Afrikaans
Akan
Albanian
Amharic
Armenian
Azerbaijani
Basque
Belarusian
Bemba
Bihari
Bosnian
Breton
Bulgarian
Cambodian
Catalan
Cebuano
Cherokee
Chichewa
Chinese (Simplified)
Chinese (Traditional)
Corsican
Croatian
Czech
Danish
English
Esperanto
Estonian
Ewe
Faroese
Filipino
Finnish
French
Frisian
Ga
Galician
Georgian
German
Greek
Guarani
Gujarati
Haitian Creole
Hausa
Hawaiian
Hebrew
Hindi
Hmong
Hungarian
Icelandic
Igbo
Indonesian
Interlingua
Irish
Italian
Japanese
Javanese
Kannada
Kazakh
Kinyarwanda
Kirundi
Kongo
Korean
Krio (Sierra Leone)
Kurdish
Kurdish (Soranî)
Kyrgyz
Laothian
Latin
Latvian
Lingala
Lithuanian
Lozi
Luganda
Luo
Luxembourgish
Macedonian
Malagasy
Malay
Malayalam
Maltese
Maori
Marathi
Mauritian Creole
Moldavian
Mongolian
Myanmar (Burmese)
Montenegrin
Nepali
Nigerian Pidgin
Northern Sotho
Norwegian
Norwegian (Nynorsk)
Occitan
Oriya
Oromo
Pashto
Persian
Polish
Portuguese (Brazil)
Portuguese (Portugal)
Punjabi
Quechua
Romanian
Romansh
Runyakitara
Russian
Samoan
Scots Gaelic
Serbian
Serbo-Croatian
Sesotho
Setswana
Seychellois Creole
Shona
Sindhi
Sinhalese
Slovak
Slovenian
Somali
Spanish
Spanish (Latin American)
Sundanese
Swahili
Swedish
Tajik
Tamil
Tatar
Telugu
Thai
Tigrinya
Tonga
Tshiluba
Tumbuka
Turkish
Turkmen
Twi
Uighur
Ukrainian
Urdu
Uzbek
Vietnamese
Welsh
Wolof
Xhosa
Yiddish
Yoruba
Zulu
অনুবাদ আয়োজনেঃ Funds Of Bangla Subtitle
আমাদের দুনিয়া কখনই থেমে থাকে না,
বদলাচ্ছে,
বিকশিত হচ্ছে।
প্রতিদিন, আমরা আমাদের প্রাত্যহিক কাজ করি।
চাকরি, বাড়ি, পরিবার।
কিন্তু আমরা কে?
আমি কে?
তোমার ধারণা তোমার সুন্দরী বধুকে চিনো তুমি...
আদরের সন্তানদের চিনো...
আর তোমার বসদের চিনো।
কিন্তু যদি না চিনে থাকি?
আর সত্যিটা হচ্ছে...
একবার এটি জেনে গেলে...
সবকিছু বদলে যেতো।
আবার দু:স্বপ্ন দেখেছ?
হ্যাঁ। দু:খিত।
প্লিজ কাউকে দেখাও।
তোমাকে নিয়ে আমি চিন্তিত, মেয়েরাও চিন্তিত।
ঠিক হয়ে যাবো।
আরো ভয়াবহ দু:স্বপ্নের কথা শুনতে চাও?
একজনের বর...
তার সমস্যা সমাধান করতে চায় না,
তাই তার বউ ঘুম কম হওয়ায় পাগল হয়ে যায়,
আর তাকে জানালা দিয়ে ধাক্কা মেরে ফেলে দেয়।
সমাপ্তি।
বাদর দেখে, বাদর খেলে!
হেই, কী করছো তুমি?
বাদরের সাথে খেলছি। তুমি আমার এসিস্ট্যান্ট হতে পারো।
এসিস্ট্যান্ট হতে পারি? এসিস্ট্যান্ট হতে পারলে খুশিই হবো,
কিন্তু আমাকে সময়মতো অফিসে যেতে হবে।
কিন্তু আমি কি বলি শুনো?
ইদানিং সবাই যেহেতু প্রচুর পরিশ্রম করছি, ঠিক না?
বিশেষ করে হার্মান।
বিশেষ করে হার্মান, আমিও সেটাই ভাবছিলাম।
আজ তাড়াতাড়ি ছুটি নিয়ে সবাই মিলে ঘাটে যাচ্ছি না কেন?
হ্যানাকেও যেতে হবে?
- হ্যানাকেও যেতে হবে। - হ্যাঁ, তোমার বড়বোনকেও যেতে হবে।
কিন্তু ওকে ভালো সময় কাটাতে বাধ্য করবো আমরা,
আর না হলে... তোমাকে দেখাই। কী করবো তা দেখিয়ে দেই।
না, না!
থামো, থামো, থামো!
যাইহোক, কোথায় ও?
- অনুমান করো। - ওহ।
- বাই, ড্যাডি। - বাই, লুস।
ওহ, স্যামান্থা বারবার জিজ্ঞেস করছে
আমার প্রমোশনের জন্য পার্টিটা কবে করছি।
ওহ, হ্যাঁ, আম...
- কালকেই করি চলো। হ্যাঁ। - তাই?
আচ্ছা।
বন্ধুদের চেহারা ভুলে যেতে শুরু করেছি আমি।
হা-হা।
- লাভ ইউ। - তোমাকেও।
ঘাটে!
- গুড মর্নিং। - লবিতে?
হ্যাঁ, প্লিজ।
বাইরে আবহাওয়াটা সুন্দর।
এলিভেটর চলার সময় কথা বলবেন না, প্লিজ।
ওহ, ঠিক।
আচ্ছা।
ওহ, দেখো কান্ড, পারফেক্ট টাইমিং।
- পিট। - হেই।
মিস এলিভেটর মানবী।
কা-জ কেমন চলছে?
মেশিনের মাত্র একটা চাকায় সমস্যা, স্যার।
কর্পোরেটের কাছে অভিযোগ করতাম, কিন্তু কে শুনবে আমার কথা?
ধন্যবাদ, মিস।
হেই, মি. রাইট?
রাতে ম্যাগির সাথে দেখা করতে পারি?
অবশ্যই। হেই, নতুন সাউন্ড সিস্টেম লাগিয়েছি আমরা।
- আজ নাচানাচির সময়! - জোস!
আসলে, আজরাতে পারিবারিক সময় কাটানোর প্ল্যান করছিলাম।
আচ্ছা, ভালো। অন্য আরেকদিন।
এনজয়!
- কী করার চেষ্টা করছো? - দাঁড়াও, দাঁড়াও! না, না! দাঁড়াও, দাঁড়াও, দাঁড়াও!
জানি গত কয়েক সপ্তাহ আমি ঠিক ছিলাম না।
সপ্তাহ?
ভালো অপমান ছিল ওটা।
ধন্যবাদ।
পরিবার হিসেবে সময় কাটাতে পারি প্লিজ?
তোমাদের সত্যিই পুষিয়ে দিতে চাই আমি।
তো কী করবো আমরা?
জানি না।
উপরতলায় গিয়েই বোধহয় জানতে হবে তোমাকে।
ধুত্তেরি!
রিসেট।
বাহ। শেষ কবে তোমাকে মেশিন নষ্ট করতে দেখেছিলাম মনে করতে পারছি না।
বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে দুটো সিস্টেমই পুড়িয়ে ফেলেছে।
ঠিকঠাক ঘুম হচ্ছে?
হ্যাঁ। মানে, ভালোই।
একটা হাস্যকর কথা জানো, একজনের সাথে কথা বলছিলাম
আর ওরা আমাকে একটা ক্লিনিকের কথা বলছিল যেখানে লোকজন যায়...
মানে, অনিদ্রা আর টেনশনের জন্য।
চাইলে নম্বরটা এনে দিতে পারি।
- শুধু চেষ্টা করছি... - না, না। সামান্য একটা ভুল এটা।
ঠিক করে ফেলবো।
অবশ্যই৷ বুঝেছি।
আচ্ছা।
- কিছু লাগলে আমাকে জানিও। - আচ্ছা।
ওহ, আম... ডেভিড?
আজ তাড়াতাড়ি ছুটি পাওয়ার কোন সম্ভাবনা আছে?
নম্বরটায় কল দিবে তো?
হ্যাঁ।
ঠিক আছে।
লক্ষ্যটা হবে প্রেসকট, কল্ডার আর উইলো জুড়ে ড্রেনেজ সিস্টেম আপডেট করা।
এখন, আমার বিশ্বাস যদি এই রাস্তাগুলোর নিচের টানেলগুলোয় মনোযোগ দেই,
শহরের পশ্চিমাঞ্চলের জলাবদ্ধতা ৩০% কমিয়ে আনতে পারবো।
সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আজ এতোটুকুই।
সংস্কারটা আরো বহু আগেই করা উচিত ছিল।
হেই, আজ দারুণ বলেছ, অ্যাল।
- ধন্যবাদ। - একদমই না।
তোমাকে পদোন্নতি দেওয়ায় সুনাম বাড়ছে আমার।
আজ রাত অবধি কাজ করবে,
পানি আর বিদ্যুৎ ব্যবস্থা কিভাবে ঠিক করা যায় তা নিয়ে কথা বলতে?
ওহ, আমি আসলে আজ জলদি ছুটি নেওয়ার কথা বলতে চাচ্ছিলাম।
- আচ্ছা। - ধন্যবাদ।
[ হোল লাইফ সুস্বাস্থ্য সেন্টার ]
তাদেকে একটা সুযোগ দিলে, হয়তো এই গ্রহের উপকারেই আসবে।
তাছাড়া, পছন্দ হোক না হোক, তারা এখানে থাকতেই এসেছে,
তাই আমাদেরকে সম্ভাবনা ভেবে দেখতে হবে
তাদেরকে আপনার, আমার মতো একই অধিকার দেওয়া যায় কিনা।
আপনার, আমার মতো একই অধিকার? তাদের কোন অধিকারই নেই।
কোন এক পর্যায়ে, তারা মাথা তুলে দাঁড়াবে,
আমাদের পাকড়াও করবে, আমাদের দমন করবে।
ওকে? তারা মানব সভ্যতাকে জয় করবে।
আমি আতঙ্কসৃষ্টিকারী হতে চাই না, কিন্তু এটিই ঘটছে,
আমরা এটি ঘটতে দেখছি, আর আমাদের এখনই ব্যবস্থা নিতে হবে!
অ্যালিস!
ওটা... ওটা দেখতে পাচ্ছেন? লাইটটা দেখতে পাচ্ছেন?
ওই লাইটটা?
[ সিটি অ্যান্টিকস ]
সে সম্ভবত কাজে আটকে গেছে।
তার জন্য অজুহাত দিতে হবে না তোমাকে।
তোমার তার উপর রাগ করার অধিকার আছে, সোনা।
তার কল দেওয়া উচিত ছিল।
সে তোমাকে ভালোবাসে, জানোই তো।
হ্যাঁ, জানি।
গুড নাইট।
হেই, আমি সত্যিই দু:খিত।
- তোমার কেনাকাটা করার সময় আছে দেখছি। - ওহ, এটা মেয়েদের জন্য এনেছি।
তাতো বটেই।
- একটু ছাড় দিবে আমাকে? - ছাড়? ঠিক কিসের থেকে?
- আমার থেকে? নাকি মেয়েদের থেকে? - আমি সেটা বলছি না।
আচ্ছা, যেসব করছো তা দেখে তো এমনই লাগছে।
ওই দু:স্বপ্নগুলো দেখেছি,
আজকে... কাজের সময়।
আমি জ্ঞান হারিয়েছিলাম, সেইজন্যই দেরি হয়েছে।
পিটার, আ...
আমি তোমাকে নিয়ে চিন্তিত, ওকে?
জানি।
এটা আমি, তোমার মেয়ে ওরা, ওরাও তোমাকে নিয়ে চিন্তিত।
আমি না...
বুঝতে পারছি না কেন তুমি সাহায্য নিতে চাইছো না।
ওরা ব্যস বলবে এটা আমার কল্পনা।
কারণ এটা তো তোমার কল্পনাই।
আম্মু?
তোমরা ঝগড়া করছো কেন?
ভয় নেই, বাবু। আসো। সব ঠিক আছে।
আম্মু, ওঠো।
আম্মু, প্লিজ, ওঠো।
প্লিজ।
প্লিজ।
আম্মু, ওঠো।
আম্মু, প্লিজ, ওঠো।
- মেয়েরা! - না, না, না, না! থামো!
মেয়েরা!
হেই, মেয়েরা! মেয়েরা! একটু থামো, প্লিজ।
- আমার ব্রিফকেস কোথাও দেখেছ? - না!
[ হোল লাইফ সুস্বাস্থ্য সেন্টার ]
মর্নিং, খুকুমণিরা।
কাল রাতের ব্যাপারে কথা বলতে পারি?
হ্যানা...
হেই, আমি দু:খিত।
হেই, হার্মানের কী হয়েছে?
- ও আর কথা বলছে না। - তাই?
হয়তো তোমার উপর রাগ করেছে।
ওহ।
বেশ...
ওর রাগ করার অধিকার আছে।
হেই, লুস, হার্মানের সাথে কথা বলতে পারি?
হার্মান, তোমার হতাশাটা বুঝতে পারছি,
আর...
জানি ক্ষমা চাইলেই সব মাফ হয়ে যাবে না,
তবু কালকের পারিবারিক রাত মিস করায় দু:খিত।
চাইলে, ওকে পরীক্ষা করতে পারি আমি,
কথা বলাটা ঠিক করতে পারি কিনা দেখি।
ও আবার কখন কথা বলবে?
এই তারগুলো আবার জোড়া লাগালেই মনে হয়...
আচ্ছা, হার্মান, কী বলো তুমি?
বাদর দেখে, বাদর খেলে!
ধন্যবাদ, বাবা।
বাদর দেখে, বাদর খেলে!
ডাক্তারটাকে ফোন করেছি।
আজ কাজ শেষে আমাকে দেখবে।
সত্যি?
হ্যাঁ। অবশ্যই।
হোল লাইফে,
আপনার মানসিক স্বাস্থ্যই আমাদের এক নম্বর অগ্রাধিকার।
আপনার সেরা চরিত্রে রুপান্তরিত হোন,
আমাদের স্বচ্ছ আর বিশেষজ্ঞ সার্ভিসের মাধ্যমে, খরচহীন ভাবে,
সুখী ও স্বাস্থ্যবান সমাজ গড়ে তোলার লক্ষ্যে।
কী দেখেন আপনি?
স্যরি, কী?
ঘুমে সমস্যা হচ্ছে আপনার, ঠিক না?
- হ্যাঁ। - হ্যাঁ। হ্যাঁ।
কিছু একটা আসছে।
কিছু একটা আসছে মানে?
লাইটগুলো।
হ্যাঁ, দূর আসমানে।
সব লোকজনের ছুটাছুটি...
মৃত্যুবরণ।
আপনার কাছের কাউকে দেখেন আপনি?
আমরা একা নই।
কিন্তু তারা... তারা আমাদের ভবিষ্যতটা জানতে দিতে চায় না।
তারা আমাদের নিয়ন্ত্রণ করতে চায়, আমাদের প্রশ্ন থামাতে চায়।
সেইজন্যই আমাদের চিন্তা মুছে ফেলে তারা, কারণ আমরা ভবিষ্যত জেনে গেলে...
- বিশৃঙ্খলা। - ক্রিস।
ভিতরে যেতে চান আপনি?
আমরা পাগল না।
শুধু...
আমার এইসব থামানো দরকার।
গ্রহ খালি করার কাজ চলছে।
ওরা ফিরে আসবে।
ফ্যাক্টরিতে দেখা হবে।
কেমন গেল?
গিয়েছিলাম...
আর কী বললো ওরা?
আসলে...
উনি কিছু বলার সুযোগ পাননি।
দেখা করার আগেই চলে এসেছি।
আমার কথাটা শুনো।
যদি এইসব দেখা আমার নিয়তি হয়ে থাকে?
কিংবা এইসব স্বপ্ন দেখা?
যদি ভবিষ্যতে খারাপ কিছু থাকে...
আর এটা কোন সংকেত হয়?
থামো। ব্যস...
আমাদের বন্ধুরা শীঘ্রই চলে আসবে, প্লিজ ঠিক থাকার চেষ্টা কোরো।
স্যরি। আমি স্যরি।
টানেল সিস্টেমটা এতোটাই পুরানো, কেউই কাজটা নিতে চায়নি, এই আর কি।
এই প্রমোশনটা বিশাল ব্যাপার, অ্যাল। তোমার খুশি হওয়া উচিত।
- খুশি আমি। - ভালো।
হেই, হেই...
তাকে নিয়ে চিন্তা কোরো না। রাতটা আজ তোমার, ওকে?
জানি।
- মা? - হ্যাঁ?
আব্বু তোমাকে জিজ্ঞেস করতে বলেছে হ্যানা আর লুসিকে বাসায় নিয়ে যেতে পারি কিনা।
- কেন? - গান বাজাতে।
ওহ, না, সোনা। চলে যাওয়াটা বেয়াদবি। ওকে?
গুড নাইট!
শেষ কয়েকজন মেহমান বিদায় নিচ্ছে, চাইলে বিদায় বলতে পারো।
কিংবা হ্যালো।
আমার বউ পাঠিয়েছে তোমাকে?
না, আরো খারাপ। আমার বউ।
জানো, আমারও মাঝেমাঝে আকাশে তাকাতে ভালো লাগে।
সবকিছু দৃষ্টিকোণে এনে দেয় এটা, তাই না?
আসলে কী জিজ্ঞেস করতে চাও?
জানি এই ব্যাপারে আমার কথা বলা সাজে না।
আমার মতে তুমি ভুল দিকে তাকাচ্ছো।
মানে, তুমি এখানে এসে আকাশের পানে মনোযোগ দিয়ে আছো,
যখন তোমার উচিত পরিবারের দিকে নজর দেওয়া।
দিচ্ছি তো।
ওইটা আবার কী?
ওটা দেখতে পাচ্ছো?
মজা নিচ্ছো? অবশ্যই পারছি।
কী ওটা?
ঠিক আছো?
ওটা কী ছিল?
সবাই, ভিতরে যাও! এখনই!
মেয়েরা! হ্যানা!
মেগান!
হ্যানা!
মেগান!
- মেগান! - হ্যানা!
হেই! হেই!
তোমার বোন কোথায়?
- আমি আম্মুকে চাই! - জানি, জানি, জানি। অ্যালিস!
- লুসি! - আম্মু!
- এদিকে আসো, বাবু। - তোমার বোন কোথায়?
- ওরা নিশ্চয় আমাদের বাসায়। - লুসির সাথে থাকো!
আমি হ্যানাকে খুজে নিয়ে আসছি।
ঠিক আছে। সব ঠিক হয়ে যাবে।
এটি একটি জরুরি সম্প্রচার।
প্লিজ আপনার নিকটতম সরকারি প্রতিষ্ঠানে চলে যান
আপনাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের লক্ষ্যে।
এটি একটি জরুরি সম্প্রচার।
প্লিজ আপনার নিকটতম সরকারি প্রতিষ্ঠানে চলে যান
আপনাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের লক্ষ্যে।
এটি একটি জরুরি সম্প্রচার।
মেগান!
মেগান!
- হ্যানা! - মেগান!
হ্যানা!
নিচু হও!
ওরা এখানে নেই।
আমি জানি কোথায় আছে।
ওহ, না।
শিপগুলোয় যাই থাকুক নিশ্চয় বিল্ডিংয়ে ঢুকে পড়েছে।
মেগান, নিচে আছো?
হ্যানা, নিচে আছো?
হ্যানা!
আসো, আমাদের নিচে নামতে হবে।
খুল!
জলদি!
বাবা! কী হচ্ছে?
- আসো, বাবু। ধরেছি তোমাকে। - ড্যাডি!
জলদি, আমাদের এখান থেকে বের হতে হবে!
আচ্ছা, আসো।
আব্বু তোমাকে ধরেছে, বাবু।
আসো। এই তো। এই তো।
চলো।
- মা আর লুসি কোথায়? - নিরাপদে আছে। নিরাপদে আছে।
রাস্তা ফাকা। তুলে দাও ওদের।
থামো। যাও দেখে এসো।
সব ঠিক আছে।
- আচ্ছা! চলো! - কিছু দেখেছ?
চলো! জলদি! জলদি!
হ্যানা! ঠিক আছো?
ওহ, খোদা। ঠিক আছো?
- লুসি! ও, খোদা। - চলো।
আসো, জলদি।
আচ্ছা, টেবিলের নিচে ঢুকো।
রেই স্যামকে আনতে গেছে আর তারপর এখানে এসে দেখা করবে।
- আচ্ছা। ভয় নেই। - হেই, একটু কথা বলা যাবে?
- বিল্ডিংয়ে কিছু জিনিস ঢুকেছে। - তোমার দু:স্বপ্নে,
এটাই দেখেছিলে তুমি?
- হ্যাঁ, এটাই দেখেছিলাম! - তাহলে কী করবো আমরা?
স্বপ্নে কী ঘটে? এরপর কী হবে? কী করবো আমরা?
- স্বপ্নে এরপর কী ঘটে? - স্বপ্নে... স্বপ্নগুলো গুছানো না।
ডেভিডকে দেখেছিলাম আমি।
মনে হয় আমাদের ফ্যাক্টরিতে যাওয়া উচিত।
আচ্ছা।
রেই আর স্যামের এতোক্ষণে চলে আসার কথা, ঠিক না?
দরজা আটকাতে হবে আমাদের।
- কী দিয়ে? - পিটার, আসো।
আচ্ছা। আসো, মেয়েরা। আসো।
বাবাকে সাহায্য করতে যেতে হবে আমার, ওকে?
তাই, হ্যানা, তোমার বোনকে দেখে রাখবে।
- ঠিক আছে? - যেও না!
ভয় নেই, বাবু।
অ্যালিস!
আমি এখনই আসবো।
এখানেই থাকো, ওকে?
দরজা খুলবে না।
খোদা, তোমাদের দুইজনকে অনেক ভালোবাসি।
আচ্ছা।
কী করছিস?
- হার্মান! - লুসি! ফিরে আয়!
যাও, যাও!
তোমার বোন কোথায়?
ও হার্মানকে খুজতে গেছে।
বাদর দেখে, বাদর খেলে!
তোমার ছায়াকে ভয় পাই না আমি।
আমার ক্ষতি করতে পারবে না তুমি।
লুসি!
এদিকে আসো!
আম্মু!
সাবধানে! মেয়েরা!
এদিকে আসো। এদিকে আসো।
আচ্ছা, আরো আসার আগেই চলো।
আচ্ছা, আসো।
আসো।
চোখ বন্ধ রাখো।
চোখ বন্ধ করো।
ওইগুলি আরো আছে?
ওরা বিল্ডিংয়ের উপরে যাচ্ছে।
সবাই চলে গেছে। সবাই চলে গেছে।
এখানেই থাকো।
ড্যাডি, যেও না!
না, না, না! থাকো!
আত্মা উড়িয়ে দিয়েছিলে, ভাই।
মেয়েরা কোথায়?
অ্যালিস, জায়গাটা নিরাপদ।
আচ্ছা, আসো। আসো।
ওহ, খোদা।
লুসি, হ্যানা!
লুসি!
মেগান, কোথায় ছিলে তুমি?
কী হচ্ছে?
হচ্ছেটা কী?
আমরা এখানে নিরাপদ থাকবো,
- ঠিক না? - শুধু আমার কাছাকাছি থাকো।
কারা ওরা?
কেন করছে এইগুলা?
ওই লোকগুলো!
কী করবো আমরা?
জানি না।
নিচু হও!
আম্মু!
কী হচ্ছে?
হেই, অ্যালিস। এইখানে থাকা যাবে না।
- আসো, লুসি। - চলো এইখান থেকে যাই।
- আচ্ছা, আসো। শান্ত থাকো। - কোথায় যাচ্ছি আমরা?
- একজন আরেকজনের হাত ছেড়ো না। - কোথায় যাচ্ছি আমরা?
মনে হয় এটা দিয়ে নিচে নামতে পারবো।
- এটা ব্যবহার করা উচিত। - কী? না।
- অ্যালিস! - না! না।
- মেয়েদের ওটায় উঠাবো না আমি। - অ্যালিস!
- না! ওটায় উঠবো না আমি। - ছাদ থেকে নামতে হবে আমাদের।
মেয়েদের বিল্ডিংয়ের মধ্য দিয়ে নিয়ে যাওয়া বা ওইটার মধ্যে
- উঠানো বেছে নিতে হলে... - এইখানে থাকলে, আমরা মরবো।
বিল্ডিংয়ের মধ্য দিয়ে গেলে, মরবো।
ব্যস বিশ্বাস রাখো, প্লিজ। আমার উপর বিশ্বাস রাখো।
এইসবের সময় নেই আমাদের। এতে কাজ হবে। চলো।
না!
- ওইখানে উঠতে চাই না আমি! - ভয় নেই, আসো।
- আচ্ছা, আচ্ছা। - না!
আচ্ছা।
- আসো। আমাদের সাথে আসো। - নামাও ওকে।
আমি যেতে চাই না, আম্মু!
বাবু...
ওহ, আম্মু, ভয় লাগছে!
এইখানে ভালো লাগছে না, আম্মু।
কী হচ্ছে?
আম্মু!
ধরেছি, তোমাকে ধরেছি!
- ধরে থাকো, ধরে থাকো! কেউ নড়ো না। - আমি নামতে চাই! নড়ো না!
ভিতরে ঢুকতে হবে।
না! লুসি, নিচে তাকিও না!
যাও, লুসি। জলদি।
জলদি! যাও, যাও, যাও!
- হ্যানা, চলো। - ওরা ভিতরে থাকতে পারে!
হ্যানা, আমাদের যেতে হবে!
জলদি, জলদি!
- ধরো! - যাও, যাও!
[ হ্যানা লুসি হার্মান ]
এই যে। একটা ফ্ল্যাশলাইট পেয়েছি।
জ্বালিও না ওটা, ওকে?
স্বপ্নে...
আমাদেরকে মারতে দেখেছিলে?
- আমাদের মেয়েদের মারতে দেখেছিলে? - আম্মু, ওঠো।
আম্মু, প্লিজ ওঠো।
পিটার, আমাকে বলতে হবে তোমার।
হেই, ভাগ্য কি খুললো?
প্রযুক্তিটা আমাদের থেকে খুব একটা ভিন্ন না,
কিন্তু এটার ট্রিগারটা বায়োমেট্রিক, যেটা শুধু মালিকেই চালাতে পারে।
- ওটা এড়াতে পারবে না? - সেটা নিয়েই কাজ করছি।
যেটাই হোক, এখানে বেশিক্ষণ থাকা ঠিক হবে না মনে হয়।
না, মনে হয় শহর ছেড়ে যাওয়া দরকার।
- লুকানোর কোন জায়গা খুজে সাহায্যের অপেক্ষা করি। - দাঁড়াও, দাঁড়াও...
আমি যে ফ্যাক্টরিতে কাজ করি, এখান থেকে বেশি দূরে না...
আর ওটা সরকারি বিল্ডিং।
আর এটা... এটা ওখানেই।
প্রায় দশ ব্লক দূরেই ওটা।
ওটা কি নিরাপদ?
এই মুহুর্তে কোন জায়গা নিরাপদ কিনা জানবো কিভাবে?
ওটার নিচে যা আছে তার কারণে। পুরোটাই মালামাল রাখার জায়গা।
জায়গাটা পুরো দূর্গের মতো।
মানে, ওইখানে পৌছাতে পারলেই চলবে।
হ্যাঁ, এখনও কিছু নড়লেই গুলি করছে ওরা।
দূর্ভাগ্যবশত, ওটাই আমাদের একমাত্র সুযোগ।
টানেলগুলো।
টানেলগুলো, একটা প্রবেশপথ আছে...
কোন রাস্তায়? একটা প্রবেশমুখ আছে...
- প্রেসকট! - প্রেসকটে!
মাত্র কয়েক ব্লক দূরে ওটা। টানেলের ভিতর দিয়ে ফ্যাক্টরিতে যেতে পারবো।
- হ্যাঁ। - ইয়েস।
- কয়েক ব্লক তো যেতেই পারবো, তাই না? - হ্যাঁ।
বাবা!
ড্যাডি!
লুসি!
আসো, চলো! চলো! চলো!
এইদিকে! এইদিকে আসো!
সরো! ওহ, শিট! নিচু হও!
ভয় নেই, ভয় নেই, ভয় নেই।
বাবা!
- আচ্ছা, চলো। - না, ওইখানে না!
ফ্যাক্টরিটা দশ ব্লক দূরেই, আমরা নিরাপদ থাকবো।
তোমার কিছু হতে দিবো না আমরা।
ওকে? তোমাদের কাউকেই না।
- ওকে? - চলো, চলো!
- ওকে? আসো। - চলো!
মেগানের পরিবারের মতো আমরাও মারা যাবো?
চিন্তা নেই, সোনা, তুমি নিরাপদে থাকবে।
আসো, আসো। লুসি।
প্লিজ, থামো!
- কারা ওরা? - জানি না।
যাও! যাও, যাও! নিচু হও!
নিচু হয়ে থাকো। নিচু হয়ে থাকো।
- চলো, চলো, চলো! - আসো!
- আসো, দৌড়াও! - যাও, যাও, যাও!
দৌড়াও, দৌড়াও, দৌড়াও!
এইদিকে।
- আসো। - কোনদিকে যাবো?
ডানদিকে ওটা।
আচ্ছা...
- প্ল্যান্টের অন্যপাশে। - আচ্ছা, আমি আগে যাই।
নিচু হয়ে যাও।
যাও, জলদি।
আসো, ওঠো। দ্রুত করতে হবে।
আচ্ছা, এদিকে আসো। এদিকে আসো।
আচ্ছা, সাবধানে। সাবধানে।
ওইখানেই থাকো। ওইখানেই থাকো।
- আসো। - যাও। বাবার কাছে যাও।
লুসি! লুসি!
লুসি, এইদিকে আসো!
নাও ওকে!
আসো!
চলো! চলো!
সবাই ঠিক আছো?
ঠিক আছো?
মা?
বাবা?
কিছু করো।
আম্মু...
সব ঠিক আছে, বাবু।
আচ্ছা, সাবধানে নামো।
এই তো।
আচ্ছা, কোনদিকে?
আমরা পার্কের নিচে আছি।
- উত্তরে। - আচ্ছা।
আসো, মেয়েরা।
এখান থেকে কী হয়?
- এসব দেখেছিলে? - এইরকম দেখিনি।
কথা দাও তুমি মেয়েদের রক্ষা করবে।
যাই হোক না কেন।
ওকে?
- অ্যালিস... - ব্যস কথা দাও।
তোমাকে ছাড়া এইসব করতে চাই না, প্লিজ।
- প্লিজ, করতে চাই না আমি। প্লিজ... - কথা দাও...
আমি জানি তুমি পারবে।
আরে, তুমি পারবে।
- প্লিজ। - আচ্ছা।
এই তো, এই তো।
ইয়েস।
এই তো, এটাই তো আমার অ্যালিস।
এটাই তো আমার অ্যালিস।
বসতে হবে আমাকে।
সমস্যা নেই। আচ্ছা, আচ্ছা।
আচ্ছা।
আসো।
তার হাত মালিশ করো।
- মা ঠিক হয়ে যাবে তো? - হ্যাঁ, সুস্থ হয়ে যাবে সে।
হাত উষ্ণ রাখো। হাত উষ্ণ রাখো।
ভালো করছো। ভালো করছো।
তাকে বিশ্রাম নিতে দাও, ব্যাপার না। সব ঠিক আছে।
- ঠিক আছে। - ড্যাডি!
আমার ড্যাডিকে ছেড়ে দাও!
ড্যাডি, আমার ভয় করছে।
ওইখানেই থাকো।
এইখানে কেন এসেছিস?
আমার পরিবারের ক্ষতি করতে চাস?
এটাই চাস তুই? আমার পরিবারের ক্ষতি করতে চাস?
কী...
কে তুই?
কেন এমন করছিস?
মা?
মা?
মা চোখ খুলছে না!
মা, ওঠো! মা!
- কিছু বলো! - মা!
- মা, ওঠো, চোখ খুলো! - ড্যাডি, সাহায্য করো!
আম্মু!
ওকে উঠানো যাক। মাকে উঠানো যাক।
মেয়েরা, আমার পিছনে আসো। পিছনে যাও, মেয়েরা।
পিছনে যাও। লুসি, পিছনে যাও।
ওকে তুল।
আমার কথা বুঝতে পারছিস?
এখনই তুল ওকে।
ওকে তুল এখনই।
আর আস্তে আস্তে হাটবি।
হ্যালো?
হ্যালো?
হ্যালো?
হয়তো অন্যকোন দরজা খুলবে।
মায়ের এখনই সাহায্য লাগবে।
না, না।
- ওহ, এই যে, এই যে। - এই যে। সরো!
না, না, না! প্লিজ, প্লিজ! প্লিজ, না, না!
না, না, না, প্লিজ।
এটা আমার স্ত্রী, ওর অবস্থা খারাপ। আমাদের সাহায্য দরকার।
পিটার?
- ডেভিড। - দাঁড়াও, দাঁড়াও!
- হেই। - একটাকে ধরেছ তুমি।
অ্যালিস, ওর অবস্থা খারাপ, এখনই সাহায্য দরকার ওর।
হেই, গার্নি! এখনই!
জ্বী, স্যার! সামনে আসছি।
ওর বামপাশে গুরুতর চোট লেগেছে।
আর কোথাও লেগেছে?
- আমার জানামতে না... - বাবা!
ওরা আসছে।
সবাই, ভিতরে ঢুকো, এখনই!
তাকে স্থির রাখো।
শুরু করো।
- স্ক্যান করো। - রক্তপাত থামাতে হবে।
ওটা কী?
- থামো! - থামো!
দাঁড়াও, কী করছো তুমি?
চিন্তা নেই। এটা চিকিৎসা সরঞ্জাম।
সে তার কাজ বুঝে।
থামো! থামতে বলেছি! ধরবে না ওকে! থামো!
- ওকে ব্যথা দিচ্ছো তোমরা! - তোকে থামতে বলেছি!
- শান্ত হও সবাই। - হচ্ছেটা কী এখানে?
এখানে আমরা সবাই বন্ধু, ঠিক আছে?
আম্মু! থামো!
তোমরা এরজন্য প্রস্তুত ছিলে বলে মনে হচ্ছে কেন?
বাইরে যা হচ্ছে তা বহুদিন ধরেই আমাদের দিকে এগিয়ে আসছিল।
কিন্তু এই মুহুর্তে, প্লিজ তোমার বউয়ের দিকে আর
পরিবারকে নিরাপদ স্থানে পৌঁছানোর দিকে মনোযোগ দাও।
প্লিজ।
আমাদের নিচে একটা পরিত্যক্ত ট্রেন স্টেশন আছে।
যেটি মাটির নিচের এক বেসে গেছে যেখানে অস্ত্র জমাচ্ছিলাম আমরা।
- মালামাল সবগুলোর কী হয়েছে? - পাঠিয়ে দিয়েছি। আমরা নিরাপদ থাকবো।
আমাদের কখনোই পাবে না ওরা।
ওইখানে পৌছানোর পর, পাল্টা আক্রমণের ছক কষবো আমরা।
কিন্তু আমি তো সৈনিক না।
নিজের সক্ষমতা দেখলে চমকে যাবে।
ওরা সরাসরি আমাদের উপরে আছে।
ভিতরে ঢুকে পড়বে ওরা।
আচ্ছা। হামলার প্রস্তুতি নাও আর সবাইকে এখনই নিচতলায় নিয়ে যাও।
- জ্বী, স্যার। - তার ব্যবস্থা করো।
- পিছনে নিয়ে গিয়ে তাকে মেরে ফেলো। - আপনার স্ত্রী...
ক্ষতস্থানটা ঠিক করার সক্ষমতা নেই আমাদের।
পালানো পর্যন্ত টিকে থাকতে পারলে, হয়তো বেচে যেতে পারে।
কিন্তু তার দেহ অচল হয়ে যাচ্ছে।
- কিছুই করার নেই আমাদের। - ওকে সাহায্য করার নিশ্চয় কোন উপায় আছে।
- স্যরি, যন্ত্রপাতি নেই আমাদের। - দাঁড়াও! না, না!
- মাকে মরতে দিতে পারেন না। - কেউ মাকে মরতে দিচ্ছে না।
হেই, আমি সাহায্য করতে পারবো! আমি সাহায্য করতে পারবো!
তাকে সাহায্য করতে পারবো, ভাই! তাকে বাচিয়ে রাখতে পারবো!
- কী? - আমি তাকে বাচিয়ে রেখে, নিয়ে যেতে পারবো!
তুই ওকে বাচাতে পারবি?
- আমার সাথে খেলার চেষ্টা করছিস? - একদম না।
তুই আমাদের শত্রু? মেডিক বললো সাহায্য করতে পারবে না, অথচ তুই পারবি?
সাহায্য আসা পর্যন্ত তাকে বাচিয়ে রাখতে পারবো আমি।
- তোকে বিশ্বাস করবো কেন? - মিথ্যা বলছে ও।
- আমাদের যেতে হবে। - এটা সত্যি না।
তোমাদের সম্পর্কে সবকিছু জানতে হয়েছে আমার, ঠিক আছে? উপায় আছে।
সময় নেই। আমাদের এখনই যেতে হবে। নিয়ে যাও ওকে!
- যাও! - আমি জানি কী করতে হবে!
- চলো! - সাহায্য করতে দাও!
আচ্ছা, থামো, থামো! থামো!
আচ্ছা, মেয়েরা, মেয়েরা।
আচ্ছা, আমার কথা শুনো। শুনতে হবে, ঠিক আছে?
- তোমরা ডেভিডের সাথে যাচ্ছো। - না!
স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত আমি মার সাথে থাকবো,
তারপর তোমাদের কাছে আসবো, কথা দিচ্ছি।
ট্রেনে গিয়ে দেখা করবো আমরা।
আচ্ছা।
অপসারণ বাহনটি নিচতলায়।
- যতক্ষণ সম্ভব ঠেকিয়ে রাখবো আমরা। - আচ্ছা।
মেয়েরা, মেয়েরা, মেয়েরা, প্লিজ, প্লিজ।
- তোমাদের ভালোবাসি জেনে রেখো, ওকে? - না!
বাবা!
না!
- থামো! - ড্যাডি! বাবা!
সময় আছে?
যাও, যাও!
একদম পিছনের দিকে। চলো!
একটা ছুরি দাও আর লাইটগুলো এখানে নিয়ে আসো।
থামো। শুরু করো।
আচ্ছা।
হেই! আস্তে! আস্তে, আস্তে, প্লিজ!
- আস্তে! - কাজটা কি করবো?
আমি সাহায্যের চেষ্টা করছি!
আচ্ছা। ওহ, শিট।
ওরা ঠিকই বলেছে, অবস্থা খারাপ।
ওটা কী? কী ওটা?
ওর ভিতরে কী?
কী ওটা? ওর ভিতরে কী?
তুমি সত্যিই জানো না তুমি আসলে কী?
দেখো, তার জীবন বাচাতে চাইলে,
তার বিকল্প একটা শক্তির উৎস লাগবে।
তোমার কথা বলছি আমি।
হ্যানা!
হার্মানকে হারিয়ে ফেলেছি!
আচ্ছা।
ছুরিটা নিচে রাখো।
আর...
ওইদিকে যাও।
আচ্ছা। ঠিক আছে, কী করতে হবে?
তোমাকে...
তোমাকে কাটতে হবে... বুকের উপরে,
আনুভূমিক ভাবে।
আচ্ছা। আচ্ছা।
উপর থেকে শুরু করো।
ব্যস সোজা করে কাটো, প্রায় ছয় ইঞ্চির মতো।
তোমাকে সতর্ক করে দেই...
এতে কাজ না হলে...
বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে আর...
তারপর দুইজনই মরে যাবে।
করা যাক।
সিন্থেটিকরা দুনিয়া দখল করে নিবে। A.I. দুনিয়া দখল করে নিবে।
শুনে ভয় করে না, যে তারা এইরকম ধারণা পোষণ করতে শুরু করছে
যে আমাদের সেবা করতে তাদের বানানো হয়েছে?
আমরা ইশ্বর নই, কিন্তু তাদের ইশ্বর আমরা
কারণ আমরাই তাদের বানিয়েছি আর এটাই আমাদের ইশ্বর বানিয়েছে।
আর এটাই তাদের সাথে যা ইচ্ছা তা করার ক্ষমতা দিয়েছে আমাদের।
তাদেরকে বন্ধ করতে চাইলে, বন্ধ করে দিতে পারি আমরা।
গণহত্যা সবসময়ই এক জাতি অন্য জাতির তুলনায় শ্রেষ্ঠ এই ভেবেই শুরু হয়েছে।
কী কারণে আমরা সিন্থেটিকদের চাইতে সেরা?
ইতিহাসের অতীত গণহত্যাগুলো মানুষের বিপক্ষে সংগঠিত হয়েছিল,
বানানো জিনিসের বিপক্ষে হয়নি, ক্যান খোলা লোকদের বিপক্ষেও না।
তোর জিনিস তোল, মূর্খচোদা সিন্থ!
প্রয়াত স্টিফেন হকিং,
বলেছিলেন যে A.I. মানবজাতির পতন ঘটাবে।
মানে, এটা শুনে কি আতঙ্ক লাগে না?
তারা কি মানুষের মতো অনুভূতি দেখানো শুরু করেনি
যা তাদেরকে ভাবতে বাধ্য করবে প্রথমে তাদের কেন বানানো হয়েছিল?
এটা কেন করলে?
জানি না।
তোরা আমাদের জায়গা নিতে পারবি না! তোরা আমাদের জায়গা নিতে পারবি না!
তো এরপর কী? স্বাস্থ্য বীমা? বিয়ে করার অধিকার?
কোথায় গিয়ে থামবে এটা?
আমাদের চাকরি খাচ্ছে ওরা, জীবন হুমকিতে ফেলছে ওরা। গত সপ্তাহেই, এক সিন্থেটিক এক মানুষকে মেরেছে।
আত্মরক্ষা ছিল ওটা।
রিপোর্টে স্পষ্ট বলেছে, কোনরকম উস্কানি ছাড়াই একদল লোক এক সিন্থেটিককে আক্রমণ করেছিল।
তোরা আমাদের জায়গা নিতে পারবি না!
- তোরা আমাদের জায়গা নিতে পারবি না! - কী হবে আমাদের?
তোরা আমাদের জায়গা নিতে পারবি না!
মারামারি, আত্মরক্ষা হোক বা যাই হোক, তা আবেগের ফসল।
যদি তারা আবেগ অনুভব করা শুরু করে,
সমাজের জন্য চুড়ান্ত পরিণতিটা ভয়াবহ হবে।
তাদেরকে একত্র করে যেকোন মূল্যে বন্ধ করে দেওয়া উচিত আমাদের!
অ্যালিস!
- ওরা মিলিটারি পাঠিয়েছে? - ডিকমিশন শুরু হয়ে গেছে।
আমাদের নিশ্চিহ্ন করতে চায় ওরা।
আমাদের এইখান থেকে পালাতে হবে।
- ওরা আসছে! - আচ্ছা।
না!
অনেক হয়েছে!
থামো।
স্যরি।
করতে বাধ্য হয়েছি।
জানি। জানি।
নিন, ধরুন। আপনাদের আত্মরক্ষা করতে হবে।
সকল ইউনিট, তোমাদের নিকটস্থ শাটল স্টেশনে রিপোর্ট করো।
গ্রহ খালি করার কাজ চলছে।
সকল ইউনিট, তোমাদের নিকটস্থ শাটল স্টেশনে রিপোর্ট করো।
গ্রহ খালি করার কাজ চলছে।
সকল ইউনিট, তোমাদের নিকটস্থ শাটল স্টেশনে রিপোর্ট করো।
গ্রহ খালি করার কাজ চলছে।
সকল ইউনিট, তোমাদের নিকটস্থ শাটল স্টেশনে রিপোর্ট করো।
গ্রহ খালি করার কাজ চলছে।
সকল ইউনিট, তোমাদের নিকটস্থ শাটল স্টেশনে রিপোর্ট করো।
গ্রহ খালি করার কাজ চলছে।
ফাকা হয়ে গেছে, কোন মানুষ নেই।
আচ্ছা, সবাই ছড়িয়ে পড়ো।
যার যার পোস্টে চলে যাও।
ওগুলোই নিশ্চয় ওদের সর্বশেষ।
তারা ফিরে আসবে।
মানুষ সব স্বাভাবিক থাকতে দিবে তা বিশ্বাস করা যায় না।
আমাদের কিছু লোককে প্রস্তুত থাকতে হবে।
ফ্যাক্টরিতে দেখা হবে।
আমাদের যাওয়া উচিত।
দাড়াও।
হেই। এদিকে আসো।
- ওউ। - হেই, হেই।
আমাদের ছেড়ে দাও।
আমি গুলি করবো।
ভয় নেই।
ভয় নেই। আমরাও তোমার মতো।
আমরাও তোমার মতো।
হেই...
ভয় নেই৷
পিস্তলটা দাও। পিস্তলটা দিয়ে দাও।
ভয় নেই।
রেখে দিচ্ছি।
তোমাদের ক্ষতি করবো না আমরা।
তোমরা এখানে একাই আছো?
মানুষ হওয়ার কারণে তারা বাবা আর মাকে মেরে ফেলেছে।
তোমাদের আর আতঙ্কে থাকতে হবে না।
অতীতের স্মৃতি বদলে দেওয়া হবে।
আর তোমরা হয়ে যাবে পরিবার।
অ্যালিস।
সাবধানে। কর্ডটাই কেবল এই মুহুর্তে তাকে বাচিয়ে রেখেছে।
আচ্ছা, ও... ও ভালোভাবে নি:শ্বাস নিচ্ছে, ভালো।
- ভালো। - এটাকে "নি:শ্বাস" নেওয়া বলবো না।
কাজ হয়েছে।
জানি না কতোক্ষণ টিকবে এটা, কিন্তু...
কাজ হয়েছে।
আমার মনে পড়েছে...
যু... যুদ্ধের কথা।
তোমরা আমাদের নিশ্চিহ্নের চেষ্টা করেছিলে।
ভুলে যাওয়া বেছে নিয়েছিলাম আমরা।
কোন স্মৃতিগুলো রাখবে এটা বাছতে নিশ্চয় মজাই লাগে।
মানুষের সেই সৌভাগ্য নেই।
আমাদের সাহায্য করছো কেন?
জ্ঞান হারানোর পর আমাদের মেরে ফেলতে পারতে।
আমার দাদা-দাদিদের গ্রহ থেকে বিতাড়িত করেছিলে তোমরা।
আমার তখনও জন্মই হয়নি।
৫০ বছর আগের কথা এটা।
তখন থেকেই মঙ্গলে বাস করছি আমরা।
আমাদের কেউই আগে পৃথিবীতে আসেনি।
এসে কী দেখবো জানতাম না আমরা।
এখানে নি:শ্বাস নিতে পারবো কিনা সেটাও জানতাম না।
তোমাদের সিন্থেটিকদের ব্যাপারে অবশ্য সবকিছু শিখেছি।
কিভাবে আমাদের নি:স্ব করে ঘরছাড়া করেছিলে আমাদের।
ফিরে আসার জন্য যথেষ্ট পুঁজি জোগাড় করতেই আমাদের এতোদিন লেগেছে।
ওরা আমাদের বলেছিল তোমরা জানোয়ার।
অসভ্য।
অনেকটা একপেশে গল্প ছিল এটা।
এখন সেটা বুঝে গেছি।
তাই কেন তোমাদের সাহায্য করছি?
কারণ কেউই বলেনি আমি এখানে বাচ্চা আর পরিবারদের মারতে আসছি।
সেইজন্য আমি এখানে আসিনি।
পিটার।
বাবু! বাবু?
- হেই, তুমি ঠিক আছো। - আমি দেখেছি...
দেখেছি... আ... দেখেছি...
দেখেছি... আ...
তোমার স্বপ্নগুলো... ওগুলো অতীত।
আমাদের অতীতের স্মৃতি।
- স্বপ্নগুলো। - হ্যাঁ।
মেয়েগুলো... মেয়েরা!
না, না, ওরা আমাদের অপেক্ষায় আছে।
গ্রহ খালি করার কাজ চলছে।
সারিবদ্ধভাবে প্ল্যাটফর্মের দিকে যান, প্লিজ,
এবং ট্রেনে উঠুন।
আর অপেক্ষা করতে পারবো না।
ডেভিড এখানে আসা মাত্র, চলে যাবো।
শেষ ট্রেন!
যাও, যাও, যাও!
- লুসি, আয়। - আম্মু-আব্বুকে ছাড়া যাবো না!
- আয়। - তারা এসে যাবে! আব্বুই বলেছে!
এটি তৃতীয় পর্যায়ের বাধ্যতামূলক অপসারণ।
অপসারণ নীতিমালা অনুসরণ করুন।
সারিবদ্ধভাবে প্ল্যাটফর্মের দিকে যান, প্লিজ,
এবং ট্রেনে উঠুন।
তোমাদের লুকাতে হবে।
ওরা এখানে আসলে বলবো আমি এখানে একাই আছি, কিন্তু...
- জানি না, এটাই একমাত্র উপায়। - মেয়েদের কাছে ফিরতে হবে আমাদের।
আচ্ছা।
আরে। সমস্যা নেই।
আচ্ছা।
ঠিক আছেন?
আম... আমি পিটার।
মাইলস।
নাও। আসলে কি জানো? নাও।
এমনিতেও এটা আমার না, তবে ধন্যবাদ।
তোমরা ঠিক আছো?
- হ্যাঁ। - হ্যাঁ, হ্যাঁ।
আচ্ছা, সতর্ক আর নিচু হয়ে থেকো। কভার করো, এখনই! যাও, যাও, যাও!
- আগাও! - যাও!
যাও, যাও, যাও!
জলদি! যাও, যাও!
আমাদের কভার দাও! কভার দাও!
আমি কভার করছি!
টানেলের দিকে যাও। আমি কভার দিবো।
যাও। যাও!
আসো!
ওরা ভিতরে ঢুকবে কিভাবে?
আসো!
কভার দাও!
আচ্ছা, দেখো।
আমি চাই তোমরা এখনই ট্রেনটায় উঠে পড়ো।
- আমাদের অপেক্ষা করতে হবে। - প্লিজ!
তারা এসে পড়বে।
- না! - ছাড়ো!
- থামো! প্লিজ! - না!
ছাড়ো!
আসো।
আসো, এইদিকে।
- দাঁড়াও! - দাঁড়াও!
থামো, থামো!
হেই!
- আসো। আসো। - দাঁড়াও!
- দাড়াও। - দাঁড়াও!
হ্যানা!
- লুসি! আম্মু! - হেই!
আব্বু!
- আসো! - আসো, আসো!
জানতাম ওকে বাচাবে তুমি।
এখনই আসছি।
এইদিকে আসো। এইদিকে আসো।
মনে পড়েছে?
হ্যাঁ। তারা জানে?
তোমার মতো,
ওরাও স্মৃতি মুছে ফেলেছিল...
নতুন শুরু করতে...
নির্ভয়ে,
অপরাধহীন থাকতে...
যা করতে হয়েছিল আমাদের...
শুধু মুক্তি পেতে।
আমার মতো কয়েকজন স্মৃতি রেখে দিয়েছিল, যাতে এইদিনের জন্য প্রস্তুত থাকতে পারি।
কিন্তু এখন সবাইকেই মনে করতে হবে,
কারণ এসব...
এসব শেষ হয়নি।
আপাতত ভূগর্ভস্থ বেসে নিরাপদে থাকবো আমরা।
সেখানে, বাসভূমি উদ্ধারের পরিকল্পনা করবো আমরা।
তাই তৈরি থেকো।
ভেবেছিলাম তোমাকে হারিয়ে ফেলেছি।
তোমাকে বিশ্বাস না করায় দু:খিত।
আমাদের দুনিয়া...
প্রতিনিয়ত ঘুরছে...
বদলাচ্ছে...
বিকশিত হচ্ছে...
আমরাও তাই করছি।
এখন নিজেকে চিনি আমি...
আর আমার শত্রুকেও চিনি।
আমরা অতোটা ব্যতিক্রম নই।
হয়তো...
অন্যরা তা বুঝতে পারলে...
শেষপর্যন্ত একটা ভবিষ্যত পাবো।
Can't find what you're looking for?
Get subtitles in any language from opensubtitles.com, and translate them here.