগাওয়া স্কুলেই ভর্তি করবো।

চলো,এবার খাওয়া শুরু করা যাক।

হ্যা,আমাদেরও খুব খিদে পেয়েছে।

দেখে ভালোই মনে হচ্ছে!

Beer?

হ্যা,তোমার জন্যেও নিও।

আচ্ছা।

এই নে।

লাগবে?

পুরাপুরা?

পুরাপুরা?

কালকে ক্লাসের পর ছাদে দেখা করো।

ঠিক আছে,পুরাপুরা।

এক সেকেন্ড দাঁড়াও।

দুঃখিত এক সেকেন্ড দাঁড়াও।

আজ আমায় অন্য কোথাও যেতে হবে।

বেশ,তাহলে কাল দেখা হচ্ছে।

হয়তো সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে,

কিন্তু কাল থেকে হয়তো আমায় একটু আলাদা মনে হতে পারে।

যদি এমনটা হয়,তাহলে আমায় ছেড়ে যেও না কিন্তু!

ঠিক আছে।

ওভাবে নয়!

আমরা একটু কথা বলতে পারি?

জানি অনেক দেরি হয়ে গেছে,কিন্তু সেদিনের জন্য আমায় ক্ষমা করে দিও।

আমার ওমনটা করা উচীত হয়নি, তুমি আমায় দেখতে এসেছিলে।

আমি ভালো করে ক্ষমা চেয়ে নিতে চাইছিলাম।

কালকের আগে...

আমি মতে তুমি খুব বুদ্ধিমতি মেয়ে।

জানি না কেনো, তবে তুমিই একমাত্র আমায় সবচেয়ে বেশী বুঝেছো।

এটুকুই বলার ছিলো।

Bye.

কারণ আমরা দুজনেই একরকম।

ওরা আমাকে নিয়েও খুব হাসাহাসি করতো।

আমি দেখেছি যখন ওরা তোমায় নিয়ে ব্যাঙ্গ করতো।

ওরা প্রথম বর্ষ থেকেই আমায় বিরক্ত করতো,

আমি ক্লাসের বাইরে থেকে তোমার সাথেও সেই একই জিনিস হতে দেখতাম।

আমি অবাক হয়ে যেতাম যে, এতকিছুর পরও তুমি কাঁদতে না আর শান্ত থাকতে।

আমিও তোমার কাছে ক্ষমা চাইতে চাই।

আমি বলেছিলাম যে একজন তোমায় সেদিন কুয়াবারার সাথে নিকোতামাতে দেখেছিলো,কিন্তু সেটা মিথ্যে ছিলো।

আসলে ওটা আমিই দেখেছিলাম।

তো ওটা তোমায় Saotome বলে নি?

Saotome?

তোমরা দুজন তো মাঝে মাঝে কথা বলো।

কারণ সেটা Saotome এর জন্যই।

তুমিও ওর সাথে কথা বলো,তাই না?

ও খুব মিশুকে, আর সবার সাথেই খুব ভালো ব্যবহার করে।

আমি তোমার প্রতি আকৃষ্ট নই।

"The Little Prince," এর মানে বলতে সেটা বোঝাতে চাই নি।

সত্যি বলছি...সত্যি।

সত্যি ওমন ছিলো না।

আমি আসলে তোমায় বন্ধুর চোখে দেখি।

তাই,আমি অার্ট ক্লাবে জয়েন করি,

যদিও আমি সেরকম ভালো আঁকতে পারি না।

এখানে আসলে একটা স্বস্তি অনুভব করি, মনে হয় যেনো নিজের বানানো দুনিয়াতে হারিয়ে গেছি।

আমি বুঝে গিয়েছিলাম যে,তোমার কাছে সেরকমই একটা দুনিয়া ছিলো।

তাই আমিও সেটাই করার চিন্তা করলাম।

ওরা ইন্টারনেটে আমাকে "মরে যাও" "বিরক্তিকর" এসব লিখে পাঠাতো,

আমায় মারতো আর আমার জিনিসগুলোও ছুড়ে ফেলে দিতো।

আর এখন,এমন ভাব করে যে আমার কোনো অস্তিত্বই নেই, কিন্তু কোনো ব্যাপার নয়।

একমাত্র তোমার জন্যই আমি এখন আগের থেকে অনেক আত্মবিশ্বাসী হয়ে গেছি।

তুমি আমার জীবন বদলে দিয়েছো।

কিন্তু আমি তো...

এবার তোমায় সেই আগের কোবায়াশি লাগছে!

তুমিই সেই আগের কোবায়াশি!

আমি আবার আঁকা শুরু করবো।

আমি এটা পুরো করবো।

আগের মতোই...

এখানেই অপেক্ষা করো,আমি আসছি এক্ষুণি।

তুমি অনেক লেট!

সরি।

তো?

আমি জানি যে, আমি কি ভুল করেছিলাম।

আমি কারোর হত্যা করেছিলাম।

আমি নিজেকে মেরেছিলাম।

আমিই হলাম মাকোতো কোবিয়াশির আত্মা, যে নিজেকে মেরে ফেলেছিলো!

অভিনন্দন!

তোমার দ্বিতীয় প্রচেষ্টা সফল হয়েছে!

তুমি হয়তো এটা আগে থেকেই জানতে,

তবে তোমার সংশোধন শুধু ঘরে থাকার জন্যই হয়নি,

এটা একটা পরীক্ষাও ছিলো এটা দেখার জন্য যে, তোমার মতো কোনো আত্মা

দেহত্যাগের পর আবার আগের মতো হওয়া সম্ভব কিনা, যেমনটা সে আগে ছিলো।

এটা তো একটা লেকচারের মতো লাগছে!

কি বলতে চাও?!

আমি এরকম রেজাল্ট পেয়ে খুব খুশী হয়েছি।

তুমি সফলভাবে পাশ করেছো।

এই কদিন আমার ওপর দিয়ে অনেক ধকল গেছে।

এটা জরুরী ছিলো।

ভালোই হয়েছিলো যে,আমি মাকোতোকে অন্য কেউ ভাবছিলাম।

যদি জানতাম ওটা আসলে আমিই ছিলাম...

তাহলে খুব লজ্জিত বোধ হতো।

আমি নিশ্চীত তুমি এখন মন থেকে খুব খুশী হয়েছো,

এটা ভেবে যে,মাকোতো কোবিয়াশি আবার বাঁচতে পারবে।

তাই না?

হতে পারে...

যেমনটা হিরোকাকে একটু আগে বোঝাচ্ছিলে,

সব মানুষের রঙ সমান হয় না, তারা বিচিত্র রঙের হয়ে থাকে।

আমরা জানিনা কোনটা সত্য আর কোনটা মিথ্যে।

বিচিত্রময় হওয়া খুব ভালো ব্যাপার।

প্লিজ একটা রঙীণময় জীবন কাঁটিও।

হুম সত্যি

আমি খুব খুশী।

আমি খুব খুশী যে,দ্বিতীয়বার বাঁচার সুযোগ পেলাম।

এবার থেকে স্বাধীনভাবে জীবন কাঁটিও, আর একটা কথা মনে রেখো,

অনেক মানুষ আছে যারা তোমাকে নিয়ে চিন্তা করে,

আর তুমিও অন্যদের সাহায্য করো।

এটাই সবচেয়ে বেশী জরুরী যে,তুমি এই দুনিয়াতে রয়েছো।

সত্যি বলতে, আমি হলাম সেই আত্মা যে এগুলো বুঝতে পারেনি।

কি সত্যি?

হ্যা,আমি নিজের ভুলটা বুঝতে পারিনি।

কিন্তু ভাগ্যবশত,বস আমায় এই কাজের জন্য বেছে নেন,

কিন্তু মাঝে মাঝে নিজেকে খুব একা একা লাগে, কোনো অতীত বা ভবিষ্যত না থাকা।

সবসময় মন খুলে হাঁসবে, আর পেট ভরে খাবার খাবে,

এই বিষয়ে আমি বেশী কিছু জানি না ঠিকই,

তবে আমার হিংসে হয় খুব।

নিজের একটা ভবিষ্যত থাকা দারুণ একটা ব্যাপার।

আমি হয়তো একটু খারাপ ব্যবহার করে ফেলেছিলাম, যখন তুমি তাড়াহুড়ো করছিলে,

না এটা সত্যি নয়।

ধন্যবাদ,পুরাপুরা।

একমাত্র তোমার জন্যই...

এবার বিদায় বলার সময় এসেছে।

দাঁড়াও,পুরাপুরা!

আর কিছুদিন আমার সাথে থাকো।

আমি এখনো আত্মবিশ্বাসী নই।

আমি চাইলেও পারবো না।

জীবনটা মাত্র কয়েকটা দশকের,

তাই এটাকে একটানা অনেকদিন ঘরের মধ্যে থাকার মতোই ভাবো।

এটাই তোমায় দেওয়া সর্বশেষ উপদেশ আমার।

এবার নিজের চোখ বন্ধ করো।

দাঁড়াও-

আর এটা ভেবো না যে, তুমি আর দ্বিতীয় সুযোগ পাবে,

তাই আমার সাথে কাঁটানো সমস্ত স্মৃতি মুছে ফেলা হবে।

তো,এবার চোখ বন্ধ করো।

পুরাপুরা!

চুপ করো,আর শান্ত হও!

চোখ বন্ধ করো!

আমি তোমায় কখনো কখনো দেখতে আসবো, কিন্তু কোনো সাহায্য করবো না।

মাকোতো কোবিয়াশি,তুমি সত্যিই বেঁচে ফিরে এসেছো।

এটুকুই যথেষ্ট।

আর কোনোদিন মরার কথা চিন্তা করবেনা।

শীত করছে!

কোবায়াশি,এটা কি তুমি?

না,আমি ঘোড়াটা।

কিন্তু আমি ওটার ব্যাপারে সত্যিই কিছু জানি না...

ওটা কি একটা অ্যাঞ্জেল?

না,আমার সেটা মনে হয় না।

ধ্যাত!

আমি এই পুরানো সাইকেলের কাছে কখনো হারবো না!

একদিন ঠিকই হারিয়ে দেবো দেখো!

তুমি বেঁচে আছো তো?

ওই,আমি কি বেঁচে আছি?

তুমি বেঁচে আছো।

একদম।

কি হলো?

কি হতে পারে?

বলেই ফেলো এবার!

কিছু না!

কারোর উদ্দেশ্যে...

আমি বেঁচে আছি।

Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.