Afrikaans
Akan
Albanian
Amharic
Arabic
Armenian
Azerbaijani
Basque
Belarusian
Bemba
Bihari
Bosnian
Breton
Bulgarian
Cambodian
Catalan
Cebuano
Cherokee
Chichewa
Chinese (Simplified)
Chinese (Traditional)
Corsican
Croatian
Czech
Danish
Dutch
Esperanto
Estonian
Ewe
Faroese
Filipino
Finnish
French
Frisian
Ga
Galician
Georgian
German
Greek
Guarani
Gujarati
Haitian Creole
Hausa
Hawaiian
Hebrew
Hindi
Hmong
Hungarian
Icelandic
Igbo
Indonesian
Interlingua
Irish
Italian
Japanese
Javanese
Kannada
Kazakh
Kinyarwanda
Kirundi
Kongo
Korean
Krio (Sierra Leone)
Kurdish
Kurdish (Soranî)
Kyrgyz
Laothian
Latin
Latvian
Lingala
Lithuanian
Lozi
Luganda
Luo
Luxembourgish
Macedonian
Malagasy
Malay
Malayalam
Maltese
Maori
Marathi
Mauritian Creole
Moldavian
Mongolian
Myanmar (Burmese)
Montenegrin
Nepali
Nigerian Pidgin
Northern Sotho
Norwegian
Norwegian (Nynorsk)
Occitan
Oriya
Oromo
Pashto
Persian
Polish
Portuguese (Brazil)
Portuguese (Portugal)
Punjabi
Quechua
Romanian
Romansh
Runyakitara
Russian
Samoan
Scots Gaelic
Serbian
Serbo-Croatian
Sesotho
Setswana
Seychellois Creole
Shona
Sindhi
Sinhalese
Slovak
Slovenian
Somali
Spanish
Spanish (Latin American)
Sundanese
Swedish
Tajik
Tamil
Tatar
Telugu
Thai
Tigrinya
Tonga
Tshiluba
Tumbuka
Turkish
Turkmen
Twi
Uighur
Ukrainian
Urdu
Uzbek
Vietnamese
Welsh
Wolof
Xhosa
Yiddish
Yoruba
Zulu
0 অনুবাদ ও সম্পাদনা মোহাম্মদ ইউসুফ
জানো, কেন আমি ওদের বেছে নিয়েছি?
কেন আমি ওদের দিয়ে পৃথিবীকে নতুন করে গড়তে চেয়েছি?
এর কারণ তারা দুর্বল।
সহজেই ভেঙে পড়ে।
সহজেই নতুন রূপ দেওয়া যায়।
বশে রাখা যায়।
তারা আদর্শ মাধ্যম।
ওহ, সোনা।
- মা। - ওহ, সোনা।
মাথা কাজ করছে না। তুমি এসব করলে কীভাবে?
ও একজন জাদুকর। রক্ত-মাংসের এক সত্যিকারের জাদুকর।
মাইক।
তুমি করে দেখিয়েছ। তুমি সত্যিই পেরেছ।
বাচ্চাগুলোর কী হবে।
ভেকনা... ও বাচ্চাগুলোকে নিয়ে গেছে।
আমি জানি। ডেরেক, মেরি, গ্লেন।
না, শুধু ওদের কথা বলছি না।
অন্য যারা ছিল, তারা হকিন্স থেকে পালাতে পারেনি।
আমি আগে কিছু করলে ওদের সাহায্য করতে পারতাম।
কিন্তু আমি অনেক দেরি করে ফেলেছি।
আর এখন সে সবাইকে নিজের কব্জায় নিয়েছে।
বারো জনের সবাই।
সব ভেস্তে গেল।
আমার দোষেই সব হলো।
একদম না।
সেই সুড়ঙ্গ আর রেডিও শ্যাক।
কী হয়েছিল বা এখানে কীভাবে আসলে, তা হয়তো তোমাদের এখন মনে নেই...
- মেরি! - ...সব তালগোল পাকিয়ে যাচ্ছে।
হলি!
দানবরা... তারা তোমাদের ধরে নিয়ে যেতে এসেছিল।
হাই!
সময়মতো আমি তোমাদের উদ্ধার করেছি।
- কেমন আছো? - ভালো।
এই যে জায়গাটা দেখছ, এটা আমার বাড়ি,
এখন থেকে এটা তোমাদেরও ঠিকানা।
তোমাদের নিরাপদ আশ্রয়।
যতক্ষণ না তোমরা দানবদের বনে পা রাখছ,
ততক্ষণ এখানে তোমরা নিরাপদ থাকবে।
আমি জানি তোমাদের মনে এখন অনেক প্রশ্ন
বন্ধু ও পরিবারের বাকি সদস্যরা কবে আসবে তা নিয়ে ভাবছ নিশ্চয়ই।
কঠিন বাস্তবতা হলো পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল
শুধু তোমাদের প্রিয়জনদের প্রাণ নয়, এর চেয়েও বড় কিছুর ভয় আছে।
আমি তোমাদের ভয় দেখাতে চাই না।
তবে আমি বিশ্বাস করি সত্যটা জানার মতো সাহস তোমাদের আছে।
এক রাক্ষুসে অন্ধকার গ্রাস করছে শুধু হকিন্সকে নয়,
বরং পুরো পৃথিবীতে।
আর শীঘ্রই একে থামানোর সময়টুকুও ফুরিয়ে যাবে।
তোমাদের বইয়ের সেই 'ব্ল্যাক থিং'-এর কথা মনে আছে? এটা ঠিক সেরকমই।
'ব্ল্যাক থিং' যেমন মেগের পরিবারকে বিপদে ফেলেছিল।
এই অন্ধকারও তোমাদের পরিবারের জন্য হুমকি,
তবে আমার বিশ্বাস, এই অন্ধকারকে হারানোর পথ আমি খুঁজে পেয়েছি।
কীভাবে?
আমি আমাদের এই জগতের সীমানা পেরিয়ে বহুদূর ঘুরে এসেছি।
সেই ভ্রমণে আমি এক অন্য জগতের সন্ধান পেয়েছি।
পৃথিবী থেকে অনেক দূরে\ অবস্থিত একটি জগত।
এই জগতটা আমাদের মতোই দেখতে, তবে তফাত হলো...
ওটা বেশ ভালো।
সেখানে কোনো দানব বা অন্ধকার নেই।
ওটা হলো আলোর জগত।
একারণেই তোমাদের বেছে নেওয়া হয়েছে।
তোমরা...
অন্য সাধারণ শিশুদের মতো নও।
মেগের মতো তোমরাও বিশেষ ক্ষমতার অধিকারী।
তোমাদের ভেতরে সুপ্ত শক্তি রয়েছে।
আমরা একসাথে চেষ্টা করলে সেই শক্তিকে জাগাতে পারব,
আমাদের শক্তি ব্যবহার করে সেই নতুন জগতকে আমাদের এখানে টেনে আনব।
আর যখন সেই আলো...
অন্ধকারের সংস্পর্শে আসবে,
তখন আলো অন্ধকারকে তাড়িয়ে দেবে,
তোমাদের প্রিয়জনেরা মুক্তি পাবে, আর তোমরা...
তোমরা হবে সত্যিকারের হিরো।
কিছু বলবে হলি?
তুমি কি আবারও চলে যাবে?
আরও স্পেশাল বাচ্চাদের এখানে আনতে যাবে?
বেচারি হলি। ওকে সবার আগে বেছে নেওয়া হয়েছিল,
আর সে এখানে একদম একা পড়ে ছিল।
কিন্তু ভয় নেই, আমি আর কোথাও যাচ্ছি না।
তোমাদের কাউকে আর কখনোই ছেড়ে যাব না।
আপাতত,
তোমরা খাও আর খেলা করো।
আর সবচেয়ে বড় কথা, একটু বিশ্রাম নাও।
কারণ আগামীকাল?
কাল থেকে সব শুরু হবে।
তুমি বলেছিলে, এই ঘর থেকে কেউ বের হয়নি।
সিকিউরিটির খবর অনুযায়ী কেউ ভেতরে আসেনি বা বাইরে যায়নি।
তুমি কী বলছ? তারা কি হুডিনির মতো বাতাসে মিশে গেল নাকি?
আমি নিশ্চিত নই, স্যার।
আমি এই ভবনের ইঞ্চি ইঞ্চি তল্লাশি চাই।
প্রতিটি ঘর, ভেন্ট, প্রবেশপথ। চলো। এগোও। এগোও!
তুমি কি ঠিক আছো?
আমি নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছি।
আমরা অনেকটা দূরে চলে এসেছি।
আমরা নিরাপদ দূরত্বে আছি, তারা এখন আর আমাদের নাগাল পাবে না।
দারুণ একটা বুদ্ধি খাটালে তো।
সত্যি বলতে, কাজটা একদম ফাটাফাটি হয়েছে।
এই শব্দটা কি তুমিই এলের শব্দভাণ্ডারে যোগ করেছিলে?
আমি আসলে... গোল্লায় যাওয়া মেয়ে।
হ্যাঁ, আমাদের দলে স্বাগতম।
- লুকাস? - সর্বনাশ।
- ওহ না। - হেই। হেই গায়েস।
হায় হায়।
– এই। – ওহ, শিট।
এটা সামান্য আঁচড় মাত্র।
– ঈশ্বর, মাইক, ফার্স্ট এইড দাও। – শিট, শিট।
একটু দেখি তো।
– তুলতে পারবে? আমাদের দেখাও? – হ্যাঁ।
আঘাতটি খুব বেশি গুরুতর নয়।
ওহ খোদা।
হ্যাঁ, বীরত্বব্যঞ্জক কিছু দাগ হওয়ার জন্য এটুকুই যথেষ্ট।
সরি, আমি বাচ্চাদের বাঁচাতে পারলাম না।
নিজের সেরাটা দিয়েছ তুমি। জান দিয়ে লড়েছ।
নিজের জান বাজি রেখেছ। আর যা হোক, মারটা ছিল খাসা।
তুমি দেখেছিলে?
ও শুধু দেখেনি, পুরোটা তাজ্জব হয়ে গিলছে।
ডেমোরা সব বাতাসে ভাসছে, হাড় মড়মড় করে ভাঙছে আর মরছে।
ওসব কি... তোমার কাজ ছিল?
মানে... বলতে পারো তাই।
বাপ রে বাপ!
তাজ্জব ব্যাপার।
এর মানে বুঝছ তো? তুমি একেবারে বাস্তবের উইল দ্য ওয়াইজ।
- আসলে তেমন নয়। - সে জাদুকরের চেয়েও বড় তান্ত্রিক।
আচ্ছা, হতে পারে।
কিন্তু আমি কী বলছি বুঝতে পারছ তো?
এতে তো খেলার মোড় একদম ঘুরে গেল।
আমরা আমাদের দ্বিতীয় 'এল'কে পেয়ে গেছি।
আমি দ্বিতীয় এল-এর মতো নই। আমার কোনো অলৌকিক শক্তি নেই।
আমি স্রেফ ভেকনার শক্তিটাই ওর অজান্তে চুরি করছি।
আর তা করতে হলে আমাকে হাইভ মাইন্ডের কাছাকাছি থাকতে হবে,
ভেকনাও আর ফিরছে না।
– কিন্তু ওর ডেমোগুলো আসতে পারে। – আমার তা মনে হয় না।
ওরা বাচ্চাদের নিতে এসেছিল, আর সে সবাইকে ধরে ফেলেছে।
আর তার কাছে তার বাহকরা আছে।
"বাহকরা"?
সে ওদের এভাবেই অভিহিত। করেছিল, পৃথিবী নতুন করে গড়ার বাহক।
দোয়া করি তোমার ওই থিওরি যেন ভুল হয়।
কিসের থিওরি?
৬ই নভেম্বর।
যেদিন সব শুরু হয়েছিল...
সেদিনই এর সমাপ্তি ঘটবে।
তুমি কি ঠিক আছো?
ঠিক আছে লুকাস, ধীরে উঠো। আমি ধরছি তোমাকে।
এগিয়ে এসো দোস্ত। আর এক কদম।
এই যে, এদিকে এসো।
হাইভ মাইন্ডে পুনরায় যুক্ত হওয়ার উপায় আছে কিনা ভাবছি।
তাহলে ওর শক্তিগুলো আবারও কবজা করা যেত।
ওটা হবে না, যতক্ষণ না...
হাইভটা কাছেই আছে, জানি।
কিন্তু আজ রাতে যা ঘটল,
ওটাও তো কেউ কোনোদিন সম্ভব বলে ভাবেনি।
মা।
শোনো, একটা কথা ভাবছিলাম...
এবার যদি আমরা,
তুমি তোমার শক্তি তার বাহিনীর বিরুদ্ধে নষ্ট না করে,
বরং তা ব্যবহার করো খোদ তার বিরুদ্ধে, ভেকনার বিরুদ্ধে।
তার অস্ত্র দিয়েই তাকে আঘাত করো।
আজ রাতে তুমি ব্যর্থ হওনি।
তুমি যা করেছ...
তা ছিল এক কথায় অবিশ্বাস্য।
তুমি নিজেই তো তা বললে।
ভেকনা তোমাকে বেছে নিয়েছিল কারণ সে তোমাকে তুচ্ছ ভেবেছিল।
সত্যি বলতে, আমরা সবাই তোমাকে হালকাভাবে নিয়েছিলাম।
আর এই ভুল আমি আর কখনোই করব না।
কিন্তু আমার বিশ্বাস, ওই শয়তানটা ঠিক এই ভুলটাই করবে।
আর ও যখন সেটা করবে,
সেটাই হবে ওই নরাধমের জীবনের শেষ ভুল।
ওরা যে অক্ষত ফিরেছে এটাই অনেক।
হ্যারিংটনের গাড়ির ব্যাপারে যদি এমন বলতে পারতাম।
এটাই কি তোমার পরিকল্পনা?
কিছুই হয়নি এমন ভান করে হাসি-তামাশা করবে?
ভেকনাকে খুঁজে বের করে বাড়ি ফেরাই ছিল মূল পরিকল্পনা।
- ওটা কি মন ভোলানো কথা ছিল? - না, ওটাই আসল পরিকল্পনা ছিল।
তুমি মিছে কথা বলছ।
আমার ট্রেনিং নিয়ে যেমন মিছে কথা বলেছিলে। তোমার সাথে আমাকে নাওনি।
কারণ তোমার পরিকল্পনা ছিল একাই ভেকনাকে মারবে এবং মরবে।
শোনো। আজকের ব্যাপারটা আলাদা ছিল।
ক্রিপ্টোনাইটের সাথে তুমি লড়তে পারতে না। আমার আর কোনো উপায় ছিল না।
বোমার ব্যাপারটা কী?
বোমাটি ছিল... একটি সুরক্ষাকবচ।
এমন এক সুরক্ষা ব্যবস্থা যার কথা কেউ জানত না।
আজ তোমার চোখের চাহনি দেখেই বুঝেছি।
আমি টের পেয়েছি।
তুমি মরার পরিকল্পনা করছিলে।
আর তুমি সব সময়ই তাই চেয়েছ।
হেই!
তোমাদের বন্ধুদের তো এখানেই থাকার কথা ছিল, তাই না?
তুমি নিশ্চয়ই মজা করছ।
যাক, অন্তত কিছু একটা আশার আলো দেখা যাচ্ছে।
আমরা এখন লবিতে।
আর... আমরা ঠিক কোথায় যাচ্ছি?
ঠিক। যেমন, আমরা আসলে কী খুঁজছি?
- তোমরা কি সবাই 'রিটার্ন অফ দ্য জেডাই' সিনেমাটা দেখেছ? - সেই টেডি বিয়ারওয়ালা সিনেমাটা?
- ইওকস। - হ্যাঁ, ওটাই সেরা ছিল।
- তাই নাকি? - আরে না, কিন্তু বাচ্চারা পাগল ওটার জন্য।
মুভিটার কথা যদি মনে করে দেখো,
বিদ্রোহীদের দরকার ছিল ওই দ্বিতীয় ডেথ স্টারটা গুঁড়িয়ে দেওয়া,
কিন্তু ওটার চারধারে ছিল এক দুর্ভেদ্য দেয়াল,
যা একটি শিল্ড জেনারেটর দিয়ে তৈরি করা হয়েছিল।
হ্যাঁ, চমৎকার। আমাদের দেখা একটা সিনেমার সারমর্ম শোনানোর জন্য ধন্যবাদ।
অদ্ভুতভাবে সিনেমাটা বেশ প্রাসঙ্গিক, স্টিভ।
দেখো, আমার ধারণা এই বৃত্তাকার মাংসল দেয়ালটা আসলে ভেকনার এনার্জি শিল্ডের একটি সংস্করণ।
তবে এটা কোনো সায়েন্স ফিকশন নয়।
এটা ভেকনার কালো জাদুর মাধ্যমে সৃষ্ট একটি অতিপ্রাকৃত বিষয়।
আর এই অন্ধকার জাদুর ঢালটাই আমাদের আটকে দিচ্ছে।
তার কাছে পৌঁছাতে এবং হলিকে উদ্ধার করতে।
আমার আন্দাজ যদি সত্যি হয়,
এই শিল্ডের জেনারেটরটা এই ল্যাবেই আছে।
সুতরাং যদি আমরা এই ডার্ক ম্যাজিক শিল্ডের জেনারেটরটা খুঁজে পাই,
- তবে দেয়ালটা গুঁড়িয়ে দেব। - আর ভেকনাকে খুঁজে হলিকে উদ্ধার করে আনবো।
ব্যস, কেল্লাফতে!
কিন্তু জিনিসটা দেখতে আসলে কেমন?
সেটা তো আমার জানার কথা না।
উপরে যাব নাকি নিচে?
দুদিকেই যাওয়া ভালো। জোড়ায় জোড়ায় ভাগ হয়ে যাও, জলদি হবে।
হ্যাঁ, আমার তাতে আপত্তি নেই, তবে আমরা কি দলের সদস্য পরিবর্তন করতে পারি?
ন্যান্স, তুমি আর আমি উপরে যাই?
- ওহ, মানে... - তুমি কি সিরিয়াস?
আমি আর হেন্ডারসন একটু আলাদা থাকতে চাই।
- প্লিজ। - প্লিজ।
আচ্ছা। আমি আর তুমি গেলে কেমন হয়?
আমারও মনে হয় আমাদের একটু আলাদা থাকাই ভালো।
অর্থাৎ ন্যান্সি বাদে সবাই। ব্যাপারটা বেশ সুবিধাজনক।
- হুম। - শোনো, আমাদের হাতে এসবের জন্য সময় নেই।
বাড়াবাড়ি না করে আগের টিমগুলোতেই থাকো সবাই।
- ন্যান্স, আমি পারব না— - পারব না—
আর কোনো কথা নয়।
চমৎকার।
সত্যিই চমৎকার।
মন প্রাণ দিয়ে
- এই তো ধরে ফেলেছি! - উঁহু, পারবে না।
এক পাগলের মতো, উন্মাদ হয়ে...
এবার তোমার পালা।
দাড়াও, ধরছি তোমাকে!
বিশ্বাসই হচ্ছে না, তুমি আমাকে ছাড়া পুরো একটা দিন এখানে কাটিয়েছ।
তোমার কী মনে হয়? সবুজ রঙটা কি আমার সাথে যাচ্ছে?
হুম, দারুণ মানিয়েছে।
- কী হয়েছে তোমার? - কিছু না তো।
তুমি অদ্ভুত আচরণ করছ।
মনে হচ্ছে...
সম্ভবত আমি অতিরিক্ত কেক খেয়ে ফেলেছি।
মিস্টার হোয়াটসিটের কাছে কি চা হবে?
অবশ্যই আছে। তার ভাণ্ডারে কোনো কিছুর অভাব নেই।
- আরে তুমি এখানে কী করছ? - একটা কথা আছে।
- হলি, প্ল্যান ছিল— - হেনরি চলে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করা। জানি।
কিন্তু সে অদ্ভুত সব আজেবাজে কথা বলছিল।
– কেউ তোমাকে এখানে আসতে দেখেছে? – না, আমি সাবধানে এসেছি। প্লিজ, শোনো।
আমি জানি, হেনরি কেন আমাদের অপহরণ করেছে।
সে কোনোভাবে আমাদের ব্যবহার করে অন্য এক জগতকে পৃথিবীতে টেনে আনবে।
"অন্য জগতকে টেনে আনা"? আমি এর মানে বুঝতে পারছি না।
হেনরি মুখে বলছে পৃথিবীকে বাঁচাবে, কিন্তু আসলে ও সব ধ্বংস করতে চায়।
সে যা-ই পরিকল্পনা করে থাকুক, কালই তা বাস্তবায়ন করবে।
আমাদের এখনই কামাজোটজ থেকে বের হতে হবে।
কোনো লাভ হবে না। তুমি হাওয়া সেটা ও একবার টের পেলে..
ও ওর ক্ষমতা দিয়ে তোমাকে খুঁজে আমাদের ধরে ফেলবে।
- তুমি কি নিশ্চিত যে কেউ তোমাকে দেখেনি? - একদম নিশ্চিত।
– তুমি আবার কে? – ডেরেক। আর তুমি কে?
এখানে কী করছ, বোকা?
আমি আর সেই বোকা ডেরেক নই। আমি এখন ঝাকানাকা ডেরেক।
- কতটুকু শুনেছ? - খুব বেশি নয়।
এই যে তোমরা চম্পট দিতে চাও, কিন্তু হেনরি না সরলে উপায় নেই,
নাহলে ওই পাজি ভেকনা ওর জাদুটোনা দিয়ে তোমাদের ঠিকই ধরবে।
"ভেকনা"? আমি তো এই নাম বলিনি। তুমি কীভাবে এ নাম জানলে?
- মাইক বলেছে। - মাইক?
আমার ভাই মাইক?
- ও এখন আমার বেস্ট ফ্রেন্ড। - তুমি মাইকের বেস্ট ফ্রেন্ড?
আর উইল, লুকাস, এরিকা, মিসেস বায়ার্স এবং মিস রবিনও।
আমরা অন্যদের বাঁচানোর চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু তা সফল হয়নি।
তাই আমি এখানে এসেছি। আমি কাউকে বিশ্বাস করতে পারছিলাম না।
তারপর মিস্টার হোয়াটসিটের বক্তৃতার সময় তোমার মুখটা দেখলাম।
আর ভাবলাম, "সে জানে যে লোকটা আস্ত এক ভণ্ড।"
তাই আমি জঙ্গলে তোমার পিছু নিলাম, আর আমার ধারণা সঠিক প্রমাণিত হলো।
- তাহলে আমি কি তোমাদের সাথে আসতে পারি? - না!
হেনরির নজর এড়িয়ে আমাদের কারো কোথাও যাওয়ার জো নেই।
যদি ওর নজরদারির বারোটা বাজিয়ে দিই, তবে?
তুমি আমাদের সাথে আসতে পারবে না।
তবে আমাদের পালাতে সাহায্য করতে পারো।
তবে তোকে এই "ভালো মানুষ" সাজার ভং ধরতে হবে না,
কারণ এটা সফল করতে আমাদের সেই পুরোনো ডেরেককেই দরকার।
শোনো, কাজটা কিন্তু একদম পানির মতো সহজ।
আমরা উইলকে হাইভ মাইন্ডের কাছাকাছি নিয়ে যাব।
ওখানে গিয়ে ও আবার ওর মগজের খেলা শুরু করবে।
তবে এবার সে কোনো ডেমোর পিছু নেবে না।
সে সরাসরি ভেকনার ওপর আক্রমণ করবে।
এক আঘাতেই ভেকনা ও তার বাহিনী নিশ্চিহ্ন হবে।
ব্যস, এটুকুই। তো এখন...
কী মনে হয় তোমাদের? কোনো পরামর্শ আছে কারো?
যা মাথায় আসে বলো, কোনো সমস্যা নেই।
মানে, আমার মনে হয় এটা একটি চমৎকার প্ল্যান।
মানে বলছি যে... প্ল্যানটা তো মন্দ না, কী বলো?
হেই।
হ্যাঁ, না। মানে হ্যাঁ, এটা একটা...
প্ল্যানটা জবরদস্ত হয়েছে।
তবে কথা হলো...
উইল, তুমি নিজের মনের শক্তিতে সেই ডেমোটাকে খতম করেছ?
- মানে... - সুনির্দিষ্টভাবে বললে তিনটা।
একই সাথে।
ওরে বাবা, এ তো দেখি এলাহি কাণ্ড!
রক্ত-মাংসের এক জাদুকর।
ও আসলে একজন তান্ত্রিক। ওর ক্ষমতাগুলো হলো—
জন্মগত। হ্যাঁ, ধন্যবাদ।
- তাতে কী আসে যায়? - আসে যায়।
আমরা কি সবাই একটু মনযোগ দিতে পারি, প্লিজ?
ঠিক আছে, আমি শুরু করছি।
আমরা আরেকটা টেলিমেট্রি টাইপ কিছু বানাতে পারি।
এর সাহায্যে এল এবং জোনাথনের অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব হবে,
আর কপাল ভালো থাকলে ওদের কাছে ভেকনার খবর মিলবে।
ডাস্টিন নিজ হাতে ওই ট্র্যাকারটা বানিয়েছিল। এটা কীভাবে কাজ করে, আমার কোনো ধারণা নেই।
সবাই মিলে মাথা খাটালে হয়তো কোনো একটা কূলকিনারা হবে,
কিন্তু এতে হয়তো সময় লাগবে...
কয়েক দিন, যে সময়টুকু আমাদের হাতে নেই।
যদি উইলকে ভ্যানের পেছনে বসিয়ে অ্যান্টেনার মতো করে ঘুরি?
- কী? - ও তো বলেছিল, খারাপ আইডিয়া বলে কিছু নেই।
আচ্ছা, আর কারো মাথায় কিছু আসছে?
আরে কিছু তো একটা বলো!
যেকোনো কিছু।
আজেবাজে হলেও বলো।
আর কারও কি খুব খিদে পেয়েছে?
চিপস খাবে?
দুনিয়া শেষ হতে বসেছে।
একদম তাই।
মাথা খাটাতে গেলে তো পেটে দানা-পানি পড়া দরকার।
তাই না?
খেয়ে নিন।
– পেয়ে গেছি! পেয়ে গেছি! – পেয়ে গেছি! পেয়ে গেছি!
বেশ, আমারটাই শোনো আগে।
ডাস্টিনকে পাওয়া না যাক, ওর গুরু তো এখানেই আছে।
- মিস্টার ক্লার্ক? - সে হকিন্সের সবচেয়ে বড় পন্ডিত।
ডাস্টিন যা জানে তার সবই তিনি শিখিয়েছেন।
চটজলদি যদি কেউ ওই ট্র্যাকার বানাতে পারে, তবে সেটা উনিই পারবেন।
বুদ্ধিটা মন্দ না।
হ্যাঁ, কিন্তু তাতে কেবল সময় নষ্ট হবে।
আমার প্ল্যানটা অধিকতর দ্রুত এবং কার্যকরী।
পপকর্ন গরম করার সময় বিলির সাউনার কথা মনে পড়ল।
পার্টিকেলগুলো সক্রিয় করতে আমরা তাকে উত্তপ্ত করেছিলাম, তাই না?
ওগুলো নিষ্ক্রিয় ছিল, এই দানাগুলোর মতোই।
ঠিক উইলের মাধ্যমে ধ্বংস হওয়া ডেমোগুলোর ভেতরের পার্টিকেলগুলোর মতো।
ওগুলোকে ফের সচল করতে আমাদের গরম করতে হবে।
ওই টাওয়ারের ভেতর দিয়ে ৫০,০০০ ওয়াট বিদ্যুৎ প্রবাহিত হচ্ছে।
মৃত ডেমোগুলোতে বিদ্যুৎ সঞ্চালনের মাধ্যমে পার্টিকেলগুলোকে সক্রিয় করব।
ফলে সঙ্গে সঙ্গে একটি হাইভ মাইন্ড পাওয়া যাবে।
তুমি কি একটা মরা ডেমোকে ডক্টর ফ্রাঙ্কেনস্টাইনের মতো জাগাতে চাও? এটাই তোমার বুদ্ধি?
- তোমার প্ল্যানটা অনেক স্লো। - তোমার প্ল্যানটা একদম ফালতু।
আরে, বাচ্চারা, থামো এবার!
পরিষ্কার করে বলি।
দুটো প্ল্যানই বেশ নড়বড়ে। ঘাপলা আছে অনেক।
তাই আমরা দুটোই চেষ্টা করব।
আমরা দুই নৌকায় পা দেব, দেখি কপালে কী জোটে।
বাবারে! সিঁড়ি ভাঙতে ভাঙতে তো কোমর ধরে গেল।
গুপ্তধন সবসময়ই অন্ধকারতম গহ্বরে লুকিয়ে থাকে।
ওটা কী, সম্পদ নাকি ম্যাজিক শিল্ড জেনারেটর?
উপমাগুলো একটু বুঝেশুনে দাও তো বন্ধু।
এটা অ্যানালজি।
আচ্ছা।
এই স্থানে একটি ডে-কেয়ার সেন্টার পাওয়া অপ্রত্যাশিত ছিল।
এটা তো বোনাস।
হায় ঈশ্বর, হেন্ডারসন।
তুমি ঠিকই বলেছিলে।
গুপ্তধন।
- আচ্ছা, একটা কথা বলি। - কী?
তোমার অপরিপক্ক বুদ্ধির জন্য এই জায়গাটিই একদম উপযুক্ত।
আমি বেসমেন্টের বাকি অংশ খুঁজে দেখি,
তুমি বরং এখানে বসে বল নিয়ে খেলো?
খাসা আইডিয়া!
- শেষমেষ একটা ভালো প্ল্যান পাওয়া গেল। - তা তো বটেই।
যাও, তোমার ওই... গুপ্তধন খোঁজার জন্য শুভকামনা।
মানে, শিল্ড জেনারেটর।
সোজা কথায় ওই গাঁজাখুরি জিনিসটা।
অসংখ্য ধন্যবাদ।
আমার আশঙ্কা হচ্ছে ডাস্টিনের ধারণাটা এবার ভুল হতে পারে।
মানে, এ তো পুরো মরা জায়গা।
জানি না, পুরো ব্যাপারটাই ক্রমে অবিশ্বাস্য লাগছে।
যাই হোক, আমরা তো এসে গেছি।
তাই জায়গাটা একবার তল্লাশি করাই ভালো।
হেই।
আমি কি এমন কোনো কাজ করেছি...
যাতে তুমি বিরক্ত হয়েছ?
তুমি কী নিয়ে কথা বলছ?
জানি না। তোমার গলার টোনে কিছু একটা আছে।
– টোন? – হ্যাঁ।
– ঠিক আছে। – দেখলে, এটাই। ওই টোন।
হ্যাঁ, এখন টোন থাকবেই, কারণ তুমি হাস্যকর আচরণ করছ।
আচ্ছা, নিচে যখন ছিলাম তখন কি আমি আহাম্মকের মতো আচরণ করছিলাম?
ওহ, যখন তুমি আর স্টিভ আবার তোমাদের সেই পুরুষত্বের নাটক করছিলে?
দাঁড়াও, না, তুমি কি সেই মুহূর্তের কথা বলছ যখন স্টিভ তোমাকে সাথে যেতে বলল আর তুমি দ্বিধা করলে?
আসলে আমি চেয়েছিলাম আমরা যে যার মতো আগের দলেই থাকি।
হ্যাঁ, একটু সময় নিয়ে তারপর বললে।
আমি মোটেও ইতস্তত করিনি।
ন্যান্সি, আমি তোমাকে হাড়ে হাড়ে চিনি। তুমি ইতস্তত করেছিলে।
ধরা যাক করেছিলাম, যদিও করিনি।
ওতে কিছু যায় আসে না।
আমার বোন নিখোঁজ।
হ্যাঁ, আর সেই কারণেই এটা গুরুত্বপূর্ণ।
এত কিছু ঘটে যাওয়ার পর,
যা এখন ঘটছে,
আমি ভয় পাচ্ছি ন্যান্সি, বুঝলে?
আমি খুব ভয় পাচ্ছি।
জানি না এর শেষে কী আছে।
তবে আমি যা জানি তা হলো
যদি আমাদের জান বাঁচাতে হয়,
তবে আমাদের সবাইকে একটা টিম হয়ে লড়তে হবে।
আগের মতো একটা টিম হতে হবে।
আমরা এখনও টিম হিসেবেই আছি।
একদমই না, সব বদলে গেছে।
সেই দিন অনেক আগেই ফুরিয়েছে।
তাহলে কি এখানেই আমাদের সম্পর্কের সব সমস্যা মেটাতে চাও?
- এই হকিন্স ল্যাবে? এই আপসাইড ডাউনের ভেতরে? - না। না, ন্যান্সি।
আমি শুধু চাই, তুমি আমার কাছ থেকে পালানো বন্ধ করো।
আমার সাথে অন্তত সৎ হওয়ার চেষ্টা করো।
আর তুমি বুঝি দুধে ধোয়া তুলসি পাতা?
আমার সঙ্গে সৎ ছিলে?
হ্যাঁ।
হ্যাঁ, আমি তোমার সাথে সৎ ছিলাম।
- তুমি কিন্তু দোটানায় ছিলে। - একদম না।
জোনাথন, আমি তোমাকে চিনি, তোমার ওই থমকে যাওয়াটা আকাশ সমান বড় ছিল।
করছটা কী তুমি?
জোনাথন!
এ কী কাণ্ড!
ওটা কী?
ডাস্টিনের থিওরি নিয়ে আমার মন্তব্য প্রত্যাহারের সময় কি পার হয়ে গেছে?
ন্যান্সি, জোনাথন, তোমরা কি শুনতে পাচ্ছ? ওভার।
আমরা চার্চে আছি, আর ভাবছি তোমরা কোথায়।
শুনতে পাচ্ছ?
জোনাথন!
ন্যান্সি, শুনতে পাচ্ছ?
কাম অন, গায়েস!
তুমি আর তোমার পুলিশ এত দূর আসার পর,
হেনরির বদলে আমাকে দেখে নিশ্চয়ই অবাক হয়েছ।
আমি দুঃখিত, কালি।
তোমাকে আগে খুঁজে না পাওয়ার জন্য সরি।
তোমার তো জানার কথা ছিল না এসব।
আমার বাড়িতে একটি বাথটাব এবং ট্যাংক আছে।
আমি যোজন যোজন দূরে নজর রাখতে পারি, এমনকি এইখানেও।
মনে হয়, তোমাকে খুঁজতে আমি ভয় পাচ্ছিলাম।
হেনরি সম্পর্কে তুমি কতটুকু জানতে?
সবই জানতাম, কেবল...
ও যে এখনো বেঁচে আছে, সেটা বাদে।
ওকে খুঁজে পেতে আমাকে সাহায্য করো।
ওকে মেরে ফেলো।
তারপর কী?
সব শেষ হয়ে যাবে।
আমরা পুনরায় স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারব।
ওসব স্রেফ আকাশকুসুম কল্পনা, জেন।
এমন হওয়াটা বাধ্যতামূলক নয়।
আমিও একই স্বপ্ন দেখেছিলাম।
আমি সবকিছুর ইতি টানতে পারব,
যে আমি পারব...
আমাদের ক্ষত সারিয়ে তুলতে।
কিন্তু ওরা আমাকে খুঁজে পেল।
আমার বন্ধুদের খুঁজে পেল।
না!
তারা সবাইকে মেরে ফেলেছিল।
তারা আমাকে বন্দি করে নিয়ে যায়।
আমি বুঝতে পারছিলাম না কেন আমি এখনো বেঁচে আছি।
আমার ধারণা ছিল ডাক্তারটিকে আমাকে নির্যাতনের জন্য আনা হয়েছে।
কিন্তু বিষয়টা প্রতিশোধের ছিল না।
ডক্টর কে-এর আমাকে প্রয়োজন ছিল।
তার প্রয়োজন ছিল আমার রক্ত।
আর সেই চাহিদার কোনো শেষ ছিল না।
সে শুধু নিয়েই যাচ্ছিল।
আর নিয়েই যাচ্ছিল।
আর আমি তাকে এক ধরনের রক্তচোষা পিশাচ ভাবতে শুরু করলাম।
জানি না কত দিন সেখানে ছিলাম। ওষুধ খাইয়ে অজ্ঞান করে রাখত আমাকে।
আমি শুধু জানতাম আমাকে এখান থেকে পালাতে হবে।
আর পালানোর একমাত্র পথ...
ছিল মৃত্যু।
ডক্টর কে-র ধারণা ছিল সে আমাকে পুরোপুরি দমিয়ে দিয়েছে।
তার সেই তীব্র কর্কশ শব্দের মাধ্যমে।
সকল কৌশলের জন্য বিশেষ ক্ষমতার প্রয়োজন পড়ে না।
দরজার অন্যপ্রান্তে কী আছে তা যদি আমার জানা থাকত,
তবে আমি কখনোই বেরিয়ে আসতাম না।
আমরাও সেটা ভেবেছি। সে নিশ্চয়ই পৌঁছেছে।
- ওরা কী করছিল? - আমি খেলছিলাম...
ভাগ এখান থেকে, গাধা!
তুই আমার মনের কথা বুঝেছিস, বলদ!
ডেরেক, তুমি কী করছ? জঙ্গলে যাওয়া নিষেধ।
এটা নিয়মের পরিপন্থী।
কার নিয়ম অনুযায়ী, মিস্টার রজার্স? আমি তার ধার ধরি না।
- মিস্টার হোয়াটসিট! - মিস্টার হোয়াটসিট!
- ডেরেক জঙ্গলে ঢুকে পড়েছে! - ও মিস্টার হোয়াটসিট!
যদি হেনরির হাতে ডেরেক ধরা পড়ে যায়?
তোমার কী মনে হয় সে তার ক্ষতি করবে? নাকি আরও খারাপ কিছু?
ডেরেক গুহায় পৌঁছাতে পারলেই সে নিরাপদ।
আমাদের লক্ষ্য হলো হেনরিকে প্রলুব্ধ করা।
বেরোনোর পথ খুঁজতে কতক্ষণ সময় লাগবে?
আশা করি বেশি সময় লাগবে না।
তোমার সাথে তো কেট ছিল পথ দেখানোর জন্য, আর—
গত দুই বছর ধরে আমি এই গোলকধাঁধাতেই ঘুরে বেড়াচ্ছি।
পথ দেখানোর জন্য আমি একাই একশ।
আমরা যখন তার প্রথম স্মৃতিটা শনাক্ত করতে পারব,
স্মৃতির পথ ধরে সেই রাত পর্যন্ত যাব, যেদিন সে তোমাকে ধরেছিল।
আমার আন্দাজ ঠিক হলে ওখানেই আসল দুনিয়ায় ফেরার দরজা পাব।
তারপর আমরা কামাজোটজ থেকে পালাব।
তারপর আমরা কামাজোটজ থেকে পালাব।
শোনো, আমি বুঝতে পেরেছি,
আমি জানি আমি দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেছি
যাতে ব্যাপারটা খুব অস্বস্তিকর হয়ে গেছে।
কিন্তু আমার জীবন বাঁচানোর জন্য তোমাকে ধন্যবাদ দিইনি।
যেটা আসলে স্রেফ কোনো মামুলি ব্যাপার না।
অন্তত আমার কাছে তো বটেই।
তোমাকে স্বাগতম।
আমি... আমি বলতে চাচ্ছি, আসলে তোমাকেই ধন্যবাদ দেওয়া উচিত আমার।
আমাকে ধন্যবাদ দেওয়ার কারণ কী?
ট্যামি আর তোমার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আমার সাথে কথা বলার জন্য।
ওটা ছিল... ভীষণ...
উপকারী।
আমি? কথা বলছিলাম?
উপকারী?
কেউ একজন যদি সত্যিই আমার মাকে এটা জানাতো।
তো...
ট্যামির ওই ব্যাপারটা আর টেপের রহস্যটা বোঝার পর,
তখন থেকেই কি তুমি আর ভিকি...
না, না, না। উম্ম...
সত্যি বলতে, তখন ওর সাথে কথা বলার কলিজা আমার ছিল না।
শেষ পর্যন্ত আমি নিজেকে মেনে নিয়েছিলাম,
কিন্তু নিজের ভেতরের ওই সত্যটা অন্যকে জানানো
ছিল পাহাড়সম এক চ্যালেঞ্জ।
কিন্তু শেষ পর্যন্ত, আমি...
আমি তা পেরেছি। জানো, আমি কাউকে বলেছিলাম।
মনে হচ্ছে সব রেডি।
কিন্তু...
দাড়াও।
- কিন্তু... কিন্তু তুমি কাকে বলেছিলে? - ওহ। আর কে? স্টিভকে।
অ্যাঁ, কী বললে?
রবিন, আমি... মানে, আমি বুঝতে পারছি না। মানে, সেই একই...
মানে তোমার সেই স্টিভ?
স্টিভ "দ্য হেয়ার" হ্যারিংটন, যে একসময় আমার চরম শত্রু ছিল।
হুশিয়ার! সামনে তাকাও!
সন্তোষজনক!
কিন্তু রবিন, আমি স্টিভকে পছন্দ করি। তবু বুঝতে পারছি না।
একদম আজব একটা পছন্দ মনে হচ্ছে?
- হ্যাঁ। - বিশ্বাস করো, আমি জানি।
সত্যি বলতে, তখন শয়তান রাশিয়ানরা আমাদের ওপর ট্রুথ সিরাম প্রয়োগ করেছিল,
যা ছিল অতিরিক্ত সাহস জাগানো এক তরল।
ওষুধ বা ড্রাগ যাই হোক না কেন,
নিজের মনের কথা কাউকে বলা আর তার সাবলীল থাকাটা, অনেক বড় ব্যাপার।
মনে হয় যেন বুক থেকে এক বিশাল পাথর নেমে গেল।
আর শোনো, স্টিভকে যদি কথাটা না বলতাম,
তবে হয়তো ভিকির কাছে মুখ খোলার সাহস আমার হতো না,
আর হয়তো তোমার সাথেও এই নিয়ে কথা বলতাম না।
জানো, তুমি হলে মোটে তিন নম্বর ব্যক্তি যে এটা শুনলে।
আশা করছি এই বছরের শেষ নাগাদ এই সংখ্যাটা দ্বিগুণ করতে পারব,
তবে ওসব তখনই হবে যদি তুমি ওই জাদুকরকে ছাড়িয়ে যেতে পারো আর আমরা না মরি।
তোমার কাছে কি আর একটুও ট্রুথ সিরাম নেই?
ওহ শিট!
পিছিয়ে যাও!
এটা তো সেই জায়গা। এখানেই আমার জ্ঞান ফিরেছিল।
বেশ। এমন কিছু খোঁজো যা একদম বেমানান।
ওটা কোথাও লুকানো আছে। সহজে মিলবে না, তবে...
ওই তো।
ওহ।
বা খুব সহজ।
এটা কেবলই একটি স্মৃতি। ওখানে যা-ই থাকুক, তা তোমার ক্ষতি করতে পারবে না।
আমি বুঝতে পারছি না। সেদিন তো হ্যালোউইন ছিল।
তখনও আমার হেনরির সঙ্গে পরিচয় হয়নি।
তুমি তাকে দেখোনি বলেই যে সে এখানে ছিল না, এমন নয়।
শোনো, ভুলো না যেন...
নিছক একটা স্মৃতি ওটা।
হুম।
কাছেপিঠেই হয়তো আরও কোনো স্মৃতি আছে।
তোমার কি মনে পড়ে হেনরির সাথে তোমার ঠিক কবে প্রথম দেখা হয়েছিল?
হলি, একটু মাথা খাটাও তো। ওর সাথে তোমার প্রথম দেখা কবে হয়েছিল?
সম্ভবত স্কুল ছুটির পর।
ঠিক আছে, স্কুলের ঠিক কোথায়?
লাইব্রেরিতে।
লাইব্রেরি।
আমি একসময় এই বাড়িতে বাস করতাম।
এই তো।
এই বইটি আমার ভীষণ প্রিয়।
হ্যালো।
আমার নাম হেনরি।
তোমার নাম কী?
ধুর, আর কত।
ফালতু একটা জিনিস।
- সত্যিই? তুমি এখানে বসে খেলছ? - আমি কেবল হুকুম পালন করছি।
তোমার মুখ দেখে বোঝা যাচ্ছে, শিল্ড জেনারেটর খুঁজে পাওনি।
- ওটা আশেপাশেই কোথাও আছে। - কিন্তু তুমি তা খুঁজে পাওনি।
হ্যাঁ, এই তলায় নেই।
তার মানে তুমি ভুল ছিলে।
- তুমি তো এটাই চেয়েছিলে, তাই না? - না, আমি শুধু বাস্তব কথা বলছি।
না, তুমি আনন্দে বগল বাজাচ্ছ, অথচ আমি যদি ভুল করি,
তবে আমরা ওই দেয়ালও পার হতে পারব না, হলি বা অন্য শিশুদেরও খুঁজে পাব না।
তুমি কি বুঝতে পারছ তুমি কতটা স্বার্থপর আচরণ করছ?
আমি? স্বার্থপর? তুমি স্বার্থপরতা নিয়ে কথা বলতে চাও?
অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে যখন আমরা অবশেষে হপ আর এলের কাছে পৌঁছালাম,
তখনই আমরা তোমার এই আজগুবি আইডিয়ার পেছনে ছুটে ওদের ছেড়ে দিলাম।
আর বলতেই হয়, তোমার জন্যই ওদের সাথে আমাদের যোগাযোগ বন্ধ হয়েছে
কারণ ওই সময় তুমি তো লাপাত্তা ছিলে সেই সময়।
তাই এই পুরো ঝামেলার দায় তোমারই। অথচ একবারও দুঃখ প্রকাশ করোনি।
ধুর। আমি ইচ্ছে করে আসিনি এমন না। আমাকে আক্রমণ করা হয়েছিল।
না, তুমি সংঘর্ষে জড়াতে চেয়েছিলে আর তাই হয়েছে।
তোমার মুখের দিকে তাকাও।
আগে অনেক বোকামি করেছ কিন্তু এটা সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে।
তুমি বোকামি নিয়ে কথা বলতে চাও?
অন্য কারো প্রেমিকার পিছে ঘোরা নিয়ে কী বলবে
যখন পৃথিবী ধ্বংসের মুখে?
ন্যান্সি আমার বন্ধু। স্রেফ একজন বন্ধু, মাথায় ঢোকাও।
বন্ধু থাকার অনুভূতি কি তোমার মনে আছে?
হ্যাঁ, জানি। ভালো বন্ধু থাকার অনুভূতিটা আমার মনে আছে।
এক সত্যিকারের বন্ধু যে আমায় বিশ্বাস করত এবং আমার প্রতি সদয় ছিল।
- এই তো! এই তো! - কী? কী?
এই তো আসল কথায় এসেছ। আসলে এই সবকিছুর মূলে রয়েছে এডি।
তোমার এই সব আজগুবি আচরণ, সবাইকে দূরে ঠেলে দেওয়া,
এর কারণ হলো কেউ কখনো তার মতো নিখুঁত হতে পারবে না।
সে নিখুঁত ছিল না, কিন্তু অন্তত সে তা জানত, তোমার মতো নয়।
সে কখনো ভান করত না। অন্য লোকে তাকে নিয়ে কী ভাবল, তাতে তার কিছু আসত-যেত না।
ও একদম সাদামাটা নিজের মতো ছিল।
আর জানো? সে ছিল আমার দেখা সবচেয়ে বুদ্ধিমান আর দয়ালু মানুষ।
ও বেঁচে থাকলে ৩০ সেকেন্ডেই এটার সমাধান করে ফেলত।
আমি যদি এমনই আস্ত এক গাধা হই, তবে আমি কেন এখনো এখানে টিকে আছি?
তুমি ঠিক কী বোঝাতে চাইছ?
ওই অভিশপ্ত রাতে,
আমি তোমাদের বারণ করেছিলাম বেশি ওস্তাদি দেখাতে।
এডি কী করেছিল?
- সে খুনি বাদুড়ের এক ঝাঁকের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। - আমার প্রাণ বাঁচাতে।
সে কাউকেই বাঁচাতে পারেনি।
- সে সবাইকে বাঁচিয়েছিল! - তুমি নিজেকে এই সান্ত্বনা দিয়ে যেতে পারো।
কিন্তু ভিতরে ভিতরে তুমি এত রেগে আছো কারণ,
কারণ তুমি সত্যটা জানো।
এডি বীর সাজতে চেয়েছিল,
আর একটা ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে সে নিজের মৃত্যু ডেকে এনেছিল।
চুপ করো!
না। এ কী করছ?
তুমি কী করছ? থামো।
হেই! থামো!
থামো ভাই! হেন্ডারসন!
এই! এই! হেন্ডারসন! তুমি কী করছ?
মাথা ঠান্ডা করো! হেন্ডারসন!
ওরে ভাই! তুমি তো চোট পাবে!
ঠিক আছে, ডাস্টিন।
যথেষ্ট হয়েছে বন্ধু! আর নয়! থামো!
শোনো বন্ধু।
আমি চললাম।
আমি আর নেই।
ঠিক আছে, যাও, ন্যান্সির কাছেই ফিরে যাও।
বলদ
আস্ত এক জোচ্চোর!
এসব কী?
কী মনে হয় তোমার?
হয়তো চেরনোবিলের মতো কোনো নিউক্লিয়ার বিস্ফোরণ?
হ্যাঁ।
আমিও ওটাই ভাবছিলাম, কিন্তু নিউক্লিয়ার বিস্ফোরণে—
সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে যেত। এভাবে কেবল গলে যেত না।
বাতাসটা খেয়াল করেছ?
- বাতাস? - হ্যাঁ।
দেখো, বাতাস পরিষ্কার।
কোনো ধূলিকণা নেই।
এখানে যা-ই ঘটে থাকুক না কেন,
এর পেছনে ভেকনা রয়েছে।
হতেই হবে।
কালো জাদু।
ওরে বাবা! একী!
- বেশ। যা হওয়ার হয়েছে। - হুঁ।
- তুমি কি ঠিক আছ? - আমি ঠিক আছি।
আচ্ছা।
- ওহ ঈশ্বর। - ওহ।
ক্রাইস্ট!
এখানে আসলে কী ঘটেছিল?
উটকো ঝামেলাটা তোমাকে ঘাড়েই নিতে হলো?
আমি কখনো জানতাম না যে আমি বেরিয়ে আসার কতটা কাছাকাছি ছিলাম।
তোমাদের আর ওই পুলিশের বদৌলতে সব এখন পরিষ্কার।
দশ গজ।
দশ গজ।
আর একটি মোড় পেরোলেই আমার জীবন হতে পারত...
অন্যরকম।
বন্দুক!
দরজাটা এখনই খোলো!
খোলো!
বেরিয়ে আসার পথ খুঁজতে গিয়ে আমি অন্য কিছুর সন্ধান পেলাম।
আমি উত্তরটা খুঁজে পেলাম।
কেন আমাকে ওখানে রাখা হয়েছিল।
তারা তার শরীরে ঢুকাচ্ছিল
এবং তার অনাগত সন্তানের শরীরেও
আমার রক্ত।
এর ফলে সে এবং তার গর্ভের সন্তান মারা যাচ্ছিল।
বাঁচাও।
জানি না সেখানে কতজন ছিল, কিন্তু তারা সবাই অসুস্থ ছিল।
মুমূর্ষু।
আমি... আমি... বুঝতে পারছি না।
অন্তঃসত্ত্বা মহিলারা।
একটি গোপন সরকারি কর্মসূচি।
এটা কি তোমাকে কিছু মনে করিয়ে দেয় না?
মা।
আমাদের ক্ষমতার উৎস কোনো ড্রাগ নয়, জেন।
হেনরিই ছিল সেই উৎস।
এখন ডক্টর কে পাপার প্রোগ্রাম পুনরায় চালু করার চেষ্টা করছে।
কিন্তু আমার রক্ত কাজে দিচ্ছে না।
হেনরির রক্তের মতো নয়।
সত্যটা হলো, পাপার সন্তানরা সবসময়ই ছিল হেনরির ফ্যাকাশে অনুকরণ।
আমাদের মধ্যে কেবল একজনই...
প্রকৃত অর্থে তার মতো ছিল।
এটা স্রেফ একটা ভ্রম। এটা আসল না। এর কিছুই সত্যি না।
তোমার কী মনে হয় কেন কে তোমাকে খুঁজে পেতে এত মরিয়া?
ওরা তোমাকে ধরে তোমার মতো আরও স্যাম্পল বানাবে!
ঠিক ওই হেনরির মতো।
জেন, সব গল্পের শেষ সুখের হয় না।
অন্তত আমাদের কপালে ওসব নেই।
আরে শান্ত হও, আমিই তো।
এটা আমি।
উত্তর-পশ্চিম। উত্তর-পশ্চিম।
তুমি কি দিক ভুলে গেছ?
এই ম্যাপটা তোমাকে কে দিয়েছে?
তোর মা দিয়েছে!
আমার দিকে তাকা!
আর একবার যদি মিথ্যে বলিস,
তবে তোর বোকাচোদা বাপটাকে খতম করব...
তোর ওই ডাইনি মাকেও ছাড়ব না...
আর তোর ওই পাজি বোনটাকেও শেষ করব।
- ঠিক আছে বাচ্চারা। খেলা শেষ। - চলো।
এসো।
মুখটা এমন ভার করে রেখেছ কেন?
এসো। আমাদের বই পড়তে হবে, ছবি আঁকতে হবে,
নতুন কিছু শিখতে হবে।
তুমি কি নিশ্চিত আর কিছু ঘটেনি
– ডেমো আসার আগে? – হ্যাঁ।
শুরু থেকে সবকিছু আমাকে বলো।
- সে তো বললামই। - আর একবার বলো।
আমি আর মেরি ওই চরকিটার কাছে ছিলাম।
- থামো ডেরেক! নামো! - শক্ত করে ধরো!
ডেরেক তো যথারীতি বাঁদরামি করছিল, তখনই হেনরি আমায় সেখানে ডাকল।
সে বলেছিল দানবদের হাত থেকে আমাকে রক্ষা করবে,
আর মাঠে যাওয়ার আগ পর্যন্ত আমি তাকে আর দেখিনি।
এই স্রেফ একটা কাল্পনিক বন্ধুর চক্করে পড়ে ঝাড়ি খেলাম,
আর মায়ের তো মেজাজ অমনি চড়ে গেল, বাবার সাথে কী এক লঙ্কাকাণ্ড!
ওটা কী?
এটা ভুল। এটা তো হলুদ হওয়ার কথা!
দাড়াও!
মা! মা!
মা! বাবা!
দয়া করে আমাকে ছেড়ে দাও! ছেড়ে দাও!
মা! মা! মা!
বাঁচাও! বাঁচাও মা! মা! বাবা!
পিছু হটো!
হলি। হলি।
তুমি কি ঠিক আছো?
জানি না।
জানি না। আমার মনে হচ্ছে…
আতঙ্কিত লাগছে?
আমরা শেষ স্মৃতির কাছাকাছি চলে এসেছি।
তুমি হয়তো... কিছু অনুভব করতে শুরু করবে,
সেই রাতের অনুভূতির পুনরাবৃত্তি হতে পারে।
আমি জানি আমারও হয়েছিল।
তবে এটা নিছক একটা রেশ মাত্র।
এটা ভালো লক্ষণ।
এর মানে তুমি প্রায় বাড়ি পৌঁছে গেছ।
এসো। আমার পিছু পিছু এসো।
তুমি বলেছিলে আমি প্রায় বাড়ি পৌঁছেছি।
কিন্তু তুমিও আসছ তো, তাই না?
উম্ম। না। আমি এখানেই থাকব।
নিশ্চয়ই। ইয়ার্কি মারছ নাকি?
কাম অন!
- হেই! - কী করছ তুমি?
তারগুলো মাটি পর্যন্ত পৌঁছাবে না।
আমাদের সায়েন্স এক্সপেরিমেন্টটা এখানেই করতে হবে।
আচ্ছা। খুব আস্তে ধীরে করো।
ঠিক আছে।
- রেডি? - হ্যাঁ।
রেডি!
আচ্ছা, সব রেডি।
কিছু হলে তুমি ওখান থেকে বের হয়ে আসবে।
আমি আসব। প্রমিস।
আর পরিস্থিতি যদি হাতের বাইরে চলে যায়, তবে আমরা ভোল্টেজ বাড়িয়ে দেব,
পার্টিকেলগুলোকে পুড়িয়ে ওকে হাইভ থেকে আলাদা করে দেব।
- মা? - হ্যাঁ?
আমাকে বিশ্বাস করার জন্য ধন্যবাদ।
ওই শয়তানটাকে শেষ করে দাও।
বেশ। তোমার ওপর ভরসা আছে।
এবার আগুন জ্বালো, ফ্রাঙ্কেনস্টাইন।
এর উচ্চারণ হলো "ফ্রঙ্কেনস্টিন!"
কাজ হচ্ছে। কাজ হচ্ছে!
আমরা ৫০% এ আছি!
জলদি কর। আর একটু।
আহাম্মক!
সে কোথায়? মিস্টার হোয়াটসিট কোথায়?
আমি সম্ভবত ডেরেক।
- ডেরেক? - সে অন্যদের সাথে আছে।
- নিখোঁজ শিশুদের সাথে। - হলির অবস্থা কী?
- তুমি কি হলিকে দেখতে পাচ্ছ? - না।
জলদি বলো, গাধা! মিস্টার হোয়াটসিট কই?
হলিকে খুঁজছে।
হেনরি ওকে খুঁজছে।
হলি কখনো পালাবে না। সে এমন মেয়ে নয়। তুমি মিথ্যে বলছ।
আমি মিথ্যে বলছি না। এক দানব তাকে ফুঁসলিয়ে নিয়ে গেছে।
সে লাল চুল আর অদ্ভুত পোশাকের এক মেয়ের ছদ্মবেশে ছিল।
সে নিজের নাম বলে…
ম্যাক্স।
দাঁড়াও। ম্যাক্সের কী হয়েছে?
ও তো হলির সাথেই আছে।
কিন্তু ভেকনা... ভেকনা ওদের খুঁজছে।
আমি কেবল মূর্তির মতো দাঁড়িয়ে দেখলাম।
আমি কেন লড়লাম না? কেন তাকে সাহায্য করলাম না?
সে তো ছিল পুরোনো হলি।
তুমি এখন পারবে।
না! মা! মা, প্লিজ!
এসো।
ওটা কী?
আমাদের বেরোনোর পথ।
আমাদের বেরোনোর পথ।
তুমি কি নিশ্চিত যে তুমি কোনো দানব নও?
পুরোপুরি নিশ্চিত।
আমি তোমাকে বলেছিলাম, হলি।
কখনোই জঙ্গলে ঢুকবে না।
- সর্বনাশ! - ম্যাক্স, ও এসে পড়ছে!
হলি, ওটা আমাকে দাও।
ম্যাক্স, তাড়াতাড়ি করো!
ম্যাক্স!
বহু প্রতীক্ষার পর,
শিয়ালটা ধরা পড়ল।
থামো!
ম্যাক্স!
কাজ হচ্ছে।
ওরে জাদুকর।
ম্যাক্স! তুমি কি ঠিক আছো?
- ম্যাক্স! - ম্যাক্স!
যদি তুমি...
আমায় শুনতে পাও, তুমি...
পালাও!
পালাও!
বেরিয়ে যাও!
বেরিয়ে যাও!
বেরিয়ে যাও!
কী হচ্ছে?
বেরিয়ে যাও!
বেরিয়ে যাও!
– উইল, তুমি কি শুনতে পাচ্ছ? – কাম অন!
আমি এখানেই আছি।
– উইল, চেষ্টা করো। – ভোল্টেজ বাড়াও।
উইল, আমাদের কাছে ফিরে এসো।
আমাদের কাছে ফিরে এসো উইল। উইল!
উইল, আমার কাছে ফিরে এসো!
- ফিরে এসো! - উইল! উইল!
চারদিকে শুধু এসব গলিত আবর্জনা।
জোনাথন।
তুমি এটা দেখেছ?
কী?
আমার এই আলোটা।
দেখো।
ওখানে কিছু একটা আছে।
কালো জাদু।
ওহ ঈশ্বর।
ডাস্টিন, স্টিভ, তোমরা কি শুনতে পাচ্ছ?
আমরা শিল্ড জেনারেটরটা খুঁজে পেয়েছি। শুনতে পাচ্ছ?
জোনাথন, আমি ডাস্টিন বলছি। শুনতে পাচ্ছ?
আমি তোমার কথা শুনতে পাচ্ছি না। তুমি কি শুনতে পাচ্ছ? আমরা শিল্ড জেনারেটরটা পেয়েছি।
শুধু আমার কথা শোনো। কিছু কোরো না।
ওটা স্পর্শ কোরো না!
ওটা স্পর্শ কোরো না!
শিট!
ওরা রেঞ্জের বাইরে।
বেশ, আমার মনে হয় তারা এই শো'টা দেখা থেকে বঞ্চিত হবে।
জোনাথন!
তুমি শুনতে পেলে জেনে রেখো, আমি ভুল ছিলাম।
ওটা কোনো শিল্ড জেনারেটর নয়।
এটা কোনো কালো জাদু না! এটা অন্য কিছু!
জোনাথন! ন্যান্সি!
জোনাথন! ন্যান্সি! ওটা ধ্বংস করলে তোমরা মারা যাবে।
আমরা মারা যাব, হলি মারা যাবে, সবাই মারা যাবে। তুমি কি শুনছ?
তুমি কি এই ব্যাপারে নিশ্চিত?
না।
অনুবাদ ভালো লেগে থাকলে কফি/কাচ্চি খাওয়াতে পারেন (Bkash: 01963791985, Nagad/Rocket: 01743097637)
Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.