Afrikaans
Akan
Albanian
Amharic
Arabic
Armenian
Azerbaijani
Basque
Belarusian
Bemba
Bengali
Bihari
Bosnian
Breton
Bulgarian
Cambodian
Catalan
Cebuano
Cherokee
Chichewa
Chinese (Simplified)
Chinese (Traditional)
Corsican
Croatian
Czech
Danish
Dutch
English
Esperanto
Estonian
Ewe
Faroese
Filipino
Finnish
French
Frisian
Ga
Galician
Georgian
German
Greek
Guarani
Gujarati
Haitian Creole
Hausa
Hawaiian
Hebrew
Hindi
Hmong
Hungarian
Icelandic
Igbo
Interlingua
Irish
Italian
Japanese
Javanese
Kannada
Kazakh
Kinyarwanda
Kirundi
Kongo
Korean
Krio (Sierra Leone)
Kurdish
Kurdish (Soranî)
Kyrgyz
Laothian
Latin
Latvian
Lingala
Lithuanian
Lozi
Luganda
Luo
Luxembourgish
Macedonian
Malagasy
Malay
Malayalam
Maltese
Maori
Marathi
Mauritian Creole
Moldavian
Mongolian
Myanmar (Burmese)
Montenegrin
Nepali
Nigerian Pidgin
Northern Sotho
Norwegian
Norwegian (Nynorsk)
Occitan
Oriya
Oromo
Pashto
Persian
Polish
Portuguese (Brazil)
Portuguese (Portugal)
Punjabi
Quechua
Romanian
Romansh
Runyakitara
Russian
Samoan
Scots Gaelic
Serbian
Serbo-Croatian
Sesotho
Setswana
Seychellois Creole
Shona
Sindhi
Sinhalese
Slovak
Slovenian
Somali
Spanish (Latin American)
Sundanese
Swahili
Swedish
Tajik
Tamil
Tatar
Telugu
Thai
Tigrinya
Tonga
Tshiluba
Tumbuka
Turkish
Turkmen
Twi
Uighur
Ukrainian
Urdu
Uzbek
Vietnamese
Welsh
Wolof
Xhosa
Yiddish
Yoruba
Zulu
A Bangla Subtitle By "Ahmed Sajjad"!
সামনে প্রচন্ড জ্যাম!
বস, শুনুন বস!
ওই, কি হইছে?
আমার ব্যাংক লোনের কি খবর, স্যার?
তুমি কী এই ব্যাংকের সিইও নাকি আমি ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগের কোনো টিমের মালিক....
যে চাওয়া মাত্রই তোমাকে ব্যাংক লোন দিয়ে দেয়া হবে?
মাত্র ১০ দিন আগে তুমি চ্যানেলে যোগদান করেছো।
লোন!
দুইশত মিটার পর বামে যান।
আর কতক্ষণ লাগবে? -এইতো চলে এসেছি, আর বেশিক্ষণ লাগবে নাহ স্যার।
আমি বুঝলাম নাহ কেনো এই লোকটা বললো যে প্রতিদিন ৩৮ রুপি একজন সাধারণ মানুষের চলাচলের জন্য যথেষ্ট!
আর এই কড়া রোদের তারা কেনো আমাদের এই দায়িত্বটা দিয়েছে!
এবং এই গুগল ম্যাপ দিয়ে তুই আমাকে সব জায়গায় নিয়ে যাচ্ছিস নেতাজিকে খুঁজার জন্য।
ওই তুই আমাদের এই অচল জায়গায় নিয়ে এসেছিস কেনো?
গুগল ম্যাপ বললো একশো মিটারের পর বামে যেতে। আমরা এখানে এসে পৌঁছেছি।
তুমি এক হয় গুগলের কথা শুনো আর নাহয় শ্রেয়া ঘোষালের গান শুনো!
যদি তুমি একসাথে দুইটাই শোনার চেষ্টা করো, তাহলে আমরা এভাবেই হারাবো!
গাড়ি চালু করুন। এক কিলোমিটার পর চাররাস্তার মোড় পাবেন, সেখান থেকে দ্বিতীয় মোড়টা নিন!
বস! -হ্যাঁ!
যদি কিছু মনে নাহ করেন তাহলে একটা বলতে চাই। -বলো!
এই গানটা শ্রেয়া ঘোষাল গায়নি!
চুপ কর। কখনো নিজের জ্ঞান দেখাতে আসবি নাহ আমাকে!
তুই এখনো ঠিকমতো জানোছ কীভাবে আমাকে আমার গন্তব্যে নিয়ে যেতে হয়...
কিন্তু শো অফ করতে পারোছ ঠিকি। -চল যা।
সোজাসুজি যান।
আমি তোকে জ্যান্ত পুড়িয়ে মারবো,
যদি অন্য কোনো চ্যানেলের রিপোর্টার আমাদের আগে সেখানে পৌঁছে!
গুগল ম্যাপ নাহ বললো ১ কিলোমিটার একটু সামনেই?
বেশি খেয়ে ফেলছোছ?
আপনারা আপনাদের গন্তব্যে পৌঁছে গেছেন।
ওইতো নেতাজি নগরের বোর্ড।
নাম, নাম। আরেকটু সামনে থামা। আচ্ছা।
স্যার, প্রস্তুত!
ওই, এতো তাড়াতাড়ি প্রস্তুত হওয়া যায়?
কিছুক্ষণ অপেক্ষা কর ব্যাটা।
আমাকে নাকি টিভিতে ভালো দেখায় নাহ এইটা নিয়ে আমার বউ ইতিমধ্যে আমার সাথে তালগোল পাকিয়েছে।
প্রস্তুত।
আমাদের অর্থমন্ত্রী জনাব নাগেন্দ্র পরিকল্পনা কমিশনের করা...
৩৮ টাকায় ভারতের সাধারণ মানুষের জীবন-যাপনের জন্য যথেষ্ট এই বিবৃতিতে সমর্থন জানিয়ে..
আতঙ্ক বিরাজ করেছেন!
আমরা তার সমর্থক নেতাজি নগরের মানুষকে ব্যাপারে জিজ্ঞেস করবো যে...
তারা এটা নিয়ে কী অনুভব করে!
তাড়াতাড়ি কর মেয়েরা আসছে। আমরা তাদের এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করি।
ওই, ক্যামেরা ক্যামেরা এখানে আসেন।
আমি নেতাজি নগরের সেলিব্রিটি, আমাকে কিছু জিজ্ঞেস করুন।
তৈরি? -তৈরি!
ম্যাম, আপনাদের মন্ত্রী বলেছেন যে ৩৮ টাকা একজন সাধারণ মানুষের জীবন-যাপনের জন্য যথেষ্ট!
এ ব্যাপারে আপনার কী মতামত?
প্যানশন, স্যার? -সেটা এখনো আসছে নাহ, আপনি কি দিবেন?
নাগেন্দ্র এরকম কিছুই বলেনি।
উনার উপর আমাদের পুরো আস্থা আছে।
ওই কাট, কাট!
যে মানুষটি পুরো সংসার একাই বহন করছে সে জানবে...
সমস্যা এবং খরচের মূল্য কতটুকু।
যখন আমরা জানি, তিনি কী ভুল বলেছেন...
তখন আমাদের সেটার প্রতিবাদ করতে হবে।
আমরা যদি এভাবে বলি তাহলে কে দেখবে? -একজনের তো প্রতিবাদী হওয়ার দরকার!
ওই, কোন গর্দভ এইটা বলছে?
হ্যালো বসো, প্রতিদিন রাতে ৯০ এর জন্য ৩০ রুপি এবং স্টাফ খরচ ১০ টাকা! (৯০ হচ্ছে এক প্রকার মদ)
সর্বমোট ৪০ রুপি। এটা যদি হয় রাতের খরচ, তাহলে সকালের টার কি হবে?
ওই, তোমার ক্যামেরার সামনে এগুলো করা উচিত হবে নাহ।
তার ব্যাপারে জানি নাহ, তবে তার ছেলে নির্বাচনে দাঁড়ালে আমি তাকে অবশ্যই ভোট দিবো!
তাকেই কেনো?
কারন সে খুব সুদর্শন!
ওহ, তিনি কী এই ধরনের নাকি?
আমি কি জানেন নাহ যে এখানে সবকিছুরই একটা মূল্য আছে?
আমাদের রাজনীতিবিদরা এটাকে একটা অভ্যাসে পরিণত করেছেন। -ওই, ৫০০ দিছ তো!
আমি প্রতিদিন যাওয়া আসার জন্য ৫০ টাকা খরচ করি।
৩৮ কিংবা ৫০ কে একপাশে রাখুন, এটাই ভালো হবে যে আমরা আমাদের খরচ কমিয়ে আনি!
প্রতিবাদী হও! -না হলে কি বলতে পারবো নাহ আমরা?
ওই, এটা আমাকে দিয়েছে। -চল, বল ব্যাটারা!
তারা আমাকে দিয়েছে
নাহ, তারা আমাকে দিয়েছে
তুমি কি এটা দেখলে, কিশোর?
জনাব নাগেন্দ্রর উগ্র সমর্থক এবং জনগণের মাঝে ৩৮ রুপি ইস্যুটা নিয়ে মারামারি হচ্ছে।
এটা দেখে মনে হচ্ছে যে এতো সহজে এই ইস্যুটা মিটমাট হবে নাহ!
প্রত্যক্ষভাবে হোক কিংবা পরোক্ষভাবে কঠিন হলেও আমরা এই শটটা নিতে পেরেছি,
এইটা বুঝলাম যে তারা জনাব নাগেন্দ্রর বিবৃতির বিরুদ্ধে!
গতকালে তুমি অন্য আমার কাছে অন্য দামে বিক্রি করেছিলে!
ম্যাম, আমাকে দুই বোতল পানি দেন। -প্রচুর গরম পড়েছে!
নেতাজি নগরের জনগণ বলছে, এসি গাড়িতে ঘুড়ে জনাব নাগেন্দ্র...
সাধারণ জনগণের সমস্যা কি করে বুঝবে?
ওই, আমাদের এলাকায় কি চলছে? -কোন চ্যানেল?
তোমরা কারা?
আমাদের ভাইয়ের এলাকায় তোমাদের কি? -ওই ক্যামেরা ভেঙ্গে ফেল!
ওই, ওদের ধর, ধর
যখন তৃতীয় চ্যানেলের পক্ষ থেকে আমরা জনগণের ভিতরের অনুভব বের করে আনতে চাচ্ছি,
নাগেন্দ্রর উগ্র সমর্থকরা আমাদের উপর হামলা করছে!
যদি বেঁচে থাকি তাহলে আবারো দেখা হবে। -স্টুডিওতে ফিরে গেলাম!
স্যার, স্যার
কি?
আপনি প্যান্ট পড়তে ভুলে গেছেন স্যার
তোর প্যান্ট খুল এবং আমাকে দে। চল খুল তাড়াতাড়ি এবং দে!
খবর পড়ুয়াদের কাজ টেবিলের নিচের পোশাক দিয়ে নয়,
টেবিলের উপরের খবর দিয়ে!
যখন তুই ক্লোজ শট নিবি তখন কি এই পা গুলো দেখা যাবে?
তুমি কি ফ্রেম চেক করবি নাহ নাকি?
তুই কি এখানে রাখবি? -নাকি এখানে রাখবি?
কোনো কথা নয়, শুধু সবার জ্ঞান দেয়ার ধান্দা!
মিষ্টার নিরঞ্জন, শুভ সকাল। -শুভ সকাল।
তুই যদি ওই পেপারগুলো এখানে ছুঁড়ে মারোছ, তাহলে আমি খবরগুলো পড়তে পারবো, পারলে আমার বেতনটাও নিয়ে নে, যা ভাগ!
দুঃখিত স্যার!
প্রথম সংলাপ স্যার!
আসামের নির্বাচনকেন্দ্র বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি!
তাপসী তার লক্ষ্য এখন শুধু বি গ্রেড ফিল্মের দিকেই রাখবে!
কি? এইগুলা কি?
আসামের নির্বাচনকেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা দাড়ি।
তাপসী তার লক্ষ্য এখন শুধু বি গ্রেড ফিল্মের দিকেই রাখবে দাড়ি।
তোমরা কি এই ফুলস্টপ এবং কমা দিবে নাহ?
তোমরা কি সাধারণ পানচ্যুয়েশন জানো নাহ?
কাজ শেষে শুধু ড্রিংক দিলেই হয় নাহ স্যার,
জায়গামতো কমা দেয়াও জানতে হবে।
বুঝি নাহ কেনো এবং কি কারনে কিছু মানুষ জন্মায়।
যখন এগুলো বলতে যাই সবাই রেগে যায় এবং মনে নিয়ে নেয়!
হ্যাঁ, দ্বিতীয় সংলাপ স্যার!
চলুন কিছু ছুঁড়ুন এখানে জনাব নিরঞ্জন, কিছু ছুঁড়ুন এখানে। নিন।
সুপার ওয়েলথ গ্যামসে ভারত কি ১৪ টি মেডেল নিয়েই থেমে যাবে?
এরকম অশ্লীল ভাষা কেন স্যার,
যেখানে আমাদের মহৎ এবং মিষ্টি তেলেগু ভাষা রয়েছে,
এগুলো এখানে অশ্লীল ভাষায় লেখা আছে!
দেখুন,
আমার পুরা মেজাজ খারাপ হয়ে গেছে এবং সেটার ছাপ আমার চেহারায় দেখা যাচ্ছে!
স্যার, স্যার।
ব্রেকিং নিউজ স্যার, দেখে মনে হচ্ছে অর্থমন্ত্রী হার্ট-অ্যাটার্ক করেছে
তিনি কি মারা গেছে?
নাহ স্যার!
সাব্বাস, ২৪ টি নিউজ চ্যানেল এখন ২৪ ঘন্টা হাসপাতালের নিচে দাঁড়িয়ে থাকবে!
আমার ভাগ্য খারাপ স্যার, চলুন শুরু করুন।
রাজ্যের অর্থমন্ত্রী জনাব নাগেন্দ্র...
তার দিল্লীর নিজস্ব রাজ্য অফিসে হার্ট-অ্যাটার্ক করেছে।
এমনকি হার্ট-অ্যাটার্ক এর আধঘন্টা আগে তিনি সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেছিলেন...
এবং পরিকল্পনা কমিশনের দেয়া বিবৃতি...
ভারতে ৩৮ টাকা একজন সাধারণ মানুষের জীবন-যাপনের জন্য যথেষ্ট এতে সমর্থন করেছেন!
প্রতিবাদ প্রথমে তারা নিজস্ব দলীয় কার্যালয় থেকে শুরু হয়েছে!
এই চাপের কারনেই হয়তো তিনি হার্ট-অ্যাটার্ক করেছেন বলে মতপ্রকাশ করেছেন ডাক্তাররা!
অবশ্যই স্যার
শুভ সন্ধ্যা স্যার
গুভ ইভিনিং সিস্টার
হ্যাঁ দাও আমাকে। ধন্যবাদ!
খবর দেখবেন স্যার?
আমরা খবর দেখতে পারি...
কিন্তু যখন আমরা খবর হয়ে যাই তখন খবর দেখাটা কষ্ট হয়ে দাঁড়ায়।
লাগবে নাহ, -আচ্ছা স্যার।
আমার ব্যক্তিগত সহকারী বাইরে অপেক্ষা করছে।
তাকে বলো ভিতরে আসতে।
আচ্ছা স্যার।
স্যার?
অবস্থা কেমন, চক্রবর্তী?
আপনি এতো ধীর কন্ঠে কেনো জিজ্ঞেস করছেন স্যার?
আপনার হার্ট-অ্যাটার্ক এর বুদ্ধি দিয়ে বিতর্কিত বিষয়টি কে...
একপাশে সড়িয়ে দিয়েছেন স্যার।
আপনার প্রতি জনগণের করুনা বাড়ছে।
আমাদের সব কর্মী আপনার স্বাস্থ্যের জন্য প্রার্থনা করছে,
টিভিতে পোগ্রাম করছে, ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানাচ্ছে ইত্যাদি ইত্যাদি।
আপনার সমর্থকদের দেখে আমি মুখের ভাষা হারিয়ে ফেলেছে।
তাহলে, এটাই আমার ছেলেকে রাজনীতিতে প্রবেশ করানোর জন্য উপযুক্ত সময়।
"That’s how am rolling. I live life like a star."
“I’m gonna fly up far, Feeling high so fly,”
“Cause I’m living like a Rockstar.”
A, B, C, D
"America Born Confused Desi"
“What I do, or what I don’t”
“Won’t matter with the women I roll,”
“Cause they feeling so high and fly,”
“Say my name, Say my name, what?”
A, B, C, D
"American Born Confused Desi"
A, B, C, D.
"American Born Confused Desi"
“I’ve got my wings, I’m gonna spread them till I stop no fly”
“I send my love to the moon and back, watch you scream”
“watch you dance, watch you shake,” “Watch you make a boom,”
“Tonight ain’t over cause I make the rhythm Blow Blow”
আমার মায়ের বিয়েতে আসলেই তো পারো!
ইয়ো বাশা!
আমি তোমাকে পর ফোন করছি!
চল যাই
জেসিকা কোথায়, ভাই?
আমরা ব্রেকাপ করেছি!
ব্রেকাপ করেছো, কেনো?
আমি এটা অনুভব করি নাহ। আমি ওই প্রেমিকার অনুভবটা পাচ্ছি নাহ!
এই ছোটো অনুভবটা পাওয়ার জন্য তোর কি ধরনের মেয়ে দরকার, ভাই?
আমি জানি নাহ কি ধরনের মেয়ে দরকার, কিন্তু আমি যাদু চাই।
ভালোবাসায় আমি যাদু চাই!
জেসিকার সাথে থেকে এইটা আমি পাই নাহ!
এই কারনে ব্রেকাপ করে ফেলেছি।
যাদু!
এটা আসবে!
বাশা চল যাই!
"American Born Confused Desi এই নামটা এমনি এমনি আসেনি!
তোর মতো ছেলেদের দেখে এই নামটা দেয়া হয়েছে!
শুভ সকাল স্যার। -শুভ সকাল মিষ্টার কার্তিক!
তোমাকে বলেছিলাম ওই প্রজেক্টগুলা শিকাগো ব্র্যাঞ্চের কাছে সাবমিট করতে,
ওইগুলা কি তৈরি?
হয়ে গেছে স্যার, -প্রায় ৯০% কাজ শেষ!
আমি শুধু দুইটা সংখ্যায় বিশ্বাস করি, শূণ্য এবং শতক।
এক হলে কাজ ১০০% শেষ হবে, নাহলে শূণ্য। -হ্যাঁ, স্যার!
এই দুইটা সংখ্যার মধ্যবর্তী কোনো সংখ্যা নিয়ে আমার কাছে আসবে নাহ। -কাজে ঝাঁপিয়ে পড়ো!
আচ্ছা স্যার!
ওই কাগজপত্রগুলা পরবর্তী দুই ঘন্টার মধ্যে যেনো আমার হাতে এসে পৌঁছায়। -বুঝেছো?
অবশ্যই স্যার।
এটা হচ্ছে হাইওয়ে, এটা হচ্ছে পাঁচতারা হোটেল...
এবং পুরো প্রজেক্টটা হচ্ছে গল্ফ মাঠ!
আপনার সাথে কাজ করার জন্য আর তড় সইছে নাহ!
ধন্যবাদ!
স্যার, আপনার ছেলে অভির বিল।
এক মাসে ২০ হাজার ডলার?
সে কি টাকা মূল্য জানে নাহ মূর্তি?
২৫ বছর আগে কিছু অর্জন করার স্বপ্ন নিয়ে এসেছিলাম,
কিন্তু শুধু নিজেকে উন্নত করার চিন্তা নিয়ে আসেনি, অন্যকেও কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিতে এসেছি!
-প্রতিটা ডলার বাঁচিয়ে বাঁচিয়ে আমি এই পর্যায়ে এসেছি!
কিন্তু ও ধীরে ধীরে এমন হয়ে যাচ্ছে।
তাকে কীভাবে পরিবর্তন করা যায়, মূর্তি?
স্যার, হয়তো আমরা ডলারকে রুপির হারের পর্যায়ে নেমে যাওয়া দেখতে পারি..
কিন্তু অভি স্যারকে পরিবর্তন অসম্ভব।
তাকে একবার কল করো এবং জিজ্ঞেস করো কোথায় আছে?
"American Born Confused Desi"
"American Born Confused Desi"
মা!
হে মা! শুভ সকাল। -ব্রেকফাস্টে কি বানিয়েছো?
মা আমি তোমার সাথে কথা বলছি।
ঘরে শুধু তুমি তেলেগু ভাষায় কথা বলবে!
হুহ!
ভাষা দিয়ে কি আসে যায়? আমি কি বলছি তুমি তো তা বুঝতেছো?
বাইরে তুমি যেই ভাষায় এই কথা বলো নাহ কেনো,
ঘরে তোমার মায়ের সঙ্গে তুমি তেলেগুতে কথা বলবে!
মা, আমার ক্ষুধা লেগেছে, -তুমি কি আমাকে খাবার দিবে?
হ্যাঁ! এইবার ঠিক আছে?
দেখছো, খুব ভালো শুনাচ্ছে!
তুমিও কেনো বাশার মতো তেলেগুতে কথা বলো নাহ?
বাশার তেলেগু?
কি, তোমার ভাতিজার তেলেগু?
বালা শান্মুগান কে সংক্ষেপ করে বাশা রাখাটাও এতো কঠিন নাহ,
যতটা কঠিন ওর জন্য তেলেগুতে কথা বলা
ওর তেলেগু এতোই খারাপ যে ও নিজেও সেটা শুনতে পারবে নাহ
এবং ওর তামিলের সাথে তেলেগুর সংমিশ্রণ ও সহ্য করতে পারবে নাহ।
নাস্তা করার আগে এটা পান করো।
এটা কি?
তুমি যেটা পান করেছিলে রাতে সেটা তোমাকে নিস্তেজ করে দিয়েছে...
আর এটা তোমাকে সতেজ করবে।
একটা কাজ করো মিক্স করে এক প্যাগ বানিয়ে দাও এবং এতে তারা তোমাকে সেরা মায়ের পুরস্কার দিবে!
থামো তো। বাচ্চারা এই বয়সে মজা করবে নাহ তো কবে করবে?
বড় হতে হতে সব বুঝে যাবে!
লালনপালনের ধরণ বদলে গেছে, আমাদের ও উচিত আধুনিক হওয়া!
আচ্ছা শুনলাম তুই নাকি বিদেশী মেয়েটার সাথে ব্রেকাপ করে ফেলছোছ?
কি? তোমার এজেন্ট বাসা বলেছে এটা?
যেই আমাকে বলুক নাহ কেনো তাতে তোর কি? -তুমি ব্রেকাপ করছোছ, এটাই যথেষ্ট!
মা, আমি ব্রেকাপ করেছি!
যখন আমি ব্রেকাপ করি তখন তুমি এতো কেনো খুশি হও?
কেনোই বা হবো নাহ?
আমি বলেছিলাম বিদেশী মেয়েদের সাথে তোর সেট হবে নাহ এবং সেটাই হয়েছে!
শুধু দেখতে থাক, আমি তোর জন্য একটা তেলেগু মেয়ে খুঁজবো এবং তার সাথে তোর বিয়ে দিবো!
মা, তুমি সবসময় তেলেগু, ইন্ডিয়া এবং সংস্কৃতি নিয়ে কথা বলো কেন।
এইগুলা ছাড়া কি আর কোনো প্রসঙ্গ নেই তোমার কাছে?
হ্যাঁ আছে, পরবর্তী প্রসঙ্গ তোমার খরচ নিয়ে!
বিশ হাজার ডলার মানে ইন্ডিয়ান মুদ্রায় প্রায় ১৫ লাখ রুপির কাছাকাছি,
তার মানে চারজনের একটা পরিবার এ টাকা দিয়ে প্রায় ৫ বছর হাসিখুশিভাবে জীবনযাপন করতে পারবে।
কিন্তু এটা তোর মাসিক খরচ!
তোমার কি কোনো ধারণা আছে তুমি কীভাবে চলাফেরা করতেছো, অভি?
কোনো বাবাই তার ছেলেকে বকাবকি করে খুশি হয় নাহ, অভি!
কিন্তু তোমাকে টাকা এবং জীবনের মূল্য কতটা তা বুঝতে হবে!
শুধু আমার সম্পদ এই নয়, সাথে ছেলে হিসেবে আমার চরিত্র ও ভাগাভাগি করতে হবে!
তুমি ভুলে যাচ্ছো! -হেই!
যদি কি নাহ বাবা?
তোমার বাবা কৃষক হওয়ার দরুন, তুমি ছোটোবেলার প্রচুর কষ্ট করেছো এবং জীবনে বড় হয়েছো!
কিন্তু আমার বাবা কোটিপতি!
বাবা, তুমি সারাদিন এতো কষ্ট করো কেনো?
যাতে করে আমি সুন্দর এবং বিলাসবহুল জীবনযাপন করতে পারি যেটা আমি করছি, রাইট?
বাবা, তুমি জানো তুমি কেনো রেগে যাচ্ছো?
তুমি কি জানো কেনো তুমি রাগো?
আমি তোমার টাকায় আনন্দ করছি যেটা তুমি তোমার জীবনে করতে পারোনি...
তাই ঈর্ষান্বিত হচ্ছো!
তুমি শুধু ঈর্ষান্বিত হচ্ছো!
তোমার ছেলের জন্য খুশি হও, বাবা!
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা হচ্ছে ধন্যবাদ তোমাকে সবকিছুর জন্য!
তোমাকে ভালোবাসি বাবা! -হেই!
তুমি কিছুদিন পর আমাদের সাথে সময় কাটানোর জন্য...
মেলবোর্ন যাচ্ছো?
এমনকি আমার বন্ধুরাও ঠিক এইটাই বলে। যেতে হবে বাবা, বাই!
হেই ব্রো! -কী অবস্থা?
অভি, সাবধানে!
আন্টি, যখন বাশা এখানে আছে অভির কিছুই হবে নাহ!
কেমন বললাম বল?
আমি তোর থেকে সাবধানে থাকতে বলেছি!
অপমান, অপমান, আবার অপমান! -চল যাই
হ্যালো, হ্যালো!
তোর নাহ ব্রেকাপ হইলো? -এখনি কি এগুলার দরকার?
যদিও ও শান্ত হয়ে যায়, মেয়েটির অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে নাহ ওরে চুপ থাকতে দিবে!
এটা দেখে ওর অবস্থাও ভালো নাহ!
শুভকামনা রইলো!
হে ব্রো, দেখ ও ইক্কিয়ার সাথে নাচছে!
শালা! তোর সাহস কী করে হলো আমার প্রেমিকাকে ছোঁয়ার?
তোর সমস্যা কি?
ধন্যবাদ!
২৫ বছরের ও বেশি হয়েছে আমি আমেরিকায় এসেছি...
কিন্তু কখনো পুলিশ স্টেশনের চৌকাঠে যাইনি...
আর আজ প্রথমবার গেলাম তাও তোর জন্য!
তোর লজ্জা হওয়া উচিত!
হে! ভালো হবে তুই বের হো।
আমি তাকে আজ মেরেই ফেলবো!
তুই আমার গার্লফ্রেন্ডের সাথে নোংরামি করছোছ। -আমি তোকে ছাড়ছি না!
বের হো, -গায়েত্রী!
আমি তোকে আজ মেরেই ফেলবো!
বেরিয়ে আয় ব্যাটা, বেরিয়ে আয়!
অভি সড়ে আয়!
ছাড় আমাকে, ছাড়!
আমি ওরে মেরেই ফেলবো। মেরেই ফেলবো ওরে। -চল ভাই, চল!
আমি তোকে হাতে পেয়ে নেই। -শালা মূর্খ ইন্ডিয়ান!
চল, চল!
ধ্যাৎ!
সোনা!
সব শয়তান তোর থেকে দূরে সরে যাক!
মা, তুমি এখনো এই পুরনো কুসংস্কারে বিশ্বাস করো?
এটা ধর এবং ভেঙ্গে ফেল!
যা!
স্যার, আপনার বাবা বলেছে সন্ধ্যায় উনার সাথে দেখা করতে।
এখন আবার নতুন করে কি নালিশ করেছো? -আমি কিছুই বলিনি, স্যার!
হেই বাবা, তুমি কি আমায় ডেকেছিলে?
হ্যাঁ অভি, ছোট্ট একটা বিষয়ে তোমার সাথে আলোচনা করার ছিলো!
অভি, তুমি আর এখন বাচ্চা নও।
আমরা সারাদিন বসে তোমার নিরাপত্তার কথা চিন্তা করতে পারবো নাহ।
তারা তোমাকে যেকোনো জায়গায় এবং যেকোনো সময় আক্রমণ করতে পারে!
কিন্তু, বাবা ওরা ভুল ছিলো!
এভাবেও তুমি পরের মাসে মেলবোর্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হচ্ছো।
তাই আমাদের কোনো চিন্তা নেই।
তোমার আর বাসার জন্য এটাই ভালো হবে একমাস ইন্ডিয়া থেকে ঘুড়ে আসা।
আনন্দ করো এবং সেখান থেকে সরাসরি মেলবোর্ন চলে যাবে।
এই সময়ের মধ্যে এখানে সবকিছু মিটমাট হয়ে যাবে।
বাবা ইন্ডিয়া? ইন্ডিয়াতে কি আছে বাবা?
জনসংখ্যা এবং অপরিচ্ছন্নতা ব্যতীত! -বাজে ধারণা বাবা, বাজে ধারণা।
চুপ করো অভি, ভুলে যেও নাহ তোমার বাবা-মা ইন্ডিয়া থেকে এসেছে।
মনে রেখো তোমার আজকে আনন্দের ভিত্তি সেখান থেকেই এসেছে!
বাবা কি রে, ভাই? -তিনি বলছে ইন্ডিয়া যেতে।
ইন্ডিয়া যাও, কে যাবে সেখানে?
"বাফেলো ওয়াইল্ড ওয়াইঙ্গস" এর বার্গার এবং সোডা ছাড়া...
সেখানে ১৪ দিন থাকতে হবে!
নাহ, পারবো নাহ এটা, -পারবো নাহ, ভাই!
ইন্ডিয়া তে যাওয়া বাজে ধারণা ভাই!
বাজে?
তার মানে। -নাহ!
কি হইছে? -এটাতে মেয়নেজ আছে!
কতবার বলেছি আমি র্যাঁশ পছন্দ করি নাহ?
আরেহ, আমি বার্গারের ছেলেটিকে বলেছিলাম। -কিন্তু সে...
ওই, তুই কি করতে যাচ্ছিস?
কি, কি, ওই হ্যালো!
তুই কি এটা ওখানে ছুঁড়ে মারবি?
ওইটা একটা থ্রী পয়েন্টার বাস্কেট ভাই, তুই পারবি নাহ এটা।
বাজি? -৫০ ডলার?
এটাকে ১০০ বানা!
তোর ইচ্ছা!
ওহ আমার ভগবান! -১০০ ডলার
আরেহ সহজভাবে নে। -দে আমাকে!
টাকা নাহ দেয়া পর্যন্ত ও আমাকে ছাড়বে নাহ।
ভাই, প্রত্যেকটা মানুষের এই যেমন জন্মগত প্রতিভা আছে,
ঠিক তেমন মানচিত্রের প্রত্যেকটা দেশের এই একটা প্রাসঙ্গিকতা আছে।
আমরা সেটা আয়ত্তে আনবো।
সন্তুষ্ট হতে পারলাম নাহ ভাই।
হ্যাঁ, দেখ এখানে, ব্রিটিশদের মতো বেতন,
আমেরিকানদের মতো বাড়ি, ইটালিয়ান খাবার এবং ইন্ডিয়ান মেয়ে।
একজন লোক বলেছিলি, এই চারটা একসাথে থাকা মানে স্বর্গ।
কে বলেছে এটা? -রুথারফোর্ড।
তিনি আবার কে?
তিনি কে সেটা কি এখন আমাদের দরকার?
বিষয়টি ভালো এবং শুধু এটা নিয়ে নে, এইটুকুই!
এখন কি বলবো?
হ্যাঁ, এখানের যেইদিকেই তাকাবি, শুধু দুইটা রং দেখতে পাবি,
শ্বেতাঙ্গ এবং কৃষ্ণাঙ্গ!
কিন্তু ইন্ডিয়া এরকম নাহ। সেখানে রং এর ভিন্নতা, মেয়েদের ভিন্নতা ইত্যাদি!
এখানে দেখ, তুমি বিশ্বাস করতাছোছ নাহ কেন?
ওয়াও
দেখ এখানে, মেয়েটা কত কিউট, -ওই, এ তো অভিনেত্রী কাজল, রাইট?
হ্যাঁ, সে ও ইন্ডিয়াতে থাকে, রাইট? -এটুকুই!
আমরা কি এরকম আকর্ষণীয় মেয়ে পাবো?
এর থেকে আকর্ষণীয় মেয়ে পাবি তুই। -বিশ্বাস কর!
কি, তুই বিশ্বাস করোছ নাহ? -আমার কসম, নাহ তোর কসম!
ওই, চুপ কর।
তুই কি নিশ্চিত?
একদম নিশ্চিত!
আচ্ছা, ইন্ডিয়া যাওয়া যাক। -হ্যাঁ!
যখন আপনি বললেন, সামনে দেখো কি হতে চলেছে, আমি বুঝতে পারিনি স্যার!
আপনার সম্মুখে মাথা নত করলাম স্যার!
আপনি ভার্গব স্যারকে সঠিক সময়ে এনেছেন।
ভার্গব বাবু, দীর্ঘজীবী হোন!
ভার্গব বাবু, দীর্ঘজীবী হোন!
ভার্গব বাবু, দীর্ঘজীবী হোন!
ভার্গব বাবু, দীর্ঘজীবী হোন!
ভার্গব বাবু, দীর্ঘজীবী হোন!
ভার্গব বাবু, দীর্ঘজীবী হোন!
ভার্গব বাবু, দীর্ঘজীবী হোন!
ভার্গব বাবু, দীর্ঘজীবী হোন!
আপনি কীভাবে ৩৮ টাকা এক সাধারণ মানুষের চলাচলের জন্য যথেষ্ট...
এ বিবৃতিতে সমর্থন করলেন?
বাবা শুধু উদাহরণ হিসেবে বলছে একজন মানুষ চাইলে এডজাস্ট করে ৩৮ রুপিতে জীবনযাপন করতে পারে,
কিন্তু কখনো উনাকে অপমান করবেন নাহ।
তিনি উদাহরণ হিসেবে যে কথাটা ব্যবহার করেছে সেটাকে ইস্যু বানিয়ে...
টি আর পি অর্জন করলে সেটা ভালো হবে নাহ আপনাদের জন্য।
জনগণ জানে তিনি কি রকম এবং গত ৩০ বছর তাদের জন্য কি করেছেন।
আপনার প্রতিপক্ষ দল বলছে আপনি কিইবা জানেন এখানের রাজনীতি সম্পর্কে...
যখন আপনি দুবাইতে ব্যবসা করছিলেন।
তারা সঠিক, আমি রাজনীতি বুঝি নাহ।
আমি শুধু এখানে এসেছি মানুষের সেবা করতে যারা আমাদের অনেককিছু দিয়েছে।
ধন্যবাদ। -স্যার, স্যার
স্যার, স্যার
নমস্কার স্যার!
নাগেন্দ্র!
বাস্তবের থেকে তোমাকে এখন টিভিতে এবং খবরের কাগজে দেখা যায় বেশি,
ব্যাপারটা কি?
নমস্কার স্যার!
শুধুই তোমার পরিকল্পনা কমিশনের ইস্যুটা নয়,
সাথে তোমার নেতাজি নগরের ক্যামিকেল ফ্যাক্টরীর...
নীরবে এবং ধীরে ধীরে ছড়াচ্ছে!
এখন আমরা কি করতে পারি?
গত নির্বাচনে পার্টি ফান্ডের জন্য আমরা ৩০ কোটি দিয়েছিলাম...
এবং তারা এবারের জন্য ৫০ কোটি চায়।
আপনি যদি এসব ফ্যাক্টরীগুলো চালাতে দিবে তাহলেই তো পার্টি ফান্ডের টাকা দিতে পারবো, তাই নাহ স্যার?
অনেক আগে বাচ্চা দেখেছিলাম, এখনো তেমনি আছে।
ও দুবাইয়ের পাওয়ার প্রজেক্টের দেখাশুনা করে।
আমি বুড়ো হয়ে যাচ্ছি এবং আমার ইচ্ছা ওরে রাজনীতিতে আনার।
এতোদিন আমরা যত সমস্যার মুখোমুখি হইছি সেগুলো যথেষ্ট ছিলো নাহ?
এমনকি আমাদের বাচ্চাদেরকে ও কি সেগুলোর সম্মুখীন হতে হবে?
রাজনীতি আমাদের রক্তে আছে।
আমি সবকিছুর প্রস্তুতি নিয়েই এখানে এসেছি স্যার। -আপনি দেখুন শুধু,
আমি রেকর্ড সংখ্যাগরিষ্ঠতায় এই নির্বাচন জিতবো,
ওহ! তাই নাকি।
আমরা শুধু তোমাকে টিকেট দিচ্ছি আর তুমি রেকর্ড সংখ্যাগরিষ্ঠতার কথা বলো।
দেখে মনে হচ্ছে নাহ তোমার ছেলে এমএলএ পোষ্ট নিয়েই থেমে থাকবে।
হ্যাঁ স্যার, আপনি একদম আমার মুখের কথা ছিনিয়ে নিয়েছেন।
আমি যদি কোনোমতো অর্থমন্ত্রী পদটা পাইয়ে দেন,
বহুবছর আমি আমার ছেলের জন্য ধরে রেখেছি এটা!
অর্থমন্ত্রী?
এমএলএ টিকেট দেয়ার মতো মন্ত্রীত্ব দেয়াটা এতোটাও সহজ নয়।
এমনেই আমার পিছনে অনেক চাপ আছে, তারা আমাকে জ্বালিয়ে মারছে।
স্যার, আপনি আবার মতো এবং যেভাবেই হোক এটা একটু দেখুন।
আচ্ছা, প্রথমে তোমার ছেলেকে বলো জনগণের মধ্যে যেতে এবং কিছু জনপ্রিয়তা অর্জন করতে।
আচ্ছা স্যার।
হতে পারে ওর কোনো অভিজ্ঞতা নেই, -কিন্তু জনপ্রিয়তার কথা বলে,
অন্ততপক্ষে লিস্টে ওর নামটা দেয়া যাবে।
আচ্ছা স্যার।
প্রথমে তাকে এ কাজে যেতে বলো। -এখন যাও!
যাচ্ছি স্যার!
শোনো ভার্গব, এদিকে একবার আসো তো।
জনপ্রিয়তা অর্জন করার মানে এই নাহ যে তোমার আশেপাশে গুটি কয়েকজন থাকা।
-ফিটফাট পোশাক এবং দামী ঘড়ি পরে যেয়ে যদি বলো এটা করবো, ওটা করবো...
এতে জনগণ তোমাকে বিশ্বাস করবে নাহ।
তোমাকে তাদের মধ্যে যেতে হবে,
এবং তাদের বিশ্বাস করাতে হবে যে তুমি ওদের এই লোক,
বুঝেছো?
অনেক লম্বা এবং ক্লান্তিকর সফর রে ভাই। -হ্যাঁ, হ্যাঁ, অনেক ক্লান্তিকর।
মনে হলো যে আমরা এনার্জি পেয়ে গেলাম?
হ্যাঁ, আমাদের সফরে আমি কিছুটা পজিটিভ অনুভব করছি!
হ্যাঁ, অসাধারণ ইন্ডিয়া!
হ্যালো, স্যার।
তাকে জিনিসপত্রগুলা দাও।
দুঃখিত স্যার, আমার দেড়ি হয়ে গেছে।
ওহ, তিনি উনাদের জন্য এসেছে।
এটা ইন্ডিয়া, তারা জানেনা আমরা কারা, তাই এমন ব্যবহার করছে।
আপনারা কি অভি এবং বাশা?
হ্যাঁ, -তাহলে আসুন।
হ্যালো!
আমি নিয়ে যাচ্ছি।
এটা কি? -ডলার!
আমাদের এক ডলার এখানে ৭০ রুপি।
তার মানে সেখানের থেকে ৭০ গুণ বেশি আনন্দ করতে পারবো এখানে।
ইয়েস।
কি ভাই তুমি অডির মতো এতো সস্তা গাড়ি কেনো এনেছো?
হ্যালো ভাই, ওটা আমাদের নয় কিন্তু এটা আমাদের।
ওহ নো। কি বললে?
এটা আমাদের গাড়ি?
ভায়া, নিষ্ঠুর মূর্তি শালা! -আমি তাকে এখনি কল করতেছি!
ভাই, ভাই, বাদ দে। -ইতিমধ্যে আমার ক্লান্ত।
চল আগে হোটেলে যাই এবং তারপর দেখবো নে!
ওই, গাড়িটার কি কোনো ইঞ্জিন আছে নাকি পা দিয়ে ধাক্কা দিয়ে নিয়ে যেতে হবে?
কি সুন্দর রোড রে ভাই। -বিষ্ময়কর।
আমি ভেবেছিলাম ইন্ডিয়া বাজে। -কিন্তু এটার অনেক উন্নতি হয়েছে।
ওহ ভগবান
গর্দভ
এপার্টমেন্টটি অনেক সুন্দর
এটা ভালো দেখাচ্ছে, কিন্তু আমরা এখানে থাকছি নাহ। চলো আমার সাথে।
তাহলে, তুমি গাড়িটা এখানে থামিয়েছো কেনো?
আমরা যেখানে যাবো গাড়ি সেখানে যেতে পারে নাহ। -হেঁটে যেতে হয়, চলো!
কি?
ক্যামিকেল ফ্যাক্টরি সড়িতে ফেলতে হবে
আমাদের স্বাস্থ্য আমাদের অধিকার
সরকারের নেমে আসতে হবে
ক্যামিকেল ফ্যাক্টরি সড়িয়ে ফেলতে হবে
ও প্রতিদিন মদ খেয়ে আসে।
ও বলছে শাকসবজির জন্য কোনো টাকা দিবে নাহ।
কিন্তু প্রতিদিন সকালে মদ খেতে পারে।
এখন আমি কি বলতে পারি?
দেখুন আপনারা!
আর কতদূর যেতে হবে?
ওহ নো! ধ্যাৎ, এগুলো কি?
যদি তোমরা তোমাদের নাক আর কিছুক্ষণ ধরে রাখো,
শুধু দুর্গন্ধই নয় সাথে সাথে তোমাদের জীবন ও চলে যাবে!
এখানে গোবরকে পাশে রেখে রান্না করাটা সাধারণ ব্যাপার।
যে জিনিসগুলো চিড়িয়াখানা থাকা দরকার সেগুলো রাস্তা ঘুড়ছে!
তোমাদেরকে ওই উপরে থাকতে হবে।
কি?
কি বাল
বাবা কীভাবে এতো দায়িত্বজ্ঞানহীন হতে পারে। -দাঁড়াও বাবাকে কল করছি!
কর, কর, তাড়াতাড়ি কর।
ভগবান। -বাবা, ধরো কলটা!
ধ্যাৎ!
এগুলো কি?
ভায়া, আমি ওই নিষ্ঠুর মূর্তিকে কল করছি!
হ্যাঁ, হ্যাঁ, কর।
হ্যাঁ বাবু,
বাবু? এগুলো কি মূর্তি, এটা কি ধরনের জায়গা?
তুমি কীভাবে এরকম বাজে একটা জায়গায় এনে আমাদের ফেলতে পারো?
আমি তোমাকে এখনি বরখাস্ত করার ব্যবস্থা করছি মূর্তি।
বাবু, বাবু, অনলাইনে করতে গিয়ে হয়তো কোনো সমস্যা হয়েছে।
এগুলো কি ছাইপাঁশ অনলাইন?
আমি খুঁজে বের করবো বাবু। হ্যাঁ বাবু। -আচ্ছা বাবু!
ন্যক্কারজনক, ন্যক্কারজনক। -আমরা এখানে থাকছি নাহ।
এখানে থাকো বা চলে যাও এটা তোমাদের ইচ্ছা।
এই নাও চাবি এবং নিজেদের খেয়াল রেখো।
এগুলো কি?
দায়িত্বজ্ঞানহীন মানুষ।
ভাই গোছাগাছ কর!
হেই সিরি, হায়দ্রাবাদ শহরের সেরা হোটেল কোনটি?
হাই স্যার!
হাই, তোমার ভালো নাম কি?
স্যার রত্নমালা!
সুন্দর নাম এবং সাথে হাসিটাও সুন্দর
ধন্যবাস স্যার!
হেই, আমাকে স্যার বইলো নাহ। -আমাকে নিজের বন্ধু ভাবো।
আচ্ছা স্যার।
তুমি কোথায় থাকো রত্নমালা? -লাকড়িকাপুল স্যার!
লাড়কিকা? -লাড়কি নয়, স্যার!
লাড়কিকাপুল নয় লাকড়িকাপুল!
এটা অতোটাও সুন্দর নয়।
রত্না, ম্যানেজার তোমাক ডাকছে। -যাও, যাও!
ওই। কেনো, কেনো?
মাফ করবেন, কি বলবেন বলুন।
আমাদের একটা রুম দরকার।
আপনি যদি এভাবে সরাসরি আসেন এবং রুমের জন্য বলেন,
এটা কোনো সাধারণ হোটেল নয় যে চাইলেই পেয়ে যাবেন।
আপনাকে আগাম বুক করতে হবে। বেচারারা, আশা করি এটা তোমরা জানেন নাহ।
হ্যালো, আপনি কি জানেন কাদের সাথে কথা বলছেন?
আপনি জানেন আমরা কোথা থেকে এসেছি?
কোনো সমস্যা স্যার?
আমরা আমেরিকা থেকে একটা ট্রিপে এসেছি। -আমাদের একটা ভালো রুম দরকার।
যদি জিজ্ঞেস করলাম আছে নাকি, তিনি আমাদের সাথে অভদ্রভাবে কথা বলছেন।
কমলাকার, রুমটা কি বুক হয়ে গেছে?
আমি মনে করেছিলাম তাদের সাধারণ রুমের দরকার স্যার?
তার মানে, তুমি আন্দাজ করেছো?
ঝামেলার জন্য দুঃখিত স্যার, আমাদের কাছে ভালো রুম আছে।
আপনারা এখানে কতদিন থাকতে যাচ্ছেন স্যার?
হ্যাঁ। আমরা এখানে এক মাসের মতো থাকবো,
এবং এটা হবে যদি আপনাদের আপ্যানয়তা ভালো হয়।
আপ্যায়নতায় আমাদের হোটেল সেরা স্যার।
আপনাদের কোনো সমস্যা হবে নাহ স্যার।
আমি কি আপনাদের পাসপোর্ট দেখতে পারি?
আপনারা যান স্যার, -ছেলেদের দিয়ে আমি এগুলো পাঠিয়ে দিচ্ছি!
ধন্যবাদ। -আপনাদের স্বাগতম স্যার।
স্যার!
ধুর, বাবার মোবাইলে কল ঢুকছে না কেন?
হোয়াট'স এপে বয়েস মেসেজ পাঠিয়ে দেই।
বাবা, ম্যানেজারকে যত দ্রুত সম্ভব বরখাস্ত করো!
তুমি কি জানো তিনি আমাদের কি ধরনের রুমে পাঠিয়েছে?
কিন্তু চিন্তা করো নাহ, আমরা ভালো হোটেলে উঠেছি!
হ্যাঁ, কালকে থেকে তোমার ফোনে চেষ্টা করে যাচ্ছি।
তুমি যখন এই মেসেজটি শুনবে, সাথে সাথে কল দিবে। -ভালোবাসি তোমাকে
বাশা। -অভি।
তুই নাহ বলেছিলি মেয়ে এবং ভিন্নতা। -কোথা ভায়া?
হ্যাঁ, এইতো!
এক মিনিট!
হ্যালো, কমলা!
এখানে আসো। -এখানে আসো, আরে আসো!
তার সঙ্গে যা করার কর, আমার সাথে গোলমাল করিছ নাহ!
সবকিছু ঠিকঠাক আছে স্যার?
পুল এতো শুষ্ক কেনো?
যখন এখানে এতো পানি আছে, আপনি কেনো শুষ্ক বলছেন স্যার?
মেয়েরা কোথায়, ব্যাটা?
স্যার, এই দেশ এতোটাও উন্নতি হইনি যে...
মেয়েরা দুই টুকরো বিকিনি পড়ে সুইমিংপুলে নেমে যাবে।
বলো যে তারা তোমাদের হোটেলে নেই!
এটা ছাড়ো কিন্তু এমন কোনো মেয়েদেরকে তুমি চিনো!
স্যার।
স্যার, আমাদের হোটেলে এ ধরনের কোনো সুবিধা নেই।
আর আমিও এ ধরনের মানুষ নই!
ওই, আমি তোমার আশেপাশে ঘুরাঘুরি করা সাধারণ মেয়েদের কথা বলছি।
ওহ এইটা! সাধারণত তাদের মলে পাবেন স্যার।
মল।
তারা ভালো হবে তো? -হ্যাঁ স্যার!
হ্যালো স্যার!
প্লিজ স্যার, -ধন্যবাদ!
ওই, ওই আপনি কি করছেন?
চেক করছি যেটা আপনার কাছে থাকা উচিত নয় সেটা আছে কি নাহ!
এইটুকুই নাকি আপনি এমন কিছু খুঁজছেন যেটা আপনার দরকার?
হেই, সড়ুন!
তুই বলেছিলি ইন্ডিয়ান মেয়ে এবং ভিন্ন রং এর কথা। -মেয়েরা কই রে ভাই?
আমরা সারা মল ঘুড়ছি!
এখন পর্যন্ত একটি মেয়েও আমাদের কাছে আসেনি! -একটাও নাহ।
তারা কি সব মেয়েই তো?
দুঃখিত!
হ্যালো, আমি তোমাদের ভান্থেনা!
এটা দেখছেন আপনারা? উদারা গান্ধী লেহাম!
সময় নষ্টকারী বান্দা!
এগুলো কি?
ওইতো ওখানে!
সেই ভায়া!
এটা আমেরিকা নয় ইন্ডিয়া!
ওখানে যেভাবে সামলাতে, এখানে এভাবে পারবে নাহ!
এটার জন্য তোমাকে ভিন্ন নকশা আঁকতে হবে। -আমাকে গুগল করতে দাও!
কীভাবে মেয়েদের পটানো যায়?
হ্যাঁ। প্রথমটা দেখ। -তাদের সৌন্দর্যের প্রশংসা করো!
এর মানে এই যে তাদের সৌন্দর্যের প্রশংসা করবি শুধু!
দুই। চোখাচোখি, মানে তাদের চোখের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে!
তিন। সেন্স অব হিউমার।
সবসময় হাসতে হবে এবং বাজে জোক্স বলতে হবে, রাইট?
কি, তুই অলরেডি গুগল করে ফেলছোছ?
আরেহ, মেয়ে তো মেয়েই
অভি এসব বিষয়ে গুগলের থেকে ভালো জানে!
দেখ এবং শিখ
তুই একটু বেশিই করতাছোছ!
হাই!
হ্যাঁ, কিছুক্ষণ আগে নিচে তোমার নাচ দেখলাম!
তুমি নাচ খুব ভালো পারো!
আমার খুব পছন্দ হয়েছে। -ধন্যবাদ!
আমাকে জিজ্ঞেস করুন কীভাবে ওজন কমাতে হয়!
-কীভাবে আমি ওজন কমাবো?
হ্যাঁ। আমি বলতে চাচ্ছি এই পণ্য। ওজন কমানো। কিছু তথ্য।
জ্বী স্যার
এটা হচ্ছে ফ্রী নমুনা এবং এটা হচ্ছে কীভাবে আপনি পণ্য ব্যবহার করবেন।
আচ্ছা, যদি পণ্য নিয়ে আমাকে সন্দেহ থাকে তাহলে কীভাবে জিজ্ঞেস করবো,
তোমার নাম্বার পেতে পারি?
হ্যাঁ অবশ্যই, নিন
০৪০!
হ্যাঁ ০৪০!
৪২! -হ্যাঁ ৪২!
৪২। ৪২!
০২। ০২!
৪২। ৪২!
নতুন ক্রেতা হলে ১ চাপুন,
যদি পুরাতন ক্রেতা হোন তাহলে ২ চাপুন!
হ্যালো! এসব কি ১ চাপুন, ২ চাপুন এবং বাকিসব?
স্যার, এটা টোল ফ্রী নাম্বার।
যদি পণ্য নিয়ে কোনো সন্দেহ থাকে তাহলে এই নাম্বারে কল করতে পারেন।
আমি তোমার ব্যক্তিগত নাম্বার চেয়েছি,
কি কারনে?
এভাবেই, -যোগাযোগ রাখার জন্য।
একজন অপরিচিত মেয়ের ব্যক্তিগত নাম্বার খুঁজার...
অভ্যাস আপনার থাকতে পারে,
কিন্তু অপরিচিত কোনো কাউকে ব্যক্তিগত নাম্বার দেয়ার অভ্যাস আমি নেই!
হেই, কী সমস্যা? -আমি শুধুই তো তোমার নাম্বার খুঁজছি।
স্যার, যখন আমি নাহ বলেছি, তার মানে নাহ!
যান এখান থেকে।
আচ্ছা।
কিন্তু তুমি কি জানো, জীবন অনেক সংক্ষিপ্ত এবং পৃথিবী অনেক ছোটো।
কে জানে হয়তো কোনো প্রয়োজনে তুমি আমার নাম্বার খুঁজতে পারো।
জীবনে অনেক কিছুই হতে পারে, -আমরা জানি নাহ।
গর্দভ!
আমি কি বলেছিলাম ভাই? -দেশী মেয়েরা এতো সহজে পটে নাহ!
এ ব্যাপারে আমেরিকায় কাউকে বলবে নাহ, -আমার ইজ্জত ধুলোয় মিশে যাবে!
মেয়েটা কি আমাকে প্রত্যাখান করেছে, ভাই? -আমি মেয়েটিকে প্রত্যাখান করবো!
করে ফেল!
এটা ভালো হবে। ভাগ্য।
ভাই, বিশ্বাস কর আমাকে।
এই চেন্নাই এবং হায়দ্রাবাদের মেয়েদের সাথে গড়বড় কাজ দিবে নাহ।
আমাদের পাগলের মতো পার্টিতে আনন্দ করা দরকার, গোয়া।
তোর জন্মদিন গোয়াতে হবে।
স্বাগতম স্যার। -হাই!
আমার নাম অরভিন্দ এবং এ হচ্ছে আমার ভাই। -বাশা!
দয়া করে বসুন।
হ্যাঁ, দয়া করে বলুন আমি আপনাদের জন্য কি করতে পারি?
আমরা গোয়া ঘুড়তে চাচ্ছি,
ওহ, এটা খুব সুন্দর জায়গায় স্যার।
আমরা আগে দেখে নেই এবং তারপর বলবো স্যার!
দুঃখিত, কোন গাড়িটি দরকার আপনাদের?
গাড়ি। ফেরারী।
নাই ভাই, পর্সছ ভালো হবে। -নাহ, ফেরারী খুব দ্রুতগতিসম্পন্ন।
এটা ইন্ডিয়া ভাই, এখানে এসব সম্ভব নয়।
যদি পর্সছ হতো। -ফেরারী!
স্যার, দয়া করে ঝগড়া করবেন নাহ। -এই দুইটো কারের একটিও নেই আমার কাছে।
নেই, তাহলে কি আছে আপনাদের কাছে?
রেঞ্জ রভার আছে আমাদের কাছে স্যার।
কি? ধুর। ওহ ভগবান। -রেঞ্জ রভার।
ভাই, রেঞ্জ রভার বড় গাড়ি। -বেশি মেয়ে আঁটবে এটাতে।
হ্যাঁ!
আচ্ছা আমরা রেঞ্জ রভার এই নিবো।
স্যার, -হেই, ধন্যবাদ।
আপনার অগ্রিম কিছু টাকা দিতে হবে স্যার।
আমি যদি পুরো টাকা দিই তাহলে কোনো সমস্যা হবেম
নাহ স্যার।
স্যার, কার্ডটি কাজ করছে নাহ।
এটা চেক করুন।
আমার ইন্ডিয়ান কার্ড।
এটা দিয়ে চেষ্টা করুন।
এটাও কাজ করছে নাহ।
সিটি ব্যাংক, অসীম টাকা!
আমার মনে হচ্ছে ব্যাংকে কোনো সমস্যা হয়েছে।
গাড়ি তৈরি করুন। -আমরা এক ঘন্টার মধ্যে আসছি।
স্যার, চাবি!
আমাদের কোম্পানির নীতিমালা স্যার!
এমনকি ব্যাংকের এপ ও কাজ করছে নাহ ভাই। -ধুর!
শুনুন ড্রাইভার। -বলুন!
এরকম যানবাহনে সিট বেল্ট লাগানো হয়নি কেনো?
সিট ব্যাল্ট? -কী প্রশ্ন টাই নাহ করলে, ভাই!
যদি গর্ভবতী মহিলারা তোমার অটোতে উঠে,
আমার মনে তাদের হাসপাতালে যাওয়া লাগবে নাহ?
ঝাঁকাঝাঁকিতে এখানেই বাচ্চা প্রসব করে ফেলব্ব!
ম্যাম, মনে হচ্ছে উনাদের প্রবাসী একাউন্টে সমস্যা দেখা দিয়েছে...
এজন্য আপনার সাথে দেখা করতে এসেছে।
স্বাগতম স্যার।
দয়া করে যান
হ্যালো স্যার, আমি হচ্ছি ম্যানেজার।
হাই, আমি অরভিন্দ। -আমি অঞ্জলি!
দয়া করে বলুন আমি আপনাদের কীভাবে সাহায্য করতে পারি?
আমরা আমেরিকা থেকে এসেছি,
এখানে ছুটি কাটাতে এসেছি এবং আমার কার্ড করছে নাহ।
আচ্ছা, কার্ডটা দিন দয়া করে।
এখনি দিচ্ছি আমি!
হ্যাঁ। -ধন্যবাদ!
কোনো কারিগরিক ত্রুটি হতে পারে। -আমি ঠিক করে দিচ্ছি!
অবশ্যই
ব্যাংক একটি নতুন বিনিয়োগ পরিকল্পনা শুরু করেছে।
আপনি কি আগ্রহী?
কেনোই বা হবো নাহ?
ধন্যবাদ
ভেঙ্কাট, ঠান্ডা ড্রিংকস নিয়ে আসো।
মেয়েটা খুব সুন্দর ভাই। -আমার বাগদান হয়ে গেছে।
ওহ, আমি দুঃখিত।
বিদ্যিয়া প্রসাদ কে?
আমার বাবা। এটা তার একাউন্ট।
আচ্ছা। আপনার একাউন্টের সব টাকা একসাথে উত্তোলন করে ফেলা হয়েছে।
দুঃখিত।
একাউন্টের ব্যালেন্স শূণ্য।
কি?
নাহ, ওখানে কিছু সমস্যা আছে হয়তো, আমি ইন্টারনেটে চেক করে দেখছি।
নাহ
নাহ
এক মিনিট
যেকোনো সময় আপনি আমাদের সেবা পেতে পারেন।
আসার জন্য ধন্যবাদ। -ধন্যবাস!
ওই, এখানের ম্যানেজার কে রে?
ভাই, আমার মনে হচ্ছে আঙ্কেল ঋণে আছে।
বাবার জন্য ঋণ। হতেই পারে নাহ।
আচ্ছা। -এক মিনিট। বাবা কল করেছে।
বাবা, একাউন্টে কোনো টাকা নেই কেনো?
আমি উত্তোলন করে ফেলেছি, কারনে এখন সেখানে এতোগুলো টাকার কোনো প্রয়োজন নেই।
ফাইজলামি করা বন্ধ করো বাবা। -তাড়াতাড়ি টাকা পাঠাও!
আমি তোমাকে পাঠাবো। -আমি তোমাকে ৫ হাজার পাঠাবো!
৫ হাজার ডলার?
এটাতে শুধু আমাদের হোটেলের বিল হবে,
আমি বলিনি যে ৫ হাজার ডলার পাঠাবো। -৫ হাজার রুপি বলেছি!
বাবা, আমাদের সাথে ফাজলামি করা বন্ধ করো!
তুমি কি বুঝতে পারতেছো তুমি কি বলছো?
আমি পরিষ্কারভাবে বলছি অভি, তোমাকে বুঝতে হবে!
হায়দ্রাবাদ আমেরিকা নয়। সেখানে জীবনযাপনের খরচ অনেক কম।
এমনেও তোমাকে বাড়ি ভাড়া দিতে হবে নাহ,
এবং এভাবে মাসে আমি ৫ হাজার রুপি পাঠাবো তোমাদের খাবারদাবারের জন্য।
প্রতি মাসে। আমি বুঝে গেছি।
আমি তোমার পুরো পরিকল্পনা বুঝে গেছি।
ভালো খেলেছো বাবা, ভালো খেলেছো!
তুমি কী ভেবেছো তুমি যদি টাকা নাহ পাঠাও তাহলে আমি আমেরিকা আসতে পারবো নাহ?
আমি ২ দিনের মধ্যে আমেরিকায় ফিরছি। -২ দিন, শুধু দেখতে থাকো!
কী হয়েছে ভাই, -ঋণ ছিলো, রাইট?
ওই, তুই বুঝতেছিস নাহ কেনো? -এই পুরো ইন্ডিয়া ট্রিপটা ফাঁদ ছিলো!
বাবার মহাপরিকল্পনা ছিলো, সে ব্যাংক থেকে সব টাকা উত্তোলন করে ফেলেছে!
কি?
তুই বলেছিলি মেয়ে এবং ভিন্নতা।
ওহ আমার ভগবান।
আমরা ফেঁসে গেছি ভাই, -ফেঁসে গেছি!
স্যার, ফালুদা পিলাডেল্পিয়া!
হাই প্রণয়ী, হুম। তুমি জানো আমি মহা ঝামেলায় পড়েছি। আমার কিছু টাকার দরকার।
তুমি কি আমাকে কিছু টাকা ধার দিতে পারবে?
নাহ অভি, আমি তোমাকে এখন টাকা ধার দিতে পারবো নাহ।
ধ্যাৎ!
আমাকে কল করার সাহস যেনো আর কখনো না হয় তোমার।
তুমি কি আমাকে মাত্র ৫ হাজার ডলার ধার দিতে পারবে নাহ?
সরি অভি, আমি পারবো নাহ।
বদমাশ একটা।
হ্যালো অভি। -মা!
কেমন আছোছ সোনা?
হ্যালো!
আমি ওর সাথে রেগে এরকম করছি নাহ গায়েত্রী!
তাকে পরিবর্তন করতে হলে, আমাদের কিছুদিন ওরে ভুগাতে হবে!
তুমি যদি এখন তাকে সাহায্য করো, তাহলে সারাজীবন অনুতাপ করবে।
এটা ভাবো!
মূর্তি। -বলুন স্যার।
আমি তোমাকে একটা বাম্পার অফার দিবো যেটা তুমি ফেলতে পারবে নাহ।
আমেরিকার টিকিটের জন্য আপনাকে টাকা পাঠাতে হবে, তাইতো স্যার?
স্যার, শুধু আমিই নাহ...
আপনার বাবা সবাইকে বলে দিয়েছে যে আপনাকে টাকা নাহ দেয়ার জন্য।
বাবা!
ভায়া, তোর মা হয়তো আমাদের সাহায্য করতে পারে। -কল কর তাকে!
হ্যাঁ, মা।
হেই জর্জ। আমি তোমার। -হ্যাঁ কে তুমি?
তোমার স্ত্রীর ছেলে বলছি।
ফোনটা কী আমার মা কে দিতে পারবে?
নাহ, সে এখানে নেই।
সে ওখানে নেই কেনো?
সে আমাকে তালাক দিয়েছে।
সে তোমাকে তালাক দিয়েছে? -হেই, কবে?
তিন দিন আগেই
তিন দিন আগে। তুমি তারা স্বামী হিসেবে যোগ দিলে মাত্র ১ সপ্তাহ আগে, রাইট?
আচ্ছা, কান্নাকাটি কইরো নাহ!
আচ্ছা, তোমার কাছে কি আমার নতুন বাবার নাম্বার আছে?
গর্দভ। তোর সাহস হলো কীভাবে আমাকে এটা জিজ্ঞেস করার।
আচ্ছা!
ওহ। ওহ আমার গোমতী!
-আমি নিচে থাকবো। তুই এখান ব্যাগগুলো ছুঁড়ে মারিছ।
আমি কি আপনাদের সাহায্য করতে পারি?
ওহ নো!
হ্যাঁ!
এখানে অনেক ধুলা এবং শ্যাওলা রয়েছে। -হাই কমলা!
নাহ, নাহ। ধন্যবাদ।
আপনারা এখানে কি করছিলেন স্যার?
আমরা ক্যাচ প্রেক্টিস করছিলাম
যদি আমি নাহ আসতাম তাহলে হয়তো আপনারা দৌঁড়ানোর প্রশিক্ষণ ও নিতেন, তাই নাহ স্যার?
রাতে দৌঁড়াবো? -তুমি আসলেই পাগল কমলা!
কমলা নাহ, কমলাকার বলো!
ম্যানেজার কমলাকার
২ লাখ বিল হয়েছে, টাকা পরিশোধ করো!
২ লাখ রুপি?
এখন আমাদের কাছে এতো টাকা নেই। যদি ২ দিন সময় দেন, আমরা দিয়ে দিবো।
ভাষ্কর! -স্যার।
পুলিশকে কল করো। -আচ্ছা!
ওই একমিনিটি, দাঁড়ান। -এখন পুলিশ কেনো ম্যানেজার স্যার?
একটু দাঁড়ান
এইগুলো অনেক দামী গ্যাজেটস। -টাকার বদলে এগুলো নিয়ে নিন।
তোমরা কি এটাকে পাঁচতারা হোটেল ভাবো নাকি বন্ধকী দোকান যে ১০ বা ২৫ টাকা ধারের জন্য কিছু বন্ধক রাখবে?
এখন আমরা কি করবো?
তোমাদের আমেরিকান পাসপোর্টগুলো এখানে আছে?
ওগুলো এখানে রাখো, টাকা পরিশোধ করো এবং ওগুলো নিয়ে যাও।
পাসপোর্ট? -হতেই পারে নাহ ভায়া!
ভাষ্কর। -স্যার।
পাসপোর্টগুলো!
ভাষ্কর কল লাগাও। -হেই নাহ, এক মিনিট। কাটুন কাটুন।
তিনি পাসপোর্ট চাচ্ছে কেন ভাই? -আমাদের কী দিয়ে দেয়া উচিত?
চল খুঁজ
ইতিমধ্যে ১ ঘন্টা হয়ে গেছে আমরা খুঁজছি!
ওই দিন আমি অহেতুক এটা ছুঁড়ে মেরেছি।
ভাই, তুই এইটা রাস্তায় ছুঁড়ে মারলি নাহ কেন?
ইন্ডিয়ানরা সাধারণত এসব জায়গায় মূত্র বিসর্জন করে।
আমি শুনেছি। -ধুর।
গর্দভ
তোমরা কি এটা খুঁজছিলে?
কার আওয়াজ রে এইটা?
হ্যাঁ, এইটাই। -হ্যাঁ, এইটাই।
হ্যাঁ, এ তো চমৎকার!
আমার সোনামণি। -আমাকে দুই রুপি দাও।
বিষাক্ত চরিত্র -ওরে দুই রুপি দে!
এই নাও ২০ রুপি। -চল, দে!
নাহ, ২ রুপি।
২ রুপি?
এই নাও ২ রুপি, -দাও!
খুব ভালো মেয়ে, চলো!
ওই, কোন গর্দভেরা রে?
কি, তোরা কারা? -বাচ্চাটিকে অপহরণ করতে এসেছিস?
ওই যাদব। -ওই! ওই, না, নাহ দাঁড়াও
আমরা এই এলাকায় নতুন এসেছি।
ওহ, তোমরা কি তারা যারা ওই বাড়িটায় এসেছো?
আগে বললে নাহ কেন?
যে কেউই ওই বাড়িতে আসে তারা আমার গভীর বন্ধু হয়ে যায়।
এটাই আমি!
যাইহোক, আপনি কে?
মাল্লেশ। ছিঁচোড়া -মাল্লেশ, তোমাদের প্রতিবেশী।
ওহ, তাই। ও হচ্ছে বাশা এবং আমি অভি। -আচ্ছা, আসো, আসো!
যদি এলাকার কেউ যদি তোমাদের সাথে সমস্যা করে ছিঁচোড়া মাল্লেশের নাম বলবে!
যদি এলাকার কেউ যদি তোমাদের সাথে সমস্যা করে ছিঁচোড়া মাল্লেশের নাম বলবে!
সবাই আমাকে ভয় পায়।
জানো সম্প্রতি পূজোয় আমি ২০ জনকে মেরেছি।
অভি, চাবে দে। -তারা এখনো হাসপাতালে!
বেচারার অনেক কেঁদেছিলো।
আমার হাতে প্রচুর শক্তি আছে।
ওহ আমার ভগবান। -চুপ করো।
কোনো চুপ নয়, শুধু খুলাখুলি। -সড়ে যাও।
জয় বাজারাঙ্গি ভাইজান
যাও, যাও।
যদি রুমের এই অবস্থা হয়, তাহলে ওটার কি অবস্থা হবে?
ভাই, বাথরুম পশ্চিমাদের মতো নয় এবং সেখানে কোনো ঝর্ণা ও নেই। (পশ্চিমা বলতে ইউরোপ দেশকে বুঝিয়েছে)
তুই কি বলছিস ভাই? -দেখ, এইতো এখানে আমাদের এসি!
ওইখানে দেখ। -এটা হচ্ছে মাইক্রোওয়েভ।
ওইতো ওয়াইন চিল্লার। -ওয়াইন?
এবং এটা। এটা হচ্ছে আমাদের হোম থিয়েটার সাথে নেটফ্লিক্স এবং এমাজন তো আছেই।
ওরে ওরে
হেই, ব্লুথের স্পীকারের সমান মানুষের জন্য মস্ত বড় বিছানা!
বাহ বাবা, বাহ খুব সুন্দর জায়গা।
তুমি আমাকে এতো বিলাসবহুল জায়গায় রাখবে এটা আশা করিনি।
ভায়া, দেখে মনে হচ্ছে তুমি খুব খুশি?
তোমার বাবার ঠিক করা বাসাটা কী এতোই ভালো লেগেছে তোমার?
হেই, রং চা?
৯০!
কি?
হ্যাঁ এটাকে বলার হয় গরীবের দামী ড্রিংকস, ধনী মানুষদের প্রিয় ড্রিংক!
কিছু হবে নাহ, গিলে ফেলো।
কড়মড়ের রাজা, "আমের আচার"!
চাটো, চাটো!
ঝাল। -ওহ নো।
হেই, পান করো, পান করো।
চিন্তা করো নাহ, পান করো। হুম, কেমন এটা?
খুব ভালো জিনিস ব্রো। চিয়ার্স।
চিয়ার্স। -চিয়ার্স।
আচার নাও!
প্রথমবার। আরেকটু। -সমস্যা নেই, নাও।
গিলে ফেলো!
প্রথম বার। আরেকটু দাও।
গিলে ফেলো।
ওই, এটা কী ভাই? -তুমি নাহ বলেছিলি, বন্ধু?
হ্যাঁ, হ্যাঁ, বন্ধু, বন্ধু!
দেখো ভাই, যদি হায়দ্রাবাদে কোনোকিছুর দরকার হয় তাহলে আমাকে বলবে।
বিদেশী ড্রিংকস, দেশী মদ, বিরিয়ানী যেকোনো কিছু।
শুধু এগুলোই নয়, ভোটার আইডি কার্ড, প্যান কার্ড,
বিয়ের কার্ড, মেমোরি কার্ড। -আমি যেকোনো কিছুর বন্দোবস্ত করি!
মাল্লেশ, ছিঁচোড়া মাল্লেশ।
“America. My America, I’m missing you a lot”
“Not knowing my future in slum and this dust”
“When the bad time hit me with a bat”
“My destiny flew and jumped into dustbin”
“America. My America, I’m missing you a lot”
“Not knowing my future in slum and this dust”
“Happy, happy life is killed”
“Colourful frame became dull”
“Oh no, oh God, no”
“How was I and how am I now?”
“Cyclone so coming on a bicycle” “It’s like swept away all my happiness”
“Oh no, oh God, no”
“How was I and how am I now?”
ওই, তোমরা এখানে কি করছো? -স্যার, স্যার, শুধু এক মিনিট।
বের হো, বের হো।
ওই, বের হো।
“My life turning to doldrums from dad’s kick”
“Café at the street corner asked to spend life with tea and bun”
“Cheap and best blanket isn’t stopping the cold”
“Prestige is turned into zero of the Audi car”
“So long is the bill and bank balance is nil”
“What’s this hell with troubles in queues?”
“America. My America, I’m missing you a lot”
“Not knowing my future in slum and this dust”
এখানে সিমের একদমই নেটওয়ার্ক নেই ভাই।
ওইখানে দেখ ওয়াফাই আছে।
ওহ। উনাকে জিজ্ঞেস কর।
একটু শুনুন স্যার, -স্যার, এখানে কি ওয়াফাই আছে?
হ্যা, কেনো? -হ্যাঁ উনার আছে।
আমরা কি এক ঘন্টার জন্য ব্যবহার করতে পারি?
ওই গর্দভ কি বললি তুই? -তোর সাহস হলো কি করে?
শুধু এক ঘন্টা, স্যার।
ভাই আপনি রেগে যাচ্ছেন কেনো, এর জন্য আমরা টাকা দিবো।
আমার বউয়ের জন্য তুই টাকা দিবি?
আপনার বউ নাহ, আমার ওয়াফাই দরকার। -আমি তোদের মেরেই ফেলবো।
“Fate collapsed at once like the flight with broken wings”
“Gate is closed at once for my luxuries”
“Like the golden spoon in hands dropped into drainage”
“Comfort is buffering and suffering everyday”
“Dance in the pub and girls on the side”
“Where’d they be when there so many hurdles beside?”
“America. My America, I’m missing you a lot”
“Not knowing my future in slum and this dust”
“Oh no, oh God, no”
“How was I and how am I now?”
সাব্বাস
স্যার
বসুন। -ধন্যবাদ, স্যার।
কি কমিশনার স্যার, আপনি বললেন গোপনীয় কিছু নিয়ে আলোচনা করতে চান?
সমস্যা নেই, বলুন।
ভালো হবে আপনি ক্যামিকেল ফ্যাক্টরী ইস্যুটার...
সমাধান নিয়ে ভাবুন স্যার।
তারা র্যালি এবং অনশন করছে,
জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি হচ্ছে স্যার।
ইন্টেলিজেন্সের তথ্য বলছে নির্বাচনের সময়...
এটা আপনার ঘাড়ে এসে পড়বে স্যার।
যখন ক্যামিকেল ফ্যাক্টরী থেকে তাদের জীবনের হুমকি রয়েছে,
তারা আমাদের জন্য উপবাস নাহ রেখে অনশন করছে?
তোমার ইন্টেলিজেন্সের নতুন নামকরণ করো, -নতুন কিছু বলো কমিশনার।
জনগণ অনেক ভালো কমিশনার।
যদি তারা পানি নাহ পায়, যদি তাদের স্বাস্থ্য ভালো নাহ থাকে,
কোনো চাকরি নাহ পায়, যখন বিপদে পড়ে,
তারা মন্দিরে যাবে এবং ভগবানের কাছে প্রার্থনা করবে...
কিন্তু কখনো এমএলএ কিংবা এমপি'র কাছে যাবে নাহ!
আমরা তাদের জন্য ৫ বছরে যা করি তার চেয়ে বেশি তারা মনে রাখে...
প্রতি নির্বাচনে তাদেরকে যত টাকা দেই তার কথা।
আমাদের তাদের সমস্যাগুলোর ব্যাপারে গম্ভীরভাবে ভাবার দরকার নেই,
যেটা তারাও কখনো গম্ভীরভাবে নেয় নাহ।
এখন আমার লক্ষ্য হচ্ছে নির্বাচনের জন্য টাকা।
আমি এসব আন্দোলন কিংবা অন্যান্য ইস্যুর পরোয়া করি নাহ।
আর কিছু, কমিশনার?
আমিও এখানে এই একই কথা বলতে এসেছি স্যার, -আমি এখন যাই স্যার।
কমিশনার
তোমার ইন্টেলিজেন্স কে জিজ্ঞেস করো যদি সম্ভব হয়...
বের করতে বলো যে জিততে হলে প্রতি ভোটে আমাকে কত করে দিতে হবে এবং এতে আমার কাজ আরো সহজ হয়ে যাবে।
ভাই সে থেমেছে।
সে কি থেমেছে? ধন্যবাদ আপনাকে।
ওই, থামো ভাই থামো।
ওই, টাকার সাথে সাথে কি আপনিও অন্ধ হয়ে গেছেন নাকি?
এসব কথাবার্তা আমাদের সাথে যায় নাহ, ভাই।
অভি তুই ঠিক আছোছ?
তুই ঠিক আছোছ ভাই?
ভাই, বল আমাকে কি হয়েছে?
আহারে বেচারার পা মচকিয়ে গেছে।
এখন কীভাবে ছেলেটা চলাফেরা করবে,
তুমি? -ওইদিন তোমার নাম্বার চাওয়ায় আজকে এভাবে জোরে ধাক্কা দিয়ে মনে ঝাল মিটাচ্ছো?
এমনকিছুই নাহ, আমি দেখতে পায়নি!
কি তুমি দেখতে পাওনি? -আরেহ ভিতরে প্রচুর রক্তপাত হচ্ছে।
আমি সন্দেহ হচ্ছে এম্বুল্যান্স আসার আগে ও বাঁঁচবে কি নাহ।
এম্বুল্যান্স নাহ, পুলিশকে ডাক দে।
হ্যাঁ পুলিশ, -প্লিজ স্যার, প্লিজ।
এখন পুলিশ কেনো? -এতে সমস্যা হতে পারে।
এটা মামলা হওয়া দরকার, তুই ডাক দে। -পুলিশ, পুলিশ।
শুনুন। শুনুন।
প্লিজ স্যার, প্লিজ! -যদি প্রয়োজন হয় আমরা মিটিয়ে ফেলতে পারি।
কি মিটিয়ে ফেলবে?
আপনি তো জানেনই, কিছু টাকা দিয়ে...
তুমি কি আমাকে ঘুষ দেয়ার চেষ্টা করছো? ইন্ডিয়াতে কি সবকিছুতে ঘুষ দেয়া হয়?
আপনি এমন কেনো ভাবছেন?
চিকিৎসার জন্য টাকা দিচ্ছি এমন কেনো ভাবছেন নাহ?
তুমি টাকা দিবে আমাকে? হু, -তুমি টাকা দিবে আমাকে?
হে!
কত দিবে তুমি?
৩ হাজার?
আরেহ, মাথা ফেঁটেছে ভাই। -ওহ ভগবান মাথা ফেঁটেছে!
আচ্ছা, আচ্ছা।
৪ হাজার, আমি ৪ হাজার দিলে হবে?
৪ হাজার! -নাহ, ভিতরে রক্তপাত হচ্ছে।
আমেরিকান শরীর ম্যাম।
প্লিজ স্যার, আমার কাছে শুধু ৫ হাজার আছে। -আমার কাছে এর থেকে বেশি নেই।
কত?
তুই হ্যাঁ বললি?
দেখো, তুমি টাকা দিয়ে আমার ব্যাথা কিনতে পারবে নাহ।
যেহেতু আমরা ভদ্র ছেলে তাই ইস্যুটা এখানেই শেষ করে দিচ্ছি,
আমরা টাকা নিচ্ছি।
দাও। -আচ্ছা, ধন্যবাদ। এক সেকেন্ড দাঁড়ান।
যাও, যাও, যাও।
কি খবর ভাই?
কি?
তুই নাহ বলেছিলি আমি দেশী মেয়েদের সামলাতে পারবো নাহ?
তুই এটা দেখলি, ৮০ ডলার ভাই। -৮০ ডলার!
আমরা এর আগে ঘুষ দিয়েছিলাম এবং এখন ঘুষ নিচ্ছি!
ইন্ডিয়ায় স্বাগতম ভাই
গত সপ্তাহে আমরা এখানে কোথাও ছিলাম। -এখন নাহ বলিছ নাহ।
আমরা ৫ হাজার রুপি পাচ্ছি রাইট? -আমি বিয়ার পান করবো ভাই।
ধুর! এতো লোভী হইছ নাহ, -ব্র্যান্ডের টা নিবো!
আরে, নাহ, নাহ এতে অনেক খরচ হবে।
ওই, তুমি চলে যাচ্ছো কেন? -ওই, হ্যালো তুমি! থামো বলছি। থামো।
ধ্যাৎ!
বাবা!
হ্যালো বাবা!
অভি, তোমাকে আমার একটা জিনিস বলার ছিলো!
বাবা, প্রথমে আমি কি বলি সেটা শুনো।
আমার কাছে ওই টাকাটাও নেই যে তোমাকে কল করবো এবং তোমার সাথে কথা বলবো।
আমি টাকার মূল্য বুঝি সাথে জীবনের মূল্যও বুঝি।
এখন থেকে তুমি যাই বলবে আমি সেটাই শুনবো!
আমি আমার এমবিএ করবো বাবা।
আমিও এইটাই ভাবছি।
এই কারনে আমি তোমাকে এবং বাশাকে এমবিএ তে ভর্তিও করিয়ে দিয়েছি।
হুহ ধন্যবাদ
এমবিএ কোথায় করবো, আমরা যেরকম ভেবেছিলাম লন্ডন স্কুল অব ইকোনোমিকস নাকি মেলবোর্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে?
এলসিই ঢুকাটা অনেক কঠিন। -কিন্তু যদি আমরা চেষ্টা করি, তাহলে পারবো।
অভি, তুই যেরকম ভাবছিস তেরকম নাহ, আমি লন্ডন কিংবা মেলবোর্নে ভর্তি করিনি তোদের।
ইন্ডিয়াতে করিয়েছি।
কি ইন্ডিয়া?
অভি, পড়ালেখার জন্য ইন্ডিয়া থেকে সেরা জায়গা আর কোথাও নেই।
দেখ, তোর জন্য আমেরিকায় ফিরে আসতে হলে,
এমবিএ শেষ করে তারপর আসতে হবে।
আমি তোদেরকে নাভা ভারত গ্রুপ অব ইন্সটিটিউশনে ভর্তি করিয়েছি...
এবং সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করেছি।
আরো একটা মনে রাখ,
আমি আমার কথা অনুযায়ী মাসে ৫ হাজার রুপি পাঠাবো যদি,
তোদের উপস্থিতি ঠিকঠাক থাকে তবেই।
বাবা, শ্রমকৃষি মুভির চিরঞ্জীবীর মতো নিজেকে মহৎ ভেবো নাহ।
আমাকে বিপদে ফেললেই আমি পরিবর্তন হয়ে যাবো এটা ভেবো নাহ।
আমি ধনী হয়ে জন্মেছি, ধনী হয়ে বেড়ে উঠেছি এবং মরবোও ধনী হয়ে।
আমি ইন্ডিয়ার কোনো কলেজে যাচ্ছি নাহ। বাই!
হেই!
গেছে, সব গেছে।
মাত্র ৫ হাজার দিয়েই মনে হচ্ছে ইন্ডিয়াতেই এমবিএ করতে হবে,
কি ধ্যাৎ!
ধ্যাৎ!
ওই, তুমি এতো দামি ফোন নিচে ছুঁড়ছো কেন?
তোমার মাথা কি আছে নাকি গেছে?
ওই, চুপ করো, যাও এখান থেকে।
ভায়া, ড্রিংক ভাগাভাগি করলে যেমনি চাঙ্গা আসে,
তেমনি সমস্যা ভাগাভাগি করলে সমাধান আসে।
যখন আমি আমার হাত ব্যবহার করি তখন ব্যথা আসে!
আরেহ এতো রেগে যেয়ো নাহ ভাই,
তোমার কাহিনী বলো আমি সমাপ্তি নির্ধারণ করবো।
আমার তিন লাখ রুপির দরকার, তুমি কি দিতে পারবে?
তিন লাখ, কিসের জন্য?
তোমার কারণের কি দরকার, তুমি কি দিতে পারবে?
আমি তোমাকে দিতে পারবো নাহ....
কিন্তু আমি অন্যজনের থেকে ধার করতে দিতে পারি!
তুমি?
ভগবান, তুমি জানো নাহ কোথায় কোথায় আমার হাত আছে।
মুদ্রাহিতকরণের সময়...
আমি ৪০ লক্ষ কালো টাকাকে ৪ কোটি সাদা টাকায় পরিণত করেছি।
এবং এটাই হচ্ছে ছিঁচোড়া মাল্লেশ।
যদি তুমি আমার হাতে ১ লাখ রাখো, আমি তোমাকে ৩ লাখ হস্তান্তর করবো,
কি বলো তুমি?
আমি কি বিশ্বাস করতে পারি?
বিশ্বাস কইরো নাহ, আমি শুধু সাহায্য করতে চেয়েছিলাম। -আমার কি তাতে, ভাই?
মাল্লি, মাল্লি!
নাহ
নাহ, -রাজি!
কি ভায়া, এতো সময় লাগালে কেন?
আই-প্যাড, ল্যাপটপ এবং বাকিসব বিক্রি করে টাকা পেতে সময় লেগে গেছে।
এই নাও!
চলো আসো।
দিদিমা, ভালো আছো?
মাল্লেশ?
এই দিনগুলিতে তোকে দেখা যাচ্ছে নাহ কেনো?
কি এই দিন, এক বছর ধরে তুমিই তো কিছু দেখতে পাও নাহ।
এই জন্যই তো তারা তোমাকে চশমা কিনে দিয়েছে।
যাইহোক, এরা আমার অনেক কাছের বন্ধু।
তারা আমেরিকা থেকে বিমানে এসেছে শুধু আমার জন্য।
হ্যালো দাদিমা!
হ্যালো।
তোমরা এখানে থাকো, আমি যাবো আর আসবো।
একটু টাইমপাস করি,
আরেহ!
তুমি কীভাবে বুঝলে?
এটা কী তোমরা? -তাহলে?
আমি মনে করেছিলাম অন্য কেউ তাই মেরেছি।
এটা আমরাই দাদিমা। -আমরাই।
স্যার।
কি হয়েছে? ইয়েস!
হ্যাঁ, চরম।
তাকে দেখে অন্যরকম মনে হচ্ছে।
এই নাও তিন লাখ।
তোমাকে ধন্যবাদ ভাই,
আমি সারাজীবনেও তোমাকে ভুলতে পারবো নাহ।
কি ভায়া, এতো ছোটো জিনিসের এতো উত্তেজিত হচ্ছো।
হাবাগোবা বিদেশী! যাও, যাও এবং এগুলো দিয়ে পার্টি করো।
এগুলো পার্টির জন্য নয় ভাই।
বিষয় হচ্ছে, আমি এবং বাশা আমাদের মা-বাবাকে খুব মিস করছি।
এই কারনে, আমেরিকা যেতে চাই,
এবং একবারের জন্য তাদের দেখতে চাই।
চল, এয়ারপোর্টে যেয়ে টিকেট কিনতে হবে।
হ্যালো, এদিকে আসো।
কি, তোমরা এই টাকাগুলো দিয়ে আমেরিকা যাবে?
ওহ আমার দেবী পেদ্দাম্মা!
কি?
এগুলো জাল টাকা। জাল।
কি? জাল টাকা?
এগুলো কি?
তাহলে এক লাখ দিয়ে সাথে সাথে তিন লাখ মানে এই জাল টাকা পাওয়া।
কি? আমরা ফেঁসে গেছি ভাই।
যদি এখন পুলিশ আমাদের ধরে তাহলে আমরা কেল্লাফতে।
এগুলো দিয়ে আমরা কি করবো, মাল্লি?
আমি কি জানি ভায়া?
আমি ভেবেছিলাম তোমরা পাবসে যেয়ে আনন্দ এবং পার্টি করার জন্য খুঁজছিলে।
ওহ নো
মাল্লি, আমি জানি তুমি কি করবে। -এগুলো ফিরিয়ে দাও এবং আমাদের টাকা নিয়ে আসো।
দেখো ভাই, এটা অনেক বড় ব্যবসা।
একবার টাকা গেলে সেটা আর ফিরে আসবে নাহ।
এগুলা কি?
আমরা ভালো করে জানি কীভাবে আমাদের টাকা ফিরিয়ে আনতে হবে। -ওই চল!
ভাই, শুনো আমার কথা, যেয়ো নাহ।
কোন গর্দভেরা রে? কারা তোরা? -চল, চল।
কিছু পোলাপাইন টাকা নিয়ে যাচ্ছে, তারা টাকা নিয়ে যাচ্ছে।
ওই ছাড়ো আমাকে।
এখানে আয়।
বাবারে বাবা।
আরে শালায় চলে আসছে।
এটাই হচ্ছে বাশা।
পালিয়ে থাকাটাই নিরাপদ হবে আমাদের জন্য।
ওই, অভি সাবধানে ভাই।
বাপরে!
ভগবান।
এরা কি রে, ভাই? -অভি এসে আমাকে বাঁচা।
ওই এদিকে আয় তোরা।
দুঃখিত, দুঃখিত।
ওহ আমার ভগবান ভেঙ্কাটেশ! আল্লাহর নামে!
ভগবান!
ধ্যাৎ!
ভাই, এখন আমাদের কি হবে রে?
আর কি, চুপচাপ বাবা যা বলে তা কর এবং কলেজে যাহ।
নাভা ভারাত কলেজের দিকে কোন বাসটি যাবে, স্যার?
আপনার সামনেরটাই।
বুঝলাম নাহ।
আপনার সামনেই আছে।
আপনি কি বলছেন আমি বুঝতে পারতেছি নাহ, স্যার।
আমিও একই কথা বলছি ভাই, -এটা আপনার সামনে দিয়ে চলে যাচ্ছে স্যার।
এই বাস থামো থামো।
এই বাসটা? আগে বললেন নাহ কেনো?
আমার পান অপচয় হইতো।
এমনকি এটাও যাবে, উঠে পড়ুন।
এটা, জায়গা কই?
শুধু আপনার পা রাখার জায়গা পেলেই হবে।
এমনকি পরের বাসে এতটুকুও জায়গা পাবেন নাহ।
ওই বাস থামাও।
ওই বাস থামাও।
সড়ো সড়ো। -সড়ো তো ভাই, সড়ো।
টিকেট, টিকেট।
নাভা ভারত কলেজের দুইটা টিকেট দেন। -নাভা ভারত।
ভাংতি।
দেখুন, আমি এটার পিছে লিখে দিয়েছি। -টিকেট, টিকেট।
ভাই, আমরা এভাবে টাকা ছেড়ে দিতে পারি নাহ।
ভাই, সামনে সব দেশী মেয়েতে ভর্তি।
আমি যেয়ে দেখে আসছি।
ওই, কেউ আমার কাছে পটে নাহ, আর তোর কাছে পটবে?
আরেহ যা ভাই।
বুঝো আমি কী বলছি, আমার কথা শুনো।
আমি আসবো নাহ, তোমার বাবাকে বলো যা করার করতে।
কি? আমি একদমই শান্ত থাকবো নাহ, ব্যাপারটা কি?
স্যার, আমি সকালে গোসল করছি।
শালার মানুষ রে ভাই।
দয়া করে একটু সড়ুন। হ্যাঁ, কী ব্যাপার?
তোমার সমস্যা কি?
ভাই, সড়ুন ভাই।
কোন দিকে ভাই?
একপাশে সড়ুন।
ওই, ইন্ডিয়ান মেয়ে। তুমি আমার থেকে ৮০ ডলার মেরে দিছো।
আমি তোমাকে ছাড়বো নাহ, ওই থামো তুমি।
আজকে তুমি আমার হাতেই মরবে।
বাশা, ওই ইন্ডিয়ান মেয়েটাকে থামা।
ওই তুমি, থামো বলছি আমি। -ওই, ওই, সড়ো সড়ো।
বাস থামাও, সড়ো সড়ো।
ওই।
ওই, থামো।
ওই।
আরেহ! ওহ!
আরে গেছে, এটা গেছে!
তোমরা এভাবো তাকিয়ে আছো কেন?
দেশী মেয়ে, ভাই।
ওই!
কি ভাই?
অজয়, কেমন আছো? -নমষ্কার ভাই!
নমষ্কার ভাই!
ব্যাপার কি? -সবকিছু ঠিক আছে, ভাই।
নির্বাচনের আগে আমরা বিভিন্ন রকমের কার্যক্রমের পরিকল্পনা করছি, ভাই।
আপনার সাথে কিছু কথা ছিলো।
কালকে একবার বাসায় আয়, কথা বলবো নে।
আপনার রেকর্ডস -হ্যালো স্যার!
প্রিন্সিপালের উচিত শিক্ষার্থীদের সাথে কঠোর হওয়া...
এবং পরিচালকবর্গদের উপকারে আসা।
তাহলে আপনি কেনো শিক্ষার্থীদের উপকারে আসেন এবং পরিচালকবর্গদের প্রতি কঠোর হোন?
আপনি এমন কেনো বলছেন স্যার?
সামনে নির্বাচন।
আমি বলেছিলাম নাহ দেয়া সকল ফি গুলো সংগ্রহ করতে এবং এটা কতটুক এগিয়েছে?
আমরা সংগ্রহ করছি স্যার।
এখন না কখন? নির্বাচনের পর?
আমি বলতে চাচ্ছি, আমরা বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়েছি এবং চাপ দিচ্ছি স্যার।
তুমি বিজ্ঞপ্তি পাঠাও নাইলে নাহ পাঠাও সেটার পরোয়া আমি করি নাহ...
আর যারা ফি দিবে নাহ তাদের বের করে দাও।
আমি সকল ফি এই মাসের ২৫ তারিখের মধ্যে আদায় হওয়া চাই।
আচ্ছা স্যার।
যদি তুমি এটার ব্যাপারে নাহ ভাবো, -তাহলে আমাকে তোমার ব্যাপারে ভাবতে হবে।
আমি বুঝেছি, স্যার।
সবকিছু দেখে কী বুঝলি, ভাই?
যদি এখানে উন্নতমানের বাথরুম থাকতো, তাহলে যেয়ে ভাল্লাগতো,
পেট পুরে খাবো এবং তারপর এখানে এসে ছাড়বো।
অরভিন্দ প্রসাদ, বালা সান্মুগাম, এমবিএ ফিন্যান্স!
ফিন্যান্স, মার্কেটিং, ইঞ্জিনিয়ার এবং ফার্মেসি,
সকল ডিপার্টমেন্টের সেমিস্টার ফি ২৫ তারিখের মধ্যে আদায় হওয়া চাই। বুঝেছো?
আমি বুঝেছি ভাই, কিন্তু দুইজনের জন্য মাসে ৫ হাজার রুপি দিয়ে কি হবে?
মাত্র ৭০ ডলার, এমনকি এখানে একজনের জন্য ৫ হাজার রুপি যথেষ্ট হবে নাহ।
৫ হাজার বলাতে তুমি আশ্চর্য কেনো হচ্ছো? -হ্যাঁ ৫ হাজার! প্রতি ভোটের জন্য ৫ হাজার দিবো।
গরীবের জন্য এটা একবারে তাদের ৫ বছরের হাতখরচ...
এবং এরচেয়ে কম দিলে ভালো দেখাবে নাহ।
ওহ, হাত খরচ!
কখনো তুই আমাকে ১০০ দিয়ে বলছিলি নে এটা রাখ তোর হয়তো লাগে পারে?
ভাই, সারা শরীরের ব্যাথা এবং আমি একদম গেছি।
এটা ভালো যে সন্ধ্যায় ড্রিংকের জন্য আমি ৫০০ রুপি পাই, যদি ঔষধ হতো,
দয়া কর ভাই, দয়া কর!
চেয়ে চেয়ে ভিক্ষা করার দিন গেছে, চক্রবর্তী।
এখন চালাকি করে সবকিছু দখল করে নেয়া হয়।
টানিছ নাহ ভাই, ছেড়ে দে। -আমাদের একদম এই টাকা নেই, ছিঁড়ে যাবে এটা। আরেহ।
দুঃখিত ভাই। -অপদার্থ।
গর্দভের মতো কথা বইলো নাহ তুমি।
আমাদের নির্বাচনকেন্দ্রের অধিকাংশের বিরুদ্ধে যাওয়ার সাহস যাদের আছে...
তারাই আমাদের বিরোধীতা করছে।
মেলবোর্ন বিশ্ববিদ্যালয়
চুপ কর তুই। তোর কারনে এসব হয়েছে।
তুই ইন্ডিয়ান মেয়ে বলতে বলতে উত্তেজিত হয়ে গেছিলি, ঠিক? চল এখন।
প্রিয় শিক্ষার্থীরা, দুইজন নতুন ছাত্র আজকে আমাদের ক্লাসে যোগ দিবে।
যদিও তারা আমেরিকায় জন্মগ্রহণ করেছে এবং সেখানে বড় হয়েছে,
শুধু ভারতে পড়ালেখা করার আগ্রহ দেখিয়েছে।
তারা আমাদের কলেজের প্রবাসী কোটায় ভর্তি হয়েছে।
তাই, তাদের সাথে তোমাদের খুব সহায়ক এবং বন্ধুত্বপূর্ণ হতে হবে।
ঠিক আছে।
তোমরা বাইরে কেনো দাঁড়িয়ে আছো, ভিতরে আসো।
এ হচ্ছে অরভিন্দ। -হাই।
আর এ হচ্ছে বালাশান্মুগাম
নিজেদেরকে মানিয়ে নাও।
অবশ্যই।
যেকোনো সমস্যা হলে, আমার সাথে বলবে।
হ্যাঁ, ইতিমধ্যে তোমরা দুই সপ্তাহের ক্লাস মিস করেছো।
কিন্তু তোমাদেরকে দ্রুত শিখে নিতে হবে।
আচ্ছা।
নেহা!
হায় হায়, এ আমি কোথায় এলাম?
জ্বী স্যার
দেখো প্রতিদিন অবসর সময়ে ওদের যতটুকু সিলেবাস সম্পন্ন হয়েছে ওতটুক বুঝিয়ে দিয়ো,
এবং ওদের সাথে যোগাযোগ রেখো।
আচ্ছা স্যার। -ছেলেরা।
অরভিন্দ!
অরভিন্দ!
মিষ্টার অরভিন্দ!
স্যার কী বলেছিলো?
কী বলেছে উনি?
মিস হয়ে যাওয়া ক্লাসগুলো তোমাকে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য, ঠিক?
এখনি কী বুঝাবে নাকি?
এখন নাহ, কিন্তু প্রতিদিন এক ঘন্টা
কলেজের পরে কিংবা কলেজের আগে হলে যথেষ্ট হবে।
আচ্ছা
অরভিন্দ!
যেকোনো কিছু যোগাযোগ করতে হলে, তোমার নাম্বার?
আমার কি?
তোমার নাম্বার।
সে আমার নাম্বার খুঁজছে ভাই।
আগে তোমাকে বলিনি? -জীবন অনেক সংক্ষিপ্ত এবং এই পৃথিবী অনেক ছোট।
আমার আর তোমার কাল হয়তো দেখা হতে পারে এবং হয়তো তুমি আমার নাম্বার খুঁজতে পারো।
তুমি কি শুনেছিলে? -দেখো, এটাই হয়েছে।
আচ্ছা তাহলে, ক্লাসগুলো অন্য কারো থেকে নিয়ে নিয়ো। আমি স্যারের সাথে কথা বলে নিবো।
হ্যালো। হ্যালো। আমি তোমার মতো নাহ।
যখন কেউ আমার নাম্বার খুঁজে আমি দিয়ে দেই। -দয়া করে উঠাও।
বলো
৯১০০৯৭০১৯!
আচ্ছা।
আচ্ছা, তুমি যেনো তোমার নাম কি বলেছিলি? -নিথ্যিয়া নাকি নেথ্রা? -জানি নাহ।
এটা নেহা।
নেহা!
যাইহোক, তুমি আমাকে অভি বলে ডাকতো পারো।
ওই, উঠে পড়। ৮ বাজে ভাই।
কোথায়?
নেহাকে বলেছিলো ক্লাস নিতে এবং ও নাহ বললো যেতে?
ওহ! তী তোর এখন মিস হওয়া সবগুলা ক্লাস শিখতে হবে,
এমবিএ শেষ করবি, গোল্ড মেডেল অর্জন করবি, বিশাল টুপি পড়বি,
কোর্ট পড়বি, ছবি তুলবি এবং তারপর আমেরিকায় ফিরে যাবি?
বাশা এখানে আছে!
তুই কেনো যাচ্ছিস সেটা আমি ভালো করে জানি।
তুই এই কাজে যা। আমি ঘুমাবো এবং ভাববো কীভাবে আমেরিকায় ফিরে যাওয়া যায়।
তুই তোর কাজ কর।
ভগবান!
নেহা!
দুঃখিত, নেহা!
ভোর ৬ টায় উঠেছিলাম তারপর বাকি সময়টায়...
জ্যামের মধ্যে মন্দিরে গিয়েছিলাম এবং তারপর আসলাম, তাই দেড়ি হয়ে গেছে।
৮ টা বাজে মানে ঠিক ৮ টা বাজে কালকে তোমার এখানে থাকা লাগবে।
আর নাহলে, আমি স্যারকে বলবো।
ওহ, কালকে থেকে উনাকেও কল দিবে নাকি আসার জন্য?
এসব ফালতু জোক্সের দরকার নেই।
তাহলে, আমরা আজকের প্রসঙ্গে আসি,
সাধারণত চাহিদা এবং স্থিতিস্থাপকতা
এর মানে ভোক্তা পরিবর্তনশীলের দিকে বেশী প্রতিক্রিয়াশীল।
প্রতিষ্ঠানের ভিতর
প্রতিষ্ঠানের প্রতি জবাবদিহিতা
হ্যালো, তুমি কি বুঝতেছো আমি কি বলছি?
হ্যাঁ!
তাহলে বলো, আমি এতোক্ষণ কি বুঝালাম।
হ্যাঁ। তুমি এতোক্ষণ ভারতের সামাজিক-অর্থনৈতিক সমস্যা সম্পর্কে বলছিলে।
এই সমস্যার মূল কারণ হচ্ছে...এই সুন্দর নীল পোশাকটি।
নাহ, নাহ, এই, এই ব্লু প্রিন্ট এবং এই এইটা...
এই দুই তারতম্য জনসংখ্যা বৃদ্ধি হ্রাস করে।
নাহ কানেরদুল, কানেরদুল নাহ।
জিপিডি'র হার আস্তে আস্তে কমে যাওয়ার কারন হচ্ছে কালো টাকা...
এবং এখানে...এখানে একটি স্তম্ভ আছে
কালো টাকা মজুদের কারনে স্তম্ভ ও অর্থনীতির মধ্যে পড়ে,
এবং এটা সরকারের দ্বায়িত্ব...
উন্নয়ন করা...এই ঠোঁটগুলোর,
নাহ, নাহ, গরীবের জন্য উন্নয়ন করা।
দেখো, দয়া করে মনযোগ দাও।
তোমাকে পড়ানো আমার জন্য মজার কিছু নাহ। -স্যার বলায় আমি তোমাকে পড়াচ্ছি।
পরবর্তী প্রসঙ্গ
তুমি এখনো যাওনি?
তুমি নাহ বলেছিলে কলেজের পর? -এইজন্য আমি অপেক্ষা করছি।
ওহ ভগবান, আমি দুঃখিত। আমি ভুলে গেছি।
যখন স্বয়াতি একটা জন্মদিনের জন্য কল দিয়েছিলো আমি হোস্টেলে চলে গিয়েছিলাম।
ইতিমধ্যে দেড়ি হয়ে গেছে, -আমরা কালকে বসি?
আচ্ছা।
অভি, তুমি কীভাবে যাবে?
হেঁটে যাবো।
হেঁটে, এগুলো কি?
বাসগুলো সময় অনুসারে চলে, রাইট? -৪:৩০ চলে গেছে এটা।
পরবর্তী বাস ৮ কিংবা ৮:৩০ টার কাছাকাছি সময় আসবে হয়তো আরো দেড়ি হবে। আমি হেঁটে চলে যাবো।
তুমি কোথায় থাকো?
থামাও, থামাও, ঠিক এখানে।
অভি বাবু, অভি বাবু!
বৃষ্টি হচ্ছিলো, আমি কাপড়গুলো নিয়ে এসেছি যাতে ভিজে নাহ যায়।
তাই নাকি, তুমি আমার অনেক যত্ন নাও।
ধন্যবাদ তোমাকে। -ঠিক আছে।
হ্যাঁ, আসো।
এটাই হচ্ছে সে বাসা যেখানে আমি থাকি।
তারা বলেছিলো তুমি আমেরিকা থেকে এসেছো আর তুমি এখানে থাকছো?
বাবা!
সবার জীবনের প্রথম বীরপুরুষ,
কিন্তু আমার জীবনের একমাত্র ভিলেন হচ্ছে আমার বাবা।
আমার বাবা টাকার ব্যাপারে পাগল।
সে সবসময় বলতো বাসা থেকে বেড়িয়ে টাকা আয় করো।
তার ছেলেকে খাবার খাওয়ানোর সময় নেই তারা কাছে,
পাশাপাশি তার ছেলেকে কিস করার সময়টুকুও নাই।
তিনি কি আমার মায়ের প্রতি সদয় ছিলেন? -নাহ, সে সবসময় মাতাল হয়ে বাসায় আসতো এবং...
এবং তারপর...
শুভ রাত্রি।
বাসায় এই অবস্থার কারনে, শুধু পড়ালেখাই আমার পরিত্রাণ হয়ে গেলো।
এই কারনে, আমি কলেজে বেশি সময় কাটাতে থাকি।
যখন বাবা বলতো সবার উপকারে আসো,
আমার বাবা বুঝতো লাভ ছাড়া কোনো সাহায্য নয়।
এই কারনে আমি গরীবের সমস্যাগুলো বুঝেছি এবং তাদের একজন হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
আমেরিকায় আমি কৃষ্ণাঙ্গদের সাথে লড়েছি।
আমেরিকায় কৃষ্ণাঙ্গদের জন্য লড়েছি এবং জেলেও গিয়েছি।
এমনকি টাকা অপচয়ের কথা ভেবে আমার বাবা আমাকে ছাড়াতেও আসেনি।
ছোটোবেলা থেকে আমার বাবাকে দেখতে দেখতে টাকার প্রতি আমার বিরক্তিতা জন্মে গেছে।
ইন্ডিয়া থেকে আমেরিকাতে আসার পর, আমার বাবা টাকার জন্য পাগল হয়ে গিয়েছে।
এই কারনে, আমি ওখান থেকে এখানে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
আমি এবং আমার মামাতো ভাই ওই দেশ ছেড়ে দেই,
সাথে যাবতীয় আরাম-আয়েশ এবং অজস্র সম্পত্তি ছেড়ে দিয়ে ও।
এমবিএ তে ভর্তি হলাম এবং সাধারণ মানুষের মাঝে হাসিখুশিভাবে স্বাভাবিক জীবনযাপন করছি।
ওহ ভগবান!
এটা অনেক অনুপ্রাণিত!
তোমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছো যে মা-বাবার উপর নির্ভর নাহ করে নিজেরা নিজের পায়ে দাঁড়াবে...
এবং এর জন্য আমি সাধুবাদ জানাই।
ধন্যবাদ।
সর্বপ্রথম, যেহেতু আমি কিছু জানতাম নাহ তাই তোমার সাথে বন্ধুত্ব করতে চেয়েছিলাম...
তোমার নাম্বার চেয়েছিলাম, কিন্তু তুমি।
আমি এমনটা বলেছিলাম কারন আমি তোমার সম্পর্কে জানতাম নাহ।
এটাই যথেষ্ট যে তুমি বুঝেছো দুষ্টুমি এবং এ সবকিছু খুবই সাধারণ...
কিন্তু এতোটাও খারাপ নাহ যতটা তুমি চিন্তা করেছিলে।
এর জন্য আমি খুবই দুঃখিত
নাহ, সমস্যা নেই।
আচ্ছা তাহলে, বাই।
বাই
অভি!
ফ্রেন্ডস?
ফ্রেন্ডস?
হ্যাঁ, অবশ্যই।
আচ্ছা তাহলে, বাই।
বাই।
এগুলা কি রে ভাই?
বাবা বলেছিলে মেয়ে পটাতে এমনকি ১০ টা মিথ্যা বলতেও দ্বিধা করবে নাহ।
কি, বাবা?
বিশদ রাশিকরণ
প্রত্যাশিত সময়ে প্রয়োজনমতো কাঁচামাল প্রদান।
মনে রেখো এ প্রসঙ্গটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
প্রথমে, তোমরা এই টেবিলটি লিখো।
এই টেবিলটিতে, তোমরা দেখতে পাচ্ছো যে কোম্পানি সকল ধরণের খরচ সম্পন্ন করেছে...
হোক সেটা উপাদান কিংবা কর্মচারীদের।
ও তোমাকে ডাকছে।
খরচ পরিচালনা করার বর্ণনা
চলো এবার দেখি, একাউন্টস এবং প্রদানযোগ্য। -মাফ করবেন, স্যার!
হ্যাঁ, ভিতরে আসো।
বিজ্ঞপ্তি স্যার।
স্বয়াতি। -স্যার।
তাড়াতাড়ি তুমি প্রশাসনিক বিভাগে যাও।
তাই, সংস্থানের প্রয়োজন মূলধন, উপাদান এবং কর্মচারী।
স্যার।
তুমি এখনো কেনো এখানে দাঁড়িয়ে আছো, আমার চাকরি খাইয়ে ছাড়বে নাকি?
তারা রেজিস্টার থেকে তোমার নাম এই বলে সড়িয়ে দিয়েছে যে...
তুমি ২৫ তারিখের মধ্যে ফি জমা দিতে পারোনি।
তুমি এডমিট কার্ড পাবে নাহ এবং সাথে পরীক্ষা ও দিতে পারবে নাহ।
এখন যাও
স্যার, আমাকে এক সপ্তাহ সময় দিন। -আমি অবশ্যই ফি প্রদান করে দিবো স্যার।
এটাই ভালো হইতো যে তুমি আগেভাগে বাসায় কান্নাকাটি করতে।
যখন এখানে এসে কান্নাকাটি করবে আমিই বা কি করতে পারবো?
এটা পরিচালকবর্গদের সিদ্ধান্ত।
কঠোর আদেশ দেয়া হয়েছে...
ফি প্রদান নাহ করলে কোনো শিক্ষার্থীকেই পরীক্ষার হলে বসতে দেয়া হবে নাহ।
যদি তুমি কান্নাকাটি বা অন্যকিছু করো এতে আমার কিছুই করার নেই।
দয়া করে যাও
ইয়েস! ৫ হাজার পেয়েছি গেছি, ভাই। -ইয়েস!
ভাই।
এবং ক্রিয়াপ্রণালীর কার্যধারা।
তাই হতে পারে এটা কোনো ক্রিয়া পরিকল্পনার চিন্তাধারা।
বরাদ্দকৃত বাজেট একটি সংস্থান কে সাহায্য করে,
ব্যবসা পরিকল্পনার একটি প্রয়োজনীয় অংশ হচ্ছে মূল্যায়ন কর্মক্ষমতা।
যখন একটি নতুন ব্যবসা শুরু করা হয়।
একবার ব্যবসা প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেলে, বাজেটিং হয়ে যায় প্রতিদিনের কার্য।
কি হয়েছে, স্বয়াতি?
স্বয়াতি! কি হয়েছে? -স্বাভাবিকভাবে ত্রৈমাসিক এবং বার্ষিক ভিত্তিতে ঘটে এটা।
ভায়া!
শুধু এক প্যাগ এবং তারপর শেষ
নাহলে, এটা বাজেটকে ছাড়িয়ে যাবে। -হ্যাঁ ঠিক, ঠিক।
আরেকবার স্যার?
আরেকবার।
এখন কি?
আমরা আমাদের বাজেটের বাইরে ড্রিংক নাহ করার চিন্তা করছি, তার মানে আমরা পরিবর্তন হচ্ছি।
আমরা পরিবর্তন হচ্ছি
আপনারা পরিবর্তন হচ্ছেন স্যার
হ্যাঁ! যেমনটা ওবামা বলেছিলো পরিবর্তন হওয়া ভালো।
পরিবর্তন হওয়া ভালো।
হ্যাঁ, গিলে ফেল, চল গিল।
পরিবর্তন হওয়া ভালো, ভাই।
ঠিক ভাই, কিন্তু তুই নেহার সাথে পরিবর্তন হছ নাই। ধর...
চুপ! হ্যাঁ নেহা,
নেহা।
আমি আর বাশা একত্রিত হয়ে পড়ালেখা করছি।
কি?
আসলেই।
আমি এখনি আসছি।
কি আবার নেহা, ভাই? -তুই কি আর পরিবর্তন হবি নাহ?
আরেহ, নেহার বেষ্টফ্রেন্ড স্বয়াতি ছিলো নাহ ওখানে?
সে তো টপার ভাই!
মনে হয় ফি প্রদান নাহ করায় কলেজ থেকে তারা তাকে বের করে দিয়েছে।
তাই সে আত্মহত্যা করেছে।
আমি যাচ্ছি। বিল দে এবং তাড়াতাড়ি আয়।
আমরা হাসপাতালে আছি ভাই।
মেয়েটা এখন নিরাপদে আছে...
এবং যখন সাংবাদিকরা এখানে আসবে আমরা কিছু বলে দিয়ে তারপর চলে আসবো।
আচ্ছা, চক্রবর্তীও আসছে ওখানে।
বলবি যে আমরা তার হাসপাতাল খরচ...
এবং তার সকল এমবিএ খরচ আমরা বহন করবো এবং আপোষ কর যে...
যাতে এই খবর বাইরে যেনো নাহ আসে।
আমি বাকিটা দেখে নিবো। -আচ্ছা ভাই।
এখানে যা হয়েছে সব ভুলে যান এবং বাইরের কাউকে এ ব্যাপারে বলার দরকার নেই, বুঝেছেন?
তোমার এখানে কি কাজ? -তোমার কি তাতে?
যখন আমাদের কলেজের মেয়ে সমস্যায় পড়েছে,
এ ব্যাপারে বিবাদ করার পরিবর্তে তুমি এখানে এসেছো তাকে পরিবর্তন করার জন্য?
দেখো নেহা,
মহান লোক আছে ওখানে কলেজের ভালো এবং খারাপের দেখভাল করার জন্য।
তুমি যাও এবং তোমার কাজ করো।
ওই মহান লোকগুলো কারা?
তারা যারা বাদ দেয়ার জন্য নির্দিষ্ট সময় বেধে দেয় যদি সময়তো ফি পরিশোধ করা নাহ হয়?
তারা যারা সবকিছু শেষ হয়ে যাওয়ার পর তোমাকে এখানে পাঠিয়েছে সান্ত্বনা দেয়া জন্য?
ওই, ভাইয়ের ব্যাপারে আর একটা কথা বললে আমি চুপ থাকবো নাহ।
তুমি তার টাকা এবং তার দেয়া ড্রিংকসের প্রতি গোলাম হয়ে গেছো...
এবং এই কারনে তুমি উনাকে সমর্থন দিচ্ছো।
আমরা কেনো সমর্থন করবো?
এটা এখন ইস্যুতে পরিণত হওয়ায় তারা নেমে এসেছ।
অন্যান্য শিক্ষার্থীদের কি হবে যারা ফি প্রদান করতে পারেনি?
আমি বলছি তো ভাই এসবকিছুর দেখভাল করবে, ঠিক আছে?
ছাত্র ইউনিয়ন কাউন্সিল সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইস্যুটাকে এখানেই মিটমাট করবে...
কোনো ইউনিয়নের এটার মধ্যে নাক গলানোর দরকার নেই।
সকল শিক্ষার্থীরা পরিচালকবর্গদের এ ব্যাপারে জিজ্ঞাবাদের জন্য একটি ধর্মঘট করবে।
ধর্মঘট?
কিসের জন্য, ওর মা ইতিমধ্যে টাকা নিয়ে নিয়েছে এবং আপোষ করে ফেলেছে!
আন্টি!
যখন টাকা চেয়েছিলো, তারা বলেছিলো মরার জন্য এবং এখন যখন কাঁদছে তখন দিচ্ছে।
তারা টাকার মূল্য জানে নাহ কিন্তু ভাষণ দেয়ার জন্য সবসময় এগিয়ে আসে।
শুন।
কি বললি তুই? আমরা টাকার মূল্য বুঝি নাহ?
ওই এবিসিডি, তুমি এখানের নাহ।
অপ্রয়োজনে এটাতে নাক গলালে তোর জন্য ভালো হবে নাহ।
কে কোন অবস্থানে এটা পরোয়া করে কে ভাই? -টাকা টাকাই এবং টাকা সবার জন্যই।
তুই টাকার মূল্য কীভাবে বুঝবি যেখানে তুই লাখ টাকা অর্থ প্রদান করেছিস...
এবং প্রবাসী কোটায় ভর্তি হয়েছিস?
শুধু আমরাই টাকার মূল্য বুঝি।
রাতে ঘুমাতে যেয়ে সকালে ঘুম থেকে উঠা পর্যন্ত আমরা ভাবি...
কিভাবে শেষ হয়ে যাওয়া টুথপেষ্টটা পিষিয়ে ব্যবহার করতে হবে,
এবং এটাও ভাবি যে শোবার সময় শরীর ঢাকার জন্য কম্বলটা যথেষ্ট হবে নাহ।
শুধু আমরাই টাকার মূল্য বুঝি।
তুই জানতে চাছ কীভাবে?
৮ ঘন্টা নাহ খেয়ে থেকে সকালের নাস্তায়...
২০ রুপি দিয়ে ৪ টা ইডলি খাই,
যদিও মনে হয় আরো ২ টা ইডলি খেলে পেট ভরে যেতো,
আমরা ক্ষুধাকে মেরে ফেলি এবং টাকা বাঁচাই।
যদি ২ কাপ চা অর্ডার করলে ১২ টাকা লাগে, তাই দুজনের জন্য ৬ টায় ১ কাপ চা অর্ডার করি,
কারন বন্ধুতে ভাগাভাগি করাটাই হচ্ছে আনন্দ,
বাসস্টপে এসে যখন সকল খালি অটোগুলো দেখি তখন আমরা ভাবি কেনো শুধু শুধু ১৫ রুপি খরচ করবো...
যেখানে আমাদের আরটিসি বাস আছে এবং কিছুক্ষণ অপেক্ষা করি,
যেহেতু মেট্রোতে ৩ রুপি বেশি খরচ হয়...
তাই আমরা ভাঙ্গাচুরা বাসের জন্য অপেক্ষা করতে থাকি এমনকি সেখানে দাঁড়ানোর জায়গাটুকু পর্যন্ত থাকে নাহ,
ধাক্কাধাক্কি করে এবং ধাক্কাধাক্কি খেয়ে তারপর কলেজে আসি।
কলেজে আসার পর,
সকালের নাস্তায় বাঁচিয়ে রাখা টাকা দিয়ে,
ক্যান্টিনে আমরা এক প্লেট করে খাবার খাই...
এবং রাতে দুইজনের জন্য দুইটা চাপ্টি।
সবমিলিয়ে ৫০ রুপি এবং...
১০০ রুপির বেশি যাতে বিদ্যুৎ বিল নাহ হয় তাই খোলা ছাদের উপরে ঘুমাই...
এবং সর্বশেষ ৩০ রুপি টুথপেষ্টের জন্য...
৪০ রুপি ডিটারজেন্টের জন্য, ৬০ রুপি সাবানের জন্য এবং ২০০ রুপি মোবাইল রিচার্জের জন্য...
যদি অন্যভাবে বলি, ৫ হাজার রুপি প্রতি মাসে তার মানে একজনের ৮৩ রুপি খরচ হয়...
যদি আমরা প্রতিটি রুপি গণনা নাহ করি...
এবং বাঁচার জন্য যদি টাকার মূল্য নাহ জানি, তাহলে কি তোমরা জানবে?
শালা অপদার্থ!
তুই ইংলিশে কি এতো বকবক করতাছোছ?
যদি তুই হাত উঠাছ এবং যদি আমার শার্ট ছিঁড়ে যায়, তাহলে আমি ২০০ রুপি হারাবো...
যদি আমি হাত উঠাই এবং যদি তোর হাড়গোড় ভেঙ্গে দেই তাহলে তুই ২ হাজার রুপি হারাবি,
এটার কি খুব প্রয়োজন?
চল খরচ কমিয়ে আনি এবং এটা সবার জন্য ভালো হবে।
ওই গর্দভ, অতি-অভিনয় করতাছোছ কেন? -ওই থাম।
যদি ইস্যুটা অনেক বড় হয়ে যায় তাহলে আমদের জন্য সমস্যা হয়ে দাঁড়াবে। -চল যাই।
চলো। স্বয়াতির সাথে দেখা করে আসি।
প্রবাসী ছেলেটা তার বিলিয়ন সম্পত্তি ছেড়ে...
মাত্র ৮৩ টাকায় সাধারণ জীবনযাপন করে।
দেশের নাভা ভারত কলেজে থেকে এমবিএ করা ২৫ বছরের প্রবাসী বালক...
তার আদর্শ দ্বারা সবার নজর কেড়েছে...
আমেরিকায় প্রতিষ্ঠিত হওয়া মস্ত বড় ব্যবসায়ীর ছেলে অরভিন্দ...
এবং তার মামাতো ভাই তাদের কোটি টাকার সম্পত্তি...
আর সাথে আমেরিকায় বিলাসবহুল জীবনযাপন ছেড়ে চলে এসেছে...
এবং ভারতের মানুষদের চলাচলের উপায় জানতে এসেছে...
এবং মাত্র ৩৮ টাকায় সাধারণ জীবনযাপন করছে।
আমরা অনুরোধ করছি যুব প্রজন্মদের যারা বিলাসবহুল জীবনযাপের স্বপ্ন দেখছে...
তাদের দেখে পরিবর্তন হওয়ার জন্য।
স্যার, ওইতো ওরা!
তোমরা মহান কাজ করেছো, তাহলে এভাবে কেনো লুকাচ্ছো যে তোমরা কোনো ভুল কিছু করেছো?
এসো।
ধন্যবাদ।
তোমরা এখানে পড়ালেখা করায় আমাদের কলেজ অনেক সুনাম কুড়িয়েছে।
তোমাদের নিয়ে আমরা গর্ব করি, -ধন্যবাদ স্যার, ধন্যবাদ আপনাকে।
মহান মহান লাগছে ভাই,
কী অবস্থা ভাই?
ওহ, ধন্যবাদ। -দাঁড়াও, দাঁড়াও! আমাকে তুমি একটা পার্টি দিবে।
পার্টি, কিসের জন্য?
তুমি যে সবকিছু ওইদিন বললে,
নেহা এসে আমাদের সব বলেছে।
তুমি কেনো ইন্ডিয়ায় এসেছো এবং কি রকম জীবনযাপন করছো,
ওহ, সে বলেছে?
আমি একই কথাগুলো মিডিয়ায় থাকা আঙ্কেলকে বলেছি এবং...
তিনি আর্টিকেলে তোমার ব্যাপারে লিখেছে।
ওহ, এই কি সেই মেয়েটা? -আচ্ছা, তাহলে এই ব্যাপার।
ধন্যবাদ, ধন্যবাদ, অনেক ধন্যবাদ তোমাকে -ধন্যবাদ।
সাবটাইটেলে এমনেই অনেক ভুল তার উপর প্রায় ১৬ মিনিটের ইসাব নেই, ১৬ মিনিটের মধ্যে অবশ্য একটা ৪ মিনিটের গান রয়েছে আর বাকি ১২ মিনিট সংলাপ...
আমি এটার অরিজিনাল মালায়লাম মুভিটি থেকে সংলাপ সংগ্রহ চেষ্টা করে কিন্তু মিল সংলাপের মিল নেই, তাই সামনের ১৬ মিনিটের সাব করতে পারি নাহ,
এর জন্য আমি খুবই দুঃখিত। কিন্তু ইসাবে যে কয়েকটা ভুল ছিলো তা আমি কারেকশন করে দিয়েছি।
শুভ সকাল স্যার।
এটা খুবই মর্যাদাপূর্ণ এবং সম্মানের আপনার শো তে আসতে পেরে।
এটা ভেবো নাহ যে আমার প্রতি মধুর হলে প্রশ্নগুলো সহজ হবে।
এটাই হচ্ছে সেই শো যেখানে বড় বড় রাজনীতিবিদরা প্যান্টে প্রস্রাব করে দিয়েছে।
যখন প্রশ্ন দ্রুতবেগে আসবে, উত্তর দিতে দিতে তুমি মরে যাবে।
তুমি কি খুঁজছো? -হ্যালো!
হ্যাঁ! মানে এখানে "কফি উইথ কিশোর" লেখা আছে।
কিশোর তো এখানে কিন্তু কফি কোথায়?
তোমার বাজে সময় আমি বুঝেছি।
একটু বসো, আমি ব্যবস্থা করছি।
ধন্যবাদ, -আপনি এটা ছুঁড়ে মারুন, স্যার।
আমাদের তৃতীয় চোখ দ্বারা সেলিব্রিটিদের ভিতরের অনুভব বিশ্লেষণ করা শো...
"কফি উইথ কিশোরে" আপনাদের আন্তরিক স্বাগতম।
আমাদের আজকের সকালের অতিথি আর কেউ নয়...
তারাই যারা নিজেদের জীবনযাপন দ্বারা রাতারাতি সেলিব্রিটি তে পরিণত হয়েছে,
জনাব অরভিন্দ এবং বালা সান্মুগাম আলিয়াস বাশা।
আমার শো'য়ে স্বাগতম আপনাদের!
আপনাকে ধন্যবাদ স্যার।
আমার সাথেও হাত মিলান।
অরভিন্দ, আপনার বয়স কত?
২৫!
তার মানে তুমি আমেরিকায় ২৫ বছর যাবত ছিলে,
তুমি আমেরিকার খাবার খেয়েছো এবং আমেরিকায় ঘুড়াঘুড়ি করেছো,
তাহলে, হঠাৎ কেনো তোমার নিজের সকল সম্পত্তি ছেড়ে দেওয়ার কথা মনে হলো...
এবং চলে আসলে এখানে, যেখানে ২৫ বছরে একবার ও আসার কথা ভাবোনি?
আমি একটা উত্তর চাই স্যার, -আপনি লাইভে আছেন।
চলুন আমাকে বলুন স্যার, -আপনি লাইভে আছেন।
বা..বা..বাবা।
বাবা, আপনি বলতে চাচ্ছেন রজনীকান্ত বাবা?
নাহ
বাবা
বাবা
বাবা
তাহলে, বাবা একদিম তোমার স্বপ্নে এসেছিলো এবং বলেছে,
"দেখো অরভিন্দ, এইসব সম্পদ, মেয়ে এবং গাড়িগুলো দীর্ঘস্থায়ী নয়"।
তিনি বলেছেন একটি ডলার ও আমাকে অনুসরণ করবে নাহ যখন আমি মরে যাবো।
তিনি বলেন সত্যিকারের সুখ হচ্ছে সবার মাঝে সাধারণভাবে থাকা...
এবং কয়েকজনকে সাহায্য করা।
তাই, আমি তার শিষ্য হিসেবে, আমি তাকে ফলো করেছি এবং এভাবে ইন্ডিয়াতে চলে এসেছি।
ওহ, তাহলে তুমি এখন বাবার ভক্ত। -আমি বলতে চাচ্ছি অনুকরণকারী।
হ্যাঁ।
আচ্ছা, যদি বাবা হঠাৎ তোমার সামনে হাজির হলো এবং তোমাকে ১ কোটি রুপি দিলো?
যখন তখন নয়, এখনি।
এটা কি ধরনের প্রশ্ন, স্যার?
কোটি টাকা নিয়ে নিবো এবং যতদ্রুত সম্ভব আমেরিকায় চলে যাবো।
ওই, ওই, ওই।
কি? বাশা কিছু বললো। -চলো বলো আমাকে।
ব্যাংক অব আমেরিকা।
কি?
এটা আমেরিকা ব্যাংক নয় ভাই, ব্যাংক অব আমেরিকা।
এই ব্যাংকে একটা স্থায়ী আমানত করে প্রতিমাসে পাওয়া লভ্যাংশের টাকাটা...
মানুষের সাথে ভাগাভাগি করবো। ও এটা বলতে চাচ্ছে।
হ্যাঁ, আমি এটাই বলতে চাচ্ছিলাম। একদম, ও ঠিক বলেছে। হ্যাঁ।
আপনি এভাবে তোতলাচ্ছেন কেন?
হুম! যখন আপনি কোনো কিছু বলছেন বাশা সেটাকেই সমর্থন দিচ্ছে।
আমি সব বুঝে গেছি
এই ছিলো এই সপ্তাহের "কফি উইথ কিশোর"
এবং পরের সপ্তাহে আমাদের আবার দেখা হবে অন্য কোনো সেলিব্রিটিকে নিয়ে।
দেখে মনে হচ্ছে তোমরা ভালো প্রস্তুতি নিয়ে এসেছো,
মাইকগুলো দিয়ে যাও।
যাহ আশা করেছিলাম, -হেই, নেহা! নেহা!
এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। -ওই, গুরুত্বপূর্ণ হবে।
আচ্ছা। স্পীকারে দিচ্ছি।
হ্যালো
হ্যালো অভি, অভিনন্দন।
অভিনন্দন?
তুই করেছিস্?
কিসের জন্য?
তুমি কি জানো?
প্রতিবছর একটি বিখ্যাত নিউজ চ্যানেলের দ্বারা পরিচালিত যুব আইকনের...
এবছরের লিস্টে তুমি আছো।
হ্যাঁ, যদি তুমি জিতো তাহলে পুরষ্কার হিসেবে ৫ লাখ টাকা পাবে।
পাঁচ লাখ!
যদি আমরা পাঁচ লাখ টাকা পাই তাহলে আমেরিকা যেতে পারবো, -হ্যালো, হ্যালো অভি, অভি।
হ্যালো অভি,
এখানে টাকার কি হলো নেহা, আমি কি এখানে অন্য কিছু দেখি নাহ?
জিতাটা হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ। আচ্ছা, কোন চ্যানেল এটা?
যুক আইকন প্রতিযোগিতার বিস্তারিত সম্পর্কে জানতে এসেছি।
বাছাই প্রক্রিয়া কিরকম? -আপনারা কীভাবে জয়ী নির্বাচন করবেন?
মেসেজে ভোটিং ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে।
একবার প্রতিযোগিতা পর্ব শেষ হয়ে গেলে,
যে শীর্ষে থাকবে তাকে জয়ী হিসেবে ঘোষণা করা হবে।
স্যার, জয়ীকে কি আপনারা ৫ লাখ দিবেন?
হ্যাঁ, আমরা দিবো।
এখনো, কি জন্য তুমি টাকার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করছো, ব্যাপার কি?
আমাদের কলোনি থেকে কিছু গরীব লোককে...
কাসি যাত্রায় পাঠাতে চাচ্ছি স্যার।
তাই, আমরা যদি প্রতিযোগিতা জিতে যাই তাহলে তাদের টাকাগুলো দিয়ে দিবো।
হুম, খুব ভালো চিন্তাভাবনা!
প্রতিযোগিতা খুব শক্ত।
এখন পর্যন্ত নির্বাচনের দিকে তাকালে ভার্গব শীর্ষ আছে,
বৈষ্ণবী দ্বিতীয়তে আছে এবং তুমি তৃতীয়তে।
এটাই আমাদের সুবর্ণ সুযোগ আমেরিকা যাওয়ার।
আমরা এটা কাজে লাগবো। -হ্যাঁ!
আরেহ, বাবা কল করেছে।
হ্যালো বাবা
কিরে, উপস্থিতি কম কেন?
শুধু কি স্টুডিওর আশেপাশে ঘুড়াঘুড়ি করবি নাকি কলেজেও যাবি?
তুই যদি এরকম করছ,
আমি এখন প্রতিমাসে যে ৫ হাজার দেই সেটা দেয়াও বন্ধ করে দিবো।
দরকার নেই, তুমি সেটা তোমার কাছেই রাখো।
এক সপ্তাহের মধ্যে আমি আমেরিকায় ফিরে আসছি।
খুব শীঘ্রই দেখা হবে বাবা, বিদায়।
ভার্গব। -হ্যাঁ।
দলের নেতা তোর সাথে একবারের জন্য কথা বলতে চায়।
দলের নেতা!
ভার্গব।
হ্যালো ভার্গব
নমষ্কার স্যার! -তোমার বাবা এইমাত্র আমাকে খবরের কাগজ দেখালো।
এমনকি তোমার নাম ও সাক্ষী টিভি যুক আইকনে আছে।
প্রতিযোগিতা, ঠিক?
জ্বী স্যার
হ্যাঁ, তোমাকে এখন নতুন পথে আসতে হবে।
এটা খুব মর্যাদাপূর্ণ পুরষ্কার।
যদি একবার তুমি জিতে যাও, তাহলে যারা তোমার অভিজ্ঞতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে...
এই জনপ্রিয়তা দেখিয়ে তাদের মুখ বন্ধ করে দিতে পারবো।
অবশ্যই স্যার, আমি এই কাজে লেগে থাকবো।
দুই প্লেট ইডলি। -স্যার, ৫০ রুপি।
তোর কাছে আছে?
এক প্লেট যথেষ্ট
এক প্লেট?
হুম!
চল ভাগাভাগি করে খাবো। -বুঝতে পারছি।
চল
আমি এক প্লেট জলখাবারের অর্ডার করেছিলাম নাহ? -কতক্ষণ লাগবে তোমার?
রান্না হচ্ছে স্যার, -দুই মিনিট অপেক্ষা করুন।
তাড়াতাড়ি করো।
ওই, থামা, এখানে থামা।
স্যার, স্যার, স্যার।
নমষ্কার।
আপনারা দাঁড়াচ্ছেন কেনো, বসুন। -আমরা আজকে এখানে এসেছি...
জনাব ভার্গবের ভ্রমনের অংশীদার হয়ে।
এটা হচ্ছে তারা নির্বাচনক্ষেত্র নেতাজি নগর।
নমষ্কার, ভালো আছেন আপনি? -ভালো, স্যার।
এই নিন, স্যার। -নমস্কার!
এখানে দিন
বিখ্যাত ইডলি, স্যার।
আমরা দেখছি জনাব ভার্গব এখন সাধারন জনগণের সাথে মেলামেশা করছে...
এবং রাস্তার পাশের গাড়ি থেকে খাবার খাচ্ছে, দীপ্তি।
তিনি এখানে এসেছেন নেতাজি নগরের জনগণের সমস্যাগুলো জানার জন্য।
আমরা জানি নাহ যে ভার্গব যুব আইকন প্রতিযোগিতায় প্রথমে অবস্থা করছে।
নির্বাচন ঘনিয়ে আসছে, এই ভ্রমণ গুরুত্ব অর্জন করেছে।
পানি দাও। -স্যার।
ভাই, ভাগ্যের কারনে আমরা এই পর্যন্ত জনপ্রিয়তা পেয়েছি। -হাই।
কিন্তু এখন থেকে নাহ,
পরিকল্পনা এবং কৌশল করে আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে।
আমাদের জনগণের নজর কাড়তে হবে।
তাহলে আমাদের জনপ্রিয়তা বাড়বে এবং...
আমরা যুক আইকন প্রতিযোগিতায় বেশি ভোট পাবো।
আজকে থেকে আমাদের এই কাজে লেগে থাকতে হবে, ঠিক আছে?
আচ্ছা! -রাজি?
"If you and your deeds are liked, they'd carry you with high ratings"
"They won't give you a time even to eat with a tight schedule of selfies"
"You shall enhance this name and fame going ahead"
"You should enhance when all this craze and public are around us"
"Come on dude, whole media should go crazy about us"
"Hey dude, this should be the Wikipedia"
"He's become an overnight celebrity"
"and celebration has started in his life"
অভি স্যার, অভি স্যার...নমস্কার।
নমস্কার
আরেহ দাদা, এখানে এসেছেন কেনো?
যেভাবে হোক তোমাকে আমাদের বাঁচাতে হবে।
আমি?
তুমি তো সবই জানো,
কেমিক্যাল ফ্যাক্টরীর সকল আবর্জনা তারা নদীতে ফেলে।
এই পানিগুলো পান করে ছোটোবেলা থেকেই আমাদের বাচ্চাদের কিডনিগুলো নাশ করে ফেলতেছে...
এবং আমরা পিঠে ব্যথা অনুভব করি।
গত ৪ বছর ধরে এটা বন্ধ করার জন্য আমরা অনেক চিল্লাফাল্লা করেছি।
সরকার আর না বিরোধীদল দুইদলের একদলও মোটেও এটার পরোয়া করছে নাহ।
আমরা এমন ব্যক্তির অপেক্ষা ছিলাম যে আমাদেরকে সাহায্য করবে, আর তুমি সঠিক সময় এলে।
আমি কী করবো, দাদা?
শুধু তুমিই এটা করতে পারো, বাবা।
যদি তোমার মতো কেউ কালকে আমাদের অনশনে সমর্থন দেয়,
সবাই আমাদের আন্দোলনকে গ্রাহ্যর সাথে নিবে।
এমনকি তারপর সরকার ও নেমে আসবে।
আমরা এখানে থাকতে পারবো নাহ এবং এখান থেকে যেয়ে অন্য কোথাও জীবনযাপন ও করতে পারবো নাহ।
আমরা তোমার উপর আশ্বাস রেখে এসেছি, বাবা।
আচ্ছা!
আসলে, সামনের দুইদিনে আমরা আরেকটা কর্মসূচির জন্য প্রতিজ্ঞা করেছি।
তাই, হয়তো আমরা আসতে পারবো নাহ। দুঃখিত।
যেভাবে হোক আপনাকে আসতে হবে, স্যার। -আমরা আপনার জন্য অপেক্ষা করবো।
চাচা।
চাচা, তোমাকে আসতেই হবে।
প্লিজ
কেমিক্যাল ফ্যাক্টরি। -বন্ধ করতে হবে।
সরকার আমাদের সমস্যাগুলোর সমাধান করছে নাহ
নামো, নামো
ক্যামিল ফ্যাক্টরি
বন্ধ করতে হবে
সরকার আমাদের সমস্যাগুলোর সমাধান করছে নাহ
নামো, নামো
"স্লোগানের পুনরাবৃত্তি"
"স্লোগানের পুনরাবৃত্তি"
"স্লোগানের পুনরাবৃত্তি"
"স্লোগানের পুনরাবৃত্তি"
"স্লোগানের পুনরাবৃত্তি"
"স্লোগানের পুনরাবৃত্তি"
"স্লোগানের পুনরাবৃত্তি"
"স্লোগানের পুনরাবৃত্তি"
"স্লোগানের পুনরাবৃত্তি"
"স্লোগানের পুনরাবৃত্তি"
"স্লোগানের পুনরাবৃত্তি"
স্যার, -বলো!
আমি কেমিক্যাল ফ্যাক্টরীর সামনে আছি স্যার।
এবার অনেক মানুষ একসাথে জড়ো হয়েছে। -আমি বুঝতেছি নাহ কি করবো।
এরকম এরা এই প্রথমবার এই করছে নাহ।
তুমি ভালো করে জানো কীভাবে ওদের সড়াতে হবে।
ঠিক স্যার, সাধারণ কিছুর জন্য আমাকে এখানে ডাকা হয়নি।
কিন্তু প্রবাসী অরভিন্দ এবার ওদের সমর্থনে এসেছে।
ভাই। ওখানে দেখুন।
আমরা এখন দেখতে পাচ্ছি প্রবাসী অভি এবং বাশাও এখানে বসে...
বস্তির মানুষদের করা অনশনে সমর্থন দিতে এসেছে।
সরকার আমাদের সমস্যাগুলোর সমাধান করছে নাহ, নামো, নামো।
আরেহ ভায়া, আসো বসো।
আমি মনে করেছিলাম তুমি আসবে নাহ কিন্তু তুমি তো বিশেষভাবে এলে।
সবকিছু ঠিক আছে? -এখন আরো গুরুত্বপূর্ণ হবে।
এগুলো শুধু সাম্প্রতিক বার্তা
এখন এসময়ে এসে সরকারের নীতিকে প্রতিবাদ করে..
সরাসরি আন্দোলনে অংশ নেয়া এই প্রতিবাদীদের..
সরকার চেতনা হিসেবে নিতে পারে।
চলো, তাদের কাছে যেয়ে সব বিস্তারিত জানি।
ওই অভি, আন্দোলন এবং এ সবকিছু এখন প্রয়োজন?
আরেহ, এগুলো করতেছি যাতে প্রতিযোগিতায় আমাদের ভোটসংখ্যা বাড়ে।
এমনকি বস্তির লোকজনদের ও সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।
আমি যা বলি তা কর।
নামো, নামো
এক মিনিট। অরভিন্দ শুনো।
নিষ্ঠুর সরকার! -নামো, নামো!
তুমি এই গরীব লোকদের কাছে এসেছো। -তুমি কি এদের সমর্থন দিচ্ছো?
কি গরীব মানুষদের জন্য, স্যার?
গরীবদের ছাড়া দরিদ্র দরিদ্র নয়।
আমি গরীব, আমি গরীবদের জন্য,
আমি গরীবের জন্য। আমি গরীব, আমি....বাশা।
আমরা এজন্য আসিনি যে এরা গরীব কিংবা এরা আমাদের বস্তির।
আমরা এসেছি তাদের সমস্যার কঠিনতা জানতে পেরে।
যতক্ষণ নাহ পর্যন্ত আমরা এর কোনো সমাধান পাচ্ছি আমরা এখান থেকে সড়বো নাহ।
শুরু করো ভাইয়েরা!
কোনো কারন ছাড়া লাঠিচার্জ করলে এটা সমস্যা হয়ে দাঁড়াবে স্যার।
কারন
"স্লোগানের পুনরাবৃত্তি"
ওই অরভিন্দ, এখানে আসো।
নিষ্ঠুর সরকার! -নামো, নামো!
কেমিক্যাল ফ্যাক্টরি! -সড়াতে হবে!
থামো, থামো
শালা, এই শ্রমিকদের নিয়ে আসছিস? -মিডিয়ার সামনে হিরো সাজতাছোছ?
আমি তোকে আধঘন্টা সময় দিচ্ছি। -তাবুগুলো খুলে ফেল এবং এখান থেকে যা।
সবাইকে সড়া, তাড়াতাড়ি কর। -হ্যালো স্যার,
পুলিশ অনুমতি থাকার পরেও আপনি আমাদের সড়ে যেতে বলছেন।
কে ডেকেছ আপনাকে?
কত দিয়েছে তারা আপনাকে?
তুই কার সঙ্গে কি বলতাছোছ, শালা?
আরেহ অভি!
এটা বৈধ নয় স্যার। আমি আমার উকিলকে কল করবো।
কর শালা, কর।
চার্জ
স্যার, দয়া করে বন্ধ করুন স্যার।
থামুন
স্যার থামুন
স্যার,
দাদা,
দিদিমা
দিদিমা
দাদা,
দাদা,
যখন কেমিক্যাল ফ্যাক্টরীর বিরুদ্ধে বস্তিবাসী শান্তিমতো আন্দোলন করেতেছিলো...
তখনি পুলিশের লাঠিচার্জে...
পুরো আন্দোলন মরুভূমিতে পরিণত হলো।
অভি?
অভি এবং বাশাকে গ্রেপ্তার করায় বস্তিবাসী...
এখন শিখায় পরিণত হয়েছে।
গ্রেপ্তারের পর আকস্মিকভাবে যুব আইকন প্রতিযোগিতায়...
অভির ভোট প্রচন্ডভাবে বাড়তেছে।
তৃতীয়তে থাকা অরভিন্দ...
বৈষ্ণবী কৃষ্ণাকে পিছনে ফেলে এখন দ্বিতীয়তে অবস্থান করছে।
সে জন্মেছে কোটিপতির ঘরে কিন্তু সাধারন মানুষ হিসেবে জীবনযাপনের চিন্তা করেছে...
সে সুদূর আমেরিকায় জন্মেছে এবং ইন্ডিয়ায় এসেছে নিজের ভিত্তি খুঁজতে...
সমাজের প্রতি তার সহানুভূতি এবং তার আশেপাশের সমস্যাগুলো...
অভিশাপে পরিণত হয়েছে এবং তাকে গ্রেপ্তার হতে হয়েছে...
সে আর কেউ নয় অরভিন্দ প্রসাদ।
দেখে মনে হচ্ছে এখন থেকে ছেলেটি আরো জনপ্রিয় হয়ে যাবে।
এমনকি দেখে মনে হচ্ছে যুক আইকন পুরস্কারটিও জিতে যাবে, স্যার।
আমরা জানি হারার পর আবার কীভাবে জিততে এবং এটাই হচ্ছে রাজনীতি।
আমরা ভুল করেছি।
আমি আশাও করিনি যে এরকম হবে।
জানিও নাহ বেচারি দিবানা, দাদিমা এবং দাদা কেমন আছে।
আরে, চুপ কর অভি।
আমরা আন্দোলনে গিয়েছিলাম শুধু যুব আইকন প্রতিযোগিতায় ভোট বাড়ানোর জন্য।
নিজেকে মহাত্মা গান্ধী ভেবে কথা বলিছ নাহ...
দাদিমা ভালো আছে কি নাহ কিংবা বাচ্চা ভালো আছে কি নাহ।
তোর কারনে, আমরা আমেরিকার জেল থেকে এখন ইন্ডিয়ার জেলে এসেছি।
আমরা দুইজন একসাথে এই পরিকল্পনা করেছিলাম নাহ?
তাইলে তুই এখন এমনভাবে কথা বলতাছোছ কেম যে সব দোষ আমার?
আচ্ছা, তুই বল।
তুই বল আমাদের এরপর কী করতে হবে এবং আমরা সেটাই করবো।
সুতরাং মিষ্টার যুব আইকন, অগ্রিম অভিনন্দন।
অভ্যন্তরীণ তথ্যানুযায়ী তুমি সাক্ষী যুক আইকন প্রতিযোগিতা জিততে যাচ্ছো।
কালকে ঘোষণা হবে।
অনুষ্ঠান শেষ হওয়া পর,
আমার নিজস্ব টাকা দিয়ে তোমাদের দুজনকে ব্যবসায়ীক শ্রেণীতে করে আমেরিকা পাঠিয়ে দিবো।
ধন্যবাদ
কিন্তু, একমাস পর..
তোমাকে এই এক মাসে যা যা করতে হবে,
নির্বাচনের সকল প্রকার কার্যক্রমে আমার সাথে থাকতে হবে...
এবং আমার সঙ্গে সম্মান দিয়ে কথা বলতে হবে।
শুধু এটুকুই নয়, যুক আইকন মঞ্চে তোমাকে বলতে হবে যে আমিই তোমার অনুপ্রেরণা।
আমি যেরকম বললাম তুমি যদি ঠিক সেরকম সেরকম করতে পারো তবেই তুমি আমেরিকায় যেতে পারবে।
যদি আমি নাহ বলি?
তাহলে এর জন্য আরেকটা পরিকল্পনা আছে।
স্যার
আমেরিকায় তোমাদের গ্রেপ্তারের এফ আই আর কপি,
আসল সত্য কেনো তোমরা ইন্ডিয়ায় এসেছো,
হোটেল বিল নাহ দেয়ায় তোমাদের পাসপোর্ট জব্দ করা হয়েছে,
তোমাদের একই এলাকায় জাল নোট অদলবদল করার চেষ্টা করেছিলে, সেটার প্রমাণ।
যখন আমি এসব জনগণকে দেখাবো,
এখন পর্যন্ত হাততালি দেয়া জনগণগুলো তোমাকে জুতা পিটা করবে।
আমি জানি আমি যেভাবেই বলেছি তুমি ঠিক সেটা করবে।
তুমি অনেক চালাক নাহ?
ও বলবে, ও অবশ্যই বলবে স্যার।
আরেহ বাশা
আমাদের আর কোনো উপায় নেই
তাহলে, রাজি?
প্রতি বছরের মতো এবারো, সংবর্ধনা মঞ্চ যুব আইকন পুরস্কার দেয়ার জন্য তৈরি।
চলুন সরাসরি পুরস্কার অনুষ্ঠানে চলে যাই।
এবং সময় হয়েছে সাক্ষী টিভি আয়োজিত যুক আইকন প্রতিযোগিতার...
বিজয়ীর নাম ঘোষণা করার।
এটাও আর কেও মিষ্টার অরভিন্দ প্রসাদ।
ভগবান নিজেই বলছে আমাদের জীবনে কখনো আলো আসবে নাহ,
এখন এই উপাসনা করার কি দরকার আমাদের?
একথা বললে, ভগবানের উপাসনা নাহ করে কীভাবে আমরা মানুষ হতে পারি?
ভাই।
এবং এখন "যুব আইকন অব দ্যা ইয়ার" মিষ্টার অরভিন্দ প্রসাদের...
হাতে পুরস্কার তুলে দিবেন সাক্ষী গ্রুপের সিইও। -মাই ম্যান।
অভিনন্দন এবং এই মঞ্চ এখন তোমার।
অরভিন্দ প্রসাদ, যুব আইকন!
এটা শুনে মনে খুব চাঙ্গা আসে বস।
আমেরিকার কোথাও জন্মেছে, ইন্ডিয়া এসেছে এবং সাধারণ মানুষের মতো জীবনযাপন করছে,
প্রতিটা রুপি বাঁচিয়ে, প্রতিদিন খাপখাইয়ে ৮৩ টাকায় চলাফেরা করেছে,
আমি যেহেতু যুব সমাজের অনুপ্রেরণা তাই আপনারা আমাকে এই পুরস্কারটি দিয়েছেন।
কিন্তু আমার বিচারে, আপনাদের এই পুরস্কারটি আমাকে দেয়া উচিত হয় নি...
মিষ্টার ভার্গব এটার যোগ্য।
ও ভার্গবের নাম বলছে কেনো?
কেনো এই প্রতিযোগিতায় আমি তাকে ভোট দিতাম তার কারন হলো...
কোটিপতি হয়েও আমাদের এখানে এসে সাধারণ জীবনযাপন করার চেয়ে বেশি,
মিষ্টার ভার্গব ও তার কোটি টাকা মূল্যের ব্যবসা ছেড়ে...
এখানে এসে সাধাসিধে জীবনযাপন করছে।
তিনি কোনো সাধারণ রাজনীতিবিদের মতো নন।
তিনি হচ্ছেন আইকন।
আসলে, যখন ভার্গবের মতো রাজনীতিবিদ রাজিনীতিতে আছে,
আমাদের মতো আরো অনেকে যুব আইকন হবে।
ওর আবার কি হইছে?
আমিও বুঝতেছি নাহ।
দুঃখিত ভার্গব, আমি পারবো নাহ।
দুঃখিত!
আপনারা সবাই হয়তো ভাবছেন মঞ্চে আসার পর...
অরভিন্দ এসব কি বলছে।
কিছুক্ষণ আগে আমি যেগুলো বললাম সেগুলোর একটাও আমার মনের কথা ছিলো নাহ।
ভার্গব যে কথাগুলো আমাকে বলেছে আমি ঠিক ওই ভাবেই সেগুলো আপনাদেরকে বললাম।
আরেহ, ও কি বলছে? -ঠিক কি বলতে চাচ্ছে?
অনেক সময় ধরে আমি আপনাদের সবার থেকে কিছু সত্য লুকাচ্ছিলাম।
আপনারা সবাই যেরকম ভাবছেন, আমি কোটি টাকার সম্পত্তি এবং বিলাসীতা...
ছেড়ে এখানে সাধারণ জীবনযাপন করতে আসিনি।
আমার বাবা আমাকে বাসা দূরে এ কথা ভেবে পাঠিয়েছে যে...
আমি হয়তো অন্তত ইন্ডিয়ায় যেয়ে নিজের উন্নতিসাধন করতে পারবো, তাই আমি এখানে এসেছি।
যেদিন থেকে এখানে এসেছি আমি শুধু ভেবেছি কীভাবে এখান থেকে রেহাই পাওয়া যায়...
কিন্তু একটিবারের জন্য এখানে থেকে যাওয়ার কথা ভাবিনি...
এবং এটাই হচ্ছে সেই সত্য যেটা আমি লুকাচ্ছিলাম।
একটা সময়ে ভার্গব সব সত্য জেনে আমার কাছে আসলো...
এবং আমাকে বললো পুরস্কার মঞ্চে তার সম্পর্কে মহান মহান কথা বলার জন্য...
এবং নির্বাচন কার্যক্রমে তাকে সমর্থন দিতে।
ওর কোনো ব্যবস্থা কর।
চক্রী, প্রথমে লাইভ বন্ধ করো, লাইভ বন্ধ করো।
তিনি বললেন যদি আমরা তার কথামতো সব করি তাহলে তার টাকা খরচ দিয়ে আমাদের আমেরিকায় পাঠাবেন।
তিনি হুমকি দিলেন যদি আমি তার কথা না মানি তাহলে আপনাদের সামনে আমার সত্যগুলা প্রকাশ করে দিবে।
এখন পর্যন্ত আমার সকল মিথ্যাগুলো শুধু জীবনযাপনের এবং স্বার্থপরতার উদ্দেশ্যে ছিলো...
যদি আমি এখন ভার্গবের কথা শুনতাম এবং তার কথামতো চলতাম...
এবং আমেরিকায় চলে যেতাম, তাহলে এটা আপনাদের সাথে প্রতারণা করা হতো।
প্রতারণা করে জিতার পরিবর্তে...
আমি এই মিথ্যা বলা বন্ধ করে দিতে চাই...
এবং আমি আর প্রতারণা করতে চাই নাহ।
আপনাদের সবার সামনে বিশ্বস্ত হয়ে আমি হারতে চাই।
তুমি সঠিক বাবা,
আমাকে ইন্ডিয়ায় পাঠিয়ে তুমি মহৎ কাজ করেছো।
আমি জানি নাহ যেই কলেজ থেকে আমি পড়ালেখা করেছি সেখান থেকে আমি কি শিখেছি...
কিন্তু ইন্ডিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আমি অনেক কিছু শিখেছি।
আমি হাজার হাজার ডলার খরচ করার আগে কখনো এক সেকেন্ডের জন্য ও ভাবিনি...
কিন্তু ইন্ডিয়ায় আসার পর একশত টাকা...
ভাঙ্গার আগে শতবার ভেবেছি।
আমি টাকার মূল্য বুঝেছি।
আগে, যখন খারাপ সুস্বাদু নাহ হতো কিংবা খাবার দিতে একটু দেড়ি হতো,
আমি সেটাকে ছুঁড়ে ফেলে দিতাম...
কিন্তু এখানে আসার পর,
যখন খাওয়ার জন্য কিছু পেতাম নাহ তখন পানি পান করে শুয়ে পড়তাম।
ক্ষুধার মর্মতা আমি বুঝেছি।
আমি কখনো একটা কাপড় পরার সেটা আর দ্বিতীয়বারের জন্য পড়তাম নাহ...
কিন্তু এখন, আমি যখন সেই একই কাপড়গুলো ধুই এবং যখন সেগুলো আবার পরি,
আমি তাদের সাথে কিছু অদ্ভুত টান অনুভব করি,
আমি জিনিসের মূল্য সম্পর্কেও বুঝেছি।
যখন আমেরিকা ছিলাম।
সেখানের মানুষগুলোর মতো আমিও শুধু নিজের ব্যাপারে ভাবতাম, যেমন আমি কি ভালো, মানুষ হিসেবে আমি কেমন,
আমি কত টাকা আয় করছি, আমার কি উন্নতি হচ্ছে এবং আরো অনেক কিছু।
আমি সবসময় শুধু নিজের ব্যাপারে ভাবতাম কারন এটাই আমেরিকান জীবন।
কিন্তু ইন্ডিয়ায় আসার পর, একটি মেয়ে আমাকে চাচ্চু বলে ডাকে,
একজন দাদা আমাকে নাতি বলে ডাকে, একজন বন্ধু আমাকে ভাই বলে,
বাচ্চারা চাচ্চু বলে ডাকে এবং তারা আরো বিভিন্ন নামে ডাকে।
আমি এখানে অরভিন্দ হিসেবে এসেছি, আর এখন বিভিন্ন পরিচয় পেয়ে গেছি,
তুমি আমার প্রতিবেশী নাহ, তুমি আমার সবচেয়ে ভালো বন্ধু, তোমাকে ভালোবাসি ভাই।
যদিও আমি তাদের কেউ ছিলাম নাহ, -কিন্তু তারা আমাকে তাদের একজন বানিয়েছে।
আমি তখন বুঝেছি জীবনে শুধু বিলাসিতায় প্রকৃত সুখ পাওয়া যায় নাহ...
এমনকি সম্পর্ক থেকেও পাওয়া যায়।
যখন আমাদের বেশি টাকার লোভ দেয়া হয়েছে তখনি আমরা প্রতারিত হয়েছি,
যখন আমাদের নাম বড় করার জন্য লোভ দেখানো হয়েছে তখনি আমরা প্রতারিত হয়েছি,
স্বার্থের কথা ভেবে যুক আইকন প্রতিযোগিতায় ভোট বাড়ানোর জন্য...
বস্তির লোকদের করা আন্দোলনকে ব্যবহার করেছি।
কিন্তু আমি লজ্জিত অনুভূত করেছি যখন তারা আমাদের বাঁচানোর জন্য তারা নিজেদের জীবন ঝুঁকিতে ফেলেছে...
আমি লজ্জিত অনুভূত করেছি...
আমি আপনাদের কোনো কাজে আসতে পারিনি,
কিন্তু আমার পরিবর্তনে আপনারা আমাকে অনেক সাহায্য করেছো।
এর জন্য আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ,
এতোদিন মিথ্যা বলে আপনাদের সবাইকে কষ্ট দেয়ায় আমি খুবই দুঃখিত।
আমি দুঃখিত।
এবং যাওয়ার আগে সর্বশেষ বিষয়,
কেমিক্যাল ফ্যাক্টরীর কারনে...
অনেক বছর ধরে নেতাজি নগরের মানুষ কষ্টভোগ করছে।
তাই নেতাজি নগরের মানুষের পক্ষ থেকে আমি সরকারকে অনুরোধ করছি...
খুব দ্রুত ফ্যাক্টরিটা বন্ধ করে দিন।
আর আমি যাওয়ার আগে শেষ জিনিস,
জয় হিন্দ!
জয় হিন্দ!
অস্থির, অভি।
নেহা, আমি দুঃখিত।
যথেষ্ট হইছে।
যুবনেতা ভার্গবের আজকের বিতর্ক সভাকে নাড়িয়ে দিয়েছে।
বিরোধীদল এ বিষয়ে সরকারের কড়া সমলোচনা করছে।
একদিকে শক্তিশালী বিরোধীদল এবং অপরদিকে জনগণ,
আমরা বলতে পারি যে ক্ষমতাসীন দলের উপর প্রচুর চাপ ভর করছে।
যে আমাকে বোকা বানিয়েছে, তাকে ছেড়ে দেয়ার কোনো প্রশ্নই উঠে নাহ।
তোর রাজনৈতিক জীবন শুরু করার আগেই তুই সেটাকে শেষ করে দিলো
এখনো কেনো তোর এতো অহংকার?
একজন ভালো ছেলে হতে চাইলে, বড়রা যা বলে আগে তা কর।
যা!
দলের প্রধান হওয়া সত্ত্বেও এটা বলতে আমার লজ্জা হচ্ছে যে...
ভার্গবের মতো শয়তান মানুষ আমাদের পার্টিতে আছে।
আমি তাকে এক্ষুণি পার্টি থেকে বরখাস্ত করছি।
যখন আমরা জনগণের পাশে থাকবো, তখনি জনগণ আমাদের পাশে থাকবে।
আমি এটা জানাচ্ছি যে সরকার ওই ক্যামিকেল ফ্যাক্টরি বন্ধ করে দিবে...
এবং ফ্যাক্টরীর মালিকদের আদালতে অভিযুক্ত করা হবে।
তাহলে বাচ্চারা, তোমাদের বাবার বেতন হচ্ছে ১০ হাজার রুপি।
তারা সেখান থেকে তোমাদেরকে ৫% হাত খরচ দেয়...
তাহলে তোমাদের হাত খরচ কত টাকা?
এটা তার থেকেও কম যতটা তোর বাবা তোকে দিতো।
বাবা।
বাবা।
আমি তোকে পাঠিয়েছি পরিবর্তন হওয়ার জন্য, কিন্তু তুই এতো পরিবর্তন হবি আমি আশা করিনি।
যথেষ্ট হয়েছে, এখন ফিরে চল।
আমার ফিরে যেতে মন চাইছে নাহ বাবা।
অভি, আমি তোকে পাঠিয়েছি কঠোর পরিশ্রম কি তা জানার জন্য।
কিন্তু সারাজীবন তোকে কষ্টের মধ্যে থাকার জন্য নয়।
২ বছরের মধ্যে আমি ডিগ্রী পেয়ে যাবো এবং তারপর ফিরে আসবো।
তাহলে, আমি তোর মাকে কি বলবো?
তাকে বলবে আমি একজন সুন্দরী তেলেগু মেয়ে পেয়েছি এবং তাকে সাথে নিয়ে ফিরবো।
মেয়েটা কে?
নেহা, আমি জানিনা কীভাবে তোমার এতো কাছাকাছি চলে এসেছিলাম, তাই তৎক্ষনাৎ মিথ্যা বলে ফেলেছি।
আমি ওইদিন যা বলেছিলাম আজকেও একই কথা বলছি।
অজান্তে সবার ভুল হতেই পারে,
এটাই যথেষ্ট তুমি বিশ্বাস করবে যে আমি ওতটাও খারাপ নাহ যতটা তুমি ভাবো।
আমি বিশ্বাস করবো।
কিন্তু আংকেল যেভাবে বাসায় মদ খেয়ে আসতো এবং আন্টির গায়ে হাত তুলতো,
বিয়ের পর তুমি এরকম আচরণ করতে পারবে নাহ।
তাহলে আমি বিশ্বাস করবো।
কি আন্টিকে গায়ে হাত তুলতাম? -আমি তো মদ ও খাই নাহ।
বাবা, আসলে।
তুই কি সব জায়গায় আমাকে এভাবে ব্যবহার করতি?
শুধু মেয়ে পটানোর জন্য, -পাপী!
আরেহ শালা, আমার গোসল করা শেষ পর্যন্ত এইটুকু সময়ের মধ্যে এতকিছু হয়ে গেলো?
সমস্যা নাই আংকেল, ওর কোনো পাসপোর্ট সাইজ ছবি থাকলে আমাকে দেন।
কেনো?
আপনি এমনভাবে জিজ্ঞেস করছেন যেনো আপনি কিছু জানেন নাহ?
দেখে তো মনে হয় কোর্স শেষ হয়ে যাওয়ার...
পরেও ও আমার ফিরে যাবে নাহ।
যদি আমরা ওর ভোটার কার্ড, রেশন কার্ড, প্যান কার্ড,
এবং বিয়ের কার্ড কোনোমতে জোগাড় করতে দিতে পারে তাহলে,
ও এখানে স্থায়ীভাবে বসবাস করতে পারবে।
ফাইজলামি বন্ধ কর! চল একটা ছবি তুল।
তোর আন্টিকে পাঠালে অনেক খুশি হবে। এদিকে আসো, আসো।
আমি এই কাজটি শুধু আপনার ফ্যামিলির জন্য করিনি।
অরভিন্দ তার সত্য প্রকাশ করে বলেছেন তিনি যুক আইকন হওয়ার জন্য যোগ্য নয়।
মিষ্টার নিরঞ্জন, আপনি কি এটা দেখেছেন?
আমি আপনাকে আগেই বলেছিলাম ও একটা সস্তা তৃতীয় শ্রেণির চরিত্র।
আপনি আমাকে বিশ্বাস করেননি।
শুধু এটুকুই নয় স্যার, মনে হচ্ছে কলেজের একটা মেয়ে ওর সাথে জড়িত হয়ে গেছে।
সব জায়গায় দুজনকে একসাথে দেখা যায়।
তাই নাকি? -হ্যাঁ!
ও কি লাইন মারে? নাকি সেট হয়ে গেছে?
দেখলেন স্যার, এসবকিছু ফোর টুয়েন্টি ঘটনা।
এদের কাজ হচ্ছে এক হয় সমাজের সাথে প্রতারণা করা আর নাহলে মেয়েদের বশে আনা।
আমরা তাদেরকে আমাদের চ্যানেলে ডেকেছিলাম,
ওদের পা ধুয়েছি এবং সাথে ওদেরকে সেলিব্রিটি বানিয়ে দিয়েছি।
স্যার, আমি আপনাকে বলছি, আমাদের উচিত এদের মতো মানুষদের সমাজ থেকে দূর করা...
এদের নিষিদ্ধ করুন স্যার, ওরা আমাদের গনতন্ত্রের জন্য হুমকিস্বরূপ...
স্যার, ওরা যুবক।
ওরা প্রেম করুক, চারপাশে ঘুড়াঘুড়ি করুক, যা ইচ্ছা তাই করুক। আমাদের তাতে কি স্যার?
আমাদের আর জীবনযাপন যেখানে পঞ্চম ইএমআই আসার আগেই সেটা কেটে নেয়।
আমরা আমাদের কাজ করি স্যার।
এটা নয় মিষ্টার নিরঞ্জন, আপনার মধ্যে মৌলিক সামাজিকতা থাকতে হবে।
ফালতু!
একজন ও এই সমাজকে বাঁচাতে পারবে নাহ, একজন ও নাহ।
আইন তাদের নিজের কাজ করবে এবং মিষ্টার নিরঞ্জন ছুঁড়ে মারতে থাকুন।
চলুন এটা ছুঁড়ে মারুন, স্যার, প্রস্তুত।
সাবমেকার: আহমেদ সাজ্জাদ ছ্যাঁকাতে মাস্টার্স, মারা খাওয়াতে ডক্টরেট!
এটা আমার প্রথম একক সাবটাইটেল, যদি কোনো প্রকার ভুল ত্রুটি হয় তাহলে ইনবক্সে, কমেন্টবক্সে গালাগাল করুন!
যদি আমার কোনো প্রাক্তনের সাথে যোগাযোগ করতে চান তাহলে প্রথমে আমার সাথে যোগাযোগ করুন!
FB ID Name: Ahmed Sajjad! Link: http://bit.ly/2ZWHGLv
যেকোনো মুভি আপডেট পেতে জয়েন করুন আমাদের গ্রুপে, Group Name: Movie Lovers World! Link: http://bit.ly/2ZWPqNx
Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.