All language subtitles for Stranger.Things.S05E04.Web-Dl.Bangla Subtitle by MOHSIN

af Afrikaans
ak Akan
sq Albanian
am Amharic
ar Arabic
hy Armenian
az Azerbaijani
eu Basque
be Belarusian
bem Bemba
bn Bengali
bh Bihari
bs Bosnian
br Breton
bg Bulgarian
km Cambodian
ca Catalan
ceb Cebuano
chr Cherokee
ny Chichewa
zh-CN Chinese (Simplified)
zh-TW Chinese (Traditional)
co Corsican
hr Croatian
cs Czech
da Danish
nl Dutch
en English Download
eo Esperanto
et Estonian
ee Ewe
fo Faroese
tl Filipino
fi Finnish
fr French
fy Frisian
gaa Ga
gl Galician
ka Georgian
de German
el Greek
gn Guarani
gu Gujarati
ht Haitian Creole
ha Hausa
haw Hawaiian
iw Hebrew
hi Hindi
hmn Hmong
hu Hungarian
is Icelandic
ig Igbo
id Indonesian
ia Interlingua
ga Irish
it Italian
ja Japanese
jw Javanese
kn Kannada
kk Kazakh
rw Kinyarwanda
rn Kirundi
kg Kongo
ko Korean
kri Krio (Sierra Leone)
ku Kurdish
ckb Kurdish (Soranî)
ky Kyrgyz
lo Laothian
la Latin
lv Latvian
ln Lingala
lt Lithuanian
loz Lozi
lg Luganda
ach Luo
lb Luxembourgish
mk Macedonian
mg Malagasy
ms Malay
ml Malayalam
mt Maltese
mi Maori
mr Marathi
mfe Mauritian Creole
mo Moldavian
mn Mongolian
my Myanmar (Burmese)
sr-ME Montenegrin
ne Nepali
pcm Nigerian Pidgin
nso Northern Sotho
no Norwegian
nn Norwegian (Nynorsk)
oc Occitan
or Oriya
om Oromo
ps Pashto
fa Persian
pl Polish
pt-BR Portuguese (Brazil)
pt Portuguese (Portugal) Download
pa Punjabi
qu Quechua
ro Romanian
rm Romansh
nyn Runyakitara
ru Russian
sm Samoan
gd Scots Gaelic
sr Serbian
sh Serbo-Croatian
st Sesotho
tn Setswana
crs Seychellois Creole
sn Shona
sd Sindhi
si Sinhalese
sk Slovak
sl Slovenian
so Somali
es Spanish
es-419 Spanish (Latin American)
su Sundanese
sw Swahili
sv Swedish
tg Tajik
ta Tamil
tt Tatar
te Telugu
th Thai
ti Tigrinya
to Tonga
lua Tshiluba
tum Tumbuka
tr Turkish
tk Turkmen
tw Twi
ug Uighur
uk Ukrainian
ur Urdu
uz Uzbek
vi Vietnamese
cy Welsh
wo Wolof
xh Xhosa
yi Yiddish
yo Yoruba
zu Zulu

Original subtitles

অনুবাদ ও সম্পাদনা মোহাম্মদ ইউসুফ

এই, শুনো।

আমি জানি তুমি ভয় পেয়েছো আর রেগে আছো।

কিন্তু বিশ্বাস করো, আমরা তোমাকে সাহায্য করতে এসেছি।

শোনো, ডেরেক, ডেরেক।

যদি এমন করতে থাকো, তাহলে তুমি নিজেই ব্যথা পাবে।

একটু শান্ত হও যাতে আমরা কথা বলতে পারি, ঠিক আছে?

তুমি কি আমাকে চেনো?

একটা শিশু অপহরণকারী ডাইনি।

আচ্ছা, তুমি কেন এমনটা ভাবছো আমি তা বুঝতে পারছি।

কিন্তু আমি খারাপ মানুষ নই।

আমি শুধু একজন মা, আর পাঁচটা মায়ের মতোই।

ও আমার ছেলে, উইল।

জম্বি বয়।

জানো তাকে এ নামে কেন ডাকা হয়?

কারণ সে মরে গিয়েছিল আর আবার বেঁচে ফিরে এসেছে।

কিন্তু মানুষ জানে না, সে নিখোঁজ হয়েছিল,

কারণ তাকে এক ভয়ংকর দানব ধরে নিয়ে যায়।

আর এখন, সেই ভয়ঙ্কর দানবটি তোমার পিছনে ধাওয়া করছে।

হ্যাঁ, জানি। মিস্টার হোয়াটসিট আমাকে বলেছেন। তাই আমাকে যেতে দাও।

না। মিস্টার হোয়াটসিট নিজেকে যা বলে, বাস্তবে সে তা নয়।

সে তোমাকে মিথ্যে বলছে। সব দানবই তার অধীনে কাজ করে।

এই জন্যই আমরা তোমাকে এখানে, এই খামারে এনেছি। আমরা ভেবেছিলাম এটা নিরাপদ,

কিন্তু সে আমাদের খুঁজে বের করেছে।

তাই আমাদের তোমাকে আবার অন্য এক জায়গায় সরাতে হবে, যেখানে সে তোমাকে খুঁজে পাবে না।

যদি দড়িটা খুলে দিই, তুমি কি শান্তভাবে আমাদের সঙ্গে যাবে?

প্লিজ?

ঠিক আছে, খুব ভালো।

তুমি খুব সাহসী ছেলে, ডেরেক। আমি চাই তুমি এই সত্যটা জানো।

অত্যন্ত—

- আমাকে ছেড়ে দাও! - ডেরেক। প্লিজ!

- দরজাটা! দরজাটা ধরো! - আমাকে বাঁচাও!

আমাকে ছেড়ে দাও! আমাকে ছেড়ে দাও!

- নড়বে না! - দূরে যাও!

কেউ বাঁচাও! আমাকে কিডন্যাপ করছে!

আমাকে ধরবে না! ছেড়ে দাও!

মা, দড়িটা আনো!

- আমাকে ছেড়ে দাও! - আহ!

এসো, আমাদের মোকাবিলা করে দেখো, বোকা!

শিট!

এই! উনি তোমাকে মিথ্যে বলছেন না, বুঝলে?

মিস্টার হোয়াটসিট খুব খারাপ লোক। দানবগুলোকে সে-ই পাঠিয়েছে।

আমার বাড়া চোষো!

একি! কী বলছো?

তুমি নিজেই বিপদ ডেকে আনলে, বোকা!

তুমি একটা পাগল, আর তোমাকে জেলে যেতে হবে!

- একটি দানব আসছে! - আমরা তোমায় সাহায্য করার চেষ্টা করছি।

- লা, লা, লা, লা। - ডেরেক, প্লিজ!

তোমাকে নিচে নামতে হবে।

আমি শুনব না। লা, লা, লা, লা।

কাছে আসবে না!

ওকে পেতে হলে আগে আমার মুখোমুখি হতে হবে!

হ্যাঁ, আমরা ওকে ধরেছি! ধরে ফেলেছি ওকে!

দিক বদলে আবার আমাদের দিকে আসছে!

আরে, কী করছ? আমাদের ঘুরে যেতে হবে।

শোনো, গেটগুলো তো পিনাট বাটার বপার্সের মতো, তাই না?

- মানে? - বাইরের অংশটা শক্ত আর খসখসে।

তবে কামড় দিলে ভেতরে নরম ক্রিমি অংশ পাওয়া যায়।

তুমি কী নিয়ে কথা বলছ?

আমি জোরে গাড়ি চালিয়ে গেটে আঘাত করলে একটা ফাটল সৃষ্টি হবে,

এরপর আমরা ডেমোটাকে আপসাইড ডাউনে অনুসরণ করতে পারব।

- ওকে ওর জায়গায় অনুসরণ করব। - সিগন্যাল চলে যাচ্ছে!

অ্যাক্সিডেন্ট হলে আমরা কিছুই ফলো করতে পারব না!

যদি ওটা বপারের মতো হয়, তাহলে ধাক্কা লাগবে না!

আর একটু হলেই হারাবে!

এগিয়ে যাও।

- হায় খোদা! হায় খোদা! - ঈশ্বর।

- ও মাই গড! - পেয়েছি! পেয়েছি!

ওহ ঈশ্বর, না!

- এটা কাজ করবে না। - আমরা পারব না!

- এটা বপার নয়। থামো! - গতি কমাও! হে খোদা!

- ও মাই গড! - ধরে থাকো!

আমরা পেরেছি!

সিগন্যাল?

- জোরালো! - ও মাই গড!

ধরে ফেলেছি তোকে, শয়তান! ধরে ফেলেছি!

উইল!? উইল!

আমি ঠিক তোমার পাশেই আছি, উইল।

ভয়ের কিছু নেই।

আমি তোমার সঙ্গে আছি।

আমি আছি। শান্ত হও।

জেলি!

অ্যালান মিলার?

দুঃখিত, ব্যাপারটা কী?

স্যার, বিষয়টা আপনার মেয়েকে নিয়ে।

ও রোয়ন কবরস্থান দিয়ে শর্টকাট নিয়েছে।

- ওটা প্রায় কাউন্টি সীমারেখার কাছাকাছি। - এটার ক্লান্তি বলে কিছু নেই?

দুর্ভাগ্যবশত, উল্টোটাই মনে হচ্ছে। আমার ধারণা সে গতি বাড়াচ্ছে।

- কী? - আমি সিগন্যাল হারিয়ে ফেলছি।

তুমি নিশ্চয়ই মজা করছ!

- তুমি কি আরও দ্রুত যেতে পারো? - দেখা যাক।

হেন্ডারসন, বলো। কি পেয়েছো?

- হেন্ডারসন, কী— - আমি সংকেতে হস্তক্ষেপ পাচ্ছি।

- এটা কীভাবে গুরুত্বপূর্ণ? - এর মানে হলো আমি সিগন্যাল পাচ্ছি না।

- আরও মনোযোগ দিয়ে শোনো। - তুমি কী বলতে চাইছো?

- তুমি কি এগুলো পরতে চাও? - আমি গাড়ি চালাচ্ছি!

তুমি ড্রাইভ করো, আমি নেভিগেট করি।

- ওটা কী? - আমি জানি না।

স্টিভ, গতি কমাও।

ও কি আমাদের সামনে আছে, না কি নেই?

- স্টিভ! - স্টিভ, সাবধানে!

- স্টিভ, হুঁশিয়ার! - সর্বনাশ!

জোনাথন, আমি মা বলছি। দয়া করে সাড়া দাও। ওভার।

জোনাথন, দয়া করে উত্তর দাও।

জোনাথন, ন্যান্সি, ডাস্টিন, আমি জয়েস বলছি। দয়া করে উত্তর দাও।

হেই।

কিছু পেলেন?

যাকগে, ভালো দিক হল, মনে হচ্ছে ওরা ভেতরে ঢুকতে পেরেছে।

তারা কোথায় যাচ্ছে দেখতে চান?

এটা কী?

জানি

কিন্তু মনে হলো এটা ওর কাছে গুরুত্বপূর্ণ।

মিস্টার… হোয়াটসিট-এর কাছে?

তার প্রকৃত নাম হলো হেনরি।

ভেকনা নামেও পরিচিত।

আরেক নাম ওয়ান।

এত নাম কে রাখে!

মুখ বন্ধ করে একটু শুনতে পারো না?

আমার মনে হয়েছে সে আমাকে সেখানে চাইছিল না।

ওটা আমার দেখার কথা ছিল না।

তুমি এর আগে কখনও হাইভ মাইন্ডের এত কাছাকাছি আসোনি।

মানে, সেটি তো একেবারে হাতের নাগালে ছিল।

কখনো কখনো স্কোয়াকে সিগনাল বেশি শক্তিশালী হলে

সেটা পুরো সিস্টেমটিকে ওভারলোড করে দেয়।

মনে হয়, এটাই হয়েছে। ওভারলোড।

তুমি শুধু হাইভ মাইন্ডে কানেক্ট হওনি।

তুমি সরাসরি কন্ট্রোল সেন্টারে প্রবেশ করেছো।

আর হলি। হলি কোথায় ছিল?

হলি। হলি, সে ছিল...

কোনো এক বিশাল জিনিসের গায়ে সে ঝুলে ছিল।

আর সে কোনোভাবে সেটার অংশ হয়ে গিয়েছিল, মনে হচ্ছিল ওটা তার উপর কিছু একটা করছিল।

আর... আর সেখানে আরও অনেকে ছিল।

সেখানে আরও তিনজন ছিল।

আমি ভেবেছিলাম ভেকনা কেবল এই নির্বোধটার জন্যই আসছে।

আমিও তাই। কিন্তু আমি ডেরেকের কথা জানতে পারলাম কারণ ও আমার পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিল।

কী কাকতালীয় সময়।

- তুমি শুনলে? সেরেন্ডিপিটিয়াস। - আমি জানি না ওটার মানে কী।

এসব বাড়তি স্পায়ার মোটেই ভালো লাগছে না।

প্রথম রাতে হলিকে অপহরণ করে ভেকনা। দ্বিতীয় রাতে নিয়ে যায় আরও তিনজনকে।

তার তৎপরতা বাড়ছে। সে আরও শিকার খুঁজছে।

এর মানে, আটজন এখনো বাকি। পুরো বারো জন লাগবে তার।

সে কেন শিশুদের বেছে নিচ্ছে? তাদের দিয়ে কী করতে চায়?

- আর বারো জন কেন? - আমি জানি না।

কিন্তু সে আরও কাউকে নিয়ে যাওয়ার আগে আমাদের তাকে থামাতে হবে

আর ডাস্টিন আর অন্যদের সময় দিতে হবে এই জায়গাটা খুঁজে হলিকে খুঁজে বার করার জন্য।

যদি আমরা ওর আসল টার্গেট খুঁজে বের করতে পারি, তবে আমরা ওদের হকিন্স থেকে বের করে আনতে পারবো।

আর ভেকনার নাগালের বাইরে নিয়ে যেতে পারবো।

তুমি কি ভুলে গেছো যে আমরা কোয়ারেন্টিনে আছি?

- শুধু এটাই নয়। - আরও একটি সমস্যা আছে।

এখানে আসার সময় দেখলাম, সৈন্যরা ডেবি মিলারকে একটা বাসে তুলছে,

— আরও বেশ কিছু শিশুর সঙ্গে একটি বাসে।

আমরা আরও দু’টি ব্লক অনুসরণ করলাম, ওরা আরও বাচ্চাদের বাসে তুলেছে।

আমার মনে হয় না তারা ওদেরকে স্কুলে নিয়ে যাচ্ছিল।

কেবল ভেকনা-ই এই শিশুদের চাইছে না।

হলি যে রাতে নিখোঁজ হয়, সে রাতেও ইলেভেন হুইলারদের বাড়িতে ছিল।

চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে আরও তিনটি শিশু নিখোঁজ হয়েছে।

হকিন্সে নয় থেকে দশ বছর বয়সী ৭৩ জন শিশু আছে।

যদি এইভাবেই চলতে থাকে, তাহলে পরের টার্গেট এই গ্রুপের মধ্যে থেকেই হবে।

আপনার মনে হচ্ছে, বাচ্চাগুলোকে ইলেভেনই নিয়েছে?

কী কারণে?

তাদের হত্যা করা বা তাদের রক্ষা করা। কারণটা এখানে গুরুত্বপূর্ণ নয়।

এই শিশুরা? তারা এখন কোথায় আছে?

যেকোনো মুহূর্তে তারা ম্যাক-জি তে পৌঁছাবে, যেখানে তোমাকেও চাই।

আমার লেফটেন্যান্ট অ্যাকার্সকে খোঁজা উচিত। অ্যাকার্সকে খুঁজে পেলে আমি—

মৃতদেহ পাবে।

ম্যাক-জেড-এ রিপোর্ট করো, কর্নেল। এটা আমার অর্ডার।

মেজর জেনারেল।

সবিনয়ে বলছি, এই বাচ্চারা বিপদে আছে।

তাদের টোপ হিসাবে ব্যবহার করাটা মনে হচ্ছে...

কী মনে হচ্ছে, সার্জেন্ট?

বেপরোয়া।

এটা কেবল তখনই বেপরোয়া হবে যখন তুমি তাদের রক্ষা করতে ব্যর্থ হবে।

তুমি কি আমাকে বলছো যে তুমি তাদের রক্ষা করতে পারবে না, সার্জেন্ট?

না, ম্যাডাম।

ভালো।

তোমাকে ভয় পাইয়ে দেওয়ার জন্য দুঃখিত।

আমি অনেক... অনেক দিন ধরে কাউকে দেখিনি, তাই...

বোধহয় একটু বেশি উত্তেজিত হয়ে গেছি।

সুখবর হলো, ক্ষতটা ততটা গভীর মনে হচ্ছে না।

সেলাইয়ের প্রয়োজন নেই।

তবে নিশ্চয়ই জ্বলছে, তাই না?

তুমি আমার সাথে চাইলে কথা বলতে পারো।

আমি কামড়াবো না।

তুমি আমাকে চিনতে পারছ তো?

আমি তোমাদের বাড়িতে গিয়েছিলাম।

অনেকবার গিয়েছি।

তুমি ম্যাক্স, ম্যাক্স মেফিল্ড।

তুমি স্কেটবোর্ড চালাও আর কখনও তোমার ওয়াকম্যান খোলো না।

– ঠিক ধরেছ। – কিন্তু...

আমি হকিন্স জেনারেল হাসপাতালে কোমায় থাকা সত্ত্বেও এখানে কীভাবে আছি?

এটি খুবই যুক্তিসঙ্গত প্রশ্ন।

আমাদের এগোতে হবে। এখানে থাকা নিরাপদ নয়। চলো।

আমরা কোথায় যাচ্ছি?

আমার বাসায়।

আমি বেশি দূরে যেতে পারব না। আমি এখানে এসেছি হেনরির সাথে দেখা করতে।

- তুমি হেনরিকে চেনো? - তা একরকম বলা যায়।

সে আমাকে এই চিরকুটটা দিয়েছিল। দেখো? আর বলেছিল এখানেই, ‘এক্স’ চিহ্নিত জায়গায় তার সাথে দেখা করতে।

আমার মনে হয় দানবদের সাথে তার ঝামেলা হয়েছে।

হেনরি নানা কিছুর মধ্যে জড়ায়, কিন্তু দানবদের সঙ্গে বিপদে পড়া তার মধ্যে পড়ে না।

– কিন্তু নোটে তো লেখা আছে— – আমি জানি নোটে কী লেখা আছে।

তুমি কীভাবে জানো যে সে বিপদে নেই? সে তো বলেছে তাড়াতাড়ি যেতে!

হলি, আমি জানি চিরকুটে কী লেখা আছে, কারণ হেনরি এটি লেখেনি। আমি লিখেছি।

আমি... আমি বুঝতে পারছি না।

আমি দুঃখিত।

আমি মিথ্যে বলতে চাইনি। আমি শুধু নিশ্চিত হতে চেয়েছিলাম যে তুমি এখানে আসবে।

তুমি তাদেরই একজন, তাই না?

– কাদের একজন? – দানবদের।

- আমাকে কি দানবের মতো দেখাচ্ছে? - আমি জানি না। হয়তো তুমি ছদ্মবেশে আছো।

তুমি অদ্ভুত পোশাকে আছো, আর তুমি কোমায় আছো।

ঠিক আছে।

আচ্ছা, কোনো দানবের কি জানার কথা যে তোমার ভাই একটা হেয়ারকাট করাতে চেয়েছিল,

যতক্ষণ না তোমার বোন তাকে থামায়,

না হলে ছেলেটা ভয়ানক বেইজ্জত হতো—

যা হকিন্স হাইস্কুলে নতুন কারো জন্য জীবনের সবচেয়ে বাজে অভিজ্ঞতা হতে পারত?

মোহকের রংটা কী ছিল?

টকটকে কমলা রং।

আর ব্যক্তিগতভাবে আমার মনে হয় “টকটকে” শব্দটি ব্যবহার করাটাই বেশ ব্যঙ্গাত্মক। তবে...

লোকজন বলে আমি নাকি সবকিছুতেই খুঁত ধরে থাকি।

আমি তো শুধু সত্য কথাটাই বলি।

কাম অন!

স্বাগতম।

হেই।

বোনাস হিসেবে দেখার মতো দৃশ্যও আছে।

আমরা কোথায় আছি?

একটি স্মৃতির ভেতরে।

যেটা হাজারো স্মৃতির এক জগতের ভেতরে অবস্থিত।

দেখতে মনোরম লাগতে পারে, জানি।

আসলে ভেতরের সত্য আলাদা।

এই জায়গা, এই দুনিয়া...

এটা একটা কারাগার।

হেনরির কারাগার এটা।

ভয় নেই, সুইটি।

এরা ভালো মানুষ। এরা সবাইকে সুরক্ষিত রাখবে।

এটাকে ফিল্ড ট্রিপ ভাবতে চেষ্টা করো।

হুম। একটা শেখার অভিযান।

কার্গো এসে পৌঁছেছে। আমি পুনরাবৃত্তি করছি, কার্গো এসে পৌঁছেছে।

ওরা ওদের লাইব্রেরি থেকে দু'নম্বর ব্যারাকে নিয়ে যাচ্ছে।

টানেল।

হ্যাঁ। দেখলে? ম্যাক-জেড-এর উত্তরের সুড়ঙ্গটা ঠিক ব্যারাকের নিচ দিয়ে চলে গেছে।

– ভাগ্য ভালো। – কোনো না কোনো দিন এমনটা হবারই ছিল।

এই পরিকল্পনা সফল করতে হলে আরও সৌভাগ্যের প্রয়োজন পড়বে।

আমাদের ধারণা ঠিক হলে, আর্মি আসলে ওদেরকে রক্ষা করতে চাইছে।

তাই এই ব্যারাকটি শক্তভাবে পাহারায় থাকবে।

আমাদের ব্যারাকের নিচ থেকে খুঁড়ে উঠতে হবে, কারও নজরে না পড়ে—

বাচ্চাদের নিয়ে মারের কাছে দিতে হবে, তারপর লুকিয়ে হকিন্স থেকে সরিয়ে ফেলতে হবে।

কেউ বুঝে ওঠার আগেই আমাদের কাজ শেষ করতে হবে।

- ডিক (ব্যক্তির নাম)। - কী?

কী? ওহ।

দুঃখিত। আমি কি ওটা জোরে বলে ফেলেছি? ভেবেছিলাম মনে মনে বলেছি।

কিন্তু তোমরা টম, ডিক আর হ্যারিকে চেনো তো, তাই না?

মানে সিরিয়াসলি? তোমাদের কেউই "দ্য গ্রেট এস্কেপ" দেখোনি?

আসলে, কয়েকজন যুদ্ধবন্দীর গল্প এটা।

ওরাও ঠিক এমন একটা ব্যারাকে আটকে ছিল।

পালানোর প্রয়োজনে তারা সুড়ঙ্গ খুঁড়তে শুরু করে,

আর সেই সুড়ঙ্গগুলোর নাম দেয় টম, ডিক ও হ্যারি।

নাৎসিদের চোখ থেকে সেই সুড়ঙ্গগুলো লুকিয়ে রাখতে হয়।

তাই তারা টমকে এক অন্ধকার কোণে রাখে, আর হ্যারিকে রাখে চুলার নিচে,

আর ডিককে রাখে ওয়াশরুমে। আর আমার মতে আমাদের জন্য ডিকটাই পারফেক্ট।

ওহ, ওয়াশরুমটা। আমি আসলে... থাক, বাদ দাও।

ঠিক আছে, ধরো আমরা ডিককেই বেছে নিলাম।

ওয়াশরুমটা কোথায় আছে, জানব কী করে?

আর বাচ্চাদের কী করে সেখানে নিয়ে যাব?

ভেকনা কোন বাচ্চাদের টার্গেট করেছে, সেটা কীভাবে বুঝব?

একজন ভেতরের লোক লাগবে, যে ব্যারাকে ঢুকতে পারবে,

ওয়াশরুমের দূরত্ব মাপতে পারবে, কোন বাচ্চারা মিস্টার হোয়াটসিটকে দেখেছে তা জানতে পারবে,

আর মিলিটারি যাতে ধরতে না পারে, সেটা নিশ্চিত করবে।

বাহ, প্ল্যানটা তো দারুণ, কিন্তু এটা কি একটু বেশিই...

'মিশন ইম্পসিবল'-এর মতো নয়?

হ্যাঁ। মানে, মাইক, কাকে দিয়ে তুমি এই কাজটা করাবে?

বন্ড? ম্যাগনাম?

না, সুপার স্পাই টাইপ কাউকে লাগবে না।

আমরা চাই এমন কাউকে, যাকে কেউ সন্দেহই করবে না।

যে হেঁটে ঢুকলেও কেউ প্রশ্ন করবে না।

সেই একমাত্র বাচ্চা, যাকে সেনাবাহিনী ধরতে পারেনি।

কি বললে?

পশ্চিম গেটের টাওয়ারে দুজন গার্ড আছে।

পূর্ব গেটের পাশের টাওয়ারে আরও একজন।

মাটিতে চারজন পাহারা দিচ্ছে।

আশা করি তুমি ঠিক, আর ভেকনা ভেতরেই আছে,

কারণ ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করতে গিয়েই আমাদের প্রাণ যেতে পারে।

আমি ঠিকই বলেছি।

সব সময় তোমার কথা খাটে না। তোমার সব ধারণা ঠিক নাও হতে পারে।

- কেন নয়? - তুমি ক্রিপ্টোনাইটের কথা শুনেছো।

ভেকনা যদি ভেতরে থাকে, তবে তার ক্ষমতা থাকবে না।

যদি তার ক্ষমতাই না থাকে,

হলির অপহরণের সাথে তার কী সম্পর্ক থাকতে পারে?

আমি তাকে শেষ করার আগে তুমি জিজ্ঞেস করে নিও।

বেড়ার উচ্চতা কত?

দেখো, তুমি ওটা লাফিয়ে পার হতে পারবে না।

কেন পারব না?

কারণ এটা ট্রেনিং নয়। এটা আসল পরিস্থিতি।

ওপরের ছাদটা লোহার।

লাফ দিয়ে ওটায় আঘাত করলে পুরো ঘাঁটিটাই সতর্ক হয়ে যাবে।

বজ্রপাতের সাথে সময় মিলিয়ে করলে সমস্যা হবে না।

হ্যাঁ।

ব্যবধানটা সাত সেকেন্ডের।

এক, দুই, তিন, চার, পাঁচ, ছয়...

সাত।

ঠিক আছে। তোমার ভাগ্য ভালো।

- হপার, শুনতে পাচ্ছেন? - ডাস্টিন!

ওভার। আমি ডাস্টিন বলছি।

হপার, শুনতে পাচ্ছেন? আমি ডাস্টিন।

আমি হপ, শুনতে পাচ্ছি।

যাক বাবা! ওরা বেঁচে আছে!

এল! এল-এর কথা জিজ্ঞেস করো।

এল। এল কি আপনার সাথে আছে? ওভার।

হ্যাঁ। আমি এখানে আছি। ওভার।

ঠিক আছে। দারুণ। চমৎকার।

আমি জানি না আপনি গুরুত্বপূর্ণ কোনো কাজে ব্যস্ত আছেন কিনা, তবে—

- ডাস্টিন। কাম অন। - আমাদের সাথে দেখা করুন!

দয়া করে রোন কবরস্থানের গির্জায় আমাদের সাথে দেখা করুন।

রোন কবরস্থান। কীভাবে তুমি সেখানে থেকে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছ?

ঠিক। আপনারা জানেন না। আমরা আপসাইড ডাউনে আছি।

কী?

সংক্ষেপে, আমরা আমাদের ট্র্যাকার দিয় একটা ডিমোগর্গনকে খুঁজতে এসেছি

কিন্তু এসে একটা দেয়ালে ধাক্কা খেলাম। সত্যি বলছি। এখন স্টিভের গাড়িটা আটকে আছে,

তাই এল-এর ক্ষমতা দিয়ে ওটা সরাতে হবে

যাতে আমরা ডেমোগর্গনকে খুঁজে বের করার কাজ আবার শুরু করতে পারি।

যেটা সম্ভবত আমাদের হলির কাছে নিয়ে যাবে। কিছু কি বুঝতে পারছেন?

আরও কিছু জানতে চান? কোনো প্রশ্ন? কোনো উদ্বেগ? ওভার।

তোমরা দেয়ালে ধাক্কা খেয়েছ?

ঠিক কেমন ধরনের দেয়াল?

এটা বর্ণনা করা একটু মুশকিল।

- কিছুটা… - বড়?

জঘন্য।

হেন্ডারসনের বগলের মতো দুর্গন্ধ।

আমরা একই জিনিসটাতে ধাক্কা খেয়েছি, তবে রোন কবরস্থানে নয়।

আমরা পুরনো হেগেন সেতুর এক-চতুর্থাংশ মাইল দক্ষিণ-পূর্বে ধাক্কা খেয়েছিলাম।

সেটা শহরের অন্য প্রান্তে।

চিত্তাকর্ষক।

এটি কী তা আমরা জানি না, তবে মনে হয় হলির সঙ্গে সম্পর্ক আছে।

ভেঙে প্রবেশ করার চেষ্টা করো না। পারবে না।

আমরা একটা সমাধান খুঁজছি।

- ন্যান্সি। - সমাধান? কীসের সমাধান?

দাঁড়ান, কী ধরনের সমাধান? হপার!

শোনো, আমাদের আকাশপথ পরিষ্কার রাখতে হবে, কেমন?

আমরা তোমাদের নিতে আসবো। শুধু যেখানে আছো, সেখানেই থেকো।

তুমি কি মনে করো তারা নিরাপদ?

আমাদের তুলনায়? হ্যাঁ।

ওকে।

চল দেখি প্রশিক্ষণ কাজে দিয়েছে কি না।

তুমি কি আমাকে লাফ দেওয়ার অনুমতি দিচ্ছ?

আমার মত বদলানোর আগে চলো যাই।

ভেকনার অভিশাপ,

এটি কখনও দূর হয় না।

কখনও তোমাকে ছাড়ে না।

প্রতিটি শিকার নেওয়ার সময় সে একটি নতুন গেট তৈরি করেছে।

আপসাইড ডাউন-এর জন্য একটি গেট?

যখন সে আমাকে ধরে নিয়ে গেল, সে চতুর্থ এবং শেষ গেটটি খুলল,

হকিন্সকে দু'ভাগে বিভক্ত করে।

দাঁড়াও, কিন্তু যদি মিস্টার হোয়াটসিট... মানে হেনরি, তোমাকে ধরে থাকে তবে তুমি এখানে কী করে এলে?

তুমি বলতে চাও, আমার মরে যাওয়া উচিত ছিল?

ঠিক আছে। এটা একটি ন্যায্য প্রশ্ন।

আমি নিশ্চিতভাবেই মরে যেতাম।

আর কিছুক্ষণের জন্য...

আমি মরেই গিয়েছিলাম।

আমি জানি না কতক্ষণ আমি অনুপস্থিত ছিলাম।

কিন্তু তারপর আমি কিছু একটা অনুভব করলাম... যা আমাকে ডাকছিল।

জীবন একটা স্বপ্ন হতে পারে

যদি আমি তোমাকে উপরের স্বর্গে নিয়ে যেতে পারতাম।

যদি তুমি আমাকে বলতে আমি একমাত্র...

শুধু এক রাতের জন্য। মিস করো না। টিকিট মাত্র ৫০ সেন্ট।

তোমাদের জন্য দুই কোয়ার্টার, পয়েন্ডেক্সটাররা।

- জয়েস! এটা কি তোমার সেই নাটক? - তোমাকে দেখতে চাই সেখানে, হ্যারিংটন।

শুক্রবার রাতে? তোমার ইচ্ছা!

জীবন একটা স্বপ্ন হতে পারে

চমৎকার শট, উল্লুক!

যদি কেবল আমার সমস্ত প্রিয় পরিকল্পনা সত্যি হতো।

কীভাবে যেন আমি অন্য এক সময়ে ছিলাম।

হকিন্স।

ত্রিশ বছর আগে।

টাইম ট্র্যাভেল।

আসলে আমি সেখানে ছিলাম না।

ঠিক পুরোপুরি নয়। আমি ছিলাম শুধু...

একজন দর্শক।

এবং তখনই আমি বুঝতে পারলাম।

আমি হেনরির মনের ভেতর, তার স্মৃতিতে আটকে ছিলাম।

একটি দুঃস্বপ্নের কারাগারের মতো জগৎ।

একজন পাগল এবং খারাপ মানুষ এটি নিয়ন্ত্রণ করছিল।

কামাজটজ-এর মতো।

কামা… কী?

কামাজটজ। 'এ রিঙ্কল ইন টাইম' নামক গ্রন্থ থেকে।

- কখনও পড়িনি। - তোমার পড়া উচিত। এটা অসাধারণ।

কামাজটজ এমন একটি অন্ধকার গ্রহ, যা আইটি-র নিয়ন্ত্রণে।

যা একটি বিশাল, শরীরবিহীন, দুষ্ট মস্তিষ্ক।

যাই হোক, মেগের বাবা… মেগ প্রধান চরিত্র।

…সে সেখানে বন্দী হয়ে যায়।

তো, হেনরি হলো একরকম 'আইটি'-এর মতো, আর তুমি একরকম মেগের বাবার মতো।

ঠিক আছে। তাহলে...

আমি জানি না মেগের বাবা একমত হতেন কিনা, কিন্তু আমার দৃষ্টিতে,

যখন তুমি একটি গোলমালপূর্ণ কারাগারে বন্দী,

তোমার সামনে সত্যিই অল্প কয়েকটি দরজা খোলা থাকে।

এক নম্বর দরজা, নিজের জীবন শেষ করা।

দুই নম্বর দরজা, নিয়তিকে মেনে নেওয়া।

- অথবা তিন নম্বর দরজা... - তুমি পালাও।

- আমি তিন নম্বর দরজা বেছে নিয়েছি। - মনে হচ্ছে এটাই সবচেয়ে ভালো দরজা।

সুতরাং, আমি এগোতে থাকলাম।

এক স্মৃতি থেকে আরেক স্মৃতিতে।

এই জায়গাটা একটা গোলকধাঁধা।

আমি পথ হারালাম, দিক ভুল করলাম। এত বেশি দিকভ্রান্ত হলাম যে,

শেষে আমি আবার শুরুতে ফিরে এলাম।

আর তখনই আমি তাকে শুনতে পেলাম।

আমি কেট বুশের কণ্ঠস্বর শুনলাম।

সে কি তোমার বন্ধুদের একজন?

তা একরকম বলা যায়।

তুমি কি জানতে চাও আমি কী চুক্তি করছি?

সঙ্গীত তার পথ খুঁজে নেয় তোমার কাছে, এমনকি সবচেয়ে অন্ধকার স্থানেও।

লুকাস এই সঙ্গীতের শক্তি ব্যবহার করে আমাকে ভেকনার মন থেকে আগেও বের করে এনেছিল,

আলোর জগতে।

তাহলে, এই গানটা লুকাসের কাছ থেকে, আসল দুনিয়া থেকে আসছিল?

এত সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরেও,

সে আমার উপর আশা হারায়নি।

যদি তুমি এই সঙ্গীতের পিছু ধাও,

তাহলে কি হবে?

তাহলে এটা আমাকে এখান থেকে বের করে নেবে,

বাড়ি ফেরার পথে।

অন্তত আমি তাই ভেবেছিলাম।

কিন্তু তারপর...

সব ভেস্তে গেল।

হেই!

কী করছোটা কী? তুমি কি পড়তে পারো না, খোকা? প্রবেশ নিষেধ।

ঠিক আছে, বুঝেছি, অফিসার।

আসলে... আমার স্কুলটা খুঁজে পাচ্ছি না।

চলো।

হাঁটো।

সর্বনাশ! ওগুলো কি লেজার ব্লাস্টার?

হতেও পারে।

আর তুমি যদি এগোতে না থাকো, তবে ওগুলো তোমাকে উড়িয়ে দেবে।

- ছেলেরা। - আমাকে ধরতে পারবে না!

ছেলেরা!

কোনোভাবেই না।

ইনি প্রাইভেট চ্যাপম্যান। ইনি যা বলেন, তুমি ঠিক তাই করবে।

যদি কোনো প্রশ্ন থাকে, তা সরাসরি তার কাছে করো।

টয়লেট কোথায়?

রড।

বেলচা।

পাঁচটা সেফটি গগলস।

একটি সার্ভেয়ারের চাকা এবং…

প্রশংসার জন্য অপেক্ষা করো।

সান্তার গাড়িটা এখন হরিণদের জন্য রেডি।

এতে আছে বিল্ট-ইন বেঞ্চ, সিটবেল্ট, আর ফোমের গদি।

কিডন্যাপ হওয়া একটা বাচ্চার যা যা লাগতে পারে, সবই আছে।

ফোমের প্যাড?

সাবধানে যেতে হবে, তাই না?

আমি ভেতরে। শুনতে পাচ্ছো? আবার বলছি, আমি ভেতরে। শুনতে পাচ্ছো?

হ্যাঁ, শুনছি। কোথায় তুমি?

বাথরুম। পেছনের কক্ষ। দরজা থেকে প্রায় ৪৫ পা দূরে।

চমৎকার। এখন মিস্টার হোয়াটসিটকে যারা দেখেছে তাদের জড়ো করো।

আর আমরা শিগগিরই পৌঁছে যাব।

আর মনে রেখো, তুমি সেই বোকা ডেরেক নও। তুমি—

ঝাকানাকা ডেরেক!

গেট খোলার পর আমি ভিতরে ঢুকলেই…

– তুমি পথ দেখাবে। – হ্যাঁ।

আর তুমি?

আমি তোমার ক্রিপ্টোনাইট সরিয়ে দেব। চিন্তা কোরো না।

আচ্ছা।

ঠিক আছে, এসো। তুমি পারবে। অবশ্যই পারবে।

দাঁড়াও! তুমি অনেক তাড়াতাড়ি এগিয়ে এসেছ।

হায় ঈশ্বর।

সরি।

তুমি কি তোমার বুড়ো বাবাকে হার্ট অ্যাটাক দিতে চাও?

যাই হোক, কাজটা ভালোই করেছ।

হপ?

হ্যাঁ?

ধন্যবাদ।

কিসের জন্য?

আমাকে শেখানোর জন্য।

আমার ওপর আস্থা রাখার জন্য।

সবসময় তোমার পাশে আছি।

হিসেব-নিকাশের দিন এসে গেছে।

482 00:33:46,524 - 00:33:50,153 এই কথা মাথায় রেখে মিস্টার হোয়াটসিট আমাকে নির্বাচিতদের একত্র করতে পাঠিয়েছেন।

মিস্টার হোয়াটসিট যদি কারও কাছে এসে থাকে, এখনই বলো।

485 00:33:52,905 - 00:33:58,703 রাত হলে টয়লেটে এসো, আমি তোমাদের ত্রাণকর্তার কাছে নিয়ে যাব।

ডেরেক পুরো পাগল হয়ে গেছে।

দানবেরা আসছে, আর তোমরা সবাই মারা যাবে।

ডেরেক?

তুমি কি হেনরির কথা বলছো?

ডেরেকের কোনো খবর আছে এখনো?

এখনও পাইনি।

ওকে সময় দাও। খুব বেশি সময় হয়নি।

আমি ব্যাপারটা হজম করতে পারছি না যে

পৃথিবীর ভাগ্য এই ডেরেক টার্নবো-এর ওপর নির্ভর করছে।

তুমি আয়নায় তাকালে কি কোনো নেভি সিলকে দেখতে পাও?

মাঝে মাঝে মানুষের এমন কাউকে দরকার হয় যে তাদের বিশ্বাস করে।

সেই বিশ্বাস তাদের দিয়ে অসাধারণ সব কাজ করায়।

তোমার মা আর রবিন-এর মধ্যে সম্পর্ক ভালো হচ্ছে।

মা যে ডেমোগর্গনকে ভয় দেখিয়ে তাড়িয়ে দিয়েছে, তাতে কোনো ক্ষতি হয়নি।

রোবিনের জীবন বাঁচিয়েছে, সবার জীবন বাঁচিয়েছে।

তাহলে, তোমার মা যখন তাঁর কুড়ালটি হাতে নিয়েছিলেন,

তুমি তাকে দেখতে পাচ্ছিলে?

- যেন ডিমোগর্গনের চোখ দিয়ে? - হ্যাঁ।

আর আমি হাইভের এত কাছাকাছি ছিলাম,

ওর রাগটা যেন আমিও টের পাচ্ছিলাম।

মনে হচ্ছিল, যেন আমি ওর মাথার ভেতর আটকে আছি।

আমার ভয় করছিল, বিশেষ করে মা যেন বিপদে না পড়ে।

- তুমি তাকে রক্ষা করতে চেয়েছিলে। - হ্যাঁ… কিন্তু কিছুই করতে পারিনি।

এটা যেন এমন এক ভয়ের সিনেমা, যা চাইলেও বন্ধ করা যায় না!

খুল যা সিমসিম।

ওহ। আচ্ছা, উপভোগ করো।

ধন্যবাদ।

- তুমি কি নিশ্চিত যে তুমি করোনি? - কী করিনি?

ভয়ের মুভিটা বন্ধ করা।

হয়তো উলটোটা ঘটেছে, তুমিই তোমার মাকে রক্ষা করেছ।

রাগ করো না। তোমার মা দারুণ, কিন্তু বুঝতেই পারছো।

- হ্যাঁ, তাঁর উচ্চতা ৫ ফুট ৩। - হ্যাঁ!

ভেকনা পুরো হাইভকে সুতোয় বাঁধা পুতুলের মতো চালায়।

তুমি হাইভে ঢুকলে তুমিও নিয়ন্ত্রণ করতে পারো।

কিন্তু আমি তো ভেকনা নই।

আসলে, তুমি কিছুটা তাই।

তুমি কি বলতে চাইছো যে আমি খারাপ আর দুনিয়া ধ্বংস করার জন্য বদ্ধপরিকর?

পুরোপুরি।

না, বলতে চাচ্ছি তুমি হুবহু তার মতো ক্ষমতাধারী একজন জাদুকর।

ডি অ্যান্ড ডি-তে, মাইক, বাস্তব জীবনে নয়।

সত্যি। বাস্তবে তুমি বরং একজন জাদুকরের মতো।

কারণ তোমার ক্ষমতা কোনো জাদুর বই থেকে আসেনি। ওগুলো জন্মগত।

শোনো, এর চেয়েও অদ্ভুত ধারণা আমার মাথায় এসেছে।

আর ইলেভেন যেহেতু আপসাইড ডাউনে আছে, আমাদের এখানে সত্যিই কিছু জাদুর দরকার।

সমাধান খুঁজছ?

আমি বলতে চাইছি, হপারের কাছে যদি হলির কাছে যাওয়ার উপায় থাকে,

তার উচিত... তার উচিত সেটা আমাদের সাথে শেয়ার করা!

আমার মনে হয় বুড়ো লোকটাকে আমাদের উপেক্ষা করা উচিত।

আমরা চলতে থাকি। একটা দরজা বা কিছু একটা খুঁজি।

হ্যাঁ, একটা জিনিস জানতে ইচ্ছে করছে।

তোমার এই দরজাটা কি পিনাট বাটার বপারের মতো নরম?

বায়ার্স, কিছু বলার থাকলে সরাসরি বলে দাও?

আমি শুধু বলছি যে এখন থেকে হয়তো তোমার সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়।

এটা শুধু ওর সিদ্ধান্ত ছিল না। এটা আমারও ছিল কারণ ও আমার বোন।

আর...

আমি স্টিভের সঙ্গে একমত। এভাবে বসে থাকলে চলবে না।

দরজার কথা জানি না, কিন্তু এই দেয়ালটা চিরকাল থাকতে পারে না।

এটা ঘিরে কোনো না কোনো পথ অবশ্যই আছে।

নেই।

এই দেয়ালটা একটা বৃত্ত।

একটি বৃত্ত যা পুরোপুরি আপসাইড ডাউনকে ঘিরে রেখেছে।

ও, তাই? তুমি কীভাবে তা বুঝলে?

কারণ তোমার মতো আমি অ্যালজেব্রা ক্লাসে ঘুমাইনি।

আমার টেলিমেট্রি ট্র্যাকার দেয়াল থেকে আসা একটি অদ্ভুত ফ্রিকোয়েন্সি শনাক্ত করেছে,

আর এটা ধরতে আমার একটু সময় লেগেছে, কিন্তু আমি এটা আগে শুনেছি।

আসলে আমরা দুজনেই শুনেছিলাম। হপকে খুঁজতে বের হয়েছিলাম, মনে আছে?

আর তুমি আরউইন রোড থেকে ওই শব্দটা শুনেছিলে?

– হ্যাঁ, তুমি বলেছিলে সিগনালের ব্যাঘাত। – হ্যাঁ, তাই ছিল।

কিন্তু এই হস্তক্ষেপটা কোনো সামরিক সম্প্রচার বা ইএমআই থেকে আসছিল না।

এটি আসছিল এই দেয়াল থেকে, যা খুব গুরুত্বপূর্ণ।

কারণ এতে আমরা তিনটি নিশ্চিত লোকেশন পেলাম।

তাই, আমি বিন্দুগুলো জুড়ে দিলাম,

মধ্যবিন্দু নির্ণয় করলাম, লম্ব বিভাজক আঁকলাম—

আচ্ছা আচ্ছা! আমরা তো তোমার স্যার নই। তোমার কাজ দেখাতে হবে না।

আমরা বুঝতে পেরেছি। তুমি ভাবছো এটা একটা বড় বৃত্ত।

আমি ভাবছি না। আমি জানি। আমি তিনবার পরীক্ষা করেছি, আর আমার হিসেব ঠিক।

আচ্ছা ঠিক আছে, কিন্তু এতে হলির কাছে পৌঁছানোটা কোথায় সহজ হলো?

কারণ, বৃত্তটা বড় কথা নয়। মূল কথা হচ্ছে তার কেন্দ্র।

ডিওই। ডিপার্টমেন্ট অফ এনার্জি।

– ওটা তো... – হকিন্স ল্যাব।

এই বিশাল দেয়ালের কেন্দ্রটা ঠিক সেখানে

যেখান থেকে সব শুরু হয়েছিল,

সেখানে আপসাইড ডাউনের সৃষ্টি হয়েছিল?

তাহলে কি ল্যাব দেয়ালটা বানিয়েছে?

জানি না। তবে আমার মনে হয় আমাদের বিষয়টি খতিয়ে দেখা উচিত।

তোমারও কি তাই মনে হয় না?

সুরটি আমাকে আরেকটি নতুন স্মৃতির দরজায় ঠেলে দিল।

তবে, এই স্মৃতিটিতে কিছু একটা ভিন্ন ছিল।

আমি সেখানে ছিলাম।

এটা ছিল সেই দিন যেদিন হেনরি আমাকে অভিশাপ দিয়েছিল।

ওটাই ছিল আমাকে নিয়ে তার প্রথম স্মৃতি।

জানি, এ নিকৃষ্ট জায়গাটা যথেষ্ট বিভ্রান্তিকর ছিল না, তাই না?

কিন্তু গানের সুরটি তখনও পথ দেখাচ্ছিল।

তাই আমি সুরটিকে অনুসরণ করলাম।

এবং সুরটা আমাকে টেনে নিয়ে গেল অনেক অচেনা স্মৃতির ভেতর।

ভয়ংকর সব স্মৃতি।

- ছেড়ে দাও! - আমাকে অনুসরণ করে মৃত্যুর দিকে এসো।

মনে হলো যেন সেগুলো কখনোই শেষ হবে না।

অবশেষে একসময় সব থামল।

ওটা সেই রাত, যেদিন ভেকনা আমাকে মেরে ফেলেছিল।

মুক্তির পথ।

আমি খুব কাছে পৌঁছে গিয়েছিলাম।

না।

না।

লুকাস!

লুকাস! লুকাস! লুকাস!

হ্যালো, ম্যাক্স।

আমি দৌড়াতে থাকলাম।

আমি শুধু দৌড়েই যাচ্ছিলাম।

সেদিন তার মুখের চাহনি আমি কোনোদিন ভুলব না।

সে ভয় পেয়েছিল।

সে ভয়ের চেয়েও বেশি আতঙ্কিত ছিল।

এই গুহাটায় যেন অদ্ভুত কিছু লুকিয়ে আছে...

এই স্মৃতিটা।

সে এখানে প্রবেশ করবে না।

এখানে,

আমি নিরাপদ।

তাই এটাকে আমার আশ্রয়স্থলে পরিণত করেছি।

আমার ঘর।

আমি দুই নম্বর দরজা বেছে নিয়েছিলাম।

ওই বাজে দুই নম্বর দরজা।

নিজের নিয়তি মেনে নাও।

সেটাই বলবত ছিল,

যতক্ষণ না তুমি এলে।

এখন তিন নম্বর দরজাটা আবার ফিরে এসেছে।

পালানো।

আমার একটা প্ল্যান আছে, আমাদের এখান থেকে বের করার প্ল্যান।

এবং এতে সময় লাগবে, আমাদের কাছে যত সময় আছে তার চেয়ে বেশি।

হেনরি যে কোনো মুহূর্তে তার বাড়িতে ফিরে আসবে।

সে ফিরে এলে তোমার অনুপস্থিতি তার চোখে পড়া চলবে না।

তুমি চাও আমি আবার সেখানে যাই?

তার কাছে? হেনরির কাছে? না, আমি—

জানি। এটি ভীতিকর।

কিন্তু তুমি যদি এখান থেকে বের হতে চাও, যদি কামাজটজ থেকে পালাতে চাও,

এটাই একমাত্র উপায়।

এটাই একমাত্র পথ।

বলো, আমাকে কী করতে হবে।

এই, কি—

- হ্যালো। - হাই।

তোমার কি ট্যামি থম্পসনকে মনে আছে?

হ্যাঁ। ও কি ওই বাজে গায়িকা না?

হ্যাঁ।

কিন্তু নবম শ্রেণিতে,

আমার মনে হতো, তার গলা যেন হুইটনি হিউস্টনের মতো।

মানে, যখন আমি প্রথম তাকে দেখেছিলাম, ওহ ঈশ্বর, মনে হচ্ছিল সময় যেন ধীর হয়ে গিয়েছিল।

এটা যেন কোনো গাঁজাখুরি সিনেমার একটা দৃশ্য ছিল।

জানো তো, তার চুল বাতাসে উড়ছিল, আর তাকে দেখতে একদম নিখুঁত লাগছিল।

অবিশ্বাস্য রকমের নিখুঁত।

ঠিক তখনই আমি বুঝলাম, ও-ই সেই মানুষ।

ট্যামির সাথে আমি সম্পূর্ণভাবে নিজেকে প্রকাশ করতে পারবো।

কারণ আমার ভেতরে এমন একটা অংশ ছিল, যেটা আমাকে সবসময় ভয় দেখাত।

কিন্তু আমি ভেবেছিলাম যে ট্যামি যদি আমাকে আমার সবকিছু দিয়ে ভালোবাসে,

তাহলে আর এত ভয় পেতাম না।

আর তারপর সে এসে হাজির হলো, স্টিভ "দ্য হেয়ার" হ্যারিংটন।

ওহ, ঈশ্বর।

বাকি ঘটনাটা নিশ্চয়ই তুমি আন্দাজ করতে পারছ।

ট্যামি তাকে গভীরভাবে ভালোবেসে ফেলল।

তার সঙ্গে ভাবা আমার সমস্ত কল্পনার জগত, আর আমার জীবনও...

আমার চোখের সামনে ভেঙে চুরমার হয়ে গেল।

রেজাল্ট খারাপ হলো, শাস্তি হিসেবে ঘরে বন্দী হয়ে গেলাম।

প্রতিটা উইকএন্ডে ঘরে থেকে শুধু কাজই করেছি।

একদিন বাবা-মায়ের গ্যারেজে বাদুড়ের মল পরিষ্কার করছিলাম,

হঠাৎই একটি ৮-মিলিমিটারের ফিল্ম রিল পেলাম।

এটা ছিল এক বোকাসোকা সিনেমা, যা আমি চতুর্থ গ্রেডে বানিয়েছিলাম।

তবু আমি সেটাকে প্রজেক্টরে চালালাম।

হঠাৎই নিজেকে ছোটবেলার রূপে দেখতে পেলাম।

আর সেই ছোট্ট আমিকে আমি প্রায় চিনতেই পারছিলাম না।

সে ছিল ভীষণ নির্ভার,

আর ভয়হীন।

নিজেকে পুরোপুরি ভালোবাসার ক্ষমতা ছিল তার।

ঠিক তখনই বিষয়টা আমাকে আলোড়িত করল।

বিষয়টা ট্যামিকে নিয়ে ছিলই না।

এটা সবসময় শুধু আমাকে নিয়েই ছিল।

আমি অন্য কারও কাছে উত্তর খুঁজছিলাম, কিন্তু...

সব উত্তর আমার কাছেই ছিল।

আমাকে শুধু ভয় পাওয়া বন্ধ করতে হতো।

আমি আসলে যা, তাকে ভয় পেতাম।

একবার যখন সেটা মেনে নিলাম,

আমি যেন নিজেকে স্বাধীন অনুভব করলাম।

মনে হচ্ছিল, ডানা গজিয়েছে। যেন অবশেষে নিজের রূপে দাঁড়াতে পারছিলাম…

রকিন’ রবিন।

হ্যাঁ। রকিন’ রবিন।

Hey, guys!

Take your time, will ya?

এই, বন্ধুরা!

- ডিককে পাওয়া গেছে। - হ্যাঁ।

আশা করি এটা খুব শক্ত হবে না।

যদি সত্যিই শক্ত হয়,

আমি সেটা নরম করে দেব।

হেই!

হেই!

হেই!

আমাকে কে'র কাছে নিয়ে চলো।

চুলোয় যাক! ধুর!

একটা শব্দ করলে শেষ হয়ে যাবে। বুঝলে মাথা নাড়াও।

চলো! নড়ো! তাড়াতাড়ি, এগোও!

কাম অন!

এটা কাজ করছে না।

– আমরা কীভাবে ভেতরে যাব? – আমার ক্লিয়ারেন্স নেই।

আমি তো জানতে চাইনি তোমার ক্লিয়ারেন্স আছে কি না। জানতে চেয়েছি, আমরা কীভাবে ভেতরে যাব।

তোমরা ঢুকতে পারবে না।

ডক্টর কে, তোমার বসের কি ঢোকার পারমিশন আছে?

আমি জানি না।

তুমি জানো না।

সহায়তার জন্য ধন্যবাদ।

প্ল্যান বি চালু।

- থামো! থামো! - এল!

- এল! - থামো!

আমরা ভেতরে ঢুকে গেছি।

শিট!

শিট!

চোখ বন্ধ করো, নিঃশ্বাসে ফোকাস করো।

শ্বাস নাও, ছাড়ো।

এভাবে শ্বাস নিতে নিতে,

ভাবো, তুমি সমুদ্রসৈকতে আছো।

পানিটা টলটলে নীল, যেন কার্টুন স্মার্ফের রঙ।

ঢেউ বালিভরা তীরে আছড়ে পড়ছে, শব্দটা কুকুর যেমন বাটি থেকে পানি খায় তেমন।

এটাকে বলে ভিজ্যুয়ালাইজেশন।

মায়ের ওষুধ না থাকলে তিনি এমন কল্পনা করে মন ঠিক রাখেন।

যাও।

হ্যালো।

তোমার নিতম্বের নিচে বালির স্পর্শ অনুভব করো। এটা শীতল আর নরম।

...সময় নাও। ঠিক আছে, এভাবেই।

ভালো করছো, খুব ভালো। ঠিক আছে।

শোনো সোনা, তোমার নাম কী?

ডেবি।

তুমি কি মিস্টার হোয়াটসিট-এর জন্য কাজ করো?

মিস্টার হোয়াটসিট।

হ্যাঁ, অবশ্যই। আমি তার দলের একজন এলফ। [এলফ- ইউরোপীয় লোককথায় উল্লেখিত কাল্পনিক প্রাণী]

মানে, এক ধরনের জাদুকরী এলফ।

এদিকে। আরও দুই পা এগিয়ে আসো।

ঠিক আছে। হ্যাঁ, ঠিক আছে।

খুব ভালো। ধাপে ধাপে এগিয়ে যাও।

শিট!

এলেভেন।

তোমাকে আমি বহুদিন ধরে খুঁজে ফিরছি।

আমার নাম—

ড. কে।

আমি জানি তুমি কে।

আমি জানি তুমি কাকে নিয়ে এসেছ।

আর আমি এটাও জানি...

তুমি আর তোমার লোকেরা...

মৃত্যুর মুখোমুখি হতে চলেছ।

এটা কী হচ্ছে!

ধস্তাধস্তি না করলেই ভালো হবে।

হুমকি যত বড় মনে হবে, তার প্রতিক্রিয়া ততই হিংস্র হবে।

মিস রবিন, অন্যদের কী হবে?

শুধু রবিন। আর চিন্তা কোরো না। তারা ঠিক আমাদের পিছনেই আছে।

– কিছু একটা ঠিক নেই, তাই না? – না। একেবারেই না।

সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ীই চলছে।

– এয়ারলক… জ্যাকেট দিয়ে মুড়িয়ে দাও। – ঠিক আছে, করছি।

ধরে থাকো, ধরে থাকো, ধরে থাকো!

এখান। চেষ্টা করো—

ওহ, দুঃখিত। পাইপে সমস্যা হচ্ছে।

তুমি কি মিস্টার হোয়াটসিট-কে খুঁজছো?

– সোজা ওখান দিয়ে যাও। – ঠিক তাই।

মিস্টার হোয়াটসিট?

শিট!

অফিসার! অফিসার!

ওরে, ওরে, ওরে! শান্ত হও।

– কী ঘটছে? – ধুর, ঝামেলা।

দারুণ কাজ করেছ।

– লুকাস! তারা আমাদের দেখে ফেলেছে! – না, না!

ওদের এখান থেকে বের করো। যাও।

- অন্যদের কী হবে? - শুধু যাও! যাও, যাও, যাও!

সর্বনাশ! ঠিক আছে, এসো, তোমরা।

চলো! চলো! চলো! চলো! চলো! চলো! চলো! চলো! চলো!

এই, এখানেই থামো!

অ্যাশলি ক্লেইন একজন গুপ্তচর!

হেই!

দরজা খোলো! দ্রুত দরজা খোলো!

তাহলে সমস্যার কারণ তুমি।

এই কারণেই তাকে খুঁজে পাওয়া এত কঠিন ছিল।

আমার সমস্যার মূল।

সব প্রচেষ্টা সত্ত্বেও তাকে লুকিয়েছিলে, তারপরও তুমি কেন এখানে এনেছ?

কেন?

অন্যজনের জন্য তার জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলছ কেন?

তুমি কী জানো যা আমার জানা নেই?

বিশ্বাস করো বা না করো, এটি প্রকৃতপক্ষে সামান্য থেমে আছে।

যে তাপ তুমি অনুভব করছো…

এটি দুর্বল করে দেয়।

কিন্তু ঠান্ডায় এটি শক্তিশালী হয়।

আমি এটা থামাতে পারি।

কিন্তু তোমাকে কথা বলা শুরু করতে হবে।

জাহান্নামে যাও।

তোমার বর্তমান অবস্থায়, আমি ভয় পাচ্ছি ওটা কাজ করবে না।

খুব একটা চালাক নও, তাই না?

তুমি খুব দেরি করে ফেলেছো। সাহায্য আসছে।

ঠিক আছে।

আমি দ্রুত কাজ সারবো।

মুদিখানার জিনিস নিয়ে এসেছি।

বাকি সবাই কোথায়?

আসছে।

এসো, সোনা। নিচে নেমে এসো। চলো।

তুমি এখনই নীচে নেমে এসো, না হলে একটা দানব তোমাকে খেয়ে ফেলবে।

দরজা খোলো!

পিচ্চি শয়তান!

রাস্তা থেকে সরে যাও!

আমি ধরেছি তোমাকে। দারুণ। খুব ভালো, ভালো।

এই যে। তুমি কোথায় যাচ্ছো?

তুমি কী করছো?

এই, তোমাকে যেতে হবে। তোমাকে যেতে হবে। এসো।

আমরা জঙ্গলের দিকে যাচ্ছি।

এই ক্রিপ্টোনাইট সেখানে তোমাকে কাবু করতে পারবে না।

হপ, আমরা পারব না। আমরা যেতে পারি না। আমরা হেনরির জন্য এসেছিলাম।

এই কম্পাসটি নাও। তুমি এটা অনুসরণ করে উত্তর-পূর্ব দিকে যাবে।

এটি তোমাকে কবরস্থানে নিয়ে যাবে। ন্যান্সি এবং সবাই সেখানে আছে।

হেই, হেই, হেই। হেই।

এটা কী?

এটা শুধু একটি ব্যাকআপ, ঠিক আছে?

- এটা ব্যাকআপ। - না।

আমাকে নিশ্চিত করতে হবে যে সে আমার সাথে মরবে।

- না। না, হপ। - এটাই একমাত্র রাস্তা। এটাই একমাত্র রাস্তা।

তোমাকে হারানোর ঝুঁকি আমি নেবো না।

আমি এই ঝুঁকি নেবো না।

- হপার। না। - একটা কথা শোনো।

এখন থেকে,

আমি চাই তুমি জানো যে আমি তোমার জন্য কতটা গর্বিত।

তোমার অর্জন ও সাহসের জন্য আমি গর্বিত।

তোমার পরিচয় নিয়ে গর্বিত।

না।

না। না, হপ। হপার!

- আমি তোমাকে ভালোবাসি, জেন। - হপার! না! হপার!

হপ!

হপার!

হপার!

হপ!

হপার!

হপার!

হপার! হপার!

হপার!

পালস অক্সিমিটারের মান হ্রাস পাচ্ছে।

হৃদস্পন্দন থেমে যাচ্ছে!

ঠিক আছে, ছেলেমেয়েরা। পেছনের সিটে যাও।

হ্যালো।

ঠিক আছে।

ঠিক আছে, চলো একটু মজা করি, কেমন? এটা দারুণ হবে, তাই না?

ঠিক আছে। আমাদের সিট বেল্টগুল লাগিয়ে নিই, হুম?

সুরক্ষা আগে। এসো। সময় নষ্ট হচ্ছে।

বেশ আরামদায়ক, তাই না?

তেমন না।

ওহ, দুঃখিত।

রোবিন, লুকাস, শুনতে পাচ্ছো? ওভার।

শুনছি। আমি রোবিন।

লুকাস। আমি শুনছি।

ম্যাকে আমাদের এখানে একটা সমস্যা হয়েছে।

কী ধরনের সমস্যা?

আমাকে ছেড়ে দে, শয়তান!

আমাকে বলবে কী ঘটছে এখানে?

সরে যাও আমার কাছ থেকে।

- আমাদের পাঁচজন শিশু নিখোঁজ, স্যার। - তোমরা পাঁচজন শিশুকে হারিয়ে ফেলেছো?

- সেটা কীভাবে সম্ভব? - এই মহিলা—

জয়েস বায়ার্স।

সে ব্যারাকে ঢুকেছে।

সে তাদের কোনো একটা সুড়ঙ্গের মাধ্যমে পালাতে সাহায্য করছে।

দুঃখিত, আবার বলো?

শুনুন। এই শিশুরা নিরাপদ নয়, ঠিক আছে? তারা বিপদে আছে।

আর আপনি কেন ভাবছেন তারা এখানে আছে, ম্যাডাম? হুম?

ওরা আমাদের হেফাজতে আছে।

অফিসার, আমি দেখেছি কী আসছে।

আর কোনো অসম্মান না করেই বলছি, আপনি বা আপনার লোক বালটাও করতে পারবেন না!

- প্রাইভেট! - হেই! হেই!

- তাকে ছেড়ে দাও! - হেই, প্রাইভেট!

প্রাইভেট, তোমার কী হয়েছে? তার কাছ থেকে দূরে থাকো।

সেনাবাহিনী শুধু এটাই করে? বাচ্চাদের মারে?

- উইল! - উইল! উইল! উইল!

তুমি ঠিক আছো? সোনা, তুমি ঠিক আছো?

ওরা এসে গেছে।

নিকটবর্তী হুমকির দিকে এগোও এবং সঙ্গে সঙ্গে আক্রমণ করো।

আমরা সবাই মরে যাব! আমরা সবাই মরে যাব!

বন্ধুরা! আমার পেছনে আসো! আমার পেছনে আসো!

পিছনে হটো!

বিছানার তলে! বিছানার নিচে লুকো।

সবাই বিছানার নিচে লুকো! সবাই বিছানার নিচে লুকো!

আমার পেছনে থাকো। আমার পেছনে থাকো।

চলো! চলো! চলো!

উইল!

আমাদের ওপর হামলা হয়েছে। আবার বলছি, আমাদের ওপর হামলা হয়েছে।

আমাদের যেতে হবে। আমাদের যেতে হবে!

অন্য বাচ্চাদের কী হবে? সর্বনাশ!

যাও, যাও, যাও, যাও, যাও!

চলো, যাই?

অবশ্যই যাবো!

আমরা বের হব। আমার দিকে দেখো! কাছে থাকো!

ঠিক আছে, ঠিক আছে।

উইল, কাম অন!

দয়া করে, আমার জন্য অপেক্ষা করো! অপেক্ষা করো!

আমি মরার জন্য প্রস্তুত নই!

- দাঁড়াও! - কাছে থাকো!

ডেরেক! তাড়াতাড়ি করো, চলো যাই!

- সবাই ঠিক আছে? তোমরা ঠিক আছো? - হ্যাঁ।

ঠিক আছে। রেডিও শ্যাক। আমরা যদি তাড়াতাড়ি যাই, তবে মনে হয় পৌঁছাতে পারব।

সুড়ঙ্গের ভেতর দিয়ে ঢুকে এখান থেকে বের হয়ে যাও।

- ঠিক আছে। - ঠিক আছে?

আমার দিকে চোখ রাখো। মনে আছে?

থামো, থামো, থামো, থামো!

ঠিক আছে, যাও!

আঘাত করো!

দ্রুত যাও! হায় ঈশ্বর।

হায় ঈশ্বর!

ধরে থাকো, সোনা!

- এ কি হলো হঠাৎ? - বুঝতে পারছি না, তবে আমি মজা পাচ্ছি!

বোন।

বোন।

নামাও!

সাবধানে!

মারে!

মাদারচোদ!

ওহ,শিট, শিট, শিট!

বাচ্চারা!

ধরে রাখো!

চলো, চলো, চলো! চলো যাই, সবাই!

পিছনে যাও, তোমরা! পিছনে যাও!

তার থেকে দূরে থাকো! তুমি দূরে থাকো!

তুমি কি তাদের দেখতে পাচ্ছো…

উইলিয়াম?

তুমি কি শিশুদের দেখতে পাচ্ছো?

তুমি কি জানো কেন?

কেন আমি ওদের বেছে নিয়েছি এই জগৎকে নতুন করে গড়তে?

কারণ তারা দুর্বল।

শারীরিক ও মানসিকভাবে দুর্বল।

প্লিজ!

সহজে ভাঙা যায়।

সহজে নতুন করে গড়া যায়।

নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

নিখুঁত মাধ্যম।

আর তুমি...

উইল।

তুমিই ছিলে প্রথম জন।

তুমি এত সহজে ভেঙে পড়লে।

তুমি আমাকে সম্ভাবনার পথ দেখালে,

আমার অর্জন কী হতে পারে।

কিছু মন,

এই জগতে তাদের স্থান নেই।

তাদের স্থান আমার জগতে।

আমি অন্য কারো কাছে উত্তর খুঁজছিলাম, কিন্তু…

সব উত্তর আমার কাছে ছিল।

তুমি কি বন্ধু হতে চাও?

আমি শুধু...

ভয় পাওয়া বন্ধ করতে চেয়েছিলাম।

আমি আমার সত্যিকার পরিচয় নিয়ে ভয় পেতাম।

বাহ! এটা কতটা চমৎকার!

আর যখনই তা হলো,

আমি স্বাধীন হলাম।

যেন উড়তে পারতাম।

অনুবাদ ভালো লেগে থাকলে এক কাপ কফি খাওয়াতে পারেন (Bkash: 01963791985, Nagad/Rocket: 01743097637)

Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.