Afrikaans
Akan
Albanian
Amharic
Arabic
Armenian
Azerbaijani
Basque
Belarusian
Bemba
Bihari
Bosnian
Breton
Bulgarian
Cambodian
Catalan
Cebuano
Cherokee
Chichewa
Chinese (Simplified)
Chinese (Traditional)
Corsican
Croatian
Czech
Danish
Dutch
Esperanto
Estonian
Ewe
Faroese
Filipino
Finnish
French
Frisian
Ga
Galician
Georgian
German
Greek
Guarani
Gujarati
Haitian Creole
Hausa
Hawaiian
Hebrew
Hmong
Hungarian
Icelandic
Igbo
Indonesian
Interlingua
Irish
Italian
Japanese
Javanese
Kannada
Kazakh
Kinyarwanda
Kirundi
Kongo
Krio (Sierra Leone)
Kurdish
Kurdish (Soranî)
Kyrgyz
Laothian
Latin
Latvian
Lingala
Lithuanian
Lozi
Luganda
Luo
Luxembourgish
Macedonian
Malagasy
Maltese
Maori
Marathi
Mauritian Creole
Moldavian
Mongolian
Myanmar (Burmese)
Montenegrin
Nepali
Nigerian Pidgin
Northern Sotho
Norwegian
Norwegian (Nynorsk)
Occitan
Oriya
Oromo
Pashto
Persian
Polish
Portuguese (Portugal)
Punjabi
Quechua
Romanian
Romansh
Runyakitara
Russian
Samoan
Scots Gaelic
Serbian
Serbo-Croatian
Sesotho
Setswana
Seychellois Creole
Shona
Sindhi
Sinhalese
Slovak
Slovenian
Somali
Spanish
Sundanese
Swahili
Swedish
Tajik
Tatar
Thai
Tigrinya
Tonga
Tshiluba
Tumbuka
Turkish
Turkmen
Twi
Uighur
Ukrainian
Urdu
Uzbek
Vietnamese
Welsh
Wolof
Xhosa
Yiddish
Yoruba
Zulu
আমাকে যেতে দে।
যেতে দে, বলছি।
কোথায় নিয়ে যাচ্ছিস আমাকে?
কেন যেতে দিচ্ছিস না?
যেতে, বলছি!
আমি কোত্থাও যাবো না।
যেতে দে, বলছি!
চলো, উঠো, উঠো!
দেরি হয়ে যাচ্ছে।
ছাড় আমাকে!
সাবধানে!
ওঠো, মা।
তাড়াতাড়ি, চলো!
আমাকে ছেড়ে দে!
ভুইনপুরে কোথায়?
রত্নমালায় নিয়ে যাও।
না, আমাকে যেতে দে!
খবরদার, কাছে আসবি না।
তোকে কেটে টুকরো টুকরো করে দেব!
ছাড়, বলছি।
আমাকে যেতে দে।
তুই জানিস না আমি কে।
আমি তোকে খুন করবো!
মাসি, কাল রাতে মা আমাদের বাগানে আমলকী গাছের দিকে তাকিয়ে ছিল।
কয়েকবার 'মা! মা!' ডাকলাম, কিন্তু...
মা?
আমি তোর মা না।
আর তুই! সাবধান!
তোর নাম কী?
নিজের চরকায় তেল দে।
তোর নাম কী?
কথা কানে গেল না?
এবার, নাম বল।
বলবো না।
সবিতা...
আমি সবিতা।
এই মহিলার ওপর ভর করেছিস কেন?
আমি করিনি...
সে আমার পথে বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল।
তো ভর না করে কী পূজো করবো?
তো ইচ্ছেমতো যেকারো উপর ভর করবি?
হ্যাঁ! আমি যা চাই তাই করি।
বাজে কথা!
চেষ্টা করে দেখ!
বুঝতে পারবি।
তোকে অত শক্তিশালী মনে হচ্ছে না।
মিথ্যে কথা। আমি বুঝে ফেলেছি।
তুই কিছুই জানিস না!
আমি যেকোনো জায়গায় ঢুকতে পারি।
তাহলে এই মাছটাতে ঢুকে দেখা?
সত্যি বলছিস?
হ্যাঁ, দেখা।
না। ইচ্ছা নাই।
আমি জানতাম।
তোর কোনো ক্ষমতা নেই।
তুই কিছুই জানিস না!
তাহলে প্রমাণ কর।
- আমি সবিতা! - এখনই করে দেখা।
- আমি যা চাই তাই করি! - এখনই করে দেখা।
- তোকে কাঁচা খেয়ে নেব! - রাখ তোর বুজরুকি!
- আমি দেখাবো! - হ্যাঁ, দেখা।
- তুই দেখবি! - আমি অপেক্ষা করছি।
- এই দেখ!
মা! মা!
BOU(মা)
বাবা!
- অনুবাদ ও সম্পাদনায় - F L A M Y T U H I N
বাবা!
BUTTU
এই!
বন্ধ কর!
মাথামোটা!
এক্কেবারে অপদার্থ!
এই!
বন্ধ কর বলছি।
এক্ষুনি বন্ধ কর।
এই!
ওই জঞ্জালটা থেকে নাম।
তোর আর কোনো কাজ নেই?
আজ জালে কত মাছ পড়েছে?
কমপক্ষে ৭-৮ কুইন্টাল।
এই দেখ!
আচ্ছা, থাক।
এবার না হলেও, পরেরবার হবে।
মনে হয় না। ওই পুকুরে তো মাছই নেই।
সবার শ্রম বিফলে যাচ্ছে।
চাইনিজ হাইব্রিড মাছগুলো পুকুরে ছেড়ে দিলে ভালো হতো!
রাতারাতি তাদের সংখ্যা কয়েক হাজারে পৌঁছে যায়।
কিন্তু কেউ আমার কথা শোনে না।
চুপ কর!
এই! এই! তুমি কোথায় যাচ্ছ?
৫০০ টাকা দাও।
জালওয়ালাদের দেওয়ার মতো আমার হাতে টাকা নেই।
সব মাছ একা নিয়ে যেতে পারবে না।
একটা দাও।
দাঁড়াও, আমার ভাগ নিয়ে নিই।
আছড় হওয়া মহিলাটাকে দেখেছ?
শো শেষ, সবাই যাও!
বন্ধ কর!
এই সব ঝাড়ফুঁক কবে বন্ধ করবে?
সবাই আমাদের নিয়ে হাসে। তোমার ভালো লাগে?
ওরা তোর থালায় খাবার তুলে দেয় না, দেয়?
নাস্তা দাও।
কড মাছ!
একদম অখাদ্য!
প্রতিদিন মাছ-মাংস খেতে চাইলে নিজে আয় কর।
- বাইরে যেতে দাও, তারপর দেখো!
শুধু অজুহাত আর অজুহাত! অপদার্থ কোথাকার!
একবার বাইরে যেতে দাও। তারপর দেখবে।
এখানে সবাই তোর মতো অপদার্থ না।
প্রেম করার জন্য ১টা বাইকও দিতে পারলে না।
বুট্টু!
আসছি!
২০০ টাকা দাও।
কেন?
কেন? লাগবে তাই।
দিতে পারব না, বাজার করতে হবে।
দোকানের নাকি অন্যকিছুর?
বুট্টু!
জলদি আয়!
সানে!
আয় নাস্তা খেয়ে যা।
না মাসি, পেট ভরা।
মা ডাকলে সব সময় পাত্তা দিস না কেন?
ভরসা নেই তাই। মন্ত্রবলে যদি ছাগল বানিয়ে দেয়?
এই, মারিস না!
রিঙ্কি!
এইযে। বলো?
এই মাশরুমগুলো... অন্যরকম হয়ে গেছে।
মানে?
রাতারাতি চিজ হয়ে গেছে নাকি?
এইযে, দেখো।
সব নষ্ট হয়ে গেছে।
অসম্ভব!
আমার খামারের মাশরুমগুলো দেখো।
কী তাজা, দেখো?
আমি কি মিথ্যে বলছি?
কয়েক দিন আগে তোমার থেকে নিয়েছিলাম।
কিছু রান্না করে, বাকিটা ফ্রিজে রাখলাম।
আর আজ প্যাকেট খুলে দেখি...সব শেষ!
ফ্রিজে?
কিভাবে রেখেছিলে?
পলিথিনের মুখ বেঁধে।
এইভাবে!
কী বুদ্ধি তোমার!
মুখ বন্ধ থাকায় ভিতরে বাতাস ঢুকতে পারেনি।
নষ্ট হবে না তো কী!
মাশরুম সবসময় খোলামেলা রাখতে হয়।
তাহলে, পুরাই লস।
দাঁড়ান।
তুমিতো আমাদেরই একজন।
খালি হাতে তো ফিরিয়ে দিতে পারি না।
নাও।
এটা একদম তাজা।
কুনি!
এগুলো প্যাক করে দাও।
দাম কত?
ধন্যবাদ।
এবার মদের জন্য একটু বেশি রেখে দিলেই ভালো হয়।
আগেরবার কম পড়েছিল।
ঠিক বলেছ।
গরু-ছাগলের পিছনে সময় নষ্ট করছ কেন?
এই বয়সে তোমার বিশ্রাম করা দরকার।
না, ঠিক আছে। আমারই ভুল হয়েছে।
যা খুশি তাই করো। ওদের জন্য একটা মন্দির বানাও!
মমতা! আমার ব্যাগটা এনে দাও।
দাঁড়িয়ে আছি তো!
বুড়োর জাউরামি আর সহ্য হচ্ছে না।
আরে স্যার! এখনি স্টেশনে যাবেন?
ওহ! তোমাদের এত সকালে দেখব আশা করিনি।
আমরা চাঁদা নিতে এসেছি।
জানো না আমি পুলিশ?
আমরা কেন এসেছি আপনি জানেন।
পূজোর চাঁদা।
ভাবছি এইবার ঝাকানাকা পূজো করবো।
গান-বাজনার আসরও হবে তো?
সব ঠিক করা আছে, এখন টাকা দাও।
কোনো কমতি রেখো না।
আবার জিগায়।
এটা আমার চাঁদা।
এত কম!
হেই! আমার আরও খরচ আছে।
পুলিশের পকেট কখনো খালি থাকে না।
আমি ঘুষ খাই না, জানো!
ওহ, এখন মনে পড়লো।
পার্টির জন্য ছাগল দিচ্ছ তো?
কী সমস্যা তোমার?
আমিতো বলিনি তোমার ছাগল দেব।
আর সহ্য করতে পারছি না।
ব্যস?
আপাতত এটা রাখো।
পরের বার পুরোটা দিয়ে দেব।
পরেরবার?
আগে ঋণ পরিশোধ না করলে, নতুন ঋণ নেই।
কিন্তু জুলি!
আমাকে মাছদের খাওয়াতে হবে আর পুকুর পরিষ্কার করতে হবে।
তাই তোমার কাছে এলাম।
এভাবে কাজ হয় না।
অন্যদের কথা ভেবে দেখেছ?
এতে ভুল দৃষ্টান্ত তৈরি হবে।
তাছাড়া, এভাবে চললে আমরা দেউলিয়া হয়ে যাব!
কিন্তু, এইবার আমার বেশি প্রয়োজন।
তোমার তো সব সময়ই প্রয়োজন।
দুঃখিত, এইবার পারব না।
শুধু এইবার দাও, প্লিজ।
আর কোনোদিন ঋণ নেব না, কথা দিলাম!
এই একই কথা তুমি আগেও বলেছো।
আর দেখো, এখন আমরা কোথায়?
আগে ঋণ শোধ কর, তারপর কথা হবে।
উনি যা চান, দিয়ে দিন।
পরে পরিশোধ করবে।
তুমি মাঝখানে এসো না, রিঙ্কি।
নিজের মাশরুম ব্যবসায় মন দাও।
উনি আমার কথা শোনেনই না!
তোমার টাকা নিয়ে আমি পালিয়ে যাবো?
উনাকে সহায়তা করাই তো দলের কাজ, তাই না?
আমরা উনাকে ঋণ দেবই।
ঠিক আছে!
শুনুন সবাই!
সবার সামনে এই ঋণ অনুমোদন করছি।
সময়মতো টাকা না দিলে রিঙ্কি পরিশোধ করবে।
সবাই রাজি তো?
হ্যাঁ।
ঠিক আছে তাহলে।
দেখলে?
তুমি বললে বলে টাকা দিলাম।
আর একবার "ধন্যবাদ" পর্যন্ত বললো না।
সমস্যা নাই।
শোনো, ডামরু কাকু আসছেন।
তার পার্সেলটা আলাদা করে রেখেছি। উনি যেন সেটা পেয়ে যান।
ওকে।
- এরপর কে? আমাদের হোমিও ডাক্তার? - লাগবে না।
কেন? তার মেয়ে ভয় দেখিয়েছে? তেমন কিছু না, চল।
এটাই শুনতে চেয়েছিলাম!
চাঁদা!
সরস্বতীপূজার চাঁদা!
বাড়িতে কেউ আছেন?
ওহ, মাগো!
ক-ক-কী করছ তুমি?
স-স-স্যরি।
চাঁদা চেয়েছিলে, তাই না?
- ভিতরে এসো। - দাঁড়াও! দাঁড়াও!
- ভিতরে এসো। - দাঁড়াও! দাঁড়াও!
তো...চাঁদা, হাহ?
হ্যাঁ, তবে বাবার কাছ থেকে। তোমার থেকে নয়।
কেন? আমি দিলে সমস্যা কোথায়?
পরিস্থিতিটা উল্টো হলে তখন তোমার ভালো লাগত?
নিশ্চয়ই!
আমার লাগবে না।
ছাড়ো, প্লিজ।
হেই! তুমি ওই ওঝার ছেলে, না?
হেই! তুমি ওই ওঝার ছেলে, না?
হেই! তুমি ওই ওঝার ছেলে, না?
কী চাও?
কী চাও?
পূজোর চাঁদা নিতে এসেছি।
ঠিকই আছে। ওঝা থাকলে ডাক্তারের কী দরকার?
ঠিকই আছে। ওঝা থাকলে ডাক্তারের কী দরকার?
তোমার মা তোমার অসুখ ঠিক করে দেবে!
এইবার ঠিকমতো প্রসাদ বিতরণ কোরো।
বুঝেছ?
আজ্ঞে, নিশ্চয়ই।
নইলে পরের বছর চাঁদা পাবে না!
অকর্মা কোথাকার!
যেমন মা, তেমন ছেলে।
যেভাবেই হোক, লোক ঠকানোই ওদের কাজ।
ওর কাছ থেকে দূরে থেকো।
বুঝলে?
আমার গরুর ডায়রিয়া হয়েছে!
কিছু ওষুধ লিখে দিতে পারবেন?
বলদ, আমি কী পশুডাক্তার?
যা ভাগ!
এত বছর কেটে গেছে, তারা এখনও জানে না আমি কী করি।
কী হয়েছে?
চাবি খুঁজছি।
পাচ্ছি না।
তো এখন?
এইতো।
জুগাড়!
আজ রাতে অনুষ্ঠানে সবাইকে নিমন্ত্রণ। চলে এসো।
সেজেগুজে আসবি, বুঝলি?
কী খবর, কাকা?
ভালো, ভালো।
ওহ, বল্ডার!
আজ তোমার মা কয়টা ভূত ধরলো?
সকাল সকাল আমাকেই পেলেন?
আরে আমিতো মজা করছিলাম!
আচ্ছা, শোন।
বিদেশি চায় তুমি তার অনুষ্ঠানের সব মাছ সরবরাহ করো।
ওহ, কাকু!
মাছের কথা বাদ দাও। চাঁদা বের করো!
ওহ, হ্যাঁ! ভুলেই গেছিলাম।
গোণার দরকার নেই।
চাঁদা দিলে ফল পাবে।
নমস্কার।
ওয়াল্লাহ হাবিবি!
এটা কী বলছো?
তুমি বুঝবে না।
দুবাইতে এভাবে শুভ সকাল বলা হয় “ওয়াল্লাহ হাবিবি”!
তো, কী খবর?
পূজোর চাঁদা নিতে এসেছি।
পূজোর চাঁদা?
এখন তোমার ভবিষ্যত নিয়ে ভাবার সময়।
তোমার কী মনে হয় না?
মাছের ব্যবসা করতেও সময় লাগে।
আচ্ছা!
সানি, তুমি বলছিলে, তাই না?
হ্যাঁ।
মাছের ব্যবসা… হ্যাঁ।
মাসিক আয় কত?
মাসিক আয়! মাসিক আয়!
মানে, কত আয় হচ্ছে সেটা জানতে চাই।
তেমন কিছু নেই, সত্যি বলছি।
হাবিবি! আমার সঙ্গে দুবাই চল।
তোমাকে আমি স্যাটেল করে দেব।
দুবাই তো দূরের কথা, ভাই। আগে মা ঢাবালেশ্বরে যেতে দিক সেটাই অনেক।
দুঃখের বিষয়।
ছোটো মনমানসিকতা।
বুট্টু তোমার অনুষ্ঠানের সব মাছ সরবরাহ করবে, জানো?
গেল তাহলে মাছের কালিয়া।
চুপ!
ব্রো! সময়মতো চলে এসো।
যা বললাম, মাথায় রেখো। দুবাই!
নিশ্চয়ই।
দেখা হবে, ভাই। হাল্লাহ হাবি!
বোকাচোদা, ওয়াল্লাহ হাবিবি!
প্র্যাকটিস করতে থাক।
হাল্লাহ হাবিস!
হাল্লাহ হাবিস! চুপ!
দারুণ!
ওই দিকে কিছু ফুল রাখো।
- কর্তা, এটা কোথায় রাখব? - আমার মাথার ওপর!
- আগে কলাগুলো ভাগ করো- - নমস্কার, কাকু!
নমস্কার, নমস্কার।
ভাস্কর!
অনুষ্ঠানের জন্য মাছ।
ব্যস এটুকুই?
এত কম মাছ দিয়ে সবাইকে খাওয়ানো যাবে?
আমার পুকুর থেকে এটুকুই এসেছে।
এই দিকে! এই দিকে!
সাবধানে!
ক্রেটগুলো নামাও! জলদি!
পিছে আয়! পিছে আয়!
ব্যস ব্যস, থাম।
জাতা। হুন্দা। ক্রেট নামাও।
নমস্কার, কাকু।
আপনার অর্ডার: এক কুইন্টাল মাছ।
- ওদিকে রেখে দাও। - হ্যাঁ, ওদিকে ঠিক আছে।
ওহ! তুই-ও এখানে আছিস!
এতো আগেই চলে এসেছিস কেন?
খাওয়াদাওয়া শেষ হওয়ার পরে এলে ভালো হতো।
আর তুই চউথি শেষে এলে খুশি হতাম।
এগুলো তুই এনেছিস?
এত কষ্ট করতে গেলি কেন?
মা-ছেলে এগুলো দুপুরবেলা রান্না করে খেতে পারতি।
এটা লড়াই করার জায়গা নয়!
করতে চাইলে রাস্তায় যাও।
ওয়াল্লাহ হাবিবি, কাকা!
বাবা, এটা উড়িষ্যা।
“জয় জগন্নাথ” বলে তোমার শুরু করা উচিত।
এই গ্রামের প্রথম কেউ ফ্লাইটে উঠেছে।
আমাদের গর্বিত করেছ।
অভিনন্দন!
আমাদের-ও দুবাই ঘুরিয়ে দেখাবে তো?
নিশ্চয়ই! পরের ফ্লাইটে পুরো গ্রামকে নিয়ে যাবো।
ওইযে, কনে আসছে।
Seas now throng, to places we once called our own
Is that why my face to you, has now become unknown?
Did you rip and tear the verses etched in my heart?
For the letters of your name, are now starting to fall apart.
In this moment, you are, but the heart of my heart
Why then, the very next, you are so far apart?
So magical is, everything that you do
Teach me your ways; oh, won’t you?
In whispers gentle, tell me please
Can clouds so dark pour such endless glees?
In whispers gentle, tell me please
Can clouds so dark pour such endless glees?

On nights that are still and dark
You are my beaming moon
So pure your glow, I see no scars
With sighs, smiles, and blushes galore
Into an eclipse, shall you soon retire
Time, that mistress of endless whim
Walks into your riches, with her rhymes facile
And plunders them easy, in seconds slim
If at all, I have a shine
It is because I’m your design
O, why do you leave me alone?
Now, you stand far from reason
But soon you’ll unravel, so fickle your seasons
So magical is, everything that you do
Teach me your ways; oh won’t you?
In whispers gentle, tell me please
Can clouds so dark pour such endless glees?
In whispers gentle, tell me please
Can clouds so dark pour such endless glees?
Into my world of dreams, you enter on the sly
Slipping me out of the covers
You open my eyes
One after the other, all your tricks you try
Charming as ever is your simile, so wicked
Charming as ever is your smile, o wicked
Oozing with spirit and bursting with melody
It leaves
Like a lonely star, in the sky you shine
You are the st wind of the spring, most divine
You spiral an meander, without a care
You spiral and m , without a, car
To come closer to you, then, how do I dare?
Elusive, your heart continues to be
As you surrender, so do you seize
So magical is, everything that you do
Teach me your ways; oh won’t you?
In whispers gentle, tell me please
Can clouds so dark pour such endless glees?
In whispers gentle, tell me please
Can clouds so dark pour such endless glees?


শরবত?
একটা নাও।
বিশ্রাম করার সময় নেই!
যাও...সবজিগুলো রান্নাঘরে রেখে এসো।
ওকে দাও।
আরেকটা নিই, প্লিজ।
বুট্টু! যা, এক বালতি পানি আয়।
তোমার আদরের রাজপুত্রকে যেতে বলছ না কেন?
সবসময় তো রিল দেখায় ব্যস্ত থাকে।
ও এটা সবসময় করে।
তুইতো সবসময় এখানে থাকিস না।
চিনি ছাড়া ১ কাপ চা দিতে বলেছিলাম না?
আমি এইসব খাই না।
না না, বসো না!
যাও, এক বালতি পানি এসো।
প্রতিবার শ্রাদ্ধে দাদুর আত্মা রত্নমালার ওপর ভর করে।
এমনিতেও তো ভূত-প্রেত নিয়ে ওর কাজকারবার
হয়তো সেই কারণেই।
হয়তো।
বড়দাদু, প্রণাম।
এটা পুধিয়ার মেয়ে, বাবা।
ওকে আশীর্বাদ কর।
আমাদেরও আশীর্বাদ দিন, বড়দাদু।
সোমুর বউ আর তার ছেলেমেয়ে, বাবা।
বুড়ো!
অনেকদিন পর দেখা হলো।
আশা করি ভালোই আছ।
প্রতি বছর শ্রাদ্ধে ঠিকই হাজির হও।
হাফ চলবে? কী বলো?
বাবা তোমার বড়ো নাতি, সোমু।
ওকে আশীর্বাদ কর।
হ্যাঁ, কর কর।
খাবো।
কী?
মাটন।
মাটন আর মদ কেন?
দাদু তো নেশা করতেন না।
সেটাই তো।
হয়তো ওপারে গিয়ে অভ্যাস হয়েছে।
তোমার নাটক শেষ হলে, যাওয়া যাক?
হেই!
কোন সাহসে বাইকে বসেছিস?
নাম বলছি!
সাইকেলওয়ালারা এখন বুলেট চালাবে!
যা ভাগ!
কান খুলে শুনে রাখ...
এই সব ঝাড়ফুঁক দিয়ে বড়জোর পেট চলবে, ব্যস।
কিন্তু বুলেট কেনা যায় না।
আগে পুকুরের মাছগুলোকে খাওয়ানোর ব্যবস্থা কর।
মাছ বিক্রি করে নাহয় বুলেট কেনার স্বপ্ন দেখিস, হাহ?
অনেক হয়েছে।
বাইক থেকে নাম।
শোন, হারামজাদা!
তার বদলে ঠাটিয়ে একটা চড় দিই, হাহ?
আচ্ছা? মার দেখি।
মার!
শালা ভিখারি!
খামখেয়ালি করে দাদু...
...একবার কিছু বলেছিল বলে আমাদের জমি দখল করবি?
কাগজপত্র দেখাতে পারবি?
আগে তোরটা দেখা।
আমি আগে চেয়েছি!
না, আগে তোরটা দেখব!
আছে নাকি নেই?
তোরটা কোথায়?
বুট্টু!
সোমু!
এখানে ঝামেলা করিস না।
চল।
অনেক হয়েছে, মা।
শালার মুখটা কাদায় না চোবানো পর্যন্ত শান্ত হবো না!
ওহ, তাই?
চল এখান থেকে।
একদিন তোর বুকে বুলেট তুলে দেব, শালা।
আগে কাগজ দেখা।
বাইকটা থেকে কালোজাদুর গন্ধ আসছে কেন!
জাত্তা! শ্যাম্পু নিয়ে আয়!
ওদের জন্য রাগ নষ্ট কোরো না।
ওরা কখনো আমাদের পরিবার ভাবেনি…
…আর ভাববেও না।
তুমি মাঝখানে না এলে শালার পা আজ ভেঙেই দিতাম।
তার ওপর তোমার ওই তন্ত্র-মন্ত্রে লোকজন আমাদের কদর করে।
এই তন্ত্রমন্ত্রেই আমাদের সংসার চলে।
পিঠপিছে কে কী বলল, আমার যায় আসে না।
আসবে কেন?
কিন্তু আমার খারাপ লাগে।
কারণ আমাকেই সব শুনতে হয়।
আর পারছি না।
এই গাঁয়ে পড়ে থাকলে, কিছুই বদলাবে না।
তুই কোথাও যাচ্ছিস না।
গ্রামের বাইরে তোকে পা রাখতে দেব না।
যা করার, এখানেই কর।
যেত পারবো না কেন?
তোমার হুকুমে আর চলতে পারছি না!
কখনো জানতে চেয়েছ আমি কী চাই?
মাছের ব্যবসা করতে চেয়েছিলি বলে...
...লোন নিয়ে পুকুর খনন করলাম।
আর দেখ, শেষমেশ কী হলো!
তুই এখানে কিছু করতে পারলি না
তো বাইরে গিয়ে এমন কী করে ফেলবি?
আবার সেই মাছ আর পুকুরের কথা!
তুমি ভীষণ জেদি!
এই কারণেই আমি বাবাকে হারিয়েছি!
কালকেই আমি চলে যাচ্ছি।
কিছু টাকা দাও, খুব জরুরি।
আমার কাছে নেই।
মানে কী?
আমার খুব দরকার।
বললাম না।
আমার কাছে টাকা নেই।
এখন হয়তো নেই কিন্তু...
...তোমার বিদ্যাটা কাজে লাগালে...
...রাতারাতি আমরা কোটিপতি হয়ে যাবো।
শোনো না।
আমি জানি তুমি পারবে।
আগেও পরিষ্কার বলেছি আমি এসব করব না।
তাহলে চলবে কীভাবে?
জানো আমার মাথার ওপর ঋণের পাহাড়?
ঘর বেচা ছাড়া উপায় নেই!
তুমি এই ঋণ নেওয়ার...
...সময় আমি কি তখন ছিলাম?
তুমি নিজেই সামলাও।
আচ্ছা, আমার কথা বাদ দাও।
অন্তত ছেলের জন্য কর?
ওকে মাঝখানে টেনে এনো না!
শেষবার জিজ্ঞেস করছি।
সাহায্য করবে, কি-না?
ঠিক আছে, নিজেই ব্যবস্থা করব।
বুট্টু।
আজ দিনটা ভালো নয়।
যাওয়া কি খুবই দরকার?
বুট্টু।
বাবা, আমার কথা শোন।
আমার কথাটা শোন, বাবা।
বুট্টু!
দুবাইয়ে চাকরি পেলে...
...প্রথমে আমরা গ্রামের রাস্তাগুলো ঠিক করবো।
আমরা? না তুই?
আমি না, তুই।
না থাক, ধন্যবাদ।
দুজনেই দুবাই যেতে চাও?
জি, স্যার।
তাহলে একটা হানিমুন প্যাকেজ করে দিই, কেমন?
মজা করছিলাম।
আসলে আমরা চাকরি খুঁজছি...
স্যার
...খরচটা যদি একটু বলতেন...
...তাহলে জোগাড় করতে একটু সময় পেতাম...
অবশ্যই! এজন্যই এখানে বসে আছি।
তো, প্রথমে...
...প্রথমে সব কাগজপত্র ঠিক করতে হবে।
তারপর, আমরা পাসপোর্টের জন্য আবেদন করবো।
এরপর ভিসার কাজ...
...সবশেষে ট্রেনিং।
আর ট্রেনিং শেষে তোমরা ফ্লাইটে উঠবে...
তারপর সোজা! দুবাই।
একবার সেখানে পৌঁছালে, থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা হবে। আর কাজ...
ওখানে চাকরি পাওয়া খুব কঠিন,
...কিন্তু চিন্তা করো না।
সব দায়িত্ব আমাদের।
সব মিলিয়ে খরচ হবে প্রায়...
দশ।
জনপ্রতি?
হ্যাঁ।
মানে দু’জনের মিলিয়ে কুড়ি...
একটু কমিয়ে পনেরো করে দিন!
দুবাইয়ের কথা হচ্ছে, সোনা...
...গ্রামের হাট না।
দশ লাখ টাকা।
দশ হাজার না।
বিদেশি তোমাদের জন্য বলেছে বলেই দশ।
ইচ্ছা থাকলে উপায় হয়!
তাই না?
টাকা জোগাড় হলে আমাকে জানিও।
ঠিক আছে?
নেক্সট!
টাকা ছাড়া দুনিয়াটা অচল, তাই না?
মন খারাপ করিস না। আমি আছি।
মাসিকে রাজি করা। বাকিটা আমি দেখছি।
ব্যস আমাদের দুবাই পৌঁছালেই হবে।
তারপর সব ঠিক হয়ে যাবে। দেখে নিস।
লোকটাকে বিশ্বাস করে টাকা দেয়া ঠিক হবে?
রিস্ক নিতে হবে...
...নইলে আজীবন এখানেই পঁচে মরব।
হ্যাঁ, কিন্তু...
কী হলো?
আন্দাজ কর।
চাবিটা আবার পড়ে গেছে!
আজই এমনটা হতে হলো!
আমার কোনো দোষ নেই।
জলদি নেমে খোঁজা শুরু কর...
...নাহলে সারারাত এখানে কাটাতে হবে।
এখানেই কোথাও আছে...
এত অন্ধকারে, কোত্থেকে খোঁজা শুরু করবো?
পেরেক টাইপ কিছু হলেই হবে।
বুট্টু! কিছু পেলি?
না।
কিছুই দেখা যাচ্ছে না।
বুট্টু
কোথায় তুই?
কিছু হয়নি তো?
কিছু পেলি?
হ্যাঁ! এতে কাজ হবে।
ওখানে পড়ে আছিস কেন? চল!
তুই ঠিক আছিস তো?
দেরি হচ্ছে, এখনই যেতে হবে।
পেরেকটার জন্য বেঁচে গেলাম।
তাকিয়ে আছিস কেন? চল!
চল, খিদে লেগেছে।
বেশ মজা হয়েছে।
গতকালের খবর কী?
আমি যাচ্ছি না।
টাকার অঙ্কটা আকাশছোঁয়া।
দাদা!
এত বড়, এত বড়...
...এতগুলো মাছ পুকুরে!
একদম উপচে পড়ছে!
কী বলছিস তুই?
মাছ! পুকুর ভর্তি মাছ।
মাথা খারাপ হয়ে গেছে?
সত্যি বলছি!
যাও, নিজে গিয়ে দেখো।
মাছের মতো পুকুরের সামনে ক্রেতারা ভিড় করেছে।
সত্যি বলছিস?
পাশের গ্রামের একজন বিয়েতে ৫০ কেজি নিয়ে গেছে।
আরও ৬০-৭০ কেজি এই পিকআপে তোলা হয়েছে।
আর এই লোকটা আরও এক কুইন্টাল নিতে চাচ্ছে।
সাইজ অনুযায়ী আলাদা করো।
নমস্কার, মাসি।
বহুদিন পর এমন মাছ পড়েছে, না?
দাম ঠিক করা আছে, ভুলে যেও না।
আরে, সামান্য ছাড় তো দেয়াই যায়।
সাইজ দেখেছ?
দেখেছি।
সাইজ দেখেই আরও ক্রেতা আসবে।
শুনেছ তো? বাক্স ভরা শুরু কর।
স্কেলে চোখ দিও না!
কথা কানে যাচ্ছে না?
ওটা বন্ধ করো!
এতবড় সাহস আমাকে মিথ্যে বলিস?
চল, তোকে পুলিশে দেব!
- পুলিশই একটা ব্যবস্থা নেবে। - আমি মিথ্যে বলছি না!
এখনই সত্য বল!
আমি কেন নিজের ক্ষতি করবো?
দয়া করে বিশ্বাস করুন।
আমি মাছ চুরি করিনি।
Then where did they bloody go!
গিল্লি কোথায় গেল...
গিল্লি?
গিল্লি!
কোথায় চলে গেল...
গিল্লি!
যাই বলো না কেন...
...দেশী জিনিসের জবাব নেই!
হ্যাঁ, তুমিতো সবসময়ই...
...এটাই বলতে থাকো।
এটা একবার চেখে দেখো...
...তখনই বুঝবে আসল মজা।
হেই! হেই!
বেশি খেয়ো না।
সবাই মিলে খেতে হবে।
রাকা? তুমি নাকি?
কে?
বিবুতি দাদু।
এত রাতে বাইরে কেন?
গিল্লিকে খুঁজছি। ঘাস খেতে গিয়েছিল, এখনো ফিরেনি।
তোমরা কেউ দেখেছ?
দাদু! এত রাতে, নিশ্চয় কারও সাথে মিলনে ব্যস্ত আছে।
সকালে ঠিকই চলে আসবে।
হুন্ডা!
দাদুর সাথে ঠাট্টা করিস না।
আসলে, দাদু...
..গিল্লি আর নেই।
সে ঠিক এখানে আছে...
...আমার পেটের ভিতরে।
চুপ কর!
তোকে জুতোপেটা করা উচিত।
তখনই তোর আক্কেল হবে!
হারামজাদারা, সারাদিন মাতাল হয়ে থাকিস।
এই, দাদু!
ইনি, মিনি, মাইনি, মো...
...তোমার গেলহি সব বড়ো...
...কিন্তু দেখানোর মতো নেই কিছু!
গিল্লি?
কোথায় চলে গেল?
মাংস কোত্থেকে এনেছিস?
লিটুর দোকান থেকে।
তুমি খাবে?
হ্যাঁ।
তবে মিটিং থেকে ফেরার পর।
মা।
একমিনিট।
তোমার লোনের টাকা।
ঈশ্বর তোর আরও উন্নতি করুক।
এই নাও।
সব দেনা শেষ।
বলেছিলাম না?
রত্নমালা সবসময় ঋণ চুকিয়ে দেয়।
হায় ভগবান!
কোথাও লটারি পেয়েছ নাকি?
একবারেই সব দেনা মিটিয়ে দিয়েছ!
মাছের ব্যবসা ভালো চলছে।
এবার রত্মমালাকে নতুন ঋণ দিতে পারো তো, না?
আর তোমার ঋণের দরকার নেই।
বরং তোমার কাছ থেকে আমাদের ঋণ নেওয়া উচিত!
নমস্কার, মাসি।
ধন্যবাদ।
সব ঋণ চুকিয়ে দিলাম।
বুট্টুর ব্যবসা ভালো চলছে।
ভাবছি ছেলেটার...
...বিয়ে দিয়ে দেব।
তুমিতো ওর বন্ধু, তাই না?
তোমার নজরে কোনো ভালো মেয়ে আছে?
থাকলে জানিও, ঠিক আছে?
এক হাজার বেশি দিয়ে গেছে।
সমস্যা নাই।
দাও, আমি দিয়ে দেব।
মাসি!
মাগো!
ভয়ে পাইয়ে দিয়েছ!
মাসি বাসায় নেই?
টাকাটা দিতে এসেছিলাম।
১,০০০ বেশি দিয়েছিল।
নাও।
কী হলো?
কিছু বলবে?
না।
শুনলাম শীঘ্রই বিয়ে করতে চলেছ।
অভিনন্দন।
হাফ না, ফুল দাও।
সাথে একটু চাখনাও দিও।
কি মনে হয়, হায়েনা?
না, হায়েনা নয়।
গায়েব ছাগলগুলোর কোনো চিহ্ন নেই। রক্ত নেই... হাড়ও নেই...
তাহলে কে করেছে?
এটা নিশ্চয় ভূতের কাজ!
তাহলে তো আমাদের রত্নমালা আছেই!
রত্নমালা! তুমি ভূতের ব্যাপারে জানো তো?
জাদু টোনা দিয়ে ওই ছাগল চোর ধরতে পারবে না?
আমি শুধু আত্মার সঙ্গে কাজ করি।
চোরদের জন্য...
...পুলিশ আছে।
রত্নমালা, এসব আত্মার সঙ্গে খেলা বন্ধ করো।
এতে তোমার পরিণতি ভালো হবে না।
সময় এলে ওরা তোমার থেকে বদলা নেবেই।
আমি নিজেই নিজের খেয়াল রাখতে পারি।
যাও, সময় নষ্ট না করে ছাগল খোঁজো।
আমার মনে হয় চোর বাইরের নয়। নিশ্চয়ই এলাকার কেউ।
আমার অনেক ছাগল হারিয়েছে।
তোমার লোকদের দিয়ে খুঁজতে পারো না?
নিশ্চয়ই! পুলিশ তো আছে...
...নিখোঁজ গরু-ছাগল খোঁজার জন্য।
হাহ!
প্রতিদিন কত মানুষ উধাও হয়ে যাচ্ছে,
...অথচ উনার চিন্তা শুধু ছাগল নিয়ে!
এত দায়িত্ববান হলে একটা হারানো ছাগলও খুঁজে পাচ্ছ না কেন?
বালের পুলিশ!
মমতা!
আমার চা কোথায়?
চায়ের জন্য পাতা আসাম থেকে নিয়ে আসছো নাকি?
আরে, আমি কী করলাম?
তোমার ছাগল তুমিই খুঁজে নাও। আমাকে বিরক্ত কোরো না।
এক...
দুই...
- হিসাব করছ তো? - হ্যাঁ, হ্যাঁ।
কদিন আগেও পুকুরে একটা মরা মাছি অব্দি ছিল না,
...আর এখন আচমকা মাছ উপচে পড়ছে?
কত হলো?
১৫০০
বেশি হয়ে গেল!
৫০০ ঠিক আছে।
নিশ্চয়ই কোনো ঘাপলা আছে।
- এখন এটা রাখছি। বাকিটা কাল দিও। - ঠিক আছে, দেব।
মাছ যেন প্রতিদিন ঠিকমতো পৌঁছে যায়। ঠিক আছে?
শালা আমার মাছ চুরি করছে। আমি জানি!
শালা তোকে তোর অওকাত দেখাচ্ছি...দাঁড়া।
- বাকি টাকা দিতে ভুলো না! - হ্যাঁ হ্যাঁ, শুনেছি।
ভাই!
কী মনে হয় এর পিছনে কোনো কালো জাদু আছে?
এখনো ঘুমাওনি?
অনেক রাত হয়ে গেছে।
ঘুম আসছে না।
মা।
টাকাপয়সা লাগলে বোলো।
এত টাকা আসছে কোত্থেকে?
ব্যবসা ভালো চলছে।
যাও, ঘুমাও।
এটা মানুষের কাজ হতে পারে না।
মনে হয় আশেপাশে কোনো হিংস্র শিকারি ঘুরছে।
ইতোমধ্যে আমরা অনেক ছাগল হারিয়েছি।
এসব কবে শেষ হবে, বলা মুশকিল।
এর নেপথ্যে নিশ্চয়ই আরও অশুভ কিছু আছে।
সবাই সতর্ক হও!
যেই হোকনা কেন, আমরা তাকে ধরব!
হ্যাঁ! হ্যাঁ!
রিঙ্কি!
বুট্টু?
কে?
কী ব্যাপার?
৫ টার দিকে বাঁধের কাছে এসো।
কথা আছে।
বাঁধে?
এখন বললে কী হয়?
বাঁধে দেখা হবে।
কে এসেছিল?
আওয়াজ শুনলাম।
বুট্টু এসেছিল।
কেন এসেছিল?
ওর থেকে দূরে থাকতে বলেছিলাম না?
ও যেন আর এই বাড়িতে পা না রাখে।
অপদার্থ! রাজার ছেলের মতো গায়ে হাওয়া লাগিয়ে ঘুরে বেড়ায়।
এই! দাঁড়া, দাঁড়া!
এবার সত্যি করে বল।
কিছুদিন আগেও তোর পুকুর ছিল গড়ের মাঠ,
আচমকা এত মাছ উপচে পড়ছে কীভাবে?
অনেক হয়েছে জিজ্ঞাসাবাদ।
পাছায় বাম্বু দিলে উত্তর দেবে।
ওই। এদিকে আয়।
আয়, বলছি!
আমার মাছ চুরি করছিস?
শালা চোর!
আমার টাকাপয়সা দেখে গা জ্বলছে?
মুখে তালা পড়েছে?
শেষ পর্যন্ত ছলচাতুরী করতেই হলো, হাহ?
গায়ে হাত দিস তোর এত্তবড় সাহস!
শালা কেটে নদীতে ভাসিয়ে দেব।
হেই! ছেড়ে দাও!
আর কোনদিন লাগতে এলে...
জ্যান্ত চিবিয়ে খেয়ে নেব!
বুট্টু তোমার ভাই না?
ওর সাথে ঝগড়া করছ কেন?
ভাইয়ের মায়রে বাপ!
এই মা-ছেলে আমাকে শেষ না করা পর্যন্ত থামবে না!
ভাই না, ছাই!
তাহলে থানায় যাও!
এখানে রাগ দেখাচ্ছ কেন?
চলো তোমাকে থানায় নিয়ে যাই?
আপনি বুঝবেন না, স্যার!
এই হারামি কালো জাদু চর্চা করছে।
চুপ! কালো জাদু!
সবাই যাও।
রাস্তা ক্লিয়ার কর।
রাস্তার মাঝখানে মারামারি শুরু করেছে!
বাড়ি যাও।
এইবার...
...বেঁচে গেলি।
সব সময় বাঁচতে পারবি না...
...কথাটা মনে রাখিস।
কথা কানে গেছে?
বলো কী বলার ছিল?
লম্পট!
বদমাইশ!
অপদার্থ!
এটাই তোমার কথা বলার ধরণ?
রিঙ্কি...
না!
খবরদার গায়ে হাত দেবে না!
বাবা ঠিকই বলেছিল।
তুমি একটা অপদার্থ, বেহায়া, লম্পট!
রিঙ্কি! শোনো!
কথা বলব শুধু।
আগে আচরণ ঠিক করো।
তারপর দেখা হবে।
কে তুই?
বল!
কোত্থেকে এসেছিস?
শুনলি কী বললাম?
সে নিয়ে যাবে...
কে?
সে নিয়ে...
কার কথা বলছিস?
মানে কী?
সে নিয়ে যাবে!
তবে মানতে হবে
রাতে জঙ্গলে ঘুরে বেড়ানোর মজাই আলাদা!
প্রকৃতি দেখে তোমার তৃপ্তি মেটে না?
তাহলে কিছু প্রকৃতি পকেটে ভরে বাড়ি নিয়ে যাও।
প্রবাদটা কখনো শোনোনি?
“সুন্দর জিনিস চিরকাল...
"...আনন্দ দেয়!”
রাকা!
ওটা দেখেছিস?
নিশ্চয়ই ওখানে কেউ ছিল।
চল! ওটার পিছু নিই।
শালাকে পালাতে দিও না।
এদিকে! চল!
দেখার সঙ্গে সঙ্গে ধরে ফেলবে।
রাকা!
গেল কোথায়?
ধুর, শালা পালিয়েছে!
আর দৌড়াতে পারবো না।
সে তোমার ছেলেকে ছিনিয়ে নিয়ে চলে যাবে।
পুষ্পাঞ্জলি দেয়া শেষ?
সনে! খেয়ে এসেছিস, তাই না?
না ভাই! সময় কোথায়?
জাটা! হুন্ডা!
আমাদের সনের সভাপতি হওয়া উচিত, তাই না?
একদম।
চাঁদা থেকে শুরু করে সবকিছু তৈরি করা পর্যন্ত…
...সনে একাই করে।
তেমন কিছু না! বাট্টু পাশে থাকায় সব সম্ভব হয়েছে।
জানোই তো, এটা এক জনের কাজ নয়।
এই কথায় মনে পড়ল…
...বাট্টু কোথায়?
আশেপাশেই থাকবে। সবাই পূজোতে মন দাও!
বাট্টু অবশ্যই আসবে।
এখনো রেগে আছ?
তো কী আশা করেছিলে?
স্যরি।
এরকম আর কখনো হবে না।
আমি ভালো কিছু আশা করেছিলাম।
যা হয়ে গেছে, তা হয়ে গেছে, প্লিজ!
আমার উদ্দেশ্য খারাপ ছিল না।
তাহলে কী ছিল তোমার উদ্দেশ্য?
আমি তোমাকে ভালোবাসি...
আবার বলো?
আমি তোমাকে ভালোবাসি।
ভাং-টাং খেয়েছ নাকি?
আমি মদ খাই না, সত্যি বলছি।
আমি তোমাকে ভালোবাসি।
Why is my head all hurley-burly?
O, where had you been, my queen of frills
Just one look at you gives me endless chills
Struck by Cupid, your heart’s gone astray
Red me cheeks go, at the things you say
As the clock struck midnight, I looked on the sly
To catch a glimpse of you, and let sparks fly
As the clock struck midnight, I looked on the sly
To catch a glimpse of you, and let sparks fly
I’ll roam the streets in a daze
If ever your dreamy eyes meet another gaze
I love you, and only you
If you happen to spy a lie
I’ll let blackbirds peck and pry
On a day that’s for lazing around
My mind is on you, spinning round and round
New you are, to these affairs
Know that I’m full of airs
'm dolled up today, only for your eyes
As the clock struck midnight, I looked on the sly
To catch a glimpse of you, and let sparks fly
As the clock struck midnight, I looked on the sly
To catch a glimpse of you, and let sparks fly
Without you, I’d rather not be
When will you have me over? Please tell me
Have your way, be my guest
Sip on some hot tea while you’re put to the test
Today, I’m supposed to be wining and dining
But here I am! Longing and pining
Your plots and schemes lack the bite
To bind my wings and arrest my flight
Despite that, I’ve walked right into your trap
Better watch your step now, miss!
As the clock struck midnight, I looked on the sly
To catch a glimpse of you, and let sparks fly
As the clock struck midnight, I looked on the sly
To catch a glimpse of you, and let sparks fly
কে তুই?
জবাব দে!
কী চাস?
জানিস আমি কে?
যেখান থেকে এসেছিস সেখানেই পুঁতে দেব!
মা...
ও মা...
আমি তোমার বুট্টু, মা…
রত্নমালা…
আমি তোর সাধ্যের অনেক বাইরে...
ছেলেকে তুই ভুলে যা!
BOU BUTTU BHUTA
এটা কী?
খেলতে গিয়ে লেগেছে।
সারাদিন সানের সাথে কী? ও একটা বদমায়েশ!
আচ্ছা… আর একটা নে।
না মা...পেট ভরে গেছে।
রোজ রোজ একই খাবার, ভাল্লাগে না!
আচ্ছা বাবা…
আজ খেয়ে নে...
নে।
কী হলো?
কী ভেবেছিলে?
তোমাকে ছাড়া আমি চলতে পারব না?
টাকাটা রাখো...
…আর রান্নাঘরে যাও।
চলো, যাও!
বুট্টু!
আমার সোনা কী খাচ্ছে?
এই টাকাই একদিন তোমার গলার ফাঁস হবে।
সময় থাকতে শুধরে যাও।
বাহ, আমাকে শোধরাতে বলছ!
বুট্টু!
আজ...
…তার বাবার সঙ্গে বাজারে যাবে!
আর... বুট্টু আজ...
...যা চাইবে, সব পাবে!
ঠিক আছে না?
চল, এসো।
বুট্টু তোমার সাথে কোথাও যাবে না!
কী বললে?
কী ভেবেছ নিজেকে?
বুট্টু! আমার সাথে চলো!
বুট্টু, ভেতরে যাও।
ও আমার ছেলে।
সাহস থাকলে…
...আমাকে আটকাও।
চলো, বুট্টু!
- সোনা! কী খেতে চাও? - বুট্টু!
আইসক্রিম খাবে?
নাকি চকোলেট?
চকোলেট?
ঠিক আছে।
মা।
মাটন খাবে?
কী হলো?
ভয় পাওনি তো, না?
মাটন, মদ, টাকা...
...যা দরকার হয়...
...আমাকে বোলো, ঠিক আছে?
আমি সব সামলে নেব।
তুমি শুধু বললেই হবে।
কথা কানে যায়নি?
টেবিলে তোমার জন্য টাকা রাখা আছে।
এবার কিন্তু চালাকি চলবে না।
কাল হাত ফসকে বেরিয়ে গেছে...
...কিন্তু আজ আর পার পাবে না।
চোখে পড়ামাত্রই আমি...
শয়তানটার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়বো!
এই কাহিনী এখানেই শেষ করতে হবে।
হুন্ডা, একটা কথা বল।
কে জানে, এটা জানোয়ার নাকি...
...এর চেয়েও ভয়ংকর কিছু।
কালই তিনটা ছাগল হারিয়ে গেছে।
এখন তো মনে হচ্ছে....
...ও খাবারের আসর বসিয়েছে। - আমার মনে হয় এটা কোনো শক্তিশালী আত্মা!
অনেক হয়েছে!
দানব হোক বা শয়তান, আমি পরোয়া করি না।
একবার হাতের মুঠোয় পেলেই...
...শালাকে চিড়ে ফেলব!
হ্যাঁ, ঠিক বলেছ।
ওকে বাঁচতে দেওয়া যাবে না।
ছেলে বেঙ্গালুরু থাকে। সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার।
বিয়ের পর বেঙ্গালুরু যাওয়ার...
...প্রস্তুতি নাও।
আমি কোথাও যাচ্ছি না।
বিয়ের ব্যাপারে আমি কথা বলতে চাই না।
তুমি বিয়ে করতে চাও না?
তাহলে উচ্চশিক্ষা নাও? সেটাও ভালো আইডিয়া।
আমাকে তাড়ানোর জন্য উঠেপড়ে লেগেছ কেন?
আমি সেটা বোঝাতে চাইনি…
তুমিতো সারাজীবন এভাবে থাকতে পারবে না, তাই না?
তাছাড়া…এখানে ভালো ছেলে পাওয়া যায় না…
এখানে তোমার যোগ্য কেউ নেই।
গ্রামে সব বদমায়েশ আর অপদার্থে ভরা।
আমি শিওর এখানে সবাই অপদার্থ নয়।
গ্রামে অনেকেই স্বনির্ভরভাবে কিছু করতে চায়।
একটা কথা বলো…
..বিদেশে গোলামি করার চেয়ে নিজের জায়গায় কিছু করা কি ভালো নয়?
ব্যস, ব্যস!
এসব ফিলোসোফি আমাকে শোনাতে এসো না।
এখানে কত জ্ঞানী মানুষ থাকে, তা আমার অজানা নয়।
মেয়েটা কিছু বুঝতেই চায় না!
আমাদের ব্যাপারে কবে কথা বলবে?
কখন?
সময় আসুক।
এর মানে কী?
আমার ব্যাঙ্গালোরের ট্রেন ধরার অপেক্ষা করছো?
কথা বলব, চিন্তা কোরো না।
বিষয়টা গুরুতর… তুমি কেন বুঝছ না?
আমি তোমাকে কোথাও যেতে দেব না।
Everything within you, that rises and falls
Everything within you hat rises and fa
Everything within you, that rises and falls
My wish it is, to claim it all
I lie in wait, to conquer your heart
Will you let me in? Or will you tear me apart?
Will you let me in? Or will you tear me art?
ngelic is the glow of in
Angelic is the glow of your skin
A doe-eyed belle, you make heads pin
Ever so often, the charms that you throw
How delightful they are, little do you know
am but a wizard of love
Fever dreams I’m enti made up of
I am but a wizard of love
Fever dreams I’m entir ly made up of
To you and you alone, I’m addicted
To your thoughts I rise, and with them I go to bed
Hold me tight, as one is wont to do
After regaling chilling tales the whole night through

Your scarf I tie over my eyes with glee
Nobody but you, do I wish to see
The affairs of my heart, little do you know
I am but a wizard of love
Fever dreams I’m entirely made up of
I am but a wizard of love
Fever dreams I’m entirely made up of


Under the tender glow of the moon, I will behold you
To you, I wish to surrender myself, through and through
On your flower-like hanky, our heads we’ll rest
And take in the starry skies, in vivid arrest
By the river, it’ll be just you and me
I am but a wizard of love
Fever dreams I’m entirely made up of
I am but a wizard of love
Fever dreams I’m entirely made up of
I am but a wizard of love
Fever dreams I’m entirely made up of
স্কুটারটা কার?
এলাকার কারও হবে।
আচ্ছা।
কাগজ! শালা কাগজ চেয়েছিল, তাই না?
এমন পিটুনি দেব, আজীবন নাম মনে রাখবে।
কত্তবড় সাহস!
মাশরুম চাষ করতে ভালো লাগে?
উমম...হ্যাঁ।
আচ্ছা...
বাপ্রে… বিশ্বাসই হচ্ছে না!
দেখেছ, ভাই?
ওহ, এখানেই চলছিল ওদের গোপন প্রেম!
এখন দেখ, প্রেমের ঘরে কীভাবে আগুন লাগাই।
ভাই!
সত্যি বলতে, আমার মাছ চাষ করতে ভাল্লাগে না।
তাহলে কী ভালো লাগে?
জঙ্গল...
পাহাড়...
একেবারে নতুন এক জগৎ…
আমার সঙ্গে জঙ্গলে যাবে?
তুমি নিজেই দেখবে।
কি দেখছিস? বল তো!
লম্পট কোথাকার!
বু-বু-বু-ট্টু...
...ভূ-ভূ-ভূ-ত...
কিছু চাস?
হেই…হেই…একদম কাছে আসবি না…
দূরে থাক!
কথা বলতে চাস?
ভাই!
কী হয়েছে, ভাই?
ভাই! শোনো!
ওর ভেতরে কিছু একটা ভর করেছে!
ছায়া নেই… কোন ছায়া নেই!
তোমার ভাইটা কী অভদ্র!
ওর পুরো পরিবারই এমন।
বাদ দাও।
হুন্ডা।
কাল একটা স্বপ্ন দেখলাম।
কী দেখেছিস?
মামলি আর আমার বিয়ে হচ্ছিল…
অসম্ভব! তোকে আমি ছাড়ব না!
কেন!
কারণ কাল আমিও একই স্বপ্ন দেখেছি।
এখন আমার স্বপ্নও চুরি করছিস?
শিকারিটা গেল কোথায়?
এমনিতেও তোর চোখে পড়বে না।
- কেন? - আগে মামলির থেকে চোখ সরা!
বিশ্বাস কর, আমি ওকে ভালোবাসি।
আমিও ভালোবাসি!
সাবধানে কথা বল!
চুপ কর! ও আমার!
এটা দেখছিস?
চালাতে বাধ্য করিস না।
আমি একটু পরে আসছি।
- কোথায় যাচ্ছিস? - হালকা হতে।
আমারও চাপ পেয়েছে।
আমারটাও করে দিস।
ভাগ!
কবে যে এই ছাগল চুরির ঝামেলা মিটবে…
তুইও শুনেছিস?
- চল...
ঐ দেখ, রাকা!
ওর মাথা…
এটা কে করল?
নন্দ স্যার এসে গেছেন?
বাইরে যাওয়ার দরকার কী ছিল!
বাপধন!
তোকে ছাড়া বাঁচবো কীভাবে? - এই অবস্থায় উনি কথা বলবেন?
উনাকে একটু সময় দিন!
এত দেরি কেন হলো?
এতবড় কাণ্ড হয়ে গেল! তুমিতো পাশেই থাকো, না?
স্যরি, স্যার।
তাড়াতাড়ি অ্যাম্বুলেন্স ডাকো।
আর লাশটা পোস্টমর্টেমে পাঠাও।
শোনো।
সবাইকে বলে দাও সন্ধ্যার পর কেউ যেন বাইরে না যায়।
অমিত!
অমিত!
শুনলে কী বললাম?
তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সন্ধ্যার পর কেউ বেরোবেন না।
সবাই শুনুন।
সন্ধ্যার পর কেউ বাইরে যাবেন না।
এটা সরাসরি ওপরের মহলের নির্দেশ!
এটা কোনো শিকারির কাজ না। এর আড়ালে অশুভ কিছু কাজ করছে।
সন্ধ্যার পর কেউ বাইরে যাবেন না।
সবাইকে তদন্তে সাহায্য করার অনুরোধ করা হলো।
পরবর্তী নির্দেশসমূহ পরে জানানো হবে।
সবাই শুনুন।
সাম্প্রতিক ঘটনাগুলির কারণে সবাইকে অনুরোধ করা হচ্ছে...
হেই! দোকান বন্ধ করে বাড়ি যাও!
এক্ষুনি ভিতরে যাও!
সন্ধ্যার পর কেউ বেরোবেন না।
সবাইকে সতর্ক থাকার অনুরোধ করা হলো।
আপনারা সাহায্য করলে আমরা কৃতজ্ঞ থাকবো।
মায়ের টোটকা ব্যর্থ হলো?
এবার বুঝলি ডাক্তার কেন দরকার?
১০৮?
১৮০?
এটা তো অস্বাভাবিক।
কিন্তু তোমার শরীরের তাপমাত্রা তো ঠিকই আছে।
কেমন লাগছে?
আমি আপনার মেয়েকে ভালোবাসি।
ওকে বিয়ে করতে চাই।
কী ভেবেছিস চেম্বারে এসে যা ইচ্ছা তাই বলতে পারবি?
দূর হ!
এখনই বের হ!
কী সাহস দেখ!
তোর প্রাপ্যটা খুব শিগগিরই বুঝিয়ে দেব।
কে তুই?
বল।
এখানে কেন এসেছিস?
মা...
এভাবে কথা বলে না।
আমি তোমার বুট্টু।
তুই বুট্টু না।
তুই আমার ছেলে না!
বল কে তুই!
এক্ষুনি বল!
রত্নমালা!
শেষবারের মতো বলছি আমার পথে...
...বাঁধা হয়ে দাঁড়ালে ভালো হবে না।
আমি কী করতে পারি, সেটা তোর ধারণার বাইরে।
মাসি, সব ঠিক আছে তো? এত রাতে যাচ্ছো কোথায়?
বুট্টুর ওপর নজর রাখিস...
...ওকে একা থাকতে দিস না......
...কিন্তু খুব সাবধানে।
ঠিক আছে...কিন্তু... তুমি যাচ্ছ কোথায়?
ফিরে এসে সব বলবো।
লিঙ্গরাজ!
লিঙ্গরাজ নয়!
লি বলে ডাকো।
আমার ফোন ধরোনি কেন?
কী সমস্যা?
আমার ছেলেকে বাঁচাও, লিঙ্গরাজ।
সে আমার ছেলেকে ছিনিয়ে নিয়ে চলে যাবে।
এই, তুই কী করছিস?
মাথা খারাপ হয়ে গেছে!
এভাবেই তোকে শিক্ষা করতে হবে!
শালা চোর!
তোকে অনাথাশ্রমে দিয়ে দেওয়া উচিত!
আবার চুরি করবি?
বল! করবি?
লজ্জার কথা, এতগুলো ছাগল গায়েব হয়ে গেল...
..অথচ আমরা কিছুই করতে পারিনি।
পালা করে সবাইকে পাহারা দিতে হবে।
আমার মনে হয়...
দেবী আমাদের ওপর অসন্তুষ্ট।
দেবীকে শান্ত করতে বলি দিতে হবে।
ছাগল...ছাগল...
অমরি ঘরের ভেতর নিয়ে গিয়ে ...
কাঁচা খেয়ে নিয়েছে...
অমরি...
আমার মেয়েটা!
কী হয়েছে...
এ হতে পারে না...
তুই আমার মেয়েকে মেরেছিস!
আমি ওকে মারিনি...
হারামজাদা ছাগল চোর!
একদম ভেজা কাক হয়ে গেছে।
বাইরে কী করছিলে?
চল, আমরা পালিয়ে যাই।
যাবে আমার সাথে?
আর দেরি করা যাবে না, ওকে এখনই বশে আনতে হবে।
বাবা জঙ্গলে ছাগল খুঁজতে গিয়েছিল... এখনও ফেরেনি।
জঙ্গলে? কেন?
আমি কী করে জানব?
টর্চটা নিয়ে এসো।
বাবা!
বাবা!
বাবা, তুমি ঠিক আছ? এত রাতে এখানে কী করছ?
আমার ছাগল...
এই ছাগলগুলোর জন্যই একদিন মরবে!
জায়গাটা কতটা ভয়ংকর, জানো?
মানুষ মারা যাচ্ছে, বাবা!
তুমি ঠিক হয়ে যাবে।
খুব ব্যথা করছে...
এটা লাগালে ব্যথা কমবে।
একটা পরিষ্কার কাপড় এনে দাও।
আনছি।
জানিস, যখন তুই পুলিশ হলি...
আমি খুব খুশি হয়েছিলাম...
ভেবেছিলাম আমি...
...মাথা উঁচু করে রাস্তায়...
রাজার মতো চলাফেরা করব!
কিন্তু...
আমার ধারণা ভুল ছিলো..
একে একে আমার ছাগলগুলো হারিয়ে যেতে লাগল...
আর আমি কিছুই করতে পারিনি...
ভাইলোগ
ভয় পেয়ে হার মানা যাবে না!
আমরা সবাই একসাথে আছি।
আর এই একতাই আমাদের শক্তি।
ওই দানব যেই হোক না কেন...
ওকে...
...এর মূল্য চোকাতে হবে।
ওকে মরতে হবে!
কাকা!
শুধু ভাষণ দিলে হবে না...
আমরা অ্যাকশন চাই।
ভাইসব!
সময় এসে গেছে।
প্রতিটা গাছ, প্রতিটা পাহাড়ে তার খোঁজ করো।
সে যেখানেই লুকিয়ে থাকুক...
...টেনে বের করে ওর চ্যাপ্টার ক্লোজ করে দেব!
বলো, আছ তো সবাই সাথে?
আরও জোরে!
ও বাড়িতে নেই।
ওর ঘর কোনটা?
এইটা।
চলো সবাই!
ওদিকে রাখো।
পালালাম বটে, তবে...
...আমরা যাবো কোথায়?
এখান থেকে অনেকদূর।
যেখানে মানুষ আমাদের বিরক্ত করবে না।
খুব ভয় লাগছে।
সবকিছু সামলাব কীভাবে?
ভয় পেও না।
তুমিতো মাশরুম চাষ জানোই।
আমি শুরু কর...
কিন্তু সব কিছু...
...একদম শুরু থেকে শুরু করতে হবে।
আমার কথা শুনছ?
বুট্টু!
এখন মশকারা কোরো না।
দেরি হচ্ছে, এবার থামো!
বুট্টু...
আমার ভয় লাগছে কিন্তু...
থামো, নইলে আমি একা চলে যাব।
বুট্টু!
তাহলে দেখা হয়েই গেল...
বোস।
এখানে কেন এসেছিস?
তোর প্রশ্নের জবাব দিতে এখানে আসিনি।
তুই প্রাকৃতিক নিয়ম লঙ্ঘন করছিস।
তোর ফিরে যাওয়া উচিত।
নিয়ম?
এখানে নিয়ম ভাঙছে কে?
তুই, না আমি?
শোন।
আমি সব জানি...
...কিন্তু ওর শরীর ছেড়ে তোকে যেতেই হবে।
কিছুই জানিস না তুই।
রিঙ্কি?
ব্যাগ নিয়ে এসেছিস কেন?
শোন, দাঁড়া...কী হয়েছে?
রিঙ্কি!
কথা শোন মা।
দরজা খোল।
কী হয়েছে আমাকে বলবি?
বুট্টু?
তুই এখানে কী করছিস?
বাড়ি যা!
রিঙ্কি?
আমাদের এখনই বেরোতে হবে…
দেরি কোরো না
না, বুট্টু।
আমি তোমার সঙ্গে যাব না।
তুমি চলে যাও।
কিন্তু আমরা তো যাবো বলে ঠিক করেছিলাম।
দরজা খোলো!
না!
আমি যাব না
চলে যাও!
ওর থেকে দূরে থাক তুই।
না… প্লিজ… না…
আমার সাথে চলো…
প্লিজ… আমি হাতজোড় করছি…
দেরি কোরো না।
...আমার সাথে চলো।
জলদি চলো।
রিঙ্কি! চলো, এখনই বেরোতে হবে।
শক্ত করে বাঁধো!
একটা পাত্রে পানি নিয়ে এসো। যাও!
কী চাস তুই?
ছাগল? গরু? ব্যস এগুলোই?
যা চাস সব দেব, কিন্তু ওর শরীর ছেড়ে দিতে হবে!
রিঙ্কি।
অসম্ভব।
তোর দরকার মুক্তি।
আমার ছেলেকে ছেড়ে দে।
না গেলে তোর পরিণতি হবে ভয়ঙ্কর।
অমরি
এটা তোর দুনিয়া নয়।
আমি তোকে নত হতে বাধ্য করব!
তোমার ছেলে আর ওকেও নিয়ে যাব।
আমি থাকতে নয়।
ওর কথা মনে রাখিস...
সন্তানের জন্য মা সবকিছু করতে পারে।
তোকে যেতেই হবে।
মা...
ও মা...
রিঙ্কি! না!
বুট্টু! থামো!
আমাকে ছেড়ে দাও!
আমি তোমার সাথে যাবো না।
একদমই না।
শুনেছ তো!
চল আমার সাথে!
প্লিজ… ছাড়ো আমাকে।
আমি যাবো না...
হেই!
এই দিকে!
ওই যে!
ধরো ওকে!
আবার! আবার গুলি করো!
কাকা।
ওর ওপর টর্চ মারো।
হুন্ডা, চিনতে পারছিস?
দূর থেকে বোঝা মুশকিল, ভাই।
জাটা।
হ্যাঁ, দাদা?
ভিতরে যা।
না… ভয় লাগছে।
ওকে ঘোরা।
ঘোরা বলছি!
দাদা, এটা তো বুট্টু!
দেখলি! বলেছিলাম না!
তাহলে বুট্টুই ছাগল চোর?
আমি জানতাম!
শুরু থেকেই আমি বলে আসছি।
বুট্টু… আজ তোর নিস্তার নেই।
কোথায় উধাও হয়ে গেল?
খুঁজে বের করো!
আজকেই ওর জীবনের শেষ রাত।
বুট্টুকে খুঁজে বের করো, চল!
একটু জোরে চালাবেন? সময়মতো আমরা জঙ্গলে না পৌঁছালে
ওকে মেরে ফেলবে।
এখন আমরা কী করবো?
একমাত্র ওই পেরেকটা দিয়েই ওকে আটকানো যাবে।
যদি এখন পেরেকটা থাকত…
ভাই তুমি...
মার আমাকে, মার।
স্যরি।
আমাদের আলাদা হয়ে খুঁজতে হবে, বুঝছিস না?
আমি এদিকে খুঁজছিলাম...
তুই ওইদিকে যা!
অমরি!
ওকে ছেড়ে দে!
থাম...অমরি!
থাম!
থামো! ওকে মেরো না!
আমার কথা শোনো, থামো!
থামো বলছি!
তোমরা ভুল করছ। ও বুট্টু না!
দেরি হওয়ার আগেই থামো।
ও বুট্টু নয়।
এটা অমরি!
আমার ছেলের কাছ থেকে সরে যাও।
ও… ও বুট্টু না।
রত্নমালা...আমরা সব জানি।
তোমার ছেলে আমার বাবার সব ছাগল খেয়েছে।
এটা তো সবে শুরু মাত্র।
ও রাকাকে খুন করেছে!
তাহলে কি আমরা চুপচাপ দাঁড়িয়ে থেকে ওকে আরেকটা খুন করতে দেব?
ওকে শেষ করে দাও!
থামো!
কেউ আমার ছেলেকে ছোঁবে না!
ওর কাছ থেকে সরে যাও।
এটা বুট্টু না… এটা অমরি!
তোমরা কেন বুঝতে পারছ না?
ওকে আমার ওপর ছেড়ে দাও... আমি দেখছি।
আমাদের উনার কথা শোনা উচিত।
রত্নমালা আমাদের জন্য অনেক করেছে।
আমাদের উনার পাশে থাকা উচিত।
ব্যাপারটা উনাকে সামলাতে দাও।
একজন মাকে তার সন্তানকে রক্ষা করতে দাও।
সবাই সরে যাও।
যত্তসব!
বুট্টু-অমরি! কী নাটক চলছে?
হাঁ করে সবাই কী দেখছ? ছাগলচোরটাকে খতম কর দাও!
সোমু! থাম!
ওকে মারলে কোনো সমাধান হবে না।
বুট্টু কাউকে খুন করেনি!
ও ঠিক বলছে।
সবাই সরে যাও!
সরে যাও সবাই।
অমরি...
তোমার পরিচয় আমি জানি।
তুমি যা করছ... সেটা ঠিক নয়।
আমার কথা একবারও মনে পড়েনি?
অবশ্যই, পড়েছে।
তাহলে আমার সঙ্গে দেখা করোনি কেন?
তোমার বাবার জন্য।
ওরা আমার সাথে যা করেছে… সেটা কী ঠিক?
ওটা কি ঠিক ছিল?
আমি কোনো দোষ করিনি।
ওরা আমাকে বাঁচতে দেয়নি...
আমি তোমাকে খুব ভালোবাসি।
মিথ্যা কথা, আমি মানি না।
শপথ করে বলছি, একদম সত্যি।
কী সুন্দর! কোথা থেকে এনেছ?
তোমার যা দরকার, আমাকে বললেই হবে।
আমি এনে দেব।
মুখ ফুটে বলবে ব্যস।
গ্রামের লোকেরা যদি আমাদের ব্যাপারে জেনে যায়?
বড়জোর, আমাকে মেরে ফেলবে।
আমি রাজি।
আমি ওকে মারিনি...
আমি খুনি নই...
আমি জানি... জানি।
ওরা তোমার সাথে অন্যায় করেছে।
অমরি...
আমাকে মা বলে ডাকো, তাই না?
আমার কথা কি শুনবে না?
অতীতের কথা ভুলে যাও... সবাইকে ক্ষমা করে দাও।
তবেই তোমার মুক্তি মিলবে।
ছেলেকে হারিয়ে আমি বাঁচতে পারব, বলো?
তোমাকে যেতেই হবে...
এই জায়গা তোমার জন্য নয়।
তোমাকে যেতেই হবে।
আমি কোথাও যাচ্ছি না!
কেন যাব?
আমি এখানেই থাকব।
তোদের সবকটাকে শেষ করব!
কেউ বাঁচবে না!
কাউকে ছাড় দেব না!
শুনলি কী বললাম? কেউই না।
থামো, অমরি!
তোমাকে এটার ইতি টানতেই হবে।
তোমাকে এভাবে ছেড়ে দেওয়া সম্ভব নয়।
আমি চাই না তুমি আর কষ্ট পাও।
তোমাকে যেতেই হবে, অমরি।
যেতেই হবে!
একমাত্র ওই পেরেকটা তাকে আটকাতে পারে।
যদি সেটা আমাদের হাতে থাকত...”
মাসি!
ক্ষমা করে দিও, অমরি।
হে জগৎজননী!
তোমার সন্তানকে তার যন্ত্রণা থেকে মুক্ত করো।
সে অনেক কষ্ট পেয়েছে… ওকে মুক্ত করে দাও…
আমার ছেলেকে ফিরিয়ে দাও, অমরি!
তোমাকে যেতেই হবে।
ধর ওকে।
সাবধানে। আস্তে।
মা...
বুট্টু...
বুট্টু, তাড়াতাড়ি কর! বাস ছেড়ে দেবে!
হ্যাঁ, আসছি।
ওকে। আমি বাইরে অপেক্ষা করছি।
মা
টিকিট, পাসপোর্ট, টাকা সব জিনিস ব্যাগে আছে।
সাবধানে।
তুমি না চাইলে...
আমি যাবো না।
আমি বিদেশীকে কথা দিয়েছি।
তোর জন্য একটা নতুন নাম্বার জোগাড় করে দিতে বলেছি।
সময় পেলে ফোন করবি।
সানে! ওকে সাথে নিয়ে যা।
মা আমাকে সব বলেছে।
তোমার সাথে যা হয়েছে, ঠিক হয়নি।
স্যরি।
তুমি স্যরি বলছ কেন?
তোমার কোনো দোষ নেই।
রিঙ্কি...
আমি দুবাইয়ে চাকরি পেয়েছি।
ফিরে এসে তোমার বাড়িতে বিয়ের প্রস্তাব দেব।
আমার জন্য অপেক্ষা করবে?
বুট্টু...
তুমি ফিরে না এলেই ভালো হয়।
এখানে আর তোমার কিছু নেই।
তুমি ওখানেই থাকো।
তুমি কী করবে?
- অনুবাদ ও সম্পাদনায় - F L A M Y T U H I N
Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.