All language subtitles for The Ni

af Afrikaans
ak Akan
sq Albanian
am Amharic
ar Arabic
hy Armenian
az Azerbaijani
eu Basque
be Belarusian
bem Bemba
bn Bengali
bh Bihari
bs Bosnian
br Breton
bg Bulgarian
km Cambodian
ca Catalan
ceb Cebuano
chr Cherokee
ny Chichewa
zh-CN Chinese (Simplified)
zh-TW Chinese (Traditional)
co Corsican
hr Croatian
cs Czech
da Danish
nl Dutch
en English
eo Esperanto
et Estonian
ee Ewe
fo Faroese
tl Filipino
fi Finnish
fr French
fy Frisian
gaa Ga
gl Galician
ka Georgian
de German
el Greek
gn Guarani
gu Gujarati
ht Haitian Creole
ha Hausa
haw Hawaiian
iw Hebrew
hi Hindi
hmn Hmong
hu Hungarian
is Icelandic
ig Igbo
id Indonesian
ia Interlingua
ga Irish
it Italian
ja Japanese
jw Javanese
kn Kannada
kk Kazakh
rw Kinyarwanda
rn Kirundi
kg Kongo
ko Korean
kri Krio (Sierra Leone)
ku Kurdish
ckb Kurdish (Soranî)
ky Kyrgyz
lo Laothian
la Latin
lv Latvian
ln Lingala
lt Lithuanian
loz Lozi
lg Luganda
ach Luo
lb Luxembourgish
mk Macedonian
mg Malagasy
ms Malay
ml Malayalam
mt Maltese
mi Maori
mr Marathi
mfe Mauritian Creole
mo Moldavian
mn Mongolian
my Myanmar (Burmese)
sr-ME Montenegrin
ne Nepali
pcm Nigerian Pidgin
nso Northern Sotho
no Norwegian
nn Norwegian (Nynorsk)
oc Occitan
or Oriya
om Oromo
ps Pashto
fa Persian
pl Polish
pt-BR Portuguese (Brazil)
pt Portuguese (Portugal)
pa Punjabi
qu Quechua
ro Romanian
rm Romansh
nyn Runyakitara
ru Russian
sm Samoan
gd Scots Gaelic
sr Serbian
sh Serbo-Croatian
st Sesotho
tn Setswana
crs Seychellois Creole
sn Shona
sd Sindhi
si Sinhalese
sk Slovak
sl Slovenian
so Somali
es Spanish
es-419 Spanish (Latin American)
su Sundanese
sw Swahili
sv Swedish
tg Tajik
ta Tamil
tt Tatar
te Telugu
th Thai
ti Tigrinya
to Tonga
lua Tshiluba
tum Tumbuka
tr Turkish
tk Turkmen
tw Twi
ug Uighur
uk Ukrainian
ur Urdu
uz Uzbek
vi Vietnamese
cy Welsh
wo Wolof
xh Xhosa
yi Yiddish
yo Yoruba
zu Zulu

Original subtitles

এবার চলুন, আরেকটি ভিন্ন ধরনের সহিংসতার খবর শোনা যাক,

গতকাল বিকেলে পালমেইরাস এবং করিন্থিয়াস সমর্থকদের...

মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে...

সংঘর্ষের সূচনা স্টেডিয়ামের বাইরে।

মধ্যস্ততার জন্য পুলিশ ডাকা হয়।

দুঃখজনকভাবে, আমাদের প্রতিনিধি সহিংস দৃশ্যগুলোই ধারণ করেন।

একজন পালমেইরাস সমর্থক ছুরিকাঘাতে নিহত হয়েছে...

করিন্থিয়াস সমর্থকদের হাতে।

বাল, কাপেলা !

রাস্তায় ঠিকমতো দাগ দেয়া নেই ! চোঁখের মাথা না খেয়ে উপায় কী?

কতক্ষণ হলো?

- একটু সাহায্য করবে? - গাড়িটা কী তোমার আব্বু চালাবে?

- ২ ঘন্টা ৪০ মিনিট হলো। - সরাসরি মর্গে যাও।

- ভাইরে, ক্ষিধেয় পেট চোঁচোঁ করছে। আমরা দুপুরের খাবার খাইনি।

রক্তে পুরো শরীর মাখামাখি! দয়া করে মর্গে যাও!

দ্যা নাইটশিফটার 🔪ডোম🔪

হেই, সোনা (লিঙ্গ) পরিচ্ছন্নতা অভিযান চলছে নাকি?

চিন্তা নেই, এই ব্যাটা চিচি করবে না। একদম সহজ কাটাকাটি!

গৌভিয়েজার একে দুভাগ করতে হবে না।

- ভাইয়ের শরীররা সুইডেনের পনিরের মতো। - পালমেইরাস সমর্থক, জানো নিশ্চয়ই...

একদম ঘ্যাচাং!

ওকে বন্ধুরা, আজকের মতো বিদায়।

- স্ট্যানিও, সোনাটা ভালো করে পরিষ্কার কোরো। - যাও যাও, বাড়ি যাও! কাপেলা...

পেকার জেকার তোমার বৌয়ের সাথে ওভারটাইম করছে!

ওয়াও!

খেলা নিয়ে গ্যাঞ্জাম?

কী চমৎকার!

পরিবারের কথা একবারও ভাবলে না?

আমি কি হাসপাতালে?

তুমি যমের বাড়িতে।

তুমি পরপারে চলে গেছ।

পরপার আবার কী, রামছাগল?

আমাকে বারে ফিরে যেতে হবে।

করিন্থিয়াসরা আজেবাজে কথা বলেছে।

ওদেরকে শিক্ষা দিতে হবে।

তুমি কোথাও যাচ্ছ না।

সব শেষ!

সেক্ষেত্রে...

এখানেই থামতে হচ্ছে?

আমার একটা পরিবার আছে।

ওদেরকে ডাকো!

আমি বেওয়ারিশ লাশ হয়ে দাফন হতে চাই না, প্লিজ!

শান্ত হও।

নাম কী তোমার?

শুভ সকাল, মিসেস. এজমা বলছেন?

মিসেস এজমা, আপনার স্বামীর বিষয়ে ফোন করেছি,

মি. ভালদেসি!

আমি স্ট্যানিও,

পৌর মর্গের ডোম।

আমি ঈশ্বর পুত্র জেসাস ক্রাইস্টের নামে আদেশ করছি...

শয়তান, তুই বিদেয় হ।

সকল রোগ, শোক, জড়তা দূর হয়ে যা!

ব্যাথা-বেদনা দূর হয়ে যা।

হিলদা, এটা নিয়ে যাও।

হিলদা, আরেক পেগ! প্লিজ।

বাকির খাতাটা কি আজ আরেকবার দেখবে?

রাইমি, মঙ্গলবার বেতন পেলে দিয়ে দেবো।

আমার ব্যবসায় লালবাতি জ্বালাতে চাও? শুধু তোমার জন্য...

শুধু তোমার জন্য, শেষবারের মতো...

শেষবারের মতো দিচ্ছি।

এভাবে না বললেও পারতে।

দোকান ৫ টায় খোলা হয়, মনে থাকে না?

বাবা, মাত্র ৩ টা বাস হাসপাতাল থেকে এখানে আসে।

- হাই, হিলদা! - হাই।

মাঝেমধ্যে হলে সমস্যা ছিল না, কিন্তু তুই প্রায়ই লেট করিস।

তোমারও মাঝেমধ্যে তাকে দেখতে যাওয়া উচিত।

মনে আছে, নোরাকে গোলাপি স্লিপটা দিয়েছিলাম? তোকে এখানে দরকার।

প্রতিদিন যাওয়ার দরকার কি?

তাকে একা ফেলে রাখতে পারবো না।

আহ্ মায়ের জন্য যে তোর এতো দরদ, সেটা তো ও জানতেও পারলো না।

লারা।

সরি।

হাই, কী খবর!

হাই।

পিচ্চি হাত, পিচ্চি হাত! বাবার চুল থেকে পিচ্চি পিচ্চি উকুনগুলো বের করো!

সবাই কোথায়?

ভেতরে। এডসনের কপালে শনি আছে। পাশের বাড়ির মহিলা এসেছিল...

স্ট্যানিও, ওঠো।

নোংরা কাপড়ে সোফায় শুতে নিষেধ করেছি না...

মর্গ থেকে ফেরার পর!

জানো, এটা কি?

ঘুড়ি ওরানোর সুতো। একদম ছুরির মতো ধারালো।

জানো, এর আবিষ্কারক কে?

তোমার গুণধর পুত্র। বাচ্চাদের কাছে বিক্রি করতে গিয়েছিল, যেন তারা অন্য বাচ্চাদের ঘুড়ি কেটে দিতে পারে।

এই ছাতাটার জন্য, পুলিশ আমাকে ১৪ শিকের ভেতর ঢুকিয়ে দিচ্ছিল...

এখানে কেন এসেছিস? যা, তোর রুমে যা!

- মারা খাও। - হারামজাদা, এদিকে আয়!

মুখের ভাষা দেখেছ? ভদ্রতার ছিটেফোঁটাও নেই। বড়টার আরও নেই।

স্পর্ধা দেখেছ? আজ তোমার একদিন, কী আমার একদিন।

- কথা কানে যায় না... - আচ্ছা, দেখবো। পরে, পরে

কথা বলবো। এক মিনিট সময় দাও।

আমি ক্লান্ত। ড্রেস বদলে আগে গোসল করি।

উনি গেলেও, উনার গায়ের সুগন্ধ ঠিকই থেকে যায়।

সবকিছুতে লাশের দুর্গন্ধের ছড়াছড়ি...

- চল, চল, হাত ধুবি চল। - ওহ্, মা...

সিসা, হাত ধুতে হবে। দুর্গন্ধ ভালো লাগে, নোংরা মেয়ে!

♪ যখন ভালোবাসা ফিরে এসে, দোলা দেয় আমার হৃদয়ে... ♪

তোমার দেরি হয়ে যাবে।

গতরাতে ওভারটাইম করেছি।

ছাড়ো তো। ইচ্ছে করছে না।

♪ ♪ যখন ভালোবাসা ফিরে এসে, দোলা দেয়, দোলা দেয় আমার হৃদয়ে... ♪

আমি যাচ্ছি, স্ট্যানিও।

আগে সেলাই শেষ করবে,

এরপর লাশটা ধুয়ে, ফ্রিজে ঢুকিয়ে দেবে।

এরপর বিশ্রাম নিও, ওকে?

ওকে। আগামীকাল দেখা হবে।

পুলিশ ভোগে পাঠিয়েছে?

ভয় পেয় না, আমি পুলিশের লোক নই।

বাড়ি কোথায়?

তিরাদেন্তে শহর। শক ইউনিট আমাকে মেরে ফেলেছে।

নাম?

- সুজো। - সুজো?

- তুমি গিলভানের লোক? - বালের গিলভান?

আমি জোনাসের ভাই। এতো জেরা করছো কেন?

আস্তে, গলা নামিয়ে! গলাকেটে দেবো কিন্তু!

তুমি জেলে ছিলে?

তুমি কীভাবে জানলে?

তোমার ট্যাটুতে লিখা সিডিপি-১৩।

তুমি অনেক বেশি জানো। এসব তথ্য কে ফাঁস করলো তোমার কাছে?

চাকো, তশমা, ম্যাথিউস।

গাধাগুলো পুলিশের গুলিতে মরেছে।

কিন্তু আমি...ষড়যন্ত্রের শিকার।

কেউ বিশ্বাসঘাতকতা করেছে?

দেন্তিনহো আমাকে খুন করিয়েছে।

পুলিশের সোনা চোষাই এদের কাজ।

ভাই, আমার খুনের আসল রহস্য ওদের জানাতে পারবে?

আমার ভাই জোনাস নিজ হাতে ওকে যমের বাড়ি পাঠাবে...

দেন্তিনহোকে ওর প্রাপ্যটা বুঝিয়ে দেবে।

সে আশায় গুড়ে বালি!

এখন তোমার বলা কথাগুলো, তোমার ভাইয়ের কাছে বললে,

আমার ক্ষতি হতে পারে।

শয়তানের কন্ঠস্বর শুনিনি, কিন্তু তোমারটা শুনলাম!

- ঠিক বলেছি? - বেশি হয়ে যাচ্ছে!

মুখে লাগাম দাও!

আমার বাবাকে আমি মেরেছি।

আমি আর জোনাস!

হারামজাদা বুড়ো মারতে মারতে মাকে প্রায় মেরেই ফেলেছিল।

রাগে ক্ষোভে তাকে ভেতরে এনে বুকে ৩ টা ছুরিকাঘাত করলাম।

তারপর লাশটা ব্রিজ থেকে ছুড়ে ফেলে দিলাম।

ঘটনাটা শুধু আমরা দুজন আর ঈশ্বর জানে।

যারা পরিবারের কাউকে খুন করে, ঈশ্বর তাদের কখনো ক্ষমা করেন না।

এসো, নিয়ে এসো!

সাবধানে, দেয়ালে একটা হুক আছে!

দরজা কিন্তু পাশেই, এগোও।

কী হচ্ছে এসব? এই বালটা কী?

কে ফালতু জিনিসটা কিনেছে?

- সোফা বাইরে রাখো। - না, ভেতরে নিয়ে যাও।

- কে কিনেছে, ওদেচ? - আমি, আর কে কিনবে? তুমি?

আমি বাড়ি ভাড়া পরিশোধের জন্য কুত্তার মতো পরিশ্রম করি, আর তুমি আমার অগোচরে অপচয় করো?

- আমার উপার্জনে কিনেছি। - আয়ের উৎস, ওদেচ?

দোরাসিকে মিষ্টি বানাতে সাহায্য করেছি।

এই ছাতা কিনতে হাজার হাজার মিষ্টি বানিয়ে দিতে হবে।

- ভেতরে নিয়ে যাও। - না, দাঁড়াও।

- কিস্তিতে পরিশোধ করবো। - কিস্তিতে?

কিস্তি শোধ করতে করতে আমি দোজখে চলে যাব।

তাইনাকি?

আমি আর পারছি না, সত্যিই পারছি না।

সংসারের মানে বুঝো তুমি? স্ত্রীর কী লাগে, না লাগে?

শুধু তোমার গায়ের দুর্গন্ধটা ফ্রি পাই, যেটার বোটকা গন্ধে পুরো বাড়িটা মো মো করে....

আমাকে পাগলা গারদে পাঠাবে তুমি।

চরম বিতৃষ্ণায় পৌঁছে গেছি।

যাও, যাও, ভেতরে নিয়ে যাও।

স্যালাইনের লাইনটা দেখো, ক্যাথেটার পরিষ্কার করো।

আর মনিটরটা এদিকে আনো।

লারা...

কী হয়েছে?

উনার কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট (হৃদপিণ্ড থেমে যাওয়া) হয়েছে।

উনাকে আইসিইউতে নিয়ে যাচ্ছি।

ধরো, ধরো !

ধরো, ধরো !

এসব আবার কেমন প্রাঙ্ক?

এরচেয়ে বেশি আর কী আশা করবো!

- তুমিও, কাপেলা? আজ কি তোমার পেটে পিল পড়েনি?

নাকি এখনো জনকে সরিয়ে দেবার তালে আছো?

- মুখ সামলে! - শান্তি, শান্তি, যথেষ্ট হয়েছে।

আমরা মজা করছিলাম, বন্ধু।

- তার ছিড়ে গেছে? মজাও বুঝ না? - এগুলো আবার কেমন মজা?

কিন্তু তুমি তো মজা পেয়েছ, স্বীকার করো?

আমার মোটা লিঙ্গ দেখলে,

তোমার চোঁখ ছানাবড়া হয়ে যাবে, স্ট্যানিও।

ওহ্, স্ট্যানিও...

আমি কি তোমার পরিচিত?

ভিলা গুস্তাভো এখন বাড়িতে !

বাল...প্লিজ। আমার শিফটে না!

তুমি এখন লাশের সাথে কথা বলো?

আমি তোমার কানের ফুটোয় প্রস্রাব করবো।

- কী অপরাধ করেছিলে? - হৃদয় চুরি, বরাবরের মতো...

...নিশ্চয়ই অন্যের বৌ ভাগিয়েছ...

সুখী সংসারগুলো তছনছ করে, বুড়ো হবার আগেই কবরে যাও।

- এমন সন্তানের মায়ের জন্য করুনা হচ্ছে। - আরে! এতোটা অসন্মানিত কোরো না, ডোম মশাই।

তোমরাই আসল ডোম। শেষ পর্যন্ত তোমাদের কপালে ওই কবরের ফলকই জুটবে।

- বুঝলাম। - আমিই তোমাকে সেলাই করে, ধুয়েমুছে দাফনের জন্য তৈরি করবো।

অবশ্যই, কারণ তুমি একটা কপালপোড়া।

আমাকে দেখো, বিন্দাস জীবন কাটিয়েছি, তোমার চেয়ে...

...হাজার গুণ ভালো, কারণ...

যখন তুমি এখানে লাশ ধোয়ামোছা করো,

তখন তোমার বৌ আরেকজনের বিছানায় শুয়ে থাকে।

কী বললে?

হাই, স্ট্যানিও!

- সব ঠিকঠাক আছে? - টেবিলটা পরিষ্কার করতে এক মিনিট লাগবে।

জলদি করো। আমি কফি খেয়ে এক্ষুণি আসছি।

কী বললে তুমি? আমার স্ত্রীকে নিয়ে আজেবাজে কথা?

এইতো, গবেটটা রেগে গেছে!

সেক্ষেত্রে তোমার উচিত আসল বদমাশটাকে ধরা!

তোমার বৌয়ের প্রেমিক রাইমি, অবাক হলে?

- রাইমি! মানে ওই বেকারির মালিক? - হমম।

নারীদের বিষয়ে তুমি অনভিজ্ঞ, স্ট্যানিও।

ওদেচের দামী দামী ড্রেসগুলো তোমার চোঁখে পড়ে না? ওগুলো কে দেয়?

চুপ করো!

স্ট্যানিও! স্ট্যানিও!

স্ট্যানিও, এদিকে এসো।

ওখানে যাবার পর, বনে ৩ জনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাই।

রক্ত, নাড়িভুড়ি ছড়িয়ে ছিটিয়ে।

...

- ওদের বাবা মা? - আরে রাখো! এদের বাবা-মার কোনো ঠিক আছে?

১০ রিয়াল।

আজ আমার মন খারাপ, রাইমি!

আগামীকাল দিলে চলবে?

আগের বাকিই তো শোধ করোনি!

এবারের মতো ছাড় দেবে নিশ্চয়ই?

আমার বেকারিতে মাতালদের জন্য চ্যারিটি খুলে বসিনি।

মি. রাইমি, সব ঠিকঠাক আছে?

আর কিছু নেই? যেমন- চেক, ঘড়ি, ফোন?

এখানেই রাগের অবসান হোক।

বাচ্চাদের দিকে একটু নজর দাও, স্ট্যানিও।

♪ ♪

আত্মসম্মানবোধটা পেয়েছি পরিবার থেকে আর....

যখন যেখানেই থাকি না কেন, রাজনৈতিক ধ্যানধারণা থেকে...

কখনো বের হতে পারিনি।

সঠিক কারণটা উপলব্ধি করে, আমাদের জীবন ধারণ পদ্ধতির পরিবর্তন করা...

অথবা অন্যদের জীবনের মানোন্নয়নের জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়াটাই শ্রেয়তর।

এক্ষেত্রে পারিবারিক সমর্থনটাই ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ...

-... আদর, ভালোবাসা, আত্মসম্মানবোধে ভরপুর। - কী খবর, স্ট্যানিও?

দেখছিলাম তো! চ্যানেলটা দাও!

শোবার ঘরে গিয়ে দেখো।

আবার কী হলো? মেঝেতে বসে পড়লে যে!

আমার ঘরে বসে, আমি খবর দেখব।

বাহ্...

খবর দেখবে, কারণ এটা তোমার বাড়ি!

খবর দেখো, আমি শোবার ঘরে গেলাম।

দোয়া করো, আমি যেন তোমার অস্তিত্ব ভুলে যেতে পারি।

রান্না করা, বাচ্চাদের স্কুলে নিয়ে যাওয়া, এসব কে করবে?

হাজার হোক, তোমার বাড়ি বলে কথা!

ইউরো কাপের উদ্বোধনী ম্যাচ দেখতে একগাদা দর্শক এসেছিল...

হঠাৎ বন্দুকধারীরা এসে গুলিবর্ষণ করে।

দুই প্রতিপক্ষের বন্দুক যুদ্ধ!

এখানকার মাদক পাচারকারী এলাকায়।

গিলভান বারেইরোর গ্রুপের সাথে....

উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয় জোনাস ক্রাভোর গ্রুপের।

বন্দুকযুদ্ধটি মূলত জোনাসের ভাইকে খুনের পাল্টা জবাব!

যার নাম ম্যানুয়েল ক্রাভো, আন্ডারওয়ার্ল্ডে যিনি "সুজো"।

সুজো...

ডিভিনিয়ার মাদক বস্তিতে সে একজন পরিচিত মুখ। এছাড়াও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড রোধে পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে....

এই ছোটভাই,

জোনাসের সাথে দেখা করবো।

জোনাস নেই!

বলবে, সুজোর মৃত্যুর জন্য যে দায়ী, তাকে আমি চিনি।

ধন্যবাদ।

রাইমি, চুমু খাওয়াটা তোমার অপছন্দ! জড়িয়ে ধরাটা অপছন্দ! যেটাই করি, সেটাই অপছন্দ!

ফোন ধরলে না কেন?

৬ টা পাউরুটি, ম্যাডাম?

- তোমার কলটা দেখিনি! - তাইনাকি? আস্ত একটা দিন গেল!

- এখানে না... - অদ্ভুত আচরণ করছো! কী হয়েছে?

ওটা ধরবে না!

- পরে কথা হবে। - কখন?

- হাই, এডসন! - হাই, লারা!

আজ রাত ৮ টায়। ঠিক ৮ টায় ওই কোনায়।

ওই স্কুলে গিয়েছিলাম।

না, না, এগুলো ফালতু জিনিস!

মিষ্টি আমার দুচোঁখের বিষ। চল চল।

কী হলো? হা করে তাকিয়ে আছ কেন?

আমি এখানে থাকতে চাই। বাসা নং: ৮০

বস, এই ব্যাটাই সেই লোক!

সুজোকে কবে থেকে চেনো?

একসাথে সিডিপির জেলে ছিলাম।

আমার নাম স্ট্যানিও।

তোমার কথা কখনো বলেনি।

বলেনি?

কিন্তু তোমার কথা আমাকে বলেছে।

সবসময় বলতো, ভাই জোনাসই গোটা পূর্ব সাও পাওলোর...

আসল বস!

দেন্তিনহো!

অতিথির জন্য কয়েকটা বিয়ার আর ভালো...

...মানের এক ব্যাগ গাজা আন।

একটু বাতচিত করি।

তাহলে বলো, কী বলতে চাও?

আমার ভাইয়ের সাথে কে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে?

আমার এই বন্ধুটি আমার সাথে মর্গে কাজ করে।

ওর এক বন্ধু পুলিশে আছে।

ওই রাতে সুজোর লাশ মর্গে আনার সময় বলেছে...

বিশ্বাসঘাতকের নাম।

আরে বলে ফেলো।

ভিলা গুস্তাভোর সাঙ্গপাঙ্গরা।

ভিলা গুস্তাভো?

প্রভাব খাটানো নিয়ে সুজোর সাথে ওর রেষারেষি ছিল।

নাম রাইমি।

জুয়ারেজ দাগোবার্তোর মোড়ে ওর একটা নিজস্ব বেকারির দোকান আছে।

তুমি নিশ্চিত?

১০০%

দেখো, গলাকাটা আমার কাজ হলেও, আমি কিন্তু উন্মাদ নই।

জানো নিশ্চয়ই, মিথ্যে বললে দেহ থেকে মাথা আলাদা করে ফেলব।

সন্মান রেখেই বলছি, খুনটা যেই করুক...

সুজো এবং তোমার উচিত...

পাল্টা জবাব দেয়া।

ছেলের মৃত্যুতে তোমার মাও নিশ্চয়ই খুব কষ্টে আছে।

এটা আমার আর সুজোর ব্যক্তিগত বিষয়।

সুজো আমার ভাইয়ের মতো ছিল।

ওই বেকারির জানোয়ারটার...

পরিনতি হওয়া উচিত তোমার প্রয়াত বাবার মতো,

বুকে ৩ টা ছুরিকাঘাত এরপর ব্রিজ থেকে লাশটা ছুড়ে ফেলা।

ভাই, ধরে নাও, কাজ হয়ে গেছে।

ওর সাথে নিচে যাও।

কী হলো?

কী হলো?

ট্যাটুতে বারবার তোমার বাচ্চাদের নাম চোঁখে পড়ছে। সবকিছু এতো সহজ নয়।

যাইহোক, আজকে বাচ্চাদের বেকারিতে আনাটা ছিল আমার গালে চপেটাঘাত করার মতো।

২, ৩

শান্তিতে ঘুমোও, কার্লো।

কথা বলো, কার্লো।

তোমার খবর আছে।

তোমার এই ক্ষমতার অপব্যবহার করেছ।

লাশের গোপন কথা প্রকাশ করা সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ।

তুমি এখন সবার টার্গেট।

- টার্গেট? - কী, আমাকে বললে?

না...

ঢাকনাটা দাও।

বস, বিশ্বাসঘাতকটা বের হচ্ছে।

ফেলে দে।

সাথে একজন মহিলাও আছেন।

ওটাকেও ফেলে দে।

কিছু লাগবে?

হ্যাঁ লাগবে।

বিশ্রাম নেয়া দরকার।

আর দুই বাচ্চার জন্য দুজন কাজের লোক।

ওদেচ...

কিছুদিন এই দেখাসাক্ষাৎ বন্ধ রাখা উচিত।

কেমনযেন মনে হচ্ছে। স্ট্যানিও হয়তো আমাদের বিষয়টা জেনে গেছে।

কী বলছ এসব?

ওইদিন বেকারিতে সিনক্রিয়েট করলো।

মাতাল হয়ে আমার দিকে তাকিয়ে অদ্ভুত আচরণ করলো..

আমি নিশ্চিত, ও সব জানে।

না, না রাইমি। আমার সাথে প্রতারণা কোরো না।

ও আমার জীবনটা শেষ করে দিয়েছে।

দুঃখিত, আমি পারবো না, ওদেচ!

একটা কাজ করো, ওর ফোনটা ফিরিয়ে দেবে, বলবে তুমি বেকারিতে গিয়েছিলে আর....

- আমি ওর মৃত্যু চাই। - চুপ করো !

ওকে ডিভোর্স দিয়ে...আমরা দুজন একসাথে থাকবো! ওহ্ ঈশ্বর!

- শান্ত হও, শান্ত হও! - গাড়ি থেকে নাম, মাদারচোদ !

- শান্ত হও! ওকে! - বের হ।

হাঁটু গেড়ে বস।

ঈশ্বরের দোহাই, বন্দুকটা মাথার কাছ থেকে সরাও।

মরার আগে কি কারণ জানতে চাস?

- রাইমি, তাই না? - দয়া করে বন্দুকটা সরিয়ে নিন।

চুপ! একদম চুপ!

- হারামজাদা, আমি সুজোর ভাই। - কে?

ভালো করেই চিনিস! বিশ্বাসঘাতক কোথাকার!

আমার ভাইয়ের মৃত্যুর কারণ তুই।

তোকে এখন ওর কাছে পাঠাচ্ছি। ওখানে গিয়ে শয়তানের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা কর!

বিশ্বাস করো, তোমার ভাইকে আমি চিনি না।

ঈশ্বরের দোহাই, পিস্তলটা সরাও।

যা সরিয়ে দিলাম, এটা ব্যবহারই করবো না।

ভাইটা আমার এভাবে মরেছে...

হাঁটু গেড়ে ওইসব পুলিশের সামনে, যাদের সোনা তুই চুষে দিতি।

তোমার ভাইকে আমি চিনি না। আমার গাড়িটা নিয়ে যাও।

গাড়ি? গাড়ি দিয়ে আমি কী করবো?

আমার আরও কিছু দরকার।

তোর রক্ত দিয়ে এই রাজপথের তৃষ্ণা মেটাবো।

ওহ্ ঈশ্বর...

খুনী! কাপুরুষ!

ওই শালি, বাড়ি যা! আমাদের চেহারা ভুলে যা!

পুলিশ!

তোদের ১৪ শিকে ঢুকাবে।

তোরা খুনী! তোদের জেলের ভাত খাওয়াবে!

জোনাস, হারামজাদিটাকেও শেষ কর! পুলিশ আসছে!

- বকবকানি বন্ধ কর! - জোনাস! তুই খুনী!

- তোর নাম জোনাস! তুই খুনী! - চলে যা।

তোরা সবগুলো ফাঁসির দড়িতে ঝুলবি!

চলুন বস!

স্ট্যানিও...

- ওহ্ ঈশ্বর, স্ট্যানিও! কী ভয়ংকর ঘটনা। - কী হয়েছে, দোরাসি?

ওদেচ, স্ট্যানিও!

ওদেচ!

ওদেচ!

সরে যান! ক্ষমা করুন!

সরে যান! ওদেচ ! ক্ষমা করুন!

ওদেচ! সরে যান!

ওদেচ...

- আমার স্ত্রী! - শান্ত হোন...

ওরা তোমার কী করেছে?

আমার ছেলে! ও যেন আমাকে এই অবস্থায় দেখতে না পায়!

স্ট্যানিও! ওকে সরিয়ে নাও।

ওকে আসতে দিও না!

বাবা...মা! মা!

- শান্ত হ! - মা'র কী হয়েছে, বাবা?

- বাবা, মা'র কী হয়েছে? - শান্ত হ!

তারমানে, তুমি আমার কথা শুনতে পাও!

কীভাবে?

সবসময়ই পেতাম!

সবসময়ই লাশের সাথে কথা বলতাম!

তুমি, কার্লো সবার কথাই শুনতে পাই।

লাশের সাথে কথা বলতে পারি।

এর কোনো ব্যাখ্যা নেই।

বাচ্চারা আমার ওই কাহিনী জানে?

দেখো স্ট্যানিও...

আমার আর রাইমির বিষয়টা তোমাকে জানানোর জন্য মানসিকভাবে নিজেকে প্রস্তুত করছিলাম।

কিন্তু প্রস্তুতি নিতে নিতেই রামলীলা বেরিয়ে এলো!

আমি তোমার মতো মরতে চাই না।

ভিলা গুস্তাভোর মতো অসতী স্ত্রীর স্বামী হতে পারবো না।

- কেউই জানতো না, স্ট্যানিও! - কিন্তু এখন তো সবার মুখে মুখে।

শেষ হাসিটা আমিই হাসলাম...

...জারজটাকে নরকের আগুনে পুড়তে পাঠিয়ে।

তবে তোমার এমন পরিনতি হবে, সেটা ভাবিনি।

স্ট্যানিও...তুমি?

- তুমি এটা করতে পারলে? - তোমার কী মনেহয়?

জারজ কোথাকার! কুত্তার বাচ্চা!

এমন মাস্টারপ্ল্যানের জন্য হলেও, আমাকে সন্মান করা উচিত, ওদেচ!

কীভাবে পারলে তুমি?

নিজের সন্তানদের মাকে খুন করতে?

আমার সন্তানরা তোমাকে ক্ষমা করবে না। এমনকী আমিও না।

তাইনাকি, কিন্তু আমি তোমাকে ক্ষমা করলাম।

৫ টা পাথর!

তোমার নামের (Odete) প্রতিটা অক্ষরের জন্য একটি করে।

তোমাকে এভাবেই দাফন করবো, ওদেচ!

আমি।

কী করছো? এগুলো সরাও!

স্ট্যানিও!

স্ট্যানিও, এদিকে এসো।

স্ট্যানিও, ফিরে এসো! আমাকে ফেলে যেও না!

শুভ অপরাহ্ন! আপনি কি এই বাচ্চার বাবা?

তোর লজ্জিত হওয়া উচিত, এডসন!

একদিকে আমি সারারাত লাশ সেলাই করে রোজকার করছি...

ওদিকে আমার ছেলে সুপার মার্কেট থেকে জিনিস চুরি করে...

দাগী আসামীর মতো ঘরে ফিরছে!

আমাকে ওই বালের স্কুলে যেতে বলছো?

তুই কি গুন্ডাদের দলে নাম লিখিয়েছিস?

হাসছিস কেন?

এদিকে আয়! কথা কি শেষ করেছি?

এডসন! এডসন!

এডসন, দরজা খোল!

দরজা খোল, এডসন!

- হেই গৌভিয়েজা! - হাই সিলভিনহো! -এখানকার পরিস্থিতি খারাপ!

একটু দেখে যান।

স্ট্যানিও, মাস্ক নিয়ে এসো।

- লাশ কোথায়, সিলভিনহো? - ওখানে!

নাহ্...মধ্যরাতে এই ঘুটঘুটে অন্ধকারে ডাকার কথা মনে হলো...

টর্চটা জ্বালাও।

দেখে মনে হচ্ছে, বেশ কিছুদিন হলো, পড়ে আছে।

বাল...

শুরু করো, স্ট্যানিও। একেবারে ছেলের হাতের মোয়া নয়।

বাবা?

বাবা?

- সমস্যা নেই, ঘুমিয়ে পড়! - তুই নিশ্চিত, বাবা ছিল না?

এদিকে আয়!

- দরজা খোলো ! - আস্তে!

আস্তে! আস্তে!

...

একটু কেমনযেন! আলো ফেলো, স্ট্যানিও।

দেখো, বেশ অদ্ভুত! তাই না?

বন্য প্রাণীর কামড় মনে হচ্ছে!

লাশগুলো প্রায় একদিন হলো পড়ে আছে!

লাফ দিয়ে ব্যাখ্যা দাঁড় কোরো না।

যদি বন্য প্রাণীই হয়,

তাহলে শুধু দেহের ভেতরে কামড়ের দাগ থাকবে কেন?

চামড়ায় কিছুই নেই।

দেহের বাইরে কিছুই নেই।

ওই ডাইনিটা আমাদের দুজনকে মেরেছে। মরার কথা ৩ জনের।

তোমার প্রথমে মরা উচিত ছিল।

রিট্রাক্টরটা দাও, স্ট্যানিও।

আমরা দুজন নিরপরাধকে খুন করেছি। ধন্যবাদ তোমাকে।

ডাইনিটা ফিরে এসেছে। তোমার ঘাড় মটকাবে।

কী হলো?

কী হলো, স্ট্যানিও?

সিসা! এডসন!

এখানে কী করছো?

- তোমার বাচ্চারা... - ওরা কোথায়?

সমস্যা নেই, আমার কাছে।

ওরা বললো, রাতে কে নাকি ঘরে ঢুকেছিল!

রাতে ওদের একা ফেলে যাওয়া উচিত?

চলো ওদের নিয়ে আসি!

এখানে কোনো সাহায্য?

লাগবে না। সব ঠিক হয়ে যাবে।

সমস্যা হবে না।

গৌভিয়েজা, করিডোর, কিচেন সব জায়গায়...

শুধু লাশ আর লাশ...এমনকী বাথরুমেও!

বুঝলাম, কিন্তু...

ও এখন সবকিছু ঈশ্বরের ইচ্ছে...

এগুলো মেঝেতে রাখো,

আরও লাশ আসছে।

- ইয়ার্কি মারো? - না, আরেকটা ভূমিধস হয়েছে।

স্ট্রেচারটা ওখানে রাখো। ঠেলা দাও।

জোরে, কাপেলা।

- এসবের মধ্যে কীভাবে সরাবো? - জানি নারে ভাই, জানি না।

স্ট্যানিও, ওই লাশটা এখনো সরাওনি?

এক মিনিট দাঁড়াও। ওদিকে নজর দেবার সময় পাইনি।

হয়ে গেছে, ওই লাশটা এখানে রাখো।

স্ট্যানিও, ফালতু কাজ বাদ দিয়ে, এখানে এসে সাহায্য করো।

- গৌভিয়েজা, আমি পারবো না। - পারবে না মানে?

- জায়গাটা পরিষ্কার করছি। - রাখো তোমার পরিষ্কার!

- আমাদের আরও জায়গা লাগবে - পারবো না..

- উপায় তো বের করতেই হবে। - বললাম তো, পারবো না।

দেখো, পারলে বের করো।

স্ট্যানিও!

স্ট্যানিও, কথা কানে ঢুকে না?

স্ট্যানিও!

স্ট্যানিও!

স্ট্যানিও!

- কী হয়েছে? - ঠান্ডায় জমে গেছে!

ওটার ভেতরে ছিলে?

- কাপেলা, কম্বল আনো। - তোমাকে কে ঢুকালো?

- কে ঢুকালো? - শান্ত হও।

এখানে কেউ ছিল না!

- কাপেলা, যাও না! - যাচ্ছি! যাচ্ছি!

যাও!

..

শুভ সকাল!

- ওহ্ ঈশ্বর... - বাবা!

জ্বরে শরীর পুড়ে যাচ্ছে!

এডসন, ওকে শোবার ঘরে নিতে সাহায্য করো।

নাও।

- বাচ্চাদের বাইরে খাওয়াতে নিয়ে যাব। কিছু লাগবে? - লাগবে না।

স্ট্যানিও, বাচ্চারা রাতে একা থাকতে চায় না।

- ওরা আমার ওখানে যেতে চায়। - আমাদের নিয়ে না ভাবলেও চলবে।

বাবা কখনো পারফিউম ব্যবহার করতো না। আর মায়ের পছন্দের ব্র্যান্ড ছিল ফেন্সি।

মানে কী?

ওদেচের পারফিউম!

মা স্ট্রোক করার পর, বাড়ির দায়িত্ব আমার ঘাড়ে এসে পড়ে।

তখনই প্রথম এই গন্ধটা পেলাম...বাবার কাপড়ে।

এটাই আমাদের জীবনে কাল হয়ে দাঁড়ালো।

বাবা খুন হলো। আমি ঋণে জর্জরিত হলাম।

বেকারিটা হারালাম।

হয়তো বাড়িটাও হারাব।

বুঝলাম...

আমিও মারা খেয়েছি, তুমিও মারা খেয়েছ, কী আসে যায়?

আমি আমার বাবার মতো নই। আমি কারও ক্ষতি করিনি।

এখন কী করতে চাও?

একটা চাকরি খুঁজবো।

বাচ্চাদের বিষয়ে কেনো সাহায্য লাগবে কিনা, জিজ্ঞেস করেছিলে।

এখন এমন একজনের সাথে কথা বলবো, যিনি...

আধ্যাত্মিক জীবনধারায় স্বস্তি খুঁজছেন...

সিসা!

সিসা! সিসা!

ওহ্ ঈশ্বর! সিসা!

সিসা, ওহ্ ঈশ্বর...

- উনি কি মাকুম্বা মন্দিরের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের সাথে যুক্ত ছিলেন? - হ্যাঁ।

আমাদের প্রার্থনা আরও শক্তিশালী!

আমাদের মাঝে আপনাকে শান্ত থাকতে হবে, ঠিক আছে?

কে আপনি? আমি কোনো সাধারণ স্বত্বাকে ডাকছি না।

আমার প্রার্থনা শয়তানদের অধিপতির কাছে।

আমি শয়তানদের অধিপতির সান্নিধ্য চাই।

তুই আমার পথের কাঁটা!

আমি মারিয়া মুলাম্বো, আমি কাঁচা মাংস খাই!

হারামজাদিকে চিবিয়ে খাব।

দেখলেন, দর্শক! শয়তানের প্রতিহিংসা। এই ডাইনি...

হয়তো আপনার ঘরেই লুকিয়ে আছে।

হয়তো আপনার প্রানটাও কেড়ে নিতে পারে কিন্তু আমরা আছি...

ডাইনি তাড়ানোর জন্য। আমরা সকল মাকুম্বা মন্দির বন্ধ করার আবেদন করবো। ডাইনির মুখেই শুনি...

♪ যখন ভালোবাসা ফিরে এসে, দোলা দেয়, দোলা দেয় আমার হৃদয়ে... ♪

কী? হা করে তাকিয়ে আছিস কেন?

এগুলো জারদিম রুব্রোর ড্রেনে পাওয়া গেছে।

মাথা নেই, ফিঙ্গার প্রিন্ট নেই। সনাক্ত করার মতো কিছুই নেই।

পুলিশের মতে, এটা গ্যাংস্টারদের নিজস্ব শাস্তি বিধান পদ্ধতি।

গৌভিয়েজাও লাশটার দিকে বিশেষ নজর দিতে বলেছে।

- লাশটা এমন ছিল না। - মানে কী?

ভালদির, এই অবস্থা কেন? লাশটা কখন এসেছে?

৩ ঘণ্টা আগে। লাশ গাড়ি থেকে আমিই নামিয়েছিলাম।

লাশের অবস্থা এমন ছিল না!

কী হয়েছে?

ভালদির বলছে, লাশটা এই অবস্থায় মর্গে আসেনি।

- আমি করিনি। - এর মেরুদণ্ড চিরে ফেলা হয়েছে।

কিন্তু লাশটা মর্গে এই অবস্থায় আসেনি।

আমিই রিসিভ করি। দাঁড়ান দেখাচ্ছি।

দেখুন গৌভিয়েজা, পেছনটা দেখুন!

এমন ছিল না। এটা অসম্ভব।

এটা দেখেন!

- আর কেউ এসেছিল? - না।

ব্যাপারটা কেমন হয়ে গেল না?

না, খুঁজে বের করছি! বের করছি!

বাল...

দেখো, লাশগুলো তোমাদের দায়িত্বে থাকে।

পুলিশের কাছে এগুলোর কৈফিয়ত কিন্তু আমি দেবো না।

যেকোনো উপায়ে ওটা খুঁজে বের করো।

তুই আমার পথের কাঁটা

এটা সিসার কাজ নয়।

এটা ওর হাতে ছিল।

একটা বাচ্চার জন্য অনেক উঁচু হয়ে যায়।

আমি লিপস্টিক দেই না।

লারা!

আমি দুঃখিত। আমি তোমাকে অভিযুক্ত করছি না।

সমস্যা নেই। আমার একটু বিশ্রাম দরকার।

মামুনি,

ঘুম ভেঙে গেছে? নাস্তা করেছিস?

যেখানে করব দিয়েছিলাম, তোমার স্ত্রীর লাশ সেখানেই আছে, স্ট্যানিও।

মনেহয়, আমার স্ত্রীর লাশ কেউ তুলেছে, গিদাও।

বিয়ের আংটিসহ আমি ওকে কবরস্থ করি,

কিন্তু এখন সেই আংটি আমার দরজার সামনে পড়ে আছে।

নিশ্চিত হলে পুলিশকে জানাও।

না গিদাও। পুলিশি ঝুট-ঝামেলায় জড়াতে চাই না।

শুধু ওর লাশটা আরেকবার দেখতে সাহায্য করো।

স্ট্যানিও, বাদ দাও তো। বাড়ি যাও।

স্ট্যানিও!

আজ উমবান্ডার লোকজন মৃতদের জন্য বিভিন্ন উপহার নিয়ে আসবে।

আমি ওদের সাথে থাকবো।

ওর কবর থেকে ওদের সরিয়ে রাখতে পারবো।

চাইলে রিস্ক নিতে পারো। চলবে?

তারমানে, তুমি আমার সাথে কথা বলতে চাও?

আমাকে বিভিন্ন সংকেত দিয়ে যাচ্ছ! আমি এসেছি! এবার বলো।

ওদেচ...

জানি আমি অনেক অন্যায় করেছি,

কিন্তু সিসা আর এডসনের মৃত্যু প্রাপ্য নয়!

কার কী প্রাপ্য, সেটা তুমি বলার কে?

তুমি ক্ষমা চাচ্ছ?

কিন্তু কীভাবে তোমাকে ক্ষমা করি?

বলো, স্ট্যানিও?

আমাকে মুক্তি দাও।

তুমি বলতে, আমি নাকি অপূর্ব সুন্দরী...

কিন্তু দেখো ক্ষমা করে দেবার মতো আমার দেহে কী এমন অবশিষ্ট আছে?

..

স্ট্যানিও, শ্বাস নাও! শ্বাস নাও!

শ্বাস নাও! স্ট্যানিও

তুমি শেষ, স্ট্যানিও! ওটা দিয়ে তুমি কী এমন করবে?

- বাবা! - মামুনি!

- কী হয়েছিল, স্ট্যানিও? - পরে কথা বলি!

ঈশ্বর, তুমি আঘাত পেয়েছ?

- পুলিশ মেরেছে, বাবা? - না মামুনি!

বাবা একটা সমস্যায় পড়েছিল কিন্তু এখন সব ঠিকঠাক।

তাহলে পুলিশের গাড়ি থেকে নামলে কেন?

বাবা, একটু পরে বলছি। আগে গোসল করি তারপর...

না! এক্ষুণি বলবে।

তুমি পুলিশের সাথে বাসায় আসতে পারলে, আমি কেন পারবো না?

আমাকে তুমি গুন্ডা ডাকোনি?

- এভাবে বলে না... - ঠিকই বলেছে...

- বাবা, শোন... - রাখো তোমার শোনাশুনি!

সবাই বলাবলি করছে, আমার মা নাকি বেশ্যা!

চুপ কর!

বেশ্যার ছেলে হবার পাশাপাশি, এখন কি আমি একজন ক্রিমিনালেরও ছেলে?

এডসন...

এডসন, ব্যাথা পেয়েছ? ঠিক আছ?

শান্ত হও, সমস্যা নেই। ওঠো, আমার সাথে এসো।

এডসন!

বাচ্চারা ঘুমিয়েছে! আমি যাচ্ছি, ওকে?

লারা!

এডসনকে আঘাত করতে চাইনি!

জানি, তোমার মেজাজ বিগড়ে গিয়েছিল।

তুমি কষ্টে আছ, বাচ্চারাও তো আনন্দে নেই, তাই না?

ঠিক। বাইরে থেকে মনে না হলেও, ভেতরে ভেতরে...

- তোমার পেছনে কেউ লেগেছে? - না, না।

আসলে জানতে চাচ্ছিলাম...

যদি রাতে থাকা লাগে...

আমি বাচ্চাদের নিয়ে চিন্তিত।

আমি তোমার খেয়াল রাখবো।

- শুভরাত্রি। - শুভরাত্রি।

আমি চাই, খাবার আর ড্রিংকসের...

দায়িত্ব তুমি নাও।

হ্যাঁ, শনিবার, দুপুর ৩:৩০

হ্যাঁ, মাত্র ২ দিন! তাতে কী, দোরাসি?

তাহলে কেক, মিষ্টি, পেস্ট্রি নিয়ে এসো।

ওহ্...সাথে ১১ টা মোমবাতি।

আচ্ছা ধন্যবাদ! ঠিক আছে, ধন্যবাদ!

দোরাসির সাথে কথা বললাম...

এগুলো স্কুলে নিয়ে যাবি।

শনিবার, তোর জন্মদিন, দুপুর ৩:৩০

বন্ধুদের দাওয়াত দিবি।

- কিন্তু জন্মদিন তো সেপ্টেম্বরে! - ওকে। আমরা আগেভাগেই করবো।

শনিবার পার্টি হবে।

সিসা!

সিসা!

সিসা, এদিকে আয়!

এগুলো কী?

শনিবার, তোর ভাইয়ের জন্মদিন।

- কিন্তু তোর জন্মদিন তো... - আমি বলেছি।

অকর্মার ঢেকি কোথাকার!

দে দে ফেরত দে! আমিই সবাইকে দাওয়াত দেবো।

কিন্তু তোরা দুজন রেডি থাকবি কারণ শনিবার বিশাল পার্টি হবে।

লোকে লোকারণ্য হবে কারণ আমি সবাইকে দাওয়াত দেবো।

- লারা! - সোডা?

সিসা, সিসা! লারা!

এডসন কোথায়?

- এডসন কোথায়? - ডাকো ওকে!

এডসন!

এডসন, বন্ধুদের নিয়ে আয়।

ওকে!

এডসন! এসেছে?

এই নে!

হুররে!

- ধন্যবাদ। - এটাই তো চেয়েছিলি, না?

খোল !

- ইয়াহ্ - সর তো।

খোল, সবাই মিলে চালু করি।

কী হলো?

এটা কী করেছ, স্ট্যানিও?

বাবু, এটা আমি করিনি।

বাবু! বাবু!

এক্সকিউজ মি! এক্সকিউজ মি!

কাপেলা!

- কথা বলা যাবে? - বলো!

তোমাকে টাকা দিলে একটা জিনিস এনে দিতে পারবে?

জিনিস? কী সেটা?

- পিল - কী বলছো?

বুঝলাম না!

গৌভিয়েজার মতো ডাক্তার থাকতে, আমি কেন?

আরে রাখো তো!

ভেবেছ লাশের গাড়ির গ্লাভস কুঠুরিতে তোমার ওই ফালতু জিনিসগুলো চোঁখে পড়েনি?

তারমানে তুমিও ওগুলো গিলতে,

রাতে কাজ করার সময়!

মাথাটা কি পুরোপুরি গেছে?

আসলে, শুনলে বুঝতে পারবে।

কী সব উল্টোপাল্টা কাজ করি...

জানিতো, সেইরকম উল্টোপাল্টা কাজ! যেমন...

খেলনার বাক্সের ভেতর লাশের মেরুদণ্ড!

তাই না? ভালদির আমাকে বলেছে।

তোমাকে এই মেডিসিন দেয়া উচিত, ঠিক গাল বরাবর!

কীসের মধ্যে আছি, ভাবতেও পারবে না।

একটা কথা বলি, তোমার এখানে কাজ করা উচিত না।

আহ্!

ওদেচ!

ওদেচ!

ওদেচ, চলে যাও।

সিসা! এডসন!

আহ্!

বাবা?

- বাবা! - সিসা!

রেজার লাইন!

রেজার লাইন!

বাবা?

আমি ঠিক হয়ে গেছি!

সবাই কষ্ট পেলেও, এখন ভালো আছি।

ঈশ্বরকে ধন্যবাদ দেয়া উচিত!

আমি আসলে ওভাবে বলতে চাইনি।

আমি তোদের বাবা!

তোরা কি কথা বলবি না?

- এডসন! - আমিও যাচ্ছি।

- সিসা...দুঃখিত! - শান্ত হও, ওদের যেতে দাও।

ওরা ভয় পেয়েছে!

এগুলো ঠিক না, ওদের কখনোই কষ্ট দিতে চাইনি,

অথবা ওদের কোনো ক্ষতি হোক।

কী বলছো তুমি?

সবসময় বাচ্চাদের আগলে রেখেছি কিন্তু ও...

- ও কীভাবে পারলো? - কে?

ওদেচ!

কী করেছে? ওদেচ কী করেছে?

তুমি নিজে করেছ!

আসলে তুমি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত!

ঠিক বলেছ।

ওদেচের মৃত্যুটা!

আমি ঠিক...

মেনে নিতে পারছি না!

স্ট্যানিও, এসব থেকে বের হতে হবে।

চেষ্টা তো করছি। আমার ওপর ছেড়ে দাও!

ওকে।

আচ্ছা, শান্ত হও।

বাল!

স্ট্যানিও!

স্ট্যানিও!

স্ট্যানিও!

স্ট্যানিও

স্ট্যানিও।

ওদেচ!

ওদেচ, কী চাও? আমি কী করতে পারি?

তুমি চাইলে নিজের মাথায় গুলি করতে পারি...

- সিসা ও এডসনের জন্য.. - আমার ঘরের ওই মেয়েটাকে...

খুন করতে হবে।

আমি দোষী! চাইলে আমার রক্ত ঝরাও....

তখন আমার সন্তানরা তোমার আসল রূপ দেখবে।

ওকে খুন করলে, চলে যাব।

খুন না করলে, আমার সন্তানদের আমার কাছে নিয়ে নেব।

পারবো না?

পারবে না?

না বললে, স্ট্যানিও?

যেটা তুমি ইতোমধ্যেই করেছ!

খুনি...

লারা!

ওহ্...স্ট্যানিও! এমনটা কোরো না।

বাচ্চারা?

ভেতরে।

বসো।

কী হয়েছে?

এখন পর্যন্ত কিছু না।

তবে হতেও পারে...

তুমি আমাকে ভয় দেখাচ্ছ!

আমি চাই না, আমাকে দেখে ভয় পাও!

ঠিক বলেছ! একটু সময় দাও!

ওদেচকে নিয়ে যা বলেছ...

ওসব বিশ্বাস করি না।

আমি ঈশ্বরে বিশ্বাসী।

যারা ঈশ্বরে বিশ্বাসী, তারা শয়তানের অস্তিত্বও স্বীকার করে।

তোমার ওপর শয়তান ভর করেছে। চলো, চার্চে যাই।

আমাদের ফাদার তোমাকে সাহায্য করবে।

যদি সত্যিই সাহায্য করতে চাও,

কয়েক দিনের জন্য বাচ্চাদের এখান থেকে সরিয়ে নাও।

এক অশরীরী আত্মা আমার পথের কাঁটা। আমাকে একাই ওর বিরুদ্ধে লড়তে হবে।

কিছু সময়ের জন্য বাচ্চাদের নিয়ে যাও।

সিসা।

সিসা, ওঠ!

আয়।

- কী? - ওখানে!

খোল!

মজা নাও!

এডসন!

লারা!

লারা!

- সিসা? - লারা!

- লারা! - সিসা!

সিসা!

সিসাকে বের করো!

সিসা!

এদিকে তাকা, সিসা! ওঠ!

বাবা!

এসো।

🔪 ওর রক্ত ঝরাও 🔪

হ্যালো, হাই ডাক্তার।

খারাপ কিছু?

হ্যাঁ, এখানে! দুঃখিত...আমি

অবশ্যই...হাসপাতালে যাচ্ছি।

ধন্যবাদ।

লারা!

আমাকে হাসপাতালে যেতে হবে।

আমার মেয়ের কাছ থেকে দূরে থাকবে।

আমি শুনেছি, তুমি অভিশপ্ত!

আমার মেয়ের রক্ত...

না ঝরানো পর্যন্ত তোমার স্ত্রী তোমাকে ছাড়বে না।

আমি দুঃখিত।

তোমার অভিশাপ এখন তোমার বাচ্চারা বহন করছে।

কিন্তু আমার মেয়ে করবে না!

ওর থেকে দূরে থাকো।

ক্ষমা করবেন!

- শুভ সকাল! - শুভ সকাল!

আমি হাসপাতালে মৃত রোগিদের ছাড়পত্র দেই।

আপনাকে লাশ নেবার নিয়মাবলি সম্পর্কে অবহিত করতে এসেছি।

আমি কথা দিলাম!

আমি খুনি নই!

ওই ডাইনির সবকিছু নিশ্চিহ্ন করে ফেলতে হবে।

এমন কিছুই রাখা যাবে না, যা ওকে ফিরিয়ে আনতে পারে...

যা ওর স্মৃতি মনে করিয়ে দেবে...

এমনকী ওর সাথে জড়িয়ে আছে।

সবগুলো ধ্বংস করে ফেলো।

যাও!

ভিলা গুস্তাভোর সাঙ্গপাঙ্গদের সাথে...

প্রভাব বিস্তার নিয়ে সুজোর ঝামেলা হয়েছিল। বিশ্বাসঘাতকতার নাম রাইমি।

ওই বেকারির হারামজাদাটার পরিনতি...

তোমার প্রয়াত বাবার মতো হওয়া উচিত।

বুকে ৩ টা ছুরিকাঘাত করে, ব্রিজ থেকে ফেলে দেবে।

শুভরাত্রি।

বাবু, বাবু, লারা কোথায়?

লারা কোথায়?

তোমার ঘরে নেই?

না।

বিপ শোনার পর ম্যাসেজ রেকর্ড করুন..

লারা চলে গেছে, বাবা?

নিখোঁজ হিসেবে তো খুঁজতে পারেন!

২৪ ঘণ্টা হয়ে গেল!

যদি মেয়েটার কোনো বিপদ হয়?

তারপরও হাত গুটিয়ে বসে থাকবেন?

ওকে, আগামীকাল কল করবো।

সংবাদটা দেবার মতো পরিবারে কেউ আছে?

আচ্ছা, আমি কাগজপত্র রেডি করি।

লারা।

কথা বলো!

স্ট্যানিও!

কী হয়েছিল?

আমি কোথায়?

তুমি এখন মর্গে।

মুখটা চেপে ধরো।

ধুরো, মুখটা চেপে ধরো।

তাহলে?

উনি এখন সুস্থ!

শরীরের তাপমাত্রা ও ব্লাড প্রেসার চেক করেছি...

ঠিক হয়ে যাবে।

আরেকটু দেরি হলে, মারাই যেত। হাসপাতালে নিতে পারলে না?

হ্যাঁ, উনার মেডিকেল ফর্ম চেক করলাম...ভালদির নামে একজন পূরণ করেছে।

চাইলে দেখতে পারেন।

ভুলও হতে পারে।

ওখানে লিখা, উনার হার্ট বন্ধ (অ্যারেস্ট) এবং ফুসফুস কাজ করছিল না।

শরীরের তাপমাত্রা কমে ৯৩° ফারেনহাইট হয়ে গিয়েছিল।

অনেকটা যায় যায় অবস্থা।

স্ট্যানিও, মেয়েটার কি খিঁচুনি বা জ্ঞান হারানোর মতো কোনো রোগ ছিল?

রোগটা দুর্লভ হলেও, একেবারে হয় না, তা নয়।

এখন আর আমাদের কিছু করার নেই। ওকে বাড়ি পাঠিয়ে দিন।

চলো যাই।

ধন্যবাদ।

এই রইলো স্যান্ডউইচ আর জুস...

১০:৩০ এ ঔষধ খাওয়াবে।

- আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যেটা... - দরজা খোলা যাবে না, জানি তো।

ঠিক।

বাবা, লারা আমাদের চিনতে পারছে না।

উনার সাথে থাকতে ভয় হচ্ছে।

সিসা, টিভিটা বন্ধ কর!

ঠিক হয়ে যাবে। চিন্তা করিস না।

যদি উল্টোপাল্টা কিছু করে, তোরা ওর সাথে স্বাভাবিক আচরণ করবি।

এটুকুই।

সিসা, বন্ধ করতে বললাম না, লারা ঘুমোচ্ছে!

হ্যালো!

কে?

- স্ট্যানিও! - লারা!

- বাসায় আসতে পারবে? - তুমি ঠিক আছ?

খারাপ কিছু ঘটেছে?

♪ কী অপরূপ সে দৃশ্য ♪

♪ ট্রাকটা রাস্তার ঢাল বেয়ে নেমে আসছে ♪

♪ যখন ভালোবাসা ফিরে এসে, দোলা দেয়... ♪

♪ দোলা দেয় আমার হৃদয়ে...♪

♪ আমার হৃদয়ে ♪

লারা?

থামো!

এসো!

আস্তে!

লারা...

লারা।

থামো।

ওকে খুন করো...

নয়তো, এই বাড়িতে জীবিত কেউ অবশিষ্ট থাকবে না।

এমন কোরো না, ওদেচ!

ওকে খুন করো!

বেশ্যাটার রক্ত ঝরাও!

রক্ত ঝরাও!

সন্তানদের কাছে তোমার আসল রূপ বেরিয়ে আসবে।

নরকের কীট!

মা?

বাবাকে ছেড়ে দাও!

বাবা!

হারামজাদা, আমি তোর মা!

প্রতিবেশীরা ঠিকই বলতো,

- তোকে আরও বেশি শাস্তি দেয়া উচিত ছিল! - না !

জলদি, এডসন! জলদি, সিসা! চল, পালা!

ধুরো!

বাবা...

সিঁড়ি দিয়ে যা!

বাবা...

বাবা...

লারার কী হয়েছে? ওটা কে?

বাবু, লারার দেহে তোর মা ভর করেছে!

চুপ করো! মিথ্যেবাদী কোথাকার!

আমার কাছে মিথ্যে বলবে না!

ওদিকে যা!

সিঁড়ির নিচে ঢুক!

ওদেচ, বাচ্চাদের দিকে একবার দেখো!

আজ রাতে ওরা ওদের মায়ের কাছে চলে যাবে।

বাবা!

বাবা!

- বাবা! - বাবা!

আমার কী হয়েছিল? আমি এখানে কেন?

কী করেছ তুমি?

- লারা? - লারা?

কী করেছ তুমি?

সিসা...এডসন... তোমরা ঠিক আছ?

ও এখানে এসেছিল!

তোমার ওপর ভর করেছিল।

না! না!

প্রলাপ বকছো!

দূরে থাকো!

হাতে অফুরন্ত সময়! আমি অপেক্ষা করছি।

চুপ কর!

আমাকে ছুড়ে ফেলেছ...ময়লা আবর্জনার মতো।

জানি, ওদেচ!

কিন্তু আমি আর পালাবো না!

ও কি এখানে?

কেউ একজন বলেছিল, যে ব্যক্তি তার পরিবারকে খুন করে, ঈশ্বর তাকে কখনো ক্ষমা করে না।

আমি ওদেচ ও রাইমিকে খুন করেছি।

- আমার কোনো ক্ষমা নেই। - না...

ওদের খুনি কে, সেটা সবাই জানে।

কিন্তু খুন করতে কে পাঠিয়েছিল, সেটা সবার অজানা।

না...তুমি এটা করতে পারো না!

বাবা?

আমিই দায়ী, বাবু।

কিন্তু তুমি...

তোমার জন্য এই বাড়ির দরজা চিরতরে বন্ধ।

কারণ আমি চলে যাচ্ছি।

এখানেই শেষ, ওদেচ!

শেষ!

দূর হও! দূর হও! তোমরা দুজন।

এখন তুমিই ওদের সব, লারা।

- না! সিসা, এডসন, যেও না! ! - বাবা!

- ফিরে এসো - বাবা!

সব ঠিক হয়ে যাবে।

- যেও না! - বাবা! ফিরে এসো।

বাবা! বাবা! বাবা!

চলো যাই!

ভাবানুবাদে ডাঃ প্রীতম চন্দ্র দে (মিথুন) এমবিবিএস (রমেকঃ ৩৪), বিসিএস, এম.ডি রেসিডেন্ট (স্কিন-SOMC) ভালো লাগলে গুড রেটিং ও ফিডব্যাক জানাবেন।

Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.