Afrikaans
Akan
Albanian
Amharic
Arabic
Armenian
Azerbaijani
Basque
Belarusian
Bemba
Bengali
Bihari
Bosnian
Breton
Cambodian
Catalan
Cebuano
Cherokee
Chichewa
Chinese (Simplified)
Chinese (Traditional)
Corsican
Croatian
Czech
Danish
Dutch
Esperanto
Estonian
Ewe
Faroese
Filipino
Finnish
French
Frisian
Ga
Galician
Georgian
German
Greek
Guarani
Gujarati
Haitian Creole
Hausa
Hawaiian
Hebrew
Hindi
Hmong
Hungarian
Icelandic
Igbo
Indonesian
Interlingua
Irish
Italian
Japanese
Javanese
Kannada
Kazakh
Kinyarwanda
Kirundi
Kongo
Korean
Krio (Sierra Leone)
Kurdish
Kurdish (Soranî)
Kyrgyz
Laothian
Latin
Latvian
Lingala
Lithuanian
Lozi
Luganda
Luo
Luxembourgish
Macedonian
Malagasy
Malay
Malayalam
Maltese
Maori
Marathi
Mauritian Creole
Moldavian
Mongolian
Myanmar (Burmese)
Montenegrin
Nepali
Nigerian Pidgin
Northern Sotho
Norwegian
Norwegian (Nynorsk)
Occitan
Oriya
Oromo
Pashto
Persian
Polish
Portuguese (Brazil)
Portuguese (Portugal)
Punjabi
Quechua
Romanian
Romansh
Runyakitara
Russian
Samoan
Scots Gaelic
Serbian
Serbo-Croatian
Sesotho
Setswana
Seychellois Creole
Shona
Sindhi
Sinhalese
Slovak
Slovenian
Somali
Spanish
Spanish (Latin American)
Sundanese
Swahili
Swedish
Tajik
Tamil
Tatar
Telugu
Thai
Tigrinya
Tonga
Tshiluba
Tumbuka
Turkish
Turkmen
Twi
Uighur
Ukrainian
Urdu
Uzbek
Vietnamese
Welsh
Wolof
Xhosa
Yiddish
Yoruba
Zulu
অনুবাদ ও সম্পাদনা মোহাম্মদ ইউসুফ
আমি থাকব কি তবে, না কি চলে যাব এবার?
আমি থাকব কি তবে, না কি চলে যাব এবার?
আমি গেলে বাঁধবে ঝামেলা।
যদি যাই, তবে হবেই গোলমাল
আর যদি থাকি, হবে দ্বিগুণ বেহাল
অবশেষে বহু প্রতীক্ষার পর
এবার আমরা শুরু করতে পারি।
তুমি আর আমি,
আমরা একসাথে অসাধারণ কিছু করতে যাচ্ছি, উইলিয়াম!
সত্যিই অপরূপ কিছু!
হলি।
হলি।
হলি।
কখন থেকে তোমাকে ডাকছি।
স্যরি!
সবাইকে ডেকে দেবে?
ব্রেকফাস্ট!
আসছি!
ন্যান্স, দেরি কোরো না!
প্লিজ ঢুকতে দাও, না হলে আমি মেঝেতেই পেশাব করে দেব!
মাফ করবেন, মিসেস বায়ার্স।
মন খুলে হিসু করো।
বাহ্।
কপাল!
ব্রেকফাস্ট!
সর্বনাশ, আমাদের ঘুম ভাঙতে দেরি হয়ে গেল।
- তুমি অ্যালার্ম দাওনি? - তুমি দাওনি?
- জোনাথনের উপর সব দোষ চাপানো যাবে না। - সব দোষ তো জোনাথনেরই...
আমার কোনো দোষ নেই। আমি আগেই বলেছিলাম...
হলি, বেকনটা এদিকে দাও তো।
এই হলি! বেকন!
- এটা নিয়ে আর কথা বলো না। - ঠিক আছে, তোমার যা ভালো লাগে।
ওটা তোমার লাগবে না। তুমি কি পাগল নাকি?
ক্যারেন, তোমার কাছে কি এখন মিডল (ঔষধ) আছে?
ন্যান্সি, থালা-বাসন সিঙ্কে রেখে দাও।
বিকেল ৫টা বা ৬টার মধ্যে ফিরে আসবে। যদি কিছু আনতে হয়, আমাকে বলবে।
- বুগি! - চলো। জলদি করো।
- এই যে আসছি। - হলি, জ্যাকেটটা নাও।
- ধরো। এটা নিতে ভুলো না। - ধন্যবাদ।
একটা হাগ দাও!
- বাই। - বাই।
সরি, পরিষ্কারে সাহায্য করতে পারছি না। দেরি হয়ে যাচ্ছে!
কোনো সমস্যা নেই, জয়েস। আমি বুঝতে পারছি।
আর কতদিন?
তুমি কী করতে বলছ আমাকে, টেড? ওদের তাড়িয়ে দেব?
এটা কি একটা অপশন?
এই, একটু দাঁড়াও!
চলো, আমাদের যেতে হবে!
মর্নিং স্কোয়াক, মাইক, আমরা মিস করে ফেলব!
হকিন্সবাসীকে জানাই সুপ্রভাত! এটি WSQK দ্য স্কোয়াক!
এটা তো নতুন লাগছে।
হকিন্সে আজকের দিনটা মনে হচ্ছে আর পাঁচটা দিনের মতোই কাটছে।
৫৫ ডিগ্রি তাপমাত্রা, বৃষ্টি হওয়ার চান্স কম,
ধরা পড়ার চান্স মাঝারি, হেলিকপ্টার দেখা যাওয়ার চান্স বেশি।
এই বোরিং জিনিসগুলো বাদ দিলে, আজ আমার জন্য একটা মজার দিন,
আমি তোমাদের বন্ধু ও ডিজে, রবিন বাকলি...
তোমাদের সাথে পরিচিত হয়ে ভালো লাগল! ...ওরফে রকিন' রবিন।
তোমরা জিজ্ঞেস করতে পারো, দিনটা আমার জন্য বিশেষ কেন?
কারণ, আজ আমার ৫০০তম ব্রডকাস্ট।
হ্যাঁ, তোমরা ঠিক শুনেছ। পাঁচ-শূন্য-শূন্য!
যার মানে আরও অনেক সময় পার হয়ে গেছে
জিমি "ফাস্ট হ্যান্ডস" লির মোহময়ী কণ্ঠস্বর শোনার পর থেকে।
কিন্তু জিমি যতটা দ্রুত তার হাত নাড়ত, তার চেয়েও দ্রুত যখন হকিন্স ছেড়ে পালাচ্ছিল,
তখন এই আমি অবাক হয়ে দেখছিলাম যখন তার পায়ের নিচে মাটি ফেটে যাচ্ছিল
আর সেই রহস্যময় খুশকির মতো বিশাল জিনিস বেরিয়ে এসেছিল।
আর এখন, আমিও আপনাদের মতোই এখানে আটকে আছি, আমার কোয়ারেন্টাইনের সহযোদ্ধারা।
আর যদি সত্যি বলতে হয়, আমি এর চেয়ে বেশি খুশি আর হতে পারতাম না।
কারণ, যদি মন দিয়ে ভাবো, অন্য কোথাও কেন থাকতে চাইবে তোমরা?
বলো তো, এমন শহর আর কোথায় আছে
যেখানে সামরিক লোক আর সাধারণ মানুষের অনুপাত এত বেশি?
আর সেই ফ্রি, বাধ্যতামূলক মেডিক্যাল চেকআপগুলো?
মানে, খুবই চমৎকার।
কারণ বসন্তকালের সেই তুষার কণাগুলো নিঃশ্বাসের সাথে নেওয়ার পর,
কে জানে, আমাদের কী হয়েছে?
ভালোও থাকতে পারি, আবার নাও থাকতে পারি।
কেউই নিশ্চিতভাবে জানে না।
এটাকে বলা হচ্ছে এমন এক প্রাকৃতিক ঘটনা, যা মানুষ কখনও দেখেনি।
এখন সবকিছু বড়সড় লোহার ঢাকনা দিয়ে ঢেকে রেখেছে।
দেখতে অত্যন্ত বেমানান, তবে স্লেডিংয়ের জন্য নাকি চমৎকার।
তবে সত্যি বলছি, তোমরা ঐ বিশাল ইস্পাতের ব্যান্ডেজটার ওপর স্লেডিং কোরো না।
তোমাদেরই বিপদ হবে, আর সৈন্যরা তো রেগেই আগুন হয়ে যাবে।
- যাও, যাও, যাও, যাও, যাও! - ওরা এটা একদম পছন্দ করে না।
কী করা উচিত না, সেই প্রসঙ্গে যখন কথা বলছি,
দয়া করে মিলিটারি অ্যাক্সেস কন্ট্রোল জোন থেকে দূরে থেকো,
যার অন্য নাম ম্যাক-জি, বা আমি যাকে বিগ ম্যাক বলি।
ভেতরে কী ঘটছে আমার কোনো ধারণা নেই,
কিন্তু আমার মন বলছে
তোমাদেরকে দূরে থাকতে বলার একটা ভালো কারণ আছে ওদের।
তবে হকিন্সের বাকি অংশ এখনো উপভোগের জন্য উন্মুক্ত।
খুব শিগগিরই আমাদের এখান থেকে বের হতে দেওয়া হবে।
আপাতত ভেবে নাও, এখানেই তোমাদের বাড়ি।
পরীক্ষার জন্য পড়ো, টিভির সামনে ডিনার করো, আর ডেটে যাও।
আর ঠিক এই কাজটাই, হ্যাঁ, আজ রাতে আমি করতে যাচ্ছি।
ঠিকই শুনেছ। রকিন রবিন আজ ডেটে যাচ্ছে, বন্ধুরা।
আর এবার প্রশ্ন, সেই সৌভাগ্যবান ব্যক্তি কে?
এত কৌতূহলী হয়ো না, সোনামণিরা।
তারা জানে তারা কে।
যদি তুমি শুনে থাকো, আর আমি আশা করি তুমি শুনছো।
কারণ পরবর্তী গানটা, এইটা তোমার জন্য, সোনা।
আবার কী হলো!?
ওহ্। কী হচ্ছে এটা? একী ঝামেলা! কী হচ্ছে এসব?
আমি বলেছিলাম মিলিটারিকে টিটকিরি করা বন্ধ করো।
আমি তাদের নিয়মগুলোই জোর দিয়ে বলছিলাম যাতে সবাই মেনে চলে।
- হ্যাঁ। একটুও ভেংচি ছিল না। - রাবারের মুরগি হাতে এই বোকাটা বলছে!
– দেখো, ওরা কিন্তু ঠাট্টা বোঝে না। – শিট, শিট, শিট, শিট!
হেন্ডারসন, শুনতে পাচ্ছ? হেন্ডারসন?
হ্যাঁ, শুনতে পাচ্ছি।
তোমার গলাটা বেশ অদ্ভুত শোনাচ্ছে। একটা অনুমান করি?
নিশ্চয়ই তুমি আমাকে শুভ সকাল জানাতে ফোন করোনি।
আজকের সকাল তেমন সুখকর নয়। স্কোয়াকে সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে।
সিগন্যালটা... পুরো ভয়ংকরভাবে বিঘ্নিত হয়েছে।
আমার মনে হয় রবিন এবার সত্যি ওদের রাগিয়ে দিয়েছে।
মনে হয় না। ও তো নিয়ম মেনে চলতে বলছিল।
বলেছিলাম না!
রিমোট রেডিও হেড হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
- রিমোট কী? - শুধু ম্যানুয়ালটা পড়ো, স্টিভ।
বইটি যেন গ্রিক ভাষায় লেখা, এতটাই দুর্বোধ্য।
তাহলে গ্রিক ভাষাই শিখে নাও!
সব সময় তো আর আমি তোমার সমস্যা মিটিয়ে দিতে পারব না, স্টিভ।
হেন্ডারসন?
ওহ্, ঈশ্বর!
“গ্রিক শিখো।” তার টোনটা শুনলে?
তুমি শুনেছ নিশ্চয়ই?
সাবধানে।
ওই শার্টটা পরতে বারণ করেছিলাম না, বদমাশ?
অ্যান্ডি একটা প্রশ্ন করেছে। কানে শুনতে পাস না, নাকি?
সে যদি সত্যিই বধির হয়, ভালোই হবে।
কারণ আমি খুব স্পষ্টভাবে বলেছিলাম ওই শার্ট পরে যেন তুই না আসিস।
তুই তো বলেছিলি তোর মায়ের সঙ্গে যেন আমি না মিশি।
কিন্তু তাতে কি আমি থেমেছি?
- হাসি পাচ্ছে, হেন্ডারসন? - ছাড়ো।
হেলফায়ার বন্ধ হয়ে গেছে, শুনলি?
ছাড়।
না ছাড়লে কী? তুই কী করবি?
থামো! অ্যান্ডি! থামো!
এই!
বাহ্, বাহ্।
এ তো দেখছি সেই বিশ্বাসঘাতকটা।
মনে আছে একবার আমার বোন তোর বিচিতে এমন জোরে লাথি মেরেছিল,
যে এক সপ্তাহ হাঁটতেই পারিসনি ঠিকমতো।
শোন, যদি আবার ডাস্টিনের গায়ে হাত দিস,
এমন লাথি মারবো যে তোর বিচি দুটো পানিভরা বেলুনের মতো ফেটে যাবে।
আমি বলছি, লাথি মারো।
এই গর্দভটাকে বাচ্চা পয়দা করা থেকে আটকাও
যাতে ও চোদনামো করে দুনিয়াটাকে আর নষ্ট করতে না পারে।
আশা করি বদলানোর মতো অন্য কাপড় সাথে এনেছিস। কেউ তোর ওই অবস্থা দেখতে চায় না।
তোমাকে তাদের উস্কানি দেওয়া বন্ধ করতে হবে, বন্ধু।
ওহ্, তাহলে এটা আমার ভুল?
- কিসের জন্য? শুধু টি-শার্ট পরার জন্য? - তুমি জানো এটা শুধু টি-শার্ট নয়।
ওরা যখন হেলফায়ার আর এডি সম্পর্কে বাজে কথা ছড়ায়,
তখন আমি তোমার মতো চুপ করে থাকতে পারি না।
এডি এসব ব্যাপারে একদমই গুরুত্ব দিত না।
ঐ বোকারা তাকে নিয়ে কী বলত, তাতে তার কিছু যেত-আসত না।
সে শুধু ভেকনাকে খুঁজে মেরে ফেলার কথাই ভাবত।
তুমি সিরিয়াসলি ভাবছ আমি এটা নিয়ে মাথা ঘামাই না, মাইক?
আমার মনে হয় তুমি দুটি লড়াই লড়ছো। তোমার একটি লড়াই লড়া উচিত।
মাইক ঠিকই বলছে, ডাস্টিন। যদি তুমি মারাত্মক আঘাত পাও?
তুমি নিজেই ঝামেলাকে ডাকছ।
মনে আছে হপ কী বলেছিল। আমাদের মাথা নিচু করে থাকতে হবে।
- নিয়ম মানো। সবার সাথে মিশে থাকো। - আমাদের পরের মিশনে নজর দাও।
তোমরা কি নিজেদের কথা শুনছ ঠিকভাবে?
ভিড়ে মিশে যাওয়া আর নিয়ম মানা? আমরা তো কখনোই এমন কিছু করিনি।
- হায় খোদা। - আমরা নিজেদের মতোই থাকি।
আমাদের তো বন্ধুদের পাশে থাকা উচিত।
মূল্য যাই হোক, আমরা ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়াই।
তুমি আমাদের কথা শুনছ না।
না, তোমরাই শুনছ না।
ডাস্টিন!
- অবিশ্বাস্য। - ওকে যেতে দাও।
কাম অন!
চলো, চলো!
বেশ দৌড়াও তো!
এ তো সে নয়।
আরেকটা ভুল টার্গেট, স্যার।
ওকে এখান থেকে নিয়ে যাও।
বাল!
বারো মিনিট, তেত্রিশ সেকেন্ড।
তুমি নতুন রেকর্ড করেছ।
কেমন লাগছে এখন?
ভালো।
ভালো?
আরে, ওটা তো ১২:৩৩ ছিল!
চার সেকেন্ড দেরি হয়ে গেছে।
চড়তে গিয়ে এক সেকেন্ড, আর কাঠ পার হওয়ার সময় দুই সেকেন্ড নষ্ট করলাম।
- শোনো। - বাস জাম্পটা আরও আগেই করব।
এতে আরও দুই সেকেন্ড বাঁচবে। তাতে ১২:৩০ এর নিচে আসবে।
এল, নিজেকে এত চাপ দিও না।
- তোমার মনে হয় হেনরি সহজে ছেড়ে দেবে? - আমি কী ভাবি জানো?
আমার মনে হয় আমাদের কাছে এখনও কিছুটা ওয়াফেল মিক্স আছে।
আমার মনে হয় কয়েকটা ওয়াফেল দিয়ে এই রেকর্ড টাইমটা সেলিব্রেট করা যাক।
এবং তারপর হয়তো আমরা একটি মিয়ামি ভাইস ম্যারাথন দেখতে পারি।
আমি এর চেয়েও ভালো করতে পারি। আবার শুরু করো।
তুমি যদি ক্লান্ত থাকো, আঘাত পাবে।
আবার শুরু করো!
সাবধানে!
কী খবর? কেমন আছেন?
অস্টিন মিলবার্জ, আইডি ৪৫২৮-নাইন।
সেটা আমিই।
আমি ঈশ্বরের দিব্যি দিয়ে বলছি, এই বাজে জিনিসটার কোনো অস্তিত্ব নেই।
- কেউ কি আবার ডাস্টিনকে ফোন দেবে? - ও ওয়াকি বন্ধ করে রেখেছে।
- ওর কী হয়েছে আজকাল? - আমাকে জিজ্ঞেস করো না।
হ্যাঁ, অনুগ্রহ করে এই বিষয়ে কথা বলো না।
- এই! - হ্যাঁ?
পেয়ে গেছি।
থামো, থামো। ওটা দেখো, হ্যাঁ।
রিমোট রেডিও হেড, ঠিক।
এই অদ্ভুত রিমোটটা আসলে কোথায় লুকানো আছে?
কোথাও খুঁজে পাচ্ছি না।
এটি অবশ্যই উপরে কোথাও আছে।
থাকতেই হবে।
তাহলে, আমার মনে হয় কাউকে এই উঁচু জিনিসটার একদম ওপরে উঠতে হবে এবং
হার্নেস ছাড়া ওপরে ওঠাটা খুব বিপজ্জনক মনে হচ্ছে।
এই ধরনের ঝুঁকির কাজ? স্টিভই করবে।
- কোনো থার্ড পার্সন নয়, প্লিজ। - ঠিক আছে।
আমি...
আমার তো মনে হয় জোনাথন বায়ার্স এটা ভালো পারবে।
আমি তো বাঁদরের মতোই, বন্ধু। আমি এটা সামলাতে পারবো, বায়ার্স। উদ্বিগ্ন হয়ো না।
উহ, ভোল্টেজ!
যদি না তুমি ভাজা হতে চাও।
হ্যাঁ, আমি জানি।
আমি বোকা না।
এই, তুমি কী করছ?
আমি এটা পারব, বন্ধু। চিন্তা কোরো না।
শুয়োরের...
তোমার উপস্থিতিতে এমন কী আছে যা তাদের ভেতরের পৌরুষত্বকে জাগিয়ে তোলে?
আমি তো ভেবেছিলাম বাজার কালকে আসবে।
আমিও।
কাম অন, কাম অন!
শিট!
খুঁজে পেয়েছি।
কোনোদিন ভুল হয় না।
- আমি ঠিক করে ফেলেছি! - আমি ঠিক করে ফেলেছি!
ঠিক আছে।
সান্তা আজ অনেক কিছু এনেছে।
একটা নতুন টেলিমেট্রি ট্যাগ। এই জিনিসগুলো সহজে পাওয়া যায় না।
এত গোলা-বারুদ আছে যে হপ চাইলে ছোটখাট যুদ্ধ শুরু করতে পারে।
যদি সে চায়।
কেউ কি সালাদের অর্ডার দিয়েছে?
গ্রেনেডের সালাদ?
আমি গ্রেনেডগুলো লেটুস পাতার নিচে লুকিয়েছি।
আচ্ছা।
এল-এর ব্যাটারির জন্য গেটোরেড এনেছি।
গেটোরেড-এর কথা কে বলল?
- আমাকে একটা দাও। ধন্যবাদ। - অবশ্যই।
তবে মনে হয় না এটা ঠিক খাপ খাবে...
পিনাট বাটার!
বপারস! ঈশ্বর, কত দিন বাদে দেখলাম এগুলো।
ধন্যবাদ।
চিন্তা করো না, মিস্টার বায়ার্স। তোমার জন্যও আমার কাছে একটা উপহারও আছে।
আমি জানি তোমার জ্যাজে অ্যালার্জি আছে,
তবে একবার শুনে দেখো। আমার মনে হয় তোমার বেশ ভালো লাগবে।
এবং স্টেশন ম্যানেজারের জন্য, আমার এই দ্রুত ডেলিভারির কারণ।
আগুন? আজ রাতে? কিন্তু সেটা তো—
খুব তাড়াতাড়ি, আমি জানি।
আপসাইড ডাউনে ওরা যা করছে, তার জন্য নিশ্চিত প্রচুর জিনিসপত্র দরকার।
এটা অনেক মালপত্র।
আমার মনে হয় এত মাল নামাতে কমপক্ষে দু’ঘণ্টা লাগবে।
তাহলে হপার একটু ঘুরে আসার জন্য যথেষ্ট সময় পাবে।
হয়তো আজ রাতেই আমরা সেই বদমাশটাকে খুঁজে বের করব এবং এর ইতি টানব।
এই যে, জেক।
একটু বাইরে ঘুরতে যাবে?
আমার মনে হয় ও পাগল হয়ে গেছে।
সে বলেছে, সে আবার হেলফায়ার শুরু করতে চায়।
কি? সে কখন বলল এটা?
এই উইকেন্ডে। ও বলছিল, যারা চলে গেছে তাদের ফিরিয়ে আনবে।
আর আমরা ভাবলাম শার্টটা পরাটাই উচিত হয়নি।
আমি বলছি, ওর মাথা খারাপ হয়ে গেছে।
কার মাথা খারাপ হলো?
- আ, সেই— - অ্যান্ডি!
- অ্যান্ডি! - অ্যান্ডি।
- অ্যান্ডির মাথা খারাপ হয়েছে। - হ্যাঁ।
যেভাবে আজ সকালে সে তোমার ওপর চড়াও হয়েছিল।
- হ্যাঁ, সেটা— - ঠিক হয়নি।
হ্যাঁ।
এটা অভদ্র আচরণ।
এই যে, বন্ধুরা! আমি রকিন রবিন।
হঠাৎ করে চলে গিয়েছিলাম বলে দুঃখিত। আশা করি আমাকে ছাড়া ভালোই ছিলে।
আমাদের কিছু টেকনিক্যাল সমস্যা হচ্ছিল।
ক্ষতিপূরণ হিসেবে, আমরা তোমাদের জন্য একটি বিশেষ উপহার এনেছি।
যেটা তোমাদের আজকের দিনটাকে নিশ্চিতভাবে উলট-পালট করে দেবে
- সর্বনাশ। - এখনই?
কাগজ! আমাকে কাগজ দাও!
চলো! উইল, তাড়াতাড়ি করো!
তুমি স্বাভাবিকভাবেই ভালোবেসে চলেছ
গান শুরু করার আগে, 'দ্য বস' সম্পর্কে কিছু মজার তথ্য জেনে নাও।
উনি ডায়ান নামে ডেট্রয়েটের নর্থ এন্ডে জন্মেছিলেন।
বেরি গোর্ডি, 'জি' দিয়ে শুরু গোর্ডি, তাকে ১৯৬১ সালে মোটাউনে সই করিয়েছিলেন।
এবং এক হলো মূল সংখ্যা,
কারণ ১৯৬৪ থেকে '৬৭ সালের মধ্যে,
'দ্য সুপ্রিমস'-এর দশটি গান চার্টের শীর্ষস্থানে পৌঁছেছিল।
ঠিক তাই, দশটি।
এরপর '৭৮ সালে, তিনি 'দ্য উইজ' সিনেমার মাধ্যমে সিনেমায় বড় কিছু করার চেষ্টা করেছিলেন,
কিন্তু সিনেমাটা বাজেভাবে ফ্লপ হলো।
কিন্তু আমি এখনও সিনেমাটা পছন্দ করি।
কাকতাড়ুয়া হিসেবে মাইকেল জ্যাকসন?
একবার দেখে নিতে পারো।
তবে তোমার সুপার-সাইজের পপকর্ন নিতে ভুলো না,
কারণ সিনেমাটা দুই ঘণ্টারও বেশি লম্বা।
ঠিক আছে, আজকের মতো ক্লাস এখানেই শেষ।
আশা করি তোমরা নোট নিচ্ছিলে। পরে একটা পরীক্ষা হবে।
ডায়ান, এবার শুরু করো।
আপসাইড ডাউন!
আজ রাতে হামাগুড়ির পর্ব আছে।
কাম অন!
আচ্ছা।
যদি মারের গোয়েন্দা তথ্য সঠিক হয়,
সাপ্লাইয়ের গাড়িগুলো ঠিক ১০টায় হকিন্সে এসে পৌঁছাবে।
অর্থাৎ আমি চাই হপার যেন টানেলের মধ্যে থাকে
এবং সর্বোচ্চ ৯:০০ টার মধ্যে ম্যাক-জি-এর পথে থাকে।
লুকাস, আমরা আমাদের জায়গায় থাকব।
যদি বেশি জ্যাম না থাকে,
আমি আশা করছি বহরটি ১০:১৫টায় ম্যাক-জি-তে পৌঁছাবে।
একবার আগুন লাগলে আর আড়াল পেলে,
আমরা হপারকে সংকেত দেব, সে তখন রওনা হবে।
এখন হামাগুড়ি শুরু।
হপ এখন আপসাইড ডাউনে আছে,
যেটা আমি আশা করছি খুব ধীরে ৩০ মাইল প্রতি ঘণ্টা বেগে চলবে,
যা...
...তোমাকে এবং হ্যারিংটনকে রাইটসাইড আপে অনুসরণ করার সুযোগ দেবে।
শুধু মনে রেখো, টেলিমেট্রি সিগন্যালটিকে রাখার চেষ্টা করবে...
নেগেটিভ ৬০ থেকে ৭০ ডিবি। খুব সহজ।
আমি আশা করছি বহরটি গত মাসের মতোই একই পথ নেবে।
মেইন থেকে কর্নওয়ালিস, একটি মাত্র মোড়।
তবে তোমরা যদি কোনো লাল বাতির সম্মুখীন হও...
- আমি ওটা পেরিয়ে যাব। - যদি আশেপাশে পুলিশ না থাকে।
মনে রেখো, যদি তোমরা ধরা পড়ো, তাহলে আমরা হপারকে হারাব, এবং আমরা বিপদে পড়ব।
আমি বুঝতে পেরেছি।
তোমরা কর্নওয়ালিস ধরে প্রায় ছয় মাইল যাবে।
আর যখন বহরটি এখানে এই শেল স্টেশনে পৌঁছাবে...
আমরা হপারকে রেডিওতে নেমে যেতে বলব।
এতে বুড়ো লোকটা জি১ এর সীমানায় নেমে যাবে।
সেখানে সে পুরো দুই ঘণ্টা সময় পাবে ভেকনাকে খোঁজার জন্য, যা যথেষ্ট সময়।
সে আগেও অনেক দ্রুত জোন পার করেছে।
তাই, সব মিলিয়ে, আরেকটি সফল অভিযানের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।
কোনো সমস্যা?
উম...
না। না, মানে, আমার মনে হয় সব ঠিক আছে।
হ্যাঁ, হ্যাঁ, ভালো। খুব ভালো।
এটা শুধু, উম...
G1 জোনে তেমন কিছু নেই, ভেকনার থাকার কথা না।
ওখানে কী আছে? একটা সার্কিট সিটি, কয়েকটা বাড়ি আর একটা...
বিগ বাই? ভেকনা কি লাকি চার্মস কিনতে যাবে নাকি?
তাতে কিছু যায় আসে না। প্ল্যান অনুযায়ী কাজ হবে।
আমাদের আপসাইড ডাউনে যাওয়ার একটাই উপায়,
ম্যাক-জি গেট দিয়ে, আগুন লাগানোর আড়ালে।
ভেতরে ঢুকে, আমরা একটা একটা করে জোন খুঁজে দেখব,
যতক্ষণ না আমরা বুঝতে পারি সে কোথায় লুকিয়ে আছে।
যদি না...
সে যদি ইতোমধ্যে মারা গিয়ে থাকে।
আবারও বলছি, তোমার প্ল্যান দারুণ। শুধু...
এটা কত নম্বর হামাগুড়ি? আমরা কি এখন ৩০-এ পৌঁছেছি?
আর একটাও খারাপ কিছু চোখে পড়েনি?
এল স্নানের সময়ও তাকে খুঁজে পাচ্ছে না।
আর সেই কম্পনের পর থেকে উইলের কোনো অনুভূতিও হয়নি।
- অনুভূতি? - আর শেষ যখন ভেকনাকে দেখেছিলাম,
সে একটা টার্কির মতো পুড়ছিল আর তার ভেতরে অনেক গুলি ছিল।
সেটা তো তিন তলা থেকে পড়ে যাওয়ার আগের কথা।
তুমি কি কখনও ভেবেছ আমরা একটি যুদ্ধক্ষেত্র খুঁজছি,
যা আমরা ইতিমধ্যেই জিতেছি, এমন কি মনে হয়?
তুমি কি ভুলে গেছো সে ন্যান্সিকে কী দেখিয়েছিল? হকিন্স জ্বলছে।
- কারেন, হলি, সবাই মারা গেছে। - হ্যাঁ।
সে ম্যাক্সকে দেখিয়েছিল তার ভাই বুকে একটি ছিদ্র নিয়ে হাঁটছে।
এটাই তার কাজ। সে তোমার মনের মধ্যে প্রবেশ করে ভয় দেখায়।
ও ভালো ভয় দেখিয়েছে, কারণ আমি ভয় পাচ্ছি। তোমারও ভয় পাওয়া উচিত।
কারণ সে যদি এখনো সেখানে থাকে, সে আমাদের পৃথিবী ধ্বংসের পরিকল্পনা করছে, তাই…
আমরা খোঁজা বন্ধ করব না। যদি আরও ১০০ বার, ১০০০ বার যেতে হয়।
আমরা থামব না যতক্ষণ না আমরা নিশ্চিত হচ্ছি
যে সেই কুঁচকানো, নাকবিহীন বদমাশটা মরে গেছে এবং আর কোনোদিন ফিরবে না।
সবাই কি প্রস্তুত?
আমি ভেকনার হৃৎপিণ্ড একটা থালায় দেখতে চাই।
যদি আমি নিজে এটা করতে পারতাম।
এডির জন্য।
- এডির জন্য। - এডির জন্য।
তিন গুনলে "ভেকনাকে মারো" বলব। এক, দুই, তিন।
ভেকনাকে মারো!
ওহ্ না!
- মিলিটারি। - দেখতে চেয়েছিলাম তুমি আমার সঙ্গে আছ কি না।
হ্যাঁ, আমি তোমার পাশে আছি।
- উইল! - উইল!
উইল!
- এই, তুমি ঠিক আছো? - হ্যাঁ, ঠিক আছি। আমি ভালো আছি।
ওটা কি সে ছিল? ওটা কি ভেকনা ছিল?
জানি না। আমার শুধু কেমন যেন লাগছিল,
আর তারপর আকাশ ঘুরতে শুরু করল, আর...
জানি না। হয়তো কিছু না, তাই না?
জানি না।
হয়তো আমি শুধু যাওয়ার আগে মাঝে মাঝে নার্ভাস হই।
হ্যাঁ, আমিও নার্ভাস হই।
কিন্তু আমার তো মাথার ওপরে আকাশ ঘোরে না।
এটি কি তোমার ক্ষেত্রে কখনো ঘটেছে?
হতে পারে সে কাছাকাছিই আছে।
ঠিক আছে। স্কওয়াক-এ, ঠিক ছ'টায়, এক সেকেন্ডও দেরি নয়, ঠিক?
- ছয়টা। - তুমি কি ঠিক আছো?
- হ্যাঁ। - তুমি নিশ্চিত তো?
– ধীরে ধীরে করো। – আচ্ছা, ঠিক আছে।
আমি তো কেবল এটা শুরু করার চেষ্টা করছি। প্রস্তুত? এই শুরু করলাম।
এটা চালু করতে পারলেই আমরা দারুণ মজা করতে পারব।
এবার উড়ব!
ডেরেক, থামো! আরে! নামো!
– ডেরেক, থামো! – ভালো করে ধরে থাকো!
– সরে যাও! ডেরেক! – বমি করো না!
থামো!
- আহাম্মক! - কী, কেমন লাগল?
তুমি ঠিক আছ? এসো।
চলো, নামো এবার।
আরে বাবা... সাবধানে!
তুমি ঠিক আছো তো?
ঠিক আছে, বাচ্চারা, এবার খেলা শেষ।
চলো।
মুখটা এমন শুকনো কেন?
চলো, আমাদের বই পড়তে হবে, ছবি আঁকতে হবে, আর নতুন কিছু জানতে হবে।
হলি?
হাই।
আর সেও ডেরেককে যেতে বলতে পারে।
সে সত্যিই একটা আহাম্মক।
ওহ হ্যাঁ, মিস হ্যারিস আমাকে...
কিন্তু উনি এটাও বলেছিলেন যে এটা আসলে আমার দোষ ছিল না।
তুমি কি শুধু দাঁড়িয়েই থাকবে, সার্জেন্ট রামিরেজ,
নাকি তোমার কিছু বলার আছে?
দুঃখিত, ডঃ কে।
হ্যাঁ। লেফটেন্যান্ট কর্নেল সুলিভান,
আমরা যে সূত্রটি নিয়ে কথা বলেছিলাম, তিনি সেটির খোঁজ পেয়েছেন, এবং
এটা ছিল এক বিশাল সাফল্য।
না, দুর্ভাগ্যজনকভাবে না।
আমি বুঝতে পারছি তারা আর.ও.টি.সি-তে সার্কাজম করা শেখায় না।
ভালো খবর হলে সুলিভান নিজেই হাজির হতেন,
শিঙা বাজিয়ে আর রঙিন কাগজ ছিটিয়ে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই।
চিন্তা করো না। এটা কামড়ায় না।
এটা, মাঝে মাঝে, গলা টিপে ধরে।
আর কিছু বলার ছিল কি?
নতুন কিছু? আবারও ভুল আশা দেওয়ার মতো?
এখনও না, ডাক্তার।
সার্জেন্ট।
দয়া করে তোমার কমান্ডারকে বলো যে আমি এখানে দেয়ালে মাথা ঠুকছি।
নিরীহ মানুষ মরছে।
আমার ওই মেয়েটিকে দরকার।
শেষবার আমার কত সময় লেগেছিল?
আমি নিশ্চিত না। দেখিনি। আমি ডায়ানা রস দেখছিলাম।
আমি চার সেকেন্ড বাঁচিয়েছি।
তাতে আমার যথেষ্ট সন্দেহ আছে।
না, খুব তাড়াতাড়ি দৌড়েছি।
ওঠার সময় এক সেকেন্ড, কাঠের গুঁড়িতে এক, বাসে দুই।
চমৎকার। আজ এটা করতে পেরেছ, কালও পারবে।
অনুসন্ধান আজ রাতে, হপ। যদি আমি ১২:৩০-এর নিচে থাকি, তবে আমি তোমার সাথে যেতে পারবো।
- তুমি এটাই তো প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলে। - হ্যাঁ, কথা তো দিয়েছিলাম।
কিন্তু ওয়াদার শর্তটা তো পূরণ হতে দেখলাম না।
তাহলে ডায়ানাকেই দোষ দাও।
তুমি বিশ্বাস করোনি যে আমি পারব, তাই না?
আমি জানি তুমি পারবে, কিন্তু আজ নয়। আমার মনে হয় না তুমি ওই সময় অর্জন করেছো।
তুমি কি বলতে চাইছো যে আমি মিথ্যা বলছি?
না, আমি বলছি তোমার ভুল হচ্ছে।
আমার কোনো ভুল হয়নি।
ঠিক আছে, তুমি তোমার ষষ্ঠ বারের দৌঁড়ে,
পুরো ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলে,
এত ক্লান্ত অবস্থায় তুমি দ্বিতীয় রেকর্ডটাও ভেঙে ফেললে,
ঠিক একটা অভিযান শুরুর আগে।
আমার তা মনে হয় না, খোকা।
তুমি সময়টা দেখেছ। আমি দেখেছি তুমি দেখেছ। তুমি আমাকে যেতে দিতে বাধ্য।
হেনরিকে খুঁজে পাওয়ার এত তাড়া তোমার?
হ্যাঁ, খুবই।
করো, তবে টাব থেকেই করো।
দূর থেকেই করো।
তুমি আমার সাথে যাচ্ছো না। অন্তত আজ না।
ব্যস, আর কথা হবে না।
তুমি ওর প্রতি এত কঠোর হচ্ছো কেন?
আমি ওর প্রতি কঠোর হচ্ছি না।
সে শুধু সাহায্য করতে চাইছে।
উইল সাহায্য করতে পারলে ভালো হতো,
কিন্তু, তুমি ওকে খুব বেশি আগলে রাখো।
আরে ধুর। ওটা অন্য ব্যাপার।
মানে, এল...
ওর দিকে তাকাও। ও... ও প্রস্তুত।
সাঁইত্রিশ বার যাওয়া হলো।
ওই অভিশপ্ত জায়গায় আমি কেবল সৈন্যদেরই দেখেছি,
সৈন্য গিজগিজ করছে ।
আর তারা সবাই একজনকেই খুঁজছে, এল।
তাই ওর জীবন বিপদে ফেলে ওকে সেখানে নিয়ে যাওয়ার কোনো মানে হয় না,
বিশেষ করে এমন একটা সামান্য খোঁজাখুঁজির জন্য।
যদি এটা শুধু সামান্য খোঁজাখুঁজি হয়, তাহলে এত বন্দুক কেন?
যদি কোনো ঝামেলায় পড়ি তার জন্য।
- হ্যাঁ, অথবা যদি তুমি তার সামনে পড়ে যাও। - না।
ওর সামনে পড়লে আমি দৌড়ে পালাব।
আমি পাগল, ঠিক আছে, কিন্তু এতটাও পাগল নই।
আমার এলকে দরকার হবে। এটা আমি জানি।
ঠিক এই কারণেই একটা সামান্য কাজের জন্য ওর জীবনকে ঝুঁকির মুখে ফেলার কোনো মানে নেই।
497 আমি চাই সে যেন প্রস্তুত থাকে, কিন্তু সম্পূর্ণ নিরাপদও থাকে। একদম শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত। ঠিক আছে?
হ্যাঁ, ঠিক আছে।
কিন্তু শেষবার ওর যে সময় লেগেছে,
সে কি পেরেছে?
এক সেকেন্ড সময় হাতে রেখে।
ডোনা কী পরেছিল দেখলি?
গত বছরের তুলনায় তার প্রায় দুই সাইজ বেড়েছে।
– ঠিকই বলেছ। – হায় খোদা!
ওহ্ মাই গড।
আরেহ, এটা তো সাধারণ কর্ন সাপ। শোনো সবাই, এটা কিছু না, কর্ন সাপ।
তুই একটা ভীতু, দোস্ত।
- প্যান্ট ভিজিয়ে দিয়েছিস? - এটা তো শুধু একটা সাপ।
এই অ্যান্ডি, এটা কি তোর নতুন পোষা প্রাণী?
ওকে ভয় দেখিও না।
হলি!
হলি!
হলি!
তুমি কী করছো? চলো। আমার দেরি হচ্ছে।
দুঃখিত।
তারা আমাকে অপেক্ষা করতে বলেছিল।
এটা কি আবার তোমার সেই রহস্যময় বন্ধুকে নিয়ে?
মিস্টার হোয়াটসিট?
ও তো শুধু সাহায্য করতে চাইছে।
সাহায্য? কীভাবে বলো তো?
আমাকে রক্ষা করে।
সে বলেছে যে হকিন্সে দানব আছে,
আর... ওরা আমার মতো বাচ্চাদের খেতে পছন্দ করে।
দানব বলে কিছু নেই, হলি।
আমি তোমাকে বিশ্বাস করি না।
আমি জানি যা ঘটেছে তার জন্য তুমি ভয় পেয়েছো।
মানুষ যে সব উল্টোপাল্টা গল্প বলে, তাতে, মানে, আমিও মাঝে মাঝে ভয় পাই।
না, তুমি পাও না।
তুমি কি মজা করছ?
হকিন্সের সবাই ভয়ে একদম নাজেহাল।
যারা বলে ভয় পায় না, তারা ভুল বলে।
তোমাদের ক্লাসের সেই বোকাটার মতো... তার নাম কী যেন?
- ডেরেক? - হ্যাঁ, ডেরেক।
সে হয়তো প্রতিরাতে বিছানা ভেজায়।
জানো, আমি ভয় পেলে কার ওপর আস্থা রাখি?
মাইক দ্য ব্রেভকে।
সে ডানজিয়ন ক্রল নামের দারুণ সব অভিযানে যায়।
ডানজিয়ন ক্রল আবার কী জিনিস?
ও মাটির নিচে গিয়ে বিভিন্ন জায়গা ঘুরে দেখে,
যেখানে সে দানব, অপদেবতা আর জাদুকরদের বিরুদ্ধে লড়াই করে।
কিন্তু মাইক দ্য ব্রেভ কখনো ভয় পায় না।
তাই যখনই আমি ভয় পাই বা নার্ভাস হই,
আমি কল্পনা করি, সে আমার পাশে আছে।
আর তখন আমি স্বস্তি পাই।
তাই হয়তো তুমি পরেরবার ভয় পেলে এই মিস্টার হোয়াটসিটের প্রয়োজন হবে না।
তোমার দরকার হবে হোলি দ্য হিরোয়িক।
হোলি দ্য হিরোয়িক?
আমি আরও কয়েক বছর অপেক্ষা করতাম, কিন্তু...
সে একজন ক্লেরিক, অর্থাৎ তার ঐশ্বরিক ক্ষমতা আছে।
সে এমন জাদু করতে পারে যা খারাপ আত্মাকে দূরে রাখে।
আর আরও মজার হলো, ও একটা ডাইমেনশন ডোর তৈরি করতে পারে,
যেটা তোমাকে তুমি যেখানে ভাববে সেখানে নিয়ে যেতে পারে।
মানে, কী আর বলবো!
তোমার ওই ফালতু মিস্টার হোয়াটসিট কি এসবের কিছু করতে পারে?
না।
সে তোমাকে নিরাপদে রাখবে। আমি কথা দিচ্ছি।
এটা একটা অদ্ভুত অনুভূতি ছিল।
এরকম কিছু আমি এর আগে সত্যি অনুভব করিনি।
মাইক মনে করে এর মানে ভেকনা কাছাকাছিই আছে,
সে হয়তো আবার ফিরে এসেছে।
আর যদি সে এসে থাকে, তবে হয়তো আজ রাতেই আমরা তাকে খুঁজে পাব।
তোমার কী মনে হয়, লুকাস?
হ্যাঁ, আমার মনে হয় এবার আমরা ওকে নিশ্চিত খুঁজে পাব।
তুমি কি টেপটা চালাতে চাও?
আমি একটা কোক বা ক্যাফেইনযুক্ত কিছু নিতে যাচ্ছি,
কারণ আজ রাতটা অনেক লম্বা হবে।
তুমি নেবে?
না। আমার লাগবে না। ধন্যবাদ।
রবিন!
রকিন রবিন!
ভালো খবরও আছে, আবার খারাপ খবরও আছে।
তুমি এখানে কী করছো?
এক বন্ধু একবার বলেছিল, "খারাপ খবরটা আগে বলবি, সবসময়।"
তাই আজ রাতের ডেটটা ক্যান্সেল করতে হচ্ছে।
অবশ্যই।
তবে সুখবর হলো, আমি আমাদের জন্য একটা রিজার্ভেশন করে রেখেছি।
আগামীকাল রাত ৮:০০টায় এনজো’স-এ।
এনজো’স? আমরা কীভাবে এত খরচ দেব?
তুমি কি বলতে চাইছো কীভাবে আমি খরচ বহন করবো?
কারণ তোমার পকেট থেকে এক পয়সাও দিতে হবে না।
তাহলে দ্বিগুণ কীভাবে?
যে লোকটাকে মৃত অবস্থায় নিয়ে গেল, তার কাছ থেকে টাকা চুরি করেছি।
এটা মোটেও হাসির বিষয় নয়। উনার নাম ছিল মিস্টার পেন্টারগাস্ট।
এবং তিনি খুব ভালো মানুষ ছিলেন।
আর খুব ধনীও ছিলেন।
- রবিন... - দেখো, রাতের খাবার আমার দায়িত্বে, ঠিক আছে?
তবে ডেজার্টে তোমাকে এই টুপি পরা অবস্থায় দেখতে চাই।
এবং বলতে গেলে শুধু এই টুপিটাই।
আমি তোমাকে ঘৃণা করি। আ...
এটা কি ইচ্ছাকৃত ছিল?
– পুরোপুরি। – ব্যাপারটা তো বেশ সেক্সি।
তাহলে, কোনো সম্ভাবনা আছে কি যে আমি তোমাকে এই ড্রেসটা পরাতে পারব?
কিন্তু সেটা তো...
কে?
সর্বনাশ।
চিন্তা কোরো না এডি, ওরা একসময় হাঁপিয়ে যাবে।
তোমার পোষা প্রাণীগুলোর ওপর আরও ভালোভাবে নজর রাখা উচিত, হেন্ডারসন।
বাইরে পরিস্থিতি বিপজ্জনক। ওদেরকে এভাবে একা ফেলে রাখা উচিত না।
হেই চোদনা, অনেক দিন পর দেখা।
হাই।
হাসির কী হলো, হেন্ডারসন?
না না, মাথায় একটা চিন্তা এল শুধু।
এডির শেষ ক্যাম্পেইনে,
আমি প্রিজম্যাটিক স্প্রে মেরে ভেকনার চেলাকে হারালাম।
একটা ডি৮-এ সাত উঠল।
ভায়োলেট।
এটা কি ইংরেজি বলছিস, হাঁদারাম?
বেগুনি প্রিজম্যাটিক স্প্রে সবচেয়ে মারাত্মক। জানিস কেন?
এটা অন্ধ করে দেয়।
হেই!
হেলফায়ার তোকে দিয়েই শেষ হবে, হেন্ডারসন।
আর তা আজ রাতেই শেষ হবে।
ডাস্টিন, লুকাস বলছি। শুনতে পাচ্ছো? ওভার।
ডাস্টিন, শুনতে পাচ্ছো? ওভার।
ডাস্টিন, তুমি এক ঘণ্টা লেট। তুমি আমাদের চিন্তায় ফেলছো।
স্কোয়াকে তোমাকে এখনই চাই।
ডাস্টিন, তুমি যদি আমাদের শুনতে পাও, অনুগ্রহ করে উত্তর দাও। ওভার।
ওর মায়ের সাথে কথা বললাম। তার কাছেও খবর নেই।
– হায় খোদা, হেন্ডারসন। – সে আসবে। সে সবসময়ই আসে।
আবার চেষ্টা করে দেখো।
ডাস্টিন, উত্তর দাও। তুমি কি আছ? ডাস্টিন, কথা বলো।
এটা গুরুতর বিষয়। আর দেরি করা চলবে না। আমরা দেরি করতে পারব না।
স্কোয়াকে এখনই চলে আসো।
আমরা দেরি করতে পারছি না। এই মুহূর্তে তোমাকে এখানে প্রয়োজন।
এটা রসিকতা নয়। তুমি কি আছ?
ডাস্টিন, সবকিছু ঠিক আছে তো?
- - তোমার কি মনে হয় ডাস্টিন ঠিক আছে? - ডাস্টিন!
আশা করি ঠিক আছে।
আজ সে কেমন অদ্ভুত আচরণ করছিল।
অদ্ভুত মানে কেমন?
রাগান্বিত, ভীত, বেপরোয়া। মোটেও ওর স্বাভাবিক আচরণ না।
হপারও একই রকম।
তার আচরণ পুরো বদলে গেছে।
হয়তো এটা আমাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে, বুঝলে?
এখানে আটকে থাকা, ভেকনা কোথায় তা না জানা,
কোনো শেষ দেখা যাচ্ছে না।
আমরা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছি।
আমাদের সত্যিই একটু বিরতির প্রয়োজন।
হয়তো আমরা পাব। কারণ উইল একটু আগে কিছু অনুভব করেছে।
- উইল যদি কিছু অনুভব করে— - তাহলে তার একটা মানে আছে।
তাহলে, হয়তো আজ রাতেই একটা সুযোগ পাব।
হয়তো এটাই আমাদের শেষ অভিযান।
ভেকনাকে খুঁজে বের করে পুরো ব্যাপারটা চিরতরে শেষ করে ফেলব।
আর তারপর কী হবে?
মানে, তোমরা ভেকনাকে সম্পূর্ণ পরাস্ত করার পর?
আমার খেলাতে, টিম জিতলে সবাই সুখে শান্তিতে থাকে।
কীভাবে সুখে থাকে?
আসলে, সাধারণত যেটা হয়, ওরা আর নিজেদের গ্রামে ফেরে না,
কারণ তাদের জীবনে অনেক কিছু ঘটে গেছে।
তারা অনেক কিছু দেখে ফেলেছে।
তাই তারা পাড়ি জমায় কোনো দূর দেশে, শান্তিময় এক স্থানে।
সুন্দর কোনো জায়গায়, যেখানে তিনটি ঝরনা বা এরকম কিছু আছে,
আর ওরা সবাই মিলে আবার নতুন করে শুরু করে।
তোমার কি মনে হয়, আমরা কি সত্যিই এমন ভবিষ্যৎ পেতে পারি?
হ্যাঁ, কেন নয়।
মানে, তিনটা ঝরনার ব্যাপারটা বাদ দিলে বাকিটা ঠিক আছে।
ভেকনার কাহিনী শেষ হলে আমাদের থামাবে কে?
এই, লাভবার্ডস! চিফ প্রায় তৈরি।
চলো কাজটা শুরু করি।
ধন্যবাদ।
এই যে।
শুভ কামনা।
- ট্যাগ চালু হয়েছে। - বুঝেছি।
হ্যারিংটন, কোনো সিগন্যাল পাচ্ছ? ট্যাগ সক্রিয় আছে।
হ্যাঁ, এক সেকেন্ড।
হেন্ডারসনের ওই চাকাওয়ালা জিনিসটা কীভাবে চলে জানো কেউ?
কোনো আইডিয়া?
একটা সেফটি লক আছে। চাকার নিচে একটা ছোট সুইচ দেখো।
চাকার নিচে একটা সেফটি লক থাকা উচিত।
সেফটি লক, খুবই দরকারি।
আচ্ছা।
ঠিক আছে, সিগন্যাল পাচ্ছি।
তবে এটা খুব শান্ত।
ওকে, সিগন্যালটা ৯০ ডিবি-তে স্থির আছে।
হেন্ডারসন না থাকলে আমি একসাথে মনিটর আর ড্রাইভ করব কীভাবে?
ইনস্পেক্টর গ্যাজেটের কোনো খবর আছে?
কিছু না।
আমি পারব। আমি মনিটর করতে পারি।
না। তুমি এখানেই থাকবে।
মা, আমি ডাস্টিনকে অ্যান্টেনা লাগাতে সাহায্য করেছি। আমি জানি এটা কীভাবে চালাতে হয়।
অসম্ভব। এটা তো একটা সাধারণ চাকা।
এটা শুধু একটা চাকা নয়।
জোনাথন, তুমি... তুমি এটা চালাতে পারবে তো?
হ্যাঁ, হ্যাঁ। মনে হয় পারব।
তোমার শুধু ভাবলে চলবে না। তোমার জানা দরকার।
আমার খেয়াল না রাখলে, আমার ফেরাটা কঠিন হয়ে যাবে।
আমি এটা সামলাতে পারবো।
পিছনে ঠিক আছ তো, বায়ার্স?
নাকি তোমার জন্য একটা বালিশ নিয়ে আসব?
শুধু গাড়ি চালানোর দিকে মনোযোগ দাও।
ঠিকঠাকভাবে আমার কাছে ফিরে এসো, প্লিজ?
কী?
দুঃখিত, আমি শুধু তোমার দিকে তাকিয়ে ছিলাম।
তুমি প্রতিদিন আরও সুন্দর হয়ে উঠছ।
এটা কেমন কথা?
তুমি আমার প্রশ্নের উত্তর দাওনি।
আমি জানি।
তুমিও তো আমার প্রশ্নের উত্তর দাওনি।
দেখো, সে বেড়ার কাছে দাঁড়িয়ে বাতাসের সঙ্গে কথা বলছিল।
সম্ভবত সে নিজের সঙ্গেই কথা বলছিল।
..ওখানে একাই দাঁড়িয়ে কথা বলছিল, কারও সঙ্গে নয়।
কাল্পনিক বন্ধু তো অনেকেরই থাকে, ক্যারেণ।
ওর বয়স পাঁচ হলে আমি এত চিন্তা করতাম না,
ওর বয়স এখন পাঁচ বছর না।
সত্যি বলতে, তুমি কি জানো তোমার মেয়ের বয়স কত?
- ওহ, তুমি ওর বয়সও জানো না! - তুমি একদম হাস্যকর।
তুমি যে রকম আচরণ করছ, তাতে আমি আর তোমার সঙ্গে কথা বলব না।
আজ রাতে কি প্রথম গ্লাস, নাকি দ্বিতীয়টা শুরু করেছ?
তাতে কি কিছু আসে যায়?
স্কোয়াক টু ক্রো’স নেস্ট, কোনো আপডেট? ওভার।
কোনো খবর নেই, একেবারেই চুপচাপ।
তোমার কি এত জোরে চিবোতে হবে?
স্নাইপাররা চুইংগাম চিবোয়।
তুমি তো স্নাইপার নও।
প্যাকেজ আসছে। চারটা ট্রাক, মেইন রাস্তার বাইরের পূর্ব গেটে।
একশন শুরু। চারটা ট্রাক, মেইন রাস্তার বাইরের পূর্ব গেটে।
গর্ত! গর্তটা খালি করো।
বার্নাররা, কাজে নামার জন্য প্রস্তুত হও।
আমার নির্দেশে, সবাই এগোও।
বার্নাররা গেটের দিকে এগোচ্ছে।
বার্ন শুরু হচ্ছে, পাঁচ, চার,
তিন, দুই,
এবং বুম!
ট্রাকগুলো ভেতরে ঢুকছে।
ট্রাকগুলো ভেতরে ঢুকছে।
আমি কি যেতে পারি?
- পূর্ব দিক নিরাপদ। - পূর্ব দিক নিরাপদ।
আর পশ্চিম দিকে?
দাঁড়াও। একজন বাকি আছে।
কাম অন!
তাড়াতাড়ি ওখান থেকে বেরিয়ে আয়।
কাম অন!
ক্লিয়ার!
সে ভেতরে।
সে ভেতরে।
খুল যা, সিম সিম!
সে উল্টে গেছে।
জোনাথন, সিগন্যাল আসছে?
ধরেছি।
- আমি কি যাব? - না।
দাঁড়াও।
দাঁড়াও। দাঁড়াও।
দাঁড়াও।
যাও!
ভ্যান চলছে।
হপার, তুমি কি আমাদের পরিষ্কার শুনতে পাচ্ছো?
হ্যাঁ, হ্যাঁ, পরিষ্কার শুনতে পাচ্ছি।
ভালো। কঠিন অংশটা শেষ।
আমি নিজের কথা বলছি, আমার এখনও বের হতে হবে।
আর এটা কি শুধু আমি, নাকি আমরা স্বাভাবিকের চেয়ে দ্রুত চলছি?
একটু দ্রুত।
শুধু ঘাসের দিকে লক্ষ্য রাখো।
আমি তো পাকা রাস্তার দিকে যাচ্ছিলাম, তবে ঘাসের কথা যখন বললে—
কী হলো? হপার?
- আমরা তার ট্র্যাক হারাচ্ছি! - কি বলছ?
থামো! থামো! থামো!
পেয়েছি তাকে।
হপার, শুনতে পাচ্ছো তো?
হপার!
হ্যাঁ, আমি শুনতে পাচ্ছি।
এটা কী ঘটল?
জানি না। আমরা হঠাৎ থেমে গেলাম।
কেন... ওরা কেন থামল?
সৈন্যরা...
ওরা জানে ও ওখানে আছে।
আমরা তো জানি না।
ওখানে কী হচ্ছে?
অনেক বেশি সৈন্য।
সে ওদের সাথে পারবে না।
- কী হচ্ছেটা কী? - আমি জানি না।
উইল! না!
সোনা!
উইল! উইল! উইল!
স্কওয়াক, শুনতে পাচ্ছো?
জয়েস? কেউ আছে?
উইল, ফিরে এসো! হানি।
উইল, ফিরে এসো। ফিরে এসো।
উইল, এসো।
উইল! উইল! জেগে ওঠো!
ফিরে এসো! ফিরে এসো!
উইল, সোনা। সব ঠিক আছে।
মা!
সব ঠিক আছে। সব ঠিক আছে।
আমি আছি। আমি আছি।
ঠিক আছে। শ্বাস নিতে থাকো। শুধু শ্বাস নাও।
কী হলো?
আমি দেখেছি।
কী? তুমি কী দেখেছ?
ডেমোগর্গন।
এটা আসছে। তাদের দিকে আসছে।
কাদের জন্য? ওরা কারা?
রবিন, এখানেই থাকো।
হপারকে, ছেলেদেরকে যোগাযোগ করো। সবাইকে বলো কী হচ্ছে।
ঠিক। ঠিক।
- তুমি কি বিদ্যুৎ চালু করতে পারবে? - আমি চেষ্টা করব।
যদি পারো, আমার বাড়িতে ফোন করে সবাইকে বেরিয়ে যেতে বলো।
আচ্ছা।
মা!
মা!
অনুবাদ ভালো লেগে থাকলে এক কাপ কফি খাওয়াতে পারেন (Bkash: 01963791985, Nagad/Rocket: 01743097637)
Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.