All language subtitles for 96 (2019)

af Afrikaans
ak Akan
sq Albanian
am Amharic
ar Arabic
hy Armenian
az Azerbaijani
eu Basque
be Belarusian
bem Bemba
bn Bengali Download
bh Bihari
bs Bosnian
br Breton
bg Bulgarian
km Cambodian
ca Catalan
ceb Cebuano
chr Cherokee
ny Chichewa
zh-CN Chinese (Simplified)
zh-TW Chinese (Traditional)
co Corsican
hr Croatian
cs Czech
da Danish
nl Dutch
en English Download
eo Esperanto
et Estonian
ee Ewe
fo Faroese
tl Filipino
fi Finnish
fr French
fy Frisian
gaa Ga
gl Galician
ka Georgian
de German
el Greek
gn Guarani
gu Gujarati
ht Haitian Creole
ha Hausa
haw Hawaiian
iw Hebrew
hi Hindi
hmn Hmong
hu Hungarian
is Icelandic
ig Igbo
id Indonesian
ia Interlingua
ga Irish
it Italian
ja Japanese
jw Javanese
kn Kannada
kk Kazakh
rw Kinyarwanda
rn Kirundi
kg Kongo
ko Korean
kri Krio (Sierra Leone)
ku Kurdish
ckb Kurdish (Soranî)
ky Kyrgyz
lo Laothian
la Latin
lv Latvian
ln Lingala
lt Lithuanian
loz Lozi
lg Luganda
ach Luo
lb Luxembourgish
mk Macedonian
mg Malagasy
ms Malay
ml Malayalam
mt Maltese
mi Maori
mr Marathi
mfe Mauritian Creole
mo Moldavian
mn Mongolian
my Myanmar (Burmese)
sr-ME Montenegrin
ne Nepali
pcm Nigerian Pidgin
nso Northern Sotho
no Norwegian
nn Norwegian (Nynorsk)
oc Occitan
or Oriya
om Oromo
ps Pashto
fa Persian
pl Polish
pt-BR Portuguese (Brazil)
pt Portuguese (Portugal)
pa Punjabi
qu Quechua
ro Romanian
rm Romansh
nyn Runyakitara
ru Russian
sm Samoan
gd Scots Gaelic
sr Serbian
sh Serbo-Croatian
st Sesotho
tn Setswana
crs Seychellois Creole
sn Shona
sd Sindhi
si Sinhalese
sk Slovak
sl Slovenian
so Somali
es Spanish
es-419 Spanish (Latin American)
su Sundanese
sw Swahili
sv Swedish
tg Tajik
ta Tamil
tt Tatar
te Telugu
th Thai
ti Tigrinya
to Tonga
lua Tshiluba
tum Tumbuka
tr Turkish
tk Turkmen
tw Twi
ug Uighur
uk Ukrainian
ur Urdu
uz Uzbek
vi Vietnamese
cy Welsh
wo Wolof
xh Xhosa
yi Yiddish
yo Yoruba
zu Zulu

Original subtitles

সাউথ ইন্ডিয়ান মুভি লাভারদের সাদর আমন্ত্রণ আমাদের ফেসবুক পরিবারে "সাউথ ইন্ডিয়ান মুভি ফ্রিকে"

facebook.com/groups/BDSouthFreak/

অনুবাদকঃ- সাজ্জাদ হোসেন সাব্বির

"After reaching the shore"

"I love the sea."

"After the hair greys"

"I understand the world."

"Yesterday's joys come together"

"Today, at this moment," they find meaning."

"Today's joys will come together"

"To find their meaning tomorrow."

"To live my life that I never lived."

"Unable to bear this, upwards I go"

"To kindle my never ending passion."

"Here and now, I am coming out of it"

"Here and now, I immerse into the depths"

"I look at myself as someone else."

"Not with any reason, just naturally."

"With clarity, like that of a sunray!"

"I dont belong to these depths, but I dwell in them."

"As a mirror I am born"

"I become everything I see."

"The joy of a kitten's caress on my feet"

"Is a life enough for me."

"I want to stroke, everything I come across, beautifully!"

"I will always be myself."

"Every day I will live to the fullest"

"Will object, a life of conventions."

"I will live a life of supreme essence!!!"

"I will become as pure as possible."

"With the wind flies the Hawk."

"Beautifully, without a path."

"It being its own reality."

"Like the rock that goes to the depth of the waters"

"With a renouncing of sound"

"I drown in the sights I see."

"Like the bird that rides on the bull's hump"

"I will live upon the Earth."

"I would join hands, and walk along with the Earth."

"Some kind of ecstasy is flowing"

"That provides depth!!!"

"This moment envelops like a mother"

"Singing a lullaby"

"After reaching the shore"

"I love the sea."

"After the hair greys"

"I understand the world."

"Yesterday's joys come together"

"Today, at this moment they find meaning."

"Today's joys will come together"

"To find their meaning tomorrow."

পূজা পাঠ হচ্ছে

আসো

সবাই আসো

শুভ সকাল স্যার

নমস্কার

নমস্কার স্যার

কতো বাজে?

৮:৫৯ স্যার

৯ থেকে ৬, ৩৬টা ফ্রেমে , যার যার ক্যামেরা দিয়ে ছবি তুলে রাখবে

একবারও চেক করা লাগবেনা কোনো কিছু কেটেও দিবেনা।

তোমাদের ভুলগুলো এভাবে বেরিয়ে আসবে।

৯ থেকে ৬, কেউ কারও সাথে কোনো কথা বলবেনা কোন আড্ডাবাজি নেই, কোন হোয়াটস অ্যাপ চালানোও যাবেনা।

ঠিক আছে স্যার।

তোমরা যেভাবে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করো ঠিক সেভাবেই ছবি তোলার চেষ্টা করবে ...

এটা যেন কাউকে ভালো লাগানোর জন্য না হয়।

- কিরে ! চিল্লা! - ফোকাস!

বুঝতে পেরেছি স্যার, বুঝতে পেরেছি!

স্যার ...

ভালো ভালো

একমাত্র ফটোগ্রাফাররাই সময় আঁটকে রাখতে জানে।

প্রভা, তুমি আমার যেই ছবিটা তুলেছো না ...

যখন আমি সেটা দেখবো .. তখন কিন্তু আমাকে এই ৩৭ বছর বয়সীই দেখাবে

স্যার, একটা সেলফি তুলি আপনার সাথে?

আমার সাথে সেলফি?

আরে! পারাপারি করিস না তো!

এখানের কেউ কি গাড়ি চালাতে পারো? আমার যথেষ্ট ঘুম হয়নি।

স্যার, আমি পারি।

আমি চালাতে পারি। শিওর তো?

আগামীকাল সকালের জন্য তৈরি হয়ে নাও।

ঠিক আছে স্যার।

কি ব্যাপার!

আমি কিন্তু ঘুম উঠে দেখবো

যদি ১০০ এর উপরে গাড়ির স্পীড উঠে তবে কিন্তু!

- ঠিক আছে, স্যার! - ঠিক আছে তো?

শোনো, যদি ঘুম পায় তবে আমাকে ডাকবে।

ঘুমের মাতালে গাড়ি টানবেনা কিন্তু।

ধন্যবাদ।

থানজাভুর স্যার।

আপনি অনেক তাড়াতাড়িই ঘুমিয়ে পড়েন স্যার।

এজন্য আমি আর আপনাকে ডাক দেইনি।

কল্লিদাম ব্রিজে কিছু সমস্যা আছে।

এজন্যই থানজাভুর আর তারপর ত্রিচি

গুগল ম্যাপ অন করাই আছে।

সোজা যাও।

গুগল তো বামে যেতে বলছে ওটা না দেখে আমার কথা শোনো

সোজা যাও

ঠিক আছে স্যার

জানালা নামাও

বাহিরের বাতাস! নিঃশ্বাস নাও।

কেমন? এটা আমার গ্রামের বাতাস

আপনার গ্রাম স্যার?

এখানেই আমার জন্ম আর বেড়ে ওঠা।

আমার গ্রাম.... !

দেখো আমাদের বাস স্ট্যান্ড।

আমার বাবা-মা বিয়ের পর প্রথম এখানে এসেই নেমেছিল

ওইদিকে দেখো এটা আমাদের সরকারি হাসপাতাল।

এখানেই আমার জন্ম হয়েছিল।

দেখো ওইদিকে, দেখতে পারছো? ওরিয়েন্টাল টাওয়ার্স।

আমাদের শহরের প্রথম শপিং কমপ্লেক্স।

আর এই যে ডান দিকে, রাজুর বেকারি।

এখানে পেট ভরে খেলেও, তোমার খুদা মিটবে না।

ডিমের পাফ!!!

ওখানের হাসপাতাল দেখছো?

এর পিছেই আমাদের বাড়ি ছিল।

আমি নিজেই তো চিনতে পারছিনা।

থামাবো এখানে, স্যার?

না... না! কেউ যদি এখানে দেখে ফেলে তবে কথা বলতে হবে তার সাথে।

ওটা কি তুমি জানো?

- বড় মন্দির! - হ্যাঁ, কে তৈরি করেছিল?

''রাজা রাজা চোলান''

এই... এই ...!

কি হল, স্যার?

তুমি কি ফুল স্পীডে গাড়ি নিয়ে তার সামনে থামিয়ে তাকে ভয় পাওয়াতে পারবে?

মানে তুমি কি ফুল স্পীডে গাড়ি নিয়ে তার সামনে থামিয়ে তাকে ভয় পাওয়াতে পারবে?

দেখুন শুধু স্যার।

যাও

টানো ...

টানো....... টানো ...... !

হয়েছে... হয়েছে ...!

শুভ সকাল, অফিসার।

কে. রামাচন্দ্রন

হেই! পিচ্চি! তুই .. !

কি আশ্চর্য!

আমিও ভাবছি কার এমন সাহস যে আমার সামনে এসে এভাবে গাড়ি চালিয়ে আমাকে ভোট দেখাবে।

ভালো আছিস তো?

এটা কেমন ব্যাপার। তুমিও যেভাবে ভালো মন্দ জিজ্ঞেস করছো!

হঠাৎ আমাকে এতো সম্মান দিচ্ছো যে?

আগের মতো বলো না!

তুমি এখনও তোমার ওই মায়া ভরা হাসি দিয়ে মন ভোলাতে ভুলোনি দেখছি!

চলো চা খাই।

এখানে আসা কেনোরে?

উমম......!

আমি তোকে জিজ্ঞেস করছি, আর তুই অন্য দিকে তাকিয়ে আছিস?

মামা, আমি কি একবার পুরো স্কুলটা ঘুরে দেখতে পারি?

না! না! ঝামেলা আছে।

এটা সম্ভব না।

প্রথমে তোকে প্রিন্সিপালের অনুমতি নিতে হবে।

তারপর তোর বাবা-মার কাছ থেকে সাইন নিয়ে আসতে হবে।

কি বলতেছো তুমি? মজা নিচ্ছো?

আরে! তো এরকম আজাইরা প্রশ্ন করছিস কেনো?

এটা তোর স্কুল! যা, দেখ!

কে. রামাচন্দ্রন

কখন আসলে?

এইতো কেবল।

একটা পাথর নে তো।

বার বার আগের কথা মনে পড়ে যাচ্ছে।

দেখো! না ভেঙেই বের করে এনেছি।

ধন্যবাদ!

তোর মনে আছে। ওই যে তোর এক বন্ধু সারাদিন তোর সাথে থাকতো।

ফিলোমিনা নগরে থাকতো যে।

- ওর সাথে দেখা হয় এখন? - না।

কাজের কারণে আর কি ..

সময় হয়না।

স্কুলের ছবি?

হ্যালো!

আমি 'অল সেইন্ট' স্কুলের দারোয়ান বলছি ... !

হায় ভগবান! কেমন আছো তুমি?

মুরালি আমি! মুরালি, কেমন আছিস রে? আমি তোর দারোয়ান মামা রে!

আমি তো ভালো

আমরা মাত্র তোকে নিয়েই কথা বলছিলাম।

রামই তো ফোনে ধরিয়ে দিলো।

তুমি আছো কেমন?

ভালো রে! তোর কি অবস্থা?

সব কিছুই মানুষের ভাগ্য রে।

কাজে মনোযোগ দে শুধু।

এই পিচ্চি নে, মুরালি তোর সাথে কথা বলবে।

কিরে! কুত্তা!

ওইখানে কি তোর?

সত্যি বলতে আমি নিজেও জানি না।

এটা আবার কেমন উত্তর।

স্কুলের কি অবস্থা?

দোস্ত...!

আগের মতই? নাকি আবার নতুন করে কিছু করছে?

দোস্ত! পুরো আগের মতোই আছে সব।

একই বিল্ডিং, একই চেয়ার, একই বেঞ্চ, আর ওই একই দারোয়ান!

আরে! ভিডিও কল কর না!

কি বলোস! এতো ব্যস্ততা কেন?

অ্যায় একবার.. নিজে দেখে যা।

আরে! দে না কল!

দোস্ত! এটা অন্যরকম একটা অনুভূতি। আয়, আর উপভোগ করে যা।

১০ থেকে ১৫ বছর হয়ে গেছে আমরা একসাথে নেই?

- থামো থামো! - স্কুল তো আগের মতোই...

১০ থেকে ১৫ বছর মানে?

তোরে পেলে না, একটা বনই দিতাম।

আমরা ৯৬'তে ব্যাচ শেষ করেছি।

আর এটা ২০১৬

বিয়োগ পারিস? না নতুন করে শিখাবো?

হেই! বিশ বছর হয়ে গেছে?

কি যে বলিস!

মনেই হয়না যে ২০ বছর হয়ে গেলো।

হুম, দোস্ত! আমরা বুড়ো হয়ে যাচ্ছি।

তবে, আমাকে এগুলো মনে করাচ্ছিস কেনো?

তুই তো কতো যায়গায়ই ঘুরে বেরাস?

আর আমি তো শালা তামিল নাড়ুর বাহিরেই পা রাখতে পারলাম না।

ওকে! এবার বের হবি। আমাদের এখনও অনেক সৃতি একাট্টা করার বাকি আছে।

আচ্ছা আমি লিস্ট বানাচ্ছি, তুই কখন চেন্নাই আসবি?

ওকে, আমার কথা ভালো করে শোন!

আমি থানজাভুর থেকে আসবো।

এসেই আমি তোর সাথে দেখা করবো।

আমি পানিতেই লিখে দিতে পারবো যে তুই আসবি না। তোকে আমি চিনি।

আচ্ছা, হঠাৎ থানজাভুর কেনো রে?

আমি এসেই তোকে সব বলছি।

আমাদের কোনো বন্ধুর নাম্বার কি তোর কাছে আছে?

আমি ওদের ফোন দিয়ে কথা বলতে চাই।

আরে! ওই পাগল।

অনেক সময় লাগবে সবাইরে ফোনে পেতে।

তাহলে?

চিন্তা করছিস কেনো? আমাদের ফালতু একটা হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপ আছে না!

আর তার এডমিন কে তুই জানিস?

কে আবার তুই ছাড়া!

স্কুলেও তো তুই থাকতি।

কেউই তোকে এখানে হারাতে পারবেনা।

- ওই! সবাই আসলে তখন এভাবে বলিস। - ওকে, দোস্ত!

তোকে এখন গ্রুপে এড করে দিচ্ছি।

ঠিক আছে, দোস্ত!

স্কুলে আবার স্বাগতম কে. রামাচন্দ্রন।

আমি কি আসতে পারি?

হেই, লেট লতিফ!

হায়, বন্ধুরা।

দোস্ত! !!

হাই, রাম!

হ্যালো, ফটোগ্রাফার।

সিংহ তার গুহায় ফিরেছে!

ওহ! দেখো কে জয়েন করেছে!

হেই কুত্তা! এতো ছিলি কোথায় তুই?

যাই হোক না কেনো! একজন হিরো-হিরোই থাকে আর একজন কমেডিয়ান- কমেডিয়ানই!

কেউ গুরুত্বই দিলো না আমারে, যে আমি গ্রুপে আসলাম।

তুই তো কোনো সোশ্যাল সাইটেই থাকিস না।

গ্রুপে আসলি কিভাবে?

আজকে সকালে আমি আমাদের স্কুলে গিয়েছিলাম।

যখন আমি ক্লাসরুম আর খেলার মাঠ দেখলাম। মনে হচ্ছিল তোরা যেন আমার পাশেই, আমার সাথে কথা বলছিস।

এখন মনে হচ্ছে আমি তোদের সবাইকে দেখতেও পারছি।

হেই! রাম! রাম, আমার ও মনে হচ্ছে আমি যেন তোকে দেখতে পারছি।

আসল কথা বেরিয়ে এসেছে। আমরা অবশ্যই সবাই দেখা করবো।

রামের কথা মতো আমাদের সবাইকে একসাথে হওয়া উচিৎ।

এই, এখন আমাদের সবাইকে দেখতে চাস কেউ?

এটা না?

দেখো এবার !

ওই রাম!

তোর বর্তমান একটা ছবি দে তো।

দেখি তো তোকে এখন দেখতে কেমন লাগে।

আরে! জোস।

তোকে তো চেনাই যায় না রে!

মনে হচ্ছে আমরা যেন ধীরে ধীরে আরও যুবক হচ্ছি।

এজন্যই সে আমাদের সবাইকে দেখতে চাচ্ছে হয়তো।

এডমিন টাইপ করছে।

নিশ্চয়ই গুরুত্বপূর্ণ কিছু বলবে।

অপেক্ষা করছি।

আমরা '৯৬' এর ব্যাচ

২০ বছর হয়ে গেলো।

আমার মনে এটা খুব ভালো হবে যদি আমরা একটা 'রি-ইউনিয়ন' করি।

আর এতে আমরা একে অপরকে অনেকদিন পর দেখতেও পারবো।

জোস আইডিয়া।

আমিও সহমত।

জোস, দোস্ত!

হ্যাঁ হ্যাঁ, এজন্যই আমি ক্লাস লিডার ছিলাম!!!

সেই আইডিয়া!

এখন আমি কিছু বলবো!

ওই মুরালি!

তুই তো মামু সেই!

আরে !

যেহেতু এখন আমরা সবাই অনলাইনেই আছি! যায়গাটাও ঠিক করে নেই?

থানজাভুর?

তাহলে থিরুভারুর নয় কেনো?

গর্দভের দল।

আমরা কি শোক সভা করতে যাচ্ছি!

দেখ, তোরা মাত্র কয়েকজনই থানজাভুরে থাকিস।

বেশির ভাগই আমরা চেন্নাইয়ে থাকি।

আর বাকিরা তো আমেরিকা, লন্ডন, অস্ট্রেলিয়া!

তাহলে চেন্নাই?

সেই!

চেন্নায়ই ঠিক আছে!

এটাই সকলের জন্য বেশ সুবিধাজনক হবে।

তো, কবে?

এটা আবার কি সমস্যা?

এটা ভালো করে ঠিক কর।

কথা দিয়েও দেখবি, অর্ধেকই আসবে না!

বন্ধের দিনে রাখ।

বন্ধের ছুটিতে হলে ভালো হয়।

আজকে কত তারিখ?

জানুয়ারির ৭!

আজকে থেকে ২ মাস পরে আমাদের পুনর্মিলনী!

তারমানে ৭ মার্চ, চেন্নাইতে!

সকালেরই উপস্থিত থাকা চাই।

ডবল শিওর আমি!

যে না আসবে সে কুত্তার গু খেয়ে মরবে!

দোস্ত, ঝাঁকাস হইছে!

আমাদের সকলেরই তোকে ধন্যবাদ দেওয়া উচিৎ রে, রাম!

দীর্ঘজীবী হও বাবা কে. রামাচন্দ্রন!

কি সুন্দর তাইনা! কতো তাড়াতাড়ি কতো কিছু হয়ে গেলো।

এই, কেউ আমার বউরে বলবি?

আমি বললে, আমারে ও কোনোদিনও আসতে দিবেনা।

বাচ্চা নিয়ে আসবো সাথে?

ওদের বাসায় রেখে একা আসা অনেক কঠিন হবে?

ফ্যামিলি নিয়েই আসো সবাই।

এই প্রথম এই ফালতু গ্রুপে ভালো কিছু করলি তোরা।

''দুই মাস পর''

আমি ভাবছিলাম তোরা করতে পারবি না।

সত্যি তোদের অনেক মিস করছি।

হাই, দোস্তরা? কেমন আছিস তোরা?

কিরে!

আমি জানতাম তুই এরকম করবি, আমি ইংলিশ বললে।

ভিনোথ!

হাই!

- হাই! - কিরে !

কেমন আছিস?

- কতদিন পর তাইনা? - ভালো আছি আমি।

কেমন আছিস তুই?

বলদ!

আমি তোরে বলছি মন্দির থেকে বামে গিয়ে ডান দিকে ,...

উল্টা কাজ করছোস!

আরে! আমি কিছু জানিনা।

আগে মন্দিরের দিকে আয় আবার। আমি একমাত্র সেখান থেকেই তোকে বলে দিতে পারবো।

রাখ! রাখ শালা!

দোস্ত!!!!!

ভালো আছিস তুই?

আয়! আয়!

ওই, ও আসছে না কেন এখনও?

ও আসবে ভেবে আরও একটা খাবারের অর্ডার বেশি করেছি!

ওরে তিনবার ফোন দিলাম।

তিনবারের বেলায় বললো, ও আসবে আর এসে আমাকে পেদাবে।

আর যদি একবার দেই

না জানি ..

ও এসে আমার কি হাল করে।

এটা কি রে?

লাল ইটা? খাবি?

ও তো ওই মেয়েরে নিয়ে কবিতা লেখে ফেসবুকে পোস্ট দিছিলো!

- তাই নাকি রে? - কি লেখেছিল রে?

গীতা!

বল ... বল!

বল না.... বল বল!

আরে! ওর হাত ধর।

গীতা, তোমার মনের দরজার চাবি দাও না আমায় আমি তো সেখানে ঢুকতে চাই!

ওই গাঞ্জুট্টিরা !

দোস্ত ....... !!!

দাড়া দাড়া!

উঠা ওরে !

ওই ছাড়! বয়স হইছে না এখন।

"বন্ধু তুমি শত্রু তুমি ... তুমি আমার জান!!"

ওই, কার অনুমতিতে তুই আমারে চুম্মা দিলি?

ঠিক আছে!

এখন যা! আগে ভালোবাসার বোনের সাথে দেখা কর। নইলে পিটাবে তোরে।

আমি তো কাউরে টগবগ করে ফুটতে দেখছি!

হ্যাঁ, হ্যাঁ!

তুই তো সেদিন বললি আমার সাথে এসে দেখা করবি!

ভাগিনী, দেখ তোর মামা এসে গেছে !

ভাগিনী?

ছেলে ও তো হতে পারে? নাকি ছেলে হলে মেনে নিবি না?

কোনো চান্স নাই! আমি মেয়ে চাই।

আমি ওর না ইনিয়েভাল রাখছি। আর এটাই ফাইনাল!

ঠিক আছে, বাবু!

দেখ, সেও রাজি!

ঠিক আছে, মেয়েই হবে যা। নে এবার মিষ্টি খা!

হাই, সাতিশ? কেমন আছিস?

এখন তো ঠিকই এসে ভালোভাবে কথা বলছিস।

এখন তো বিয়ে করেছিস আর বাচ্চা ও হয়ে গেছে।

আর আমি যখন এভাবে বলতাম, কেউ তো পাত্তাই দিতি না।

স্যার, আপনি চিন্তা করবেন না। ও খুব ভালো মেয়ে।

খুব খুব ভালো মেয়ে ও!

পরীক্ষার সময় তো, ও আমাদের সবাইকে কপি করতে দিতো।

তাই না রে?

হ্যাঁ, হ্যাঁ!

- সারাভানাম এখন কোথায় থাকে কেউ জানিস? - কোথায়?

এগুলা কেমন ছবি তোলার স্টাইল?

চেহারা দেখাই যায়না। আবার ডিম লাইট দিয়ে হালকা আলো জ্বালানো।

ভয়ংকর লাগে দেখতে!

আর এগুলা করেই নিজেরে নিজে তুই ফটোগ্রাফার বলিস!

ওই, সবাই চলে আসছে?

খাবার অর্ডার করতে হবে তো!

চারজন এখনও এসে পৌঁছায়নি।

তিনজনকে রাস্তা বলে দিছি।

তো, আরেকজন কি?

ওই?

চার নাম্বার জন আবার কে?

এরকম করছিস কেন?

কিরে !

হ্যালো!

ওই!

বল না!

ও এরকম করছে কেন রে?

জানু ............. !

"The fragrance of a flower is that a melody?"

"What blossoms in a young woman's heart is that a rhythm?"

"Heart's desires are like the varieties in flowers."

"A bird's song and it's vibes"

"Is the dawn's welcome."

'আমাদের কাছে জানু সে! যে শুধু গান গেতেই পছন্দ করতো,'

'তবে তার কাছে এটাই ছিল সব!'

'সে হয়তো গান গাইতো, নাহয় ওই গান নিয়েও আলোচনা করতো । '

'গানের খুঁটিনাটি নিয়ে!'

'যদিও আমরা কিছুই বুঝতাম না।'

ওই! দাড়া আমি আসতেছি।

' ভালো কথা, যখন জানু ওর মায়ের পেটে ছিল! '

'ওনারা ঠিক করেছিল বাচ্চাটার নাম কোনো বড় শিল্পীর নামে রাখবে।'

'ছেলে হলে এস.পি. বালাসুব্রামানিয়াম - আর মেয়ে হলে জানাকি দেবি!'

'আসলে এগুলো সবই গানের প্রতি তাদের ভালোবাসা থেকে করেছিল।'

'আর যেদিন থেকেই ও বুঝে যে ওর নাম জানাকি দেবি'

'সেদিন থেকে ও জানাকি দেবি ছাড়া আর কারও গান মুখে আনেনি'

'একমাত্র একটা ছাড়া!!!'

In all directions,

echoed the tamilian pride!!!

Hail!!! The Tamilian!!!

'এমনকি মাঝে মধ্যে ঘরে যখন রেডিও বাজতো!'

'মনে হতো ও যেন আমার পাশে গান গেয়ে যাচ্ছে।'

'আসলে ওর কণ্ঠটাই ছিল ওর চেহারা... যা বার বার আমার কাছে এসে ধরা দিতো।'

'আর শুধুমাত্র গানই না'

'আমি জানুর মায়ায় পড়ে যাই!'

'যদিও ও বিষয়টা জানতো।'

'আর স্কুলে আমার ৯০% উপস্থিতির মূল কারণ'

'সেই ছিল! সেই!'

'আমার কিন্ডারগার্ডেন থেকেই একসাথে পড়ে আসতেছি'

'সেদিন থেকে তার সব কথাই আমি বুঝে যেতাম!'

'আর সে শুধু আমাকেই কিছু করে দিতে বলতো'

'যখন আমার পরীক্ষার রেজাল্ট খারাপ হতো ...'

'যখন আমার মন ভালো থাকতোনা।'

'কেউ তা দেখতে না পেলেও, জানু তা লক্ষ্য করতো'

'বলতো কি হয়েছে আমার?'

'ব্যস এটাই ছিল আমার ঔষধ!'

'ঐ একটা শব্দতেই থাকতো ১০ টা হাতির শক্তি '

'হার্টবিট বেড়ে যেতো!!!'

'বন্ধুদের সাথে দুষ্টামি করার জন্য শক্তি দিতো'

'আসলে বলে বুঝাতে পারবো না জানু আমার জীবনে কি ছিল।'

'শুধু একমাত্র মন্দিরে যেতাম, ওর জন্যই। ওর জন্য পূজা করতে।'

'ঈশ্বর!'

'ওকে সবসময় আমার চোখে চোখে রেখো!'

- হেমালতা - প্রেজেন্ট মিস।

- জামশেক - প্রেজেন্ট মিস।

জানাকি

জানাকি দেবি

আসেনি মিস

- জয় গণেশ - প্রেজেন্ট মিস

- মুরালি - প্রেজেন্ট মিস

আজ আমারা কোষ বিদ্যা নিয়ে পড়বো।

তোকে এমন দেখাচ্ছে কেনো?

তোকেই জিজ্ঞেস করছি!

জানু আজ আসেনি

জানি না কেনো!

'শুক্রবার'

ওর হয়েছে কি?

আমি জানি না, মিস!

শুধু ক্লাসে থাকলেই প্রেজেন্ট হয়ে যাবে?

সারাদিন দিবাস্বপ্ন দেখা?

বসো।

আমি কি করলাম?

ডাক ওকে।

ওই! ওই ...

ওই ! শুভারে ডাক

তোর ভাই ডাকে তোকে।

কি?

জানু কোথায়?

জানি না আমি।

তোকে লাথি দেবো আমি।

লাথি দিবি? তো আমি ফুল ছিঁড়ে তোমার পূজো করবো?

তুই একমাত্র ওর সাথে সারাদিন থাকিস! জানিস না ওর খবর?

জানি না আমি। আর আমি কিভাবে জানবো?!

আমি তো তোর সাথেই থাকি সারাদিন, তাইনা?

আমি ওর বাড়ির ঠিকানাও জানি না।

ঠিক আছে, ক্লাসে মন দে।

সে ধরতে পারলে, জুতা মারবে।

হায়! ভগবান।

ও জানে জানু কোথায় থাকে।

কাভেরি সুপার মার্কেটের আশেপাশে কোথাও!

বাড়ির সামনে বোর্ডে 'সুকুমার' লেখা আছে নাকি!

এখানেই কোথাও?

ভাই! এবার চল যাই?

সন্ধ্যা হয়ে যাচ্ছে।

আরও দেরি করলে মা একদম মেরেই ফেলবে আমাকে।

যাই হোক, সে তো সোমবার আসবেই।

কি?

হুম

এতো দেরি কেনো?

স্পেশাল ক্লাস ছিল।

"Oh! Darling"

"I will never let you go!"

"Whatever happens I won't let my shyness go."

"It can rain nonstop."

'শনিবার'

'রবিবার'

'সোমবার'

ওই!!!

ভেতরে আয়!

ওই, জানু আসছে।

'আমি জানুকে ৪ থেকে ৫ দিন পর দেখছি.. আর সে ছিল অসুস্থ।'

'আমি যদি ওই সেই আমি থাকতাম '

'সবার আগে দৌড়ে গিয়ে আমিই ওর শরীরের অবস্থার কথা জিজ্ঞেস করতাম'

কি হয়েছে জানু?

'ওইদিন আমি আর নড়তে পারলাম না'

'কেউ যেন আমাকে বেঁধে রেখেছিল!'

ঠিক আছো তুমি?

'আমি ছাড়া সবাই ওকে এই প্রশ্নটিই করছিল'

যার যাত জায়গায় যাও।

'আমি দৌড়ে ওর কাছে গিয়ে ওর হাত ধরতে চেয়েছিলাম'

'বলতে চেয়েছিলাম এতোদিন আসোনি কেনো'

'আমি তোমাকে কতো মিস করেছি তুমি জানো'

'তবে আমি তা পারিনি'

তোমার তো অনেক জ্বর

স্কুলে আসলে কেনো?

'মিস আমি এখন ঠিক আছি'

তোমার বাসায় রেস্টে থাকা উচিৎ

- সুভা ওর খেয়াল রেখো। - ঠিক আছে ম্যাডাম।

সবাই বাড়ির কাজ নাও

তখন আমি বুঝতে ছিলাম না, আমি কি করবো'

'তবে এটা বুঝতে পারছিলাম যে '

'ওটাই ছিল আমাদের স্কুলের প্রথম ভালোবাসার কাহিনী!!'

'আমি বুঝতে ছিলাম না আমার সাথে কি হচ্ছে'

'তবে আমার মনে আনন্দের জোয়ারে ভেসে যাচ্ছিল'

'মন যেন খুশিতে নাচতেছিল!!!'

'মনে হচ্ছিল আমি যেন বড় হয়ে উঠেছি'

'এরপর থেকে আমি আর ওর সামনে আগের মতো আসতে পারতাম না'

'আমার খুব লজ্জা লাগতো'

'যখনই আমি ওকে দেখতাম আমি লুকিয়ে লুকিয়ে থাকতাম'

'তবে আমি সুভাকে না বলে আর থাকতে পারলাম না'

'এরপর থেকে সবই চলছিল ইশারা-ইঙ্গিতে'

'আমি ভেবেছিলাম কেউ তা বুঝতে পারবেনা'

'তবে সাতিশ কিভাবে যেন ধরে ফেললো! '

ওই, কবে থেকে এগুলো চলতেছে রে?

'সাতিশ যদি জেনে থাকে তবে আমি নিশ্চিত মুরালিও জেনে গেছে'

আমার থেকে লুকালি কেনো? কি?

মন যেখানেই থাক, পড়াশোনার যেন কোনো ক্ষতি না হয়।

Yভালো করে পড়তে হবে, বুঝলে?

আমাকে কিছু বলতে চাও?

ভয় পাচ্ছো?

ঠিক আছে, যাই এখন!

কি হল? কিছু বললো?

- কিছু বলেছিস? - না!

ক্লাসে এতো চিল্লাচিল্লি কেনো?

জানু, এদিকে আসো।

ওকে 'By the banks of the river Yamuna' গেতে বল।

জানু

'By the banks of the river Yamuna'টা ও গেতে বলেছে।

"I am a small girl, I am a flower."

"I am a lotus, I am a new honey bowl."

"I am jaggery, I am a silver chariot."

"I am a calf, I am the fresh rainy season."

আরে! আমি তো ওকে তোর কথা মতো বললামই।

ও তো তোকে .. 'By the banks of the river Yamuna'গাইতে বলেছিল।

আপু, ভাইয়া আমার জ্যামিতি বক্স নিয়ে গেছে। সে বললো আপনি ওই গান গেলেই আমি তা ফেরত পাবো।

আমি জানি না ওই গানে কি আছে।

ও তো তোকে অনেকবার এই কথা বলতে বললো।

গেলে হবেই বা কি?

জানু, একটা ফ্যান রিকুয়েস্ট আছে?

থালাপতি মুভির, 'By the banks of the river Yamuna'

দয়া করে গানটি গাও!

মিস্টার খবরদাতা

আপনার ওই ফ্যানকে গিয়ে বলুন 'রেডিও ইন্ডিয়ায়'

গান চালালেও, ফ্যানের সরাসরি অনুরোধ করতে হয়।

ঠিক আছে!

মুরালি!

গাইবে তো?

মহা দেখ এবার!

"The eyes that spill poetry, shut !"

"The feet sing a colourful song!"

"In Lord Kannan's chariot with desire!"

"Yearning drowns in blissful toddy!"

"In love"

"Inside the love nest"

"the love bird caresses!"

'এরপর আমি আরও অনেক ধরণের চেষ্টাই চালিয়ে গেছি'

'তবে সে ওই গান গায়নি'

'আমি গাধাই রয়ে গেলাম!'

- শুভ জন্মদিন - ধন্যবাদ।

চকলেট নে।

মন্দিরে গিয়েছিলি?

হুম, সকালেই।

তোর ভাই কোথায়?

দাড়া! দাড়া!

কোথা থেকে কিনেছিস? মহারাজা স্টোরস থেকে?

না কুরুঞ্জি স্টোর থেকে , বাবা পছন্দ করে কিনে দিয়েছে।

ঠিক আছে।

ঘোর এখন।

চকলেট নাও

আরও একটা নাও না

না, হবে এতে

মহিষের মতো বড় হয়েছো

একটাতে হবে কি করে?

আর একটা নাও

এই, ওকে ছাড়িস না। তাহলে আমাকে পেটাবে!!!

ধন্যবাদ

শুধু ধন্যবাদই?

আজকে কি?

আমাকে কিছু বলবেনা?

শুভ........ শুভ .....

শুভ কি?

শুভ দীপাবলি?

শুভ জন্মদিন

ধন্যবাদ।

এতো ঘামাচ্ছো কেনো? এখন তো আরা কিছু বলছিনা?

ছাড়!

ওই, আমার ভাই একজন খেলোয়াড় এজন্যই ও ঘামাচ্ছে!

তাই না রে?

কি হলো?

এই তোর হার্টবিট এতো দ্রুত হচ্ছে কেনো?

কি হয়েছে?

তুই হাত রেখেই দেখ না। ওই, ভাই!!

ধর! ধর ওকে!

তুই পানি নিয়ে আয়।

ওই, উঠ!

'সুভা বোঝেনি হঠাৎ কেন আমার এমন হল'

ধিক্কার তোর ওপর, মেয়ে ছোঁয়াতেই অজ্ঞান!

লজ্জা... লজ্জা ...... লজ্জা ....... ! ওঠ!

'জানু নিজেও বোঝেনি সে আমার কি করেছে'

'অনেকের জন্য ভালোবাসাটা! এতো সহজ কিছু না !!'

'কিন্তু আমি, কে. রামাচন্দ্রন- ক্লাস ১০'

'কোনো দ্বিধা-দ্বন্দ্ব ছাড়াই ওকে অনেক অনেক ভালোবাসি।'

'স্কেল দিয়ে সোজা দাগ টানার মতো'

'আমার চাহনি শুধু জানু পর্যন্তই ছিল'

'জানুর সাথে আমার বিয়ে হলে ওর নাম কি হবে জানিস?'

'জানাকি রামাচন্দ্রন'

জানু

'সবকিছুই ঠিকভাবেই চলছিল'

- না মিস, এরকম করবেন না। - এদিকে আয়।

না মিস মাফ করে দেন ...

নকল করার সাহস পেলি কোথায়?

ভুল হয়ে গেছে, মিস

মিস্টার রামাচন্দ্রন তো কালকে থেকে আমাদের ছুটি।

বুঝতে পারতেছি না! আমাকে না দেখে তুই মাস থাকবে কিভাবে?

- হেই জানি! জলদি আয়! - কিরে সুভা...

এখনও নাম ধরে ডাকিস?

এখন তো ভাবী বলেও ডাকতে পারিস!!!

হ্যাঁ, আমি জানি কি! আর এখন তুই আয়, আর সাইকেল বের কর।

জলদি।

ঠিক আছে, তবে গেলাম!

ভুলে যেও না আমাকে।

ছুটি কাটাও ভালো মতো।

জানু আসবে তুই জানিস কিভাবে?

এক সপ্তাহ আগে থেকে অনেকবার ফোন দিলাম ম্যাসেজ দিলাম ............

তবে কোনো রিপ্লাই দিলো না।

পরে বিরক্ত হয়ে আমিই আর ফোন দেয়নি।

তারপর?

হঠাৎ আজ সকালে সে ফোন দিয়ে বলে, সে আসছে।

- আমাকে তো একবারও বললি না। - আরে...

আমি যে তোদের বলতে চায়নি তা নয়।

সে সিঙ্গাপুর থেকে আসছে

ভাবলাম ও আসা পর্যন্ত তো অপেক্ষা করি

এদিক আয়।

দেখ বলদটারে... এখনও ক্লাস ১০ এর বাচ্চাদের মতো আচরণ করতেছে।

শুধু স্কুলের ড্রেসটা নাই!

এদিক আয়, নইলে তোর হাত মেরে ভেঙে গুঁড়ো করে দেবো।

আরে বাহ! কি সাধু তুই দোস্ত।

হেই, জানু এসে গেছে। জানু, কেমন আছিস তুই?

এটা নাও সবাইকে দিয়ে খাবে কিন্তু! ধন্যবাদ দাও।

ধন্যবাদ

এই, সুভা এসেছে আয় দেখা করবি।

কিরে ফাজিল?

সরি, একটু দেরি করে ফেললাম

ভগবানকে প্রণাম ... তাও এলি তো!

এটাই অনেক বড় প্রশান্তি

এসে গেছি! খুশি তো এবার?

কেমন আছিস?

ভালো!

- তুই কেমন আছিস? - আয়, বস।

ভালো আছি আমি।

কয় মাস চলে?

৭ মাস।

দ্বিতীয় বাচ্চা আমার।

আমি ভাবিও নাই, এরা এতো মানুষ আসবে।

সবাই মিলে এতো কিছু করেছিস?

কমবেশি সবাই মিলেই আর কি!

আর বলিস না।

আমিও না।

আমি ভেবেছিলাম এরা জাস্ট কথাই দিবে, আসবে না আর।

ভাগ্য ভালো, বেশি করে খাবার অর্ডার দেওয়া আছে।

সবাই এসে গেছে।

আর ও তো আমরা আসার পর থেকে আইস-ক্রিম খেতেই আছে।

ওই, ওকে জিজ্ঞেস কর তো কতোগুলা...

যা

আমি ভাবিও নি তুই আসবি!

ওই! মোটার বাচ্চা!

ওই, বাচ্চাদের মতো করছিস কেনো হঠাৎ? ব্যালুন নিয়ে খেলছে!

আয়।

তুই যা।

আয় না।

তুই যা।

জানু এসেছে এবার আয় না

তুই যা ..... তো যা

- আরে! আয় তো বাপ ... - তুই! ভাগ

আরে! আমি তো বুড়ো হচ্ছি তাইনা!

আর তুই ওই আগের মতোই আমাকে মারছিস?

এখান থেকে ভাগ নাহয় দুনিয়া থেকেই তোকে.....!

যা! শুয়ার..... !

ভাগ!

গেলো গরমে তো আমি সিঙ্গাপুর ছিলাম .. স্বামী আর ছেলের সাথে

আমি যদি জানতাম তুই সেখানে থাকিস তো অবশ্যই দেখা করতাম তোর সাথে।

তোর মেয়ের কোনো ছবি আছে?

দেখা ...

কিরে! ও কোথায়?

আমি ডাকতে গেলাম আমাকে মারতে আসলো। তুই ডেকে নিয়ে আয়, যা!

কি বলছিস! ..

কি হল?

হমমম ...

রাম এসেছে ...

লুকিয়ে আছে ওইদিকে

হেই, জানু!

- হাই - হাই!

কেমন আছিস জানু?

- আমি ভালো ! - তুই?

- হাই, জানু! - হাই!

আমার কথায় সাড়া দিচ্ছিস না যে।

সরি.... সরি

ভিতেশ্বরণ মন্দিরটা কেমন রে?

অনেক ভালো।

ম্যাম, রামাচন্দ্রনের নাম নিলেন না যে? রেজিস্টারে ওর নাম নেই তো।

মনে হয় ও অন্য গ্রুপে চলে গেছে।

টিফিনের সময় দেখো।

ও তো এখানেও নেই।

আমার মনে ও তোমাদের ক্লাসেই আছে।

কে. রামাচন্দ্রন-

ও তো ওর টিসি নিয়ে চলে গেছে।

জানো না?

টিসি?

এই, তোর না ভাই? তুইও কিচ্ছু জানিস না?

সত্যি, আমি কিছুই জানি না।

আমি আজকে সকালেই কুম্বাকোনাম থেকে ফিরলাম।

আমাদের বলা ছাড়াই? মাথায় আসছে না কিছু।

চিন্তার কিছু না। ছুটির পর ওর বাড়ির দিকে যাবো।

তখনই সব পরিষ্কার হয়ে যাবে।

ভাই!

ওখানে কি করছো তোমরা? তালা মারা তো।

রাম?

কি?

কৃষ্ণামূর্তি আঙ্কেল!

বাড়িতে কি কেউ নেই?

কৃষ্ণামূর্তি?

আমি কিভাবে বলবো!

আসল কথা ওর বাবার অনেক ঋণ ছিল ...

আর তার টাকা দিতে না পেরে সে বাড়ি বিক্রি করে দেয়।

এটা ওর দাদার তৈরি বাড়ি ছিল।

এজন্যই ওরা এটা কাউকে জানাতে চায়নি।

আর তাই একরাতের মাঝেই পুরো ফ্যামিলি চেন্নাইতে চলে গেছে।

কেউই কিচ্ছু জানে না।

আর কষ্টের কথা হল, ও আর ওর মা কেবল মাত্র .. যাওয়ার দিন রাতেই তা জানতে পারলো।

"..."

"Did he leave without saying anything?"

"Why..."

"Did he not close yesterday's chapter?"

"In the Grey skies..."

"I search for my clouds."

"The time is like a riddle,"

"My path is filled with tears."

"Far away it has gone..."

"The music of love."

"Every tear that drops,"

"Is my prayer in search."

"He left the town I heard"

"My eyes looked here and there."

"He left my very roots I realized"

"That truth caused mayhem within!"

"The music was over."

"Where is your silence?"

"The burden of tears are becoming my eternal companion."

"Tomorrow seems to burn."

"Where is my morning?"

"Wings are filled with rocks."

"Till I die on the ground."

রাম

হাই!

চিনেছো আমাকে?

জানু

কেমন আছো রাম?

আমি ভালো তুমি!?

অবিশ্বাস্য তাইনা?

যে এভাবে আমাদের আবার দেখা হবে।

২০ বছর হয়ে গেলো।

মানে, ২২ বছর।

তোমাকে একদম চিনতেই পারিনি।

যখন শেষ তোমাকে দেখেছিলাম

তোমার তো তখন মোচও ছিল না। এখন কি করছো রাম?

পর্যটক...

পর্যটন ফটোগ্রাফার

- কি হল? - ঠিক আছি আমি।

চুপ কর।

কিরে! আমার বাচ্চাটাকে ৫ মিনিটের জন্য তোর কাছে দিলাম

দেখ তুই কি করলি।

ধন্যবাদ।

কিছু লাগবে আর?

বস এখানে

- আগে পানি খা - খাচ্ছি!

ঠিক এখন?

সে কতদিন পর এলো, আর তুই এমন করলি?

আরে পিছলা খেয়ে পড়ে গেছি।

তোকে কিছু বলেছে? নাকি দেখেই ফিট...?

সরি

ও সিঙ্গাপুর থেকে এসেছে।

কিছু তো জিজ্ঞেস করতে পারতি?

বাচ্ছাদের মতো ব্যবহার না করে।

বিয়ে করেছে ওর মেয়ে আছে! কিছু জিজ্ঞেস করেছিস তাদের ব্যাপারে।

গরু একটা!

সবার খাওয়া শেষ?

তুই খেয়েছিস নাকি?

আসলে ফ্লাইটে তেমন কিছুই খাই না আমি।

তাই?

ওই হাতির বাচ্চা। যা তো দৌড়ে গিয়ে ওই গাছটা ছুঁয়ে আয় তো দেখি।

- যা! - কেনো?

ঠিক আছে।

হ্যালো, এটা কি দুবাই?

তাড়াতাড়ি চলে এলে আবার যাবি।

ঠিক আছে

কিরে, হলোটা কি?

এগুলো কিন্তু ঠিক না।

আরে আমার ভাবী... এটা কি আমার জন্য ঘুস নাকি ..

আমার স্বামীর বোন......... যান আসতে আসতে গিয়ে ওই গাছটি ছুঁয়ে আসেন।

যা

ধন্যবাদ

- তুমি খেয়েছো? - না, তুমি খাও!

ফোন

ওই, ফোন ধর।

স্যার, জ্বি স্যার, বলেন।

কিরে! এগুলো হচ্ছে কি? ওরা তো অন্যদিকে চলে যাচ্ছে।

হ্যাঁ স্যার

আমি তাই দেখছি স্যার।

মনে হচ্ছে স্কুল জীবনে ওরা যেখানে শেষ করেছে সেখান থেকে আবার শুরু করছে।

জ্বি স্যার, আমারও সেরকমই মনে হচ্ছে।

সমস্যা হবেনা তো আবার।

আমরা কি ভাবলাম আর কি হলো!

এরকম আর হবেনা স্যার... .

চিন্তা করবেন না আপনি।

খাও নি তো এখনও।

শেষ করো

ধন্যবাদ

- হেই! - হুম..

হচ্ছে কি ওইখানে!

আমি জানবো কিভাবে?

কিছু উল্টাপাল্টা হবে না তো?

- আমি তা ভাবছি না। - তো?

যদি ওরা এখানে কিছু করে

আর ওর স্বামী সিঙ্গাপুর থেকে যদি এগুলো কিছু জানে ..

আর আমরা দুই আয়োজক যদি ধরা খাই

তাহলে দেখবা কতো বড় বাঁশ যাবে!

চুপ কর!

যারা এখানে এসেছিস সবাইকে ধন্যবাদ

যারা আসেনি তাদের ব্যাপারে কিছুই বলার নেই।

জীবনের অনেক সুন্দর একটা সুযোগ ওরা মিস করেছে।

আবার না জানি কখন, কোথায়, কবে এরকম কিছু হবে।

অল সেইন্ট- ৯৬ এর ব্যাচের সকলের পক্ষ থেকে

আমি ষ্টেজে ডাকছি আমাদের সকলের প্রিয় জানুকে

এখানে এসে কিছু বলতে

আমাদের জানু!

সিংহী দয়ালু!

আমাদের সিঙ্গাপুরের, রানি!

থানজাভুরের পুতুল!

আমরা তো সবাই তোর গানের দিওয়ানা !

তুই যখন হাঁটিস তখন যেন .... !

জখন্তুই কথা বলিস তা যেন কবিতা হয়ে ওঠে!

জানু, কথা বল!

ওই, তুই চুপ কর!

আমি সত্যি অনেক খুশি

মনে হচ্ছে আমি আমার ওই বয়সে চলে এসেছি

আমি ভেবেছিলাম এখানে এসে সব কিছু পরিবর্তিত দেখবো।

তবে এখানে কিছুই পরিবর্তন হয়নি।

মনে চাচ্ছে আমি আবার ওই নীল আর সাদা স্কুলের জামা পড়ে..

তোদের সাথে স্কুল যাই।

ধন্যবাদ।

জানু!

যাওয়ার আগে একটা গান গেয়ে যা।

মাত্র আইসক্রিম খেলাম।

ঠিক আছে। জাস্ট গা, প্রাইজের জন্য তো আর কেউ গাইতে বলে নাই।

ওই মুরালি

'By the Banks of the river Yamuna..' গাইতে বল ওরে!

আমি?

প্লিজ... প্লিজ.....!

'By the Banks of the river Yamuna.. গাইতে বল।

"Without anyone saying anything Flowers still emit fragrance."

"Without any bond Two hearts are speaking."

"Without anyone saying anything The bird's song oozes honey."

"Without anything The heart tastes, as sweet as ever!"

"The water cascades through And the world moves similarly."

"Everything runs by Similarly time passes by."

"What doesn't stay still Are the colours of the mind!"

এই, টিস্যু হবে?

এই নে

এদিকে তাকা।

আমাদের দারোয়ান কোথায়?

আমাদের দারোয়ানকে দেখেছিস?

সিঙ্গাপুর থেকে আবার কবে ফিরবি?

সময় লাগবে।

- সেখানেই থেকে যাবি? - না না!

তুই জানিস এখানে অনুষ্ঠান করার অনুমতি পাওয়া কতো ঝামেলার?

অনেক খরচা!

এই চাইনিজ বাল্বগুলোর অনেক দাম একমাত্র চাইনাতেই এগুলো পাওয়া যায়।

আর এগুলো ...

মাথা ব্যথা করছে।

কফি খাওয়াবি যাওয়ার সময়।

চল উঠি, গাড়ি এসে গেছে।

চল

কতো থাকবি?

থাকবো? কাল সকালেই ফ্লাইট আবার।

এতো তাড়া?

শেষ মুহূর্তে টিকিটও পাচ্ছিলাম না

কানেক্টিং ফ্লাইটের টিকিট পেয়েছিলাম।

ত্রিচি যেতে হবে আগে।

৪/৫ দিনের জন্য আসতে পারতি!

আমার এখন তাই মনে হচ্ছে!

তাহলে কি থেকে যা।

মেয়ে রেখে এসেছি.. আমাকে ছেড়ে ও থাকতে পারবেনা।

- নাম কি ওর? - মিরা।

দেখ

কই! দেখা

সুন্দর তো

আমাকেও দেখা

সেখানেই তোলা?

মরার আগে একবার হলেও আমি ওই যায়গাগুলোতে ঘুরতে যাবো।

হুম নাও.

হেই জানু! ও তোর সামনেই তোর মেয়েকে ভালো করে দেখে নিচ্ছে

আমার মতো দেখতে না?

সবাই সেরকমই বলে।

এজন্যই তোমার ,

সঠিক সময়ে বিয়ে করে ফেলা উচিৎ ছিল।

এজন্যই তুমি বাবা এখনও স্কুলের মেয়েই খুঁজে যাচ্ছো!

ও এখনও বিয়ে করেনি?

না

কে কারও মেয়ে ওর হাতে দিবে!

এখনও বিয়ে করোনি কেনো?

মানে ...

হল কি ...

বাবা আমার জন্য মেয়ে দেখেছিল।

ওই রাম, গাড়ি বের কর যা আমরা আসছি।

ঠিক আছে!

কফি শেষ করো, আমি গাড়িতেই আছি।

কফি শেষ?

মাথা ব্যথা শেষ?

তাহলে এবার উঠ।

দেরি হচ্ছে কিন্তু!

আয়

আমি কি বললাম?

সমস্যা কোথায় ওর?

হেই!

- সবাই এখন ওর পক্ষ নিচ্ছিস! - না না ঝামেলা পেকে যাবে।

আমি তোদের সবাইকেই জিজ্ঞেস করলাম।

একজন একজন করে উঠে সবাই চলে যাচ্ছিস!

তুইও ওর কথা মতোই চলিস, তাইনা ?

- বাবা ..... - বাবা কি?

সাতিশ, আমি তোকেই জিজ্ঞেস করছি।

সে এখনও বিয়ে করেনি কেনো?

তুই তো ওদের সাথে যাচ্ছিস।

আগে ওকে নামিয়ে দিয়ে পরে তুই নিজের নামবি।

কি দেখছিস?

এতো ভাবার কিছুই নাই।

আয়!

'বিরতি'

হেই! কোন রাস্তা ধরলি?

আগে জানুকে নামিয়ে দিবি না?

না, আগে তোকে নামাবো।

- হেই! তাহলে তো অনেক দেরি হবে। - না, কে বললো তোকে! ওটাই তাড়াতাড়ি হবে।

হুম!আদিয়ার ভালাসারাক্কামের কাছেই!

সেইন্ট থমাস পাহাড় থেকে দূরে, তাইনা?

গর্দভ!

গুগল ম্যাপ দেখে তোকে বলবো।

না দরকার নাই।

যে রাস্তা সে নেয়, সেটা গুগল ম্যাপে পাওয়া যায়না।

কিরে! এরকম সিরিয়াস কথায় হাসছিস কেনো!

না আমিও সিরিয়াস।

সাবধানে।

ঠিক আছে, আয়।

তোকে সাবধান করছি! ওকে নামিয়ে দিয়েই সোজা বাড়ি চলে যাবি।

- বুঝলি? - উল্টাপাল্টা কিছু ভাবা লাগবেনা তোর।

নামিয়ে দেওয়ার আগে সামান্য কিছু বলবো আর কি।

আমি চিনিস না তুই?

যা ভাগ!

তুই আর তোর ওই সাদা সাদা দাঁত! যা ভাগ তো।

গেলাম

দেখা হবেনে

সাবধানে

বাচ্চা হলে জানাবোনে

যোগাযোগ রাখিস!

ঠিক আছে।

- বায়! যত্ন নিস। - বায়! হেই!!

তোরে মেরেই ফেলবো, কুত্তা কোথাকার!!!

তো সুভা না থাকলেই আমার সাথে কথা বলতে ভালো লাগে?

রাম

এখনও বিয়ে কেনো করোনি?

এতো তাড়া কিসের? ধীরে সুস্থে ...

রাম

আমি সিরিয়াসলি বলছি কিন্তু..... এখনও বিয়ে কেনো করোনি।

Let's say no one came forward.

কেউই বিয়ে করতে এগিয়ে আসেনি।

যদি এর কারণ আমি হয় তো ঠিক আছে।

তাও বলো, আমি জানতে চাই।

বলো আমায় কেনো এখনও তুমি বিয়ে করোনি?

রাম

বলবে নাকি না?

জানু, হোটেলে এসে গেছি।

রাম, এখনই চলে যাবে?

না ... না ...

সুভা তো বললো...

আমার সাথেও মোটেও কথা বলতে মন চায়না?

না....না . তেমন কিছু না!

আমি সকালে তোমাকে পিক করে এয়ারপোর্ট দিয়ে আসবো।

নাম্বার নাও আমার।

জানু, আমি ইচ্ছে করে না ...

"Beautiful memories are becoming bitter."

"Won't my distances ever vanish?"

"Yearnings of my soul are tearing me apart!"

"Won't the past ever return?"

"Looking and yet not looking"

"Will my heart, forever live like that?"

"The cowardice of words are like..."

"The harp without a melody."

"Beautiful memories are becoming bitter."

"Won't my distances ever vanish?"

"Within the principles of love..."

"The rules are changing..."

"Emotions are taking over!!!"

"My burdens are disappearing into thin air."

"The destination seems to have a hundred paths..."

"To become one with you!!!"

"Shall I bask as the moon of your love?"

"To be cheated in the break of dawn?"

"In this glorious night, come and live..."

"Hoping the dawn that breaks is ours my love!!!"

কি হলো জানু?

রাম ...

তুমি কি চলে গেছো?

কিছু লাগবে জানু?

না, কোথায় তুমি?

জানু?

বেশি দূরে চলে গিয়েছো?

বেশি দূরে চলে গিয়েছো, রাম?

যেখানে তোমাকে নামিয়ে দিয়েছি, ঠিক সেখানেই আছি!!!

তোমার সাথে কথা বলার আমার ইচ্ছেটা কি ভুল?

সরি

২২ বছর!!!...

হেই !

ধন্যবাদ

জানু ...

বলো এবার কোথায় যাবে?

- হ্যাঁ সুভা? - কোথায় তুই?

- গুইন্দির কাছে। - ওকে নামিয়ে দিয়েছিস?

হ্যাঁ, এখন বাড়ির দিকে যাচ্ছি।

ও তোকে কিছু বলেছে?

না, ওই বাবা-মার কথা জিজ্ঞেস করছিল!

হোটেলে চলে গেলাম। ব্যস আমি আমার পথ ধরলাম।

ওহ! ঠিক আছে।

ওকে! তোর এতো চিন্তা করা লাগবেনা। তুই ঘুমা।

সকালে ফোন দিবো।

হ্যালো।

কোথায়?

আমি! রুমে .....

সকালে ফ্লাইট কয়টায়?

৫.৫০ এ!

আগে ত্রিচি যাবি, পরে তো ফ্লাইট নাকি?

হ্যাঁ এখান থেকে ত্রিচি পরে সেখান থেকে সিঙ্গাপুর।

ওকে, যাওয়ার পর ফোন দিস।

- অন্তত ম্যাসেজ দিস। - ওকে! ঠিক আছে।

আচ্ছা! বায়।

হুম! এখন বলো কোথায় যাবো?

যেখানে খুশি!

যে কোথাও...?

আমি আসলে জানিনা! তুমিই বলো না।

আমাকে জিজ্ঞেস করছো কেনো?

আমি কিভাবে জানি? যেখানে খুশি।

সত্যি বলতে বুঝতে পারছিনা।

তুমিই বলো কোথায় যাওয়া যায়।

স্যালুনে যাই?

স্যালুন?

নেসাপাকাম মার্কেটের ভেতর দিয়ে গেলে বাম দিকে মোড় নেবে

এরপর এর অন্য একটা রাস্তা বের হবে।

সেখান থেকে ডানে যাবে।

চুপ করো।

নাহলে আমি যা বলছি তা বুঝবে কেমন করে?

তো, যখন ডানে যাবে সেখান থেকে আবার ডানে যাবে

তারপর একটা কর্পোরেশন ব্যাংক দেখতে পারবে।

ওই রোডেই তিন নাম্বার রোডে।

যদি তুমি কলিং বেল দাও

এক সুন্দর মহিলা দরজাটা খুলবে।

সেটাই বাড়ির মালিকের স্ত্রী।

হ্যাঁ!

ওহ! পানি?

লাল হবে লাল!

নেশাপাকামের পানি এমনই হয়!

যদি একদম পরিষ্কার পরিচ্ছন্নও পানি চাও তবে

তো কে কে নগর বা ভালাসারাওয়াক্কামের যাও!

- অন্য কোথাও চুল কাটাও? - না!

ওকে! পরে কথা বলছি। একটা জরুরী বিষয় হ্যান্ডেল করতে হবে।

- অনেক আগে থেকেই ওকে চিনি আমি। - পরে কথা বলি!

অনেক আগে থেকে?

এভাবে বলে কেউ!

এভাবে বলতে পারলি না, আমাকে চিনিস তুই!

যখন ওর দাড়ি-গোঁফ হয়নাই!

ওর বাবা ওকে নিয়ে আসতো আমার কাছে।

তখন বলতো ছোট করে দেন একদম।

আর ও বলতো বড় রাখেন

যখন মাদ্রাজে ও নতুন

ও যখন থানজাভুরের বাস দেখতো

সে এখানে সে বসে থাকতো।

ভাই!

পাগলা একটা!

ওকে! তো কিভাবে কেটে দিবো চুল?

রজনী নাকি কমলের মতো করে?

বিজয়, অজিথ বা সুরিয়া?

এজন্যই আমি জিজ্ঞেস করে নিচ্ছি!

আঙ্কেল, ক্লাস ১০ এ যেমন ছিল! সেভাবে কাঁটা যাবে?

মরেই যাবো।

কোন বছর?

৯৪

ওহ! ঠিক আছে।

৯৪?

দাড়ি ফেলাতেই হবে?

কোথায় আসছো?

বসো আর মজা দেখো।

- বসো তুমি। - তুই এদিকে ফের।

দেখবি তোর অর্ধেক ওজনই কমে গেছে।

চোখ বন্ধ করিস না/

ওকে?

ডবল ওকে!

ওকে! এবার তুমি বসো। তোমাকেও একটু সাইজ করে দেই।

না না! আমার দরকার নেই।

ঠিক আছে, তো এবার বের হও। দকান বন্ধ করতে হবে।

ওকে যাও! আমি আসছি।

- সে কে জানো? - আমার মাথায় সে জ্ঞান আছে।

সবকিছুই বুঝি।

- কি বুঝলে? - বুঝলাম।

সেটাই তো, কি বুঝলে?

যাই এবার?

শার্ট খোলো।

ভেতরে তো টি-শার্ট আছেই।

হাতা আছে তো?

তো খোলো শার্ট।

না.... মানে!...

এই, খোলো তো!

দেখো কেমন লাগছে!

তুমি তোমার দাড়ি আর পুরানো শার্ট!

কি?

কি হল জানু?

এই ! এই! এই!

কি?!!!

হেই! হেই! জানু।

কি করছো?

রাম

তুমি কি ভার্জিন?

মানে তুমি কি এখনও ভার্জিন?

ইয়াক! এটাও কোনো প্রশ্ন?

সত্যি?

সিঙ্গাপুর যাওয়ার পর তুমি নষ্ট হয়ে গেছো...

- এখন যাওয়া যাক। - সেটা পরে!

আগে আমার প্রশ্নের উত্তর দাও।

দেরি হচ্ছে, আগে এখান থেকে চলো তো।

-বলবে নাকি না? - আরে! আরে! আরে!

ছিঁড়ে যাবে তো!

তো আগে উত্তর দাও!

কি মনে করেছো আমার সব প্রশ্নের উত্তর এভাবে এড়িয়ে যাবে?

এখন কি জানতে চাও?

যাই হোক ...

যাই হোক! আগে গাড়িতে চলো।

দয়া করে জানু!

চলো!

আসো! দাড়াও এখানে।

এখন বলো।

ওকে! বলছি ....

কসম করে বলো সত্যি বলবে।

জানু, কসম কাঁটা ভালো না।

মিথ্যুক!

আমি কি জানি না তোমার ব্যাপারে?

তুমি যেকোনো একটা গল্প পাকাবা আমি জানি!

আমার কসম করে বলো!

ওকে! বলো এবার।

হ্যাঁ, জানু! আমি ভার্জিন!

আরে! ব্যস!

তুমি জোর করলে তাই বললাম! এবার বাদ দাও

কিন্তু কেনো?

কারণ বাবা হনুমানের আকছে শপথ করেছি আমি!

মানে কি?

আরকি চাও এখন ...

ওহ! খুব লাগছে তাইনা?

আরে গাধা! তোমার বয়স কতো হচ্ছে তার আন্দাজ আছে?

প্লিজ বাদ দাও এই বিষয়! আমার এখন বেশ লজ্জা লাগছে।

ওকে, বাদ দিলাম।

এতো দিনে তুমি কি কারও প্রেমেই পরোনি?

তা ঠিক করে বলতে পারবো না।

এরকম কিছু আন্দাজ করেছিলাম।

এখন ধীরে ধীরে সব সত্য বের হয়ে আসবে।

মানে?

মেয়েরা তোমার মতো ছেলেদেরই পছন্দ করে।

তো তারা কিভাবে তোমার সাথী হতে পারলো না?

- আমার মতো মানে? - হুম!

আমার মতো ছেলে মানে?

আরে! তুমি স্মার্ট! যুগের সাথে যাও। সেটাই বললাম।

কেনো? আগে কেউ কখনও বলেনি?

ওকে! হাসা থামাও এবার। মূল কাহিনীতে আসো।

- চারু নামে একটা মেয়ে ছিল। - পুরো নাম?

চারুমতি

কলেজে আমার জুনিয়র ছিল।

ভালো মেয়ে, দেখতেও বেশ!

কলেজে থাকাকালীন আমি কিছুই জানতাম ওর মনের কথা।

কলেজ শেষে ও একদিন আমার বাসায় ফোন দিলো।

আমার সাথে নাকি কথা বলতে চায়।

সে বললো, তার বাবা-মা নাকি ওর জন্য পাত্র খুঁজছে!

আমি ওকে অভিবাদন জানালাম।

সে রেগে গেলো।

তারপরে রাগেই বললো, ওর ব্যাপারে আমার কোনো ইন্টেরেস্ট আছে কি-না!

তাহলে সে তার বাবা-মার সাথে আমার জন্য কথা বলবে।

তুমি কি বললে?

কি আর?

আমি কিছুই বুঝলাম না ..

তো, পরে কি বললে?

আমার কাছ থেকে কি আশা করো?

তাকে বললাম আমার চাকরি নেই, টাকা-পয়সা নেই!

- তারপর? তারপর? - সে ভেঙে পড়লো। আমার হাতে কোনো কিছু করার মতোও ছিল না!

তারপরে আমি সত্যি কথা বলে দিলাম।

কি বললে?

আমি তোমার কথা বললাম।

সে কিছুক্ষণ চুপচাপ ছিল।

তারপর একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে চলে গেলো।

তিন মাস পর সে তার বিয়ের দাওয়াত দিলো আমাকে।

আমাকে ফোন করেই জানালো।

সে বললো, যা হয়েছে ভুলে যাও! আর বিয়েতে আসো।

আমার জন্য নাকি সে অপেক্ষা করবে।

গিয়েছিলে?

যত যাই হোক! সে আমাকে পছন্দ করতো।

ঝুব বিব্রতকর একটা পরিস্থিতি।

আমি চাইনি বিয়েতে কিছু হোক।

তাই, যাইনি আর।

তারপর!

না বলে চলে গিয়েছিলে কেনো?

আমাকে দেখতে আসোনি কেনো?

আমি কিছুই বুঝিনি তখন!

কাউকে জিজ্ঞেস ও করতে পারিনি তখন।

আর না পারছিলাম তোমাকে ভুলতে।

পড়ালেখা একপ্রকারে ছেড়েই দিয়েছিলাম।

তবে মজার কথা তাও ১২ ক্লাসে পাস করেছিলাম।

তবে ভয় পেলাম বাবা-মা না বিয়ে দিয়ে দেয়।

তাই, ডিগ্রীটা ভালো করেই শেষ করলাম।

এরপরে যখনই আমি আমাদের কোনো স্কুল ফ্রেন্ডের সাথে দেখা হতো

আমি অপেক্ষা করতাম

ভাবতাম তোমার সম্পর্কে কিছু বলবে কি-না!

যদি কখনও তোমার মতো কাউকে দেখেছি, তাকে ফলো করতাম।

মনে করতাম এটা মনে হয় তুমিই হবে। তবে ভুল হতাম সবসময়!

এর ফাঁকে.

আমার বোন ভেগে বিয়ে করে ফেললো।

এর দুই মাস পর আমার বিয়েও ঠিক হয়ে গেলো।

আমার জন্যেই আর কি!

আর এই কারণে আমি তাদের কিছু বলতেও পারছিলাম না।

যদি বলতামও! কি বলতাম তাদের?

যে আমি ক্লাস ১০-এ থাকতে একজনকে ভালোবাসতাম।

তবে এখন জানিনা সে কোথায় আছে?

এমনকি আমার বিয়ের দিনও ...

আমি ভেবেছি তুমি আসবে।

এখন যদিও কথাগুলো তোমার কাছে গল্প মনে হতে পারে।

যখন বিয়ের কন্যা সেজে পিঁড়িতে বসলাম।

আমি তোমার উপস্থিতি অনুভব করেছি

আমি মনে করতাম মুভির মতো কিছু হবে।

তুমি এসে বিয়ে থামিয়ে দিবে।

আর আমাকে নিয়ে যাবে।

আমি এই আশাই করেছিলাম।

তবে সেরকম কিছুই হয়নি।

শুধু বিয়েটাই হয়ে গেলো।

এরপর আমি একদম ভেঙে পড়ি।

তাই এখন পর্যন্ত ...

যখনই মন খারাপ হয় ...

সেটা শুধুই তোমার জন্য...

রামাচন্দ্রনের জন্য।

কি হলো?

স্যার

দেরি হয়ে যাচ্ছে.. আমার গেট বন্ধ করতে হবে।

গাড়ি বাইরে নিলে গেট বন্ধ করতে পারতাম।

বসো

সরি রাম

এসব কথা আমি তোমাকে বলতে চাচ্ছিলাম

সুযোগের অপেক্ষায় ছিলাম শুধু।

আর কার সাথেই বা এসব কথা শেয়ার করতে পারতাম ?

এজন্যই আজ সব বলে দিলাম।

প্লিজ নিজেকে অপরাধী ভেবোনা।

ওকে?

না ...

তবে আমি কিন্তু তোমার কলেজে এসেছিলাম ...

খবর পাঠিয়েছিলাম আমি তোমার সাথে কথা বলতে চাই।

তুমি কি তা জানতে না?

কখন এসেছিলে?

মিথ্যে বলো না রাম!

আমি এসেছিলাম, জানু।

রাম, বোকা বানিয়ো না আমাকে।

সত্যি এসেছিলে?

একটু দাঁড়াবেন।

ওকে জিজ্ঞেস করি!

কম্পিউটার সাইন্সে দ্বিতীয় বর্ষে পড়ে, জানাকি দেবিকে একটু ডেকে দিতে পারবেন?

আমি একটু ওর সাথে কথা বলতে চাই!

ভালোবাসার কিছু?

না বোন! তেমন কিছু না।

তারা স্কুল থেকেই একে অপরকে ভালোবেসে আসছে।

তবে মাঝে একটু সমস্যা হয়েছে ...

এটা মহিলা কলেজ তো, নাহয় আমরা নিজেরাই যেতাম।

আমারা মাদ্রাজ থেকে এসেছি।

জাস্ট একটু কথা বলতে।

এতো দূর থেকে এসেছি। সো, দয়া করে যদি একটু কাজটা করে দিতেন।

হ্যাঁ!

আমরা সবাই একই ক্লাসে পড়তাম।

ওহ! খারাপ লাগলো শুনে।

আচ্ছা সাহায্য নাহয় করবো

তবে কোনো সমস্যা হবে না তো?

কিছুই হবেনা আপু!

আমরা শুধু ওকে একবার দেখে কথা বলেই চলে যাবো।

প্লিজ!

তার নাম জানো কি বললেন?

জানাকি

ওয়েট!

- ওকে চিনেন আপনি? - না!

ওই! ওর বাবার নামও লিখে দে ...

হয়তো দুটো জানাকি দেবিও থাকতে পারে এখানে

আচ্ছা, আপনার নাম জানো কি?

কে. রামাচন্দ্রন।

এই, কোথায় যাচ্ছিস?

জানাকি দেবি?

হুম, আমি

নামটা...

বাহিরে একটা ছেলে তোমার জন্য অপেক্ষা করছে

কি? প্রেম পত্র আদান-প্রদান করো?

কলেজে এজন্য আসো?

পড়ালেখা করতে মন না চাইলে আমাকে বলো।

আমি তোমাকে প্রিন্সিপালের কাছে নিয়ে যাচ্ছি।

টিসি নিয়ে দেবো।

হেই! এরপর যদি এভাবে প্রেমপত্র নিয়ে আসো ...

তবে তোমাকে এক থাপ্পড় লাগাবো।

সে আপনাকে সেখান থেকে দেখতেছিল! তারপর আমাকে বকলো।

জানি না কি সমস্যা!

হতে পারে ...

আচ্ছা আপনি ওনার সাথে সরাসরি কথা বলেন।

মনে হয়, তবেই ভালো হবে।

আর একটা সাহায্য করবে আমার?

বলে দিও ওকে আর জ্বালাবো না আমি।

- চল! - কিরে!

তাড়াহুড়ো করছিস কেনো?

ওকে আসতে দে, সরাসরি একবার কথা বলি।

দরকার নেই।

এই তিন বছরে অনেক কিছুই ঘটে গেছে হয়তো।

আমরা যা করতে পারি তা হল, ওকে আর না জ্বালাতন না করা।

এই, এজন্যই এতো দূর থেকে আমরা এসেছি।

আচ্ছা, আপনার নাম তো জিজ্ঞেস করা হল না?

বাসন্তি।

ধন্যবাদ

ওঠ!

স্যার, এদিক দিয়ে আসুন।

- কতো নাম্বার রুম? - ৩১৮, তিন নম্বর ফ্লোর।

ভেতরে এসো না।

না... না ..... না .... আমি বাহিরেই আছি!

- জানু, তুমি ঠিক আছো? - রাম, আমি সত্যি তোমায় ওইদিন দেখিনি। আমি তোমাকে ....... দেখিনি!

ওকে..... ওকে .......

সত্যি করে বলছি তোমায় আমি দেখিনি।

একবারের জন্যও না!

তোমাকে দেখিনি

একবারের জন্য না ..

একবারের জন্যও না ...

- জানাকি দেবি? - হুম, আমি!

উমম! তার নাম হচ্ছে ... ?

একটা ছেলে আপনার জন্য বাহিরে .....

তুমি কে? প্রেমপত্র আদান-প্রদানকারী?

কলেজে এজন্য আসো?

এরপর কখনও এরকম কিছু করতে দেখলে

টেনে এক চড় লাগাবো বেয়াদব!

আমরা যদি একসাথে থাকার জন্য না জন্মে থাকি ...

তাহলে কেনো..

আর তোমাকে দেখো

আমার জন্য তুমি এখানে এসেছিলে ...

প্রথমত আমি কিভাবে বিশ্বাস করলাম যে

তুমি আমাকে ঘৃণা করো?

আমার জন্যই এতো কিছু হয়েছে।

আমি তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে সব নষ্ট করে ফেলেছি।

ওইদিন যদি মেয়েটা শুধু তোমার নামটা একবার নিতো ...

আজ সবকিছু অন্য রকম থাকতো!

এটা আমার কপালে ছিল!

এখন এসব সত্য জেনে হবে কি?

আমরা যা ভেবেছিলাম তাই সত্য ধরে নেই।

তুমি তো আমার কথা ভেবেছিলে আমি কখনও ভাবিনি যে তুমি আবার আসবে।

আর এগুলোই আমাকে কুড়েকুড়ে খাচ্ছিলো!

যখন তুমি আমার সাথেই থাকতে তবে কিছু কেনো বলতে না তখন?

আর তিন বছর পর কেনো.?

আসলে, আমি প্রতিদিনই ভাবতাম।

তবে কি যেন আমাকে বাধা দিচ্ছিলো ।

মনে করতাম আমি জানুর মতো ফর্শা না।

ওর মতো গাইতে পারিনা।

এসব ভাবতাম মনে মনে।

তবে ওইদিন কি যেন হলো!

মনে হচ্ছিল তোমার সাথে কথা না হলে মরে যাবো।

ওইদিন মনে কেমন যেন একটা সাহস এসেছিল।

অনেক দূর থেকে তোমার কলেজের সামনে গিয়েছিলাম তোমার জন্য।

তোমাকে বলতে চেয়েছিলাম।

আমি ওই কলেজে পড়তাম তুমি জানতে কিভাবে?

এটা আবার কেমন প্রশ্ন?

জেনে গিয়েছিলাম।

কিভাবে ?

তুমি তো মাদ্রাজে থাকতে।

আমার অনেক লোক ছিল এখানে।

তোমার খবর নিয়ে আমি আসতাম।

তোমাকে দেখতে মন চাইলে আমি থানজভুর আসতাম।

কলেজ থেকে বাসা পর্যন্ত ফলো করতাম।

আর যদি কাছাকাছি এসে পড়তাম তখন কোথাও লুকিয়ে পড়তাম।

তবে ওইদিন কি যেন হল।

আমি সামনে আসলাম তবে তুমি দেখলে অন্য কাউকে।

এ ছাড়া বাকি সবকিছুই তো জানি আমি।

কি জানো? বলো তো শুনি!

দেখি কিছু ভুল বলো নাকি...

ক্লাস ১০- এ পেয়েছিলে ৮৩৬ নাম্বার ক্লাস ১২- এ পেয়েছিলে ৯৯০।

তুমি জন্মদিনের ড্রেস একমাত্র আমার জন্মদিনের দিনেই পড়তে।

ঈশ্বর মুরুগা তোমার প্রিয় ঠাকুর!

আমি শহর ছাড়ার পর তুমি জ্ঞান গাওয়া ছেড়ে দিয়েছিলে।

তুমি তামিল সাহিত্য নিয়ে পড়তে চেয়েছিলে

তবে তোমার বাবা তোমাকে কম্পিউটার সাইন্সে ভর্তি করে দেয়।

এর জন্য তুমি রাগে দুদিন কিছুই খাওনি।

যদিও তোমার বাবা কিছু জানতো না।

মানে তোমার বাবা না জানলেও আমিই সব জানতাম।

৯৮ তে তোমার টাইফয়েড হয়।

২০০০ এ জন্ডিস

দুটোই তোমার পরীক্ষার সময় হয়।

মনে পড়ে যখন তুমি কলেজে পড়তে চুল কোঁকড়ানো এক ছেলে

তোমাকে ডিস্টার্ব করতো?

একদিন সে মার খেলো?

হাসপাতালে ভর্তি ছিল সে মার খেয়ে .. পুলিশি কেস ও হয়েছিল?

আমি ওকে মেরেছিলাম।

না শুধুই মেরেছিলাম।

এছাড়াও সে সময় আরও তিনটে ছেলে তোমার পছন্দ করতো।

তারপর কলেজের বিদায়ের দিন

প্রথমবারের মতো তুমি শারি পড়ে এসেছিলে।

গাঢ় নীল রঙের।

তুমি ভয় পেয়েছিলে যে শাড়ি না খুলে যায়

অন্যদিকে তুমি তা ঠিক করার চেষ্টাও চালাচ্ছিলে।

সবাই তোমাকে দেখছিল।

জানো তখন তোমাকে কেমন দেখচ্ছিল ...

আবার করো তো

এরপর শাড়িতে তোমাকে শেষ দেখি তোমার বিয়েতে।

গাঢ় রক্তবেগুনী রঙের।

তুমি যেরকমটা ভেবেছিলে জানু! হ্যাঁ, আমি তোমার বিয়েতে এসেছিলাম!

ভিড়ের মাঝে এক কোণে দাড়িয়ে ছিলাম।

তবে সবটুক দেখতে পারিনি

সহ্য না করতে পেরে যতদূর পেরেছি চলে এসেছি।

বিয়ের হল, চিল্লাপাল্লা!

কফি?

-আসুন - হ্যালো, স্যার!

সরি স্যার, বেশি দেরি করে ফেললাম?

না, দেরি করো নি। ঠিক আছে।

- স্যার বানিয়ে দেবো? - না না আমি করছি।

-ওকে স্যার - ধন্যবাদ

ওকে জানু, আমি গেলাম।

খেয়ে একটু ঘুমিয়ে নাও

৩.৩০ এ আসবো আমি। রেডি হয়ে নেমে পড়ো তখন

আমি তোমাকে কিছু বলতে চাই, এদিকে আসো।

না.. না ... যাই বলো। সেখান থেকেই বলো।

গাধা, এদিকে আসো।

তোমার এই বোকামার্কা চেহারাটা আবার দেখতে আমার ২২টা বছর সময় লেগে গেলো।

তাও, শুধু একটা রাতের জন্যই।

আমি অবশ্যই ঈশ্বরকে ধন্যবাদ জানাই।

কালকেই পূজা করবো।

আজকে আর আমাকে ঘুমাতে বলো না।

আমি তোমার সাথে থাকতে চাই।

আমি তোমার সাথে কথা বলতে চাই।

ব্যস এটাই!

ওকে

কি?

"Yearnings take shape and touch me..."

"Burning the beauty..."

"Cradling me like a mother!"

"The language of the eyes, follow a path which leads to the story."

"Yearnings take shape and touch me..."

"Burning the beauty..."

"Cradling me like a mother!"

"The language of the eyes,"

"and the language of the lips form a never ending story."

"Won't time become a horse at night?"

"Same dream! Same question!"

"Won't the skies caress and embrace and dance?"

"The same moon, is coming closer."

"Yearnings take shape and touch me..."

"Burning the beauty..."

"Cradling me like a mother!"

"The language of the eyes,"

"and the language of the lips form a never ending story."

"Am I the fire that gets wet?"

"Are you the raining moon?"

"Will I be extinguished?"

"Am I the waning musical note?"

"Is love just a never ending dream?"

"Is the never ending journey not enough?"

"Is time a question alone?"

"That is enough."

"My heart melts in longing to come closer to you."

"Yearnings take shape and touch me..."

"Burning the beauty..."

"Cradling me like a mother!"

"The language of the eyes,"

"and the language of the lips form a never ending story."

হায় ভগবান!

- কি ব্যাপার? -আমার ছাত্রীরা।

ওকে। তো কি?

কি মানে?

ওরা আমাদের একসাথে দেখে ফেললে ...

আচ্ছা দেখো তো এদিকে চেয়ে আছে কি-না!

না, তবে তারা চলে যাচ্ছে।

তবে তারা তো এখান দিয়েই বের হবে তাই না!

ওহ! হ্যাঁ তাইতো।

আচ্ছা মি বাথরুমে গিয়ে লুকাচ্ছি।

তারা চলে গেলে আমাকে ফোন দিও।

প্লিজ!

ধন্যবাদ।

স্যার, এটা কিচেন

-বাথরুম - ওয়াশরুম ওইদিকে।

হাই, স্যার

এই লুক! দারুণ দেখাচ্ছে আপনাকে!

প্রথমে তো চিনতেই পারিনি।

ভাবছিলাম কোনো ইয়াং ছেলে।

এতো রাতে এখানে কি?

স্যার, অভির জন্মদিন।

তো কেক কাটতে এসেছি।

ঠিক মতো কাজ শিখছো তো?

ওকে?

এতো রাতে বাহিরে? বাবা-মা কিছু বলবেনা?

এতো রাতে একা একা?

বাড়িতে যাও সবাই।

স্যার, আপনার স্ত্রী?

আমি কিছুই বলিনি কিন্তু

আমরা রাম স্যারের স্টুডেন্ট।

জানি আমি, মাত্র বললো।

আসলে আমরা জানতামই না স্যার বিবাহিত।

আমাদের স্যার কখনও বলেওনি।

আমি কিছুই বলিনি!

না তেমন কিছু না।

কারণ আমাদের লাভ ম্যারেজ তো আমরা কাউকে কিছুই বলিনি।

লাভ ম্যারেজ?

কেনো? কি হলো?

সে যে বিয়ে করবে আমাদের কল্পনার বাহিরে ছিল তা!

আর এখন বলছেন এটা লাভ ম্যারেজ।

তো? কেনো তাতে কি?

স্যার ক্লাসে অনেক বেশি কঠোর!

আমরা একে অপরের সাথে কথা বলতে পারিনা, কারও দিকে তাকাতে পারিনা, এমনকি হাসতেও পারি না।

হেই! হয়েছে অনেক!

নাহলে কথা বলতেই থাকবে যাও... তাড়াতাড়ি.... যাও যাও!

- ভয় দেখাচ্ছো কেনো এদের? -দেরি হয়ে যাচ্ছে

আসো, সবাই এসে বসো।

দেখুন ম্যাম আপনার সামনেও!

আচ্ছা আমি সেটা পরে দেখছি!

- কোথায় যেন থেমেছিলাম ? - হাসতেও পারো না।

ওহ! হ্যাঁ আমরা হাসতেও পারিনা ...

এমনকি হাতা ছাড়া জামা পড়াও নিষেধ...

এমনকি আমার বাবাও তার চেয়ে বেশি কঠোর নয়!

আরে! ও এমনই।

আমি ওকে আরও ভালো হতে বলে দিবো! ওকে?

সব তো ঠিক আছে ম্যাম। তবে স্যার কিভাবে আপনার প্রেমে পড়লো?

আমাদের ভালোবাসা শুরু স্কুল জীবন থেকে।

ক্লাস ১০- থেকে।

স্কুল থেকে ?

কে আগে প্রপোজ করেছিল, ম্যাম?

স্যার, আপনি লজ্জা পাচ্ছেন?

ম্যাম কবে তা মেনে নিলেন?

সাথে সাথে ...

সাথে সাথে!!!

কেনো ম্যাম?

আপনি যেরকম সুন্দর, স্যারকে অনেকদিন ঘুরাতে পারতেন।

অপেক্ষা করাতে পারতেন কয়েকদিন।

ওই সময়ে ওই আমার জন্য সব ছিল।

এমনকি এখনও!

প্লিজ ম্যাম বলবেন স্যার কিভাবে প্রপোজ করেছিল?

এরপর আর কোনো প্রশ্ন করবো না আমরা। সোজা চলে যাবো।

জন্মদিনের গিফট হিসেবে যদি?

ক্লাস ১০- স্বাভাবিকভাবেই চলে গেলো।

আমি সবসময় হাসি- খুশি থাকতাম। এরপর হঠাৎ রাম মাদ্রাজে চলে এলো।

আমাকেনা বলেই

আর ওই সকল হাসি, কান্নায় রূপ নিলো।

কলেজে ভর্তি হবার পরও আমি ওকে ভুলতে পারিনি।

অনেক কষ্টে দিন কাটাতাম।

তবে একদিন আমাকে কিছু না জানিয়েই

রাম আমার কাছে এসে পড়লো।

আমি জানতাম সে আসবে

তবে মাঝে মধ্যে অনেক কিছুই ঘটে যায়

যা বিশ্বাসকরা যায়না।

সেদিনা আমার সাথে তেমন কিছুই হয়েছিল।

এই যে !

দ্বিতীয় বর্ষের কম্পিউটার সাইন্সের - জানাকি দেবি

ওকে ডেকে দিতে পারবেন? কথা বলবো ওর সাথে ..

প্রেম?

হ্যাঁ আমার কোনো সমস্যা হবে না তো?

তোমার নাম কি?

বাসন্তি।

বাসন্তি, ভয় পেয়ো না।

শুধু ওকে ডেকে বলো

যে কে. রামাচন্দ্রন এসেছে।

বাসন্তি, ধন্যবাদ।

জানাকি দেবি?

রামাচন্দ্রন নামে একজন আপনার সাথে দেখা করতে চায়।

এ কথা শোনার পর মনের অবস্থা কেমন হয়?

যেটা আমি আমার স্বপ্নে ভাবতাম যে .......

আমার রাম আমাকে খুঁজতে আসবে।

ওই এক মুহূর্তে আমার জীবন পাল্টে গেলো।

যখন আমি শুনেছি রাম এসেছে।

আমার পুরো শরীর থমকে গেলো।

আমি হাঁটতেও পারছিলাম না।

শেষে, আমি দৌড় দিলাম।

"Come to me my entirety!!!"

"You ..."

"Are my seven musical notes..."

"My Five great elements..."

"My heart is brimming!!!"

"Whatever I see..."

"Is love..."

আমি ওকে তিন বছর পরে দেখি

স্কুলের সেই চেহারা মুছে গিয়েছিল

একটা যুবক মুখে দাড়ি-গোঁফ নিয়ে আমার সামনে হাজির!!

আমার জন্য

এই জানুর জন্য।

তবে আমার মনে অনেক প্রশ্ন ছিল।

যা আমি ওকে জিজ্ঞেস করতে চেয়েছিলাম

তবে ...

জানু !

"Love... Love..."

"Is the biggest lonely companion!"

"Come with me... Come with me..."

"That is more than enough."

"Love... Love..."

"Till the end of life..."

"Lets travel... Come with me.!!!"

ওকে, গল্প শোনা বাদ দাও। দেরি হয়ে যাচ্ছে।

যাও এখন! হুম যাও.... যাও!

এই! এদিকে আয়

বাসায় ১০টা বাজেই কেক কেটে ফেললে কি হতো?

১২টা বাজে বের হতেই হবে?

ওকে! সাবধানে বাড়ি যাও। তারপর ম্যাসেজ দিয়ে জানাও!

- আপনাদের দুজনকে একসাথে বেশ লাগে স্যার। - চুপ! যা এখন।

ফাউল পোলাপান।

- ওই ! - আমি দেখবো, যাও তুমি।

তোমার জন্য কি স্পেশাল দাওয়াত দিতে হবে।

আসো !

Good night, Ma'am

যান এখন!

এখন কোথায়?

যদি কিছু মনে না করো একটা কথা বলতাম?

ওহ!! কি শুনি তো?

তোমার হোটেল এখান থেকে অনেক দূরে

তো

না, কিছু না, চলো যাওয়া যাক।

আরে, বলো তোমার কথা।

মানে হোটেল তো অনেক দূর ...

আর আমার বাসা এখানেই

আমাকে তুমি কি ভাবো, রাম?

না ...... না..... সরি..... সরি !

আমি ওইভাবে বলিনি।

সত্যি বলছি।

এজন্যই বলতে চাইনি।

ওকে হোটেলেই যাও, গাড়ি ডেকে দিবো?

সত্যি বলছি ...

তার নাম জানো কি?

মিনাকা!

ওকে! তো বাকি তিনজনের মাঝে......

অন্য দু'জনের নাম জানো কি?

রম্ভা আর উর্বশী

হ্যাঁ

তো এ তিনজনের সাথে থাকলে যদি তোমাকে বিশ্বাস করা যায়

তাও আবার রাতে একসাথে থেকে !

মনে হয়না আমারও তেমন কিছু হবে।

বরং মনে হচ্ছে সেফ থাকবো।

এজন্যই আমি আমার দাড়ি-গোঁফ কামালাম।

নাহয় তো।

না সেভ করলে?

নাহলে তুমি সেরকম কিছুই মনে করতে।

ওকে, চলো যাওয়া যাক।

তোমার বাড়িতে যাবো কিভাবে?

আসো।

এদিকে, ওইটা!

এই! কোনো মেয়ে প্রতিবেশী?

হ্যাঁ আছে।

ডান পা দিয়ে ঢুকো।

তুমি না ...

কে. রামাচন্দ্রনের বাড়ি এটা না?

- ওহ! ভিজে গেছে সব। - ঠিক আছে।

রুমটা অনেক সুন্দর।

বাথরুম কোথায়?

সোজা বেডরুমে যাও, বাম দিকে পাবে।

যাও তুমি আমি তোয়ালে নিয়ে আসছি।

জানু এখানে তোয়ালে আর সাবান রেখে যাবো?

কেনো?এখানে তো আছেই।

না না! ওটা আমি ব্যবহার করেছি।

তোমার কি কোনো রোগ আছে?

না..... না...তেমন কিছু না!

এগুলো শুকা দাও।

রাম, আমি কিছু বলতে চাই।

তোমাকে শুনতে হবে।

তোমার এভাবে থাকা উচিৎ না।

তোমার এখন বিয়ে করা উচিৎ।

তোমার এখন সংসারী হওয়া উচিৎ।

আমি তোমার সন্তানদের দেখতে চাই।

আমি ওদের আদর করতে চাই।

আমি দেখতে চাই ওদের চোখ তোমার মতো হয় কি-না!

ওদের নাম তোমার মতো হয় কি-না! ...

আমি এগুলো দেখে আনন্দ পেতে চাই।

আমি তোমার স্ত্রীকে দেখতে চাই।

আমি দেখতে চাই কে এমন ভাগ্যবতী।

আমি তাকে বলবো যে ...

তুমি এক খাঁটি শোনা পেয়েছো!

তাই সে যেন তোমার অনেক যত্ন নেয়।

আসলে ধমকের সুরেই বলবো।

আমি অবশ্যই বলবোই।

কিছু খাবে তুমি?

কিছু অর্ডার করবো?

হোটেলেও কিছু খাওনি তুমি।

ক্ষুধা নেই।

তবে আমার খিদে লেগেছে।

ভালো হয়েছে?

মনে হচ্ছে মায়ের হাতের খাবার খাচ্ছি!

জানু, তুমি খুশি তো?

হুম ...

অনেক দিন পর।

গাধা!

আমি তা বুঝাইনি।

মানে তুমি কি তোমার জীবন নিয়ে এখন ভালো আছো?

কি ব্যাপার, তুমি দেখি আমার মায়ের মতো প্রশ্ন শুরু করলে?

মনে হল তাই জিজ্ঞেস করলাম।

বলতে ভালো না লাগলে বলো না।

প্রথমে অনেক কষ্টকর ছিল ব্যাপারগুলো।

সিঙ্গাপুরে একা হয়ে গিয়েছিলাম।

আমি বুঝতাম না কি করবো।

আমি প্রতিদিন ভগবানের সামনে দাঁড়িয়ে কেঁদে কেঁদে প্রার্থনা করতাম।

তবে সে খুব ভালো মানুষ।

আমার মেয়ের জন্য একজন আদর্শ বাবা।

আমাকে খুব ভালো বোঝে।

তেমন সমস্যা হয়না।

যদি আমাকে বলো আমি খুশি কি-না ...

আমি বলবো আমি শান্তিতে আছি।

তবে এই মুহূর্তে আমার মাথায় অন্য কিছু এসেছিল বলার জন্য ...

তবে আমি বলবোনা।

জানু, উঠবেনা। আমি আসছি... !

নাহলে পড়ে যাবে কিন্তু।

এখানেই বসো, আমি আসছি .... ।

"On the banks of the river Yamuna, as the cool breeze blows..."

"I dance with Lord Kannan..."

"The eyes blossom, looking at the path..."

"Young Radha wilts."

"The night has gone by, the day has gone by..."

"The King is not with me."

"The young girl's unblinking eyes..."

"Search, here and there..."

"Lord Kannan is not to be seen in the cow herding grounds ."

"Falling in love, is a painful joy."

"Lord Kannan is not to be seen in the cow herding grounds ."

"Falling in love , is a painful joy."

"Poor Radha!"

এগুলো কি?

স্মৃতি!

বাহ! সেই আগের ঘ্রাণ!

এতোদিন পরেও এতো সুন্দর করে যত্ন করে কিভাবে রাখলে?

তোমার

আমার?

তুমি পেলে কিভাবে?

না! এর হাত-পা গজিয়েছিল! তখন হেঁটে হেঁটে এসে পড়েছে।

আমি নিয়ে এসেছিলাম যাতে স্মৃতি হিসেবে রেখে দিতে পারি।

কিন্তু কিভাবে?

পিটি করতে যাওয়ার সময় তুমি এটা খুলে রেখে যেতে

আমি তা খেয়াল করেছিলাম .....

আর একদিন তা গায়েব করে দিয়েছি ....... !

এভাবেই এসেছে এটা/

সাবধানে... সাবধানে .....

হেই !

- কিছুনা.... কিছুনা .... ! - তাহলে লুকাচ্ছো কেনো?

প্রেমপত্র?

না।

মজা নিচ্ছো? তো কবিতা?

আমার জন্য?

দাও আমাকে

না, জানু ......

এটা দেখলে তুমি হাসতে হাসতে মরে যাবে।

আমি লজ্জা পাচ্ছি

আরে! হেই!

কে আমাকে নিয়ে কবিতা লিখতে পারে?

একমাত্র তুমিই তো পারো।

আচ্ছা নিজেই পড়ে শোনাও।

পড়ো।

অনেক যদি বলার, যদি সেদিন ভালোবাসতে

পথ ছিল গো চলার, যদি দুদিন আগে আসতে

আজকে মহাসাগর স্রোতে চলেছি দূর পারের পথে

ঝরা পাতা হারায় যথা, সেই আঁধারে ভাসতে

যাই সেই আঁধারে ভাসতে!

গহন রাতে ডাকি আমায়, এসে তুমি আজকে

কাঁদিয়ে গেলে হায় গো আমার , বিদায় বলার সাঁঝকে

আসতে যদি হে অতিথি

ছিল যখন শুক্লা তিথি ...

ফুটতো চাপা ...

সেদিন যদি চৈতালি চাঁদ হাসতে .. !

রাম !

ঘুমাও নি তুমি?

ওকে, ওপরে চলে আসো।

উপরে?

না আমি নিচেই শুই সবসময় অভ্যস্ত আছি আমি।

আরে আসো তো/

হেই !

তোমার মেইল আইডি বলো তো ...

তোমার উচ্চতা, ওজন ..

কেনো?

- একটা মেয়ে ঠিক করি তোমার জন্য। - না না দরকার নেই।

কেনো না?

এদিকে তাকাও

জানাকির মতো মেয়ের সাথে প্রেম করার পর ...

আমি আর অন্য কোন মেয়েকে বিয়ে করতে পারবো না।

কেনো না? আমিও তো রামের সাথে প্রেম করেছি !

তো আমি কি সারাভনামকে বিয়ে করিনি?

সব কিছুই সম্ভব। বলো

Postbox78@gmail.com

সময় হয়ে গেছে?

আরও ১৫ মিনিট আছে।

মেয়েটা রেস্টুরেন্টে আমাকে কিছু বলেছে।

হ্যাঁ, আমিও তোমাকে এই কথাটাই জিজ্ঞেস করতাম।

সে কানে কানে কি বললো!

কি হলো?

সে বললো, স্যার অনেক ভালো মানুষ।

তার ভালো যত্ন নেবেন।

আমিও জানি স্যার অনেক ভালো মানুষ।

তবে সে আমাকে বলে গেছে আমি যেন যত্ন নেই!

আমি জানি তার জন্য আমি কি করতে পারি।

আমরা বের হই?

"The night, like an island..."

"Is circling us..."

"Even the break of dawn seems like darkness..."

"Memories like fire are burning inside..."

"The body cries, like it is death!"

"Separation is my bond and I melt in it!"

"I am separating from what breathes life into me!"

"Like the rivers that flow from the mountains,"

"You flowed into my heart!"

"In the barren land..."

"You gave birth to a million seas!"

"Let the dream be my only companion!"

"The night, like an island..."

"Is circling us..."

"Even the break of dawn seems like darkness..."

"This lotus, in spite of being in the pond , is lonely."

"The sun basks in the warmth even when it's not day."

"In one path...two souls are searching for their soul mates..."

"Time is again and again placing obstacles!"

"Living a life without you, is that a life at all!"

"Come my life! Life is to live! you are the life within me...!"

"Shall I come! Shall I come!"

Thank you Ma'am

আশা করি আমাদের এখানে কোনো সমস্যা হয়নি।

"Every single day my heart comes alive..."

"And dies that very day!"

"Till the end of my life..."

"My heart will celebrate you!"

"Even when trees fall and nests shatter..."

"Birds still sing their melody!"

"Even when the night is over And almost done with..."

"The moon still waits patiently!"

"The rain drops reach the sea!"

"The immortal love will reach Earth!"

"Even when by body is away from you..."

"My love will live with you forever!"

"You take leave..."

কি হলো?

তোমার সাথে আরও একটুক্ষন আমাকে থাকতে দাও।

অনেক দেরি গেছে জানু।

প্লিজ, রাম।

এভাবে তাকিও না।

ওকে ধরো এটা।

কোথায় যাচ্ছো?

ওকে দাড়াও, আমি আসছি।

আমিও তোমার সাথে যাওয়ার জন্য টিকিট কিনেছি।

বোর্ড ফ্লাইট পর্যন্ত আমি তোমার সাথেই থাকবো।

ওকে।

কাঁদছো তো এর জন্যই....

চোখের পানি মুছে ফেলো।

চলো ...

দেখান

আইডি?

বাংলা সাবটাইটেল দিয়ে মুভিটি উপভোগ করার জন্য ধন্যবাদ!!!

অনুবাদকঃ-সাজ্জাদ হোসেন সাব্বির

'' সাবটাইটেলটি ভালো লাগলে অবশ্যই সাবসিনে গিয়ে রেটিং দিয়ে আসতে ভুলবেন না''

'' সাউথ ফ্রিকের পক্ষ থেকে সকল সাউথ মুভি লাভারদের জন্য রইলো অবিরাম ভালোবাসা"

সাউথ ইন্ডিয়ান, হলিউড, বলিউড, কোরিয়ান, বাংলাসহ যেকোনো ইন্ডাস্ট্রির মুভি সহজেই ডাউনলোড করার জন্য ব্রাউজ করুন 'SOUTHFREAK.COM'- এ!

Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.