Afrikaans
Akan
Albanian
Amharic
Arabic
Armenian
Azerbaijani
Basque
Belarusian
Bemba
Bihari
Bosnian
Breton
Bulgarian
Cambodian
Catalan
Cebuano
Cherokee
Chichewa
Chinese (Simplified)
Chinese (Traditional)
Corsican
Croatian
Czech
Danish
Dutch
Esperanto
Estonian
Ewe
Faroese
Filipino
Finnish
Frisian
Ga
Galician
Georgian
German
Greek
Guarani
Gujarati
Haitian Creole
Hausa
Hawaiian
Hebrew
Hmong
Hungarian
Icelandic
Igbo
Indonesian
Interlingua
Irish
Italian
Japanese
Javanese
Kannada
Kazakh
Kinyarwanda
Kirundi
Kongo
Korean
Krio (Sierra Leone)
Kurdish
Kurdish (Soranî)
Kyrgyz
Laothian
Latin
Latvian
Lingala
Lithuanian
Lozi
Luganda
Luo
Luxembourgish
Macedonian
Malagasy
Malay
Malayalam
Maltese
Maori
Marathi
Mauritian Creole
Moldavian
Mongolian
Myanmar (Burmese)
Montenegrin
Nepali
Nigerian Pidgin
Northern Sotho
Norwegian
Norwegian (Nynorsk)
Occitan
Oriya
Oromo
Pashto
Persian
Polish
Portuguese (Brazil)
Portuguese (Portugal)
Punjabi
Quechua
Romanian
Romansh
Runyakitara
Russian
Samoan
Scots Gaelic
Serbian
Serbo-Croatian
Sesotho
Setswana
Seychellois Creole
Shona
Sindhi
Sinhalese
Slovak
Slovenian
Somali
Spanish
Spanish (Latin American)
Sundanese
Swahili
Swedish
Tajik
Tamil
Tatar
Telugu
Thai
Tigrinya
Tonga
Tshiluba
Tumbuka
Turkish
Turkmen
Twi
Uighur
Ukrainian
Urdu
Uzbek
Vietnamese
Welsh
Wolof
Xhosa
Yiddish
Yoruba
Zulu
ইন্ডিয়ান মুভি লাভারদের সাদর আমন্ত্রণ আমাদের ফেসবুক পরিবারে "ইন্ডিয়ান মুভি লাভারস ফ্রিক গ্রুপে"
ইন্ডিয়ান মুভি লাভারস ফ্রিক https://www.facebook.com/groups/904917246593141
অনুবাদে আছেন ঃ হাবিবুল্লাহ
অনুবাদে আছেন ঃ হাবিবুল্লাহ কাইসার
অনুবাদে আছেন ঃ হাবিবুল্লাহ কাইসার, জিতু।
অনুবাদে আছেন ঃ হাবিবুল্লাহ কাইসার,জিতু বিশ্বাস
অনুবাদে আছেন ঃ হাবিবুল্লাহ কাইসার,জিতু বিশ্বাস,ফারদিন
অনুবাদে আছেন ঃ হাবিবুল্লাহ কাইসার,জিতু বিশ্বাস,ফারদিন আলিফ
বিশেষ টাইমফ্রেমিং এ আছেন ফারদিন আলিফ
এই সংবাদ - সম্মেলনের কারন হলো
২-৩ মাস ধরে
আমাদের থানার সীমানার মধ্যে
একা থাকা লোকদের বাড়ি থেকে ডাকাতি সম্পর্কে ৫-৬ টা অভিযোগ আসে।
এই ডাকাতির পিছনে
ভেলাউধাম গ্যাংকে সন্দেহভাজন হিসেবে ধরে, যে তারা ঘটনাটি ঘটাতে পারে৷
আমরা টিম তৈরি করি এবং মাঠ পর্যায়ে কাজ শুরু করি
আজকে ভোর ৬ টাই
যে মলটা ওই দস্যুদল লুট করেছে,
আমরা তথ্য পাই যে তারা এসব দ্রব্যাদি কুলিগুড্ডার কোন বণিকের কাছে বিক্রি করবে,
আমরা তাদেরকে চুরি যাওয়া জিনিসপাতিসহ পাকড়াও করেছি।
আট লক্ষ টাকার মূল্যবান জিনিস উদ্ধার করা তো আমাদের জেলায় এই প্রথম, তাই না?
হ্যাঁ, হ্যাঁ।
খুব ভালো কাজ করেছেন স্যার, আপনার মতো আন্তরিক অফিসারদের কারনে,
মানুষের মধ্যে পুলিশ বাহিনীর উপরে বিশ্বাস বেড়ে গেছে।
ধন্যবাদ......ধন্যবাদ৷
ইংরেজী সাব বানানোর জন্যে বেঙ্গালুরুর বন্ধু অভীককে ধন্যবাদ। তাকে টুইটারে ফলো করতে পারেন ঃTwitter.com/TamilRasanai
সম্পাদনায় হাবিবুল্লাহ কাইসার"
হেমাগিরি ইনস্পেক্টর পরশুরামের সাহসীকতা!
-দেখ ব্যাটা! -আপনি এখন হিরো স্যার!
উপরমহলের স্যার খুব খুশি হয়েছে !
গতকাল তিনি আমাকে ফোন করে, আমার অনেক প্রশংসা করলেন!
আমাদের মাঝেমাঝেই এমন সাহসী কাজ করা উচিত। -হ্যাঁ, স্যার।
কয়েদীদেরকে সাড়ে ১১ টার মধ্যেই আদালতে হাজির করতে হবে।
হানুমান্তু এবং রাজশেখরকে কথাটা জানিয়ে দাও।
- কি হয়েছে, স্যার? -গয়নাগুলো কোথায়!
এগুলো তো এখানেই ছিলো !
-এগুলো শুধু এখানেই ছিলো স্যার! - তাহলে এগুলো কোথায় গেলো?
হ্যালো,গোয়েন্দা দিবাকর কি আছেন ?
কিরে ভাই,পান্ডু?
-রামানা ধর ! - শালা পাগল!
সাবধান !
আকাশের দিকে দেখে হাঁটতে গিয়ে আবার পড়ে যেও না!
যা ভাগ শালা !
মনে হচ্ছে অনেক গরম হয়ে গেছে।
- পুড়েও যেতে পারে। - কে রে ভাই তুই !
ছেলেটার গলার আওয়াজ পরিবর্তন হয়ে গেছে না?
কেউ আছেন ?
আকাশের দিকে দেখে হাঁটতে গিয়ে আবার পড়ে যেও না!
পান্ডু! শালার কি মুখরে তোর!
কেউ কি আমাকে শুনতে পাচ্ছেন ?
কেউ অন্তত এসে আমাকে মেরে ফেলুন ....
এই ছেলে !
তুই যদি চেঁচামেচি করে নিজের শিরাও কেটে ফেলিস, তাও এখানে কেউ তোকে সাহায্য করতে আসবে না।
এটা সেই মাঠ যেখানে কেউ আসেনা।
আপনি কে মা? আপনি কি শাঁকচুন্নি নাকি শয়তান যে এই মাঠে ঘুরছেন?
তোর কী বিশেষ খাতির-যত্নের দরকার নাকি?
এখন আপনি কেবল আমাকে ঈশ্বরের মতো বাঁচাতে পারবেন।
আমি তোকে বাঁচালে তুই আমাকে কি দিবি ?
আমি এখানে মরে যাচ্ছি, আর এই বালের দাদী শর্তের ব্যাপারে বলছে।
ঠিক আছে। আমাকে বলো তুমি কি চাও?
বিয়ের বয়সী আমার একটা নাতনী আছে, তোকে তার সাথে বিয়ে করতে হবে।
হাইরে! এই দাদী আমার মতো নিরীহ একজনকে পেয়ে মুরগির মতো জবাই করতে চাচ্ছে।
উপরে আসার পর আমি তোকে জিজ্ঞাসাবাদ করবো। আচ্ছা ঠিক আছে।
প্রথমে আমাকে এখান থেকে বের করো।
তুই যদি বের হয়ে আসার পর আমাকে ধোঁকা দিস তাহলে?
দাদীমা মানুষদের একে অপরের উপর বিশ্বাস রাখা উচিত,তাই না?
তোর সম্পর্কে কিছু না জেনে কিভাবে আমার নাতনীকে তোর সাথে বিয়ে দিবো?৷
তাতে কি? আমি কি এখন তোমার সামনে পূর্না ( বায়োডাটা) পড়ে শুনাবো?
যদি তুই উঠে আসতে চাস তাহলে তোকে অবশ্যই বলতে হবে।
তোর নাম কি ?
আমার নাম ডিটেক্টটিভ দিবাকর।
-তোর বাবা? -বাবা আন্নাপা ।
মুওদ্দিনকোপা থানার কেরানি।
মা জলাজাক্ষী। - সে আর নেই।
ছোটবেলা থেকে আমার গোয়েন্দা গল্প আর সিনেমা আমার প্রিয়।
তুই কি রেজিস্ট্রার খাতা পড়তেছিস নাকি?
আরে যাও তো বাবা,আমি এখন শুধু পড়তেছি।
মাহাত্মা গান্ধীকে কে খুন করেছিলো?
আমি তোকে জিজ্ঞাসা করতেছি মাহাত্মা গান্ধিকে কে খুন করেছিলো?
ছুরি আর আঙুলের চাপ পাওয়া গেছে।
এখন শুধু খুনিকে খুঁজে বের করতে হবে।
বেয়াদব পোলা !
হরিণের প্রতিশোধ,শত্রুর বিনাশ!
আমি তোকে পড়তে বললাম আর তুই গোয়েন্দা গল্পের বই পড়তেছোস?
বাবা মেরো না বাবা!
তোর মাথার খুলি আজকে ভেঙ্গেই ফেলবো।
সবকিছু জ্বালিয়ে দিবো একদম! - পড়তে বোস।
মাইকে প্রচরনা চলছে: সম্মানিত এলাকাবাসী সবাইকে ডক্টর রাজের নতুন সিনেমা দেখার জন্যে সাদর আমন্ত্রন। Goa dalli cid 999
সিনেমা চলছে : টনি..... নিজেকে সামলাও
তুমি জানো টাইগার কেউ মিথ্যা কথা বললে সেটা পছন্দ করে না।
এটা ধরো।
এটা ট্রান্সমিটার (মোবাইল ) ঘড়ি
তার সাথে দেখা করার সময় এটা পড়ে নিও।
সে যা বলবে সবকিছু রেকর্ড করবে৷
- তৎক্ষণাৎ আমাদেরকে ব্যাংগালোর যেতে হবে। - ব্যাংগালোর? - আমি সবসময় প্রস্তুত স্যার।
দেখ!
ধর পাশাপাশি ৩ টা কুঁড়েঘর আছে।
তাদের মধ্যে প্রথম ঘরটা জোরে জোরে আগুন জ্বলছে।
এখন অ্যাম্বুলেন্স আসার পর কোন ঘরটাতে পানি ঢালবে? দেখি বল তো।
যেহেতু পুরে গেছে, তাহলে তাদের অবশ্যই সেখানে পানি ঢালা উচিত হবে।
আরে আবাল, প্রথম ঘরটা পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
তাই তারা অন্তত ২য় এবং ৩য় ঘরটি বাঁচানোর চেষ্টা করবো।
আমি কি ঠিক বলেছি দিবাকর?
এই গুরুপান্ডা, কেন এম্বুলেন্স এসে পানি ঢালবে?
বাড়ির ফায়ার ইঞ্জিন কি কাজ করে না ?
তুমি ভালো মজার কথা বলো! মামুলি প্রশ্ন করে আমাদেরকে বিভ্রান্ত করো।
এই কারনেই আমি যখন প্রশ্ন করবো তোদের তখন ঠিকভাবে শোনা উচিত।
-আমার মতো গাজর খা, তাহলে তোর বুদ্ধিও তীক্ষ্ণ হয়ে উঠবে। - আমি কি যাবো,স্যার?
আপনি আমার সাথে এইভাবে আচরন করছেন কেন শ্বশুরমশাই? এটা তো স্টেশান না স্যার বলে ডাকছেন কেনো?
আপনার ডিটেক্টিভ দিবাকর কোথায়?
ঐই যে দেখো,ওখানে বসে আড্ডা দিচ্ছে সে।
কি অবস্থা নিমবেহুলি (নাম) ? স্টেশনে কালেকশন কেমন হয়েছে?
কালেকশন বেশি হলে বন্দা(চপের মতো খাবার) নিয়ে আসতে বল।
তার মতো লোভীর কাছ থেকে বন্দা খাবি তুই ক্যামনে আশা করোছ?
-তাকে একটু দেখেন আব্বু। - আরে ও তো পাগল, ওর কথায় পাত্তা দিও না।
-ঠিক আছে আমি যাচ্ছি। - সাবধানে যেও।
তোর শাশুড়ির ছেলে সুনিলা, সে কি ইনস্পেক্টর হয়েছে নাকি?
তাকে ইনস্পেক্টরের পোষাকে ব্যাপক লাগতেছে।
তোরা তাকে এতো মাথায় তুলছোস কেনো ?
এমনকি হাবিলদার যে সারাদিন পাহারা দেই সেও খাকি কাপড় পরে।
-আস্তে কথা বল ভাই,তোর বাপও খাকি কাপড় পরে। - এই তাড়াতাড়ি উঠে ঘরে যা।
আন্নপা রেগে গেছে, আমি চলে যাচ্ছি। গুডনাইট৷
আমার বড় বোনের ছেলে সুনীলা ।
আমার চোখের সামনে বড় হলো,
সে আমাদের থানার ইনস্পেক্টর হয়ে গেছে
দেখে খুব অানন্দ লাগে৷
যখন কোন গরু প্রসাব করে তখন পিপড়ার চোখে তা ঝর্ণা হয়ে যায়।
সামর্থ্য থাকলে তার মতো ইনস্পেক্টর হয়ে দেখা।
নাহলে অন্তত পিসি হওয়ার জন্যে চেষ্টা কর।
পিসি??
এই পিসি, ইসি হয়ে সিনিয়র অফিসারদের গোলামি করা, উফফ, আমি এগুলো কল্পনাও করতে পারি না ।
আমার স্বপ্ন হচ্ছে একজন গোয়ন্দা হওয়া।
স্যার, ডিফেকটিভ দিবাকর আছে?
এই অশিক্ষিত ডিফেকটিভ না ওটা ডিটেকটিভ হবে।
আমিই দিবাকর, এখন বল ঘটনা কি?
স্যার লোকেরা বলেছে আপনি অনেক জ্ঞানী এবং বুদ্ধিমান।
তাই আমরা একটা সমস্যার সমাধান করতে এসেছি।
এটাই আমার ক্ষমতা,দেখলে।
-তুই এতো নিশ্চিত হয়ে কিভাবে বলতে পারোস? আমি কাছ থেকে দেখেছি, এটার পেট অনেক বড়।
তোর কি আমার চেয়ে বেশি অভিজ্ঞতা আছে নাকি?
এই চুপ কর স্যার সিদ্ধান্ত নিবে যে, এটা গর্ভবতী নাকি গর্ভবতী না।
-ঠিক আছে না স্যার? এই সে গর্ভবতী কিনা আমি কিভাবে বের করবো?
ঠিকভাবে বিষয়টা বলেন আগে৷
-আমাদের বাড়িতে ইঁদুর ধরার যন্ত্রে একটা ইঁদুর ধরা পড়ছে।
সে বলছে এটা গর্ভবতী আর ও বলতেছে এটা গর্ভবতী না, এখন শুধু আপনিই চেক করে আমাদের নিশ্চিত করতে পারেন।
গাধার দল! আমি এটা আমার কেস হিসেবে নিবো মনে করছোস? টাইমপাস করার জন্যে আসছোস এখানে,হ্যাঁ?
ইঁদুর হচ্ছে ভগবান গনেশের বাহন, যদি এটা গর্ভবতী তাহলে আমাদের অনেক বড় পাপ হবে।
তোরা যদি এখানে আর ১ মিনিটও থাকোস, আমি তোদের ইঁদুরের বিষ খাওয়ায়ে মারবো।
যা ভাগ এখান থেকে৷
এতো পঁচানোর কোনো দরকার নেই, আমার সময়ও আসবে।
তুমি যদি তোমার মাথা দেয়ালেও ঠুকো তাহলেও আমি পুলিশ অফিসার হবো না।
-তুই কেনো পুলিশ হবি না? - কারন আমি এটা পছন্দ করি না।
-আমি তোর বাবা, আমি বলছি তোকে পুলিশের পোশাক পড়তে হবে। -না মানে না৷ আর কতো বার বলবো তোমাকে।
কেন বল, কেন, কেন তুই পুলিশ হবি না?
অাইন অনুযায়ী শুধু গোয়েন্দা বই পড়ে আর সিনেমা দেখে কেউ গোয়েন্দা হতে পারে না।
আমাকে ছোটো করে দেখো না। আমি গোয়েন্দা হয়েই নিজেকে প্রমান করবো।
- গাধা তুই কেনো পুলিশ হতে পারবি না? -আমি হতে চাই না আর কখনোই হবো না।
-তোকে পুলিশ হতেই হবে। - আমি হবো না।
আমি তোর মাকে কথা দিয়েছিলাম যে,তুই পুলিশই হবি।
তাই নাকি ?
তুই বলেছিলে তুই কোনোদিনও হাবিলদার হবি না আর এখন তুই হাবিলদার হয়ে গেলি, ভাই?
পুলিশ হয়ে তুই এখন পাথরের মতো দাঁড়িয়ে আছোস, দিবাকর?
এখন থেকে তুই একটা মোরগ যেটা চিৎকার করতে পারে না এবং একটা ষাঁড় যেটা লাথি মারতে পারে না।
আমার ক্ষতে কেরোসিন ঢালতে এসেছিলো। ভাগ এখান থেকে।
-এই এল বোর্ড, এইদিকে আয়। - আসতেছি স্যার।
এই সাবধানে যাও।
আমার নাম দিবাকর স্যার ।
কপালে তোমার নামটা ঝুলিয়ে রেখে সবাইকে দেখাও।
ভাস্কর শেঠির হোটেলে গিয়ে সবার জন্যে চা নিয়ে আসো।
-আমি?
- এল বোর্ড আমার জন্যে একটা কাশাইয়া (মালাই চা)। -আমার জন্যে একটা চিনি ছাড়া চা।
- এল বোর্ড আমার জন্যে একটা বাদাম চা। - তোর মাথায় বাদাম চা ভরে দিমু।
- স্যার আমার জন্যে এক প্যাকেট বিড়ি। - তোর মুখের ভিতরে লাঠি ভরে দিবো।
সবগুলোকে ইঁদুরের বিষ খাইয়ে মেরে ফেলা উচিত।
আমাকে তাদের কাজের লোকের মতো খাটাচ্ছে।
-এল বোর্ড স্যার,দয়া করে আমার ফুল কিনেন! - ভাগ এইখান থেকে।
-এই এল বোর্ড! -স্যার!
- প্রস্রাব পরিস্কার কর। - আমি ?
হাসতেছোস কেনো?
তোর ভাগ্যের সাথে কি হলোরে ভাই পুরো কুত্তার খাওয়ার পাত্র হয়ে গেছে দেখি?
আমি এইরকম পরিস্থিতিতে পড়লে মরেই যেতাম।
এইরকমভাবে বাঁচার চেয়ে পানির বালতিতে ডুবে মরা অনেক ভালো।
আমার জীবন একটা ছিঁড়া শার্টের মতো হয়ে গেছে।
তোরা হাসতেছোস? তোরা কি বন্ধু?
দিবাকর:আর এখানে আমি তোদের মতো মুর্খদের কাছ থেকে ভালো বুদ্ধি পাওয়ার জন্যে অপেক্ষা করছি।
আমাদের অনেক ধমক দিয়েছোস, ঐদিকে দেখ রোমিও আন্নাপার সাথে জুলিয়েট ললিতা রোমান্স করছে।
এই রোমান্স যদি চলতে থাকে, তাহলে খুব তাড়াতাড়ি তোর খেলাধুলার জন্যে একটা ছোটো ভাই বা বোন পেয়ে যাবি।
দেখ ভাই, তুই কি তোর নতুন ভাই- বোনের সাথে খেলবি।
নাকি এই রোমান্স বন্ধ করে, তুই নিজের বাড়ির সম্মান বাঁচাবি।
আমাদের বীর অভিমন্যু যাচ্ছে!
-ললি। - হুম।
- চলো, আমরা দুইজনে শিরসী উৎসবে যাই। তুমি কি যাবে?
-ঠিক আছে যাবো।
কি অবস্থা তোর? তোর ডিউটি কি এখানে দিছে নাকি?
-গল্পটা ভালো তাই না? - আমার পছন্দ হয় নাই।
- কেন?
পুরা শহর তোমার মাঝরাতের এইসব রোমান্স দেখতেছে, এখন উঠো।
-এই চুপ কর, বাজে কথা বলবি না।
-বাবা, চলো এখন বাড়িতে যাবো। -এই আমার হাত ছেড়ে দে।
-তার হাতে প্যাকেট টা দিয়ে দাও। - এই আমার হাত ছেড়ে দে৷
আমার হাত ছেড়ে দে৷
তোমার আমাকে বিয়ে দেওয়ার কোনো ইচ্ছা নেই আর এখানে সেকেন্ড ইনিংস শুরু করতে চাচ্ছো।
আমিও ডিপার্টমেন্টের লোক , আমার হাতটা ছেড়ে দে বলদ।
তার ফর্সা চেহারা দেখে তার ফাঁদ পড়বে না, আমি আগেও তোমাকে সর্তক করে দিয়েছি।
তার বিষয়ে খারাপ কিছু বলবি না, তাহলে কিন্তু সেটা ভালো হবে না।
চকাবারা (একধরনের খেলা) খেলার বয়সে, তুমি কুস্তি খেলতে চাচ্ছো৷
সাহাদেবা!
কি হয়েছে? - অনেক বড় সমস্যা হয়ে গেছে সাহাদেবা।
চাবি আমার সাথেই ছিলো, অন্য কেউ তালা ভেঙ্গে চুরি কিভাবে করবে?
বাহিরে থেকে থানার ভিতরে এসে কারো কাজটা করার কোনো সম্ভবনায় নেই।
ভিতরের কেউই এই কাজটা করেছে।
প্রথমে থানার কর্মীদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ কর।
আমি সেটা করেছি ভাই, কিন্তু সবাইকেই নির্দোষ মনে হচ্ছে।
এমনকি তারাও চিন্তায় পড়ে গেছে, কি করতে হবে কিছুই বুঝছে না।
৮ লক্ষ টাকার ব্যাপার ডিপার্টমেন্ট জানতে পারলে তোর চাকরি শেষ।
চাকরি কথা ভুলে যা জানতে পারলে আমাকে জেলে যেতে হবে।
স্যার আমার স্বামীর কেসটার কি হলো?
আমরা সব থানায় খবর দিয়ে দিয়েছি, আপনি চিন্তত হবেন না।
আমরা খুঁজে বের করবোই।
সাহাদেবা, এখন কি করবো ভাই?
স্যার আপনার আদার চা নেন।
- এই এল বোর্ড। - স্যার!
ম্যাডাম তার স্বামী নিখোঁজ হওয়ায় অভিযোগ দায়ের করেছেন
-এই কেসটা তুমি দেখবে। - স্যার! আমি?
তুমি সবসময় এইভাবে লাফিয়ে উঠো কেনো?
- হুম,ভগবান পরমেশ্বর কতৃক দেওয়া গান্ধিবা (ফুল) ওই পুষ্পপাত্রতে তোলো।
এই ম্যাডামকে প্রথমে নিয়ে যাও আর তদন্ত শুরু করো। -ধন্যবাদ, স্যার।
আসুন ম্যাডাম, আপনি আমার প্রথম কেস।
- এখন কি করবো ভাই? - চিন্তা করিস না, দোস্ত।
একটা কাজ কর।
কাল নিজে মাজিস্ট্রেট অফিসে গিয়ে রিপোর্ট কর..
মলের চিহ্নিতকরণ হয়ে গেলে আমরাই সর্বেসর্বা হয়ে যাবো।
আমাদের হাতে কোর্টে মাল জমা দেওয়ার জন্যে আরো ২৪ দিন থাকবে।
এর আগেই আমাদের কিছু একটা করতে হবে।
- না বিষয়টা হলো....-এখন তুই যা ভাই...
সন্ধ্যায় বারে দেখা করবো।
-ঠিক আছে।
-আপনার স্বামীর নাম? -আনান্দ।
-বয়স? -৪৫
উনি কখন থেকে নিখোঁজ? -আমি আপনাকে কিভাবে বলি স্যার ....
-কেনো? আমরা একসাথে সংক্রান্তী উৎসব পালন করেছিলাম।
পরের দিন উনি বলেন, উনি কাজের জন্যে যাচ্ছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত ফিরে আসেন নি, স্যার।
-উনার কি কারো সাথে অবৈধ সম্পর্ক আছে? -স্যার!
আমার মতো সুন্দরী বউ থাকতে, কেনো উনি অবৈধ সম্পর্ক করবেন।
চাঁদের আলো অনেক উজ্জ্বল আর বিশাল থাকার পরও
আমরা কি ঘরে টেবিলল্যাম্প রাখি না?
-এটাও সেইরকম। -আমার স্বামী তেমন না।
উনি ভগবান শ্রী রামচন্দ্রের নতুন অবতার।
তারমানে সে যদি সীতার (তুমি) সাথে বনবাসে যায় বা উপোস থাকে তাহলে তার মনোবাসনা পূর্ন হবে?
হ্যাঁ, স্যার !
ঠিক আছে। আপনি এখন যেতে পারেন আমরা যত দ্রুত সম্ভব উনাকে খুঁজে বের করবো।
যত দ্রুত সম্ভব খুঁজুন , স্যার!
ধন্যবাদ ভগবান! কেউ দেখে নাই!
নিখোঁজ!
অাসেন স্যার!
দেখেন, এটাই দেহ।
-ওগো, কি হয়েছে তোমার? -দয়া করে কান্না করবেন না।
- তুমি আমাকে ছেঁড়ে একা চলে গেলে। - আপনি বাহিরে যান।
লক্ষী মা, আমার জন্যে দোয়া করো।
আজকে সকাল থেকেই আমার ভাগ্য ভালো না, কুরেশি (নাম)।
-তোর সাহেব কোথায়? -ভিতরে শেঠ জি, যান।
রাম রাম.... কেমন আছেন স্যার?
ওহ আসেন শেঠ জি, আসেন আসেন।
আমি আয়কর অফিসারের সাথে কথা বলেছি,
আপনার চিন্তা করার দরকার নেই। আপনার টাকা তৈরি রাখুন।
আপনার আশীর্বাদে যদি, আমি জমিটা যদি পেয়ে যাই,
অামি সিনেমা হল বানিয়ে, সেখানে আপনার বড় একটা ছবি দিবো।
কি শেঠ জি, আপনি কথা বলেই শুধু দশরা (উৎসব) দেখিয়ে দিবেন নাকি?
আপনার টাকাতো এখনো এলো না।
আমি টাকা দিতেই শুধু আজকে এসেছি।
এই যে নেন।
এইভাবেই একজন প্রকৃত ব্যবসায়ী কথা বলে।
-স্যার! - আরে দাঁড়াও!
এই মাসের ২০ তারিখ বিল্ডিংটার নিলাম করা হবে।
তুমি কি দেখতে পাচ্ছ না, আমরা দুজনে কথা বলছি?
এই যে.... অানুরাধা ম্যাডাম এসেছেন!
এখানে দেখেন।
শেঠ জি! আপনি এখন যেতে পারেন।
আমার যদি কিছুর দরকার হয়, তাহলে আমি আপনাকে জানিয়ে দিবো।
উনি কে?
আপনি দাঁড়িয়ে আছেন কেনো? দয়া করে বসুন।
অামার মেয়ে উনার কথা মনে করে প্রতিদিন কান্না করতেই থাকে।
-সে কাকে এখন থেকে বাবা বলে ডাকবে, -আরে আমি আছি না?
মানে, আমি বলতে চাচ্ছি, আপনার যেকোনো অসুবিধায় সাহায্যর জন্যে আছি।
এই সমাজে মহিলাদের স্বামী ছাড়া থাকা অনেক কষ্টকর স্যার।
দয়া করে কাঁদবেন না,নিজেকে শক্ত করুন।
অাপনি যদি কান্না করতে থাকেন, তাহলে অামার চোখেও পানি চলে অাসবে।
আমার মনে হয় এইভাবেই একজনের ফাঁকা স্থান পূরন হয়।
-এইভাবে কি দেখছোস? - কিছু না স্যার।
আপনার থেকে শিখছি, যে কিভাবে একজন মহিলাকে পরামর্শ দিতে হয়।
উনার স্বামীর কেসটার কি হলো? তুমি কি কোনো প্রমান পেয়েছো?
স্যার, খুনি যদি সামনে থাকে তাহলে প্রমানের কি দরকার?
খুনি ধরা পড়েছে এ্যাঁ? - কে সে?
সীতাদেবী, আপনি কি আপনার হাতটা একটু সামনে দিবেন?
-কেনো ? -এক মিনিট।
আপনার হাতে চুরি পড়ানোর জন্যে।
এই তুই ম্যাডামের হাতে এটা পড়াছোস কেনো? এটা খুলে ফেল এল বোর্ড।
একমিনিট ধরুন, স্যার
উনার স্বামীকে অন্য কেউ নয়, উনি নিজেই খুন করেছে।
কিসব আজেবাজে কথা বলছেন! আমি নিজেই কেনো নিজের স্বামীকে খুন করবো।
- মিঃ রাভানকুমার। -ভিতরে আসুন।
কি পরিষ্কার হয়েছে, হ্যাঁ ?
দুঃখিত, জানু।
স্যার,.... দয়াকরে একটু সরুন।
ফরেনসিক বিভাগের দেওয়া উনার স্বামীর পোস্টমর্টেম রিপোর্ট।
যদি কোনো ব্যাক্তি মারা যায়, সাতদিন পর থেকে তার শরীরে মেগাট নামক একধরনের জীবানু তৈরি হয়৷
এই মেগাটের আকারের উপর নির্ভর করে,
ফরেনসিক টিম খুঁজে বের করে কতদিন আগে লোকটি মারা গিয়েছে।
এই রিপোর্ট অনুযায়ী, উনার স্বামী ৩০ দিন আগে মারা গিয়েছে।
কিন্তু তিনি আমাদেরকে বলেছেন যে ১৫ দিন আগে তারা দুইজনে
একসাথে সংক্রান্তী উৎসব উৎযাপন করেন এবং তারপরেই উনার স্বামী নিখোঁজ হয়।
মৃত লাশের সাথে কিভাবে আপনি উৎসব উৎযাপন করেছেন?
অদ্ভুত !
আমি যখন এই সন্দেহটা নিয়ে অনুসন্ধান শুরু করি ,
আমরা খুঁজে পাই যে, উনি এবং উনার প্রেমিক রামেশা মিলে উনার স্বামীকে খুন করেন।
এটাই আমার তদন্তের রিপোর্ট স্যার।
আমি আমার কাণ্ডজ্ঞান হারিয়ে ফেললে আমি পাগল হয়ে যেতাম।
প্রথমে দুইটাকে লকাপে ডুকাও।
-এই কুরেশি তাদেরকে ভিতরে ঢুকাও, এই আসো৷
-ভিতরে ঢোক। - স্যার, আমি কিছু করি নাই ।
আমি তোকে ছোটো করে দেখেছি ভাই।
এমনকি হেড অফিসের কাছেও খবরটা পৌঁছে গেছে।
তুই কাজটার জন্যে একদম যোগ্য লোক।
ঠিক আছে।
এই জীবানু সম্পর্কে কোথায় থেকে জানতে পারলি?
এগুলো সবকিছু বেসিক স্যার, ট্রেনিংয়ের সময় তারা শিখিয়ে ছিলো।
ও তাই নাকি? আমি মনে হয় ক্ল্যাসটা ফাঁকি দিয়েছিলাম।
-এই শিভারামা.... স্যার?
-আমাদের জন্যে ২ কাপ চা নিয়ে আস৷ -ঠিক আছে, স্যার।
আমারটাতে চিনি বেশি দিয়ে।
তুই যদি এরকম আরো কৌশল জানতে পারোস,
-তাহলে আমাকে বলবি। - আচ্ছা স্যার।
- শুধু যখন অামরা একা থাকবো তখন। -ঠিক আছে, স্যার৷
-এই আস, মিষ্টি নিয়ে যা ভাই। মিষ্টি নে।
-এই কোয়ার্টার মিষ্টি নিয়ে যা৷ -তোমাকে খুব খুশি লাগছে।
-কোনো সুখবর আছে নাকি?
জয়েনের ১ মাসের মধ্যে,
আমার ছেলে চুটকি মেরেই একটা খুনের মামলার সমাধান করে ফেলছে।
পুরা স্টেশন একদম কাঁপিয়ে দিয়েছে।
-আরে, আরেকটা নে।
-বাঘের ভিতরে বাঘ জন্মেছে। - তাহলে তারপর আর কি? -তাই না।
ধর...... সন্দেশ নাও।
আরে একটা কেনো? পুরা বাক্সটায় নিয়ে নাও।
সবটাই তোমার জন্যে।
উৎযাপন..... কি আমার নাকি তোমার?
শুধু তোর।
তাহলে সে কেনো কাঁচা আম খাচ্ছে?
একটার সাথে আরেকটা সম্পর্ক বানাবি না।
সে আম পছন্দ করে তাই খাচ্ছে, তোর মাঝখানে কি সমস্যা?
- আমার সন্দেহ লাগছে যে তুমি হয়তো গণপতিকে ফাকা জায়গায় বসিয়ে দিয়েছো। - তাহলে তুমি ধারাবাহিকভাবে বসিয়ে দাও।
আমি বাচ্চাদের খেলার জন্যে পুতুল নিয়ে আসবো।
যা ভাগ।
যদি মা বেঁচে থাকতেন, তাহলে কি তোমাকে এসব করতে দিতেন?
আন্নাপা, বাড়িতে আসো তোমার আজকে খবর আছে৷
- কি? এমনকি স্টেশানেও ডাকাতি করছে?
-হ্যাঁ, ভাই।
শেঠের জুয়েলার্সের দোকান থেকে ডাকাতি হয়েছিল,
আমি মালগুলো উদ্ধার করে, তারপর সেগুলো লকারের ভিতরে রাখার পরে , চাবিটা আমার সাথে রেখে দেয়।
আমি যখন সকালে ঘুম থেকে উঠি তখন দেখি, লকারটা আগের মতোই লক করা আছে।
কিন্তু ভিতরে কোনো মাল নেই।
আমি এমনকি বুঝতেও পারছি না কি হচ্ছে এসব ?
সাহাদেবা!
মিডিয়ার সামনেও একই রকম ভাবে।
দুইটায় চুরি হয়েছে।
-এটা কিভাবে সম্ভব? - এমনকি আমি বুঝতে পারছি না যে,
-সংবাদ মাধ্যমও আমাদের উদ্ধার করা মাল সম্পর্কে সবকিছু জেনে গেছে।
অলংকারের মালিককে ফোন করার পর,
আমাদেরকে মাল শনাক্ত করে, সেগুলো কোর্টে জমা দিতে হবে।
আমি এখন কি করবো?
যদি এসপি এসে এই বিষয়ে জানতে পারে, তাহলে আমরা চাকরী হারাবো।
আমাদেরকে জেলেও যেতে হবে।
এই কেসটা সমাধানের জন্যে,
আমাদের একটা ভালো অফিসারের প্রয়োজন।
মানে,
অামরাতো নিজেরা কেসটা সামলাতে পারবোনা?
আমার মতে কোনো প্রাইভেট ডিটেকটিভ কেসটা দিয়ে দিলে আরো ভালো হয়৷
যদি যা বলছোস তা ঠিক আছে ভাই,
কিন্তু যদি সে স্টেশান থেকেই ডাকাতি করতে পারে।
তাহলে চিন্তা কর সে কতটা বুদ্ধিমান!
তাকে ধরার জন্য, আমাদেরও একজন তীক্ষ্ণ বুদ্ধিমান ডিটেকটিভ লাগবে।
তার পাশাপাশি তাকে বিশ্বাসযোগ্যও হতে হবে।
তার জন্যে
আমার স্টেশানে এরকম বুদ্ধিমান একজন আছে।
গরম ঘি,
যদি আপনি গিলে ফেলেন তাহলে গলা পুড়ে যাবে।
যদি আপনি ফেলে দেন, তাহলে আপনি ধরা পড়বেন।
সবমিলিয়ে নিশ্বাস নেওয়া কঠিন হয়ে যাবে।
এখন শুধু তুই কিছু করতে পারবি দিবাকর।
আমাদেরকে কিছু করতেই হবে, চিন্তা করবেন না।
আমি নিজেই কেসটা সমাধান করবো
কিন্তু আমার নিজস্ব কিছু শর্ত আছে।
সেগুলো কি কি?
প্রথম শর্ত, কালকে থেকে আমি যখন খুশি তখন থানায় আসবো।
কেউ জিজ্ঞাসা করতে পারবে না কি বা কেনো?
ঠিক আছে।
তারা সাথে আমার একটা জাওয়া বাইক প্রয়োজন।
আমার শর্ত এখনো শেষ হয়নি
এখনো একটা বড় শর্ত বাকি রয়েছে।
কি সেটা ?
পেশাদার ক্ষেত্রে যাইহোক না কেনো,
আপনাকে একটা মিথ্যা রিপোর্ট বানাতে হবে।
আমার অদক্ষতা দেখিয়ে বা মহিলাদের সাথে বাজে আচরন অথবা খারাপ ব্যবহার
যেইভাবেই হোক না, মিথ্যা রিপোর্ট বানিয়ে
সেটা ডিপার্টমেন্টকে জমা দিয়ে
আমাকে চাকরি থেকে বের করে দিতে হবে।
তুমি কি পাগল নাকি ?
সবাই প্রমোশান আর বেতন বাড়ানোর জন্যে মরে যায়
আর তুমি কিনা বলছো, তোমাকে চাকরী থেকে বের করে দিতে তাও আবার,
মিথ্যা রিপোর্ট দিয়ে।
আমি আর কি করতে পারি, স্বামী?
স্বপ্ন দেখেছিলাম সাগরে সাঁতার কাটার
কিন্তু আমার বাবা আন্নাপা,
আমাকে একটা কূপের মধ্যে ফেলে দিয়েছে, যেখানে কিনা কোনো পানি নেই।
যদি আমার শর্ত আপনি মেনে নেন, তাহলে আপনার শর্তে আমার কোনো সমস্যা নেই৷
ঠিক আছে সবই তোমার ভাগ্য।
অাজীবনের জন্যে বন্দিজীবন থেকে মুক্তি পেলাম।
আমি কি যেতে পারি ?
এটাই দিবাকরের হৃদয়বিদারক কাহিনী দাদী মা।
তুই বেহুদা মুর্খের মতো চাকরী ছাড়া ঘুরতেছোস,
তোর মতো লোককে বাঁচিয়ে কি লাভ?
সেখানে থেকেই মরে যা৷
দাদীমা,
বাঁচানোর বদলে আপনি আমাকে মরে যেতে বলছেন!
হারামী দাদীমা!
গল্প শোনার পর এখন কাকের মতো চলে যাচ্ছে৷৷
আপনার মুখ ফুলে যাক, আপনার জিহব্বা ছিঁড়ে যাক।
আপনার চেহারা পঁচে,আপনি অসুস্থ হয়ে যান।
দাদীমা.....
-এটা আবার কে? - তুমি খুব ভালোই অভিশাপ দিতে পারো দেখি।
এই মেয়ে কে তুমি ?
ঔই বুড়ি কাকটা কোথায় গেলো ?
মেয়েটিও আমি আর দাদীও আমি!
তার মানে তুমি আমাকে এতোক্ষন বোকা বানিয়েছো যে, তুমি সেই বৃদ্ধ দাদী।
মনোযোগ দিয়ে শোন।
আমি গলা পরিবর্তন করতেই তুমি বুঝতে পারলে না যে, কে যুবতী মেয়ে আর কে বুড়ি?
-আর তুমি কিনা ডিটেকটিভ! -আমাকে রাগাবে না৷
তুমি যেই হও না কেনো, প্রথমে এখান থেকে আমাকে বের করো।
আমি পারবো না।
এই কেন তুমি পারবে না?
কেন আমি পারবো না আমি বলছি,
কারন, আমিও তোমার পাশের একটা গর্তে পড়ে গেছি।
এমনকি, আমিও তোমার মতো চিৎকার করে সাহায্য চাচ্ছিলাম।
তোমার মতো কোনো বুদ্ধি না পেয়ে, আমিও চুপচাপ বসে ছিলাম।
তোমার সাহায্যর জন্যে চিৎকার শোনার পর,
আমি ভাবলাম সময় কাটানো যাবে, তাই তোমাকে সাহায্য করার অভিনয় করেছিলাম।
আমি এখানে প্রায় মারা যাচ্ছি। আর তুমি কিনা টাইমপাস করছো, হ্যাঁ।
কোনো দরকার নেই জেমস বন্ড .... এখানে অনেক ভারী পাথর আছে।
যদি আমি তাদেরকে যত্ন করে ফেলি, তাহলে তোমার মাথাটা তরমুজের মত ফেটে যাবে।
দেখো, আমরা দুইজনেই একই সমস্যায় পড়েছি।
ঝগড়া না করে, উঠা আসার জন্যে কোনো একটা উপায় বের করতে হবে।
আমি কিভাবে উপায় বের করবো? গর্তটা অন্তত পনেরো ফিট।
উপরে উঠে আসার জন্যে কোনো একটা লতাপাতা বা দড়িও এখানে নাই।
কোনো লতাপাতা না থাকলে সমস্যা কি?
সেখানে কি দড়ির মতো কিছু আছে?
এখানে সেরকম কিছুই নেই।
তুমি ডিটেকটিভ তাই না? তাহলে চিন্তা করো।
এইরকম সময়ে ছেলেদের মাথা কাজ করে না , মা।
তুমি -ই বলো, পরিকল্পনা কি?
তোমার প্যান্ট, শার্ট,কুর্তা,পায়জামা খোলো,
আর...
সবগুলো একসাথে বেঁধে, তোমার সব শক্তি দিয়ে এই গর্তের মধ্যে ফেলে দাও।
ফেলে দেওয়ার পর... ?
আমি কি ল্যাংটা হয়ে দাঁড়িয়ে থাকবো?
প্রথমে আমাকে শেষ করতে দাও
এইদিক থেকে আমিও আমার সব জামাকাপড় খুলবো, তারপর...
তারপর....
প্রথমে তোমার উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণ করো।
আমার মধ্যে কেন উত্তেজনা থাকবে?
তোমার পোশাকের সাথে পোশাক বাঁধার পর, আমি তোমার গর্তে একটা দিক ছুঁড়ে দিবো।
সেটা শক্ত করে ধরবে৷
আমি সেটার সাহায্য উঠে আসবো এবং তারপর তোমাকে উপরে তুলবো।
-ঠিক আছে। -অসাধারণ পরিকল্পনা...!
কিন্তু পরিকল্পনাটাতে একটা ছোট পরিবর্তন হবে....
প্রথমে আমি বাহিরে আসবো, তারপর তোমাকে বাহিরে আনবো।
- হ্যাঁ পরে আসবো। - হুম অবশ্যই আসবে।
একা একটা মেয়ের সাথে মজা নেওয়ার চিন্তা করছো, হ্যাঁ?
আমি ডিসকো শান্তির ফ্যান!
আমাদের মহিলাদের প্রতি অনেক সম্মান আছে।
তুমি ইতিমধ্যেই আমাকে ফাঁদে ফেলেছো।
তুমি যদি আবার আমার সাথে প্রতারনা করো তাহলে? তাই আমি বলছি।
ওহ, তাহলে এটাই সমস্যা?
ঠিক আছে, তাহলে প্রথমে তুমিই উপরে উঠো।
এখন তোমার জামাকাপড় খুলে ফেলো।
একমিনিট দাঁড়াও, আমি খুলে ফেলছি।
[শান্তিতে গান গাইছে।]
আমি খোলা শেষ করেছি... তোমার শেষ হয়েছে?
-অপেক্ষা করো, আমি খুলতেছি... - খোলো... খোলো।
এটা নাও।
এইটা ধরো।
তুমি কি শক্ত করে ধরেছো?
-হ্যাঁ, তুমি উপরে উঠে আসো। -হ্যাঁ, বুঝতে পেরেছি।
আমি আসছি, শক্ত করে ধরে রাখো।
-তুমি....? - হুম আমিই।
-কুসুমা। -তুমি বলেছিলে তুমি গর্তে পড়ে গেছো?
কিন্তু আমি তো এখানে কোনো গর্ত দেখতে পাচ্ছি না?
সোজা কথা, আমি মিথ্যা বলেছি....
তুমি কি তাহলে তোমার কাপড় খোলো নাই....?
কেনো বাবু? কেনো তুমি যা ভেবেছিলে তার কিছুই হয় নি?
আমি যদি অর্ধেক ল্যাংটা একটা মানুষকে দেখি, তাহলে আজকের রাশি ফল লেখা খুব সহজ হবে।
তাই আমি এই ছোটো খেলাটা খেললাম।
আমার সাথে খেলেছো, হ্যাঁ?
আমি যদি এই চুলকানি পাতা দিয়ে তোমার ভিতরের শয়তান বের করি না করি, তাহলে আমার নাম ডিটেকটিভ দিবাকর না।
দাঁড়াও, দাঁড়াও।
এই যে দেখো।
এটা কি বাঘ নাকি সিংহ যে ভয় পাবো?
যতই হোক এটা একটা বাচ্চা ভেড়া।
বাঁশপাতা গায়ে জড়িয়ে ভাবছো তুমি কর্ণের বর্ম পড়ে আছো?
রাজা... ঠিক সময়ে আসছিস।
কে উনি দিদি ?
দিগাম্বর।
দিগাম্বর না দিবাকার.....
আমার ভেড়া ঠিক করবে যে তুমি কি দিগাম্বর নাকি দিবাকর।
আমি কি এইটাকে ছাড়বো ?
কি ছাড়বো নাকি.. ?
-আমি কি ছাড়বো? -এই না......না.. !
রাজা একটা গান বাজিয়ে দে।
এক কথায়, আমি আমার মানসম্মান প্রায় হারাতে যাচ্ছিলাম।
-গাজরের জুস, গাজরের পোলাও, গাজরের লাড্ডু
এগুলো কি বাবা? সব রান্নায় গাজর কেনো?
তুই এখন বড় কেস সামলাচ্ছোস, তাই তোর বুদ্ধি এখন আরো ভালো হওয়া দরকার।
-যদি এতো গাজর খেয়ে,ওর বুদ্ধি সব বের হয়ে যায়.....?
-এই গাধা, চুপ করে বসে থাক৷
তুমি তো এই আইটেমগুলো বানাতে জানো না, তাহলে?
-এইখানে দেখো।
গাজরের হালুয়া দিতে ভুলে গেছিলাম...এই নাও৷
দাও.... দাও।
তোমরা দুজনে মিলে আমাকে হালুয়া খাওয়ানোর চিন্তা করছো?
ইদানীং তোমার সবকিছুতেই বেশি বেশি।
প্রথমে এই জানালাটা সরিয়ে, এখানে দেওয়াল দিতে হবে।
উনি আমার চেয়েও বড় কেস সামলাচ্ছেন৷
এই কুরেশি ..... দিবাকর একটা পাগল, কেস শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে চোখে চোখে রাখবি।
শুধু চোখে চোখে রাখা কেনো, স্যার? আমি উনার সাথেই থাকবো।
ওহ, এল বোর্ড স্যার! সিভিল পোশাকে!?
আপনাকে একেবারে এদাকালগুডের (মুভি) চন্দ্রশেখরের মতো লাগছে।
তুমি কি নায়িকা আরতী নাকি জয়ন্তী?
তোমার বেহায়ামি আগে নিয়ন্ত্রণে আনো।
আরে এল বোর্ড? পুরা টিপটপ লাগছে আজকে।
কনস্টেবল কুরেশি রিপোর্ট করছেন, স্যার....
এই মাহদেবা, স্যারের জন্যে কড়া একটা চা নিয়ে আসো।
স্যার?
এখন থেকে উনি আর পিসি নন, উনি ডিটেকটিভ দিবাকর।
সবার উনাকে সম্মান করা উচিত....?
চিনি বেশি করে ..... যাও৷
যাইহোক কুরেশি, আমি কি একপিস পাবো? একমিনিট স্যার, চেক করে দেখতেছি......
(সাংস্কৃতিক গান গাইছে।)
-ওহ এল বোর্ড স্যার! -তুমি কিভাবে আমাকে চিনতে পারলে!!
সাধারন মানুষের জন্যে চোখ থাকে দুইটা।
অার অন্ধ লোকের জন্যে, তার সমস্ত শরীরটাই চোখ।
শুধু আপনিই এই স্টেশানে গাজর খেতে থাকেন।
জিনিয়াস....
এইটাই পুরো জেনেকাল্লু তালুকের ম্যাপ।
- ঠিক আছে তো? - হ্যাঁ ঠিক আছে৷
তাহলে, অামরা হেমাগিরি স্টেশান থেকে তদন্ত শুরু করবো।
-সিদ্ধরাজু.... -স্যার!
যারা ডাকাতি করেছিলো, তাদেরকে কোন কারাগারে রাখা হয়েছে?
-আমরুথুরু জেল, স্যার।
-হাই.. - স্যার কেমন আছেন ? - ভালো..
-আমার কিছু কেসের ফাইল প্রয়োজন। -অবশ্যই স্যার! -কেনো না? ভিতরে আসেন.....
না কুরেশি, এটা কোনো সাধারন ডাকাতের কাজ না।
কেউ যে সৃজনশীলভাবে চিন্তা করে তারই কাজ।
এরকম লোক মানে....
এখানে, একজন আছে স্যার !
-কে! - গোবে রামা। (পেঁচা রামা)
গোবে রামা? নামটাতো অনেক অদ্ভুত!
শুধু নাম না স্যার, লোকটাও অনেক অদ্ভুত ধরনের!
-আপনার কি দরকার?
সামনের শুক্রবার আমার দাদার শ্রাদ্ধের অনুষ্ঠান (শোকানু্ষ্ঠান)
সেই সাদা পবিত্র চাল খাওয়ার জন্য আমার আরো তিনটা গরু লাগবে স্যার।
এই যে, আমাদের ছেলেটা আছে।
তাকে লিস্ট দিয়ে,
কতটুকু কি দরকার, জায়গা বলেন?
কিছু অগ্রিম টাকা দিয়ে, আপনি যেতে পারেন।
-ঠিক আছে স্যার, আমি যাচ্ছি । -ঠিক আছে, ঠিক আছে।
-ভাইয়া! -না স্বামী ব্যাপারটা হলো.....
-পুলিশ এসেছে। -পুলিশ!
-আপনি একটু বাহিরে গিয়ে দাঁড়ান। - ঠিক আছে স্বামী।
পেঁচা সেবা, কাকের সেবা, টিকটিকি সেবা, শূকর সেবা, তোতার সেবা।
এগুলো কি?
এখানে যেসকল সেবা পাবেন তার লিস্ট, স্যার!
যা ভাগ কুত্তা!
এই পেঁচা সেবাটি কি জিনিস?
যখন ভাড়াটিয়ারা বাড়ির মালিকদের ভাড়া দেয় না তখন,
তখন বাড়িওয়ালারা আমাদের কাছে এসে সেবাটি গ্রহন করে।
আমরা তাদের অজান্তেই তাদের বাড়িতে পেঁচা রাখবো,
আর তারা অশুভলক্ষন ভেবে বাড়ি ছেড়ে দেয়।
এইটুকুই, স্যার।
আর তুমি এই বালের কাজটার নাম দিয়েছো সেবা, এ্যাঁ?
এই তোতা, ইদুঁর আর টিকটিকির সেবা কি তাহলে?
এগুলো আলগা ব্যবসা স্যার, এগুলোতে লাভ কম হয়।
যারা রাশিফল গণনা করে,
যেমন তোতা, ইদুঁর আমরা তাদেরকে প্রশিক্ষন করানোর পরে বেঁচে দেই।
আমাদের কারনেই তারা রুটিরোজগার করে খাই।
আর এই যে দেখছেন টিকটিকি সেবা!
জানি না আপনি দিনে কতবার ভালো বা খারাপ সংকেত শুনবেন।
যখন গিরগিটিটা শব্দ করলে আমাকে একটা আওয়াজ দিও।
এই টিকটিকি গুলোর প্রশিক্ষন কিভাবে করেছ!
আপনি কি বলছেন স্যার !
এই পৃথিবীতে যেকোনো কিছুকে আমাদের জিহব্বাই নিয়ন্ত্রন করতে পারে।
তাছাড়াও আমরা যেকোনো পশুপাখিকে প্রশিক্ষন দিতে পারি।
কুরেশি!
এই লোক এমনকি টাকওয়ালার কাছেও চিরুনি বিক্রি করে।
এই লোকই পুলিশ স্টেশনে ডাকাতি করেছে!
আপনি কি বলছেন স্যার?
আমি ডাকাতি করেছি! তাও আবার পুলিশ স্টেশনে?
আমি বহুদিন আগেই চুরি করা ছেড়ে দিয়েছি, স্যার....
এখানে এইধরনের চমৎকার কাজ করার পরেও,
আমি কেনো আবার ডাকাতি করে হাত নোংরা করতে যাবো?
তুমি হয়তো নিজে কাজটা করো নাই, কিন্তু অন্য কাউকে প্ল্যান দিয়ে করিয়েছো। কি বলো?
আমি কি প্ল্যান দিতে পারি, স্যার?
আপনি যেরকম ভাবছেন আমি ততটাও খারাপ লোক নই।
তবে আপনি যখন প্ল্যানের কথা বললেন, আমরা একটা কথা মনে পড়ে গেলো
একটা লোক সাতবছর ধরে ছিলো, কিন্তু এখন দুই বছর যাবত জেলের বাহিরে আছে।
এখন সে কেরাদীতে একটা কাঠের দোকানে কাজ করে।
সে অনেক ভয়ানক। এখন সে চুরি করতে পারে না।
সে অনেক বয়স্ক হয়ে গেছে, কিন্তু সে এখনো চোরদেরকে চুরির জন্যে সেরা বুদ্ধি দেয়।
-তার নাম কি? -তার নাম মারাকুঠুকা।
-স্যার আপনি আমাকে চিনতে পেরেছেন? -কেনো?
আমি ছদ্মবেশ নিয়েছি, স্যার।
তোমার মাথা.... খালি তোমার কাছেই ছদ্মবেশ লাগছে। সে কোথায়?
আসো।
- ঔই কে আপনি? কাকে চাচ্ছেন? -আমি আপনার বাবা মারাকুঠুকার কাছে এসেছি।
সে আমার বাবা নন, তাকে আমি বিয়ে করেছি।
এই পাগল, তোমার সাথে কে একটা দেখা করতে আসছে।
পুরানো তেতুল গাছের জন্যে নতুন লেবু, আহ!
গাছ পুরানো হলে কি হয়েছে, তেতুল পুরানো হয় নাই। সে তার পাঁচ নাম্বার স্ত্রী ।
-পঞ্চম স্ত্রী এ্যাঁ ! -হ্যাঁ।
তার নাম মারাকুঠুকা, তাই শুধু গাছ তোলায় তার কাজ।
-হাইরে মারাকুঠুকা!
-ধরো। - সে তার চতুর্থ স্ত্রী, তিন নাম্বার জন পালিয়ে চলে গেছে।
উনি দ্বিতীয় স্ত্রী, স্যার।
আমাদের একটা চুরি করার পরিকল্পনা লাগবে।
- একশো টাকা দেন।
-কি বলছে ও? - দাঁড়ান স্যার।
- এখানে আমাকে দেন। - এই!!
বলেন!
জায়গা কোনটা ?
-ব্যাংক, বাড়ি বা মন্দির কোনটা ?
পুষ্পাগিরি পুলিশ স্টেশন।
-আমাকে ছেড়ে দেন, আমার বাচ্চাদেরকে স্কুলে পাঠাতে হবে।
উনি প্রথম স্ত্রী, আসলজন।
আমরা কি এখানে কি এখানে জনসংখ্যা জরিপের জন্যে এসেছি?
বাবা আমার ২ টাকা লাগবে।
-কেনো? -ফিল্ম দেখার জন্যে।
আবার যদি টাকার জন্যে আসোস, স্যান্ড্যাল দিয়ে হোগায় লাথি মারবো।
(গুজ গুজ ফুস ফুস)
তোমরা কেনো পুলিশ স্টেশান চুরি করবে?
আমাদের মাল পুলিশ স্টেশানে আটকা পড়েছে।
আটজন পুরুষ কনস্টেবল
তিনজন পুরুষ কনস্টেবল।
তাদের মধ্যে একজন সুন্দরী
একটা ভোতা নাকের এএসআই আর আরেকজন কর্কশ গলার এসআই।
আর আপনি বলছেন যে আপনি এমন এক জায়গা থেকে চুরি করবেন,
যেখানে পুরা শহরের চোর, গুন্ডা ধরে রাখা হয়।
-ওটা কি যেন বলে অ...অম্ভ.. ওটা কি ইংরেজীতে কি যেনো বলে।
কোনো সম্ভবনা নেই !
সেখানে যাইয়েন না, এই কাজ কইরেন না, এই চিন্তা বাদ দিয়ে দেন।
আপনি শেষ হয়ে যাবেন।
- সে যা হওয়ার আমি তা দেখে নিবো।
আপনি আমাকে প্ল্যান বলুন।
কেউ যদি গরুর গাড়ি ব্যবহার করে হালচাষ করতে চাই আমি সাহায্য করবো।
কিন্তু আপনি যদি সেই গরুর গাড়ি ব্যবহার করে নিজেকে ফাঁসাতে চান, তাহলে আমি সাহায্য করবো না।
আমাদের দেয়া টাকাগুলো ফেরত দেন।
যতক্ষন আমরা না কাটবো এটা গাছ থাকবে যখন আমরা কাটবো তখন সেটা গাছের গুঁড়া হয়ে যাবে।
একবার দিয়ে দিলে আর ফিরে পাওয়া যায় না। এখন উঠে পড়ুন।
উঠে পড়ুন ভাই৷
ঠিক আছে, কিন্তু কেউ কি আমাদের আগে আপনার কাছে স্টেশান ডাকাতির প্ল্যান নিতে এসেছে?
আপনি কেনো সেটা জানতে চান?
তুমি যদি না বলো, তাহলে আমরাও জানি কথা কিভাবে বের করতে হবে।
এই আপনি কি.....
ভাই, কুরেশি ভাই।
সবাই ভালো আছে তো?
আপনি খাটের জন্যে বলেছিলেন, সেটা প্রায় তৈরি হয়ে গেছে।
সাহেব, থানার নতুন ডিটেকটিভ স্যার।
-এই কে এখানে মদ রেখেছোস? আরে এটা নিয়ে যা। - আরে রাখো, রাখো।
আমি ভুল করে ফেলেছি স্যার। আমাকে ছেড়ে দিন স্যার, সরি স্যার।
এখানে আসেন স্যার।
স্যার এখানে বসুন, স্যার বসুন।
আমার কাছে কোনো টাকা নেই, স্যার।
-সব টাকা আপনি নিয়ে নিন, স্যার। - এই এদিকে আস।
আমার বউ আর বাচ্চারা আছে। আমি ধান্ধা ছেড়ে দিয়েছি, স্যার।
কেউ কি আছে যে এই চত্বরে পুলিশ স্টেশনে ডাকাতি করেছে?
একজন লোক আছে, স্যার।
-কে সে?
একেবারে শুকনা করে,
পেটে…
-সাগানী ( গোবার) .... সাগানী পিন্টু। -সাগানী পিন্টু!!
অাপনি কি জানেন না স্যার!
সময় এখন খারাপ যাচ্ছে।
- এমনকি আমার মতো ভালো লোকের জন্যেও... - নমস্কার।
কি ?
৪ প্যাকেট পিন্টু ব্যান্ডের ধুপকাঠি,তারপর ১-৪ কেজির ব্রোঞ্জের প্লেট তারপর...
ভুসাম্বারাকে ২ ডজন প্লেট দাও।
৫০ গ্রাম রাঞ্জিকা,আর ১০ গ্রাম মোটা চেইন।
২ প্যাকেট কর্পূর।
এটা নাও আর তোমার বসকে গিয়ে বলবে আমি দিয়েছি।
ঠিক আছে, ভাই।
-তুমি কিভাবে তাকে চেনো?
আপনি কি জিজ্ঞাসা করছেন স্যার! সে খুবই বুদ্ধিমান পাগল।
অনেক বছর ধরে সে ঠিকমতো ঘুমায়ও নি, স্যার।
কেনো?
সে অনিদ্রা জনিত ঘুমরোগে ভুগছে।
একলা থাকে। তার কোনো বউ বাচ্চাও নেই।
সে টাকা চুরির জন্যে ডাকাতি করার লোক নই।
সে অদ্ভুত চরিত্রের রোমাঞের জন্যে চুরি করে!
অনেক সময়,
মাল চুরি করে আসার সময়
সে মালের মালিককে সাবধানে থাকতে বলে!
আইন অনুযায়ী,
আমাদের কাছে তাকে জেলে ডুকানোর জন্যে কোনো প্রমান নেই।
সে আমাদের আইনকানুন পুরো গিলে খেয়ে ফেলেছে।
সুনামি শালা!
আমি তাকে কোথায় পাবো ?
কুম্বারাপিতে মনীক্ষা নামের থিয়েটার আছে না একটা?
সে সেখানে কর্পূর, আগরবাতি জ্বালিয়ে তার পিছনে থাকে।
মারাকুঠুকা যেহেতু বলছে, সে হয়তো এটা করতেও পারে।
কেনো পিন্টুর সাথে সাগানী (গোবর)?
তুমি কী গোবরত্যাগ করবে?
যদি তুমি ধরে রাখো আমি হয়ে যাবো গোবর
যদি ফেলে রাখো হয়ে যাবো জৈবসার
যদি পুড়িয়ে ফেলো তবে হয়ে যাবো বিভূতি!
আমি সবার কাছ থেকে গোবর সংগ্রহ করি আর বিভূতি (পবিত্র ছাই) তৈরী করি।
তাই মানুষ আমাকে সাগানী পিন্টু বলে ডাকে।
২টা পিন্টু,২টা সাগানী তাই তো?
না স্যার,একটা সাগানী একটাই পিন্টু!
১২ জানুয়ারি রাতে কোথায় ছিলি তুই?
স্যার,সেদিন ভরা পূর্ণিমার রাত ছিল,
আর তার উপর মন্দিরে দূর্গামা মেলা বসে বসেছিল...তাই আমিও একটা দোকান দিয়েছিলাম।
যদি মিথ্যা বলিস তাহলে পুলিশি কায়দায় কথা বের করবো কিন্তু!
মিথ্যা!
আমি সত্যকে ভগবান মানি তাকে অগ্রাহ্য করে মিথ্যা কেন কমু,স্যার?
স্যার ওইদিন অনেক ভক্ত মন্দিরে এসেছিল।
আমিও সেদিন ৫০০ টাকার ব্যাবসা করেছিলাম সেদিন।
স্যার,এত চিন্তারসুরে জিজ্ঞাসা কেন করছেন?
- এক জায়গায় ডাকাতি হয়েছে। - ডাকাতি?!
দুধের হাড়ির ঢাকনা বন্ধ না করে আমরা বিড়ালকে চোর বলতে পারি না।
আমাদের আরো সাবধানী হওয়া উচিত।
এটা কী,স্যার?
তোমার পোশাক বাজেভাবে নোংরা হয়ে গেছে।
দেখো পিঁপড়া সেখানে চিনি খাচ্ছে।
সে চিনি খাচ্ছে,তাই বলে কী আমরা পিঁপড়াকে চোর বলতে পারি?
আমরা পারি না কারণ এটা প্রকৃতিগত ব্যাপার।
কুরেশি স্যার এটা কী? আপনি পুরো থানা এত নোংরা করে রেখেছেন কেন?
আমাদের কাছে থানা মন্দির সমতুল্য!
তাই আমাদের খুশি হওয়া উচিত যে আমরা যখন তখন এখানে যাতায়াত করতে পারি।
আমি এমনি বললাম আর কী!
- ঠিক আছে,তুমি এখন যাও। - এত তাড়া কিসের?
আমাদের কিছু দরকার পড়লে আপনাকে জানাবো,ঠিক আছে স্যার?
আমি যাবো,স্যার।
কুরেশি,এই পিন্টু শালা পাকা খেলোয়াড় আমি সেটা মানছি আবার মানছিও না।
আমার মনে হয় আমাদের সাথে সে খেলা করছে।
এত তাড়াতাড়ি পরিসমাপ্তিতে চলে এসো না।
প্রতিবারই অভিযুক্ত আমাদের থেকে বেশি মেধাবী হওয়ার চেষ্টা করে।
তার কার্যকালাপগুলো ভালো করে খেয়াল করে তার উপর নজর রাখো।
বিভিন্ন জিনিসপাতিতে প্রমাণ থাকার কারণে সে সেগুলোকে নষ্ট করে দিয়ে যাবে।
একবার সেগুলো দেখতে হবে!
- পুরো সিনেমা দেখে তুই চলে যাস। - আচ্ছা,স্যার।
- তারপর আমাকে গল্পটা শোনাস? - ঠিক আছে।
যদি সে ব্যাটারির চার্জ সব শেষ করে ফেলে তাহলে সবাই সিনেমা কিভাবে দেখবে?
ওই গাধাদের বালের অভিজ্ঞতা আছে!
- দেরী কেন? - কিছু না,ভেতরে এসো।
- এরা এত চিল্লাচ্ছে কেন? - জানি না,স্যার।
স্যার,আমি এমনিতেই দেরী করে ফেলেছি,আমি গেলাম।
- বোন? - কাজ শেষ?
সব কাজ শেষ,আরেকটা রাউন্ডে যাবো।
আচ্ছা।
- আপু,আমি চলে যাচ্ছি।
- শেট্টির কাছে কত টাকা পাওনা আছে জিজ্ঞাসা করে আসিস। - ১৮ টাকা,আমি নিয়ে আসবানে।
- গোয়েন্দা দিগাম্বর,আসুন। - মুখ সামলে কথা বলুন।
- আমি দিবাকর দিগাম্বর না! তোমার এখানে কী কাজ?
এগুলো খুবই সন্দেহজনক।
এগুলো কালোবাজারি মদ তাছাড়া কিছুই না,এতে সন্দেহ করা লাগবে না।
একটা কেস ঠুকে সব বাজেয়াপ্ত করিয়ে দেব।
তোমাদের ইন্সপেক্টর প্রতিদিন এটা থেকে ২ বোতল করে নিয়ে গিলবে।
এসো আর বসো।
ওই বাইঞ্চুদটা একটা কিছুই ছেড়ে রেখে যাই নি।
- আমাদের বিভাগের সম্মান ধূলায় মিশিয়ে দিলো। - চোর ধরতে পেরেছো?
না ধরা পড়ে তারা যাবে কোথায়?
- সব কয়টাকে ধরে হাজতে পুরবো। - চোর ধরার মতো মগজ আছে তোমার?
কী কন মিয়া! আমি শার্লক হোমসের বংশধর।
তাহলে চলো একটা খেলা খেলি?
যদি তুমি জিতে যাও তাহলে ধরে নেবো তুমি বুদ্ধিমান।
আর যদি হেরে যাও মেনে নিবা তুমি অকর্মার ঢেঁকি।
- ঠিক আছে? - জীবন-মরন খেলা দেখছি!
এটা কী কাবাডি,গোল্লাছুট বা লুকোচুরি খেলা নাকি?
তোমার পিছনে একটা ঝুড়ি আছে…সেটা নাও।
নিলাম।
ওই দিকে তাকিয়ে বসে পড়ো।
সেটাও করলাম।
এখন কাভাড (জোত্যিষবিদ্যার পাথর) নাও যেগুলো যেন দশ অঙ্কের বেশি না হয়।
নিলাম।
এখন রাজার নামেও একই অঙ্কের পাথর নাও।
এই গুলোও নাও…নিলাম।
এখন আমি তোমাকে ৬টা পাথর দেবো।
সেগুলোকেও নাও।
- আচ্ছা। - এখন পাথরগুলো গণনা করো।
অর্ধেক ঈশ্বরকে অর্পণ করো।
- করলাম। - এখন রাজার কাছ থেকে যা নিয়েছো তা ফেরত দাও।
মনে হচ্ছে দেনাপাওনা শোধ করছি,, করলাম।
এখন আমি বলি তোমার কাছে কতগুলো পাথর আছে?
- বলো। - তিনটা।
- কিভাবে বলতে পারলে? - তুমি না শার্লক হোমসের বংশধর খুঁজে বের করো।
আমি যেতে পারি?
কিভাবে সম্ভব এটা? সে কী দেখেছিল?
- সরে যাও। - আহ?
সে কী কাভাডেশাস্ত্র শিখেছে নাকি?
এই ডিফেক্টিভ দিগাম্বর কিভাবে সে এটা করলো কিছু খুঁজে পেয়েছো আদৌও?
এলবোর্ড স্যার,আপনাকে এত তাজ্জবমার্কা কেন লাগছে?
এই জয়ন্তী,ভাগ এখান থেকে।
শ্বশুরমশাই!
কী হয়েছে বাবা? অঙ্কটার মানে খুঁজে পেয়েছো?
তুমি সবসময় তোমার দুনিয়াতেই মত্ত থাকবে। যাও নিজের কাজ করো গিয়ে।
যদি কেউ গাজর খেয়ে বুদ্ধিমান হতে পারতো,
তাহলে আমাদের ছাগলগুলো এক একটা বিজ্ঞানী হয়ে যেতো।
গাজর চাও?
- গাজর দেবো? - দরকার নেই।
সে ছয় দিয়েছে।
এখনো তিন বাকি।
৬...৬ এর অর্ধেক ৩!
এটাই আমাদের জ্বলজ্বল করা চিন্তামণি।
ভাই,আমাকে একটু পানি পান করতে দাও।
এই নাও।
মাছের ব্যাপারে চিন্তা করতে করতে আমার অবস্থা দূর্বিষহ হয়ে গেছে।
- তাই আমি এসেছি। - আমারও একই কারণ।
আমার ভয় লাগছিল যে মাছটা পানির অভাবে মারা যাবে।
- কুসুমা! - তোমার কী মনে হয় না আমর দুজন একই পথের পথিক?
তাই নাকি? মাছ আমার জীবন আর তোমারও!
যদি তাই হয়ে থাকে তাহলে আমরা একে অপরের সাথে প্রেম করছি না কেন?
তার মানে…তুমি আমার প্রেমে পড়েছো?
আমি এই মাছের দিব্যি কেটে বলছি,
- সঠিক তো? - ১০০%!
তাহলে দেরী কিসের? রেজিস্টার অফিসে যাই চলো মাত্র ৫০ টাকা ফিস।
দুইটা ফুলের মালা নিয়ে আসি আর একজন সাক্ষী।
পুরো বিবাহ আধাঘণ্টার ভেতর সম্পন্ন হয়ে যাবে।
একজন নতুন বিবাহিত দম্পতির বাসায় যা যা করা লাগে আমি সব করবো…
চল আজ আমাদের বাসররাত হয়ে যাক…
এখনো ১ মিনিটও হয় নি আমি আমার ভালোবাসার কথা প্রকাশ করেছি আর তুমি পরিবারও বানিয়ে ফেললে!
আমাদের একে অপরকে বোঝা উচিত,নিজেদের অনূভুতি একে অপরকে বোঝানো উচিত।
বিয়ে কী কোন বাচ্চাদের খেলা নাকি?
যেটা তুমি বাচ্চাদের মতো খেলবা?
কিছু না ভেবে তুমি কিভাবে ভালোবাসবে?
মেয়ে সুন্দর বলে খেলার কথা ভেবেছো নাকি?
ওই গাছে হওয়া আমের মাঝে আর...
কীটনাশক দেওয়া আমের মাঝে অনেক পার্থক্য আছে।
সেইভাবে ভালোবাসাতেও আছে!
অঙ্কুর ফুল হয়ে যায়,ফুল বীজে রুপান্তর হয়ে যায়,
আবার বীজ থেকে ফলের জন্ম হয়।
বুঝেছো?
১ মিনিট।
এখানে দাড়াও।
আমি এক আমের বাগানে এলাকায় জন্মগ্রহণ করেছি।
এমনকি আমিও জানি বীজ থেকে আম হয়।
তুমি একটা অঙ্ক দিয়েছো তাই না?
আমি সমাধান করে ফেলেছি।
যদি তুমি আমাকে ছয়টা দাও তাহলে শেষমেশ ৩টা বাকি থাকবে।
যদি তুমি আমাকে ৪টা পাথর দাও তাহলে শেষমেশ ২টা পাথর পড়ে থাকবে।
এটাই চালাকি,তাইনা?
আমার সাথে থেকে থেকে তুমিও বেশ বুদ্ধিমান হয়ে গেছো দেখি।
প্রথম পদক্ষেপে বেশি আহ্লাদিত হয়ে যেও না পরের ধাপে পড়ে যেতে পারো কিন্তু!
মাছটাকে সাবধানে রেখো।
আমি কিছুই দেখতে পারছি না।
কুসুমা,আমি তোমাকে ভালোবাসি।
কর্ণাটক রাজ্যের লক্ষী আপনাদের দোরগোড়ায় এসেছেন,
কে এমন দেখতে পায় আর কে পায় না!
- এই বানরের মত দৌড়ে আসা মালটা কে,স্যার? - প্রণাম!
এখানে কী করছো?
আমি এখানে তোমাকে কিছু বলতে এসেছি।
- কী সেটা? - সেটা হলো...
যদি তুমি নেকড়ে সম্পর্কে ভালোভাবে বুঝতে চাও তবে ছাগল হও।
যদি তুমি একটা মেয়েকে ভালোভাবে বুঝতে চাও তবে বারোভাতারী প্রেমিক ছেলে হও।
আমাদের বিচি (প্রখ্যাত কবি) প্রায়শই বলতেন,
এইসব আজগুবি কথা বাদ দিয়ে মুদ্দাকথায় এসো।
ঠিক আছে তাহলে...আমার মনে হয় আপনি এই কেসটা সঠিকভাবে সামলাচ্ছেন না।
কারণ,
আমার মতে,একজন চোরকে ধরার জন্য আমাদেরকেও একজন চোরের মত ভাবা উচিত।
শালা গোবর!
যদি তোকে লাথি মারি তাহলে আমি আমার পা ধুয়ে পরিষ্কার রাখার কথা ভাববো আর তুই আমাকে চোর ধরা শেখাচ্ছিস।
একটা প্রবাদ আছে যে,কেউ আমার চেয়ে ছোট না আবার কেউ শিবাশারাণের চেয়ে বড় হতেই পারে না।
আমি আপনাকে উপদেশ দেওয়ার যোগ্য না।
বলতে ইচ্ছা হলো তাই বলে দিলাম।
বাকিটা আপনার উপর!
আমি গেলাম।
বলতে ভুলে গেছিলাম।
এটা নিন।
অবশ্যই ফিরিয়ে দেবে।
অবশ্যই তোমাদের সবাইকে উপস্থিত থাকতে হবে।
কবে তুই এসব জিনিস চুরি করেছিস?
দেখো ওই পিঁপড়াটা চিনি খাচ্ছে।
থানা এত নোংরা করে রেখেছেন কেন,কুরেশি স্যার?
শার্টে এত ময়লা কেন?
দুধের ঢাকনি সঠিকভাবে না দিয়ে আমরা বিড়ালকে চোর সাব্যস্ত করতে পারি না।
প্রত্যেক চোর আমার মত ভালো না।
এখন থেকে সাবধান হয়ে যান!
যদি আমরা একটু অসতর্ক হই তাহলে এই লোকটা আমাদের ধরে আমাদের কিডনি বেচে দেবে।
তুমি একা আমার সাথে এই কেসে দায়িত্বে থাকবে।
এটা দেখতে, একটা সুগন্ধিফুল নিয়ে মর্তে থেকেই স্বর্গে চলে যাওয়ার মতো।
ঠিক আছে,স্যার।
- তাহলে আমি স্যার? - সে যদি সুগন্ধিফুল হয় তাহলে তুমি তার শেকড়।
- কিছু কী চলছে? - না ভাই। কিছু না।
ভালো করে ঝাঁকাও,পাণ্ডু।
আমি ঠিকভাবে দেখার জন্য ঝাঁকাচ্ছি।
এখনো সঠিকভাবে ঝাঁকানো হয় নি,পান্ডু...
- ভালো করে দেখো, দিবাকর। - না।
- আমার মনে হয় এখন এটা চলছে।
সে কী সেখানে?
- কেন? - কফি।
সে গরম কফি খায় না আরেকটু ঠান্ডা পড়লে তাকে দিও।
এটা কী যথেষ্ট না?
আজ সকালে মুথিরাজ সার্কেলের ব্যাংক চুরির সময়,
চোরদেরকে দৌড়ে ধরেছে যাদের ভেতর দুজন পালানোর চেষ্টায় ছিল,
মুডিনকাপ্পা থানার পুলিশ সুনিলা আর তার দল পাকড়াও করেছে,
৬ লাখ টাকা মূল্যের দ্রব্যাদি তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ বিভাগ সুনিলা আর তার দলের প্রশংসায় পঞ্চমুখ।
- ইন্সপেক্টর আছেন? - ওইখানে আছেন।
- সুনিলা… - কী ব্যাপার দিবাকর?
যে তুমি দৌড়ে এতদূর চলে আসলে?
- শ্বশুরমশাইকে দেখতে? - না।
আজকের খবর দেখেছো,
- যে ৬ লাখ ব্যাংকের টাকা উদ্ধার করা হয়েছে? - হ্যা।
- কোথায় রেখেছ? - সিন্দুকে।
খোলো।
কেন রে?
- তুমি খোলো, আমি বলছি। - কেন কি হয়েছে?
- এত চিন্তিত লাগছে কেন? - আগে খোলো।
ব্যাপার কী?
ঈশ্বরকে ধন্যবাদ।
কিছুই হয় নি।
- কী হতো? - আগে তালাবন্ধ করো।
এসো।
- তাই নাকি? - হুম।
আদালতে পেশ করার আগমুহূর্ত অবধি আমি এটার নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবো।
- কোন ঝুঁকি নেওয়ার দরকার নেই। - চিন্তা নাই,আমি আছি তো।
আমি আজ এখানে একটা তদন্তের জন্য এখানে রয়েছি।
আগামীকাল আমি না বলা পর্যন্ত কেউ যেন এই ঘরে পা না রাখে।
যে কেসই আসুক না কেন,তুমি সেটা বাইরে থেকেই সমাধান করবে।
সবার সহযোগিতা দরকার,সবাই সজাগ থাকো।
- এটা আমার আন্তরিক অনুরোধ। - ঠিক আছে,স্যার।
আমিও তো দেখি তারা কিভাবে চুরি করে!
- কে? - চা,স্যার।
- আমি আসছি তা দেখতে পাস না? - মাফ করবেন,স্যার।
- চা ওইখানে রেখে চলে যা। - আচ্ছা স্যার।
তারা কী কাজ করে সে ব্যাপারে আমার সন্দেহ লাগছে।
আমাদের গরু হারিয়ে গেছে তাই অভিযোগ জানাতে এসেছি,স্যার।
স্যার,আজ ব্যাস্ত কাল সকালে এসো।
- আমি স্যারের সাথে একটু কথা বলতে চাই। - সম্ভব না,কাল এসো।
- জনাব.শ্রিনিবাস? - স্যার।
তুমি দুই টাকা দিয়ে তাদেরকে বিদায় করো।
- তাদেরকে ভেতরে আসতে দিও না। - আচ্ছা,স্যার।
- এই থামো। কোথায় যাচ্ছো? - দিবাকরের সাথে দেখা করতে যাচ্ছি।
সে ব্যস্ত আছে কাল সকালে এসে দেখা করো।
আমরা দুজন তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু।
এমনকি আমরা দ্বিতীয় শোয়ের ও টিকিটও কিনেছি আমাদের ভিতরে যেতে দিন।
স্যার কাউকে ভিতরে যেতে নিষেধ করেছে। যান এখান থেকে।
এসব কি ভাই?
- কি ব্যাপার ভাইয়েরা? স্যার কে দেখতে চাই
এখন হবে না কাল সকালে আসেন
কুকুর তার জামাইকে কামড় দিয়েছে এবং কুকুর মারা গেছে
এটি গর্ভবতী কিনা তা যাচাই করতে হবে?
আপনারা এখানে তামাশা করছেন?
তোমরা যদি জানো আমরা কে তাহলে তোমরা শেষ হয়ে যাবে
তুমি যাবে না আমি তোমাদের মারবো
এই ওখানে থাম
কি ব্যাপার ?
স্যার মধু আনতে বলেছিলেন তাই দিতে এসেছিলাম।
এখানে দাও আমি দিচ্ছি।
পট মধু তাই কেবল স্যারকেই দিতে হবে।
তিনি এখন ব্যস্ত সকালে দেখা করো।
আমার দিকে এভাবে তাকাচ্ছিস কেনো যা এখান থেকে।
যথেষ্ট হাসাহাসি হয়েছে এখন যেতে পারো।
এমনকি কাগজও এসেছে এবং আমার শোও শেষ হয়েছে।
দিবাকর .. ইন্সপেক্টর মোটেই বিশ্বাসযোগ্য না।
তারা হয়ত টাকা লুট করার জন্য অভিনয় করেছিল।
যখন অনেক কর্মী জেগে আছে তখন তারা কিভাবে ভিতরে আসতে পারে?
এখানে দেখেন সরকার কত শক্ত সিন্দুক দিয়েছে।
তারা কি এই সিন্দুকটি ভেঙে লুট করতে পারে?
এখানে কি হচ্ছে দিবাকর?
কি ?
অবশেষে তারা আমাদের নিজস্ব স্টেশনেও চুরি করে ফেললো।
আরে দিবাকর! তুই কোন কাজেরই না!
তুই বড় বোকা!
পুলিশের লোকেরা নিজের হাতকেও বিশ্বাস করে না!
সে পিতা বা পুত্র হতে পারে তোর তাকে সন্দেহ করা উচিত!
যে ইন্সপেক্টর তোমাকে এই কাজের দায়িত্ব দিয়েছে হয়তো সে এটা করতে পারে!
বাবা এখন আমার মাথা ঠিক নাই তুমি আর আমাকে মাথা ব্যাথা দিও না।
না দিবাকর এটি অবশ্যই মানুষের দ্বারা করা হয় না
আমাদের চোখের দৃষ্টিতে অস্বাভাবিক কিছু ঘটছে।
এটা সমাধানের জন্য মোডি নাঞ্জাপ্পা সবচেয়ে ভালো।
মোডি নানজাপ্পা, আহ? উনি কে ?
সে সব কালো জাদু জানে
এখানে মান্ডালা আঁক!
মন্ত্রের জপ!
১০০ ভাগ সত্যি যে এটা শয়তানের দাঁড়া সৃষ্ট সমস্যা না!
কিছু মানুষের হাত আছে।
এমন কিছু বিস্ময় রয়েছে যা তুমি খালি চোখে দেখতে পারবেনা।
শোন ভাই!
তুমি এর খুব কাছে চলে গিয়েছো। ফিরে আয়।
যারা তোমার কাছ থেকে এক সেকেন্ডের ব্যবধানে পালিয়েছে।
তাদের ছেড়ে দিও না তোমার মগজ ব্যবহার করো।
এই সুযোগ বুদ্ধির সাথে ব্যবহার করো
নিশ্চয় তারা ধরা পড়বে।
নাঙ্গা দেবী আদেশ জারি করেছেন।
এসব মনোযোগ সহকারে শুনে,
ঢেঁকিকলে পিষা জীবন হয়ে গেছে।
মেয়েদের যাদের আকর্ষণীয় ব্লাউজ পরা থাকে,
যে চোখে কখনো স্বপ্ন আসে না,
কালো জাদুকরের জাদুর মহিমায়।
মন্ত্রী এসবের পিছনে রয়েছে।
আশা করি সব ঠিক হয়ে যাবে।
এই বুড়োকে তোর জ্ঞানী বাবা মনে হয়?
চুপ কর,ওরকম বলিস না। তার কথার নিশ্চয়ই কোনো মানে আছে।
তোর মাথা
ডিপার্টমেন্টে থাকা সত্বেও এইসবে বিশ্বাস করিস?এই দেখ...
আমার কথার অবহেলা করিস না।
কিছুটা ভয় কর তা না হলে পরে ভুগবি।
এখন কি?
তোমাকে এই কেসের সমাধান করতে হবে তাই না?
এক কাজ করো, আমি চোর তাই আমাকে জেলে ভরে দাও।
বোকার মত কথা বোলোনা
আমার সমস্যা তুমি বুঝতে পারছনা৷
এতই যদি সমস্যা থাকে তাহলে আমাকে ভালোবাসলে কেনো?
আমি আগেই তোমাকে বলেছি,
আমি কি দিনরাত ভালোবাসার ব্যাপারে ভেবে বেড়াবো নাকি?
ভাবো,কে মানা করেছে?
কিন্তু এভাবে মুখ ভার করে বসে থেকোনা!
যতই লোহা পেটানো হোক না কেনো, হাতুড়ি সবসময় ঠান্ডাই থাকে
বুঝেছো?
টুপি নিচে রাখো
নিচে রাখো!
মহিষের যদি গোসলের সমস্যা থাকে, তো ষাঁড়েরও লাথি দেওয়ার সমস্যা আছে
তোমাকে চোর ধরতে পাঠিয়েছি, কিন্তু তুমি ওই মেয়ের সাথে ইটিস পিটিস করে বেড়াচ্ছো?
-আপনি যা ভাবছেন তা না স্যার। -আমি কিছু শুনতে চাই না,চুপ করো।
এই কেস তোমাকে দেওয়াই ভুল হয়েছে।
এই কয়দিনের মধ্যে তুমি কোনো প্রমান যোগাড় করতে পারো নি।
কিছু করতে পারে নি, অথচ এরকম জামাকাপড় পড়ে ঢঙ মারছে।
-আমি তদন্ত করছি, স্যার। -কি বালের তদন্ত করছ তুমি?
এক সপ্তাহের মধ্যে আদালতকে মাল হস্তান্তর করতে হবে।
তার মধ্যে যদি চোর ধরতে পারো তবেই তুমি বাঁচবে।
তা না হলে...তোমার জীবন নরক বানিয়ে ছাড়ব আমি...
আমার ক্ষমতা সম্পর্কে তোমার কোনো ধারণা নেই।
চোর ধরতে না পারলে তোমাকে ছাটাইয়ের বদলে প্রমোশন করিয়ে দেব।
এই পুলিশ স্টেশনের মধ্যেই সারাজীবন কাটাতে হবে তোমাকে।
তোমার মুখ এত ভার কেন?একটু হাসো।
মাথাটা একটু ঘোরাও
ওই দিকে...
-ছবিগুলো কখন দেবেন? -কাল রাতে এসো,দিয়ে দেব!
এরকম বসে আছিস কেন?কি হয়েছে?
ঐ ইন্সপেক্টর সাহদেবা সবার সামনে আমাকে অপমান করেছে।
আমার সম্মানের বারোটা বেজে গেছে। ওর কিছু করতেই হবে।
তুই কেসের দিকে মনোযোগ দে। ঐ সাহদেবার সাথে ফুটবল আমি খেলছি।
আমার কিছু কাজ আছে পরে দেখা করব।
কোন আবাল এসে এই সময়ে বিরক্ত করছে?
বস!
কি হয়েছে বস? মনে হচ্ছে স্বয়ং ভগবান কৃষ্ণ তার ভক্তের বাড়িতে আবির্ভুত হয়েছেন।
-ভগবানের জন্য প্রসাদ দেবে না ? -ভালো বলেছেন, স্যার।
পিন্টো...আসো।
চলুন, স্যার।
-পিন্টো? -বস?
পুরো রাত না ঘুমিয়ে পাহারা দিয়েছি,
আমার চোখের সামনে থেকে মাল উধাও হয়ে গেলো!
-সত্যি? -হ্যা রে ভাই!
এসব কালো যাদু...সত্যিই আছে নাকি ?
কি বলছেন,বস ?
আপনার কথা শুনে আমার কুভেম্পুর কবিতা মনে পড়ে গেলো।
দিনের পর দিন যা কিছু ঘটে সব সুর্যোদয় থেকে সূর্যাস্তের মাঝেই ঘটে।
তোর মাথা!
এসব আলতু ফালতু না বকে সোজাসুজি বল।
-কিভাবে বোঝাই স্যার? -কোনোভাবে বোঝা!
এখন...
ওই জিনিসটাকে দেখুন।
এ আর কি ? এবার এই ক্যালেন্ডার দেখুন।
এক...দুই...তিন...
আগুন!
ওখানে কি দেখতে পাচ্ছেন ? ওই হাড়িটাকে দেখুন
কি আছে ওতে ?
এসব দেখে বেশি উত্তেজিত হয়ে যাইয়েন না,এটা দেখুন।
এসব কি?মনে হচ্ছে আমার মুখে পাউডার মেখে আছে
আপনিই কি যাদু ? নাকি আপনার মধ্যে যাদু ?
স্যার,মাত্র আপনি যা দেখলেন না ১৬ আনা যাদু।
কিন্তু, সব ম্যাজিকের পিছনে একটা লজিক আছে
এই দুনিয়ায় লজিক ছাড়া একটা পাতাও নড়ে না
আমি এটাকে বিজ্ঞান বলব।
তুমি তো দুই মিনিটের মধ্যে পুরো বিশ্ব দেখিয়ে দিলে,
ভালো বলেছেন, স্যার।
স্যার ভুলবেন না! আপনি দিবাকর!ডিটেকটিভ দিবাকর!
চোর আপনার চোখ কে ফাঁকি দিয়ে পালাতে পারবেনা।
আমি ১০০% শিওর আপনি তাকে ধরবেনই।
শুধু তুমিই আমার পক্ষে কথা বললে
আপনি আই লাভ ইউ বললেন,তাইনা?
জানেন এ সম্পর্কে কবি বেন্ড্রে কি বলেছেন...
ঠিকাছে,
আমার প্রিয় সরোজা!
যেরকম ফুলের দ্বারা মৌমাছি আকর্ষিত হয়
যেরকম সকল নদী সমুদ্রের দ্বারা আকর্ষিত হয়।
সেরকম আমি তোমার সৌন্দর্যের আকর্ষণে হারিয়ে গেছি সরোজা।
আজকে সন্ধ্যায় বট গাছের কাছে,
আমি তোমার জন্য অপেক্ষা করবো।
তোমার প্রিয় সিংহ-সাহদেবা
এই সরোজা,আমার লাঠি কোথায় রেখেছো?
ঠিক করে দেখো,ওখানেই আছে।
তুমি নিজে এসে খুঁজে দিতে পারোনা?
কিরকম বাড়ি এটা?জিনিস নিজের যায়গা থেকে আপনা আপনি হারিয়ে যায়।
ওখানেই ছিল।ঠিক মত দেখতে পাওনা?এই নাও।
বউ যদি এরকম নিষ্কর্মা হয়, তবে কোনো কাজ ঠিক মত হয়না।
সাহদেব,তুমিই আমার মহাদেব।
আসো আর আমার ভাঙা হৃদয় কে জোড়া লাগাও।
আমার যৌবনের জ্বালা মেটাও।
আমার আত্মা তোমার অপেক্ষায় রয়েছে,
আমি সন্ধ্যায় বট গাছের নিচে তোমার অপেক্ষায় থাকব।
তোমার প্রিয় সরোজা,
আমার সারাজীবনের অভিজ্ঞতায়।
৯০ ভাগ কেসই মানসিক পরীক্ষার দ্বারা সমাধান হয়ে যায়।
সেটা আবার কি?
এক মিনিট,এখনি দেখাচ্ছি।
এই নাঞ্জুন্ডা, এদিকে আয়।
-কি স্যার ? -তোর সমস্যা কি?
কেন স্যার? ফুটবল খেলা কি অপরাধ নাকি ?
ফুটবল খেলা অন্যায় না। কিন্তু, মেয়েদের মন নিয়ে খেলা অনেক বড় অপরাধ।
কি? শুনলাম তুই নাকি, বেশ জোরেশোরে ময়দা ভাঙা শুরু করছিস?
তুই কি ভেবেছিলি আমরা জানতে পারবোনা?
আমাকে সব বলে দে নইলে, তোর খবর সারা শহরে ছড়িয়ে দেব।
আমি কোনো ভুল করিনি।
যখন আমি ময়দা ভাঙাতে পুটমাল্লি মিলে গেলাম,কারেন্ট চলে গেল।
অন্ধকারে কিছু বুঝে ওঠার আগেই সব হয়ে গেলো।
ওর বাবাকে বলবেন না, স্যার।
আমি কিছু করিনাই সেই শুরু করছে
দেখুন, স্যার।
অন্ধকারে ঢিল মারলাম আর কিভাবে কাজ হয়ে গেল।
সে নিজেই নিজের পোল খুলে দিয়েছে
তার কথায় ভয় পেয়ে নিজেই সব বলে দিলি?
কে আমি?
কি সমস্যা?
ওর ওপর এই পরীক্ষা চালিয়ে কিছু বের করতে পারি কিনা দেখি
এদিকে আয়
এক মিনিট ভাই৷
কি ভাই?চা লাগবে নাকি?
তুই কি ভেবেছিলি আমরা কিছু জানতে পারবোনা?
ইঞ্চি বাই ইঞ্চি সব জানি আমরা।
সবকিছুর ছবিও তুলেছি।
কতদিন ধরে চলছে এসব?
কি চলছে ভাই?
সবকিছু স্বীকার করে নে, তা না হলে তোকে পিঠমোড়া করে বাধব।
ধর শালাকে!
দাঁড়া!
দাঁড়া!
-ধর ওকে। -ধর।
-উঠ। -উঠ!
পালালি কেন?
আমি আমার বোনকে প্রতিজ্ঞা করেছি যে, এ ব্যাপারে কাউকে কিছু বলবনা।
আমি কোনো অন্যায় করি নি, বোন যা বলছে তাই করছি শুধু!
দয়া করে আমাকে ছেড়ে দিন।
এমনিতেই প্রচুর ঝামেলার মধ্যে আছি,ঠিক করে বল
মাল কোথায় রেখেছিস?
বোনের বাড়ির পেছনে!
শালা বজ্জাত!
চোরের জন্য আমি পুরো শহর খুজে বেড়াচ্ছি।
আমার চোখের সামনে থেকে কিভাবে মাল চুরি করলি?
চুরি?এসব তুমি কি বলছ ভাই?
আমি তো মদের কথা বলছি।
মদ?
বোন!
-কি হয়েছে রাজা? -দেখনা।
ওরা আমার ওপর মাল চুরির, দোষ চাপিয়ে আমাকে মারছে।
চোর ধরতে পারছোনা বলে নির্দোষদের ওপর দোষ চাপাচ্ছ কেন?
-না, কুসুমা। -লজ্জা করা উচিত তোমার।
এরপর তোমার এই মুখ আর আমাকে দেখাবেনা... আয় রাজা...
আমার জীবনের সেরা কেস ছিল এটা!
ভেবেছিলাম এটার সমাধান করতে পেরে সার্কেল ইন্সপেক্টর হয়ে যাবো।
কিন্তু এখন তো আমার চাকরিই খোয়া যাবে মনে হচ্ছে।
যদি মাল না খুঁজতে পারি,তাহলে নিশ্চিত জেলে যাবো।
ওসব কিছুই হবে না
এই কেস আমি সমাধান করে ছাড়ব।
কি সমাধান করবি তুই?
এখনো পর্যন্ত কোনো প্রমান যোগাড় করতে পারিস নি।
এটা আবার কি ? কড়ি ?
কি এটা?প্রতিদিন ঝাড়ু দাও না নাকি?
মেয়ের বিয়ের জন্য সরোজামা ছুটিতে আছে।
তাই আমরা কয়দিন পরপর ঝাড়ু দিই।
তুই চিটিং করছিস!
এদিকে আয়।
এবার মার!
সিদ্ধারাজু!
অভিযোগ দায়েরের খাতা বের করো তো।
চুরির রাতে স্টেশনে কারা কারা এসেছিলো?
দেখাও তো!
ইদুভানি থেকে জমির সমস্যা নিয়ে দুই ভাই এসেছিলো
-অভিযোগ দায়েরের জন্য। -এরপর,
পাশের গ্রাম থেকে গুন্ডা নরশিমহা এসেছিলো।
আর কেউ?
ভিক্ষার জন্য অন্ধ মানুষেরা এসেছিলো।
-অন্ধ লোকেরা এসেছিলো? -হ্যা স্যার।
চুরির রাতে তো অন্ধ লোকেরা আমাদের এখানেও এসেছিলো।
ওদেরকে দুই টাকা দিয়ে বিদায় করো।
একে তো ওদের থাকার জন্য কোনো ঘর নেই।
চুরির রাতে ওদের ওখানে থাকা কাকতালীয়!
আমার সেরকম মনে হয়না গুরুপদ!
চুরির সাথে তাদের নিশ্চই কোনো যোগসুত্র আছে।
কালকে সারাদিন ওদের ওপর নজর রাখলেই হবে।
কি পেলি খুঁজে ?
আমি কোনো স্পষ্টতা পাচ্ছি না!
গান গেয়ে আর ভিক্ষা করে নিজেরাই নিজেদের পেট ভরছে।
আর কি ব্যাখ্যা লাগবে তোর?
দাঁড়া!কিছু শুনতে পেয়েছি!
-চল পালাই। -আরে দাঁড়া, না।
কি হচ্ছে এসব?
কি হচ্ছে?তোমরা এখানে কি করছ?কে সে?
দুঃখিত স্যার। আমরা ভেবেছিলাম জঙ্গলে সাপে নেউলে মারামারি লাগছে।
ম্যাডাম আপনি কি হুচুকুদুরে মুভির নাইকা হেমা না? অটোগ্রাফ দেন ম্যাডাম।
ভাগো এখান থেকে,নইলে পিছনে ডান্ডা ভরে দেব।
চল যাই,নইলে স্যার পিছনে ভরে দেবে।
ঝোপঝাড়ে কাটাকুটো থাকতে পারে,সাবধানে থাকবেন।
এক কাটা কি আরেক কাটার ক্ষতি করবে ?
ম্যাডামকে সাবধানে থাকতে বল?
সাবধানে থাকবেন ম্যাডাম।
এই গুরুপদ চল!
আসছি দাঁড়া!
এই কুরেশী... ? কেমন হয় যদি আমরা অন্ধ লোকগুলোকে ধরে নিয়ে আসি।
ব্যাপারটা বেশ সংবেদনশীল।
প্রমান ছাড়া ওদের ছুঁলে সমস্যা হতে পারে।
তারা তো স্টেশনে আসতেই পারে,এতে এমন কি আছে ?
ওরা আমাদের স্টেশনেও আসতো।
ওদের তো সময়ের কোনো ঠিক নেই!
কখনো সকালে আসে তো কখনো রাতে।
চুরির রাতে স্টেশনে যারাই এসেছিলো সবাইকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছি।
কিন্তু চোর হয় দিনের বেলায় সব তথ্য যোগাড় করেছে, তোমার কি মনে হয়?
হ্যা স্যার ! আমি তো এদিক থেকে ভেবেই দেখিনি!
তুমি কেন ভাববে?এটাতো আমার কাজ।
যাইহোক ধন্যবাদ। আমি গেলাম।
পরে দেখা হবে...
পুলিশ স্টেশন হওয়ায় দিনভর উকিল,চোর-ডাকাত,সাধারণ জনগন আসতে যেতে থাকে।
সেরকম সন্দেহজনক কাউকে চোখে পড়ে নি।
সংবাদ সম্মেলনের সময়,
একটা মেয়ে তার দশম শ্রেনির সার্টিফিকেট হারিয়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ দায়ের করতে এসেছিল
চুরির দিন আমাদের স্টেশনেও একইরকম অভিযোগ দায়ের হয়েছিলো।
মেরি থমাস নামের কোনো মেয়ে অভিযোগ দায়ের করেছিলো।
আমাদের এখানেও একই অভিযোগ দায়ের করেছিল একটা মেয়ে।
কিন্তু তার নাম মেরি থমাস না গীতা ছিল।
-অভিযোগের কোনো ফটোকপি আছে ? -এই নিন স্যার
এই নিন স্যার।
এই নিন স্যার।
তিনটাতেই একই হাতের লেখা।
মানে,একই মেয়ে ভিন্ন ভিন্ন নামে অভিযোগ দায়ের করেছে।
দেখতে কেমন ছিল?
ওর হাবভাব সম্বন্ধে কিছু মনে আছে?
না স্যার,মনে করতে পারছি না।
ওর মুখ ভুলে গেছি স্যার।
মনে নেই।
কিন্তু ও সংবাদ সম্মেলনের সময় এসেছিলো।
আমি ওকে ১০ মিনিট অপেক্ষা করতে বলে বাইরে বসিয়ে রেখেছিলাম।
সেদিনের কোনো ছবি আছে?
আমাদের কাছে তো নেই কিন্তু পত্রিকার লোকেদের বললে হয়ত পেতে পারি
সব ছবি আমরা বের করিনা।
মনে হয় এই ছবিতে একটা মেয়ে আছে
দেখুন যদি কোনো কাজে আসে আপনার!
-এটা কি সে? -হ্যা স্যার সেই মেয়েটাই!
এটা সেই!
কোনো সন্দেহ নেই!এটা কুসুমার হাতের লেখা
এটা সেই
পল্লভি বার!
আমি বুঝতে পারছিনা কাকে বিশ্বাস করব আর কাকে না!
তুই নিশ্চিত সে পুলিশে অভিযোগ দিতে গিয়েছিলো?
১০০ ভাগ নিশ্চিত!
কিন্তু একটা জিনিস বুঝতে পারছিনা।
চুরির দিন,সে পুলিশ স্টেশনে গিয়েছিলো।
আর অন্ধ লোকগুলোও গিয়েছিলো।
আমিই চোর তাই আমাকে জেলে ভরে দাও!
ভয় পাইয়ে দিলি রে!
-রুমাল দে। -নে!
ওটা দে তো।
স্যার,একটা চিঠি এসেছে।
সব আমাকেই দিচ্ছিস কেন?নিজেও খা একটু
সমস্যা নেই তুই খেতে থাক।
অনেক হয়েছে আর খেলে মরে যাব।
তুই এত খাওয়াচ্ছিস কেন ওকে?
কোরবানি দেওয়ার আগে গরুকে গোসল করানো হয়,এটাও সেরকম।
আমাকে বন্ধু বানিয়ে তুই আমার বউয়ের সাথে রাসলীলা করিস!
কোন ধরনের বোকাচোদা তুই!
আমাদের বন্ধুত্বে ভাঙন ধরাতে কেউ তোকে মিথ্যা বলেছে।
তুই বিশ্বাস করিস আমি এসব করেছি?
এবার কি বলবি ?
এই সব কিছুর মূলে তুই!
আমাদের উপর কেস লাগিয়ে আর জেলে পাঠিয়ে,
তুই আমার বউয়ের সাথে মজা নিতে চাস!
-ওটা নিচে নামা। -ছাড়।
-আমার হাত ছাড়৷ -আজ তোকে খুন করে ফেলব।
-সাহদেবা বন্দুক নামা -আজ তোকে ছাড়ব না।
ওদেরকে জেলে পাঠাতে এটা যথেষ্ট।
এই পোশাকে তোমাকে পরীর মত লাগছে!
কিন্তু আমি যে এখানে থাকবো তা হয়ত ভাবতে পারোনি তাইনা ?
তুমি এখানে কি করছ?
আমি খাবার দিতে এসেছি।
কোথায় তারা ?
ওদের প্রতি তোমার এত দরদ কেনো?
আমিওতো তোমাকে অনেক ভালোবাসি,তাইনা?
আসলে আমি তোমাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চাচ্ছিলাম।
তাই এখানে চলে এলাম।
একটু কষ্ট করে আসবে ?
আমি ভেবেছিলাম তুমি সতী সরোজা দেবী।
কিন্তু তুমি তো ডাকাত ফুলন দেবী।
-আমি সব জানি -কি জানো তুমি?
যশোদা!
গীতা!
মেরি থমাস!
এগুলো কি?
আশা করি এবার সব বুঝে যাবা।
এই হাতের লেখা তোমার।
তাতে কি?
স্টেশনে চুরি আর কেউনা বরং তুমিই করেছ !
আসল চোর ধরতে পারোনি বলে।
আমার উপর দোষ চাপাতে চাইছো?
যেদিন চুরির ঘটনা ঘটেছিলো
সেদিন তুমি ৩ স্টেশনে ৩ টা আলাদা নামে অভিযোগ দায়ের করেছিলে।
কেন?
ঠাকুর ঘরে গিয়েছি বলেই,
তুমি আমার উপর কলা খাওয়ার দোষ চাপাতে চাইছ?
আমিই যে চোর তার কি প্রমাণ আছে তোমার কাছে?
অন্ধ লোকগুলোও ওই ৩ স্টেশনে গিয়েছিলো।
আমার আর ওদের মধ্যে কি সম্পর্ক?
কোনো সম্পর্ক না থাকলে তুমি ওদের খাবার দিতে এসেছ কেন?
অসহায় লোকেদের খাবার দেওয়া কি অন্যায় নাকি?
আমার মত শহরের অনেকেই তাদের খাবার দেয়।
আইনের দরকার প্রমাণ
তোমার এসব গাঁজাখুরি গল্প না।
যদি সাহস থাকে তো,
আমাকে চোর প্রমাণ করে দেখাও।
আমি নিজেই স্টেশনে গিয়ে সারেন্ডার করে আসবো।
তার বদলে
যদি সাঁতার না যেনে সাঁতরাতে যাও তো অবশ্যই ডুববে।
মনে রেখো!
আইনত,সে ঠিকই বলেছে।
প্রমাণ ছাড়া কোনো কেসই দাঁড়ায় না।
আইনের কাছে,গল্পের চেয়ে প্রমাণ বেশি জরুরি।
তুমিই ঠিক বলেছিলে বাবা।
বই পড়ে আর সিনেমা দেখে আমরা ডিটেকটিভ হতে পারিনা,
আসামী আমার সামনে থাকা সত্বেও আমি কিছুই করতে পারি নি,
আমার দ্বারা এটা সম্ভব না বাবা।
আরে হাল ছেড়ে দিচ্ছিস কেন?
পুলিশের কাছে তো এসব খুবই সাধারণ ব্যাপার।
ছাঁচে পোড়ার পরেই প্রত্যেক পাত্র তার আসল রুপ লাভ করে।
আমার জীবনে,কোনোদিন পুরো সিগারেট খাইনি।
তারপরও হাত পুড়ে গেলো কিভাবে?
তাও আমার আর সুনিলের একইসাথে
তার মানে কি,
আমরা সেদিন ৮ মিনিটের জন্য হুসে ছিলাম না ?
কেউ আমাদের ইঞ্জেকশন দেয়নি।
তারপরও জ্ঞান হারিয়ে ফেললাম।
অন্য কোনো ভাবে কি নেশার দ্রব্যাদি বা রাসায়নিক কিছু দিয়েছিলো ?
কি খেয়েছিলাম সেদিন?
কি খেয়েছিলাম?
তাহলে কি পাউডার দিয়েছিলো?
এসব কি ভাই ? আমার মুখে তো পাউডার লেগে আছে?
আমার মুখে পাউডার ছিটিয়ে,
তুই আমাকে অজ্ঞান করে ফেলিস !
যে শক ট্রিটমেন্ট আমি তোকে দেব।
তাতে তুই আজীবনের জন্য কোমায় চলে যাবি।
আপনি আমার উপর এত রাগান্বিত কেন বস ?
সব সুখের পিছনে কোনো না কোনো দুঃখ লুকিয়ে থাকে।
ঠিক সেভাবেই,
প্রত্যেক দুঃখের পিছনে কোনো না কোনো সুখ লুকিয়ে থাকে।
তাইনা?
স্টেশনে চুরি করে আমাকে গল্প শোনাচ্ছিস?
আমি চুরি করিনি, বস।
কেউ আপনাকে ভুল খবর দিয়েছে।
এটুকু ঠিক আছে ? নাকি আরো চাস?
ঠিক আছে...ঠিক আছে বস।
আমি সব বলছি।
সেদিন আসলে যা হয়েছিলো...
-এদিকে আয় -আর একবার...
তোকে আসতে বললাম না?
বস...তাকে বলুন
যে কারেন্ট তিনি আমাকে দিচ্ছেন তা এই শরীর আর নিতে পারবেনা।
বল...চুরি করেছিলি কেন ?
আমি সত্যি বলছি, বস!
আমি চুরি করিনি।
আসলে কি হয়েছিল সব বলছি।
ভালোই গেয়েছ...
ওহ এল বোর্ড স্যার ! এখানে কি করছেন ?
তোমাদের নিয়ে একটি সঙ্গীতানুষ্ঠান আয়োজনের কথা ভাবছিলাম।
সঙ্গীতানুষ্ঠান? কোথায়?
কেন্দ্রীয় জেলখানায়!
এবার তুমি যাও...যাও।
নিজের কামকাজ বিসর্জন দিয়ে তুমি তাকে পাহাড়ে নিয়ে এসেছ ?
যেখানে আমি কেস নিয়ে হাবুডুবু খাচ্ছি।
সেখানে তুমি তার সাথে প্রেমালাপ করছ ?
ভুলভাল কথা বলবি না।
দে ওটা
মিষ্টি আনলি কি জন্য?
কোনো প্রমাণ খুঁজে পেয়েছিস নাকি ?
শুধু প্রমাণ কেন? চোরও ধরে ফেলেছি!
কি?!
বিশ্বাস করতে পারছি না যে, অন্ধ লোকগুলো এর সাথে জড়িত !
এটাই এই কেসের সবচেয়ে মজাদার জায়গা।
কেউই বিশ্বাস করবে না যে তারা চুরি করেছে।
উপরন্তু কোনো আদালতেও এই কেস গ্রহনযোগ্য হবেনা
এটার সুবিধা নিয়ে
তারা অন্ধ লোকগুলোকে ব্যাবহার করেছে চুরির জন্য।
কিন্তু এসব কিভাবে সম্ভব ?
প্রথমে,স্টেশনে রাখা মালের সব তথ্য নেওয়া হয়।
কুসুমা সেখানে অভিযোগ দায়েরের বাহানা করে যেত
স্যার সার্টিফিকেট হারিয়ে ফেলেছি
আমাকে অভিযোগ দায়ের করাতে হবে।
সেখানে কতজন লোক আছে!
কোথায় কি রাখা আছে!
উদ্ধারকৃত মাল কোন সিন্দুকে রাখা!
এরকম সবকিছুর তথ্য যে জোগাড় করতো।
এরপর বাড়ি ফিরে গিয়ে,
একটা কাপড়ে সুই সুতা দিয়ে বর্গক্ষেত্র আঁকতো।
আর তার সাথে কড়ি সেলাই করে দিত।
আর স্টেশনের একটা মানচিত্র তৈরি করত।
তারপর?
সে আমাদের রুমালের উপর আঁকা মানচিত্র দ্বারা চুরির জন্য প্রশিক্ষণ দিতো।
মানে সবাইকে ঘুম পাড়িয়ে ওরা পুলিশের সামনেই চুরি করত ?
হ্যা স্যার!
বিশাল চালাক মেয়েতো !
কিন্তু...
ধুপের গন্ধেই সবাই ঘুমিয়ে যেত ? হোগ্ সেটা কিভাবে সম্ভব ?
ধুপের গন্ধে আমরা জ্ঞান হারাইনি!
"ডেভিলস ব্রিথ" নামে একটি নেশার দ্রব্যের কারণে এমনটা হয়েছিলো।
ডেভিলস ব্রিথ?
কলম্বিয়ায় দাতুরা নামে একটি গাছ আছে।
এই গাছের ফল থেকে যে বীজ পাওয়া যায়।
তা থেকে এই "ডেভিলস ব্রিথ" নামক নেশাদ্রব্য উৎপন্ন হয়।
যদি কারো উপর এই নেশাদ্রব্য ছিটিয়ে দেওয়া হয়
কিংবা যদি কেউ এটা নিঃশ্বাসের সাথে নেয়,
তখন সে ৮ মিনিটের জন্য জ্ঞানশুন্য হয়ে যায়।
তার চারপাশে কি হচ্ছে সে সম্বন্ধে তার কোনো জ্ঞান থাকে না।
তাদের সবার কাছে এই নেশাদ্রব্য পাউডার হিসেবে পাচার করা হয়েছিলো।
আর এটা করেছিলো,সাগানি পিন্টো।
ওই গাধার বাচ্চা !
কিন্তু পিন্টোর কাছে ওই নেশাদ্রব্য আসলো কিভাবে ?
এটা বেঅাইনিভাবে পাচার করা হয়েছিলো।
সব কালো যাদুকারীদের কাছে আমি এটা পাচার করে থাকি।
মানে তুই হারানো মাল পেয়ে গেছিস ?
না বাবা!
এই সব লোক তো এই খেলার কড়ি!
কিন্তু এসবের পিছনে কেউ একজন আছে!
তাই নাকি? কে সে?
সে তো আপনার খুব কাছের লোক!
আপনিও তার সাথে একবার দেখা করেছেন!
-গুরুপদ দে তো! -না না না
আমি বলছি,
কালো যাদুকরি নাঞ্জাপ্পা!
এই অবোধ বালক!
আমাকে মেরে নিজেই কেন নিজেকে কষ্ট দিচ্ছিস ?
আমাকে মেরে ফেললেও আমি কিছু বলবোনা।
আমার মনিবকে আমি কথা দিয়েছি।
এই সব রহস্য আমার সাথেই মাটিতে মিশে যাবে।
এখানেই আমি আটকে আছি বাবা।
হে ঈশ্বর ! তাদের নেটওয়ার্ক তো বিশাল ?
একমাত্র চিন্তার বিষয় হলো এই মোদি নাঞ্জাপ্পার পেছনে কে আছে!
ওই...চুরি হয়েছিলো পুলিশ স্টেশনে।
কুসুমা যে পরিকল্পনাই করুক না কেন!
আমি নিশ্চিত এর পিছনে কোনো মাস্টারমাইন্ড আছে।
যে এই পুলিশ স্টেশনের জিওগ্রাফি, বায়োগ্রাফি সব জানে।
এরকম মাস্টারমাইন্ড এই এলাকায় কে আছে?
হ্যা,বুঝেছি!
-কে? -মারাকুটুকা !
একদম ঠিক বলেছো! ওর কথা তো মাথায়ই আসেনি !
শুধু তাকেই জিজ্ঞাসাবাদ করা বাকি ছিল
নিশ্চিত ! সেই তাদের বস!
এত ছোট জিনিসটা আমি বুঝতে পারলাম না বাবা !
সব চোরগুলো আমার চারপাশেই আছে।
ব্যাপারটা অনেকটা,
"বগলমে ছোরা গাওমে ঢিন্ডোরা" র মত!
কোন ধরনের পুলিশ আমি !
এবার সবকিছু মিলছে।
সুন্দর শাড়িতে সুন্দরি মেয়ে-কুসুমা।
চোখ যা কখনো ঘুমায়নি-পিন্টো!
কালো যাদুকর যে সব মন্ত্র তন্ত্র জানে-মোদি নাঞ্জাপ্পা!
তার উপরে মন্ত্রী-আন্নাপ্পা !
-কোন আন্নাপ্পা ! -তাই নয় কি?
-এটা তো মারাকুটুকা! -হ্যা হ্যা সরি।
ব্যাপারটা দাড়ালো এই যে,
প্লান বানালো কুসুমা,
ডেভিলস ব্রিথ দিলো পিন্টো।
অন্ধ লোকেরা চুরি করলো।
মোদি নাঞ্জাপ্পা চুরির মালগুলো হস্তান্তর করল আন্নাপ্পার কাছে।
তুই বারবার আন্নাপ্পা কেন বলছিস, এটা তো মারাকুটুকা।
তোর কি মতিভ্রম হচ্ছে নাকি !
মতিভ্রম ? আহ ?
কুসুমা আর আন্নাপ্পার মধ্যে কোনো সম্পর্ক নেই।
তারপরও কুসুমা আমাদের বাড়িতে আসে।
তোমাকে শশুর ডাকে।
শশুরজ্বী ?
আমার বাবা নিজে আমার উপর ডেভিলস ব্রিথ ছিটিয়ে দেয়
আর আমাকে জ্ঞানশুন্য করে দেয়
সে যদি দেখে ফেলে তাহলে আমরা শেষ!সাবধান
-এখানে কেন আনতে গেলে? - আমি গেলাম।
এই দিবাকর...সবসময় ভ্রমের মধ্যে থাকিস কেন ?
যা গিয়ে নিজের কাজ কর
সেটাই আমার ভ্রম ছিল !
হ্যা...ঠিক বলেছো, ভ্রম !
মি.আন্নাপ্পা,আইন অনুযায়ি আমি তোমাকে গ্রেফতার করছি...
দারুণ খেলা দেখিয়েছিস! দারুণ!!
তুই ডিফেকটিভ(নিষ্কর্মা) থেকে ডিটেকটিভ হয়ে গেছিস।
এখানে তোমার বানী শুনতে আসি নি।
আমাকে সত্য বলো।
এইসবে তোমার পিছনে কে আছে?
এতক্ষন ললিতা এখানে ছিলো,এখন চলে গেছে।
আমার সাথে মজা করোনা।
যদি ভুলভাল বকতে থাকো তাহলে এখান থেকে ফেলে দেবো।
ঠিক করে বলো,
আমার পিছনে কেউ নেই, আমিই কিংপিন(মাস্টারমাইন্ড)।
সব ছেলের জন্য,তার বাবা একজন হিরো।
কিন্তু তুমি ভিলেন হলে কেনো?
আমি তোমাকে রাজা হরিশচন্দ্র ভেবেছিলাম।
তুমি এরকম কাজ কেন করলে?
রাজা হরিশচন্দ্র যেসব সত্য এবং ন্যায়ে বিশ্বাস করত সেসবকে রক্ষা করতে!
মানে?
ইদুভানিতে অন্ধ ছেলেমেয়েদের জন্য "আশাকিরণ" নামে একটি প্রতিষ্ঠান ছিল।
আমাদের কুসুমার বোনও সেই প্রতিষ্ঠানে পড়ত।
যদি পুরোটা খেয়ে শেষ করিস, আমি তোকে নতুন জামা কিনে দেব।
-ঠিকাছে? -দিদি !
আমি তোর জন্য নতুন কাপড় সেলাই করব।
সেই প্রতিষ্ঠানে তাদেরকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হত।
কিভাবে "বেল বট্টম" প্যান্ট বানানো হয়?
যেহেতু প্যান্টগুলো অন্ধেরা তৈরি করছিলো,
আর তার সাথে নতুন ডিজাইনেরও ছিলো।
খুব শিঘ্রই ব্রান্ড টা বিখ্যাত হয়ে গেলো।
আসুন সবাই
এই আকর্ষণীয় নতুন ডিজাইনের প্যান্টগুলো।
যেগুলো "আশাকিরণ" প্রতিষ্ঠানের অন্ধ ছেলেমেয়েরা তৈরি করেছে।
এগুলো ভালো মানের এবং সাশ্রয়ী দামের বেল বট্টম প্যান্ট।
ঠিক যেই সময়ে তাদের জীবন সঠিক পথে পরিচালিত হতে শুরু করেছিলো।
ওই যায়গার উপর চমনলাল শেটের আগ্রহ জেগে উঠল।
যেখানে "আশাকিরণ" প্রতিষ্ঠান দাড়িয়ে ছিলো,
স্যার জমিটা শহরের অনেক কাছে।
যদি এখানে সিনেমা হল বসাই,
তো বিশাল পরিমান টাকা আয় করতে পারব।
ওই শেঠ,ইন্সপেক্টরের সাথে মিলে
ওই জমি হাতিয়ে নেওয়ার চেস্টা শুরু করল
আমার কাছে একটা প্লান আছে।
দেখো বাচ্চারা,
দয়াবান ব্যাক্তিরা এই বিল্ডিং ভেঙে তার জায়গায়,
একটি নতুন বিল্ডিং তৈরি করে দিতে চান।
তাই আমরা কয়েকদিনের জন্য এই জায়গাটা ছেড়ে দেবো।
আমাদের অন্য কোনো জায়গায় নিয়ে যাওয়া হবে
এসব মিথ্যা বলে,তারা সব বাচ্চাদের আশ্রয়হীন বানিয়ে দিল।
রাতের অন্ধকারে তাদের একটি নির্জন জায়গায় ছেড়ে দিয়ে আসল।
তারপর?
তারা একটি নকল নথিপত্র বানালো যে, সেখানে আসলে কেউ ছিলোইনা।
ওই জমি হাতিয়ে নেওয়াই তাদের পরিকল্পনা ছিল।
স্যার,
এই বাচ্চাদের এখানে কিভাবে ছেড়ে যেতে পারেন?
একে তো জঙ্গল তার উপর অন্ধকার রাত।
তারা ছোট বাচ্চা স্যার।
ওখানে প্রাপ্তবয়স্ক কেউ, থাকলে হয়ত নিতে পারতাম।
গাড়িতে উঠে বসো!
জীবনের শেষ আশ্রয়টুকু হারিয়ে,
সঙ্গী সাথীদের হারিয়ে তারা পথে বসে পড়ল।
নিজেদের টাকার লোভের জন্য,
অনেক অসহায়ের জীবন নষ্ট করার জন্য
ওই ইন্সপেক্টরের উপর
প্রতিশোধ নিতে
আমরা সবাই এক হয়ে এই কাজ করেছি।
কালকে ঐ প্রতিষ্ঠান নিলামে উঠবে
আমরা চুরি করা টাকা দিয়ে ঐ প্রতিষ্ঠান কিনে নেব।
তারপর নতুন করে আবার ঐ জায়গায় "আশাকিরণ" সংস্থা চালু করব।
মানে?
চুরি করা মাল বিক্রি করে ফেলেছো?
এখনো করি নি।
কালকে এর জন্য এক পার্টি আসবে
তাহলে মাল কোথায় ?
ঐ চুরি করা মাল সব বেল বট্টম গাছের নিচে পুতে রাখা আছে।
মাল চুরি করার পর,
আমি সেখানে যেতাম।
ওখানে মাটি খুঁড়ে তার নিচে মাল চাপা দিতাম।
চিহ্নস্বরুপ ওখানে একটি আম গাছ রোপন করে দিয়ে আসতাম।
এখনো সব চুরি করা মাল
ঐ বেল বট্টম গাছের নিচেই আছে!
ঐ জায়গা তোমার খুব ভালো করেই চেনা।
যেখানে আমরা নিয়মিত প্রেমালাপ করতাম।
-দরজা খোলো।কি করছ তুমি? -দরজা খোলো।
শুধুমাত্র তোমাদের চুরির কারণ সৎ হওয়ায় আজ তোমাদের জেলে ভরছি না।
কিন্তু মাল আমি তোমাদের হাতে দিচ্ছি না।
দরজা খোল!
ওদের জীবন এভাবে নষ্ট করিস না,দরজা খোল।
গুরুপদ ওদের দিকে নজর রাখিস,আমি এক্ষুনি আসছি!
আমার সাথে মজা করিস না।
মাল ফেরত দিয়ে দে।
আমি কেন মিথ্যা বলব বাবা?
আমি যখন ওখানে পৌছালাম, ওখানে কোনো মাল ছিল না।
এতদিন তো ওখানেই ছিল, হঠাৎ করে কোথায় যাবে?
নিজে মাল সরিয়ে এখন এখানে এসে নাকিকান্না হচ্ছে?
তাই নয় তো কি?
নাকি মাল আদালতের কাছে ফেরত দিয়ে,
নিজে বিখ্যাত হতে চাও?
আমার কথা বিশ্বাস করো।
আমি যাওয়ার আগে কেউ মাল নিয়ে সরে পড়েছে।
এ ব্যাপারে যারা জানত সবাই এখানে উপস্থিত।
তৃতীয় কে এসে চুরি করবে?
তোমার দলে
এরা ছাড়া আর কেউ নেই?
আর কেউ নেই বস!
আমিও গোপনে তদন্ত করছি!
খবর ফাঁস হলো কিভাবে?
আমার দিকে তাকাচ্ছিস কেন ?
আমি তো সবসময় তোর সাথেই আছি তাইনা ?
আরে...
এই কুরেশি কোথায়?
এখানে কুরেশি নামের এক লোক ছিল।
কোথায় গেল?
কালকে তল্পিতল্পা গুটিয়ে সপরিবারে গ্রামে চলে গেছে
এই দিবাকরকে বিশ্বাস করে আজ আমাদের আধমরা অবস্থা।
কালকে আদালতের কাছে মাল হস্তান্তর না করতে পারলে,আমার চাকরি চলে যাবে।
তখন জেলের ঘানি টেনে বেড়াতে হবে।
এর জন্য কাল পর্যন্ত অপেক্ষা করা লাগবেনা জনাব মঞ্জুনাথ !
তোমরা নিজেরাই নিজেদের স্টেশনে চুরি করেছ এরকম খবর আছে আমাদের কাছে।
প্রমানও আছে!
আমরা কেন নিজেদের স্টেশনে চুরি করতে যাব?
তাহলে উদ্ধারকৃত মাল কোথায়?
তা তো চুরি হয়ে গেছে স্যার
তাহলে ডিপার্টমেন্টকে এই ব্যাপারে জানননি কেন ?
আসলে...
আপনার সঙ্গী হতে আপনার বন্ধু সাহদেবাও আসছেন আমাদের সাথে
আমি কি করলাম স্যার?
পাব্লিক প্লেসে গোলাগুলি করার জন্য,
আমরা পরশুরামকেও গ্রেফতার করেছি।
আপনাকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নেওয়া হচ্ছে।
এই প্রতিষ্ঠানের উপর অনেক বাচ্চার জীবন নির্ভর করে আছে।
এই জায়গা যদি শেঠ কিনে নেয়
তাহলে আমাদের সব স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হয়ে যাবে
বাবা!
আমাদের কাছে যে টাকা নেই তা আমরা ছাড়া কেউ জানেনা।
তুমি নিলামে অংশ নাও!
তারপর টাকার ব্যাবস্থা করা যাবে!
লাখ টাকার ব্যাপারে,
মজা করার মত বিষয় না।
ভালো কাজ যখন করছি তখন ঈশ্বরই কোনো না কোনো রাস্তা দেখাবেন।
তুমি গিয়ে নিলামে অংশ নাও।যাও বাবা
যাও!
জরীপ নং ৭৬/৩!
১১ একর ১৬ শতাংশ!
সরকারী জমির নিলাম শুরু হচ্ছে
সরকারী নিলাম !
৫ লাখ!
৬ লাখ!
-৬ লাখ ১! -সাড়ে ৬ লাখ!
সাড়ে ৬ লাখ!
৮ লাখ ১!
-৮ লাখ ২.. -১০ লাখ!
১০ লাখ ১!
সাড়ে দশ লাখ!
সাড়ে দশ লাখ!
সাড়ে দশ লাখ ১!
সাড়ে ১১ লাখ!
সাড়ে ১১ লাখ ১!
-সাড়ে ১১...২! -১৫ লাখ !
১৫ লাখ!
১৫ লাখ ১!
১৫ লাখ ২!
-১৫ লাখ ৩... -সাড়ে ১৫ লাখ!
-করতে থাকো। -সাড়ে ১৫ লাখ ১।
-১৫ লাখ ২.. -২০ লাখ !
বিশ লাখ!
২০ লাখ ১!
২০ লাখ ২!
২০ লাখ ৩ !
এ জমি আমি কিনবোনা,ফ্রিতে দিলেও না।
আমার নিলাম বাতিল!
-চলো। -ঠিক আছে তো স্যার?
আপনিই তো তারপর ছিলেন
আসুন!
আন্নাপা...যাও
-বসুন।
৫০% মানে ৭,৭৫,০০০
টাকা আছে তো?
যদি টাকা না দেন তো পরবর্তী জনের কাছে যেতে হবে
আমি পার্টির সাথে কথা বলে ফেলেছি
মাল বিক্রি করে টাকা নিয়ে চলে এসো।
৫০% কেনো ? পুরো টাকা দিয়েই কিনবো
ললি...একদম সঠিক সময়ে এসেছো।
মানে...
এসব আগে থেকেই ঠিক করা ছিল ?
তোমার জন্য আমি কুরেশিকে সন্দেহ শুরু করলাম আর
তুমি এই জানালাওয়ালির কাছে সব মাল পাঠিয়ে দিয়েছিলে ?
মুখ সামলে কথা বল
আপনি তো হুদাই চিন্তায় ফেলে দিয়েছিলেন বস।
আপনার এ ব্যাপারে বলা উচিত ছিল।
দেখো পিন্টো!
দেওয়ালের ও কান আছে,তাই আমাদের আগে থেকে সাবধান থাকা উচিত!
পরে আর দেওয়ালের দোষ দিয়ে লাভ হয় না।
শশুর মশাই,আপনি আমাকেও বলেননি!
বাদ দাও তো।
যাইহোক,তুমি নিজের ছেলেকেও বিশ্বাস করনা।
থালা সোনার নাকি তামার সেটা দেখার বিষয় না।
দেখার বিষয় হলো আমরা কি খাচ্ছি,
টাকা ঠিক সময় এসেছে কিনা সেটা বল ?
-সই করুন, স্যার। -দিন।
-আন্নাপ্পা করতে থাকুক আমরা যাই চলো -এত তাড়া কিসের?
আন্নাপ্পা দারুণ!
অন্ধদের কল্যানের জন্য "আশাকিরণ" সংস্থা।
ভাবানুবাদে ও টাইমফ্রেমিং এ ফারদিন আলিফ ভাবানুবাদে এ জিতু বিশ্বাস অনুবাদ ও সম্পাদনায় হাবিবুল্লাহ কাইসার
পাত্র কে আসতে বলুন।
পিন্টো সর!
আরে আন্নাপ্পা এত তাড়াহুড়ো করছ কেন?
ঠেলাঠেলি করিস না।
-সর ওদিকে। -তুমি সরো।
-সর ওদিকে। -তুমি সরো।
-ঠেলিস না -তুমি ঠেলোনা
শেষমেশ তুমি জানালাওয়ালিকে বাড়ির দরজা বানিয়ে ফেললে ?
এই,তোর মা হয়।
সাবটাইটেলটি ভালো লাগলে সাবসিনে গুড রেটিং এবং সাবটাইটেল গ্রুপে ফিডব্যাক দিতে ভুলবেন না। এছাড়া আমাকে মেইল করেও ফিডব্যাক জানাতে পারেন : fardinalif385@gmail.com
দুধের গ্লাস কোথায় ?
সরিয়েই দেখোনা!
আমাদের জুটি সেরা জুটি।
আমার একটা সন্দেহ আছে,
যখন অন্ধ লোকেরা ধুপের মাধ্যমে ধোঁয়া ছড়ালো স্টেশনে,
সবাই জ্ঞান হারিয়ে ফেললো,
কিন্তু তারা কিভাবে সজ্ঞানে থাকলো?
আসলে,
ঐ ধুপের ধোঁয়া আর রত্নাভারানি পাতার আঁদায়-কাচকলায় সম্পর্ক!
এজন্য,
চুরির ৩০ মিনিট আগে,
আমি তাদের রত্নাভারানি পাতা খাওয়াতাম।
এজন্য তারা জ্ঞান হারাতো না।
প্রতিষেধক!
আর কিসের কিসের প্রতিষেধক আছে তোমার কাছে?
আস্তে আস্তে সব জানতে পারবে, আগে লাইট তো অফ করো।
বাংলা সাবটাইটেল দিয়ে মুভিটি দেখার জন্য ধন্যবাদ।অনিচ্ছাকৃত ভুল ত্রুটিগুলো মাফ করার অনুরোধ রইলো। এতো গানের সাব করার জন্য ক্ষমা করে দিবেন এবং গ্রুপগুলোতে মুভিটির রিভিউ দিবেন।
Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.