All language subtitles for Stranger.Things.S05E03.Web-Dl.Bangla Subtitle by MOHSIN

af Afrikaans
ak Akan
sq Albanian
am Amharic
ar Arabic
hy Armenian
az Azerbaijani
eu Basque
be Belarusian
bem Bemba
bn Bengali
bh Bihari
bs Bosnian
br Breton
bg Bulgarian
km Cambodian
ca Catalan
ceb Cebuano
chr Cherokee
ny Chichewa
zh-CN Chinese (Simplified)
zh-TW Chinese (Traditional)
co Corsican
hr Croatian
cs Czech
da Danish
nl Dutch
en English Download
eo Esperanto
et Estonian
ee Ewe
fo Faroese
tl Filipino
fi Finnish
fr French
fy Frisian
gaa Ga
gl Galician
ka Georgian
de German
el Greek
gn Guarani
gu Gujarati
ht Haitian Creole
ha Hausa
haw Hawaiian
iw Hebrew
hi Hindi
hmn Hmong
hu Hungarian
is Icelandic
ig Igbo
id Indonesian
ia Interlingua
ga Irish
it Italian
ja Japanese
jw Javanese
kn Kannada
kk Kazakh
rw Kinyarwanda
rn Kirundi
kg Kongo
ko Korean
kri Krio (Sierra Leone)
ku Kurdish
ckb Kurdish (Soranî)
ky Kyrgyz
lo Laothian
la Latin
lv Latvian
ln Lingala
lt Lithuanian
loz Lozi
lg Luganda
ach Luo
lb Luxembourgish
mk Macedonian
mg Malagasy
ms Malay
ml Malayalam
mt Maltese
mi Maori
mr Marathi
mfe Mauritian Creole
mo Moldavian
mn Mongolian
my Myanmar (Burmese)
sr-ME Montenegrin
ne Nepali
pcm Nigerian Pidgin
nso Northern Sotho
no Norwegian
nn Norwegian (Nynorsk)
oc Occitan
or Oriya
om Oromo
ps Pashto
fa Persian
pl Polish
pt-BR Portuguese (Brazil)
pt Portuguese (Portugal) Download
pa Punjabi
qu Quechua
ro Romanian
rm Romansh
nyn Runyakitara
ru Russian
sm Samoan
gd Scots Gaelic
sr Serbian
sh Serbo-Croatian
st Sesotho
tn Setswana
crs Seychellois Creole
sn Shona
sd Sindhi
si Sinhalese
sk Slovak
sl Slovenian
so Somali
es Spanish
es-419 Spanish (Latin American)
su Sundanese
sw Swahili Download
sv Swedish
tg Tajik
ta Tamil
tt Tatar
te Telugu
th Thai
ti Tigrinya
to Tonga
lua Tshiluba
tum Tumbuka
tr Turkish
tk Turkmen
tw Twi
ug Uighur
uk Ukrainian
ur Urdu
uz Uzbek
vi Vietnamese
cy Welsh
wo Wolof
xh Xhosa
yi Yiddish
yo Yoruba
zu Zulu

Original subtitles

অনুবাদ ও সম্পাদনা মোহাম্মদ ইউসুফ

চুলোয় যাক!

গেটটা আমি বন্ধ করেছি।

আমি ভেদ করে যেতে পারব।

কী করছো তুমি?

আমার ব্যাটারির জন্য শক্তি দরকার।

তোমার ব্যাটারি তো ফুল চার্জ ছিল, তবুও কিছুই করতে পারোনি।

না, ওই জিনিসটা যাই হোক, এই পথে আমরা ওটা অতিক্রম করতে পারব না।

আমাদের এটা করতেই হবে।

আমরা এ-ও জানি না হলি অন্য পাশে আছে কি না।

অসংখ্য কারণে তার পদচিহ্ন বিলীন হয়ে যেতে পারে।

ব্যাটারি।

আর কিছু আছে?

এই! আমার কাছে আর কিছু নেই বাবা!

আমি একজনের জন্য প্যাক করেছিলাম, শুধু আমার জন্য।

তুমি ভাগ্যবান যে আমি তোমার সাথে ভাগ করে নিচ্ছি।

খেয়ে দেখো।

হয়তো তোমার ভালো লাগবে।

হুম?

চলো, এক্ষুনি যেতে হবে।

এল?

তুমি ঠিক আছো?

কী হয়েছে? তুমি ঠিক আছো তো?

উইল, রবিন, আমাকে উত্তর দাও।

আমি রেগে নেই। শুধু জানতে চাই তোমরা নিরাপদ আছো কিনা।

সর্বনাশ।

- সে কি... - হ্যাঁ।

তোমার কী মনে হয়, সে আমাদের দেখেছে?

হ্যাঁ।

ভেতরে এসো।

আমি তোমাকে বলেছিলাম, স্পষ্টভাবেই বলেছিলাম...

আমি চাই না সে এমন কোথাও যাক যেখানে নিরাপত্তা নেই।

আর তুমি শুধু তাকে নিয়েই যাওনি, সব যোগাযোগও বন্ধ করে দিয়েছিলে।

হ্যাঁ, সত্যি বলতে, কাজটি কিছুটা অবিবেচকের মতো ছিল।

অবিবেচনাপ্রসূত?

আমাদের সত্যি একটা চিরকুট রেখে যাওয়া উচিত ছিল।

এটা কি তোমার কাছে মজার কিছু মনে হচ্ছে?

ওহ, দুঃখিত! আমার গলার টোনটাই এমন উদ্ভট।

মা বলেন, আমি নাকি সব সময় এমনভাবে কথা বলি যেন মন থেকে বলছি না।

শোনো, এটা আমার ছেলের জীবন, যা নিয়ে তুমি খেলছো।

আমার ছেলে।

তাই পরের বার যখন বলব আমার কাছ থেকে নড়বে না,

তার মানে আমি চাই না সে আমার কাছ থেকে চুল পরিমাণও নড়ুক।

আমি তো এখানেই আছি, মা।

তুমি চাইলে আমার সঙ্গেও কথা বলতে পারো, তাই না?

আর আমি এখন আর বাচ্চা নই।

উইল, আমি এখনও তোমার মা।

- মা হওয়া মানেই সব ঠিক বোঝো, তা তো না। - কী বললে?

তোমার প্ল্যান? ওটা একদম জঘন্য ছিল।

আমি দুঃখিত, কিন্তু এটাই সত্যি।

তুমি শুধু এই কারণেই ওটা পছন্দ করেছিলে কারণ ওটা নিরাপদ ছিল,

কিন্তু নিরাপদ থাকার মতো সময় আমাদের আর নেই।

আমাদের কাজ করতে হবে, আর ঝুঁকি নিতে হবে, আর ঈশ্বরকে ধন্যবাদ যে আমরা তা করেছিলাম।

কারণ আমার প্ল্যানটা আসলেই কাজ করেছে।

আমি ভেকনার ওপর নজর রেখেছি এবং হাইভ মাইন্ডের সঙ্গে আবার সংযুক্ত হয়েছি।

আর আমরা জানতে পারলাম যে হলি কেবল শুরু ছিল।

ভেকনা আরও বাচ্চাদের ধরে নিয়ে যাবে।

আমি জানি না কেন বা সে তাদের নিয়ে কী করতে চায়,

কিন্তু এখন আমরা এমন কিছু জানি যা তার বিরুদ্ধে ব্যবহার করা যেতে পারে, তার পরের লক্ষ্য কে।

তাই পরেরবার আমাকে পাশে থাকতে বললে, সেটা খুব সম্ভবত মানা হবে না।

তবে, যেমনটা বললাম, ভবিষ্যতে আমরা একটা চিরকুট রেখে যাওয়ার চেষ্টা করব।

আমাদের যেতে হবে। ভেকনাকে থামাতে হবে। হাতে সময় কম।

- বায়োস্ফিয়ারে ঢোকার জন্য রেডি? - হ্যাঁ, রেডি।

বেশ। ডাঙা আর জলের ভেদাভেদটা মনে রেখো।

ঠিক আছে, বুঝেছি। ধন্যবাদ!

হেই!

তুমি কি এখনও তোমার বাবা-মায়ের কথা ভাবছো?

হ্যাঁ।

হলি, আমি তোমাকে বলছি, তোমার বাবা-মা এখন সবচেয়ে নিরাপদ জায়গায় আছে।

খবর পেয়েছি, প্রতি ঘণ্টায় তাদের অবস্থার উন্নতি হচ্ছে।

তারা সুস্থ হলেই, এখানে আমাদের সাথে যোগ দেবে।

আমি... আমি জানি।

- শুধু এই যে-- - তুমি তাদের কাছাকাছি থাকতে চাও।

আমি বুঝতে পারছি।

কিন্তু হকিন্সে তুমি তাদের কোনো সাহায্য করতে পারবে না, হলি।

তারা শুধু এই ভেবে শান্তিতে আছে যে তুমি এখানে নিরাপদে আছো।

আমার কাছে।

তোমাকে দানবদের হাত থেকে নিরাপদে রাখছি।

আমি ভেবেছিলাম ব্ল্যাকবেরি হয়তো তোমাকে কিছুটা আনন্দ দেবে।

এগুলো তোমার খুব পছন্দের, তাই না?

তুমি জানলে কী করে?

যে আমি এগুলো পছন্দ করি?

ওহ, এটা, মানে কী আর বলবো...

কেবলই একটা অনুমান।

আমি অনুমান করতে পারদর্শী।

হয়তো আগামীকাল তোমার জন্য চকোলেট চিপ প্যানকেক বানাব।

- সে ওগুলো ভালোবাসে। - কে?

তোমার ক্লাসমেট, ডেরেক।

ডেরেক এখানে আসছে নাকি?

ডেরেককে তোমার তেমন পছন্দ নয়, তাই না?

তাহলে কি আমি দানবদের হাতে ওকে ছেড়ে দেব?

না। না, ওটা কোরো না তুমি।

ঠিক আছে, আরেকটা কাজ করলে কেমন হয়?

আমি ডেরেককে বলে দেব

যদি সে খারাপ ব্যবহার করে অথবা যদি সে তোমাকে কোনোভাবে কষ্ট দেয়,

আমি তাকে সাথে সাথেই ফেরত পাঠিয়ে দেব, আর সে একা ওই দানবগুলোর মোকাবিলা করবে।

এভাবে হলে কেমন হয়?

দিনের অধিকাংশ সময় আমাকে বাইরে থাকতে হবে।

আমি যখন বাইরে থাকব, পুরো বাড়িটা তোমার একার জন্য থাকবে।

পুরো বাড়িটা?

আমার যা কিছু আছে, সবই তুমি ব্যবহার করতে পারবে।

কিন্তু একটা শর্ত আছে, আমাকে একটা কথা দিতে হবে।

এটা গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। তুমি পারবে তো?

পারব।

কোনোভাবেই, কোনো পরিস্থিতিতেই তুমি জঙ্গলে যাবে না। বুঝেছ?

দানবরা ওই জঙ্গলে থাকে?

কিন্তু তারা তোমাকে খুঁজে পাবে না। মানে, যতক্ষণ না তুমি--

নিজে থেকে ওদের খুঁজতে যাও।

জানো, তোমাকে আগে উদ্ধার করতে পেরে আমি খুশি।

তুমি সবার মধ্যে সবচেয়ে বেশি বুদ্ধিমান।

যদি আপত্তি না থাকে, আমার চিঠিগুলো ভেতরে এনে দিও।

তুমি কীভাবে জানলে?

আন্দাজ করে।

বেস, আলফা ওয়ান বলছি।

আমরা এইচ, অর্থাৎ হারকিউলিস চেকপয়েন্টে পৌঁছে গেছি।

অস্বাভাবিক কোনো কিছুর উপস্থিতি নেই।

আমরা এই অঞ্চল পর্যবেক্ষণ করবো, তারপর পরবর্তী চেকপয়েন্টে যাবো। ওভার।

আলফা ১, বেস। হারকিউলিসে তোমার অবস্থান জানাও। ওভার।

আলফা ১, বিদায়।

পর্যবেক্ষণ?

তার মানে, আমি একটু প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেব,

তোমরা পাঁচ মিনিটের ব্রেক নাও।

শুনলে, কারো কাছে সিগারেট থাকলে ধরাও।

কোনো মাথামোটা দেয়ালে ঝামেলা করছে, লেফটেন্যান্ট?

কোনো মাথামোটা, হ্যাঁ।

তবে আমাদের দলের কেউ নয়।

কাম অন!

হেজহগের ওপর ওঠো।

জি স্যার।

- ওহ! - হেই!

ওপরে ওঠো! ওপরে ওঠো!

বেস, আলফা ওয়ান কথা বলছি। আমাদের দিকে গুলি চলছে। এখনই সাহায্য আর এয়ার সাপোর্ট লাগবে।

চলো!

ঠিক আছে।

ওখানে কে?

দেখে মনে হচ্ছে রবিন 'ব্যাট-সিগন্যাল' পাঠিয়েছে।

হাই। আমি সত্যিই দুঃখিত।

- তুমি ঠিক আছো তো? - হ্যাঁ।

নাও।

এ কী অবস্থা!

হুঁ।

সাইকেল ক্র্যাশ। সোজা একটি ল্যাম্পপোস্টে গিয়ে আঘাত করেছে।

ওইদিন না আসা কিংবা যা যা গোলমাল হয়েছে, সব কিছুর জন্যই ক্ষমা চাইছি।

এটা তোমার দোষ নয়। নিজেকে দোষারোপ করো না।

হ্যাঁ, মনে হচ্ছে সে আগেই নিজেকে আঘাত করেছে।

- নাকটা কি ভেঙে গেছে? - আমি জানি না।

- আমাকে... - ধরো না ওটা। কেন--

- আমি ধরতে যাচ্ছিলাম না, শুধু— - তুমি তো সেটাই করতে যাচ্ছিলে।

এই, এটা গল্প করার সময় না, বাচ্চারা। চলো।

ডেরেক?

ডেরেক টার্নবো?

টার্নবো পরিবার? মানে টার্নবো রিয়েলটি?

হ্যাঁ, ওই একটাই।

পুরো পরিবারটাই একটা আপদ।

তুমি কীভাবে নিশ্চিত হলে?

ডেরেকই যে পরের টার্গেট, তা জানলে কী করে?

কারণ আমি দেখেছি।

আমি জেনেছি যে যখন আমি হাইভ মাইন্ডের খুব কাছে থাকি,

আমি তাতে প্রবেশ করতে পারি, অর্থাৎ ভেকনার মনে।

আমি দেখতে পাই সে কাকে টার্গেট করছে।

প্রথমবার যখন এটা হলো, ওকে ধরে নিয়ে যাওয়ার দিনই আমি হলির চোখের মধ্যে দিয়ে দেখেছিলাম।

আর আজ সকালে, এটা আবার ঘটলো।

তবে এবার আমি হলি ছিলাম না।

- এটা কী হচ্ছে? - আমি অন্য কেউ ছিলাম।

- দেখে চলো, বোকা কোথাকার। - জাহান্নামে যাও!

আমি ডেরেক টার্নবোই ছিলাম, পাক্কা।

আরে থামো। আমি একটু গুলিয়ে ফেলছি।

আশ্চর্য।

তুমি কি ভেকনার চোখ দিয়ে দেখছিলে নাকি ডেরেকের?

দুটোরই।

আমি... আমি ভেকনা হয়ে গিয়েছিলাম,

তবে ডেরেকের মনের ভেতরে।

ভেকনা হলো একজন সাইকিক সিরিয়াল কিলার।

সে তার শিকারদের অনুসরণ করে, তবে তা করে তাদের মনে অনুপ্রবেশের মাধ্যমে।

ক্রিসি আর ম্যাক্সের বেলাতেও এটাই করেছিল।

হ্যাঁ, তবে এবার তার পদ্ধতিটা ভিন্ন।

আমরা হাসপাতালে কিছু খোঁজ খবর নিয়েছিলাম। হলিকে তুলে নেওয়ার আগে ভেকনা ওর ওপর নজর রেখেছিল।

কিন্তু... ও ভেকনা সেজে আসেনি। এসেছিল হেনরি সেজে।

একজন বন্ধু হিসেবে।

আমাদের ধারণা, সে তার আস্থা অর্জনের চেষ্টা করছিল।

এত ঝামেলায় সে কেন গেল, তা আমরা জানি না।

কিন্তু ওর আসল লক্ষ্য বন্ধুত্ব হওয়ার কথা না।

যা-ই হোক, ও যে প্ল্যানই করুক না কেন,

আমাদের ওকে থামাতে হবে।

আর আমাদের ডেরেককে বাঁচাতে হবে।

টার্নবোরা এখানে থাকে।

আমরা রাস্তার উল্টোদিকে একটা ভ্যানে অপেক্ষা করব।

যেইমাত্র তারা ঘুমিয়ে পড়বে, আমরা ভিতরে যাবো, ডেরেককে ধরবো,

আর তারপর তাকে এখানে নিয়ে আসবো,

ম্যাককরকল ফার্মে। এটি সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন এবং পরিত্যক্ত।

শুধু খেয়াল রাখতে হবে, সে যেন আমাদের না দেখে এবং জায়গাটা চিনতে না পারে।

তাই আমাদের ওর চোখে পট্টি বাঁধতে হবে।

এক মিনিট, কী বললে?

যাতে ভেকনা ওকে খুঁজে না পায়।

ঠিক আছে, কিন্তু মা, তুমি কি সত্যিই একটা বাচ্চাকে তুলে আনার পক্ষে?

না, আমরা অপহরণের মাধ্যমে একটি শিশুকে বাঁচাচ্ছি।

হ্যাঁ, আমার দিক থেকে সমস্যা নেই,

আমার তাই মনে হয়।

হ্যাঁ, এখন নিরাপদভাবে চলার সময় নয়, জোনাথন।

সবার অনুমতি সাপেক্ষে একটা কথা বলি।

নৈতিকভাবে আপত্তি না থাকলে পরিকল্পনায় কিছু ফাঁক আছে।

হ্যাঁ, যদি ডিমোগরগন আসার আগেই ডেরেক ঘুমিয়ে কাদা হয়ে যায়?

এটা একটা গেল।

কিংবা আমরা পৌঁছানোর আগেই যদি সে জেগে উঠে পরিবারকে সতর্ক করে?

- আমরা জেলে যাবো। - এই তো আরেকটা।

কিন্তু তৃতীয় এবং সবচেয়ে বড় সমস্যাটা হলো

অলৌকিকভাবে যদি এই পরিকল্পনা কার্যকরও হয়,

হলি তো এখনও নিখোঁজ।

হপ আর এল-এর এখনো কোনো খবর নেই।

এটা আমাদের ভেকনার কাছে পৌঁছাতে কোনো সাহায্য করবে না।

এই প্ল্যানটা শুধু আমাদের আর ডেরেককে একটু সময় এনে দেবে।

এটুকুই।

এমন নাও হতে পারে।

একটা উপায় থাকতে পারে।

ডেরেককে বাঁচানো আর হলিকে খুঁজে পাওয়ার একটা উপায়।

এই হলো ডেরেক।

আর এরা টার্নবো ফ্যামিলির বাকি সবাই।

আমাদের এমন একজনকে দরকার যাকে পরিবারটা বিশ্বাস করে, যে বাড়িতে ঢুকতে পারবে।

এই লোকটা পরিবারটাকে অজ্ঞান করে দেবে।

তারপর আমরা পরিবারটাকে বের করে আনব।

তাদের অজ্ঞান করে দেওয়া হবে?

হ্যাঁ, নিরাপদে। ঘুমের বড়ি বা কিছু একটা দিয়ে।

আমি হয়তো জানি কোথা থেকে কিছু ঘুমের ওষুধ পাওয়া যাবে।

এগুলো দিলে হাতিও লুটিয়ে পড়বে।

চমৎকার। এভাবে ভেকনা যদি নজরদারি করে,

সে ধরে নেবে ডেরেক বিছানায় গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন।

সে তাকে ধরার জন্য তার ডিমোগরগনদের পাঠাবে।

কিন্তু সে ডেরেককে খুঁজে পাবে না। সে আমাদের খুঁজে পাবে।

আর আমরা প্রস্তুত থাকবো।

ফাঁদ দিয়ে সাহায্য করার জন্য আমরা মারের সাহায্য নেব।

আমরা হতভাগাটাকে পুড়িয়ে দেব। তাকে তার মালিকের কাছে পাঠিয়ে দেব,

তবে এর আগে ওটার গায়ে এটা গেঁথে দেব।

হপারের মতো স্কোয়াক ভ্যানে চড়ে আমরা ডিমোকে আপসাইড ডাউনের ভেতর দিয়ে অনুসরণ করবো।

আর ভাগ্য ভালো হলে, ডিমো আমাদের ওর গোপন আস্তানায় নিয়ে যাবে,

ভেকনার কাছে,

হলির কাছে।

আর কোনো ফাঁক আছে?

হেনরি?

ডেরেক, যদি তুমি হও, এটা মোটেও ফানি না।

"আমার তোমার সাহায্য চাই।"

"এক্স চিহ্নিত স্থানে আমার সাথে দেখা করো।"

"হেনরি।"

পূর্ব দিকে।

সরে যাও। আমি আসছি! রাস্তা দাও, প্লিজ!

তুমি ঠিক হয়ে যাবে, বন্ধু। শুধু একটু সহ্য করো।

স্যার!

অর্ডার?

খুঁজে বের করো কে এটা করেছে।

তাদের আমার কাছে নিয়ে এসো।

আর আমি ওই শয়তানটার পেট চিরে ফেলব!

স্যার!

চলো! এগিয়ে চলো!

গাড়িটা এমনভাবে ঢেকে রাখা হয়েছে যে চোখেই পড়বে না।

তারা যদি এখনও না জানে যে এটা উধাও, তবে শীঘ্রই জানবে।

আরও পাখি এসেছে।

ওগুলোতেও স্পিকার আছে, জিনিসগুলো যা-ই হোক।

কীভাবে জানি না, কিন্তু... মনে হচ্ছে ওই সেনারা তোমার দুর্বলতার জায়গা খুঁজে পেয়েছে।

হেই!

আমাদের অতিথির কি কোনো নড়াচড়া দেখা গেল?

আশা করি ও যেন মরে না যায়।

সে ওটার ওপর হিসু করেছে।

কী?

ওই সৈনিকটা।

তুমি বলেছিলে, সে বড় দেয়ালের ওপর প্রস্রাব করেছে।

হ্যাঁ, তোমার কথা আমি শুনেছি।

আমি শুধু জানি না কেন তুমি এটা নিয়ে কথা বলছো।

হয়তো সে জানে ওটা কী...

অথবা কীভাবে ওটার মধ্য দিয়ে যেতে হয়।

সেটা প্রায় অসম্ভব।

তবে সে এটা অবশ্যই জানবে,

সেটা হলো পরের সাপ্লাই কনভয়ের সময়,

এটাই এই গর্ত থেকে বেরোনোর আমাদের রাস্তা।

তারপর কী হবে?

আমরা ফিরে গিয়ে সবাইকে সব বলব, আর তারপর... তারপর...

নতুন একটা বুদ্ধি বের করব।

অন্যরা? তারা কি দেয়ালের ভেতরে যাওয়ার উপায় জানে বলে মনে হয়?

জানি না। হয়তো পারবে।

ওরা পারবে না।

সব আবার প্রথম থেকে শুরু করতে হবে।

- সেই গোড়া থেকে। - সে তো ওটার ওপর হিসি করেছে।

সে কিছু জানলেও,

ওকে জেরা সহ্য করার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

রাশিয়ানরা দুই সপ্তাহ চেষ্টা করেছে আমার মুখ খোলার,

0:24:55,785 তবুও তারা ব্যর্থ হয়েছে।

আমাদের হাতে দুই সপ্তাহ নেই। দুই ঘণ্টাও নেই।

কনভয়ের খবরটা হয়তো ওর মুখ থেকে বের করতে পারব।

সিক্রেট খবর? ওটা একদম ভুলে যাও।

আমার সাহায্যে, তা সম্ভব হবে।

ওহ, হ্যাঁ, দুঃখিত।

তোমার জেরা করার কৌশলে বিশাল প্রশিক্ষণের কথা ভুলে গিয়েছিলাম।

আমার ব্যাটারি চার্জ হয়েছে।

এতে আমাদের কী লাভ হবে?

- আমি ওর কাছ থেকে কথা বের করব। - এল...

কুড়ি মিনিট।

তুমি কনভয় নিয়ে ওকে জিজ্ঞেস করতে পারো।

তুমি যা চাও তা পাবে,

তারপর আমি যা চাই তা পাবো।

কম্প্রোমাইজ। "ক-ম্প্রো-মা-ইজ"। মনে আছে?

উভয়ই আংশিক সন্তুষ্ট।

এটা কী হচ্ছে?

আমাকে এখান থেকে বের করো! আমাকে এই জাহান্নাম থেকে বের করো!

তুমি অনেক জেদী। এটা তো জানো।

আইনস্টাইন-রোজেন ব্রিজ,

যা সাধারণত ওয়ার্মহোল নামে পরিচিত,

প্রায় এই ধরনের একটা বালুঘড়ির মতো দেখতে হয়।

যদিও ওয়ার্মহোলগুলির অস্তিত্ব সম্পূর্ণরূপে তাত্ত্বিক,

বিজ্ঞানীরা আর সায়েন্স ফিকশন লেখকেরা এটা নিয়ে খুব আগ্রহী।

কেউ কি বলতে পারবে কেন এমন হয়?

আরে! এটা তো সোজা। শুধু...

ওয়ার্মহোলগুলির বিশেষত্ব কী?

আচ্ছা। এরিকা।

ওয়ার্মহোলগুলি আকর্ষণীয়

কারণ এগুলি পদার্থকে মধ্যবর্তী স্থান অতিক্রম না করেই গ্যালাক্সি বা ডাইমেনশনের

মধ্যে দিয়ে ভ্রমণ করতে দেয়।

একদম ঠিক বলেছ।

ভাবো মানুষ কত জায়গায় যেতে পারতো।

অন্য একটা গ্যালাক্সিতে।

এমনকি অন্য কোনো সময়েও।

তাহলে আমরা এখন এটা করছি না কেন?

যদি ওয়ার্মহোল বাস্তবে থাকে, তা অত্যন্ত অস্থিতিশীল হবে।

তাদের বিশাল মহাকর্ষীয় শক্তি গঠনের মুহূর্তেই তাদের ছিন্নভিন্ন করে দিত।

এক মিনিট সময় দিলাম। বলো, কেন আমার প্রিয় ক্লাসে ডিস্টার্ব করছ?

এরিকা, এটা খুব সিরিয়াস।

৫৭, ৫৬...

সবকিছু ৫৬ সেকেন্ডে ব্যাখ্যা করা কঠিন।

মূল কথা হলো, গত রাতের মিশনে সব বিপর্যয়ে পরিণত হলো।

জানার কথা নয়। আমাকে তো ডাকাই হয়নি।

তাই জন্যই তো আমি ব্যাখ্--

সে কারণেই আমি ব্যাখ্যা করছি।

মিশনে পরিস্থিতি খারাপ হয় এবং অনেক কিছু ঘটে যায়, আর এখন আমাদের মতে টিনার ছোট ভাই বিপদে পড়েছে।

এর তো কোনো মানেই হয় না।

আর মানে হলেও, ওই বোকা ডেরেক বিপদে পড়লে আমার কী?

তোমাকে শুধু আমাদের বিশ্বাস করতে হবে, ঠিক আছে?

ডেরেককে সাহায্য করতে, আমাদের তোমার সাহায্য লাগবে টার্নবো বাড়িতে ঢুকতে।

- আজ রাতে। - অসম্ভব।

অবশ্যই সম্ভব। টিনার সাথে দেখা করার প্ল্যান করো।

- আমি আর টিনা আড্ডা দিই না। - তোমরা তো সবসময় আড্ডা দাও। ও তোমার প্রিয় বন্ধু।

- ছিলাম। - ছিলে মানে?

- আমরা এখন শত্রু। - শত্রু?

- ঘোর শত্রু। - কবে থেকে?

১২ দিন আগে শারীরিক শিক্ষা ক্লাসের পর থেকে।

তাহলে ১২ দিন আগে শারীরিক শিক্ষা ক্লাসে যা ঘটেছিল তার জন্য ক্ষমা চাও।

- না, পারব না। - হ্যাঁ, পারবে।

তোমার মুখ দিয়ে শুধু একটা শব্দ বের করতে হবে যা 'স্টারী'-র সঙ্গে মেলে।

আমি বরং ওয়ার্মহোল নিয়ে পড়ব, তবুও টিনার কাছে ক্ষমা চাইব না

আর বোকা ডেরেককে বাঁচাতে তোমাদের সাহায্যও করব না।

সরি।

সময় শেষ।

এটা ডেরেককে বাঁচানোর জন্য নয়। এটা হলিকে বাঁচানোর জন্য।

ভেকনা তাকে কিডন্যাপ করেছে।

আর হ্যাঁ, এখন সে ওই বোকা ডেরেকের পেছনে লেগেছে। কিন্তু আমাদের একটা প্ল্যান আছে।

একটা প্ল্যান যা বোকা ডেরেককে বাঁচাবে আর হলিকে খুঁজে বের করবে।

কিন্তু প্ল্যানটা হলো...

ব্যাপারটা একটু পাগলামি।

কিন্তু এটা শেষ হলে,

আমার মনে হয় না টিনা আর কোনোদিন তোমার সাথে কথা বলবে।

তবে কেন শুরুতেই তা বললে না?

হ্যালো, ডরিস।

ওহ! তুমি কি মিসেস ম্যাসিকে দেখতে এসেছ?

- তোমার তো সব জানা! - হ্যাঁ, আমিই। ধন্যবাদ, বেবি।

- ধন্যবাদ। - তোমরা ভেতরে যাও।

মিসেস ম্যাসি কে?

আমার মিষ্টি দাদিমা যিনি সিঁড়ি থেকে পড়ে গিয়ে তার দুর্বল শরীরের প্রায় সব হাড় ভেঙে ফেলেছেন।

ওহ ঈশ্বর। আমি দুঃখিত।

বেশি দুঃখ করো না। তিনি আমার প্রকৃত দাদি নন।

আমি তার নাম ব্যবহার করি যাতে আমি ভিকির সাথে দেখা করতে পারি।

আমি জানি এটা খারাপ শোনায়, কিন্তু আমি সবসময় তাকে কুকিজ এনে দিই,

আর আমার মনে হয় এখন মিসেস ম্যাসি তার নিজের পরিবারের চেয়েও আমাকে বেশি ভালোবাসেন।

এর চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো, তার কাছে প্রচুর পরিমাণে ঘুমের ওষুধ আছে,

আর তার নার্সটা খুব অলস যে কখনো ওষুধের কেবিনেটে তালা দেয় না।

...এই গল্পটি আমি শুনেছি।

- শিট। - ওহ!

- আমরা কী করছি? - লুকোচ্ছি।

- লুকোচ্ছি? ঠিক আছে। কেন? - নিচু হও।

ওহ গড, কী বকবক করে মেয়েটা।

- জানি। আমি নিজেও এমন করি। - আমি...

আমাদের যেতে হবে!

আমি ভিকিকে কথা দিয়েছিলাম যে আজ রাতে আমি তাকে এনজোর কাছে নিয়ে যাবো,

এখন সেটা তো একেবারেই সম্ভব না।

মানে আবারও আমাকে তাকে এড়িয়ে যেতে হবে এমন কিছুর জন্য যা ও বুঝবে না।

একটা বিশাল ঝগড়া হবে, আর আমরা কখনোই আমার নকল দাদিমায়ের রুমে যেতে পারব না।

হুইলারের প্ল্যান আমার জন্য নষ্ট হওয়া চলবে না।

- ঠিক আছে? - ঠিক আছে।

ধুর। নিচু থাকো।

জানো, তুমি চাইলে তাকে আবারও চুমু খেতে পারতে।

আমি জানতাম ওটা বাটি-ছাট চুলওয়ালা ছেলেটা হচ্ছো তুমিই!

হ্যাঁ, এখন আর কেউ ওভাবে চুল কাটায় না।

অন্তত দেখতে কি মনে হচ্ছিল যে আমি জানি আমি কী করছি?

মানে, হ্যাঁ। আমার কাছে তাই মনে হয়েছে।

মনে হয় এটাও কিছু একটা বটে।

ভিকির ব্যাপারটা তুমি কীভাবে বুঝলে?

তুমি কীভাবে জানতে যে ভিকি চেয়েছিল...

- চুমু খেতে? - ...ডেটিং করতে?

আমরা একসঙ্গে ভলান্টিয়ার করতাম, কিছু সংকেত পাওয়া যেত।

সংকেত?

হ্যাঁ, যেমন, হাঁটুতে স্পর্শ, কনুইতে ধাক্কা, দুজনের মধ্যে দৃষ্টি বিনিময়।

সবকিছু ধীরে ধীরে জমতে থাকে, যেন ঢাল বেয়ে গড়িয়ে নামা বরফের গোলার মতো।

শেষমেশ ব্যাপারটা স্পষ্ট হয়ে যায়।

কতটা স্পষ্ট?

মানে, ছোট্ট বরফের বলটা পরে বিশাল তুষারধস হয়ে যায়।

ওহ গড, তার অবস্থা তো শোচনীয়!

অবশ্যই তাই।

আর সে আমার নকল দাদির সাথে একই ওয়ার্ডে আছে।

— মানে কী? — একই ফাঁকিবাজি করা নার্স ওদের দেখছে।

কেল্লা ফতে।

ঈশ্বর, এটা দিয়ে আমরা হকিন্সের অর্ধেক মানুষকে অজ্ঞান করে দিতে পারব।

— ঠিক আছে, সব দাও। — আচ্ছা।

আচ্ছা, আমি কোনো ইথানল জোগাড় করতে পারিনি।

তবে এক গ্যালন অ্যাসিটোন জোগাড় করেছি।

খুব সাবধানে থেকো।

এটার কাছে সিগারেট ধরলে এক মুহূর্তেই আগুন লেগে যাবে।

বিভিন্ন মাপের ফাঁদের তার।

একটা বিদঘুটে, বাচ্চার সাইজের সিপিআর ডামি। এটা দিয়ে কী করবে বুঝলাম না।

শটগানের বুলেট, আমাদের সুন্দরী মহিলার অনুরোধে।

২০টা করে তিন প্যাকেট ওয়াটার বেলুন। এর উদ্দেশ্যও আমার অজানা।

তবে আমি গ্রেনেড স্টাইলটা বেছে নিয়েছি

কারণ পরিস্থিতির সঙ্গে থিমগতভাবে বেশ মানানসই মনে হয়েছে।

ওগুলো অবশ্যই দূরে রাখবে...

এই ৩,০০০ ফুট কাঁটাতার।

ওহ, আমি প্রায় ভুলেই গেছিলাম।

বিলবো ব্যাগিন্সের জন্য কিছু ঝকঝকে নতুন স্পার্ক প্লাগ।

স্পার্ক প্লাগ, এটুকুই?

আমি বিনামূল্যে আলিঙ্গনও দিচ্ছি।

- তুমি টার্বোচার্জার আনোনি? - না।

- সাসপেনশন কিট? - না।

- এয়ারোডাইনামিক স্পয়লার? - না।

এটা তো কোনো ক্রিসমাস লিস্ট ছিল না, মারে।

ঠিক সেটাই ছিল।

আর সান্টা মারে এক বিকেলে এই সব জোগাড় করে

হোয়াইট হাউস, ফোর্ট নক্স এবং এরিয়া ৫১-এর বাইরে সবচেয়ে সুরক্ষিত স্থানে পাচার করেছে,

এটা অলৌকিক ছাড়া কিছু না।

তাই, কৃতজ্ঞ হও।

মিসলটো ঝোলাও, ঠোঁট গোল করো,

আর আমার কচি পাছায় চুমু খাও!

স্পার্ক প্লাগগুলোর জন্য ধন্যবাদ।

- তুমি কী করছো? - তুমি সাহায্য করবে নাকি শুধু দাঁড়িয়ে থাকবে?

এমন ফালতু কাজ করে কোমর ভাঙতে চাই না।

বাহ, এই তো চাই!

এই ভ্যানটা একবার পিকেট রোডে 'দ্য লিটল ইঞ্জিন দ্যাট কুডন্ট'-এর মতো হাঁপাতে হাঁপাতে বন্ধ হয়ে গেছিল।

গুরুতর পরিবর্তন ছাড়া এটা এটা ডেমোর গতির সঙ্গে তাল মিলাতে পারবে না।

তুমি কী মনে করছো আমি কী করছি? আপগ্রেড করছি।

ভ্যান হালকা হলে স্পিড বাড়বে।

শুধু ট্র্যাকিং করলে ভ্যানের অর্ধেক আবর্জনাই বাদ দেওয়া যায়।

যেহেতু কথা উঠেছে, তুমি কি জানালা ধোয়ার ফ্লুইডটা ফেলে আসতে পারবে?

উইন্ডো ওয়াশার ফ্লুইড। ওটাতেই হবে। ভালো কাজ, স্টিভেন।

আমাদের গতকালের সেই চুক্তিতে ফিরে যাওয়া উচিত।

– কোন চুক্তি? – কথা না বলার চুক্তিটা।

ওহ হ্যাঁ

তুমি কী করছো? হেন্ডারসন, আমি ওটা ব্যবহার করছি।

পিচ্চি বদমাশ কোথাকার!

বলেছি তো, ওটা আমি ব্যবহার করছি।

আরেহ! কি করছ? থামো!

গাড়ির ওপরে থেকে নামো, প্লিজ! নামো এখনই!

এই প্রথমবার তুমি ঠিক বলেছিলে।

আমাদের মিশনের জন্য ভ্যানের অর্ধেক জঞ্জালই অপ্রয়োজনীয়।

আসলে, আমাদের যা দরকার তা হলো একটা টেলিমেট্রি ট্র্যাকার,

যা আমি যেকোনো গাড়িতে লাগাতে পারব।

হেন্ডারসন...

ওটার গায়ে হাত দিও না।

হেন্ডারসন!

হেন্ডারসন, আমি একদম সিরিয়াস।

- কোনো কথা নয়। - দাঁড়াও, দাঁড়াও, দাঁড়াও!

এই, এই! তুমি কী...

না, না! এটা কী করছো—

– ঠিক আছে, ট্রান্সমিটার? – হ্যাঁ।

ওহ, ওহ, ওহ। বাচ্চারা। বাচ্চারা।

- আমরা কী করছি? - দেখে কী মনে হচ্ছে?

দেখে মনে হচ্ছে তুমি আমার টেলিমেট্রি ট্র্যাকারটা একটা শটগানের বুলেটে ভরছো

যা তুমি অন্য জগতের এক প্রাণীর দিকে ছুঁড়তে চাও।

তুমি তো আমাকে জানিয়েছিলে যে এই ট্রান্সমিটারগুলো

কঠিন পরিস্থিতি সামলানোর জন্য বানানো হয়েছে।

শটগান দিয়ে কোনো পশুর দিকে এটা ছুঁড়ে মারার মতো কঠিন পরিস্থিতি নয়।

এটা প্রাণঘাতী।

বিস্ফোরিত বারুদের তাপ যদি ট্রান্সমিটারটিকে ধ্বংস না করে,

ধাক্কার ঝটকাতেই সেটা ভেঙে যাবে।

আর ওটা কি একটি বাস্তব তথ্য

নাকি... একটা থিওরি?

একটা থিওরি।

ওহ। বেশ।

তাহলে চলো এটা পরীক্ষা করি।

আজ ওর কী হয়েছে, হুঁ?

ওর মতিগতি?

হ্যাঁ।

ওর বোন নিখোঁজ। ওর বাবা-মাও অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচেছেন।

- হ্যাঁ ঠিক। কিন্তু যে ব্যাপারটা বলেছিলাম? - না, বুঝতে পারছি না।

কোলট্রেন, লাভ সুপ্রিম।

- প্লে করেছিলে নাকি? - হ্যাঁ।

- তারপর? - ওটা খুব ভালো ছিল।

- তারপর? - কী? থ্যাঙ্ক ইউ?

হে ঈশ্বর! তুমি এখনও কাজটা করোনি, তাই না?

মনে করেছিলাম তুমি খুব চাপে আছ, ব্যাপারগুলো এগোচ্ছে না।

তোমার জায়গাটা অন্য কেউ নিয়ে নেবে ভেবে।

তোমরা দুজন পেছনে যা নিয়ে ফিসফাস করছো, সেটা পরে করো।

মাফ করবেন, ম্যাডাম।

তাড়াতাড়ি করো, আমাদের সময় কম।

দেরির কারণ কী?

তুমি কি ভুলে গেছো যে ওর বোন নিখোঁজ আর ওর বাবা-মা হাসপাতালে?

এর চেয়ে ভালো সুযোগ আর কি হতে পারে?

ছের কারো মৃত্যু কষ্টের হলেও মনে করিয়ে দেয়

জীবন ভীষণ নাজুক আর মূল্যবান,

যে আমাদের চারপাশের মানুষকে অবহেলা করা উচিত নয়,

সময় থাকতে সম্পর্কগুলো মজবুত করতে হয়।

আমি বলছি, বন্ধু

তোমাদের তো শুরুটাই হয়েছিল একই কষ্ট ভাগ করে নেওয়া থেকে।

ভাগ্যই তো এমনভাবে মানুষকে একসাথে আনে।

তাই তোমার উপকার না হোক, আমার শান্তির জন্য হলেও করো।

সাহস করে বিষয়টা শেষ করো।

এই! তুমি যদি এখনই চুপ না করো, সান্টা,

ঈশ্বরকে সাক্ষী করে বলছি, ট্র্যাকারটা তোমার পিচ্চি বান্টু তাক করে ছুড়ে মারব।

আমি যে কোনো লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করার মতো যথেষ্ট ভালো শ্যুটার,

তা যতই ছোট হোক না কেন।

জেসাস!

এবার আমার টার্গেটটা সেট করো।

আচ্ছা।

আসলে, বেশ বড়।

আমার... বান্টু!

হুম।

দেখলে তো, সান্তা? আরেকটা অলৌকিক ঘটনা।

অন্ততপক্ষে,

এতে তার মনটা অন্তত একটু হালকা হবে।

হেই!

মাথার অবস্থা কেমন?

আমি কিছুই বলব না, যতই চেষ্টা করো।

যদি মারার ইচ্ছে থাকে, তাহলে দেরি না করে মেরে ফেলো।

ইচ্ছে তো করছে।

কিন্তু মারব না।

শুধু কিছু তথ্য প্রয়োজন, ঠিক আছে?

ওই মাংসল দেয়ালটি সম্পর্কে জানতে চাই।

ওটা সম্পর্কে কিছুই জানি না। আমি তো শুধু একজন সাধারণ সৈনিক।

একজন সাধারণ সৈনিক?

তোমার কাছে হাস্যকর মনে হচ্ছে?

আমাকে পরিষ্কার করে বুঝতে দাও। তুমি বলছো তুমি শুধু,

অন্য সব সৈন্যদের মতো, হকিন্সে এসেছো ট্র্যাফিক সামলাতে আর গাছ থেকে বিড়াল নামাতে।

- তুমি শুধু একজন সাধারণ আমেরিকান সৈনিক। - আমি সেটাই তো বললাম।

আমি একসময় সাধারণ সৈনিক ছিলাম।

তাই আমি তফাৎটা জানি।

তুমি অন্য ক্যাটাগরির।

স্পেশাল ইউনিটের সেই বিকৃত মানসিকতার সৈন্যদের একজন।

ভিয়েতনামে তোমাদের মত লোকদের সহ্য করতে হতো আমাকে।

যারা শত্রুর মৃতদেহ থেকে কান কেটে নিয়ে মালা বানাতো।

দারুণ জঘন্য কাজ।

সাধারণ সৈনিক তো দূরের কথা। তুমি সুলিভানের আক্রমণকারী কুকুরদের একজন।

সে যাদের লাগাম খুলে দেয়, তুমি সেই উন্মাদদের একজন।

যখন তার ইচ্ছে হয়, ধরা যাক মরুভূমিতে গিয়ে,

এক কিশোরীকে খুঁজতে গিয়ে নিরস্ত্র বিজ্ঞানীদের একটি দলকে হত্যা করে আসে।

ছোট... ছোট মেয়ে?

সে স্বাভাবিক নয়!

সে কেবল তাকিয়েই একটি হেলিকপ্টার ভূপাতিত করেছে।

ওই হেলিকপ্টারে আমার বন্ধু ছিল।

হ ঈশ্বর! তোমার জন্য আমার হৃদয় যেন ভেঙে যাচ্ছে।

তুমি, যে-ই হও না কেন, আমার আরও লোক মারা গেছে তোমার কারণেই,

তাই নরকে যাও।

আমি তো ইতোমধ্যেই নরকে আছি। চারদিকে তাকাও।

আমি তোমাকে ওই প্রবীণ প্রাক্তন সৈনিকের ব্যাপারে কিছু বলতে চাই।

যাদের মেরেছি, দরকার হলে শতবারও মারতে রাজি।

আমি তোমার মতো হাজার জনকে মারবো,

সেই একজনকে রক্ষা করার জন্য যাকে আমি ভালোবাসি।

ঠিক আছে।

তাহলে দেয়াল সম্পর্কে তুমি কিছুই জানো না, তাই তো?

কে জানে তাহলে?

ড. কে?

- কে? - কে।

যার কাছ থেকে সুলিভানও নির্দেশ গ্রহণ করে।

- তুমি কার কথা বলছো, জানি না। - সত্যি?

তাহলে কেন আমাদের ওর নাম বললে?

কী?

ওর নাম। তুমি আমাদের ওর নাম বলেছ।

আমরা?

যে ছোট্ট মেয়েটিকে তুমি খুঁজছ?

এই মুহূর্তে সে তোমার ওই ছোট্ট মস্তিষ্কে ঘাঁটাঘাঁটি করছে।

সে সব কিছু দেখতে পাচ্ছে।

যা কিছু তুমি ভেবেছো, যা কিছু তুমি দেখেছো।

তাই তুমি এখনই কথা বলা শুরু করতে পারো।

তুমি যদি উত্তর না দাও, সে নিজেই সব জেনে নেবে।

তাহলে আমরা কিছু সময় বাঁচাই না কেন?

আমি ড. কে-কে কোথায় খুঁজে পাব?

আমি... আমি জানি না তিনি কোথায় আছেন।

আমাকে মিথ্যে বললেও তাকে ফাঁকি দিতে পারবে না।

- আমি তোমাকে মিথ্যা বলছি না। - হ্যাঁ, বলছো।

তুমি এই ড. কে-কে চেনো। ড. কে কোথায়?

আমি জানি না--

কে-এর এই বকাঝকা সামনাসামনি শোনার কী দরকার?

চুপ করে গাড়ি চালাও, একার্স।

আপসাইড ডাউনে একটা ঘাঁটি আছে।

গেবল রিজ রোড।

- গেবল রিজ রোড বেস। - সে আমার সাথে কী করছে?

আমি ঠিক জানি না এটা কিভাবে কাজ করে,

কিন্তু নিশ্চিত যে এখানে বেশি সময় দেওয়া ভালো হবে না।

তোমার আর সেই মহৎ ডাক্তার মহাশয়ের মিটিংটা কী নিয়ে হয়েছিল?

ওই অদ্ভুত মেয়েটা। সে ওই অদ্ভুত মেয়েটাকে চায়। এটাই ওর মিশন। এর বেশি আমি কিছু জানি না।

আর এক মাস সময় দিচ্ছি, লেফটেন্যান্ট কর্নেল।

এরপর এই অপারেশনের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য আমি অন্য কাউকে খুঁজে নেব।

ধন্যবাদ, ম্যাডাম।

একার্স, চলো।

শেষে একটা দরজা আছে।

বড়, লোহার,

ভল্টের মতো।

একটা দরজা আছে, বেশ বড়, সুরক্ষিত দরজা, করিডোরের শেষে।

- দরজার পিছনে কী আছে? - জানি না।

ওই দরজার পেছনে কী আছে?

আমি তোমাকে বললাম তো আমি জানি না। ওহ গড!

পেছনে কিছু একটা আছে। ও চায় না আমি দেখি।

- আমার মাথা! আমার মাথা! - এই, আমি এটা থামাতে পারি।

দরজার পেছনে কী আছে?

ওখানে গোপন কিছু আছে, আমার জানা নেই। শুধু ওকে বের করো।

আমি এটা থামাতে পারি, কিন্তু তোমাকে সত্যিটা বলতে হবে।

ওই দরজার পেছনে কী আছে?

ওটার কি দেওয়ালের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক আছে?

আমি তোমাকে বললাম তো আমি জানি না।

কাম অন! দরজার পেছনে কী আছে?!

খোদার কসম করে বলছি, আমি জানি না!

শুধু ওকে আমার মাথা থেকে বের করো! আমার মাথা থেকে বের করো!

হেই, হেই, হেই!

হেই!

হেই! হেই!

ওটা কী ছিল? কী হলো?

এল, তুমি ঠিক আছো? এল?

ক্রিপটোনাইট।

কী?

আমি শুনেছি, দরজার পেছনে আগের চেয়ে বেশি শব্দ হচ্ছে।

ডাক্তার সেখানে কাউকে আটকে রেখেছে,

এমন কেউ যে আমার মতো পাওয়ারফুল।

সেটাই হতে হবে।

কী হতে হবে?

মিলিটারি,

ওকে ধরে ফেলেছে।

ওরা ভেকনাকে ধরে ফেলেছে।

এটার কোনো মানে হয় না। হেনরি বলেছিল, কখনো জঙ্গলে যেও না। কক্ষনো না।

আমি তোমার সাথে কথা বলছিই বা কেন?

তুমি একজন পপ তারকা। দানবদের নিয়ে তুমি কী জানো?

তুমি কী করতে?

বোকা।

গু এর গন্ধে রুমটা মৌ মৌ করছে!

বোধহয় আমার পাদের গন্ধ।

জঘন্য।

মা বলেছে ডিনারের জন্য নিচে যেতে।

মা চাইলে মোটা কিছু চুষতে পারে।

হেই!

টিনা! ওটা দিয়ে দে তো!

টিনা!

যথেষ্ট হয়েছে।

কতবার বলতে হবে? এই বাড়ি কোনো খেলার মাঠ নয়।

ডেরেক, হাত-মুখ ধোও। টিনা, দরজা খোলো, আর ভদ্র হও।

যদি না সে একজন মরমোন হয়।

বা একজন ডেমোক্র্যাট।

শোনো, আমি জানি তুমি এখন হয়তো আমাকে আর পছন্দ করো না!

কিন্তু আমি ভাবলাম, হয়তো তুমি তোমার প্রিয় পাইটা খেতে চাইবে।

আমি কেবল বলতে চাই, আমি সরি।

আমি সত্যিই সরি, টিনা।

সে ভেতরে।

সে ভেতরে।

এই। কী...

সিনক্লেয়ার, এদিকে এসো। শুনতে পাচ্ছো?

হ্যাঁ, সিনক্লেয়ার বলছি। শুনতে পাচ্ছি। বলো।

সিনক্লেয়ার, আমি কনফিউজড। আমি তো ভাবলাম তোমার বোন বলেছিল টিনা খারাপ।

ওহ, না, না। সে খারাপ নয়। সে একজন ভিলেন।

পশমের কোটের জন্য কুকুরছানা মেরে ফেলার মতো ভিলেন।

আমাকে বিশ্বাস করো।

কতক্ষণ পরে ওষুধগুলো কাজ করা শুরু করবে?

- ওরা কতটা পায় খাচ্ছে, তার ওপর নির্ভর করে। - আর কত তাড়াতাড়ি খাচ্ছে।

- লাঞ্চে কী খেলো। - কতটা কফি বা মদ খেয়েছে।

অনেক জিনিসের ওপর নির্ভর করছে।

হ্যাঁ, কী ভুল হতে পারে?

সবকিছু বাদে।

আহ, জানো, আমি খুব খুশি যে তোমরা মেয়েরা মিটমাট করেছো।

এরিকা, তোমাকে আমরা খুব মিস করেছি। তাই না সোনা?

- আমরা এই পাইটা মিস করেছি, নিশ্চিত। - হুম।

এবার, এরিকা, তুমি অন্যরকম কিছু করেছো।

সরি?

তোমার পাইতে আজ একটু অতিরিক্ত কিছু আছে।

একটু… আভাস।

জয়িত্রীফল।

জয়িত্রীফল।! অবশ্যই

চমৎকার। চমৎকার। চমৎ… চমৎকার।

টিনা, তুমি কি খাবে না?

ইশ, খেতে পারলে ভালো হতো। দেখতে তো দারুণ! তবে ক্যালরির দিকে খেয়াল রাখতে হবে, জানো তো।

মোটা থলথলে।

ডেরেক, কী বলেছিলাম মনে আছে তো?

যদি ভালো কিছু বলার না থাকে, তবে চুপ থাকো।

এভাবেই তুমি তোমার বন্ধুদের দূরে সরিয়ে দাও, ডেরেক।

আমার বন্ধুরা?

তোমার বন্ধু। স্ফ… বল। সহপাঠী।

সর্বনাশ, বাবা আবার মাতাল।

ডেরেক, ভাষা ঠিক রাখো।

আমি কম চর্বির ক্রীমার ব্যবহার করেছি, তাই তুমি নিশ্চিন্তে খেতে পারো।

ধন্যবাদ, কিন্তু আমার এখন ক্ষিদে নেই।

কিন্তু আমি এটা তোমার জন্যই বানিয়েছি।

বললাম তো ক্ষিদে নেই।

শুধু এক-দুই কামড় খাও।

- ওকে, তুমি এমন অদ্ভুত আচরণ করছো কেন? - কী?

তুমি আমার পাই খাওয়া নিয়ে এতো মাথা ঘামাচ্ছ কেন?

কারণ এটা তোমার জন্য বানানো।

ওহ গড। তুমি চাও আমি মোটা হই, তাই না?

- মেয়েরা, প্লিজ। - আমি কেন চাইবো তুমি মোটা হও?

কারণ তুমি এখনো আমাকে এবং জোশকে নিয়ে হিংসা করছ।

আর তুমি আমাদের একসাথে থাকার চান্স নষ্ট করতে চাও।

আমি তোমার আর জশের জন্য কখনোই জেলাস ছিলাম না।

- তাহলে পিই-এর ব্যাপারটা কী? - ওটা একটা দুর্ঘটনা ছিল।

কেন, তুমি কোথায় যাচ্ছ?

আমার ভালো লাগছে না।

এটা কোনো দুর্ঘটনা ছিল না।

এটা ডজবল ছিল। ডজবলে মানুষদের দিকে বল ছোড়া হয়।

সেটা কঠিন নয়। তুমি জশির চোখে কালশিটে করে দিয়েছো। এখন সে আমার দিকে তাকাতেও চায় না।

এটা নির্বোধের মতো কথা। তুমি বল ছোঁড়নি।

এটা কোনো ব্যাপার না। সে আমাদের একসাথে দেখছে।

সে আমাদের একসাথে দেখেছে। আর তুমি তাকে অপমান করেছো।

সে নিজেই নিজেকে অপমান করেছে একটা ছিঁচকাঁদুনের মতো কেঁদে।

কেন?

হায় খোদা!

মা!

মা!

মা!

এরিকা, ৯১১-এ ফোন করো! এরিকা!

মা, ওঠো।

এরিকা!

মা, জেগে ওঠো। বাবা।

এরিকা, আমি তোমাকে ৯১১-এ ফোন করতে বলেছি।

আর আমি বলেছিলাম তুমি তোমার পাই খাও।

- এটা কাজ করবেই। - কাজ করা উচিত।

এমন নয় যে আমরা খুব চোখে পড়ার মতো কিছু করছি।

এই। কথা বলো, তোমরা। বাইরে কী দেখছো?

খুব বোরিং।

টার্নবোরা কেমন আছে?

ওরা এখনও "পেট ভরে ঘুমাচ্ছে", তবে ডিমো যেন আসে।

যদি আমরা একটা পুরো পরিবারকে শুধু শুধু সরিয়ে দিই,

তবে আমার বিবেক কখনোই শান্তি পাবে না।

আমি ভাবেছিলাম তুমি চলে গেছ।

কোথায় যাব?

বেশ সহজসাপ্টা।

ধন্যবাদ।

তোমার কোটটা কোথায়?

এটি খামারের মধ্যে আছে।

তবে তুমি যদি বাইরে থাকতে যাও, তবে কোটটা নিয়ে নাও।

মা,

আজকের সকালের ঘটনা নিয়ে...

উইল, সমস্যা নেই।

না, এটা ঠিক নয়।

আমার তোমার সাথে ওইভাবে কথা বলা উচিত হয়নি, আর আমি বাজে ব্যবহার করেছি, আর আমি দুঃখিত।

সোনা, আমিও দুঃখিত।

আমি জানি আমি মাঝে মাঝে...

একটু বাড়াবাড়ি করি।

সেটা সত্যি নয়।

আসলে, আজ সকালে যখন তোমাকে খুঁজে পাচ্ছিলাম না...

আমি জানি না।

আমি সব সময় সেই রাতের কথা ভাবি।

সেই রাতে যখন সেটা তোমার কাছে এলো,

যে রাতে এই সব শুরু হলো।

আমি বাড়িতেও ছিলাম না।

আমার ডিউটি শেষ হতে দেরি হয়েছিল।

যখন আমি শেষমেষ বাড়ি ফিরে আসি, আমি কী করি?

আমি সিগারেট খাই, সস্তা মদ পান করি, আর চিয়ার্স-এর পুরোনো পর্ব দেখি যতক্ষণ না ঘুমিয়ে পড়ি।

আমি আট ঘণ্টা জানতামই না যে তুমি নিখোঁজ।

মা, আমার সাথে যা হয়েছে, সেটা তোমার দোষ নয়।

আট ঘণ্টা।

কী ধরনের মা তার ১১ বছর বয়সী ছেলের খোঁজ নেয় না?

এটা তো বোকামি!

তোমার নতুন বন্ধুর ব্যাপারে আমি এখনও নিশ্চিত নই।

সে অবশ্যই আকর্ষণীয়।

তবে একটি জিনিস আমি নিশ্চিতভাবে জানি,

সে তোমার মা নয়।

আমি যা দেখেছি, সে তা দেখেনি,

আর আমি চোখ সরাব না।

আর না। সব শেষ না হওয়া এবং তুমি নিরাপদ না হওয়া পর্যন্ত নয়।

তোমাকে চোখ ফেরাতে হবে না, মা। আমি চাই তুমি আমাকে বিশ্বাস করো।

আমি তোমাকে বিশ্বাস করি, উইল।

তবে বিশ্বাস সবসময় দুই দিকে কাজ করে।

যদিও কাল রাতে আমার প্ল্যানটা একটু বাজে ছিল...

- একটু? - এই!

তোমার কোটটা পরে নাও।

সর্দি-কাশি থাকলে পৃথিবী বাঁচানো কঠিন হবে।

তো, তোমার কাকা ঠিক কী ধরনের অপরাধীদের পক্ষ নেন?

তারা কি হোয়াইট-কলার ক্রিমিনাল, তুমি জানো?

কারণ ওটা হ্যারিংটনের কাজই মনে হয়,

যেমন-ধনী এবং স্বার্থপর লোকদের রক্ষা করা।

আর এই পরিস্থিতিতে,

আর এই পরিস্থিতিতে, আমার মনে হয় ওই ধনী বাজে লোকেরাই আমাদের ধরতে আসবে।

স্টিভ?

স্টিভ? তুমি কি আছো?

হ্যাঁ, শুনছি। এখন কিছু বলো না।

মনে হচ্ছে আমাদের অতিথি এসেছে।

আর্লিংটনের দক্ষিণ দিকে এগোচ্ছে, আর ৩০ সেকেন্ড বাকি।

আর্লিংটনের দক্ষিণ দিকে, আর ৩০ সেকেন্ড বাকি।

অবস্থা কেমন? ট্যাগাররা?

ঠিক জায়গায় আছে এবং প্রস্তুত। লঞ্চার?

প্রস্তুত। ক্যাচার?

প্রস্তুত। ট্র্যাকাররা?

তৈরি। চলো এটা করেই ফেলি।

ওটা ভেতরে।

কথা কম বলো।

ওটা ভেতরে। তোমাদের ফাঁদ রেডি রাখো।

এটা ধরো!

ওকে ধরো!

এখন!

ন্যান্সি!

ন্যান্সি! জলদি! চলো!

ধরো ওকে, মাইক! ধরো ওকে, মাইক! মাইক, ধরো ওকে! ধরো ওকে!

ওটা পালিয়েছে! ওটা পালিয়েছে!

সিগনাল পেয়েছি। আমাদের দিকে আসছে।

কতটা কাছে?

ডাস্টিন, কতটা কাছে?

ধুর।

জেসাস ক্রাইস্ট!

ওটা কোথায়?

শান্ত হও।

উত্তর-পশ্চিম দিকে এবং দ্রুত।

- ওহ, কাম অন! - ডিমোকে ট্যাগ করে ছেড়ে দিয়েছি।

ট্র্যাকাররা পিছু নিয়েছে। আবার বলছি, ট্র্যাকাররা পিছু নিয়েছে। চলো!

ঠিক আছে, সিগনাল ঠিক আছে। শুধু সোজা চল।

স্থির আছে। ডান দিকে ঘোরো।

- ডান দিকে? - ডান দিকে! ডান দিকে ঘোরো! এখনই!

সরি, সরি, সরি!

ওহ! তুমি ধাক্কা খাবে!

- তুমি বলেছিলে ডান দিকে! - হে ঈশ্বর!

থামো! থামো! এখনই থামো! এখানেই থামো!

ধুর! হেন্ডারসন, আমরা কী করছি?

আমরা সিগনাল হারিয়ে ফেলেছি!

- এগো! এগো! - শিট, শিট, শিট।

শিট, শিট, শিট।

- পেয়েছি! এখন দক্ষিণ-পূর্ব দিকে যাচ্ছে! - সর্বনাশ।

- ওহ গড! - দুঃখিত!

ঠিক আছে।

- ওহ, ওহ, ওহ! শিট! - ধরে থাকো!

শিট, শিট, শিট!

হায় ঈশ্বর।

ঠিক আছে, পেয়ে গেছি।

- পেয়েছ? - হ্যাঁ, পেয়েছি।

ওরা কেন ঘুরল?

ম্ভবত সে তাদের ঝেড়ে ফেলার চেষ্টা করছে।

না, সেটা সম্ভব নয়। এটা জানে না যে কেউ তাকে ট্র্যাক করছে।

আমার থেকে দূরে থাকো! দূরে!

না, না, না, না, না।

আমি সত্যিই দুঃখিত, ঠিক আছে?

হয়তো পরে সব ব্যাখ্যা করব, কিন্তু আপাতত, নড়ো না।

- আমি ভেবেছিলাম সে দুটো স্লাইস খেয়েছে। - খেয়েছে তো!

তাহলে সে জেগে আছে কেন?

এটা কোনো ব্যাপার না।

আর না।

আমরা দক্ষিণ-পূর্ব দিকে।

সে কারণেই ওটা ঘুরে গেছে।

ভেকনা দেখে ফেলেছে।

সে আমাদের অবস্থান জানে।

Hello?

হ্যালো?

তুমি কি ওখানে আছো?

হেনরি?

হাই।

অনুবাদ ভালো লেগে থাকলে এক কাপ কফি খাওয়াতে পারেন (Bkash: 01963791985, Nagad/Rocket: 01743097637)

Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.