All language subtitles for Stranger.Things.S05E06.Bangla Subtitle by MOHSIN

af Afrikaans
ak Akan
sq Albanian
am Amharic
ar Arabic
hy Armenian
az Azerbaijani
eu Basque
be Belarusian
bem Bemba
bn Bengali
bh Bihari
bs Bosnian
br Breton
bg Bulgarian
km Cambodian
ca Catalan
ceb Cebuano
chr Cherokee
ny Chichewa
zh-CN Chinese (Simplified)
zh-TW Chinese (Traditional)
co Corsican
hr Croatian
cs Czech
da Danish
nl Dutch
en English Download
eo Esperanto
et Estonian
ee Ewe
fo Faroese
tl Filipino
fi Finnish
fr French
fy Frisian
gaa Ga
gl Galician
ka Georgian
de German
el Greek
gn Guarani
gu Gujarati
ht Haitian Creole
ha Hausa
haw Hawaiian
iw Hebrew
hi Hindi
hmn Hmong
hu Hungarian
is Icelandic
ig Igbo
id Indonesian
ia Interlingua
ga Irish
it Italian
ja Japanese
jw Javanese
kn Kannada
kk Kazakh
rw Kinyarwanda
rn Kirundi
kg Kongo
ko Korean
kri Krio (Sierra Leone)
ku Kurdish
ckb Kurdish (Soranî)
ky Kyrgyz
lo Laothian
la Latin
lv Latvian
ln Lingala
lt Lithuanian
loz Lozi
lg Luganda
ach Luo
lb Luxembourgish
mk Macedonian
mg Malagasy
ms Malay
ml Malayalam
mt Maltese
mi Maori
mr Marathi
mfe Mauritian Creole
mo Moldavian
mn Mongolian
my Myanmar (Burmese)
sr-ME Montenegrin
ne Nepali
pcm Nigerian Pidgin
nso Northern Sotho
no Norwegian
nn Norwegian (Nynorsk)
oc Occitan
or Oriya
om Oromo
ps Pashto
fa Persian
pl Polish
pt-BR Portuguese (Brazil)
pt Portuguese (Portugal)
pa Punjabi
qu Quechua
ro Romanian
rm Romansh
nyn Runyakitara
ru Russian
sm Samoan
gd Scots Gaelic
sr Serbian
sh Serbo-Croatian
st Sesotho
tn Setswana
crs Seychellois Creole
sn Shona
sd Sindhi
si Sinhalese
sk Slovak
sl Slovenian
so Somali
es Spanish
es-419 Spanish (Latin American)
su Sundanese
sw Swahili Download
sv Swedish
tg Tajik
ta Tamil
tt Tatar
te Telugu
th Thai
ti Tigrinya
to Tonga
lua Tshiluba
tum Tumbuka
tr Turkish
tk Turkmen
tw Twi
ug Uighur
uk Ukrainian
ur Urdu
uz Uzbek
vi Vietnamese
cy Welsh
wo Wolof
xh Xhosa
yi Yiddish
yo Yoruba
zu Zulu

Original subtitles

অনুবাদ ও সম্পাদনা মোহাম্মদ ইউসুফ

জোনাথন! ন্যান্সি! জোনাথন!

জোনাথন! ন্যান্সি!

তোমরা কী করছ এসব?

আমার কথা শোনো! কোনো কিছু স্পর্শ কোরো না!

হয়তো মিস করেছ?

- হয়তো আমাদের উচিত... - হ্যাঁ।

কিছু বলার আগে বলি, আমি জানি এখন ভোর পাঁচটা।

আমার জন্য একটি টেলিমেট্রি ট্র্যাকার তৈরি করে দিন।

কী? এরিকা, এখন তো—

সময় এখন ভোর পাঁচটা। সে শুরুতেই বলেছে।

দুঃখিত, আপনি কে?

– আমার চাচা। – বেবিসিটার। বেবিসিটার।

কে এসেছে, প্রিয়তমা?

ঠিক আছে সোনা। তুমি ঘুমাও। আমি আসছি।

ঠিক আছে।

সেই লাইব্রেরিয়ান?

বিছানায় বেশি শব্দ করায় কি সে চুপ থাকতে বলেছিল?

শোনো, তোমাদের এই আচরণ মোটেও শিষ্টাচারসম্মত নয়।

এরিকা, তোমার সাথে ক্লাসে দেখা হবে।

ডাস্টিন মহা বিপদে পড়েছে।

বিপদ? কী ধরনের বিপদ শুনি?

জীবন-মরণ সমস্যা আর কি।

কী বলো সোনা? লাইব্রেরিয়ানটার সাথে চাকুম চুকুম করতে থাকবে...

নাকি ট্র্যাকারটা বানিয়ে নিজের প্রিয় ছাত্রের জান বাঁচাবে?

হেন্ডারসন!

ডাস্টিন!

ডাস্টিন, ওই শব্দটা কিসের ছিল?

ওটাই কি শিল্ড জেনারেটর ছিল? ওরা কি ওটা খুঁজে পেয়েছে?

আমার ধারণাটা সঠিক ছিল না।

আমি মারাত্মকভাবে,

অত্যন্ত শোচনীয়ভাবে ভুল ছিলাম।

কী বললে?

তুমি চলে যাওয়ার পর আমি একটা জার্নাল পাই।

ব্রেনারের জার্নাল।

ওই দেয়াল ধ্বংসের চাবিকাঠি এই ল্যাবরেটরিতেই আছে,

তবে সেটা কোনো শিল্ড জেনারেটর নয়।

এটা কোনো কালো জাদু নয়। ভেকনা ওটা বানায়নি।

বিজ্ঞানেরই সৃষ্টি এটা।

পদার্থবিজ্ঞানীরা একে 'এক্সোটিক ম্যাটার' হিসেবে অভিহিত করেন।

শক্তির এক একক উৎস যা ওই বিশাল দেয়ালটিকে ধরে রেখেছে,

আর আমার মনে হয় ন্যান্সি ঠিক সেখানেই গুলি করেছে।

এতে খারাপ কী? আমরা তো এখানে এই দেয়াল টপকাতেই এসেছি।

-তুমি শুনছো না! -আমি শুনছি।

ভেকনা দেয়ালটি তৈরি করেনি। তাই সে এর ওপাশেও নেই,

যার অর্থ হলি এবং নিখোঁজ শিশুরাও সেখানে নেই। কেউ নেই।

তাহলে ওই দেয়ালের ওপারে কী আছে?

থেমে গেল কেন ওটা?

ডাস্টিন, দেয়ালটির ওপাশে কী আছে?

মৃত্যু।

চলো! চলো, যাওয়া যাক!

জলদি! জলদি! জলদি!

চলো! চলো!

নিচে নামো! নিচে নামো!

এই পুরো সময় ধরে,

আপসাইড ডাউন সম্পর্কে আমরা যা কিছু অনুমান করেছি তার সবই

সম্পূর্ণ ভুল।

গেটটা!

গেটটা ওই যে!

আমাকে করতে দাও!

না, না! তুমি পেছনে থাকো, আমার পেছনে!

না!

না!

না! না!

এই নরকটা, এই আপসাইড ডাউন,

এটা কোনো ভিনগ্রহ না। অন্য কোনো দুনিয়াও না।

এটা একটা ওয়ার্মহোল।

একটা সেতু

সময় ও স্থানের দুই বিন্দুর মাঝে, আমাদের জগত আর অন্য জগতের মাঝে।

আর যদি সেতুটি ভেঙে পড়ে?

এটা আমাদেরও টেনে নিয়ে যাবে।

আমাদের সবাইকে।

যাও, যাও, যাও!

তুমি কি ঠিক আছো? ঠিক আছো তো? সব ঠিক হয়ে যাবে।

আমরা এখানে নিরাপদ। সে আমাদের নাগাল পাবে না।

ম্যাক্স...

হলি!

এসো।

হলি, সুইটহার্ট। থামো, নয়তো আমি ওর ক্ষতি করব।

আমি জানি তুমি ম্যাক্সকে বন্ধু ভাবো।

কিন্তু সে তোমাকে ঠকিয়েছে, হলি। সে তোমার মন ধোলাই করেছে।

ও আস্ত একটা মিথ্যুক।

না! না, তুমিই মিথ্যাবাদী!

আমি তোমাকে দেখেছি! আমি দেখেছি তোমার আসল রূপ!

তুমি এক কুৎসিত এবং জঘন্য দানব!

হলি!

যদি তুমি এখনই আমার সাথে ফিরে না এসো আর অন্য শিশুদের সাথে যোগ না দাও,

তবে ম্যাক্সের ক্ষতি করা ছাড়া আমার আর কোনো উপায় থাকবে না।

এমনকি আমাকে হয়তো তাকে মেরেই ফেলতে হবে।

তাহলে করছ না কেন?

আমি এখানেই আছি।

ওহ, ঠিকই তো।

তুমি একটা সামান্য গুহাকে যমের মতো ভয় পাও, তুমি এক আস্ত কাপুরুষ!

সবকিছু বদলে গেছে, ম্যাক্স।

তোমার কাছে পৌঁছানোর এখন আরও উপায় আছে।

আর হলি?

যখন তোমার নতুন বন্ধুটা যন্ত্রণায় ছটফট করবে,

আর সে অবশ্যই কষ্ট পাবে,

তখন তুমি হয় আমার কাছে ফিরে এসে তার কষ্ট লাঘব করতে পারো,

নাহয় তোমার নতুন বন্ধুকে মরতে দেখবে।

তার জীবন এখন তোমার হাতে।

ওখানে কী হলো, কেউ বলবে?

আমরা পার্টিকেলগুলো ধ্বংস করেছি। আমি নিজে দেখেছি সেগুলো টাওয়ার বেয়ে উঠে গেছে।

- মানে, তোমরাও তো তা দেখেছ, তাই না? - না দেখার উপায় নেই।

তাই উইলের এখন হাইভ মাইন্ড থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার কথা।

- তাত্ত্বিকভাবে তাই। - কিন্তু সে জেগে উঠল না কেন?

সে কীভাবে ম্যাক্সকে দেখল যদি সে হলির সাথেই থাকে?

সব কি সত্যি? নাকি ওই ভেকনা শয়তানটা আবার আমাদের ঘোল খাওয়াচ্ছে?

এসবের কোনো মানে হয় না!

ডাক্তাররা কখনোই বুঝতে পারেননি যে ম্যাক্স কেন কোমায় ছিল, তাই না?

কী? না। কেন?

আচ্ছা। ঠিক আছে।

তো চলো এক মুহূর্তের জন্য ধরে নিই যে উইল যা দেখেছে তার সবই বাস্তব।

- ও ম্যাক্স আর হলিকে দেখেছে। - হ্যাঁ, কিন্তু কীভাবে?

আমি সেই কথাতেই আসছি। ধরো যে, উম্ম...

এটা উইল,

আর এটা হলি।

এবং...

আর এটা ম্যাক্স।

তারা তিনটি আলাদা জায়গায় আছে, স্কোয়াক, হাসপাতাল,

আর আপসাইড ডাউনের কোনো এক অজানা জায়গায়। ঠিক তো?

- ঠিক। - হ্যাঁ।

তবে তাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ মিল আছে।

ওরা সবাই এখন অচেতন অবস্থায় আছে।

ভেকনা কাউকে বন্দি করলে কী হয়?

মানুষ ঘোরের মধ্যে চলে যায়।

ওটা দেখতে একদম অবিকল ওই কোমার মতোই লাগে।

ডাক্তাররা বুঝবে না এটাই স্বাভাবিক। ম্যাক্স কখনোই কোমায় ছিল না।

ও একটা ঘোরের মধ্যে ছিল।

ঠিক উইলের মতো। হলির মতো।

কথাটা আমার মাথায় একদম বিদ্যুৎবেগে খেলে গেল।

যদি তাদের মন...

সব একই জায়গায় থাকে?

ভেকনার মনের ভেতর।

বন্দি হয়ে।

অন্তত, ওরা ছিল।

উইলের কথা যদি ফলে যায়,

তবে ম্যাক্স আর হলি এখন সেখান থেকে পালানোর চেষ্টা করছে।

আর তারা যদি সফল হয়,

তবে তারা পুনরায় স্বশরীরে ফিরে আসবে,

এবং ম্যাক্স পুনরায় চেতনা ফিরে পাবে।

আর তারা আক্ষরিক অর্থেই ভেকনার মনের ভেতরে ছিল।

তারা সব জানবে। উইল কোথায় আছে তাও।

- বাচ্চারা কোথায়। - তারা এমনকি তার পরিকল্পনাও জেনে যেতে পারে।

- এটাই তুরুপের তাস। - পুরো দুনিয়ার কপালটা এখন ঝুলে আছে—

তোমার সেই অচেতন প্রেমিকা আর ছোট বোনের হাতে।

আরেকবার চেষ্টা করা যাক, কী বলো?

- তুমি কি গাড়ি চালাতে পারো? - আইনত পারি না।

ওতেই হবে। জয়েসের গাড়িটি নাও। পুলিশের পাল্লায় পড়ো না যেন।

ম্যাক্সের কাছে যাও। আমি উইলের সাথে থাকছি।

ঠিক আছে।

তোমার কি এই জায়গাটির কথা মনে পড়ছে...

উইলিয়াম?

না, না, না...

- এটা কি… মনে করিয়ে দেয়… - না।

স্মৃতিগুলো?

ম্যাক্স, হলি...

ওরা পালিয়ে গেছে, তাই না?

পায়ের চোট কি তোমায় ধীর করে দিল?

তুমি নিজেকে খুব চালাক ভাবো, তাই না?

কিন্তু মনে রেখো, আমিই সেই সত্তা।

যে তোমাকে ভেতরে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল।

তুমি ছিলে আমার বাহন।

আমার গুপ্তচর।

আমার নির্মাতা।

নির্মাতা?

সুড়ঙ্গগুলো কীভাবে তৈরি হয়েছে বলে মনে করো, উইলিয়াম?

তুমি সেগুলো নির্মাণ করেছ।

প্রতি রাতে যখন তুমি ঘুমাতে।

তোমার ভেতরে অনেক ক্ষমতা রয়েছে।

কিন্তু ভুল করো না, খোকা।

ওসব আমারই দেওয়া ক্ষমতা,

আর তা আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে শক্তিশালী।

অনেক বেশি শক্তিশালী।

এখন, অবশেষে সময় এসেছে।

আমার বাহনেরারা এবার আমাদের নতুন জগতে নিয়ে যাবে।

আরও ভালো এক জগৎ।

দুঃখের বিষয়, তোমাদের জগৎ আর থাকবে না।

কারণ ম্যাক্স তোমাদের এক বাহন দখলে নিয়েছে।

গর্ত থেকে শিয়ালকে বের করে আনার অনেক উপায় আছে, উইলিয়াম।

আর তুমি আমাকে সাহায্য করবে।

তুমি আবার আমার গুপ্তচর হবে।

শেষবারের মতো।

অসম্ভব।

কোনোদিনই না।

তুমি যত বেশি বাধা দেবে...

তত বেশি কষ্ট হবে।

নির্বোধ।

- এই যে! - তুমি কী করছ?

দেখছি সে এখনো বাইরে আছে কি না।

- সে নেই। - তুমি কীভাবে জানলে?

কারণ সে জানে এখানে আমাদের ধরতে পারবে না। চলো।

সে বলেছিল যে পরিস্থিতি বদলেছে, অন্য উপায়ও আছে।

হ্যাঁ, আর সে ডাহা মিথ্যেবাদী। তোমার এতক্ষণে তা বুঝে যাওয়া উচিত।

তো আমাদের কাজটা কী? হাত-পা গুটিয়ে বসে থেকে মরার জন্য তৈরি হওয়া?

না রে বাবা, আমরা মোটেও হার মানছি না।

আমরা শুধু উদ্ধার হওয়ার আগ পর্যন্ত বেঁচে থাকার চেষ্টা করছি।

- ইলেভেন আমাদের বাঁচাবে? - হুম।

তুমি জানলে কীভাবে যে ও-ই ছিল?

যদি না তোমার চেনা অন্য কারো মানসিক শক্তি থাকে

যে বহুদূর থেকে ভেকনার মগজে সিঁধ কাটতে পারে,

ওর সাথে ফাইট করে আমাদের পালাতে বলবে, তবে ও সে-ই।

এতে বোঝা যায় সে আমাদের অবস্থান জানে এবং আমাদের বাঁচাতে আসবে।

এখন, তুমি কি একটু পায়চারি করা বন্ধ করবে?

সত্যি বলছি, তুমি আমায় তোমার ভাইয়ের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছ।

ধন্যবাদ।

হেনরি কেন এখানে প্রবেশ করতে পারে না?

আমি জানি না।

তোমার কাছে তো দুই বছর সময় ছিল।

নিশ্চয়ই তোমার কোনো ধারণা আছে।

বসে বসে চুপ থাকার চেয়ে কথা বলি।

- এই কারাগার... - কামাজোটজ।

কামাজোটজ। নিশ্চয়ই।

এটা হেনরির স্মৃতি দিয়ে তৈরি, তাই না?

এই গুহাটাও তার স্মৃতির অংশ।

তাই ভাবছি, ব্যাপারটা এমন হতে পারে…

জানি না, এমন কোনো স্মৃতি,

হেনরি যার মুখোমুখি হতে চায় না।

মানসিকভাবে যন্ত্রণাদায়ক কোনো বিষয়।

যদিও এখানে দূরদূরান্ত পর্যন্ত ভয় পাওয়ার মতো কিছু নেই, তো...

হয়তো তেমন কিছু না।

যাই হোক, এটাই আমার থিউরী।

আমার ভালো লেগেছে।

ধন্যবাদ।

আর তোমার কথা যদি সত্যি হয়,

তাহলে এই স্মৃতিটাই আমাদের পালানোর রাস্তা হতে পারে।

- কী? - আচ্ছা, শোনো...

আমার বাড়ি, তোমার চিলেকোঠা, সেগুলোও মর্মান্তিক স্মৃতি ছিল,

সেই স্মৃতিগুলো আমাদের কামাজোটজ থেকে উদ্ধার করেছিল।

তাই হয়তো হেনরির স্মৃতিও সাহায্য করতে পারে।

প্রথমত, যেমনটা আমি বলেছি, এখানে কিছুই নেই।

দ্বিতীয়ত, আমাদের স্মৃতিগুলো কেবল মর্মান্তিক ছিল না।

এগুলো সেই মুহূর্তের স্মৃতি, যখন হেনরি আমাদের মন নিয়ন্ত্রণ করেছিল।

ও নিজের মন তো আর চুরি করতে পারবে না, তাই না?

- তুমি কিভাবে জানো? - কারণ সেটা কোনো যুক্তির সঙ্গে মিলে না।

আর এই স্থানের সবকিছু কি অর্থবহ মনে হয়?

মানে,

হয়তো সেখানে কোনো এক...

কোনো চোরা গলি বা ওই জাতীয় কিছু আছে।

হ্যাঁ, সত্যি, আমি গোপন পথের কথা একদম ভুলে গিয়েছিলাম।

আর বাইরে কী আছে?

বালু। প্রচুর বালু।

- তুমি কি তা খুঁজে দেখেছ? - হ্যাঁ।

- সবটা? - এটা মাইলের পর মাইল বিস্তৃত।

তো, না।

তুমি বাইরে বের হতে পারবে না।

হলি, আমরা এখানেই থাকব আর ইলেভেনের জন্য ওয়েট করব, ব্যস।

আমার মনে হয় না হেনরি স্রেফ হুমকি দিচ্ছিল

যখন ও বলল তোমার কাছে আসার অন্য রাস্তা আছে।

ওটা হওয়ার আগে আমাদের বেরোনোর পথ খুঁজতে হবে।

তুমি কি আসছ?

নাকি একটা বাচ্চাকে একা মরুভূমিতে যেতে দেবে?

আমার কথাটি ফিরিয়ে নিলাম।

তুমি আমায় তোমার ভাইয়ের কথা মনে করিয়ে দাও না। তুমি খোদ তোমার ভাই-ই!

জয়েস?

কেউ কি অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সংস্থায় ফোন করেছে?

মাইক।

এল!

ওহ, মাইক...

আমি এখন এখানে।

তুমি ঠিক আছো।

আমি ঠিক আছি।

এ হলো কালি,

আমার বোন।

আর এ নিশ্চয়ই সেই নামকরা মাইক সাহেব।

আমি... আমি বুঝতে পারছি না।

লম্বা গল্প, একবার বলাই ভালো।

আমাদের বাকি অভ্যর্থনা দলের সদস্যরা কোথায়?

সে এখানেই আছে।

ওহ খোদা।

সে কতক্ষণ ধরে এমন অবস্থায় আছে?

কয়েক ঘণ্টা।

তোমার কি মনে হয় তুমি তাকে খুঁজে পাবে?

সেখানে কি কোনো ইঙ্গিত আছে যে ওয়ার্মহোল ভেঙে যেতে কত সময় লাগে?

দশ মিনিট, সম্ভবত বিশ মিনিট?

ভেবেছিলাম সাথে সাথে হবে। কিন্তু হলো না।

- তোমাকে হতাশ মনে হচ্ছে কেন? - আমি হতাশ নই।

- তোমাকে হতাশ মনে হচ্ছে। - আমি বিভ্রান্ত।

আমার মতে, দুইটি সম্ভাবনা আছে।

হয়তো এটা মৃত্যুর পরের জগত আর আমরা আত্মায় পরিণত হয়েছি।

- যার সম্ভাবনা ক্ষীণ। - ওহ।

অথবা ন্যান্সি এক্সোটিক ম্যাটারটি সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করতে পারেনি।

কারণ সে যদি তা করত, তবে ওয়ার্মহোলের দেয়ালগুলো ধসে পড়ত।

আর আমরা এক অসীম শূন্যতায় হারিয়ে যেতাম।

ঠিক আছে, তবে আমরা এখানে কিসের জন্য অপেক্ষা করছি?

তুমি কোথায় যাচ্ছ?

ন্যান্সিকে খোঁজার সিগন্যাল পাই কি না দেখতে।

- স্টিভ, দাঁড়াও। - চলো, হেন্ডারসন।

- দাঁড়াও! - চলো।

স্টিভ, আমরা জানি না যে এখানটা নিরাপদ কি না।

তুমি বলেছ এক্সোটিক ম্যাটার ধ্বংস হয়নি।

না, আমি বলেছি এটি পুরোপুরি ধ্বংস হয়নি।

তবে এটা স্পষ্টভাবে অস্থির হয়ে উঠেছিল।

আমরা জানি না এর প্রভাব পদার্থ, স্থান-কাল এবং গ্র্যাভিটির ওপর কেমন হবে।

এই পুরো ভবনটি হতে পারে এক...

এক অতি অস্থিতিশীল, পদার্থবিজ্ঞানকে চ্যালেঞ্জ করা মৃত্যুর ফাঁদ।

আমার কাছে এটা যথেষ্ট স্থিতিশীল মনে হচ্ছে।

ন্যান্সি, শুনতে পাচ্ছ? জোনাথন, তুমি কি আছো?

হ্যালো?

হায় ঈশ্বর।

দয়া করে বলো যে তারা ওখানে নেই।

না, না, না, না। না! ন্যান্সি!

ন্যান্সি! না, না, না।

ন্যান্সি!

চলো। ন্যান্সি।

চলো। ন্যান্সি।

- তুমি কি ঠিক আছো? ঠিক আছো তো? - হ্যাঁ। আমার তাই মনে হয়।

কী হয়েছিল?

কিচ্ছু জানি না। মাথা কাজ করছে না।

মনে হয় আমরা পড়ে গিয়েছিলাম।

আর ওটা ধ্বংসও হয়নি।

উল্টো ওটাকে রাগিয়ে দিয়েছি।

চলো। যাওয়া যাক।

চলো এখান থেকে পালাই।

- দরজাটা কোথায়? - সর্বনাশ।

ওই তো ওখানে। চলো।

শিট!

না, না, না! ধ্যাত! না, না!

কাম অন!

ন্যান্সি গির্জায় কোনো চিঠি বা কিছু রেখে যায়নি?

না, কিছুই না।

অর্থাৎ তারা অত্যন্ত দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ করেছে,

অথবা তারা সেনাবাহিনীর হাতে আটক হয়েছে।

তোমার মন শান্ত করতে বলি, আমি দায়িত্বহীনতার দিকেই বেশি ঝুঁকছি।

দাড়াও, আর ওই মাংসের দেয়ালটা নিয়ে কী ভাবছ?

তারা ওই বিশাল ভ্যাকুয়াম ক্লিনারের ভেতরে ঢুকে গেছে? না, আমার তা মনে হয় না।

কিন্তু আমি সত্যিই জানি না, মাইক। তোমার মতো আমারও মাথা ঘুরছে।

ম্যাক্স, হলি, এই দেয়াল...সবকিছুর মাঝে নিশ্চয়ই কোনো যোগসূত্র আছে,

কিন্তু জটটা কোথায় লেগে আছে বুঝতে পারছি না।

মনে হচ্ছে ধাঁধার কোনো একটি অংশ হারিয়ে গিয়েছে।

এক বড় অংশ।

অংশগুলো ভেকনার মনে আছে, আর এখন সেখানে ঢোকার পথ মিলেছে।

কিন্তু জেন এখনো কিছুই খুঁজে পায়নি।

বাপরে! সবার মুখে হাসি ফোটাতে লাট সাহেবা হাজির।

সে সেখানে বেশ হিমশিম খাচ্ছে।

তাই নাকি? তাহলে তাকে একটু সময় দাও।

সে শক্তিশালী নয়, বরং দুর্বল হয়ে পড়ছে।

তো তুমি এখন এল-এর বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হয়ে গেছ নাকি?

তুমি তাকে কত দিন ধরে চেনো, দেড় দিন বড়জোর?

সত্যি বলতে, তোমার চেয়েও বেশি দিন।

আমরা একসাথে বড় হয়েছি, আর তার নাম হলো জেন।

- জেন হপার। - আমি শুধু সাহায্য করতে এসেছি।

তুমি শুধু সাহায্য করতে এসেছ। বেশ, দুঃখিত যে আমার সব কৃতজ্ঞতা ফুরিয়ে গেছে।

তুমি তো বলেছিলে এই লড়াই অর্থহীন।

তুমি বলেছিলে সবকিছুই অর্থহীন।

আমি কখনো তা বলিনি।

তাই? আমার কাছে তো ওটাই মনে হলো।

আমি তোমাকে দুই সেকেন্ডের জন্য এল-এর সাথে একা ছাড়লাম আর তুমি ওর মাথা বিষিয়ে দিলে।

সে হয়তো উইলকে খুঁজে পাচ্ছে না কারণ তুমি ওকে ঘাবড়ে দিয়েছ।

সব গোলমাল শুরু হয়েছিল তোমার থেকেই।

তোমার বলা মিথ্যাগুলোর জন্য।

আমি যা কিছু করেছি...

...তা কেবল তাকে রক্ষা করতেই। ওটা নিজেকেই বারবার বোঝাতে থাকো,

তবে সত্যিই যদি তাকে বাঁচাতে চাও, তবে তার সত্যটা জানা দরকার,

আর ওপাশে যা তার জন্য অপেক্ষা করছে, তার মুখোমুখি হতে তাকে প্রস্তুত থাকতে হবে।

হেনরিকে মারলে সব শেষ হবে না।

তুমি কী বোঝাতে চাইছ?

এর কোনো মানে নেই। সে একটা শিশু। সে কী বলছে, তা সে নিজেও জানে না।

সে অবান্তর কথা বলছে।

আমার মনে হয় তুমি জানো আমি অবান্তর কথা বলছি না।

কিন্তু জেনকে যেমন মিথ্যা বলছো, তুমি নিজেকেও তেমনই ধোঁকা দিচ্ছ।

তুমি জানতে চাও কেন আমি এখনো এখানে?

এটা যেন আর কখনো না ঘটে, তা নিশ্চিত করতেই আমি এখানে।

এল।

এল।

এই, সব ঠিক আছে তো?

আমি ওকে পাচ্ছি না। ও বারবার ফসকে যাচ্ছে।

বেশ, ভেতরে প্রচুর খাবার আছে,

খেয়ে নাও, রেস্ট নাও, শক্তি জমা করো, পরে আবার দেখব।

অথবা...

আমরা তোমার সিগন্যাল আরও শক্তিশালী করতে পারি।

- ট্যাঙ্কটা। - হ্যাঁ, সেট করতে সময় লাগবে।

কিন্তু যা-ই হোক, তোমাকে তো আগে চাঙ্গা হতে হবে।

আর ওটা বানাতে বেশ বেগ পেতে হয়েছে, তাই আমি চাই ওটা একটু কাজে লাগুক।

- ডরিস, পরে সাইন করব। - আমি মেন্টাল সাপোর্টের জন্য আসছি।

মিস বাকলি! মিস বাকলি!

ওহ! জানো কী হয়েছে?

হেই!

- আমাদের কথা বলা দরকার। - হ্যাঁ।

- দাঁড়াও রবিন! - আমাকে এটা সামলাতে হবে। তুমি যাও!

প্ল্যানের কী হবে?

ভিকি।

শোনো, আমি জানি তুমি রেগে আছো, আর তোমার রাগ হওয়াটাই স্বাভাবিক।

- ওরা তোকে হন্যে হয়ে খুঁজছে। - কে খুঁজছে আমায়?

- নিরাপত্তা কর্মীরা। এমপিরা। - কেন?

- নাটক করছ? - আমি একদমই জানি না।

আচ্ছা, একটা হিন্ট দিই।

তুমি, মিস্টার বেলির রুম, ওষুধ।

তো, এখন কি কিছু মনে পড়ছে?

রবিন, তোমার এখনই আমাকে সব খুলে বলতে হবে।

ঠিক আছে ম্যাক্স, এবার বাড়ি ফেরার সময় হয়েছে।

মনে হয় আমরা অনেকক্ষণ ধরে এটা করছি।

এই জায়গার প্রতিটি ইঞ্চি আমরা খুঁজেছি।

অবশেষে তুমি আমার কথা বুঝেছ।

জানি না ঠিক কতদিন ধরে এখানে আমি খুজে বেড়াচ্ছি।

তুমি হুট করেই এমন কিছু খুঁজে পাবে না যা আমি পাইনি, বুঝলে?

আমার ভাই কি কখনো আঙ্কেল এরিকের কথা বলেছে তোমাকে?

আঙ্কেল এরিক?

তিনি একজন মেটাল ডিটেক্টরিস্ট। তুমি কি জানো সেটি কী?

সে লোহালক্কড় খুঁজে বেড়ায়।

হ্যাঁ, তার মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে।

অনেক পুরোনো সম্পদ আর মরা মানুষের মাটির নিচের জিনিস খোঁজে।

যাই হোক, ওর খোঁজার প্রিয় জায়গা হলো ইন্ডিয়ানা বিচ পার্ক।

মানে, সে বছরের পর বছর সেখানে খুঁজেছে,

কিন্তু ও শুধু কিছু সস্তা জিনিসই পেয়েছে।

তারপর একদিন, সে খবরের কাগজ খুলে দেখে একদম প্রথম পাতায় বড় খবর,

এক সাধারণ পর্যটক একটি টিনের কৌটা খুঁজে পেয়েছেন

যা সোনা আর রুপোর মুদ্রায় ঠাসা আর তার মূল্য হবে লক্ষ লক্ষ ডলার।

আচ্ছা, তার মানে আমি হলাম এরিক আঙ্কেল...

আর আমি হলাম সেই পর্যটক।

কি বোকামি।

'এম' দিয়ে জায়গাটি চিহ্নিত করা আছে।

- তুমি কোথায় যাচ্ছ? - আমার একটা আইডিয়া আছে।

- কিসের আইডিয়া? - কাছে গেলে তোমায় দেখাব।

- হলি! - তুমিই তো বললে তুমি ফিরে যেতে চাও।

বেশ, আমরা ফিরে যাচ্ছি।

বন্ধুরা, শুনতে পাচ্ছ? আমরা আসছি। আবার বলছি, আসছি।

স্টিভ, গতি কমাও! আমরা যত ওপরে উঠব, বিপদ তত বাড়বে।

তাই তো আরও দ্রুত যেতে হবে।

মরে গেলে কাউকে সাহায্য করতে পারব না। স্টিভ!

যেমনটা আমি বলছিলাম...

কাম অন!

ধুর ছাই!

তুমি কী করছ?

কয়েক তলা নিচে মনে হলো এক সৈন্য ওই দরজাটা কেটে ভেতরে ঢুকেছে।

সাবধান।

সর্বনাশ! পেছনে হটো!

বাল!

ওহ খোদা!

ওরে বাবা!

টেবিলটা! টেবিলের কাছে যাও!

এখন কী হবে?

বাঁচাও! বাঁচাও!

- বাঁচাও! বাঁচাও! - স্টিভ!

- বাঁচাও! বাঁচাও! - এই যে! বাঁচাও!

- বাঁচাও! বাঁচাও! - বাঁচাও! বাঁচাও!

সব গুছিয়ে এনেছি প্রায়।

এল এটা ঠিক করে দেবে।

ও সব সামলে নেবে।

এটা আমার আইডিয়া ছিল, হপ।

ওটা ছিল...

ওকে ওখানে পাঠানোর বুদ্ধি আমার ছিল।

আমি জানি না। শুধু ভাবছিলাম, হয়তো,

যা কিছু ঘটেছে আর তাকে আমি যা করতে দেখেছি তার পর...

আমার নিকট মনে হলো যে এতদিন যাবৎ

আমি ওকে বাঁচানোর যে চেষ্টা করেছি,

আসলে আমিই ওর পায়ে শিকল হয়ে ছিলাম

ওর কথা না শুনে,

ওকে বিশ্বাস না করে।

আর তাই আমি যদি...

জানি না। যদি আমি বিশ্বাস করে হাল ছেড়ে দিতাম,

তাহলে, জানি না, হয়তো সবকিছু ঠিক হয়ে যেত। আর…

মনে হয় আমার নেওয়া প্রতিটি সিদ্ধান্তই ভুল।

বুঝতে পারছি।

মানে, তুমি ওদের এমন পরিস্থিতিতে ঠেলে দিতে পারো যার জন্য ওরা প্রস্তুত নাও থাকতে পারে।

তুমি আমার মতো হতে পারো, অতিমাত্রায় রক্ষণশীল,

আর তার জন্য ওরা তোমাকে অপছন্দ করতে শুরু করে।

জয়েস, বাবা-মা হওয়ার একটা বাস্তবতা আছে…

জীবনভর একটা কথাই তোমাকে মনে করিয়ে দেবে

যে তোমার নেওয়া প্রতিটি সিদ্ধান্ত

ভুল ছিল।

এটা তোমার দোষ না, জয়েস।

এটার দায় তোমার নয়।

ওটা সুন্দর লাগছে। মারে পেয়েছে ওটা?

হ্যাঁ।

সান্টা ক্লজের রুচি বেশ ভালো।

হেই, স্কোয়াক-এ থাকাকালীন,

কালি অদ্ভুত কিছু একটা বলেছিল

যে হেনরিকে মারলেও এই সব শেষ হবে না।

তুমি কি জানো সে কী বোঝাতে চেয়েছিল?

ওটা কোনো ব্যাপার না।

আচ্ছা, যদি এটা গুরুত্বপূর্ণ না হয়, তাহলে হপ তার ওপর এত ক্ষুব্ধ হয়েছিল কেন?

কিচ্ছু না মাইক, সত্যি।

- বন্ধুরা মিথ্যে বলে না। - মিথ্যে বলছি না।

তুমি এড়িয়ে যাচ্ছ। এটা ঠিক না। আমি শুধু হেল্প করতে চাই।

এই ব্যাপারে তোমার কিছু করার নেই।

সে সিদ্ধান্ত আমি নেব।

এল, প্লিজ।

আপসাইড ডাউনে একটা ল্যাব আছে।

ওরা পাপার প্রোগ্রাম আবার শুরু করছে।

নতুন সব গিনিপিগ বানানোর ধান্দায় আছে ওরা।

সেনাবাহিনী?

আচ্ছা।

ভেকনাকে মারার পর এই নতুন ল্যাবটা ধ্বংস করব।

ওই খেলা খতম করব। স্রেফ চুটকিতেই সেরে ফেলব।

মাইক, না, তুমি বুঝতে পারছো না।

নতুন সদস্য বানাতে ওদের ল্যাব লাগবে না।

হেনরির রক্ত।

ওটা আমার শরীরেই বইছে।

আমি কোনো দানব নই।

এখন আমি সেটা জানি।

কিন্তু আমাকে ব্যবহার করে, আমার রক্ত দিয়ে,

তারা আরও দানব তৈরি করতে পারে।

ওরা একটার পর একটা হেনরির জন্ম দেবে।

সেনাবাহিনী সব সময় তোমায় খুঁজে বেড়াবে।

আমরা জানি ওটা। একারণেই আমরা হকিন্সে থাকব না।

এই সব মিটে গেলে আমরা চলে যাব।

দূর কোনো অজানা দেশে পালিয়ে যাওয়ার কথা। মনে আছে?

এমন কোথাও যেখানে তারা আমাদের খুঁজে পাবে না।

এমন এক জায়গা যেখানে অন্তত একটি জলপ্রপাত আছে।

মাইক।

এটা বাস্তব, কোনো গেম না।

তুমি এ গল্পের শেষটা লিখতে পারবে না।

অন্তত এবার নয়।

হয়তো আমি পারব না।

কিন্তু আমরা পারব।

তুমি, আমি, লুকাস, উইল আর ডাস্টিন।

কারণ এটা আমাদের গল্প।

আর এর শুরু হবে উইলকে ফিরিয়ে আনার মাধ্যমে।

ম্যাক্স।

তুমি কি বুঝতে পারছো যে তোমার আর দূরবিনের প্রয়োজন নেই? ওটা তো আমারই গুহা।

হ্যাঁ।

আর ঢাকনাটা এখনো লাগানো।

হ্যাঁ।

দেখো।

ছিপি লাগানোই আছে।

আচ্ছা, খুব অন্ধকার।

কিন্তু পুরোপুরি নয়।

ওই আলোর ঝিলিকটা নজরে পড়ছে?

এটা তো গুহার প্রবেশপথের আকৃতির সঙ্গে মিলে যায়।

গুহার মতো একই আকৃতিতে এটাতে ফাটল ধরার সম্ভাবনা কতটা,

যে গুহাটিতে হেনরি গিয়েছিল বলে আমরা জানি?

আমার মনে হয় এই ক্যাপটাই একটা মানচিত্র, হেনরি ছোটবেলায় বানিয়েছিল।

যা আমাদের কোনো গোপন জায়গায় নিয়ে যাবে।

আমাদের শুধু আকৃতিগুলো মিলিয়ে দেখতে হবে।

আর তোমার মতে, এই গোপন স্থানে আমরা কী খুঁজে পাব?

হেনরির কোনো যন্ত্রণাদায়ক স্মৃতি?

সেটা। আর কামাজোটজ থেকে বের হওয়ার পথ।

এটাই আমার ন্যূনতম অনুমান।

- আমার ভালো লেগেছে। - থ্যাংকস।

তবে তোমার এই থিউরীতে একটি ছোট ফাঁক আছে।

আমরা সেই গোপন স্থানের কাছাকাছি, আর আমার চোখ আছে,

আর আমি এখনো প্রচুর বালু ছাড়া আর কিছুই দেখতে পাচ্ছি না—

দাঁড়াও!

দাঁড়াও!

'এম' দিয়ে জায়গাটি চিহ্নিত করা আছে।

ভিক, তুমি কি কিছু বলতে চাও?

তোমার চেহারা দেখে আসলে কিছুই বোঝা যাচ্ছে না।

জানি, একসাথে এত কিছু হজম করা কঠিন।

দানব আর অন্য জগত,

আর আমি বুঝতে পারছি যে টার্নবোদের ওষুধ খাওয়ানোটা একটু অনৈতিক ছিল—

- আচ্ছা থামো, রবিন। দয়া করে থামো। - আমি তোমাকে লক্ষ বার বলার চেষ্টা করেছি।

না, তুমি মিথ্যে বলেছ। বারবার মিথ্যে বলেছ।

- জানতাম কিছু একটা সমস্যা আছে। - জানি! সরি!

"কাজে খুব ব্যস্ত। কাল ফোন করব।"

"সরি, স্কোয়াক-এ আবার ঝামেলা হয়েছে।"

মানে, রেডিও স্টেশনে সারারাত কে কাজ করে?

আর কোন আহাম্মকে এটা বিশ্বাস করবে?

সম্ভবত আমিই সেই কপালপোড়া, ভিকি,

যে ঘরে বসে চাতক পাখির মতো ফোনের অপেক্ষায় থাকে

যখন তুমি বন্ধুদের সাথে নেশা করছো।

নেশা করছি মানে?

ছাড়ো তো রবিন। তুমি এখন নেশার ঘোরে আছো।

তুমি ভুল ভাবছো। আমি নেশা করছি না।

- আচ্ছা, দুঃখিত। - আমার দিকে একবার তাকাও!

তুমি তোমার বন্ধুদের নিয়ে দানব শিকারে ব্যস্ত ছিলে!

খোদা! আচ্ছা, হয়তো তুমি নিজেই এটা বিশ্বাস করো।

তুমি যেভাবে নেশায় মত্ত ছিলে, হঠাৎ বন্ধ করলে,

এটা বিভ্রান্তি, অহেতুক আতঙ্ক আর হ্যালুসিনেশন তৈরি করতে পারে...

এগুলো কোনো হ্যালুসিনেশন নয়!

বেশ। তো পুরো কিচ্ছাটা আরেকবার ঝালাই করি।

- একটা অশুভ জাদুকর আছে... - হুঁ।

- যে শিশুদের ধরে নিয়ে যাচ্ছে। - হ্যাঁ।

- আর তাদেরকে স্বপ্নের জগতে পাঠাচ্ছে। - ঠিক।

ভিকি, পৃথিবীটা চার ভাগে ভাগ হয়ে গিয়েছে।

সেনাবাহিনী আমাদের শহর দখল করে নিয়েছে।

আমি যা বলছি তা কি খুব আজব শোনাচ্ছে?

আস্ত পাগলামি!

জানতে চাও আমার মুখ দেখে কী মনে হচ্ছে?

- হ্যাঁ। - রাগ।

কিন্তু সাথে অল্প একটু, একদম সামান্য,

দুশ্চিন্তা।

কারণ আমি তোমার ওপর অনেক রাগ করলেও,

রবিন, তুমি অসুস্থ এবং তোমার সাহায্যের প্রয়োজন।

তোমার জরুরি সাহায্য দরকার।

- আমি কিছু ওষুধের বিষয়ে ফোন পেয়েছিলাম... - একটু দাঁড়ান।

আপনি কি তাকে দেখেছেন?

রবিন বাকলি?

হ্যাঁ, সে এখানেই আছে। আমি তাকে মাত্র ওই ঘরের ভেতরে যেতে দেখলাম।

ভিকি, আমি অত্যন্ত লজ্জিত।

থামাো।

- কিন্তু আমাকে যেতে হবে। - রবিন!

হেই!

এই যে, আমি তোমার সাথেই কথা বলছি!

বাকলি, থামো!

তুমি কোথায় যাচ্ছ?

বাঁচাও!

- বাঁচাও! - ডাস্টিন!

- বাঁচাও! স্টিভ! - হেই!

ওহ, থ্যাংকস।

স্টিভ, তুমি কী করছ? এটা কাজ করবে না। থামো।

স্টিভ, থামো। এটা নিরাপদ না।

- তুমি পড়ে যাবে। - এটা নড়বড়ে। আমি বুঝেছি, ঠিক আছে?

না, যেয়ো না! জেদ করো না!

আরে না রে ভাই! আমি ওদের কাছে যেতে চাচ্ছি!

তুমি সবসময় নিজেকে মৃত্যু ঝুঁকিতে ফেলো, আমি আবার তা হতে দেব না।

দয়া করে এত স্বার্থপর হয়ো না।

তুমি ওখানে গেলে মরে যাবে, আমি আর এটা সইতে পারব না।

তুমি মরতে পারো না কারণ আমি আবারও সেই শোক সইতে পারব না।

আর এমন হতে দিয়ো না। প্লিজ। প্লিজ আর এমন কোরো না।

অন্তত তুমি না।

সরি।

না, না, না।

- বাঁচাও! - বাঁচাও!

- আসো! বাঁচাও! হেই! - বাঁচাও!

নিচু, নিচু হও! নিচু হও!

- আমরা কী করছি? - বসলে ওজনটা সমানভাবে ছড়িয়ে পড়ে।

জনাব গোল্ডস্টাইন এবং পদার্থবিজ্ঞানের সূত্র।

এতে আমরা একটু সময় হাতে পাব।

ওরা নিশ্চয়ই এতক্ষণে আমাদের শুনতে পেয়েছে।

তাহলে ওরা সাড়া দিচ্ছে না কেন?

তারা সাড়া দিলেও ঠিক কী ধরণের সহায়তা করতে পারবে?

কিছু একটা তো করবেই।

হ্যাঁ। হ্যাঁ।

ওরা আসবে না।

এমন কথা বলো না, প্লিজ।

তুমি সত্যিটা জানতে চেয়েছিলে।

ওই 'দ্য ক্ল্যাশ' ব্যান্ডটা আমার দু-চোখের বিষ।

কী?

'দ্য ক্ল্যাশ' আমার একদম ভালো লাগে না।

যখনই তুমি ওদের গান চালাও, আমি স্রেফ অন্য জগতে পালানোর ধান্দা করি।

হ্যাঁ।

তোমার লেখা পড়তে আমার ভীষণ বিরক্ত লাগে।

তুমি আসলে আমার মতামত শুনতে চাও না।

তুমি শুধু চাও যেন আমি বলি যে সেগুলো চমৎকার হয়েছে।

কারণ সেগুলো সত্যিই চমৎকার।

বেশিরভাগ সময়।

বেশিরভাগ...

বাহ। ঠিক আছে।

আমি কখনো 'স্লটারহাউজ-ফাইভ' পড়িনি।

আমি শুধু সারসংক্ষেপ পড়েছি আর ভান করেছি যে ভালো লেগেছে।

আমি কখনো 'আন্না কারেনিনা' পড়িনি।

আমি স্রেফ একটু উল্টে পাল্টে দেখে ভাব নিয়েছিলাম যে খুব পছন্দ হয়েছে।

তুমি সবসময় ঠিক ৬ মিনিট দেরি করো,

আমি কিছু বলি না, কিন্তু রাগে তখন আমার দেয়ালে কিল মারতে ইচ্ছা করে।

আমি তোমার গোলাপি সোয়েটারটা 'গুডউইল'-এ দিয়ে দিয়েছিলাম।

কী? আমি ওটা খুঁজছিলাম।

তুমি জানো যে আমি গোলাপি রং অপছন্দ করি।

কিন্তু পরে আমার খারাপ লেগেছিল, যদি এটা শুনে খুশি হও।

আমি সেই পার্পল পাম ট্রি ডিলাইটের শেষ প্যাকেটটা টয়লেটে ফ্লাশ করে দিয়েছিলাম,

আর সেটা নিয়ে আমার কোনো অনুশোচনা হয়নি।

- কাম অন। - নেশা করলে তোমাকে আমার ভালো লাগে না।

তুমি যখন মাতলামি করো, তখন তোমাকে ভালো লাগে না।

তুমি নেশায় আর আমি মাতাল থাকলে আরও বেশি খারাপ লাগে।

আমারও।

আমরা কেন এমন করি?

জানি না।

আমি কখনো এমারসনে অ্যাপ্লাই করিনি।

জানি

তুমি আগে কিছু বলোনি কেন?

তুমি বলোনি কেন?

আমার নিজের কাছেও পরিষ্কার না।

আমার শুধু মনে হচ্ছিল, আমি যেন…

বড় কোনো অন্যায় করছি।

যেন আমি প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মের বিরুদ্ধে যাচ্ছিলাম।

মানে, ওই যে…

আমরা যে পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে গিয়েছি, তা আসলে...

তুমি কি আমাদের সেই কষ্টের কথা বলছো?

হ্যাঁ।

অন্য কেউ এটা কীভাবে বুঝবে?

এটা আসলে অনেকটা...

এমন এক জিনিস যা...

আমাদের সারাজীবনের জন্য এক সুতোয় গেঁথে দিয়েছে।

বুঝতে পারছো?

এটা আমাকে নিরাপদ মনে করাত।

কিন্তু একই সঙ্গে…

আমি বলতে পারছি না।

মাঝেমাঝে তো দম আটকে আসে ওতে।

সেটাই।

একবার বসন্তের ছুটিতে,

তুমি যখন লেনোরায় ছিলে…

কাজের জন্য আমার সেখানে থাকা বাধ্যতামূলক ছিল না।

ফ্রেড আমার বদলে কাজ করতে পারত।

এই জন্যই আমি সেখানে থেকে গিয়েছিলাম।

ভেতরে ভেতরে একটা চাপ ছিল…

আমার একটু একা থাকার দরকার ছিল।

অন্য কারো সাথে থাকার জন্য?

স্টিভ ভালো ছেলে।

ও আমায় বেশ হাসাতে পারে।

আর ওর চুল তোমার চেয়ে ভালো। মানে, অনেক বেশি সুন্দর দেখতে।

তবে বিষয়টি তেমন নয়।

না, তার সাথে আমার এমন কোনো সম্পর্ক ছিল না।

আমরা একদম ভিন্ন ধাঁচের মানুষ।

জানো ও কী বলেছে? ও ছয়টা বাচ্চা চায়।

ছয়টা বাচ্চা?

ছয়খানা ছোট ছোট কচি বাচ্চা।

এ তো দেখছি আস্ত একখানা ফুটবল টিম বানাবে।

কিন্তু আমার কথা হলো…

ও জানে ও কী চায়, ওটা ভালো।

কিন্তু আমি...

জানি না।

আর...

আমি ভাবছিলাম হয়তো একটু সময়-টময় হাতে পাব ওসব বোঝার জন্য।

- কিন্তু তারপর... - পৃথিবীটা চার ভাগে ভাগ হয়ে গেল।

আর এখন...

আর এখন...

হেই...

একটা চূড়ান্ত স্বীকারোক্তি।

বড়সড় একটা।

জন কোলট্রেন।

আমার মনে হয় যে...

তোমার সাথে অনেক অন্যায় করে ফেলেছি।

শেষমেশ একটা কাজ অন্তত ঠিকভাবে করতে পারলে ভালো লাগবে।

এই নাও।

ন্যান্সি হুইলার।

তুমি কি...

না...

আমায় বিয়ে করবে?

আমি নিজেকে বোঝানোর চেষ্টা করেছিলাম।

যে এটা কোনো না কোনোভাবে...

সব সমস্যার সমাধান করে দেবে।

কিন্তু তা কেবল পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলত।

তাই এটা আমার পকেটে কামানের গোলার মতো পড়ে ছিল...

গত দুই দিন ধরে।

তো তুমি কী বলো?

তুমি কি আমার বিয়ে না করার প্রস্তাবটা গ্রহণ করবে?

আমি তোমার প্রস্তাবটা মেনে নিলাম।

আমি তোমাকে ভালোবেসেছিলাম।

এখনো তোমাকেই ভালোবাসি,

ন্যান্সি হুইলার।

আমি তোমাকে ভালোবাসি, জোনাথন বায়ার্স।

ওহ মাই গড!

জোনাথন!

ওহ খোদা!

ওহ খোদা!

ধন্যবাদ।

আমি ওকে খুঁজে বের করবই।

ওকে বাড়ি ফিরিয়ে আনব।

ঠিক আছে। মনে রেখো, ওখান থেকে বের হতে চাইলে...

উইল, আমি এখানে আছি।

তুমি কোথায় আছ আমায় দেখাও।

আমায় দেখাও তুমি কোথায়।

উইল।

উইল।

উইল, শুনতে পাচ্ছ আমাকে?

উইল, ওঠো!

ওটা আমাকে দেবে?

কারও কি পড়ে যাওয়ার শব্দ হলো?

এগুলো সব পুরনো স্মৃতি ছাড়া তো কিছু নয়, তাই না?

এখানকার কোনো কিছুই আমাদের ক্ষতি করতে পারবে না।

কোনো কিছুই আমাদের আঘাত করতে পারবে না।

শুধু আমার পেছনে থেকো, ঠিক আছে?

- কিন্তু তুমি বললে যে-- - জানি আমি কী বলেছি।

আমাকে খুঁজে বের করলে কীভাবে?

কীভাবে আমাকে খুঁজে পেলে?

সে আমাদের দেখছে। সে আমাদের দেখতে পাচ্ছে। সে কীভাবে আমাদের দেখছে?

আমি আপনার ক্ষতি করব না।

দয়া করে গুলি করবেন না।

তুমি কে?

হেনরি। হেনরি ক্রিল। আমি এখানেই কাছাকাছি থাকি।

- কে পাঠিয়েছে তোমাকে? - কেউ পাঠায়নি।

- ওরাই তোমাকে পাঠিয়েছে। - আমি গুহায় ছিলাম, একটা চিৎকার শুনে এসেছি।

ওরাই তোমাকে পাঠিয়েছে!

আপনি ভুল বুঝছেন। আপনার একজন ডাক্তার দেখানো দরকার।

প্লিজ। প্লিজ।

হলি!

হলি!

শিট!

সব ঠিক আছে, ভয়ের কিছু নেই।

লোকটা হেনরিকে মারতে চাইল কেন? হেনরি তো সাহায্য করতে চেয়েছিল।

- আমি জানি না। - এটাই কি হেনরিকে খারাপ বানিয়েছে?

জানি না। কিন্তু এখন সব শেষ। আমাদের এগোতে হবে।

তোমার কথাই ঠিক হলো।

এই তো, কামাজোটজ থেকে বেরোনোর পথ পেয়ে গেছি।

ম্যাক্স?

শেষবারের মতো আমার হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি করবে।

খুঁজে পেয়েছি তোমাকে।

উইল। ভয় নেই উইল। আমি তোমার পাশেই আছি।

- এল... - আমি এখানে।

এল... এল...

এই তো আমি। তোমাকে বাড়ি নিয়ে যেতে এসেছি। সব ঠিক আছে।

আমি তাকে থামানোর চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু পারিনি।

ও দেখে ফেলেছে।

কী দেখেছে ও? ও কী জানতে পারল?

ম্যাক্স।

ও এখন জানে ও কোথায় আছে।

আর ও ওদের লেলিয়ে দিয়েছে ওর পেছনে।

ওরা ওকে ধরতে হকিন্সেই আসছে।

- এল! - এল, কী ব্যাপার?

তুমি ঠিক আছ তো?

এল, কী হয়েছে?

- ওর কি কিছু হয়েছে? - না, ও ঠিক আছে।

ভেকনা ম্যাক্সকে মেরে ফেলবে।

আমাদের এখনই হাসপাতালে যেতে হবে।

এই! কানে শোনো না? ও নেশার ঘোরে আছে।

- না, আমি ওসবের মধ্যে নেই। - জানেন এর মানে কী?

ওর হাসপাতালে থাকা দরকার, জেলে না।

চোখে কি দেখছ না? ও হাসপাতালেই তো আছে।

আরে এটা হকিন্স শহর। এমন নেশাখোর আমরা আগেও দেখেছি।

হাসপাতালে বিদ্যুৎ বিভ্রাট।

বুড়ির জন্য তো বিপদ, কিন্তু তাতে আমাদের কী!

আপনারা বুঝতে পারছেন না! আমাদের এখনই পালানো দরকার।

আমাদের কিছুই করতে হবে না। চুপচাপ হাঁটো, নেশাখোর।

আমি নেশাখোর নই।

অবিলম্বের সবাইকে এখান থেকে সরিয়ে নেওয়া না হলে,

আমরা সবাই মারা যাব।

দুনিয়ার এমন কোনো কথা নেই যা বলে তুমি

তোমাকে জেল থেকে বাঁচাতে পারবে। তাই ফালতু কথা বন্ধ করো।

- আমাদের এখান থেকে বের হতে হবে। - আমার কিছুই করার দরকার নেই।

পালাও!

ওরা আমাদের পিছু নেয়নি।

কী বললে? বুঝলাম না তো।

ওরা আমাদের পেছনে নেই। বের হওয়ার অন্য কোনো পথ আছে?

বেইজমেন্ট দিয়ে চলো! ওটা দিয়ে সোজা পার্কিংয়ে যাওয়া যাবে।

ঠিক আছে।

লুকাস, ধরো। ফোনটা ধরো।

ফোনটা তোলো! করছটা কী তুমি?

- ওগুলো কি ইংরেজি বোঝে? - না।

- তাহলে তো আর চুপিচুপি বলার দরকার নেই। - কী?

লুকাস, আমি রবিন বলছি। একটা ডেমো তোমার দিকে যাচ্ছে।

শুনতে পাচ্ছ? একটা ডেমো তোমার দিকে যাচ্ছে। ম্যাক্সকে নিয়ে এখনই বের হও।

লিফট ব্যবহার করো। ওরা সিঁড়িপথে অবস্থান করছে।

আমরা বেইজমেন্টে দেখা করব।

জলদি এসো। এসো।

ধ্যাত। জলদি করো!

ধ্যাততেরি!

এটা নড়ছেই না।

আমাদের চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে, বুঝলে?

কাম অন!

তুমি ঠিক আছ?

- আমি... আমি ঠিক আছি। - আচ্ছা।

- আমার হাতটা ধরো, ঠিক আছে? - আচ্ছা।

জেসাস!

সাবধান। ওরা আসছে!

- জলদি পালাতে হবে! - কোন দিক দিয়ে?

এখানে! এসব কী হচ্ছে?

- এদিকে! - ওরা আমাদের টের পাচ্ছে কীভাবে?

জানি না, তবে আমাদের এখান থেকে বের হতে হবে।

আচ্ছা। চলো।

- জলদি করো। চলো। - যাও, যাও।

জলদি এসো। দরজাটা বন্ধ করো!

- ধ্যাত। - যাও! শুধু যেতে থাকো!

- জলদি। - ধ্যাত!

আমাদের যেতে হবে!

- দরজা! দরজাটা খোলো! - যাও, যাও!

মুশকিল! এই দিকে সবাই! জলদি! এসো!

নিচু হও!

যদি পারতাম...

আমি সত্যিই দুঃখিত যে তোমাকে নেশাখোর ভেবেছিলাম।

এত লম্বা সময় ধরে তোমার কাছে মিথ্যা বলার জন্য আমি দুঃখিত।

একটা কথা বলি, এনজোর ব্যাপারে কিন্তু আমি মিথ্যা বলিনি।

আর যদি কোনো অলৌকিকভাবে আমরা বেঁচে যাই, তোমাকে সেখানে নিয়ে যাব।

তারপর আমরা পেট ভরে মিষ্টি খাব। কী বলো?

আমাদের এটা বন্ধ করতেই হবে।

একদম না! ম্যাক্স ফিরে আসছে, আমরা এটা বন্ধ করতে পারি না।

এছাড়া আর কোনো উপায় নেই।

ও ফিরে আসছে।

তুমি ঠিক আছ তো?

যাও।

আচ্ছা।

কী হে মুসাফির, বাড়ি ফেরার জন্য রেডি?

হ্যাঁ।

লুকাস।

হলি, একটু শোনো।

তুমি আমার সাথে আসতে পারবে না।

কী? মানে কী?

এই রাস্তাটা শুধু আমার গন্তব্যে নিয়ে যাবে?

আমার শরীরের দিকে, তোমার নয়।

তোমাকে তোমার নিজের পথ খুঁজে নিতে হবে।

কীভাবে? আমার কাছে কেট বুশ নেই। আমি তো চিনিও না ওকে।

এখান থেকে বের হতে কেট বুশের দরকার নেই।

আসলে আমারও আর দরকার নেই।

ফিরে যাওয়ার জন্য গানই একমাত্র পথ না।

তোমার শুধু এমন কিছু দরকার যা তোমাকে বাস্তবের সাথে বা বাড়ির সাথে জুড়ে রাখে।

অত্যন্ত শক্তিশালী কোনো কিছু,

অর্থবহ কোনো কিছু।

লুকাস, যখন ও হাসপাতালে আমার হাত ধরেছিল,

আমি সেটা অনুভব করতে পেরেছিলাম। ঠিক এখানে।

হৃদয়ের গহীন থেকেও আমি ওটা টের পেয়েছি।

কিন্তু আমার তো কোনো বয়ফ্রেন্ড নেই।

তোমার বয়ফ্রেন্ডের দরকার নেই।

শুধু এমন কিছু দরকার যা তোমার কাছে বিশেষ কিছু,

যা তোমাকে নিরাপদ বোধ করাবে,

যা তোমাকে শক্তি জোগাবে আর দেখাবে আশার আলো।

হলি দ্যা হিরোয়িক।

সে এই মুহূর্তে তোমার সাথেই আছে।

কিন্তু ও বাস্তব পৃথিবীতেও তোমার সাথে আছে।

তুমি যেখানেই থাকো, ওকে অনুসরণ করে বাড়ি ফেরো।

কীভাবে?

শুধু... মনে করার চেষ্টা করো, ও তোমার কাছে কী মানে রাখে।

ও গুরুত্বপূর্ণ কিছু নয়।

ও একটা খেলনা মাত্র।

ও যদি খেলনাই হয়, তবে সাথে রাখো কেন?

মাইক।

ও বলেছিল ওর অনেক ক্ষমতা আর ও ভয় পায় না,

যাতে আমি ভয় পেলে ওর মতো সাহসী হতে পারি।

কত চেষ্টা করলাম, কিন্তু কিছুই হয় না।

যা-ই করি না কেন, আমি সেই আগের মতোই ভীতু রয়ে গেছি।

সেই মেয়েটা যে আজও অন্ধকারে একা শুতে ভয় পায়।

যখন আমার মা আক্রমণের শিকার হলেন, আমি তাকে বাঁচাতে পারিনি।

নিজেকে বাঁচানোর ক্ষমতাও আমার ছিল না।

হলি, পিছু হটো!

আমি পাথরের মতো দাঁড়িয়ে দেখছিলাম।

আর হেনরি যখন তোমাকে আক্রমণ করল...

থামো!

আমি আবার দাঁড়িয়ে থাকলাম। এতে বীরত্বের কিছু নেই।

ওই সময় তোমার কিছুই করার ছিল না, হলি।

তুমি হুইলার পরিবারের মেয়ে। তুমি বুদ্ধিমান।

তুমি কি সত্যিই ভাবো একটা লাঠি দিয়ে দানবদের থামানো যেত?

আমার মনে হয় তুমি কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ভুলে যাচ্ছ।

প্রথম যেদিন দেখা হলো, তুমি একা জঙ্গলে চলে গিয়েছিলে

হেনরি বলেছিল ওখানে দানব আছে, তাও তুমি গিয়েছিলে।

আর তারপর তুমি আমার সাথে গুহায় এলে

যদিও আমাকে বিশ্বাস করার মতো জোরালো কোনো কারণ তোমার ছিল না।

আর যখন আমি তোমাকে হেনরির কাছে যেতে বললাম,

বিপদের মাঝে ফিরে যেতে বললাম,

তুমি একটুও দ্বিধা করোনি।

আর আজ যখন আমি হাল ছাড়লাম, তুমি ছাড়নি।

এখানে অনেক দিন ধরে আছি, হলি।

অনেক অনেক দিন।

আমি তো এখান থেকে বেরোনোর পথই পাচ্ছিলাম না।

কিন্তু তুমি?

তুমি ঠিকই এই কামাজোটজের গোলকধাঁধা কাটিয়ে পথ খুঁজে বের করেছ।

শুধু তোমার জন্যই...

আমি আমার বন্ধুদের দেখতে পাব।

আমি আবার লুকাসকে দেখতে পারব।

তুমি আমাকে বাঁচালে, হলি হুইলার।

তুমি আমাকে বাঁচালে।

এখন দেখলে তো, এই পুতুলটা মোটেও ফেলনা কিছু না।

ওটা আসলে তুমিই, হলি।

ওটা তুমিই।

তুমি কীভাবে জানলে এটা কাজ করবে?

আমি জানতাম না।

তোমার লড়াই এখনো শেষ হয়নি। জানি না তোমার কোথায় জ্ঞান ফিরবে।

আমার ধারণা ভেকনা তোমাকে আপসাইড ডাউনে আটকে রেখেছে।

তবে মনে রেখো, আপসাইড ডাউন ঠিক হকিন্সের মতোই।

তাই বাড়ির দিকে পথ খুঁজে সেখানে লুকিয়ে থাকো।

আমরা এসে তোমাকে খুঁজে বের করব। ঠিক আছে?

অন্যপাশে দেখা হবে।

অন্যপাশে।

অনুবাদ ভালো লেগে থাকলে কাচ্চি/কফি খাওয়াতে পারেন (Bkash: 01963791985, Nagad/Rocket: 01743097637)

Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.