Afrikaans
Akan
Albanian
Amharic
Armenian
Azerbaijani
Basque
Belarusian
Bemba
Bihari
Bosnian
Breton
Bulgarian
Cambodian
Catalan
Cebuano
Cherokee
Chichewa
Chinese (Simplified)
Chinese (Traditional)
Corsican
Croatian
Czech
Danish
Dutch
Esperanto
Estonian
Ewe
Faroese
Filipino
Finnish
French
Frisian
Ga
Galician
Georgian
German
Greek
Guarani
Gujarati
Haitian Creole
Hausa
Hawaiian
Hebrew
Hmong
Hungarian
Icelandic
Igbo
Interlingua
Irish
Italian
Japanese
Javanese
Kannada
Kazakh
Kinyarwanda
Kirundi
Kongo
Korean
Krio (Sierra Leone)
Kurdish
Kurdish (Soranî)
Kyrgyz
Laothian
Latin
Latvian
Lingala
Lithuanian
Lozi
Luganda
Luo
Luxembourgish
Malagasy
Malay
Maltese
Maori
Marathi
Mauritian Creole
Moldavian
Mongolian
Myanmar (Burmese)
Montenegrin
Nepali
Nigerian Pidgin
Northern Sotho
Norwegian
Norwegian (Nynorsk)
Occitan
Oriya
Oromo
Pashto
Persian
Polish
Portuguese (Brazil)
Punjabi
Quechua
Romanian
Romansh
Runyakitara
Russian
Samoan
Scots Gaelic
Serbian
Serbo-Croatian
Sesotho
Setswana
Seychellois Creole
Shona
Sindhi
Slovak
Slovenian
Somali
Spanish (Latin American)
Sundanese
Swahili
Swedish
Tajik
Tamil
Tatar
Telugu
Thai
Tigrinya
Tonga
Tshiluba
Tumbuka
Turkish
Turkmen
Twi
Uighur
Ukrainian
Uzbek
Vietnamese
Welsh
Wolof
Xhosa
Yiddish
Yoruba
Zulu
বাংলায় অনুবাদক কুদরতে জাহান জিনিয়া subscene id:Kudrate_Jahan
এই ঘুমাচ্ছিস নাকি ।
- কেন? - একটা জিনিস খুঁজে পেয়েছি ।
দেখতো এটা কি?
"জুমানজি"
বোর্ড গেম? বোর্ড গেম আবার কে খেলে?
Join our group: facebook.com/groups/subtitlehut
আক্রমণ !
পালাও !
মুখে ঘুষি ।
মাথা ঠুকে দাও । তুমি শেষ ।
মার । মার । ফিরতি মার ।
আমি শেষ করেছি।
"...বেঞ্জামিন ফ্র্যাংকলিন,
"আর ঠিক এই জাতীয়তাবাদী মানসিকতাটাই
পশ্চিমমুখী সম্প্রসারণের পেছনে দাবানলের মত ইন্ধন যুগিয়েছিলো "
স্পেন্সার? বাবা?
মা! তোমাকে নক না করে ঢুকতে মানা করেছি না?
আমার দেরি হয়ে যাচ্ছে । তুমি স্কুলশেষে তোমার বাবার কাছে যাবে?
- হ্যাঁ,মনে হয় । - তোমার ওষুধ নিতে ভুলোনা ।
পৃথিবী ভয়ংকর জায়গা, একথা কিন্তু কোনভাবেই ভুলবেনা ।
সবকিছু নিয়ে সাবধানে থাকবে ।
আমি তোমাকে আমার জীবন থেকে বেশি ভালোবাসি । বিদায় ।
- রবিবার রাতে দেখা হবে । - ঠিক আছে ।
- পরে দেখা হবে, মা । - কিছু খেয়ে যাও ।
আমি পারবনা । আমার স্পেন্সারের সাথে দেখা করতে যেতে হবে ।
- স্পেন্সার গিলপিন? - হ্যাঁ, স্পেন্সার গিলপিন ।
ও ...ও আমাকে পড়াচ্ছে ।
- আমার রেজাল্ট ভালো করার জন্য ও সাহায্য করছে - শুনে খুবই ভালো লাগলো ।
- ছোট্ট স্পেন্সার গিলপিন । - হ্যাঁ ।
- তোমার রেজাল্ট ঠিক থাকবে তো? - সেজন্যই আমি সাহায্য নিচ্ছি ।
তোমাকে দল থেকে বাদ পড়তে দেখতে আমার খুবই খারাপ লাগবে...
আমি দল থেকে বাদ পড়বনা ।
এটা ... এটা ভালোই হবে । ঠিক না?
হুম।
ঠিক আছে ।
সুন্দর না?
হ্যাঁ ।
- হেই । - হেই, ফ্রিজ ।
তুমি কেন বর্ষাতি গায়ে দিয়ে আছো?
- কি বলতে চাও? - মানে, এখন তো বৃষ্টি হচ্ছেনা ।
ওহ, কিন্তু পরে হতে পারে ।
মানে, তুমি কখনোই ঠিক জানোনা কি ঘটতে যাচ্ছে ।
- আহহ! -তোমার সমস্যাটা কি?
একটু তাড়াতাড়ি করবে?
ফ্রিক হাউজ দেখলে আমার খুবই অস্বস্তি লাগে ।
এই নাও ।
- কোন ভুল নেই ত? - হ্যাঁ দেখে দিয়েছি ।
আর আমি এটাকে একটা সূচনা...
আর উপসংহার আর মাঝে কিছু লাইনও দিয়েছি ।
আমার হাতে সময় থাকলে আমি নিজেই এটা করতাম ।
- কিন্তু... - হ্যাঁ, এটা কোন বড় ব্যাপার না ।
তো আমি ভাবছিলাম যে তোমার হোমওয়ার্ক আর অ্যাসাইনমেন্ট করার কাজটা বেশ মজার
কিন্তু এই সপ্তাহর ছুটিতে কি অন্য কিছু করা যায়?
- আমি ভাবছিলাম আমরা হয়তবা ... - এই সপ্তাহর ছুটিতে......
- হেই, ফ্রিজ । - হেই ।
আমাদের সাথে বাসায় যাবে?
- আমি ওর সাথে যাচ্ছি । - এই জানো ?
আমার জন্য আসলে, শিডিউল অনুযায়ী এটাই ভালো হবে, তাই...
দেখা হবে, রেফ্রিজারেটর ।
দুঃখিত । দুঃখিত ।
হেই কি খবর?
যাই হোক ।
এমন না যে আমি সেই ছোটবেলা থেকে তোমার বেস্ট ফ্রেন্ড ।
- ঠিক আছে । - কি বললে তুমি?
আহ, কিছুনা, স্যার ।
ওহ, এই লোকটা খুবই আজব।
বেচারা লোকটা ।
এদের সাথে খুবই বাজে ব্যাপার ঘটে গেছে ।
আমি ওই ছেলেটার কথা বলছিলাম ।
তোমরা এখানে কি করছো?
আমি তএইমাত্র আমার বন্ধুর সাথে কথা বলছিলাম ।
তোমার আরো সাবধানে থাকা উচিত ।
কোথায় না কোথায় ঘুরছো তা নিয়ে, শুনতে পেয়েছো আমার কথা?
হ্যাঁ, মি. ভ্রিক। শুনেছি ।
এই দুনিয়া তোমাদের মত ছেলেদেরকে গিলে নিতে পারে ।
আমি দুইঘন্টা আগে পোস্ট করেছি ,
আর ও এখনো কমেন্ট করেনি । এমনকি লাইকও দেয়নি ।
তুমি দেখেছো না? -হ্যাঁ দারুণ হয়েছে
আমি জানিনা ওর কি সমস্যা ।
ধন্যবাদ । এমন না যে আমি সবসময় পোস্ট করি,
তাল মিলিয়ে চলার জন্য যতটুকু লাগে আর কি ।
কিন্তু নোয়ার জন্য ব্যাপারটা ভালো হত যদি...
এই তোমার পেছনে একটা মহিলা
- হাই - হাই
বেথানি, তুমি কি এইমাত্র পরীক্ষার মাঝখানে ফোনে কথা বললে?
হ্যাঁ । কিন্তু আমার পরীক্ষা আগেই শেষ ।
ঠিক আছে । কিন্তু তুমি কি দেখনি যে অন্যদের পরীক্ষা এখনো চলছে?
- তো? - ওহ, আমি দুঃখিত । বুঝিয়ে বলছি...
তুমি কি জানো তুমি ছাড়া পৃথিবীতে আরো লোক আছে?
দেখো...
আমি এখন একটা জিনিস নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছি
আর বিশ্বাস কর এটা নিয়ে আমি তোমার থেকেও বেশি অখুশী ।
আমার একটা সমস্যা যাচ্ছে , আর লুসিন্ডা, মানে ,
একজন মেয়ে হিসেবে সে আমাকে সমর্থন করছে ।
আর আমার মনে হয় তোমারও তাই করা উচিত ।
- ফোনটা রাখো বলছি । - ঠিক আছে । আমি রাখছি ।
- বেথানি, এক্ষুণি রাখো । - দুই মিনিটের মধ্যেই হয়ে যাবে ।
ডিটেনশনে যাবে তুমি ।
চলো, চলো। পা চালাও ।
চলো !
বেথানি, দেরি করে ফেলেছো ।
দুঃখিত ।
আমি শুনেছি ফুটবলার ছেলেটার সাথে ওর ছাড়াছাড়ি হয়ে চগেছে ।
ফাসফিল্ড, এখন তোমার সুযোগ ।
আমরা এখন ছোঁড়া আর ধরা অনুশীলন করব ।
সুতরাং একজন করে সঙ্গী আর একটা করে ফুটবল বেছে নাও ।
হেই, মার্থা ।
মার্থা, তুমি একা একা ক্যাচ খেলতে পারবেনা ।
সঙ্গী খুঁজে নাও ।
আসো আসো ।
না, না । আমার লাগবেনা ।
ঠিক আছে ।
তোমাকে অন্য সবার মতই অংশগ্রহণ করতে হবে ।
নইলে তুমি এখানে কি করছো?
কারণ এই ক্লাসটা করাই লাগবে ।
- মার্থা... -আমার এটা অর্থহীন লাগে ।
শারীরিক শিক্ষা আমাকে কখনো প্রিন্সটনে ঢুকাতে পারবেনা ।
আর আমি বুঝিনা বলকে গোলে ঢুকিয়ে দিয়ে
"পাঁচ পয়েন্ট" বলে চিল্লানোর মধ্যে কি মজা আছে ।
তোমার কথায় অনেক ভুল, কিন্তু প্রথমত...
শারীরিক অনুশীলন তোমার জন্য ভালো ।
অন্যদের সাথে মেশাও তোমার জন্য ভালো ।
আর চেষ্টা করলে এর মধ্যে থেকেও তুমি মজা খুঁজে নিতে পারো ।
মজা । আমরা কি এখানে তাই করছি নাকি? মজা?
এটাই স্কুল ।
আমাদের কাজে আসে এরকম কিছু শেখা উচিত ।
- দেখো মার্থা...
আমার মনে হয়না এ জীবনে অনেক কিছু করা উচিত
আর আমি অন্তত জিম প্রশিক্ষক হয়ে এ জীবন বরবাদ করতে চাইনা ।
-এটা, এটা বলতে চাইনি আমি । -হ্যাঁ তা ত বটেই ।
ডিটেনশনে যাবে তুমি ।
চরম !
দুর্ধর্ষ ।
স্পেন্সার গিলপিন?
বসো, স্পেন্সার ।
মিস ম্যাদারস?
"আর ঠিক এই জাতীয়তাবাদী মানসিকতাটাই
"পশ্চিমমুখী সম্প্রসারণের পেছনে দাবানলের মত ইন্ধন যুগিয়েছিলো "
শুনতে পরিচিত লাগছে, মি. গিলপিন?
- না ত -এটা পশ্চিমমুখী সম্প্রসারনের উপর লেখা
অ্যান্থনির অ্যাসাইনমেন্টের শেষ লাইন ।
আর, কোন না কোন ভাবে, এটা পশ্চিমমুখী সম্প্রসারনের উপর গতবছর লেখা
তোমার অ্যাসাইনমেন্টেরও শেষ লাইন ।
মজা তো ।
তাই নাকি?
আমার তাই মনে হয় । মানে, এভাবে মিলে যাবার সম্ভাবনা কতটুকু ?
খুবই কম ।
হ্যাঁ, তুমি আবার "দাবানলের মত ইন্ধন" এই রূপকটা
"বোস্টন টি পার্টি", "গেটিসবার্গের যুদ্ধ", "নারীর ভোটাধিকার" এই বিষয়ে লেখা
পেপারগুলোতেও ব্যবহার করেছো
এই ঘরটায় খুব গরম লাগছে ।
অ্যান্থনি, আমি জানি তুমি আমার ক্লাসে পাশ করার জন্য কতটা মরিয়া,
কিন্তু এভাবে তুমি কিছু করতে পারবেনা ।
- আমি কোন নকলবাজকে মেনে নেবনা । - নকলবাজি ?
আমি...আমি... আমি নকল করিনি ।
এটা আমার দোষ ।
আমি ওকে একাজ করতে বাধ্য করেছি ।
তুমি বাধ্য করেছো...তুমি কি ওর পেপার লিখে দিয়েছো নাকি?
হ্যাঁ ।
হুম ।
দেখো । আমি দুঃখিত, ঠিক আছে ?
না না, ঠিক নেই ।
এটা কি করলে তুমি? তোমার জন্য আমি দল থেকে বাদ পড়ে গেলাম ।
হ্যাঁ, দেখো, তোমার জন্য আমি স্কুল থেকে বহিষ্কার হতে পারতাম ।
এমন না যে তুমি একাই কেবল বিপজ্জনক জীবনযাপন করো ।
- বিপজ্জনক জীবনযাপন ? - হ্যাঁ ।
এরকম বিপজ্জনক কাজ আমি আমার জীবনে করিনি ।
আর দেখো, আমাকে তার মূল্যও দিতে হচ্ছে ।
মজার একটা দল বানিয়েছো, তাই না?
ডিটেনশনে স্বাগতম ।
হ্যাঁ, স্পেন্সার?
আমি বলতে চাই যে আমি দুঃখিত ।
- ধন্যবাদ । - বেন্টলি, আমি শুধু একটা ফোন...
বেথানি প্লিজ শোনো । তোমাদের সবার এখানে আসার পেছনে কারণ আছে ।
তোমরা নিজেরাও জানো সেটা কি ।
কিন্তু এখন তোমাদেরকে যে বিষয়টা নিয়ে ভাবতে হবে তা হলো:
ঠিক এই মুহূর্তে তোমাদের আত্মপরিচয় কি
আর তোমরা কি হতে চাও ।
একটাই জীবন তোমাদের ।
তোমরাই ঠিক করবে তোমরা এটা কিভাবে পার করবে ।
সৌভাগ্যক্রমে...
নিজের বিবেকের মুখোমুখি হবার জন্য
ডিটেনশনের মত ভালো জায়গা আর হয়না ।
ওঠো, সবাই । চলো ।
আমরা এটাকে একটা কম্পিউটার সেন্টারে রূপান্তর করতে যাচ্ছি ।
কিন্তু তার আগে সবকিছু পরিষ্কার করতে হবে ।
এই পুরানো ম্যাগাজিনগুলো পরিশোধনাগারে যাবার জন্যই আছে ।
কিন্তু তার আগে এগুলোকে তৈরী করে নিতে হবে ।
সবগুলো স্ট্যাপলার পিন সরিয়ে ফেলতে হবে।
আজকে তোমরা যা শেষ করতে পারোনি, তা কালকে শেষ করবে ।
- কালকে শনিবার । - আমি খেলিনা দেখে?
- আমার মনে হয়না এতে কাজ হবে । -এমনটাই উচিত।
- চুপ করো । - সুতরাং আমি বলব তোমরা কাজ শুরু করে ফেলো ।
তোমাদের অস্ত্র বেছে নাও ।
এরা বোলিং বল দিয়ে কি মরার কাজটা করে ?
আশ্চর্য, নেটওয়ার্ক নেই?
- আজকের দিনটা কি এর চাইতে খারাপ হওয়া সম্ভব? - তুমি কি হাত লাগাবে, না কি সুন্দর দেখে সব মাফ?
সুন্দর দেখে সব মাফ ।
হেই, আমি তোমাকে কালকে কোচ ওয়েবের সাথে দেখেছি ।
দেখেছি মানে, মানে...
মানে, খারাপ কিছু না.... আমি শুধু...
আমি ওই ঘরে ছিলাম, এই আর কি । আমরা একই ক্লাসে পড়ি ।
কিন্তু আমার মনে হয় তুমি বেশ বুদ্ধির কয়েকটা কথা বলছিলে,
কেন শারীরিক শিক্ষা জঘন্য, আর...
আর অন্য সাবজেক্টগুলোও ।
ধন্যবাদ ।
হুম ।
এই, এটা কি?
- আমি জানি না । - এটা কি,
পুরানো ভিডিও গেম টাইপ কিছু?
আমার তা মনে হয়না ।
আমি এটা চিনতে পারছিনা ।
"এমন এক খেলা যা খোঁজে প্রায় সবাই"
" দুনিয়া ছেড়ে যাবার উপায় খুঁজে পেয়ে যাই।
"জুমানজি "
এই সবাই স্ট্যাপল খোলো ।
"জুমানজি"? এর মানে কি?
কোন ধারণা নেই । কখনো শুনিনি এর কথা ।
হুম...
কোনটা বেছে নেব?
জানিনা, মনে হয়না এটা তেমন বড় কোন ব্যাপার ।
জেফারসন "সিপ্লেন" ম্যাকডনাহ ।
পাইলট আর বদমাশ ।
-এটা কাজ করছেনা । - ঠিক আছে, আরেকটা দেখো ।
ফ্র্যাঙ্কলিন "মুজ" ফিনবার ।
হুম ।
শুনে মনে হচ্ছে দুর্ধর্ষ কেউ ।
আরো দারুণ ব্যাপার হলো সে একজন প্রাণিবিজ্ঞানী,
- তুমি বাছো । - ঠিক আছে ।
"ড. স্মলডার ব্রেভস্টোন"
বেথানি, তুমি খেলবে নাকি?
বেশ ।
আমি হব...
শেলি ওবেরন...
বাঁকওয়ালা প্রতিভা ।
হেই, স্ট্যাপলস, আসো। এবার তোমার পালা ।
আহ না ।
- না, ধন্যবাদ । - দাঁড়াও না, মাত্র কয়েক মিনিটের জন্য?
মজা হবে ।
ও মজা করতে মজা পায়না ।
আচ্ছা ঠিক আছে ।
এটা হবে আমার করা সবচেয়ে বড় গাধামির কাজ ।
আমার তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ আছে ।
জুমানজিতে স্বাগতম
কি হচ্ছে ?
মনে হয় শর্টসার্কিট হয়ে যাচ্ছে !
প্লাগটা খোলো!
কি হতে লাগলো? তোমার হাতে কি হলো?
-তোমার কি হলো? - আমি জানিনা ।
স্পেন্সার!
হায় খোদা!
আহহ!
কি হচ্ছে?
ওহ না ।
খাইছে আমারে...
আহ
শুনছ?
কেউ শুনতে পাচ্ছো? আমার গলা এমন শোনাচ্ছে কেন?
আমার চুল কই?
মানে কি...?
হায় খোদা!
ওহ ।
হাহ?
কোন জাতের বুদ্ধু...?
- তুমি কে? - তুমি কে?
ও কে?
তোমরা কারা? হাহ?
এই কি হচ্ছে এসব?
খোদা! হায় খোদা!
- আমার ওপর থেকে সরো! - মামলা করে দেব...
- আমার গলা এমন শোনাচ্ছে কেন? - আমার ওপর থেকে সরো!
- আমি কই? - তুমি আমাকে চ্যাপ্টা করে ফেলছো! সরো!
এ কি অবস্থা? আমার বাকি অংশ কই?
এটা কি? এটা আমার পিঠে কেন ?
এটা কি?
হায় খোদা ।
ফ্রিজ?
হ্যাঁ আমি ফ্রিজ । তুমি কে?
আমি স্পেন্সার ।
কি? বললেই হলো নাকি ! কি হচ্ছে? হাহ?
আমার মনে হয় ...
আমরা গেমের মধ্যে আছি ।
- কি বলছো তুমি এসব?
হয়ত কোনভাবে, আমি জানিনা কিভাবে...
আমার মনে হয় আমরা কোনভাবে গেমের মধ্যে ঢুকে গেছি ।
আর আমরা যেই চরিত্রগুলো বেছে নিয়েছিলাম, সেইরূপে আছি ।
সুতরাং এটা আমি, স্পেন্সার, কিন্তু আমি দেখতে শুনতে...
ড. স্মলডার ব্রেভস্টোনের মত ।
তুমি বলতে চাইছো তুমি স্পেন্সার?
হ্যাঁ, হ্যাঁ, হ্যাঁ । এটাই ।
ফ্রিজ, আমি স্পেন্সার । তারমানে তুমি মুজ ফিনবার ।
এটা তোমার ভেস্টে লেখা আছে দেখো । আর...
- মার্থা? - হ্যাঁ
তুমি রুবি রাউন্ডহাউজ ।
আর, বেথানি, তুমি প্রফেসর শেলি ওবেরন ।
কিন্তু শেলি মনে হয় শেলডনের ছোটরূপ ।
তুমি কি বলতে চাইছো?
হায় খোদা । হায় খোদা, ও ঠিকই বলেছে ।
আর তুমি...
তুমি স্পেন্সার? তুমি?
হ্যাঁ, আমি বলছি তোমাদেরকে...
আমি স্পেন্সার । আমি... আহ!
হ্যাঁ, এটাই স্পেন্সার ।
আউ !
তারমানে আমি...
আমি...
দাঁড়াও, বেথানি । বেথানি, দেখোনা!
না!
আমি একটা আধবুড়ো ভোটকা লোক ।
আমার একটা ট্যাটু আছে ।
আমার মা আমাকে সবসময় বলত, ট্যাটু আঁকালে আমাকে মেরে ফেলবে।
এটা কি?
আমারও একটা আছে ।
কিছু সময়ের জন্য ।
এক সেকেন্ড দাঁড়াও ।
আমার ফোন কই?
আহ ।
আমি বনে-জঙ্গলে এসব পরে আছি কেন?
ছোট পিচ্চি হাফপ্যান্ট আর একটা চামড়ার ব্লাউজ ।
মানে, এ কেমন বিচার?
আমি দেখতে রূপকথার বামনদের মত । আমার ফোন নাই কেন?
- তাতে কি? - আমরা উলটাপালটা শরীরে ঢুকে গেছি!
এটা এই মুহূর্তে সবচাইতে জরুরী ব্যাপার বলে মনে হচ্ছেনা ।
আসলেই?
তোমার কি মনে হচ্ছেনা যে এই মুহূর্তে একটা ফোন করা কিংবা মেসেজ দেয়া
কিংবা "ভিডিওগেমে আটকা পড়ে গেছি" এই টাইপ স্ট্যাটাস দেবার জন্য এটা একটা ভালো সময়?
আমি খালি বলতে চাইছি যে আমার কাছে ক্ল্যারিটিন নেই, ঠিক আছে?
আর আমার প্রায় সবকিছুতেই এলার্জি ।
ওহ, না ।
স্পেন্সার, তোমার এলার্জি নিয়ে চিন্তা?
এদিকে আমার শরীরের উপরের দুই ফিট গায়েব হয়ে গেছে !
এই দেখো, এসব সত্যিকারেই ঘটতে পারেনা ।
মনে হয় আমরা সবাই কোমায় চলে গেছি ।
একসাথে? আমরা সবাই একসাথে কোমায় আছি ?
এটাই একমাত্র ব্যাখ্যা । ওই পুরানো গেম মেশিনটা
নিশ্চয়ই আমাদেরকে কারেন্টের শক দিয়েছে, আর এখন আমরা...
- হায় খোদা, বেথানি! - হায় খোদা, হায় খোদা!
থামাও ওটাকে!
হায় খোদা! তোমাকে এখন ওখানে গিয়ে ওকে বাঁচাতে হবে ।
আমি ওখানে যেতে পারবনা ! তুমি যাওগে ।
আমি কোথাও যাচ্ছিনা । আমার কাঁধে ব্যাকপ্যাক ।
তুমি ব্যাকপ্যাক কাঁধে নিয়ে কোনভাবেই পানির মধ্যে নামতে পারবেনা । সবাই জানে সেটা ।
আউ!
মানে কি...?
- বেথানি! - এটা কি হলো...?
তুমি ঠিক আছো?
খুবই ভয়ানক ছিল ব্যাপারটা ।
আমি, মানে এই জায়গাটাকে আর নিতে পারছিনা ।
- তোমার সাথে কি হলো এইমাত্র? - একটা গণ্ডার আমাকে খেয়ে ফেললো,
আর তারপর মনে হয় আমি হাজার ফিট উপরে থেকে মাটিতে পড়লাম ।
হ্যাঁ, দেখে এমনটাই মনে হলো ।
ওটা একটা জলহস্তী ছিলো । ওরা সর্বভুক ।
অল্প দূরত্বে ওরা ঘোড়ার মতই দ্রুতগামী
আর ওদের চোয়ালের জোর ৮১০০ নিউটন ।
আমি এসব জানি কিভাবে?
তুমি একজন প্রাণী বিশেষজ্ঞ ।
- কি? - আমি এখনো একটা মোটা বুড়া লোক, তাই না?
- দুর্ভাগ্যবশত। - দাঁড়াও ।
কিভাবে তোমরা সবাই এত শান্ত আছো? ও আকাশ থেকে পড়ে গেলো তাও পাত্তা দিচ্ছনা ।
এই শোন?
বেথানি, ওঠো । বেথানি, ওঠো ,ওঠো ।
চলো, চলো, চলো!
চলো, চলো, চলো!
আহ! ড. ব্রেভস্টোন ! জুমানজিতে স্বাগতম !
শুধু শুধু দাঁড়িয়ে থেকোনা, ভেতরে ঢোকো ।
- আসো আসো । - হ্যাঁ
ড. ব্রেভস্টোন ।
আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন প্রত্নতত্ত্ববিদ এবং অভিযাত্রিক ।
বিভিন্ন দুঃসাহসিক অভিযানের জন্য
যাঁর খ্যাতি সাত মহাদেশেব জুড়ে ।
কোন সিটবেল্ট আছে এখানে?
তোমার সাথে দেখা করে কি পরিমাণ সম্মানিত বোধ করছি তা ভাষায় প্রকাশ করতে পারবনা ।
বলতে লজ্জা নেই, তুমি সামনাসামনি দেখতে আরো বেশি আকর্ষণীয় ।
...ধন্যবাদ ।
তু্মি কে?
তোমার সেবায় নিয়োজিত, নাইজেল বিলিংসলি ।
ছেলেদের মাথা ঘুরিয়ে দেয়া রুবি রাউন্ডহাউজ,
জুমানজিতে স্বাগতম ।
আমি তোমার আগমন নিয়ে খুবই চিন্তায় ছিলাম ।
তুমি ত জানোই, জুমানজি ঘোর বিপদের মধ্যে আছে ।
অভিশাপটা ভাঙার জন্য আমরা সবাই তোমাদের চারজনের ওপর ভরসা করে বসে আছি ।
- অভিশাপ? - কিসের অভিশাপ?
আচ্ছা, তুমি আমার ফোনটা কোথাও দেখেছো?
প্রফেসর শেলী ওবেরন ।
জুমানজিতে স্বাগতম
তোমার সেবায় আছি আমি নাইজেল বিলিংসলি ।
আমি তোমার আগমন নিয়ে খুবই দুশ্চিন্তায় ছিলাম ।
এই লোকের সমস্যা কি?
আমার মনে হয় ও একজন NPC.
কি? বাংলায় বলবে ?
নন প্লেয়েবল ক্যারেক্টার । ও খেলার ই অংশ ।
সুতরাং আমরা ওকে যাই জিজ্ঞেস করব,
ও শুধু নির্দিষ্ট প্রোগাম করা কয়েকটা উত্তরই দিতে পারবে ,
বুঝেছি । একেবারে পরিষ্কার।
ফ্র্যাঙ্কলিন "মাউস" ফিনবার ।
জুমানজিতে স্বাগতম ।
আমার নাম মুজ, মাউস না ।
না, মহামান্য , আমি নিশ্চিত যে আপনার নাম মাউস ।
- মাউস?
ছোটখাটো আর আদুরে বলে তোমার এই ডাকনাম ।
আমি জানতাম তুমি এখানে আসবেই ।
ড. ব্রেভস্টোন কোথাও
তাঁর বিশ্বস্ত সহকারী ছাড়া যায়না ।
সহকারী?
পেরুর জঙ্গলের এক ভয়ানক সেনাপতির কবল থেকে
ড. ব্রেভস্টোন তোমাকে রক্ষা করার পর থেকে সবসময় তুমি ওনার জন্য নিবেদিত ।
তা ঠিক ।
আমরা কি অভিশাপের আলোচনায় ফিরে আসতে পারি?
তোমাদেরকে পাঠানো চিঠিতে আমি সবকিছু বিস্তারিত জানিয়েছি ।
তুমি আরেকবার পড়ে শোনালে ভালো হয় ।
আমি কোন চিঠি...
ওয়াও ।
"ড. ব্রেভস্টোন, আমি আপনাকে জুমানজির
"এক ভয়ানক সমস্যা নিয়ে লিখছি ।
আমরা তোমার সাহায্য কামনা করছি"
-কি হচ্ছে এসব
এগুলো আবার কি?
এগুলোকে বলে "কাটসিন" । গেমের কাহিনী মুভির মত বুঝিয়ে দেবার জন্য গেমের মধ্যে থাকে
আমার নাম নাইজেল বিলিংসলি
জুমানজির পথ প্রদর্শক
আমি তোমাদের আগের পার্টনার, এখনকার শত্রু
প্রফেসর রাসেল ভ্যান পেল্টের দ্বারা এই চরম অভিযানে নিয়োগ পেয়েছি
তোমরা ত জানোই, প্রফেসর ভ্যান পেল্ট
কল্পিত জাগুয়ার মন্দিরের খোঁজে গিয়েছিলেন
যেখানে জুমানজির পবিত্র রত্ন লুকানো আছে
তোমরা তো অন্য সবার চাইতে বেশিই জানো,
রত্নটা নিয়ে ও অনেক মরিয়া ছিলো ।
বছরের পর বছর গবেষণা করার পরে সে মনে করেছিলো
যে সে এটার অবস্থান আবিষ্কার করতে পেরেছে ।
এটাই কি?
অবশেষে কি খুঁজে পেলাম?
ভ্যান পেল্ট আমাকে বলেছিলো সে রত্নটা চায়
তার গবেষণায় লিপিবদ্ধ করার জন্য
- এটা আসলটাই! কিন্তু আমি জানতামনা যে
সে রত্নটা নিজেই গাপ করে দিতে চায় ।
পেয়েছি ।
পেয়েছি!!!
পুরাণে বলা আছে, জাগুয়ার জুমানজিকে দেখে রাখে
আর যে মানুষ জাগুয়ারের চোখ খুলে নেবে
তাকে এক অন্ধকার শক্তি গ্রাস করে নেবে
ভ্যান পেল্ট জুমানজির সব জন্তু জানোয়ারের প্রভু হয়ে গেলো
তাদের ওপর ভর করে তাদেরকে নিয়ন্ত্রণ করতে লাগলো,
আর একসময়কার সুজলা সুফলা জায়গাটা আস্তে আস্তে অভিশপ্ত হয়ে গেলো
আমি তাকে বহু অনুরোধ করেছি এটা ফিরিয়ে দেবার জন্য
কিন্তু একবার ক্ষমতার নেশায় পেলে কি আর ছাড়ে
তাই আমি ওরা রাতে ঘুমানো পর্যন্ত অপেক্ষা করলাম
আর তারপর যা করার তাই করলাম
রত্নটা খুঁজে বের করো!
কেউ তোমাকে থামাতে চাইলে সাথে সাথে খুন করে ফেলবে ।
কাহিনী শেষ । এই নাও ।
তোমার সহকারীদের অমূল্য সাহায্য
আর অতি অবশ্যই তোমার বিশেষ ক্ষমতা দিয়ে
রত্নটাকে জাগুয়ারের চোখে ফিরিয়ে দাও
আর অভিশাপটাকে কাটাও ।
নিশ্চয়ই তোমরা এখনই শুরু করতে চাইবে ।
- আসলে, আমার মনে হয়... - আশীর্বাদ!
জুমানজির ভবিষ্যৎ এখন তোমাদের হাতে ।
- কি? ও... - আর মনে রেখো:
তোমাদের উদ্দেশ্যটা কি বলছি আমি তালে তালে
রত্ন ফেরত দেয়া লাগবে অভিশাপটা ভাঙতে গেলে
যদি কখনো মনে হয় যে গেম থেকে বের হওয়া লাগবে
তবে জুমানজিকে বাঁচিয়ে জোরসে এর নাম ধরে ডাকবে
শুভকামনা! জুমানজির ভাগ্য এখন তোমাদেরই হাতে ।
- আর মনে রেখো: - আবার একই জিনিস বলছে ।
তোমাদের উদ্দেশ্যটা কি বলছি আমি তালে তালে
রত্ন ফেরত দেয়া লাগবে অভিশাপটা ভাঙতে গেলে
যদি কখনো মনে হয় যে গেম থেকে বের হওয়া লাগবে
তবে জুমানজিকে বাঁচিয়ে জোরসে এর নাম ধরে ডাকবে
ভয় পেয়োনা । তুমি পারবে । সত্যিকার তোমাকে মানুষ কত পছন্দ করে ।
তুমি যে কাউকে পটাতে পারো ।
ভয় পেলে নিজেকে এসব শোনাও নাকি?
তুমি কি আমাকে দুই সেকেন্ডের জন্য বিচার করা বন্ধ করবে?
নোয়ার সাথে ছাড়াছাড়ি হবার পর আমি একটা ছেলে হয়ে গেছি,
এমনকি আমার ফোনটাও পাচ্ছিনা । মেজাজ ত খারাপ হতেই পারে, তাই না?
ড. ব্রেভস্টোন, এই নাও জুমানজির ম্যাপ ।
তোমাকে অবশ্যই বাজারে গিয়ে ম্যাপের হারানো অংশটাকে খুঁজে বের করতে হবে
- বাজারে । - কিসের হারানো অংশ?
- তুমি আমাদেরকে মূর্তিটার কাছে পৌঁছে দিতে পারবেনা?
- আর মনে রেখো:
যদি কখনো মনে হয় যে গেম থেকে বের হওয়া লাগবে
তবে জুমানজিকে বাঁচিয়ে জোরসে এর নাম ধরে ডাকবে
- তুমি কি এটাকে এখানে রাখতে চাও? - না
ফ্রিজ, তোমারই একমাত্র ব্যাকপ্যাক আছে ।
তো কি? আমাদের একটা ম্যাপ আছে ।
তাহলে এখন আমাদের খোঁজা লাগবে...?
বাজারটাকে ?
তাহলে আমরা জাগুয়ারের মূর্তিটাকে রত্নটা ফেরত দিয়েই
বাসায় যেতে পারব । কোন সমস্যা নেই ।
আমরা এখনই চলে যাচ্ছিনা কেন, এসব করা বাদ দিয়ে,
খেলাটাকে বন্ধ করে?
আমাদের খেলাটাকে শেষ করা লাগবে ।
আমার মনে হয়...
আমাদের জুমানজিকে বাঁচানো উচিত ।
এই না হলে আসল পুরুষ ।
কেঁদে দিওনা । কেঁদে দিওনা ।
কেঁদে দিওনা ।
এখানে রোগজীবাণুর আড্ডা ।
অনেক গরম লাগছে ।
দেখো, আমি এই কাজে ভালো ।
আমি এই কাজই করি সারাদিন, গেম খেলা ।
আক্ষরিক অর্থে এটাই আমার প্রধান কাজ ।
এধরনের গেমে কয়েকটা ধাপ থাকে ।
জিততে চাইলে সবগুলো ধাপ শেষ করতে হবে ।
গেমের উপরের ধাপগুলা আরো কঠিন হবে ।
আমরা ধাপগুলো পেরোতে পারলে...
তুমি কি আদৌ জানো আমরা কই যাচ্ছি?
- কিছুটা । - কিছুটা?
দারুণ, আমাদের তাহলে কোন চিন্তাই নেই ।
ঠিক আছে, তাহলে হারানো অংশ,
তারমানে নিশ্চয়ই এটাকেই আমরা খুঁজছি ।
ম্যাপের হারানো অংশটা ।
সমস্যা হলো এখানে কিছুই লেখা নেই ।
কি বলতে চাইছো? এটা একটা ম্যাপ , যেমনটা ও বলেছিলো ।
এটা জুমানজির ম্যাপ ।
কার্টোগ্রাফী ।
-সেটা কি? - ম্যাপ বিষয়ক বিদ্যা
এ বিষয়ে প্রফেসর ওবেরন পারদর্শী ।
হ্যাঁ ঠিক তাই ।
তারমানে তুমি এটা দেখতে পারবেনা কিন্তু আমি দেখতে পারব?
যে চরিত্রগুলো আমরা বেছে নিয়েছি, তাদের সবারই নির্দিষ্ট ক্ষমতা আছে ।
একটা উপায় অবশ্যই থাকবে আমাদের ক্ষমতা জানার...
ওহ!
ওয়াও
এটা তুমি কিভাবে করলে?
"ক্ষমতা: নির্ভয় । পাহাড়ে চড়তে পারা ।
তীব্র গতি, বুমেরাং
চরম ভাব নেয়া"
করছোটা কি তুমি?
- কি হলো এইমাত্র? - তুমি এইমাত্র চরম ভাব নিলে ।
"দুর্বলতা
নাই"?
কিভাবে লিস্টটা বের করলে?
আমি মনে হয় আমার বিশালবক্ষের বামপাশে চাপ দিয়েছিলাম ।
এটা ঠিক বুকের ওপরে । দাঁড়াও তোমাকে দেখাই ।
দূরে যাও আমার থেকে ।
একটু আমাদের সামনে চেপে দেখাওই না...
...তাহলে আমরা এখন জানি কিভাবে...
"ক্ষমতা: কারাতে, তাই চি , মার্শাল আর্ট, নাচুনে যুদ্ধবিদ্যা "?
নাচুনে যুদ্ধবিদ্যা? আসলেই এমন কিছু আছে নাকি?
"দুর্বলতা:
বিষ"
সিরিয়াসলি?
"প্যালেন্টোলজি" এটা আবার কি?
ফসিল বিষয়ক বিদ্যা, মনে হয় ।
- দারুণ তো । - তুমি একটা কারাতে দক্ষ সুন্দরী
আর আমি একটা বুড়া ফসিল বিশেষজ্ঞ । যার কিনা কোন সহ্যশক্তিই নেই ।
আমি এই গেমটাকে ঘৃণা করি ।
"দুর্বলতা: কেক"
হ্যাঁ, কেকেই আমার দুর্বলতা ।
সাথে শক্তি আর গতিও আছে ।
হাহ?
আমার দুর্বলতা হলো শক্তি ।
এই...একটা কথা ?
শক্তি কিভাবে আমার দুর্বলতা হয়?
কেউ আমাকে বোঝাও । আর আমার গতির কি দরকার?
দরকার কি এরকম আঁজদাহা টুপি পরে দৌঁড়ানোর যখন কিনা
একটা বিশাল খুনী জেব্রা বা এইটাইপ ফালতু কিছু আমাকে ধাওয়া করবে?
তুমি একজন ভালোমানের অস্ত্রসংরক্ষকও বটে ।
- এর মানে কি? - আমার মনে হয়, এর মানে
তুমি আমার অস্ত্রগুলো তোমার ব্যাকপ্যাকে ভরবে ।
আর যক্ষুণি দরকার তক্ষুণি আমার হাতে দেবে?
এই দেখো, ম্যাপটা পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছে ।
কি বলতে চাইছো?
- কি লেখা আছে?
খুব বেশি কিছু লেখা নেই
তবে এক মিনিট আগে এটা এখানে লেখা ছিলনা কিন্তু এখন আছে ।
বলছে, "শক্তিশালী গর্জন"
আমার পছন্দ হলোনা কথাটা
- আমি এর মধ্যে নাই । - আর কিছু?
আর এখানে লেখা "গভীর থেকে"
জলহস্তীটা গভীর থেকে এসেছিলো । যেটা কিনা ...
হ্যাঁ যেটা কিনা ঐকাজ করেছিলো । বুঝেছি । বাদ দাও ।
যদি "গভীর থেকে" প্রথম ধাপ হয়,
তাহলে "শক্তিশালী গর্জন" মনে হয় দ্বিতীয় ধাপ ।
কোন দিকে?
যদি এটা দ্বারা এটা বোঝায়..
আর এটা এখানে হয়...
ঠিক এখানেই, মনে হয় ।
এটা কোন ধরনের গেম?
পালাও!
দাঁড়াও!
এই পা আমার কথা শুনিসনা কেন!
আমি এত আস্তে আস্তে দৌঁড়াচ্ছি কেন?
হায় খোদা, হায় খোদা, হায় খোদা!
আহ! মরলাম!
ভাগ হয়ে যাও!
আহ!
আসো!
- এই লোকগুলোর হাতে বিশাল অস্ত্র আছে । - তাই নাকি?
স্পেন্সার, ওগুলো আসল অস্ত্র?
- তোমার ব্যাকপ্যাকটা দেখি । - কিসের জন্য?
তোমার ব্যাকপ্যাকে আমার অস্ত্রশস্ত্র ।
নিচু হও ।
পেলে কিছু?
এখনো না... এটা কি?
ও হ্যাঁ, বুমেরাং, এটা আমার ক্ষমতাগুলোর একটা
এটা দিয়ে কি করবে তুমি?
জানিনা । মারবো,মনে হয় ।
এটা দিয়ে মারবে?
তোমার মাথায় আর কোন বুদ্ধি আছে?
এই মাথা নামাও ।
দেখো কেমন করে মারি ।
-দারুণ দেখিয়েছো । - এখানে!
দেখতে চাও আমার কাছে কোন সুতার বল আছে কিনা
যা দিয়ে তুমি ঘোড়ার ডিমটা করবে ?
- দাঁড়াও দাঁড়াও
কাজ হয়েছে ।
ওরা চলে এসেছে প্রায় । আমাদেরকে যেতে হবে ।
আমি ওদেরকে পিছে ফেলতে পারবনা ।
আমাদের এখুনি যেতে হবে!
- আমার পিঠে চড়ে বসো । - এর থেকে মরে যাওয়া ভালো
- চড়ো বলছি! - নাহ, মরে যাই বরং ।
নামাও আমাকে !
স্পেন্সার! নামাও!
এ কি সর্বনাশ!
না না না!
- আমাদের লাফ দিতে হবে! - তোমার কি মাথা-টাথা খারাপ হয়ে গেছে?
আমি এটা বাদে যেকোন কাজ করতে রাজি আছি ।
ঝাঁপ দাও!
- মার্থা! - দাও বলছি!
আমাদের ঝাঁপ দিতে হবে!
আমরা পানির গভীরতাও জানিনা ।
- চলো! - না!
- দিতে হবে, দাও ঝাঁপ! - না!
ওহ! আমার মনে হয় হৃদরোগ হয়ে যাচ্ছে ।
শ্বাস নিতে পারছিনা ।
জীবনে এমন লজ্জাষ্কর ঘটনা ঘটেনি।
আর কক্ষনো এমনটা করবেনা ।
আমি অনেক পানি খেয়ে ফেলেছি ।
ওদের গুলি আমার গায়ে লেগে গেছে!
মার্থা?
- দাঁড়াও, ওর কি হলো? - ও কি মরে গেলো?
এক সেকেন্ড ।
হচ্ছেটা কি...?
- আমার পিঠ থেকে সরো! - তুমি ঠিক আছো?
- তাই ত মনে হয় । -সরো বলছি!
- সরলে তুমি! - যাচ্ছি যাচ্ছি ।
আমি ঠিক আছি কি নাই তা নিয়ে কি কারো চিন্তা আছে?
আমি কি, একটা মানুষরূপী অবতরণকেন্দ্র নাকি?
আমিও এমনটাই ভেবেছিলাম ।
আমাদের সবারই তিনটা করে জীবন আছে ।
আমাদের হাতের ট্যাটুগুলো...
খোদা, পেশীটা কত্তবড় দেখো?
- স্পেন্সার! - কি?
- কি যেন বলছিলে? - এগুলো আমাদের কয়টা জীবন আছে তার হিসাব
বেথানিকে জলহস্তী খেয়ে ফেলেছিল বলে, ওর এখন মাত্র দুইটা জীবন আছে
ও ঠিকই বলেছে ।
দাঁড়াও । আমাদের সবগুলো জীবন শেষ হয়ে গেলে কি হবে?
সাধারণত তার মানে...
...খেলা শেষ ।
"খেলা শেষ" বলতে কি বোঝাচ্ছো?
তুমি কি বলতে চাইছো আমরা এখানে আসলেই মরে যেতে পারি?
মানে, আমি নিশ্চিতভাবে জানিনা, কিন্তু...
তুমি নিশ্চিত না? তুমি না ভিডিও গেম বিশেষজ্ঞ?
আমি কখনো কোনোটার ভিতরে আটকা পড়িনি!
তাই আমি নিশ্চিত না, তবে হ্যাঁ, আমরা সবাই মরতে পারি ।
এটাই এখন আমার সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তা ।
আমাদের হারানো অংশটা তাড়াতাড়ি খোঁজা দরকার তাহলে ।
ঠিক আছে ।
মনে হচ্ছে পাহাড়ের ওপাশে একটা গ্রাম আছে ।
মনে হয় এটাই বাজার ।
- চলো যাই । - ঠিক আছে ।
আমার একবার বাথরুম করা লাগবে ।
আমি এই ভয়েই সারাদিন ছিলাম ,
কিন্তু আমারো করা লাগবে ।
আমি কি তোমার সাথে আসতে পারি? তুমি দেখিয়ে দেবে কি করে করতে হয়?
আমার মনে হয় তোমার সাহায্য লাগবে ।
হ্যাঁ, নিশ্চয়ই... আমি সাহায্য করব।
তো আমরা কিভাবে এটা করব?
সহজ, তুমি খালি ...
চেইন খোলো, বের করো, ছেড়ে দাও ।
নিশানা করতে মনে রেখো । খুবই গুরুত্বপূর্ণ ।
হায়রে, সত্যি সত্যি আমার শরীরের সাথে এ জিনিসটা লাগানো
মার্থা, আমার যন্ত্রটা দেখে যাও!
না, ধন্যবাদ ।
- তুমি এই প্রথম দেখলে নাকি? - হ্যাঁ, আমি তাকাতে চাইনা ।
আমি আমার নিজেরটার দিকে প্রথম ২০ সেকেন্ড ঠায় তাকিয়ে ছিলাম
আমি খুবই খুশি যে বাইরের দুনিয়া থেকে অন্তত একটা জিনিস নিয়ে আসতে পেরেছি ।
তুমি...? কি করছো তুমি?
- তুমি তাকিয়ে দেখছো নাকি? -দুঃখিত ।
তোমার তাকানো উচিত না!
হ্যাঁ এভাবে তাকাতে হয়না ।
ঠিক আছে, ভালো ছেলে ।
আমরা একাজটা আস্তে ধীরে করব ,
যাতে কারো কোন ক্ষতি না হয় ।
- এখন কি? - এখন ছাড়ো ।
নিশানা করো, ভুলোনা যেন ।
নিশানার ব্যাপারটা কি? তোমার কিছু হয়েছিলো নাকি?
এ বিষয়ে কথা বলা বন্ধ করবে দয়া করে?
ওয়াও !
বাহ, কাজটা তো বেশ সোজা !
দারুণ,ঠিক না?
কারণ তোমাদের একটা হাতলের মত আছে ।
আমি এটা নিয়ে ইনস্টাগ্রামে পোস্ট দিচ্ছিনা ভাবতেই অবাক লাগছে
- এটা ঠিকই আছে মনে হচ্ছে ।
ব্রেভস্টোন ।
ও আর ওর সাঙ্গপাঙ্গ ,
ওরা পালিয়ে গেছে?
আমরা ওদেরকে জঙ্গলের মধ্যে হারিয়ে ফেলেছি ।
আমার বোঝা উচিত ছিলো ।
কি বলতে চাইছেন, স্যার?
ওদেরকে খুঁজে বের করার জন্য যত পশুপাখি, যত সৈন্য আছে সবাইকে আমি ডেকে আনব
আমার যা কিছু ছিলো তা পুনরুদ্ধার করেই ছাড়ব ।
ওদেরকে খুঁজে বের করো ।
সাবধানে হাঁটো ।
এবড়োখেবড়ো রাস্তা । কারো গোড়ালি যেন না মচকায় ।
- আমার একবার হয়েছিলো... - মুখটাকে বন্ধ রাখবে?
- ঠিক আছে অবশ্যই ।
- তোমার জ্যাকেটটা নিতে পারি? - অবশ্যই ।
- ধন্যবাদ । - কি করছো তুমি?
মনে হচ্ছে আমি স্কুলে অন্তর্বাস পরে এসেছি ।
আমি একবার পরেছিলাম । তারপর আমাকে স্যার ডেকে পাঠিয়েছিলো ।
তুমি ত তাই করবে ।
আমি শরীর দেখালে নোয়া খুব খুশি হয় ।
এটাই মূলত আমাদের সম্পর্কটাকে টিকিয়ে রেখেছে ।
ছিঃ
এমন করো কেন? তোমার সাথে কোন কথাই বলা যাবেনা দেখি ।
আমাকে চেনোনা জানোনা, এমনিতেই আমাকে অপছন্দ তোমার ।
এক মিনিট, আমি তোমাকে অপছন্দ করিনা ।
-করো না? - না ।
দেখো, আমি খালি মনে করি যে তুমি "সুন্দরী আর জনপ্রিয়" এই বলয়ের ভেতরে বাস করো ।
যেখানে সবাই তোমাকে হয় রাজকন্যা নয়ত পণ্য হিসেবে গণ্য করে ।
এজন্যই মনে হয় তুমি নিজেকে নিয়ে মেতে থাকো সবসময় ।
সেটাই ঠিক ।
কিন্তু তোমার কি মনে হয়না যে তুমি সবার খুঁত ধরো
কারণ তুমি আগে থেকেই মনে করো যে কেউ তোমাকে পছন্দ করবেনা ,
তাই তুমি আগেভাগেই তাদেরকে অপছন্দ করে বসে থাকো?
না ।
হতে পারে...
ঠিক আছে, তাহলে ।
আমি শুধু বলতে চাইছি যে তুমিও কম আকর্ষণীয় না, মেনে নাও সেটা ।
ধন্যবাদ তাহলে ।
বিরক্ত লাগছে গেমটাকে । স্পেন্সার,সামনে থেকে সরোতো ।
তোমার আমার ওপর এত রাগ কেন?
কেন? তুমি কি আসলেই বুঝতে পারছনা?
তোমার জন্য আমি দল থেকে বাদ পড়লাম ।
তারপর তোমার জন্যই আমি এই...এই জিনিসটার মধ্যে আটকা পড়ে গেলাম ।
আর তুমি চিন্তা করো কেন আমরা বন্ধু না ।
একারণেই আমাদের বন্ধুত্ব নেই?
কারণ তুমি জুমানজিতে আটকা পড়তে চাওনা? আমার তা মনে হয়না ।
আমরা বন্ধু না কারণ আমি তোমার জন্য যথেষ্ট না ।
তাই তুমি আমাকে না চেনার ভান করো যতক্ষণ পর্যন্ত না
আমাকে তোমার হোমওয়ার্কের জন্য দরকার পড়ে । কারণ একাজটাও তুমি নিজে করতে পারোনা ।
পশ্চিমমুখী সম্প্রসারণের ব্যাপারে তুমি কিছু জানবেনা এটাই স্বাভাবিক ।
দেখলে? দেখলে?
আমি বোকা না, স্পেন্সার ।
আমি শুধু তোমাকে একটা ছোট্ট উপকার করে দিতে বলেছিলাম ।
হোমওয়ার্কটা ঠিকমত করলে আমি দল থেকে বাদ যেতাম না ।
একমাত্র যে কাজটা ভালো পারতাম সেকাজটাই করতে পারছিনা এখন,
আর এসবই তোমার দোষ ।
আমার এখন তোমাকে মেরে তক্তা বানানো উচিত ।
চেষ্টা করে দেখতে পারো ।
কি বললে তুমি?
ওহ ঠিক আছে ।
বুঝেছি তুমি কোনদিকে যাচ্ছো ।
অ্যাই, কি করো ।
তুমি কি মনে কর ৬ ফিট লম্বা আর ২৭০ পাউণ্ডের পেশীবহুল শরীর আছে দেখে
আমি তোমাকে ভয় পাবো?
তুমি তাই মনে করো?
হ্যাঁ তাই ।
তোমাকে একটা কথা বলি ,
তুমি এখনো সেই বিরক্তিকর ছেলেটাই আছো
যাকে আমি ক্লাস সেভেন থেকে ঝেড়ে ফেলার চেষ্টা করছি ।
কোন কিছুই পরিবর্তন হয়নি ।
নতুন শরীর পেয়ে একেবারে আকাশে উঠে যেওনা ।
গর্দভ ।
- না! - স্পেন্সার!
স্পেন্সার!
- তুমি ওকে মেরে ফেলেছো! - তুমি একটা বদ্ধ পাগল!
শান্ত হও । ও আবার ফিরে আসবে ।
আমাকে গর্দভ বলবেনা ।
আমাকে খোঁচাবেনা ।
নইলে কি, স্পেন্সার?
আমিও তোমাকে খোঁচাবো ।
তুমি আমাকে মারলে?
তুমি আমাকে মারবে?
- ফ্রিজ, না । - হ্যাঁ, হ্যাঁ ।
হাহ? তুমি মারবে আমাকে...?
ওহ না, না, না!
যথেষ্ট ।
আমাদের জীবন নষ্ট করা ঠিক হচ্ছেনা ।
আমাদের একজনের আরেকজনকে দরকার ।
মানো আর নাই মানো, আমাদের একসাথে এটা করতে হবে ।
দয়া করে এটা আরেকবার বলবে?
- আমাদের একসাথে করতে হবে সেটা? - কিন্তু মুখটাকে এরকম করে ।
তুমি কি এটা ইচ্ছা করে করছো নাকি এমনিতেই হচ্ছে?
এটা স্বাভাবিকভাবেই হয়ে যাচ্ছে ।
আমাদের এখন কি করা উচিত?
ম্যাপের হারানো অংশ খুঁজে বের করা উচিত ।
আমরা কি সবাইকে জিজ্ঞেস করা শুরু করব নাকি?
না, আমার মনে হয় আশেপাশে ঘুরে দেখা উচিত ।
তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হলো... গোপনীয়তা ।
রেশন! যার যার ভাগের রেশন নাও!
কারো কাছে টাকা আছে? আমার ভীষণ ক্ষুধা ।
রেশন! তোমাদের রেশন নাও!
রেশন!
শোনো, আমার মনে হয় গেমটা আমাদের শরীর টিকিয়ে রাখার পরামর্শ দিচ্ছে ।
আমাদের খাওয়া দরকার ।
ঠিক আছে বন্ধ করো এসব ।
খোদা, দারুণ লাগছে খেতে ।
আমি ৯ বছর বয়সের পর থেকে আর রুটি খাইনি ।
মজা করছো নাকি?
নইলে আমি এত চিকন হতাম নাকি?
এটা একটু নিয়ে দেখি ।
দাঁড়াও... এটা কি?
এটা আমার বিখ্যাত পাউন্ড কেক ।
কেক?
বেথানি তুমি বলেছিলে এটা রুটি ।
এতদিন আগের কথা যে আমি ভুলে গেছি এটা খেতে কেমন ।
এটা আবার ভোলে কিভাবে...?
কি হচ্ছে... আমার কিছু হয়েছে নাকি?
- না - আমি... আমি কাঁপছি নাকি?
আমি কি ফেটে যাচ্ছি?
না ।
- গায়ের রঙ কালো তো? - হ্যাঁ
ঠিক আছে । ঠিক না?
আমরা ঠিক আছি । সবকিছু ঠিক আছে ।
হ্যাঁ,না না না ।
আমি মনে হয় বোঝাতে চেয়েছিলাম যে আমি কেক খেতে এত ভালোবাসি
যে কোনভাবেই লোভ সামলাতে পারিনা । হ্যাঁ ।
এই সব ঠিক ...
খোদা!
এ কোন আযাব? আহ!
আমি বলেছিলাম, আত্মগোপন করে থাকতে ।
এই তুমি ত খেতেও বলেছিলে ।
তোমাদের রেশন...
তুমি আল্লাহর ওয়াস্তে তোমার মুখটা বন্ধ করো ।
ড. ব্রেভস্টোন । আল্লাহর রহমতে তোমাদেরকে পেয়েছি ।
জুমানজির তোমাদেরকে দরকার ।
আহ ধন্যবাদ । এখানে থাকতে বেশ লাগছে ।
হারানো অংশটার কথা জিজ্ঞেস করো ।
হ্যাঁ তাই ত । হাই, আমি বেথানি ।
মানে .. প্রফেসর শেলী ......কিছু একটা ।
আমি একজন ম্যাপ বিশেষজ্ঞ,
আমার একটা ম্যাপের একটা অংশ হারিয়ে গেছে ।
ড. ব্রেভস্টোন । আল্লাহর রহমতে তোমাকে পেয়েছি ।
জুমানজির তোমাকে দরকার ।
কি বেয়াদব ।
আমাদের হারানো অংশটা খোঁজা দরকার ।
তোমরা যা চাও তা এই ঝুড়িতে পাবে
একটু ভুল করলেই কফিনের মধ্যে যাবে
বিশ্বাস রাখো একে অপরে চোখের পলক ফেলো না
হারানো অংশটা আসলে তোমরা যা ভাবছো তা না
অনেক দোয়া রইলো তোমার জন্য ।
- জুমানজির তোমাকে দরকার । - জুমানজির ওকে দরকার । জানি ।
অনেকবার বলেছো ।
তো এখানে সাপ আছে
এই জাতীয় কিছু ধরে নিতে পারি?
হ্যাঁ
শুনে মনে হচ্ছে ব্রেভস্টোন ধরনের কাজ ।
কেন এটা ব্রেভস্টোন ধরনের কাজ হতে যাবে?
তুমি হলে নায়ক । তুমি শুনেছো ও কি বলেছে ।
"জুমানজির তোমাকে দরকার" এখন চলো ।
আমি একাজ করতে চাইনা!
যাও তো
কালো মাম্বা!
এটা কালো মাম্বা সাপ ।
এর বিষের ১/২৫ ভাগই পূর্ণবয়স্ক একজন মানুষকে মেরে ফেলতে পারে।
তারপর তোমার মুখ আর পা ঝনঝন করতে থাকবে ।
তারপরই জ্বর আসবে, মুখে ফেনা উঠবে আর বাকশক্তি হারাবে
মানে, শরীরের ওপর নিয়ন্ত্রন হারিয়ে ফেলবে ।
- কিভাবে জানি এসব? - এখন আমরা কি করব?
- এখানে আর কিছু দেখতে পাচ্ছো? - আমার হাতে বেশি সময় নেই ।
- ও খোদা
"বিশ্বাস রাখো একে অপরে চোখের পলক ফেলো না" পলক ফেলো না
মনে হয় এটা তাকিয়ে থাকার প্রতিযোগিতা ।
- কি? - কি বলছো তুমি?
- চিন্তা করে দেখো কথাটা "পলক ফেলোনা"? - আমার মনে হয় ও ঠিকই বলেছে ।
ক্যাম্পে আমাদেরকে শিখিয়েছিলো
কোন র্যাটলস্নেককে দেখলে যাতে আমরা নড়াচড়া না করি ।
মনে হয় কোন একজনকে পলক না ফেলে সরাসরি এর চোখের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে ।
আর তারপর স্পেন্সার ভেতরে হাত ঢুকিয়ে
- যা আছে তা বের করে আনবে । - কি? আবার আমি কেন?
-কারণ তুমি ব্রেভস্টোন । - আচ্ছা যাইহোক
পলক না ফেলে সবচেয়ে বেশি সময় কে তাকিয়ে থাকতে পারে?
আমি এইকাজে চরম ।
তাহলে এখনই তোমার সময় ।
যাও, বেথানি ।
শুধু বলো কখন ।
এখন ।
আমরা এখন কি করব?
ওর বিষদাঁত ভেঙে ফেলতে হবে ।
কি করতে হবে?
ওর মুখটা পেছনে টানতে হবে
যাতে ঠিকমত দেখতে না পায় ।
বিষগ্রন্থি আর বাইরের দিকের বিষের আঠা
থেকে খুবই সাবধান থাকতে হবে ।
তারপর এর মাথা থেকে দাঁত...
...ভেঙে ফেলতে হবে ।
ওহ!
তারমানে এটা তাকিয়ে থাকার প্রতিযোগিতা ছিলনা ।
"বিশ্বাস রাখো একে অপরে চোখের পলক ফেলো না"
তোমরা আমার ওপর বিশ্বাস রেখেছো ।
আর আমি সাপটার বিষদাঁত ভেঙেছি ।
আমি পেরেছি। আমি করেছি !
হ্যাঁ তুমি পেরেছো ।
ধন্যবাদ ।
হ্যাঁ অবশ্যই ।
এই দেখো?
এটা দেখে কোনো ম্যাপের অংশ বলে মনে হচ্ছেনা ।
হারানো অংশ একটা হাতি?
দাঁড়াও, র্যাপিং পেপারে কি জানি লেখা আছে ।
"যখন আমাকে দেখবে, চড়া শুরু করবে"
"চড়া শুরু করব"? যখন হাতি দেখব?
আমি একটা সাপের বিষদাঁত ভেঙেছি ।
তাহলে একটা হাতির জন্য চোখ কান খোলা রাখব, এই ত?
এটা কি গেমের পরবর্তী ধাপ?
দৌড়!
দেখে চলো !
- ঝাঁপ দাও । - চলো চলো!
আমি তোমাকে সাবধান করছি, আমার ঘুষিতে মনে হয় অনেক জোর ।
ঠেকাও ।
ঠেকানো । ঠেকানো । আক্রমণ । বাধা ।
উপরে ।
বাংলায় সাবটাইটেলটি ভালো লাগলে সাবসিনে রেটিং দিতে ভুলবেন না ।
নিচু হও! মাথা ঠুকে দাও!
নিচু হও! ঠেকাও!
আক্রমণ! ঘুষি!
দেয়ালে মারো!
কি সাংঘাতিক!
এটাই করি চলো ।
কি করব?
আমার ব্যাগে রাখো ।
এড়ানো! মাথা ঠোকো!
ছাদে মারো!
আহ!
হ্যালো ডক্টর ।
অনেকদিন পরে দেখা ।
আমার বিশ্বাস তোমার কাছে আমার একটা জিনিস আছে ।
আমরা শুধু বাসায় ফিরতে চাই ।
আসো! আসো আমার সাথে! জলদি!
ধরো ওকে!
আসো ।
এখানে নামো । তাড়াতাড়ি!
চুপ!
আমার সাথে আসো আর আমি যা বলি তাই করতে থাকো
চলো ।.
ওহ খোদা, তোমাদেরকে এখানে দেখে ব্যাপক খুশি লাগছে আমার ।
- চিন্তাও করতে পারবেনা কত খুশি হয়েছি । -তাই?
মানে, আমি তোমাদেরকে বাজারে দেখলাম ,
কিন্তু নিজেকে বোঝালাম, "হতেই পারেনা"
তারপর দেখলাম, আসলেই তো...
দেয়ালে পিঠ ঠেকাও!
হায় খোদা!
চলতে থাকো ।
- দেখে দেখে হাঁটো । - আচ্ছা তুমি কে?
আর তুমি কি ভাবছো আমাদেরকে?
দুঃখিত, ভুল হয়েছে আমার ।
দাঁড়াও, বুঝিয়ে বলছি ।
দাঁড়াও, তুমি পাইলটটা নাকি? "সীপ্লেন" কিছু একটা?
- হ্যাঁ আমি সেই । - এক মিনিট ।
তুমি হলে অন্য চরিত্র যাকে নিয়ে আসা হয়েছে ।
- তাহলে তুমিও গেমে আছো? - সাদা ইটে দাঁড়াও...
- কি? - নড়াচড়া বন্ধ ।
- আহ!
কি বীভৎস !
জঘন্য খেলা ।
তক্তাটা নেই ।
আমার পিছে পিছে আসো ।
সাবধান । এভাবে মরতে ভয়ানক লাগবে ।
এইত ঠিক আছে ।
পারি পারি সব পারি । মাত্রই একটা বিষদাঁত ভাঙলাম ।
আমাকে একটু সম্মান করে চলো ।
- হাই । - হাই ।
যাহোক, আমি এলেক্স ।
স্পেন্সার গিলপিন ।
মার্থা, ফ্রিজ আর বেথানি ।
বেথানি? তুমি একটা মেয়ে?
মহিলা ।
সত্যিকার দুনিয়ায় থাকলে ওর জন্য পাগল হয়ে যেতে ।
ওরা পালিয়েছে । কেউ সাহায্য করেছে নিশ্চয়ই ।
সীপ্লেন ।
মনে হয় ওর গর্ত থেকে বেরিয়েছে ।
দুঃখিত, ওস্তাদ ।
আর এমনটা হবে না ।
আমি জানি সেটা ।
কি বানাচ্ছো?
মার্গারিটা । এটা আসলে আমার একটা ক্ষমতা ।
এটা আর বিমান চালানো ।
যদিও ফাইটার প্লেন চালানো কয়েকটা ওরাংওটাং আমাকে গুলি করে ভূপাতিত করেছে ।
তাই মনে হয়না আমি বেশি একটা ভালো ।
যাইহোক, চিয়ারস ।
- ধন্যবাদ । - অবশ্যই ।
আমি কখনো আগে মদ খাইনি ।
- আমিও না । - জানো?
- এসব কি!
-আর পারবনা খেতে । - এটা দারুণ ।
আমাকে আরেকটা দেবে?
- এলেক্স?
মোমবাতিগুলার ব্যাপারটা কি?
সিট্রোনেলা । আমার একটা দুর্বলতা হলো মশা ।
থাকি আবার জঙ্গলের মধ্যে কুঁড়েঘরে, ব্যাপক ঝামেলা ।
ও সিঙ্গেল ।
এটা কে?
অ্যালান প্যারিশ কে?
এই জায়গাটা ওই বানিয়েছে ।
মানে, অন্য মানুষেরাও এখানে আটকা পড়েছিল?
হ্যাঁ, এটা অ্যালান প্যারিশের ঘর । আমি শুধু এখানে থাকি ।
তো এলেক্স, বলো ত,
তুমি কতদিন ধরে গেমের মধ্যে আছো?
এটা বলাটা কঠিন ।
সময় এখানে অন্যভাবে চলে ।
কমপক্ষে কয়েক মাস ।
- কয়েক মাস? - কি?
হ্যাঁ, আমি কখনোই
যানবাহন ছাউনি পার হতে পারিনি
যানবাহন ছাউনি? সেটা কি?
এর পরের ধাপে আছে ।
প্রথমবারে আমার হট এয়ার বেলুন ওড়েনি ।
তার পরের বার ঘটল আমি যে প্লেনের ঘটনাটা বললাম সেটা ।
যখন আমার দুইটা জীবন শেষ হয়ে গেলো ,
আমি বুঝলাম আমি শেষ ।
আমি নিজে নিজে এখান থেকে কখনোই বেরোতে পারবনা ।
এখানকার অর্ধেক জিনিসের সাথে লড়াই করার ক্ষমতাই নেই আমার ।
তুমি একটা কালো মাম্বাকে মার্গারিটা দিয়ে মারতে পারবেনা ।
কখনোই না । একজন প্রাণিবিজ্ঞানী দরকার এর জন্য ।
এলেক্স, আমরা একজন আরেকজনকে সাহায্য করতে পারি ।
তুমি এখানে অনেকদিন ধরে আছো, তুমি গেমটা চেনো,
আর নিজেদের মধ্যে কথা, আমাদের অনেক ক্ষমতা আছে ।
হ্যাঁ আমরা সবাই মিলে বেশ ভালো ।
জানিনারে ভাই ।
আরেকবার ভুল করলেই আমি শেষ ।
ওখানে যাবার কথা
যানবাহন ছাউনিতে ফেরত যাবার কথা চিন্তা করতেও ভয় লাগে ।
আমি জুমানজিতে মরতে চাইনা ।
আমাদের সবার একসাথে থাকতে হবে ।
যদি আমরা তা পারি, তাহলে জয় নিশ্চিত । আমি জানি আমরা পারব ।
তারমানে তুমিই আমাদের হারানো অংশ ।
তোমাকেই খুঁজছিলাম আমরা ।
ধাঁধায় বলেছিলো
বাজারে গিয়ে হারানো অংশটা খুঁজতে?
হাতিটা না ।
- এটা আমি । - হ্যাঁ ।
তাহলে চলো সবাই ।
- হ্যাঁ
- ঠিক আছে
স্পেন্সার, তুমি কি মার্গারিটা টা খেতে পারবে?
আমি... দরকার নেই ।
দারুণ মার্গারিটা ।
এই যে, যানবাহন ছাউনি ।
এখানে অনেক গুলো গাড়ি আছে ।
একটায় চড়ে গিরিখাতটা পাড়ি দিতে হবে ,
আর জাগুয়ারের মূর্তিটার কাছে পৌঁছানো লাগবে ।
আচ্ছা, যানবাহন ছাউনিটাকে দেখছি,
গিরিখাতকে দেখছি, কিন্তু মূর্তিটাকে দেখতে পাচ্ছিনা,
ব্যাপারটা অদ্ভূত কারণ এটা জুমানজির
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জিনিস আর দেখতেও বিশাল ।
ও তাই বলেছে ।
ফ্রিজ, টাল হয়ে গেছো নাকি?
কি বলতে চাইছ? আমি টাল হইনা ।
- ও টাল হয়ে গেছে । - মাত্র তিনটা মার্গারিটা খেলাম ।
আকারে তুমি এখন তোমার আসল শরীরের অর্ধেক ।
যাই হোক, যাই হোক ।
এলেক্স, আমরা কি করব? গার্ডগুলোকে পেরিয়ে যাব কিভাবে?
গতবারে, ওরা চলে যাওয়া নাগাদ অপেক্ষা করেছিলাম ।
কতদিন লাগবে?
- তিন হপ্তা? - মরেই যাব আমরা ।
ঠিক আছে, আরেকটা বুদ্ধি ।
মনে হয় কোথাও কোন দরজা আছে ।
কিন্তু লোকগুলোর মনোযোগ সরাতে হবে ।
আমি জানি ।
ছেলেদেরকে পটানোই আমার আসল কাজ ।
ও ভিডিও গেম খেলে, আমি ছেলেদের মাথা ঘুরাই ।
বেথানি, তোমাকে বলতে খারাপ লাগছে যদিও,
কিন্তু তোমার কাছে আসলে, সেই উপকরণ নেই এখন ।
- আমি না। - কি?
- তোমাকে ওখানে গিয়ে গার্ডগুলাকে এমনভাবে পটাতে হবে
- ...যাতে আমরা ঢোকার সময় ওরা দেখতে না পায় । - না!
না জানা কতগুলো আজব সৈন্যের সাথে গিয়ে আমি ঢং করতে পারবনা ।
আমি জানি, কিন্তু এখন এছাড়া আর কোন উপায় নেই ।
তুমি বুঝতে পারছনা । আমি আসলেই এটা পারবনা ।
আমি ছেলেদের সাথে কথা বলতে পারিনা ।
আমি এব্যাপারে জঘন্য ।
আমি তোমাকে কিছু পরামর্শ দিতে পারি ।
না, দুঃখিত, আমাদের অন্য কিছু চিন্তা করতে হবে ।
আমি...আমি এটা করতে পারবনা
মার্থা , তোমাকে শুধু কিছুক্ষণের জন্য ওদের নজর সরাতে হবে
যাতে আমরা ছাউনিতে ঢুকে পড়তে পারি ।
আমি আসলেই পারবনা, কোনভাবেই না...
এমন না যে আমি দুর্ধর্ষ একটা মেয়ে ।
কি বলছো তুমি? তুমি পুরাই দুর্ধর্ষ ।
তুমি সব পারো ।
দারুণ বলেছো, স্পেন্সার ।
চলো তোমাদের মোমবাতির আলোয় রাতের খাবারের ব্যবস্থা করে দেই ।
নাকি তোমরা এখান থেকে বেরোতে চাও ?
ঠিক আছে ।
আমাকে শেখাও দেখি ।
এখুনি ক্লাস নেব তোমার ।
- আসো, মেয়ে ।
দেখে শেখো ।
মোমবাতির আলোয় ডিনার বলতে কি বুঝাতে চাইলে?
- কি বলছো তুমি? - তুমি বলেছো, আমার আর মার্থার কথা ,
মোমবাতির আলোয় ডিনার । এর মানে কি?
মেয়েটা তোমাকে পছন্দ করে স্পেন্সার ।
কি?
ছেলে পটানোর ক্ষেত্রে আসল চেষ্টা থাকবে
এমনভাবে ওদের দৃষ্টি আকর্ষণ করার
যাতে ওরা বুঝতে না পারে যে তুমি নজর কাড়ার চেষ্টা করছ ।
যখন ওরা কথা বলতে চাইবে তখন আবার পাত্তা দেয়া যাবেনা ,
তিনভাবে করতে পারো:
বোকা, চরম আগ্রহী কিংবা নোংরা পথে ।
ব্যাপারটা কোন লোককে পটাচ্ছ তার ওপর নির্ভর করছে ।
মনে হচ্ছে আমি একই সাথে স্বপ্ন আর দুঃস্বপ্ন দেখছি ।
কিছু মনে করলাম না এটা শুনে ।
চুল হলো সবকিছুর মূলে ।
ধরবে, নাড়াবে, এটা নিয়ে খেলা করবে ।
চুল দিয়ে ওদেরকে প্রলুব্ধ করে ফেলবে ।
এভাবে উল্টিয়ে দেখাও । এবার কোণাকুণি তাকাও ।
মাথা নামাও ।
বাঁকা করো, চোখ বড় বড় করো ।
- এখন ঝিলিক মারো । - ঝিলিক?
অ্যানিমের চরিত্রের মত । মারো ঝিলিক ।
আরো অনুশীলন লাগবে ।
তুমি আসলেই মনে করো ও আমাকে পছন্দ করে?
আমরা এখনো এটা নিয়ে কথা বলছি কেন?
মানে, ও যদি আমাকে চুমু খেতে চায়?
তাহলে তুমিও ওকে চুমু দেবে ।
ও যদি আমাকে,ধরো...
অতর্কিতে চুমু খেতে চায়?
কি বলছো তুমি? কাউকে কখনো চুমু খাওনি?
আস্তে... পুরা জঙ্গলের সবাইকে জানাতে চাও নাকি?
এই আমি একটা দরজা খুঁজে পেয়েছি ।
- আন্দাজ করো আমি কি পেয়েছি । - না না ওকে বলো না ।
এসো এবার তোমার হাঁটা নিয়ে কথা বলি ।
সময় নাও ।
যেন মোহনীয় হয় । একটা নজরকাড়া হরিণ কিংবা ঘোড়ার মত ।
পা উঁচু করো । এক পায়ের সামনে আরেক পা ।
আসতে থাকো...
এভাবে না ।
কি বাজে!
যেকোনভাবে যাতে ঠোঁটের দিকে নজরটা যায় ।
এরকম একটা ছোট্ট কামড় দাও ।
বান্ধবী, তুমি এরকম কামড় দিয়ে অনেকদূর যেতে পারবে ।
ভালো । এবার হচ্ছে ।
এখন হাসো । মুখ শুকনা করে আছো কেন ?
বাহ, তুমি ত খুব মজার ।
- তুমি খুবই মজার । - আরে, তুমি কি মজার ।
বাহ, তুমি অনেক মজার ।
- মনে হয় পারছি একটু একটু । - হ্যাঁ হচ্ছে, তুমি পারবে ।
এখন, তোমার ঠোঁট একটু আলগা করে রাখো...
হ্যাঁ, বেশি না পঁচা লাগবে, শান্তভাবে ।
জিভ দিয়ে তোমার মুখের ছাদটাকে ছোঁও।
- এভাবে । - এভাবে?
- এভাবে - এভাবে?
এভাবে
এভাবে
এভাবে?
আমার ধারনা তুমি প্রস্তুত ।
- আচ্ছা । - যাও, পটাও ।
মনে করো আমাদের জীবন-মরণ নির্ভর করছে এর ওপর ।
কারণ আসলেই তাই ।
এই যে দরজা ।
বেড়াটা কে কাটার জন্য আমদের কিছু একটা লাগবে ।
ফ্রিজ, তোমার ব্যাগে এরকম কিছু আছে?
হ্যাঁ, আমি...কি?
এই দেখো । আমার আছে তার-কাটার ।
এটা এই অবস্থায় কার্যকরী মনে হচ্ছে তোমার?
আসলে এটাই দরকার ।
এই হলো গিয়ে ব্যাকপ্যাকের ক্ষমতা !
আমার মনে হয় এতে কাজ হবে ।
আমারো তাই মনেহয় । ও পাংখা আছে ।
ওই লোকগুলা খুব বেশি মানুষের দেখা পায়না ।
"পাংখা"?
বেশ, সিন্ডি ক্রফোর্ডের মত না,
কিন্তু জুমানজির তুলনায় ও আগুনের গোলা ,
"আগুনের গোলা"?
- সিন্ডি ক্রফোর্ড? - ওকে তোমার সবচেয়ে পছন্দ?
বলছি আর কি, আমি নিশ্চিত
ওরা ওর সাথে দুষ্টুকাজ করতে চাইবে ।
এলেক্স ।
তুমি এটাকে কত সাল মনে করছো?
- কি বলতে চাইছ? -না এ হতে পারেনা !
এটা ১৯৯৬।
তুমি এলেক্স ভ্রিক, তাই না?
হ্যাঁ ঠিক তাই ।
এক মিনিট, তারমানে তুমি ফ্রিক হাউজের ছেলে?
দাঁড়াও তুমি... তোমরা কি বলতে চাইছো?
তোমরা কিভাবে চেনো আমাকে?
এলেক্স, কিভাবে বলি তোমাকে...
তুমি এই গেমের মধ্যে ২০ বছর ধরে আছো ।
আমি হলে এভাবে কথাটা বলতামনা ।
কি?
না । তোমরা মজা করছ আমার সাথে, ঠিক না?
না এলেক্স ভ্রিক, আমরা মজা করছিনা ।
ব্র্যান্টফোর্ডের সবাই তোমার কথা জানে ।
তুমি হলে সেই ছেলে যে হারিয়ে গিয়েছিলো ।
২০ বছর আগে ।
২০ বছর?
হ্যাঁ রে ভাই, ২০ বছর ।
আমি জানিনা কিভাবে এটা বলব, কিন্তু
সিন্ডি ক্রফোর্ডের বয়স ৫০ বছর এখন ।
- তাও বেশ পাংখা । - এহ ।
দাঁড়াও ...
এইত ও পৌঁছেছে ।
আমরা তোমাকে বাড়ি ফিরতে সাহায্য করব ।
হ্যাঁ ।
ওর পিছনের দিকে কি হয়েছে ?
বেথানি, তুমি কি শিখিয়েছো ওকে?
ও কি ওর গোড়ালি মচকিয়ে ফেলেছে নাকি...?
আরে ছেড়ে দাও । ও আগে কখনো কোন ছেলেকে পটানোর চেষ্টা করেনি ।
হ্যালো ।
এখানে তুমি একা একা কি করছ?
হাই ।
আমি মনে হয় পথ হারিয়েছি ।
তোমরা কি আমাকে সাহায্য করবে?
হ্যালো ।
তুমি এখানে একা একা কি করছো?
তোমরা তো ভারী মজার লোক ।
ও কি করছে?
ওর চুলে পোকা বসেছে নাকি?
ও আমার দেয়া সবগুলো শিক্ষাই ভুলে বসেছে ।
চলো যাই ।
দাঁড়াও! ... আমি... আমি তোমাদেরকে
পড়া একটা প্রিয় বইয়ের কথা বলব,
অণুজীববিদ্যা বিষয়ে ,
যেটা আমার প্রিয় জীববিদ্যার একটা ।
এই ছোট্ট মেয়ে,
তুমি এখানে একা একা কি করছে?
তুমি একটা দুর্ধর্ষ।
Big Mountain এর "Baby I love your way" বাজতে লাগলো ।
তোমরা নাচতে চাও?
ওহ, এদিকে আসো ।
কোনটা, কোনটা, কোনটা?
আমি এই জায়গাটাকে ঘৃণা করি
ওর ক্ষমতা হলো নাচুনে যুদ্ধবিদ্যা ।
এলেক্স, কি মনে হয়? কি করব?
- কি? - আমরা কোনটা নেব?
- কোনটা? - দেখো মিয়া, আমি জানি না!
- আমি বলেছি তোমাকে... - আমাদের আকাশে উড়তে হবে ।
হেলিকপ্টারটা? ওড়ার জন্য?
বললামনা জানিনা!
বাংলা অনুবাদকঃ কুদরতে জাহান জিনিয়া
ও ওদেরকে পিটিয়ে তক্তা বানাচ্ছে ।
চরম দেখাচ্ছে ও ।
ওস্তাদ একটা!
ও ওদেরকে শেষ করে দিচ্ছে ,
- চরম দেখালে! - হ্যাঁ!
চলো, চলো!
তুমি আমার নায়ক ।
- আমাদের যেতে হবে । - তুমি আমাকে অবশ্যই
মারামারি করা শেখাবে ।
আসো কোলাকুলি করি ।
- তুমি পেরেছো ।
- পেরেছি । - কোলাকুলি করো বান্ধবী !
অনেক মহান মুহূর্ত হলেও আমাদের এখন এটা উদযাপনের সময় নেই ।
- ওরা আসছে ।
মোটরসাইকেলওলা আজব লোকগুলো আবার আসছে ।
সীপ্লেন! আমাদের উড়তে হবে ।
না, আমি পারবনা ।
দেখো, আমি বলেছি আমি ভালো পাইলট না ।
আমাদের মনে হয় স্কুলবাসটা নেয়া উচিত ।
আমরা স্কুলবাস দিয়ে কখনো মোটরসাইকেলগুলোকে পিছে ফেলতে পারবনা!
তুমি প্লেন আর হট এয়ার বেলুন বেছে নিয়েছিলে ।
এবার নাহয় হেলিকপ্টারটাকে বেছে নাও ।
আমি পারবনা, ঠিক আছে? আমি মরতে চাইনা ।
আমি চরম ভয় পাচ্ছি ।
ঠিক আছে, আমিই চালাবো ।
কত আর কঠিন হবে? হেলিকপ্টারই তো ।
আমি... বাটনটা চাপলে...
নিশয়ই ওগুলো ঘুরবে ।
তারপরে, আমি..... লিভারটাকে
এভাবে... এভাবেই মনে হয়
সামনে-পিছনে চলতে থাকবে ।
একবার আকাশে উঠাতে পারলে সব ঠিকঠাক ।,
এভাবে, আমি শুধু...
যদিও এখানে সিঁড়ির মত যন্ত্র নেই,
আমার শুধু লাগবে ...
ঢুকে পড়ো, কিন্তু সাবধান ।
- না, তুমি মাতাল । - মোটেই না ।
ফ্রিজ, তুমি মাতাল । চাবিটা দাও ।
- আমি? - এলেক্স, এলেক্স ।
যদি আমি পারি ঐ লোকগুলোর সাথে মারামারি করতে ,
তাহলে তুমিও পারবে হেলিকপ্টারটা চালাতে । আমি জানি তুমি পারবে ।
চলো ।
এলেক্স ।
এখনই আমাদের তোমাকে দরকার ।
মনে আছে, তুমিই আমাদের হারানো অংশ ।
সীপ্লেন ম্যাকডোনাহ, ডিউটির জন্য রিপোর্ট করছে ।
চলো, সবাই ।
- কি সমস্যা? - কিছু ভেঙেছে!
- কি? - কি বলো?
ধরে বসো!
হায় খোদা, আমরা মরে যাব ত!
আমরা মরে যাব!
- হায়, খোদা ! - উপরে উঠছেনা!
- কি? - কি বলতে চাইছো?
কালেক্টিভ নষ্ট হয়ে গেছে ।
- কি? - এটা প্লেটটাকে নিয়ন্ত্রণ করে,
যেটা কিনা রোটরগুলোকে বাঁকায় আর পীচকে নিয়ন্ত্রন করে ।
এটা দিয়েই আমরা উপরে উঠি আর নিচে নামি ।
অ্যাই শুনছ?
- এটা ভালো কোনকিছু হতে পারেনা । - কোনভাবেই এটা ভালো কোন খবর হতে পারেনা ।
সাদা গণ্ডার!
এগুলো জুমানজির নিজস্ব ।
ওরা আকারে বিশাল, সাদা, ভয়ানক আর বোকা ।
- আর ওরা মানুষখেকো । - না ।
কাছে চলে এসেছে !
আমার পেটের ভেতরে কেমন জানি করছে ।
- উপরে যাও! - উপরে যেতে পারছিনা!
মনে হয় বেশি মার্গারিটা খেয়ে ফেলেছি ।
আমরা এখন কি করব?
আমি হেলিকপ্টারটা ঠিক করব ।
- আচ্ছা! - কি করতে হবে বলো ।
ফ্লাইট কন্ট্রোল রডটাকে রোটরের নিচে
মেশপ্লেটটার সাথে লাগাতে হবে ।
ফ্লাইট কন্ট্রোল রড, রোটরের নিচে মেশ প্লেট ।
- দাঁড়াও, কি? - এখনি আসছি ।
- স্পেন্সার, কই যাচ্ছো? - তাড়াতাড়ি ।
- সাবধান! - না, না, তাড়াতাড়ি করো!
ঠিক আছে, খালি এই জিনিসটার ওপর দাঁড়াবো আর
ওই প্রাণঘাতী হেলিকপ্টার ব্লেডগুলোর কাছে উঠব ।
এই হলো মেশ প্লেট ।
এই ত রডের মত জিনিসটা ।
- স্পেন্সার! - গতি বাড়াও, এলেক্স!
তাড়াতাড়ি ঠিক করো!
- হায় খোদা ! - সময় কিন্তু বেশি নেই!
- ঠিক করলে, না কি! - না, না, না ।
হয়েছে!
আমরা বেঁচে গেছি! তুমি দেখিয়ে দিয়েছো! ভেবেছিলাম সবাই মারা পড়ব ।
- দারুণ! - ধন্যবাদ ।
- ধন্যবাদ । - দারুণ দেখিয়েছো । ভয়ানক ছিলো ব্যাপারটা ।
আয় হায় ।
কি?
রত্নটা ফেলে দিয়েছি ।
কি?
তুমি রত্নটাকে ফেলে দিলে?
আমি বমি আসছে ভেবে
নিচু হয়েছিলাম কিন্তু বমি হলোনা ।
তখন ব্যাকপ্যাক থেকে পড়ে গেছে ।
- আমাদের ত মরার রত্নটাকে লাগবে! - আমি জানি ।
হ্যাঁ আশ্চর্য ব্যাপার, আমিও সেটা বুঝতে পারছি ।
সুতরাং আমরা একটা বিব্রতকর অবস্থার মধ্যে আছি ।
মুখ ঘোরাও, আমাদের খোঁজা লাগবে ।
হ্যাঁ, চক্রাকারে ঘোরো, খুঁজতে থাকো ,
সবাই ভালমত দেখো ।
কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে খোঁজো ।
ঐ যে! দেখেছি!
ওরা কি করছে?
ওরা মনে হয় এটাকে রক্ষা করছে বা এধরনের কিছু ।
- আমরা কিভাবে নেব ওটা? - জানিনা ।
তুমি ত এটা আনতে যাবে, তাইনা দোস্তো?
কি লাগবে? বুমেরাংটা?
কাঁচি হয়তবা ?
পাইপ রেঞ্চ? জুতার ফিতে?
আমি তোমার খানসামা । যা চাও তাই দিতে পারব ।
শুধু বলার অপেক্ষা ।
- কি? - দুঃখিত দোস্তো ।
কিসের জন্য?
আউ!
না ।
মুখ ঘোরাও ।
না!
থামো!
হায়, খোদা !
- না! - এলেক্স, পাশাপাশি মোচড় খাওয়াবার জন্য
- প্রস্তুত থাকো । - কি?
যখন বলব, ৯০ ডিগ্রী কোণে ডানে ঘোরাবে ।
এখন!
শয়তান, তুমি আমাকে হেলিকপ্টার থেকে ফেলে দিয়েছো!
ওয়াও!
- স্পেন্সার, তুমি অসাধারণ । - ধন্যবাদ ।
তুমি একজন জটিল পাইলট, এলেক্স !
- ধন্যবাদ - স্পেন্সার, তুমিও
- সাংঘাতিক দেখিয়েছো! - ধন্যবাদ...
- অ্যাই! - ... আমাদের পাইলটটা, অসাধারণ
- শুনছ তোমরা? - দারুণ দেখালে
শুনছো?
অ্যাই শুনলে!
আর আমি এদিকে আমার জান কোরবান করে দিয়েছি ।
তোমরা জানোনা ঐ গণ্ডারগুলোর তলার দিকটা কেমন ।
আর তোমাদের জানার দরকারও নেই ।
আমি অনেক বেশি কিছু দেখে ফেলেছি ।
আমার মুখেও লেগেছে ঐগুলা ।
জীবনেও এসব মন থেকে মুছতে পারবনা ।
ওহ, তোমাদের এটা শুনে হাসি আসছে?
ভালো, ভালো ! হাসো। আরো জোরে হাসো ।
এই উপত্যকাটা আমি ২০ বছর ধরে পার হতে চাইছি,
তোমরা ব্যাপারটার গুরুত্ব বুঝতে পারছো?
মশা ।
না, না! এলেক্স, না, না!
- এলেক্স - এলেক্স, না, না ।
এলেক্স?
এলেক্স, ওঠো । কথা বলো ।
এলেক্স? ও মারা যাচ্ছে ।
না, আমরা ওকে মরতে দিতে পারিনা । আমরা কত কাছে চলে এসেছি!
কেউ কি মুখ দিয়ে শ্বাস দেয়ার নিয়ম জানো?
হ্যাঁ, বুকে তিনবার চাপ দাও আর মুখে মুখ লাগাও ।
এক, দুই, তিন ।
কিভাবে করব?
আচ্ছা, এখন নাক বন্ধ করে মুখটাকে খোলো,
- পুরাপুরি মুখে । - ঠিক আছে ।
এক নিঃশ্বাস, দুই নিঃশ্বাস, আবার করো ।
তাকাও এলেক্স ।
বেথানি, থামো । তোমার ট্যাটু ।
মনে হচ্ছে তুমি ওকে তোমার একটা ট্যাটু দিয়ে দিচ্ছো ।
আমার তাতে সমস্যা নেই ।
তোমার নিজের যদি লাগে পরে?
আমি চাই এলেক্সও ঘরে ফিরুক ।
- কি হয়েছে? - এলেক্স,
বেথানি ওর একটা জীবন তোমাকে দিয়ে দিয়েছে ।
ঠিক আছো, বেথানি?
তাই ত মনে হয় ।
বেথানি, এটা কি সত্যি?
তুমি আমাকে তোমার একটা জীবন দিয়ে দিয়েছো?
মানে, হ্যাঁ । অবশ্যই ।
ধন্যবাদ !
কি? কি দেখছো অমন করে ?
তোমার নিচে অবস্থা দেখো ।
আরে, কি পাগলা একটা জিনিস !
২০ বছর, হাহ?
হ্যাঁ, তাই ত ।
তুমি জানো,
আমি খালি আমার বাবা-মার কথা ভাবছি ।
বেচারারা কি অবস্থার মধ্যে দিয়ে গেছে ।
কারণ, আমি এতদিন গেমটা শেষ না করে
ভয়ে লুকিয়ে ছিলাম ।
আমি দুঃখিত ।
আমি তোমার ওপর ব্যাপারটা চাপিয়ে দিতে চাইনি ...
আসলে...তোমার সাথে কথা বলে আরাম পাওয়া যায় ।
না, বুঝতে পেরেছি । মানে কখনো কখনো
নিজের জিনিস নিয়ে ব্যস্ত থাকতে থাকতে
অনেকে ভুলেই যায় যে অন্য মানুষেরও সমস্যা থাকতে পারে ।
গভীর একটা বাণী দিলে ।
ধন্যবাদ । মনে হচ্ছে ফোন হারাবার পরে থেকে
আমার আবেগ-অনুভূতিগুলো বেড়ে গেছে ।
ভবিষ্যতে "ফোন" মানে ভিন্ন কিছু নাকি?
এলেক্স, তোমার কথা বলো । তুমি কেমন?
সত্যিকার পৃথিবীতে তুমি কেমন ধরনের?
পুরোদস্তুর মেটালহেড ।
একজন ড্রামার, আমার বাবার মত ।
- কি করছো তুমি?
আমি শুধু... এই জিনিসগুলোয় পানি ভরছিলাম ।
- ভালো ত । - হ্যাঁ ।
আমি খুশি তুমি এখানে এসেছো...
- আমি তোমাকে একটা কথা বলব । - আচ্ছা?
আর আমি তোমাকে কথাটা এখনই বলতে চাই,
কেননা পরেরবার কথা বলার সময় আমি আর সাহসী নাও থাকতে পারি ।
মার্থা, আমি তোমাকে পছন্দ করি ।
আমি তোমাকে অনেক বেশি পছন্দ করি ।
মানে অনেক ভালবাসি ।
- আসলেই? - হ্যাঁ ।
মানে সেই, ক্লাস সেভেন থেকে ।
সত্যিই?
আমার সাথে এরকমটা আগে কক্ষনো ঘটেনি ।
- কি বলতে চাও? - মানে, আমি কখনো ভাবতেও পারিনি যে
কেউ আমাকে পছন্দ করতে পারে যাকে আমিও... বিশ্বাস হচ্ছেনা আমি এটা করছি ।
আমি কক্ষনো কাউকে বলিনা ...
স্পেন্সার, আমিও তোমাকে ভালবাসি ।
- তুমি বাসো? - হ্যাঁ, হ্যা! হাহ হাহ!
তুমি কত ভালো আর বুদ্ধিমান আর দেখতেও সুন্দর ।
হ্যাঁ, আমারও তোমাকে বেশ পছন্দ ।
দাঁড়াও । তুমি নিশ্চিত যে এসবের কারণে তোমার এসব মনে হচ্ছে না...?
কি?হায় খোদা, না...না !
আমার এসব পছন্দ না । আমার আঁতেল পছন্দ ।
আসলেই?
আমি আঁতেল ।
- এটা ... যাচ্ছেতাই হয়েছে । - আমি কখনো কাউকে চুমু খাইনি ।
- তুমি কখনো...? - না, এটাই প্রথম বার ।
- আমি কখনো... - ওহ তুমিও?
- না । -আচ্ছা ঠিক আছে ।
বোঝা যায়না, ঠিক না?
এই এসব কি!
আমি এসব দেখতে চাইনা । অন্তত আজকে না ।
যখন তোমরা একজন আরেকজনকে প্রেম নিবেদন করছিলে
তখন আমি জাগুয়ারটাকে খুঁজে পেয়েছি ।
চলো! আহ!
- এইত এখানে । - এইত এখানে ।
চলো হাঁটি ।
মনে হয় এই পথ ধরে গেলেই হবে ।
না, এত সহজে হবেনা ।
"ডিফেন্ডার"
মানে কি?
একটাই উপায় আছে জানার ।
ফ্রিজ ।,
রত্নটা দিয়ে দাও ।
স্পেন্সার ।
কিছু একটা ঘটতে যাচ্ছে ।
এই ড্রামের শব্দগুলো যেন বুকে বাড়ি দিচ্ছে ।
কি, এখানে সোজা গিয়ে ঢুকে পড়বে নাকি?
না ।
গেম চাইছে যাতে আমরা এটা করি ।
কিন্তু এটা একটা ফাঁদ ।
"যখন হাতিটাকে দেখবে,
চড়া শুরু করবে"
আমি গাছগুলোর মধ্যে দিয়ে যাব ।
-গাছ? -হ্যাঁ ।
তুমি কি জানো এর মানে কি?
এটাই হবে ।
এভাবেই মনে হয় যেতে হবে ।
এটা গেমের চূড়ান্ত ধাপ ।
আমি নিশ্চিত ব্রেভস্টোন এধরনের কাজই করে ।
ও কি নিজেকে নিয়ে তৃতীয় পুরুষে কথা বললো?
মনে হয়, চতুর্থ পুরুষ ।
কিভাবে ও এটা করলো?
উপরে চড়তে পারা ওর একটা ক্ষমতা ।
ওহ বুঝেছি ।
কেক খেলে আমি ফেটে যাই ।
- না! স্পেন্সার! - হায় খোদা!
স্পেন্সার!
হায় খোদা, দেখেছো চিতাবাঘগুলোকে?
না ।
এগুলো জাগুয়ার ।
স্পেন্সার!
খোদা, তুমি ঠিক আছো?
হ্যাঁ, তাই ত মনে হয় ।
রত্নটা ঠিকমত আছে তো?
- হ্যাঁ আছে । - ওহ শুকরিয়া ।
এই, কি হয়েছিলো?
আমি এ বিষয়ে কথা বলতে চাইনা ।
ঠিক আছে, আমাদের নতুন পরিকল্পনা লাগবে ।
- হ্যাঁ । - ঠিক ।
- আসলেই । - স্পেন্সার, কি করব?
তোমার সাথে এক মিনিট কথা বলা যাবে?
এখন?
কি হয়েছে?
আমি এসব করতে পারবনা ।
- কি বলছো তুমি এসব? - পারবনা ত পারবইনা ।
নিজেকে ভুল বুঝিয়ে লাভ নেই । আমি কোন অভিযাত্রিক নই ।
আমার আসলে কোন সাহসও নেই ।
স্পেন্সার, আমি একটু আগেই তোমাকে চলন্ত হেলিকপ্টার থেকে ঝুলে থাকতে দেখলাম ।
হাতে কয়েকটা জীবন থাকলে এসব ঝুঁকি নেয়া কোন ব্যাপার না ।
ব্যাপারটা অনেক কঠিন হয়ে যায়...
যখন তোমার হাতে মাত্র একটা জীবন থাকে ।
আমাদের হাতে সবসময় একটাই জীবন থাকে ,
ঠিক আছে? এভাবেই... এভাবেই চলছে সবকিছু ।
প্রশ্ন হলো, তুমি এই জীবনটা কিভাবে কাটাবে ?
কার মত হয়ে জীবন পার করবে?
আমি কি এইমাত্র আমাদের হেডস্যারের উক্তিটা বললাম?
গেমটা কি আমার মাথা খারাপ করে দিলো? এখান থেকে এক্ষুণি বের হওয়া লাগবে ।
দেখো ।
আমরা পারবো ।
আমরা একসাথে এটা করতে পারব ।
- একসাথে । - একসাথে ।
তুমি একজন ভাল বন্ধু, ফ্রিজ ।
ঠিক আছে ।
দেখো,ভিডিও গেমস খেলতে পারিনা
তবে ফুটবল পারি ।
ঐ বিদ্যুতগতিসম্পন্ন মানুষখেকো বিড়ালগুলো?
ওরা হলো ডিফেন্ডার ।
তারমানে আমাদের দুর্দান্ত একটা আক্রমণের পরিকল্পনা করা লাগবে ।
আমাদের যেতে হবে ।
ঠিক আছে । আমরা যা করব তা হলো -
আমরা ছড়িয়ে পড়ে এমন একটা খেলা খেলব যাকে আমি বলি
"ডাবল রিভার্স রেফ্রিজারেটর"
বেথানি, তুমি বামে দিয়ে যাও
আমি ডানে যাব
অ্যালেক্স, তুমি খেয়াল রাখবে
যাতে স্পেন্সার মাঝে দিয়ে যেতে পারে
- আমি স্পেন্সারের সাথে যাবো । - না
তোমার অন্য কাজ আছে
তোমরা নাচতে পছন্দ করো ?
হেই! এদিকে!
এসে আমাকে ধরো!
না! না ।
- ধন্যবাদ । -অবশ্যই ।
মূর্তিটার কাছে যাও । দৌঁড় দাও !
ওহ, না! আমি...
ওহ আচ্ছা, ঠিক আছে ।
শান্ত থাকো, ভয় পেয়োনা ।
দাঁড়াও!
It's the elephant and the mouse. এটা হলো হাতি আর ইঁদুরের গল্পটার মত ।
কি খবর?
মাউস ফিনবার ।
প্রাণিবিজ্ঞানী ।
প্রাণিবিজ্ঞানী আর...
আর ব্যাকপ্যাকওয়ালা ।
আমাকে পাথরটা দাও, নাহয় তোমার দোস্ত শেষ ।
- এটা ওকে দিওনা! - এই চুপ!
থামো!
ওর বদলে আমাকে নাও, ঠিক আছে?
রত্নটা আমাকে দিয়ে দাও ।
আমি তা পারবনা ।
পাঁচ ।
- চার, তিন... - আমি তোমাকে রত্নটা দেবনা ।
-স্পেন্সার । - দুই!
কারণ আমার কাছে এটা নেই ।
প্রাণীবিজ্ঞানের খেল দেখো !
না, না, না!
বদমাশ ! তুমি জঘন্য !
- হাতি - চড়া শুরু করো ।
ওকে ছেড়ে দাও !
ওখানে উঠতে থাকো, আমি তোমার কাছে রত্নটা নিয়ে যাবো ।
- মার্থা । - বিশ্বাস রাখো।
- তোমার কাছে নিয়ে যাবই । যাও । - ঠিক আছে ।
এগিয়ে যাও মার্থা !
অ্যালেক্স !
আমি নেব ওটা ।
খেলা শেষ ।
আমার তা মনে হয়না ।
বিষে আমার দুর্বলতা ।
স্পেন্সার, ধরো।
- হ্যাঁ! - ওয়াও! - হ্যাঁ
"একে নাম ধরে ডাকো"
একে নাম ধরে ডাকো !
একে নাম ধরে ডাকো সবাই!
জুমানজি!
জুমানজি!
- আমার মনে হয় আমরা পেরেছি । - আমার মনে হয় আমরা জিতে গেছি ।
আমার মনে হয় আমরা পেরেছি ।
দেখো নাইজেল এসেছে ।
নাইজেল ।
দারূণ দেখিয়েছো দুঃসাহসিক অভিযাত্রিকেরা!
তোমরা অভিশাপটা ভেঙে দিয়েছো!
পুরো জুমানজি তোমাদের কাছে কৃতজ্ঞ ।
এখানে তোমার কাজ শেষ ।
দূঃখের বিষয়, তোমাদের বিদায় দেবার সময় হয়ে গেছে ।
সীপ্লেন ম্যাকডোনাহ,
আসো তোমার সাথে হাত মেলাই ।
অ্যালেক্স ।
বিদায়, প্রফেসর ওবেরন ।
পরে দেখা হবে, মামা ।
ছোট্ট মাউস, তোমাকেই আমার সবচেয়ে বেশি মনে পড়বে ।
জলদি এখান থেকে বের করোতো ।
বিদায়, রুবি রাউন্ডহাউজ।
দাঁড়াও ।
যদি আমরা না ফেরত যাই, তাহলে কেমন হয়?
আমি শুধু...
আমি এভাবেই থাকতে চাই । তোমার সাথে ।
তাহলে চলো এরকমটাই থাকি ,
প্রতিদিন ।
তবে বাড়ি ফিরে ।
ড ব্রেভস্টোন
নাইজেল, আমি বাড়ি ফেরার জন্য প্রস্তুত ।
বিদায়, প্রিয়বন্ধু ।
পরে দেখা হবে, ব্রেভস্টোন ,
আমি ঠিকঠাক হয়ে গেছি
আমি জীবনেও আমার শরীর নিয়ে অনুযোগ করবনা ।
ওহ, ধন্যবাদ খোদাকে ।
তোমাদের কথা মনে পড়ছিলো !
অ্যালেক্স কই?
দাঁড়াও...দেখো ।
ফ্রিক হাউজ?
তোমার কি মনে হয়...?
তারমানে, মনে হয়......
- দাদা! - হেই!
আসো আসো । এইত আমার নাতনী ।
- হাই! - তোমাকে দেখে খুবই ভালো লাগলো ।
আসো আসো দাদীর সাথে কথা বলো ।
- অ্যালেক্স? - এই বাবা, তোমার হাতে যদি একটু সময় থাকে
- তাহলে আমাদেরকে একটু সাহায্য করতে পারবে? - হ্যাঁ
আরে বিশাল গাছ তো !
- হ্যাঁ মোটামুটি বড়ই আছে ।
বাবা, আমাকে একটু সময় দেবে?
- অহ,নিশ্চয়ই । - এখুনি আসছি ।
বেথানি?
- স্পেন্সার? - হ্যাঁ
রুবি রাউন্ডহাউজ?
তারমানে তুমি হলে ফ্রিজ ।
তোমাদেরকে দেখে আসলেই ব্যাপক খুশি লাগছে ।
তোমাদের সবাইকে দেখেই ।
- তুমি ফেরত আসতে পেরেছো । - হ্যাঁ পেরেছি।
আমি যেখান থেকে শুরু করেছিলাম ঠিক সেখানেই ছুঁড়ে মেরেছে...
তোমার বাবা-মা আর তোমার বাসা?
হ্যাঁ ওরা... সবাই ঠিকঠাক ।
তুমি ত বড় হয়ে গেছো ।
তোমার পরিবারও আছে।
হ্যাঁ তা আছে।
ও হলো অ্যান্ডি ।
আর আমার মেয়ে......
আমার মেয়ের নাম বেথানি।
আমার জীবন যে মেয়েটা বাঁচিয়েছিল তার নামেই আমার মেয়ের নাম রেখেছি।
ব্যাপক খুশি, হেহ ।
তুমি হাইকিং এ যেতে চাও?
মানে, প্রকৃতির মাঝে?
হ্যাঁ, কিন্তু মানে...কোন অসাধারণ জায়গায় ।
এই গ্রীষ্মে? কি মনে হয়?
- ঠিক আছো? - হেই ।
ওহ, পরে কথা হবে ।
ক্লাসের পরে দেখা হচ্ছে তাহলে?
- হেই । - তো, ইদানীং কোন ...
মজার ব্যাপার ঘটলো নাকি?
নাহ, মনে পরছেনা ।
তোমরা কি মার্থার সাথে কথা বলেছো?
আমি গত সপ্তাহেই মেসেজ দিয়েছিলাম ।
তুমি ওর সাথে কথা বলেছো?
ঐতো ও আসছে ।
যাও কথা বলো, ড. ব্রেভস্টোন
হাই
- হাই - আমি আসলে...
-আমি আসলেই তোমাকে ফোন করতে চেয়েছিলাম । - বুঝতে পেরেছি ।
আমি জানিনা কেন ফোনটা করা হয়নি ।
আজব লাগছে বের হয়ে,
না বুঝতে পারছি কি হচ্ছে না হচ্ছে ... আর ... না পারছি
কি?
চরম ভাবটাই নিলো ।
বাংলা অনুবাদকঃ কুদরতে জাহান জিনিয়া subscene id:Kudrate_Jahan
Join our group: facebook.com/groups/subtitlehut
বাংলায় সাবটাইটেলটি ভালো লাগলে রেটিং দিতে ভুলবেননা ।
Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.