All language subtitles for Dead.By.Dawn.2025.1080p.WEBRip.x264.AAC5.1-YTS-Bengali

af Afrikaans
ak Akan
sq Albanian
am Amharic
ar Arabic
hy Armenian
az Azerbaijani
eu Basque
be Belarusian
bem Bemba
bn Bengali
bh Bihari
bs Bosnian
br Breton
bg Bulgarian
km Cambodian
ca Catalan
ceb Cebuano
chr Cherokee
ny Chichewa
zh-CN Chinese (Simplified)
zh-TW Chinese (Traditional)
co Corsican
hr Croatian
cs Czech
da Danish Download
nl Dutch
en English Download
eo Esperanto
et Estonian
ee Ewe
fo Faroese
tl Filipino
fi Finnish
fr French
fy Frisian
gaa Ga
gl Galician
ka Georgian
de German
gn Guarani
gu Gujarati
ht Haitian Creole
ha Hausa
haw Hawaiian
iw Hebrew
hi Hindi
hmn Hmong
hu Hungarian
is Icelandic
ig Igbo
id Indonesian
ia Interlingua
ga Irish
it Italian
ja Japanese
jw Javanese
kn Kannada
kk Kazakh
rw Kinyarwanda
rn Kirundi
kg Kongo
ko Korean
kri Krio (Sierra Leone)
ku Kurdish
ckb Kurdish (Soranî)
ky Kyrgyz
lo Laothian
la Latin
lv Latvian
ln Lingala
lt Lithuanian
loz Lozi
lg Luganda
ach Luo
lb Luxembourgish
mk Macedonian
mg Malagasy
ms Malay
ml Malayalam
mt Maltese
mi Maori
mr Marathi
mfe Mauritian Creole
mo Moldavian
mn Mongolian
my Myanmar (Burmese)
sr-ME Montenegrin
ne Nepali
pcm Nigerian Pidgin
nso Northern Sotho
no Norwegian
nn Norwegian (Nynorsk)
oc Occitan
or Oriya
om Oromo
ps Pashto
fa Persian
pl Polish
pt-BR Portuguese (Brazil) Download
pt Portuguese (Portugal)
pa Punjabi
qu Quechua
ro Romanian
rm Romansh
nyn Runyakitara
ru Russian
sm Samoan
gd Scots Gaelic
sr Serbian
sh Serbo-Croatian
st Sesotho
tn Setswana
crs Seychellois Creole
sn Shona
sd Sindhi
si Sinhalese
sk Slovak
sl Slovenian
so Somali
es Spanish Download
es-419 Spanish (Latin American) Download
su Sundanese
sw Swahili
sv Swedish
tg Tajik
ta Tamil
tt Tatar
te Telugu
th Thai
ti Tigrinya
to Tonga
lua Tshiluba
tum Tumbuka
tr Turkish
tk Turkmen
tw Twi
ug Uighur
uk Ukrainian
ur Urdu
uz Uzbek
vi Vietnamese
cy Welsh
wo Wolof
xh Xhosa
yi Yiddish
yo Yoruba
zu Zulu

Original subtitles

আপনি যদি স্ল্যাশার ও হরর জনরার ফ্যান হয়ে থাকেন, সিনেমাটা আপনার জন্য একটা ট্রিট। অবশ্যই একজন ম্যাচিউরড দর্শক হতে হবে। অন্ধকারে কানে হেডফোন গুঁজে দিয়ে একা দেখুন। ভালো না লাগলে কতৃপক্ষ দায়ী থাকবে না। - মোহাম্মদ সায়েম -

শিল্প ও সংস্কৃতির প্রতি উৎসর্গীকৃত।

এই চলচ্চিত্রে দেখানো ঘটনাগুলো ২০২৩ সালের শীতে কাতুশে শহরে ঘটেছিল।

বেঁচে যাওয়া মানুষদের অনুরোধে সব নাম পরিবর্তন করা হয়েছে।

মৃতদের প্রতি সম্মান জানিয়ে, বাকি ঘটনাগুলো ঠিক যেভাবে ঘটেছিল সেভাবেই তুলে ধরা হলো।

★ অনুবাদে: মোহাম্মদ সায়েম ★

শুভ সন্ধ্যা, মিস্টার ওলগিয়ের্দ। আমি ল হরাইজন লিগ্যাল অফিস থেকে ইয়ান মিল্টন বলছি।

আপনাকে স্মরণ করিয়ে দিচ্ছি যে, আপনার খোরপোষের টাকা দুই মাস ধরে বকেয়া আছে। [কোনো ব্যক্তির খাওয়া-দাওয়া, থাকা, চিকিৎসা, পোশাকসহ জীবনযাপনের জন্য নিয়মিত যে খরচ দেওয়া হয়।]

ধ্যাত।

এর ফলে, আমাদের...

ধুর বাল!

নক করতে শেখায়নি কেউ?

- এসে পড়েছি! - হ্যাঁ, দেখতেই তো পাচ্ছি।

চলো যাই!

আন্দিয়ামো!

- হেই। - হেই।

২ মাস আগে

বন্ধ্যাত্ব এখন আমাদের দেশের বড়ো বিপদ!

এতদিনেও বাচ্চা নেই?

কোনো বাচ্চা নেই! বাচ্চারা হলো...

আন্টি, আমি কাজে আছি।

দাঁড়াও।

সে আঁধারে লুকিয়ে থাকে না।

কোণায় ঘাপটি মেরে থাকে না।

সে এখানেই আছে...

আমাদের মাঝেই।

সে শুধু আমাদের ওর ফাঁদে পা দেওয়ার অপেক্ষায় আছে।

তাই সকলের এখানে থাকাটা খুব জরুরি,

এখানে একসাথে,

শত্রুর একদম সামনের সারিতে।

আজ রাতে আমাদের একজন বিশেষ অতিথি আছেন, যিনি এ বিষয়ে বেশ ভালো জানেন।

ভদ্রমহিলা ও ভদ্রমহোদয়গণ, দার্শনিক, পন্ডিত, এক্সরসিস্ট, ফাদার ডেমিয়ান! [এক্সরসিস্ট = ভূত/অশুভ আত্মা তাড়ানোর লোক]

আমরা এখন এক আধ্যাত্মিক যুদ্ধের মাঝখানে আছি।

আমাদের শরীরগুলোই এই যুদ্ধের ময়দান।

আমাদের মনগুলো এক একটা দুর্গ।

প্রাচীন জিনিসপত্রের প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়ছে

পুরাকীর্তি আর নিষিদ্ধ বইয়ের প্রতি।

নাগোটিক পাণ্ডুলিপি, [যা প্রাচীন ধর্মীয় ও দার্শনিক লেখার একটি গুরুত্বপূর্ণ সংগ্রহ।]

ডি ভার্মিস মিস্টেরিস, কালটেস দে গুলারস, অথবা সংস অফ দ্য ডোলি।

এই বইগুলোতে তাকে ডাকার সব আচার আর মন্ত্র রয়েছে!

বলা হয়ে থাকে, কিছু প্রভাবশালী গোষ্ঠী নাকি ব্যবস্থা করছে

শয়তানের নতুন সব কায়দাকানুনের।

কেউ, কেউই কোনো ব্যবস্থাই নিচ্ছে না!

কেউ নিচ্ছে না!

গির্জার ভেতরে এই প্রথম অশুভ কিছুর আভাস পাওয়া যাচ্ছে এমন নয়!

অশুভ!

আমরা নিজেদের মানুষের মাঝেই আছি।

সবাই আপনাকে সমর্থন করি, ফাদার।

আমাদের প্রার্থনা করতে হবে।

আমাদের কিছু করতে হবে!

একটা ছোট্ট বিরতি।

কফি আর ডোনাট ওই পাশেই আছে,

ডোনেশন বক্সের কাছে।

১৫ মিনিট পরে দেখা হচ্ছে!

বরাবরের মতোই, অসাধারণ!

তুমি ওদের অনুভূতির কথা বলো, কিন্তু জয় করে নাও হৃদয়!

তুমি ওদের হৃদয়ের কথা বলো, অথচ হাত ঢোকাও ওদেরই পকেটে...

না, ব্যাপারটা টাকার নয়...

ব্যাপারটা বিশ্বাসের!

পাস্টর পিটার, ডোনেশন বক্স নিয়ে একটু সমস্যা হয়েছে।

ফাদার ডেমিয়ান, মাফ করবেন একটু।

অবশ্যই, যাও ওদের হৃদয় জয় করো।

আমাকে একটু সময় দিন।

কফিটা হলওয়েতে আছে, ঢালু পথটা বাম দিকে।

ফাদার, কিছু লাগলে বলবেন, আমি বাইরেই আছি।

সেই ডোনেশন বক্সের কাছে...

হ্যাঁ।

হ্যাঁ।

আমি নিয়ম মেনে চলি আর এটা যদি আমাকে আমার পরিকল্পনা

আর স্বপ্ন পূরণে সাহায্য করে, তাহলে হ্যাঁ।

সুপারনোভা,

ব্ল্যাক হোল।

আর এই সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করছে গ্যালিলির ছোট্ট এক শহরের এক ব্যবসায়ীর ছেলে?

সে সবার কাছেই পৌঁছাতে চাইলে চীনে জন্মায়নি কেন?

ওখানে তো মানুষের অভাব নেই...

আমার সন্দেহ আছে। আমি এটাই করি।

আইস স্কেটিং,

বক্সিং, হাফ-ডিস্টেন্স, জুডো, জু-জিতসু,

কারাতে, তায়কোয়ান্দো।

বিজ্ঞাপন, ব্যাকগ্রাউন্ড রোল, মডেলিং...

হে আমাদের পিতা,

যিনি স্বর্গে আছেন।

শোন, ভণ্ড। আমি তোকে বলছি।

মিস্টার হাইজেনহফ... ধন্যবাদ, স্যার।

এটা দারুণ সাহিত্য।

আমি রোমাঞ্চিত, সত্যিই রোমাঞ্চিত।

আমি চরম এক্সাইটেড।

দারণ, এটা দারুণ।

এটা যেন স্বপ্ন সত্যি হওয়ার মতো।

আমাদের দলটা ভালো।

শিল্প!

প্রথম অধ্যায়: মনোনীতদের মৃত্যু

আরেহ...

ফালতু ঝড়।

আবারও নেট নেই।

এটা কী?

এই ধরনের কাউকে বিশ্বাস করি কীভাবে?

চিন্তা কর, এমন কারও সাথে ডেট করার কথা।

শালা, এমন কারও সাথে শোয়ার কথা চিন্তা কর, যখন জানিসই যে সে দেখতে কুৎসিত।

- তোর তো উপায়ও নেই আর। - কিন্তু বিষয়টা উপায়ের না, দোস্ত।

আগে...

আর পরে।

ওদের কত আজেবাজে জিনিস যে মাখতে হয়।

ব্রোঞ্জার, মাসকারা, ব্লাশ, কত রকমের যে লোশন...

আই ক্রিম, বডি বাটার।

গোসলের জিনিসপত্র আর নখ রাঙানোর কথা তো বাদই দিলাম।

কিন্তু প্লাস্টিক সার্জারির ব্যাপারটা অন্যরকম, তাই না?

এতকিছু শুধু একটা ছেলেকে বিয়ে করে বাকি জীবন

তার বাচ্চা পালার জন্য।

যদি এটা ঠিকঠাক হয়?

- ঠিকঠাক হয় মানে? - হ্যাঁ।

পুরোটাই দৃষ্টিভঙ্গির ব্যাপার।

খুব কাছ থেকে দেখলে, সব কিছুই কুৎসিত।

প্রজাপতিও কাছ থেকে দেখলে কুৎসিত, গাছপালা তো আরো ভয়াবহ।

আয়নায় নিজেকে দেখে মনে হয় কেউ যেন আমায় বাঁ হাত দিয়ে এঁকেছে।

অতটাও খারাপ না।

যদি তুই তোর ঐ হাসির মতোই বানিয়ে বানিয়ে কথা বলতে পারতিস, তুই সফল হতিস।

সৌন্দর্য ম্লান হয়, শেষ পর্যন্ত কুৎসিত রূপটাই রয়ে যায় আমাদের।

কারেন্ট চলে গেছে!

থার্মোস্ট্যাট জ্বলে গিয়ে হিটার পুরো ফুল পাওয়ারে চলছে।

এটা তো সনা বাথ হয়ে গেছে!

ক্রিসমাসের আগে মেরামতের কেউ আসবে না!

তো ভাইলোগ, আমরা এখানে নিজেদের স্বর্গ পাবো!

আমার কাছে তো এটা নরক মনে হচ্ছে।

আচ্ছা, তোমাদের ব্যাগগুলো এখানে রাখো, আর জ্যাকেটগুলো ক্লোক রুমে রেখে আসো।

আমরা মিস হেলেনের সাথে দেখা করতে এসেছি!

মিস হেলেনকে জানাও... যে উনারা আগেই এসে পড়েছে।

আমাদের অতিথিরা এসেছেন।

হ্যাঁ, জানি।

অনধিকার প্রবেশ। জি।

- উনি এখনই নিচে নামবেন। - কফি খাবেন?

ব্রু অ্যান্ড ব্লেস, প্রতিদিনই।

- চিনি দেবো? - তিন কিউব দিন, প্লিজ।

মাইজকারক?

প্রাইস।

গায়োশ।

ইয়ান্দা।

কুলিগ, সব বড়ো বড়ো তারকারা। এমনকি কন্দ্রাতও, ব্যাংকের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হওয়ার আগে।

আর এখন আমরা!

দেখো, সবাই এই নাটকটা নিয়ে কথা বলবে।

না, না, তোমরা আগেভাগেই চলে এসেছ।

আমরা দেরি করতে চাইনি।

না, তোমাদের কখনোই আগেভাগে আসা উচিত নয়।

এটা দেরি করার চেয়েও খারাপ, রীতিমতো অনধিকার প্রবেশ।

- দুঃখিত, এমনটা আর হবে না। - একদম হবে না।

- মিস্টার হাইজেনহফ আমাদের দাওয়াত দিয়েছেন। - তা তো দিয়েছেই।

সবকিছু নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবস্থা করা হয়েছে।

তোমাদের কেউ জ্বালাবে না।

ট্রপিকাল হিট!

সবসময়ের মতোই লেট।

আমি কখনোই দেরি করি না, বুঝলে?

শোনো, মাঝরাতে তোমার সানগ্লাস পরার দরকারটা কী?

আমি ভবিষ্যৎ দেখছি, আর সেটা অনেক উজ্জ্বল।

আর তোমার বন্ধু হচ্ছে...

কী, কী, কী? ভদ্রতা বলতে কিছু নেই নাকি?

ওলকা, আমার অ্যাসিস্ট্যান্ট।

- কীসে অ্যাসিস্ট করার জন্য? - সবকিছু।

সবকিছুতে।

আরে চলো।

- ঠিক আছে। - ওলকা, আমাদের চুক্তি আছে, তাই না?

ধুর।

আমাকে এসব করতে হবে কেন?

জায়গাটা কি নিরাপদ?

কারণ এই জায়গাটা নিয়ে আমার অ্যাসিস্ট্যান্টের একটা থিওরি আছে।

আর বেতন বেশ ভালোমতো বাড়ানোর পরও,

সে তার কাজ করতে চাইছে না, যেটা হলো আমার লাগেজ বয়ে নিয়ে যাওয়া।

নিশ্চিন্ত থাকুন, এখানকার সবকিছু পুরোপুরি নিরাপদ,

সন্দেহজনক কিছুই ঘটছে না।

শুনলে?

আমার সাথে এসো, প্লিজ!

এই দিকে!

দুই মাস আগে কেউ একজন এই মঞ্চে এক ভূত তাড়ানো ওঝাকে ফাঁসি দিয়েছিলো।

- বলেছিলাম না? - ভুয়া খবর!

ওটা নেহাতই এক দুর্ঘটনা, উনি কোনো ওঝা ছিলেন না,

বরং একজন প্রতিবন্ধী ছিলেন যিনি মঞ্চ থেকে পড়ে গিয়েছিলেন।

তুমি কি আসলেই এই জায়গাটা সম্পর্কে কিছু শোনোনি?

বহু বছর ধরে লোকেরা বলে আসছে যে এটা কোনো সাধারণ থিয়েটার নয়

আর হাইজেনহফরা শুধুই কোনো সাধারণ আর্ট ডিলার নয়, তার চেয়েও বেশি কিছু।

তুমি রিচুয়াল আর্কিটেকচার নিয়ে কিছু জানো? কিছু অন্তত, হ্যাঁ?

বিশেষ করে গুপ্ত আচার পালনের জন্য নির্মিত ভবন বা মনুমেন্টগুলো,

লে লাইনের সংযোগস্থলে বানানো হয়, বেশিরভাগ সময়েই গোরস্থানের আশেপাশেই।

- ডেনভার এয়ারপোর্ট। বার্সেলোনার গাউডি! - আচ্ছা, এতো উত্তেজিত হওয়ার কিছু নেই

নইলে তুমি পৃথিবীর কিনারা থেকে ছিটকে পড়ে যাবে।

পাগলগুলো সবসময় এখানে আসতেই থাকে।

ওরা ফেসবুকে আজেবাজে জিনিস পড়ে, তারপর এসে ঝাড়বাতি ধরে টানে,

লুকানো দরজার খোঁজ করে বা আসবাবপত্র সরায়

সদর দপ্তরের কোনো গুপ্ত প্রবেশদ্বার খোঁজার চেষ্টা করে

যা আরও রহস্যময় কোনো ব্রাদারহুডের।

ইলুমিনাতি, শ্যাডো গভর্নমেন্ট, চাঁদের অন্ধকার পিঠে লুকিয়ে থাকা নাৎসি বাহিনী।

- রেপ্টিলিয়ান। - প্লিজ, বাদ দাও।

ইলুমিনাতি এসব তো ফালতু কথা, কিন্তু রেপ্টিলিয়ান?

ভেবে দেখো।

ডাইনোসরদের বিবর্তিত হওয়ার জন্য যদি ২২৫ মিলিয়ন বছর বেশি সময় দেওয়া হতো?

অনেকে বিশ্বাস করে যে এই থিয়েটার অন্য কোনো মাত্রার কোনো পোর্টাল।

হ্যাঁ, ফালতু কথার পোর্টাল।

আমি এখানে চার বছর ধরে কাজ করছি, ইন্টারেস্টিং কিছুই এখানে হয় না।

ইন্টারেস্টিং কিছু হয় না?

১৯৯৪ সালের ডিসেম্বরের ঘটনা নিয়েও কিছু শোনেননি, তাই না?

ঈশ্বর, সবাই এখনও সেই ডিসেম্বর নিয়ে পড়ে আছে!

সেটা ৩০ বছর আগের কথা!

কিন্তু প্রতিদিন তো আর দর্শকমন্ডলীর সাতজন সদস্যের

একসাথে হার্ট অ্যাটাক হয় না, ঠিক বললাম তো?

ওকে, তারমানে রেপ্টিলিয়ানরা এমন কোনো শো করেছে যাতে দর্শকদের হার্ট অ্যাটাক হয়ে গেছে।

আমি জানি না!

রেপ্টিলিয়ান, অকাল্টিস্ট, শয়তানের উপাসকরা।

ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছিলো পঞ্চদশ শতাব্দীর শেষের দিকে।

ডিজাইন আর নির্মাণ করেছিলেন হাইজেনহফের পরদাদা, আর্নল্ড।

রেকর্ড সময়ের মধ্যে এর নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছিল...

মাত্র এক বছরে।

তুমিও খুব শিগগিরই ডিসপ্লে ক্যাবিনেটের ভেতরে ঠাঁই পাবে।

- আমার ইন্সটার জন্য একটা ছবি তোলো। - ঝড়ের মধ্যে এখানে কোনো নেটওয়ার্ক নেই।

আমি পরে পোস্ট করার জন্য সেভ করে রাখব।

কখনো কখনো তো পাঁচ দিনও লেগে যায়।

আচ্ছা, ঠিক আছে...

আমাদের এই থিয়েটার এর ব্যতিক্রমধর্মী ও অত্যাধুনিক

অ্যাভঁ-গার্দ প্রডাকশনের জন্য পরিচিত।

প্লিজ আমার সাথে আসো!

একটু সরে দাঁড়াও।

আমার সাথে আসো।

এটা ইলেকট্রিশিয়ান আর সাউন্ড টেকনিশিয়ানদের বুথ।

প্লিজ, এগোও, হাঁটতে থাকো।

কাজ শেষ হলে, আমরা এই কার্ডগুলোতে হিসাব রাখি।

সবাই বুঝতে পেরেছ?

আর প্লিজ, এখানে এই পেরেকের উপর।

এই তো।

মূল মঞ্চ।

সবকিছু প্রস্তুত আছে।

ওহো!

কাজের ডাক।

আজ রাতেই আমি আমার কার্প মাছটা কাটবো!

মেরি ক্রিসমাস!

তাহলে...

এক ঘণ্টার বিরতি, তারপর আমরা কাজে লেগে পড়বো।

সময় শুরু হচ্ছে এখন থেকে!

হেই, শুনলে?

সময় শুরু হচ্ছে এখন থেকে!

ধুর, সিমন! বলেছিলাম এভাবে ভয় না দেখাতে!

ভেবেছিলাম সারপ্রাইজ পছন্দ করো।

ভেতরে ঢুকলে কীভাবে?

দুই বছর আগের ওই পকেটমারের রোল আর নাতালিয়ার হেয়ার ক্লিপ দিয়ে।

একদম সহজ।

ওর কাছে ফিরে যাও।

ওর এখন আমাদের প্রয়োজন।

জানো তো, আমরা ওর হৃদয় ভেঙে দিচ্ছি?

ওপেনিং নাইটের পর ওকে বলবো, প্রমিজ।

দ্বিতীয় অধ্যায়: প্রথম নৈবেদ্য

হ্যাঁ! ভালো, খুব ভালো!

একদম ঠিক! গুড!

দড়িটা শক্ত করো, আরও শক্ত! গুড!

এবার কামড় দাও!

দুর্দান্ত!

স্বীকার করো, যখন বিশ্বাসীরা ব্যথায় কাতরায় তখন মজা পাও তুমি!

ওদের কষ্ট দেখে মেতে ওঠো!

তোমার ক্ষমা করার স্টাইল সুন্দর, বিশেষ করে যখন রাগে ফেটে পড়ো।

হোলি ট্রিনিটি হিসেবে এক বেশ্যা।

কুত্তার সাথে শোয়া...

প্রতারক!

কী কারণে তৃতীয় বিশ্বের এমন নিয়তি জুটল?

ক্ষুধার্ত ৮ বছরের বাচ্চারা কেন এমন নিয়তির শিকার হয়?

এমনকি হিটলারও তোমার সমকক্ষ হতে পারবে না, তার ওই নিষ্ঠুর দলবল নিয়ে।

তুমি স্ট্যালিনের চেয়েও জঘন্য,

এমনকি চসেস্কুর চেয়েও জঘন্য!

এই পৃথিবীর কোনো শুয়োরের বাচ্চাই তোমার এই শয়তানির সাথে পাল্লা দিতে পারবে না।

এই সব ঝামেলা, এই সব কষ্ট, সব তোমার দোষ।

সব তোমার দোষ।

অবশেষে! ব্রাভো! ব্রাভো!

মঞ্চে কিছু একটা ঘটছে!

আমরা আরেকটু এগিয়ে গেলাম!

কিন্তু এই ধীরগতিতে চললে, সামনের সপ্তাহেও রেডি হতে পারবো না!

দুই সপ্তাহের মধ্যে কে শো করতে চায়? তাও আবার এমন একটা শুনশান জায়গায়।

বাছা, যদি মিস্টার হাইজেনহফ তোমাকে ৩০ বছরের মধ্যে তার প্রথম নাটকটা দেন

আর বলেন, এটা দুই সপ্তাহের মধ্যেই শুরু হতে যাচ্ছে, তাহলে...

এটা দুই সপ্তাহ পরেই শুরু হবে।

শিল্পের জন্য ত্যাগের প্রয়োজন।

বেশিরভাগ সময় অন্যদের ত্যাগের।

অভিনয় বাস্তব জীবন নয়।

জীবনে প্রতি মুহূর্তে বেছে নাও তুমি কার চরিত্রে অভিনয় করবে।

তুমি চাইলে যে কেউ হতে পারো। কিন্তু দিনের শেষে তুমি তুমিই।

- যেমন দুই বাচ্চা নিয়ে ডিভোর্স হওয়া মহিলা। - সিমন!

প্রতিটা মুহূর্তই আরেকটা সুযোগ।

তোর ক্ষেত্রে, এটাই প্রথম সুযোগ।

তুই এটা করবি, নাকি করবি না। করতে চাইলে চুপচাপ কাজ করে যা।

না চাইলে ভাগ।

কিন্তু খোদার দোহাই লাগে, একটা সিদ্ধান্ত নে!

ঠিক।

সিগারেট খাওয়ার জন্য তিন মিনিট দিলাম, তারপর আবার শুরু করব, ঠিক আছে?

সুপার, দারুণ।

তোমরা সবাই! দ্য রোডস অফ ফেইটে একদিনও টিকতে পারতে না।

ওখানে সারাক্ষণ ব্যতিব্যস্ত হয়ে থাকতে হয়!

দুপুরের খাবারের আগেই ত্রিশটা করে দৃশ্য করতে হতো।

মাস্টারপিস নিয়ে কথা বলতে গেলে...

কী হলো?

শুধু মনে করিয়ে দিচ্ছি যে, আমরা এখানে কোয়ালিটিতে ফোকাস করি।

কোয়ান্টিটিতে নয়।

তোমাকে মনে করিয়ে দেই, অন্তত কেউ তো আমার টিভি সিরিজ দেখে।

জনপ্রিয়তা সবসময় কোয়ালিটির সেরা প্রমাণ নয়।

- বরং কারও জমানো টাকার পাহাড়... - হেই, হেই, হেই!

আমি আমার কাজে দারুণ।

সবাই হিলার রবার্টকে ভালোবাসে।

তোমাদের মায়েরা আমাকে বেশ পছন্দ করেন।

আমার মা তো তিন বছর আগেই মারা গেছেন।

আমার মনে আছে, তোমার মা দুটি সিজন দেখেছিলেন।

ভাগ এখান থেকে!

অনেক হয়েছে!

- যেটাই তোমাদের দুই জনের মাঝে "চলছে"... - চলছিলো!

যেটাই "চলছিলো", কারও কিছু যায়-আসে না।

শোন, মিস্টার হাইজেনহফ নিজে আমাদের সবাইকে বাছাই করেছেন।

এটা অনেক বড়ো একটা দায়িত্ব।

দায়িত্বের বারোটা বাজাস না।

হ্যালো?

হ্যালো?

হ্যালো?

হ্যালো?

আর এখন আমাদের বড়দিন আয়োজনের শেষ পর্বে সবাইকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।

তোমার কী ক্ষতি করেছি?

তৃতীয় অধ্যায়: রক্তমাখা পেরেক

সিমন?

সিমন, এটা মোটেও মজার বিষয় না।

নাতালিয়া!

নাতালিয়া!

ওলগিয়ের্দ! এটা তো রক্ত!

নাতালিয়া! নাতালিয়া!

তোমরা কি এই বলিদানের জন্য প্রস্তুত?!

আসো, উঠে দাঁড়াও।

আসো, আসো।

এই তো, ও এখন আগের চেয়ে একটু ভালো বোধ করছে।

সব ঠিক আছে তো?

নাতালিয়া, ড্রেসিংরুমে গিয়ে বিশ্রাম নাও।

২০ মিনিটের মধ্যে ড্রেস পরে ফিরে আসবে, আমরা বলিদানের দৃশ্যটা শ্যুট করব, ঠিক আছে?

- নাতালিয়া। - সিমন!

দেখেছো?

শিক্ষা নাও! অ্যাডাম, মার্টা, আমরা এখন উপসংহারটা করছি!

চলো শুরু করি!

পুরুষরা...

ভয় পায়...

যে মহিলারা তাদের দেখে হাসবে।

মহিলারা... ভয় পায়...

যে পুরুষরা তাদের খুন করবে।

যদি কোনো মহিলা না থাকতো, পুরুষরা দেবতাদের মতো বাঁচতো।

তারা আনন্দকে আরও বহুগুণ করে,

আর কষ্টকে করে আরও গভীর।

তোমরা চাও আমাদের মুখ বন্ধ থাক, কিন্তু আমাদের গর্ভ সবসময় খোলা থাকুক।

কারণ এটাই...

ভালোবাসার মূল্য।

- কী হয়েছে? - সে এখানে ছিলো!

সে এখানে ছিলো!

সে দরজার হ্যান্ডেল ধরে টানছিল, দরজার হ্যান্ডেল ধরে টানছিল!

এখানে কিছুই নেই।

সে সত্যিই ছিলো...

আবারও দুঃস্বপ্ন না কি সত্যিকারের কিছু?

আরে বাল, ওর কী অবস্থা হয়েছে দেখতে পারছো না?

দেখতেই তো পাচ্ছি।

সে এখানে ছিলো, আমাকে খেয়াল করছিলো!

শিওর, শিওর।

আমাদের নায়িকা ভ্রমে ভুগছে। ও শব্দ শুনেছে...

এখানে আর কেউ আছে?

থিয়েটার এখন বন্ধ।

ক্রিশ্চিয়ান আর আমরা ছাড়া আর কেউ নেই।

ঝড়ের কারণে লাইটগুলো এমন করছে,

আর মেঝেও এখানে-সেখানে কারণে অকারণে আওয়াজ করে।

এটা পুরনো দালান।

- আমি জানি আমি কী দেখেছি! সে এখানে ছিলো! - ছিলো কী ছিলো না...

মূল মঞ্চের চেয়ে নিরাপদ কোনো জায়গা নেই,

যেখানে আমরা সবাই একসাথে থাকবো।

দ্য লায়ন কিং।

টয় স্টোরি।

স্টার ওয়ার্স।

ফ্রোজেন, ফ্রোজেন ২, মার্ভেল।

ডিজনি যখন কিছু করে, সেটা বৃহৎ আাকরে করে।

আমি তোমার সাথে একমত নই।

তোমার পছন্দের জিনিস বানানো থেকে এখন তারা

এমন জিনিস বানাচ্ছে যা তোমাকে মনে করিয়ে দেয়

তুমি আগে কী পছন্দ করতে।

এবার নতুন কোরিওগ্রাফি।

আমি লাইটগুলো চেঞ্জ করেই আসছি।

যেন পুরো পপ সংস্কৃতিই আমাদের বলছে:

“সরি ডিয়ার,

সেরা সময়টা এখন অতীত।"

লাখ লাখ প্রাপ্তবয়স্করা নতুন ব্যাটম্যান দেখার জন্য লাইনে দাঁড়ায়।

- এটা সরাসরি ফ্যাসিজমের দিকে যায়। - কী?

কারণ জটিল সমস্যার কোনো সহজ সমাধান হয় না।

কী? হয় না মানে! ইয়ে...

গর্ডিয়ান নট!

জানো কে ভাবে যে সেগুলোর অস্তিত্ব আছে?

তেরো বছরের বাচ্চারা।

আর এ কারণেই আজকাল বেশিরভাগ সিনেমা পিজি-১৩ রেটিং পায়।

আমরা সবাই তেরো বছর বয়সিদের জন্য বানানো সিনেমা দেখি।

তাতে কার কী আসে যায়?

প্রতিটা বাসনা পূরণ করার আকাঙ্ক্ষা - এটাও আরেক ধরনের দাসত্ব।

আমরা কেবল চাই না যে চারপাশটা আবার শান্ত হয়ে যাক।

ঠিক এখনকার মতো?

প্রিয় বন্ধুরা, আমরা শুরু করতে যাচ্ছি।

আইডিয়ার জায়গা নিয়ে নিচ্ছে ব্র্যান্ডের প্রতি ভক্তি।

মানুষ তাদের প্রিয় নির্মাতা কোম্পানিকে অনলাইনে অন্ধের মতো সমর্থন করে,

সেটা ইলেকট্রনিক্স, চিপস, নাকি কাপড়ের হোক - যেসব কোম্পানি তোমাকে নিংড়ে নিতে পিছপা হয় না।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় ব্র্যান্ডগুলো ঠিক করে দেয় তুমি কে

একজন মানুষ হিসেবে।

নিজের জন্য একজন থেরাপিস্ট খুঁজো।

অথবা একজন বয়ফ্রেন্ড।

তোমার অনুভূতির জন্য আমি কোনোভাবেই দায়ী নই।

ব্যাটম্যানের মুখের শুধু উপরের অর্ধেক কেন ঢাকা থাকে জানো?

যাতে পুলিশ বুঝতে পারে যে সে শ্বেতাঙ্গ। [সাদা বর্ণের মানুষ]

দরজা খোল!

আরে জলদি!

চুদসে।

- কোথায় যাচ্ছো? - এদিকে!

শিকল ভাঙো!

- ইমার্জেন্সি নম্বর কত? - আমি জানি না!

জলদি!

সিমন, আরেকটু জোরে!

চুপ!

এটা খোল!

জলদি! জলদি!

- ধ্যাৎ! - কী হলো?

বাইরে থেকে তালা দেওয়া!

ফাক!

জলদি আসো! আমার ড্রেসিংরুমে চলো! সত্যিই চলো!

- ওখানে নিরাপদে থাকবো আমরা! - তাড়াতাড়ি চলো!

ছাদে যাওয়ার একটা রাস্তা আছে...

মঞ্চের উপরে। সিঁড়িটা হলো...

হোলি শিট।

চতুর্থ অধ্যায়: চেইনস'র গর্জন

বোতলটা দে আমাকে!

লোকাল সিরিয়াল কিলার আমাদের পেছনে পড়েছে কেন?

কসাই!

হয়তো মুক্তিপণের জন্য?

ডেনমার্কে এখন সেলিব্রিটিদের জিম্মি করাটা অনেক জনপ্রিয়।

আর তোমাকে কেউ কিডন্যাপ করতে যাবে কেন? বেসমেন্টে তালাবদ্ধ করে রাখার জন্য

যাতে বাকি জীবন শুধু ওদের অটোগ্রাফ দিয়ে যেতে পারো?

আমাকে বলো, নাটকের একটা স্ক্রিপ্ট দেখতে এমন হয় কীভাবে?

এই যে। একদম এমন।

মদ? সিরিয়াসলি?

এটা হয়তো আমার জীবনের শেষ ক্রিসমাস, এটা মাল না খেয়ে কাটাচ্ছি না।

ধুর, আমার কথাগুলো এখন একদম আমার বুড়ো বাবার মতো শুনালো।

আর এখানকার চারপাশের এই অদ্ভুত ভাস্কর্যগুলোর কী হবে?

দরজার হ্যান্ডেলে এইসব প্রতীক?

আচ্ছা, আপাতত আমরা একটু বাঁচার চেষ্টা করি। থাকবো না কি পালাবো?

একটা ছুরিওয়ালা লোকের কাছ থেকে পালানো এতটা কঠিন হতে পারে না।

যদি না তার কাছে কোনো বন্দুক থাকে। তখন "ছুরিওয়ালা" লোক থেকে পালানো আসলেই কঠিন।

এখনো বৃষ্টি হচ্ছে।

ক্রিসমাস...

তোর কাছে বদলানোর মতো কোনো কাপড় আছে?

ওলা, বক্সটা দে।

বক্সটা দে!

ব্যস, এইটুকুই?

- তোকে যতটা চিনি... এটা তো সন্দেহজনকভাবে অনেক কম। - আমার কাছে আরও আছে!

কিন্তু একজন বলেছিলো যে ওরা বক্সগুলো নিয়ে আসবে...

তারপর পরে আনবে পরে আনবে করে, সব দেরি হয়ে গেল।

আমি সব পোস্টার, গ্যাজেট আর মার্চ নিয়ে এসেছি। [মার্চ = ফ্যানদের জন্য তৈরি ব্র্যান্ডেড জিনিসপত্র]

ভয়লা।

সে আমাদেরকেই বেছে নিয়েছে! আমাদের তাড়া করেছিল, আমি দেখেছি!

- ভ্রম? - শেষের ঘটনাটা তো সত্যিই হলো।

বিশ্বাসীদের কাছে প্রতিটি কাকতালীয় ঘটনাই একেকটা প্রমাণ।

- রক্ত? ওলগিয়ের্দ? - ওলকা, ওলকা, আমি তোমাকে বিশ্বাস করি।

যখন এখানে আসতে মানা করেছিলাম, তখন করোনি!

যদি শয়তানের উপাসকরা আসলেই থেকে থাকে, তাদের মন্দির দেখতে এরকমই হতো।

ওকে...

কবে থেকে এমন ভ্রম দেখছো?

এক সপ্তাহ আগে থেকে।

বিশেষ করে রিহার্সাল চলার সময়ে।

এই স্ক্রিপ্টটা পাওয়ার পর ও এটা থেকে দূরে থাকে না।

হেই, ডিসপ্লে কেসের কাছে তোলা আমাদের ঐ ছবিটা একটু দেখাও তো।

এটা সেই একই চিহ্ন যা এরা ৩০ বছর আগে ব্যবহার করেছিল।

তারমানে কী, হাইজেনহফই খুনি?

এটা দেখো।

- ডাইমিথাইলট্রিপটামিন। - কী?

তরল ডিএমটি, এটা মিশে যায়...

এটা মিশে যায়.... ফাক!

নিচের ঐ প্রতীকটা, যেটা লাশের নিচে অর্ধেক ঢাকা, সেটা আমার স্ক্রিপ্টের কভারেও আছে।

এটা ত্বক বা মুখ দিয়ে শরীরে প্রবেশ করে।

- কী? সিএসআই মায়ামি নাকি। - ফাক।

যাহোক, এরপর তোমার পালা।

এতেই তোমার ভ্রম দেখার কারণটা পরিষ্কার হয়।

কিসের ছাইপাশ ভ্রম, সে আমাদের সবাইকে মারছে, এরপর আমি মরবো।

- দে আমাকে ঐ ফালতু জিনিসটা! - হেই, হেই, হেই!

প্লিজ, তুমি এই রেইজিং ফিউরি মুভির অরিজিনাল জাপানি তলোয়ারটায় হাত না দিলে ভালো হয়!

- এই "ক্ষুব্ধ কপিটার" কোনো ক্ষতি করো না। - ওটা আসল জাপানি তলোয়ার!

আমাদের পালাতে হবে।

সিকিউরিটি গার্ড ছাদে যাওয়ার কথা বলছিলো।

- না! - এখানে সেফ আছি...

এখানে আশেপাশে আরেকটা লুকানো রেপ্লিকা নেই? [রেপ্লিকা- আসল জিনিস নয়, কিন্তু দেখতে প্রায় একই]

- এটা অরিজিনাল! - আরও বিপজ্জনক কোনো অস্ত্র?

জাপানি তলোয়ারের রেপ্লিকা আর আগ্নেয়াস্ত্র এক সাথে কে নিয়ে ঘোরে?

ধুর! একটা আসল আর একটা রেপ্লিকা!

- কি হতাশাজনক! - হতাশা...

কপ ডগস ৪-এর লাখো দর্শক

এমন কোনো অভিযোগ তো করেনি!

আমরা কি একটু ভান করতে পারি না যে এটা আসল?

ওররেহ, ধোঁয়া!

এসব কী হচ্ছে?

আমাদের ছাদে যেতে হবে!

উপরে, উপরে ওঠো!

তাড়াতাড়ি, তাড়াতাড়ি!

জলদি, জলদি।

এই পথে!

এটা বেশ...

হে ঈশ্বর...

মেষশাবকের সিলমোহর...

ওলকা! আমাদের হাতে সময় নেই!

এটাতো বিশাল এক...

বলিদানের বেদি।

ওলকা!

না!

ওহ, ধ্যাৎ! ওলকা! ওলকা!

চলো জলদি পালাই!

- জলদি চলো, জলদি চলো! - চলো!

এখনই!

জলদি, জলদি চলো!

সিমন! সিমন!

সিমন!

তালা মারা!

তালা দেওয়া!

তালা মারা!

অ্যাডাম জলদি, জলদি চলো!

জলদি!

ওলকা...!

- আমাদের কিছু একটা করা উচিত ছিলো! সাইমনকে সাহায্য করো! - চুপ! ওর জন্য কাজটা আরও সহজ করে দিস না।

আমরা কিছুই করতে পারতাম না...

এই জায়গাটা কী?

হাইজেনহফ...

এটা তার অফিস।

কী...

ফাক!

এগুলো তো...

আমাদের ছবি!

কী? কী?

ফাক!

আমি ওলকাকে বলেছিলাম যে কেউ যেন আমার পিছু নিয়েছে, আর ও বললো যে আমি অকারণে ভয় পাচ্ছি!

কেন?

কারণ আমরা অনেক স্পেশাল।

আমার কাছে এটা ফালতু মনে হতো, কিন্তু এইমাত্র আমি নিজের চোখে দেখেছি আমার বয়ফ্রেন্ডের মাথাটা কীভাবে দুই ভাগ করে ফেলা হলো,

আর এটা আসলেই দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টে দেয়।

বয়ফ্রেন্ড?

হেই! হেই!

তোমার সেই ভ্রম...

ওগুলোর নিশ্চিত কোনো মানে আছে।

মনে করার চেষ্টা করো।

- বলা অনেক সহজ। - নাতালিয়া, এটা কোনো ফালতু আইডিয়া না।

এটা আমাদের জীবন বাঁচাতে পারে।

প্লিজ!

আমাকে বিশ্বাস করতে হবে তোমার...

আমাদের আলাদা হতে হবে।

পঞ্চম অধ্যায়: আশা সবার শেষে মরে

ইপ্পি-কাই-ইয়ে, মাদারফাকার!

ফাক! শেষমেশ এটা একটা রেপ্লিকা।

বাঁচাও!

না!

মেরি ক্রিসমাস - আন্টি

অপারেটর ৮.৩, ইমার্জেন্সি লাইন, কীভাবে সাহায্য করতে পারি?

আমি হাইজেনহফ থিয়েটারে আছি, সে সবাইকে মেরে ফেলেছে।

দয়া করে বাঁচান।

শান্ত হোন।

আপনার নাম কী?

মার্টা।

মার্টা, আপনাকে সাহায্য করার জন্যই আমরা আছি।

শান্ত হোন। আপনি কোথায়?

আমি জানি না, বেসমেন্টে।

আমি আপনার পায়ে পড়ি, যত দ্রুত সম্ভব কাউকে পাঠান।

বুক ভরে শ্বাস নিন। এবার দশ থেকে পিছিয়ে গুনুন।

দশ।

অসাধারণ। চালিয়ে যান।

নয়।

আট।

হুম।

সাত।

সব ঠিক হয়ে যাবে।

ছয়। - আমরা এখনই একটা দল পাঠাচ্ছি।

এরপর। - পাঁচ।

চার।

চার।

ষষ্ঠ অধ্যায়: নিস্তব্ধ রাত

মানুষ ছাইপাশ কিছুই জানে না...

কোনো ব্যাপারেই না...

যারা মানবতাকে এক কলঙ্ক, এক মহামারি, এক ব্যাধি হিসেবে দেখে...

তারা আসলে মাথামুণ্ডু কিছুই জানে না...

আমাকে ছাড়লে কেন?

থিয়েটারে তো দর্শক দরকার।

সেন্ট থমাসও বিশ্বাস করেননি...

কিন্তু সবার মধ্যে তিনিই একমাত্র ব্যক্তি যিনি ঈশ্বরের শরীর ছুঁতে পেরেছিলেন।

এই অর্থহীন সহিংসতার মাধ্যমে তুই একটাই অর্জন করেছিস,

তা হলো কষ্ট।

আর অবর্ণনীয় যন্ত্রণা।

যারা বিশ্বাস করে তাদের বোঝানোর দরকার নেই।

শুধু যারা সন্দেহ করে তাদের বোঝাতে হয়।

সহজ সমাধান।

তা তো বটে।

আমি যা করছি তার মধ্যে সহজ বা ভালো লাগার মতো কিছুই নেই।

নিয়মগুলো আমার বানানো নয়।

যা করার দরকার ছিলো, আমি শুধু সেটুকুই করেছি।

প্রতিটা সাইকোপ্যাথই এমনটা বলে!

আমরা এক বিশাল অলৌকিক সৃষ্টি।

অগ্রগতির বর্শার ফলার সবচেয়ে তীক্ষ্ণ আগা।

মহাবিশ্বের সবচেয়ে সেরা সৃষ্টি।

তোমরা প্রিন্সেস ডায়ানার জন্য শোক করো, কার্দাশিয়ানদের জন্য চিন্তা করো,

কিন্তু তোমারা আসলেই ক্ষমতাহীন।

তোমরা সর্বস্ব বিলিয়ে দাও সেইসব আইকনদের জন্য

যাদের ইলেকট্রনিক মিডিয়া বড়ো বানিয়েছে।

তারা তোমাদের লাশ বানিয়ে ফেলেছে, যারা এই আজেবাজে জিনিসগুলোই গিলে খায়,

যা তৈরি হয়েছে এক মরণাপন্ন পৃথিবীর পিষে যাওয়া হাড় দিয়ে।

আমরা এর চেয়েও বেশি কিছু করতে পারি!

আরও ভালো কিছু!

মানবতা যখন ঈশ্বরকে হত্যা করবে, তখন অ্যান্টিখ্রিস্ট আমাদের পথ দেখাবে

আলোকায়নের এক নতুন যুগের দিকে।

শেষমেশ, প্রত্যেকেই দ্বিতীয় একটা সুযোগ পাওয়ার যোগ্য।

এমনকি লুজারদের এই সভ্যতাটাও।

• অনুবাদে: মোহাম্মদ সায়েম •

শয়তানকে উগরে ফেলার পরও তুই মরলি না, শুয়োরের বাচ্চা?

দেখ!

থিয়েটারে...

দর্শক দরকার হয়!

আমার মুভি চয়েস ও বাংলা অনুবাদটি আপনার ভালো লাগলে যে কোনো পরিমাণ অ্যামাউন্ট পাঠাতে পারেন। Bkash: 01404-515205 || Nagad: 01815-163386

Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.