All language subtitles for More.Than.Blue.2009.DVDRip.Runtime 1-44-23 .Bangla.By.SerialKiller

af Afrikaans
ak Akan
sq Albanian
am Amharic
ar Arabic
hy Armenian
az Azerbaijani
eu Basque
be Belarusian
bem Bemba
bn Bengali Download
bh Bihari
bs Bosnian
br Breton
bg Bulgarian
km Cambodian
ca Catalan
ceb Cebuano
chr Cherokee
ny Chichewa
zh-CN Chinese (Simplified)
zh-TW Chinese (Traditional) Download
co Corsican
hr Croatian
cs Czech
da Danish
nl Dutch
en English Download
eo Esperanto
et Estonian
ee Ewe
fo Faroese
tl Filipino
fi Finnish
fr French Download
fy Frisian
gaa Ga
gl Galician
ka Georgian
de German
el Greek
gn Guarani
gu Gujarati
ht Haitian Creole
ha Hausa
haw Hawaiian
iw Hebrew
hi Hindi
hmn Hmong
hu Hungarian
is Icelandic
ig Igbo
id Indonesian
ia Interlingua
ga Irish
it Italian
ja Japanese
jw Javanese
kn Kannada
kk Kazakh
rw Kinyarwanda
rn Kirundi
kg Kongo
ko Korean
kri Krio (Sierra Leone)
ku Kurdish
ckb Kurdish (Soranî)
ky Kyrgyz
lo Laothian
la Latin
lv Latvian
ln Lingala
lt Lithuanian
loz Lozi
lg Luganda
ach Luo
lb Luxembourgish
mk Macedonian
mg Malagasy
ms Malay
ml Malayalam Download
mt Maltese
mi Maori
mr Marathi
mfe Mauritian Creole
mo Moldavian
mn Mongolian
my Myanmar (Burmese)
sr-ME Montenegrin
ne Nepali
pcm Nigerian Pidgin
nso Northern Sotho
no Norwegian
nn Norwegian (Nynorsk)
oc Occitan
or Oriya
om Oromo
ps Pashto
fa Persian
pl Polish
pt-BR Portuguese (Brazil)
pt Portuguese (Portugal)
pa Punjabi
qu Quechua
ro Romanian
rm Romansh
nyn Runyakitara
ru Russian
sm Samoan
gd Scots Gaelic
sr Serbian
sh Serbo-Croatian
st Sesotho
tn Setswana
crs Seychellois Creole
sn Shona
sd Sindhi
si Sinhalese
sk Slovak
sl Slovenian
so Somali
es Spanish
es-419 Spanish (Latin American)
su Sundanese
sw Swahili
sv Swedish
tg Tajik
ta Tamil
tt Tatar
te Telugu
th Thai
ti Tigrinya
to Tonga
lua Tshiluba
tum Tumbuka
tr Turkish
tk Turkmen
tw Twi
ug Uighur
uk Ukrainian
ur Urdu
uz Uzbek
vi Vietnamese
cy Welsh
wo Wolof
xh Xhosa
yi Yiddish
yo Yoruba
zu Zulu

Original subtitles

Bangla Subtitle Created By :.:.: S E R I A L K I L L E R :.:.:

Bangla Subtitle Created By :.:.: S E R I A L K I L L E R :.:.:

MORE THAN BLUE ..Bangla Subtitle Created By.. :.:.: S E R I A L K I L L E R :.:.:

For Latest Updates, Follow Our Facebook Page: www.facebook.com/skbd2017 And Our Website: www.SerialKillerBD.com

Translated By SARAH IQBAL FUAD ANAS AHMED

এই, সং-সিক?

- কেমন লাগছে? - তোমার কী মনে হয়?

সামনের সপ্তাহে ড্রামার জন্য লাগবে এটা।

ওকে বলো, দারুণ হয়েছে!

সং-ছো যেন আমার কথা খুব শোনে?

না শুনলে, শুনতে বাধ্য করবে। এটা ওর গাইতেই হবে।

কিন্তু লিরিক্স তো সুবিধার না।

আমরা যা চালাবো, শো-বিজে সেটাই চলবে।

কী যে বলো না তুমি!

- একটু দাঁড়াও! - কেন, কেন, কী হলো?

গানটা পছন্দ হয়েছে তোমার?

অবশ্যই, কেন?

আমার এ বয়সে একটা মেয়েকে ফিরে পেতে গান গাওয়া কি মানাচ্ছে?

হৃদয়ের অমুক, কান্নার তমুক... কী সব কথাবার্তা!

ছেলেমানুষি হয়ে যাচ্ছে না?

আরে না! কী যে বলো, দারুণ মানিয়েছে। তাই না, বলো?

একদম।

তোমার ভক্তরা এই গান শুনলে আবেগে ভাসবে!

আমিই তো কোনো আবেগ খুঁজে পাচ্ছি না!

হয়ে যাবে, ভাই, হয়ে যাবে। আমার কথায় ভরসা রাখো।

- দারুণ হচ্ছে। - না, না, না।

এ গান আমাকে দিয়ে হবে না।

শোনো, শোনো, সং-ছো! দাঁড়াও!

ডাকো ওকে!

সং-ছো!

জি, ডিরেক্টর সাহেব।

তাই নাকি?

সামনের মঙ্গলবার?

আরে, গানটা তো মারাত্মক হয়েছে।

লি সং-ছো'র গাওয়া সেরা গান।

অবশ্যই।

কোনো সমস্যাই নেই। জি, স্যার।

জি, স্যার। ভালো থাকবেন।

দেখলে? উনিও গানটা চাইছেন। আমার জন্য অন্তত করো?

তুমি সবসময় এমন করো।

অনুরোধ করছি?

ধুর! এত অনুরোধ না করে ভালো গান এনে দিলেই তো আমি গাইতে পারি।

সবসময় এক কাহিনী!

তাহলে "হিয়া" কেন গাইলে?

"হিয়া, একটু ফিরে তাকাও।"

একটু তো শান্তি দাও।

তুমি গাওয়াতেই ওই গান এত হিট হয়েছিল।

আমার কাছে একটা গান আছে। শুনবেন?

কী গান?

একটা ফ্লপ অ্যালবামের গান।

রাখো তোমার গান!

আচ্ছা, বাজাও তো, শুনি।

- সত্যি বাজাবো? - হ্যাঁ, বাজাও শুনি।

"মলিন কাজলে জমে সে ভালোবাসা..."

বাহ!

গীতিকার কে? গানের কথা তো চমৎকার।

ভালো লেগেছে? তাহলে, চলো, উনাকে দিয়েই আমাদের গান লেখাই।

কে লিখেছে, বলতে পারো?

তা তো জানি না। নিয়েছিলাম একজনের কাছ থেকে।

কার থেকে?

মিনছড়ার কাছ থেকে। কিম গাপ-সিকের ওখানে কাজ করতো।

গাপ-সিক তো আমার বেশ পরিচিত।

কিন্তু ও না কাজ করা ছেড়ে দিয়েছে?

তোমার বন্ধু এখন কার হয়ে কাজ করে?

সেও কাজ ছেড়ে দিয়েছে।

তাহলে এখন কী করে?

চুংপিয়ং এ একটা ক্যাফে খুলেছে।

ওখানে যাবে, সং-ছো?

- জায়গাটা চেনো? - জি।

চলো দেখি।

অ্যালবামটা এনেছেন?

ওহ, হ্যাঁ!

টাইটেল কী?

দ্বিতীয় গানটা।

দ্বিতীয় গান?

"শুধু তুমি" গীতিকারের নাম...ক্রিম?

আসল নাম জানো?

হ্যাঁ, উন ওন। যতদূর মনে আছে, নাম উন ওন।

নাম্বার আছে উনার?

চলে গেছে তো।

চলে গেছে মানে? কোথায়?

কাং ছোউ-কিয়া চলে যাবার পর...

কাং উনাকে চিনতো নাকি?

চিনতো না আবার? ওর প্রেমে পাগল ছিল একদম।

কাং এর নাম্বার আছে নাকি?

- মারা গেছে। - মারা গেছে মানে?

কবে মারা গেছে?

উন ওন কে বিয়ে দেওয়ার মাসখানেক পরেই।

হ্যাঁ, মিস্টার কাং, "কে"!

ওর শো'র নাম কী ছিল যেন?

"দুষ্টু হাঁসের ভালোবাসা"

হ্যাঁ, মনে পড়েছে।

নিজের ভালোবাসার মানুষটাকে অন্যের হাতে তুলে দিয়েছিল?

- মানে কী? - আসলে...

সব কথা খুলে বলো না ভাই।

সে এক বিশাল গল্প।

ছোউ-কিয়া!

কাং বলতো, ক্রিমের সাথে প্রথম দেখাতেই সে...

জড়িয়ে যায় এক অপরূপ মায়াজালে!

ওরে বেয়াদব, নেশা করা হচ্ছে!?

পাখির ডানায় বৃষ্টি ফোঁটার মতোই আলগোছে ভুলে যাচ্ছিল ব্যথা।

প্রথম দেখাতেই প্রেমের পড়ে গিয়েছিল বেচারা।

নির্বাক সে প্রেম।

ওকে জিজ্ঞেস করেছিলাম,

"অন্তত আগে একটু কথা বলে নিয়ে তারপর প্রেমে পড়লে ভালো হতো না?"

উত্তরে বলেছিল,

"প্রেমে যদি হয় ভাষারই প্রয়োজন,

তবে কি আর নীরব লোকে প্রেমে পড়তো?"

আমার নাম জানলে কী করে?

এত বড় বাসায় একা একা থাকা ঠিক হচ্ছে?

তুমি বললে, আমি চলে আসতে পারি।

একটা নতুন নাম দাও তো আমার।

আমিও তোমার নাম দিচ্ছি।

নতুন নাম লাগবে কেন?

দিলে সমস্যা কোথায়?

তাই ওর নাম দিলাম ক্রিম।

আর ও আমার নাম দিলো কে।

ও যেন ছিল আইসক্রিমের মতোই শীতল,

- আইসক্রিমের মতোই মিষ্টি। - এসব পর্দায় হবে না।

পুরো বাসা নতুন করে সাজাবো আমরা।

আইসক্রিমের মতোই নরম মনের।

আর আমি কিন্তু এ, বি, সি, ডি, ই, এফ, জি,

এইচ, আই, জে, কে ছিলাম না।

ছিলাম শুধুই 'কে'।

অনেক মিল ছিল আমাদের।

সমবয়সী।

নুডুলসও খুব পছন্দ করতাম দুজনেই।

বৃষ্টির দিনে গান শুনতাম।

কফি ভালোবাসতাম।

আর স্কুল সহ্য হতো না একটুও।

ও আমাকে পছন্দ করতো।

আর আমি ওকে।

দুজনেই অনাথ ছিলাম আমরা।

জেলখানা আর ভালোবাসায় মিল হলো...

কোনোভাবে একবার আঁটকে গেলেই, সহজে আর মুক্তি মেলে না।

ভালোবেসে ফেললাম।

ভালোবেসে ফেললাম ওকে।

ভালোবেসে ফেললাম ওর প্রতিটি নিঃশ্বাসকেও।

জুলিয়েটকে রোমিও যতটা না ভালোবেসেছিল...

তারচেয়েও বেশি করেছিল তাকে হারানোর ভয়।

তবুও বিষ কেন খেয়েছিল?

তা সে-ই ভালো জানে।

কাউকে ভালোবাসার মানে,

- তার কাছে নিজের সবটুকু উজাড় করে দেওয়া। - আমি আসবো মাঝে মাঝে।

একজন ক্যাচার বল ধরে ফেলার মাঝে যে আনন্দ পায়,

তারচেয়ে আমার অর্জন কিন্তু কোনো অংশে কম ছিল না।

ভালোবাসা যেন শুষ্ক বরফ! কখনো শীতল, কখনো বা উষ্ণ।

থামাও!

ভালোবেসে ফেলার মতোই মেয়ে ছিল ক্রিম।

কিন্তু ওকে সে ভালোবাসার কথা কখনো মুখ ফুটে বলতে পারিনি।

আর তার কারণ...

যে কোনো সময় জেগে উঠবে...

আমার শরীরে বাসা বাঁধা ক্যান্সার কোষ!

M O R E T H A N B L U E ..Bangla Subtitle Created By.. :.:.: S E R I A L K I L L E R :.:.:

Edited By FUAD ANAS AHMED

থ্যাংক ইউ, মিস্টার কিম।

এটুকু তো আমি করতেই পারি।

মাথা খাটিয়ে চিন্তা করার জন্য, লেখকদের পেটে আগে খাবার থাকতে হয়!

কিমবাপের সাথে স্যুপ নিয়ে আয়েশ করে খাও।

ও বুঝি আপনার নতুন গায়িকা?

নিজের পরিচয়টা দিয়ে দাও। উনারা এসবিসি-র সবচেয়ে নামকরা লেখক।

হ্যালো, আমি ক্যাট গার্ল। কথা দিচ্ছি, আমার গান আপনাদের ভালো লাগবে।

ভালো তো লাগতেই হবে।

কস্টিউমটা দারুণ।

হ্যাঁ, নতুন কনসেপ্ট। ওকে সত্যিই ক্যাট সাজানো হয়েছে।

ক্যাট গার্ল আমি।

এই মেয়েটা বেশ বুদ্ধিমতী।

সিউল ইউনিভার্সিটিতে লেখাপড়া করে।

তাই নাকি?

আসলে তো সিউল ইউনিভার্সিটি অব আর্টে।

আমায় বিপদে ফেলতে চাচ্ছো নাকি?

এসব তথ্য ভুল দিলে কিন্তু আজকাল ঝামেলায় পড়তে হয়।

অত সত্যবাদী হলে, পুলিশের চাকরি করলেই পারো।

সরি।

মিস্টার কাং!

কেমন আছেন?

এই নিন, সং-ছোর নতুন অ্যালবাম। বেশ ভালো গেয়েছে।

- হিট তো হবেই! - জানি, দারুণ হয়েছে।

- 'হাই' বলো। - হ্যালো।

আমাকে "কে" ডাকতে পারেন।

সময় করে একদিন আড্ডা দেয়া যাবে।

- অবশ্যই। - ভালো থাকবেন।

সিউল ইউনিভার্সিটি অব আর্টস অবশ্য আলাদা না।

ঠিক বলেছ।

আপনি খেয়েছেন তো, স্যার?

আরে, কাং সাহেব!

- কেমন আছেন সবাই? - আপনার জন্যই তো বসে আছি।

ও ক্যাট। ধুর, বারবার ভুলে যাই।

ওর নাম ক্যাট গার্ল, স্যার।

তুমিই নিজের পরিচয়টা দিয়ে ফেলো তো।

হ্যালো, আমি ক্যাট গার্ল। কথা দিচ্ছি, আমার গান আপনাদের ভালো লাগবে।

ধন্যবাদ।

ভালো তো লাগবেই।

কাং সাহেব, চলুন, কোথাও বসে একটু কথা বলা যাক।

তোমাদের সাথে পরে কথা হবে।

- আরে রাখুন তো। - এটা নিতে পারবো না।

আমার তরফ থেকে সামান্য উপহার ভেবেই নাহয় নিন।

অ্যালবামের কাজ শেষ?

ভালো ভালো সব গীতিকার জড়ো করেছি।

জানেনই তো, আমি যা চাই, পেয়েই ছাড়ি।

মেয়েটা কেমন?

ওহ, ওই মেয়েটা? খারাপ না।

কিন্তু বাকিদের সাথে তাল মেলাতে ওর কষ্ট হচ্ছে খুব।

প্রতিভা আছে কিন্তু, যত্ন নিয়েন।

অবশ্যই, আপনার কথা ফেলি কী করে?

- কিন্তু আমার এ কাজটা করে দিন না, প্লিজ। - আমাকে দিয়ে হবে না।

তেমন কিছুই না। ধরুন তো, প্লিজ!

রাত প্রতি কাটে নির্ঘুম...

...ভেবে তোমায় শুধু!

ভালোবাসি তোমায়...!

এই পার্টটুকু চিৎকার না করে, গাওয়ার চেষ্টা করো তো এবার।

মানুষ তো ভয়ে গান শোনা ছেড়ে দেবে।

তা কেন হবে, স্যার?

কেউ তোমার কানের পর্দার কাছে চিৎকার করে ভালোবাসার কথা বললে খুব ভালো লাগবে বুঝি?

আরেকটু যত্নের সাথে নরম করে গাও। জানি তো, পারবে তুমি।

কী?

ওসব বলবেন না। পারবো না আমি।

- আরে, ওসবের কথা বলিনি তো! - আবার শুরু করো।

কোন কাজটা ও ভালো পারে শুনি?

আরে বাদ দিন না, বুঝেনই তো?

আরে, বলেন না৷ আমরা আমরাই তো।

মেয়েটা আমার ভবিষ্যৎ! আপাতত শুধু এটুকুই বলতে পারি।

দ্বিতীয় প্যারা ঠিক করেছো?

হুম?

দ্বিতীয় প্যারার অন্তরার কথা বলছি।

'গতকালেরই মতো'?

কেমন খটমটে শোনাচ্ছে না?

"নিষ্ঠুর পৃথিবীর মতো?" কেমন হয়?

আর এটা বুঝি খটমটে না?

আমি তো শুধু সাজেশন দিলাম।

আচ্ছা, আচ্ছা, রাগ করার মতো কিছু হয়নি তো।

আপনারা দুজনে মিলেই লিখে ফেলুন না তাহলে?

গেলাম আমি।

মানে?

কী মেয়েরে বাবা!

শিল্পী কি হতেই হবে?

মানে?

পর্যাপ্ত ওষুধ আছে তো?

শেষ পর্যন্ত, তোমাদের পারিবারিক ডাক্তারই হয়ে গেলাম।

প্রথমে তোমার বাবা...

এখন তুমি।

দুনিয়ায় মরণব্যাধির অভাব নেই।

কী হয়েছে?

কী হলো?

কাঁদে না।

কাঁদে না।

হারামিটা আমাকে...

কেটে আবার লিখতে বলেছে।

"পরজন্মে আমি হতাম" টাইটেলটা কেমন, বলো তো?

"পরজন্মে আমি হতাম?"

আচ্ছা, সত্যিই পরজন্ম থাকলে, তুমি কী হয়ে জন্মাতে চাও?

মানুষ ছাড়া?

যে কোনোকিছু।

বেশ...

পরজন্মে আমি হতাম...

আংটি?

দাঁড়াও।

আবার শুরু করো।

পরজন্মে আমি হতাম...

আংটি।

চশমা।

খাট।

ডায়েরি।

এসব হয়ে জন্মে লাভটা কী?

এসব হয়ে জন্মালে তুমি কিনে, সবসময় নিজের সাথেই রাখতে পারবে।

আবেগী কথাবার্তা!

কিছু খেয়েছিলে?

খেয়েছি।

আমি তো খাইনি।

তাহলে, চলো, খেয়ে নেয়া যাক।

কিছু বলবে নাকি?

কী বলবো?

তোমার কোনো গোপন সত্য?

ক্যাথলিক চার্চের কনফেশনে যেমন বলে আরকি।

আমি ফাদার সেজে শুনবো সব কথা।

আমার গোপন সত্য শুনবে?

কিছু তো বলো। শুনছি আমি।

তোমাকে আমার ভালো লাগে।

একটা কথা জিজ্ঞেস করবো।

তোমার কোনো শেষ ইচ্ছে আছে?

ইচ্ছে?

যদি ইচ্ছেমতো দুনিয়ার যে কোনোকিছু নেয়ার সুযোগ পেতে?

প্রথমে, চামচটা তুলে ধরো।

তারপর?

এবার, খাবারে মন দাও।

তারপর?

ভালো একটা ছেলে দেখে, বিয়ে করে নাও।

তোমাকে করলে কেমন হয়?

আমি তো ভালো ছেলে নই।

তোমার প্রেমে পড়া, ছিল না আমার ইচ্ছে,

সে ছিল নিয়তি আমার।

জন্মেছি আমি ভালোবাসতে তোমায়।

তোমারই বাঁধনে বেঁধে রেখেছ আমায়।

আইডি: লিটল মারমেইড।

এখন প্লে করছি আপনাদের রিকুয়েস্ট করা গানটি।

আমার মতো, তোমারও এক পায়ের পাতা অন্যটার চেয়ে বড়!

তারমানে, তোমার মা তোমার চেয়েও বেশিদিন বাঁচবে।

কে বলেছে এসব?

কোথায় যেন পড়েছিলাম।

মিথ্যে কথা।

কেন?

কারণ, আমার মা-বাবা একই দিনে মারা গেছেন।

ওই...

আমাকে একা রেখে মরে গেলে, খুন করে ফেলবো কিন্তু!

আরও একবার প্লে করছি আপনাদের রিকুয়েস্ট করা গান।

শেষ আপনার?

এক্সকিউজ মি?

কফি।

কাপটা দেওয়া যাবে?

কোন দিকে মুখ লাগিয়েছেন?

মানে?

কিস করা হয়ে গেল না তো আবার?

- শোনো। - হুম?

- গেস্ট ডাক্তারটাকে চেনো তুমি? - হুম?

কীসের ডাক্তার উনি?

হুহ?

একটা ক্যাভিটি ফিল করতে হবে। রেসিনের চেয়ে অ্যামালগাম বেশি শক্ত।

প্রথমদিনই আমরা কিস করে ফেললাম।

দ্বিতীয় দিনে, আমার ভেতরটাও দেখে ফেললেন।

ভাবছি, তৃতীয় দিনে কী করা যায়?

মানে?

আচ্ছা...

সেটা না হয় সময়ই বলে দেবে।

আমি একজনের প্রেমে পড়েছি!

অন্য একটা শোয়ের গেস্ট। পেশায় ডেন্টিস্ট।

টুথব্রাশটা দেবে একটু?

আপনারা শুনছেন, 'হ্যাপি আওয়ার'।

- এই মুহূর্তে যারা গাড়িতে আছেন... - খাওয়াদাওয়া শেষ?

ওহ... আরে কখন এলেন?

- আজ কোনো শো'র রেকর্ড আছে নাকি? - না।

আপনার শোতে যিনি গেস্ট ডাক্তার হিসেবে আছেন...

ডাক্তার? ছা জু-আন এর কথা বলছেন?

মানুষটা কেমন?

উনি তো দারুণ লোক। কেন?

না, এমনি আরকি।

ধনী ঘরের সন্তান, ভদ্রলোক, নিজেও ভালো পয়সা কামায়।

উনি তো নামকরা ডেন্টিস্ট।

আপনাকে আজ কেমন মনমরা লাগছে।

গুড জব, ব্রো।

খুব মজা পেলাম।

- দারুণ শো। - জানি তো ভাই!

আরে, দেখা হয়ে ভালো লাগল।

চলুন, বাইরে থেকে ড্রিংকস মেরে আসি।

কয়েকটা ড্রিংকস হলে কিন্তু চলবে না।

- কতগুলো লাগবে শুনি? - সারারাতে যতগুলো চলে?

তবে তাই হোক!

উনার সোশ্যাল সিকিউরিটি নাম্বার?

-৭৩০৩১৩১০৫... -৭৩০৩১৩...

সত্যিই উনার মেডিকেল রিপোর্ট যোগাড় করতে পারবেন তো?

ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির কাছে সবই থাকে।

কিন্তু আপনি উনার সম্পর্কে এতকিছু জেনে করবেনটা কী?

পরে সব খুলে বলবো।

বাহ! উনার তো দেখি লাইফ ইন্স্যুরেন্স মেডিকেল ইন্স্যুরেন্স, দুটোই আছে।

বংশগত রোগ অথবা অপারেশনের কোনো রেকর্ড নেই।

শরীরে রোগ বালাইয়ের ছিটেফোঁটাও নেই।

আপনি শিওর তো?

কীভাবে পয়সা কামাতে হয়, তা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির চেয়ে ভালো কেউ জানে না।

কাং সাহেব!

উনার কোনো হসপিটাল রেকর্ড আছে কিনা দেখছি।

কাং সাহেব!

অনেক ধন্যবাদ। আপনার কাছে ঋণী থাকলাম।

কিম সাহেব, একটা মিনিট সময় হবে?

শুধু আপনার জন্য!

গিফট!

থ্যাংক ইউ।

শুধু একটা থ্যাংক ইউ?

প্রথমে আমার ঠোঁট, তারপর শরীরের ভেতর...

এখন তো, আমার মাথায়ও ঢুকে গেছেন।

ড্রিংকস খাওয়াবেন?

ড্রিংকস?

ব্যাপারটা ঠিক বুঝলাম না।

কে ভেবেছিল, আমার এত পুরনো সম্পর্ক একদিন এভাবে আপনার কাজে আসবে।

ওসব নিয়ে একদম ভাববেন না। এবার ক্যাটের কথায় আসি।

ধ্যাত, মনে হচ্ছে নামটা বদলাতেই হবে।

নামটা তো ক্যাট গার্ল, স্যার।

আরে, আমি কি জানি না নাকি?

মনে থাকলেও, বলার সময় ভুল বলে ফেলি।

আমাকে যা খুশি ইচ্ছা ডেকো, সোনা।

কুকুর-বিড়াল যা ইচ্ছা। কী যায় আসে বলো?

আমার লক্ষ্মী সোনা বাবুটা।

আমার আদুরে বিল্লি।

নামটা বদলাচ্ছি আমরা।

- স্যার, আপনি বোধহয় ভুলে গেছেন... - আরে, বললাম তো নাম জানি আমি!

নাম না স্যার। ফোনের কথা বলছিলাম...

তোমরা একটু ওদিক থেকে ঘুরে এসো তো।

আমার একটু দরকারি কথা আছে। যাও না।

ছা জু-আন সম্ভ্রান্ত ধনী পরিবারের ছেলে।

খুব সুন্দরী একটা ফিয়ন্সেও আছে।

কিছুরই অভাব নেই লোকটার।

ফিয়ন্সে?

কিছু হয়েছে নাকি?

আরে, তোমার ক্যান্ডি পড়ে গেছে।

নাও, পকেটে রেখে দাও।

কখনও প্রেমে পড়েছেন?

নদীতে পড়া পাথরের মতো?

আপনার রিংটা দিন তো।

এক্সকিউজ মি?

আপনার হাতের রিং।

এভাবে পড়ে যাবে।

এভাবে তখন কেউ আসবে আপনাকে রক্ষা করতে।

আমার এনগেজমেন্ট হয়ে গেছে।

তাতে কী হয়েছে?

চলুন, ড্রিংকস চালিয়ে যাই।

ঠান্ডা!

ড্রিঙ্ক করেছো নাকি?

ওকে এত বেশি পছন্দ করো কেন?

মনে হয় যেন, সব কষ্ট দূর হয়ে যাচ্ছে।

কষ্ট দূর হয়ে যাচ্ছে?

কষ্ট দূর হয়ে যাচ্ছে।

বাহ!

- এসো, খাবে। - সরি, বের হতে হবে।

- খাবে না? - উহু, সময় নেই।

এত খাবার কী হবে তাহলে?

তুমি খাবে।

পরে দেখা হবে।

এ, বি, সি, ডি, ই, এফ, জি...

... এইচ, আই, জে, কে...

হ্যালো?

এটা কি উন ওন এর নাম্বার?

হ্যাঁ, ওরই নাম্বার।

উনাকে একটু ফোনটা দেওয়া যাবে?

ও তো এখন বাসায় নেই।

আমার নাম ছা জু-আন।

আজ আমাদের দেখা করার কথা ছিল।

কিন্তু আমি হাসপাতালে একটা কাজে আঁটকে গেছি।

উনার সাথে যোগাযোগ করার কোনো উপায় আছে?

কোথায় দেখা করার কথা আপনাদের?

ঠান্ডা!

আরে।

উনি আর আসবেন না আজ।

কে?

তোমার উনি।

ডাক্তার মশাই।

কোথায় যাচ্ছো?

বাসায় যাই।

আরে বসো তো। শুনেছি, এখানের কারি বেশ ভালো।

জানোই তো, আমি কারি খাই না।

কী খাবে তাহলে?

আর কী আছে?

তুমি কী খাবে?

কিমবাপ।

কী বোরিং!

চুপচাপ কারি খেয়ে নাও।

বিল তুমি দেবে।

আহা, কী এত ভাবছেন কাং সাহেব?

আমাকে সব খুলে বলুন তো।

ওর কাছে আপনি কোনো টাকাপয়সা পান?

আমাকে শুধু একবার বলেই দেখুন না।

আমার ছেলেরা আজ লাঞ্চের আগেই

গিয়ে ওর ঘাড়টা ধরে ফেরত নিয়ে আসবে।

অমন কিছুই না।

তাহলে ঘটনাটা কী, হুম?

আপনি তো আরেকজনের ফিয়ন্সে নিয়ে ঘাটাঘাটি করার মতো মানুষও না।

আচ্ছা ভাই, ওর ফিয়ন্সেকে মনে ধরেছে নাকি?

প্লিজ, আপনি শুধু খোঁজ নিয়ে জানান।

বেশ, তাই করবো।

আরে, বলতেই ভুলে গিয়েছিলাম।

ক্যাটের অ্যালবাম তো সাড়া ফেলতে শুরু করেছে।

আপনার শো'র জন্য কিছু গাওয়াবেন নাকি?

একদম হটকেকের মতো চলবে।

ভালোই করবে আশা করি।

অবশ্যই করবে।

হেই, মিনছড়া!

বাসা পছন্দ হয়েছে?

মা বললো, উনার পছন্দ হয়েছে।

খারাপ না।

শুনলাম, তুমি নাকি এক্সিবিশন বন্ধ করে দিয়েছ।

শো করতে করতে ক্লান্ত হয়ে গেছি।

ছবি তোলার মতো কিছু আর বাকিও নেই।

সরি, আমি মানুষটা তেমন রসিক নই।

ব্যাপার না। আমার একা একা সময় কাটাতেই ভালো লাগে।

ব্যাপারটা দুঃখজনক।

- চলো, এখন থেকে একসাথে সুন্দর কিছু সময় কাটাই। - নিশ্চয়ই।

এক্সকিউজ মি, এখানে অ্যাশট্রে দিতে পারবেন একটা?

সরি, ম্যাম। এখানে ধূমপান করা নিষেধ।

দুনিয়াটাই বিরক্তিকর!

এটা নেভানোর জন্য একটা অ্যাশট্রে এনে দিন তো, প্লিজ।

জি, স্যার।

ভালো বুদ্ধি তো।

তুমি চালিয়ে যাও।

আগেই বোঝা উচিত ছিল। ও আসলেই একটা জিনিস!

পুরুষ মানুষকে নাচাতে পারে খুব ভালো!

ভালো করে কয়েকটা ছবি তুলতে বলেছিলাম।

বেশিক্ষণ লাগবে না।

অ্যালবামের কভারের জন্য কীভাবে পোজ দিয়েছিলেন?

গতরাতে আমার বস যেভাবে দেখিয়ে দিয়েছেন, সেভাবেই।

দেখান তো?

- এখানেই দেখাবো? - মানে?

পুরুষ মানুষ সবাই এক।

আচ্ছা, দেখাচ্ছি।

প্রথমে, আমি বিড়ালের মতো পিটপিট করে তাকাবো।

ঠিক এভাবে।

- কারণ আপনি ক্যাট গার্ল? - তারপর...

হাত দুটো উপরে তুলে, এভাবে হাঁ করবো!

দেখুন ওকে৷ একদম জাত তারকা।

শুধু মুখে বললেই চলতো।

কিন্তু আমার বস বলেছেন,

- তারকারা কথায় নয়, করে দেখায়! - দেখলেন তো?

এমন মেয়েরা খুব দ্রুত খাপ খাইয়ে নিতে পারে।

এমন কচি সুন্দরীকে ভালো না বেসে পারা যায় বলুন?

- আহ, স্যার? - কাং সাহেব! কাং সাহেব!

- কী হলো? - কাং সাহেব!

ও কোথায়?

- হেই! - আমি শেষ!

কী হয়েছে তোমার, বলো তো?

হয়েছেটা কী!

তুমিও এখন শুরু কোরো না।

ও বারবার এভাবে জ্ঞান হারায় কেন?

বংশগত রোগ হতে পারে। আবার এমনও হতে পারে যে,

খাবারে পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্যালসিয়াম পাচ্ছে না।

বছরের পর বছর আমরা একই ছাদের নিচে বসে একই পাতিলে রান্না করা খাবার খাচ্ছি।

তাহলে তুমিই একাই কেন বারবার অজ্ঞান হয়ে যাচ্ছো!?

- তুমি তো আমার চেয়ে কয়েক গুণ বেশি খাও। - আচ্ছা?

এখন থেকে শুধু ছোট মাছ খাবে তুমি, বুঝেছ?

শুনুন!

জি?

কী বলল ও?

এনগেজমেন্ট ভেঙে দিতে...

- থামুন! প্লিজ! - কে তোমরা?

মতলবটা কী তোমাদের, হ্যাঁ?

আমার সাথে ঝামেলা করতে এসো না বলে দিলাম!

চোখের সামনে থেকে বিদায় হও!

যাও বলছি।

কেন করছেন এসব?

হ্যাঁ?

একজন স্বনামধন্য রেডিও শো প্রডিউসার আপনি।

এভাবে একটা মহিলার পিছে লেগে আছেন। মার খাচ্ছেন।

লজ্জা করছে না?

লজ্জা করার মতো সময় তো আমার হাতে নেই।

কী বলছেন এসব?

গিরি অন্তে সূচনা গিরির, সময় দেয়না ক্ষান্ত!

ও বাপরে, মাথাটা!

ব্যথা করছে?

ব্যথা আমিও পেয়েছি।

আজ কী যে হলো আমার?

আজ আমাদের দুজনেরই মন খারাপ।

তাহলে, এসব রসিকতা ছেড়ে একটু কান্নাকাটি করুন।

কাঁদতে চাই না আমি।

তার থেকেও বেশি চাই না একজনকে কখনো কাঁদাতে।

বাবার মতো, আমিও মরতে বসেছি।

ছোউ-কিয়া!

বাবা মারা যাওয়ার এক বছরের মাথায় মাও আমাকে ছেড়ে চলে যায়।

আসলে মায়ের বিরক্তি আমার প্রতি ছিল না।

বাবার অসুখ, ভোগান্তি সবকিছুতেই মা অতিষ্ঠ হয়ে গিয়েছিল।

বুঝতে পেরেছিলাম। কারণ, আমারও সবকিছু অসহ্য লাগছিল।

কিন্তু মা যাওয়াতে আমি একদম একা হয়ে যাই।

ভীষণ একা।

মানুষের...

কখনোই একা থাকা ঠিক না।

মাফ করে দিও।

আশা করি, তুমি তোমার ফিয়ন্সেকে ভুলে যাবে।

আমার ভালোবাসার মানুষটা তার প্রেমে পড়েছে।

হাত জোর করে ভিক্ষা চাইছি।

একটা শর্ত আছে।

কিন্তু...

কিন্তু?

না, প্লিজ। বলো আমাকে।

তোমার ছবি তুলতে চাই।

মেডিক্যাল রেকর্ড অনুযায়ী, তোমার হাতে আর খুব বেশি সময় নেই।

মডেল হিসেবে মন্দ হবে না।

বেশ মজা হবে, মনে হচ্ছে।

আমার তো মনে হচ্ছে না।

বেশ, তাহলে সব ভুলে যাও।

আগে ড্রিংক শেষ করো তোমার।

আমাকেও দাও একটা।

- হাই! হাই! - হাই! দেরি করে ফেলেছ।

হাই। আপনার সাথেই ফোনে কথা হয়েছিল।

ওহ, হাই!

আমি কাং ছোউ-কিয়া।

ছা জু-আন আমি।

- সেদিনের জন্য ধন্যবাদ। - না, না, সমস্যা নেই।

চিনতে পেরেছ?

কষ্ট দূর করার ওষুধ?

- খেয়ে এসেছ? - না তো, এখন খাবো।

এত দেরি করলে কেন?

- এখনও একটা শো'র রেকর্ডিং চলছে। - মানে?

তুমি তো বলেছিলে, কাজ শেষ।

এখনো না। আবার যেতে হবে।

- নাও। - থ্যাংক ইউ।

গানটা তো দারুণ হয়েছে।

"পরজন্মে আমি হতাম"?

হবেই তো, আমি লিখেছি যে।

সরি, আমার যেতে হচ্ছে।

আরে, কী যে বলো!

যেয়ো না।

পরে দেখা হবে।

বাই।

- আসি। পরে কখনো দেখা হবে, তাহলে। - অবশ্যই।

বাইরে তুষার, সাবধানে যেয়ো।

এত জলদি চলে এলে যে?

তোমার না শো'র রেকর্ডিংয়ে যাবার কথা?

প্ল্যান বদলেছি।

আমিও।

এটা খাও।

তুমি খাওনি?

খেয়েছি তো। নুডুলস দেখে আবার খিদে পেয়েছে।

তা তুমি, ভাতের বদলে নুডুলস কেন খাচ্ছো শুনি?

অত কষ্ট করতে ইচ্ছে করলো না আরকি।

মজা হয়েছে না?

সময়কে থামিয়ে দিতে পারলে সবার আগে কী করতে?

ধরো, সবাই থেমে আছে মূর্তির মতো, শুধু তুমি একাই নড়তে পারছো।

সময়কে থামাতে পারলে তো, তোমার মরতে হতো না।

বাঁচতে চাও না তুমি?

কথা বলবে না আমার সাথে?

ভালোবাসার মানুষটাকে এভাবে একা রেখে যেতে কষ্টে বুক ফেটে যাচ্ছে।

আমি শুধু এতটুকুই বুঝেছি।

কিন্তু তাই বলে...

তাকে অন্য কারো হাতে তুলে দিতে পারছো কীভাবে?

একটু বেশি হয়ে যাচ্ছে না?

এখনো তো মরে যাওনি তুমি।

- সহ্য করবে কীভাবে? - জোয়িনা?

আমরা বরং কথাবার্তাটুকু কাজের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখি।

আচ্ছা...

ভালোবাসা কী?

অনেকটা দাঁত ব্রাশ করার মতোই।

ব্রাশ করার মতো?

কিন্তু তুমি তো কাজটা একাই করছো

তো, তুমি কাকে দেখানোর জন্য ব্রাশ করো?

গতকাল এলে না কেন?

মানে?

বললাম, আমার জন্য অপেক্ষা করছিলে বুঝি?

সত্যি বলতে, কেন আসোনি, সেটাই বোঝার চেষ্টা করছিলাম।

আমার প্রেমে পড়ে গেছো, তাই না?

মানে?

ভালোবাসলে মানুষ এভাবে কারো কথা ভেবে অপেক্ষায় ধাকে।

ব্যাপারটা আসলে অমন না।

রোগী না এলে, ডাক্তারের অপেক্ষা করাই তো স্বাভাবিক।

সবার না আসার কারণও বুঝি এভাবেই জানতে চাও?

আসলে...

লজ্জায় লাল হয়ে গেছ দেখছি। তারমানে, সত্যিই প্রেমে পড়েছো।

এই, কাং ছোউ-কিয়া!

জি, বস।

কিম গাপ-সিক তোমাকে কত দিয়েছে শুনি?

আরেকটু দায়িত্বশীল হওয়া উচিত তোমার।

সপ্তাহে ১০ বার ক্যাট গার্লকে শোতে এনেছ।

মানুষজন কিছু বলবে না ভেবেছিলে নাকি?

একজন তো তোমার শো-এর ব্যাপারে অভিযোগই করে বসেছে।

হঠাৎ করে কী হলো তোমার?

তোমার থেকে তো এসব আশা করিনি!

তোমাদের ছাড়াছাড়ি হচ্ছে কবে?

তাড়া আছে বুঝি?

আমার মেডিক্যাল রেকর্ড তো দেখেছোই।

আমি তো আরও একটু খেলতে চাই।

কিন্তু মনে হয় না, তোমার কপালে সেই সুখ আছে।

আমার একটা শর্ত আছে।

আবার কী?

ঝামেলাটা মিটিয়ে আসি আগে, তারপর বলবো।

কথা যখন দিয়েছি, রাখতে তো হবেই।

এখানে আবার ধূমপান নিষিদ্ধ করা হলো কবে?

জানি না তো!

ব্যাপারটা মেনে নেয়া আমাদের বাবা-মায়েদের জন্য কঠিন হবে।

আচ্ছা, আমার এখন...

প্রচন্ড রাগে ফেটে পড়ার কথা, তাই না?

চিৎকার চেঁচামেচি বা অমন কিছু করার কথা।

মজার ব্যাপার হলো,

আমার না বেশ খুশিই লাগছে....

বুঝেছ?

বাইরে গিয়ে সিগারেট টানা দরকার।

কেমন অস্বস্তি লাগছে।

আমার এনগেজমেন্টটা ভেঙে গেল।

আমার তো বাবা-মা নেই।

হাই স্কুলের সিনিয়র ইয়ারে থাকতে একদিন অনেক রাতে পড়ছিলাম।

হোমরুম টিচার রুমে এসে কেমন অদ্ভুতভাবে তাকিয়ে রইলেন।

যেন পারলে, তখনই আমাকে ফাঁসির দড়িতে ঝুলিয়ে দেয়!

মুভিতে যেভাবে দেখায় আরকি।

যাইহোক, তো উনি তখন...

আমাকে হাসপাতালে যেতে বললেন।

কারণ জিজ্ঞেস করতেই বললেন,

যদি উনি আগেই জানাতেন যে,

আমার মা-বাবা ও বোন গাড়ি দুর্ঘটনায় মারা গেছে,

তাহলে তো আমি কোনোভাবেই ঐ অবস্থা সহ্য করতে পারতাম না।

আহ...আচ্ছা।

তখন থেকেই "কে" আমার সাথে আছে।

কে?

পরিচয় হয়েছে তো, প্রডিউসার কাং ছোউ-কিয়া?

নামটা সেকেলে, তাই আমি 'কে' বলে ডাকি।

বাসায়, ও আমার মা।

অফিসে, ও আমার বাবা।

মন খারাপের দিনে, ও আমার ভাই।

কখনোবা ও আমার প্রেমিক।

যদিও আস্ত একটা ভীতুর ডিম।

কিস করি তোমাকে?

কিস করতে ইচ্ছে করছে?

বোকা ছেলে।

দেখাও দেখি।

ওহ-হো।

ঠিক বলেছো, আমি বোকা।

দরজা খোলো। ঠিক আছো তুমি?

তাকাবে না, বোকা।

বোকা! বোকা! বোকা!

জন্মেছি আমি ভালোবাসতে তোমায়।

তোমারই বাঁধনে বেঁধে রেখেছ আমায়।

ক্যাট গার্লের কণ্ঠে "পরজন্মে আমি হতাম"

শুনতে চেয়েছে লিটল মারমেইড।

- গানটা আপনিই লিখেছেন, ক্রিম? - হ্যাঁ।

চলুন তাহলে শুনে আসা যাক, "পরজন্মে আমি হতাম"!

(খাওয়া দাওয়া করেছ?)

(আমার এই তো প্রায় শেষ!)

জি, বস।

এক্ষুনি আমার অফিসে এসো।

আচ্ছা।

কাং সাহেব!

কাং সাহেব!

আমি সব শুনেছি৷ এক্ষুনি বসের সাথে কথা বলে দেখছি আমি ব্যাপারটা।

আপনার মতো জিনিয়াস লোককে উনি এভাবে বের করে দিতে পারেন না!

আমাকে বের করে দিচ্ছে না তো।

ওই একই কথা।

- আপনার সাথে অন্যায় হয়েছে। - আমি তো একটু ছুটিতে যাচ্ছি।

তাই নাকি? কিন্তু আমি তো খবর শুনলাম অন্যরকম!

আসলে, আমি লেখাপড়া করতে কিছুদিনের জন্য আমেরিকা যাচ্ছি।

সত্যি? তাহলে তো বসের কাছে গিয়ে কোনো লাভ নেই।

কিম সাহেব, যা কিছু করেছেন, অনেক অনেক ধন্যবাদ।

- কী যে বলেন না। - মিনছড়া, তোমাকেও।

আহ, মিনছড়া। ডেমো টেপটা দাও উনাকে, জলদি।

অমা! চই সাহেব! চই সাহেব! দাঁড়ান! একটু শুনে যান!

মিনছড়া...

সুরটা সুন্দর তো।

একটা সুন্দর গানও লিখে ফেলো।

আচ্ছা, বিয়েটা আসলে কী?

বিয়ে?

বিয়ে।

- বিয়ে হলো... - দাঁড়াও।

বিয়ে হলো একটা টুথব্রাশ হোল্ডার।

তা কীভাবে?

দেখো, একটা মাত্র হোল্ডারে, অনেকগুলো টুথব্রাশ থাকে।

এর সাথে বিয়ের সম্পর্ক কী?

একইসাথে ঘর করা অনেকটা, একই হোল্ডারে থাকা...

দুটো টুথব্রাশের পাশাপাশি থাকার মতোই।

তাহলে তো আমাকে বিবাহিতই বলতে হয়।

ধুর বোকা! বিয়ে ছাড়া বিবাহিত হবে কী করে?

তাই তো?

হিসু চেপেছে।

শুধু তুমি

এই 'তুমি'কে তো বেশ ভাগ্যবান মনে হচ্ছে।

শুনবে নাকি?

উন ওন আর আমার একসাথে থাকার ব্যাপারটা নিশ্চয়ই আপনাকে ভাবাচ্ছে।

কিন্তু চিন্তা করার মতো আসলে কিছুই নেই।

আমার এতে কোনো সমস্যা নেই।

আপনি ওর জন্য যা কিছু করেছেন তার জন্য আমিই কৃতজ্ঞ।

আমাদের আরও বেশি দেখা সাক্ষাৎ করা উচিত।

একসাথে কোথাও ঘুরে আসা যাক চলুন।

যাওয়া যায়।

ও বলল, বিয়ের ড্রেসটা আপনার সাথে গিয়ে পছন্দ করতে চায়।

ওর ছোট ছোট পাগলামিগুলো ভালোই লাগে।

আমি কেন?

দেখুন,

ওর খুশিতেই আমার খুশি।

প্লিজ, ওকে ফিরিয়ে দেবেন না।

মনে হয় না,

এরপর

আর কখনো কষ্ট করে ওর কোনো উপকার করতে হবে।

অবশ্যই।

ওকে দেখে রাখবেন, প্লিজ।

অবশ্যই।

এখন তো ও আমার স্ত্রী।

চা ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে।

কেমন লাগছে?

খুব সুন্দর।

এখন তো তাহলে বরের স্যুটটা ট্রাই করে দেখা যাক।

আমি তো বর নই।

পরেই দেখো না।

এদিকে এসো।

আরে, আসো না।

আমাদের একটা ছবি তুলে দিতে পারবেন?

থ্রি বললে। ওয়ান, টু, থ্রি।

বাইরে অপেক্ষা করো। অন্য কিছু পরে দেখি।

সবক'টা ঘড়ির কাঁটা কেন থেমে আছে?

এমনিই।

একটা চালু করে দেই?

কেন?

এমনিই।

এমনিই?

যাও।

জোয়িনা?

একটা উপকার করতে পারবে?

কী উপকার?

সামনের কয়েক বছর ওর অ্যানিভার্সারিতে ফুল পাঠাতে হবে।

হুট করে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেলে, সন্দেহ করতে পারে।

আমার আরও একটা শর্ত ছিল, মনে আছে?

কী?

শেষ ক'টা দিন আমার সাথে কাটাও।

টিকেট বুক করে ফেলেছো?

ফোনের চার্জ শেষ।

ওহ, হ্যাঁ।

কী রান্না করছো?

আমার ফোনের চার্জ শেষ।

ফোনে চার্জ দিয়ে, পরে কল দেবো।

বাই।

কী অবস্থা?

আমাকে ওখানে রেখে ওভাবে চলে এসেছিলে কেন তুমি?

তোমার কল এসেছে।

নিজেকে ভাবোটা কী তুমি!?

তোমার আবার কী হলো?

আমার ফোনে হাত দেওয়ার অধিকার কে দিয়েছে তোমাকে?

সাহস কীভাবে হলো...

আমার সাথে যা ইচ্ছে করার অধিকার কোথায় পেলে তুমি?

কাকে চাই?

কে বাসায় আছে?

কে?

তোমার সাথে একজন দেখা করতে এসেছে।

ও তো খুবই সুন্দর। এখন বুঝলাম, কেন ওকে এত ভালোবাসো।

তোমার মনে হয়, ও ভালো আছে?

কী বলতে চাও?

ওকে দেখে তো খুশি মনে হলো না।

আগামী তিন বছর ওকে এগুলো পাঠাতে পারবে?

সুন্দর তো।

একটু বেশিই সুন্দর।

কেমন মেকি মেকি লাগছে। তোমার ভালোবাসার মতন।

তাহলে খাঁটি কোনটা?

খাঁটি?

খিদে পেলে, খাবে। কষ্ট পেলে, কাঁদবে।

খুশি হলে, হাসবে। অমন করে চেপে রাখবে না।

আসলেই এভাবে মরতে চাও তুমি?

না!

এভাবে মরতে চাই না আমি।

হাসি নিয়ে বাঁচতে চাই।

আগামীকাল ওর জায়গাতে উন ওনকে আমি...

আমার করে পেতে চাই।

কিন্তু...

এসব শুধুই স্বপ্ন।

দুঃখী এক মানুষের স্বপ্ন।

আমি আর মিথ্যে স্বপ্ন দেখতে চাই না।

স্লিপ টাইট অ্যান্ড সুইট ড্রিমস।

খেয়েছ? - ক্রিম

থ্যাংকস।

তোমার সাথে কথা নেই।

সরি।

কীসের জন্য?

সবকিছুর জন্য।

আমিও সরি।

কীসের জন্য?

সবকিছুর জন্য।

তোমায় ভালোবাসি।

তোমাকে ভালো লাগে।

আমারও।

এ তো পুরো সিনেমার গল্প।

কাং মানুষটা তো দারুণ ছিল। জানতামই না।

ওদের সাথে যোগাযোগ করার কোনো উপায় আছে? সেই ডেন্টিস্টের কী খবর?

পরে মেয়েটার কী হলো কে জানে।

চলুন, এটাই রেকর্ড করি।

সত্যি? আমি এক্ষুনি ফোন করছি।

না, অন্য গানটা।

ওহ, অন্য গানটা।

দেরি হয়ে গেল, বের হচ্ছি।

উঠে খেয়ে নিও৷ নাস্তা বানিয়ে রেখেছি।

এগুলো আবার কী?

উমম, এগুলো ব্রেনকে আরও সচল করে তোলে। ভিটামিন এবিসি।

এসব ওষুধ কোথায় পেয়েছেন?

এগুলো তো আমার বন্ধুর ওষুধ।

আপনার বন্ধু কতদিন হলো এগুলো নিচ্ছেন?

কেন?

প্রচন্ড ব্যথা না হলে তো, এই ওষুধ দেয়ার কথা না।

মানে?

এসব ওষুধ ক্যান্সার বা লিউকেমিয়ায় আক্রান্ত রোগীরা ব্যথা দূর করতে খায়।

মরণব্যাধিতে আক্রান্ত রোগীরা।

কখনো সেবাসনদের নাম শুনেছেন?

যেখানে মুমূর্ষু রোগীরা...

পরিবারের সম্মতিতে থাকে।

আম্মা!

আমরা না আসা পর্যন্ত বাসাটা দেখে রেখো।

আপি, আবার দেখা হবে!

না!

ভিটামিন এবিসির আসল পরিচয় যখন জানতে পারলাম..

যখন এর সত্যিকারের প্রয়োজন বুঝতে পারলাম,

আমার পুরো দুনিয়া যেন তলিয়ে যাচ্ছিল অন্ধকারে।

কী হয়েছে?

কে'র আগেই যেন আমার মৃত্যু হলো।

পরিবারকে হারানোর বছরখানেকের মাথায় কে'র সাথে দেখা হয় আমার।

তিন ঘণ্টা পার হলেও...

ও সেখানে পাথরের মতো জমে দাঁড়িয়েছিল।

মায়ের যাওয়ার পথের দিকে তাকিয়ে অবিরাম কেঁদেই যাচ্ছিল।

বড় হবার আগ পর্যন্ত, এসব খরচ করে তোমার বেশ চলে যাবে, ছোউ-কিয়া।

ওকে আমার থেকেও বেশি দুঃখী আর অসহায় লাগছিল।

কারো বুকে আমার থেকেও বেশি আশ্রয়ের দরকার ছিল ওর।

কিছু বলবে নাকি?

কী বলবো?

তোমার কোনো গোপন সত্য?

কিছু তো বলো। শুনছি আমি।

তোমাকে আমার ভালো লাগে।

গাধা কোথাকার!

তোমার কোনো শেষ ইচ্ছে আছে?

হঠাৎ এসব প্রশ্ন করছো?

এমনিই মনে হলো হঠাৎ।

যদি ইচ্ছেমতো দুনিয়ার যে কোনোকিছু নেয়া সুযোগ পেতে?

কে মারা যাচ্ছে।

ভালো একটা ছেলে দেখে, বিয়ে করে নাও।

তোমাকে করলে কেমন হয়?

আমি তো ভালো ছেলে নই।

তাহলে আর কে?

সুস্থ... সুন্দর কেউ।

যে তার নিজের পরিবারের যত্ন নিতে জানে।

চোখের সামনে অমন ছেলে নিয়ে বসে আছি।

আর কে বলছে অন্য কাউকে খুঁজতে।

বলেছিল, এটাই ওর শেষ ইচ্ছা।

কাং ছোউ-কিয়া

যখন শুনলাম কে অজ্ঞান হয়ে গেছে,

পাগলের মতো ছুটে এলাম ওর কাছে,

কিন্তু আমি...

নিজের উদ্বেগটাও প্রকাশ করতে পারছিলাম না।

না, ডক্টর।

কিন্তু ওর তো জানা উচিত।

কী করবে তুমি তাহলে?

জানি না।

মাঝে মাঝে মনে হয় যেন গলায় একটা কাঁটা বিঁধে আছে।

ঠিক এখানে।

ঠিক এখানে এসেই সব কথা আঁটকে যায়।

শত চেষ্টায়ও বলতে পারি না।

ও তো ওর মতো বাঁচতেই পারবে। নিজের কথা ভাবো।

ও সবার মতো না।

কাউকে ওর পাশে সবসময় লাগবে।

- হ্যালো। - ওই দেখো নায়ক যাচ্ছে।

আগাগোড়া হিরার টুকরা!

আমি একজনকে বেছে নিলাম।

কোন দিকে মুখ লাগিয়েছেন?

মানে?

আমার তো এনগেজমেন্ট হয়ে গেছে।

ধুর ব্যাটা। তোর বিয়ে ঠিক হলেই আমার কী?

আমার কে'র জন্য, কয়টা দিন শুধু এ নাটকের অংশ হলেই চলবে।

আমার ভালোবাসা মিথ্যে নয়।

অবশ্য অতকিছু ভাবার সময়ও নেই।

আমার ভালোবাসার মানুষটা মরতে বসেছে!

পরজন্মে আমি হতাম... আংটি? চশমা?

বিছানা? ডায়েরি?

এসব হয়ে জন্মে লাভটা কী?

এসব হয়ে জন্মালে তুমি কিনে, সবসময় নিজের সাথেই রাখতে পারবে।

কী হলো? তুমি ঠিক আছো তো?

দেখি, তোমার হাত দাও তো।

যাচ্ছো কোথায়?

নিজেকে কথা দিলাম।

একটাবার ফিরে তাকালেই, আমি বলে দেবো।

একটাবার ফিরে তাকালেই, দুহাতে জড়িয়ে ধরে, সব নাটকের ইতি টানবো।

কিন্তু কে ফিরে তাকায়নি।

আমারও আর করার কিছু থাকলো না।

তা তুমি, ভাতের বদলে নুডুলস কেন খাচ্ছো শুনি?

অত কষ্ট করতে ইচ্ছে করলো না আরকি।

- মজা হয়েছে না?? - হুম।

ওর সাথে বসে যখন নুডুলস খাচ্ছিলাম,

খুব বলতে ইচ্ছে করছিল, "আমাকে একা রেখে মরে যেও না, পাগলটা!"

কিন্তু কথাগুলো যেন পানির সাথেই গলা দিয়ে নামিয়ে ফেলতে হলো।

"আমায় সব বলে দাও। একটাবার জড়িয়ে নাও। আমিও মরতে চাই তোমার সাথে।"

তোমার পিছু পিছু যেতে চাই আমিও। দিতে চাই তোমার ভালোবাসার প্রতিটি হাসির প্রতিদান।"

কিন্তু না, চুপচাপ আরেকটু পানি খেয়ে নিলাম।

তারপর নুডুলসটা শেষ করলাম।

একটা মাত্র হোল্ডার, কিন্তু তাতে অনেকগুলো টুথব্রাশ।

দেখো, একটা মাত্র হোল্ডারে, অনেকগুলো টুথব্রাশ থাকে।

একইসাথে ঘর করা অনেকটা,

একই হোল্ডারে দুটো টুথব্রাশের পাশাপাশি থাকার মতোই।

তাহলে তো আমাকে বিবাহিতই বলতে হয়।

ধুর বোকা! বিয়ে ছাড়া বিবাহিত হবে কী করে?

তাই তো?

আমরা কয়েকদিনের মধ্যেই বিয়ে করে নিলে কেমন হয়?

বাইরে অপেক্ষা করো। অন্য কিছু পরে দেখি।

সাহস কীভাবে হলো...

আমার সাথে যা ইচ্ছে করার অধিকার কোথায় পেলে তুমি?

সরি।

বলতে চেয়েছিলাম, ভালোবাসি।

একটাবার মুখ খুলে ভালোবাসি বলতে চেয়েছিলাম।

কিন্তু, আমি জানতাম, বলতে গেলে কিছুতেই কান্না থামাতে পারবো না।

তাই, আবারও চুপ হয়ে গেলাম।

আমার সাথে আবার কখন কথা বলবে?

এতক্ষণ তোমার সাথে কত চিৎকার করলাম দেখলে না?

কই?

গাধা।

আমি তো কিছুই শুনলাম না।

তবে কি আর নীরব লোকে প্রেমে পড়তো?

ভালোবাসি।

আমিও।

সত্যিই বিয়ে হয়েছিল আমাদের।

কারণ, হাত ধরে দুজন হেঁটে গেছি ছায়াপথ!

"হ্যাভেন'স গেইট রেস্টিং প্লেস"

দাঁড়াও! দাঁড়াও!

কক্ষনো পারো না তুমি!

এই বুদ্ধি নিয়ে লেখালেখি করো কীভাবে?

কিস করা হয়ে গেল না তো আবার?

আমাদের একটা ছবি তুলে দিতে পারবেন?

থ্রি বললে। ওয়ান, টু, থ্রি।

জন্মেছি আমি ভালোবাসতে তোমায়। তোমারই বাঁধনে বেঁধে রেখেছ আমায়।

-উন ওন-

নুডুলস বানাচ্ছি। খাবে নাকি?

না, কাজ করছি আমি।

সত্যি তো?

হ্যাঁ বাবা, কাজ করছি তো।

- একটাই বানাচ্ছি তাহলে! - ওকে।

পরে আবার চাইতে এসো না।

- অ্যাই! - কী হলো?

আর ডিম নেই! দাও আমাকে।

খালি ভাবি, এই নুডুলস যে কে আবিষ্কার করেছে।

তুমি না বললে, খাবে না।

এখন ইচ্ছে করছে।

ভাত আছে?

দাঁড়াও। ফ্রিজে আছে একটু।

ছোউ-কিয়া... আমিও আসছি পিছু পিছু।

চিন্তা কোরো না।

আমি জানি। চিরদিন এভাবেই আমায় পথ দেখাবে তুমি।

মনে আছে?

বলেছিলাম না, আমি সবসময় তোমার সাথেই থাকবো।

তুমি যেখানেই যাও।

যত দূরেই যাও।

ঠিক খুঁজে নেবো তোমায়।

তুমি আবার তখন গাল ফুলিয়ে বসে থেকো না যেন।

একা একা এত দূরে

তোমার পিছু নিয়ে চলে এসেছি বলে

আবার রাগ কোরো না যেন।

দেখো, দোষ যারই হোক

আমার সাথে রাগ করলে কিন্তু,

কান্না করে দিবো।

ওপারে যখন দেখা হবে,

আর কখনো কান্না করবো না আমরা।

একটু দাঁড়াও...

...আমি আসছি!

..Bangla Subtitle Created By.. :.:.: S E R I A L K I L L E R :.:.:

Translated By SARAH IQBAL FUAD ANAS AHMED

Edited By FUAD ANAS AHMED

..Bangla Subtitle Created By.. :.:.: S E R I A L K I L L E R :.:.:

For Latest Updates, Follow Our Facebook Page: www.facebook.com/skbd2017 And Our Website: www.SerialKillerBD.com

:.:.: S E R I A L K I L L E R :.:.:

Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.